বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৭০১৮০০ / ১,৬৮১

৭০১.
'ব্রি ধান ৬৪' কোন জাতের ধান?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
সঠিক উত্তর:
জিংক সমৃদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭০২.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহেশপুর, ঝিনাইদহ
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কালিগঞ্জ, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সাভার, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
৭০৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
  1. নাটোর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
৭০৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭০৫.
'কৈলাসনগর' ও 'তাহেরপুরী' উন্নত জাতের -
  1. পেঁয়াজ
  2. কলা
  3. গম
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:  সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

এছড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফসলের জাত: 
→ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
→ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সুন্দরী, কুফরী, চমক, মরিনী, মুলটা ইত্যাদি। 
→ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
→ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭০৬.
নিচের কোন জেলায় জুম চাষ করা হয় না?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
⇒ রংপুরে জুম চাষ করা হয় না।

জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭০৭.
রুপালী ও ডেলফোজ কোন ফসলের উন্নত জাতের বীজ?
  1. তুলা
  2. ধান
  3. ভূট্টা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
• রুপালি ও ডেলফোজ ও সিবি-১০  তুলার উন্নত জাতের বীজ।
- বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড  ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত।
- এটি তুলা চাষের প্রচার ও সুরক্ষা এবং তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজে নিয়োজিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলো বীজ আমদানি মাধ্যমে ১৯৭০ এর দশকে তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

এছাড়াও, 
• ধানের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- হীরা, মালা, বিপ্লব, ব্রিশাইল, দুলাভোগ, ইরাটম, মুক্তা, সোনার বাংলা-১, ব্রি- হাইব্রিড।

• ভূট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।

•গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
৭০৮.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. গৌরব
  2. চমক
  3. অনুপম
  4. মোহর
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭০৯.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 

⇒ দেশে বর্তমানে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে।
- এগুলো হলো: চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশে বর্তমানে মোট চা বাগান রয়েছে ১৭০টি।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড।
         ii) প্রথম আলো।

৭১০.
কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. রূপালি
  2. ডায়মন্ড
  3. মহানন্দা
  4. সুমাত্রা
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৭১১.
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
  5. ঙ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯।
৭১২.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. ক) ঝিটকা
  2. খ) কৈলাসনগর
  3. গ) কুফরী
  4. ঘ) মালা
সঠিক উত্তর:
গ) কুফরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুফরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭১৩.
স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭১৪.
''মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট'' কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাদঁপুর
  3. কক্সবাজার
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাদঁপুর
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭১৫.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত নয় কোনটি?
  1. তাহেরপুরী
  2. ডায়মন্ড
  3. সুন্দরী
  4. হীরা
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭১৬.
’দোয়েল’, ‘আকবর’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

৭১৭.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের জন্য রবি মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. ক) আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস
  2. খ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস
  3. গ) চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস
সঠিক উত্তর:
খ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৭১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা কোনটি?
  1. খুলনা
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)
এগুলো হল - 
- রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৭১৯.
বাংলাদেশ হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকরিয়া, কক্সবাজার
  2. সাভার, ঢাকা
  3. করমজল, সুন্দরবন
  4. টিলাগড়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চকরিয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসমূহ:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭২০.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
ব্যাখ্যা
- সোনালি ও কল্যাণীয়া হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- অগ্রণী
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
৭২১.
কোন তিনটি জেলা নিয়ে সুন্দরবনের বিস্তৃতি?
  1. ক) বাগেরহাট, খুলনা ও বরগুনা
  2. খ) বরগুনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর
  3. গ) খুলনা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ বা ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের অংশে পড়েছে। সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৭২২.
কৃষিক্ষেত্রে অবদান রাখা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনের জন্য কোন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) এফ আই পি
  2. খ) ডি আই পি
  3. গ) এ আই পি
  4. ঘ) সি আই পি
সঠিক উত্তর:
গ) এ আই পি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ আই পি
ব্যাখ্যা
সিআইপির (CIP) আদলে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নীতিমালা ২০১৯ (এআইপি নীতিমালা ২০১৯) অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এআইপি (Agricultural Important Person) নির্বাচন করা হবে। তাই এআইপি ২০২০ নির্বাচনের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। (রেফারেন্সঃ কৃষি মন্ত্রণালয়)
৭২৩.
বর্ণালি ও উত্তরণ কোন ফসলের ভুট্টার জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
- বর্ণালি ও উত্তরণ হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- শুভ্রা
- মোহর
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৭২৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুমের শস্য কোনটি?
  1. মিষ্টি কুমড়া
  2. পাট
  3. লাউ
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
লাউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউ
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম: শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম: গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

খরিফ-১ মৌসুম: যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম: যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৭২৫.
নিচের কোন দুটি গমের জাত?
  1. মোহর ও শুভ্র
  2. দোয়েল ও বলাকা
  3. গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. সফল ও অগ্রণী
সঠিক উত্তর:
দোয়েল ও বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়েল ও বলাকা
ব্যাখ্যা
গমের জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আকরব
- কাঞ্চন
- দোয়েল
- বলাকা
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
মোহর ও শুভ্র : ভুট্টার জাত
গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত
সফল ও অগ্রণী : সরিষার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৭২৬.
বাংলামতি কি?
  1. এক প্রকার ধান
  2. এক প্রকার গম
  3. এক প্রকার আম
  4. একটি নদীর নাম
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ধান
ব্যাখ্যা
বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭২৭.
আলুর উচ্চ ফলনশীল জাতের একটি-
  1. উত্তরণ 
  2. শুকতারা 
  3. ইরাটম
  4. কার্ডিনাল
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ব্রিশাইল,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।

- সফল : সরিষার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍শুকতারা : বেগুনের জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)

৭২৮.
কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করে থাকে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. BRRI
  2. NAPE
  3. DAE
  4. BARI
সঠিক উত্তর:
DAE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DAE
ব্যাখ্যা
DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) পাবলিক সেক্টরে উৎপাদিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য দায়ী।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২৯.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩) -
  1. ভারত
  2. চীন
  3. থাইল্যান্ড
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, সময় নিউজ।
৭৩০.
‘রূপকথা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু 
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

‘রূপকথা’ ধানের একটি উন্নত জাত।

ধানের উন্নত জাত:
- রূপকথা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্র এলাকার দেশীয়জাতের ধান।
- এছাড়াও, বরেন্দ্র এলাকার কিছু দেশীয়জাতের ধানের নাম: পঙ্খীরাজ, গোবিন্দভোগ, জামাইভোগ, মোগাইবালাম, রূপকথা, রাঁধুনীপাগল, পাঙ্গাস।
- এগুলা মঙ্গার ধান হিসেবেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এ দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চাল তথা ধান।
- বিভিন্ন প্রতিকূল জলবায়ুতে ধানের উৎপাদন বজায় রাখতে স্বল্প জীবৎকাল, লবণ-বন্যা-খরাসহিষ্ণু বিভিন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) যৌথ প্রচেষ্টায় এসব ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো ব্রি ধান ৬২, ৮৮; স্বল্প জীবৎকাল বিনা ধান ৭, বন্যাসহিষ্ণু বিনা ধান ১১, ১২, লবণাক্ততাসহিষ্ণু বিনা ধান ১০, খরাসহিষ্ণু বিনা ধান ১৪, ১৯, ২১ ইত্যাদি।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) BBC.

৭৩১.
উদ্ভিদের পুষ্টির উৎস হিসাবে নিয়ের কোনটি বেশী গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বালিকণা
  2. পলিকণা
  3. কর্দমকণা
  4. পাথরকণা
সঠিক উত্তর:
কর্দমকণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্দমকণা
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের পুষ্টির প্রধান উৎস হলো মাটির কেমিক্যালি সক্রিয় অণুগুলো, এবং এর ক্ষেত্রে খনিজ কণার মধ্যে কর্দমকণা গুরুত্বপূর্ণ।
- কর্দমকণার পৃষ্ঠফল অত্যন্ত বেশি, যার কারণে তারা জলীয় দ্রবণে থাকা পুষ্টি ধরা ও ধারণে সক্ষম।
- মাটির ধনাত্মক আয়ন ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে, এটি বড় পরিমাণে কর্দমকণার কারণে সম্ভব।
- খনিজ এবং জৈব পদার্থের সঙ্গে যোগে, কর্দম যুক্ত মাটি জল ও পুষ্টি দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখে, ফলে গাছপালার জন্য স্থায়ী পুষ্টি ও আর্দ্রতা নিশ্চিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭৩২.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৭০ টি
  3. ১৭১ টি
  4. ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৭১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১ টি
ব্যাখ্যা

- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭১ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

৭৩৩.
কৃষিতে 'বাংলামতি' কী?
  1. গম
  2. ধান
  3. পাট
  4. চা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি
⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭৩৪.
বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নাম দুটি কিসের?
  1. দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. দুটি কৃষি সংস্থার নাম
  3. উন্নতজাতের গম শস্য
  4. কৃষি খামারের নাম
সঠিক উত্তর:
উন্নতজাতের গম শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নতজাতের গম শস্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা, 
- দোয়েল, 
- কাঞ্চন, 
- আকবর, 
- সোনালিকা, 
- সৌরভ, 
- গৌরব, 
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
-------------------------------- 
• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত: 
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট, জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭৩৫.
ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারক কে?
  1. কাজী হামিদুল হক
  2. আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. সামছুল আলম
সঠিক উত্তর:
সামছুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামছুল আলম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারক সামছুল আলম।

ইলিশ মাছ:

- বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে।
- বর্তমানে ১২৫টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।
- ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ এর ভৌগোলিক নিবন্ধন প্রদান করেছে।
- বিশ্বে ইলিশের দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে এখন পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
- ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এই জিনোম সংক্রান্ত গবেষণা শুরু করেন তারা।
- এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ইলিশ জিনোম সিকোয়েন্সিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলি নামের এই গবেষণা দলটির সমন্বয়ক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ. সামছুল আলম।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বিবিসি।
৭৩৬.
স্বর্ণা এক প্রকার-
  1. ক) চিংড়ির প্রজাতি
  2. খ) জৈব সার
  3. গ) পেঁয়াজ জাতীয় শস্য
  4. ঘ) মরিচের জাত
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব সার
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা হলো এক প্রকার জৈব সার যা আবিষ্কার করেন ড. আব্দুল খালেক। ১৯৮৭ সালে তিনি এই সার আবিষ্কার করেন এবং ১৯৯৩ সালে এটির প্যাটেন্ট করা হয়। স্বর্ণা সার প্রাকৃতিক উপায়ে জমির উর্ববতা বৃদ্ধি করে থাকে। ফলে এটি পরিবেশ বান্ধব।
(সূত্রঃ বাংলানিউজ)
৭৩৭.
ধানের একটি উন্নত জাত-
  1. প্রভাতী
  2. কুফরী
  3. নারিফা
  4. সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
নারিফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিফা
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

৭৩৮.
'ইলামতি' উন্নত জাতের-
  1. কলা
  2. ধান
  3. বেগুন
  4. আম
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা

- নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের সুগন্ধি ও সুস্বাদু এক বিশেষ জাতের আমের সন্ধান মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টার কৃষক নেত্রী ইলামিত্রের নাম অনুসারে এই আমের নামকরণ করে 'ইলামতি'।
- ২০১৩ সালে কৃষিবিদরা আর একটি নাবি জাতের আম উদ্ভাবন করেন যার নাম 'গৌড়মতি'।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৭৩৯.
ইরাটম কী?
  1.  উন্নত জাতের চা
  2. উন্নত জাতের ইক্ষু
  3. উন্নত জাতের পাট
  4. উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা

 বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত একটি উন্নত জাতের ধানের নাম ইরাটম।
- এরুপ আরো কিছু উন্নতজাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
• বিটি-ওয়ান (১৯৬৬ সালে তৈরি), বিটি-২ (১৯৭৫), বিটি-৪ (১৯৮১), বিটিএস-১ (১৯৮৫) ও টিভি-১ (১৯৪৯): উন্নত জাতের চা।
• ঈশ্বরদী ৩৯, ঈশ্বরদী ৪০, বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩ এবং বিএসআরআই আখ ৪৪। : উন্নত জাতের ইক্ষু।
• বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০) উন্নত জাতের পাট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭৪০.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. গেওয়া
  3. বাঁশ
  4. ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

• রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪১.
কোনটি মুরগির সংকর জাত?
  1. ক) আঁচিল
  2. খ) সাদা লেগহর্ন
  3. গ) অস্টালপ
  4. ঘ) রুপালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুপালি
ব্যাখ্যা

রুপালি ও সোনালী হলো মুরগির সংকর জাত।
- দেশি জাতের মধ্যে রয়েছে: চাটগে, আসিল, উদোলা গলা।
- বিদেশি জাতের মুরগি:সাদা লেগহর্ন, রোড আইল্যান্ড রেড, অস্টালপ ।
- দেশে বহুল পরিচিত মুরগি বয়লার, সোনালী, পাকিস্তানি ইত্যাদি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭৪২.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর 
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Fisheries Research Institute) বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য নিবেদিত একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। 
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।

এছাড়াও, ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
- স্বাদুপানি কেন্দ্র ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে অবস্থিত।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত
- লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৭৪৩.
কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) পাট
  2. খ) চা
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
- ধান বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়।
- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।
- পাট, চা, তুলা, রাবার, রেশম, তামাক, আখ ইত্যাদি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল।
৭৪৪.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  2. বেনাপোল, যশোর
  3. করমজল, খুলনা
  4. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
করমজল, খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করমজল, খুলনা
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৪৫.
হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফকিরহাট
  2. খ) করমজল
  3. গ) ডুলাহাজরা
  4. ঘ) চকোরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ডুলাহাজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডুলাহাজরা
ব্যাখ্যা

হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার।
(ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক)
মূলত ডুলাহাজরা কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন
ডুলাহাজরায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’ হিসাবে পরিচিত।
এখানেই হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
উল্লেখ্য, যদি অপশনে ডুলাহাজরা না থাকে, তাহলে উত্তর ‘চকোরিয়া’ হবে।

- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত সাভার, ঢাকা।
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত টিলাগড়, সিলেটর

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলার ওয়েবসাইট।

৭৪৬.
BRRI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ BRRI ওয়েবসাইট)
৭৪৭.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. বর্ণালি
  2. কাঞ্চন
  3. গোল্ডেন ক্রস
  4. মরিনী
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চন
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭৪৮.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. পঞ্চগড়
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
৭৪৯.
আলু - উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

আলু ও আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম। পেয়ারা উৎপাদনে - অষ্টম।
এবছর আলু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ মেট্রিক টন এবং আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

৭৫০.
আলুর একটি জাত-
  1. রূপালী
  2. ড্রামহেড
  3. কার্ডিনাল
  4. রতন
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'রূপালী' - উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।
• ড্রামহেড- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত।
• টমেটোর বিভিন্ন জাত - মানিক, রতন, বাহার, মিন্টু, চৈতী, টিপু সুলতান, বারি টমেটো, সিঁদুর ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

৭৫১.
একটি দেশের মোট ভূখণ্ডের কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন?
  1. ক) ২৫ ভাগ
  2. খ) ৩০ ভাগ
  3. গ) ১৫ ভাগ
  4. ঘ) ১৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
• বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৭৫২.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭৫৩.
কোনটি সমন্বিত চাষ?
  1. ক) হাঁস ও মাছ
  2. খ) মুরগি ও মাছ
  3. গ) হাঁস, ধান ও মাছ
  4. ঘ) a, b, c সবগুলি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b, c সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) a, b, c সবগুলি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত চাষ হচ্ছে একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল উৎপাদন করা, যেমন—পুকুরে মাছ ও হাঁস-মুরগি চাষ এবং ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ।
উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৫৪.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' কোন জাতের ফসল?
  1. তামাক
  2. বাধাকপি
  3. আলু 
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
আলু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু 
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিতে 'ফেন্সিনা' ও 'ক্যারেজ' আলুর জাত।  
- আলুর আরো কিছু উন্নতজাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ।  

• উন্নতজাতের আরো কিছু ফসলের জাত:

- উন্নত জাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
- সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
- সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
- বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
- মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
- বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
- যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
৭৫৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী,
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

- উৎপাদনে অন্যান্য শীর্ষ জেলা:
• ধান - ময়মনসিংহ।
• গম - ঠাকুরগাঁও।
• চা - মৌলভীবাজার।
• তামাক - কুষ্টিয়া।
• পাট - ফরিদপুর।
• ভুট্টা - দিনাজপুর।
• তুলা - ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭৫৬.
'বাহার' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. টমেটো
  3. বেগুন
  4. গম
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
টমেটোর উন্নত জাত:
- বাহার টমেটোর উন্নত জাত।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭৫৭.
'ইরাটম-২৪' নামক উন্নত জাতের ধান উদ্ভাবন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
'ইরাটম-২৪’ ধানের উন্নতজাত উদ্ভাবনকারী প্রতিষ্ঠান- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।

এই জাতের ধানের বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি মধ্যম স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত।
- জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৪০-১৫০ দিন ও আউশ মৌসুমে ১২৫-১৩০ দিন।
- গাছ মাঝারী আকারের লম্বা(৮০-৮৫ সেমি)।
- জাতটি পাতা পোড়া রোগ প্রতিরোধী।
- চাল মাঝারী সরু ও লম্বা।
- চালে এ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৬-২৮% ও আমিষের পরিমাণ ৮.২১-৮.৩৮%।
- ভাত সহজে নষ্ট হয় না।
- বেলে দো-আঁশ এবং এটেল দো-আঁশ জমি ইরাটম-২৪ চাষের উপযোগী।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
৭৫৮.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. ক) লেডিরোজ
  2. খ) ডায়মন্ড
  3. গ) ক্যারেজ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ক্যারেজ, লেডিরোজ 
• হলুদ: ডিমলা, দেবিপাট, পাটনাই, খোচামুদি
• ধান: হীরা, টিয়া, ময়না, ঝলক, সোনার বাংলা, বিজলি, আফতাব, মধুমতি
• গাজর: রয়েল ক্রস, কোরেল ক্রস, কিনকো সানটিনে রয়েল ও স্কারলেট নান্টেস

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৫৯.
বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত -
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি:
- বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত: তিন প্রকার-জমি, জল ও জলবায়ু।
- কৃষি উৎপাদন যেহেতু প্রধানত: একটি প্রাকৃতিক জীবন প্রক্রিয়া সেজন্য এর গতি প্রকৃতি সংশ্লিষ্ট দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তির উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে আবাদযোগ্য মোট জমি ক্রমশ: কমবে, বাড়বে না।
- ফলে বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মিটানোর জন্য একই জমিতে ক্রমাগত অধিকতর খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
- এর একটি পদ্ধতি হচ্ছে জলসেচের দ্বারা এক ফসলী জমিকে দুই ফসলী এবং দুই ফসলী জমিকে তিন ফসলী জমিতে রূপান্তরিত করা।

⇒ সাধারণভাবে বাংলাদেশের জলসম্পদের অভাব নেই।
- বস্তুত: বাংলাদেশকে বলাই হয় নীদমাতৃক বাংলাদেশ।
- কিন্তু লক্ষ্যণীয় যে, মৌসুম ভেদে এই জলসম্পদের ভূমিকা বদলে যায়।
- বর্ষা মৌসুমে জলসম্পদের আধিক্য বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি করে এবং শুল্ক মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় সহজলভ্য পানির অভাব দেখা যায়।
- তবে ভূগর্ভের পানি ঠিকমত ব্যবহার করলে এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও বাংলাদেশের শতকরা আশি ভাগ আবাদী জমিকে জলসেচের অধীনে আনা সম্ভব।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে বাংলাদেশে নানারকম পরিবেশগত দূষণ সৃষ্টি হচ্ছে।
- এর মধ্যে কৃষি সংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া বা পরিবেশ দূষণগুলো হচ্ছে-জমির উর্বরতা হ্রাস, পানির দূষণ, বন-উজাড়, পশুখাদ্যের অভাব মাছের অভাব ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনীতি, এস.এস.এইচ.এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬০.
নিচের কোনটি পেঁপের একটি জাত?
  1. ক) ওয়াশিংটন
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) কাজলা
  4. ঘ) অগ্নিশ্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়াশিংটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন ও রাঁচি হলো বাংলাদেশে চাষকৃত পেঁপের জাত।

অন্যদিকে,

- ড্রামহেড : বাঁধাকপির জাত
- কাজলা : বেগুনের জাত
- অগ্নিশ্বর : কলার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
৭৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী দুই ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯২,০০০ একর
  2. ৫০,০০০ একর
  3. ৫০,৮৪,০০০ একর
  4. ১,০১,৪৯,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
১,০১,৪৯,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০১,৪৯,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭৬২.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট ধানের জাত কতটি?
  1. ক) ৭৭টি
  2. খ) ৮৯টি
  3. গ) ১০৫টি
  4. ঘ) ১১৩টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১৩টি
ব্যাখ্যা
• ধানের জাত:
 - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকূল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযোগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১১৩টি (১০৫টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।

তম্মধ্যে:
- ৫১টি জাত বোরো মওসুমের জন্য (১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী)।
- ২৭ টি জাত বোনা এবং রোপা আউশ মওসুম উপযোগী।
- ৪৬ টি জাত রোপা আমন মওসুম উপযোগী।
- ১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী।
- ১টি জাত বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুম উপযোগী।
- ১টি জাত বোনা আমন মওসুম উপযোগী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৭৬৩.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের নাম?
  1. ক) Agriculture Information and Communication Service
  2. খ) Agriculture Information and Communication Society
  3. গ) Agriculture Information and Communication Center
  4. ঘ) Agriculture Information and Control Center
সঠিক উত্তর:
গ) Agriculture Information and Communication Center
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Agriculture Information and Communication Center
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র- Agriculture Information and Communication Center (AICC)।

এছাড়াও 
কোভিড-19 এর অভিঘাতসহ বিভিন্ন আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষি ‍উৎপাদন বৃদ্ধি চলমান রাখা, কৃষিবিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে।
যেমন:
কৃষকের জানালা 
কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
কৃষি বাতায়ন
বন্ধু ফোন
Online Fertilizer Recomendation Software
Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৭৬৪.
'আউশ ধান' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. কুমিল্লা
  4. ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭৬৫.
আমন ধান উত্তোলনের সময় কোনটি?
  1. এপ্রিল – মে
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা

আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার:
- রোপা আমন ও বোনা আমন।
- রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
• আউশ ধান রোপনের সময়= মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়= মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

• আমন ধান রোপনের সময়= জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

• বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৪।

৭৬৬.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উৎস: i) ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) ১০ অক্টোবর, ২০১৮, কালের কন্ঠ। 

৭৬৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

⇒ স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
৭৬৮.
নিচের কোনটি টমেটোর উন্নত জাত?
  1. ক) ঝুমকা
  2. খ) শ্রাবণী
  3. গ) রতন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- টমেটোর উন্নত জাত- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর ও শ্রাবণী।
- কলার  জাত- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মােহনাশী, বীটজবা, সিঙ্গাপুরি , বসরাই, চম্পা, করবী।
- ভুট্টার জাত- বর্ণালি, শুভ্রা, খইভুট্টা, মােহর উত্তরণ, সুপার সুইট কর্ন, সােয়ান-০২।

তথ্যসূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭৬৯.
নিচের কোনটি ভুট্টার জাত?
  1. শুভ্রা
  2. কানাইবাশি
  3. সোনালিকা
  4. ইরাটম
সঠিক উত্তর:
শুভ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুভ্রা
ব্যাখ্যা
ভুট্টার জাত: 
- খৈ ভুট্টা
- বর্ণালি
- মোহর
- শুভ্রা: জাতটি রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১১০ দিনে পাকে। ফলন প্রতি হেক্টরে রবি মৌসুমে ৪.৫-৫.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.৫ টন।
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৪
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬

উৎস: কৃষি বাতায়ন। 
৭৭০.
কোন আমের জাতটি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. হিমসাগর
  2. ফজলি
  3. ল্যাংড়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের খিরসাপাত আম (হিমসাগর), রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৭৭১.
‘ডায়ামন্ড’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭৭২.
'অঘ্রাণী' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) বেগুন
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গম
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ। 
• ধানের উন্নত জাত:- ইরাটম , হীরা , মুক্তা, আশা , মালা , হরি , নারিকা-১।
• ভুট্টার উন্নত জাত:- বর্ণালি ও শুভ্রা ,উত্তরণ।
• বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭৭৩.
'বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী' কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. পাবনা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
৭৭৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম হলো-
  1. ক) ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  2. খ) শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. গ) কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ঘ) চৈত্র-বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
• ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি  মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা: রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৭৭৫.
’রবিশস্য’ বলতে কী বুঝায়?
  1. গ্রীষ্মকালীন শস্যকে
  2. বর্ষাকালীন শস্যকে
  3. হেমন্তকালীন শস্যকে
  4. শীতকালীন শস্যকে
সঠিক উত্তর:
শীতকালীন শস্যকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতকালীন শস্যকে
ব্যাখ্যা

রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবিশস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কম তাপমাত্রায় রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গমমসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৭৭৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কোথায়?
  1. মুক্তাগাছা
  2. গাজীপুর
  3. নেত্রকোনা
  4. ভোলা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ,  এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। - মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
- কর্পোরেশনের সাধারণ ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা এবং অন্যান্য বিষয়াবলী সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালনাপর্ষদ এর উপর ন্যস্ত। কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো ৫টি উইং এর সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো: বীজ ও উদ্যান, ক্ষুদ্রসেচ, সার ব্যবস্থাপনা, অর্থ এবং প্রশাসন।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জরিপে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কাশিমপুর, গাজীপুর। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
৭৭৭.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। এছাড়া পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশেও সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে।

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৭৭৮.
জুম চাষকে অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. প্রাচীন চাষাবাদ 
  2. স্থানান্তর চাষাবাদ
  3. আবদ্ধ কৃষি
  4. আধুনিক চাষাবাদ
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর চাষাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর চাষাবাদ
ব্যাখ্যা

• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৭৭৯.
আউশ ধান সাধারণত কোন সময়ে রোপণ করা হয়?
  1. জানুয়ারি শেষ – ফেব্রুয়ারি শুরু
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. জুন শেষ – জুলাই শেষ
  4. সেপ্টেম্বর মধ্য – অক্টোবর শেষ
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

৭৮০.
বায়োফ্লক পদ্ধতি কোনটির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মুরগী পালন
  2. খ) মাছ চাষ
  3. গ) ধান মাড়াই
  4. ঘ) বনায়ন
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ চাষ
ব্যাখ্যা
- বায়োফ্লক হলো বর্তমান সময়ের মাছ চাষের একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।
- বায়োফ্লক এমন একটি পদ্ধতি যেখানে জৈব বর্জ্যের পুষ্টি থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য খাবার তৈরি করা হয়। যে ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল তৈরি হয় তা পানিতে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন গঠিত জৈব বর্জ্যকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি হতে না দিয়ে নিজেদের বংশ বাড়ায় এবং এটিকেই ফ্লক বলে।
- এসব ফ্লকে প্রচুর উপাদান থাকে, যা মাছের পুষ্টির যোগান দেয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান মাছ চাষ করা হয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
৭৮১.
কোন পোকা পার্থেনোজেনেসিস-এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে?
  1. বাদামী গাছ ফড়িং
  2. সবুজ ঘাস ফড়িং
  3. এফিড
  4. থ্রিপ্স
সঠিক উত্তর:
এফিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফিড
ব্যাখ্যা
এফিড পোকা:
- এফিড এক ধরনের শোষক পোকা যা ফসলের আগা বা শীষ, পাতা ও ফুল–ফলের নরম অংশের রস শোষণ করে থাকে।
- এফিড সাধারণত বছরে ১০ থেকে ৩০ বার পর্যন্ত পার্থেনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে এবং বছরে ১ বার যৌন-প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে।

উৎস: Frontiers in Physiology Journal.
৭৮২.
কোন কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কর্ণফুলি পেপার মিল
  2. খ) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
  3. গ) সিলেট পেপার মিল
  4. ঘ) নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে। 
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।

- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ।

- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়। 
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ। 

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৭৮৩.
খরিপ মৌসুমকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাগে
ব্যাখ্যা
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
৭৮৪.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড় বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) চাপালিশ
  2. খ) গর্জন
  3. গ) শাল
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
গ) শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাল
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৭৮৫.
কোন জেলায় সর্বাধিক ইলিশ আহরিত হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. ভোলা
  3. পটুয়াখালী
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
- মৎস্য পরিসংখ্যা বর্ষগ্রন্থ-২০১৯/২০ অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ইলিশ উৎপাদিত হয় ৫.৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
ইলিশ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ভোলা (১.৭১ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : বরগুনা (৭৩ হাজার টন)
- তৃতীয় : পটুয়াখালী (৭০ হাজার টন)।
(তথ্যসূত্র:মৎস্য পরিসংখ্যা বর্ষগ্রন্থ : ২০১৯-২০২০)
৭৮৬.
বাংলাদেশে আমন ধান উত্তোলনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিলে
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  4. মধ্য জুলাই–আগস্টের শুরু
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
৭৮৭.
What type of crops named 'Balaka' is?
  1. ক) Rice
  2. খ) June
  3. গ) Wheat
  4. ঘ) Tomato
সঠিক উত্তর:
গ) Wheat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Wheat
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, শতাব্দী ইত্যাদি।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা ইত্যাদি।
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী ইত্যাদি।
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৭৮৮.
BWMRI কোন দুটি শস্যের উন্নয়ন ও গবেষণার কাজ করে থাকে?
  1. পাট ও আখ
  2. গম ও ভুট্টা
  3. গম ও সরিষা
  4. চা ও তামাক
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

• BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৭৮৯.
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) ভোলা
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭৯০.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাত কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১০৯টি
  2. ১২৭টি
  3. ১২০টি
  4. ১২৩টি
সঠিক উত্তর:
১২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ (সর্বমোট ১২৭)। (মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত)

এর মধ্যে রয়েছে: 
• জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত
ব্রি ধান৬২;
ব্রি ধান৬৪;
ব্রি ধান৭২;
ব্রি ধান৭৪;
ব্রি ধান৮৪;
ব্রি ধান১০০;
ব্রি ধান ১০২;

• খরা সহিষ্ঞু ধানের জাত-
ব্রি ধান ৪৩;
ব্রি ধান ৫৫;
ব্রি ধান ৫৬;
ব্রি ধান ৫৭;
ব্রি ধান ৬৬;
ব্রি ধান ৭১;
ব্রি ধান ৮৩;

• জলমগ্নতা সহিষ্ঞু ধানের জাত:
ব্রি ধান৫১
ব্রি ধান৫২
ব্রি ধান৭৯
ব্রি ধান১০৯
ব্রি ধান১১০

• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪,  বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে -
  1. ময়মনসিংহ জেলা
  2. দিনাজপুর জেলা
  3. কুমিল্লা জেলা
  4. রংপুর জেলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭৯২.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের ৩০% ধান উৎপাদন করে থাকে চীন, যে উৎপাদন প্রায় ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

⇒ ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
1. চীন।
2. ভারত।
3. বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ধান আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- ধান রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ ভারত।

এছাড়াও বাংলাদেশ -
- সবজি উৎপাদনে ৩য় অবস্থানে,
- আম উৎপাদনে ৮ম অবস্থানে,
- কাঁঠাল উৎপাদনে ২য় অবস্থানে,
- আলু উৎপাদনে ৬ষ্ঠ অবস্থানে,
- পেঁয়াজ উৎপাদনে ৮ম অবস্থানে,
- ইলিশ উৎপাদনে ১ম স্থানে,
- পাট উৎপাদনে ২য় স্থানে,
- মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে ৩য় অবস্থানে,

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৭৯৩.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।

⇒ প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

⇒ বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৪টি বিভাগ রয়েছে; যথা: (১) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিভাগ, (২) অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ, (৩) সম্প্রসারণ ও প্রেষণা বিভাগ এবং (৪) উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিভাগ।
- এ ছাড়াও গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসহ এমআইএস সেল, নিরীক্ষা শাখা, জনসংযোগ শাখা সরাসরি মহাপরিচালকের অধীনে ন্যাস্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের নুতন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের বিষয়টি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭৯৪.
মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে কতটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২৭টি 
  2. ৩০টি 
  3. ১৫টি 
  4. ২১টি 
সঠিক উত্তর:
৩০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি 
ব্যাখ্যা

• মৃত্তিকা ভিত্তিক পরিবেশ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফসল নির্বাচন:
- মাটির বৈশিষ্ট্য বলতে মাটির শ্রেণি, জৈব পদার্থের মাত্রা, পটাশজাত খনিজের মাত্রা, PH মাত্রা এবং মাটির বন্ধুরতাকে বোঝায়। 
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। 
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে। 
- এক একটি কৃষি অঞ্চল এক একটি প্রযুক্তিও বটে। 
- কৃষি কর্মকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন কৃষি কর্মের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষিকাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে। 

• মাটির গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
- এই অঞ্চলগুলোর মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন দেখানো হলো।
১। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল।
২। কাদা মাটি অঞ্চল।
৩। বরেন্দ্র অঞ্চল ও মধুপুর অঞ্চল।
৪। পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চল।
৫। উপকূলীয় অঞ্চল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৭৯৫.
কলার চারা পরপর কত দূরত্বে লাগানো উচিত?
  1. ৩ মি. × ৩ মি.
  2. ২ মি. × ২ মি.
  3. ২ মি. × ৩ মি.
  4. ৩ মি. × ৪ মি.
সঠিক উত্তর:
২ মি. × ২ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মি. × ২ মি.
ব্যাখ্যা
কলা চাষ:
- কলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল।
- কলা জনপ্রিয়, সস্তা ও সুস্বাদু ফল।
- এতে মানবদেহের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
- কলার অনেক জাত সেগুলো সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কলা গাছের গুড়ি কন্দ মাটির নীচে থাকে এটিই আসল কান্ড।
- পাতার পাতাগুলি শক্ত ও ঘনভাবে বিন্যস্ত হয়ে ভুয়াকান্ডে পরিণত হয়।

⇒ কলার জমি নির্বাচন:
- কলার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।
- সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধা আছে এমন জমি কলা চাষের জন্য উপযোগী।
- তবে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা আছে এমন জমি উত্তম।

⇒ জাত নির্বাচন:
- পৃথিবীতে অনেক চাষযোগ্য জাত রয়েছে।
- বাংলাদেশে কলার জাত সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. পাকা অবস্থায় খাওয়ার উপযোগী কলা: অমৃত সাগর, সবরী, অগ্নীসর, মেহের সাগর, চাম্পা, চিনি চাম্পা, কবরী, এঁটে কলা।
২. আনাজী বা সবজি কলা: ভেড়ারভোগ, চোয়াল পউশ, বেহুলা, মন্দিরা ইত্যাদি।

⇒ জমি তৈরি:
- কলার মূল ততটা গভীর না হলেও বিস্তারশীল।
- মাটিতে শিকড় যাতে ভালোভাবে ছড়িয়ে যেতে পারে সেজন্য ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে।
- এরপর ২ মি. × ২ মি. দূরত্বে কাঠি পুঁতে রোপণের অবস্থান ঠিক করে নিতে হবে।
- কাঠিকে কেন্দ্র করে ৫০ সে.মি.× ৫০ সে.মি. গভীর করে গর্ত খুঁড়তে হয়।
- ১০-১৫ দিন গর্ত উম্মুক্ত রাখতে হবে।
- উপরের মাটির সাথে জৈব সার মিশিয়ে গর্তে দিতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৬.
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয়-
  1. ক) এপ্রিল-মে মাসে
  2. খ) জুলাই-আগষ্ট মাসে
  3. গ) নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে
  4. ঘ) নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই-আগষ্ট মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জুলাই-আগষ্ট মাসে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয় জুলাই-আগষ্ট মাসে। বোনা-আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, রোপা আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে, স্থানীয় বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল-মে মাসে, উচ্চফলনশীল বোরো ধান কাটা হয় মে-জুন মাসে।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৭৯৭.
বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭৩টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় ১০ টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৭৯৮.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর মৌলিক কাজ কী?
  1. জাত উদ্ভব
  2. বীজ, সার সরবরাহ
  3. কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি):

- বিএডিসি ১৯৬১ সালে “পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন” নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII, ১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের অন্যান্য কৃষি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কার্যক্রমে ভিন্নতার কারণে ১৯৭৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) রাখা হয়।
- ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি-এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে আবার বিএডিসি রাখা হয়।
- বিএডিসি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, যার কেন্দ্র ঢাকা শহর, তবে সেবা সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত।
- মাঠ পর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এবং কিছু ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের নেটওয়ার্ক রয়েছে।

বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে:
- সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণএবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা
- অত্যাবশ্যকীয়কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ।
- ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯৯.
কোনটি মাঠ ফসল?
  1. ধান, গম, ভুট্টা
  2. সরিষা, সয়াবিন, তিল
  3. চা, কফি, কোকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- বিভিন্ন ধরনের মাঠ ফসলের কৃষিতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ:
১। তন্ডুল বা দানাজাতীয় শস্য:
- এরা গ্রামিনী পরিবারের অন্তর্গত।
- এ পরিবারের খাবার উপযোগী দানা জাতীয় শস্যগুলোকেই তন্ডুল ফসল বলে।
- যেমন- ধান, গম, ভুট্টা, যব, চীনা, কাওন ইত্যাদি।

২। ডাল ফসল:
- লিগুমিনোসি পরিবারের প্যাপিলিওনেসি উপ-পরিবারের যে সমস্ত দানাজাতীয় ফসল ডালের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে ডাল ফসল বলা হয়।
- যেমন- মসুর, খেসারি, মুগ, ছোলা, মাসকালাই ইত্যাদি।

৩। তৈল ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের বীজ থেকে তেল সংগ্রহ করা হয়।
- সেগুলোকে তৈল ফসল বলা হয়।
- যেমন- সরিষা, সয়াবিন, তিল, তিসি, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

৪। চিনি ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের রস থেকে মিষ্টিজাতীয় পদার্থ যেমন- চিনি, গুড়, মিছরি ইত্যাদি তৈরি করা হয়, সেগুলোকে চিনি ফসল বলে।
- যেমন- আখ, বিট, খেজুর, তাল ইত্যাদি।

৫। আঁশ ফসল:
- আঁশ পাওয়ার জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে আঁশ ফসল বলা হয়।
- যেমন- পাট, তুলা, শনপাট, কেনাফ, রামী ইত্যাদি।

৬। নেশা ফসল:
- নেশাজাতীয় দ্রব্য উৎপাদানের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে নেশা ফসল বলে।
- যেমন- তামাক, গাঁজা, আফিম, কুম্ভি, হেনবেন ইত্যাদি।

৭। পানীয় ফসল: যে সকল ফসল পানীয় দ্রব্য উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে পানীয় ফসল বলে।
- যেমন- চা, কফি, কোকো ইত্যাদি।

৮। পশুখাদ্য ফসল:
- পশুর খাদ্যের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়।
- সেগুলোকে পশুখাদ্য ফসল বলে।
- যেমন- প্যারা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস, ভুট্টা, জোয়ার, খেসারি, মাসকালাই ইত্যাদি।

৯। সবুজ সার ফসল:
- যে সমস্ত সবুজ ফসল জন্মানোর একটা নির্দিষ্ট সময় পর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে জৈব সার তৈরির জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে সবুজ সার ফসল বলে।
- যেমন- ধইঞ্চা, শনপাট ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০০.
বর্তমানে দেশে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ঝিনাইদহ 
  2. ঠাকুরগাঁও 
  3. দিনাজপুর 
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
ব্যাখ্যা

তুলা চাষ:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

• তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
         ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।