বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৪০১৫০০ / ১,৬৮১

৪০১.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) শুকতারা
  2. খ) প্রতিভা
  3. গ) আশা
  4. ঘ) মেজর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিভা
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ। 
• ধানের উন্নত জাত:- ইরাটম , হীরা , মুক্তা, আশা , মালা , হরি , নারিকা-১।
• মরিচের উন্নত জাত:- মেজর, চন্দ্রমুখী,সনিক, যমুনা, চাতক। 
• বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪০২.
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ লাভ করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. ঘ) ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI)
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। 
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার মাধ্যমে কৃষি গবেষণাকে মূল্যায়ন ও গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- এ  স্বীকৃতি কৃষি গবেষণা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

[ উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২১]
৪০৩.
নদীর মৎস্য কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন (ময়নসিংহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরো ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
গবেষণা কেন্দ্র গুল হচ্ছেঃ
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র - চাঁদপুর।
- স্বাদু পানির মৎস্য কেন্দ্র - ময়মনসিংহ।
- লোনাপানির মৎস্য কেন্দ্র - খুলনা।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র - বাগেরহাট।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
৪০৪.
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বনজ সম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৪৩ শতাংশ
  2. খ) ১.৬৪ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫২ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৭৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৬৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৬৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিথাতের উপখাতসমূহের অবদান
বনজসম্পদ - ১.৬৪ শতাংশ
পশুসম্পদ - ১.৪৩ শতাংশ
মৎস্যখাত - ৩.৫২ শতাংশ
শস্য উৎপাদন উপখাত - ৬.৭৬ শতাংশ
সার্বিক কৃষিখাত - ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪০৫.
“মিন্টু” ও “বাহার” কোনটির উন্নত জাতের নাম? 
  1. আলু
  2. পুঁই শাক
  3. টমেটো
  4. মিষ্টি কুমড়া 
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- 'মিন্টু' ও 'বাহার' টমেটো'র উন্নত জাতের নাম।
- টমেটো'র অন্যান্য উন্নত জাতের নাম-
- মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, অপূর্ব।
- এগুলো হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত জনপ্রিয় হাইব্রিড বা উন্নত জাতের টমেটো, যা বেশি ফলনশীল এবং স্বাদে সুস্বাদু।
-------------------------
অন্যদিকে,
• আলুর উন্নত জাতের নাম- ডায়মন্ড, কুফরী, সিন্দুরী, কার্ডিনাল।
• পুঁই শাকের উন্নত জাতের নাম- সবুজ, চিত্রা।
• মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাতের নাম- হাজী ও দানেশ। 
---------------------
উল্লেখ্য,
• আরও কিছু ফসলের নাম ও জনপ্রিয় জাত:
• কলা: কানাইবাসি, মোহনবাসি, অগ্নিশ্বর, বীটজবা, চম্পা। 
• পাট: সিভিএল, তোষা। 
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্র, মোহর, সুপার সুইট কর্ন, উত্তরণ।
• গম: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, শতাব্দী, আকবর, বরকত।
• ধান: হরি, হীরা, ময়না, ইরাটম, ব্রিশাইল, চান্দিনা, মুক্তা, আশা, প্রগতি।
• আম: মহানন্দা, মোহনভোগ, গোপালভোগ, গৌড়মতি।
• তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• বেগুন: উত্তরা, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, কাজল।
• তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা।
• সরিষা: সফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া।
• পেয়ারা: কাজী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর। 
• তুলা: রুপালি, ডেলফোস। 
• মরিচ: যমুনা, চন্দ্রমুখী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৪০৬.
নিচের কোনটি টমেটোর উন্নত জাত?
  1. অপূর্ব
  2. মােহর
  3. বসরাই
  4. করবী
সঠিক উত্তর:
অপূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপূর্ব
ব্যাখ্যা
- 'অপূর্ব' টমেটোর উন্নত জাত। 

এছাড়াও, 
- টমেটোর উন্নত জাত- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর ও শ্রাবণী।

অন্যদিকে: 
- কলার জাত- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মােহনাশী, বীটজবা, সিঙ্গাপুরি , বসরাই, চম্পা, করবী
- ভুট্টার জাত- বর্ণালি, শুভ্রা, খইভুট্টা, মােহর উত্তরণ, সুপার সুইট কর্ন, সােয়ান-০২।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪০৭.
কৃষিতে 'রূপালী' ও 'ডেলফোজ' কীসের নাম?
  1. তামাক
  2. ভুট্টা
  3. তুলা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা

- 'রূপালী' ও 'ডেলফোজ' হল উন্নত জাতের তুলা।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত তুলার উন্নত জাতগুলোর মধ্যে সিবি-১০, রূপালী ও ডেলফোজ উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
→ ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড-১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব।
→ তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
→ ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
→ আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি।
→ টমেটো: বাহার, মানিক, অপূর্ব, মিন্টো।
→ গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, শতাব্দী। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৪০৮.
পাখি ব্যতীত দোয়েল কিসের নাম?
  1. ভুট্টার একটি জাত
  2. গমের একটি জাত
  3. ধানের একটি জাত
  4. সরিষার একটি জাত
সঠিক উত্তর:
গমের একটি জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গমের একটি জাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৪০৯.
নিচের কোনটি রবি শস্য-
  1. ক) মিষ্টি কুমড়া
  2. খ) ফুলকপি
  3. গ) পটল
  4. ঘ) করলা
সঠিক উত্তর:
খ) ফুলকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুলকপি
ব্যাখ্যা
ফসলের উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
সাধারণত রবি শস্য শীতকালে রোপন করে শীতকালে কিংবা গ্রীষ্মকালের শুরুর দিকে উত্তোলন করা হয়। কতিপয় রবি মৌসুমের শস্যের নাম- ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, বোরোধান, গম, আলু এবং সরিষা।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী)
৪১০.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'যমুনা' -
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের আলু
  3. উন্নত জাতের টমেটো
  4. উন্নত জাতের মরিচ
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের মরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪১১.
যমুনা কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. মরিচ
সঠিক উত্তর:
মরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধানের নাম।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ: উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪১২.
বাংলাদেশে কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত?
  1. হালদা নদী
  2. ইছামতী
  3. অড়িয়াল খাঁ
  4. সুরমা
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরপূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত- হালদা নদী। 
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।  
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।

তথ্যসূত্র: হাটহাজারী উপজেলা।

৪১৩.
'সূর্যমুখী' নিম্নের কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. হলুদ 
  2. মরিচ 
  3. টমেটো 
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
মরিচ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচ 
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
• উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট। 
• উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪১৪.
বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ‘The State of World Fisheries and Aquaculture 2020’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থান ধরে রেখে বিগত ১০ বছরের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে দ্বিতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে।
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে পঞ্চম স্থান ধরে রেখেছে।
৪১৫.
সুন্দরবনে কয়টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র আছে?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ২ টি
  4. ঘ) ৬ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এ-বনের জীববৈচিত্র্য বিশ্বের যে কোনো ম্যানগ্রোভ বনের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
- সুন্দরবন ১৮৭৮ সনে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৭৯ সনে সুন্দরবনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বভার বন বিভাগ গ্রহণ করে।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার। তন্মধ্যে স্থলভাগ ৪,১৪৩ বর্গকিলোমিটার (৭০%) এবং জলভাগ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার (৩০%)।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।

এছাড়া,
- ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষকের দপ্তর, খুলনা।
৪১৬.
দ্বীপ ছাড়া 'সুমাত্রা' কী?
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের তামাক
  3. উন্নত জাতের গম
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের তামাক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
- সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
- সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
- বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
- মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
- বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
- যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪১৭.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে কোন জেলায়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম 
  2. সিলেট 
  3. হবিগঞ্জ 
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

⇒ দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- দেশের দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জ জেলায়। হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চা  বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৪১৮.
বাংলাদেশে সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে -
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

মৎস্য সম্পদ:
- সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর হিসাব অনুযায়ী, সামুদ্রিক মৎস্য পণের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশী রপ্তানি করে চিংড়ি।
- বর্তমানে বিশ্বের ৫৬ টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের মাছ।
- সমুদ্র থেকে বানিজ্যিকভাবে আহরিত মৎস্য প্রজাতির মধ্যে চিংড়ি ছাড়া রয়েছে সার্ডন, ইলিশ, পোয়া, রূপচান্দা ও দাতিনা ইত্যাদি।

⇒ বাংলাদেশে সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে ৪টি।
- সেগুলো হচ্ছে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, মিডল গ্রাউন্ড, সাউথ প্যাচেন ও সাউথ অব সাউথ প্যাচেস।

⇒ সমুদ্র অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, উপকূলব্যাপী ৭১০ কিমি দীর্ঘ তটরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত একান্ত অর্থনৈতিক এলাকয় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের বিশাল সুযোগ রয়েছে।
- এই এলাকায় মৎস্য আহরন মোট ১৮৭ ও চিংড়ি আহরণে মোট ৩৮ টি ট্রলার অর্থাৎ সর্বমোট ২২৫ টি বাণিজ্যিক ট্রলার বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ আহরণে নিয়োজিত রয়েছে।
- এর বাইরে মোট ৫২ হাজার ৫১৪ টি যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযানে মৎস্য আহরনে নিয়োজিত প্রায় ২ দশমিক ৭০ লাখ মৎস্যজীবীর পরিবারের ন্যূনতম ১৩ দশমিক ৫০ লাশ মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪১৯.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ৬৬
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৮৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪২০.
নিচের কোনটির অভাব পূরণে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) জিংক
  3. গ) পটাশিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারের কাজ:

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৪২১.
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা

• ধান উৎপাদন:
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
- ১ম: ভারত (২৮%),
- হয়: চীন (২৭%),
- ৩য়: বাংলাদেশ (৭%),
- ৪র্থ: ইন্দনেশিয়া (৬%),
- ৫ম: ভিয়েতনাম (৫%)।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.govt.) [লিঙ্ক]

৪২২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রংপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৪২৩.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) পত্রপতনশীল
  2. খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  3. গ) স্রোতজ বনভূমি
  4. ঘ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বিস্তৃত বনভূমি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি। এছাড়া এই বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি রয়েছে।
- এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল।
- এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান। তবে এ
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৪২৪.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) মালনীছড়া
  3. গ) শ্রীমঙ্গল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
প্রথম চা বাগানঃ ১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত। এই বাগানটি প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানঃ ১৮৫৪ সালে মতান্তরে ১৮৪৭ সালে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ১৬ জুলাই ১৯৪৯ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের স্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দৈনিক পত্রিকা।
৪২৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৪২৬.
সর্বশেষ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৬৩,২৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৬৭,১৭,০০০ হেক্টর
  4. ১,৭২,৫৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪২৭.
কৃষিক্ষেত্রে ‘বীটজবা’ কিসের জাত?
  1. আম
  2. পেঁয়ারা
  3. কলা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা
- বীটজবা হলো কলার একটি জাত।
কলার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- অগ্নিশ্বর
- মোহনবাশী
- কানাইবাশী
- চাম্পা
- চিনি চাম্পা
- সবরি
- বারি কলা-১
- বারি কলা-৪ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৪২৮.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. অনুপম
  3. কাঞ্চন
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
অনুপম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপম
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৪২৯.
নিচের কোনটি সুন্দরবনের বৃক্ষ নয়?
  1. হেন্তাল
  2. সুন্দরী
  3. গামার
  4. বাইন
সঠিক উত্তর:
গামার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩০.
ফসল কাটার এক সপ্তাহ আগে সিম জাতীয় শস্য লাগানোর পদ্ধতি কী নামে পরিচিত-
  1. ক) রেলিং পদ্ধতিতে চাষ
  2. খ) রিলে চাষ
  3. গ) রিং বেসিন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) রিলে চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিলে চাষ
ব্যাখ্যা
- একটি শস্যের ফুল আসার পর কিন্তু কর্তনের প্রায় এক সপ্তাহ পূর্বে কতিপয় সুবিধা পাওয়ার জন্য শিম জাতীয় বীজ বপণ করা হয়, একে রিলে চাষ বলে।
- এভাবে এক জমিতে ২ – ৩ ধরনের ফসল এক সাথে চাষ করার পদ্ধতিকে রিলে চাষ বলে।
- সাধারণত ফল বাগানে যে ধরনের সেচ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে রিং বেসিন বলে।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা।
৪৩১.
আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯ আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম। আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
[সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয়]
৪৩২.
গঙ্গা কপোতাক্ষ প্রকল্পের উদ্দেশ্য-
  1. ক) বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) সেচ
  3. গ) নদীর ভাঙন রোধ
  4. ঘ) লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
খ) সেচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেচ
ব্যাখ্যা
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত। ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।

কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের বন্দোবস্ত করা এই প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য।
বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৪৩৩.
সোনালী ও অগ্রণী কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) সরিষা
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সরিষা
ব্যাখ্যা
- সোনালী ও অগ্রণী হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- কল্যাণীয়া
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও বিনা ওয়েবসাইট)
৪৩৪.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৩৫.
সবজি উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয়
ব্যাখ্যা

নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
দেশে সবজির উৎপাদন ১ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

৪৩৬.
‘শতাব্দী’ ও ‘প্রদীপ’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) পাট
  2. খ) কলা
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
গ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গম
ব্যাখ্যা
কয়েকটি উন্নত জাতের গম – অগ্রনী, শতাব্দী, প্রদীপ, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিবাদ, ইনিয়া ৬৬। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত’বিডব্লিউএমআরআই গম ১’ একটি আগাম এবং উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। এটি শতাব্দী এবং প্রদীপ জাতের মধ্যে বাংলাদেশে সংকরায়ন করে উদ্ভাবন করা হয়েছে। সূত্র- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৩৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪৩৮.
বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে ধানের উৎপাদন কত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. দ্বিগুন
  2. তিনগুণের বেশি
  3. দ্বিগুনের কম
  4. তিনগুন
সঠিক উত্তর:
তিনগুণের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনগুণের বেশি
ব্যাখ্যা

• উচ্চফলনশীল ধানের অবদান: 
- ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে ব্রি।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১২১টি (১১৩টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- কালিজিরা এবং কাটারিভোগ ধানের বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পন্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।​ 
- গত ৫০ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি বেড়েছে। ফলে ধান গবেষণায় ব্রি সারা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে।

এছাড়াও, 
• বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, 
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- ঢাকা থেকে উত্তরে গাজীপুরের জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, 

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। [লিঙ্ক]

৪৩৯.
বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫] 
  1. ময়মনসিংহ
  2. ফরিদপুর 
  3. বগুড়া 
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা
সয়াবিন:
- বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা লক্ষ্মীপুর।
- দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশই মিলছে লক্ষ্মীপুর থেকে।
- দেশের খ্যাতনামা ভোজ্যতেল ও পোলট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সয়াবিন সংগ্রহ করেন।
- জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সয়াবিন আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- এ অঞ্চলের উর্বর মাটি সয়াবিন চাষের জন্য উপযোগী।
- এখানকার মাটি দোআঁশজাতীয়।
- এ মাটিতে একবার লাঙল চালালেই তা সয়াবিন চাষের উপযোগী হয়।
- লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।
- কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এ বছরে জেলায় অন্তত ৮৪ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ৩২০–৩৫০ কোটি টাকা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৬ মার্চ ২০২৫, প্রথম আলো। 
৪৪০.
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে কি পরিমাণ মৎস আহরণ করা হয়?
  1. ক) ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মৎস সম্পদ-
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় - ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ চাষকৃত - ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মোট মাছের পরিমাণ - ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
এছাড়া সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন
অর্থ্যাৎ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে আহরিত মোট মাছের পরিমান = ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৪৪১.
’বলাকা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তুলা
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৪৪২.
বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
  2. খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  3. গ) ৩ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর
  4. ঘ) ২ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
ব্যাখ্যা
‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১-২০২২ অনুযায়ী - 
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ৩০৯ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫২ লক্ষ ১৬ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৬ লক্ষ ১৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি    ৫৬ হাজার একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৪৪৩.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত নয় কোনটি?
  1. কাঞ্চন
  2. আকবর
  3. সৌরভ
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪৪৪.
মৎস্য শিল্পে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইলিশ
  2. চিংড়ি
  3. কাকড়া
  4. রূপচাঁদা
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৪৪৫.
বলাকা ও দোয়েল কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) সরিষা
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৪৪৬.
'কানাইবাঁশী' কী ফলের নাম?
  1. পেঁপে
  2. জাম
  3. কলা
  4. পেয়ারা
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা

কলার উন্নত জাত:
- অগ্নিশ্বর
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- কবরি।

অন্যদিকে,
উন্নত জাতের আমঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৪৪৭.
'ধান' নিচের কোন রোগে সংক্রমিত হয়?
  1. ব্লাস্ট রোগ
  2. উফরা রোগ
  3. বাদামি দাগ রোগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধানের রোগ:
১. বাদামি দাগ রোগ:
- ধানের বাদামি দাগ রোগের কারণ বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক।

২. ব্লাস্ট রোগ (Blast):
- ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট বলছে ধানের ব্লাস্ট একটি ছত্রাক-জনিত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ।
- বোরো এবং আমন মৌসুমে সাধারণত ব্লাস্ট রোগ হয়।

৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot):
- ধানের খোল পচা রোগের কারণ স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক।

৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight):
- জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।

৫. টুংরো (Tungro):
- টুংরো রোগের কারণ রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস।

৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra):
- উফরা রোগ (ডাক পোড়া) রোগের কারণ ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৪৪৮.
সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।

বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে।
উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪৪৯.
বাংলাদেশে আমন ধান রোপনের সময় -
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
৪৫০.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত নয় কোনটি?
  1. সুন্দরী
  2. চমক
  3. কার্ডিনাল
  4. অনুপম
সঠিক উত্তর:
অনুপম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপম
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪৫১.
বাংলাদেশের প্রধান রবিশস্য-
  1. ক) ভুট্টা ও চিনাবাদাম
  2. খ) আমন ধান ও আনারস
  3. গ) পাট ও আম
  4. ঘ) বোরো ধান ও গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান ও গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান ও গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন সফলকে রবিশস্য ধরা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল।
অন্যদিকে পাট ও আম খরিপ-১ মৌসুম, আমন ধান ও আনারস খরিপ-২ মৌসুম এবং ভুট্টা ও চিনাবাদাম মৌসুম নিরপেক্ষ বা বারমাসি ফসল।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
৪৫২.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? ( মে-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাওঁ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাওঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাওঁ
ব্যাখ্যা
• গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাওঁ।
• তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
• আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - নওগাঁ।
• তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - কুষ্টিয়া।
• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
• ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
৪৫৩.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) এর কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
⇨ জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শীর্ষস্থানীয় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।
⇨ কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভাগ/ দপ্তরের প্রথম শ্রেণীর/সমমান পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে কৃষিতে মানব সম্পদ উন্নয়নে নাটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
⇨ অবস্থান:- জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে। 

ইতিহাস:- 
• ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
• ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির ওয়েবসাইট।
৪৫৪.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান৬৪
  2. ব্রি ধান৭২
  3. ব্রি ধান৭৪
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
i) ব্রি ধান৬২
ii) ব্রি ধান৬৪:
- চালের মাঝারি মোটা এবং রঙ সাদা।
- ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৪.৬ গ্রাম।
- চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৭.২%।
- চালে জিংক এর পরিমাণ ২৪ মিলিগ্রাম/কেজি।

iii) ব্রি ধান৭২:
- অধিক ফলনশীল জিংক সমৃদ্ধ আমন ধানের জাত।
- চালের আকার আকৃতি লম্বা, মোটা এবং রং সাদা।
- ১০০০ টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৭.৯ গ্রাম।
- চালে এমাইলোজের পরিমাণ ২৬.০%।

iv) ব্রি ধান৭৪
v) ব্রি ধান৮৪
- এ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চালের রং হালকা লালচে
- ১০০০ টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২২.৮ গ্রাম
- এ ধানের অ্যামাইলোজ ২৫.৯%
- এ জাতের চালে শতকরা ৯.৭ ভাগ প্রোটিন রয়েছে
- প্রতি কেজি চালে ২৭.৬ মিলিগ্রাম জিঙ্ক এবং ১০.১ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে।

vi) ব্রি ধান১০০
vii) ব্রি ধান১০২
viii) বিনাধান-২০:
- জিংক সমৃদ্ধ ধান, আকাড়া চালে ২৬.৫ পিপিএম জিংক বিদ্যমান
- ২০-৩১ পিপিএম আয়রণ বিদ্যমান
- জীবনকালঃ ১২৫-১৩০ দিন
- বাদামী গাছ ফড়িং এর প্রতি মধ্যম মাত্রায় প্রতিরোধী
- চালের রং লালচে লম্বা ও চিকন।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৪৫৫.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) রাতারগুল বন
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) শালবন
  4. ঘ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী বনভূমি
সঠিক উত্তর:
গ) শালবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শালবন
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪৫৬.
নিচের কোনটি ফসল উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম?
  1. পানি
  2. বাতাস
  3. মাটি
  4. সার
সঠিক উত্তর:
মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনের মাধ্যম:
- মাটি ফসল উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম।
- বৈশিষ্ট্য ভেদে মৃত্তিকাকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যেমন:
• বেলে দোআঁশ,
• পলি দোআঁশ,
• এঁটেল ইত্যাদি।
- আবার অঞ্চলভেদেও মাটির বৈশিষ্ট্য ভিন্নরূপ হয় এবং বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয় যেমন, পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল, বরেন্দ্র ও মধুপুর অঞ্চল, পাহাড় ও পাদভূমি অঞ্চল।
- যেহেতু এসকল শ্রেণির মাটি বৈশিষ্ট্য ভিন্ন প্রকৃতির, তাই এ সকল জমিতে কৃষি উৎপাদনের জন্য ফসল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।
- মাটি ভেদে ফসলের উৎপাদন যেহেতু ভিন্ন হয়, তাই অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য মাটির বৈশিষ্ট্য এবং সেই সাথে মাটির উপযোগী ফসল নির্বাচনের দিক সম্পর্কেও জানতে হবে।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৭.
স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. আনোয়ার হোসেন
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ড. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৫৮.
রাতারগুল কোন ধরনের বন?
  1. ম্যানগ্রোভ
  2. রেইন ফরেস্ট
  3. সোয়াম্প ফরেস্ট
  4. সামাজিক বন
সঠিক উত্তর:
সোয়াম্প ফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াম্প ফরেস্ট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল: 
- সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওড় ও বিল জুড়ে এ বন বিস্তৃত।
- রাতারগুল দেশের একটি দৃষ্টিনন্দন জলাভূমির বন (সোয়াম্প ফরেস্ট)।
- সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় এ বন অবস্থিত।
- রাতারগুলের আয়তন ২০৪.২৫ হেঃ। 
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতিসমুহ হলো- হিজল, করচ, পিটালী, বরুন ইত্যাদি।
- বছরের প্রায় অর্ধেক সময় এ বনের গাছ পানিতে আংশিক ডুবে থাকে।
- বানর, মেছোবাঘ, ভোদড়, কাঠবিড়ালী, সাপ, পাখি ইত্যাদি।
- হাওর এলাকায় বিভিন্ন রকম মাছ পাওয়া যায়। এ বনাঞ্চল মাছের আবাসস্থলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বন অধিদপ্তর। 
৪৫৯.
’অগ্রণী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ভূট্টা 
  2. কলা 
  3. গম
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের কলার জাত:
- অগ্নিশ্বর উন্নত জাতের কলা।
- এছাড়াও, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান।
উচ্চ ফলনশীল বেগুন জাত:
- চমক এফ১, বিটি বেগুন, বিজয়, পার্পল কিং, কাজলা (বারি বেগুন ৪), নয়নতারা (বারি বেগুন ৫), তারাপুরী (বারি বেগুন ২), শুকতারা, ডিম বেগুন, মুক্তকেশী।
- উচ্চ ফলনশীল টমেটো জাত:
- বাহার, রোমাভিএফ, রাজা, সুরক্ষা, হাইটম-২
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর,’অগ্রণী’, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য সার্ভিস।

৪৬০.
চা চাষের জন্যে কত সে.মি. বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১২০ সে.মি.
  2. খ) ১৫০ সে.মি.
  3. গ) ২৫০ সে.মি.
  4. ঘ) ৩৫০ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫০ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
চা চাষের জন্যে পানি নিষ্কাশন সুবিধাযুক্ত ঢালু জমি, ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত, ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং লৌহ ও জৈব পদার্থমিশ্রিত দোআঁশ মাটি সর্বাধিক উপযোগী।
উপযোগী পরিবেশের জন্যে বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী এলাকায় চায়ের বাগান গড়ে উঠেছে।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪৬১.
নিচের কোনটি কলা গাছের রোগ?
  1. ক) সিগাটোকা
  2. খ) পানামা
  3. গ) বানচিটপ ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল যা সারা বছর পাওয়া যায়। 
- কলা গাছের প্রধানতম রোগগুলো হচ্ছে
- পানামা,
- বানচিটপ ভাইরাস,
- সিগাটোকা ও
- কলার দাগ রোগ।

কলার জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- বীটজবা
- মোহনবাশী
- কানাইবাশী
- চাম্পা
- চিনি চাম্পা
- সবরি
- বারি কলা-১
- বারি কলা-৪

[উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট]
 
৪৬২.
How many tea auction centers are there in Bangladesh?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
৪৬৩.
নিচের কোথায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. ক) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  2. খ) বরেন্দ্র্রভূমি
  3. গ) খুলনা অঞ্চল
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে। এ বনাঞ্চলের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না। এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪৬৪.
বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় কোন গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত?
  1. ক) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
  2. খ) তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
  4. ঘ) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ক) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র
• মসলা গবেষণা কেন্দ্র ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত এই গবেষণা কেন্দ্রটি দেশের একমাত্র মসলা গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• বাংলাদেশে মশলার চাহিদা বছরে প্রায় বত্রিশ লাখ মেট্রিক টন।
• এই কেন্দ্রের আয়তন প্রায় ২৮ হেক্টর যার মধ্যে ১৮ হেক্টর জমিতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
• ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ৭টি উপকেন্দ্র নিয়ে ৩০ টিরও বেশি দেশি বিদেশি মসলার উপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে,
• ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
• কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
• তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 
৪৬৫.
কালিজিরা ধান কী ধরনের জাত?
  1. উচ্চ ফলনশীল
  2. স্থানীয় জাত
  3. স্থানীয় অনুমোদিত জাত
  4. উফশী
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় অনুমোদিত জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় অনুমোদিত জাত
ব্যাখ্যা
ধান:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- ব্যাপক ও বিস্তৃত জলবায়ুতে ধান চাষ করা যায়।
- ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা হলো ২০-২৫° সে.।
- বৃষ্টিপাত কম হলে সেচ দিতে হবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪০% এর কম ও ৯৫% এর বেশি হলে পুষ্পায়ন ব্যাহত হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• আউশ ধান। (মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)
• আমন ধান। (জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)
• বোরো ধান। (নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)

⇒ বাংলাদেশে তিন জাতের ধান আছে।
• স্থানীয় জাত: টেপি, গিরবি, দুধসর, লতিশাইল ইত্যাদি।
• স্থানীয় অনুমোদিত জাত: হবিগঞ্জ, কটকতারা, পাজাম, কালিজিরা, হাসিকলমি, নাইজার শাইল, লতিশাইল, বিনাশাইল ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল জাত: মুক্তা, ময়না, শাহজালাল, মঙ্গল, নিজামী ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৬.
দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ফেনি সেচ প্রকল্প
  2. তিস্তা সেচ প্রকল্প
  3. কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
  4. গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প:
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি. কে. সেচ প্রকল্প) বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প।
- এটি দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। 
- গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- ১৯৫৪ সালে সেচ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয় এবং ১৯৬৯ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।
- জি.কে প্রকল্পের আওতাভূক্ত অঞ্চল: কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা (উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত)।

অন্যদিকে -
- মুহুরী প্রকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে মুহুরী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়িত হয়।
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।
- মেঘনা ধনাগোঙ্গা সেচ প্রকল্প : চাঁদপুরের মতলবে অবস্থিত।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৪৬৭.
আমন ধান কাটা হয় কখন?
  1. ক) বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ
  2. খ) ভাদ্র-আশ্বিন
  3. গ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
  4. ঘ) ফাল্গুন-চৈত্র
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আমন ধান কাটা হয় সাধারণত অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে। আমন ধান ঘরে তোলাকে কেন্দ্র করে তখন গ্রাম বাংলায় নবান্ন উৎসব পালিত হয়।

- বোনা আমন চৈত্র-বৈশাখ মাসে বপন এবং রোপা আমন শ্রাবণ ভাদ্র মাসে রোপণ করা হয়। বাংলাদেশে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫৫.৪৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে ১.৪৪ কোটি মে. টন আমন ধান উৎপাদিত হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৪৬৮.
'গ্রীন ড্রাগন' কিসের একটি উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) মরিচ
  2. খ) টমেটো
  3. গ) তরমুজ
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
গ) তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তরমুজ
ব্যাখ্যা
তরমুজ:
- উন্নত জাত: ভিক্টর সুপার, ওশেন সুগার, বঙ্গ লিঙ্ক, গ্রীন ড্রাগন, সুগার এম্পেরর, ভিক্টরী (FI), এম এস সি বাংলালিংক।

চাষপদ্ধতি:
- সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপনের পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করে মাদায় রোপণ করাই উত্তম। এতে বীজের পরিমাণ কম লাগে এবং জমিতে ফাঁকা জায়গা থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
- সাধারণত প্রতি মাদায় ৩-৪টি বীজ বপন করা হয়। বপনের ১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাদার মাটিতে সার মেশাতে হবে।
- দুই মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে দুই মিটার অন্তর মাদা তৈরি করতে হবে।
- মাদার সাইজ হবে ২০×২০×২০ ইঞ্চি।

- বীজ গজানোর পর প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রেখে বাকি চারাগুলো তুলে ফেলতে হবে।
- বীজ বপনের চেয়ে তরমুজ চাষে চারা রোপণ করাই উত্তম। চারা তৈরি করার জন্য ৪×৫ ইঞ্চি মাপের পলিথিনের ব্যাগে ৫০:৫০ অনুপাতে বালু ও পচা গোবর সার ভর্তি করে প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বপন করতে হবে।
- ৩০-৩৫ দিন বয়সের ৫-৬ পাতা বিশিষ্ট একটি চারা মাদায় রোপণ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা।
৪৬৯.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' কিসের নাম?
  1. ক) দুইটি উন্নত জাতের গম শস্য
  2. খ) দুইটি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. গ) দুইটি উন্নত জাতের ভূট্টা শস্য
  4. ঘ) দুইটি উন্নত জাতের ইক্ষু
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি উন্নত জাতের গম শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি উন্নত জাতের গম শস্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস
৪৭০.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয়? 
  1. মানিলছড়া
  2. হালদা ভ্যালি
  3. মালনিছড়া
  4. জাফলং
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

সূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪৭১.
What is diversification of crops?
  1. Growing only one type of crop repeatedly in the same field.
  2. Cultivating multiple types of crops in the same area during a specific period.
  3. Using chemical fertilizers to increase crop yield.
  4. Replacing traditional farming methods with modern machinery.
সঠিক উত্তর:
Cultivating multiple types of crops in the same area during a specific period.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cultivating multiple types of crops in the same area during a specific period.
ব্যাখ্যা
ফসল বহুমুখীকরণ: 
- ফসল বহুমুখীকরণ হলো কৃষি প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রকার ফসল চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো, মাটির গুণগত মান উন্নত করা, এবং কৃষকের আয় ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করার একটি টেকসই পদ্ধতি।
- এতে একই সময়ে বা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসলের চাষ অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেমন ফসল পরিবর্তন (ক্রপ রোটেশন), আন্তঃফসল চাষ (ইন্টারক্রপিং) এবং উচ্চমূল্যের ফসল চাষ।

ফসল বহুমুখীকরণ এর সুবিধা: 
- আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধি: ফসল বহুমুখীকরণে কৃষকের আয় বাড়ে এবং উৎপাদনশীলতা স্থিতিশীল থাকে।
- ঝুঁকি হ্রাস: বিভিন্ন ফসল চাষে আবহাওয়া ও বাজার সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি কমে।
- জলবায়ু সহনশীলতা: এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ছোট কৃষকদের সহনশীল করে।
- মাটির গুণগত মান উন্নয়ন: মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং পোকামাকড়ের সমস্যা কমে।
- উচ্চমূল্যের ফসল চাষ: ধান চাষের বাইরে সবজি ও ফলসহ উচ্চমূল্যের ফসল চাষে কৃষকের আয় বাড়ে।
- বিশ্বজুড়ে প্রয়োগযোগ্যতা: আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশ—সবখানেই এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির টেকসই উন্নয়নে কার্যকর।

উৎস: i) IUCN ওয়েবসাইট। 
ii) United Nations Bangladesh ওয়েবসাইট। 
iii) Food and Agriculture Organization ওয়েবসাইট।
৪৭২.
'ড্রামহেড' কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
  1. ক) বেগুন
  2. খ) কলা
  3. গ) আলু
  4. ঘ) বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:-
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি

উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:-
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

- কলার  জাত- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মােহনাশী, বীটজবা, সিঙ্গাপুরি , বসরাই, চম্পা, করবী।
- উন্নত জাতের বেগুন:- উত্তরা, তারাপুরি, কাজল, নয়নতারা।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৪৭৩.
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় কতটি?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৩টি  
সঠিক উত্তর:
ক) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫টি
ব্যাখ্যা
• কৃষিশুমারিতে কৃষি অন্তভুর্ক্ত বিষয় ৩টি যথাঃ শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ।
• স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলো
- ১৯৭৭ সালে প্রথম,
- ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়,
- ১৯৯৬ সালে তৃতীয়,
- ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং
- ২০১৯ সালে পঞ্চম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৪৭৪.
শিমের গ্রীষ্মকালীন জাতের বীজ কখন বপন করা হয়?
  1. গ্রীষ্মকালে
  2. বর্ষাকালে
  3. শীতকালে
  4. সারাবছর
সঠিক উত্তর:
সারাবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারাবছর
ব্যাখ্যা
শিম চাষ:
- শিম আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি।
- শিম এবং এর বীজ উভয়ই জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি।
- এটি উচ্চ আঁশযুক্ত, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।
- এর মূলে নডিউল জাত আছে তা বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে নাইট্রোজেন মাটিতে যুক্ত করতে পারে।

⇒ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি শিম-১, বারি শিম-২, বারি শিম-৩, বারি শিম-৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত ইপসা শিম, এছাড়া কার্তিকা, বারমাসি জনপ্রিয় জাতের মধ্যে অন্যতম।
- এছাড়াও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি থেকে নিত্য নতুন জাত বাজারজাত করছে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- শিম শীতকালীন এবং খরা সহিষ্ণু সবজি।
- দোআঁশ মাটি শিমের জন্য ভালো তবে সার ও পানি ব্যবস্থাপার মাধ্যমে যেকোন মাটিতে ভালো জন্মে।
- মাটির pH ৬.৫-৮.৫ হলে ভালো।
- ফসলের অঙ্গজবৃদ্ধি ও পুষ্পায়ন জন্য তাপমাত্রা ও দিবস দৈর্ঘ্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
- এ সবজি গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এবং দীর্ঘ দিবস প্রয়োজন।
- কিন্তু প্রজননের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও কম দিবস দৈর্ঘ্য প্রয়োজন।
- শীতকালীন জাতগুলোতে কেবল শীতের প্রভাবেই পুষ্পায়ন ঘটে.
- গ্রীষ্মকালীন জাতগুলো দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় বছরের যে কোনো সময় বীজ বপন বা চারা রোপন করা হউক না কেন যথাসময়ে পুষ্পায়ন ঘটে থাকে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৫.
আলু চাষের জন্য কোন মাটি সবচেয়ে উপযোগী?
  1. বেলে মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে দো-আঁশ মাটি
  4. এটেল মাটি
সঠিক উত্তর:
বেলে দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলে দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৭৬.
'বাংলামতি' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. আম
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।

⇒ উল্লেখ্য, উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৭৭.
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ লাভ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  2. খ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবােজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ লাভ করে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে সরকার।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
৪৭৮.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫২
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. ব্রি ধান ৮৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৭৯.
প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশলকে কি বলে?
  1. অতিযোজন
  2. অভিস্রবন
  3. অভিবিয়োজন
  4. অভিযোজন
সঠিক উত্তর:
অভিযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোজন
ব্যাখ্যা
অভিযোজন:
- উদ্ভিদ বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের শরীরবৃত্তীয় ও জৈবরাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশলকে অভিযোজন বলে।
- জীবের অভিযোজন পরিবেশের তাপমাত্রা, আদ্রতা, বায়ুপ্রবাহ ও বায়ুর উপাদান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঐ স্থানের উচ্চতা এবং জীবের শারীরিক গঠন ও দৈহিক অবস্থা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।
- হঠাৎ জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন হলে উদ্ভিদ সেই পরিবেশে নিজেকে অভিযোজন করতে পারে না।
- ফসলের অভিযোজন কৌশলের জ্ঞানকে কাজে লাগি কৃষি বিজ্ঞানীরা প্রতিকূল পরিবেশে চাষযোগ্য বিভিন্ন ধরনের ফসলের জাত উদ্ভাবন করেন।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮০.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত আছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো একপ্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো জুষ চাষ করে।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৪৮১.
দেশে প্রথম সামাজিক বনায়নের কার্যক্রম শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) রংপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।

বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে।
উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪৮২.
Where is the 'Bangladesh Tea Research Institute' located? 
  1. Sylhet
  2. Moulvibazar
  3. Habiganj
  4. Chattogram
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Moulvibazar
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট: 
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর প্রধান কার্যালয়।
- ১৯৫৭ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
- ভারতের আসামের পরেই উপমহাদেশের সবচেয়ে পুরাতন চা গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউটটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। 
- বৈজ্ঞানিক গবেষনার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৪৮৩.
কোন ফসল পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. চিভ
  2. পেঁপে
  3. ক্যাপসিকাম
  4. চুইঝাল
সঠিক উত্তর:
চিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিভ
ব্যাখ্যা
চিভ:
- চিভ (Allium tuberosum) একটি বহুবর্ষজীবী মসলা ফসল।
- এর পাতা লিনিয়ার আকৃতির, ফ্ল্যাট, পাতার কিনারা মসৃণ, বাল্ব লম্বা আকৃতির।
- এর ফুলের রঙ সাদা-পার্পল বর্ণের। 
- এর উৎপত্তিস্থল সাইবেরিয়ান-মঙ্গোলিয়ান-নর্থ চাইনা অঞ্চল।

⇒ আমাদের দেশে এটি পেঁয়াজ ও রসুনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মসলা ফসল হিসেবে স্যুপ ও সালাত তৈরিসহ বিভিন্ন চাইনিজ ডিসে ব্যবহৃত হয়। এর পাতা, কন্দ ও অপরিপক্ব ফুল সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি হজমে সাহায্য করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধী গুণাগুণ বিদ্যমান। আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করার মাধ্যমে এটি কলার পানামা রোগ নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি-২, নায়াসিন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও খনিজ পদার্থ বিদ্যমান। তুলনামূলকভাবে সিলেট অঞ্চলে এর চাষাবাদ বেশি হয়ে থাকে।চিভ পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব এবং এটি সারা বছর চাষ করা যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)। 
৪৮৪.
‘নয়ন কাজল‘ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. সরিষা
  3. বেগুন
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪৮৫.
'সুখ সাগর' একটি-
  1. ক) আলুর জাত
  2. খ) কলার জাত
  3. গ) আমের জাত
  4. ঘ) পেঁয়াজের জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেঁয়াজের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেঁয়াজের জাত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাতঃ
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি। পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা- পাবনা।
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

৪৮৬.
'ধীরা ও হিরা' কি?
  1. উন্নত জাতের তুলা
  2. উন্নত জাতের চা
  3. উন্নত জাতের আলু
  4. উন্নত জাতের তরমুজ
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আলু
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের আলুর:
- হিরা,
- আইলসা,
- পেট্রোনিস,
- মুল্টা,
- ডায়ামন্ট,
- কার্ডিনাল,
- মন্ডিয়াল,
- কুফরী
- সিন্দুরী,
- চমক,
- ধীরা,
- গ্রানোলা
- ক্লিওপেট্রা ও
- চিনেলা 

[উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস]
৪৮৭.
বাংলাদেশের তৃতীয় জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ক) ইলিশ
  2. খ) ক্ষীরশাপাতি আম
  3. গ) বিজয়পুরের সাদা মাটি
  4. ঘ) কালিজিরা
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষীরশাপাতি আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষীরশাপাতি আম
ব্যাখ্যা
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো  জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- দশম পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে বাগদা চিংড়ি।
- এর ফলে অন্য কোনো দেশ বাগদা চিংড়িকে আর তাদের পণ্য বলে পরিচয় দিতে পারবে না।
- সম্প্রতি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বিশ্ববাজারে বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পণ্য হিসেবে তুলে ধরতে ২০১৯ সালের মে মাসে মৎস্য অধিদফতর জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে।
- নিয়ম অনুযায়ী জার্নালে প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে কেউ আপত্তি না করলে সেই পণ্যের জিআই সনদ পেতে আর কোনো বাধা থাকে না।
- গত ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন সনদ দেওয়া হয়।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪৮৮.
কোনটি উন্নত জাতের টমেটো?
  1. গোল্ডেন ক্রস
  2. মিন্টু
  3. সিন্দুরী
  4. শুকতারা
সঠিক উত্তর:
মিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিন্টু
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের টমেটো হল মিন্টু।
- বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- সিন্দুরী হল উন্নত জাতের আলু।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

উৎস: ais.gov.bd

৪৮৯.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান মাছ কোনটি?
  1. ক) চিংড়ি
  2. খ) রুই
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) পাঙ্গাস
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে পরিমাণে সর্বাধিক হলো ইলিশ মাছ। ২০১৮-২০১৯ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২.১৫ ভাগ। ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৪৯০.
‘বর্ষাকাল’ কৃষির কোন মৌসুমের অন্তর্গত?
  1. খরিপ-১
  2. খরিপ-২
  3. রবি মৌসুম
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
খরিপ-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরিপ-২
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

⇒ খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৪৯১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত?
  1. ১০.৩৪%
  2. ১১.২০%
  3. ১২.১৬%
  4. ১৩.৫৭%
সঠিক উত্তর:
১১.২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.২০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪,৯৬৬ মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.০৩%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.২৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) ৭৬.৪%।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
• কৃষি: ১১.২০%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
• সেবা: ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৪৯২.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন প্রকার বনাঞ্চল?
  1. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনাঞ্চল
  2. শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল
  3. মিঠাপানির জলাভূমির বনাঞ্চল
  4. চিরহরিৎ বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৯৩.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. মালা
  2. ময়না
  3. প্রগতি
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
প্রভাতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাতী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪৯৪.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৫৬
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৪৯৫.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন -
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) পাবনা
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন – ঢাকা বিভাগ - (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।

অন্যদিকে,
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন - পাবনা জেলা (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১।
৪৯৬.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- চীন ১৪ কোটি ২৮ লাখ টন ধান উৎপাদন করে।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ধান আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- ধান রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ ভারত।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৪৯৭.
‘এপিকালচার’ কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
  1. গুটিপোকা এবং রেশম
  2. মৌমাছি এবং মধু
  3. মৎস চাষ
  4. তামাক চাষ
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি এবং মধু
ব্যাখ্যা

♦ কালচার:
- কালচার মানে হল চাষ, পালন, লালন-পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি।

♦ এপিকালচার:
- এপিকালচারে মৌমাছি এবং মধু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- মৌমাছি পালন প্রাণি পালনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতিগুলোর একটি।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।
- প্রথমদিকে মধু সংগ্রহ করতে হলে মৌমাছির বাসা ধ্বংস করতে হতো।
- কিন্তু আধুনিক মৌমাছি পালকরা এক্সট্র্যাক্টর ব্যবহার করেন, যা মধুমাখা কোষগুলো থেকে মধু বের করে, কিন্তু কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

♣ মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালকদের প্রয়োজন হয়:
• নেট বা পর্দাযুক্ত হেলমেট, যা কামড় থেকে রক্ষা করে।
• কোষ কাটা যন্ত্র।
• স্মোকার, যা মৌমাছিকে শান্ত করে।

♦ উল্লেখ্য:
- সেরিকালচার: রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- পিসিকালচার: মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- প্রণকালচার: চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- হর্টিকালচার: উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা।
- এভিকালচার: পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা।
- মেরিকালচার: সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪৯৮.
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে ভুর্তকির পরিমাণ কত টাকা?
  1. ক) ৭,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ১১,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১২,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সার্বিক কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমান ছিলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৯,৯৩৩ কোটি টাকা এবং কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমের ভুর্তকি বাবদ ৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৪৯৯.
নিচের কোনটি আমের জাত?
  1. ক) লক্ষনভোগ
  2. খ) মোহর
  3. গ) দুলাভোগ
  4. ঘ) বর্ণালি
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষনভোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষনভোগ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- আম - লক্ষনভোগ, মল্লিকা, দুধ সর, হিমসাগর, চোষা, আম্রপালি।
- ভুট্টা - বর্ণালি, শুভ্রা , খই ভুট্টা, মোহর।
- ধান - দুলাভোগ, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, আশা, সুফলা।

তথ্যসূত্র -  দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                  বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫০০.
বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
  1. গোল্ডেন রাইস
  2. বিটি তুলা
  3. গোল্ডেন জুট
  4. বিটি বেগুন
সঠিক উত্তর:
বিটি বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটি বেগুন
ব্যাখ্যা

প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
- জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
- হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।

⇒ বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে। 
- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জিনগতভাবে পরিবর্তন (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
- এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়

⇒ Bt-বেগুন: 
- Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন।
- সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। 
- পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। 
- Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
৫। উৎপাদন বাড়বে।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।