বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ১০১২০০ / ১,৬৮১

১০১.
’জোপাটিকা’কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. আম
  2. ধান
  3. গম
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

- জোপাটিকা হলো গম ফসলের একটি উন্নত জাত। 

• কৃষি ফসলের জাত: 

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত- ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• আমরে উন্নত জাত ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১০২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত?
  1. ১০.৫৫%
  2. ১১.৩৯%
  3. ১২.৭৪%
  4. ১৩.৪৮%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০৩.
বাংলাদেশে আউশ ধান উত্তোলনের সময় -
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
সঠিক উত্তর:
মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১০৪.
মাঠ ফসল বলতে বোঝায় -
  1. সার্বিক পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
  2. প্রতিটি গাছের জন্য পরিচর্যার ব্যবস্থা করা
  3. অল্প পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
  4. মাঠে বুনা ফসল
সঠিক উত্তর:
সার্বিক পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বিক পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- ধান, পাট, আখ চাষে প্রতিটি গাছের আলাদাভাবে যত্ন নেবার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বিকভাবে মাঠের ফসলের যত্ন নেওয়া হয়।
- কিন্তু কলা বা পেঁপে বা আনারসের প্রতিটি গাছের যত্ন না নিলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় না।
- সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও যত্নে যে ফসল উৎপাদিত হয় তা হলো মাঠ ফসল।

অন্যদিকে,
⇒ যে ফসলের প্রতি গাছের যত্নের প্রয়োজন তা হলো উদ্যানতাত্বিক ফসল। 

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান ১৪৪, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
বাংলাদেশে বছরে কী পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. ২৯৮.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ৪১৪.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ২৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
মোট জমির পরিমাণ:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন বা ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১০৬.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার?
  1. ১৭ ভাগ
  2. ২১ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ৩০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বন ও বনায়ন:
- গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকাকেই আমরা বন বলি।
- যে পদ্ধতিতে বন তৈরি হয় তা-ই হলো বনায়ন।
- আমরা জানি, প্রাণী ও উদ্ভিদের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক আছে।
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে।
- আবার প্রাণী কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- কাজেই প্রাণীকে বাঁচতে হলে গাছপালাকে বাঁচাতে হবে।
- কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার।
- বনে বিভিন্ন ধরনের পাখি, পশু, কীটপতঙ্গ থাকে।
- বনের মাধ্যমে একদিকে কাঠ ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ হয় এবং অন্যদিকে পরিবেশ ভালো থাকে।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৭.
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। সূত্র-thedailystar পত্রিকা.
১০৮.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১০৯.
বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান:
- বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- কাঁকড়া চাষে বাংলাদেশ নবম অবস্থানে রয়েছে।
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএও) প্রকাশ করা বিশ্বের মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন ‘ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২৪’–এ এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ২০২২ সালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) FAO ওয়েবসাইট।
১১০.
What is the full form of BADC?
  1. Bangladesh Agricultural Department Corporation
  2. Bangladesh Association Defence Corporation
  3. Bangladesh Association Development Corporation
  4. Bangladesh Agricultural Development Corporation
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
ব্যাখ্যা
BADC:
- BADC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Development Corporation.
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
১১১.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. মালা
  2. প্রতিভা
  3. চমক
  4. ঝিটকা
সঠিক উত্তর:
মালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১১২.
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত কয়টি মৌসুমে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীলকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
১১৩.
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্যচাষ পরিকল্পনা, সমন্বয় ও গবেষণার জন্য ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা।
- ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জনবল সংগ্রহ ও উন্নয়ন অবকাঠামো গড়ে তোলার পর যথার্থ কাজ শুরু হয়েছে ১৯৮৬ সাল থেকে।

- রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রশাসনিকভাবে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- এগুলো হলো-
1. ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র,
2. চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র,
3. খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র,
4. কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং
5. বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র।

- উপকেন্দ্র ৫টি হলো-
১। রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
২।সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
৩।যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র,
৪।পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
৫।সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম এসব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। 

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাপিডিয়া
১১৪.
"ঈশ্বরদী ৩৯"কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. চা
  2. ইক্ষু
  3. পাট
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ইক্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইক্ষু
ব্যাখ্যা

 • বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
 • উন্নতজাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
• বিটি-ওয়ান (১৯৬৬ সালে তৈরি), বিটি-২ • (১৯৭৫), বিটি-৪ (১৯৮১), বিটিএস-১ (১৯৮৫) ও টিভি-১ (১৯৪৯): উন্নত জাতের চা।
• ঈশ্বরদী ৩৯, ঈশ্বরদী ৪০, বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩ এবং বিএসআরআই আখ ৪৪ : উন্নত জাতের ইক্ষু।
• বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০) উন্নত জাতের পাট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১১৫.
কোনটি রবি শস্য নয়?
  1. গম
  2. কচু
  3. মসুর ডাল
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচু
ব্যাখ্যা
রবি শস্য নয়- কচু। 

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কম তাপমাত্রায় রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১১৬.
কৃষির প্রধান উপাদান কী?
  1. পানি
  2. আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  3. তাপমাত্রা
  4. মাটি
সঠিক উত্তর:
মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি
ব্যাখ্যা
কৃষি:
- আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি।
- কৃষির প্রধান উপাদান হল মাটি।
- তাছাড়া আরোও অনেক উপাদান যা কৃষির উৎপাদনের সাথে জড়িত যেমন: পানি, তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ইত্যাদি কৃষি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
- বিজ্ঞানের যে শাখায় কৃষির উৎপাদন প্রযুক্তি ও কৃষি বিষয় সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াদি জানা যায় তাকে কৃষি শিক্ষা বলে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ।
- কৃষি কর্মকান্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে দেশজ অর্থনীতি।
- বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মূল উপাদান হল কৃষি।
- দেশের প্রায় শতকরা ৭০-৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে এবং তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে যুক্ত।
- দেশের মোট রপ্তানিতে কৃষিজাত পণ্য যেমন- কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চিংড়ি চামড়া ও চা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ -
  1. ৪০-৫০%
  2. ৫৫-৭০%
  3. ৬০-৭৫%
  4. ৮০-৯০%
সঠিক উত্তর:
৮০-৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০-৯০%
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
- এদেশের প্রায় সব জেলায় পাটের চাষ হয়।
- গত কয়েক বছরে পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য যেমন, ব্যাগ, বস্তা, জুতা এমনকি শাড়ী বিদেশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিদেশের বাজারে এসব পণ্য রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি উৎপাদনের জন্য এর আধুনিক চাষপদ্ধতি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জলবায়ু:
- পাট উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার ফসল, পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা হল ২৫-৩৫° সে. এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০-৯০%।
- পাট চাষের সময় সুষমভাবে বর্ণিত ১২৫-২০০ সে. মি. বৃষ্টিপাত উপকারী, চাষ অবস্থায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ক্ষতিকর।

⇒ মাটি:
- পর্যাপ্ত পরিমাণ জৈব পদার্থযুক্ত দোঁআশ মাটি পাটের জন্য ভাল।
- বেলে দোআশ বা এটেল দোঁআশ মাটিতে পাট চাষ করলেও ভাল ফসল পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটিতে পানি জন্মে থাকে বলে তা পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়।

⇒ জমি নির্বাচন:
- উঁচু, মাঝারি নিচু এবং মাঝারি নিচু জমি অর্থাৎ যে জমিতে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না বা জমে গেলেও নিষ্কাশন করা সম্ভব তেমন জমিই পাট চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

⇒ পাটের জাত:
- পাটের প্রধান প্রজাতি ২টি:
১। দেশী পাট: Corchorus capsularis
- ডি-১৫৪-২' সিভিএল-১ (সবুজ পাট), সিভিই-৩ (আশু পাট), সিসি-৪৫ (জো পাট); এটম পাট-৩৮, বিজেআরআই দেশিী পাট-৫; বিজেআরআই দেশি-৬, বিজেআরআই দেশি পাট-৭, বিজেআরআই দেশি
২। তোষা পাট: Corchorus olitorius
- ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), ওএম-১, ৩-৪, ৩-৭২, বিজেআরআই তোষা পাট-৪, বিজেআর আই তোষা পাট-৫, ৩-৭৯৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০)।

⇒ বীজ বপনের সময়:
- বাংলাদেশের কৃষি ঋতুর ভিত্তিতে পাট উৎপাদনের জন্য খরিপ-১ ঋতু হল উপযুক্ত সময় (মার্চ-এপ্রিল থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত)।
- দেশি পাট সাধারণত ১৫ই মার্চ থেকে ১৫ই মে এই সময়ের মধ্যে বুনতে হয়।
- তবে কোন জমিতে যদি জুলাই আগষ্টের দিকে বর্ষার পানি জমার সম্ভাবনা থাকে তাহলে সে জমিতে কিছুটা আগাম বীজ বোনা উচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহয্য করে বায়ুর-
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে এবং গাছকে সবুজ ও সতেজ করতে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের কৃষিতে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হচ্ছে ইউরিয়া।
এছাড়া ফল, বীজ ও মূলের উন্নয়নে ফসফরাস,
ফুল ও ফল ধারণে- পটাসিয়াম এবং
উদ্ভিদের কোষ বৃদ্ধি ও কোষ বিভাজনের জন্য- ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট
১১৯.
হাড়িভাঙ্গা কীসের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) লিচু
সঠিক উত্তর:
খ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আম
ব্যাখ্যা
হাড়িভাঙ্গা হলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- গোপালভোগ
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গৌরমতি
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১২০.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমির বৃক্ষ কোনটি?
  1. চাপালিশ
  2. তেলসুর
  3. গর্জন
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়।
- মূলত উষ্ণ ও আর্দ্রভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুলু জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, বারেও না।
- ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে।
- সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে।
- চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এ বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার।
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ।
- সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২১.
বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
  2. নশিপুর, দিনাজপুর
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট:
→ বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এই প্রতিষ্ঠান নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
→ অত্র প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স  চালু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট। 
১২২.
ম্যাথ(MATH) মডেল কী?
  1. ক) পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমির ক্ষয়রোধের পদ্ধতি
  2. খ) সমতল ভূমিতে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির পদ্ধতি
  3. গ) পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের পদ্ধতি
  4. ঘ) স্থায়ী বনায়ন সৃষ্টির একটি পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
গ) পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

MATH এর পূর্ণ নাম Modern Agricultural Technology in the Hills. এটি হচ্ছে পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের একটি মডেল।
এই মডেলের বিশেষত্বঃ
- এটি ভূমির ক্ষয়রোধ করে।
- ভূমির উর্বরতা বাড়ায়।
- একই জমিতে উন্নত পদ্বতিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করা যায়।
- পাহাড়ী কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
- এই মডেলের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জুম চাষ পর্যায়ক্রমে বিলুপ্ত করা সম্ভব।
(রেফারেন্সঃ ais.gov.bd)

১২৩.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১২৪.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১২৫.
দেশে প্রথম পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) খুলশী
  2. খ) রামু
  3. গ) মালিনীছড়া
  4. ঘ) সীতাকুণ্ড
সঠিক উত্তর:
খ) রামু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রামু
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।

বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১২৬.
নিম্নের কোনটি ভুট্টার উন্নত জাত?
  1. বাহার
  2. শ্রাবণী
  3. সুমাত্রা
  4. মোহর
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা

ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
- বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

১২৭.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. ভোলা
  3. ময়মনসিংহ
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১২৮.
সিলেট জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু হয় কখন থেকে?
  1. ২০২০ সাল
  2. ২০২১ সাল
  3. ২০২২ সাল
  4. ২০২৩ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সাল
ব্যাখ্যা
সিলেটের টিলায় টিলায় কফি চাষ:
- সিলেটের একসময়ের অনাবাদি টিলাগুলোতে কফি চাষ শুরু হয়েছে।
- প্রবাসী থেকে শুরু করে স্থানীয় উদ্যোক্তারা নিজেদের টিলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষে উদ্যোগী হয়েছেন। 
- সিলেট জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু হয় ২০২১ সালে।
- এ পর্যন্ত গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার প্রায় ২০ হেক্টর টিলাশ্রেণি জমিতে কফি চাষ করা হয়েছে।
- অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি এখানে চাষাবাদ হয়েছে।

উৎস: ১ অক্টোবর , ২০২৩, প্রথম আলো।
১২৯.
'ল্যাংড়া' কিসের জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আনারস
  3. গ) তরমুজ
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
ব্যাখ্যা
ল্যাংড়া, ফজলি, ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর, মহানন্দা, হাড়িভাঙা ইত্যাদি আমের কতগুলো প্রসিদ্ধ জাত। অগ্নিশ্বর, মোহনবাসী, কানাইবাসী, অমৃতসাগর, বীটজবা ইত্যাদি কলা'র জাত। (সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৩০.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. ড্রামহেড
  2. আকবর
  3. ময়না
  4. তাহেরপুরী
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৩১.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. অনুপম
  3. ভাতি
  4. আকবর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৩২.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. ক) কাঞ্চন
  2. খ) আকবর
  3. গ) প্রতিভা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে এদেশে অধিক আবাদকৃত গম জাতের মধ্যে কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ,বলাকা, দোয়েল, ও প্রতিভা রয়েছে।
•  তাছাড়া সৌরভ (বারি গম-১৯) ও গৌরব (বারি গম-২০) নামে ২টি উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত অনুমোদিত হয়েছে।
তাছাড়া--
• ভূট্টা জাতের নাম ---- শুভ্রা, বর্ণালী, খৈ-ভূট্টা, মোহর।
• আলু জাতের নাম---- কুফরী ,সিন্দুরী, মুলটা, প্যাট্রোনিস, কার্ডিনাল, ডায়ামন্ট, মরিনি, ওরিগো হীরা, চমক, মন্ডিয়াল, আইলসা, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা, বিনেলা, আরিন্দা, রাজা ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১৩৩.
'মিন্টো' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. মরিচ
  3. গম
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩৪.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫১ সালে
  2. ১৮৫২ সালে
  3. ১৮৫৩ সালে
  4. ১৮৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৩৫.
বাংলাদেশের কোথায় গো-চারণের জন্যে বাথান ভূমি রয়েছে?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোর
ব্যাখ্যা
বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
এক সময় দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি ছিলো। বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর ও পাবনা, হাওরাঞ্চল এবং নতুন জেগে উঠা চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩৬.
সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে কোথায়?
  1. ক) হাওরাঞ্চলে
  2. খ) সুন্দরবন উপকূলে
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
  4. ঘ) বরেন্দ্রভূমিতে
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত। এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩৭.
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র (SMRC):
- লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রে (SMRC) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) এর একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI)  কৃষি, মৃত্তিকা ও সার নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছে বিধায় প্রতিষ্ঠানটি NARS (National Agricultural Research System) ভুক্ত।
- ১৯৬১ সালে সয়েল সার্ভে প্রজেক্ট অব পাকিস্থান নামে কার্যক্রম শুরু।
- ১৯৭২ সালে সয়েল সার্ভে অব বাংলাদেশ নামে কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
- ১৯৮৩ সাল থেকে উক্ত নাম পরিবর্তিত হয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় অবস্থিত।

উৎস: লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। 
১৩৮.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ 
  3. খুলনা 
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) হলো দেশের বৃহৎ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) ইতিহাস শতাধিক বছরের।
- ১৮৮০ সালে এটি বেঙ্গল ল্যান্ড রেকর্ডস ডিপার্টমেন্টের অধীনে ছোট শাখা হিসেবে শুরু হয়।
- ১৯০৮ সালে ঢাকা ফার্ম প্রতিষ্ঠা পায়, যা ১৯৬৬ সালে জয়দেবপুরে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়।
- এবং পরবর্তীতে BARI স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 

- এটি ২০৫টিরও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা পরিচালনা করে।
- কেন্দ্রীয় স্টেশনের পাশাপাশি BARI-এর ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র ও ২৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- ফসলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো হলো –
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তেলশস্য গবেষণা কেন্দ্র ও
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র। 
------------------------- 
অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 
- এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৩৯.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
- ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল হলো আলুর জাত।

আলুর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- ললিতা, 
- কার্ডিনাল, 
- আইলসা, 
- চমক, 
- ধীরা, 
- গ্রানোলা, 
- বিনেলা, 
- আরিন্দা, 
- রাজা, 
- বারাকা ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
১৪০.
রবিশস্য বলতে বুঝায়-
  1. ক) গ্রীষ্মকালীন ফসল
  2. খ) বর্ষাকালীন ফসল
  3. গ) শরৎকালীন ফসল
  4. ঘ) শীতকালীন ফসল
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শীতকালীন ফসল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন সফলকে রবিশস্য ধরা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল। এছাড়া এই সময়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও হয়ে থাকে। (সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
১৪১.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা চাষ হয় -
  1. ক) চট্টগ্রামের রাঙামাটিতে
  2. খ) সিলেটের হবিগঞ্জে
  3. গ) সিলেটের মৌলভীবাজারে
  4. ঘ) সিলেটের মালনীছড়ায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটের মালনীছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটের মালনীছড়ায়
ব্যাখ্যা
• চা শিল্পের ইতিহাস:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।

- এই বাগানটিও প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়। অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো, একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি’ নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম
জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি’ নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড
১৪২.
বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, কত সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২৫ সেন্টিমিটার
  2. ২৮ সেন্টিমিটার
  3. ৩০ সেন্টিমিটার
  4. ৩৩ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশে ১ নভেম্বর থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত জাটকা অর্থাৎ বাচ্চা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে।
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে। 
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

⇒ জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা, বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা।
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা থেকে পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

উৎস: i) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১৪৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত মৎসের কত শতাংশ ইলিশ থেকে আসে?
  1. ১০.৪৮%
  2. ১১.৬৩%
  3. ১২.৩৯%
  4. ১৫.৮১%
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪৪.
আমন ধান উত্তোলনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  2. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  3. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১৪৫.
নিচের কোনটি ধানের জাত?
  1. ক) মোহর
  2. খ) মল্লিকা
  3. গ) বর্ণালি
  4. ঘ) চান্দিনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) চান্দিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চান্দিনা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- চান্দিনা ধানের একটি জাতের নাম।

- ভুট্টা - বর্ণালি,শুভ্রা ,খই ভুট্টা,মোহর।
- ধান - দুলাভোগ,চান্দিনা,মালা,বিপ্লব,আশা,সুফলা।
- আম - লক্ষনভোগ,মল্লিকা,দুধ সর,হিমসাগর,চোষা,আম্রপালি।

তথ্যসূত্র -  ১) দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                ২) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                ৩) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৪৬.
'ইরাটম' কী?
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের গম
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
⇒ উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪৭.
করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার কত?
  1. ক) ৬%
  2. খ) ৪%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪%
ব্যাখ্যা

করোনাকালে কৃষিতে ঘোষিত প্রণোদনার সুদের হার ৪%।
- প্রধানমন্ত্রী কৃষি ক্ষেত্রে প্রণোদনা ঘোষণা করেন ১২ এপ্রিল ২০২০ তারিখে।
- কৃষিতে দেয়া প্রণোদনার পরিমাণ ৫০০০ কোটি টাকা। 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কৃষি খাতে ১৫৪৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক এর পরিপত্র।

১৪৮.
বাংলাদেশে প্রধানত কৃষি ঋতু কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ২টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
প্রতিটি ফসলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ঋতু রয়েছে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট ধরনের আবহাওয়ায় নির্দিষ্ট ধরণের ফসল জন্মায়। 
বাংলাদেশে প্রধানতঃ কৃষি ঋতু তিনটি:
(ক) খরিপ-১ → মার্চ - মে (ফাল্গুন - বৈশাখ)
(খ) খরিপ-২ → জুন - অক্টোবর (জৈষ্ঠ্য - অগ্রহায়ণ)
(গ) রবি → নভেম্বর - ফেব্রুয়ারী (পৌষ - মাঘ)।
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪৯.
দেশে কোন মাসে আমন ধান কাটার উৎসব হয়ে থাকে?
  1. ক) ফাল্গুন
  2. খ) অগ্রহায়ণ
  3. গ) বৈশাখ
  4. ঘ) শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
খ) অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশে অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটাকে কেন্দ্র করে গ্রামে গ্রামে নবান্ন উৎসব পালিত হয়। সরকারি ঘোষণায় পহেলা অগ্রহায়ণ বর্তমানে জাতীয় কৃষি দিবস হিসেবে পালিত হয়।
আমন ধান দেশের দ্বিতীয় প্রধান ধান উৎপাদন মৌসুম। স্থানভেদে কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ ও পৌষ মাস পর্যন্ত আমন ধান কাটার মৌসুম চলে।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১৫০.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।

সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫১.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান কত?
  1. ১%
  2. ১.৫%
  3. ১.৮%
  4. ২.২%
সঠিক উত্তর:
১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
 
উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১৫২.
সিলেটের চাঁদখানি পাহাড়ে কত সালে চা কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৫০
  2. ১৮৯০
  3. ১৮৮৫
  4. ১৮৫৫
সঠিক উত্তর:
১৮৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৫
ব্যাখ্যা

১৮৫৫ সালে সিলেটের চাঁদখানি পাহাড়ে আসামের স্থানীয় চা কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রবার্ট ব্রুস ১৮৩৪ সালে আসামের উঁচু অঞ্চলে চা গাছের সন্ধান পান যা ভারতে চা শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করে।
- চা উৎপাদনের প্রথম সংগঠিত বাণিজ্যিক প্রয়াস শুরু করে আসাম চা কোম্পানি ১৮৩৯ সালে।
- উনিশ শতকের প্রথম দিকে উত্তর-পূর্ব ভারতীয় চা চাষের একই সময়ে বাংলাদেশেও চা চাষ চলতে থাকে।
- চীন থেকে আমদানিকৃত বীজ, কলকাতার বোটানিক্যাল গার্ডেনের কতিপয় চীনা চা গাছ ও আসামের বীজ ব্যবহার করে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে চা বাগান তৈরির কাজ শুরু হয়।
- বর্তমান বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানের প্রতিষ্ঠা ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনিছড়ায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৫৩.
কৃষিক্ষেত্রে উত্তরণ হলো-
  1. ক) সরিষার একটি জাত
  2. খ) ভুট্টার একটি জাত
  3. গ) গমের একটি জাত
  4. ঘ) ধানের একটি জাত
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টার একটি জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টার একটি জাত
ব্যাখ্যা
উত্তরণ হলো ভুট্টার একটি জাত।
ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- মোহর
- শুভ্রা
- বর্ণালি
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৫৪.
বর্তমানে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ তথ্যানুযায়ী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া। বগুড়ায় আলু উৎপাদনের পরিমাণ ১১.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
দ্বিতীয় সর্বাধিক আলু উৎপন্ন হয় মুন্সিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১০.৮৯ লক্ষ মেট্রিক টন। তৃতীয় রংপুর জেলায় ১০.০১ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে মোট আলু উৎপাদিত হয় ৯৬.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
১৫৫.
আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. জয়পুরহাট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৫৬.
কোন মাটি পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়?
  1. বেলে মাটি
  2. দোঁআশ মাটি
  3. এঁটেল মাটি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এঁটেল মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া ও মাটি পাট চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
- এদেশের প্রায় সব জেলায় পাটের চাষ হয়।
- গত কয়েক বছরে পাটের তৈরি বিভিন্ন পণ্য যেমন, ব্যাগ, বস্তা, জুতা এমনকি শাড়ী বিদেশীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বিদেশের বাজারে এসব পণ্য রপ্তানীর সুযোগ সৃষ্টি উৎপাদনের জন্য এর আধুনিক চাষপদ্ধতি জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জলবায়ু:
- পাট উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ার ফসল, পাট উৎপাদনের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা হল ২৫-৩৫° সে. এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০-৯০%।
- পাট চাষের সময় সুষমভাবে বর্ণিত ১২৫-২০০ সে. মি. বৃষ্টিপাত উপকারী, চাষ অবস্থায় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ক্ষতিকর।

⇒ মাটি:
- পর্যাপ্ত পরিমাণ জৈব পদার্থযুক্ত দোঁআশ মাটি পাটের জন্য ভাল।
- বেলে দোআশ বা এটেল দোঁআশ মাটিতে পাট চাষ করলেও ভাল ফসল পাওয়া যায়।
- এঁটেল মাটিতে পানি জন্মে থাকে বলে তা পাট চাষের জন্য উপযোগী নয়।

⇒ জমি নির্বাচন:
- উঁচু, মাঝারি নিচু এবং মাঝারি নিচু জমি অর্থাৎ যে জমিতে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না বা জমে গেলেও নিষ্কাশন করা সম্ভব তেমন জমিই পাট চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে।

⇒ পাটের জাত:
- পাটের প্রধান প্রজাতি ২টি:
১। দেশী পাট: Corchorus capsularis
- ডি-১৫৪-২' সিভিএল-১ (সবুজ পাট), সিভিই-৩ (আশু পাট), সিসি-৪৫ (জো পাট); এটম পাট-৩৮, বিজেআরআই দেশিী পাট-৫; বিজেআরআই দেশি-৬, বিজেআরআই দেশি পাট-৭, বিজেআরআই দেশি
২। তোষা পাট: Corchorus olitorius
- ফাল্গুনী তোষা (ও-৯৮৯৭), ওএম-১, ৩-৪, ৩-৭২, বিজেআরআই তোষা পাট-৪, বিজেআর আই তোষা পাট-৫, ৩-৭৯৫, বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০)।

⇒ বীজ বপনের সময়:
- বাংলাদেশের কৃষি ঋতুর ভিত্তিতে পাট উৎপাদনের জন্য খরিপ-১ ঋতু হল উপযুক্ত সময় (মার্চ-এপ্রিল থেকে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত)।
- দেশি পাট সাধারণত ১৫ই মার্চ থেকে ১৫ই মে এই সময়ের মধ্যে বুনতে হয়।
- তবে কোন জমিতে যদি জুলাই আগষ্টের দিকে বর্ষার পানি জমার সম্ভাবনা থাকে তাহলে সে জমিতে কিছুটা আগাম বীজ বোনা উচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ফরিদপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় ঠাকুরগাঁও জেলায় ও বিভাগ অনুসারে রাজশাহী বিভাগে।
 
উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৮.
BRRI এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Rural Research Institute
  2. Bangladesh Rice Research Institute
  3. Bangladesh River Research Institute
  4. Bangladesh Resource and Research Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Rice Research Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Rice Research Institute
ব্যাখ্যা

 BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১৫৯.
দেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ অঞ্চল
  2. খ) বরিশাল অঞ্চল
  3. গ) খুলনা অঞ্চল
  4. ঘ) কক্সবাজার অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়।
দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত। চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি বলা হয়।

রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১৬০.
'মৎস্য আইন ১৯৫০'-এর অধীনে কত সেন্টিমিটারের চেয়ে ছোট ইলিশ ধরা, বিক্রি বা মজুত করা নিষিদ্ধ?
  1. ২২ সে.মি
  2. ২৩ সে.মি
  3. ২৪ সে.মি
  4. ২৫ সে.মি
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি
ব্যাখ্যা

মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০' অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।

১৬১.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. রাজশাহী
  2. ফরিদপুর
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------- 
তুলা চাষ:

- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে। 
- ঝিনাইদহ জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। 
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষণার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়।

তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়। 

২০২২-২৩ মৌসুমে আশতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া- ৩০৭৪৫, 
চুয়াডাংগা- ৩০১৯৬, 
ঝিনাইদহ- ২৯০৭৭, 
যশোর - ২১৭৩২। 

২০২২-২৩ মৌসুমে বীজতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া-১৩৯৮৯, 
চুয়াডাংগা- ১৩৭৩৯, 
ঝিনাইদহ- ১৩২৩০, 
যশোর - ৯৮৮৮।

বাংলাদেশের এই চারটি জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। 
অর্থ্যাৎ- যশোর অঞ্চল তুলা চাষের জন্য বিখ্যাত।
সে হিসেবে উত্তর - যশোর গ্রহণ করা হয়েছে। 

উৎস- বাংলাপিডিয়া, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২২-২৩।
১৬২.
দেশে আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৮২,৬০,০০০ একর
  2. ৮২,৯৮,০০০ একর
  3. ৮৩,৫৮,০০০ একর
  4. ৮৩,৯০,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৬৩.
বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে কোন ফসলের চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ভূট্টা
  2. পাট
  3. ধান
  4. গোল আলু
সঠিক উত্তর:
ভূট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূট্টা
ব্যাখ্যা

⇒ বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে ভুট্টা চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

♦ ভূট্টা উৎপাদন:
- বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের কৃষিতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ভূট্টা (মেইজ) চাষে।
- ১৯৭১ সালে দেশের ভূট্টার উৎপাদন ছিল মাত্র ২,০০০ মেট্রিক টন এবং চাষের পরিমাণ ছিল মাত্র ২,৬৫৪ হেক্টর।
- ২০১৯–২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লাখ মেট্রিক টনে, এবং চাষের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১,৬৫,৫১০ হেক্টর।
- প্রতি হেক্টরে ফলনও বেড়েছে ০.৮৫ টন থেকে ৬.১৫ টনে।
- অন্য ফসল যেমন ধান, পাট ও আলুর চাষও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তুলনামূলকভাবে ভূট্টার বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) অনুসারে, 
স্বাধীনতার পর থেকে এ নাগাদ চালের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় চারগুণ, গম দুইগুণ, ভুট্টা ১০ গুণ ও সবজির উৎপাদন বেড়েছে পাঁচ গুণ। 

উল্লেখ্য:
- ধান ১৯৭১ সালে ৯.৬৭ মিলিয়ন টন থেকে ২০১৯ সালে ৩৮.৭০ মিলিয়ন টনে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ১৯৭১ সালে পাটের উৎপাদন ছিল প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন বেল এবং চাষের পরিমাণ ছিল ৮০০,০০০ হেক্টর। ২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ মিলিয়ন বেল এবং চাষের পরিমাণ প্রায় ৮২০,০০০ হেক্টর, প্রতি হেক্টরে ফলন কিছুটা বেড়েছে।
- গোল আলুর ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালে উৎপাদন ছিল ৪.৫ লাখ মেট্রিক টন এবং চাষের পরিমাণ ৮৫,০০০ হেক্টর। ২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৯ লাখ মেট্রিক টনে, চাষের পরিমাণ ১,২০,০০০ হেক্টর এবং প্রতি হেক্টরে ফলন বেড়ে ৭.৪ টন হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলী সান পত্রিকার রিপোর্ট (লিংক) ও কৃষি তথ্য সার্ভিস। (লিংক)

১৬৪.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৯৬ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৯৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি):

- বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি-নির্ভর। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ লোক গ্রামাঞ্চলে বাস করে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সংগে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।।

 - ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীণ সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।

- এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

- পরবর্তিতে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণার গুরুত্ব ও সাফল্য বিবেচনায় এ্যাক্টের আওতায় কার্যপরিধি অধিকতর বৃদ্ধি, সুসংহত ও জোরদার করে ১৯৯৬ সালে কাউন্সিলকে সমন্বয়কারীর দায়িত্ব প্রদান পূর্বক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন ১৯৯৬” পুনঃপ্রণয়ন করা হয়।

- এই আইনের আওতায় কৃষি খাতের অধীন শস্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন বিষয়ক উপখাতের সংগে সংশ্লিষ্ট দশটি জাতীয় গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে নিয়ে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS) পূনর্গঠিত হয়। 

- কৃষি গবেষণা সিস্টেম এর কার্যকর সমন্বয় সাধনে বিএআরসির ভূমিকা অধিকতর জোরদার করার লক্ষ্যে ২০১২ সালের ৮ মার্চ সংসদ কর্তৃক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” অনুমোদন করা হয়। কৃষি গবেষণা কর্মসূচী সমন্বয়কল্পে “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” বিএআরসিকে গবেষণা সম্পদ বরাদ্দকরণে ক্ষমতা প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬৫.
বর্তমানে গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ-
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) মিশর
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ চীন।
- গম রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ রাশিয়া।
- গম আমদানিতে শীর্ষ দেশ মিশর।
১৬৬.
ভারত উপমহাদেশে ‘গোল আলু’ প্রথম কোন দেশ থেকে আনা হয়েছিল?
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. নিউজিল্যান্ডস
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
আলু:
- বাংলাদেশের আলুর আদি জাত হচ্ছে মিষ্টি আলু।
- আর গোল আলুর আদি জাত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে।
- আলুকে ভারতবর্ষের সর্বত্র ছড়াতে কাজ করেছিল ইংরেজরা।
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতবর্ষে প্রথম আলু নিয়ে আসে বলে ধারণা করা হয়।
- ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মাধ্যমে উপমহাদেশে আলু চাষের বিস্তার হয়।
- তিনি প্রথম আলু এনেছিলেন হল্যান্ড থেকে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গার্ডেনিং মান্থলি’ ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায়।

⇒ ক্যামব্রিজ ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি অব ফুডের তথ্যমতে, আজ থেকে আট হাজার বছর পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে প্রথম আলু পাওয়া যায়।
- লিমা থেকে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে টিটিকাকা হ্রদের কাছে প্রথমে আলু চাষ শুরু হয়েছিল।
- ১৫৬৫ সালের দিকে আলু প্রথমবারের মতো পেরু থেকে ইউরোপের দেশ স্পেনে পৌঁছায়।
- ইউরোপে আসার পরেই কামাটা বা বাটাটা নাম বদলে হয় পটেটো।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
- বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে বারি ১ থেকে ৯১সহ আরও বিভিন্ন জাতের আবাদ হয় যার বেশিরভাগের উৎপত্তিস্থল দেশ নেদারল্যান্ডস।
- এরমধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত জাত হলো ডায়মন্ড (ডিম্বাকার), কার্ডিনাল (লালচে আলু), গ্রেনুলা (গোল আলু)।
- বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা ছাড়া দেশের সব স্থানেই আলুর চাষ হচ্ছে।
- সবচেয়ে বেশি আলু ফলে মুন্সিগঞ্জ, বগুড়া ও রংপুর জেলায়।
- কৃষি গবেষকদের মতে আলু প্রথম চাষ হতে পারে মুন্সিগঞ্জে।
- তবে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয় রংপুর জেলায়।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) ৩০ মে ২০২৪, BBC।
১৬৭.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৬৮.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের গমের নাম?
  1. জোপাটিকা
  2. মহানন্দা
  3. বর্ণালি
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
জোপাটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোপাটিকা
ব্যাখ্যা
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
- তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
১৬৯.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:

- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়
- চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম
- ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম
- তেলাপিয়া উৎপাদনে : চতুর্থ।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১৭০.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দ কত?
  1. ক) ১৯,২৩৫ কোটি টাকা
  2. খ) ২৪,৯০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩৪,৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ২৯,৯৮১ কোটি টাকা। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ, ভূমি, পানিসম্পদ এবং পরিবেশ-বন-জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সার্বিক কৃষিখাত গঠিত। চলতি অর্থবছরে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১৭১.
দেশের কোন জেলায় সর্বাধিক চা-বাগান রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• চা-বাগান:
- চা বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হচ্ছে চা।
- ১৮৫৪ সালে মালনীছড়া চা-বাগান দিয়ে বাংলাদেশে চা শিল্পের গোড়াপত্তন হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান আছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৯২ টি চা-বাগান রয়েছে।
এছাড়াও - 
 
- বর্তমানে সিলেট জেলায় মোট চা বাগানের সংখ্যা : ২০ টি (১টি রুগ্ন)।
- হবিগঞ্জে চা-বাগান: ২৪টি। মোট আয়তন-১৫,৭০৩.২৪ হেক্টর।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১৭২.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ড্রাগন ফল উৎপাদনে বর্তমানে শীর্ষ জেলা কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া 
  3. রাজশাহী 
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষে আছে ঝিনাইদহ জেলা।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন। 

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫  অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন। 

১৭৩.
‘বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড’ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। যা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। যার প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড]
১৭৪.
ঈশ্বরদী-১৬ কী?
  1. উন্নত জাতের আখ
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের চা
  4. উন্নত জাতের তামাক
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের আখ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরদী-১৬ উন্নত জাতের আখ।

আখ:

- আখ বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল৷ পাট ও তামাকের মতো আখও চাষীদেরকে নগদ অর্থে আজকাল পাট চাষের চেয়ে আখ চাষ অধিক লাভজনক বলে চাষীরা পাটের চেয়ে আখ চাষেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাতেই কিছু না কিছু আখের চাষ হয়, তবে জলবায়ুর প্রভাব অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো আখ চাষের জন্য উপযোগী৷
- উন্নত জাতের আখ: ঈশ্বরদী ২-৫৪, এলজেসি, ঈশ্বরদী ১৬, ঈশ্বরদী ১৯, ঈশ্বরদী ২০, ঈশ্বরদী ২১, ঈশ্বরদী ২২, ঈশ্বরদী ২৪, ঈশ্বরদী ২৫, ঈশ্বরদী ২৬, ঈশ্বরদী ২৭, ঈশ্বরদী ২৮, ঈশ্বরদী ২৯, ঈশ্বরদী ৩০, ঈশ্বরদী ৩১, ঈশ্বরদী ৩২, ঈশ্বরদী ৩৩  ঈশ্বরদী ৩৪, ঈশ্বরদী ৩৫, ঈশ্বরদী ৩৬, ঈশ্বরদী ৩৭, ঈশ্বরদী ৩৮।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৭৫.
কত সালে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল’ গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সবোর্চ্চ প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনা ও সম্পদের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সক্ষমতা জোরদারকরণ বিএআরসির দায়িত্ব যা একই ছাতার নীচে দেশের সমগ্র কৃষি গবেষণা প্রয়াস সমন্বয় সাধন।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীন সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল - এর ওয়েবসাইট।

১৭৬.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. সুফলা
  2. অগ্নিশ্বর
  3. কবরী
  4. কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
সুফলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফলা
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

১৭৭.
বিশ্ব জলাভূমি দিবস কবে?
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ মার্চ
  3. গ) ১২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব জলাভূমি দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয় পাট দিবস ৬ মার্চ।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল।
- ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ১২ ডিসেম্বর‌।

১৭৮.
নিচের কোনটি টমেটোর একটি জাত?
  1. ক) গ্রিন এক্সপ্রেস
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) মানিক
  4. ঘ) ইসলামপুরী
সঠিক উত্তর:
গ) মানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মানিক
ব্যাখ্যা
টমেটোর বিভিন্ন জাত: মানিক, রতন, বাহার, মিন্টু, চৈতী, টিপু সুলতান, বারি টমেটো ইত্যাদি।
গ্রিন এক্সপ্রেস ও ড্রামহেড হলো বাঁধাকপি এবং ইসলামপুরী হলো বেগুনের জাত।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১৭৯.
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. খুলনা
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ রিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৮০.
খরা সহনশীল জাতের ধান -
  1. ব্রি ধান-৫১
  2. ব্রি ধান-৫২
  3. ব্রি ধান-৫৫
  4. ব্রি ধান-৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৫৫
ব্যাখ্যা
খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৫,
• ব্রি ধান-৬৬,
• ব্রি ধান-৭১.

অন্যদিকে,
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১, 
• ব্রি ধান-৫২, 
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৮১.
‘দোয়েল’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৮২.
দেশের যে জনপদে অধিক আম উৎপাদন হয় -
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুন্ড্র
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা

দেশের অধিক আম উৎপাদন হয় বরেন্দ্র জনপদে। 
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। 
- রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর আম চাষের জন্য বিখ্যাত জেলা।

- কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৮৩.
হিমসাগর কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) আম
  3. গ) কলা
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
খ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আম
ব্যাখ্যা
হিমসাগর হলো হলো আমের একটি জাত। এটি ক্ষীরসাপাত নামেও পরিচিত।

আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হাড়িভাঙ্গা
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- গোপালভোগ
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গৌরমতি
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১৮৪.
বিএফআইডিসি নিম্নের কোন শিল্প নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ধান
  2. গম
  3. মৎস্য
  4. রাবার
সঠিক উত্তর:
রাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফআইডিসি):
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সালের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত।
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি'র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।
- দেশের বনভূমি থেকে বনজ সম্পদ আহরণ, কাঠ ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বনজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাত করা এবং রাবার বাগান সৃষ্টি, কাঁচা রাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

• ভিশন: পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রাকৃতিক রাবার এবং কাঠজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণন।
• মিশন: গবেষণা, আধুনিক ও লাগসই প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য প্রাকৃতিক রাবার এবং স্মার্ট কাঠজাত পণ্য উৎপাদন।
• উদ্দেশ্য:
- বনবিভাগ ও বিএফআইডিসি’র বাগান হতে কাঠ ও জীবনচক্র হারানো রাবার কাঠ আহরণ;
- বনবিভাগ হতে প্রাপ্ত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপনন;
- বনজিসম্পদের বাণিজ্যিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহারকল্পে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা;
- আহরিত কাঠ চিড়াই, ট্রিটমেন ও সিজনিং এর মাধ্যমে গুণগতমান ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি;
- বাণিজ্যিকভাবে আধুনিক আসবাবপত্র/ কাঠসামগ্রী তৈরী ও সরবরাহ;
- পাহাড়ী ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি .

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৮৫.
দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প
  2. খ) মুহুরী সেচ প্রকল্প
  3. গ) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
  4. ঘ) সাঙ্গু সেচ প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প হলো গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের আওতাধীন হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।
(সূত্রঃ কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
১৮৬.
বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৪.৫%
  2. খ) ৫.৭৪%
  3. গ) ৬.৩২%
  4. ঘ) ৫.৩৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৭৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৭৪%
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৭৪%।
- কৃষি ও বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ২.৬৫% ।
- কৃষির উপখাত হিসেবে সব থেকে বেশি প্রবৃদ্ধি বনজ সম্পদের ৬.১২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

১৮৭.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. গেওয়া
  3. কেওড়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১৮৮.
কৃষি ক্ষেত্রে ইউরিয়া সার কীসের অভাব পূরণ করে?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) ফসফেট
  4. ঘ) জিংক
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সার হলো কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত প্রধান রাসায়নিক সার। এটি নাইট্রোজেনের অভাব পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োগ করা হয়। ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১৮৯.
বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে -
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।
- ২০২৩ সালের ৪ জুন প্রথমবারের মত চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে মোট আটটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৩ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চাচা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চাচা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৯০.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০ টি
  2. ১০৯ টি
  3. ১৬০ টি
  4. ১৭০ টি
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০ টি
ব্যাখ্যা
 চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭০ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড। লিংক
১৯১.
নিচের কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) ঝিটকা
  3. গ) রূপালি
  4. ঘ) বিজয়
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের মরিচ:- মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা
- উন্নত জাতের পেঁয়াজ:- তাহেরপুরী, ভাতি, ঝিটকা, কৈলাসনগর।
- উন্নত জাতের তুলা :- রূপালি ও ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের গম:- অঘ্রানী, শতাব্দী, প্রদীপ, সুফী, বিজয়, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, সৌরভ, গৌরব, বরকত, জুপাটিকা-৭৩, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৯২.
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' কী?
  1. উন্নত জাতের চাল
  2. উন্নত জাতের টমেটো
  3. উন্নত জাতের আম
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' হলো উন্নত জাতের ভুট্টা।

উন্নত জাতের ভুট্টা:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

এছাড়াও,
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৯৩.
'উফশী' কি?
  1. ক) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ
  2. খ) উচ্চফলনশীল এক জাতের গম
  3. গ) উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট
  4. ঘ) উচ্চফলনশীল এক জাতের আখ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঙ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
উফশী শব্দের পূর্ণরূপ উচ্চফলনশীল।
১৯৪.
'বরকত' কোন ফসলের জাত?
  1. পাট
  2. ধান
  3. ভুট্টা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা, প্রতিভা, গৌরব, শতাব্দী, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩,  সওগাত, সৌরভ
-  নুরী-৭০, , টেনোরী-৭১, নরটেনো-৬৭, প্যাভন-৭৬ 
- বারিগম-১৭ , বারিগম-১৮ , , বারিগম-১৯ 
- বারিগম-২০ , বারিগম-২১, 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯৫.
সোনার বাংলা-১ কী?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৯৬.
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৫৯টি
  2. খ) ১৬২টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,

- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
১৯৭.
সুমাত্রা ও ম্যানিলা কিসের উন্নতজাত?
  1. ক) তামাক
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) কলা
সঠিক উত্তর:
ক) তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তামাক
ব্যাখ্যা
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৯৮.
নিচের কোন ফসল রাইজোমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে?
  1. ধান
  2. পাট
  3. গম
  4. আদা
সঠিক উত্তর:
আদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদা
ব্যাখ্যা
রাইজোম:
- রাইজোম হলো এক ধরণের ভূগর্ভস্থ কাণ্ড যা অনুভূমিকভাবে, মাটির ঠিক নীচে বা স্তরে বৃদ্ধি পায়।।
- শোভাময়, পুষ্টিকর এবং ঔষধি মূল্য সম্পন্ন অনেক উদ্ভিদ রাইজোমের মাধ্যমে বিকশিত হয় এবং বংশবৃদ্ধি করে।
- রাইজোমগুলি প্রধানত হিসাবে কাজ করে পুষ্টি সংরক্ষণকারী অঙ্গবিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট এবং অন্যান্য সংরক্ষিত পদার্থ, যা শীত বা খরার মতো প্রতিকূল সময়ে বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদের জন্য অপরিহার্য।
- রাইজোমগুলি বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে যা অনেক উদ্ভিদ প্রজাতির বিকাশ এবং বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাইজোমের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে কলা, আদা, হলুদ, বাঁশ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯৯.
উচ্চ লবণসহিষ্ণু গমের জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
গমের জাত ‘জিএইউ গম ১’:
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের গবেষণার মাধ্যমে ‘জিএইউ গম ১’–এর উদ্ভাবন হয়েছে।
- উচ্চ লবণাক্ততা সহনশীলতার দিক থেকে দেশে এটিই গমের প্রথম জাত।
- ২০২১ থেকে ২০২৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে লবণাক্ততা সহিষ্ণু ও উচ্চ ফলনশীল গম হিসেবে প্রমাণিত হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উন্নতমানের গমের জাতটি লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ।
- জাতীয় বীজ বোর্ড গত ১৭ জুন জিএইউ গম–১–এর ছাড়পত্র দেয়।
- এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা মোট ৯১টি।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]
২০০.
দেশের কোন জেলায় শস্য নিবিড়তার পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
শস্য নিবিড়তা বলতে বুঝায় প্রকৃত চাষের জমির মধ্যে কতটুকু জমি চাষ করা হচ্ছে তার শতকরা আনুপাতিক হারকে। কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশে শস্য নিবিড়তা হলো ১৯৮।

জেলা অনুসারে শস্য নিবিড়তা: প্রথম : মেহেরপুর (২৭৮) দ্বিতীয় : চুয়াডাঙ্গা (২৬৪) তৃতীয় : বগুড়া (২৪৩)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)