বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ২০১৩০০ / ১,৬৮১

২০১.
’মহানন্দা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তুলা
  2. পেয়ারা
  3. আম
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।

এছাড়া ও,
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
২০২.
বাংলাদেশে ছাগল প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ
  2. খ) টিলাগড়, সিলেট
  3. গ) সাভার, ঢাকা
  4. ঘ) ফকিরহাট, বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
খ) টিলাগড়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টিলাগড়, সিলেট
ব্যাখ্যা
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত টিলাগড়, সিলেট।
- হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত সাভার, ঢাকা।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলার ওয়েবসাইট।
২০৩.
নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ? 
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. সুনামি 
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা

খরা (Drought):
- খরা একটি প্রধান কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Agricultural Hazard).
- খরা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাতের অভাব যা জলস্বল্পতার কারণে ঘটে।
- এটি কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর তীব্রতা, পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষির জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
- খরার কারণে মাটিতে এবং ভূ-পৃষ্ঠে জলের ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে ফসল ও পশুপালন ব্যাহত হয়।
- মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং কৃষকের আয় হ্রাস পায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় খরার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
- দীর্ঘ অনাবৃষ্টি বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে:
•  মাটি ফেটে যায়,
• ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যায়,
• এবং ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলেও খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়।
- এছাড়া, তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় মানুষের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস:
১. ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. প্রথম আলো। 

২০৪.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. মরিনী
  2. কবরী
  3. প্রতিভা
  4. সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
কবরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২০৫.
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় কোন মাসে?
  1. চৈত্র-বৈশাখ মাসে
  2. ফালগুন-চৈত্র মাসে
  3. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
  4. বৈশাখ-জৈষ্ঠ মাসে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
ব্যাখ্যা
রোপা আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার।
- রোপা আমন ও বোনা আমন।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে  বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রবণ ভাদ্র মাসে  মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

কয়েকটি জাতের নাম :
- লবণাক্ততা  সহিষ্ণু  জাত: ব্রি ধান৪০,  ব্রি ধান৪১, ব্রি ধান৫৩, ব্রি ধান৫৪, ব্রি ধান৭৩।
- বন্যা: ব্রি  ধান৫১, ব্রি ধান৫২, ব্রি ধান৭৯ ।
- খরা: ব্রি ধান৫৬,  ব্রি ধান৫৭, ব্রি ধান৬৬, ব্রি ধান৭১) ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
২০৬.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ৪৭.৫৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
- মোট ধান উৎপাদনের পরিমাণ ২০১.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ তিন জেলা:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (১০.৮৬ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : সুনামগঞ্চ (৮.৬৩ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : বগুড়া (৮.০২ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
২০৭.
কোনটি আমের জাত নয়?
  1. ক) গোপালভোগ
  2. খ) বীটজবা
  3. গ) ক্ষীরষাপাতি
  4. ঘ) গৌড়মতি
সঠিক উত্তর:
খ) বীটজবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীটজবা
ব্যাখ্যা

• কয়েকটি বিখ্যাত উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি,
- বীটজবা ইত্যাদি‌।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

২০৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২০৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৮,০০০ হেক্টর
  2. ১৯,০০০ হেক্টর
  3. ২০,০০০ হেক্টর
  4. ২১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২১০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপন্ন হয়?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে চিংড়ির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৫.৫২%
  2. ৮.৩৬%
  3. ১১.৭১%
  4. ১৪.৬৮%
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২১২.
দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) দত্তনগর
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
খ) দত্তনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দত্তনগর
ব্যাখ্যা
- দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে অবস্থিত। এটি ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্ত নামে এক ব্যক্তি স্থাপন করেন।
- ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার এটি অধিগ্রহণ করে কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে।
- বর্তমানে এটি BADC’র অধীনে বীজ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
(সূত্র: ঝিনাইদহ জেলা ওয়েবসাইট)
২১৩.
'সুমাত্রা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২১৪.
বাংলাদেশে রোপা-আমন ধান কাটা হয় -
  1. আষাঢ়-শ্রাবন মাসে
  2. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  3. অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
  4. মাঘ-ফাল্গুন মাসে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহায়ন-পৌষ মাসে
ব্যাখ্যা
আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার:
• রোপা আমন ও
• বোনা আমন।

উল্লেখ্য,
- রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
২১৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘উত্তরণ’, ‘শুভ্রা’ ও ‘মোহর’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) উন্নত জাতের তুলা
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের পাট
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
ভুট্টা বাংলাদেশের অন্যতম দানাদার জাতীয় ফসল। এদেশে চাষকৃত ভুট্টার জাতসমূহ হলো: উত্তরণ, শুভ্রা, মোহর, বর্ণালী, খৈ ভুট্টা, বারি ভুট্টা-৫, বারি ভুট্টা-৬, বারি ভুট্টা-৭, বারি মিষ্টি ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩ ইত্যাদি।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
২১৬.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. চান্দিনা
  3. কৈলাসনগর
  4. অগ্রদূত
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে:
- চমক: উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত। 
- অগ্রদূত: উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত। 
-  চান্দিনা: উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত। 

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২১৭.
নিম্নের কোন জাতটিকে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়?
  1. ব্রি-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫৭
  3. ব্রি-৩৪
  4. ব্রি-৩৩
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি ধান-৩৩ কে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

মঙ্গার ধান:

ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৬,

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১,
• ব্রি ধান-৫২,
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
২১৮.
'বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. আম
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২১৯.
নিচের কোনটি 'বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন' এর কাজ নয়?
  1. ধানের জাত উন্নয়ন
  2. সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
  3. বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
  4. কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধানের জাত উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থি
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
- বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
- সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ধানের জাত উন্নয়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র:- BADC ওয়েবসাইট।
২২০.
‘রূপকল্প - ২০২১’ - অনুসারে বাংলাদেশ কত সালে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
সরকার ঘোষিত ‘রূপকল্প - ২০২১’ অনুসারে বাংলাদেশকে ২০১৩ সালের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। জনসংখ্যা বৃদ্ধি স্বত্ত্বেও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই লক্ষ্য অর্জিত হয়।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
২২১.
২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান কততম?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
- সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ১১৬১.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আয়ের দিক থেকে রপ্তানি তালিকায় পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান ছিলো দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ১১৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
২২২.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. অগ্নিশ্বর
  2. চমক
  3. অগ্রদূত
  4. মালা
সঠিক উত্তর:
অগ্নিশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২২৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ -
  1. ৮০,৪১,০৭০ একর
  2. ৮৩,৫৮,০০০ একর
  3. ৮৫,৭৯,৩২১ একর
  4. ৮৯,২৮,৬৯২ একর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২২৪.
পেঁয়াজ আমদানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - 
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

পেঁয়াজ আমদানি:
- পেঁয়াজ আমদানিতে বিশ্বে ১ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, ২০২২ সালে বাংলাদেশ ৭ লাখ ২৭ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করে।
- ওই বছর আর কোনো দেশ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি পেঁয়াজ আমদানি করেনি।

অন্যদিকে,
• পেঁয়াজ আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল - যুক্তরাষ্ট্র।
- তাদের আমদানির পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার টন।

• পেঁয়াজ আমদানিতে তৃতীয় অবস্থানে ছিল মালয়েশিয়া।
- তাদের আমদানি সোয়া পাঁচ লাখ টন।

•  পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
 • চলতি বছরে ১১ মাসে পেঁয়াজের আমদানি ৮ লাখ ৬৪ হাজার টন ছাড়িয়ে গেছে।
- ২০২৩ সাল শেষেও আমদানির শীর্ষ তালিকায় থাকবে বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

২২৫.
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত নয় কোনটি?
  1. ড্রামহেড
  2. প্রতিভা
  3. গোল্ডেন ক্রস
  4. অগ্রদূত
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২২৬.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) প্রথম
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশ- প্রথম।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ- দ্বিতীয়।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ভারত।
- পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- বাংলাদেশ।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস।

২২৭.
কোন পণ্যকে 'প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. তুলা
  2. তামাক
  3. চা
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
• পাটজাত পণ্য:
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হলো।

- ‘রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪’ এর ৯.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা অব্যাহত রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২২৮.
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে কোন বিভাগে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে চট্রগ্রাম বিভাগে। (রেফারেন্সঃ বন বিভাগ)
২২৯.
দেশে মোট আবাদকৃত জমির কত শতাংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৭৬.১৭%
  2. ৭৮.২৫%
  3. ৮১.২৭%
  4. ৮৩.৫৬%
সঠিক উত্তর:
৭৬.১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬.১৭%
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্যের চাষ:
- মোট আবাদকৃত জমির ৭৬.১৭% অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়।

উল্লেখ্য,
- আঁশ জাতীয় ফসল: ৪.৭৫% অংশে।
- তৈলবীজ: ৩.৫১% অংশে। 
- মসলা: ২.৩৫% অংশে। 
- ডাল: ২.২৭% অংশে। 
- শীতকালীন সবজি: ১.৯৭% অংশে। 
- ভেষজ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য: ০.৯৯% অংশে। 
- চিনি জাতীয় ফসল: ০.৬২% অংশে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৩০.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI):
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- প্রধান কার্যালয়: মানিক মিয়া এভিনিউ ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২৩১.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৯,২০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৮,৯০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৯,৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দ ২৯,৯৮২ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৩২.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. চৈত্র-বৈশাখ
  2. শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
সঠিক উত্তর:
কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

ফসলের মৌসুম:
- একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম বলে।
- অর্থাৎ কোনো ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে ফসলের মৌসুম বলে।
- বাংলাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. রবি মৌসুম
খ. খরিপ মৌসুম

⇒ রবি মৌসুম:
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে।
- রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয়, তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে।
- এ মৌসুমে তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম। 
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২৩৩.
বলাকা ও দোয়েল কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বলাকা, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, কাঞ্চন প্রভৃতি হলো গমের কয়েকটি জাত। বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি হলো ভুট্টার জাত। ময়না, ইরাটম ইত্যাদি ধানের জাত। ওয়াশিংটন, রাঁচি প্রভৃতি হলো পেঁপে'র জাত।
(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২৩৪.
বাংলাদেশে জাতীয় কৃষি দিবস কখন পালিত হয়?
  1. ১লা অগ্রহায়ণ
  2. ১লা ফাল্গুন
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১লা বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
১লা অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা

•‘জাতীয় কৃষি দিবস':
- প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ ‘জাতীয় কৃষি দিবস' ও নবান্ন উৎসব’ হিসেবে পালিত হয়।
- “কৃষিই সমৃদ্ধি”—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার জাতীয় কৃষি দিবস উদযাপিত হয়।
- এরপর থেকে তা নিয়মিতভাবে পালন করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- বাংলাদেশের কৃষি মূলত ধান ও পাটের ওপর নির্ভরশীল, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ধান হলো প্রধান খাদ্যশস্য, যা উর্বর জমি ও পর্যাপ্ত পানির কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে চাষ করা হয়।
- পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল, যা রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক।
- এছাড়া আখ, তুলা, চা, তামাক, রেশম, গম, ভুট্টা, তৈলবীজ, ফুল, সবজি, মাছচাষ ও পশুপালনও কৃষির অংশ।
- কৃষি দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস এবং জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

উৎস:
১. বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়;
২. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩৫.
নিচের কোনটি আলুর একটি জাত?
  1. ক) বীটজবা
  2. খ) গ্রানোলা
  3. গ) ড্রামহেড
  4. ঘ) উত্তরণ
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রানোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রানোলা
ব্যাখ্যা
আলুর জাতসমূহ:
- গ্রানোলা
- কার্ডিনাল
- ডায়মন্ড
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- বিনেলা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- বীটজবা : কলার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍ড্রামহেড : বাধাকপির জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
২৩৬.
আইলসা ও ইরাটম কোন ফসলের জাত?
  1. বাঁধাকপি ও ধানের জাত
  2. ধান ও পেঁয়াজের জাত
  3. বাঁধাকপি ও পেঁয়াজের জাত
  4. আলু ও ধানের জাত
সঠিক উত্তর:
আলু ও ধানের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু ও ধানের জাত
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২৩৭.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) ইক্ষু
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ফুল
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ ফসলকে প্রধান দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা :
১. খাদ্যশস্য (ধান, গম, ডাল, তেলবীজ, আলু, ভুট্টা, সবজি ও ফলমূল)।
২. অর্থকরী ফসল (পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, তামাক ও ফুল)।

তন্মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান এবং প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। 

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৩৮.
কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ইক্ষু
  2. তেলবীজ
  3. ফুল
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
তেলবীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলবীজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধাণ দেশ।
- এই দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৪৩.৮৯% কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- জিডিপি তে কৃষিখাতের অবদান - ১১.০২%।

- বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. খাদ্যশস্য  - চাল, ডাল, গম, তেলবীজ, সবজি, ফলমূল প্রভৃতি।
২. অর্থকরী ফসল - পাট, চা, ইক্ষু, তামাক, ফুল প্রভৃতি।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি),
২. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৩৯.
কোন করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) ভূমি উন্নয়ন কর
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) মূসক
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি উন্নয়ন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমি উন্নয়ন কর
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- ভূমি উন্নয়ন কর
- আয়কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
২৪০.
চিংড়ি চাষ অভিকর আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

চিংড়ি চাষ অভিকর আইন:
- চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৫৩ নং আইন) ১০ নভেম্বর, ১৯৯২ সালে প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে 'চিংড়ি চাষ অভিকর বিধিমালা, ১৯৯৩' প্রণয়ন করা হয়।

• এটি  চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপকল্পে প্রণীত আইন৷
- ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ক্ষেত্রে অভিকর আরোপ করার প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সামুদ্রিক লোনা পানি থেকে রক্ষা ইত্যাদি প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় বাঁধ নির্মাণ করে থাকে।
- এ সকল বাঁধ নির্মাণের ফলে বাঁধ সংশ্লিষ্ট স্থানের জমিতে বিশেষ সুবিধার সৃষ্টি হয়, তাই সরকার এ জমিতে কর আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যাতে সংগৃহীত কর থেকে সুবিধাবঞ্চিত এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

⇒ এ আইনের ৪ নং ধারানুসারে সরকার কর্তৃক চিংড়ি চাষ এলাকায় নির্মিত বাঁধ বা খননকৃত খাল বা স্থাপিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবয়বের ফলে কোনো জমি উপকৃত হলে বা উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সরকার উক্ত এলাকায় প্রজ্ঞাপনের নির্ধারিত হারে অভিকর আরোপ ঘোষণা করতে পারে।
- অর্থাৎ, সরকারি পানি ব্যবস্থাপনায় কারো অসুবিধা হলে যেমন ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় অধিকার রয়েছে, তেমনি সরকারি বাঁধ নির্মাণের ফলে কারো বিশেষ সুবিধা অর্জিত হলে সে সুবিধার বিপরীতে সরকার কর আরোপ করার অধিকার রাখে।

উৎস: চিংড়ি চাষ অভিকর আইন ১৯৯২।

২৪১.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-
  1. সিলেটের মালনীছড়ায়
  2. সিলেটের তামাবিলে
  3. পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
  4. সিলেটের জাফলং-এ
সঠিক উত্তর:
সিলেটের মালনীছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটের মালনীছড়ায়
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

২৪২.
বোরো ধানের ক্ষেত্রে কত দিনের চারা রোপন করতে হয়?
  1. ১৫-২০ দিন
  2. ২০-২৫ দিন
  3. ৪০-৪৫ দিন
  4. ৪৫-৫০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪০-৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০-৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়া দেশ গুলোতে উৎপন্ন হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১। আউশ ধান: মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
২। আমন ধান: জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
৩। বোরো ধান: নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

⇒ বীজ শোধন ও জাগ দেওয়া:
- বাছাইকৃত বীজ দাগমুক্ত ও পরিপুষ্ট হলে সাধারণভাবে শোধন না করলেও চলে।
- তবে শোধনের জন্য ৫২-৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে ১৫ মিনিট বীজ ডুবিয়ে রাখলে জীবানুমুক্ত হয়।
- বীজ শোধনের জন্য ২-৩ গ্রাম ছত্রাকনাশক ১ লিটার পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে এক কেজি পরিমান বীজ ডুবিয়ে ১২ ঘন্টা রেখে দিতে হয়।
- এরপর বীজ পরিস্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হয়।
- আউশ ও আমন মৌসুমের জন্য ৪৮ ঘন্টা বা দুই দিন ও বোরো মৌসুমে ৭২ ঘন্টা বা তিন দিনের বীজের অংকুর বের হয় এবং তা বীজতলায় বপনের উপযুক্ত হয়।

⇒ চারা রোপন:
- রোপা আউশ ও আমনের চারা ২০-২৫ দিন বয়সে লাগাতে হয়।
- কিন্তু বোরোর ক্ষেত্রে একটু বেশি বয়সের ৪০-৪৫ দিনের চারা রোপন করতে হয়।
- সারি থেকে সারির দূরত্ব ২০-২৫ সে.মি ও গুছি থেকে গুছির দূরত্ব ১৫-২০ সে.মি।
- চারা মাটির ২-৩ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হয়।
- এর চেয়ে বেশি গভীরতা হলে গাছে কুশি উৎপাদন কমে যায়।
- সারি করে চারা লাগালে নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করা সহজ হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৩.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়?
  1. কাকড়া
  2. গজারি
  3. গেওয়া
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে। বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এ বনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।
- গজারী বা শাল হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষ।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
২৪৪.
দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) মধুপুর বনাঞ্চল
  3. গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
  4. ঘ) গাজীপুর বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
চিরহরিৎ বন সাধারণত সিলেট, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী এলাকায় দেখা যায়। (রেফারেন্সঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির ভূগোল বোর্ড বই।)
২৪৫.
দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BJRI
  3. BRRI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- BARI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Research Institute.
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI- Bangladesh Jute Research Institute) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI-Bangladesh Rice Research Institute)।
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র (BSRI-Bangladesh Sugarcrop Research Institute)।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৬.
‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩’ অনুসারে কয়টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭
ব্যাখ্যা

২০১০ সালে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার আইন-২০১০'' প্রবর্তন করা হয়েছে। উক্ত আইনবলে ''পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩'' প্রবর্তন করা হয় যাতে ১৭টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
বিভিন্ন জাতীয় পত্র পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, আরো ২টি পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই, পত্রিকার মতে, মোট ১৯টি পণ্যে বাধ্যতামূলক পাটজাত মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।
যেহেতু প্রশ্নটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ থেকে করা হয়েছে এবং অপশন গুলোতে “১৯” নেই, তাই, উত্তর পরিবর্তন করা হলো না। তবে অপশনে “১৯” থাকলে নিজের বিবেচনা থেকে উত্তর করতে পারেন।

২৪৭.
সেরিকালচার কী?
  1. রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
  2. মাছ চাষ বিদ্যা
  3. পাখি পালন বিদ্যা
  4. চিংড়ি চাষ বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম পোকার চাষ বিদ্যা
ব্যাখ্যা

• সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- মৎস্য চাষ বিদ্যা - পিসিকালচার.।
- পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৪৮.
নদী ছাড়া ‘পদ্মা’ কী?
  1. ক) ধানের জাত
  2. খ) গমের জাত
  3. গ) তুলার জাত
  4. ঘ) তরমুজের জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরমুজের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরমুজের জাত
ব্যাখ্যা

- পদ্মা ও মধুবালা (হলদে জাতের তরমুজ) উন্নত জাতের তরমুজ।
আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল তরমুজের জাত হলো -
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২৪৯.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. গৌরব
  2. কাবুলী
  3. চমক
  4. ময়না
সঠিক উত্তর:
গৌরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌরব
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

২৫০.
দুর্যোগ চলাকালীন জরুরি সাহায্য ও উদ্ধার কার্যক্রম কোন ধাপের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. সাড়াদান 
  2. প্রস্তুতি 
  3. পুনরুদ্ধার
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান 
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ হলো এমন একটি আকস্মিক এবং গুরুতর ঘটনা, যা প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট কারণে ঘটে এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের   ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র হলো একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
- এর ছয়টি ধাপ রয়েছে: প্রতিরোধ, প্রশমন, প্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, এবং উন্নয়ন।
- এই চক্রে ঝুঁকি হ্রাস থেকে শুরু করে দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্গঠন পর্যন্ত সব কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।
- সাড়াদান ধাপে দুর্যোগ চলাকালীন খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, 
• প্রতিরোধ (Prevention): দুর্যোগ ঘটতেই না পারে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ, যেমন: বন্যাপ্রতিরোধী বাঁধ নির্মাণ।
• প্রশমন (Mitigation): দুর্যোগের প্রভাব কমানোর দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ, যেমন: ভূমিকম্প-সহনশীল ভবন তৈরি।
• প্রস্তুতি (Preparedness): দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া, যেমন: মহড়া, ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখা, পরিকল্পনা তৈরি।
• সাড়াদান (Response): দুর্যোগ চলাকালীন বা সঙ্গে সঙ্গে জরুরি সাহায্য প্রদান, যেমন: উদ্ধার, খাদ্য, আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা।
• পুনরুদ্ধার (Recovery): দুর্যোগের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা, যেমন: অবকাঠামো ও অর্থনীতি পুনর্গঠন।
• উন্নয়ন (Development): ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকি হ্রাস ও শক্তিশালী ব্যবস্থা তৈরি, যা পরবর্তী চক্রের প্রস্তুতি ও প্রশমনে সাহায্য করে।
- এই ধাপগুলো চক্রাকারে চলতে থাকে, যার মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন, সম্পদ রক্ষা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫১.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন- 
  1. শালবন 
  2. রেমা-কালেঙ্গা 
  3. টেংরাগিরি বন 
  4. রাতারগুল 
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
ব্যাখ্যা

- টেংরাগিরি বনাঞ্চল হচ্ছে সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় ম্যানগ্রোভ বন।
- টেংরাগিরিও পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর—দেশের তিনটি বৃহত্তম নদ-নদী সাগরে মিলিত হয়েছে।
- এলাকাটি ইলিশের প্রজনন ও বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।
- একই সঙ্গে সাগর থেকে দেশের নদ-নদীতে ৫০ শতাংশের বেশি ইলিশ এই মোহনা দিয়ে আসা-যাওয়া করে।
- পরিবেশ–প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও ইলিশ মাছের প্রজননের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ওই স্থান।

উল্লেখ্য,
- রেমা-কালেঙ্গা  একটি শুকনো ও চিরহরিৎ বন এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি বনাঞ্চল। সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় এর অবস্থান। 
- রাতারগুল বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

২৫২.
'বারি গম-৩৩' এর বীজ রোপন করা হয়-
  1. মার্চের মাঝামাঝি
  2. সেপ্টম্বরের মাঝামাঝি
  3. নভেম্বরের মাঝামাঝি
  4. জুলাইয়ের মাঝামাঝি
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের মাঝামাঝি
ব্যাখ্যা

• গম চাষ:
- চট্টগ্রামে মূলত তিন জাতের গম চাষ হচ্ছে-বারি-৩৩, বিডব্লিউএমআরআই-১ ও বিডব্লিউএমআরআই-২।
- বারি-৩৩ উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, আর বাকি দুটি জাত এসেছে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে।
- নভেম্বরের মাঝামাঝি বীজ রোপণ করা হয়।
- তিনটিই উচ্চ ফলনশীল জাত, প্রতি হেক্টরে ৪-৫ টন পর্যন্ত ফলন হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫৩.
বাংলাদেশে বোরো ধান উত্তোলনের সময় -
  1. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  2. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  3. এপ্রিল – মে
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময় - মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় - মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
- আমন ধান রোপনের সময় - জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময় - ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান রোপনের সময় - মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় - এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
২৫৪.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান-১০৭
  2. ব্রি ধান-৮৩
  3. ব্রি ধান-১০২
  4. ব্রি ধান-৮৮
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-১০২
ব্যাখ্যা

• ব্রি ধান১০২ জিংক সমৃদ্ধ বোরো মৌসুমের একটি জাত। 
- জাতটির কৌলিক সারি IR99285-1-1-1-P2।
- উক্ত কৌলিক সারিটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি), ফিলিপাইনে Multiple cross করে ।
- বিগত ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উক্ত কৌলিক সারিটি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে এনে নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করে।
- অতঃপর ২০২০ সালে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি কর্তৃক স্থাপিত প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষা (পিভিটি) সন্তোষজনক হওয়ায় কৌলিক সারিটি ছাড়করণের জন্য জাতীয় বীজ বোডের মাঠ মূল্যায়ন দল সুপারিশ করে।
- অতঃপর ১৮ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোডের ১০৬ তম সভায় এ জাতটি জিংক সমৃদ্ধ বোরো মওসুমের উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান-১০২ হিসাবে দেশজুড়ে চাষাবাদের জন্য।

জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান৬২
- ব্রি ধান৬৪
- ব্রি ধান৭২
- ব্রি ধান৭৪
- ব্রি ধান৮৪
- ব্রি ধান১০০
- ব্রি ধান ১০২

• এ জাতের বৈশিষ্ট্য :
- আধুনিক উফশী ধানের সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
- অঙ্গজ অবস্থায় গাছের আকার ও আকৃতি প্রায় ব্রি ধান২৯ এর মতো।
- ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা এবং পাতার রং সবুজ।
- পূর্ণ বয়স্ক গাছের উচ্চতা ১০৩ সেমি।
- ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন ২২.৭ গ্রাম।
- ধানের দানার রং খড়ের মতো।
- চাল লম্বা চিকন ও সাদা।
- জিংকের পরিমাণ ২৫.৫ মি.গ্রাম/কেজি।
- চালে অ্যামাইলোজ ২৮.০% এবং প্রোটিনের পরিমাণ ৭.৫%।

অন্যদিকে,
• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪,  বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫৫.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. গণ্ডার
  3. পিপীলিকাতুক ম্যানিস
  4. স্নো লোরিস
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা
• রাজ কাঁকড়া:
- বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া।
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- এরা Xiphosura (গ্রীক, xiphos, তলোয়ার এবং uros, লেজ) বর্গের অর্ন্তভুক্ত।
- পৃথিবীব্যাপী ৩টি গনের অধীনে এদের ৪টি জীবিত প্রজাতি রয়েছে।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৫৬.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে-
  1. দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
  2. দু'টি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. দু'টি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  4. দু'টি উন্নত জাতের ইক্ষু
সঠিক উত্তর:
দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
ব্যাখ্যা
• পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে- দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
২৫৭.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন:
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

 ⇒ কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- চিনি উৎপাদনের পরিমাণ এবং আহরণের হার বৃদ্ধি;
- উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারপূর্বক উচ্চ ফলনশীল আখচাষ ও চিনিকলে সরবরাহ;
- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি  ও কারখানার আধুনিকায়ন;
- উৎপাদিত পণ্য বিপণন, বাজার সম্প্রসারণ ও ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা সুসংহতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট।

২৫৮.
দেশে সর্বপ্রথম উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৭ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৬৫/৬৬ সাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু হয়।
- এর আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর জেলায় প্রায় ১.৯৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে।
- এছাড়া আরো ৩ লক্ষ হেক্টর উপকূলীয় ভূমিতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র:বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
২৫৯.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২৬০.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা
  2. খ) দিনাজপুর জেলা
  3. গ) রংপুর জেলা
  4. ঘ) রাজশাহী জেলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
২৬১.
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবা নয় কোনটি?
  1. ক) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  2. খ) কৃষকের জানালা
  3. গ) কৃষি বাতায়ন
  4. ঘ) বন্ধুফোন
  5. ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
সঠিক উত্তর:
ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
ব্যাখ্যা
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবাঃ কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন, বন্ধুফোন, Online Fertilizer Recommendation Software, Bangladesh Rice Knowledge Bank। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
২৬২.
নিচের কোনটি চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. BJRI
  2. BRRI
  3. BARI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BSRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSRI
ব্যাখ্যা
BSRI:
- বাংলাদেশে চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান BSRI.
- BSRI হলো Bangladesh Sugarcrop Research Institute বা বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশের সুগারক্রপ (চিনি উৎপাদনকারী ফসল) যেমন আখ, খেজুর, পাটালি ইত্যাদি ফসলের গবেষণা, উন্নয়ন, এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।
- ১৯৫১ সালে (প্রথমে Sugarcane Research Station বা ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র নামে) প্রতিষ্ঠিত।
- মূল কার্যালয়: ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ।

এছাড়া,
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- BJRI হলো Bangladesh Jute Research Institute বা বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎস: বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
২৬৩.
'ডায়মন্ড' কোন উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. আম
  3. বাঁধাকপি
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২৬৪.
‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
  1. গম
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
 ফসলের জাতসমূহ:
- আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।
- টমেটো উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী।
- তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
- গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
২৬৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৭৪%
  4. ১২.৪৯%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৬৬.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. করমজল, সুন্দরবন
  2. নাইক্ষংছড়ি, বান্দরবান
  3. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  4. চকোরিয়া, কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
করমজল, সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করমজল, সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
- বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উল্লেখ্য,
- বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির নোনা পানির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে ২০০২ সালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজলে দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজননকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬৭.
দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  4. ঘ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• প্রথম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র - বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বর্তমানে ২টি ইউ্নিটের মাধ্যমে ৪৫০মে: ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি  দিনাজপুর জেলা শহর হইতে প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ পূর্বে, পার্বতীপুর উপজেলা হইতে ১৬ কিঃ মিঃ দক্ষিণে এবং ফুলবাড়ী উপজেলা হইতে ৭ কিঃ মিঃ উত্তরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলার ওয়েবসাইট।
২৬৮.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
২৬৯.
‘হীরা ও রূপালী-১‘ কিসের উচ্চফলনশীল জাত?
  1. মরিচ
  2. তুলা
  3. বেল
  4. নারিকেল
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
• তুলার চাষ:
-  বাংলাদেশে দুই ধরনের তুলা চাষ করা হয়।
- সমতল এলাকার ৭টি জোনে সমভূমির তুলা বা আপল্যান্ড কটন এবং
- পার্বত্য এলাকার ২টি জোনে পাহাড়ি তুলার চাষ করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
 
• তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২৭০.
বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান ২০২২ অনুযায়ী, মোট ফসলি জমির পরিমাণ -
  1. ১৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
  2. ১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
  3. ১২০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
  4. ১০০.২৯ লক্ষ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে মোট মোট ফসলি জমি  - ১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর।
- আবাদি জমির পরিমাণ - ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- এক ফসলি আবাদি জমি - ২১.১০ লক্ষ হেক্টর ।
- দুই ফসলি জমি - ৪১.২৫ লক্ষ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি - ১৮.৬৬ লক্ষ হেক্টর।
- চর ফসলি জমি - ০.১৭ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।[লিঙ্ক]
২৭১.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. পঞ্চগড় 
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড় 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো।

২৭২.
নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত? 
  1. ব্রি ধান৮৪
  2. ব্রি ধান৬৪
  3. ব্রি ধান৬২
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান৬২;
- ব্রি ধান৬৪;
- ব্রি ধান৭২;
- ব্রি ধান৭৪;
- ব্রি ধান৮৪;
- ব্রি ধান১০০;
- ব্রি ধান১০২.

- ব্রি ধান৬২ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক Jirakateri এবং BRRI dhan39 জাতের মধ্যে সঙ্করাণের পর দুইবার র‍্যাপিড জেনারেশন অ্যাডভান্স (RGA) করে বংশানুক্রম সিলেকশান (Pedigree Selection) এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত।
- জাতটি ২০১৩ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক রোপা আমন মৌসুমে জন্য অনুমোদন লাভ করে।

- ব্রি ধান৬৪ এর চালে উচ্চ মাত্রায় অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যোপাদান জিঙ্ক রয়েছে।
- মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তাসহ নানাবিধ শারীরবৃত্তীক প্রক্রিয়ার জন্য জিঙ্ক অতি প্রয়োজনীয়।
- ব্রি ধান৬৪ তে জিঙ্কের পরিমান প্রচলিত জাতের চেয়ে কমপক্ষে ৮ মিলিগ্রাম বেশি। 

- ব্রি ধান৮৪  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরে  উদ্ভাবন করা হয়েছে।
-  বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ২০১৭ সালে জাতটি ছাড়করণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সিটিউট।

২৭৩.
নিচের কোনটি শৈত্য সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫৪
  2. ব্রি ধান ৫৬
  3. ব্রি ধান ৩৬
  4. ব্রি ধান ৫৫
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৩৬
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল।
- শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে।
- শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস - ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে।

⇒ আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন-গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়।
- তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।

⇒ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে।
- বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী।
- ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।

অন্যদিকে,
- ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৫ খরা সহিষ্ণু ফসলের জাত।
- ব্রি ধান ৫৪ লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৭৪.
আউশ ধান রোপনের উপযুক্ত সময় কোনটি?
  1. মধ্য জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. জুনের শেষ – জুলাই শুরু
  4. নভেম্বর – ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
- আউশ ধান = মধ্য মার্চ মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান =  জুনের শেষ সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
- আউশ ধান = মধ্য জুলাই আগস্টের শুরু।
- আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

২৭৫.
ফরিদপুর জেলায় কোন ফসলটির উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. ক) আনারস
  2. খ) তুলা
  3. গ) পাট
  4. ঘ) লিচু
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাট
ব্যাখ্যা
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট  উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় - খুলনা বিভাগে (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঝিনাইদহ জেলা (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১
২৭৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. সাতক্ষীরা
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২৭৭.
কোনটি জলাভূমির বন?
  1. ক) শালবন
  2. খ) চুনাতি
  3. গ) রাতারগুল
  4. ঘ) লাউয়াছড়া
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাতারগুল
ব্যাখ্যা
সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত রাতারগুল হলো একটি জলমগ্ন বনভূমি। এটি বছরের প্রায় প্রায় অর্ধেক সময় জলমগ্ন থাকে। এটির আয়তন ২০৪.২৫ হেক্টর। হিজল, করচ, বরুন ইত্যাদি এ বনের প্রধান উদ্ভিদ।
(সূত্র: বন অধিদপ্তর)
২৭৮.
ভুট্টার উন্নত জাত কোনটি?
  1. আনন্দ
  2. বর্ণালি
  3. সুমাত্রা
  4. সিন্দুরী
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি মন্ত্রনালয়।

২৭৯.
'বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. দিনাজপুর 
  3. পাবনা 
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।
- এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
-  একজন মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে প্রধান কার্যালয় থেকে দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, যশোর, জামালপুর, জয়দেবপুর, হাটহাজারী, ইত্যাদি কেন্দ্র/উপকেন্দ্রে গম ও ভুট্টার গবেষণা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২৮০.
মানিক ও রতন কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) সরিষা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
গ) টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টমেটো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত টমেটোর জাতসমূহ:
- মানিক
- রতন
- মিন্টু
- বাহার
- চৈতী
- টিপু সুলতান
- বারি টমেটো ইত্যাদি।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
২৮১.
জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত নিচের কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
• আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
২৮২.
নিচের কোন গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত?
  1. ক) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র
  2. খ) উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
  4. ঘ) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২৮৩.
ব্লাস্ট রোগ কোন ফসলে দেখা দেয়?
  1. পাট
  2. ধান
  3. আখ
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ব্লাস্ট একটি ছত্রাক গঠিত রোগ যা ধান গাছের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয়।
ধান গাছের পাতা, কান্ড ও শিষের গোঁড়ায় ব্লাস্ট রোগ দেখা দিতে পারে।
অধিক মাত্রায় নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার ও বাতাসে অধিক আর্দ্রতা এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি করে। ধান ব্যতীত গমের মধ্যেও ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
২৮৪.
'মৎস্য আইন ১৯৫০'-এর অধীনে নিচের কোন আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল ধরা, বিক্রি বা মজুত করা নিষিদ্ধ?
  1. ২২ সে.মি.-এর কম
  2. ২৩ সে.মি.-এর কম
  3. ২৪ সে.মি.-এর কম
  4. ২৫ সে.মি.-এর কম
সঠিক উত্তর:
২৩ সে.মি.-এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সে.মি.-এর কম
ব্যাখ্যা

মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।

২৮৫.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত? 
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে “ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি" নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২৮৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৮৭.
বাংলাদেশে কয় ধরনের ভূমি রয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৭
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ১৬
  5. ঙ) ২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬ ধরনের ভূমি রয়েছে। পূর্বে ছিল ১১২৪ ধরনের। ২৭ ফেব্রুয়ারী ভূমি মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা ১৬ শ্রেণীতে নিয়ে আসে। এগুলো হলোঃ বন, পাহাড়, নদী, রাস্তা, আবাদি, আবাসিক, টার্মিনাল, বন্দর, জলাভূমি, অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিল্প, বাণিজ্যিক, বিনোদন কেন্দ্র, স্মৃতিস্তভ ও ধর্মীয় স্থান। (সূত্রঃ ভূমি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট)
২৮৮.
'সিন্দুরী' বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?
  1. বেগুন
  2. আম
  3. আলু
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।
• হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা: উন্নত জাতের আলু।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২৮৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
২৯০.
মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ শতকরা কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ১০.৫৫%
  2. ৯.৬২%
  3. ১১.২৫%
  4. ৮.৯৫%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২৯১.
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর তথ্য অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO):
- রিপোর্ট প্রকাশকাল - ১৫ জুন ২০২৩ইং  
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)এর তথ্য অনুযায়ী, 
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ দেশ - চীন।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। 
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়।

এছাড়াও - 
- ধান আমদানিতে শীর্ষ দেশ - চীন।
- ধান রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - ভারত।

- গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ - চীন।
- গম আমদানিতে শীর্ষ দেশ - মিশর।
- গম রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - রাশিয়া।

- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (৩৬২.৪ মি. টন)।
- ভুট্টা আমদানিতে শীর্ষ দেশ - চীন (২৩.৩ মি. টন)।
- রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (৫৮.৯ মি. টন)।

তথ্যসূত্র: খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) ওয়েবসাইট।
২৯২.
কোন মাসে আউশ ধান কাটা হয়?
  1. বৈশাখ
  2. অগ্রহায়ণ
  3. ভাদ্র
  4. জ্যেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ভাদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাদ্র
ব্যাখ্যা

আউশ ধান:
- বাংলাদেশে তিন মৌসুমে ধানের চাষ করা হয়- আউশ, আমন ও বোরো মৌসুম।
- আউশ ধান দুইভাবে চাষ করা হয়। বোনা আউশ এবং রোপা আউশ।
- বোনা আউশের জনপ্রিয় আধুনিক জাতসমূহ: ব্রিধান৪৩, ব্রিধান৬৫, ব্রিধান৮৩ এবং বিনাধান-১৯।
- রোপা আউশ ধানের আধুনিক জাতসমূহ: ব্রিধান৪৮, ব্রিধান৮২, ব্রিধান৮৫,  বিনাধান-১৯ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান৭।
- আউশ ধান বর্ষা মৌসুমে আবাদ করা হয়।
- ফলে আউশ ধান চাষের পানি সেচের প্রয়োজন হয় না।
- বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ মাসে আউশ ধানের চারা রোপণ করা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে আউশ ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
- আউশ ধান রোপনের সময়: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল,
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়: মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

২৯৩.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BFRI) সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

BFRI:
- BFRI এর পূর্ণনাম: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Fisheries Research Institute)।
- এটি একমাত্র জাতীয় মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৪ সাল।
- অধিভুক্ত মন্ত্রণালয়: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
- সদরদপ্তর: ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

• গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে-
1. স্বাদুপানি কেন্দ্র ময়মনসিংহে অবস্থিত।
2. নদী কেন্দ্র চাদপুরে অবস্থিত।
3. চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত
4. লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত।
5. সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

২৯৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. ফরিদপুর
  3. বগুড়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - খুলনা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।

- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ময়মনসিংহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - বগুড়া।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২৯৫.
বাংলাদেশে উন্নত জাতের তামাকের মধ্যে রয়েছে কোনটি?
  1. সুমাত্রা
  2. আকবর
  3. শতাব্দী
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

◉ সুমাত্রা হলো বাংলাদেশে চাষযোগ্য উন্নত জাতের তামাক, এটি উচ্চ ফলন ও গুণগত মানের জন্য পরিচিত।

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দীআকবর
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

২৯৬.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) গম
  2. খ) পাট
  3. গ) চা
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট

বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলসমূহ হলো:
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২৯৭.
আলুর একটি জাত-
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।


অন্যদিকে,
• 'রূপালী' - উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ব্রিশাইল,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।

- সফল : সরিষার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍শুকতারা : বেগুনের জাত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
২৯৮.
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. বাগেরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র:
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।
- প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু: ০১ জুন, ২০১০
- মোট আয়তন: ৩.২৪ হেক্টর
- পুকুর কমপ্লেক্স: ১.৪২ হেক্টর

এছাড়াও -
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: ফরিদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট: ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২৯৯.
আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামারগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
সঠিক উত্তর:
খ) চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চার
ব্যাখ্যা

খামারের আয়তন: আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামার গুলোকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

০.৪৯ একর পর্যন্ত খামারগুলাে প্রান্তিক খামার, 
০.৫০ - ২.৪৯ একরের খামারগুলো ক্ষুদ্রায়তন খামার, 
২.৫০ - ৭.৪৯ একর আয়তনের খামারগুলো মাঝারি এবং 
৭.৫০ একর হতে আরো বড় আকারের খামার গুলো বৃহদায়তন খামার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বোর্ড বই।

৩০০.
’শুকতারা’ কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. বেগুন
  2. কলা 
  3. মরিচ
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

- শুকতারা বেগুনের উন্নত ফসলের জাত।
​- বেগুনের কয়েকটি জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো, শিংনাথ, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, নয়নতারা।
​- কলার  কয়েকটি জাত: অমৃতসাগর, সবরি, চম্পা, চিনিচাম্পা, কবরী, দুধসর, অগ্নিশ্বর।
​- মরিচের জাত: যমুনা।
​- তরমুজের কয়েকটি জাত: পদ্মা, মধুবালা।

​উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস অধিদপ্তর।