বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮২ / ১২৪ · ৮,১০১৮,২০০ / ১২,৪২১

৮,১০১.
লক্ষ্মণ সেন কোন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন?
  1. ক) শৈব
  2. খ) জৈন
  3. গ) বৈষ্ণব
  4. ঘ) শাক্ত
সঠিক উত্তর:
গ) বৈষ্ণব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৈষ্ণব
ব্যাখ্যা
লক্ষণ সেন(১১৭৮-১২০৬ খ্রি.) ৬০ বছর বয়সে বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। তিনি ছিলেন সেন বংশের শেষ রাজা। সমগ্র বাংলায় নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করার পর লক্ষণ সেন ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করেন। তাঁর নামানুসারে গৌড়ের রাজধানী লক্ষণাবতী নেওয়া হয়। তিনি পুরী, বানারসী ও প্রয়াগে বিজয়স্তম্ভ প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া তিনি মগধ অধিকার করেন। লক্ষণ সেন ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মে বিশ্বাসী, যদিও তাঁর পিতা ও পিতামহ শৈব ধর্মের অনুরাগী ছিলেন। তিনি জাতিভেদপূর্ণ শৈব (হিন্দু) ধর্ম ত্যাগ করে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি ‘পরম বৈষ্ণব’ বা ‘পরম নারসিংহ’ উপাধি ধারণ করেন। [সুত্র- বাংলাপিডিয়া]
৮,১০২.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৫২
  2. খ) ১৯৫৩
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  রাজশাহী শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার পূর্বদিকে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উত্তর বাংলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে ১৯১৭ সালে গঠিত Calcutta University Commission (যা স্যাডলার কমিশন নামেও পরিচিত) রাজশাহী শহরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৮,১০৩.
প্রথম তৈরি শহীদ মিনার উন্মোচন করেন-
  1. হাসিনা বেগম
  2. মাহবুবুর রহমান
  3. গাজীউল হক
  4. আবুল কালাম আজাদ
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা

• প্রথম তৈরি শহীদ মিনার উন্মোচন করেন শহীদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান (১৯৫২)।
• বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধক শহীদ বরকতের মা হাসিনা বেগম (১৯৬৩ সালে)।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৮,১০৪.
নিচের কোনটি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র নয়?
  1. ক) অপুর সংসার
  2. খ) চারুলতা
  3. গ) তিন কন্যা 
  4. ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিবারাত্রির কাব্য 
ব্যাখ্যা
– সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯২) আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি চলচ্চিত্রকার হিসেবে সুপরিচিত।
– পিতা প্রখ্যাত লেখক সুকুমার রায় ও পিতামহ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী একজন খ্যাতনামা কবি।
–  পথের পাঁচালী (১৯৫৫) চলচ্চিত্রের জন্য সত্যজিৎ রায় বিশেষ ‘অস্কার’ (১৯৯২) পুরস্কার লাভ করেন।

সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রসমূহের (২৮টি) উল্লেখযোগ্য হলো: 
- পথের পাঁচালী (১৯৫৫), 
- অপরাজিত (১৯৫৬), 
- অপুর সংসার (১৯৫৯)
- দেবী (১৯৬০), 
- তিন কন্যা (১৯৬১), 
- রবীন্দ্রনাথ (১৯৬১), 
- কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২), 
- অভিযান (১৯৬২), 
- চারুলতা (১৯৬৪), 
- নায়ক (১৯৬৬), 
- অশনি সংকেত (১৯৭৩), 
- হীরক রাজার দেশে (১৯৮০), 
- ঘরে বাইরে (১৯৮৪), 
- আগন্তুক (১৯৯১)

দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫) বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯০৮-১৯৫৬) এর উপন্যাস।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস সমূহ:
- জননী (১৯৩৫), 
- দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), 
- পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), 
- পুতুলনাচের ইতিকথা(১৯৩৬)।

ছোটগল্পগুলো:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প (১৯৩৫), 
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), 
- সরীসৃপ (১৯৩৯),
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬)।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর 
২. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম
৩. বাংলাপিডিয়া।
৮,১০৫.
Who served as the prime Minister of Bangladesh from 12 Jan, 1972 to 25 January 1975?
  1. Tajuddin Ahmad
  2. Sheikh Mujibur Rahman
  3. Muhammad Mansur Ali
  4. Abu Sayeed Chowdhury
সঠিক উত্তর:
Sheikh Mujibur Rahman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sheikh Mujibur Rahman
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন:
• পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৪৮),
• পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম সম্পাদকদের একজন (১৯৪৯),
• আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৩-১৯৬৬) ),
• আওয়ামী লীগের সভাপতি (১৯৬৬-১৯৭৪),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত অনুপস্থিতিতে),
• বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (১২ জানুয়ারি ১৯৭২-২৪ জানুয়ারি ১৯৭৫),
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (২৫ জানুয়ারী ১৯৭৫-১৫ আগস্ট ১৯৭৫)।
- তার ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল অসন্তুষ্ট সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন।
- তার দুই কন্যা ছাড়া তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করা হয় যারা সে সময় বিদেশে অবস্থান করছিলেন।
- বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
৮,১০৬.
'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ'-এর কয় দফা দাবি ছিল?
  1. ৪ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবির বাস্তবায়ন এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি প্রধান ছাত্র সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সংগ্রাম পরিষদ।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠন ও সুসংবদ্ধকরণ এবং নেতৃত্ব প্রদানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
-  ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ, বিশেষত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন], পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মতিয়া], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (DUCSU) আট জন ছাত্রনেতা সম্মিলিতভাবে গঠন করেন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। 
- ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,১০৭.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা
  2. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  3. আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
  4. তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

- অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় তমদ্দুন মজলিশ।
- ৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার কে. এম. দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
- ১৯৫২ সালে চূড়ান্ত ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৮,১০৮.
বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত জন?
  1. ক) ৬৫ জন
  2. খ) ৬৭ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ১৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৭ জন
ব্যাখ্যা
• বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।

- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন। 

• এছাড়াও,
তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

⇒ বর্তমানে (২০২১ সালের পরবর্তীতে) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন, 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮,১০৯.
বাংলাকে প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন কে?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. মীর কাশিম
  3. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. ইবনে বতুতা
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজারদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- তিনি মুহাম্মদ বিন-তুঘলকের রাজত্বকালে ভারতে আসেন।
- মুহাম্মদ বিন-তুঘলক তার পাণ্ডিত্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ইবন বতুতাকে দিল্লির কাজী বা বিচারক নিযুক্ত করেন।
- প্রায় আট বছর তিনি এ পদে বহাল ছিলেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে (চতুর্দশ ) বাংলায় সফর করেন।
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে 'দোজখ-ই-পুর নিয়ামত' অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮,১১০.
বাংলার প্রাচীনতম স্থান কোনটি?
  1. সোনারগাঁও
  2. বিক্রমপুর
  3. পুণ্ড্র
  4. চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

→ বাংলার প্রাচীনতম স্থান পুণ্ড্র।

পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৮,১১১.
বাহাদুর গাজী কোন অঞ্চলের জমিদার ছিলেন?
  1. নোয়াখালী
  2. সিলেট
  3. ভাওয়াল
  4. বিক্রমপুর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল
ব্যাখ্যা
- মধ্যযুগে ষোল শতকের মাঝামাঝি থেকে সতের শতকের মধ্য সময় পর্যন্ত পূর্ব বাংলার যেসব জমিদার মুঘলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে সচেষ্ট ছিলেন তারা ‘বারোভূঁইয়া’ নামে পরিচিত।
বারোভূঁইয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:
- ঈসা খান ও মুসা খান : ঢাকা ও ময়মনসিংহ
- বাহাদুর গাজি : ভাওয়াল
- চাঁদ রায় ও কেদার রায় : বিক্রমপুর (মুন্সিগঞ্জ)
- সোনাগাজি : সরাইল (উত্তর ত্রিপুরা)
- ওসমান খান : বোকাইনগর (সিলেট)
- বীর হামির বিষ্ণুপুর (বাকুড়া)
- লক্ষণ মানিক্য : ভুলুয়া (নোয়াখালী)
- পরমানন্দ রায় : চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল)
- বিনোদ রায়/মধু রায় : চান্দপ্রতাপ (মানিকগঞ্জ)
- মুকুন্দরা/সত্রজিৎ : ভূষণা (ফরিদপুর)
- রাজা কন্দর্পনারায়ণ/রামচন্দ্র : বরিশাল জেলার অংশবিশেষ।
- ১৬১১ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান বারোভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলা মুঘল অধিকারে আনেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,১১২.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদের নাম- 
  1. সাইফী
  2. আহাদ 
  3. শাওন
  4. তৌহিদুল
সঠিক উত্তর:
আহাদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহাদ 
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে 'জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা' হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

৮,১১৩.
'সবার জন্য শিক্ষা' স্লোগানটি বাংলাদেশে প্রচলিত কোন মুদ্রা বহন করে?
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. ১০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টাকা
ব্যাখ্যা
- ২ টাকার মুদ্রায় 'সবার জন্য শিক্ষা' স্লোগানটি রয়েছে।
- ১ টাকার মুদ্রায় 'পরিকল্পিত পরিবার' ও 'সবার জন্য খাদ্য' স্লোগানটি রয়েছে।

উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট
৮,১১৪.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর কে ছিলেন?
  1. ফিরোজ খান নুন
  2. খাজা নাজিমউদ্দীন
  3. নুরুল আমিন
  4. আজিজুল হক
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

৮,১১৫.
‘বাংলাপিডিয়া’ হচ্ছে-
  1. উপন্যাস
  2. মহাকাব্য
  3. জাতীয় জ্ঞানকোষ
  4. কাব্য
সঠিক উত্তর:
জাতীয় জ্ঞানকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় জ্ঞানকোষ
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:

- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। 
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,১১৬.
বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে - বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর,
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,১১৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশের কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

[উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি]
৮,১১৮.
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কোন মন্ত্রনালয়ের অধীন?
  1. ক) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রাণালয়
  2. খ) ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশে আবহাওয়া বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনাকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
আবহাওয়া উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাস পদ্ধতির মান-উন্নয়নসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য অধিকতর নির্ভুল তথ্য প্রদান এ অধিদপ্তরের অন্যতম দায়িত্ব। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাওয়ে অবস্থিত।
উৎসঃ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৮,১১৯.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. মফিজ খান শিক্ষা কমিশন
  3. মনিরুজ্জামান মিঞা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

• ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই সরকার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই, সরকার ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করে।
- কমিশন ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রচলিত প্রাথমিক শিক্ষা প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করে।
- এছাড়া, কমিশন ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়।
- ১৯৭৩ সালে জারি হওয়া ‘প্রাথমিক শিক্ষা অর্ডিন্যান্স’ এবং ১৯৭৪ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিগ্রহণ আইন বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার দিক পরিবর্তন করে।
- এই আইন অনুসারে, পর্যায়ক্রমে ৩৬,১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,৫৭,৭৪২ জন শিক্ষক সরকারি কর্মচারী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা, বিএড, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১২০.
'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন-
  1. রাও ফরমান আলী
  2. ইয়াহিয়া
  3. ভুট্টো
  4. জেনারেল নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight):
- অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত সামরিক অভিযান, যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় শুরু হয়।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) বাঙালিদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৮,১২১.
১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনে বামপন্থি গণতন্ত্রী দলের নেতৃত্ব কে ছিলেন?
  1. মওলানা ভাসানী
  2. হাজী দানেশে
  3. মওলানা আতাহার আলী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
হাজী দানেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী দানেশে
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট গঠনের পটভূমি:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুসলিম লীগ ছিল পুরাতন ও বড় দল।
- এছাড়া পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক সরকার পরিচালনা করত মুসলিম লীগ।
- ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেয়।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

• যুক্তফ্রন্ট মূলত পাঁচটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি,
৪. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল ও
৫. খিলাফত-ই-রাব্বানি।

• নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- পূর্ব বাংলার গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে প্রণীত এই ২১ দফা কর্মসুচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,১২২.
কোন দুটি নদীর মধ্যবর্তী স্থানে প্রাচীন ‘গঙ্গারিডিই’ রাজ্যের অবস্থান ছিলো?
  1. ক) যমুনা ও সিন্ধু
  2. খ) পদ্মা ও ভাগীরথী
  3. গ) মেঘনা ও পদ্মা
  4. ঘ) মহাকালী ও ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মা ও ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পদ্মা ও ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে প্রাচীন ‘গঙ্গারিডিই’ নামক একটি শক্তিশালী রাজ্যের অবস্থান ছিলো।
আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় এ রাজ্য অস্তিত্বশীল ছিলো বলে অনুমান করা হয়। একই সময়ে প্রাসিয়র নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,১২৩.
মাতৃত্বকালীন ভাতার মাসিক পরিমাণ কত?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৮০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ১২০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা
মহিলা ও শিশুবিষক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত মাতৃত্বকালীন বর্তমান ভাতার পরিমাণ ৮০০ টাকা এবং ভাতার মেয়াদ ৩ বছরে উন্নীত করা হয়েছে। 

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন
৮,১২৪.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সময়কাল কত ছিল?
  1. ১৬ মিনিট
  2. ১৮ মিনিট
  3. ২০ মিনিট
  4. ২২ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মিনিট
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ।
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে  ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১২৫.
প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের সময় সারা দেশকে কতটি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার কর্তৃক মুক্তিবাহিনী গঠন:

- শক্তিশালী পাকিস্তানী বাহিনীকে মোকাবিলা করে পরাস্ত করার জন্য সুশৃঙ্খল সামরিক কাঠামোর অধীনে একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গঠনের প্রতি তাজউদ্দীন আহমেদ প্রথমেই নজর দেন।
- প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে ৮টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন। সেগুলো হলো:
১. মেজর খালেদ মোশাররফ - সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল।
২. মেজর জিয়াউর রহমান - চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল।
৩. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল।
৪. মেজর কে এম সফিউল্লাহ - ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল।
৫. মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ - রাজশাহী অঞ্চল।
৬. মেজর নাজমুল হক - সৈয়দপুর অঞ্চল।
৭. মেজর নওয়াজেশ - রংপুর অঞ্চল।
৮. মেজর জলিল - ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১২৬.
ইস্কান্দার মীর্জা কাকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. খাজা নাজিমুদ্দীন
  3. আইয়ুব খান
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
ইস্কান্দার মীর্জা:
- ১৯৫৫ সালের ৫ আগস্ট অসুস্থতার জন্য গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ছুটিতে গেলে ইস্কান্দার মীর্জা প্রথমে পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর জেনারেল এবং পরে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয়।
- সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মীর্জা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন।
- তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মীর্জাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,১২৭.
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের সূচনা হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ১৩০২
  2. ১৩৩৮
  3. ১৩৪৯
  4. ১৩৫২
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮
ব্যাখ্যা

• বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের সূচনা হয় ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে ।

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ :
⇒ ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হয়। বাহরাম খানের বর্মরক্ষক ছিলেন 'ফখরা' নামের একজন রাজকর্মচারী। প্রভুর মৃত্যুর পর তিনি স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং 'ফখরুদ্দিন মুবারকশাহ' নাম নিয়ে সোনারগাঁয়ের সিংহাসনে বসেন। এভাবেই সূচনা হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের।

- তাকে বলা হয় বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে। 
- ফখরুদ্দীন ছিলেন জাতিতে তুর্কি এবং খুব সম্ভবত তুর্কিদের কারাউনা গোত্রীয়।
- তিনি ছিলেন দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা (ওয়ালি) বাহরাম খানের সিলাহদার (অস্ত্রাগারের তত্ত্বাবধায়ক)।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৮,১২৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী ছিলেন কে?
  1. ক) মাওলানা ভাসানী
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। ১৮ জানুয়ারি এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয় এবং মোট ৩৫ জনকে আসামী করা হয়। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হলে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে এবং এতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,১২৯.
ইউনেস্কো কবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৬ সালের ১৭ নভেম্বর
  2. ১৯৯৭ সালের ১৭ নভেম্বর
  3. ১৯৯৮ সালের ১৭ নভেম্বর
  4. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- এই স্বীকৃতি ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে এবং বাংলা ভাষার মর্যাদা বেড়েছে।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস  বাংলাদেশের জনগণের ভাষা আন্দোলন এবং ভাষাশহীদদের স্মরণে পালিত দিবস।
- ১৯৫২ সালের  একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে ঢাকায় কয়েকজন ছাত্র-জনতা পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
- তাঁদের স্মরণে ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৩০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'কাদেরিয়া বাহিনী' কোন অঞ্চলে গঠিত হয়েছিল?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ময়মনসিংহ
  3. বরিশাল
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৮,১৩১.
সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) দুই নং সেক্টর
  2. খ) সাত নং সেক্টর
  3. গ) দশ নং সেক্টর
  4. ঘ) এগার নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) দশ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দশ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ. জি. ওসমানী।
- এছাড়া চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুর রব।
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার। 

- মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর :
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা।
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৮,১৩২.
মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. এম এ জি ওসমানী
  2. এ কে খন্দকার
  3. কর্নেল (অব.) আব্দুল রব
  4. কর্নেল সি আর দত্ত
সঠিক উত্তর:
এম এ জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ জি ওসমানী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ:
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- তিনি ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন,
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও  মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়, এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,১৩৩.
সমাজের সর্বস্তরে কী প্রতিষ্ঠা করলে দুর্নীতি নির্মূল করা যায়?
  1. জবাবদিহিতা
  2. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
  3. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
  4. সাংস্কৃতিক উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জবাবদিহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা

 দুর্নীতি প্রতিরোধ:
- দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক আন্দোলন।
- গণসচেতনতা গড়ে তোলার কার্যকর হাতিয়ার হলো গণমাধ্যম।
- গণমাধ্যমে দুর্নীতি সম্পর্কে তথ্য প্রচার করে গণসচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব।
- সমাজের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হলে দুর্নীতি নির্মূল করা যায়।
- উপার্জন, ব্যয়, সম্পদের হিসাব প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমেও অনেক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খোলা সম্ভব।
- দুর্নীতিবাজ, নকলবাজ, প্রতারক ও মুখোশধারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনলে দুর্নীতি উচ্ছেদ সহজতর হবে। - ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক আন্দোলন কর্মসূচি প্রভৃতির মাধ্যমেও দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব।
- তাছাড়া পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটলে সমাজ থেকে দুর্নীতির অবসান ঘটবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,১৩৪.
২০২২ সালে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কোন সংস্থাটি স্বাধীনতা পদক লাভ করে?
  1. ক) সড়ক ও জনপদ বিভাগ
  2. খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  3. গ) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
  4. ঘ) আইসিডিডিআরবি
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যুৎ বিভাগ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্বাধীনতা পদক প্রদান করে থাকে।

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেককে প্রদান করা হয়:
- ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রামের স্বর্ণপদক
- পদকের একটি রেপ্লিকা
- নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা
- একটি সম্মাননাপত্র।

২০২২ সালে মোট ১১ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।
এরা হলো:

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে:
- মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহিদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা
- বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক

চিকিৎসাবিদ্যা:
- অধ্যাপক ড. কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম

স্থাপত্য:
- মরহুম সৈয়দ মঈনুল হোসেন

গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন:
- বিদ্যুৎ বিভাগ।

(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৮,১৩৫.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা-
  1. ক) ৬৭৮ জন
  2. খ) ৬৭৬ জন
  3. গ) ৬৬৮ জন
  4. ঘ) ৬৭২ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন। 
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। 
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। 

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,১৩৬.
কোন শহরের একটি সড়কের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রাখা হয়েছে?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) দিল্লি
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) কলম্বো
সঠিক উত্তর:
খ) দিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিল্লি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীর প্রাণকেন্দ্রের একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। কনট প্লেস-এর নিকটবর্তী এই স্থানটি ইতোপূর্বে ‘পার্ক স্ট্রিট’ নামে পরিচিত ছিল। উৎসঃ জাতীয় পত্র-পত্রিকা।
৮,১৩৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ক) প্রেসিডেন্সি কলেজ
  2. খ) সংস্কৃত কলেজ
  3. গ) হিন্দু কলেজ
  4. ঘ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়।
তিনি এই কলেজেরই ছাত্র ছিলেন। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়। সংস্কৃত কলেজের ছয়টি বিভাগের ছয়জন প্রতিথযশা অধ্যাপক ঈশ্বরচন্দ্রের বিদ্যাসাগর উপাধি সংক্রান্ত প্রশংসাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, বিসিসি বাংলা এবং আনন্দবাজার পত্রিকা)
৮,১৩৮.
লক্ষণ মাণিক্য ছিলেন -
  1. ক) রাজপুত রাজা
  2. খ) মুঘল শাসক
  3. গ) সেন শাসক
  4. ঘ) বার ভূঁইয়াদের একজন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বার ভূঁইয়াদের একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বার ভূঁইয়াদের একজন
ব্যাখ্যা
বার ভূঁইয়া
- ‘বার ভূঁইয়া' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ বারো জন প্ৰধান বা বারো জন জমিদার হলেও মূলত বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে শাসন কার্যক্রম পরিচালনাকারী সকল স্বাধীন জমিদারগণই একত্রে ‘বার ভূঁইয়া' নামে পরিচিত ছিলেন।
- বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে সুলতানগণ কর্মের পুরস্কার এবং ইজারা দায়িত্ব হিসেবে নানা জায়গীর লাভ করে।
- পরবর্তীকালে রাজস্ব আদায়কারী এ সকল ইজারাদার ও কর্মচারীদের বংশধরগণ জমিদার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- এ জমিদারগণ স্বাধীনভাবে জমিদারী কার্যক্রম পরিচালনাকালে মুঘলদের সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৈরি সম্পর্ক তৈরি হলেই মূলত এরা ইতিহাসের পাতায় উঁচু স্থান লাভ করে।
বার ভূঁইয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- ঈসা খান, মুসা খান।
- চাঁদ রায় ও কেদার রায়।
- বাহাদুর গাজী।
- সোনা গাজী।
- ওসমান খান।
- লক্ষণ মাণিক্য।
- পরমানন্দ রায়।
- বিনোদ রায়, মধু রায়।
- মুকুন্দরাম, সত্রজিৎ।
- রাজা কন্দর্পনারায়ণ, রামচন্দ্র।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল।
৮,১৩৯.
২০২৪ সালের বিজয় দিবসে কোন দেশের প্রেসিডেন্ট জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন?
  1. মালদ্বীপ
  2. পূর্ব তিমুর
  3. রুয়ান্ডা
  4. পশ্চিম তিমুর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা
বিজয় দিবস-২০২৪:
- ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের দিন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেয়।
- এই দিনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া সেনাদের স্মরণে বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
- ২০২৪ সালের বিজয় দিবসে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস-হোর্তা সাভারের জাতীয় স্মৃতি সৌধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
- প্রধান উপদেষ্টা এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
১৯৯৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী রামোস-হোর্তা একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং মহান লেখক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[link]
৮,১৪০.
কুমিল্লার ময়নামতি অঞ্চলে অবস্থিত ঐতিহাসিক শালবন বৌদ্ধ বিহারটি কার প্রতিষ্ঠিত কীর্তি?
  1. রাজা বিজয় সেন
  2. শ্রী আনন্দদেব
  3. ধর্মপাল
  4. শ্রী ভবদেব
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
ব্যাখ্যা

◉ শালবন বৌদ্ধ বিহার ৮ম শতকে দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব প্রতিষ্ঠা করেন

শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,১৪১.
বাংলাদেশ রাইফেলস্ এর প্রতিষ্ঠাকালীন মহাপরিচালক কে ছিলেন?
  1. ক) চিত্তরঞ্জন দত্ত
  2. খ) আবু ওসমান চৌধুরী
  3. গ) খালেদ মোশারফ
  4. ঘ) আবু তাহের
সঠিক উত্তর:
ক) চিত্তরঞ্জন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চিত্তরঞ্জন দত্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রাইফেলস্ এর প্রতিষ্ঠাকালীন মহাপরিচালক ছিলেন - চিত্তরঞ্জন দত্ত।

• 'বাংলাদেশ রাইফেলস':

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্‌স (ইপিআর)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে এর নাম হয় 'বাংলাদেশ রাইফেলস' (বিডিআর)।
- ২০১১ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় 'বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ' (বিজিবি)।
- ২০১৬ সালে এই বাহিনীতে সর্বপ্রথম নারী সৈনিক যুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।
৮,১৪২.
উয়ারী-বটেশ্বরে কত বছর পূর্বের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে?
  1. প্রায় চার হাজার
  2. প্রায় সাড়ে তিন হাজার
  3. প্রায় আড়াই হাজার
  4. প্রায় দুই হাজার
সঠিক উত্তর:
প্রায় আড়াই হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় আড়াই হাজার
ব্যাখ্যা

উয়ারী-বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,১৪৩.
রাজা টোডরমল কে ছিলেন?
  1. আকবরের ধর্মমন্ত্রী
  2. আকবরের অর্থমন্ত্রী
  3. আকবরের সমরমন্ত্রী
  4. আকবরের সভাকবি
সঠিক উত্তর:
আকবরের অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবরের অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- আকবরের মন্ত্রীসভা:
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আবুল ফজল।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন টোডরমল।
- সেনাপ্রধান ছিলেন মান সিংহ।

• রাজা টোডরমল:
- টোডরমল  চাষের জমি সমূহকে ৪ ভাগে ভাগ করেন।
-  পোলাজ জমি এ সমস্ত জমি প্রতি বছর চাষ করা হত।
- পরাউতি জমি- এ ধরনের জমি একবার চাষের পর উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য কিছুদিন অনাবাদী রাখা হত।
- চাচর জমি এ সমস্ত জমি তিন বা চার বছর পর পর চাষ করা হত।
- বনযার জমি এ ধরনের জমি পাঁচ বছরের জন্য অনাবাদী থাকত।
- প্রথম দুই ধরনের ভূমি থেকে উৎপন্ন শস্যের এক তৃতীয়াংশ ভূমি রাজস্ব হিসেবে গৃহীত হতো। 
- এই ভূমি রাজস্ব নীতি 'যাবতী' বা টোডরমলের 'রায়তওয়ারী' প্রথা নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া, দৈনিক নয়া দিগন্ত।
৮,১৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা বোর্ড কেনটি?
  1. কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড
  2. ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
  3. রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড
  4. চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।

এগুলো হলো:

- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা (৭ মে ১৯২১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী (১৯৬১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা (১৯৬২)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, যশোর (১৯৬৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম (১৯৯৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর (স্থাপিত : ২০০৬ সালে; কার্যক্রম শুরু ২০০৯ সালে)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ (২৮ আগস্ট ২০১৭)
- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (১৯৫৪)
- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (১৯৭৮)।

উ: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)

৮,১৪৫.
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. সাহাবুদ্দীন আহমদ
  3. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা

নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা।

৮,১৪৬.
'Remembering Our Heroes' programme was announced on which date?
  1. 24 June 2025
  2. 1 August 2024
  3. 31 July 2024
  4. 16 July 2025
সঠিক উত্তর:
31 July 2024
উত্তর
সঠিক উত্তর:
31 July 2024
ব্যাখ্যা

• 'Remembering Our Heroes: 
- কোটাসংস্কার আন্দোলন ঘিরে গণহত্যা, গণপ্রেপ্তার, হামলা-মামলা, গুম-খুন প্রতিবাদ ও ৯ দফা দাবি আদায়ে 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ' (আমাদের নায়কদের স্মরণ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন কোটাসংস্কার আন্দোলনকারীরা। 
- বুধবার (৩১ জুলাই, ২০২৪) বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক রিফাত রশীদ গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগামীকাল এই কর্মসূচি পালনের কথা জানান।
- এদিন কর্মসূচি পালনের জন্য যা যা করা হবে, তারমধ্যে রয়েছে – নির্যাতনের ভয়ংকর দিন-রাতগুলোর স্মৃতিচারণ; শহীদ ও আহতদের নিয়ে পরিবার এবং সহপাঠীদের স্মৃতিচারণ; চিত্রাঙ্কন/গ্রাফিতি, দেওয়াল লিখন, ফেস্টুন, ডিজিটাল পোট্রের্ট তৈরি প্রভৃতি। 

তথ্যসূত্র: The Business Standard.

৮,১৪৭.
বিখ্যাত তারা মসজিদ নির্মাণ করেন -
  1. মির্জা গোলাপ পীর
  2. মির্জা আহমদ খান
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. মির্জা মোহাম্মদ খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৮,১৪৮.
১৯৬৬ সালের কত তারিখে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকাটি প্রকাশ করা হয়?
  1. ১৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৮ মার্চ
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন।
- বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]
৮,১৪৯.
হাতে লেখা সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন-
  1. ক) হাশেম খান
  2. খ) আবদুর রউফ
  3. গ) ড. কামাল হোসেন
  4. ঘ) সৈয়দ শাহ আবু সুফি
সঠিক উত্তর:
ক) হাশেম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাশেম খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা চূড়ান্তভাবে গৃহীত সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর করেন।
- সবার প্রথমে স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- তবে গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের হাতে লেখা সংবিধান কপিতে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সংবিধানের-
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাধায়ক : জয়নুল আবেদিন
- হস্তলিপিকার : এ কে এম আবদুর রউফ
- অঙ্গসজ্জা : হাশেম খান
- অংকন : জুনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী এবং আবুল বারক আলভী
- চামড়ার কাজ : সৈয়দ শাহ আবু সুফি
- মুদ্রণ : বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়
- নকশী কাঁথা কভার মুদ্রণ : ইস্টার্ন রিগাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ঢাকা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,১৫০.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ২৮৮
  2. ২৯৮
  3. ২৯০
  4. ১৬৭
সঠিক উত্তর:
২৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮৮
ব্যাখ্যা
- প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- প্রদত্ত ভোটের ৮৯ ভাগ পায় দলটি।
- বাকী ১২টি আসনের মধ্যে ৯টি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, ২টি পিডিপি এবং ১টি জামায়াত-ই-ইসলামী।
- আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত ১০টি মহিলা আসন সহ নির্বাচনে ৩১০টি আসনের মধ্যে সর্বমোট
২৯৮টি আসন লাভ করে। 
উৎস: বাংলা পিডিয়া; বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে নাগরিক চেতনা, এস এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৫১.
As an administrator to Facebook, Bangladesh is going to launch as a new social media platform name?
  1. Jogajgo
  2. BD Community
  3. Pipilika
  4. Alapon
সঠিক উত্তর:
Jogajgo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jogajgo
ব্যাখ্যা
যোগাযোগ:

- দেশে ফেসবুকের বিকল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তৈরি হচ্ছে।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে নির্মাণাধীন প্ল্যাটফর্মটির নাম দেওয়া হচ্ছে ‘যোগাযোগ’।
- এর মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তারা তথ্য-উপাত্ত ও যোগাযোগের জন্য নিজস্ব অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও গ্রুপ তৈরি করতে পারবে। উদ্যোক্তাদের বিদেশনির্ভর হতে হবে না।
- ফেসবুকভিত্তিক নারী উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই) আয়োজিত এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ মাস্টারক্লাসের দ্বিতীয় সিরিজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে  এসব কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ।
- কেবল ফেসবুক বা জুমের বিকল্প নয়, জুনাইদ আহমেদ বলেন, নিজস্ব যোগাযোগের জন্য হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হিসেবে ‘আলাপন’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে।
- পাশাপাশি স্ট্রিমিংসহ নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরির কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৪ জুলাই ২০২১।
৮,১৫২.
‘ফোর্ট উইলিয়ম দুর্গ’ নির্মাণ করে কোন দেশের বাণিজ্যিক কোম্পানি?
  1. ক) ফরাসি
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) হল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফোর্ট উইলিয়ম কলকাতায় প্রাচ্যে ব্রিটিশরাজের সামরিক শক্তির সবচেয়ে বড় নিদর্শন। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭০০ সালে এই দুর্গটি স্থাপন করে। ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ হয় - ফোর্ট উইলিয়াম।
ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৬৩৩ সালে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় এবং ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৮,১৫৩.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিলের পর পূর্ব বাংলায় কোন ধরনের শাসন জারি হয়?
  1. সামরিক শাসন
  2. প্রেসিডেন্ট শাসন
  3. গভর্নরের শাসন
  4. জরুরি অবস্থা
সঠিক উত্তর:
গভর্নরের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গভর্নরের শাসন
ব্যাখ্যা

পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বা  গভর্নরের শাসন জারী করেন।
- পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন জারি ছিল ১৯৫৫ সালের ২ জুন পর্যন্ত।
- মুসলিম লীগ ও কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্রে মাত্র চার বছরে সাত মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
- কেন্দ্রীয় সরকার তিনবার গভর্নরের শাসন জারি করে।
- যুক্তফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৫৪.
'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট
  2. ৫ আগস্ট
  3. ৮ আগস্ট
  4. ১১ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য:
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস 'ক' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
- ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' 'খ' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৮,১৫৫.
নদীমাতৃক বাংলায় যুদ্ধ জয়ের জন্য সর্বপ্রথম নৌবহর প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) মুহম্মদ শিরান খলজি
  2. খ) আলি মর্দান খলজি
  3. গ) নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  4. ঘ) হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি
ব্যাখ্যা
হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি নদীমাতৃক বাংলায় যুদ্ধ জয়ের জন্য সর্বপ্রথম নৌবাহিনী গঠন করেন। নিজের নামে মুদ্রাও চালু করেন। তিনি তাঁর পূর্বের শাসক আলি মর্দান খলজির মতো স্বাধীন শাসক ছিলেন। বাংলার মুসলিম রাজ্যকে সুদূঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং এই নবগঠিত রাজ্যের সীমানা বিস্তারে অবদান রাখেন ইওজ খলজি। ১২২৭ খ্রিষ্টাব্দে যুবরাজ নাসিরুদ্দিন মাহমুদ লখনৌতি আক্রমণ করলে ইওজ খলজি পরাজিত ও নিহত হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৮,১৫৬.
প্রাচীন বাংলার স্বাধীন গৌড় রাজ্যের স্থপতি কে?
  1. ক) হর্ষবর্ধন
  2. খ) শশাঙ্ক
  3. গ) রাজা গণেশ
  4. ঘ) অশোক
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ। ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,১৫৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্থানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্ৰদান করেন?
  1. রমনা উদ্যানে
  2. রেসকোর্স ময়দানে
  3. বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে
  4. পল্টন ময়দানে
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:

- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ' নামে অভিহিত হয়েছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৫৮.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৩ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,১৫৯.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - প্রেসিডেন্ট।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
- তাজউদ্দীন আহমেদ - প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ।
- এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান - অভ্যন্তরীণ সরকার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী - অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৮,১৬০.
”ডাকনাচ” বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. নওগাঁ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- ডাকনাচ  পুরুষের যুদ্ধনৃত্য।
- ঢাকার মানিকগঞ্জে এর প্রচলন আছে।
- এ নাচের মাধ্যমে সঙ্গীদের যুদ্ধে আহবান করা হয়।
- শত্রু হানা দিয়েছে এরূপ ভাব দেখিয়ে সরকার বা দলপতি উচ্চৈঃস্বরে একটানা কণ্ঠধ্বনি করে। 
- কম্পনসহ এ ডাক ধীর গ্রাম থেকে উচ্চ গ্রামে চড়ে। 
- তার ডাক শুনে সহযোদ্ধারা চারদিক থেকে এসে জড় হয়। 
- নাচের এ অংশটিকে বলা হয় ডাক। 
- দ্বিতীয় অংশে লাঠি নিয়ে যুদ্ধের নানা কলাকৌশল দেখানো হয়। ঢোল ডাকনাচের প্রধান বাদ্যযন্ত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,১৬১.
সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি তাজমহল কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) ভাগীরথী
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
গ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যমুনা
ব্যাখ্যা
- যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত। 
- বিশ হাজার দক্ষ শিল্পী ও কারিগর সুদীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ এই সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। 
- সম্রাট নিজেই ছিলেন এর পরিকল্পনাকারী। 
- প্রধান স্থাপতি ছিলেন ইসফানদিয়ার রুমী ও মাস্টার ঈসা। 
- ভারতীয় ও পারসিক শিল্পকলার মিলন ঘটিয়ে তাজমহল নির্মিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ।
৮,১৬২.
ড. শামসুজ্জোহা কোন প্রেক্ষাপটে শহিদ হন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা শহিদ হন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং প্রক্টর ছিলেন।
- আন্দোলনরত ছাত্রদের বাচাঁতে গিয়ে তিনি নিজেই শহিদ হন। তার মৃত্যুর ফলে আইয়ুর বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৮,১৬৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে মোট কয়টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১০টি
  2. ১৪টি
  3. ১৭টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম. ইদ্রিস।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,১৬৪.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ কোনটি?
  1. বট
  2. আম 
  3. কাঠাল
  4. তাল
সঠিক উত্তর:
আম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ:
- জাতীয় ভাষা: বাংলা
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা(প্রথম ১০ চরণ)
- জাতীয় পাখি: দোয়েল;
- জাতীয় ফুল: শাপলা;
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার;
- জাতীয় বন: সুন্দরবন;
- জাতীয় বৃক্ষ- আম গাছ;
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল;
- জাতীয় মাছ: ইলিশ;
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম;
- জাতীয় জাদুঘর: জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা;
- জাতীয় পতাকা: সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত;
- জাতীয় কবি: কাজী নজরুল ইসলাম;
- জাতীয় পার্ক: শহীদ জিয়া শিশু পার্ক;
- জাতীয় খেলাঃ কাবাডি;
- জাতীয় সৃতিসৌধ: সম্মিলিত প্রয়াস;
- জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস: ২৬ শে মার্চ;

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৮,১৬৫.
'তেভাগা আন্দোলন' বাংলার কয়টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ১৬টি
  4. ঘ) ১৯টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন
• ১৯৪৬-৪৭ সালে ভূমিমালিক এবং ভাগচাষিদের মধ্যে উৎপাদিত শস্য সমান দুই ভাগ করার পদ্ধতির বিরুদ্ধে বর্গাদাররা প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে যা তেভাগা আন্দোলন হিসেবে পরিচিত।
• কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন। তেভাগা শব্দের আভিধানিক অর্থ ফসলের তিন অংশ।
• তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়।
• এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ এবং ইলা মিত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮,১৬৬.
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রটি গৃহীত হয়েছিল -
  1. প্রথম গণপরিষদ কর্তৃক
  2. দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক
  3. তৃতীয় গণপরিষদ কর্তৃক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র:

• ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
• পাকিস্তান সৃষ্টির ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র টি রচিত হয়েছিল। 
• ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। 
• ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
• প্রথম গণপরিষদ শাসনতন্ত্র প্রণয়নে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। 
• ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
• ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
• ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
• ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ যে সংবিধান প্রণীত ও কার্যকর করা হয়েছিল তা মাত্র ২ বছর ৮ মাস চালু ছিল।
• ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৬৭.
প্রাচীন কালে সিলেট জেলা কোন জনপদের অন্তর্গত ছিল? 
  1. বঙ্গ
  2. সমতট
  3. হরিকেল
  4. বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
ব্যাখ্যা

প্রাচীন বাংলার জনপদ:
- হরিকেল:
- সপ্তম শতকের লেখকরা হরিকেল নামে অপর একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন।
- এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে।
- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।

অপরদিকে,
- সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে সমতটের অবস্থান।
- কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত বলা হতো সমতট।
- কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড় কামতা এর রাজধানী ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,১৬৮.
৬ দফা দাবিকে আইয়ুব সরকার কী হিসেবে আখ্যায়িত করে?
  1. ম্যাগনাকার্টা
  2. বাঙ্গালীর মুক্তির দাবি
  3. বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
৬ দফা: 
- ৬ দফা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সকল অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- আইয়ুব সরকার একে 'বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মসূচি' হিসেবে আখ্যায়িত করে।
- এ কর্মসূচি বাঙালির জাতীয় চেতনামূলে বিস্ফোরণ ঘটায়।
- এতে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার কথা বলা না হলেও এ ৬ দফা কর্মসূচি বাঙালিদের স্বায়ত্তশাসনের মন্ত্রে গভীরভাবে উজ্জীবিত করে।
- ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণার জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেখ মুজিবুর রহমানকে বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং পাকিস্তানের এক নম্বর শত্রু বলে চিহ্নিত করে।
- পাকিস্তান সরকার ৬ দফা গ্রহণ না করে দমন-পীড়ন শুরু করলে আন্দোলন অনিবার্য হয়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,১৬৯.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে কয়টি দল অংশ গ্রহন করে?
  1. ৫টি
  2. ২৪টি
  3. ১১টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন: 
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদ ও ২২ অক্টোবর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- কিন্তু বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে যায়।
- পুণরায় ঘোষণা  ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদের এবং ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- কিন্তু এবারও বাধা আসে। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ জলোচ্ছ্বাসে মানুষ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- শুধু উপকূলীয় অঞ্চলের জাতীয় পরিষদের ৯টি ও প্রাদেশিক পরিষদের ২১টি আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- তবে নির্বাচনী প্রচারণায় মূলত আওয়ামী লীগ ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি প্রাধান্য লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭০.
শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বটেশ্বর, সিলেট
  2. খ) ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
  3. গ) লেবুখালী, পটুয়াখালী
  4. ঘ) ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) লেবুখালী, পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লেবুখালী, পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে।
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।
৮,১৭১.
কুতুবউদ্দিন আইবেক নিম্নের কোন বংশের প্রতিষ্ঠাতা?
  1. তুঘলক বংশ
  2. দাস বংশ
  3. খিলজি বংশ
  4. সৈয়দ বংশ
সঠিক উত্তর:
দাস বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাস বংশ
ব্যাখ্যা
দাস বংশ:
- ভারতবর্ষে দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আইবেক।


উল্লেখ্য,
⇒ মুহাম্মদ ঘোরির কোন পুত্র সন্তান না থাকায় তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতুস্পুত্র গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ তরাইনের যুদ্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি এবং মুহাম্মদ ঘোরির আস্থাভাজন কুতুবউদ্দিন আইবেককে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে সনদ ও 'সুলতান' উপাধি প্রদান করেন।
- এভাবে ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের নেতৃত্বে ভারতে স্বাধীন সুলতানদের শাসনের সূচনা হয়।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ ইসলামের ইতিহাসে তথাকথিত 'দাস বংশ' নামে সমধিক পরিচিত।
- ভারতীয় উপমহাদেশে এই বংশ ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২৯০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করে।
- উল্লিখিত সময়ে (৮৪ বছর) সর্বমোট ১১ জন সুলতান শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
- ১২০৬ থেকে ১২৯০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কুতুবউদ্দিন, ইলতুতমিস, বলবন এবং তাঁদের বংশধরেরা শাসন করেন।
- এই বংশের প্রথম সুলতান ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক এবং সর্বশেষ সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন কাইমুরস (১২৮৯-১২৯০ খ্রি.)।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭২.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুজিবনগর সরকার ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশকে কতটি সামরিক জোনে ভাগ করে?
  1. ১১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা
বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- পরবর্তীতে তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়া বেশকিছু সাব-সেক্টর এবং জেড, কে এবং এস নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ
যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেইনিয়মিত সেনা,গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল। এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল। 

- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।
- এসব সংগঠন স্থানীয়ভাবে পাকিস্তানি বাহিনী এবং রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
- যেমন: টাঙ্গাইলে কাদেরিয়া বাহিনী, মাগুরার আকবর বাহিনী ইত্যাদির কথা স্মরণীয় হয়ে আছে।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে দেশকে পাকিস্তানিদের দখলমুক্ত করার জন্য রণক্ষেত্রে যুদ্ধ করেছেন, অনেকে আহত হয়েছেন, অনেকে দেশের জন্যে প্রাণ দিয়েছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৮,১৭৩.
প্রাচীন সমতট জনপদের কেন্দ্র ছিল -
  1. লালমাই
  2. পুণ্ড্রনগর
  3. কোটিবর্ষ
  4. পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
লালমাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটির অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- কালিদাসের রঘুবংশ কাব্যের মাধ্যমে জানা যায় যে, সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- প্রাচীন ত্রিপুরা বা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট জনপদ।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭৪.
'তারা মসজিদ' তৈরি করেন কে?
  1. মির্জা গোলাম পীর
  2. শায়েস্তা খান
  3. নবাব সলিমুল্লাহ
  4. আলী জান ব্যাপারী
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৮,১৭৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীনতম সভ্যতা কোনটি?
  1. মেসােপটেমীয় সভ্যতা
  2. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মেসােপটেমীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসােপটেমীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সভ্যতা:
 - বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসােপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠে ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসােপটেমীয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলাে হলাে সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে,
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে নীল নদের তীরে।
- প্রাচীন রােমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রােমান সভ্যতা।
- ভারতে জন্ম নিয়েছিল সিন্ধু সভ্যতার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৮,১৭৬.
'ফাগুন হাওয়ায়' চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেন?
  1. তৌকীর আহমেদ
  2. জহির রায়হান
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
ব্যাখ্যা

ফাগুন হাওয়ায়:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,১৭৭.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ১০ জন
  2. ৮ জন
  3. ৬ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
৮,১৭৮.
মুঘল সম্রাটদের ক্ষেত্রে কোন ক্রমটি সঠিক?
  1. বাবর > আকবর > হুমায়ুন > শাহাজাহান > জাহাঙ্গীর > আওরঙ্গজেব
  2. বাবর > হুমায়ুন > আকবর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব > জাহাঙ্গীর
  3. বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
  4. বাবর > আকবর > হুমায়ুন > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সঠিক ক্রম: বাবর > হুমায়ুন > আকবর > জাহাঙ্গীর > শাহাজাহান > আওরঙ্গজেব।

• মুঘল  সাম্রাজ্য:

- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৬১০ সালে বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
৮,১৭৯.
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়:

- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর আগে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় ক্রীড়া খাত পরিচালনা করত এবং যুব খাত শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রনালয় দেখাশোনা করত।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুব বিভাগের উন্নয়নের জন্য তার সেবা প্রদান করে আসছে।
- একই সময়ে, এটি দেশের খেলাধুলা এবং খেলাধুলার উন্নতির দেখাশোনা করে।
- ক্রীড়া অধিদপ্তর যা একটি সরকারি বিভাগ। এটি ক্রীড়া ক্ষেত্রের কার্যক্রমের জন্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত।
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে যা যুবদের জন্য সরকারি নীতি ও কর্মসূচির একমাত্র বাস্তবায়নকারী সংস্থা।
- ৬৪টি জেলায় এবং ৪৭৬টি উপজেলায় অফিস রয়েছে।

তথ্যসূত্র - যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,১৮০.
জিয়াউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে জিয়া বাহিনী গঠিত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. সুন্দরবন অঞ্চলে
  2. গোপালগঞ্জ অঞ্চলে
  3. সাভার অঞ্চলে
  4. কুমিল্লা অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় মুক্তিবাহিনী জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন অঞ্চল):
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন অঞ্চল) স্থানীয় একটি মুক্তিবাহিনী। এর প্রধান ছিলেন জিয়াউদ্দিন আহমেদ (মেজর জিয়া)।
- সমগ্র সুন্দরবন অঞ্চলটি মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯নং সেক্টরাধীন ছিল।
- ৭১-এর আগস্ট মাসের শুরুতে এটি সাব-সেক্টর হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- কিন্তু স্বীকৃতি প্রাপ্তির পূর্বেই পাকিস্তান সেনাবাহিনীর চতুর্থ গোলন্দাজ বাহিনীর অফিসার জিয়াউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় সুন্দরবন - - অঞ্চল জুড়ে একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গড়ে উঠেছিল।
- যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হলে সুন্দরবন সাব-সেক্টরের মর্যাদা লাভ করে। বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা
ও সাতক্ষীরার একাংশ নিয়ে সুন্দরবন সাব-সেক্টর গঠিত হয়। জিয়াউদ্দিন আহমেদ হন এর কমান্ডার।
- ২৭শে মার্চ বিকেল থেকে জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে পিরোজপুর সরকারি স্কুল মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।
- এ-সময় থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পিরোজপুরের বিভিন্ন থানা ও বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল দুঃসাহসী জিয়া বাহিনী।
- এরপর জুন মাসের ১ম সপ্তাহে সুন্দরবনে মাইঠা ক্যাম্প ও আড়াইবাঁকি ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে জিয়া বাহিনী স্থায়ী ঠিকানা ও পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৪র্থ খণ্ড।

৮,১৮১.
কোন সালে Dacca বানান Dhaka করা হয়?
  1. ১৯৮০
  2. ১৯৮২
  3. ১৯৮৪
  4. ১৯৮৬
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
ব্যাখ্যা
ঢাকার বানান পরিবর্তন:

- ব্রিটিশ শাসনামলে বর্তমান রাজধানী ঢাকার নাম ছিল ইংরেজি বানানে ‘Dacca’।
- এই ‘Dacca’ (ডাক্কা) থেকে Dhaka (ঢাকা) নামকরণ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদ।
- জেনারেল এরশাদ সরকারের সময় ১৯৮২ সালে এই পরিবর্তন আনা হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৪ জুলাই ২০১৯।
৮,১৮২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. আ.ন.ম আব্দুল রশিদ
  2. আমির হোসেন আমু
  3. তোফায়েল আহমেদ
  4. আ.স.ম আব্দুর রব
সঠিক উত্তর:
আ.স.ম আব্দুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ.স.ম আব্দুর রব
ব্যাখ্যা

- আ স ম আব্দুর রব বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করেন।

জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে  আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

উৎস:  দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।

৮,১৮৩.
নিচের কোন জেলায় জাতীয় সংসদের কেবল একটি আসন রয়েছে?
  1. ক) বরগুনা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।

বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

জাতীয় সংসদের ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১ এবং ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৮,১৮৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে কোন শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক? [জুন, ২০২৫]
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা
বাধ্যতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থা:
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বাধ্যতামূলক।
- সরকারি পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনামূল্যে পড়াশুনা করতে পারে খুদে শিক্ষার্থীরা।

⇒ বাংলাদেশে, প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলক) আইন, ১৯৯০ অনুসারে, ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ (বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষা) রাষ্ট্রের একটি মৌলিক নীতি হিসাবে বাধ্যতামূলক শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালে করা জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার স্তর অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক শিক্ষার স্তর দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত করার কথা বলা আছে।
- ছয় বছর পর ২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ২০১৩ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি চালুর অনুমোদন দেওয়া শুরু হয়।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিস্তৃত করে তা অবৈতনিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
- নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।
৮,১৮৫.
কুদরাত-ই-খুদার শিক্ষা কমিশন কোন শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেন?
  1. পঞ্চম শ্রেণি
  2. ষষ্ঠ শ্রেণি
  3. সপ্তম শ্রেণি
  4. অষ্টম শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই সরকার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- কমিশন ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রচলিত প্রাথমিক শিক্ষা প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক এবং
- কমিশন ১৯৮৩ সালের মধ্যে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেন।
-  ১৯৭৩ সালে জারীকৃত 'প্রাথমিক শিক্ষা অর্ডিন্যান্স' এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিগ্রহণ আইন (১৯৭৪) বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
- এসব আইনে পর্যায়ক্রমে ৩৬, ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় পূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,৫৭,৭৪২ জন শিক্ষক সরকারি কর্মচারী হিসেবে আত্তীকৃত হন।

সূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা, বিএড, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,১৮৬.
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) করাচীতে
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) ঢাকায়
  4. ঘ) কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় - লাহোরে।

• 'ছয় দফা':

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৮৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মেজর জিয়াউর রহমান কোন সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

• ১নং সেক্টর: সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• ২ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
• ৩ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
• ৪নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
• ৫ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
• ৬ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
• ৭ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
• ৮ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
• ৯ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
• ১১ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৮,১৮৮.
কৌটিল্য কোন শাসকের মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন?
  1. সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্যে।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তাঁর রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে, মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিল কৌটিল্য। 
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা হলেন প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও সমরবিদ কৌটিল্য। এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। 
- আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাসকে পরাজিত করে উপমহাদেশ থেকে গ্রিকদের বিতাড়িত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৮৯.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠানটি কোথায় আয়োজিত হয়?
  1. প্যারিসে
  2. নিউইয়র্কে
  3. লস এঞ্জেলসে
  4. লন্ডনে
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল। 
- তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, চীন এবং ইরান ও সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল।
- তবে মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিক এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।
- পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে আয়োজিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই অনুষ্ঠানটির মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ জোগানের ব্যবস্থা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,১৯০.
মুক্তিযুদ্ধের নৌ সেক্টর কোনটি ছিল?
  1. ক) ১নং
  2. খ) ১০নং
  3. গ) ১১নং
  4. ঘ) ৭নং
সঠিক উত্তর:
খ) ১০নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০ নং সেক্টর (নৌ সেক্টর)।

একে ৩টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এ সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলেন না।
এটি সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৮,১৯১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ২নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর আলমগীর
  2. মেজর নাজমুল হক
  3. মেজর এ.টি.এম হায়দার
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
মেজর এ.টি.এম হায়দার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর এ.টি.এম হায়দার
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধকালীন ২নং সেক্টর এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন দুজন।
- প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১নং সেক্টর এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন-  মেজর জিয়াউর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭নং সেক্টর এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন- মেজর নাজমুল হক।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টর ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। 
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে। নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার। 
- এই সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে: 
- গঙ্গাসাগর, আখাউড়া ও কসবা (মাহবুব এবং পরে লেফটেন্যান্ট ফারুক ও লেফটেন্যান্ট হুমায়ুন কবীর); 
- মন্দভাব (ক্যাপ্টেন গাফফার); 
- শালদানদী (আবদুস সালেক চৌধুরী); 
- মতিনগর (লেফটেন্যান্ট দিদারুল আলম); 
- নির্ভয়পুর (ক্যাপ্টেন আকবর এবং পরে লেফটেন্যান্ট মাহ্বুব); 
- এবং রাজনগর (ক্যাপ্টেন জাফর ইমাম এবং পরে ক্যাপ্টেন শহীদ ও লেফটেন্যান্ট ইমামুজ্জামান)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,১৯২.
ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মির্জা আহমদ খান
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. ঈসা খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা গোলাম পীর
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:

- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৮,১৯৩.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এস.এ.রহমান
  2. এম.আর.খান
  3. মকসুমুল হাকিম
  4. আবদুস সালাম খান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৯৪.
'পুন্ড্রনগর' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) ব্রহ্মপুত্র
  2. খ) করতোয়া
  3. গ) আত্রাই
  4. ঘ) ইছামতি
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল। পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। 

উৎস: বিবিএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৯৫.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
৮,১৯৬.
বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত কোনটি?
  1. ৭ মার্চের ভাষণ
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,১৯৭.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে কোন গ্রামে?
  1. ক) বৈদ্যের বাজার
  2. খ) বৈদ্যনাথতলা
  3. গ) রাণিগাও
  4. ঘ) শান্তিনগর
সঠিক উত্তর:
খ) বৈদ্যনাথতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৈদ্যনাথতলা
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

৮,১৯৮.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. মহাখালী
  2. সেগুনবাগিচা
  3. শাহবাগ
  4. ধানমন্ডি
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:

- ১৫ মার্চ ২০০১ সালে ঢাকার সেগুনবাগিচায় জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব কফি এ আনান-এর উপস্থিতিতে এ ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও ক্ষুদ্র জাতিসমূহের ভাষা সংগ্রহ, সংরক্ষণসহ প্রয়োজনীয় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা এবং বাংলাসহ অন্যান্য ভাষা আন্দোলনের তথ্যসংগ্রহ ও গবেষণা এবং ইউনেস্কোর সদস্য দেশসমূহের মধ্যে এ-সংক্রান্ত তথ্যাবলি পৌঁছে দেওয়া।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আইন ২০১০ অনুযায়ী তিনিই এ ইনস্টিটিউটের প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
- তাঁর সরকারের উদ্যোগের ফলেই ইনস্টিটিউট পরিণত হয়েছে ইউনেস্কো-র ক্যাটেগরি ২ প্রতিষ্ঠানে।

তথ্যসূত্র - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,১৯৯.
ছয়দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়ার বাড়ি কোথায় ছিলো?
  1. জামালগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. গোপালগঞ্জ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
ছয়দফা আন্দোলনের শহিদ:
- ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
- ৬ দফা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হন সিলেটের মনু মিয়া।
- বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,২০০.
১৭৭০ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ কী নামে পরিচিত?
  1. ক) পঞ্চাশের মন্বন্তর
  2. খ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
  3. গ) তেতাল্লিশের মন্বন্তর
  4. ঘ) সত্তরের মন্বন্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
ব্যাখ্যা
ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ ও বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দে বাংলার ইতিহাসের ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
এতে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। তখন বাংলার গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)