বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৫ / ১২৪ · ৯,৪০১৯,৫০০ / ১২,৪২১

৯,৪০১.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠিত হয়- ১৯৭৩ সালে। 
- বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে এ নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪০২.
ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ কে?
  1. ক) মহাত্মা গান্ধী
  2. খ) হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যা সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
-  রাজা রামমোহন রায় বাংলার নবজাগরণের স্রষ্ট্রা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- তিনি সুফি মতবাদে বিশেষভাবে প্রভাবিত ছেলেন।
-  তিনি বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন। 
- আধুনিক ভারতের রূপকার রাজা রামমোহন তৎকালীন সমাজের সামাজিক ও রাজনৈতিক গতিধারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। 
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- খ্রিস্টাব্দে ২০ আগস্ট তিনি ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপন করেন।
- তার ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা উপমহাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা করে।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
-  তাছাড়া ভারতীয়দের শিক্ষার জন্য ইংরেজ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ১ লক্ষ টাকা তিনি সংস্কৃত ও মাদরাসা শিক্ষায় ব্যয় না করে আধুনিক শিক্ষায় ব্যয় করার জন্য আবেদন করেন।
১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্ট্রা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪০৩.
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. জহির রায়হান
  4. তৌকির আহমেদ
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

জীবন থেকে নেয়া:
• পটভূমি - একটি দেশ। একটি সংসার। একটি চাবির গোছা। একটি আন্দোলন। নান্দনিক পোস্টারের এই স্লোগান পড়ে মনে হতে পারে কয়েকজন নারী আর একটি চাবির গোছা নিয়ে এক আটপৌরে বাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু সেটি ছিল আসলে একটি রাষ্ট্রের গল্প। রাষ্ট্রের অধিকার আদায়ের গল্প। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির গল্প।

- চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন জহির রায়হান।
- চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণ করেন আফজাল চৌধুরী।
- আনিস ফিল্মস করপোরেশনের পরিবেশনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল চলচ্চিত্রটি।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন খান আতাউর রহমান, আনোয়ার হোসেন, শওকত আকবর, রওশন জামিল, রাজ্জাক, রোজী সামাদ, আমজাদ হোসেন।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত হয়েছে আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি যা পরবর্তীকালে একুশের প্রভাতফেরীর অত্যাবশ্যকীয় গান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এছাড়াও সিনেমাটির সঙ্গীত নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহার হয় কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি যা আন্দোলন কর্মীদের গুরুত্বকে পর্দায় ফুটিতে তোলে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩।

৯,৪০৪.
‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. ক) ৫ম - ৬ষ্ঠ শতক
  2. খ) ৬ষ্ঠ - ৭ম শতক
  3. গ) ৭ম - ৮ম শতক
  4. ঘ) ৮ম - ৯ম শতক
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের পর দীর্ঘদিন বাংলায় কোন যোগ্য শাসক ছিল না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়।
সামন্ত রাজারা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকেন। অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম - ৮ম) কে পাল তাম্র শাসনে আখ্যায়িত করা হয়েছে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা 'গোপাল' এর শাসনামলে এই মাৎস্যন্যায় এর অবসান ঘটে ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৪০৫.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মহিলা অধ্যাপক কে?
  1. ড. নীলিমা ইব্রাহিম
  2. ড. সুফিয়া আহমেদ
  3. ড. জাকিয়া আকতার
  4. ড. জোহরা বেগম কাজী
সঠিক উত্তর:
ড. সুফিয়া আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সুফিয়া আহমেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মহিলা অধ্যাপক:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মহিলা অধ্যাপক হলেন ড. সুফিয়া আহমেদ।
- তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এই সম্মাননা লাভ করেন। 

⇒ ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাংকিং নীতি সবক্ষেত্রে রেখে গিয়েছেন নিজের অনন্য দৃষ্টান্ত। 
- সুফিয়া আহমেদ ভাষা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালক।
- বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
- ১৯৯৫ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক নিযুক্ত হন। 
- ২০২০ সালে সুফিয়া আহমেদ মারা যান।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
- বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকদের এ সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
- ১৯৭৫ সালে সর্বপ্রথম তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন:
• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
• শিক্ষাবিদ আবদুর রাজ্জাক এবং
• পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯,৪০৬.
ব্যালট বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করা হয় কোনটি?
  1. ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনকে
  2. ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে
  3. ১৯৫৬ সালের অধিবেশনকে
  4. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়কে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়কে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের বিজয়কে পত্রপত্রিকায় ব্যালট–বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।

⇒ পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে যুক্তফ্রন্ট গঠন ও ১৯৫৪ সালের নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বাঙালি জাতি, বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি এবং বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে মুসলিম লীগ নেতৃত্বের কার্যকলাপ ও পাকিস্তানি শাসকদের ছয় বছরের শোষণের বিরুদ্ধে এই নির্বাচন ছিল 'ব্যালট বিপ্লব'। পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির কয়েক বছরের মধ্যেই ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিভিন্ন উপদল, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ব্যর্থ শাসন, অঞ্চলভেদে বৈষম্যমূলক নীতি প্রভৃতির কারণে এই সময়ে পূর্ব বাংলায় আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-প্রজা পার্টি, পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি, নেজাম-ই-ইসলামী, পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস প্রভৃতি রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য স্ব-স্ব জনসমর্থন যাচাইয়ের একটি সুযোগ সৃষ্টি করে। পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতিতে এই নির্বাচন সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪০৭.
'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' এর সাথে কোন শিক্ষা কমিশনের সম্পর্ক রয়েছে?
  1. পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা কমিশন
  2. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  3. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  4. আকরাম খাঁ শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' এর সাথে শরিফ শিক্ষা কমিশন (১৯৬২) এর সম্পর্ক রয়েছে।

১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন:

- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশের কারণে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়, এটি ইতিহাসে ‘বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন’ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ’ আহত হন। এই আন্দোলনের চাপে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করা হয়। এর ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪০৮.
শেখ মুজিবকে রাজনীতির কবি উপাধি দিয়েছিল-
  1. ক) দ্যা ইকোনমিষ্ট
  2. খ) দ্যা টাইম
  3. গ) দ্যা গার্ডিয়ান
  4. ঘ) দ্যা নিউজ উইক
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্যা নিউজ উইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্যা নিউজ উইক
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল প্রকাশিত দ্যা নিউজ উইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুকে ’রাজনীতির কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫)  জাতির জনক এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২)।
- ১৯৭৩ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয় জুলিও কুরি পদক। 
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম থেকে তোফায়েল আহমদ 'বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও mujib100.gov.bd
 
৯,৪০৯.
রাঢ় জনপদ কতটি অংশে বিভক্ত ছিল?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- রাঢ় জনপদটি দুইটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪১০.
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. আবদুস সাত্তার
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করে খন্দকার মোশতাক আহমদ।
- ১৫ই আগস্টের বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৯,৪১১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সেনাপ্রধান ছিলেন কে?
  1. ক) জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  2. খ) জেনারেল রুস্তম জী
  3. গ) জেনারেল স্যাম মানেকশ
  4. ঘ) জেনারেল বিপিন রাওয়াত
সঠিক উত্তর:
গ) জেনারেল স্যাম মানেকশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনারেল স্যাম মানেকশ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল স্যাম মানেকশ। তিনি ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের প্রধান ছিলেন। জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান। তখন ভারতীয় বিএসএফ প্রধান ছিলেন কে এফ রুস্তমজী। বিপিন রাওয়াত ভারতের সদ্যসাবেক সেনাপ্রধান। (সূত্রঃ ইন্ডিয়ান আর্মি ও বিএসএফ ওয়েবসাইট)
৯,৪১২.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি ঘোষণা দেন -
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. আ.স.ম আব্দুর রউফ
  3. তোফায়েল আহমেদ
  4. মোনায়েম খান 
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমানের 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি:

• শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯।
• ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের  এক সভায় লাখো জনতার সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়।  
এই উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। 
• এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
• ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অভিযুক্ত অন্যান্যদের সঙ্গে আগরতলা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে মুক্তি লাভ করেন।
• ১৯৬৮-৬৯ মেয়াদের ডাকসু ভিপি তোফায়েল বলেছেন, - “ঐতিহাসিক ১১-দফা আন্দোলনের ভিত্তিতে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত করেছিলাম। কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ জাতির পক্ষ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে।” 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।  
৯,৪১৩.
ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ গঠিত হয়েছিল-
  1. ক) কোম্পানির মালামাল চুরি প্রতিরোধের জন্য
  2. খ) টাকশালে নিজস্ব টাকা তৈরীর জন্য
  3. গ) ইংরেজদের নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করার জন্য
  4. ঘ) বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার জন্য
সঠিক উত্তর:
গ) ইংরেজদের নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইংরেজদের নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করার জন্য
ব্যাখ্যা

- ইংরেজদের নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করার জন্য ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ গঠন করেছিল।
- ১৬৯৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলিকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চিকিৎসক সার্জেন্ট উয়িলিয়াম হ্যামিল্টন দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত দিল্লির সম্রাট ফররুক শিয়রকে সুস্থ করে তুললে ১৭১৭ সালে সম্রাট এক ফরমান জারি করে সমগ্র ভারতবর্ষে বিনাশুল্কে বাণিজ্য করাসহ সুযোগসুবিধা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে প্রদান করে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯,৪১৪.
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. আ. স. ম. আবদুর রব
  2. শাহজাহান সিরাজ
  3. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. সিরাজুল আলম খান
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৪১৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
  1. ৮:৬
  2. ১০:৬
  3. ৬:৩
  4. ১২:৬
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ। 
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৪১৬.
তারামন বিবি কত নম্বর সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন?
  1. ৯নং সেক্টর
  2. ১১নং সেক্টর
  3. ২নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ১১নং সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারামন বিবির হাতে তুলে দেন বীর প্রতীক সম্মাননা। 
- ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সবাইকে ছেড়ে যান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক। 

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট ও দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৯,৪১৭.
সর্বপ্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. ক) প্লেটো
  2. খ) থালেস
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) পিথাগোরাস
সঠিক উত্তর:
খ) থালেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থালেস
ব্যাখ্যা
দর্শন শাস্ত্রে প্রাচীন গ্রিস:
- দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল।
- পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শন চর্চার সূত্রপাত।
- থালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক। তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন।
- এরপর গ্রিসের যুক্তিবাদী দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটে। এদের বলা হতাে সফিস্ট। এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই।
- গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন।
- সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান। তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তােলা। অন্যায় শাসনের প্রতিবাদ করার শিক্ষাও তিনি দেন।
- সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন। 


উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪১৮.
কার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ফরায়েজী আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. খ) গোলাম রসুল
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) তিতুমীর
সঠিক উত্তর:
গ) দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- প্রথমদিকে ফরায়েজী আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন এবং ক্রমে আর্থ-সামাজিক সংস্কারে রূপ নেয়।
- ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যু হলে তার পুত্র মুহসীনউদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- তবে ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজী আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়ে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৯,৪১৯.
'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' এর আহবায়ক ছিলেন -
  1. শামসুল আলম
  2. কাজী গোলাম মাহবুব
  3. অলি আহাদ
  4. আবুল হাশিম
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

→ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে ৷
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম ।

→ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

→ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় ।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৯,৪২০.
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আসেন?
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) হিউয়েন সাং
  3. গ) মেগাস্থিনিস
  4. ঘ) মা হুয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন। তিনি ১০ বছর ভারতে অবস্থানকালে তাঁর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ৭টি গ্রন্থ রচনা করেন। এর মধ্যে ‘ফো-কুয়ো-কিং’ বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন। হিউয়েন সাং ছিলেন চীন দেশীয় বৌদ্ধ পণ্ডিত। হর্ষবর্ধনের দরবারে তিনি আট বছর কাটান। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪২১.
ইসলাম খান চিশতি কত সালে ঢাকাকে রাজধানী করে?
  1. ১৬১০ সালে
  2. ১৬৩৩ সালে
  3. ১৬৪৫ সালে
  4. ১৬৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,৪২২.
বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা সর্বপ্রথম কে পাঠ করেন?
  1. জহুর আহমেদ চৌধুরী
  2. এম. এ. হান্নান
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ইউসুফ আলী
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. এ. হান্নান
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা
- ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে পাকবাহিনীর নৃশংসতম আক্রমণের পরে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে রাত দেড়টার কিছু পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইংরেজিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
- এই ঘোষণা তিনি ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছে দেন।
- সেই রাতেই চট্টগ্রাম ওয়্যারলেস জহুর আহমেদ চৌধুরীকে এটি পাঠিয়ে দেন।
- জহুর আহমেদ চৌধুরী এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নান এই ঘোষণার বঙ্গানুবাদ করেন।
- ২৬ মার্চ দুপুর আড়াইটায় এম. এ. হান্নান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
- ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর নামে ইংরেজিতে এই ঘোষণা পাঠ করেন।
- এই ঘোষণার প্রথম দুটি লাইন ছিল, 'This may be my last message. From today Bangladesh is independent.'

তথ্য- পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো মোজাম্মেল হোক।
৯,৪২৩.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেছিলেন?
  1. সিকান্দার লোদি
  2. ইব্রাহিম লোদি
  3. হিমু
  4. রানাসঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদি
ব্যাখ্যা
পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

→ পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:

- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

→ পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

→ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪২৪.
সরকারি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ সংখ্যা কত? 
  1. ৮৩২ জন 
  2. ৮৩৬ জন
  3. ৮৪৪ জন
  4. ৮৫৬ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদ:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
- এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

উল্লেখ্য,
- ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
- গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
- তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

এছাড়াও,
- জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে  ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই গুলিবিদ্ধ হন নিজ বাসার বারান্দা ও ছাদে। ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সড়কে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা। 

তথ্যসূত্র: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বিবিসি।
iii) প্রথম আলো।

৯,৪২৫.
'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি কত সালে রচিত হয়?
  1. ক) ১৯০৫
  2. খ) ১৯০৬
  3. গ) ১৯১২
  4. ঘ) ১৯১৩
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত। এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি পরে তার ‘গীতবিতান’ গ্রন্থের স্বরবিতান অংশে অন্তর্ভূক্ত। এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে। উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৯,৪২৬.
পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের (Constituent Assembly) ধারা বিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি কে প্রথম করেছিলেন?
  1. আবুল হাশেম
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট — পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন।
----------------------- 
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১):
- তিনি ছিলেন একজন আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ।
- ১৯৪৭ সালের পর একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিক হিসেবে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
— ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে পুত্র দিলীপকুমার দত্তসহ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁদেরকে ময়নামতী সেনানিবাসে নিয়ে হত্যা করা হয়।
- তাঁর স্মরণে কুমিল্লা শহরে তাঁর বাসভবনের সামনের রাস্তাটির নামকরণ করা হয়েছে ’ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সড়ক’।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৪২৭.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র নাম কী দিয়েছিলেন?
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  4. আগরতলা মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৪২৮.
বাংলায় সর্বপ্রথম জুড়ি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড বেটিঙ্ক
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেটিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেটিঙ্ক
ব্যাখ্যা
বিচার ব্যবস্থা:

- কর্নওয়ালিসের সময় বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করা হয়, একে ফৌজদারি ও দেওয়ানি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের ফলে সদর নিজামত আদালত মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাংলা বিহার এ উড়িষ্যাকে মোট ১২টি বিভাগে বিভক্ত করে প্রতিটি বিভাগে একটি ভ্রাম্যমান কোর্ট স্থাপন করা হয়।
- এই আদালতের প্রত্যেকটিতে দুজন ইংরেজ বিচারক এবং আইন ব্যাখ্যার জন্য কাযি ও মুফতি নিযুক্ত করা হয়।
- লর্ড বেটিঙ্ক সর্ব প্রথম বিচার কার্য ও রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেশীয়দের ওপর ন্যস্ত করেন।
- লর্ড বেটিঙ্ক ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সর্বপ্রথম জুড়ি ব্যবস্থার প্রবর্তণ করেন এবং ভারতীয়দের জুরির সদস্য নিযুক্ত করা হয়।
- একই সঙ্গে আঞ্চলিক ভাষায় বিচারকার্য সমাধার নির্দেশ দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪২৯.
নিঝুম দ্বীপের আরেক নাম -
  1. মুহুরীর চর
  2. সুবর্ণ চর
  3. ভাসান চর
  4. বাউল্লার চর
সঠিক উত্তর:
বাউল্লার চর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল্লার চর
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।

উৎস: ২৫ এপ্রিল, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৯,৪৩০.
রায়মঙ্গল নদী কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. সাতক্ষীরা
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
রায়মঙ্গল নদী:
- রায়মঙ্গল নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- এটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- নদীটি সাতক্ষীরা জেলার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে কালিন্দী নামে প্রবাহিত হয়ে আরও দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর প্রবেশের পর রায়মঙ্গল নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি রায়মঙ্গল নদীর কাঁচিকাটা এলাকা থেকে একটি বাঘের মরদেহ উদ্ধার করেছেন বন বিভাগের সদস্যরা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ২৫ নভেম্বর ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
৯,৪৩১.
২০২৩ সালে কোন বনভূমিকে দেশের ২৫তম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়?
  1. টেংরাগিরি বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  2. চান্দপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  3. পাবলাখালী বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য
  4. বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
সঠিক উত্তর:
বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
ব্যাখ্যা
বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- ২৫তম বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, কক্সবাজার।

এছাড়াও আরো কিছু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যগুলো হচ্ছে -
- রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ।
- চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ভোলা।
- সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, বাগেরহাট।
- সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, খুলনা।
- পাবলাখালী বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর।
৯,৪৩২.
মোগল প্রশাসনে রাজস্ব বিভাগ ন্যাস্ত ছিল কার উপর?
  1. দিউয়ান
  2. কাজী-উল- কুজ্জাত
  3. মীর বক্সি
  4. মীর-ই-সামান
সঠিক উত্তর:
দিউয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিউয়ান
ব্যাখ্যা
মোগল প্রশাসন:

- মোগল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- এটি ফার্সি শব্দ যা বাংলায় বাদশাহ হিসেবে ব্যবহৃত।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল। তিনি কোনো কোনো সময় রাজস্ব বিভাগও দেখাশুনা করতেন।
- তবে মোগল প্রশাসনের ওয়াজিরের পদ অপরিহার্য ছিল না। তাই মোগল আমলে সব সময় ওয়াজির নিযুক্ত হত না।
- মোগল আমলের রাজস্ব বিভাগের যাবতীয় কার্যভার দিউয়ানের ওপর ন্যস্ত ছিল। তিনি অর্থনৈতিক বিভাগের পরিচালনা ও পরিদর্শন করতেন।
- মীর বকসি ছিলেন সামরিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সর্বোচ্চ রাজকর্মচারি।
- মীর-ই-সামান ছিলেন সম্রাটের গৃহ পরিচালনার ভারপ্রাপ্ত কর্মচারি।
- কাজী-উল-কুজ্জাত বা প্রধান কাজী ছিলেন সম্রাটের অধীনে সর্বোচ্চ বিচারপতি।
- বিশাল মোগল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৩৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা 
  2. কুমিল্লা 
  3. খুলনা 
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরাজয় হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর।
- কিন্তু আত্মসমর্পণের পরও পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল।
- ঢাকায় আত্মসমর্পণের ১ সপ্তাহ পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর ২৩ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় কুমিল্লার হোমনা।
- কিন্তু ঢাকার মিরপুর তখনো পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারিদের হাতে পুরোপুরি অবরুদ্ধ।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি এক বিশেষ সামরিক অভিযানের পর ৩১ জানুয়ারি ১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি সেনা, বিহারি, রাজাকার, আলবদরদের অস্ত্রসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্ত হয় মিরপুর।

অন্যদিকে -
- সিলেট জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- কুমিল্লা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- খুলনা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১।

উৎস: The Daily Star Bangla.

৯,৪৩৪.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কবে গৃহীত হয়?
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক দলিল। 
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণাপত্র প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে কার্যকর হয়।
- এ ঘোষণা স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত, দেশের সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম তফসিলে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৪৩৫.
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ৮ সেপ্টেম্বর
  2. ১১ জুলাই
  3. ২৩ জুলাই
  4. ২ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জুলাই
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস - ১১ জুলাই;

• আরও কিছু জাতীয় দিবস:
- জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস = ২৩ জুলাই;
- জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস =  ৯ আগস্ট;
- আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস = ৮ সেপ্টেম্বর;
- বিশ্ব নৌদিবস = সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ;
- জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস = ২ অক্টোবর;
- শিশু অধিকার দিবস = অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার;
- আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস = ১৩ অক্টোবর;
- বিশ্ব খাদ্য দিবস = ১৬ অক্টোবর ;
- জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস = ২২ অক্টোবর;
- জাতীয় যুব দিবস ১ নভেম্বর;
- জাতীয় সমবায় দিবস নভেম্বর মাসের প্রথম শনিবার;
- বিশ্ব এইডস দিবস = ১ ডিসেম্বর;
- জাতীয় বস্ত্র দিবস = ০৪ ডিসেম্বর;
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস = ৯ ডিসেম্বর;
- বেগম রোকেয়া দিবস = ৯ ডিসেম্বর;

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৯,৪৩৬.
জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী কত হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ মিত্রবাহিনীর নিকটে আত্মসমর্পণ করে?
  1. ৮১ হাজার
  2. ৮৮ হাজার
  3. ৯৩ হাজার
  4. ৯৭ হাজার
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ হাজার
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
          ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, প্রথম আলো।
৯,৪৩৭.
মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. ক) আবু ওসমান চৌধুরী
  2. খ) মেজর রফিকুল ইসলাম
  3. গ) মেজর এটিএম হায়দার
  4. ঘ) মেজর আবু তাহের
সঠিক উত্তর:
গ) মেজর এটিএম হায়দার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেজর এটিএম হায়দার
ব্যাখ্যা
মেজর খালেদ মোশাররফ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার পদে নিযুক্ত ছিলেন। পরে মেজর এটিএম হায়দার সেবছর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,৪৩৮.
বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ৬ দফাকে
  2. ২১ দফাকে
  3. ১১ দফাকে
  4. ৩৫ দফাকে
সঠিক উত্তর:
৬ দফাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা।
তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
৯,৪৩৯.
পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) এম এ জি ওসমানি
  2. খ) এ কে খোন্দকার
  3. গ) আব্দুর রব
  4. ঘ) কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে খোন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে খোন্দকার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এদিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৪৪০.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক কী?
  1. দোয়েল
  2. বলাকা
  3. শাপলা
  4. গাঙচিল
সঠিক উত্তর:
বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিমান:
- বাংলাদেশ বিমানের বাণিজ্যিক নাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
- ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে কার্যক্রম শুরু হয়।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক বলাকা।
- প্রতীকা বলাকা-এর ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশ বিমানের শ্লোগান 'আকাশে শান্তির নীড়'।
- সদর দপ্তর: বলাকা ভবন, কুর্মিটোলা, ঢাকা।

⇒ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি।
- যথা:
• হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
• শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
• ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- প্রধান বিমানবন্দরের নাম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

উল্লেখ্য,
- বিমান বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ সংখ্যা ২১টি।

উৎস: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইট।
৯,৪৪১.
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হবিগঞ্জ
  2. খ) বাগেরহাট
  3. গ) বরগুনা
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ক) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য।
- এটি একটি শুকনো ও চিরহরিৎ বন এবং সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি।
- সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় এ অভয়ারণ্যের অবস্থান।
- রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর।
- বাংলাদেশের যে কয়েকটি প্রাকৃতিক বনভূমি এখনো মোটামুটি ভাল অবস্থায় টিকে আছে, রেমা-কালেঙ্গা তার মধ্যে অন্যতম।

 তথ্যসূত্র: হবিগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৯,৪৪২.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?
  1. ২ মার্চ, ১৯৭০ সালে
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  3. ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম পতাকার ইতিহাস:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৯,৪৪৩.
EVM বলতে কি বুঝায়?
  1. ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন
  2. ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন
  3. ইলাস্টিক ভোটিং মেশিন
  4. এফিসিয়েন্ট ভোটিং মেশিন
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন
ব্যাখ্যা
EVM:
- EVM এর পূর্ণরূপ: Electronic Voting Machine বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত।
- এতে একটি মেশিনে প্রায় চার হাজারটি পর্যন্ত ভোট দেয়া যায়।
- সর্বোচ্চ ৬৪ জন প্রার্থীর তালিকা থাকে।
- বাটন চাপ দিয়ে অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তিও ভোট দিতে পারে।
- একটি ভোট দিতে আনুমানিক ১৪ সেকেন্ড সময় লাগে। 
- ভোট গ্রহণের স্থান হিসেবে ভোট কেন্দ্রেই মূলতঃ ইভিএম ব্যবহার করা হয়। 

উল্লেখ্য,
-  ইভিএম পদ্ধতি প্রথম চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬০ সালে। 
- পাইল্যাব বাংলাদেশ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইভিএম মেশিন তৈরি করে থাকে।
- ২০০৭ সালে ঢাকার অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদের নির্বাচনে এ পদ্ধতি প্রথম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, যুগান্তর।
৯,৪৪৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. চাঁদপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং গ্রাম।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায়, বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থিত।

- এটি ৪টি ইউনিয়ন মিলে গঠিত হয়েছে বানিয়াচং গ্রাম। গ্রামটিতে ১২৭টি পাড়া বা মহল্লা রয়েছে।
- বানিয়াচং উপজেলার সরকারি তথ্য বাতায়নে বলা হয়েছে, এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচং।
- বিশ্বভ্রমণ শেষে ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাস তাঁর গ্রন্থে বানিয়াচং গ্রামকে পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রাম হিসেবে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য,
-  ত্রিশের দশকে  লাউড় রাজ্যের রাজধানীও এখানে ছিল।
- রাজধানীর দালানের ধ্বংসাবশেষ এখনো রয়েছে। কারও মতে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে বানিয়াচং প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৯,৪৪৫.
জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ কত তারিখে শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ১৫ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৭ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৮ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।

⇒ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৯,৪৪৬.
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায়-
  1. ক) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  3. গ) ভারতেশ্বরী হোমস
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

- ৭ মার্চ ২০২১ সালে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
উৎস: ডেইলি স্টার রিপোর্ট।

৯,৪৪৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড ফোর্স ছিল কয়টি ?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
সঠিক উত্তর:
ক) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তিনটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গনকে তিন জন ব্রিগেড অধিনায়কের(মেজর খালেদ মোশাররফ,মেজর কে এম সফিউল্লাহ, মেজর জিয়াউর রহমান) আওতায় তিনটি ফোর্সে বিভক্ত করা হয় ।

-তাদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ফোর্থ ফ্লোর নামকরণ করা হয়।

- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ, এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন কে এম শফিউল্লাহ, জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন জিয়াউর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণীর

৯,৪৪৮.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ এর কথক ছিলেন কে?
  1. কামাল লোহানী
  2. এম এ আবদুল হান্নান
  3. এম আর আখতার হামিদ
  4. এম আর আখতার মুকুল
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
• এম. আর আখতার মুকুল:
- এম আর আখতার মুকুল সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর কথক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র সম্পাদনার দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছুদিন কাজ করেছেন।পরে তিনি ঢাকায় সাগর পাবলিশার্স নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর রচিত ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

• এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- পল্লী এক্সপ্রেস (অনুবাদ, ১৯৬০),
- রূপালী বাতাস (১৯৭২),
- রূপালী বাতাস সোনালী আকাশ (১৯৭৩),
- মুজিবের রক্তলাল (১৯৭৬),
- ভাসানী মুজিবের রাজনীতি (১৯৮৪),
- পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন (১৯৮৫),। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৯,৪৪৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠের তালিকায় কোন বাহিনীর সদস্য ছিলেন না?
  1. বিমান বাহিনী
  2. পুলিশ বাহিনী
  3. সেনাবাহিনী
  4. নৌবাহিনী
সঠিক উত্তর:
পুলিশ বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ বাহিনী
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ই পি আর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস)।

⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: সেনাবাহিনী।

⇒ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: ই পি আর।

⇒ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন: ১০নং সেক্টর।
- কর্মস্থল: নৌবাহিনী।

⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: পশ্চিম পাকিস্তান।
- কর্মস্থল: বিমান বাহিনী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্য বীরশ্রেষ্ঠের তালিকায় নেই।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,৪৫০.
বলেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে নিচের কোন জনপদটি ছিল?
  1. পুণ্ড্র
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা

চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বলেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’। 
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৪৫১.
গৌড়ের সোনা মসজিদ কোন আমলের স্থাপত্যের রত্ন হিসেবে আখ্যায়িত?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মুঘল
  4. সুলতানি
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানি
ব্যাখ্যা
সোনা মসজিদ:
- গৌড়ের সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনামসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন’।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৪৫২.
'জুলাই ৩৬ গেট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  3. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  4. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা

জুলাই ৩৬ গেট:
- 'জুলাই ৩৬ গেট' অবস্থিত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি), সিলেট।
- এটি উদ্বোধন করা হয় ৪ জুলাই ২০২৫।
- জুলাই ৩৬ গেট উদ্বোধন করেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম।
- এর উদ্দেশ্য জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিকে সংরক্ষণ এবং স্বাধীনতা, ন্যায় ও গণতন্ত্রের চেতনা প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়া।
- এর নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা।
- জুলাই ৩৬ গেটের প্রতীকী অর্থ জাতীয় সংহতি, সাহস ও শহীদদের আত্মত্যাগের চিহ্ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার অনলাইন পোর্টাল। 

৯,৪৫৩.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫২৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- বাবর বুঝেছিলেন পানিপথের প্রান্তরের যুদ্ধে জয় লাভ করলে তাঁর দিল্লির সিংহাসনে বসার পথ সহজ হয়ে যাবে।
- তাই তিনি দিল্লির নিকটবর্তীপানিপথ প্রান্তরে দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন।
- তারিখটি ছিল ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ১২ এপ্রিল।
- বাবরের আত্মজীবনী তুযুক-ই-বাবরী থেকে জানা যায়, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
- তাছাড়া পাঞ্জাব জয়ের পর কিছুসংখ্যক অতিরিক্ত সৈন্যও তাঁর সাথে যোগদান করে। তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪৫৪.
বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. এগারো দফা
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ৬ দফা
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪৫৫.
‘অপারেশন সার্চলাইট’ কী?
  1. ১৯৭১ সালের যুদ্ধপ্রস্তুতি
  2. ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের পরিকল্পিত গণহত্যা
  3. নৌঘাঁটি আক্রমণ
  4. ১৯৬৯ সালের পাকিস্তানিদের পরিকল্পিত গণহত্যা
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের পরিকল্পিত গণহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানিদের পরিকল্পিত গণহত্যা
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ, ১৯৭১ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ৩ ব্যাটেলিয়ান পাকিস্তানী সৈন্য 'অপারেশন সার্চলাইট-এ' অংশগ্রহণ করে।
- তারা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংগঠিত করে।

উল্লেখ্য,
⇒ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন: গভর্নর লে. জে. টিক্কা খান।
- ঢাকা শহরের দায়িত্বে: মেজর রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাইরে দায়িত্বে: মেজর খাদিম হোসেন রাজা।
- ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের সাথে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেনারেলসহ ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ - ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.
৯,৪৫৬.
কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ক) ৪০ খ্রিষ্টাব্দে
  2. খ) ৫৫ খ্রিষ্টাব্দে
  3. গ) ৬০ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
রােমান সভ্যতার স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও বিজ্ঞান: 
- রােমান স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর বিশালতা।
- স্মাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রােমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রােমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলােসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রােমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল।
- রােমান ভাস্করগণ দেব-দেবী, সম্রাট, দৈত্য, পুরাণের বিভিন্ন চরিত্রের মূর্তি তৈরি করতেন মার্বেল পাথরের।
- বিজ্ঞানীদের মধ্যে কেউ কেউ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হন।
- তাদের মধ্যে প্লিনি বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বকোষ প্রণয়ন করেন।
- এতে প্রায় পাঁচশ’ বিজ্ঞানীর গবেষণাকর্ম স্থান পেয়েছে।
- তাছাড়া চিকিৎসা বিজ্ঞানে রােমানদের অবদান ছিল।
- বিজ্ঞানী সেলসাস চিকিসা বিজ্ঞানের ওপর বই লেখেন।
- এছাড়া চিকিৎসাশাস্ত্রে গ্যালেন রুফাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪৫৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন টাইগার
  3. অপারেশন থান্ডারবোল্ট
  4. অপারেশন ব্লু বার্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা

অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ডো বাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- ১৯৭১ সালের ১৬ই অগাস্ট প্রথম প্রহরে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা, এবং দুইটি নদী বন্দর -চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- এ অভিযানে অংশগ্রহণকারী কোন গেরিলা শত্রুপক্ষের হাতে ধরা পড়েননি।

উলেখ্য, 
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC. 

৯,৪৫৮.
একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. শ্যামল ছায়া
  2. আবার তোরা মানুষ হ
  3. জীবন থেকে নেয়া
  4. ওরা ১১ জন
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা

- একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা জীবন থেকে নেয়া।
- সিনেমাটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
- এতে অভিনয় করেন রাজ্জাক, সুচন্দা, আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান ও রওশন জামিল।
- এ ছবির চিত্রগ্রাহক আফজাল চৌধুরী।
- চলচ্চিত্রের গানগুলোয় সুরারোপ করেন খান আতাউর রহমান।
- জীবন থেকে নেয়া সিনেমার পরিবেশক আনিস ফিল্ম। মুক্তি পায় ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল।
- এই চলচ্চিত্রে এক গৃহকর্ত্রীর স্বেচ্ছাচারী ভূমিকার মাধ্যমে পাকিস্তানি স্বৈরতন্ত্রকে তুলে ধরা হয়েছে।

 অন্যদিকে,
- শ্যামল ছায়া, ওরা ১১ জন বাংলাদেশী যুদ্ধভিত্তিক নাট্য চলচ্চিত্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

৯,৪৫৯.
অপারেশন কিলো ফ্লাইট পরিচালনা করেছে -
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. গেরিলা
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:

- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
৯,৪৬০.
হামিদুর রহমানের নকশায় স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৩ সালে
  3. গ) ১৯৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণে ২৩ শে ফেব্রুয়ারী প্রথম অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয় যা শহীদ শফিউরের পিতা উদ্বোধন করেন কিন্তু পুলিশ তা ভেঙে ফেলে। ১৯৫৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হামিদুর রহমানের নকশায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে স্থায়ী শহিদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় যা ১৯৬৩ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী উদ্বোধন করা হয়। ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনী এটি ভেঙে ফেললে দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে একই নকশায় একই স্থানে পুনরায় এটি নির্মাণ করা হয়। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৪৬১.
পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটান কে??
  1. লিয়াকত আলী
  2. টিক্কা খান
  3. ইসকান্দর মির্জা
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
ইসকান্দর মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসকান্দর মির্জা
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৬ সালের সংবিধান:
- সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই একটি কার্যকর সংবিধান প্রণয়নের দাবি ওঠে।
- নতুন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান শুরুতে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী পরিচালিত হতো।
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় পাকিস্তান গণপরিষদ।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল কেন্দ্রীয় আইনসভা হিসেবে কাজ করা এবং একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অসহযোগিতা ও অনীহার কারণে গণপরিষদের কার্যক্রম বিঘ্নিত হতে থাকে।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে গণপরিষদ একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করে।
- তবে এই কমিটিতে পূর্ব বাংলার প্রতিনিধিত্ব ছিল খুবই কম।
- দীর্ঘ ১৮ মাস পর কমিটি তাদের প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যা পূর্ব বাংলার জনগণকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত করে।
- ফলস্বরূপ, ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলে পূর্ব বাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয় এবং জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করে।
- পরবর্তী সময়ে মূলনীতি কমিটি ১৯৫২ সালে দ্বিতীয় ও ১৯৫৩ সালে তৃতীয় প্রতিবেদন প্রকাশ করে, কিন্তু সংবিধান প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়নি।
- অবশেষে ১৯৫৫ সালের মার্চ মাসে গভর্নর জেনারেল নতুন করে সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেন।
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের নেতারা এক চুক্তিতে পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং তারই ভিত্তিতে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান রচিত হয়। এই সংবিধানটি দুই বছর কার্যকর ছিল।
- তবে ১৯৫৮ সালে প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইসকান্দর মির্জা সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত হয়ে যায়।
- এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশটি আবার সামরিক ও স্বৈরশাসনের পথে অগ্রসর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯,৪৬২.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে? 
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল আহাদ
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• একুশে ফেব্রুয়ারি:
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটির সুরকার — আলতাফ মাহমুদ।
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি -গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

৯,৪৬৩.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন হয় -
  1. ক) ১৮৮২ সালে
  2. খ) ১৮৭২ সালে
  3. গ) ১৮৬১ সালে
  4. ঘ) ১৮৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
• এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
• উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
• ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।

অন্যদিকে, 
• লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
• লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে ।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৪৬৪.
এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয় -
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
⇨ তাজউদ্দীন আহমদ আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের একটি অধিবেশন আহ্বান করেন। উক্ত অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেন।
⇨ সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হয়। তাজউদ্দীন আহমদকে
প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খন্দকার মোশতাক আহমদ ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নিয়োগ করা হয়।
১১ এপ্রিল এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
⇨ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়ে ভাষণ প্রদান করেন।
⇨ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার এক আম বাগানে মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
⇨ দেশি-বিদেশি প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১ টায় শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই বাংলাদেশকে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি একে একে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর তিন সহকর্মীকে পরিচয় করিয়ে দেন।  

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৪৬৫.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধিস্থল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধিস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 

⇒ 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
- পিতার আর্থিক দৈন্যতার কারণে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে মামার বাড়ি মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে গমন করেন।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ত্যাগের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউস সংলগ্ন নবনির্মিত রাস্তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর' সড়ক নামকরণ করা হয়। 

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯,৪৬৬.
মাৎস্যন্যায় বাংলার কোন সময় নির্দেশ করে?
  1. ৭ম - ৮ম শতক
  2. ৯ম - ১০ম শতক
  3. ৫ম - ৬ষ্ঠ শতক 
  4. ৮ম - ৯ম শতক
সঠিক উত্তর:
৭ম - ৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম - ৮ম শতক
ব্যাখ্যা

 মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
- সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৪৬৭.
বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে কোনটির স্থান মর্যাদার দিক থেকে তৃতীয়?
  1. বীর শ্রেষ্ঠ
  2. বীর প্রতীক
  3. বীর উত্তম
  4. বীর বিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- যথাক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীরপ্রতীক।
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৪৬৮.
বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  3. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  4. ৬ জানুয়ারি, ২০২১
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ২০২০
ব্যাখ্যা
৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA)।
এই চুক্তি সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা পাবে। তবে এ সংখ্যা পরবর্তীতে আলাপ-আলােচনার মাধ্যমে বৃদ্ধি করা হতে পারে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সালতামামী
৯,৪৬৯.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ -পুস্তিকাটিতে কার নিবন্ধন সন্নিবেশিত?
  1. গাজী জিয়াউল হক
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. মাহবুবুল আলম চৌধুরি
  4. হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বে তমদ্দুন মজলিশের ভূমিকা ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
- উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে বস্ত্তত তমদ্দুন মজলিশই প্রথম প্রতিবাদ উত্থাপন করে
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিসহ ভাষা আন্দোলনের সূচনায় পথিকৃতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- পুস্তকটি অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদনা করেন।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে লেখক ছিলেন- কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম
- নিবন্ধগুলোতে বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।
- এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল বাংলা ভাষার অনুকূলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৪৭০.
মুজিব নগর সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ইউসুফ আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৮ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় ছিল। 
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৭১.
সপ্তম শতাব্দীতে নির্মিত পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. শ্রী বিহার
  2. সোমপুর বিহার
  3. ধর্মপাল বিহার
  4. জগদ্দল বিহার
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
পাল রাজা ধর্মপাল ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছেন। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল বৌদ্ধধর্মের প্রসারে নওগাঁ জেলার পাহারপুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখন পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার হিসেবে স্বীকৃত।
এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
সূত্রঃ নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৪৭২.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত কতজন 'বীর প্রতীক' মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন?
  1. ১৭৪ জন
  2. ১৭৫ জন
  3. ৪২৪ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য  ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
-  ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫),  লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
৯,৪৭৩.
জুলাই ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের কী নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. জাতীয় সৈনিক
  2. জুলাই বীর
  3. জাতীয় বীর
  4. জুলাই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীর
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৪৭৪.
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৬০,৫৬৭ টি
  2. ৬২,৫৬৭ টি
  3. ৬৫,৫৬৭ টি
  4. ৬৭,৫৬৭ টি
সঠিক উত্তর:
৬৫,৫৬৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫,৫৬৭ টি
ব্যাখ্যা

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি, ২০২৪:
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি (এপিএসসি) প্রতিবেদনে ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়, শিক্ষার্থীর সংখ্যা ওঠানামাসহ প্রাথমিক শিক্ষার নানা চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

• মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১,১৮,৬০৭;
• সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- ৬৫,৫৬৭;
• মোট শিক্ষার্থী- ২,০১,৮৩,০৪৮;
• সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী- ১,০৬,২০,০৬৬;
• মোট শিক্ষক- ৭,০৭,২১৬;
• সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক- ৩,৮৩,৬২৪;
• শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত- ১:২৮;
• ঝরে পড়ার হার- ১৬.২৫%;
• বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী- ১,০২,৬৫৬।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৯,৪৭৫.
’লং মার্চ টু ঢাকা’ কত তারিখে পালিত হয়?
  1. ৫ আগস্ট 
  2. ৩ আগস্ট 
  3. ২ আগস্ট 
  4. ৪ আগস্ট 
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট 
ব্যাখ্যা

 রাজধানী ঢাকাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচীর একটি ’লং মার্চ টু ঢাকা’ ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে এনে আজ ৫ আগস্ট করার ঘোষণা দেয়।
- তখনকার সময় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় এ কর্মসূচী দেন।

উল্লেখ্য,
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
- ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
- তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
- কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।

উৎস: প্রথম আলো, ইনকিলাব।

৯,৪৭৬.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. নৌবাহিনী
  2. বিমান বাহিনী
  3. গেরিলা বাহিনী
  4. মিত্র বাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৯,৪৭৭.
১৯৭১ সালের কোন তারিখে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ১১ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। ওইদিন থেকেই বাংলাদেশ স্বাধীন। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বহিঃশত্রু মুক্ত হয়।
৯,৪৭৮.
Bangladesh's first Metrorail has been inaugurated in -
  1. ক) December 23, 2022
  2. খ) December 28, 2022
  3. গ) December 26, 2022
  4. ঘ) December 21, 2022
সঠিক উত্তর:
খ) December 28, 2022
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) December 28, 2022
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে। উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দেশের সর্বস্তরের মানুষদের নিয়ে এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৯,৪৭৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধে 'হালিম বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ময়মনসিংহ
  3. মানিকগঞ্জ
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:

- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৪৮০.
শহীদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
  1. ক) সমাজবিজ্ঞান
  2. খ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  3. গ) লোকপ্রশাসন
  4. ঘ) বাংলা
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
- শহীদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে ভর্তি হোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে।
- ১৯৫২ সালে এম.এ. ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৯,৪৮১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ৪ নং
সঠিক উত্তর:
২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টর  ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। 
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। 
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার। 
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।

এছাড়া,
- ১নং সেক্টর  চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং তৎকালীন নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- ৩ নং সেক্টর  উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- ৪নং সেক্টর  উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়েছিলো।
  
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৪৮২.
মোগল শাসন ব্যবস্থায় সম্রাটের পরের স্থানে ছিলেন -
  1. শিকদার
  2. দিউয়ান
  3. কাজী-উল-কুজ্জাত
  4. ওয়াজির
সঠিক উত্তর:
ওয়াজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াজির
ব্যাখ্যা
মোগল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মোগল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মোগল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মোগলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মোগল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মোগল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মোগল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ও শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৮৩.
ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম?
  1. ক) প্রগেসিভ বাংলাদেশ
  2. খ) ডেভেলপমেন্ট বাংলাদেশ
  3. গ) টেক ব্যাক বাংলাদেশ
  4. ঘ) স্মার্ট বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্মার্ট বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্মার্ট বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট বাংলাদেশ:
- ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিবর্তিত নাম - স্মার্ট বাংলাদেশ।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –
১. স্মার্ট সিটিজেন, 
২. স্মার্ট ইকোনোমি, 
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
৪. স্মার্ট সোসাইটি।
- এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু হবে।
- সেখানে নাগরিকেরা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে।
- প্রযুক্তির মাধ্যমে সমগ্র অর্থনীতি পরিচালিত হবে।
- সরকার ও সমাজকে স্মার্ট করে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যেই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পাদিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩ ও দৈনিক প্রথম আলো।
৯,৪৮৪.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' ভাস্করের স্থপতি-
  1. ক) হামিদুজ্জামান
  2. খ) নিতুন কুন্ডু
  3. গ) শামীম শিকদার
  4. ঘ) মৃণাল হক
সঠিক উত্তর:
গ) শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সড়কদ্বীপে রয়েছে স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ এ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়।
- এই ভাস্কর্যের নির্মাতা চারুকলা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শামীম শিকদার।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৯,৪৮৫.
কোন তারকা কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি?
  1. বব ডিলান
  2. এরিক ক্ল্যাপটন
  3. লিওন রাসেল
  4. জন লেনন
সঠিক উত্তর:
জন লেনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন লেনন
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শুরু হয়েছিল পণ্ডিত রবিশঙ্করের একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে।
- এ কনসার্টের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন ‘বাংলাদেশ ধুন’ বলে নতুন একটি সুর।
- আর তাঁর সঙ্গে সরোদে যুগলবন্দী ছিলেন ওস্তাদ আলী আকবর খান।
- তবলায় সহযোগিতা করেছিলেন বিখ্যাত আল্লারাখা।
- তানপুরায় ছিলেন কমলা চক্রবর্তী। সেদিন ম্যাডিসন স্কয়ারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতিবাদী গানের রাজা বব ডিলান। 
- সেদিন বব ডিলানের সঙ্গে গিটার বাজিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন, ব্যাস লিওন রাসেল ও ট্যাম্বুরিন রিঙ্গো স্টার।
- সে অনুষ্ঠানে বিটলসের অন্যতম সদস্য রিঙ্গো স্টার, লিওন রাসেল, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেস্টন, ডন প্রেস্টন প্রমুখ গান গেয়েছেন, গিটার বাজিয়েছেন।

এছাড়াও,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।

৯,৪৮৬.
১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সম্মেলনে দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন কে? 
  1. আল্লামা ইকবাল
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ
  4. হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

- ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

দ্বিজাতিতত্ত্ব: 

- দ্বিজাতিতত্ত্ব  ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে ভারতকে রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত করার নির্ণায়ক ও আদর্শাশ্রয়ী একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- মুসলমানদের একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করতে স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রথম এ ধারণার উন্মেষ ঘটান।
- ১৯৩০ সালের ডিসেম্বর মাসে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে কবি ও দার্শনিক স্যার মুহাম্মদ ইকবাল দ্বিজাতিতত্ত্বের তাত্ত্বিক কাঠামো উপস্থাপন করেন। 
- ভারত থেকে ব্রিটিশ শাসন অবসানের প্রাক্কালে বিশ শতকের চল্লিশের দশকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের এ ধারণার উন্মেষ ঘটান।
- ১৯৪০ সালের ২২-২৩ মার্চ তারিখে লাহোরে বাংলাসহ ভারতের একাধিক প্রদেশে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের সম্মেলনের সভাপতির ভাষণে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর দ্বিজাতিতত্ত্বের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৪৮৭.
কোন ইউরোপীয় সর্বপ্রথম সমুদ্রপথে ভারতে আগমন করেন?
  1. ম্যাগিলান
  2. ভাস্কো-দা-গামা
  3. ড্রেক
  4. লিভিংস্টোন
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দা-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দা-গামা
ব্যাখ্যা
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-দা-গামা। 
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৪৮৮.
হুগলিতে ইংরেজদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের অনুমতি দেন কে?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সুবেদার শাহ সুজা
  3. রাজা দ্বিতীয় চার্লস
  4. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
সুবেদার শাহ সুজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবেদার শাহ সুজা
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার
- পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের সাফল্য ও ভারতের ধন-সম্পদ ইংরেজদের আগ্রহ বাড়ায়।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি রানী এলিজাবেথের ১৫ বছরের সনদ পেয়ে ভারত এসে বাণিজ্য শুরু করে।
- ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাই নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন।
- সার টমাস রো জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে বাণিজ্যের সুবিধা আদায় করে ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে হুগলিতে আগমন, ১৬৫১ সালে সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে কুঠি নির্মাণ।
- রাজা দ্বিতীয় চার্লস কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুরের জমিদারী স্বত্ব (১২০০ টাকা) ক্রয়।
- ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ার অনুমতি দেন- বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে বাণিজ্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৪৮৯.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' দিয়েছিল-
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) এতে ভেটো প্রয়োগ করায় এই প্রচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
- অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৯,৪৯০.
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ‘৩৬ জুলাই ’বলতে কোন তারিখকে বুঝায়? 
  1. ৩ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৪ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৫ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

'৩৬ জুলাই':
- তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৪।
- কর্মসূচি: 'মার্চ টু ঢাকা' আহ্বান জানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

• আন্দোলনের সূচনা:
- উদ্দেশ্য: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি।
- প্রথম কেন্দ্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- পরবর্তী বিস্তার: দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
- ৩১ জুলাইয়ের পর তারা নতুন সময় গণনা শুরু করে।
- সেই অনুযায়ী ৫ আগস্ট হয়ে ওঠে প্রতীকী "৩৬ জুলাই"।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৪৯১.
‘প্যারোল’ অর্থ কী?
  1. মামলা বাতিল ও মুক্তি
  2. নির্বাহী আদেশে মুক্তি
  3. জামিনে মুক্তি
  4. সাধারণ মুক্তি
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী আদেশে মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী আদেশে মুক্তি
ব্যাখ্যা
প্যারোল:
- ‘প্যারোল’ অর্থ নির্বাহী আদেশে মুক্তি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৬ সালের ১ জুন প্রণীত নীতিমালায় বলা হয়েছে:
১. ভিআইপি বা অন্যান্য সকল শ্রেণীর কয়েদী বা হাজতি বন্দীদের নিকট আত্মীয়ের যেমন বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি এবং আপন ভাই বোন মারা গেলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।
২. ভিআইপি বা অন্যান্য সকল শ্রেণীর কয়েদী বা হাজতি বন্দীদের নিকট আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোন আদালতের আদেশ কিংবা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্যারোলে মুক্তি দেয়া প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেয়া যাবে। 
৩. বন্দীকে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরাধীনে রাখতে হবে।
৪. মুক্তির সময়সীমা কোন অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার অধিক হবে না তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার মুক্তির সময়সীমা হ্রাস বা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবেন।
৫. কোন বন্দী জেলার কোন কেন্দ্রীয়, জেলা, বিশেষ কারাগার, সাব জেলে আটক থাকলে ওই জেলার অভ্যন্তরে যে কোনো স্থানে মঞ্জুরকারীকর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন। অপরদিকে কোনো বন্দি নিজ জেলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয়, জেলা, বিশেষ কারাগার, সাব জেলে আটক না থেকে অন্য জেলায় অবস্থিত কোন কেন্দ্রীয়, জেলা, বিশেষ কারাগার, সাব জেলে আটক থাকলে গন্তব্যের দুরুত্ব বিবেচনা করে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন।
৬. কারাগারের ফটক থেকে পুলিশ প্যারোলে মুক্ত বন্দিকে বুঝে নেবার পর অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যেই পুনরায় কারাগারে প্রেরণ করবেন।
৭. আর সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় (অন্তবর্তীকালীন জামিন) প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিহিত রয়েছে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মত দিয়ে থাকেন।

উৎস: ৮ এপ্রিল ২০১৯, সময় নিউজ। [link]
৯,৪৯২.
আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) স্বতন্ত্র আর্থিক ব্যবস্থা
  3. গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. ঘ) রাষ্ট্রভাষা বাংলা
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৪৯৩.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন কে?
  1. সুমিত্রা দেবী
  2. তারামন বিবি
  3. ইলা মিত্র
  4. লীলা নাগ
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা

তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এ আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- তাদের নেতৃত্বে বর্গাচাষিরা ভূমিমালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়। খুব দ্রুত নিচের স্তরে এর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- এ তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
- আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়। 
- এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বর্গাচাষিদের অধিকার আদায়।

• তেভাগা আন্দোলনের মূল কারণ:
- জমির মালিক ও বর্গাচাষীদের মধ্যে ফসলের ভাগ নিয়ে অসন্তোষ।
- বর্গাচাষীদের উপর জমিদার ও জোতদারদের শোষণ।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং এর পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট।
- ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ যা উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ চাষীদের দেয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। 

উল্লেখ্য,
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) প্রথম আলো।

৯,৪৯৪.
কত তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করা হয়?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,৪৯৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম কত নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল-
  1. ক) ১নং
  2. খ) ১১নং
  3. গ) ৯নং
  4. ঘ) ৩নং
সঠিক উত্তর:
ক) ১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১ নং সেক্টরে ছিলো চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা। ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ। ৩ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ।
Source:dhakadiv.gov.bd
৯,৪৯৬.
বঙ্গবন্ধু কত সালে ওআইসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ওআইসি ও বাংলাদেশ

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে (২২-২৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অংশগ্রহণ করে।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ লাভ করে।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৪৯৭.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর বিক্রম
সঠিক উত্তর:
গ) বীর উত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব বীর উত্তম। ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেছিল। ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। [Source: Banglapedia]
৯,৪৯৮.
'গড়াই নদী' কোন নদীর প্রধান শাখানদী?
  1. যমুনা নদী
  2. মেঘনা নদী
  3. পদ্মা নদী 
  4. তিস্তা নদী
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী 
ব্যাখ্যা

• গড়াই নদী: 
- এটি গঙ্গা তথা পদ্মার একটি প্রধান শাখানদী ।  
- কুষ্টিয়ার তালবাড়িয়া নাম স্থানে এর উৎপত্তি।
- গড়াই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার হতাশহরিপুর ইউনিয়নে প্রবহমান পদ্মা নদী হতে উৎপত্তি লাভ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়ন পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নদীতে পতিত হয়েছে। 
- কুষ্টিয়া জেলার উত্তরে হার্ডিঞ্জ সেতুর ১৯ কিলোমিটার ভাটিতে তালবাড়িয়া নামক স্থানে গড়াই নদী পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
- এই নদীটি কুষ্টিয়া জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গণেশপুর নামক স্থানে ঝিনাইদহ জেলায় প্রবেশ করেছে।
- গড়াই নদী ভাঙন প্রবণ। এর প্রবল ভাঙনের ফলে কুষ্টিয়ার বিখ্যাত রেন-উইক কারখানা,  গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প অফিস এবং কুষ্টিয়া শহরের বাণিজ্যিক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

৯,৪৯৯.
মার্চ টু ঢাকা কত তারিখে পালিত হয়?
  1. ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে
  2. ৪ আগস্ট ২০২৪ সালে
  3. ১ আগস্ট ২০২৪ সালে
  4. ৩ আগস্ট ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন :
-সরকারি চাকরির সকল প্রকার কোটা বাতিল করে  সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে ৪ অক্টোবর ২০১৮ সালে। ৩০% মুক্তিযুদ্ধ কোটা ফিরে পেতে হাইর্কোটে রিট  করা হলে , হাইকোর্ট কোটা বাতিল প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে দেন।  তারই প্রেক্ষিতে ছাত্ররা  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনের ডাক দেন। যা পরর্বতীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান  রূপে পরিচিতি পায়। 
- ১ জুলাই ২০২৪ তিন দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়। 
- ৬ জুলাই বাংলা ব্লকড কর্মসূচির ডাক দেন এবং ৭-১২ জুলাই তা পালন করেন।
- কিমপ্লিট শাটডাউনের ডাক দেন ১৭ জুলাই, পালিত হয় ১৮-২২ জুলাই।
- মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়- ৪ আগস্ট, পালিত হয়- ৫ আগস্ট।

উৎস: প্রথম আলো
৯,৫০০.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থার প্রবর্তক কে?
  1. ক) ইয়াহিয়া খান
  2. খ) খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. গ) আইয়ুব খান
  4. ঘ) ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
গ) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র। এই ব্যবস্থার প্রবর্তক হলেন আইয়ুব খান। ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ জারি করেন। এই ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় পুরো পাকিস্তানে ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী ছিলো যারা প্রথমে নিবার্চিত ও মনোনীত এবং ১৯৬২ সাল থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো। এসব মৌলিক গণতন্ত্রীরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করতেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)