বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৬০১৭০০ / ১,৬৮১

৬০১.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তুরাগ নদীর তীরে
  2. শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে
  3. পদ্মা নদীর তীরে
  4. বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ: 
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদা দাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ নির্মিত হয়।

এছাড়াও,
- ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করেছে বরাক নদীতে।
- টিপাইমুখ বাঁধ মণিপুর রাজ্য।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প তিস্তা সেচ প্রকল্প।
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- ডিএনডি প্রকল্প - ঢাকা - নারায়ণগঞ্জ - ডেমরা প্রকল্প।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬০২.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) ঠাকুরগাঁও
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে দেশে ৭টি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
জেলা অনুসারে চা বাগানের অবস্থান:
মৌলভীবাজার - ৯১টি
হবিগঞ্জ - ২৫টি
চট্টগ্রাম - ২১টি
সিলেট - ১৯টি
পঞ্চগড় - ৮টি
রাঙামাটি - ২টি
ঠাকুরগাঁও - ১টি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
৬০৩.
বাংলাদেশের কোথায় সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়?
  1. লাউয়াছড়া 
  2. ভাওয়াল 
  3. চন্দ্রঘোনা
  4. বেতাগী ও পোমরা
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
ব্যাখ্যা

বন ব্যবস্থাপনার ক্রমবিকাশ :
 - বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও বন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৬২ সালে। স্যার ডায়েট্রিচ ব্রান্ডিস নামক একজন জার্মান ফরেস্টারকে ১৮৬২ সালে প্রথম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব ফরেস্টস নিয়োগ করা হয়।
- ১৮৬৫ সালে বন আইন প্রণীত হয়।
- মাইনি হেড ওয়াটার সংরক্ষিত বন গঠিত হয় ১৮৭৫ সালে।
- প্রথম ১৮৭১ সালে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়।
- বৈজ্ঞানিকভাবে বন ব্যবস্থাপনার জন্য সর্বপ্রথম সুন্দরবনের ওয়ার্কিং প্লান তৈরি হয় ১৮৯২ সালে।
- বন নীতি প্রণীত হয় ১৮৯৪ সালে।
- জুমিয়াদের অংশগ্রহণে টংগিয়া পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু হয় ১৯১২ সালে। যা বাংলাদেশে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তকরণে বন ব্যবস্থাপনার প্রথম কার্যকরী  উদ্যোগ।
- সর্বপ্রথম ফরেস্ট ইনভেন্টরি করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯৬১ সালে। 
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম বন সম্প্রসারণ শুরু হয়।
- ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় বনায়ন শুরু হয়।
- চট্টগ্রামের বেতাগী ও পোমরাতে ১৯৭৯ সালে সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়।
 -বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে সুন্দরবনে।
- ১৯৯৪ সালে বৃক্ষমেলা শুরু হয়।
- সহ-ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে ২০০৪ সালে বন ব্যবস্থাপনা শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

৬০৪.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) সিলেটের বনভূমি
  2. খ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. ঘ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার। শাল জাতীয় এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- উপকূলীয় অঞ্চল যেমন -  খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।
৬০৫.
বাংলাদেশের আবাদী জমির কতটুকুতে ধানের চাষ হয়?
  1. ৫০%
  2. ৬০%
  3. ৭০%
  4. ৮০%
সঠিক উত্তর:
৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০%
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ ও কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৬০৬.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয় -
• বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা
• পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
• এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
• তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৬০৭.
পাখি ছাড়া দোয়েল কোনটির উন্নতজাত -
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ভূট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬০৮.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বেগুনের একটি জাত-
  1. ক) উত্তরা
  2. খ) ডেলফোজ
  3. গ) অগ্নিশ্বর
  4. ঘ) ড্রামহেড
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তরা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বেগুনের কিছু জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।
সেগুলো হলো, বারি বেগুন-১ (উত্তরা), বারি বেগুন-২ (তারাপুরী), বারি বেগুন-৪ (কাজলা), বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা), বারি বেগুন-৬, বারি বেগুন-৭, বারি বেগুন-৮, বারি বেগুন-৯, বারি বেগুন-১০।
এছাড়াও খটখটিয়া, ইসলামপুরী, মুক্তকেশী, চিত্রা, পুরাক্রান্তি, শিংনাথ বিভিন্ন জাতের বেগুন রয়েছে। কলার একটি জাতের নাম অগ্নিশ্বর। রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ। ড্রামহেড উন্নতজাতের বাঁধাকপি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৬০৯.
রবি মৌসুমের প্রধান শস্য কোনটি?
  1. আমন ধান
  2. আউশ ধান
  3. বোরো ধান
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

রবি মৌসুমের প্রধান শস্য বোরো ধান। 
অন্যদিকে আমন ধান, আউশ ধান ও পাট খরিপ মৌসুমের প্রধান শস্য।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬১০.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত একর?
  1. ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
  2. খ) ২ কোটি ১০ লক্ষ একর
  3. গ) ১ কোটি ৯৭ লক্ষ একর
  4. ঘ) ১ কোটি ৭৯ লক্ষ একর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৩ হাজার একর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদী জমি বিদ্যমান রাজশাহী বিভাগে ৩২ লক্ষ ৯৮ হাজর একর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৬১১.
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. সুনামগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪,২৮,৬২৩ মে.টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

এছাড়াও, মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ -
• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬১২.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৬৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬১৩.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'সুমাত্রা' ও 'ম্যানিলা' কোন জাতের ফসল?
  1. ক) তুলা
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) বাধাকপি
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
• উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ, 
তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ
মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী,
পেঁয়াজ: তাহেরপুরী, সুখসাগর
বাধাকপি: প্রতিভা, অগ্রদুত

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬১৪.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত। এতে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে সর্বাধিক ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে। সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬১৫.
বাংলাদেশে কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়েছে ?
  1. ক) ১৫ বিঘা
  2. খ) ২০ বিঘা
  3. গ) ২৫ বিঘা
  4. ঘ) ৫০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা

কৃষি জমির ক্ষেত্রে:

২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) মওকুফ করে দিয়েছে ।

-২৫ বিঘার অধিক হতে ১০ একর পর্যন্ত জমির জন্য প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৫০ পয়সা করে ।

-১০ একরের উধ্বে হলে প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ টাকা হারে খাজনা দিতে হবে ।

উৎস:land.gov.bd(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়)

৬১৬.
বছরের কোন সময়ে জাটকা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে?
  1. ক) মার্চ থেকে জুলাই
  2. খ) জুন থেকে সেপ্টেম্বর
  3. গ) অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর থেকে জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর থেকে জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নভেম্বর থেকে জুন
ব্যাখ্যা
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে নভেম্বর মাস থেকে জুন পর্যন্ত আট মাস দেশের নদী ও সাগরে দশ ইঞ্চির কম সাইজের ইলিশ মাছ বা জাটকা আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকে।
এছাড়া আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মা ইলিশের ডিম ছাড়ার জন্যে ২২ দিন মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট)
৬১৭.
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
  2. কৃষি গবেষণা অধিদপ্তর
  3. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর মোট ১৮টি।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্থা হচ্ছে -
- BADC
- কৃষি গবেষণা অধিদপ্তর
- BARI
- BRRI
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৬১৮.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. টাঙ্গাইল
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের  মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি  উপকেন্দ্র রয়েছে। 
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়। 

উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।
৬১৯.
‘তোষা’ একজাতীয় -
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. আখ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) ২৪ মার্চ ২০২৪, বাসস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬২০.
‘এরাবিকা ও রোবেস্টা’ কোন ফসলের উন্নত জাতের নাম?
  1. মরিচ
  2. কফি
  3. আম
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
কফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কফি
ব্যাখ্যা
উন্নত কফির জাত:
- এরাবিকা ও রোবেস্টা নামের ২টি উন্নত কফির জাত উদ্ভাবন করেছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ " প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ২ নং ব্লকে প্রায় ২ একর জমিতে এরাবিকা ও রোবাস্টা জাতের  কফিসহ কাজুবাদাম এর পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করা হয়।
- ইতিমধ্যে প্রকল্পের রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলার ৯০ জন কৃষককে কফি ও কাজুবাদাম এর  আধুনিক কলাকৌশল চাষ বিষয়ে অবহিত করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: ২৪ অক্টোবর ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৬২১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে, বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান শতকরা কত?
  1. ১.২২%
  2. ১.৩৪%
  3. ১.৬৬%
  4. ১.৮০%
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
৬২২.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BADC
  2. BARI
  3. BARC
  4. DAE
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৬২৩.
“হীরে, মুক্তা, নিজামী” কোনটির উন্নত জাতের নাম?  
  1. আলু
  2. ধান
  3. পুঁই শাক
  4. মরিচ 
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

• ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- ধান এর উন্নত জাতের নাম-
- আশা, হীরে, মুক্তা, নিজামী, বিপ্লবী, রহমত, চান্দিনা, ময়না, প্রগতি, ইরিশাইল, ব্রিশাইল, কিরন, ইরাটম, উফসী, ইছামতী, সোনার বাংলা-১, গাজী (বি-আর ১৪)।
-------------------------
অন্যদিকে,
• আলুর উন্নত জাতের নাম- ডায়মন্ড, কুফরী, সিন্দুরী, কার্ডিনাল।
• পুঁই শাকের উন্নত জাতের নাম- সবুজ, চিত্রা।
• মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাতের নাম- হাজী ও দানেশ। 
---------------------
উল্লেখ্য,
• আরও কিছু ফসলের নাম ও জনপ্রিয় জাত:

• টমেটো: মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, অপূর্ব।
• কলা: কানাইবাসি, মোহনবাসি, অগ্নিশ্বর, বীটজবা, চম্পা। 
• পাট: সিভিএল, তোষা। 
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্র, মোহর, সুপার সুইট কর্ন, উত্তরণ।
• গম: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, শতাব্দী, আকবর, বরকত।
• আম: মহানন্দা, মোহনভোগ, গোপালভোগ, গৌড়মতি।
• তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• বেগুন: উত্তরা, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, কাজল।
• তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা।
• সরিষা: সফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া।
• পেয়ারা: কাজী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর। 
• তুলা: রুপালি, ডেলফোস। 
• মরিচ: যমুনা, চন্দ্রমুখী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬২৪.
মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, কত ইঞ্চির ছোট কার্প জাতীয় মাছের রেণু ও পোনা আহরণ নিষিদ্ধ?
  1. ৮ ইঞ্চি
  2. ৯ ইঞ্চি
  3. ২৩ ইঞ্চি
  4. ২৫ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর:
৯ ইঞ্চি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
মৎস্য আইন:
- The Protection and Conservation of Fish Act, 1950; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
৬২৫.
'ব্রি ধান ৪৩' ধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. জিংক সমৃদ্ধ
  2. খরা সহিষ্ণু
  3. নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন
  4. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
সঠিক উত্তর:
খরা সহিষ্ণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা সহিষ্ণু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬২৬.
’এটলাস ৭০’ কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
এটলাস ৭০,
টোকিও প্রাইড,
লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬২৭.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জুন-২০২৫)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৯০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
ব্যাখ্যা
- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭০ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড। লিংক
৬২৮.
রপ্তানি আয়ের দিক দিয়ে কোনটি প্রধান অর্থকরী ফসল? [মার্চ, ২০২৫]
  1. চা
  2. পাট
  3. রাবার
  4. চাল
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- রপ্তানি আয়ের দিক দিয়ে পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬২৯.
খরিপ–২ মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. চৈত্র - আষাঢ়
  2. শ্রাবণ - আশ্বিন
  3. জ্যৈষ্ঠ - শ্রাবণ
  4. আশ্বিন - ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ - আশ্বিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ - আশ্বিন
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।


উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৩০.
পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য?
  1. BINA
  2. BARI
  3. Seed Certification Agency
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BINA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BINA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।

অন্যদিকে,
- BADC-এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency)-এর প্রধান কাজ বীজের মান নিয়ন্ত্রণ।
- BARI-এর প্রধান কাজ কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
৬৩১.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের ‘খরিপ-২’ মৌসুম কোনটি?
  1. ক) বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ
  2. খ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  3. গ) চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ
  4. ঘ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
খ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধান দুটি মৌসুম যথা—রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম হিসেবে ভাগ করা হয়েছে।
এই দুই মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে। 
সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত। 
 
খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
খরিপ- ১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
খরিপ-২ঃ আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

[সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি]
৬৩২.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘অনুপম’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) গম
  4. ঘ) টমেটো
সঠিক উত্তর:
ক) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত কলার জাত:
১. খাটো জাত -- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)
২. মাঝারি আকার -- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী
৩. লম্বাকৃতির জাত -- কাঁঠালি, আনাজি

উল্লেখ্য, হিম সাগর - আমের জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬৩৩.
দেশের কৃষিতে এককভাবে কোন সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি?
  1. ইউরিয়া সার
  2. টিএসপি সার
  3. ডিএপি সার
  4. ডিএসপি সার
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ 
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৬৩৪.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত -
  1. ক) পরিবহন খাত
  2. খ) সেবাখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কৃষিখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে প্রধান ৩টি খাত।

• জিডিপিতে অবদান: 
সেবাখাত - ৫১.৪৪%
শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
কৃষিখাত - ১১.৫০%

• প্রবৃদ্ধির হার:
সেবাখাত - ৬.৩১%
শিল্পখাত - ১০.৪৪%
কৃষিখাত - ২.২০%

• নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
সেবাখাত - ৩৯.০%
শিল্পখাত - ২০.৪%
কৃষিখাত - ৪০.৬%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৬৩৫.
কত সেন্টিমিটারের নিম্নের ইলিশ মাছকে ‘জাটকা’ বলা হয়ে থাকে?
  1. ২৩ সে:মি:
  2. ৩২ সে:মি:
  3. ২৫ সে:মি:
  4. ২৭ সে:মি:
সঠিক উত্তর:
২৫ সে:মি:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সে:মি:
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:

- ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের (ঠোঁট থেকে লেজের প্রান্ত পর্যন্ত) কম দৈর্ঘ্যের ইলিশকে জাটকা বলা হয়।
- জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা। বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা। 
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা  থেকে  পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ  থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ  পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

তবে, মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ - এর মূল আইনে ইলিশ ২৩ সে.মি দেওয়া ছিল। কিন্তু গেজেট সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে ২৫ সে.মি বা ১০ ইঞ্চি - এর ছোট মাছকে জাটকা বলা হয়; এবং এর আহরণ, বহন ও বিতরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই , ২৫ সে.মি কে সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ২৪ মার্চ ২০২২ ও মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৩৬.
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
এটির অবস্থান ঢাকার ফার্মগেটে যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
৬৩৭.
সরকার ঘোষিত 'রুপকল্প ২০২১' অনুযায়ী কত সালের মধ্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের সর্বাত্নক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকার ঘোষিত 'রুপকল্প ২০২১' অনুযায়ী ২০১৩ সালের মধ্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯)
৬৩৮.
দাপগ বীজতলা তৈরী করা হয় কোন অবস্থায়?
  1. পাহাড়ের টিলায়
  2. বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
  3. লবণাক্ততা অবস্থায়
  4. যেখানে আলো বাতাস বেশী থাকে
সঠিক উত্তর:
বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
ব্যাখ্যা
- দাপগ বীজতলা (Dapog seedbed) তৈরি করা হয় যখন সাধারণ বীজতলায় বৃষ্টি বা মেঘলা আবহাওয়ার কারণে চারা বড়ানো কঠিন হয়। এজন্য বীজতলাটি তৈরি করা হয় বাড়ির উঠোন, বারান্দা বা চালার নিচে, পলিথিন বা ত্রিপল বিছিয়ে ইট-বাঁশের ছাউনি দিয়ে।
- যেখানে বৃষ্টির পানি এসে পড়ে না, আর আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা থাকে।
- দাপগ বীজতলা তৈরি করা হয় অতিবৃষ্টি ও মেঘলা দিনে, যেখানে বাহিরে সাধারণ ফিল্ডে চারা তৈরি সম্ভব না।
- এটি বাড়ির ছাদের নীচে বা ছাউনি যুক্ত স্থানগুলোতে নির্মিত হয় যাতে বৃষ্টি থেকে বীজতলাকে সুরক্ষা দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি বাতায়ন।
৬৩৯.
মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. যশোর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মাছ উৎপাদনে
প্রথম - ময়মনসিংহ
দ্বিতীয় - কুমিল্লা
তৃতীয় - যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৬৪০.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

BRRI ধান বিষয়ক গবেষণার জন্য দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং এর সদর দপ্তর গাজীপুরে অবস্থিত।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, 
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

সূত্র:  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৬৪১.
'বালাম' ধান মূলত আবাদ হয়-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) কুমিল্লায়
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালীতে
ব্যাখ্যা
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় অবাক হয়।
৬৪২.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ধান
  2. পাট
  3. চা
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।

উল্লেখ্য,
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৪৩.
'ময়না' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. ভুট্টা
  2. আম
  3. ধান
  4. বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৪৪.
কৃষিক্ষেত্রে 'পার্চিং পদ্ধতি' কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পোকা দমনে
  2. সার দেওয়ায়
  3. সেচ কাজে
  4. নালা তৈরিতে
সঠিক উত্তর:
পোকা দমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোকা দমনে
ব্যাখ্যা

• পার্চিং পদ্ধতি:
- খেতের ক্ষতিকর পোকা দমনে এটা প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতির নাম ‘পার্চিং’ অর্থাৎ পাখির বসার জন্য দাঁড়।
- এই পদ্ধতিতে ধানখেতে পাখি বসার উপযোগী বাঁশের আগা, কঞ্চি, গাছের ডাল প্রভৃতি পুঁতে দিতে হয়।
- পাখি বাঁশের এই আগা, কঞ্চি, গাছের ডালে বসে ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খায়।
- ক্ষতিকর পোকামাকড় বিশেষ করে মাজরা পোকা দমনে এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর।
- ধানের চারা রোপণের ২০ দিনের মধ্যে খেতে পার্চিং করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রথম আলো পত্রিকা।

৬৪৫.
তুলার উন্নত জাতের একটি-
  1. সোনালিকা
  2. মানিক
  3. ডেলফোজ
  4. বর্ণালী
সঠিক উত্তর:
ডেলফোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলফোজ
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬৪৬.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ? 
  1. ৫১.৬২%
  2. ৩৭.৪৪%
  3. ১০.৯৪%
  4. ১২.৩৪%
সঠিক উত্তর:
১০.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৯৪%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%। -
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৬৪৭.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত নিচের কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৬
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬৪৮.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা –
খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের ফসলের সার্বিক চিত্রটি মূলত পরবর্তী বছরের ফসল উৎপাদনের অনুমান/সম্ভাব্য (Estimation) উৎপাদন। তাই প্রকৃত উৎপাদনের তথ্যের সাথে এই পরিসংখ্যানের তথ্যের মিল থাকে না।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
৬৪৯.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ নয় কোনটি?
  1. গরান
  2. গেওয়া
  3. গর্জন
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা
⇒ 'গর্জন' উপকূলীয় বনের বৃক্ষ নয়।

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।
৬৫০.
কোন দশক থেকে চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে?
  1. পঞ্চাশ দশক
  2. ষাট দশক
  3. সত্তর দশক
  4. আশির দশক
সঠিক উত্তর:
সত্তর দশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্তর দশক
ব্যাখ্যা
বাগদা চিংড়ি:
- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
iii) ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৬৫১.
বাংলাদেশে বোনা আমন ধান কাটা হয় -
  1. অগ্রহায়ণ মাসে
  2. ফাল্গুন মাসে
  3. বৈশাখ মাসে
  4. ভাদ্র মাসে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ মাসে
ব্যাখ্যা
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন।
- রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
- বোনা আমন ছিটিয়ে বোনা হয়।
- চৈত্র-বৈশাখ মাসে মাঠে বোনা আমনের বীজ বপন করা হয় এবং অগ্রহায়ণ মাসে পাকা ধান কাটা হয়।
- একে আছড়া আমন, বাওয়া আমন বা গভীর পানির আমনও বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৬৫২.
বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু। এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল-
  1. ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
  2. এশিয়ার থাইল্যান্ড
  3. আফ্রিকার মিশর থেকে
  4. দক্ষিণ আমেরিকার পেরু-চিলি থেকে
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মাধ্যমে উপমহাদেশে হল্যান্ড থেকে আলু চাষের বিস্তার হয়।

• সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
তিনি ১৭৭২ থেকে ১৭৮৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর দায়িত্বে থাকাকালে নিজ উদ্যোগে আলুর চাষ করেছিলেন।

• ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গার্ডেনিং মান্থলি’ ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায়।

উচ্চফলনশীল জনপ্রিয় জাতসমূহের মধ্যে নিচের জাতগুলি উল্লেখযোগ্য-
(ক) কার্ডিনাল- আয়তাকার, লালচে কন্দ, অগভীর চোখ, চামড়া মসৃণ। জাতটি হল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে। ফলনক্ষমতা হেক্টর প্রতি ২০-৩০ মে টন।
(খ) ডায়ামেন্ট- হল্যান্ডের অন্য একটি জাত, ডিম্বাকার থেকে আয়তাকার, ফ্যাকাসে হলুদ কন্দ, চামড়া মৃসণ ও চোখ অগভীর। এটি মোটামুটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৫৩.
কত দৈর্ঘের কম রুই মাছের পোনা ধরা নিষেধ?
  1. ২১ সেমি.
  2. ২৩ সেমি.
  3. ২৫ সেমি.
  4. ২৬ সেমি.
সঠিক উত্তর:
২৩ সেমি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেমি.
ব্যাখ্যা
মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০: 
দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধিতে বিরাট অন্তরায়।
এ সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সালে এ আইন প্রণয়ন করে। পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।
এ আইনের উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো নিম্নরূপ-
১. চাষের উদ্দেশ্য ব্যতীত কোন ব্যক্তি কর্তৃক -
(ক) প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর (আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি হতে পৌষ মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস, ঘনিয়া;
(খ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝিামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
(গ) প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল (কার্তিক মাসের মাঝামাঝি হতে বৈশাখ মাসের মাঝিামাঝি) মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
(ঘ) প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন (মাঘ মাসের মাঝামাঝি হতে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি) মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের (১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৫৪.
বাংলাদেশের সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. সিলেট
  3. হবিগঞ্জ 
  4. মৌলভীবাজার 
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

⇒ দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা  বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬৫৫.
দেশের অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
  1. বিটি (Bt) ধান
  2. বিটি (Bt) গম
  3. বিটি (Bt) বেগুন
  4. বিটি (Bt) তুলা
সঠিক উত্তর:
বিটি (Bt) বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটি (Bt) বেগুন
ব্যাখ্যা

প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
- এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়।

⇒ Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন। সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
৫। উৎপাদন বাড়বে।

উল্লেখ্য, 
- জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
- হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।- বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

৬৫৬.
কোনটি আমের একটি জাত?
  1. ক) ডায়মন্ড
  2. খ) কাঞ্চন
  3. গ) ক্ষীরসাপাত
  4. ঘ) সোনালি
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষীরসাপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষীরসাপাত
ব্যাখ্যা
ক্ষীরসাপাত হলো বাংলাদেশের চাপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত আম। এটি হিমসাগর আম নামেও পরিচিত। গত বছর ক্ষীরসাপাত আম দেশের তৃতীয় পণ্য হিসেবে ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করে। ক্ষীরসাপাত ব্যতীত আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙা, আম রূপালি, মহানন্দা ইত্যাদি। ডায়মন্ড, কাঞ্চন এবং সোনালি যথাক্রমে আলু, গম ও সরিষার জাত। (সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৬৫৭.
বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা

Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ BRRI ওয়েবসাইট।

৬৫৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ফরিদপুর 
  2. বগুড়া
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
ব্যাখ্যা

• উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হিসেবে ফরিদপুরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এই জেলায় প্রতি বছর পাটের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ক্রমবর্ধমান। 
- এইজন্য ফরিদপুরকে “সোনালি আঁশে ভরপুর” নামে অভিহিত করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য, 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
• ধান - ময়মনসিংহ।
• আলু - রংপুর।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬৫৯.
বাংলাদেশে প্রচলিত উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. ইরাটম
  2. চমক
  3. ড্রামহেড
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা

⇒ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
⇒ উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত: গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
⇒ উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত: সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
⇒ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
⇒ উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬৬০.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহর’ কীসের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের তুলা
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের পাট
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এ পর্যন্ত ভুট্টার বেশ কিছু উন্নত জাত ও হাইব্রিড ভুট্টার জাত উদ্ভাবন করেছে।
এগুলো হলো শুভ্রা, বর্ণালী, মোহর, খই ভুট্টা, বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩, বারি টপ ক্রস হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৭, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৮, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৯, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১০, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১১, বারি বেবি কর্ন-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১৩।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
৬৬১.
নিচের কোনটি লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত নয়?
  1. ক) ব্রি ধান ৬৭
  2. খ) ব্রি ধান ৬৯
  3. গ) বিনা ধান ১০
  4. ঘ) ব্রি ধান ৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রি ধান ৫২
ব্যাখ্যা
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬৭।
- ব্রি ধান ৬.৯।
- বিনা ধান ১০।

অন্যদিকে,
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫২।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত ব্রি ধান ৫৫।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত ব্রি ধান ৬২।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬৬২.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি নেই?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে।
এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর। প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। কিশোরগঞ্জ জেলায় শালবনের বিস্তৃতি নেই।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬৬৩.
সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় -
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন ময়মনসিংহ জেলা (১৭,৭৬,৪০৬ মে.টন)।
• দ্বিতীয় – দিনাজপুর জেলা (১৪,৩২,৪২৬ মে.টন)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
৬৬৪.
আইলসা ও চমক কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
আইলসা ও চমক আলুর উন্নত জাত।

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৬৬৫.
সুন্দরবনে বাঘ গনণায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুটমার্ক
  2. ক্যামেরা ট্র্যাপিং
  3. স্পিড মার্ক
  4. কোয়ার্ড ট্র্যাপিং
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যামেরা ট্র্যাপিং
ব্যাখ্যা
বাঘ গণনা:
- ২০২২ সালে সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হচ্ছে ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি
- এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর আওতায় সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণ ও সুরক্ষার কাজও করা হবে।
- এর মধ্যে ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা খরচ করা হবে বাঘ গণনায়। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত।
- বন বিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে ২০২৪ সালে বাঘ গণনার তথ্য প্রকাশ করা হবে।
- ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের সুন্দরবনে বাঘ রয়েছে ১১৪টি।
- ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১০৬টি।
 
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৬৬.
পাট কোন দেশের প্রধান শিল্প?
  1. ক) ভারত
  2. খ) মিশর
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - বাংলাদেশ।

•পাট:
- যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট বাংলাদেশের দেশের প্রধান শিল্প।
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- একক দ্রব্য হিসেবে পাট ও পাটজাত পণ্য দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি খাত।
- গত অর্থবছরে এ খাত থেকে প্রায় ৮২ কোটি মা. ডলার আয় হয়।
- বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
- ধান আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
৬৬৭.
কোনটিকে সোনালি আঁশ বলা হয়?
  1. ক) রেশম
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ইলিশ
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
পাট কে সোনালি আঁশ বলা হয়। এটি দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল এবং এক সময় দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী পণ্য ছিলো। এজন্যে পাট কে সোনালি আঁশ নামে ডাকা হয়। পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম এবং উৎপাদনে দ্বিতীয়।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৬৬৮.
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট কতটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এগুলো হলো:

- প্রথম কৃষিশুমারি : ১৯৭৭ সালে
- দ্বিতীয় কৃষিশুমারি : ১৯৮৩-৮৪ সালে
- তৃতীয় কৃষিশুমারি : ১৯৯৬ সালে
- চতুর্থ কৃষিশুমারি : ২০০৮ সালে
- পঞ্চম কৃষিশুমারি : ২০১৯ সালে।

⇨ বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৬৬৯.
সাধারণত কোন মাসে আউশ ধান কাটা হয়?
  1. মার্চ-এপ্রিল
  2. অক্টোবর-নভেম্বর
  3. জুলাই-আগস্ট
  4. নভেম্বর-জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুলাই-আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-আগস্ট
ব্যাখ্যা

আউশ ধান: 
- আউশ কথাটি মূলত বাংলা ‘আশু’ শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে বলে ধারণা করা হয়।
- এ ধান বপন এবং ফসল কাটার মধ্যবর্তী সময় তুলনামূলক কম বলে একে আউশ ধান নামে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণত মার্চ-এপ্রিল মাসে এ ধান বপন করা হয় এবং জুলাই-আগস্ট মাসে কাটা হয়।
- এ ধানের একটি বিশেষ দিক বা বৈশিষ্ট্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগের দ্বারা বেশি আক্রান্ত হয়।
- যেমন- প্রায় সময়ে গাছ বৃদ্ধির সময় খরা এবং ফসল কাটার সময় বন্যা হওয়া। 
- অন্যান্য ধানের তুলনায় আউশ ধানের ফলন কম।
- পূর্বে আউশ ধানের যেসব জাত চাষ করা হতো সেগুলো এখন আর হয় না বললেই চলে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীলজাত চান্দিনা, মালা, সুফলা, মোহিনী,
- আশা প্রভৃতি চাষ করলে অধিক ফলন পাওয়া যায়। 
- আউশ ধানের অধিকাংশ জাতের চাল মোটা এবং বাদামী।

উল্লেখ্য,
- বোরো ধান মার্চ-এপ্রিল মাসে কাটা হয়। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭০.
গিনি কোন ধরনের ঘাস?
  1. নাতিশীতোষ্ণ অস্থায়ী
  2. শীতমন্ডলীয় স্থায়ী
  3. গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
  4. গ্রীষ্মমন্ডলীয় অস্থায়ী
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী
ব্যাখ্যা

গিনি ঘাস:
- পশুপালনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাসগুলোর মধ্যে রয়েছে- নেপিয়ার ঘাস, গিনি ঘাস এবং তাদের সংকর জাত যেমন সুপার নেপিয়ার ও ব্রাকিয়ারিয়া।
- বিশেষ করে এই ঘাসগুলো দুধ ও মাংস উৎপাদনে সাহায্য করে।

- গিনি ঘাস উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালোভাবে জন্মায়;
- এবং একবার রোপণের পর দীর্ঘদিন উৎপাদন দেয়।
- তাই এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় স্থায়ী ঘাস হিসেবে পরিচিত।
- গিনি ঘাস পশুপালনে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ ফলনশীল ঘাস।
- এটি গবাদি পশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।
- সারা বছর সবুজ খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করে।
- গিনি ঘাস দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং বছরে একাধিকবার কাটা যায়, যা পশুর খাদ্যের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
- এছাড়াও, এটি সহজে চাষযোগ্য।
- বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রথম বৃষ্টির পর লাগালে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
- গিনি ঘাসের জন্য বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় না।


উল্লেখ্য,
- পশুপালনের জন্য জনপ্রিয় ঘাসগুলোর মধ্যে রয়েছে-
নেপিয়ার ঘাস:
- এই ঘাস শক্তপোক্ত, ভালো ফলন দেয় এবং দুগ্ধ খামারে প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

সুপার নেপিয়ার বা গিনি-নেপিয়ার হাইব্রিড:
- এই ঘাস দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ফলন বেশি এবং প্রোটিনের পরিমাণও বেশি (১২–১৪%), যা সারা বছর পাওয়া যায়।

পাকচং ঘাস:
- এটি স্থায়ী এবং উঁচু জমিতে চাষযোগ্য।
- এই ঘাস গবাদি পশুর জন্য পুষ্টিকর ও বটে । 

ব্রাকিয়ারিয়া ঘাস:
- এই ঘাস পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ;
- সহজে হজম হয় এবং
- দুধ ও মাংস উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক;
- এছাড়াও এটি খরা সহনশীল।

- এই ঘাসগুলো জনপ্রিয়, কারণ-
 • এদের প্রোটিন, ফাইবার ও খনিজ পদার্থ বেশি থাকে।
• এছাড়া, বছরের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার কাটা যায় এবং প্রতি বিঘায় ভালো ফলন দেয়। 
• এগুলো সহজে বিভিন্ন ধরনের মাটিতে বা বিশেষ পরিবেশে চাষ করা যায়।
• কিছু ঘাস সরাসরি খাওয়ানো যায়, কিছু থেকে খড় তৈরি করা যায় বা সাইলেজ করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

৬৭১.
কোন রোগনাশকের কার্যকরী উপাদান পারদ?
  1. বেনলেট
  2. এগ্রোসান
  3. ক্যাপটান
  4. হিনোসান
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগ্রোসান
ব্যাখ্যা
- এগ্রোসান (Agrosan) একটি প্রাচীন ছত্রাকনাশক, এর প্রধান কার্যকরী উপাদান ছিল পারদ (Mercury) ভিত্তিক যৌগ।
- এটি এক সময় মূলত বীজ শোধনের কাজে ব্যবহার করা হতো এবং কৃষিক্ষেতে ছত্রাক দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।
- তবে পারদ একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং পরিবেশের জন্যও মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।
- পারদযুক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জলজ প্রাণীর মৃত্যু, মাটি ও পানির দূষণ এবং মীনামাটা রোগের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
- এসব ক্ষতির কথা বিবেচনা করে আজ অনেক দেশেই এগ্রোসানসহ পারদ-ভিত্তিক ছত্রাকনাশকের ব্যবহার নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

অন্যদিকে,
- বেনলেট (Benlate)-এর উপাদান Benomyl, ক্যাপটান (Captan)-এর উপাদান Captan, এবং হিনোসান (Hinosan)-এর উপাদান Edifenphos.
- এই তিনটি রোগনাশকের কোনোটি পারদ-ভিত্তিক নয়।
- তাই স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে, উল্লেখিত চারটির মধ্যে শুধুমাত্র এগ্রোসানই পারদযুক্ত ছত্রাকনাশক হিসেবে চিহ্নিত।
৬৭২.
কৃষিতে ’ঝুমকা’ কী জাতীয় ফসলের নাম?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. তরমুজ
  4. বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জাত:
টমেটো:
- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর, শ্রাবণী, 

বেগুন:
- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, খটখটিয়া, লাফফা, উত্তরা, নয়নকাজল, শিংনাথ, কাজলা, বিজয়।

তরমুজ:
- পদ্মা, মধুবালা, সুইট ব্ল‍্যাক, সুইট ব্ল‍্যাক-২,সোনিয়া, কেনিয়া, কোবরা, সুগার কিং, চ্যাম্পিয়ন, ব্ল‍্যাক জেনারেল, জেসমিন।

বাঁধাকপি:
-গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়ােই, ক্রস, ড্রাম হেড, ট্রপিক মার্কেট, লিডার, মহাবীর, সিটি ক্রস, , গ্রীণ স্টোন, গ্রীণ মাষ্টার।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়।
৬৭৩.
উফশী কথাটি কিসের সাথে জড়িত?
  1. ফসল
  2. নদী
  3. সমুদ্র
  4. কয়লা
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসল
ব্যাখ্যা
উফশী ও আধুনিক ধান:
- উফশী কথাটি ফসলের সাথে জড়িত।
- যে ধানগাছের সার গ্রহণ ক্ষমতা এবং ফলন বেশি তাকেই উফশী ধান বলা হয়।
- উফশী ধানগাছে দু'টি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, যেমন গাছ মজবুত এবং পাতা খাড়া।
- আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, ধান পেকে গেলেও গাছ সবুজ থাকে।
- অপরদিকে স্থানীয় সনাতন জাতের গাছ দুর্বল, পাতা হেলে পড়ে, সার গ্রহণ ক্ষমতা কম এবং ধান পাকার সাথে সাথে গাছ শুকিয়ে যায়। সঙ্গত কারণেই এর ফলন কম হয়।
- উফশী ধানে যখন প্রয়োজনীয় বিশেষ গুণ, যেমন রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা, স্বল্প জীবনকাল, খরা, লবণাক্ততা ও জলমগ্নতা সহিষ্ণু ইত্যাদি সংযোজিত হয় তখন তাকে আধুনিক ধান বলা হয়।
- তাই সকল উফশী ধান আধুনিক নয়, কিন্তু সকল আধুনিক ধানে উফশী গুণ বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৭৪.
ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI) - কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৬৮
  2. খ) ১৯৭০
  3. গ) ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৯৭৪
  5. ঙ) ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে। ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু । ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
BRRI website
৬৭৫.
ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলকে ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে ফসল কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: উদ্যান ফসল ও মাঠ ফসল।

উদ্যান ফসল: উদ্যান শব্দের অর্থ বাগান বা বাগিচা। বাগানে যেসব ফসল ফলানো হয় তাই উদ্যান ফসল।
যেমন - লাউ, সিম, ফুলকপি ,টমেটো, আলু ইত্যাদি।

মাঠ ফসল: যে সকল ফসল সুপরিসর একটি মাঠে নির্দিষ্ট সময় ধরে চাষ করা হয় এবং ওই ফসলের উপর কৃষকের জীবন ও জীবিকা নির্ভর করে তাকেই মাঠ ফসল বলে।যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, তুলা ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

৬৭৬.
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গোপালগঞ্জে
  2. খুলনায়
  3. গাজীপুরে
  4. মুন্সীগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
গাজীপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র:
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
- অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। 
৬৭৭.
জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন প্রয়োগ
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
পানি সেচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি সেচ
ব্যাখ্যা

জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ।
- দুই-তিনবার স্বাদুপানির সেচ দিয়ে সেই পানি জমি থেকে বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যায়।
- এটা একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
- লবণাক্ততার কারণে শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ফসল চাষ অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ সময়ে মাটির লবণাক্ততা ৮.০ ডিএস/মি. এর উপরে চলে যায়। এছাড়া এ সময়ে নদীর পানির লবণাক্ততা ২৫.০-৩০.০ ডিএস/মি. পর্যন্ত লক্ষ করা যায়।

উৎস: ais.gov.bd( বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস)

৬৭৮.
‘নয়ন কাজল‘ হচ্ছে উন্নত জাতের -
  1. তরমুজ
  2. বেগুন
  3. সরিষা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৬৭৯.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম:

- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়।
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন (Cocoon) থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না।
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ।
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়শ ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
৬৮০.
উন্নত জাতের ভুট্টার নাম কী?
  1. আনন্দ ও বরকত
  2. মুক্ত ও জবা
  3. উত্তরণ ও শুভ্র
  4. চমক ও কার্ডিনাল
সঠিক উত্তর:
উত্তরণ ও শুভ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরণ ও শুভ্র
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
৬৮১.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কোন উইংটি বাজেট, জনবল ও হিসাবরক্ষণ দেখাশোনা করে?
  1. সরেজমিন উইং
  2. গবেষণা উইং
  3. প্রশাসনিক উইং
  4. পরিকল্পনা উইং
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক উইং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশাসনিক উইং
ব্যাখ্যা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক উইং:
- এ উইং এর কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।
- একজন পরিচালক এ উইং এর দায়িত্বে আছেন।

⇒ এ উইং এর প্রধান দায়িত্বগুলো হলো:
◉ সকল উইং এর বার্ষিক রাজস্ব বাজেট তৈরির কাজ সমন্বয় করা;
◉ মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসসহ অত্র অধিদপ্তরের সকল প্রকার রাজস্বের হিসাব ও এর প্রতিবেদন রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ বর্তমানে প্রচলিত সরকারি নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় সকল রাজস্ব ও প্রকল্প হিসাবের নিরীক্ষণ নিশ্চিত করা;
◉ বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ প্রকল্প ছকে গ্রহণ করা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সেগুলো পুর্নবিন্যাস করার জন্য পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইংকে উপদেশ প্রদান করা;
◉ ডিএই এর ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও বদলীর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ডিএই এর জনবলের হালনাগাদ রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ দ্রব্যসামগ্রী সময়মতো সংগ্রহ, সরবরাহ, ঠিক মতো সংরক্ষণ ও হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা এবং অফিসের জন্য সকল প্রকার সরবরাহ, গুদামজাতকৃত দ্রব্য, যন্ত্রপাতি ও সম্পত্তির রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ ডিএই এর কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের সরকারি বিধান মোতাবেক আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতা ও সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

৬৮২.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়। তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট]
৬৮৩.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

⇒ এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি। যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়।
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) BBS ওয়েবসাইট।
৬৮৪.
স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক কে?
  1. ড. মকবুল আহমেদ
  2. ড. মোবারক আহমেদ
  3. ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক 
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক 
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
• স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক- ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক।
- তিনি ১৯৮৭ সালে এই জৈব সার আবিষ্কার করেন।
- যার বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার'।
- স্বর্ণা সারের ব্যবহারে মাটির প্রাকৃতিক গুণাবলি রক্ষা পায়,
- এবং উদ্ভিদের সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়, যা রাসায়নিক সারের তুলনায় অধিক কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব।  

⇒ অপরদিকে,
- জুটন আবিষ্কার করেন: মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- পাট থেকে ঢেউটিন তৈরি করেন: ড. মোবারক আহমেদ।
- এক ধানে দুই চাল তৈরি করেন: ড. মকবুল আহমেদ।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৬৮৫.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. কৈলাসনগর
  2. সুফলা
  3. ডায়মন্ড
  4. ভাতি
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৮৬.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা বাগান কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- জৈব চাষের প্রথাগত নিয়ম মেনেই তৈরি হয় অর্গ্যানিক চা।
- এক্ষেত্রে চা পাতায় কোনও রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না।
- সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই চাষ করা হয় এই চা।
- এই ধরনের চা পাতার গন্ধ ও গুণ আলাদা হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৬৮৭.
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশের কৃষিখাতে কয়টি আশঙ্কাজনক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশের কৃষিখাতে ৩টি আশঙ্কাজনক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। যথা:
ক) খরা
খ) লবণাক্ততা
গ) বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়
(রেফারেন্সঃ ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা)
৬৮৮.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষিশুমারি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে কোনটি?
  1. ৩য় কৃষি শুমারি
  2. ৪র্থ কৃষি শুমারি
  3. ৫ম কৃষি শুমারি
  4. ৬ষ্ঠ কৃষি শুমারি
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কৃষি শুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কৃষি শুমারি
ব্যাখ্যা
পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি:
- ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়।
- তাই এটি দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি হিসেবে স্বীকৃত।

উল্লেখ্য,
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) BBS ওয়েবসাইট।
৬৮৯.
ধান চাষের জন্য আদর্শ তাপমাত্রা কত প্রয়োজন?
  1. ক) ১৬° থেকে ২২°
  2. খ) ১৬° থেকে ৩০°
  3. গ) ২০° থেকে ৩৫°
  4. ঘ) ১৯° থেকে ৩০°
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬° থেকে ৩০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬° থেকে ৩০°
ব্যাখ্যা
- ধান চাষের জন্য ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- গম চাষের জন্য ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- পাট চাষের জন্য ২০° থেকে ৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- ইক্ষু চাষের জন্য ১৯° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯০.
কোনটি খরিফ ফসল নয়?
  1. পাট
  2. কচু
  3. ঝিঙ্গা
  4. মুলা
সঠিক উত্তর:
মুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুলা
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিফ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিফ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিফ মৌসুম।
- খরিফ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

⇒ খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

⇒ খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়া
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে।
- এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।
- আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের মাধ্যমে বর্তমানে সারাবছর সবধরনের ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৬৯১.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চলের সংখ্যা কতটি? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৮টি
  2. ২২টি
  3. ২৫টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিবেশ অঞ্চল:
- বাংলাদেশ একটি কৃষি দেশ এবং বাংলাদেশের প্রায় ৮০% লোক সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষি নিয়ে জড়িত।
- বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ কিন্তু এটি বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের জমি রয়েছে। 
- বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল রয়েছে।
- এই ৩০টি এইজেডকে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে এবং এই উপ-অঞ্চলকে আবার ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত এককে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশে ৩০ টি কৃষি-পরিবেশগত অঞ্চল (সংখার ক্রমানুসারে)-
১. পুরাতন হিমালয় পাদভুমি
২. সক্রিয় তিস্তা প্লাবনভুমি
৩. তিস্তা সর্পিল প্লাবনভুমি
৪. করতোয়া-বাঙ্গালী প্লাবনবুমি
৫. নিম্ন-আত্রাই বেসিন
৬. নিম্ন- পূনর্ভবা প্লাবনভুমি
৭. সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৮. নতুন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা প্লাবনভুমি
৯. পুরাতন ব্রহ্মপুত্র প্লাবনভুমি
১০. সক্রিয় গঙ্গা প্লাবনভুমি
১১. উচ্চ গঙ্গা প্লাবনভুমি
১২. নিম্ন গঙ্গা প্লাবনভুমি
১৩. গঙ্গা জোয়ার প্লাবনভুমি
১৪. গোপালগঞ্জ-খুলনা জলাভুমি
১৫. আত্রাই বিল/আরিয়াল বিল
১৬. মধ্য মেঘনা প্লাবনভুমি
১৭. নিম্ন মেঘনা প্লাবনভুমি
১৮. নতুন মেঘনা- মোহনা প্লাবনভুমি
১৯. পুনাতন মেঘনা প্লাবনভুমি
২০. পূর্ব সুরমা-কুশিয়ারা প্লাবনভুমি
২১. সিলেট বেসিন
২২. উত্তর-পূর্ব পাদভুমি
২৩. চট্টগ্রাম উপকূল সমভুমি
২৪. সেন্টমার্টিন কোরাল দ্বীপ
২৫. সমতল বরেন্দ্র অঞ্চল
২৬. উচ্চ বরেন্দ্র অঞ্চল
২৭. উত্তর-পূর্ব বরেন্দ্র অঞ্চল
২৮. মধুপুর অঞ্চল
২৯. উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল
৩০. আখাউড়া সোপান।


উৎস: কৃষক সেবা।

৬৯২.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনাঞ্চল কোন ধরনের বনভূমি?
  1. পত্রপতনশীল
  2. স্রোতজ
  3. চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  4. চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা

মধুপুর ও ভাওয়াল গড়: 
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। 
- শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৬৯৩.
নিচের কোনটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত?
  1. সুন্দরী
  2. কৈলাসনগর
  3. অগ্রদূত
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৯৪.
আউশ ধান রোপনের সময় নিচের কোনটি?
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  3. গ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ঘ) এপ্রিল – মে
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• আউশ ধান
- মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল (রোপনের সময়)।
- মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• আমন ধান
- জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু (রোপনের সময়)।
- ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• বোরো ধান
- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি (রোপনের সময়)।
- এপ্রিল – মে (উত্তোলনের সময়)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১.
৬৯৫.
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় জনগোষ্ঠী যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. কুম
  2. জুম
  3. রুম
  4. কুমি
সঠিক উত্তর:
জুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুম
ব্যাখ্যা

জুম চাষ:
- জুম চাষ (Jhum) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- মূলত পাহাড়ের জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করাই হলো জুম।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
- বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমি এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৯৬.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- ১৯৪৮ সালে ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে  বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে;
- এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে  ফরিদপুরে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি  ঢাকা শহর হতে ১৪০ কিলোমিটার দুরে।
- এটি ৮৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (ফরিদপুর জেলা)।
৬৯৭.
নিচের কোনটি ধানের জাত?
  1. শাহজালাল
  2. বীটজবা
  3. সোহাগ
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল
ব্যাখ্যা

বিআর-১৮ঃ
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার উপযোগী বলে এ জাতটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এদেশে প্রবর্তন করেছে।
এটি ১৯৮৫ সনে বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য বিআর ১৮ নামে জাতীয় বীজ বোর্ডের অনুমোদন লাভ করে।
এ জাতের জনপ্রিয় নাম শাহজালাল।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর ওয়েবসাইট।

৬৯৮.
'ডায়মন্ড' কোন ফসলের উন্নতজাত?
  1. টমেটো
  2. আলু
  3. বেগুন
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

• ডায়মন্ড হলো আলুর একটি উন্নতজাত।
আলুর অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- কার্ডিনাল
- ললিতা
- গ্রানোলা
- বিনেলা
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

৬৯৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী তিন ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯৪,০০০ একর
  2. ৪৭,৬০,০০০ একর
  3. ৪৯,০০০ একর
  4. ৫১, ১২,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৪৫,৯৪,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫,৯৪,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:

- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩, ১২,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫১,৬০,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৬৬,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৪,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫৩,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৭০০.
বাংলাদেশে কয়টি সামুদ্রিক মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে ৪ টি।
- সেগুলো হচ্ছে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, মিডল গ্রাউন্ড, সাউথ প্যাচেন ও সাউথ অব সাউথ প্যাচেস।

উল্লেখ্য, 
- সমুদ্র অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, উপকূলব্যাপী ৭১০ কিমি দীর্ঘ তটরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত একান্ত অর্থনৈতিক এলাকয় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের বিশাল সুযোগ রয়েছে।
- এই এলাকায় মৎস্য আহরন মোট ১৮৭ ও চিংড়ি আহরণে মোট ৩৮ টি ট্রলার অর্থাৎ সর্বমোট ২২৫ টি বাণিজ্যিক ট্রলার বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ আহরণে নিয়োজিত রয়েছে।
- এর বাইরে মোট ৫২ হাজার ৫১৪ টি যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযানে মৎস্য আহরনে নিয়োজিত প্রায় ২ দশমিক ৭০ লাখ মৎস্যজীবীর পরিবারের ন্যূনতম ১৩ দশমিক ৫০ লাশ মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।