বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৬ / ১২৪ · ৬,৫০১৬,৬০০ / ১২,৪২১

৬,৫০১.
Against which education commission did the ''1962 Education movement'' happen?
  1. Hunter Commission
  2. Sharif Commission
  3. Nurul Amin Commission
  4. Shamsul Haque Commission
সঠিক উত্তর:
Sharif Commission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sharif Commission
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস।
- ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে আরেকটি আন্দোলন হয়, যা বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে অভিহিত।
- শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
- ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
- এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।
- এ আন্দোলনের গুরুত্ব এ যে, এ সময় থেকে ছাত্ররাই আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
- তখন থেকে আজ পর্যন্ত ছাত্র সম্প্রদায় প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস রূপে পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৫০২.
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ১১টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:

- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫০৩.
Which of the following is the regulatory body of insurance in Bangladesh?
  1. ক) IRAB
  2. খ) IRDA
  3. গ) IBRA
  4. ঘ) IDRA
  5. ঙ) None of these
সঠিক উত্তর:
ঘ) IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) IDRA
ব্যাখ্যা
- IDRA এর পূর্ণরূপ Insurance Development and Regulatory Authority.
- IDRA এর মানে হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করে। 
- আইডিআরএ বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
 
উৎস: idra.org.bd
৬,৫০৪.
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ আমলের কীর্তি-
  1. ক) পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ
  2. খ) গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ
  3. গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
  4. ঘ) গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
ব্যাখ্যা
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩২খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। তাঁর সময়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাঁর আমলের কীর্তিঃ
-গৌড়ের বারদুয়ারি বা বড় সোনা মসজিদ তাঁর আমলের কীর্তি।
-তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা।
-তাঁর আদেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের কিয়দংশ বাংলায় অনুবাদ করেন।
-শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্বের বঙ্গানুবাদ করেন।
অন্যদিকে,
-আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে রাজত্বকালে নির্মিত হয় গুমতিদ্বার ও গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ।
-পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ সিকান্দার শাহের অমরকীর্তি।
-গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’ নামে পরিচিত বিরাট ও সুন্দর তোরণটি রুকনউদ্দিন বরবক শাহ নির্মাণ করেছিলেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৬,৫০৫.
’স্বাধীনতা তোরণ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. প্রগতি সরণি
  3. পলাশীর মোর
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রগতি সরণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি সরণি
ব্যাখ্যা

 ‘স্বাধীনতা তোরণ':
- অবস্থান: প্রগতি সরণি, বাড্ডা, ঢাকা।

- ঢাকার প্রগতি সরণিতে, বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে অবস্থিত,
- যা সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিতে।
- সময়: ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। 
- উদ্দেশ্য: জুলাই আন্দোলনের (ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন) স্মৃতি ধারণ করা।
- উদ্বোধক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক।  

অন্যদিকে,
- আগারগাঁওয়ে 'মুক্তি তোরণ' নামে আরেকটি তোরণও উদ্বোধন করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা নিউজ।

৬,৫০৬.
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার মূল কারণ কোনটি?
  1. ক) ব্রিটিশ স্বার্থ
  2. খ) বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন
  3. গ) মুসলমানদের দুর্বল রাজনীতি
  4. ঘ) হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি স্থাপন
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববাংলার জনগণের সার্বিক উন্নতি হবে এ আশাবাদ থেকে পূর্ববাংলায় নতুন প্রদেশের প্রতি সমর্থন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বাংলার হিন্দু সম্প্রদায় প্রধানত দুইটি কারণে বঙ্গভঙ্গের ঘোর বিরোধিতা করে । 

- প্রথমত, বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি ব্যবসা-বাণিজ্য, ইত্যাদি সবকিছু কলকাতাকেন্দ্রিক হিন্দু সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। 
নতুন প্রদেশ গঠনের ফলে তাদের স্বার্থে চরম আঘাত লাগে। 
- দ্বিতীয়ত, দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী হিন্দু নেতৃবৃন্দের নিকট বাংলা বিভক্তি ছিল ‘মাতৃভূমির অঙ্গচ্ছেদ' এর মত। 
- বঙ্গভঙ্গকে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির ব্রিটিশ ষড়যন্ত্র বলে অ্যাখায়িত করে তাঁরা এর ঘোর বিরোধিতায় অবতীর্ণ হন।
- এ সকল কারণে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন দ্রুত বাংলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
 - এক পর্যায়ে, স্বদেশীপণ্য ব্যবহার এবং বিদেশী পণ্য বর্জনের কর্মসূচি যুক্ত হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে। 
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অচল হয়ে পড়ে। 
- কুমিল্লা, ঢাকা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, রাজশাহীসহ পূর্ব বাংলায় বহু স্থানে হিন্দু-মসুলমান সম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংগঠিত হয়। 
- আন্দোলন তীব্র হলে ব্রিটিশ সরকার নত হতে বাধ্য হয় । 
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন। 
- একই সঙ্গে, তিনি ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের কথা বলেন।
 
 উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৫০৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার শেষ দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
• পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
⇒ দফা গুলো হলো:-
• প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
• দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
• তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
•  চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
• পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
• ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উল্লখ্য,
• ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
• ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
• ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫০৮.
কোন শাসকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে?
  1. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান নেতা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৬,৫০৯.
মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারি সম্মেলনে কার বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন সাহেব
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন: 
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের  'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন। 
-  ঐ সম্মেলনে তিনি সোহরাওয়ার্দীর বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন।
- এ মতবিরোধের কারণে দলে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐ বছর মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থি দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন এবং  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।
- তিনি এ দলের সভাপতি হন এবং এর সেক্রেটারি জেনারেল হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন দেশটি বাংলাদেশকে সমর্থন প্রদান করে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো মুক্তিযুদের পক্ষে সমর্থন জানায়। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরান প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ইরাক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানায়। পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমসমূহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫১১.
ইলিয়াস শাহ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ইরাক
  2. তুরষ্ক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫১২.
বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বাংলাদেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ২১তম
  2. ২২তম
  3. ২৩তম
  4. ২৪তম
সঠিক উত্তর:
২৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪তম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:

- দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
- রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
- ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে।
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের ১১ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ থানাধীন ছয়াশী (হাটনাইয়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (অর্থনীতি) ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেয়ে জেলা বার-কমিটিতে যোগদান করেন।
- তিনি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ২০০৯ সালের ৩০ জুন যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৬,৫১৩.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
  3. গ) বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী
  4. ঘ) শাহাজাহান সিরাজ
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬,৫১৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘মুজিবনগর’ কোন সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ৬ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
৬,৫১৫.
বাংলাদেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কোন বছরে শুরু করা হয়?
  1. ১৯৮৩ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
ব্যাখ্যা

• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়।
- সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সরকার দেশের ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর জন্য পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেন। 
- ১৯৯০ সালে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়।
- ১৯৯২ সালে সীমিতভাবে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়। 

তথ্যসূত্র: সিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৫১৬.
When did India recognize the independence of Bangladesh?
  1. ক) 6 December, 1971
  2. খ) 26 March, 1971
  3. গ) 16 December, 1971
  4. ঘ) 14 December, 1971
সঠিক উত্তর:
ক) 6 December, 1971
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 6 December, 1971
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভুটানের স্বীকৃতি প্রদানের আনুষ্ঠানিক খবর তারবার্তার মাধ্যমে মুজিবনগর সরকারের কাছে পৌঁছার কয়েক ঘণ্টা পর আর একটি তারবার্তার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- ভুটান ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই ডিসেম্বর অনুমান সকাল দশ ঘটিকায় এবং ভারত ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর সকাল অনুমান ১১.০০-১১.৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশকে তারবার্তার মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত করায়।

•  বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- প্রথম দেশ : ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), 
- দ্বিতীয় দেশ : ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), 
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ : পূর্ব জার্মানি (১১ জানু. ১৯৭২), 
- প্রথম আফ্রিকান দেশ : সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)। 

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইনকিলাব। 
৬,৫১৭.
'সকল ক্ষেত্রে সঠিক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল ও মেধাবী নেতৃত্ব। প্রয়োজন সৃষ্টিশীল মেধাবী মানুষ'। কথাটি বলেছেন-
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
- জুন ২৫ ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলনকেন্দ্রে  সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৪ পুরস্কার প্রদান করেন।
- এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তৃতাদানকালে উল্লিখিত উক্তিটি করেন।

উৎস: pmo.portal.gov.bd
৬,৫১৮.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  4. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়। 
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম  তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫১৯.
বাগেরহাট খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজবিশিষ্ট?
  1. ক) আশি
  2. খ) সাতাশি
  3. গ) ষাট
  4. ঘ) একাশি
সঠিক উত্তর:
ঘ) একাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একাশি
ব্যাখ্যা
- বাগেরহাটে খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ মসজিদ। 
- মসজিদটি সর্বমোট ৮১ গম্বুজ বিশিষ্ট। 
    - চারটি কর্ণার টাওয়ারের উপর,
    - সত্তরটি পাশের দুই অংশের উপর এবং
    - সাতটি চৌচালা ভল্ট কেন্দ্রীয় নেভের উপর।
-   খান জাহান আলী ছিলেন একজন মুসলিম ধর্মপ্রচারক এবং বাংলাদেশের বাগেরহাটের একজন স্থানীয় শাসক।
- তিনি রাজা গণেশকে পরাজিত করে বাংলার দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেন।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে বাগেরহাট জেলায় তিনি বাংলাদেশের মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাগেরহাট জেলা ওয়েবসাইট ও ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।
৬,৫২০.
এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৫২১.
আলিবর্দী খাঁ এর প্রকৃত নাম কী?
  1. ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
  2. খ) সরফরাজ খাঁ
  3. গ) সুজাউদ্দিন
  4. ঘ) হাজি আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা
আলীবর্দী খান:
 - আলিবর্দী খাঁ(১৬৭৬-১৭৫৬)  বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- তিনি প্রথম জীবনে মির্জা মুহম্মদ আলী নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন আরব বংশোদ্ভূত মির্জা মুহম্মদের পুত্র।
- মির্জা মুহম্মদ ছিলেন আওরঙ্গজেব-এর দ্বিতীয় পুত্র মির্জা আজম শাহের দরবারের একজন কর্মচারী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫২২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার কত নং দফাটি পররাষ্ট্র সংক্রান্ত?
  1. পঞ্চম
  2. চতুর্থ
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
৬ দফা দাবি:
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

উৎস পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫২৩.
হিউয়েন সাং কত খ্রিস্টাব্দে বাংলায় এসেছিলেন?
  1. ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৭৩৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৭৩৮ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
হিউয়েন সাং:
- মৌর্য সম্রাট অশোকের বৌদ্ধধর্ম প্রচার বাংলাদেশের হৃদয় জয় করেছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের মধ্যে পুণ্ড্রবর্ধনে বৌদ্ধধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল।
- বৌদ্ধধর্মের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি বৌদ্ধ শ্রমণেরা বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন।
- পঞ্চম শতকের গোড়ায় চীনের বৌদ্ধ শ্রমণ ফা-হিয়েন বাংলায় এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে। 
- হিউয়েন সাং সাত শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। 
- তিনি দেখেছেন, সমতটের ত্রিশটি বিহারে দু- হাজার শ্রমণের বাস।
- ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং মধ্য-এশিয়া হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- কনৌজে সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য গ্রহণের পর তিনি মগধের নালন্দা মহাবিহারে পড়াশোনা করেন।
- বাংলার কর্ণসুবর্ণ, পুন্ড্রনগর, সমতট এবং তাম্রলিপ্তি ভ্রমণ করেন।
- তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করেন, যা সাত শতকের বাংলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাঁর রচনা জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ প্রদান করে।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলেও, ভ্রমণকালীন বিভিন্ন অঞ্চলের বর্ণনায় তিনি বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখেন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বইয়ে দেওয়া আছে, হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 
অধিকাংশ সূত্রে ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দ থাকায় এটিকেই নেওয়া হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া।
৬,৫২৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৩ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৫২৫.
'পঞ্চাশের মন্বন্তর' কত সালে হয়?
  1. ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
  2. ইংরেজি ১৮৪৩ সালে
  3. ইংরেজি ১৮৫০ সালে
  4. ইংরেজি ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা

 পঞ্চাশের মন্বন্তর:
- বাংলার ইতিহাসে একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল পঞ্চাশের মন্বন্তর।
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষটি হয়েছিল বলে এটি পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- ১৭৭০ সালের পর বাংলায় সংঘটিত সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল এটি।
- পঞ্চাশের মন্বন্তরে প্রায় সাত লাখ পরিবারের ৩৮ লাখ মানুষের জীবনযাত্রার মানের মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষ এবং দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী মহামারিতে ৩৫ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষের পেছনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটা বড় কারণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৫২৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১
  2. ১৪
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৫২৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত বছর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন?
  1. ১০ বছর
  2. ১১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ বছর
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠনে প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন শেখ মুজিব। 
- বস্তুত জেলে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় নবগঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের (১৯৪৯) যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। 
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। 
- ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন। 
- দলকে ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র দেওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে দলের নাম হতে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫২৮.
জাগ্রত চৌরঙ্গী ভাস্কর্যটি কোথায়?
  1. ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
  2. খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) কুষ্টিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
ব্যাখ্যা
• 'জাগ্রত চৌরঙ্গী':
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- এই ভাস্কর্যের স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক।
- 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।

উৎস: গাজীপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৫২৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল?
  1. ক) চীন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- তখন জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন ইয়াকফ মালিক।
-তিনিই প্রথম সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, যিনি বিশ্বসভায় বাংলাদেশ নামটি উচ্চারণ করেন।
- বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এতে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- তখন তিনবার ই সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে ভেটো প্রদান করে।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬।
৬,৫৩০.
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -
  1. আলবুকার্ক
  2. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  3. লুই বার্থামেলু
  4. ভাস্কো-দ্য-গামা
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ:
- বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
- ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -  ভাস্কো-দ্য-গামা।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩১.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) করাচিতে
  4. ঘ) পাঞ্জাবে
সঠিক উত্তর:
গ) করাচিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করাচিতে
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৩২.
বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দান করেন কে?
  1. বলভভাই প্যাটেল
  2. অরবিন্দ ঘোষ
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

স্বদেশী আন্দোলন:
- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- তাছাড়া এ আন্দোলন শুরুতে তরুণদের দেশপ্রেম, ঔপনিবেশিক শক্তিবিরোধী শাড়িপূর্ণ নিষ্ঠা ও আদর্শ নিয়ে শুরু হলেও ক্রমে তা থেকে চরম ও সশস্ত্র ধারার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্ম নেয়।
- ফলে ব্রিটিশ শক্তি শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ বাতিল করতে বাধ্য হয়।
- স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে।
- সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠে বাংলার নিজস্ব তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা।
- অপর দিকে বিলেতি শিক্ষা বর্জন এবং আন্দোলনের সাথে যুক্তদের বিভিন্ন সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ফলে প্রয়োজনে গড়ে উঠে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ।
- আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি।
- যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৩৩.
'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NCTB
  2. BANBEIS
  3. NTRCA
  4. NAEM
সঠিক উত্তর:
NCTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NCTB
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড:
- 'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)।
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।
- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে। ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও যুগপোযোগী করার জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

তথ্যসূত্র - NCTB এর ওয়েবসাইট।
৬,৫৩৪.
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পারস্যের কোন বিখ্যাত কবির সাথে পত্রালাপ করতেন?
  1. কবি ফেরদৌসী
  2. কবি হাফিজ
  3. ওমর খৈয়াম
  4. নিজামী গজনবী
সঠিক উত্তর:
কবি হাফিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি হাফিজ
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ: 
- ইলিয়াস শাহী শাসকদের মধ্যে সিকন্দার শাহ সুদীর্ঘ সময় ধরে বাংলার সুলতান ছিলেন।
- তাঁর রাজত্বকালে বাংলায় সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজমান ছিল।
- তিনি সুকৌশলে ফিরোজ শাহের আক্রমণ প্রতিহত করেন।
- তিনি সাহিত্য, শিল্পকলা, স্থাপত্য প্রভৃতি সুকুমার শিল্পের উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এক সংঘর্ষে পিতা সিকান্দর শাহকে হত্যা করে বাংলার সিংহাসন দখল করেন।
- তিনি পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সাথে পত্রালাপ এবং চীন সম্রাট ইয়াং লুর সাথে দূত বিনিময় করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৩৫.
ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী কোন জায়গা থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন?
  1. রাজমহল
  2. সোনারগাঁও 
  3. মুর্শিদাবাদ 
  4. পাটালিপুত্র 
সঠিক উত্তর:
রাজমহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজমহল
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৩৬.
১৯৫৬ সালের সংবিধান অনুযায়ী পাকিস্তানকে কী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. পুঁজিবাদী রাষ্ট্র
  2. সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র
  3. ইসলামী প্রজাতন্ত্র
  4. ফেডারেল রাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ইসলামী প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামী প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

⇒ ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- এ গণপরিষদ গঠিত হয় ৮০ জন সদস্য সমন্বয়ে, যাদের মধ্যে ৪০ জন ছিলেন পূর্ববাংলার এবং বাকি ৪০ জন পশ্চিম পাকিস্তানের সদস্য।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। 
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে পাকিস্তানের নতুন সংবিধান কার্যকর হয়।
- পাকিস্তানের সংবিধান, ১৯৫৬ পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ২৩৪টি অনুচ্ছেদ, ১৩টি ভাগ এবং ৬টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- পাকিস্তানের সংবিধানে ছিল একটি দীর্ঘ প্রস্তাবনা, যাতে পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকান্ড সর্বশক্তিমান আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৩৭.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. অশোক
  2. কুজলা
  3. শশাঙ্ক
  4. কণিষ্ক
সঠিক উত্তর:
কণিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিষ্ক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৩৮.
লোদী বংশের শেষ সুলতান কে?
  1. ইব্রাহিম লোদী
  2. বাহলুল লোদী
  3. দৌলত খান লোদী
  4. সিকান্দার লোদী
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ:
→ বাবর বুঝেছিলেন পানিপথের প্রান্তরের যুদ্ধে জয় লাভ করলে তাঁর দিল্লির সিংহাসনে বসার পথ সহজ হয়ে যাবে।
→ তাই তিনি দিল্লির নিকটবর্তী পানিপথ প্রান্তরে দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। তারিখটি ছিল ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ১২ এপ্রিল।
→ বাবরের আত্মজীবনী তুযুক-ই-বাবরী থেকে জানা যায়, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
→ তাছাড়া পাঞ্জাব জয়ের পর কিছু সংখ্যক অতিরিক্ত সৈন্যও তাঁর সাথে যোগদান করে।
→ তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
→ অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
→ প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। আর ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৯.
আমন ধান আহরণ করা হয় কোন মাসে?
  1. ক) বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য
  2. খ) আষাঢ়-শ্রাবণ
  3. গ) আশ্বিণ-কার্তিক
  4. ঘ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
ব্যাখ্যা
আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন। রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম। রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
Source: ais.gov.bd
৬,৫৪০.
'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' বলা হয় কোনটিকে?
  1. বাইক্কা বিল
  2. চলন বিল
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এই হাওর 'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' নামেও পরিচিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলা অবস্থিত।
- এ হাওরটিতে মোট ১২০টি বিল রয়েছে।
- হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- এই হাওরে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১১ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৪ অক্টোবর ২০২৩।
৬,৫৪১.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?
  1. সম্রাট আকবর 
  2. সম্রাট বাবর 
  3. বিজয় সেন 
  4. লক্ষ্মণ সেন
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর 
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।
- সম্রাট হুমায়ুন যখন শেরশাহ এর নিকট পরাজিত ও রাজ্যচ্যুত হয়ে স্ত্রী হামিদাবানুকে নিয়ে পারস্য অভিমুখে যাত্রাকালে, রাজস্থানের অমরকোটে ২৩ নভেম্বর, ১৫৪২ সালে আকবর জন্মলাভ করেন।
- জন্মের পর হুমায়ুন শিশুপুত্রের নামকরন করেন জালালউদ্দিন। 

⇒ ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- উত্তরে কাশ্মীর হতে দক্ষিণে আহমেদনগর ও মধ্য এশিয়ার কাবুল কান্দাহার হতে পূর্ব বাংলা পর্যন্ত একচ্ছত্র মুঘল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রি. দ্বীন-ই-ইলাহী নামক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।

⇒ রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য আকবর শের শাহের রাজস্ব নীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
- আকবর ন্যায়বিচারের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। 
- সম্রাট আকবর পদাতিক, অশ্বারোহী, গোলন্দাজ ও নৌ-বাহিনী এই চার ভাগে তার সেনাবাহিনীকে বিভক্ত করেন। 
- কৃষিকাজের ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৪২.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি অবস্থিত – মানিকগঞ্জ।
- গোবিন্দ রাম সাহা” বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন।
- ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি (Baliaati Zamindar Bari) নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

তথ্যসূত্র: মানিকগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৬,৫৪৩.
কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাকে একত্র করেন?
  1. ক) ইলিয়াস শাহ্
  2. খ) হোসেন শাহ্
  3. গ) মোবারক শাহ্
  4. ঘ) ফিরুজ শাহ্
সঠিক উত্তর:
ক) ইলিয়াস শাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলিয়াস শাহ্
ব্যাখ্যা
- শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।

সুলতানি শাসন:
- শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। 
- এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় ‘বাঙালি' নামে।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী হয় সোনারগাও।
- ১৩৫২ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাও দখলের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্র করেন।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪৪.
'দিবর দিঘী' কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বিলাইছড়ি
  2. খ) গলাচিপা
  3. গ) পত্নীতলা
  4. ঘ) আদমদিঘী
সঠিক উত্তর:
গ) পত্নীতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পত্নীতলা
ব্যাখ্যা
• 'দিবর দিঘী':
- পত্নীতলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা (দিবর দিঘী ও দিবর দিঘীতে অবস্থিত দিব্যক জয়স্থম্ভ রয়েছে।
- নওগাঁ জেলার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন পত্নীতলা উপজেলা দিবর দিঘীর মধ্যে স্থানে অবস্থিত দিব্যক জয়স্থম্ভ।
- এ দিঘী স্থানিয় জনগনের কাছে কর্মকারের জলাশয়ের নামে পরিচিত।দিঘীটির জলাশয়ের আয়তন প্রায় ৬০ বিঘা জমির উপরে অবস্থিত।
- দিবর দিঘীর মধ্যখানি অবস্থিত  আটকোণ বিশিষ্ট গ্রানাইট পাথরের এতবড়  সত্মম্ভ বাংলাদেশে বিরল।
- এই সত্মম্ভের উচ্চতা ৩১ ফুট আট ইঞ্চি।পরিদর্শনের সময়ে মাপ অনুযায়ী পানি নিচের অংশ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং পানির উপরের অংশ ২৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। এর ব্যাস ১০ ফুট ৪ ইঞ্চি ;প্রতিটি কোণের পরিধি ১ ফুট ৩.৫ ইঞ্চি।
- এই সত্মম্ভের কোন লিপি নেই। সত্মম্ভের উপরিভাগ খাঁজ কাটা অলঙ্করণ দ্বারা সুশোভিত।

তথ্যসূত্র: পত্নীতলা উপজেলা ওয়েবসাইট।
৬,৫৪৫.
লর্ড কার্জন বাংলা ভাগ করেন কবে?
  1. ১৯০৪ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৬ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪৬.
কে ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) উইলিয়াম হান্টার
  4. ঘ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন - এ কে ফজলুল হক।

• রাজনীতিতে শেরে বাংলার অবদান:
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণার পর পূর্ব বাংলার মানুষ যখন চরম হতাশাগ্রস্থ তখন তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- উল্লেখ্য যে নবাব স্যার সলিমুল-াহ ফজলুল হককে বিশ্বস্তু যোগ্য ও শক্তিশালী সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯১৫ সালে তিনি কৃষক-প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন।

- ১৯১৬ সালে স্বাক্ষরিত লৌক্ষ্ম প্যাক্ট ফজলুল হকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।
- ১৯১৮ সালে তিনি একদিকে মুসলিম লীগের সভাপতি অন্যদিকে নিখিল ভারত কংগ্রেসের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন।
- এ সময় তিনি মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে ঐক্য স্থাপনে প্রচেষ্টা চালান।
- ১৯২৯ সালে তিনি ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন।
- একে ফজলুল হক একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংকট মিমাংসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

- তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে শেরে বাংলা ভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে প্রজ্ঞা প্রদীপ্ত সুপারিশ করেছিলেন তার মধ্যে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ফজলুল হকের অসাধারণ নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে স্বাধীকারের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- এরই সূত্র ধরে পূর্ব বাংলার মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪৭.
ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপটে রচিত নাটক কোনটি?
  1. আর্তনাদ
  2. বিবাহ
  3. নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
  4. জীবন থেকে নেওয়া
সঠিক উত্তর:
বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ
ব্যাখ্যা

• 'বিবাহ' নাটক:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে মমতাজউদদীন আহমদের লেখা প্রথম নাটক 'বিবাহ'।
- নাটকটি ১৯৮৫ সালে প্রকাসজিত হয়। 

- বিবাহ নাটকে আমরা দেখি সখিনাকে। যে কিনা স্বপ্ন দেখেছিল তার একটি সংসার হবে, যে কিনা বধূবেশে বসার স্বপ্ন দেখেছিল, বসেছিলও। গায়ে হলুদের দিন মেহেদী মেখেছিল হাতে। কিন্তু যার সাথে তার বিয়ে হবে সেই বর ছুটে গেল মিছিলে। বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মিছিলে। পুলিশের গুলি খেয়ে পড়ে ছিল রাজপথে। যার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলা ভাষা। সখিনার অস্ফুট স্বরে আর্তনাদ তাইতো বুক ভেঙে আসে।

অন্যদিকে, 
------------------
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস ’আর্তনাদ’। 
• সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস ”নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি”। 
• জহির রায়হানের পরিচালিত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেওয়া'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; The Daily Star Bangla এবং বাংলাপিডিয়া। 

৬,৫৪৮.
তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগ গঠিত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. আবুল হাসেম
  2. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
  3. শামছুল আলম
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- পশ্চিম পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন ফোরামে শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমানের উদ্যোগে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রচেষ্টা চলে।
- এতে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- তারা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৪৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রসভার আয়োজন করে।
- তমুদ্দিন মজলিশের  উদ্যোগ গঠিত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন  অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।
- পরের বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পরিষদ সদস্যদের উর্দু বা ইংরেজিতে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এ প্রস্তাবে সংশোধনী এনে বাংলাকেও পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান।
- পরবর্তীতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলন পরিচালনার জন্য একটি নতুন  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
- এটি দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৫৪৯.
কোন সংসদের ব্যাপ্তি সবচেয়ে কম ছিলো?
  1. ৫ম সংসদ
  2. ৭ম সংসদ
  3. ষষ্ঠ সংসদ
  4. ৮ম সংসদ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- এই সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশ হয়।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৬,৫৫০.
Dhaka University started with how many faculties?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 5
  4. ঘ) 6
সঠিক উত্তর:
ক) 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 3
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ৩টি অনুষদ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ১ জুলাই ১৯২১ সালে।
- ১৯২১ সালের জুলাই মাসে ৩টি অনুষদের অধীনে (বিজ্ঞান, কলা ও আইন) ১২টি বিভাগ ও ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বীজ বপন হয়েছিল ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘটনার মধ্য দিয়ে। 
- ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে একদল মুসলিম জনপ্রতিনিধি, যার মধ্যে ‘বাংলার বাঘ’ খ্যাত এ কে ফজলুল হক ও সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী অন্যতম, বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান সর্বপ্রথম ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি।
- স্যার সলিমুল্লাহর দান করা ৬০০ একর জমিতেই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩০ জুন ২০২১।
৬,৫৫১.
ইবনে বতুতা কোন শাসকের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
  1. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
• ইবনে বতুতা (মরক্কো)
 - ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং
- আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- গ্রন্থ- ইবনে জুযাই , কিতাবুল রেহালা।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৫২.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ‘এগারো দফা’ প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
‘উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ এর প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে ‘এগারো দফা’ দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
যার কারণে ‘এগারো দফা’ পূর্ব বাংলার সকল স্তরের জনসাধারণের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬,৫৫৩.
কার সময়ে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. খ) জন কার্টিয়ার
  3. গ) রবার্ট ক্লাইভ
  4. ঘ) লর্ড কর্ণওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
গ) রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে মোগল সম্রাট শাহ আলমের নিকট থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি বা রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা লাভ করে।
অন্যদিকে নবাবকে শাসন ও বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ইতিহাসে এটিই দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত।
ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বাতিল করেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৫৪.
মোঘল সম্রাটদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম আত্মজীবনী লিখেন?
  1. ক) বাবর
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ূন
  4. ঘ) শাহাজাহান
সঠিক উত্তর:
ক) বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাবর
ব্যাখ্যা
উত্তর : বাবর

বাবর:
- বাবর জন্মেছিলেন ১৪৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফারগানা (বর্তমানে উজবেকিস্তান) প্রদেশের আনদিজান শহরে।
- তিনি ফারগানা প্রদেশের শাসনকর্তা ওমর মির্জার বড় পুত্র ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ১২ বছর বয়সেই সিংহাসনে বসেন। তবে চাচার ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হয়ে সেখান থেকে বিতাড়িত হন বাবর। পরে ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে হিন্দুকুশের দিকে পা বাড়ান বাবর।
- মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর তুর্কি ভাষায় ‘তুজুক-ই-বাবুরী’ বা 'বাবরনামা' নামে তার জীবন স্মৃতি রচনা করেন। 
তিনিই প্রথম আত্মজীবনী রচনাকারী মোগল সম্রাট।

এছাড়া মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মচরিত বা স্মৃতিকথা রচিত হয় ‘তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী' নামে।
- আর খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ একটি নথি ‘আইন-ই-আকবরি'।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৫৫.
মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর শ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
গ) বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
৬,৫৫৬.
ড. শামসুজ্জোহা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী মেডিকাল কলেজ
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• ড. শামসুজ্জোহা:
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং তৎকালীন প্রোভোস্ট ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল।
- পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিলে ড. শামসুজ্জোহা বাধা দেন।
- ছাত্রদের রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীর সামনে এগিয়ে গেলে সৈন্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে শহীদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৫৭.
Bakhtiar Khalji was born in-
  1. Iraq
  2. Afganistan
  3. Iran
  4. Turkey
সঠিক উত্তর:
Afganistan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Afganistan
ব্যাখ্যা
বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন।
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৮.
কার শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গোপাল
  2. বল্লাল সেন
  3. দ্বিতীয় মহীপাল
  4. বিজয় সেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য।
- তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন।
- কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ আব্দুল হামিদ ও মােহাম্মদ উল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গণপরিষদের যথাক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
- প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হােসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটিতে একমাত্র বিরােধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগু ।
- একমাত্র  মহিলা সদস্য  রাজিয়া বানু ।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- আইনমন্ত্রী ড. কামাল হাসেনে ১২ অক্টোবর গণপরষিদে পেশ করনে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বেলা ১ঃ১০ মিনিটে গণপরিষদে সংবিধান বিল পাস হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি অনুলিপিতে(৩৯৯ জন) স্বাক্ষর দান করেন। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধান বইতে স্বাক্ষরদানে বিরত থাকেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান: আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
৬,৫৬০.
অনলাইনে ভূমির নামজারির সকল কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ই- ভূমি
  2. খ) ই- খতিয়ান
  3. গ) ই- দলিল
  4. ঘ) ই- নামজারি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ই- নামজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ই- নামজারি
ব্যাখ্যা
• ভূমির নামজারির সব কাজ সম্পন্ন হবে অনলাইনে, যেটাকে বলা হচ্ছে ই- নামজারি
- কোন জমি কিনলে সেটি নিজের নামে নামজারি করতে হয়। এর মানে হল সরকারি ভূমি অফিসের রেজিস্ট্রারে আপনার নামে জমিটি লিপিবদ্ধ থাকে।

সূত্র: ভূমি মন্ত্রণালয় ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
৬,৫৬১.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. এম মনসুর আলী
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।

• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৬২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. সুলতান মাহমুদ শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাদার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- তিনি 'মুবারক শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- ফখরুদ্দিন বাংলায় তাঁর কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করলে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৬৩.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) এম. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
৬,৫৬৪.
২১ শে ফেব্রুয়ারিকে কত সালে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ১৯৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৬,৫৬৫.
পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী প্রথম উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) আব্দুস সালাম খান
  2. খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৬৬.
নিচের কোন জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম নেই?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) লক্ষ্মীপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাপবিবোর্ড এর কার্যক্রম:
- পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম নেই- বান্দরবান জেলায়
- মোট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৮০ টি।
- অনুমোদিত প্রকল্প ৮৪ টি।
- অন্তর্ভুক্ত জেলা ৬১ টি।
- অন্তর্ভুক্ত উপজেলা ৪৬২ টি ( ৪৬১ টি অন-গ্রিড এবং ০১ অফ-গ্রিড)।
- শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ৪৬২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।
৬,৫৬৭.
বঙ্গবন্ধু জােট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কততম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।

(সূত্র: ন্যাম ওয়েবসাইট)

৬,৫৬৮.
তমদ্দুন মজলিস কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. অধ্যাপক আব্দুল মজিদ
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক আবুল কালাম
  4. অধ্যাপক তমিজউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৬৯.
‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ২০১৯
  2. ১২ জানুয়ারি, ২০১৯
  3. ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
  4. ২১ জানুয়ারি, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি, ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি, ২০১৯
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ:
- মুজিববর্ষ হলো বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০২০ সালের ১৭ই মার্চ তাঁর জন্মের ১০০ বছর পূর্তি হয়।
- তাই তাঁর এই জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্যই 'মুজিববর্ষ' পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এছাড়াও ২০২১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতার অর্ধ-শত বার্ষিকীতে পদার্পণ করে।
- ২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় মুজিব বর্ষ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।  
- তাই ২০২০ ও ২০২১ সাল দুটি বাঙালির জাতীয় জীবনের দুটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকছে।
- মুজিববর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ সাল পর্যন্ত।
- প্রথমে ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬শে মার্চ, ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে, বৈশ্বিক করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‘মুজিববর্ষ' এর সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ করে।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।

উৎস: i) শ্রম অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইট।
         ii) ১০ জানুয়ারি ২০২০, প্রথম আলো।
৬,৫৭০.
মুক্তিযুদ্ধের 'তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি' কবে প্রণীত হয়?
  1. ২৭ মার্চর ১৯৭১
  2. ২ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬,৫৭১.
ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকনির্দেশনা।
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা পূর্ব সকল ভাষণগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল তাদের বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা।
- এ কারণেই ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৭২.
Operation carried out on March 25, 1971 is known as-
  1. ক) Operation Flash Light
  2. খ) Operation Close Door
  3. গ) Operation Clean Heart
  4. ঘ) Operation Search Light
সঠিক উত্তর:
ঘ) Operation Search Light
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Operation Search Light
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৭৩.
সোনারগাঁওকে বাংলার রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. শের শাহ সূরি
  2. আওরঙ্গজেব
  3. ঈশা খাঁ
  4. ইসলাম খান চিশতী
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা

সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের গোড়াপত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৫৭৪.
মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন- 
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এ.কে খন্দকার
  4. আব্দুর রব
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

২ নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৭৫.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র কয়টি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র রয়েছে ২টি। প্রথম পরমাণু শক্তি কেন্দ্রটি ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। আর দ্বিতীয় পরমাণু শক্তি কেন্দ্রটি ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: http://www.baec.gov.bd/
৬,৫৭৬.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম কী?
  1. Memory of July
  2. Art of July
  3. Memory of Gen Z
  4. Art of Triumph
সঠিক উত্তর:
Art of Triumph
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Art of Triumph
ব্যাখ্যা

Art of Triumph:
- জুলাইয়ে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে গত ৫ আগস্ট।
- ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন দেয়ালে নানা ধরনের গ্রাফিতি আঁকা হয়।
- তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা এমন গ্রাফিতি সশরীরে গিয়ে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা।
- জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম Art of Triumph।

এছাড়াও,
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' উপহার প্রদান করেন।
- এছাড়াও, মুহাম্মদ ইউনূস প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী, প্রাইমেটোলজিস্ট ও নৃতত্ত্ববিদ জেন গুডঅলকে 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' আর্টবুক উপহার দিয়েছেন। 

উৎস: প্রথম আলো ও  বাংলা ট্রিবিউন পত্রিকা রিপোর্ট।

৬,৫৭৭.
১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ কে ঘোষণা করেন, 'উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'।
- ২৪শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনেও তিনি অনুরূপ ঘোষণা দিলে ছাত্রসমাজ প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে এবং আবদুল মতিনকে অনুসরণ করে সবাই 'না, না' বলে তাঁর উক্তির প্রতিবাদ জানায়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেসকোর্স ময়দানে জিন্নাহ'র ঘোষণারও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল।
- পরে একপর্যায়ে পাকিস্তান সরকার আরবি হরফে বাংলা প্রচলনের উদ্যোগ নিয়েছিল।
- পূর্ববাংলার মানুষ এ উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করে।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার মাধ্যমে পূর্ববাংলার জনগণ জাতীয়ভাবে নিজেদের বিকাশের গুরুত্ব উপলব্ধি করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,৫৭৮.
‘জুলাই ৩৬ গেট’ কোথায় উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. পূর্বাচলে
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. রংপুরে
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

• জুলাই ৩৬ গেইট:
- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে।
- নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক অফিস, সিলেট।

৬,৫৭৯.
কোন গভর্নর জেনারেলের সময় বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়?
  1. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  2. লর্ড এলেনবরা
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
সামাজিক সংস্কার:
- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর কোনো বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে মরতে বাধ্য করলে তা আইনত দণ্ডনীয় বলে আইন জারি করা হয়।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৮০.
কয়জন বিচারপতি নিয়ে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ গঠিত হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ৭ জন
  4. ঘ) ৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
ব্যাখ্যা

সুপ্রিমকোর্টের দুটি বিভাগের একটি হলো আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সহ আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতির সংখ্যা ৬ জন।
তারা হলেন:
- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (প্রধান বিচারপতি)
- বিচারপতি মোহাম্মদ ইম্মান আলী
- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিক
- বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিক
- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরগ্রহণের সময়সীমা ৬৭ বছর।

সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

৬,৫৮১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. এ.কে.এম. নূরুল ইসলাম
  2. কে.এম. নুরুল হুদা
  3. এম. ইদ্রিস
  4. চৌধুরী এ.টি.এম. মাসুদ
সঠিক উত্তর:
এম. ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. ইদ্রিস
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম. ইদ্রিস।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৮২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীর বিক্রম' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. সাইথুই মারমা
  2. ইউ. কে. চিং মারমা
  3. মং চিং সাইন
  4. রতন চাকমা
সঠিক উত্তর:
ইউ. কে. চিং মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউ. কে. চিং মারমা
ব্যাখ্যা

• ইউ. কে. চিং মারমা:
- ইউ. কে. চিং মারমা ছিলেন মারমা সম্প্রদায়ের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত “বীর বিক্রম” খেতাব অর্জন করেন।
-  তিনি তৎকালীন East Pakistan Rifles (বর্তমানে Border Guards Bangladesh)-এর সদস্য ছিলেন।
-  মুক্তিযুদ্ধের সময় উত্তরাঞ্চলের রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন।
-  বাংলাদেশ সরকার তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত করে।
-  তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৫ জুলাই ২০১৪ সালে।

তথ্যসূত্র: 
১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB), ঢাকা।
২. ডে৪ইলি স্টার । (Link) 

৬,৫৮৩.
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটলি ইপিআই সেন্টার স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) গাইবান্ধা
  5. ঙ) মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটাল সম্প্রসারিত টিকাদান কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয় রংপুর সিটি কর্পোরেশনে । এটি ২০১৯ সালের ১৩ মে উদ্বোধন করা হয়। এটিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধনের ব্যবস্থার সঙ্গে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়।(সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম)
৬,৫৮৪.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৬,৫৮৫.
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) Walkout
  2. খ) Blackout
  3. গ) Stockout
  4. ঘ) Bailout
সঠিক উত্তর:
ক) Walkout
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Walkout
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” (Walkout) বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ।

৬,৫৮৬.
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌ-বহর প্রেরণ

১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারত আমেরিকার একটি বার্তায় জানতে পারে যে আরব সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌ-বহর আসছে। মৈত্রী চুক্তির আলোকে ভারত সোভিয়েতের নিকট সহায়তা চায়। এসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন তার ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে। এই নৌ-বহরের অগ্রভাগে ছিল পারমাণবিক অস্ত্র সম্বলিত দুটি সাবমেরিন। যুদ্ধ জাহাজের আগমন জানতে পেরে ৭ম নৌ-বহর পিছিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৫৮৭.
কোন মুঘল সম্রাট ইংরেজ কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি প্রদান করেন?
  1. ক) দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  2. খ) দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. গ) দ্বিতীয় আলমগীর
  4. ঘ) সম্রাট ফররুখশিয়র
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধে অযোদ্ধার নবাব সুজাউদ্দৌলা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সহায়তায় গড়ে তোলা মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজ বাহিনীর যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাই বক্সারের যুদ্ধ নামে খ্যাত। এ যুদ্ধে মীর কাশিম শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। ফলে ১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দেওয়ানি প্রদান করেন।
[সূত্রঃ ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত) এবং বাংলাপিডিয়া]
৬,৫৮৮.
১৯৫৪ সালে নির্বাচনে মুসলমান আসনে কত শতাংশ ভোট পড়ে?
  1. ৪১.৬০%
  2. ৪৫.৬০%
  3. ৫১.৬০%
  4. ৩৭.৬০%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৬০%
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৮৯.
কোন নারী ক্রীড়াবিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন?
  1. নিগার সুলতানা
  2. শারমিন সুলতানা শিরিন
  3. সাবিনা খাতুন
  4. রানী হামিদ
সঠিক উত্তর:
রানী হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানী হামিদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নারী ক্রীড়াবিদ রানী হামিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন।

বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:

- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
৬,৫৯০.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো কত?
  1. ২ কোটি ৮৪ লক্ষ
  2. ৩ কোটি ০১ লক্ষ
  3. ৩ কোটি ২২ লক্ষ
  4. ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
৩ কোটি ২২ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ কোটি ২২ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানের মোট ভোটার ছিলো ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ। পূর্ব পাকিস্তানে ভোটার ছিলো ৩ কোটি ২২ লক্ষ।
- জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে ছিলো ১৬৯টি।
- নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৭টি এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৯১.
What was the name of the first temporary capital of Bangladesh?
  1. Meherpur
  2. Mujib Nagar
  3. Sylhet
  4. Dhaka
সঠিক উত্তর:
Mujib Nagar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mujib Nagar
ব্যাখ্যা
প্রথম অস্থায়ী রাজধানী:

- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী 'মুজিবনগর' মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভুখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৯২.
কার সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল
  3. মহীপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। 
- রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের। 
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- এভাবে অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলা গ্রাস করে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে। 

উল্লেখ্য,
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৫৯৩.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য নন কে?
  1. ক) রুহুল কুদ্দুস
  2. খ) ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  3. গ) ড. আনিসুজ্জামান
  4. ঘ) ড. এস. আর. বোস
সঠিক উত্তর:
ক) রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।

পরিকল্পনা কমিশন গঠন
- দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- তাই স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী এবং
- অন্যান্য সদস্য ছিলেন (১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ, (২) ড. মোশাররফ হোসেন, (৩) ড. এস. আর. বোস এবং (৪) ড. আনিসুজ্জামান। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৯৪.
ভাদ্র ও আশ্বিন দুই মাস কি কাল?
  1. ক) বসন্তকাল
  2. খ) শরৎকাল
  3. গ) শীতকাল
  4. ঘ) হেমন্তকাল
সঠিক উত্তর:
খ) শরৎকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শরৎকাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ।
প্রতি দুই মাসে একটি ঋতুর আর্বিভাব ঘটে।
গ্রীষ্মঃ বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ
বর্ষাঃ আষাঢ়, শ্রাবণ
শরৎঃ ভাদ্র, আশ্বিন
হেমন্তঃ কার্তিক, অগ্রহায়ণ
শীতঃ পৌষ, মাঘ
বসন্তঃ ফাল্গুন, চৈত্র

৬,৫৯৫.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ৮ জন
  4. ১২ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন - এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -  খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৫৯৬.
'Rijuk Falls' is located in -
  1. ক) Bandarban
  2. খ) Rangamati
  3. গ) Khagrachhari
  4. ঘ) Cox’s Bazar
সঠিক উত্তর:
ক) Bandarban
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bandarban
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
৬,৫৯৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন
  4. বৈদেশিক বাণিজ্যক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৯৮.
বাংলায় তুর্কি শাসনের সূচনাকারী কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন খলজি
  2. তুগ্রিল খান
  3. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  4. আলাউদ্দিন খিলজি
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা

তুগ্রিল খান, আলাউদ্দিন খিলজি, গিয়াসউদ্দিন খলজি নামে কেউ তুর্কি শাসনের সাথে যুক্ত ছিলেন না, অপশন বিবেচনায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে নাসিরুদ্দিন মাহমুদ উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

তুর্কি শাসন:

- তুর্কি শাসনামল ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত।
- মোট ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম শাসক নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।
- যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৯৯.
’জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী’- এটি কার ঘোষণা?
  1. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. দুদু মিয়া
  3. তিতুমীর
  4. ফকির মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র,মো. মোজাম্মেল হক।
৬,৬০০.
প্রাচীন বাংলায় কোন গোত্রের লোকদের পেশা ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য?
  1. ক) বৈশ্য
  2. খ) ব্রাহ্মণ
  3. গ) শূদ্র
  4. ঘ) ক্ষত্রিয়
সঠিক উত্তর:
ক) বৈশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৈশ্য
ব্যাখ্যা
কোনো সমাজে বর্ণপ্রথা একেবারে শুরুতে থাকে না। বাংলা তথা ভারতীয় সমাজে আর্য সংস্কার ও সংস্কৃতির বিস্তার হিসেবেই বর্ণপ্রথা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রাচীন বাংলার ৪ টি গোত্রের পেশা নিম্নরুপ - 
• ব্রাহ্মণ - অধ্যয়ন, অধ্যাপনা ও পূজা-পার্বণ করা- এগুলাে ছিল ব্রাহ্মণদের নির্দিষ্ট কর্ম। তারা সমাজে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা লাভ করতাে।
• ক্ষত্রিয় - ক্ষত্রিয়দের পেশা ছিল যুদ্ধ করা।
• বৈশ্য - ব্যবসা-বাণিজ্য করা ছিল বৈশ্যদের কাজ।
• শূদ্র - সবচেয়ে নীচু শ্রেণির শূদ্ররা সাধারণত কৃষিকাজ, মাছ শিকার ও অন্যান্য ছােটখাটো কাজ করত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।