বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৫০১৬০০ / ১,৬৮১

৫০১.
SRDI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Soil Resources Development Institute
  2. Soil Resource Developing Institute
  3. Seed Research and Development Institute
  4. Soil Research and Development Institute
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
ব্যাখ্যা
SRDI:
- SRDI পূর্ণরূপ: Soil Resources Development Institute বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
- এছাড়া কৃষকের মৃত্তিকা নমুনা সরেজমিনে পরীক্ষা করে ফলাফলের ভিত্তিতে সুষম মাত্রার সার সুপারিশ করার লক্ষ্যে ১০টি ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা পরীক্ষাগার রয়েছে।

তথ্যসূত্র - SRDI ওয়েবসাইট।
৫০২.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকোরিয়া
  2. করমজল
  3. টিলাগড়
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
 প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫০৩.
‘টিপু সুলতান‘ কী?
  1. ক) আমের একটি উন্নত জাত
  2. খ) কলার উন্নত জাত
  3. গ) গমের একটি উন্নত জাত
  4. ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
ব্যাখ্যা
• টমেটো:
- এ দেশে এখন মৌসুমে ও অমৌসুমে প্রচুর পরিমাণে টমেটো চাষ হচ্ছে।
- শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা বিশ্বেই সবজি ফসলের মধ্যে আলু ও মিষ্টি আলুর পরেই সবচে বেশি উৎপাদিত হয় টমেটো। কেননা
- টমেটো একটি অত্যন- পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। কাঁচা ও পাকা উভয় টমেটোই দেহের জন্য উপকারী।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বেশ কিছু টমেটোর জাত উদ্ভাবন করেছে যেগুলো অমৌসুমেও ফলে।
- এছাড়া কিছু হাইব্রিড জাত এ দেশে আসাতে সারা বছরই এখন টমেটো হচ্ছে। তবে দেশেও বেশ কিছু আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের টমেটো উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো ভাল ফলন দিচ্ছে।

• টমেটোর উন্নত জাতসমূহ:

জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১ ইত্যাদি।
মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি জাতকে বেছে নেয়া যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস
৫০৪.
’শুভ্রা ও উত্তরণ’ কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. আলু
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

অন্যদিকে,
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মোহনভোগ।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
- উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা,।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৫০৫.
সিলেটে প্রচুর চা জন্মাবার কারণ কী?
  1. পাহাড় ও অল্প বৃষ্টি
  2. সমতল ভূমি
  3. বনভূমি ও প্রচুর বৃষ্টি
  4. পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
চা চাষ:

- প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এমন পাহাড়ি বা উচ্চ ঢালু জমি চা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢালু জমির কারণে সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হয়।
- বর্ষাকালে চা গাছে নতুন কুঁড়ি ও পাতা জন্মালে খুব সুন্দর ও মসৃণ দেখায়।
- মাঝে মাঝে কিছু কিছু বড় গাছ থাকে যা চা গাছকে রোদের প্রখরতা থেকে রক্ষা করে।
- কড়া রোদ আবার চা গাছের জন্য ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২।
৫০৬.
নিচের কোনটি সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. সাতক্ষীরা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫০৭.
ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৫৬ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৬৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে।
- অথচ চার বছর আগেও বিশ্বের মোট ইলিশের উৎপাদনের ৬৫ শতাংশ আসত বাংলাদেশ থেকে।
- বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত।
- পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো।
- তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে।
- মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে।

 (উৎস: প্রথম আলো)
৫০৮.
বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) কড়ই
  2. খ) শাল
  3. গ) বৈলাম
  4. ঘ) রেইনট্রি
সঠিক উত্তর:
গ) বৈলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৈলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ হলো বৈলাম। এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়। তবে এ বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে।
(সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
৫০৯.
ব্রি-২৮ কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
ব্রি-২৮:
- ব্রি ধান২৮ বোরো মৌসুমের একটি আগাম জাত।
- এ জাত ১৯৯৪ সালে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত হয়।
- গাছের উচ্চতা ৯০ সেমি।
- পাকার সময় ধানের শীষ উপরে থাকে।
- চাল মাঝারি চিকন ও সাদা।
- ভাত ঝরে ঝরে ও খেতে সুস্বাদু।
- এ জাতের জীবনকাল ব্রি ধান২৯ এর চেয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ কম।
- এ জাতটির জীবনকাল ১৪০ দিন।
- স্বাভাবিক ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.৫-৬.০ টন।

চাষাবাদ পদ্ধতি:
১. বীজ তলায় বীজ বপন: ১-১৫ অগ্রহায়ণ (১৫-২৯ নভেম্বর)।
২. চারার বয়স- ৩৫-৪০ দিনের চারা।
৩. চারা রোপণের সময় - ৭-১২ মাঘ (২০শে জানুয়ারি থেকে ২৫শে জানুয়ারি)।
৪. চারার সংখ্যা- প্রতি গুছিতে ২-৩ টি
৫. রোপণ দূরত্ব- ২০×১৫ সেন্টিমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।[লিঙ্ক]
৫১০.
দত্তনগর কৃষি খামার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার দত্তনগর কৃষি খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে অবস্থিত। এটি ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্ত নামে এক ব্যক্তি স্থাপন করেন।
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার এটি অধিগ্রহণ করে কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে। বর্তমানে এটি BADC’র অধীনে বীজ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
(সূত্র: ঝিনাইদহ জেলা ওয়েবসাইট)
৫১১.
আউশ ধান উত্তোলনের সময়-
  1. ক) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
  2. খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
  3. গ) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  4. ঘ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
ব্যাখ্যা
আউশ ধান রোপনের সময়কাল =মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
আউশ ধান উত্তোলনের সময়কাল =মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

আমন ধান রোপনের সময়কাল =জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
আমন ধান উত্তোলনের সময়কাল = ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

বোরো ধান রোপনের সময়কাল = মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
বোরো ধান উত্তোলনের সময়কাল = এপ্রিল – মে।

তথ্যসূত্র- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০।
৫১২.
বাংলাদেশে উৎপাদিত মৎসের কত শতাংশ ইলিশ থেকে আসে?
  1. ক) ১.২ শতাংশ
  2. খ) ৫.৬ শতাংশ
  3. গ) ৮.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.১৫ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের অধিক।
- একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ; বাংলাদেশ ইলিশ শীর্ষক ভৌগোলিক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তিতে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে বিশ্ববাজারে     বাংলাদেশের ইলিশ সমাদৃত।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ ‘ইলিশের দেশ’ হিসেবে পরিচিত। 
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২১
৫১৩.
অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ময়মনসিংহ
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা
- তৃতীয় : যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৫১৪.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. কাঞ্চন
  2. সৌরভ
  3. ইরাটম
  4. বর্ণালি
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৫১৫.
সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় কোন বিভাগে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়।
- দ্বিতীয়- চাপাইনবাবগঞ্জ।

অন্যদিকে---
-ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে।

তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।


তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৫১৬.
সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?
  1. ৬০%
  2. ৬১%
  3. ৬৪%
  4. ৬২%
সঠিক উত্তর:
৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২%
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- এই বনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার।

- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সুন্দরবন অবস্থিত।
- এই বন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- এই বনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে,
• গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।

৫১৭.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. কার্ডিনাল
  2. অঘ্রাণী
  3. তাহেরপুরী
  4. কুফরী
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৫১৮.
কানাইবাঁশি ও মোহনবাঁশি হলো -
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের আম
  3. গ) উন্নত জাতের গম
  4. ঘ) উন্নত জাতের কলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উন্নত জাতের কলা
ব্যাখ্যা
কানাইবাঁশি ও মোহনবাঁশি হল উন্নত জাতের কলা।
- উন্নত জাতের কলা গুলি হল :অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী, কাঁঠালি, আনাজি, সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)।
- গাছের আকার ভেদে ও উচ্চতা বিবেচনায় এগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
- খাটো জাতের কলা, 
- মাঝারি উচ্চতা বিশিষ্ট জাতের কলা এবং 
- লম্বা জাতের কলা।

উৎস: ais.gov.bd
৫১৯.
নিচের কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
- এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর।
- প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী।
- এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫২০.
কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. ক) টিপু সুলতান
  2. খ) আকবর
  3. গ) রুপালী
  4. ঘ) ফরিদপুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরিদপুরী
ব্যাখ্যা
• মরিচ:
- জাত পরিচিতি: মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী, কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও 
- আকবর হচ্ছে -গমের উন্নত জাত।
- রুপালী হচ্ছে - তুলার উন্নত জাত।
- টিপু সুলতান হচ্ছে- টমেটোর উন্নত জাত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫২১.
কোন গাছে ভাইরাস 'টুংরো' রোগ হয়?
  1. ক) পাট গাছে
  2. খ) তামাক গাছে
  3. গ) ধান গাছে
  4. ঘ) টমেটো গাছে
সঠিক উত্তর:
গ) ধান গাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধান গাছে
ব্যাখ্যা
- টুংরো (Tungro) - রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস। 
- ধানের টুংরো রোগের জন্য ভাইরাস দায়ী।
- তামাক গাছের মোজাইক রোগ।
- টমেটো গাছের ক্যাংকার রোগ।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫২২.
পিঁয়াজ উত্তোলনের কমপক্ষে কত দিন পূর্বে সেচ বন্ধ করা উচিত?
  1. ২ সপ্তাহ
  2. ৩ সপ্তাহ
  3. ৪ সপ্তাহ
  4. ৫ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৩ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
পিঁয়াজ চাষ:
- পিঁয়াজ একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত মসলা জাতীয় ফসল।
- সবজি ও সালাদ হিসেবে এবং আচার, কেচাপ ও সস তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।
- এর অনেক ওষধি গুণ রয়েছে।
- উদ্ভিদতাত্ত্বিক পরিচিতি পিঁয়াজ একটি দ্বিবর্ষজীবী উদ্ভিদ।
- তবে আমাদের দেশে এর একবর্ষজীবী জাতও দেখা যায়।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম Allium cepa.

⇒ পিঁয়াজের রূপান্তরিত কান্ড সংলগ্ন পাতার গোড়ায় খাদ্য জমাটের ফলে স্ফীত হয় এবং কান্ডের সাথে একটির পর একটি সংযোজিত হয়ে শল্ককন্দ উৎপাদন করে।
- এ শল্ককন্দ পিঁয়াজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এ থেকে নতুন গাছ জন্মে থাকে।

⇒ বংশবিস্তার:
- বীজতলায় চারা উৎপাদন করে জমিতে রোপণ, সরাসরি ক্ষেতে বীজ বপন বা ছোট ছোট কন্দ রোপণ সাধারণত এ তিনটি পদ্ধতিতে পিঁয়াজের চাষ করা হয়।
- এদের মধ্যে চারা রোপণ পদ্ধতিতে পিঁয়াজের ফলন বেশী হয়।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- সহনশীল তাপমাত্রা, পর্যাপ্ত দিনের আলো ও মাটিতে রস থাকলে পিঁয়াজের ভাল ফলন পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটি ছাড়া অন্য যে কোন মাটিতে পিঁয়াজের চাষ করা যায়।
- তবে দোঁআশ ও জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ হালকা দোআঁশ বা পলিযুক্ত মাটি পিঁয়াজ চাষের জন্য উত্তম।
- মাটির অম্লত্ব বা pH ৫.৮-৬.৫ পিঁয়াজ উৎপাদনের জন্য উত্তম, অধিক ক্ষার বা অম্ল মাটিতে পিঁয়াজের আকার ছোট হয় ও পুষ্ট হতে বেশী সময় লাগে।

⇒ উৎপাদন মৌসুম:
- বাংলাদেশে শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা ঋতুতে অর্থাৎ সারা বছরই পিঁয়াজ চাষ করা সম্ভব।
- জীবনকাল চারা রোপণের ৯০ থেকে ১০৫ দিন পর পিঁয়াজ তোলার উপযুক্ত হয়।

⇒ সেচ:
- মাটির রস স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে পিঁয়াজের ফলন কমতে থাকে।
- এজন্য পিঁয়াজের জমিতে যথেষ্ট পরিমাণ আর্দ্রতা থাকা প্রয়োজন।
- চারা মাটিতে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ৩ দিন অন্তর সেচ দেওয়া প্রয়োজন।
- পিঁয়াজ উত্তোলনের ৩ সপ্তাহ পূর্ব থেকে সেচ বন্ধ রাখতে হয়।
- নতুবা পিঁয়াজের গুণাগুণ ও সংরক্ষণ ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- পিঁয়াজের সম্পূর্ণ জীবন চক্রে ৮-১০ বার সেচের প্রয়োজন হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৩.
আমাদের দেশে কোন সময় রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে?
  1. বর্ষাকালে
  2. বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
  3. ভাদ্র মাসে প্রচন্ত গরমের সময়
  4. শীতের প্রারম্ভে
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ মাসে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি হলে
ব্যাখ্যা
আভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনের প্রভাব:
• বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর নাব্যতা কমে যাচ্ছে ফলে একদিকে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে এবং অন্যদিকে প্রজননক্ষম মাছ সহজে ধরা পড়ায় নদীতে মাছের উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে এবং জীব বৈচিত্র নষ্ট হচ্ছে।
• সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে উপকূলীয় এলাকার স্বাদু পানির মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে।
• অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে আমাদের দেশে এপ্রিল মে মাসে আভ্যন্তরীণ জলাশয়ে দেশীয় ছোট মাছের প্রজনন ব্যহত হচ্ছে।
• বৈশাখ মাসে বাংলাদেশে প্রচন্ড গরমের পর ভারী বৃষ্টি শুরু হলে রুই জাতীয় মাছ হালদা নদীতে ডিম পাড়ে।
- কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে একদিকে ডিমের পরিপক্কতার সময় এগিয়ে আসছে অন্যদিকে বৃষ্টিপাতে দেরি হওয়ায় মাছের শরীরবৃত্তীয় অবস্থায় পরিবর্তনে মাছের ডিম পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে প্রভাব:
১। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমাদের দেশে মৌসুমী পুকুরগুলোতে পোনা অবমুক্তকরণ দেরিতে হয়।
- অন্যদিকে দ্রুত পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় মৎস্য চাষের সময়কাল কমে যায় এবং মাছের আকার ছোট হয়।
২। তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কম বৃষ্টিপাতের ফলে প্রজনন অনুকূল পরিবেশের অভাবে হ্যাচিরিতে মাছের কৃত্রিম প্রজনন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে পুকুরের পানির গভীরতা কমে যাওয়ায় মাছ সহজে রোগাক্রান্ত হচ্ছে এবং মাছের মৃত্যুহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩। ঘন ঘন আকস্মিক বন্যা, সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ার কারণে মৎস্য পুকুর ও ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মৎস্য চাষে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৪। পুকুরের পানির স্বাভাবিক গভীরতা ধরে রাখার জন্য চাষীকে পুকুরে পানি সরবরাহের জন্য বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৪.
কোনটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি?
  1. ক) সিলেটের পাহাড়ী বনভূমি
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) উপকূলীয় বনভূমি
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের শালবন হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
শীতকালে এ বনের বৃক্ষের পাতাঝড়ে যায়। টাঙ্গাইল ও গাজীপুর ব্যতীত ময়মনসিংহ ও শেরপুর এবং উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় শালবনের উপস্থিতি রয়েছে।
এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারি। শালবন ব্যতীত দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির কম বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলেও পত্রপতনশীল বৃক্ষের আধিক্য রয়েছে।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫২৫.
বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' কোনটি?
  1. মুহুরী প্রকল্প
  2. জি. কে. প্রকল্প
  3. তিস্তা সেচ প্রকল্প
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জি. কে. প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. কে. প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- প্রকল্পের আওতায় সেচযোগ্য এলাকা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ১০৭ হেক্টর।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৫১ সালে প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে জি-কে সেচ প্রকল্প অনুমোদন পায়।
- চালু হয় ১৯৬২-৬৩ সালে।
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তম যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার খরিপ মৌসুমে অর্থাৎ রোপা আমন মৌসুমে সেচ প্রদান করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- মুহুরী প্রকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে মুহুরী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৭ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৫২৬.
নিচের কোনটি বাঁধাকপি - এর উন্নতজাত?
  1. ক) রূপালি
  2. খ) ডায়মন্ড
  3. গ) ম্যানিলা
  4. ঘ) ক্লিউপেট্রা
  5. ঙ) রুবি বল
সঠিক উত্তর:
ঙ) রুবি বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) রুবি বল
ব্যাখ্যা
আগাম জাত লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে কে কে ক্রস এবং এক্সপ্রেস ক্রস জাত দুটি।
মধ্যম সময়ের উপযোগী জাত হল কে ওয়াই ক্রয়, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী ইত্যাদি।
আর দেরীতে লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে এটলাস ৭০, লিও ৮০, সেভয়, রুবি বল, ড্রাম হেড ইত্যাদি।
এ দেশের আবহাওয়ায় বীজ উৎপাদন করতে চইলে করতে হবে বারি বাঁধাকপি ২ (অগ্রদূত), ইপসা বাঁধাকপি ১।
সমপ্রতিক আমদানীকৃত হাইব্রিড জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সামার ওয়ারিয়র এফ ১, লরেন্স এফ ১, গ্রীন ৬২১ এফ ১, সামার ষ্টার এফ ১, গ্রীন কর্নেট এফ ১, অটাম কুইন এফ ১, সুপার ট্রপিক এফ ১, সামার বয় এফ ১, গ্রীন বল ৪০ এফ ১, সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি।
কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) -এর ওয়েবসাইট।
৫২৭.
উত্তরণ কোন ফসলের জাত?
  1. সরিষা
  2. ভুট্টা
  3. টমেটো
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
উত্তরণ হলো ভুট্টার একটি জাত।
ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- মোহর
- শুভ্রা
- বর্ণালি
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৫২৮.
অর্থকারী ফসল নয় কোনটি?
  1. ক) তামাক
  2. খ) যব
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) পাট
সঠিক উত্তর:
খ) যব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যব
ব্যাখ্যা
• খাদ্য শস্য (Food Crops):
- খাদ্যশস্য বলতে সে সব কৃষিজাত পণ্যকে বুঝায় যা মানুষের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: ধান, গম, যব, ভুট্টা, আলু ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রদান খাদ্য শস্য।

• অর্থকরী ফসল (Cash Crops):
- অর্থকরী শস্য বা ফসল বলতে সেসব শস্য বা ফসলকে বুঝায় যা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপন্ন করা হয়।
-যেমন: পাট, তুলা, তামাক, চা ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান অর্থকলা ফসল।

• তবে ব্যবহারের তারতম্য অনুযায়ী কতকগুলো শস্যকে খাদ্যশস্যে অথবা অর্থকরী ফসল উভয় শ্রেণীভুক্ত করা হয়। যেমন- চা, ইক্ষু, নারিকেল, সরিষা ইত্যাদি। তেমনি কোন একটি নির্দিষ্ট শস্য কোন একটি দেশের জন্য খাদ্যশস্য হিসাবে, আবার কোন দেশের জন্য অর্থকরী ফসল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ কোন শস্য যখন কোন দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা মেটায় তখন তাকে খাদ্য শস্য এবং কোন দ্রব্য যখন যখন মুনাফা অর্জনের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা হয় তখন তাকে অর্থকরী শস্য বলা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৯.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।

৫৩০.
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাটিতে কোন মৌসুমে লবণাক্ততা বেড়ে যায়?
  1. বর্ষা মৌসুমে
  2. শুষ্ক মৌসুমে
  3. সারা বছর
  4. উপরের কোনটিইই নয়
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক মৌসুমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক মৌসুমে
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব:
- বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ শুকনো মৌসুমে স্বাভাবিক মাত্রায় থাকেনা।
- ফলে নদীর পানির বিপুল চাপের কারণে সমুদ্রের লোনা পানি যতটুকু এলাকা জুড়ে আটকে থাকার কথা ততটুকু থাকেনা, পানির প্রবাহ কম থাকার কারণে সমুদ্রের লোনা পানি স্থলভাগের কাছাকাছি চলে আসে।
- ফলে লবণাক্ততা বেড়ে বেড়ে যায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুল এলাকায়।

⇒ লোনা পানির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সমস্যা।
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, একটা সময় পরে আমাদের দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলো সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে এবং লবণাক্ত হয়ে পড়বে।
- ফলে সেখানে স্বাভাবিক ফসল ফলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
- সাম্প্রতিক সময়ে মৃত্তিকা সম্পদ গবেষণা ইনষ্টিটিউট এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ১০ লাখ হেক্টর জমি ফসল চাষের উপযুক্ততা হারিয়েছে, ভবিষ্যতে লবণাক্ত অঞ্চলের পরিমান আরও বাড়বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩১.
বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দিবস হিসাবে পালন করা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ক) ১ কার্তিক
  2. খ) ১ ফাল্গুন
  3. গ) ১ অগ্রহায়ণ
  4. ঘ) ১ বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
গ) ১ অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দিবস ১ অগ্রহায়ণ বা ১৫ নভেম্বর।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা বরিশাল।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি জাদুঘর অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
- কৃষি কল সেন্টারের নাম্বার: ১৬১২৩।
৫৩২.
ইক্ষু উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) পাবনা
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটোর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট ইক্ষু উৎপাদনের পরিমাণ : ৩৩.৩২ লক্ষ মে. টন।

ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : নাটোর (৯.৬৮ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : রাজশাহী (৩.২১ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : জামালপুর (২.১৪ লক্ষ মেট্রিক টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৫৩৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল কালিজিরা ধানের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
অঞ্চলভিত্তিক চালের নাম - 
• দিনাজপুরের কাটারিভোগ।
• ময়মনসিংহের বিরই।
• কুমিল্লার চিনিগুড়া।
• নোয়াখালীর কালিজিরা।
• বরিশাল ও পটুয়াখালীর বালাম ধান।
• 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
• 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উল্লেখ্য - অপশনে চট্টগ্রাম বা মিরসরাই না থাকলে নোয়াখালী উত্তর করা যাবে। 

তথ্যসূত্র: krishi.gov.bd.
৫৩৪.
ফসলের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে নিচের কোনটি করা যায়?
  1. খাদ্য নিরাপত্তা
  2. পুষ্টি নিরাপত্তা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ফসলের বহুমুখীকরণ (Crop Diversification) খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের কৃষক প্রধানতঃ ধান চাষের উপর নির্ভরশীল।
- উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ার কারণে উৎপাদন খরচের তুলনায় এর বাজার মূল্য প্রায়শঃ কম থাকে, যার ফলে কৃষক পরিবারের জীবন মান উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না।
- শস্য বহুমুখীকরণের ফলে কৃষক উন্নত প্রযুক্তি পায়, যার ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বাড়াতে পারে।
- শস্য বহুমুখীকরণ করলে কৃষক উচ্চ মূল্যের বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন করতে পারে, যা একদিকে তার পুষ্টি নিশ্চিত করে অন্যদিকে ফসলের উচ্চ মূল্য পাওয়ার কারণে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
- গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, শস্য বহুমুখীকরণের ফলে একক ফসল (Mono Crop) থেকে উৎপাদন ও আয় দুই থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
- এরকম প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার ৯ বছর মেয়াদী (২০০১-২০০৯) North West Crop Diversification Project (NCDP) নামক প্রকল্পটি গ্রহণ করে যা উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের ১৬টি জেলার ৬১টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- এরই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ৭ বছর মেয়াদী (২০১০-২০১৭) ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (Second Crop Diversification Project SCDP) শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় যা ৫টি বিভাগের ২৭টি জেলার ৫২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (২য় সংশোধিত), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৫৩৫.
কোনটি তামাকের উন্নত জাত?
  1. দোয়েল
  2. ল্যাংড়া
  3. সুমাত্রা
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৫৩৬.
কোনটি রবি ফসল নয়?
  1. টমেটো
  2. মুলা
  3. মিষ্টি কুমড়া
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিষ্টি কুমড়া
ব্যাখ্যা

রবি ফসল নয় - মিষ্টি কুমড়া।

রবি মৌসুম:

- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। মূলত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- প্রধান রবি শস্য: বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।


খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

• খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- প্রধান খরিপ-১ শস্য: আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

• খরিপ-২ মৌসুম: শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল। 
- প্রধান খরিপ-২ শস্য: আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৩৭.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. প্রায়  ৪৫ লক্ষ হেক্টর 
  2. প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
  3. প্রায়  ৬০ লক্ষ হেক্টর 
  4. প্রায়  ৭৫ লক্ষ হেক্টর 
সঠিক উত্তর:
প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়  ৮০  লক্ষ হেক্টর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• এক ফসলি জমি = ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
• দুই ফসলি জমি = ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
• তিন ফসলি জমি = ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
• চার ফসলি জমি = ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

৫৩৮.
বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত কোন প্রকৃতির হয়ে থাকে?
  1. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
  2. স্বয়ংভোগী মিশ্র কৃষি
  3. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক কৃষি
  4. স্বয়ংভোগী শস্যচাষ ও পশুপালন
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কৃষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- বাংলাদেশের কৃষি মূলত ধান-ভিত্তিক নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল।
- স্বয়ংভোগী কৃষির অর্থ হলো - কৃষক নিজের পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর জন্যই প্রধানত চাষাবাদ পরিচালনা করেন।
- এই কৃষি পদ্ধতিতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে উন্নত বীজ, সার ও সেচ ব্যবহার করে বেশি ফলন করা হয়।
- দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার আর্দ্র মৌসুমি জলবায়ুর দেশগুলো—যেমন বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন ও জাপানে এ ধরনের ধান-নির্ভর কৃষি প্রচলিত। 

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্র ধানকেন্দ্রিক হওয়ায় প্রায় ৮০% আবাদি জমিতে ধান উৎপাদিত হয়;
- পাশাপাশি গম, ভুট্টা ও বিভিন্ন সবজিও গুরুত্বপূর্ণভাবে চাষ করা হয়।
- তাই বাংলাদেশের কৃষিকে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা বলা হয়।

- ধান-ভিত্তিক নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে:
• ক্ষুদ্র জমি, নিবিড় ও ধারাবাহিক চাষাবাদ, 
• ধানের প্রাধান্য, 
• কায়িক শ্রমের ব্যবহার এবং 
• প্রকৃতিনির্ভর উৎপাদন।

উৎস:
১. বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়,
২. ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৯.
চা বোর্ডের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ কত?
  1. ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি
  2. ৯৯.১২ মিলিয়ন কেজি
  3. ১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি
  4. ১০৫.৭৮ মিলিয়ন কেজি
সঠিক উত্তর:
১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

চা শিল্প:

- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।

⇒ বাংলাদেশ চা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চা উৎপাদনের অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ২০২৩ সালে মোট ১০২ দশমিক ৯২ মিলিয়ন কেজি (১ লক্ষ টনের কিছু বেশি) চা উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদিত চা থেকে এক মিলিয়ন কেজির কিছুটা বেশি পরিমাণ চা রপ্তানি করা হয়েছে। রপ্তানিকৃত চায়ের মূল্য ২৭২ মিলিয়ন টাকার চেয়ে সামান্য বেশি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালে চা'য়ের সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণ ১৪০.০ মি. কেজি এবং অভ্যন্তরীণ ভোগের পরিমাণ হবে ১২৯.৪৩ মি. কেজি। ফলে অভ্যন্তরীণ ভোগ মিটিয়েও অবশিষ্ট প্রায় ১০.৫৭ মি. কেজি চা বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। 

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [link]
৫৪০.
'ঝুমকা' কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের ফুলকপি
  2. খ) উন্নত জাতের টমেটো
  3. গ) উন্নত জাতের কলা
  4. ঘ) উন্নত জাতের বেগুন
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের টমেটো
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র:- ais.gov.bd।

৫৪১.
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ কৃষি মন্ত্রণালয় কোন পণ্যকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করে?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
• পাটজাত পণ্য:
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হলো।

- ‘রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪’ এর ৯.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা অব্যাহত রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫৪২.
'বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. পাবনা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান বিনা।
- যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩ (তেরো)টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
৫৪৩.
বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) কৃষি খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১১.৬২%
  2. ১১.৩৪%
  3. ১১.০৮%
  4. ১১.৪৬%
সঠিক উত্তর:
১১.৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬২%
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -

• কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ ও কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ ও শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
• সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

⇒ ইতঃপূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
৫৪৪.
কৃষি উপকরণ সংরক্ষণ এবং বিতরণে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষনা কেন্দ্র
  2. খ) বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) 
• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII,১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
• বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে: সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা এবং অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।    

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট। 
৫৪৫.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) আখ
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়। বাংলাদেশে অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, আখ, চা, রাবার, তামাক, তুলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে ধান, গম, আলু, তেলবীজ, ভুট্টা, ডাল, সবজি, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল)
৫৪৬.
“বলাকা ও দোয়েল” বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কিসের নাম?
  1. ক) কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. খ) উন্নত জাতের ধানের নাম
  3. গ) উফশী আম
  4. ঘ) উফশী গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) উফশী গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উফশী গম
ব্যাখ্যা
বলাকা, দোয়েল, কাঞ্চন, আকবর, সৌরভ, বরকত, সোনালিকা, আনন্দ, শতাব্দী, প্রতিভা, গৌরব, বিজয় ইত্যাদি গমের কতগুলো উন্নত জাত।
(সূত্রঃ IUBAT ওয়েবসাইট)
৫৪৭.
ফল বলতে কি বোঝায়?
  1. নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
  2. পরিপক্ক গর্ভাশয়
  3. পরিপক্ক পাঁপড়ি
  4. নিষিক্ত গর্ভাশয়
সঠিক উত্তর:
নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
ব্যাখ্যা
ফল:
- ফল বলতে নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয়কে বুঝায়।
- নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয় ছাড়াও বিশেষ প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ পার্থোনোজেনিটিকভাবে বা ডিম্বক সরাসরি ফলে পরিণত হয়। এগুলোকে অপ্রকৃত ফল বলে। প্রকৃত বা অপ্রকৃত ফল পরিণত বা পাকা অবস্থায় রান্না ছাড়াই খাওয়া হয় তাদেরকে উদ্যানতাত্ত্বিক ফল বলে।
- ফল যেহেতু রান্না করে খাওয়া হয় না তাই সমস্ত পুষ্টি উপাদান অবিকৃত অবস্থায় দেহ গ্রহণ করে।
- এছাড়া ঔষধি হিসেবে, সামাজিক কর্মকাণ্ডে ফল গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৮.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫৪৯.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. ব্রি ধান ৮৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৫০.
ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা কত?
  1. ২০-২৫° সে
  2. ২২-২৮° সে
  3. ২৩-২৮° সে
  4. ২৫-৩০° সে
সঠিক উত্তর:
২০-২৫° সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০-২৫° সে
ব্যাখ্যা
ধান চাষ: 
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়া দেশ গুলোতে উৎপন্ন হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১। আউশ ধান: মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
২। আমন ধান: জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
৩। বোরো ধান: নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

⇒ জলবায়ু:
- ব্যাপক ও বিস্তৃত জলবায়ুতে ধান চাষ করা যায়।
- ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা হলো ২০-২৫° সে.।
- বৃষ্টিপাত কম হলে সেচ দিতে হবে।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪০% এর কম ও ৯৫% এর বেশি হলে পুষ্পায়ন ব্যাহত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫১.
নিচের শস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়?
  1. ক) পাট
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বাংলাদেশে বার্ষিক গমের চাহিদা ৭০ লক্ষ টনের অধিক। কিন্তু দেশে বার্ষিক গম উৎপাদন হয় ১০-১২ লক্ষ টন। গমের চাহিদার বাকি অংশ বহির্বিশ্ব থেকে আমদানি করতে হয়।

গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ পাট, ধান ও আলু উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।

(তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৫৫২.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮০.৮২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮২.৪৯ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৯৪ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৫৫৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি শালগাছ রয়েছে?
  1. ভাওয়াল
  2. সিলেট
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল
ব্যাখ্যা
শালগাছ: 
- শাল একটি বহুবর্ষজীবী পর্ণমোচীজাতীয় উদ্ভিদ।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- শালগাছের উচ্চতা হয় ২৫ মিটার পর্যন্ত এবং পর্ণমোচীজাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় শীতকালে বেশির ভাগ গাছের পাতা ঝরে যায়, বসন্তে পাতা ও ফুলের সমারোহে ভরে ওঠে শালবন।

⇒ বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ ছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন দেখা যায়।
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ভাল জাতের শালকাঠ বাড়িঘর তৈরি, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, নৌকা ও রেলের স্লিপার তৈরি এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- শালগাছের কাণ্ড ‘শাল দামার’, ‘রাল’ বা ‘ধুম’ নামে পরিচিত এক ধরনের সুগন্ধি আঠার উৎস।
- এই আঠা নৌকার ছিদ্র বন্ধ করতে, কার্বন পেপার, টাইপ করার যন্ত্রের ফিতা, বার্নিশ এবং রং তৈরির উপাদান হিসেবে কাজে লাগে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৫৪.
নিচের কোন বনভূমিকে গজারি বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  2. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  3. সিলেটের বনভূমি
  4. উপকূলীয় বনভূমি
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য:
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- শাল গাছ কাটার পর গোড়া থেকে অসংখ্য কুশি বাহির হয় বলে স্থানীয় ভাষায় একে গজারি বনও বলা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৫.
এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. বিআর ৫
  3. ব্রি ধান ৪৬
  4. বিআর ১৬
সঠিক উত্তর:
বিআর ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিআর ৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৫৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৫৫৭.
বোরো ধান উত্তোলনের সময় কখন?
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারি
  2. এপ্রিল – মে
  3. জুলাই – আগস্ট
  4. জুন – সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

৫৫৮.
'শতাব্দী' ও 'সোনালিকা' হচ্ছে উন্নত জাতের -
  1. ক) আলু
  2. খ) টমেটো
  3. গ) মরিচ
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গম
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৫৫৯.
বলাকা ও দোয়েল পাখি ব্যতীত অন্য কিসের নাম?
  1. ক) তামাক
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) গম
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
গ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গম
ব্যাখ্যা
বলাকা ও দোয়েল হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গমের দুটি জাত।

গমের অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস
৫৬০.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) পাবনা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে ((২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। দ্বিতীয় – খুলনা (২৪,৪৩,৫২৩ মে.টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)। দ্বিতীয় – পাবনা (৫,১২,৬১৮ মে.টন)।
- পাটের মোট উৎপাদন ৭৭,২৫,০৮৩ মে.টন  যা ১৬,৮৫,৭১১ একর জমিতে চাষ হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
৫৬১.
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীহাট অবস্থিত -
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
ব্যাখ্যা
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।

• দুগ্ধজাত পণ্য:
- বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে কারখানাভিত্তিক দুগ্ধ শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ১৯৪৬ সালে।
- গবাদি পশু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া এবং উটের মতো সহজলভ্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধ থেকে উৎপাদিত খাদ্যসামগ্রী অথবা এই প্রাণিগুলির দুধ সহযোগে বানানো হয়েছে এমন খাদ্য সামগ্রীই দুগ্ধজাত পণ্য বা ডেইরি প্রোডাক্ট।
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি সমবায় ব্যবস্থাপনায় এনে সমবায় ভিত্তিক প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা  হয় এবং পুরানো নাম সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানটির নাম রাখা হয় “ইষ্টার্ন মিল্ক প্রডিউসার্স কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন লি” প্রাথমিকভাবে সমবায় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৯৬৮ সালে সমবায় মার্কেটিং সোসাইটি কর্তৃক উক্ত কারখানাটির দায়িত্বভার গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে “বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড” নামকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
 কুষ্টিয়া গ্রেড - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নাম।
- বাংলাদেশের প্রথম গবাদি পশুর ভ্রুণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
- বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
- বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র (সরকারি) অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।

উৎস:কৃষি শিক্ষা-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৬২.
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৬৩.
বাংলাদেশে কোন জাতের মাধ্যমে উফশী ধানের চাষ শুরু হয়?
  1. ইরি-২
  2. ইরি-৮
  3. ইরি-১
  4. ইরি-৩২
সঠিক উত্তর:
ইরি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরি-৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় গত শতাব্দীর ষাটের দশকে। ১৯৬৭ সালে ইরি-৮ ধানের মাধ্যমে বাংলাদেশে উফশী ধানের আবাদ শুরু হয়।
ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান।

পরবর্তীতে, ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট)
৫৬৪.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত?
  1. ক) ড্রামহেড
  2. খ) চান্দিনা
  3. গ) কার্ডিনাল
  4. ঘ) প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা, 
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক, 
- সুন্দরী, 
- কুফরী ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী, 
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব, 
- ইরাটম, 
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান, 
- নারিফা, 
- প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৫৬৫.
নিচের কোনটি উন্নতজাতের আম?
  1. গ্রীন এক্সপ্রেস
  2. সাগরভাষা
  3. অগ্রদূত
  4. ময়না
সঠিক উত্তর:
সাগরভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরভাষা
ব্যাখ্যা
সাগরভাষা আমের একটি উন্নতজাত। 
আরো কিছু ফসলের ভিন্ন জাত- 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:

গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- সাগরভাষা, মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৫৬৬.
২০১৯-২০২০ সালে কত শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে?
  1. ক) ৭৬.৮৫%
  2. খ) ২.২৪%
  3. গ) ৩.০১%
  4. ঘ) ২.৬৬%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩.০১%
ব্যাখ্যা

২০১৯-২০২০ সালে ৩.০১% শতাংশ জমিতে তৈলবীজ উৎপন্ন হয়েছে ।
- ধান উৎপন্ন হয়েছে ৭৬.৮৫% জমিতে।
- ডাল জাতীয় শস্য ২.২৪% জমিতে।
- মসলা জাতীয় ফসল উৎপন্ন ২.৬৬% জমিতে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ( আপডেট) ২০২০

৫৬৭.
কোনটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি ?
  1. পলি মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. এঁটেল মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৫ মার্চ-১৫ এপ্রিল পাটের বীজ বপনের সময়।
- সময় সঠিক সময়ের আগে বা পরে বীজ বুনলে আলোক সংবেদনশীলতার কারণে পাট গাছ সুষ্ঠুভাবে বাড়তে পারে না,
- অসময়ে ফুল দেখা দেয় এবং পাটের ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৫৬৮.
বাংলদেশের সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হওয়ার কারণ কী?
  1. পাহাড় ও অল্প বৃষ্টি
  2. বনভূমি ও প্রচুর বৃষ্টি
  3. পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
  4. নদীর তীরবর্তী পলি মাটি
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

চা চাষ:
- প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এমন পাহাড়ি বা উচ্চ ঢালু জমি চা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢালু জমির কারণে সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হয়।
- বর্ষাকালে চা গাছে নতুন কুঁড়ি ও পাতা জন্মালে খুব সুন্দর ও মসৃণ দেখায়।
- মাঝে মাঝে কিছু কিছু বড় গাছ থাকে যা চা গাছকে রোদের প্রখরতা থেকে রক্ষা করে।
- কড়া রোদ আবার চা গাছের জন্য ক্ষতিকর।

উৎস: কৃষি বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ।

৫৬৯.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. দো-আঁশ মাটি
  2. পলি মাটি
  3. এঁটেল মাটি
  4. বেলে মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৩০%
  2. ৫.৪৮%
  3. ৭.৫৩%
  4. ৯.১৯%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৫৭১.
কত তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়?
  1. ৩০ জানুয়ারি
  2. ৩১ জানুয়ারি
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১৬ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

কৃষক দিবস:
- ৩০ জানুয়ারি কৃষক দিবস পালিত হয়।

⇒ দেশে প্রথমবারের মতো ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কৃষক দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও এর সম্প্রসারণ কেন্দ্রের (বাউএক) উদ্যোগে এই দিবস পালিত হয়।
- দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল 'কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার'।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ অগ্রহায়ণ জাতীয় কৃষি দিবস পালিত হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

৫৭২.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে? [সেপ্টেম্বর - ২০২৫]
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। এই শুমারির উদ্দেশ্য ছিল কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণে সহায়তা করা।

কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।

সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও BBS ওয়েবসাইট।

৫৭৩.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'স্নো হোয়াইট' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
ফুলকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুলকপি
ব্যাখ্যা

• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নামঃ স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ লাল তীর সীড কোম্পানী
- জীবনকালঃ ৪০-৪৫ দিন দিন।

এ জাতের এর বৈশিষ্টঃ
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।

এছাড়া ও
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

৫৭৪.
জিডিপিতে কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ৩৯.০৬%
  2. খ) ৪০.৬%
  3. গ) ৪৬.০৪%
  4. ঘ) ৩৮.৩৯%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০.৬%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র:-অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২২।
৫৭৫.
বাংলামতি কী?
  1. একটি উপন্যাসের নাম
  2. একটি নদীর নাম
  3. একটি নাটকের নাম
  4. একটি ফসলের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি ফসলের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ফসলের নাম
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:

১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৫৭৬.
কোন সময়ে শীতকালীন শস্যের চাষাবাদ করা হয়?
  1. জ্যৈষ্ঠ থেকে কার্তিক
  2. আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. শ্রাবণ থেকে পৌষ
  4. চৈত্র থেকে ভাদ্র
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।

রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)

৫৭৭.
সুন্দরবনে কাঠুরিয়া ও গোলপাতা সংগ্রহকারীদের বলা হয় -
  1. ক) বাওয়ালি
  2. খ) মৌয়াল
  3. গ) কাঠুরে
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) বাওয়ালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাওয়ালি
ব্যাখ্যা
বাওয়ালি:
- সুন্দরবনে কাঠুরিয়া ও গোলপাতা সংগ্রহকারীদের বলা হয় বাওয়ালি ৷
- বন বিভাগ থেকে পাস নিয়ে সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাওয়ালিরা সুন্দরবনে অবস্থান করেন।
- তবে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর সুন্দরবনে কাঠ কাটার মৌসুম আর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি গোলপাতা কাটার মৌসুম।

• মৌয়াল সুন্দরবনের গহীনে মধু সংগ্রহ করেন এঁরা। সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জ ও শ্যামনগরেই এদের বসবাস।
- এপ্রিল থেকে জুলাই মাসে বনবিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এরা একেক যাত্রায় সাধারণত পনের দিন বনের ভেতর মধু সংগ্রহ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ডিডাব্লিউ।
৫৭৮.
'খরিপ মৌসুম' বলতে বোঝানো হয় -
  1. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  2. আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. চৈত্র থেকে আষাঢ়
  4. শ্রাবণ থেকে আষাঢ়
সঠিক উত্তর:
চৈত্র থেকে আষাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৈত্র থেকে আষাঢ়
ব্যাখ্যা
খরিপ মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
-  যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৫৭৯.
সিঙ্গাপুরী ও কবরী কিসের উন্নত জাত?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) কলা
  3. গ) আম
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
সিঙ্গাপুরী ও কবরী কলার উন্নত জাত।

• কলা:

- কলা বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল। এ ফল সারা বছর ধরে পাওয়া যায়। আবাদি জমি ও ফলের উৎপাদনের দিক থেকে এ ফলের  অবস্থান বাংলাদেশে প্রথম স্থানে রয়েছে।

• কলার উন্নত জাত:
- কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫৮০.
নিচের কোনটি বারোমাসি সবজি?
  1. ক) গাজর
  2. খ) করলা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বেগুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেগুন
ব্যাখ্যা
উৎপাদন মৌসুমের উপর ভিত্তি করে শাকসবজিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
- শীতকালীন সবজিঃ টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, গাজর ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ করলা, পটল, ধুন্দুল,পুঁইশাক ইত্যাদি।
- বারোমাসি সবজিঃ বেগুন, ঢেঁড়স, পেঁপে, কাঁচকলা ইত্যাদি।

[উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
৫৮১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী খাদ্যশস্যে আবাদকৃত জমির হার কত?
  1. ক) ৭৫.৮০%
  2. খ) ৭৭.৩১%
  3. গ) ৮১.৫০%
  4. ঘ) ৮৫.০৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৭.৩১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৭.৩১%
ব্যাখ্যা
মোট আবাদকৃত জমির শতকরা হার (২০২২):

- খাদ্যশস্যে আবাদকৃত জমির হার ৭৭.৩১%।
- আঁশজাতীয় ফসল (পাঁট, তুলা ইত্যাদি) আবাদকৃত জমির হার - ৪.৩৫%। 
- তৈলবীজ (সরিষা, সয়াবিন ইত্যাদি) আবাদকৃত জমির হার - ৩.০৯%।
- মসলা আবাদকৃত জমির হার - ২.৫৩%।
- ফলের আবাদকৃত জমির হার - ২.৪৮%।
- ডালের আবাদকৃত জমির হার - ২.৩০%।
- ভেষজ ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের আবাদকৃত জমির হার - ১.০২%।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
৫৮২.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. টিলাগড়
  2. চকোরিয়া
  3. সাভার
  4. ভালুকা
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৫৯-৬০ খ্রি. সালে ২৬১৩ একর  অনাবাদি জমির উপর খামারটি স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে খামারে মোট জমির পরিমান ৭৯২.৮৭ একর।
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, বিভিন্ন সংকরজাতের ও দেশি জাতের গরু পালনের মাধ্যমে দেশের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাথে সাথে দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট। 
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫৮৩.
রোপা আমন ধান কখন কাটা হয়?
  1. আষাঢ়-শ্রাবণে
  2. ভাদ্র-আশ্বিনে
  3. কার্তিক-অগ্রহায়ণে
  4. অগ্রহায়ণ-পৌষে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষে
ব্যাখ্যা

আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার: রোপা আমন ও বোনা আমন।

⇒ রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৫৮৪.
কোন বনাঞ্চলে শাল বৃক্ষের আধিক্য দেখা যায়?
  1. ক) রাতারগুল
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। শাল বা গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে এই বনভূমিকে শালবন বলা হয়।

শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫৮৫.
গম চাষের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা কত ডিগ্রী?
  1. ১২° থেকে ২২° সেলসিয়াস
  2. ১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
  3. ১৩° থেকে ১৮° সেলসিয়াস
  4. ১৬° থেকে ৩২° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫° থেকে ২০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• গম (Wheat):
- গম মাঝারি তাপমাত্রায় এবং কম আর্দ্র  থেকে আধা-শুষ্ক অবস্থায় ভালো জন্মে।
 - ইহার চারা গজানো, বৃদ্ধি,দানা গঠন,পরিপক্কতা এবং পুষ্টিগুণের ব্যপকতা পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে।
- গম  একটি  নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার ফসল। ইহা  নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে  গ্রীষ্মকালে এবং অব-উষ্ণঅঞ্চলে শীতকালে বা রবি মৌসুমে জন্মে।
 - ইহার  বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য  দৈনিক পরিমিত গড় তাপমাত্রা ১৫° - ২০° সেন্টিগ্রেড।
- ৩০-৩৫° সে. থেকে অধিক  তাপমাত্রা ফসলের  সাধারণ কার্যক্রমে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। ইহা  তীব্র ঠান্ডা অবস্থা সহ্য করতে পারে।  গমের বীজ অংকুরোদগমের সময় ঠান্ডা সহ্য করতে পারে, তবে  অংগজ বৃদ্ধির জন্য ১৫-২০° সেন্টিগ্রেড  তাপমাত্রা সর্বোত্তম  ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা (বামিস) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। [লিংক]
৫৮৬.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
•  অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত।
৫৮৭.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট :
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা ২০৫ টির ও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- জয়দেবপুরের কেন্দ্রীয় স্টেশন ছাড়াও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ২৪টি উপকেন্দ্র আছে।

⇒ বহুবিষয়ক কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটের ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে -
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তৈলশস্য গবেষণা কেন্দ্র,
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৮৮.
দেশের কোন জেলায় সর্বাধিক গম উৎপন্ন হয়?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট ১০.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়।
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ঠাকুরগাঁও (১.৭৫ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (৮৯.৩৬ হাজার মে. টন)
- তৃতীয় : রাজশাহী (৮১ হাজার মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
৫৮৯.
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৯০.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৬৪
  2. ব্রি ধান ৭২
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫৯১.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI):
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৫৯২.
দেশের সর্ববৃহৎ পানি শোধনাগারের নাম কী?
  1. ক) সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার
  2. খ) কর্ণফুলী পানি শোধনাগার
  3. গ) পোস্তগোলা পানি শোধনাগার
  4. ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার
ব্যাখ্যা
⇨ দেশের সর্ববৃহৎ এই পানি শোধনাগারের নাম - "পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার"
⇨ মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অবস্থিত।
⇨ পদ্মা নদীর পানিকে এ শোধনাগারে ব্যবহার করা হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি লিটার পানি শোধিত হয় এই শোধনাগার দিয়ে।
⇨ চীনা সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা এটি বাস্তবায়িত হয়।
⇨ ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালে সমাপ্ত হয়।  

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো। 
৫৯৩.
Which district is most suitable for cotton cultivation?
  1. ক) Jessore
  2. খ) Rangpur
  3. গ) Rajshahi
  4. ঘ) Faridpur
সঠিক উত্তর:
ক) Jessore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Jessore
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:

- তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী যশোর।
- যশোর,রংপুর,ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই ৪টি অঞ্চলে বর্তমানে তুলা চাষ হচ্ছে।
- যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া,চুয়াডাঙ্গা,রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ হয়।

তথ্যসূত্র - তুলা উন্নয়ন বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৯৪.
কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল (মধুপুর), গাজীপুর (ভাওয়াল), ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে।
এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর। এই বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫৯৫.
‘কাটারীভোগ’ সুগন্ধি চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জায়গা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বিশেষ জাতের ধান থেকে সুগন্ধি চাল তৈরি হয়। সুগন্ধি ধান/চাল উৎপাদনে দিনাজপুর জেলা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ জেলার ‘কাটারিভোগ’ সুগন্ধি চাল দেশি-বিদেশি অতিথি আপ্যায়নে সুনাম বজায় রেখেছে। এছাড়া ব্রিধান-৩৪, কাটারী, জিরা কাটারী (চিনি গুড়া), ফিলিপিন কাটারী, চল্লিশাজিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ এই জেলার উল্লেখযোগ্য সুগন্ধি চাল।
[সুত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd]
৫৯৬.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৬
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৬৬
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫৯৭.
সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সোনালী আঁশের দেশ:
- সোনালী আঁশের দেশ বলা হয় বাংলাদেশকে।

পাট:
- পাট এক প্রকার সোনালী আঁশ।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এজন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালী আঁশ’ বলা হয়।

⇒ পাটকে সোনালি আঁশ বলার চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. কৃষিদ্রব্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে এদেশের রপ্তানি আয়ের একটা বড় অংশ আসে বলে এদেশের মনুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।
২. বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
৩. বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সাথে যুক্ত।
৪. ভারতের পরে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য,
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫৯৮.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) মানিক
  2. খ) বর্ণালি
  3. গ) চান্দিনা
  4. ঘ) অগ্রণী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের গম:- দোয়েল, আনন্দ, আকবর, বরকত, অগ্রণী, বলাকা।
▪ উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।
▪ উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি, শুভ্র, উত্তরণ।
▪ উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫৯৯.
কর্ণফুলী কাগজকলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়-
  1. ক) বাঁশ
  2. খ) আখের ছোবড়া
  3. গ) পাটকাঠি
  4. ঘ) ধানের খড়
সঠিক উত্তর:
ক) বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাঁশ
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার অধীনে দেশে একটিমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজকল চালু রয়েছে।
এটি হলো রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
কাঁচামাল হিসেবে এতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট, দৈনিক প্রথম আলো এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।

৬০০.
ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় ?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গম ও ভুট্টার চাহিদা পূরণ, উচ্চ ফলনশীল গম ও ভুট্টার জাত উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আলাদা হয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। 

- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরে অবস্থিত।
- বর্তমানে ১১টি গবেষণা বিভাগ এবং ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ১টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র ও ১টি বীজ উৎপাদন উপ-কেন্দ্র রয়েছে। 

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সহযোগিতায় এ পর্যন্ত গমের ৩৩টি ও ভুট্টার ২৬টি (বারি হাইব্রিড ভুট্টা ১৭টি, বারি ভুট্টা ৬টি, খই ভুট্টা ১টি, বেবি ভুট্টা ১টি ও মিষ্টি ভুট্টা ১টি ) জাত এবং নুতন ইনস্টিটিউট হতে ডব্লিউএমআরআই গম ১ নামে গমের ১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।