বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১৪ / ১৭ · ১,৩০১১,৪০০ / ১,৬৮১

১,৩০১.
বাংলাদেশের প্রথম চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র:
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত - বাগেরহাট।

এছাড়াও -
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত - কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র অবস্থিত - ময়মনসিংহ।
- নদী কেন্দ্র অবস্থিত - চাদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র অবস্থিত - পাইকগাছা, খুলনা।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,৩০২.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) কুষ্টিয়া জেলা
  2. খ) লালমনিরহাট জেলা
  3. গ) গাইবান্ধা জেলা
  4. ঘ) রংপুর জেলা
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া জেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কুষ্টিয়া জেলা
ব্যাখ্যা
তামাক উৎপাদন:

- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া জেলা।
- তামাক উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা লালমনিরহাট জেলা।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষে খুলনা বিভাগ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষে দ্বিতীয় রংপুর বিভাগ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
১,৩০৩.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ক) ব্রি ধান ৫৬
  2. খ) বি আর ৫
  3. গ) ব্রি ধান ৫১
  4. ঘ) ব্রি ধান ৬২
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৫৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
অন্যদিকে বিআর ৫ হলো এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ব্রি ধান ৫১ হলো জলমগ্নতা সহিষ্ণু এবং ব্রি ধান ৬২ হলো জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত।
(সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১,৩০৪.
মার্কিন কৃষিবিভাগের পূর্বাভাস মতে চলতি বছরে ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হবে?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের পূর্বাভাস মতে চলতি বছরে ধান উৎপাদনে এশিয়া ও বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হবে তৃতীয়। এ বছর বাংলাদেশের ধান উৎপাদন ৩.৬ কোটি মে. টন ছাড়িয়ে। এতে ইন্দোনেশিয়াকে টপকে ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে।
(সূত্রঃ USDA ওয়েবসাইট)
১,৩০৫.
ইলিশ মাছের দৈর্ঘ্য কত সেন্টিমিটারের কম হলে সেটাকে ‘জাটকা ইলিশ’ বলা হয়ে থাকে?
  1. ৯ সেন্টিমিটার
  2. ১০ সেন্টিমিটার
  3. ২৪ সেন্টিমিটার
  4. ২৫ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:
- বাংলাদেশে ১ নভেম্বর থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত জাটকা অর্থাৎ বাচ্চা ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। 
- বাংলাদেশের মৎস্য আইন অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটার আকৃতির ইলিশ জাটকা হিসেবে গণ্য হবে।
- এই আইন অমান্য করা হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে দুই বছরের জেল অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। 

⇒ জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা, বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা।
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা থেকে পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

⇔ ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো। 
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১,৩০৬.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৭
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৬৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৩০৭.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ভুট্টা
  2. তেলবীজ
  3. ফুল
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট।
অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- চা
- ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে ভুট্টা, ধান, গম, আলু, তেলবীজ প্রভৃতি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩০৮.
'কাটারিভোগ' ধানের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কাটারিভোগ ধান:
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল।
- এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়।
- কাটারিভোগ জাতের ধান কৃষকেরা আমন মৌসুমে ফলায়।
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই)।

এছাড়াও,
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১,৩০৯.
কোনটি উন্নত জাতের টমেটো?
  1. ক) শুকতারা
  2. খ) সফল
  3. গ) মানিক
  4. ঘ) রূপালী
সঠিক উত্তর:
গ) মানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মানিক
ব্যাখ্যা
উন্নত জাতের টমেটু হল মানিক।
-এছাড়াও বাহার , রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, মিন্টু হল উন্নত জাতের টমেটু।
- শুকতারা উন্নত জাতের বেগুন।
- রূপালী উন্নত জাতের তুলা।
-  সফল উন্নত জাতের  সরিষা।

উৎস: ais.gov.bd
১,৩১০.
কোন ফসলকে 'সাদা সোনা' বলা হয়?
  1. চা
  2. পাট
  3. তুলা
  4. চিংড়ি
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ বাংলাদেশে মূলত সমভূমি জাতের এবং সীমিত আকারে পাহাড়ী জাতের তুলার চাষ হয়ে থাকে। প্রধানত যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বন্যামুক্ত সমভূমিতে এবং বন্যামুক্ত চরাঞ্চলে তুলা চাষ হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে পাহাড়ি অঞ্চলের সমতল ভূমিতেও সমভূমির জাতের তুলা চাষ হচ্ছে। যেহেতু তুলা একটি খরা ও লবন সহনশীল ফসল, তাই কম বৃষ্টি প্রবণ রাজশাহী ও রংপুরের বরেন্দ্র অঞ্চলে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ত ভূমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমভূমি অঞ্চলে তুলাচাষ নির্ভরই আমাদের বস্ত্র শিল্প।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়। চিংড়ি 'সাদা সোনা' কিন্তু ফসল নয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৩১১.
বাংলামতি কী?
  1. একটি নদীর নাম
  2. এক প্রকার আম
  3. এক প্রকার গম
  4. এক প্রকার ধান
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার ধান
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমুক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন (সেচ সহ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
• গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
• গাছ হেলে পড়ে না।
• চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
• ভাত ঝরঝরে।
• চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৩১২.
২০২১ সালে দেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল-
  1. ক) ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি
  2. খ) ৯ কোটি ১০ লাখ কেজি
  3. গ) ৯ কোটি ৫৬ লাখ কেজি
  4. ঘ) ৯ কোটি ২০ লাখ কেজি
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি
ব্যাখ্যা

- বাণিজ্যিক চা চাষে ১৬৮ বছরের ইতিহাসে গেল বছর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদন করে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
- ২০২১ সালে ছোট-বড় সব বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ এ চা উৎপাদনের হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ চা বোর্ড।
- ২০২০ সালের তুলনায় এক কোটি ১১ লাখ কেজি বেশি।
- এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল, যা ছিল সেসময় পর্যন্ত দেশে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ।
- চা বোর্ডের তথ্য অনুসারে, ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ চা বোর্ড।

১,৩১৩.
কোন জেলায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- জৈব চাষের প্রথাগত নিয়ম মেনেই তৈরি হয় অর্গ্যানিক চা।
- এক্ষেত্রে চা পাতায় কোনও রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না।
- সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই চাষ করা হয় এই চা।
- এই ধরনের চা পাতার গন্ধ ও গুণ আলাদা হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১,৩১৪.
কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক তৈরি করা ওয়েবসাইটের নাম কী?
  1. স্বপ্ন
  2. বেচাকেনা ডট কম
  3. সদাই
  4. বাজার
সঠিক উত্তর:
সদাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদাই
ব্যাখ্যা
সদাই:
- কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ‘সদাই’ নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে।
- কৃষক এবং ভোক্তাদের জন্য আলাদা দুটি মোবাইল অ্যাপও তৈরি করেছে তারা।

উল্লেখ্য,
- কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অনলাইনভিত্তিক কৃষি বিপণনব্যবস্থা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প ২০২০ সালের জুনে শুরু হয়।
- এই প্রকল্পের আওতায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সদাই’ ওয়েবসাইট ও দুটি অ্যাপ বানানো হয়, যা ইতিমধ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বুঝে পেয়েছে।

উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩১৫.
বাংলাদেশের কোন জাতের ছাগল সবচেযে বেশি পালন করা হয়?
  1. লাহিড়ী
  2. ব্ল্যাক বেঙ্গল
  3. রামছাগল
  4. সিন্ধি
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক বেঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক বেঙ্গল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল। এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের।
মাংসও অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
(সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৩১৬.
নিচের কোনটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি?
  1. ক) শালবন
  2. খ) উপকূলীয় বনভূমি
  3. গ) সিলেট পাহাড়িয়া বনভূমি
  4. ঘ) সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
ক) শালবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শালবন
ব্যাখ্যা
শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর। টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৩১৭.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল ?
  1. ক) তুলা
  2. খ) আখ
  3. গ) পান
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
• যেমন পাট, চা, তামাক,পান, আখ, তুলা, ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১,৩১৮.
নিম্নের কোন অর্থকরী ফসলটি 'সাদা সোনা' হিসেবে পরিচিত?
  1. তুলা
  2. পাট
  3. তামাক
  4. চা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসল তুলা 'সাদা সোনা' হিসেবে পরিচিত।

তুলা:

- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ বাংলাদেশে মূলত সমভূমি জাতের এবং সীমিত আকারে পাহাড়ী জাতের তুলার চাষ হয়ে থাকে। প্রধানত যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বন্যামুক্ত সমভূমিতে এবং বন্যামুক্ত চরাঞ্চলে তুলা চাষ হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে পাহাড়ি অঞ্চলের সমতল ভূমিতেও সমভূমির জাতের তুলা চাষ হচ্ছে। যেহেতু তুলা একটি খরা ও লবন সহনশীল ফসল, তাই কম বৃষ্টি প্রবণ রাজশাহী ও রংপুরের বরেন্দ্র অঞ্চলে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ত ভূমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমভূমি অঞ্চলে তুলাচাষ নির্ভরই আমাদের বস্ত্র শিল্প।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৩১৯.
বাংলাদেশের কোন জেলা 'সয়াল্যান্ড' নামে পরিচিত? 
  1. বরিশাল 
  2. দিনাজপুর
  3. লক্ষ্মীপুর
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- লক্ষ্মীপুর জেলা।
- এটি দেশের মোট সয়াবিন উৎপাদনের প্রায় ৮০% সরবরাহ করে, যার কারণে লক্ষ্মীপুরকে "সয়াল্যান্ড" (Soyaland) বলে ডাকা হয়।
-  জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এবং প্রথম আলো। (Link) 

১,৩২০.
বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত-
  1. ক) শাহবাজপুর
  2. খ) জকিগঞ্জ
  3. গ) বিয়ানীবাজার
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) জকিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জকিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি।
- দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেটের জকিগঞ্জে আবিষ্কৃত হয়।
১,৩২১.
লবণাক্ত উপকূলীয় বনের সর্বাধিক প্রচলিত বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ লবণাক্ত উপকূলীয় বনের সর্বাধিক প্রচলিত বৃক্ষ সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা, পশুর প্রভৃতি।

উপকূলীয় বন:

- উপকূলীয় বন হলো সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বনভূমি।
- যা জোয়ারের লবণাক্ত পানিতে নিয়মিত প্লাবিত হয় বলে ম্যানগ্রোভ বন নামেও পরিচিত।
- এছাড়া সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা বনকেও উপকূলীয় বন বলা হয়।
- বাংলাদেশে এই বন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা সহ আরো কিছু জেলায় বিস্তৃত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী অঞ্চলের উপকূলীয় বনই সুন্দরবন নামে বিখ্যাত।
- যা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন এবং বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এর মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার (বাংলাদেশ অংশ)।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী, এছাড়া গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা, পশুর প্রভৃতি গাছপালা এখানে প্রচুর।
- এই বনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার; অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রাণী চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর, বিভিন্ন পাখি ও কীটপতঙ্গ।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,৩২২.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) বৈলাম
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) তেলসুর
  4. ঘ) গজারি
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সুন্দরবনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বৈলাম, তেলসুর ও গজারি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
১,৩২৩.
বর্তমানে (অক্টোবর, ২০২৪) বাংলাদেশে চা-বাগানের সংখ্যা -
  1. ১৬৭টি
  2. ১৬৮টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯টি
ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

চা শিল্প:

- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।
- ২০২৩ সালের ৪ জুন প্রথমবারের মত চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে মোট আটটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৩ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৩২৪.
নিচের কোনটি মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল?
  1. ক) বাঁধাকপি
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে
ব্যাখ্যা
- যে সকল ফসল সকল ঋতুতে চাষ হয়ে থাকে সেগুলােকে মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল বলে।
যেমনঃ লাল শাক, বেগুন, পেঁপে, কলা।

অন্যদিকে,
- বাঁধাকপি , পেঁয়াজ , আলু হলো রবি ফসল।

তথ্যসূত্র - শিক্ষক বাতায়ন।
১,৩২৫.
'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত-
  1. ক) ফরিদপুরে
  2. খ) চাঁদপুরে
  3. গ) ময়মনসিংহে
  4. ঘ) গাজীপুরে
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত। 
- এটি কার্যক্রম শুরু করে ১৯৮৪ সালে।
- ২০২০ সালে গবেষণায় একুশে পদক লাভ করে।

- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অবস্থিত চাঁদপুরে।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র অবস্থিত চাঁদপুরে।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত ফরিদপুরে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৩২৬.
দেশের কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১২.১৫ শতাংশ
  2. খ) ১৮.৪০ শতাংশ
  3. গ) ২১.৮৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৩১.২২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২১.৮৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২১.৮৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২১.৮৩ শতাংশ। 
দেশের মোট জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫৭ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১,৩২৭.
কোন ফসলের জন্য কোন এলাকা উপযুক্ত তা নির্ধারণ করা হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. ক) পোস্ট হারভেস্ট ম্যানেজমেন্ট
  2. খ) ক্যাশ ক্রপিং
  3. গ) জিনোম সিকোয়েন্সিং
  4. ঘ) ক্রপ জোনিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রপ জোনিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রপ জোনিং
ব্যাখ্যা
জমির উপযোগিতাভিত্তিক ক্রপ জোনিং ম্যাপ প্রণয়ন -
মাটি, জলবায়ু ও এলাকা উপযোগী ফসল নির্বাচন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশে ক্রপ জোনিং ম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। এনএআরএস প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এসআরডিআই, বিএআরআই এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় বিএআরসি কর্তৃক এ ম্যাপ তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ম্যাপ অনুসরণ করে এলাকাভিত্তিক উপযোগী ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
(রেফারেন্স- কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,৩২৮.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. কার্তিক - ফাল্গুন
  2. চৈত্র - বৈশাখ
  3. ভাদ্র - অগ্রহায়ণ
  4. শ্রাবণ - আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৩২৯.
কৃষিজ রবি মৌসুম কোনটি?
  1. শ্রাবণ থেকে আশ্বিন
  2. চৈত্র থেকে আষাঢ়
  3. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. ভাদ্র থেকে আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
কৃষিজ রবি মৌসুম কার্তিক থেকে ফাল্গুন।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
⇒ রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা, আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৩৩০.
চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ বিভাগ-
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা

কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২০ অনুযায়ী,
- চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা পাবনা।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা বগুড়া।

১,৩৩১.
রাতারগুল বনের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলেট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল হলো একটি জলাভূমির বন। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর। এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও পিটালী উল্লেখযোগ্য। এ বনের বৃক্ষ বছরের প্রায় অর্ধেক সময় আংশিক জলমগ্ন থাকে।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৩৩২.
একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন কত?
  1. ৩ মণ
  2. ৪ মণ
  3. ৪.৫ মণ
  4. ৫.৫ মণ
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা

কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।

• পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে। বেল অর্থ গাঁট বাধা। গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।

১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) বাংলা একাডেমী অভিধান।

১,৩৩৩.
দেশে সর্বশেষ জাতীয় কৃষি নীতি প্রণীত হয় কবে?
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১৫ সালে
  3. গ) ২০১৮ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় কৃষি নীতি প্রণীত হয় ২০১৮ সালে
এর আগে ১৯৯৯ সালে দেশে সর্বপ্রথম জাতীয় কৃষি নীতি প্রতিনিধি প্রণীত হয় যা ২০১৩ সালে সংশোধিত হয়।

(তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২)
১,৩৩৪.
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. খুলনা
  2. সাতক্ষীরা
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মাছ উৎপাদন:
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- দেশে মোট উৎপাদনের ১২ শতাংশ মাছ সরবরাহ করে এই জেলা।
- মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ময়মনসিংহ জেলায় মোট মাছ উৎপাদন হয়েছিল তিন লাখ ৪৫ হাজার টন।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লাখ ১৮ হাজার ৬৪৫ টনে।
- বাজারমূল্য হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ১২ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১,৩৩৫.
ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। 

⇒ ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান ১ শতাংশের বেশি। দেশের মৎস্য উৎপাদনে যার অংশ প্রায় ১১ শতাংশ। বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি আহরিত হয় বাংলাদেশের নদ-নদী, মোহনা ও সাগর থেকে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৩৩৬.
নদী ছাড়া যমুনা কীসের নাম?
  1. বেগুন
  2. ভুট্টা
  3. তামাক
  4. মরিচ
সঠিক উত্তর:
মরিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচ
ব্যাখ্যা
মরিচ:
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।

এছাড়াও -
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৩৩৭.
বাংলাদেশে গো-চারণের জন্য বাথান আছে - 
  1. ক) সিরাজগঞ্জ
  2. খ) পাবনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• চারণ ভূমি:
- বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
- অতীতে দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর ও পাবনা, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাথান ‍ভূমির আয়তন প্রায় ১,২০০ (বারশো) একর।
- বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত দুগ্ধশিল্প গড়ে উঠেছে শাহজাদপুরে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুগ্ধপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা 'মিল্ক ভিটা'।
- আর এর মূলে রয়েছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী বাথানভূমির আবদান

উৎস: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩৩৮.
”গোপালভোগ” কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. তরমুজ
  4. আম
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

১,৩৩৯.
বিআর-২৮ কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের আলু
  4. উন্নত জাতের ভুট্রা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

বিআর-২৮
- ব্রি ধান২৮ বোরো মৌসুমের একটি আগাম জাত।
- এ জাত ১৯৯৪ সালে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত হয়।
- গাছের উচ্চতা ৯০ সেমি।
- পাকার সময় ধানের শীষ উপরে থাকে।
- চাল মাঝারি চিকন ও সাদা।
- ভাত ঝরে ঝরে ও খেতে সুস্বাদু।
- এ জাতের জীবনকাল ব্রি ধান২৯ এর চেয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ কম। 
- এ জাতটির জীবনকাল ১৪০ দিন।
- স্বাভাবিক ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.৫-৬.০ টন।
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজ তলায় বীজ বপন: ১-১৫ অগ্রহায়ণ (১৫-২৯ নভেম্বর)।
২. চারার বয়স-  ৩৫-৪০ দিনের চারা।
৩. চারা রোপনের সময় -  ৭-১২ মাঘ (২০শে জানুয়ারি থেকে ২৫শে জানুয়ারি)।
৪. চারার সংখ্যা-  প্রতি গুছিতে ২-৩ টি
৫. রোপণ দূরত্ব-  ২০০১৫ সেন্টিমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,৩৪০.
IDCC-এর তথ্য মতে, ২০৫০ সালের মধ্যেই বাংলাদেশের খাদ্য উৎপাদন কত শতাংশ হ্রাস পাবে?
  1. ২০ শতাংশ
  2. ২৫ শতাংশ
  3. ২৮ শতাংশ
  4. ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ:
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জিডিপির দুই শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ২১০০ সাল নাগাদ এই হার বৃদ্ধি হবে নয় শতাংশ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং একই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
- লবণাক্ততা ও বন্যার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় অঞ্চল।
- তাছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: Transparency International Bangladesh ওয়েবসাইট।

১,৩৪১.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট- এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1.  ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4.  খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
- প্রধান কার্যালয়: চট্টগ্রাম
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 
- এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য:
(১) দারিদ্র্য বিমোচনকল্পে প্রযুক্তিগত উপকরণাদি সরবরাহের মাধ্যমে পার্বত্য, সমতল, পল্লী ও উপকূলীয় বনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নয়ন।
(২) সর্বোত্তম ও পরিপোষক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পতিত ও প্রান্তিক জমিতে বনায়ন ও কৃষিবনায়নে গবেষণা সুবিধা প্রদান।
(৩) প্রযুক্তিগত উপকরণ যোগানোর মাধ্যমে বনজ দ্রব্যাদির যুক্তিযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিতকরণ; জাতীয় ও পল্লী বনাঞ্চলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণে সহায়তা প্রদান।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মসূচি হলো: 
(১) টেকসই উৎপাদনের জন্য বৃক্ষপ্রজাতি উন্নয়ন;
(২) ক্লোনজাত ও বীজজাত চারাগাছের বাগান ও বীজতলা স্থাপন;
(৩) মাইক্রোবিস্তারণ কৌশল উন্নয়ন;
(৪) নার্সারি, বনায়ন এবং পাহাড়, সমতল ও ম্যানগ্রোভ বনের বনবিদ্যাগত উন্নয়ন; বৃক্ষরোপণ,
(৫) পল্লী বনায়ন ও কাঠনির্ভর শিল্প সম্পর্কে আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা পরিচালনা;
(৬) বন ও নার্সারির জন্য সমন্বিত ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা;
(৭) পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা গবেষণা;
(৮) শিল্প ও অন্যান্য কাজে কাঠের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, গুণগত উন্নতি সাধনের জন্য কাঠ সিজনিং, বনজ দ্রব্যের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির জন্য সংরক্ষক দ্রব্যাদি ব্যবহার;
(৯) শিল্পকর্মে বর্জ্যকাঠের ব্যবহার, মন্ড উৎপাদনের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, মন্ড আমদানির বিকল্প হিসেবে দেশী কাঁচামাল থেকে মন্ডপ্রস্ত্তত; সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শসেবা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

১,৩৪২.
জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:

- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৪৩.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং নিম্নের কোন কাজ পরিচালনা করে?
  1. মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ সেবা প্রদান
  2. কৃষি পণ্য রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
  3. কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদন
  4. কৃষি গবেষণা পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ সেবা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ সেবা প্রদান
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং:
- ডিএই’র কর্মকান্ডের মুল কেন্দ্রবিন্দুই হলো সরেজমিন উইং।
- ডিএই’তে কর্মরত প্রায় ২৫ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ২১ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারী এ উইংয়ে কর্মরত।
- একজন পরিচালক উইং এর দায়িত্বে আছেন।

⇒ মাঠ পর্যায়ে বার্ষিক কৃষি সম্প্রসারণ কর্মপরিকলনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, মনিটরিং ও মূল্যায়ন করা এ উইং-এর মূল কাজ।
- এছাড়াও কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, উপকরণের চাহিদা নিরূপন, বরাদ্দ ও মনিটরিং এবং মাঠের কার্যক্রম তদারকী করা।

⇒ সম্প্রসারণ সেবা প্রদানকারী অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় সাধন, বার্ষিক রাজস্ব বাজেট প্রণয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য সমূহ সম্প্রসারণ বার্তা হিসেবে রূপান্তর করে মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা।
- এ ছাড়া ১৪টি অঞ্চল (ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লা ও সিলেট), ৬৪টি জেলা, ৪৮৫টি উপজেলা ও ১২৬৪০টি ব্লকের সম্প্রসারণ কার্যক্রমের তদারকি এ উইং এর মাধ্যমে করা হয়।

অন্যদিকে,
- প্রশাসন ও অর্থ উইং-এর প্রধান কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৩৪৪.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে
যথা –
-- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
-- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের ফসলের সার্বিক চিত্রটি মূলত পরবর্তী বছরের ফসল উৎপাদনের অনুমান/সম্ভাব্য (Estimation) উৎপাদন। তাই প্রকৃত উৎপাদনের তথ্যের সাথে এই পরিসংখ্যানের তথ্যের মিল থাকে না।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
১,৩৪৫.
ম্যাথ (MATH) মডেল কী?
  1. Medium Agro Technological Horticulture
  2. Modern Agro Technology in The Hills
  3. Modern Agricultural higher Technology
  4. Modern Agricultural Technology in The Hills
সঠিক উত্তর:
Modern Agricultural Technology in The Hills
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modern Agricultural Technology in The Hills
ব্যাখ্যা

MATH এর পূর্ণ নাম Modern Agricultural Technology in The Hills। 
- এটি হচ্ছে পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের একটি মডেল।
এই মডেলের বিশেষত্ব হচ্ছে:
- এটিট ভূমির ক্ষয়রোধ করে।
- ভূমির উর্বরতা বাড়ায়।
- একই জমিতে উন্নত পদ্বতিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করা যায়।
- পাহাড়ী কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
- এই মডেলের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জুম চাষ পর্যায়ক্রমে বিলুপ্ত করা সম্ভব।

উৎস: ais.gov.bd (বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস)

১,৩৪৬.
সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) মেহেরপুর
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) নাটোর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাবনা
ব্যাখ্যা
- সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায়। 
- সবচেয়ে বেশি রসুন  উৎপাদন হয় নাটোর জেলায়। 
- সবচেয়ে বেশি আদা উৎপাদন হয় রাঙ্গামাটি জেলায়। 
- সবচেয়ে বেশি হলুদ উৎপাদন হয় মেহেরপুর জেলায়। 


[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
১,৩৪৭.
সাধারণত কোন সময়ে রবিশস্যের চাষ হয়ে থাকে?
  1. ক) ফাল্গুন থেকে আষাঢ়
  2. খ)কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
খ)কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ)কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৩৪৮.
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত নয় কোনটি?
  1. হাড়িভাঙ্গা
  2. সূর্যপুরী
  3. মহানন্দা
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৩৪৯.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' ও 'ড্রামহেড' কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. বাঁধাকপি
  3. টমেটো
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাত: 
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,৩৫০.
নিচের কোন গাছটি উত্তরবঙ্গের পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে?
  1. ক) গজারী
  2. খ) বহেরা
  3. গ) ইউক্যালিপটাস
  4. ঘ) সিলভার
সঠিক উত্তর:
গ) ইউক্যালিপটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউক্যালিপটাস
ব্যাখ্যা
অত্যাধিক পানি শোষণের জন্যে ইউক্যালিপটাস গাছকে পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর চিহ্নিত করা হয়। এজন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালে এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ করে।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আশির দশকে সরকারি বনায়নের আওতায় ব্যাপকহারে ইউক্যালিপটাস গাছের চারা রোপণ করা হলে পরবর্তীতে এই গাছের নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এই গাছের আদিনিবাস অস্ট্রেলিয়ায়।
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
১,৩৫১.
আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আনা খরা সহনশীল ধানের জাত-
  1. ক) নেরিকা
  2. খ) পূর্বাচী
  3. গ) ইরাটম
  4. ঘ) পাজাম
সঠিক উত্তর:
ক) নেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নেরিকা
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা থেকে আনা খরা সহনশীল ধানের জাত ‘নেরিকা’ (নিউ রাইস ফর আফ্রিকা)। স্বল্প জীবনকাল ও প্রতিকূলতা-সহিষ্ণু ফসল আবাদ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য আফ্রিকা মহাদেশের উগান্ডা থেকে এর বীজ নিয়ে আসা হয়। সূত্র-বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
১,৩৫২.
বোরো ধান রোপনের সময়কাল হলো—
  1. মার্চ শুরু – মধ্য এপ্রিল
  2. জুলাইয়ের শেষ – সেপ্টেম্বর
  3. মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
  4. ফেব্রুয়ারি –  মার্চ
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি 
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
- আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
- আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
- আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
- বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১,৩৫৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত হেক্টর?
  1. ১৯,০০০ হেক্টর
  2. ২৩,০০০ হেক্টর
  3. ২৭,০০০ হেক্টর
  4. ৩১,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আবাদী ও অনাবাদী জমি:

- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৩৫৪.
ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. ক) ড. মো. সামছুল আলম
  2. খ) অধ্যাপক হাসিনা খান
  3. গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) ক + খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে বাকৃবির একদল গবেষক ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেয়।
এই দলের অন্যরা হলেন:
- অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্লা
- অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম কাদের খান।
- তবে একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসিনা খানের নেতৃত্বে অপর একটি গবেষকদলও ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দেয়।
(সূত্র: দৈনিক সমকাল : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮)
১,৩৫৫.
নিচের কোনটি ভুট্টার জাত নয়? 
  1. ক) বর্ণালি
  2. খ) শুভ্রা
  3. গ) মোহর
  4. ঘ) মল্লিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মল্লিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মল্লিকা
ব্যাখ্যা

- মল্লিকা ভুট্টার জাত নয়।

বিভিন্ন ফসলের জাত:ঃ
- ভুট্টা - বর্ণালি,শুভ্রা ,খই ভুট্টা,মোহর।
- ধান - দুলাভোগ,চান্দিনা,মালা,বিপ্লব,আশা,সুফলা।
- আম - লক্ষনভোগ,মল্লিকা,দুধ সর,হিমসাগর,চোষা,আম্রপালি।

তথ্যসূত্র -  দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                 বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                 বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৩৫৬.
বালাচাউ কি?
  1. প্রক্রিয়াজাতকৃত বালাম চাল
  2. প্রক্রিয়াজাতকৃত চিংড়ি মাছ
  3. প্রক্রিয়াজাতকৃত বারি আম
  4. চায়না বেগুন
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াজাতকৃত চিংড়ি মাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রক্রিয়াজাতকৃত চিংড়ি মাছ
ব্যাখ্যা

- বালাচাও প্রক্রিয়াজাতকৃত চিংড়ি মাছ।

• বালাচাউ:
- 'বালাচাও' মূলত চিংড়ি, পেঁয়াজ, রসুন, শুকনো মরিচ ও মশলার ভর্তা; যা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
- মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় এই খাবারটি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়;
- যা ভাত, খিচুড়ি, ফ্রায়েড রাইস ও সালাদসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির সঙ্গে খাওয়া যায়।
- গত কয়েক বছরে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের হাত ধরে ঘরে বানানো খাবারটি 'রেডি টু ইট ফুড' হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সারাদেশে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ছাড়াও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ এমনকি খুলনা অঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারাও এটি বাজারজাত করছেন; পাওয়া যাচ্ছে সুপারশপেও।
- এসব উদ্যোক্তাদের ৯০ শতাংশই নারী। সময়ের পরিক্রমায় দেশীয় খাবার হয়ে ওঠা রেডি ফুড বালাচাও দেশের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে আমেরিকা, লন্ডন, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে। 

উৎস: বাংলাদেশ জার্নাল।

১,৩৫৭.
বাংলাদেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
  1. ৬২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  2. ৬৩ লক্ষ ৪১ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  3. ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
  4. ৬৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯.৩৩ একর
ব্যাখ্যা
- মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)
এগুলো হল - 
- রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৫৫.১৩ একর।
- বান্দরবান - ৭,৯৭,৫১৬.৪৯ একর।
- বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা - ৫,৪৬,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র:কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,৩৫৮.
উচ্চ লবণ সহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

গমের নতুন জাত: 
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগ উচ্চ লবণসহিষ্ণু গমের নতুন জাত ‘জিএইউ গম ১’ উদ্ভাবন করেছে।

- উচ্চ লবণাক্ততা  সহনশীলতার দিক থেকে দেশে এটিই গমের প্রথম জাত।
- ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে এ তথ্যটি প্রকাশ করা হয়।
- গবেষণার নেতৃত্বে: কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ময়নুল হক ও মসিউল ইসলাম।
 - এটি উন্নতমানের গমের জাত যা লবণাক্ততা সহনশীল, উচ্চফলনশীল ও অধিক প্রোটিনসমৃদ্ধ।
- এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট উদ্ভাবিত জাতের সংখ্যা ৯১টি।

উৎস: গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।

১,৩৫৯.
বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া বিশ্ব বাজারে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) বেঙ্গল গ্রেড
  2. খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
  3. গ) ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. ঘ) রংপুর গ্রেড
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা
কুষ্টিয়া গ্রেড - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নাম।
• বাংলাদেশের প্রথম গবাদি পশুর ভ্রুণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
• বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
• দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।
• বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র (সরকারি) অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং কৃষি শিক্ষা-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৩৬০.
BARI-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. ধানমণ্ডি
  2. ঈশ্বরদী
  3. জয়দেবপুর
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এর প্রধান কার্যাবলী গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষি গবেষণার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে নং-৩২ জারিকরণ।
- এই অধ্যাদেশ বলে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নং-৬২ এর মাধ্যমে ‘ডাইরেক্টরেট অব এগ্রিকালচার (রিসার্চ এন্ড এডুকেশন)’ বিলুপ্ত হয় এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ বিএআরআই-এর ম্যান্ডেট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৫ অনুযায়ী বিএআরআই এর ম্যান্ডেট নিম্নরূপ: ধান, পাট, চা, তুলা ও চিনি জাতীয় ফসল ব্যতীত অন্যান্য সকল ফসলের (দানাদার ফসল, কন্দাল ফসল, তৈলবীজ ফসল, ডাল ফসল, ফুল, ফল, সবজি ফসল, মসলা ফসল ইত্যাদি) গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

⇒ কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য নিচে দেওয়া হল:
১. ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং উদ্ভাবিত জাতসমূহ চাষাবাদের জন্য অনুমোদনের ব্যবস্থা করা।
২. ফসল উৎপাদনের জন্য আধুনিক কলাকৌশল উদ্ভাবন করা।
৩. চাহিদা অনুযায়ী দেশে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
৪. কৃষি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম কর্মশালা ইত্যাদির আয়োজন করা।
৫. উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন করা।
৬. বিভিন্ন ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা।
৭. ফসলের উপর বিভিন্ন প্রযুক্তি সম্বন্ধে পুস্তিকা, পোস্টার লিফলেট তৈরি করা এবং প্রচার করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬১.
বাংলাদেশে ডাল গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান কোথায়?
  1. রামগঞ্জ
  2. জয়দেবপুর
  3. শিবগঞ্জ
  4. ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা

• ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র:
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র ও আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  (বারি) একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯০-১৯৯৫ সালে সিডিবি ফেজ-১  প্রকল্পের মাধ্যমে ডাল গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ।
- এই কেন্দ্রটি ঈশ্বরদী শহর হতে প্রায় ২ কি. মি. পূর্বে ঈশ্বরদী-পাবনা আঞ্চলিক মহাসরকের পার্শ্বে অবস্থিত
- এ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  আওতাধীণ  ফসলের উচ্চ ফলনশীল উন্নত জাত এবং উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি উদ্ভাবন, ফসল ও মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন ব্যবস্থাপনাসহ কৃষি যন্ত্রপাতি, ফসল সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ের ওপর লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা করে থাকে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:

১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৩৬২.
শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা কত?
  1. ১৮°- ২০° সেলসিয়াস
  2. ১৮°- ২২° সেলসিয়াস
  3. ১৮°- ২৫° সেলসিয়াস
  4. ২০°- ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২০°- ৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০°- ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
উদ্যান ও মাঠ ফসলের উপর তাপমাত্রার প্রভাব:
- ফলের উৎপাদন তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
- ফুল ও ফল ধারণের সময় উপযোগী তাপমাত্রা না হলে ফুল ও ফল কম ধরে।
- তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শস্যকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
i) গ্রীষ্মকালীন বা খরিফ শস্য এবং,
ii) শীতকালীন বা রবি শস্য।

⇒  গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ৩০°-৩৫° সেলসিয়াস।
- অতিরিক্ত তাপে লেটুস ও পালংশাক দ্রুত ফুল উৎপন্ন করে।
- গোল আলু, মিষ্টি আলু, গাজর, মূলা, শাল গম ইত্যাদিতে অতিরিক্ত তাপে শর্করার সঞ্চয়ের পরিমান কম হয় বলে ফলন কম হয়।
- তাপমাত্রা কম বা বেশী হলে ক্যারোটিন কমে গাজরের রং হালকা হয়।
- বেশী তাপমাত্রায় ফুলকপি, বাধাকপি, মুলার স্বাদ কম হয়।
- আউশ ধান, পাট, সয়াবিন, জোয়ার ইত্যাদি গ্রীষ্মকালীন ফসল শস্যের জন্য অধিক তাপমাত্রার প্রয়োজন।
- বেশী তাপমাত্রায় অনেক ফল গাছের ফল ধারণ ব্যাহত হয়।

⇒ শীতকালীন উদ্যান ফসলের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা ২০°- ৩০° সেলসিয়াস।
- আমন ধান, বোরো ধান, গম, যব, সরিষা, ছোলা, মটর, মসুর, তামাক ইত্যাদি শীতকালীন ফসল।
- আম, লিচু প্রভৃতি ফল গাছের ফুল বিকাশের জন্য কম তাপামাত্রার প্রয়োজন।
- আমের পুষ্পমঞ্জুরী গঠনের সময় তাপমাত্রা কম থাকলে পুরুষ ফুল বেশি হয়।

⇒ কিছু সংখ্যক ফসল যেমন তিল, চীনাবাদাম, তুলা, ভুট্টা প্রভৃতি উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়।
- আখ, রবি ও খরিফ উভয় মৌসুমের অন্তর্গত। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৩.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. মালা
  2. হিরা
  3. বিপ্লব
  4. বর্ণালি
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৩৬৪.
গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী ও এটলাস ৭০ কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. পেয়াজ
  2. বাধাঁকপি
  3. আলু
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
এটলাস ৭০,
টোকিও প্রাইড,
লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,৩৬৫.
‘ময়না’ ধানের উদ্ভাবক কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
- ‘ময়না’ ধানের উদ্ভাবক হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এটি একটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত যা ‘বিআর-১২’ ধান নামে পরিচিত।
- বোরো ও আউশ উভয় মৌসুমে এটি চাষ করা যায়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১,৩৬৬.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
১,৩৬৭.
কৃষিতে ’ডায়মন্ড‘ কোন ফসলের জাত?
  1. গম
  2. কলা
  3. আলু
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:

- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৩৬৮.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. সৌরভ
  2. ঝিটকা
  3. অগ্রদূত
  4. হরিধান
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরভ
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৩৬৯.
বর্তমানে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশ একাই বিশ্বের ৮৬ শতাংশ ইলিশ মাছ উৎপাদন করছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ৫.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্র: প্রথম আলো)
১,৩৭০.
পঞ্চব্রীহি পদ্ধতির আবিষ্কারক কে?
  1. আবেদ চৌধুরী
  2. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. আজিজুল হক
  4. হাবিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আবেদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

পঞ্চব্রীহি:
- ফলন শেষ হওয়ার পর একটি ধানগাছ পুরোপুরি না কেটে ওই একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে আরও চারবার একই ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- বিভিন্ন মৌসুমে এক গাছ হতে পাঁচ প্রকারের ধান চাষের পদ্ধতিটি হচ্ছে পঞ্চব্রীহি।
- পঞ্চব্রীহির এক ধান গাছে পাঁচবার ফলন হয়।
- ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘খাদ্যনিরাপত্তা ও মানবস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ আবিষ্কারের কথা জানান তিনি।
- পঞ্চব্রীহি ধান চাষে প্রথমবার ১১০ দিন পর ফলন আসে।
- পরের ফলন আসে ৪৫ দিন অন্তর।
- একবার বোরো, দুবার আউশ ও দুবার আমন ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
- পঞ্চব্রীহি ধান প্রথমবার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয় চার টন।
- ধানের চারা প্রতি ৪ সেন্টিমিটার দূরত্বে রোপণ করতে হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ অক্টোবর ২০২৩।

১,৩৭১.
উৎপাদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) শাহজালাল সার কারখানা
  2. খ) যমুনা সার কারখানা
  3. গ) ঘোড়াশাল সার কারখানা
  4. ঘ) আশুগঞ্জ সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
গ) ঘোড়াশাল সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঘোড়াশাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।⇒ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৩৭২.
‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তুলা
  2. তামাক
  3. পেয়ারা
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৩৭৩.
বাংলাদেশের উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের ধান ও গমের নাম যথাক্রমে-
  1. হরিধান, রূপালী 
  2. ইরাটম, বর্ণালী
  3. ব্রি-শাইল, বলাকা
  4. হীরা, উত্তরণ
সঠিক উত্তর:
ব্রি-শাইল, বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি-শাইল, বলাকা
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের ধান ও গমের নাম যথাক্রমে ব্রি-শাইল ও বলাকা।

♦ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
● উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হীরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান,ব্রি-শাইল, নারিফা, সুফলা, প্রগতি।

● উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব, বলাকা।

● উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

● উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

● উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

● উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

●উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

● উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৩৭৪.
নিচের কোনটি ভূট্টার উন্নত জাত নয়?
  1. ক) রতন
  2. খ) শুভ্র
  3. গ) বর্ণালী
  4. ঘ) উত্তরণ
সঠিক উত্তর:
ক) রতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রতন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,৩৭৫.
নিচের কোনটি বেগুনের উন্নত জাত?
  1. ক) খটখটিয়া
  2. খ) রোমারিও
  3. গ) শতাব্দী  
  4. ঘ) সিন্দুরী
সঠিক উত্তর:
ক) খটখটিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খটখটিয়া
ব্যাখ্যা
বেগুনের উন্নত জাত:-
• শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
• শিংনাথ- একটি বারমাসী জাত। গাছ বেশ উঁচু, পাশেও অধিক, শাখা প্রশাখার সংখ্যা প্রচুর। পাতা সরু ধরনের। এর ফল সরু, লম্বায় প্রায় ৩০ সেমি. ও বেগুনী রংয়ের।

• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী, মহুয়া, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে,  
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী   
• আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,৩৭৬.
একটি দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৭ ভাগ
  2. ২০ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ৩০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। 

উল্লেখ্য যে, 
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
কেননা - 
• গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়। 
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। 
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৭৭.
ফসলের ক্ষেত্রে কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' হিসেবে পরিচিত?
  1. তুলা
  2. আখ
  3. পাট
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ বাংলাদেশে মূলত সমভূমি জাতের এবং সীমিত আকারে পাহাড়ী জাতের তুলার চাষ হয়ে থাকে। প্রধানত যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের বন্যামুক্ত সমভূমিতে এবং বন্যামুক্ত চরাঞ্চলে তুলা চাষ হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে পাহাড়ি অঞ্চলের সমতল ভূমিতেও সমভূমির জাতের তুলা চাষ হচ্ছে। যেহেতু তুলা একটি খরা ও লবন সহনশীল ফসল, তাই কম বৃষ্টি প্রবণ রাজশাহী ও রংপুরের বরেন্দ্র অঞ্চলে এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ত ভূমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সমভূমি অঞ্চলে তুলাচাষ নির্ভরই আমাদের বস্ত্র শিল্প।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৩৭৮.
অর্থনীতির কোন খাতে সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত রয়েছে?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) পরিবহন খাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি সেক্টরে সর্বাধিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:

- কৃষিখাত : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাত : ৩৯ ভাগ
- শিল্পখাত ২০.৪ ভাগ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১,৩৭৯.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান কার্প জাতীয় মাছ কোনটি?
  1. ক) কাতলা
  2. খ) রুই
  3. গ) সিলভার কার্প
  4. ঘ) মৃগেল
সঠিক উত্তর:
খ) রুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রুই
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মোট স্বাদুপানির মাছ উৎপাদিত হয় ৩৭.২৪ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কার্প জাতীয় মাছের পরিমাণ ১৪.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
বিভিন্ন কার্প জাতীয় মাছের উৎপাদন:
- রুই : ৩.৯৩ লক্ষ টন
- সিলভার : ২.৫৩ লক্ষ টন
- মৃগেল : ২.৪২ লক্ষ টন
- কাতলা : ২.৪০ লক্ষ টন
- মিরর কার্প : ১.২৪ লক্ষ টন
- গ্রাস কার্প : ৬৯ হাজার টন।
(তথ্যসূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৮-১৯)
১,৩৮০.
‘উত্তরণ’ কোন জাতীয় ফসলের নাম?
  1. ভুট্টা
  2. তামাক
  3. গম
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৩৮১.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'দোয়েল'-
  1. জাতীয় পাখির নাম
  2. কৃষি সংস্থার নাম
  3. উন্নত জাতের গমের নাম
  4. কৃষি যন্ত্রের নাম
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের গমের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের গমের নাম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৩৮২.
বাংলাদেশের গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1.  রাজশাহী
  2. ঠাকুরগাঁও 
  3. ফরিদপুর 
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও 
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৮৩.
দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
  2. কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র
  3. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  4. জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।

উল্লেখ্য,
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মোট গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে ৫.০৬৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড তিতাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
- তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট।
১,৩৮৪.
নিচের কোনটি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে?
  1. ক) জৈব পদার্থ প্রয়োগ
  2. খ) মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) একই জমিতে ভিন্ন ভিন্ন ফসলের চাষ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন কারণে জমির উর্বরতা হ্রাস পায়। সেক্ষেত্রে জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো:

- ভূমিক্ষয় রোধ করা
- মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা
- মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা
- শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা
- একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা
- পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক কৃষিশিক্ষা : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,৩৮৫.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী, লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১,৩৮৬.
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. চাঁদপুরে
  3. ময়মনসিংহ
  4.  কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা

ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট)- চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৩৮৭.
'গ্রানোলা' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. ভুট্টা 
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

আলুর উন্নত জাত গ্রানোলা মূলত বারি আলু-১৩ (BARI Alu-13) নামে পরিচিত।

উন্নত জাতের আলু:
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

এছাড়াও,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৩৮৮.
বাংলাদেশে চাষকৃত ইরি ধানের অপরনাম কী?
  1. ক) রোপা
  2. খ) উফশী
  3. গ) বোরো
  4. ঘ) রবি
সঠিক উত্তর:
খ) উফশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উফশী
ব্যাখ্যা
আউশ ধান: প্রধানত উচ্চভূমিতে আউশ ধান চাষ করা হয়। তবে অপেক্ষাকৃত নিম্নভূমি উর্বর নতুন চরাঞ্চলে ও এ ধান চাষ করা হয়। মার্চ-এপ্রিল মাসে এ ধান বপন করা হয় এবং জুন-জুলাই মাসে ধান কাটা হয়। 

আমন ধান: প্রধানত আমন ধান নীচু জমির ধান। বর্ষাকালে যে সকল জমি প্লাবিত হয়, সে সব জমিতে আমন ধান ভাল জন্মে। 
বাংলাদেশে সাধারনতঃ দুই প্রকার আমন ধান চাষ করা হয়। যথাঃ রোপা আমন ও ছিটানো আমন (রোপন ও বপন)। প্রায় সকল জেলাতেই এ ধান হয়ে থাকে। এর মধ্যে বরিশাল, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, বগুড়া, যশোর পটুয়াখালী প্রভৃতি জেলায় ইহা অধিক পরিমান উৎপাদিত হয়ে থাকে।

বোরো ধান: বাংলাদেশে নীচু কাদামাটিতে বোরো ধান চাষ করা হয়। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসে যখন পানি কমে যায় তখন এ ধানের চারা রোপন করা হয়। আবার মার্চ - এপ্রিল মাসে কাটা হয়। বৃহত্তর সিলেট, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, হাওড় অঞ্চল বাংলাদেশের প্রধান বোরো ধান উৎপাদনকারী অঞ্চল। এছাড়াও বৃহত্তর রাজশাহী এবং বরিশাল অঞ্চলেও বোরো ধানের চাষ হয় ।
 
উচ্চ ফলনশীল ধান:  গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে উচ্চফলনশীল ধান (উফশী ধান) চাষ করা হচ্ছে। ইহা মূলতঃ আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute) এর উদ্ভাবিত প্রজাতী। এর সংক্ষিপ্ত নাম ইরি (IRRI) ধান। ইরি ধানে উৎপাদন একর প্রতি ৪০ থেকে ৮০ মন। ইরি ধানের জন্য উত্তাপ এবং সেচ একই সঙ্গে  প্রয়োজন হয়। এ জন্য বাংলাদেশে ইহা ভালো ভাবে চাষে করা যায়। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৮৯.
কোন মাটিতে মোটামুটি সমান পরিমাণে বালি, পলি ও কাদা থাকে?
  1. বেলে মাটি
  2. পলি মাটি
  3. দো-আঁশ মাটি
  4. এঁটেল মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
দো-আঁশ মাটি: 
- ফসল উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি উত্তম। 
- কারণ, দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি, কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। 
- এ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে তাই চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী। 
- এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয় বেশি। 
- বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি দো-আঁশ মাটি। 
- কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
১,৩৯০.
জুম চাষের প্রচলন রয়েছে-
  1. ক) হাওরাঞ্চলে
  2. খ) চরাঞ্চলে
  3. গ) পাহাড়ী অঞ্চলে
  4. ঘ) উপকূলীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
গ) পাহাড়ী অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাহাড়ী অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
জুম হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা পাহাড়ী এলাকায় প্রচলিত। এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।

বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুমচাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
জুমচাষ পদ্ধতি সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি নামেও পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৩৯১.
বাংলাদেশের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) নরসিংদী
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- উদ্যানতত্ত্ব হচ্ছে সমন্বিত একটি বিষয়।
- মাটি থেকে বিভিন্ন প্রকার উৎপাদন এর অন্তর্ভূক্ত।
- সাধারণভাবে উদ্যানতত্ত্ব বলতে বাণিজ্যিক ভিত্তিক বাগান করা বুঝায় যাতে লাভের জন্য ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করা হয়।
- স্বাধীনতার পর গাজীপুরের জয়দেবপুরে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ রয়েছে।
- পরবর্তী সময়ে এই প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
- এদের মধ্যে প্রধান কেন্দ্র গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এবং চারটি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে রহমতপুর (বরিশাল), হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), আকবরপুর (মৌলভীবাজার) এবং নবাবগঞ্জে (রাজশাহী)।
- বর্তমানে উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র নতুন জাতসহ সঠিক উৎপাদন পদ্ধতি উদ্ভাবনে ফল, সবজি, মসলা ও সৌন্দর্য্যবর্ধক গাছ নিয়ে গবেষণা করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯২.
২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট আলু উৎপাদিত হয় ১০৯.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : রংপুর (১৩.১৭ লক্ষ মে.টন)
- দ্বিতীয় : বগুড়া (১২.১৯ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : দিনাজপুর (১০.৭৯ লক্ষ মে. টন)
- চতুর্থ : মুন্সিগঞ্জ (৯.৯৫ লক্ষ মে. টন)
- পঞ্চম : জয়পুরহাট (৯.১৯ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
১,৩৯৩.
জিংক সমৃদ্ধ নতুন সুগন্ধিযুক্ত ধানের জাতের নাম কী?
  1. জিএইউ ধান-১
  2. জিএইউ ধান-২
  3. জিএইউ ধান-৩
  4. জিএইউ ধান-৪
সঠিক উত্তর:
জিএইউ ধান-৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিএইউ ধান-৩
ব্যাখ্যা

ধানের জাত:
- গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় একটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- জিংকসমৃদ্ধ এই নতুন ধানের জাতের নাম রাখা হয়েছে- জিএইউ ধান-৩’। 
- এই ধান জিংকসমৃদ্ধ এবং সুগন্ধিযুক্ত।
- শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য এই ধান বিশেষভাবে উপকারী।
- এতে জিংক ও আয়রনের পরিমাণ বেশি।
- সাধারণ জাতের চেয়ে এই ধানের ফলন প্রায় ১৫% বেশি (হেক্টরে ৫–৬ টন)।
- ধানটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সুগন্ধিযুক্ত এবং দ্রুত পরিপক্ক হয়।
- আমন মৌসুমে প্রায় ৩ মাস ও বোরো মৌসুমে ৩.৫ মাসে এই জাতের ধান পরিপক্ক হয়।
- এছাড়াও এটি রোগ ও পোকা প্রতিরোধক।
- এই জাতের ধান থেকে প্রচুর খড় উৎপন্ন হয়।
- তাই এই জাতের ধান দ্বৈত ব্যবহারের (শস্য ও জ্বালানি/খাবার) জন্য উপযুক্ত।
- ড. নাসরীন আক্তার আইভীর নেতৃত্বে গাকৃবি'র বিজ্ঞানীরা এই ধানের জাত উদ্ভাবনে সফল হন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। 

১,৩৯৪.
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) চাঁদপুর
  4. ঘ) বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্যচাষ পরিকল্পনা, সমন্বয় ও গবেষণার জন্য ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা।
- ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জনবল সংগ্রহ ও উন্নয়ন অবকাঠামো গড়ে তোলার পর যথার্থ কাজ শুরু হয়েছে ১৯৮৬ সাল থেকে।
- ইনস্টিটিউটের প্রধান লক্ষ্য গোটা জলজ জীবসম্পদের উন্নয়ন ও সর্বোত্তম ব্যবহার সম্পর্কিত মৌলিক ও ফলিত গবেষণা পরিচালনা; উন্নত মাছচাষ ও ব্যবস্থাপনার সাশ্রয়ী, স্বল্প-শ্রমঘন, পরিবেশ অনুকূল প্রযুক্তি উদ্ভাবন; চিংড়িসহ বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রযুক্তি উদ্ভাবন; এবং প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
- গবেষণা কার্যক্রমের ব্যয়ভার বহন করে বাংলাদেশ সরকার, IDA, USAID, IDRC এবং অন্যান্য সংস্থা।
- স্বাদুপানির স্টেশনের ৪০ হেক্টরের চত্বরটি ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্নিকটে অবস্থিত। 
- খুলনার পাইকগাছায় ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বল্পলোনা পানির স্টেশনের চত্বরটি ৩০.৩৫ হেক্টরের। 
- ১৯৯১ সালে কক্সবাজারে প্রতিষ্ঠিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও প্রযুক্তি স্টেশন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১,৩৯৫.
বাংলাদেশে কৃষি শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  2. কৃষি মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে। 

• কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৫ টি।
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে পল্লি এবং শহর উভয় এলাকার সকল খানার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো মৎস্য চাষে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি (FAO) সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে। 

তথ্যসূত্র:  কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস।

১,৩৯৬.
'অগ্নিশ্বর' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. পাট
  2. গম
  3. কলা
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের কলাঃ
- অগ্নিশ্বর,
- সিঙ্গাপুরি,
- অমৃতসাগর ইত্যাদি।
• কয়েকটি উন্নত জাতের ধানঃ
- বিআর চান্দিনা,
- মালা,
- বিপ্লব,
- আশা,
- প্রগতি,
- মুক্তা ইত্যাদি।
• কয়েকটি উন্নত জাতের গমঃ
- সোনালিকা,
- বলাকা,
- দোয়েল,
- কাঞ্চন,
- আকবর।

১,৩৯৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য-
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য- ৯টি। যথা-
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২. ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩. ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪. ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
৫. রাজশাহী সিল্ক (২০২১),
৬. রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১),
৭. নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদামাটি (২০২১),
৮. দিনাজপুরের কাটারিভোগ, (২০২১),
৯. বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১)।

১,৩৯৮.
বাংলাদেশে নোটিফায়েড ফসল কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
নোটিফায়েড ফসল:
- বাংলাদেশে নোটিফায়েড ফসল ৭টি।
- ধান, গম, পাট, আলু, আখ, মেস্তা ও কেনাফ হচ্ছে নোটিফায়েড ফসল।
- শুধুমাত্র পাব্লিক ম্যান্ডেটেড গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় নোটিফায়েড ফসলের জাত উদ্ভাবন করতে পারে।
- নোটিফায়েড ফসলের জাত অবমুক্তকরণের পূর্বে অবশ্যই জাতীয় বীজ বোর্ড এর টেকনিক্যাল কমিটি পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণ করবে।

এছাড়াও,
⇒ নন-নোটিফায়েড ফসল:
- অন্যান্য নন-নোটিফায়েড ফসলের ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যথাযথ নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাত অবমুক্ত করতে পারে।
- এক্ষেত্রে পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণ করবে আবশ্যক নয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA)
১,৩৯৯.
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ?
  1. ক) ৪০৯.৭০ লক্ষ মে. টন
  2. খ) ৪২২.৩৫ লক্ষ মে. টন
  3. গ) ৪৫৪.০৪ লক্ষ মে. টন
  4. ঘ) ৪৭৯.২০ লক্ষ মে. টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৫৪.০৪ লক্ষ মে. টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৫৪.০৪ লক্ষ মে. টন
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ৪৫৪.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন। এর আগের ২০১৮-২০১৯ সময়ে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৪২১.০৭ লক্ষ মে. টন।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,৪০০.
বাংলাদেশের কৃষি এতিহ্য সিস্টেম কোনটি?
  1. জুম চাষ
  2. চা বাগান
  3. ভাসমান চাষ
  4. বরেন্দ্র অঞ্চলের চাষ পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ভাসমান চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাসমান চাষ
ব্যাখ্যা
ভাসমান চাষ:
- ভাসমান চাষ বাংলাদেশের কৃষি ঐতিহ্য।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশে রয়েছে ৪৫ লাখ হেক্টরের বেশি জলসীমা।
- দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলা বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৬ মাস পানিতে নিমজ্জিত থাকে।
- ওই সব এলাকায় ওই সময়ে কচুরিপানা ও অন্যান্য জলজ আগাছায় ঢাকা থাকে।
- দক্ষিণাঞ্চলের কৃষক নিজেদের প্রয়োজনে নিজেরাই উদ্ভাবন করলেন ভাসমান কৃষি কার্যক্রম।
- সেখানে এখন বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে স্তূপ করে প্রয়োজনীয় মাপের ভেলার মতো বেড তৈরি করে ভাসমান পদ্ধতিতে বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও মসলা উৎপাদন করছেন অনায়াসে।
- বন্যা ও জলাবদ্ধপ্রবণ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন কৌশল হিসেবে ভাসমান সবজি ও মসলা উৎপাদন প্রযুক্তি এবং ক্ষেত্র বিশেষে আপদকালীন আমন ধানের চারা উৎপাদন সম্প্রসারণে নতুন যুগের সূচনা করেছে এবং কৃষি সমৃদ্ধির নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে।
- আস্তে আস্তে জলাবদ্ধ এলাকায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ভাসমান সবজি চাষ বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী চাষপদ্ধতির স্বীকৃতি পেয়েছে।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) থেকে ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই স্বীকৃতিপত্র কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে এসেছে।
- এফএওর কৃষি ঐতিহ্য-বিষয়ক সংস্থা বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ঐতিহ্য ব্যবস্থা (জিআইএএইচএস) ২০০৫ সাল থেকে এই স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। 
 
উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
         ii) ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, প্রথম আলো।