বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৭ / ১২৪ · ৬,৬০১৬,৭০০ / ১২,৪২১

৬,৬০১.
উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনকাল কোনটি?
  1. ক) ১৭৫৭ - ১৮৪৭ সাল
  2. খ) ১৭৬৫ - ১৮৪৭ সাল
  3. গ) ১৭৫৭ - ১৮৫৭ সাল
  4. ঘ) ১৭৬৫ - ১৮৫৭ সাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৬৫ - ১৮৫৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৬৫ - ১৮৫৭ সাল
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে কোম্পানীর শাসনকাল ১৭৬৫ সাল থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত।
- ১৭৬৫ সালে বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সম্রাট শাহ আলমের সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ''এলাহাবাদ চুক্তি'' স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানী লাভ করে। এর মাধ্যমেই উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত ''সিপাহী বিদ্রোহ'' - এর ফলে উপমহাদেশের শাসনভার বৃটিশ রাজ ও পার্লামেন্টের হাতে অর্পিত হয়। বৃটিশ কেবিনেটের একজন সদস্য ভারত সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত হয় শাসনকার্যে তাঁকে সাহায্য করবে ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল। বৃটিশ সরকার সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির অবসান ঘোষণা করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৬,৬০২.
Which Muslim poet wrote poetry in Bengal during the Sultanate period?
  1. ক) Shah Muhammad Sagir
  2. খ) Sheikh Alaul Haque
  3. গ) Rowed Kha
  4. ঘ) Syed Ashraf Simnani
সঠিক উত্তর:
ক) Shah Muhammad Sagir
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Shah Muhammad Sagir
ব্যাখ্যা
- মুসলিম শাসকগণ বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাও করেন।
- এই সময়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যের মর্যাদা পায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুলতানদের দরবারে প্রবেশ করে।
- প্রথমে সুলতানরা ও তাঁদের আমাত্যেরা হিন্দু কবিদের উৎসাহ দেন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- অর্থাৎ মুসলিম সুলতানরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলা সাহিত্যের উৎপত্তি ও বিকাশে সহায়তা দান করেন।
- পরে মুসলিম কবিরাও বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- শাহ মুহাম্মদ সগীর একমাত্র মুসলিম কবি যিনি সুলতানি আমলে কাব্য রচনা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
- মধ্যযুগের আগে বাংলা ভাষার লিপি রচনার গতি বেশ ধীর ছিল।
- পাল ও সেন যুগে সংস্কৃত ভাষার প্রভাব বেশি থাকায় বাংলা ভাষার তেমন উন্নতি হয়নি।
- বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নমুনা হল চর্যাপদ।
- চর্যাপদের ভাষা পুরোপুরি বাংলা নয়, বলা চলে এটি বাংলা-পূর্ববর্তী ভাষা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বই কোনটি?
  1. ৩০৫৩ দিন
  2. ৩১৭২ দিন
  3. ৩২৩৭ দিন
  4. ৩৪৬৩ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০৫৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৫৩ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- বঙ্গবন্ধুর বই কারাগারের রোজনামচা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বইয়ের নাম ‘৩০৫৩ দিন’।
- বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কারা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা বিভাগের তদারকিতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা বই আমার দেখা নয়াচীন ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ জুলাই, ২০১৮।
৬,৬০৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. আটটি
  2. সাতটি
  3. এগারটি
  4. দশটি 
সঠিক উত্তর:
এগারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারটি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়াও ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
​- এ​গুলো হলো জেড ফোর্স, কে ফোর্স এবং এস ফোর্স।
- এই তিনটি ব্রিগেড ফোর্সের নামকরণ করা হয়েছিল তাদের নিজ নিজ অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
​- জেড ফোর্স-এর নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান,
​- কে ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
​- এবং এস ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কে এম শফিউল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬০৫.
তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১০৯২ খ্রি.
  2. ১১৯০ খ্রি.
  3. ১০৯০ খ্রি.
  4. ১১৯২ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
১১৯২ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯২ খ্রি.
ব্যাখ্যা

তরাইনের প্রথম যুদ্ধ (১১৯১ খ্রি.)
- মুহম্মদ ঘোরি পাঞ্জাব দখল করলে ভারতের হিন্দু রাজাগণ শঙ্কিত হয়ে ওঠেন।
- ১১৮৯ খ্রি. ভাতিন্দা দখল করে মুহম্মদ ঘোরি চৌহান রাজ্যের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে দিল্লি ও আজমীরের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান একটি শক্তি-সংঘ গঠন করেন।
- পৃথ্বীরাজের আহ্বানে অনেক রাজা সাড়া দেন। তবে কনৌজের রাজা জয়চাঁদের সাথে পৃথ্বীরাজের সুসম্পর্ক ছিল না।
- পৃথ্বীরাজ জয়চাঁদের কন্যা সংযুক্তার স্বয়ম্বর সভায় আমন্ত্রণ পাননি।
- তিনি ছদ্মবেশে এসে সংযুক্তাকে হরণ করে নিয়ে বিয়ে করেন।
- মুহম্মদ ঘোরি পৃথ্বীরাজের রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইন প্রান্তরে মিলিত পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে মুহম্মদ ঘোরির প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধে মুহম্মদ ঘোরির বাহিনী পরাজিত হলে তিনি নিজে আহত হন ও পলায়ন করেন।
- এটি তরাইনের প্রথম যুদ্ধ নামে পরিচিত ছিল।

• তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (১১৯২ খ্রি.)
- মুহম্মদ ঘোরি প্রথম চেষ্টায় ব্যর্থ হলেও পর বৎসর অর্থাৎ ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
- এবারও পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের প্রান্তরে তাঁর প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- দু'পক্ষেই বহু সৈন্য নিহত হয়। এবার পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
- কিন্তু সরস্বতী নদীর তীরবর্তী সিরসুতী নামক স্থানে তিনি ধরা পড়লে তাঁকে হত্যা করা হয়। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬০৬.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) খিলাফতে ই মুহম্মদীয়া
  2. খ) তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া
  3. গ) তেভেগা আন্দোলন
  4. ঘ) ফকির বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
খ) তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০৭.
বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম শিক্ষা কমিশন কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় এই কমিশন। 
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদা ছিলেন এই কমিশনের চেয়ারম্যান।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন 'কুদরত-ই-খুদা কমিশন' নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।
- এই কমিশনের মতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মোট আট বছর।
- মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মোট চার বছর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৬০৮.
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের রূপকার ছিলেন-
  1. এ.কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. উপরে বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
→ যুক্তফ্রণ্ট  ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
→ ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
• আওয়ামী লীগ,
• কৃষক শ্রমিক পার্টি,
• নেজামে ইসলাম ও
• গণতন্ত্রী দল।
-নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
-যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার।
- এই ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে। 
- পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টের এহেন বিজয়ের রূপকার ছিলেন এ.কে ফজলুল হক,  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মৌলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তাঁদের আকষর্ণীয় ব্যক্তিত্ব ভোটারদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল। 

উল্লেখ্য
[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৬০৯.
৪ সদস্যবিশিষ্ট যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৫ মে, ১৯৫৪
  2. খ) ৩০ মে, ১৯৫৪
  3. গ) ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪
  4. ঘ) ২০ মে, ১৯৫৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে। • যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
• পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।


SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
৬,৬১০.
বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা কে?
  1. শশাঙ্ক
  2. লক্ষণ সেন
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা শশাঙ্ক।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬১১.
গম্ভীরা কোন অঞ্চলের লোক সংগীত?
  1. রাজশাহী
  2. কুষ্টিয়া
  3. বগুড়া
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:

- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- 'গম্ভীরা' হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপুজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম 'গম্ভীরা, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৬১২.
নিচের কোন জেলা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ফরিদপুর
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬১৩.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত তারিখ?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ
  2. খ) ১৯৫৪ সালের ৯-১৩মার্চ
  3. গ) ১৯৫৪ সালের ৬-১৫ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালের ৮-১১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
• পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
৬,৬১৪.
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্টের:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি এবং
৪. হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচির ৪২ দফার প্রধান প্রধান দাবি নিয়ে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

নোট: [বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬১৫.
রাষ্ট্রের কোন উপাদানকে মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. জনসমষ্টি
  2. নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলা হয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে।
- যথা- (১) জনসমষ্টি, (২) ভূ-খন্ড, (৩) সরকার ও (৪) সার্বভৌমত্ব।

• সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।
- এ তিন ধরনের কাজের জন্য সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ।
- অর্থাৎ সরকার গঠিত হয় এ তিন বিভাগ নিয়ে।
- তবে বিশ্বের প্রায় সব সরকার ৩টি বিভাগ নিয়ে গঠিত হলেও সরকারের রূপ ও প্রকৃতি এক নয়।
- যেমন-বাংলাদেশে সংসদীয সরকার ব্যবস্থা, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

⇒ রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান উপাদান হচ্ছে সরকার।
- বস্তুত: সরকার ছাড়া কোন রাষ্ট্রই পরিচালিত হতে পারবে না।
- রাষ্ট্র বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে অনড় প্রকৃতির হলেও, সময় ও স্থানভেদে সরকার ব্যবস্থার রূপ পরিবর্তিত হতে পারে।
- সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- অনেকে সেজন্য সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক হিসেবে মনে করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬১৬.
ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে কোন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  2. শুঙ্গ সাম্রাজ্য
  3. কুষাণ সাম্রাজ্য
  4. মৌর্য সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
মৌর্য সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মৌর্যদের পরিচয় ও মৌর্য যুগ: 
- সমগ্র ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাসে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে যায়।
- খন্ড খন্ড ভারতবর্ষ রূপান্তরিত হয় সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে।
- আদি কৌম (গোত্রীয়) সমাজ রূপান্তরিত হয় সামাজ্যে।
- ঐ চতুর্থ শতাব্দীতে (খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭অব্দে) মহান আলেকজান্ডার মেসিডোনিয়া থেকে ভারত আক্রমণ করেন।
- বর্তমান উড়িষ্যাকে তখন মগধ বলা হতো। পাটলিপুত্র এর রাজধানী ছিল।
- মগধের সম্রাট ধননন্দ ছিলেন নন্দবংশীয়। কিন্তু তিনি ছিলেন অত্যাচারী রাজা।
- তাকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে পরাজিত করেন।
- চন্দ্রগুপ্ত গ্রিকদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদেরকে ভারত থেকে বিতাড়িত করেন।
- তার নামানুসারে ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মৌর্য সাম্রাজ্য নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬১৭.
কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রোজ গার্ডেন
  2. খ) সিরাজগঞ্জে
  3. গ) সন্তোষে
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) সন্তোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সন্তোষে
ব্যাখ্যা

- আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে ১৯৫৭ সালের ৭-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন
- এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও টাঙ্গাইল জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৬,৬১৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়?
  1. নরসিংদী
  2. পাবনা
  3. ফেনী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প:

- ২০১৫ সালে সিংদীর রায়পুরা উপজেলায় বাংলাদেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।
- দোকানপাট, আইসক্রিম কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সেচের কাজে লাগছে সৌরবিদ্যুৎ।
- সহজে মোবাইল ফোন চার্জ করতে পারছে গ্রামের মানুষ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫।
৬,৬১৯.
বাংলার মুক্তি সনদ নামে পরিচিত -
  1. ২১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:

- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬২০.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা কে ছিলেন?
  1. জুলফিকার আলী ভূট্টো
  2. নুরুল আমিন
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মোনায়েম খান
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভূট্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলফিকার আলী ভূট্টো
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।
- ১৯৭০ সালে পিপিপির নেতা ছিলেন জুলফিকার আলী ভূট্টো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্ৰ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬২১.
আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন কে?
  1. মুহাম্মদ বিন কাশিম
  2. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  3. দাহির
  4. আল বেরুনী
সঠিক উত্তর:
দাহির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাহির
ব্যাখ্যা
• রাজা দাহির 
-  ‘সিন্ধুর সর্বশেষ হিন্দু রাজা’।
- তিনি ৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম চাচ।
- দাহির ছিলেন সিন্ধুর পুষ্কর্ণ ব্রাহ্মণ সাম্রাজ্যের রাজা। 
- রাজা দাহিরের সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল।
- সেগুলো হলো আলোর, সুস্তান, কারওয়ান, ব্রাহ্মণাবাদ, স্কালিন্দা ও মুলতান।
- রাজা দাহিরের অধীনে থাকা করদ রাজ্যগুলো হলো দেবল, নীরুনকোট, সহওয়ান, বাহমনাবাদ ও সিবী।
- আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন দাহির। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬,৬২২.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' কে নির্মাণ করেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনির নৃশংসতা, পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড এবং মুক্তিযুদ্ধের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় চারটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- এগুলো হচ্ছে স্টপ জেনোসাইড, লিবারেশন ফাইটারস, এ স্টেট ইজ বর্ন, এবং ইনোসেন্ট মিলিয়নস।
- এর মধ্যে জহির রায়হান নির্মিত স্টপ জেনোসাইড একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত ও প্রশংসিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: উদ্ভব বিকাশ ও সাম্প্রতিক প্রবণতা, লেখক: জাহেদুর রহমান আরমান।
৬,৬২৩.
কোন মুঘল সম্রাটের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. আহমদ শাহ বাহাদুর
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।
- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মোগল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- এমনি মুমূর্ষ অবস্থায় ইংরেজ শক্তির ক্ষমতা দখল করার ফলে মোগল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬২৪.
বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন কে?
  1. ঈশা খাঁ
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. শের শাহ
  4. বাহাদুর শা
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৬২৫.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. আওয়ামী লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ছাত্র ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,৬২৬.
ছয় দফার কোন দফাটি বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত?
  1. ক) চতুর্থ দফা
  2. খ) পঞ্চম দফা
  3. গ) ষষ্ঠ দফা
  4. ঘ) তৃতীয় দফা
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

অন্যদিকে,
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬২৭.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) মূখ্য আইন
  4. ঘ) পিটিশন অব রাইটস
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলের নেতারা একটি সম্মেলনের আহবান করেন যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ৬ দফা দাবিগুলো হলো যথাক্রমে- 
১। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
৩। মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪। রাজস্ব, কর বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।
- বঙ্গবন্ধু এই ৬ দফা কে “আমাদের বাঁচার দাবি” হিসেবে আখ্যা দেন।
- ঐতিহাসিক এই ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’র সাথে তুলনা করা হয়

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬২৮.
মুজিবনগর সরকার কত সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেছিল?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬২৯.
রাঢ়ের রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. মহাস্থানগড়
  3. পাটনা
  4. কোটিবর্ষ
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

• রাঢ়:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো। 
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি। 
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল। 
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৩০.
'করতলব খান' কার উপাধি?
  1. আলিবর্দী খান
  2. সিরাজউদ্দৌলা
  3. মুর্শিদ কুলি খান
  4. মীর কাসিম
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
• মুর্শিদ কুলি খান:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- মুর্শিদ কুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবি আমলের সূচনা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে 'করতলব খান' উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৩১.
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ শাসন: 
- ব্রিটিশদের ভারত ত্যাগ এবং ভারত ভেঙে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন করে।
- রাষ্ট্রের জন্মের মতো ইতিহাসের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ব্রিটিশ সরকার ভারতের গভর্নর জেনারেল করে পাঠায়। 
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন তিনি ভারতের শেষ ভাইসরয়।
• ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
- শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
- শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

এছাড়াও,
- পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
- পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৩২.
অসহযোগ আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বিপিনচন্দ্র পাল 
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন:
-  অসহযোগ আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মধ্যে অহিংস প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমানুষকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একত্রিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত। 
- ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ হিসেবে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিবাদ এবং সরকারি কার্যক্রমে কোনো সহযোগিতা না করা।
- ১৯২১–২২ খ্রিস্টাব্দে আন্দোলনটি সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- তবে ১৯২১ সালে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা এলাকায় অহিংস আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় গান্ধী হঠাৎ করে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
- ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়।
---------------------
উল্লেখ্য,
• মহাত্মা গান্ধী:
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি মহাত্মা গান্ধী নামেও পরিচিত।
- তিনি অহিংস প্রতিরোধ আন্দোলনের একজন প্রবক্তা এবং ভারত রাষ্ট্রের জনক।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতের গুজরাট রাজ্যের পোরবন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে “মহাত্মা” উপাধি প্রদান করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধী “নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস” নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে ‘Indian Opinion’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯১০ সালে তিনি তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm) নামে একটি আশ্রম স্থাপন করেন, যেখান থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হতো।
- এছাড়াও সেখানে তিনি “দ্যা ক্রনিকল” নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৩৩.
বাংলাদেশে কয়টি উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৩ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ৭টি (সর্বমোট - ৮টি) উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
- মণিপুরি ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
- রাখাইন কালচারাল ইনস্টিটিউট, রামু, কক্সবাজার। (এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভূক্ত হয় নি।

(সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)

৬,৬৩৪.
টিপু সুলতান কোন অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন?
  1. সুরাট
  2. মহীশূর
  3. বিহার
  4. দিল্লি
সঠিক উত্তর:
মহীশূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীশূর
ব্যাখ্যা
- টিপু সুলতানকে মহীশূরের বাঘ বলা হয়। ভারতের বর্তমান কর্নাটক রাজ্যের পূর্বনাম মহীশূর।
- টিপু সুলতান ১৭৮২ সাল থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত মহীশূর রাজ্যের শাসক ছিলেন।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে কয়েক দফা যুদ্ধে জয় লাভ করলেও ১৭৯৯ সালে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি লর্ড ওয়েলেসলির নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
- ভারতের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাম্রাজ্য বিস্তারের অন্যতম বড় বাধা ছিলো টিপু সুলতান।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ও বিবিসি বাংলা)
৬,৬৩৫.
কোন ভাইসরয়ের শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা হয়?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিশ
  2. লর্ড হেস্টিংস
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
লর্ড হার্ডিঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড হার্ডিঞ্জ
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পুনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা লর্ড হার্ডিঞ্জ ভাইসরয়ের শাসনামলে হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৬৩৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) ক্যাপ্টেন শওকত আলীকে
  2. খ) ফ্লাইট সার্জেন্ট মফিজুল্লাহকে
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
  4. ঘ) ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হককে
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
ব্যাখ্যা

- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে করে গণআন্দোলন আরো প্রবল হয় এবং ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া]

৬,৬৩৭.
পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন নদীর তীরে?
  1. ভাগীরথী
  2. যমুনা
  3. গঙ্গা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৩৮.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফলাফল কোনটি?
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার
  2. আইয়ুব সরকারের পতন
  3. ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা লাভ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৩৯.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শামসুর রাহমান
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬,৬৪০.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র নামকরণ করেছিলেন -
  1. ক) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. খ) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  3. গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ঘ) আগরতলা মামলা
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে। 
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৪১.
তমদ্দুন মজলিসের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. আবুল কাশেম
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
- তমদ্দুন মজলিস  ইসলামী আদর্শশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়।

• প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য:
- বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিল প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়.
- আবুল কাশেম এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তমদ্দুন মজলিসেরস ৩ সদস্যের  কমিটি:
- অধ্যাপক আবুল কাশেম,কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ।
- ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।

উৎস:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র প্রথম খন্ড ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৪২.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৪৩.
বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান কাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. ইংরেজদের
  2. পর্তুগিজদের
  3. ডাচদের
  4. ফরাসিদের
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
ব্যাখ্যা
- পর্তুগিজদের বিভিন্ন অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে বাংলা থেকে বিতাড়ন করেন।

• পর্তুগিজ: 
-পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান। 
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন,
কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
-পর্তুগিজরা বাংলায় ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৬,৬৪৪.
ভাষা আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে কোন পত্রিকাকে পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে? 
  1. দৈনিক ইত্তেফাক
  2. দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
  3. দৈনিক আজকাল
  4. দৈনিক সংবাদ 
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন: 
- পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন ২৭ জানুয়ারি (১৯৫২) এক জনসভায় ঘোষণা দেন যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
- খাজা নাজিমউদ্দীনের উক্তির প্রতিবাদে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ জানুয়ারি (১৯৫২) ছাত্র ধর্মঘট ও সভা আহবান করে। 
- ৩০ জানুয়ারির সভায় ৪ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) ঢাকা শহরে ছাত্রধর্মঘট, বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্রসভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ভাষা আন্দোলনকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ৩১ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকার বার লাইব্রেরিতে একটি সর্বদলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- সভায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মাওলানা ভাসানী।
- সভায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ, তমাদ্দুন মজলিশ, ইসলামী ছাত্রসংঘ, যুবসংঘ, পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রভৃতি সংগঠনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে ২৮ মতান্তরে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- উক্ত পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সমর্থন করে এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, বিক্ষোভ ও সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সমর্থক ইংরেজি পত্রিকা 'দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার' নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- এছাড়া ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে এক মাসের জন্য সমস্ত ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
- ১৪৪ ধারা জারি করার অর্থ একসঙ্গে ৪ জনের বেশি লোকের সমাগম, মিছিল, শোভাযাত্রা, সভা ও সমাবেশ করা আইনবিরোধী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪৫.
কোন রোমান সম্রাট প্রথম খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন?
  1. ক) সম্রাট টিটাস
  2. খ) সম্রাট অগাসটাস সিজার
  3. গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
  4. ঘ) সম্রাট টারকিউনিকাস সুপারকাস
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
ব্যাখ্যা
গ্রিকদের মতো রোমানরা বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করতো। তাদের প্রধান দেবতা ছিলো জুপিটার। সম্রাট অগাস্টাস সিজার নিজেকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি নিজের প্রভাব হারানোর ভয়ে খ্রিস্টধর্মের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেন।
কিন্তু সম্রাট কনস্টানটাইন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একে রোমান সাম্রাজ্যের সরকারি ধর্মে পরিণত করেন। তার হাত ধরেই খ্রিস্টধর্ম প্রসার লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৬৪৬.
কোন পদ্ধতিতে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালিত হয়েছে?
  1. ডি-ফ্যাক্টো
  2. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
  3. ডি-জুরি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing).
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।
জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়।

• ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধু তাদের বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

ডি-ফ্যাক্টো (de: facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট ও  বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট। 

৬,৬৪৭.
১৯৬৯ সালের কত তারিখে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন?
  1. ২০ মার্চ
  2. ২২ মার্চ
  3. ২৪ মার্চ
  4. ২৫ মার্চ 
সঠিক উত্তর:
২৪ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান: 
- ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন ছিল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এই আন্দোলন ছিল সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- আইয়ুব খানের পতনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষ প্রথমবার একসাথে আন্দোলনে নামে। 
- আইয়ুব খানের পতনের মধ্যে দিয়ে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, 
- ২৫ মার্চ পাকিস্তানে আবার জারি করা হয় সামরিক আইন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন। 
- এছাড়াও ৩৪ জন শিল্প-কারখানার শ্রমিক, ২০ জন ছাত্র, ৭ জন সরকারি কর্মচারী, ৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ১ জন স্কুল শিক্ষক অন্যতম।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪৮.
মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল কোন নামে পরিচিত?
  1. The Age of Marble
  2. The Golden Age
  3. The Age of Expansion
  4. The Dark Age
সঠিক উত্তর:
The Age of Marble
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Age of Marble
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র ছিলেন সম্রাট শাহজাহান। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন।
- তার সময়কাল মুঘল ইতিহাসের চিত্রকলা ও স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ বলে বিবেচিত ও প্রশংসিত। 
- মুঘল ইতিহাসে তিনি প্রিয়তমা পত্নীর স্মৃতিতে তাজমহলের স্রষ্টা ও 'Prince of builders' নামে আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন।
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল "The Age of Marble" নামে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন শিল্পকলা, স্থাপত্য ও সৌন্দর্যের পূজারী। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তার স্থাপত্যরীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল তিনি লাল পাথরে স্থলে মূল্যবান শ্বেত মর্মম পাথর (White marbel) ব্যবহার করেছেন।
- তার রাজত্বকালে দিল্লি, আগ্রা, লাহোরে ব্যাপক স্থাপত্য শৈলী তৈরী করা হয়েছিল।
- কাবুল, কান্দাহার ও কাশ্মিরে মনোরম উদ্যান, প্রাসাদ, মসজিদ ইত্যাদি নির্মিত হয়েছিল।
- রাজধানী আগ্রাতে তিনি নির্মাণ করেছিলেন দীউয়ান-ই-আম, দীউয়ান-ই-খাস, মোতি মসজিদ, সালিমার উদ্যান, শীষ মহল ইত্যাদি।

এছাড়াও,
- শাহজাহান ১৬৩৮ খ্রি. রাজধানী আগ্রা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করেন এবং নতুন নগরীর নাম দেন শাহজাহানাবাদ। এখানে তিনি লালকেল্লা, মমতাজ মহল ইত্যাদি নির্মাণ করেন।
- তার মসজিদ স্থাপত্যের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ছিল দিল্লির জামে মসজিদ।
- এছাড়াও তিনি বহু মূল্যবান রত্ন খচিত জগৎবিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন তৈরি করেন।

⇒ সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল। সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য বিশ হাজার দক্ষ শিল্পী ও কারিগর সুদীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ এই সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। ভারতীয় ও পারসিক শিল্পকলার মিলন ঘটিয়ে তাজমহল নির্মিত হয়েছে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৪৯.
মুক্তিযুদ্ধে কুষ্টিয়া কত নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) ৫ নং সেক্টর
  2. খ) ৬ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর  এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৫০.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদ আবু সাইদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

জুলাই অভ্যুত্থান:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাইদ।
- ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে তিনি শহিদ হন।
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
- তার বাবা-মা, মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম।
- আবু সাইদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬,৬৫১.
ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা কত সালে শহীদ হন?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা শহীদ হন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং প্রক্টর ছিলেন।
- আন্দোলনরত ছাত্রদের বাচাঁতে গিয়ে তিনি নিজেই শহীদ হন। তার মৃত্যুর ফলে আইয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬,৬৫২.
১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গ আইনসভার নির্বাচনের পর কে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দীন
  4. ঘ) নূরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৫৪

১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি। এতে যুক্তফ্রন্ট পায় মোট ২৩৬টি আসন।

নির্বাচনের পর শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানানো হয়। তিনি ৩ এপ্রিল চার সদস্যবিশিষ্ট এবং পরে ১৫ মে আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং কৃষক শ্রমিক পার্টির ৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিয়ে বর্ধিত মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,৬৫৩.
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো কীসের অধীন?
  1. সমবায় মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- এনজিও বিষয়ক ব্যুরো হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশে কার্যক্রমরত বেসরকারি এজেন্সিগুলো কর্মকাণ্ড তদারকি এবং এনজিওগুলোকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে থাকে।
- এটি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: এনজিও বিষয়ক ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৬,৬৫৪.
‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ গানটি কার লেখা?
  1. ক) হাছন রাজা
  2. খ) লালন শাহ
  3. গ) সিরাজ সাঁই
  4. ঘ) শাহ আবদুল করিম
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৫৫.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,
- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
৬,৬৫৬.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. অস্ট্রিক
  2. নেগ্রিটো
  3. দ্রাবিড়
  4. ভোটচীনীয়
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন:
- বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়া একটি বৈচিত্র্যময় এবং দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার ফল।
-  বাঙালি জাতি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণে গঠিত।
- ইন্দোচীন থেকে আগত অস্ট্রিক জাতি বাংলায় প্রাক-আর্য যুগে বসতি স্থাপন করে।
- বাঙালির প্রধান নৃতাত্ত্বিক উপাদান অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর থেকে এসেছে।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক। 
- দ্রাবিড় এবং আর্য জাতির সাথে সংমিশ্রণে বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিকশিত হয়।
- ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বাঙালির রক্তধারায় ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজসহ বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণ ঘটে।
- এই বৈচিত্র্যময় সংমিশ্রণ বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
৬,৬৫৭.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে-
  1. নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

• সংসদ নির্বাচনে যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: 

• সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই বিধান অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সমূহ হলো:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া, 
- বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়া, 

- আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়া, 
- দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পাওয়া, 
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা আনুগত্য ঘোষণা, 
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া, 
- আইনে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পদাধিকারী না হওয়া, 
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবার পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৬৫৮.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ১৪ ডিসেম্বর
  2. ১৩ ডিসেম্বর
  3. ১২ ডিসেম্বর
  4. ১১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: 
- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুইশর বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৫৯.
কোন বইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  2. কারাগারের রোজনামচা
  3. আমার দেখা নয়াচীন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন।

FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার:
- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।

অন্যদিকে -
- নেপালি কবি, গীতিকার এবং অনুবাদক সুমন পোখরেল একমাত্র লেখক যিনি দুবার এই পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,৬৬০.
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

৬,৬৬১.
(এটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. ২ মার্চ
  4. ৪ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২৭ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংসদ নির্বাচন: 
- পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নতুন ধারায় প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- গণআন্দোলনে এরশাদের বিদায়ের পর তখনকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন হয়। 
- পঞ্চম সংসদে বিএনপি ১৪০টি, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আর জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়লাভ করে৷
 - এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ৩০ জন নারী সাংসদ নির্বাচিত হন৷
- তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি সংবিধানের অংশ না থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে পরের সংসদে সেটির বিল পাস করা হয়েছিল৷

উৎস- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।
৬,৬৬২.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) যুক্তফ্রন্ট গঠন
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি আগে ঘটেছিল (১৯৪৭-৫২),
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে,
শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয় ১৯৫৬ সালে;
শিক্ষা আন্দোলন হয় - ১৯৬২ সালে
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,৬৬৩.
মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত কাকে বলা হয়?
  1. ক) বেগম রোকেয়া
  2. খ) বেগম ফয়জুন্নেসা
  3. গ) সুলতানা রাজিয়া
  4. ঘ) মাদার তেরেসা
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
- মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া
- সমাজ ধর্মের নামে তাদের রাখা হতো পর্দার আড়ালে গৃহবন্দি করে।
- মুসলমান মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যিনি আহবান জানান তিনি বেগম রোকেয়া।
- এই মহীয়সী নারীর জন্ম ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
- সাহিত্য চর্চার বিষয়বস্তুও ছিল নারী সমাজকে নিয়ে।
- তিনি সমাজের কুসংস্কার, নারী সমাজের অবহেলা বঞ্চনার করুণ চিত্র নিজ চোখে দেখেছেন।
- বেগম রোকেয়ার লিখিত গ্রন্থ অবরোধ বাসিনী, পদ্মরাগ, মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতিতে সে চিত্র ফুটে উঠেছে।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন।
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- বেগম রোকেয়া নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা  সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর নেতৃত্বে সমিতি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।
- মুসলমান নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার মনে নারীর প্রতি সমাজের নানা অত্যাচার ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে ছিল তীব্র বিদ্রোহের সুর।
- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে এই মহীয়সী নারী কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬৪.
'ফারাক্কা লংমার্চ' সংগঠিত হয়েছিল কার নেতৃত্বে?
  1. সৈয়দ আমির আলী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. নবাব সলিমুল্লাহ
  4. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাসানচরে বন্যার কবল থেকে বাঙালি কৃষকদের রক্ষার জন্য তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন।
- ভাসানচরের জনসাধারণ তাকে ‘ভাসানী সাহেব’ বলে অভিহিত করে এবং পরবর্তীকালে এ উপাধি তাঁর নামের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- এই মিছিল ও সমাবেশ 'ফারাক্কা লংমার্চ' হিসেবে পরিচিত।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৬৫.
‘মসনদ-ঈ-আলা উপাধি’ কে গ্রহণ করেন?
  1. মুসা খান
  2. ঈসা খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. আকবর খা
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
ব্যাখ্যা

• ঈসা খান (১৫২৯-১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দ):
- সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।
- ইসা খানের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে।
- ১৫৭৮ সালে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসা খানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়।
- প্রাথমিক প্রর্যায়ে ঈসা খান হেরে গেলেও পরবর্তীতে সম্মিলিত শক্তির কাছে মোগলরা পরাজিত হয়।
- সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে মুগল সেনাপতিদের বিদ্রোহের সুযোগ নিয়ে ১৫৮০ খ্রিস্টাব্দে ঈসা খান পূর্ব বাংলায় তাঁর শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকেন।
- তিনি ১৫৮১-৮২ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে ভাটি অঞ্চলের অধিপতি হিসেবে ঘোষণা দেন এবং নিজেই ‘মসনদ-ঈ-আলা উপাধি’ গ্রহণ করেন।
- এ সময় তিনি তাঁর প্রশাসনিক কেন্দ্র সরাইল থেকে সোনারগাঁও-এ স্থানান্তর করেন এবং সোনারগাঁও এর নিকটবর্তী কাত্রাবো, কলাগাছিয়া ও খিজিরপুরে দুর্গ নির্মাণ করেন।

- ১৫৮৩ ও ১৫৮৪ খিস্টাব্দেও ঈসাখান আগ্রাসী সৈন্যবাহিনীকে যথাক্রমে বাজিতপুরে ও কাত্রাবোতে পরাস্ত করেন।
- ১৫৮৬ সালেও মোগলরা ঈসাখানকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
- ঈসাখানের সাথে মোঘল বাহিনীর শেষ যুদ্ধ হয় রাজা মানসিংহের নেতৃত্বে। এই যুদ্ধেও মোগলরা তাঁর কাছে পরাজিত হন এবং অনেক মোগল সৈন্য বন্দি হন।
- ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসাখান মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

৬,৬৬৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের রাডার স্টেশন সংখ্যা -
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ:
- Synoptic stations (1st Class Obs.): 35
- Agro meteorological stations: 12
- Pilot Balloon stations: 10
- Radar stations: 05
- Seismic stations: 04
- Rawin Sonde stations: 03 

উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৬,৬৬৭.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র কোনটি?
  1. রক্তে পাওয়া বাংলা, রক্ত দিয়ে রাখব
  2. সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
  3. লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই
  4. স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক
সঠিক উত্তর:
সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
ব্যাখ্যা
- কলকাতা মিশনে কর্মরত জনাব হোসেন আলী সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল বিদেশের কোন দুতাবাসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কুটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন।
- এছাড়া দিল্লী, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে কুটনীতিকরা বাংলাদেশের হয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির যাত্রা শুরু হয়।
- 'সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়' হল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
৬,৬৬৮.
কোন সভ্যতা নদী কেন্দ্রিক ছিলো না?
  1. ক) মিশর
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) ব্যাবিলন
  4. ঘ) সিন্ধু
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা প্রাচীন গ্রিসের কয়েকটি নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে। আড্রিয়াটিক, ঈজিয়ান ও ভূমধ্যসাগর সাগর দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় গ্রিক সভ্যতাকে ওসেনিয়ান বা সাগরীয় সভ্যতাও বলা হয়।
অন্যদিকে মিশর, সিন্ধু ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতা যথাক্রমে নীলনদ, সিন্ধু নদী এবং ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬,৬৬৯.
Who was the first Independent king of Bengal?
  1. ক) Gopal
  2. খ) Shashank
  3. গ) Lokkhon Sen
  4. ঘ) Dhormo Pal
সঠিক উত্তর:
খ) Shashank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Shashank
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:

- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৭০.
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতার পরিমাণ -
  1. ৭৫০ টাকা
  2. ৮০০ টাকা
  3. ৯০০ টাকা
  4. ৯৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৯০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০০ টাকা
ব্যাখ্যা
 অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: 
- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। 

২০২৩-২৪ বাজেটে -
- প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৩.৬৫ লক্ষ হতে ২৯ লক্ষ জনে বৃদ্ধি করা হয়। 
- প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির হার বাড়িয়ে প্রাথমিক স্তরে ৭৫০ টাকা হতে ৯০০ টাকায়, মাধ্যমিক স্তরে ৮০০ টাকা হতে ৯৫০ টাকায় এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯০০ টাকা হতে ৯৫০ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৬,৬৭১.
সপ্তম জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম কার্যক্রম কোনটি ছিল?
  1. গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি
  2. পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি
  3. ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্নিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ:
- ‘ইনডেমনিটি’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা।
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হলো সেই অধ্যাদেশ, যে অধ্যাদেশের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তি এড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনি ব্যবস্থা থেকে শাস্তি এড়ানোর জন্য বাংলাদেশে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে ডার্কেস্ট ল’ বা সবচেয়ে কালো আইন নামে পরিচিত।
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এ ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরে খন্দকার মোশতাক হন দেশের রাষ্ট্রপতি।
- বঙ্গবন্ধুর খুনি ও তাদের দোসররা নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের হত্যাকে আইনসিদ্ধ করতে চেয়েছিল।
- তাই তখন খুনিদের ‘প্রয়োজনে’ জারি করা হয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ।
- খন্দকার মোশতাক আহমেদ কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি অধ্যাদেশের আকারে এ আইনটি প্রণীত হয়; যা ১৯৭৫ সালের অধ্যাদেশ নম্বর ৫০ নামে অভিহিত ছিল।
- ১৯৭৯ সালে সংসদ কর্তৃক ওই ইনডেমনিটি অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর পর সংশোধিত আইনে এ আইনটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া একেবারে বন্ধ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী সময়ে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর সপ্তম জাতীয় সংসদে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নামক ইতিহাসের কালো আইনটি বাতিল করা হয়।
- এর ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ সুগম হয় এবং ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্ট কর্তৃক সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। 

এছাড়াও,
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১২ নভেম্বর ২০২১, যুগান্তর।
৬,৬৭২.
চাণক্যের বিখ্যাত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র কতখন্ডে রচিত?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৭
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৫
ব্যাখ্যা

- চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ অব্দে জন্ম গ্রহণ করে।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির দিকপাল ও ভারতের ম্যাকিয়াভ্যালি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- চন্দ্রগুপ্তের এবং বিন্দুসারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল অর্থশাস্ত্র ( ১৫ খন্ডে ) ও চাণক্যনীতি।
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতিকৌশলের সার সংক্ষেপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ , বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৭৩.
পূর্ববাংলায় প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল কোনটি?
  1. ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  2. ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
  3. ১৯৭০ সালের নির্বাচন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের গুরুত্ব:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের নির্বাচনের গুরুত্ব অত্যধিক।
- পূর্ববাংলায় এটি ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে অনুষ্ঠিত প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচন ছিল অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ।
- নির্বাচনে সরকারি দলের এমন শোচনীয় পরাজয় ছিল বিরল ঘটনা।
- পূর্ববাংলার তৎকালীন সরকার নির্বাচনে পরাজয়ের সম্ভাবনা এড়ানোর জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দেন, কিন্তু নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা করেননি।
- এই নির্বাচনে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ লাভ করেছিল এবং তারা উক্ত সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার দাবির সপক্ষে ভোট দিয়ে জনগণ পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছিল।
- এই নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ের ফলে পাকিস্তান গণপরিষদে উক্ত দলের সদস্য সংখ্যা হ্রাস পায়, ফলে পাকিস্তানে কোয়ালিশন সরকার গঠন অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
- পূর্ববাংলায় সেই যে মুসলিম লীগের পতন ঘটলো, এরপর আর কখনো এখানে মুসলিম লীগ দল শক্তিশালী হতে পারেনি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৭৪.
বক্সারের যুদ্ধ হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং _____________ এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
  1. সিরাজ-উদ-দৌলা, সুজা-উদ-দৌলা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম
  2. মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা
  3. মীর জাফর, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এবং সুজা-উদ-দৌলা
  4. মীরজাফর, সিরাজ-উদ-দৌলা এবং মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ। 
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
 
উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) Britannica.
৬,৬৭৫.
গণ-অভ্যুত্থানে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন -
  1. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  3. ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯০
  4. ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০
ব্যাখ্যা
এরশাদ সরকারের সামরিক শাসনের পতন:
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী মিছিলে হামলা চালায় নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের ক্যাডাররা।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।
- এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি বাংলা।
৬,৬৭৬.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মুসলিম লীগ কতটি আসন লাভ করে?
  1. ক) ২৩৭
  2. খ) ১৪৩
  3. গ) ২২৮
  4. ঘ) ৩০৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪৩
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ
• নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৮টি আসন লাভ করে।
• এর মধ্যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনও ছিল।
• ১৯৩৭ সাল থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতায় আসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
• যুক্তফ্রন্টের ২২৮টি আসনের মধ্যে
» আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪৩টি আসন,
» কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮,
» নেজামে ইসলাম ২২,
»গণতন্ত্রী দল ১৩, এবং
»খেলাফতে রববানী পার্টি পায় ২টি আসন।
» অমুসলিম আসনে কংগ্রেস পায় ২৫টি,
 » তফসিলী ফেডারেশন ২৭টি এবং সংখ্যালঘুদের যুক্তফ্রন্ট পায় ১৩টি আসন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
৬,৬৭৭.
কোন সাম্রাজ্যের পতনের পর স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে?
  1. গুপ্ত
  2. সেন
  3. কুষাণ
  4. মৌর্য
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় প্রায় ৪ শতকের শুরুতে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথম গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মগধ বা বরেন্দ্রের অধিপতি ছিলেন গুপ্তদের আদিপুরুষ শ্রীগুপ্ত। 
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একে একে সমুদ্রগুপ্ত, দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্য, ১ম কুমারগুপ্ত মহেন্দ্রাদিত্য, স্কন্ধগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের প্রবল পরাক্রান্ত শাসন লক্ষ করা যায়।
- তবে পরবর্তীকালের গুপ্ত শাসকগণ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছিলেন।
- তারপর হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

⇒ স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্র:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো। এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজা ছিলেন। তারা ৫২৫-৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন। তারা 'মহাধিরাজ' উপাধি ধারণ করতেন। এতে তাদের সার্বভৌম ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায়। স্বাধীন বঙ্গের যথেষ্ট যশ, খ্যাতি, প্রভাব ও সমৃদ্ধির কথা জানা যায়। সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের নেতৃত্বে বাংলার পুন্ড্র বা পণ্ড্রবর্ধন, গৌড় এবং বঙ্গকে একত্রিত করে একটি বিশাল গৌড় রাজ্য স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৭৮.
কয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট গঠন:- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস:- সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােড।
যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল:- ৪ টি । এগুলো হলো - 
১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

• যুক্তফ্রন্টের সভাপতি:- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য:- এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
• যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক:- নৌকা। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৭৯.
নিচের কোন ব্যক্তি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপক এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. খাজা নাজিমউদ্দিন
  2. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।

​অন্যদিকে, 
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৬৮০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. নয়াদিল্লি
  2. লন্ডন
  3. ওয়াশিংটন
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কলকাতায়।
- এদিন কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তান উপ-দূতাবাসের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলী পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৬,৬৮১.
বাংলাদেশ 'জাতীয় শিশু দিবস' পালিত হয় কত তারিখ?
  1. ক) ৮ মার্চ
  2. খ) ২ মার্চ
  3. গ) ১৭ মার্চ
  4. ঘ) ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর জাতির জনক এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতিল।
- শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন গোপালগঞ্জ দেওয়ানি আদালতের সেরেস্তাদার।
- মুজিব ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। তিনি স্থানীয় গীমাডাঙ্গা স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- চোখের সমস্যার কারণে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা চার বছর ব্যাহত হয়।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- স্কুল জীবন থেকেই মুজিবের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলীর বিকাশ ঘটে।  
- অস্থিতিশীল অবস্থার সুযোগ নিয়ে একদল সংক্ষুব্ধ সেনাসদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে এবং পরিবারের অন্য যেসব সদস্য তাঁর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তাদের সবাইকে হত্যা করে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিনকে কেন্দ্র করে ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৬৮২.
নিচের কোনটি পূর্বদেশের জনপদ?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) বঙ্গ
  3. গ) গৌড়
  4. ঘ) সমতট
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়:

- পূর্বদেশের জনপদ হচ্ছে গৌড়।
- গৌড়, জনপদ  প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। 
- মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্র করে গৌড় জনপদটি পশ্চিম ভাগীরথীর নিকটে গড়ে উঠেছিল।
- মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান নিয়ে ছিল প্রাচীন গৌড় রাজ্য। 
- আদি অভিলেখর মধ্যে খ্রিস্টীয় ৫৫৪ অব্দে উৎকীর্ণ মৌখরি বংশীয় রাজা ঈশান বর্মণের হরাহ লিপিতে গৌড়বাসীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
- কোনো একসময় গৌড়ের অবস্থান উপকূলীয় অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- সাত শতকের প্রথম দিকে গৌড়ের অত্যন্ত শক্তিশালী রাজা শশাঙ্কের উত্থান গৌড়ের রাজ্যসীমার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ছিরুটি অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। আর একারণেই মুর্শিদাবাদ গৌড়ের কেন্দ্রবিন্দু বলে পরিগণিত হয়।
- তেরো শতকে বাংলার মুসলমান সুলতানদের শাসনাধীন সমগ্র অঞ্চলই গৌড় নামে পরিচিত ছিল। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৮৩.
সিমলা ডেপুটেশনে মুসলমান প্রতিনিধিগণ সাক্ষাৎ করেন কার সাথে? 
  1. লর্ড মর্লি
  2. লর্ড মিন্টো
  3. লর্ড চেমস ফোর্ড
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মিন্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা
সিমলা ডেপুটেশন
- সিমলা ডেপুটেশন ছিল ভারতীয় মুসলিমদের একটি প্রতিনিধি দল, যা ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাৎ করে
- এই সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় ব্রিটিশ সরকারের সমর্থন আদায় করা।
- ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
- মুসলমান নেতারা উপলব্ধি করেন যে, নতুন শাসনতান্ত্রিক সংস্কারে তাদের স্বার্থ রক্ষার জন্য নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা জরুরি।
- আলীগড় কলেজের সেক্রেটারি নওয়াব মুহসিন-উল-মুলক এর উদ্যোগে লর্ড মিন্টোর সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়।
- ১ অক্টোবর, আগা খানের নেতৃত্বে ৩৫ জনের একটি প্রতিনিধি দল লর্ড মিন্টোর সাথে দেখা করে।
- প্রতিনিধিদল মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের দাবি সহ বিভিন্ন দাবি পেশ করে।
- লর্ড মিন্টো মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের প্রতি সমর্থন জানান।
- ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কারে মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করা হয়।
- এ উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের সৃষ্টির দিকে পরিচালিত করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৮৪.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন কবে?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৫৬ সালে
  3. ১৭৫৮ সালে
  4. ১৭৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

সিরাজউদ্দৌলা:
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- আলীবর্দী খান দৌহিত্য ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।
- তখন ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন।
- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৫৬ সালে কলকাতায় ইংরেজদের ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ অধিকার করেন।
- তিনি কলকাতা অধিকার করে এর নাম রাখেন আলীনগর।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৮৫.
কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত সালে চালু করা হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- বাংলাদেশে পানিশক্তি দ্বারা পরিচালিত একমাত্র বিদ্যুৎ স্থাপনা হলো কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৯৬২ সালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু করা হয়।
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়।
- এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
৬,৬৮৬.
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৫ জন
  2. ৬৬ জন
  3. ৬৭ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
 
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।
 
তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৮৭.
বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল -
  1. www.bangladesh.com
  2. www.bangladesh.gov.net
  3. www.bangladesh.gov.bd
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
www.bangladesh.gov.bd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
www.bangladesh.gov.bd
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল:
- অনেক দেশেরই জাতীয় ওয়েব পোর্টাল আছে। সরকার পরিচালিত এ ধরনের সাইট নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের তথ্যসেবার পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের সেবা দেয়।
- সরকারি সাইটের ডোমেইন বা ওয়েব ঠিকানায় .মড়া-এর সঙ্গে দেশের নির্ধারিত কোড থাকে।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় ওয়েব পোর্টাল www.bangladesh.gov.bd।
- এখানে .gov-এর পরে যুক্ত হওয়া .bd হচ্ছে কান্ট্রি কোড।
- ওয়েব পোর্টালটি ‘বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ নামেও পরিচিত।
- বিভিন্ন সেবা ও তথ্যের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তরের ঠিকানাও এ পোর্টালে রাখা হয়েছে।
- অর্থাৎ কেউ যদি সরকারি কোনো সাইটের ঠিকানা না জানে, সমস্যা নেই।

⇒ এই পোর্টালের ঠিকানা জানা থাকলেই এখান থেকে সরকারি বিভিন্ন সাইটে যাওয়া যাবে। বিভিন্ন জেলা-উপজেলার জন্য চালু করা সাইটের লিংকও আছে এখানে।
- সর্বসাধারণের জন্য সরকারি নির্দেশনা, বিজ্ঞপ্তির পাশাপাশি বিভিন্ন সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন কিংবা নিবন্ধন করা যাবে এ পোর্টাল থেকে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আয়কর, অর্থ ও বাণিজ্য, নিয়োগ, ট্রেন ও বিমানের টিকিট বুকিং, পোস্টাল ও কুরিয়ার, রেডিও-টিভির খবর, ইউটিলিটি বিল, মৎস্য ও প্রাণী, ট্রেজারি চালানসংক্রান্ত সেবার লিংক পাওয়া যাবে পোর্টালটিতে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) কালের কন্ঠ।
৬,৬৮৮.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার প্রথম দফা কোনটি ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  3. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা
  4. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পাকিস্তানের মুসলিম লীগ বিরোধী পূর্ব পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী মোর্চা বা জোট গঠন করে।
- এই জোট 'যুক্তফ্রন্ট' নামে পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যুক্তফ্রন্টে মূলত চারটি রাজনৈতিক দল ছিল।
- ২১ দফা ছিল আসলে পূর্ববাংলার মানুষের অধিকারের দলিল।
- সুতরাং এই ২১ দফা ইস্তেহার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল নিম্নরূপ:
১. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা,
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা,
৩. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা,
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা,
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা,
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা,
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা,
৮. পূর্ব পাকিস্তানে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা,
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা,
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা,
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা,
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা,
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা,
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা,
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা,
১৬. বাংলা ভাষা গবেষণার জন্য বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা,
১৭. রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে মিনার নির্মাণ করা,
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করা,
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন কায়েম করা,
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনভাবেই বৃদ্ধি না করা,
২১. পরিষদের কোন সদস্য পদ খালি হলে তিন মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত কোনটি?
  1. ৯:৫
  2. ১২:৬
  3. ১০:৬
  4. ১৬:১২
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬  অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।

৬,৬৯০.
'ভাওয়ালের গড় ও মধুপুর গড়' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভারতেই এই শ্রেণীর বনভূমি প্রায় ১৩০ লক্ষ হেক্টর জায়গা দখল করে আছে।
- বাংলাদেশ এবং নেপালে রয়েছে মোট ১০ লক্ষ হেক্টরের বেশি স্থান জুড়ে এ ধরনের বনভূমি।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ বনাঞ্চল 'ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড়' নামে পরিচিত।
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৬৯১.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন ছিলেন কে? 
  1. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. নুরুল আমিন
  4. ইসমাইল ইব্রাহিম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ছাত্ররা মিছিল করে।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

⇒ উল্লেখ্য:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

৬,৬৯২.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কত সালে বাংলায় আসেন?
  1. ৬৩৮ সালে
  2. ৭৩২ সালে
  3. ৫৩২ সালে
  4. ৬৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
৬৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩৮ সালে
ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং:
- হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে। [Wisdom Library]
- হিউয়েন সাং সাত শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি দেখেছেন, সমতটের ত্রিশটি বিহারে দু- হাজার শ্রমণের বাস।
- কনৌজে সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য গ্রহণের পর তিনি মগধের নালন্দা মহাবিহারে পড়াশোনা করেন।
- বাংলার কর্ণসুবর্ণ, পুন্ড্রনগর, সমতট এবং তাম্রলিপ্তি ভ্রমণ করেন।
- তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করেন, যা সাত শতকের বাংলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাঁর রচনা জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ প্রদান করে।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলেও, ভ্রমণকালীন বিভিন্ন অঞ্চলের বর্ণনায় তিনি বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বইয়ে দেওয়া আছে, হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
          ¡¡) Wisdom Library. [লিঙ্ক]

৬,৬৯৩.
বাংলাদেশের প্রথম টাকার নকশাকার কে?
  1. ক) কে জি মুস্​তাফা
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) গোলাম কিবরিয়া
  4. ঘ) মোহাম্মদ সলীমউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ক) কে জি মুস্​তাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কে জি মুস্​তাফা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম টাকার ও মুদ্রার নকশাকার:
- বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার শিল্পী কে জি মুস্​তাফা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্মারকের নকশাকারও তিনি।
-  ১৯৭২ সালে ১০ পয়সার ধাতব মুদ্রা তিনি নকশা করলেন।
- সেটির এক পাশে রাখলেন পানের ছবি যে পান ‘বাঙাল’দের প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পরামর্শে মুস্​তাফা হাত দিলেন ১ টাকার নোট নকশায়। 
- কাগজের টাকার পর ১, ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রারও নকশা করলেন মুস্​তাফা। 
- ৭ জুলাই ভোর ৩টার দিকে রাজধানীর হলি ফ‍্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেন। 

উৎস: ৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,৬৯৪.
নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে-
  1. ক) BIDA
  2. খ) BDF
  3. গ) BIDF
  4. ঘ) BAMCO
সঠিক উত্তর:
গ) BIDF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BIDF
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অবকাঠামাে উন্নয়ন তহবিলঃ
নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল’ (Bangladesh Infrastructure Development Fund-BIDF) গঠন করা হয়েছে।
-বাংলাদেশ ব্যাংকে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুতের অর্থ দিয়ে এই বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়।
-তহবিলটির বার্ষিক বিনিয়ােগ লক্ষ্যমাত্রা ২০০ কোটি মার্কিন ডলার যা স্থানীয় মুদ্রায় ১৭,০০০ কোটি টাকা।
-দক্ষিণ এশিয়া, এমনকি বিশ্বে এ ধরনের তহবিল এটাই প্রথম।
-আপাতত এই তহবিলের অর্থ বিদ্যুৎখাত ও বন্দর উন্নয়নে ব্যবহৃত হবে।
-১৫ মার্চ ২০২১, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ তহবিল উদ্বোধন করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১ এবং দৈনিক পত্রিকা।
৬,৬৯৫.
জীবন বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান দুইটি। এগুলো হলো :
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন
- জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্রতিষ্ঠানই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

(তথ্যসূত্রঃ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)

৬,৬৯৬.
৭ই মার্চের ভাষণে মূলত কত দফা দাবি তোলা হয়?
  1. ১ দফা
  2. ৪ দফা
  3. ৬ দফা
  4. ১১ দফা
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ দফা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ১৮ মিনিটের ভাষণটি তাঁর স্বভাবসুলভ তাৎক্ষণিক বক্তব্য ছিল, পূর্বে তৈরি করা বক্তৃতা নয়।
- এটিকে অনেকেই রাজনীতির কবিতা বলে থাকেন।
- তাঁর এই ভাষণকে তুলনা করা হয় আব্রাহাম লিংকন, উইনস্টন চার্চিল, মার্টিন লুথার কিং ও পেরিক্লিসের মহতী যুগান্তকারী ভাষণগুলোর সাথে।
- এর মহত্ত্ব ও বিরাটত্বের কারণে ২০১৭ সনের অক্টোবরে জাতিসংঘের এডুকেশন, কালচার ও সাইন্টিফিক অর্গানাইজেশন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অসাধারণ ভাষণটিকে পৃথিবীর অন্যতম ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬,৬৯৭.
ইউরোপীয়দের বণিকদের মধ্যে কাদের 'ফিরিঙ্গি' নামে ডাকা হতো?
  1. ইংরেজদের
  2. ফরাসিদের
  3. দিনেমারদের
  4. পর্তুগিজদের
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
ব্যাখ্যা
ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন:

- পর্তুগিজ-রা ভারতীয় উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রথম এসেছিল। 
- আগমন সাল: ১৪৯৮ সালে।
- বাংলায় আগমন: ১৫১৬ সালে। 
- বাংলায় পর্তুগিজ ব্যবসায়ীদের ফিরিঙ্গি নামে ডাকা হতো।  
- পর্তুগিজ-রা বাংলায় প্রথম কুঠি স্থাপন করে হুগলি-তে ১৫১৭ সালে। 
- তারা বাংলা ত্যাগ করে ১৬৬৬ সালে।
- ভাস্কো দা গামা উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে ইউরোপ থেকে ভারতবর্ষে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন। এরপর থেকে বিভিন্ন ইউরোপীয় শক্তি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষে পাড়ি জমাতে শুরু করে।
- পর্তুগিজদের পর ইংরেজ (ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি-১৬০০ সালে), ওলন্দাজ (ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি-১৬০২ সালে), দিনোমার (ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি-১৬২০ সালে), ফরাসি (ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি-১৬৬৪ সালে) প্রভৃতি ইউরোপীয় শক্তি ভারতে আগমন করে।
- এদের মধ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে সবার শেষে আগমন করে ফরাসিরা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া। 
৬,৬৯৮.
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে প্রথম বাণিজ্য কেন্দ্র কোথায় প্রতিষ্ঠা করে?
  1. পন্ডিচেরী
  2. চন্দননগর
  3. কালিকট
  4. সুরাট
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা

⇒ ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে প্রথম বাণিজ্য কেন্দ্র সুরাটে প্রতিষ্ঠা করে।

ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:

- ভারতীয় উপমহাদেশে সবার শেষে আগমন ঘটে ফরাসিদের।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে 'ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠিত হয় এবং ভারতবর্ষে বাণিজ্য শুরু করে।
- ফরাসি মন্ত্রী কোলবার্টের পৃষ্ঠপোষকতায় এই কার্যক্রম শুরু হয়।
- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথমে মুম্বাইয়ের সুরাটে ও পরে পন্ডিচেরীতে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- অল্পদিনের মধ্যেই তারা বাংলার চন্দননগরে আরও একটি কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া কারিকল, মসলিপট্টম, কাশিমবাজার এবং বালেশ্বরেও তাদের কুঠি ছিল।
- ফরাসিরা ভারতীয় উপমহাদেশে প্রায় একশ বছর বাণিজ্য করে।
- ইংরেজগণ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ফরাসিদের চন্দননগর এবং ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরী কুঠি দখল করে নেয়।
- স্বদেশে ইংরেজ ও ফরাসিদের মধ্যে বিবাদের জের হিসেবে এখানেও বিবাদ চলতে থাকে। কিন্তু ইংরেজগণ উন্নততর সামরিক শক্তি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- পরপর তিনটি কর্ণাটক যুদ্ধে ফরাসিরা পরাজিত হলে ফরাসিদের সাম্রাজ্য ও বাণিজ্য বিস্তার সফল হয়নি।
- এর ফলস্বরূপ ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে উপমহাদেশ থেকে বিদায় নিতে হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৯৯.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি কোন বঙ্গাব্দ ছিল?
  1. ১৩৫৭
  2. ১৩৫৮
  3. ১৩৬০
  4. ১৩৬২
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৪৪ ধারা ভাঙার পন্থা হিসেবে দশজন দশজন করে ছাত্র রাস্তায় মিছিল বের করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত। 
- বেলা সোয়া তিনটার দিকে এম.এল.এ. এবং মন্ত্রীরা মেডিকেল কলেজের সামনে দিয়ে পরিষদে আসতে থাকেন।
-  এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন।
- ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়।
- তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৭০০.
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয় -
  1. ক) মুজিবনগর দিবস ১৭ এপ্রিল
  2. খ) স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল
  3. গ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
  4. ঘ) অনশন ধর্মঘট দিবস ১৩ ই মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
ব্যাখ্যা
• ৭ ই মার্চ:
- ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয় ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ
- প্রতি বছর ৭ মার্চ তারিখকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- জাতীয় পর্যায়ের দিবস পালনের তালিকায় ৭ মার্চকে ‘ক’ ক্যাটাগরিভূক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এদেশের স্বাধীনতার মূল প্রেরণা। বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে এর স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো ভাষণটিকে ‘মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড’ রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করেছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো এবং বাংলাপিডিয়া লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।