উত্তর
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা- রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪ / ১৭ · ৩০১–৪০০ / ১,৬৮১
ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা- রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য-
১. এঁটেল মাটি সাধারণত লালচে রঙের হয় ।
২. এ মাটির কণা সবচেয়ে ছোট।
৩. এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) - কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার জাত -
খৈ ভুট্টা, মোহর, বর্ণালী, শুভ্রা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি।
- ব্র্যাক কর্তৃক উদ্ভাবিত জাত
উত্তরণ, বিপ্লব, শক্তি, প্যাসিফিক ইত্যাদি।
এছাড়াও রয়েছে -
সুপার সাইন, কোহিনুর, ডন, প্রফিট, শাহী ইত্যাদি ভুট্টার জাত।
তথ্যসূত্র:- কৃষি বাতায়ন।
- কার্ডিনাল বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি আলুর জাত।
আলুর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- ললিতা,
- কার্ডিনাল,
- আইলসা,
- চমক,
- ধীরা,
- গ্রানোলা,
- বিনেলা,
- আরিন্দা,
- রাজা,
- বারাকা ইত্যাদি।
অন্যদিকে:
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
- ভুট্টার উন্নত জাত: বর্ণালি ও শুভ্রা, উত্তরণ।
- টমেটো উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী।
সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
- সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- এরপরই রয়েছে যশোর এবং কুমিল্লা।
- বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদন তরুণদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বাড়ছে।
উৎস: কৃষি বর্ষপঞ্জি ২০২০ ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।
গৌড়মতি হলো বারোমাসি আম।
- আশ্বিনা ও ল্যাংড়া—এ দুই জাতের আমের মুকুলের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে নতুন জাতের উৎপত্তি হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- তাঁরা আমটির নাম দিয়েছেন 'গৌড়মতি'।
- চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শিয়ালমারা এলাকার এক আমবাগানের একটি গাছে এই জাতের আম পাওয়া গেছে।
- গাছটির আনুমানিক বয়স ১৬ বছর হবে।
উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৮০ শতাংশ ইলিশই হয় বাংলাদেশে।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২ দিন।
উৎস: ।) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
ii) প্রথম আলো।
• পাট চাষের জন্য সর্বপেক্ষা উপযোগী মাটি হলো দো-আঁশ মাটি।
• পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি এবং কাদার সুষম মিশ্রণ থাকে, যা ভালো নিষ্কাশন (drainage), পর্যাপ্ত আর্দ্রতা ধরে রাখা এবং উর্বরতা প্রদান করে। এতে পাট গাছের শিকড় ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়, পানি জমে না (waterlogging এড়ানো যায়), এবং ফলন সর্বোচ্চ হয়।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।
তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Thrust sector বলা হয় হিমায়িত খাদ্যকে ।
- খাদ্য তৈরির পর খাওয়ার আগ পর্যন্ত এবং খাদ্যের কাঁচামাল রান্না করা পর্যন্ত সময় যদি আপনি সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে হিমায়িত বা ফ্রিজিং পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
- এই পদ্ধতিতে সংরক্ষিত খাদ্যকে ফ্রোজেন ফুড বলা হয়। হিমায়িত প্রক্রিয়া খাদ্যের ভেতরগত আদ্রতাকে বরফে পরিবর্তন করার মাধ্যমে এর পচন হওয়া রোধ করে বা বিলম্বিত করে। যার ফলে অনেক প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়ার বংশ বৃদ্ধি থেমে যায়।
ফুড ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় সাধারণত: দুই ভাবে ফ্রোজেন ফুড তৈরি করা হয় -
- মেকানিকাল ফ্রিজিং
- Cryogenic freezing
- এদের মধ্যে ক্রায়োজেনিক ফ্রিজিং প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। তবে, পারিবারিক পর্যায়ে সাধারণ রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করে ফ্রিজিং প্রক্রিয়ায় খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।
গম (Wheat):
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- এছাড়া দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি তাই প্রতিবছর গম আমদানি করতে হয়।
গম চাষের নিয়ামক:
তাপমাত্রা: গম চাষের জন্য সাধারণত ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
বৃষ্টিপাত : গম চাষে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হলেও চলে। সাধারণত গম চাষের জন্য প্রয়োজন ৫০-৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত। এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানি সেচের মাধ্যমেও গম চাষ করা হয়।
মৃত্তিকা: বাংলাদেশের উর্বর দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
⇒ বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
⇒ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।
⇒ মুখ্য নির্বাহী হিসেবে মহাপরিচালক বিনা’র সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)-এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- BSRI (Bangladesh Sugarcrop Research Institute) পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নাম: স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: লাল তীর সীড কোম্পানী
- জীবনকালঃ: ৪০-৪৫ দিন দিন।
এ জাতের এর বৈশিষ্ট:
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।
এছাড়া ও
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।
তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য বাতায়ন।
- রিবন রেটিং হলো পাটের আঁশ ছাড়ানোর একটি আধুনিক পদ্ধতি, যা পাট পচানো হয়।
- যেখানে কাঁচা পাট গাছ থেকে ফিতার মতো ছাল আলাদা করে অল্প পানিতে পচানো হয়।
- রিবন রেটিং পদ্ধিতির সুবিধা হলো : অল্প পানিতে অধিক পাট পচানো যায়;
- পাট পচানের জন্য পরিমিত পানির অভাব হলে এ পদ্ধতি সহজে ব্যবহার করা যায় ও পচানোর জন্য কম পানি লাগে;
- পচানোর জন্য জায়গা ও সময় কম লাগে; পাট পচানের জন্য পরিবহন খরচ কম লাগে;
- এ পচন পদ্ধতি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশেবান্ধব; কাটিংসমুক্ত উন্নতমানের আঁশ পাওয়া যায়;
- ভালো আঁশে বেশি মূল্য পাওয়া যায় ও পাটখড়িগুলো শক্ত থাকে,
- জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন কাজের ব্যবহারে সুবিধাজনক ও টেকসই হয়।
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলেখযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
- তুলা এবং বস্ত্র উৎপাদনে বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য আছে।
- এ দেশে তুলা উৎপাদনের প্রচেষ্টা খুব সীমিত ছিল।
- স্বাধীনতার আগে স্থানীয় বস্ত্র কলের জন্য কাঁচামালের যোগান দেয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ করে করে দিলে স্থানীয়ভাবে তুলার উৎপাদনের গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল।
- এসময় আমাদের বস্ত্র শিল্পগুলো কাঁচামালের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।
- এই অবস্থায় ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয় ।
- তুলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৪-৭৫ সালে মাঠ পর্যায়ে আমেরিকান আপল্যান্ড তুলা দিয়ে পরীক্ষামূলক তুলার চাষ শুরু করে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষনার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজ তুলা উন্নয়ন বোর্ড সম্পাদন করছে।
উৎস: তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
DAE stand for Department of Agricultural Extension (কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা যথা ডিএ (ইএন্ডএম), ডিএ (জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ‘‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসূ ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’’
সূত্র: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (dae.gov.bd)
সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।
- ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
- ১৪ মে ২০১৮ শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।
শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
রেশম পোকা তুত পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে।
- রেশম পোকার চাষ হয় রাজশাহীতে।
- সুতা উৎপাদনের এই পোকা ব্যবহৃত হয়।
- রাজশাহীকে সিল্ক সিটি বলা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।
উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
• বাধাঁকফি - গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রাম হেড
• সরিষা - সফল, অগ্রণী
উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
তথ্যসূত্র - ais.gov.bd।
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।
উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।
২০২১ সালে ৬১ মেট্রিক টন মাংস রপ্তানি করা হয়েছে; ২০২০ সালে যা ছিল ৬৬.৮৩ মেট্রিক টন।
- মাংস ছাড়া ও চামড়া, হাঁসের পালক, মিষ্টি জাতীয় পণ্য ইত্যাদি রপ্তানি করা হয়ে থাকে।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
- "মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" বাগেরহাটে অবস্থিত।
• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
- হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- গরু- সাভার, ঢাকা।
- ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
- মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- কুমির- করমজল, সুন্দরবন।
উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।