বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৭ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৬৮১

১,৪০১.
বাংলাদেশ আম গবেষনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আম গবেষণা কেন্দ্র:
- আম গবেষণা কেন্দ্র ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- আম গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- কেন্দ্রের প্রধান উদ্দেশ্য আম চাষের ওপর সার্বিক গবেষণা পরিচালনা এবং আমের জাত উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধি।
- কেন্দ্রটির প্রায় ১২.৪০ হেক্টর (৩০.৬ একর) জমির উপর আছে ফলবাগান, গবেষণাগার, অফিস ও আবাসিক ভবন এবং ৬৫ জাতের তিন শতাধিক আমগাছ।
- একজন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কেন্দ্র প্রধান এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছেন কয়েক জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

তথ্যসূত্র - আম গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
১,৪০২.
'রাজভোগ' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. গম
  2. আম
  3. কলা
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, রাজভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪০৩.
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৪০৪.
তাঁত গবেষণা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর কিছু গবেষণা কেন্দ্র এবং তাদের অবস্থান:
মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র - ময়মনসিংহ।
আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট - রংপুর।
তাঁত গবেষণা বোর্ড - নরসিংদী।
পাট গবেষণা কেন্দ্র - ঢাকা।
তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট - যশোর।
মসলা গবেষণা কেন্দ্র - বগুড়া।
নদী গবেষণা কেন্দ্র - ফরিদপুর।
রাবার গবেষণা বোর্ড - কক্সবাজার।
ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
রেশম গবেষণা কেন্দ্র - রাজশাহী।
ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট - সিলেট।
হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট - নারায়ণগঞ্জ।
কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট - রামপাল, বাগেরহাট।
চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট - হাজারীবাগ, ঢাকা।
বন গবেষণা কেন্দ্র - চট্টগ্রাম।
ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র - চাঁদপুর।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
চা গবেষণা কেন্দ্র - শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট - রংপুর।
গম গবেষণা কেন্দ্র - দিনাজপুর।
আম গবেষণা কেন্দ্র - চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪০৫.
ইনকিউবেটরের সাহায্যে যে ঘরে বাচ্চা ফোটানো হয় সেই ঘরের নাম কী?
  1. ক) ব্রুডার ঘর
  2. খ) হ্যাচারি ঘর
  3. গ) ব্রয়লার ঘর
  4. ঘ) গ্রোয়ার ঘর
সঠিক উত্তর:
খ) হ্যাচারি ঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হ্যাচারি ঘর
ব্যাখ্যা
ইনকিউবেটরের সাহায্যে যে ঘরে বাচ্চা ফোটানো হয় সেই ঘরের নাম হচ্ছে হ্যাচারি ঘর। 

হ্যাচারি বলতে এমন এক ধরনের জলাশয়কে বোঝায় যেখানে মাছের পোনা উৎপাদন করা হয়। হ্যাচারি হলো এক ধরনের মৎস্য খামার যেখানে প্রজনন মাছ রাখার পুকুর থাকে এবং সেখান থেকে প্রজনন মাছ গুলোকে ডিম ছাড়া, ডিম ফুটানো, শুক ও শুকোত্তর পোনা লালনের ব্যবস্থা থাকে। 

হ্যাচারি তৈরির প্রথম শর্তই হলো স্থান নির্বাচন। যে সব স্থানের মাটিতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে, পুকুরে সারা বছর পানি থাকে, পানি সরবরাহ বা নিস্কাশনের ব্যবস্থা রয়েছে, পানির গুনাগুন মৎস্য চাষের উপযোগী ও যাতায়াতের ভালো ব্যবস্থা থাকে, সেখানে হ্যাচারি স্থাপন করা যায়।

এ ছাড়া হ্যাচারিতে উৎপাদিত পোনার জন্য আশে পাশে চাহিদা থাকতে হবে। হ্যাচারি নির্মাণ করার জন্য প্রয়োজনী উপকরণাদি ও মাছের খাদ্য সরবরাহ সুনিশ্চিত এবং পরিবেশ দুষণমুক্ত হলেই কেবল হ্যাচারি নির্মাণ করা যেতে পারে।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ওয়েবসাইট।
১,৪০৬.
বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য কোনটি?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ধান (Rice):
- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান।
- প্রধান তিন ধরনের ধান হচ্ছে আউশ, আমন ও বোরো।
- বাংলাদেশের প্রায় সকল জেলায় ধান উৎপাদিত হয়।
- তন্মধ্যে রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া দিনাজপুর, নোয়াখালী, ঢাকা প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৭.
'কার্ডিনাল' হল উন্নত জাতের -
  1. আলু
  2. ধান
  3. গম
  4. মরিচ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- গম: বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী , আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 
- বেগুন: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, , মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- মরিচ: মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা, চাতক।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪০৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৪০৯.
কৃষিতে ’অপূর্ব’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তরমুজ
  2. আলু
  3. বেগুন
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- তরমুজের উন্নত জাত: পদ্মা, বারি তরমুজ-১, বারি তরমুজ-২, মধুমালা।
- আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
- আমের জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা,, ক্ষীরসাপাতি।
- মরিচের জাত: যমুনা।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।

১,৪১০.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে কততম?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩য়। ২০১৮-২০১৯ সালে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে বাংলাদেশ মোট ১২.৩৫ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ আহরণ করে।
এছাড়া ইলিশ উৎপাদিত হয় ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা বিশ্বে প্রথম। বদ্ধ জলাশয়ে চাষের মাধ্যমে মাছ উৎপাদিত হয় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন যা বিশ্বে পঞ্চম।
(সূত্রঃ মৎস্য অধিদপ্তর, বিবিএস এবং এবং FAO)
১,৪১১.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭০টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭২টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা-বাগান:
- চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা – ১৭১ টি। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
- মৌলভীবাজার জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৯০ টি।
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২২ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১ টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা -১ টি

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১,৪১২.
'ইসলামপুরী' কীসের উন্নতজাত?
  1. বেগুন
  2. মরিচ
  3. টমেটো
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।
• হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা: উন্নত জাতের আলু।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৪১৩.
নিচের কোনটি জিংকসমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল (উফশী) ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. বিআর ২৫
  3. ব্রি ধান ৫৫
  4. ব্রি ধান ৬২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত-
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলোঃ ব্রি ধান ৬২।
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলোঃ ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাতঃ বিআর ৫।
লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাতঃ বিআর১৬ এবং বিআর২৫।
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতঃ ব্রি ধান ৫১।
[সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট]
১,৪১৪.
লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৬৬
  2. ব্রি ধান ৬৯
  3. ব্রি ধান ৭১
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৪১৫.
ব্ল্যাক বেঙ্গল কিসের জাত?
  1. ক) গরু
  2. খ) হাঁস
  3. গ) মুরগী
  4. ঘ) ছাগল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছাগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছাগল
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো বাংলাদেশের ছাগলের প্রধান জাত। মাংসের স্বাদ ও চামড়ার গুণগত মানের জন্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়। 
তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হওয়ায় বিশ্ববাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৪১৬.
উন্নত জাতের গমের জাত কোনটি?
  1. বিপ্লব
  2. কাবুলী
  3. আকবর
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪১৭.
রিবণ রেটিং কোন ফসলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধান
  2. আঁখ
  3. তামাক
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

• রিবণ রেটিং:
- পানির অভাবে যে সব এলাকায় উৎপাদিত পাট পচনো সমস্যা হয়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষীদের জন্য বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট রিবণ রেটিং বা পাটের ছালকরণ ও পচন পদ্ধতি উদ্ভাবন করে।
- ছাল পচানোর জন্য পানি, জায়গা ও সময় কম লাগে।
- আঁশে কাটিংস হয় না।
- আঁশের মান ভালো হয়।
- এ গ্রেডের আঁশ পাওয়া যায়।
- মূল্য বেশি পাওয়া যায়।
- পরিবহন খরচ কম লাগে।
- স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা।
- পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।
- পাট খড়ি শক্ত থাকে, ফলে জ্বালানি ও বিভিন্ন কাজে ব্যবহারে টেকসই এবং সুবিধাজনক।
- বাঁশের হুকের দীর্ঘস্থায়ী লোহার সিঙ্গেল রিবনার এবং ডাবল রোলার রিবনারের মাধ্যমে ছালকরণ যন্ত্র বা রিবনারের সাহায্যে সহজেই কাঁচা পাট গাছ থেকে ছাল ছাড়ানো যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

১,৪১৮.
কোন সময় বোরো ধান উত্তোলন করা হয়?
  1. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. এপ্রিল – মে
  3. অক্টোবর – ডিসেম্বর
  4. মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল – মে
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময় মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়  মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময় জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়  মধ্য নভেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময় মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময়  এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৩।
১,৪১৯.
বাংলাদেশে ইলিশের কয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- বাংলাদেশে ইলিশের ৪টি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১,৪২০.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত নয় কোনটি?
  1. অগ্নিশ্বর
  2. মেহের সাগর
  3. সবরি
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪২১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুসারে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. নীলফামারী
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
⇒ তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
⇒ পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
⇒ আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
⇒ গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
⇒ ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
⇒ তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
⇒ চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৪২২.
কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ - ২০২১ অনুসারে, সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদিত হয় -
  1. ক) ঢাকা বিভাগে
  2. খ) রংপুর বিভাগে
  3. গ) সিলেট বিভাগে
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন রাজশাহী বিভাগ (৩৩,৮৩,৫২১ মে.টন)।
⇨ সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় রংপুর বিভগে (৬৩,৭৫,০০৫ মে.টন)। দ্বিতীয়– রাজশাহী বিভাগ (৬২,২৫,৯৯৪ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন সিলেট বিভাগ (৬,১৭,২৫৬ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদন রংপুর বিভাগ (২৯,৬৪,৪৮১ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
১,৪২৩.
লবণাক্ততা সহনশীল 'ব্রি-১১'২ জাতের ধান উদ্ভাবন করেছে- [জুন, ২০২৫]
  1. বাংলাদশে কৃষি গবষেণা ইনস্টটিউিট
  2. বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টটিউিট
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টটিউিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টটিউিট
ব্যাখ্যা
নতুন ধানের জাত:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) তিনটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। 
- নতুন ওই তিনটি জাত হচ্ছে লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগপ্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন ওই তিনটি জাত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাতসহ এখন পর্যন্ত ব্রি ১২১টি জাত উদ্ভাবন করেছে, যার মধ্যে ৮টি উচ্চফলনশীল বা হাইব্রিড।

উল্লেখ্য,
- নতুন উদ্ভাবিত জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান-১১২ লবণাক্ততা সহনশীল ও মাঝারি জীবনকালীন রোপা আমনের জাত।
- ব্রি ধান-১১২ লবণাক্ততার মাত্রাভেদে হেক্টরপ্রতি ৪ দশমিক ১৪ থেকে ৬ দশমিক ১২ টন ফলন দিতে সক্ষম।
- এ জাতের জীবনকাল ১২০ থেকে ১২৫ দিন এবং গাছের উচ্চতা ১০৩ থেকে ১০৫ সেন্টিমিটার। গাছের কাণ্ড মজবুত এবং ঢলে পড়া প্রতিরোধী। 
- জীবনকাল তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে ফসল কর্তনের পর মধ্যম উঁচু থেকে উঁচু জমিতে সূর্যমূখী ও লবণ সহনশীল শর্ষে আবাদের সুযোগ তৈরি হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,৪২৪.
নিচের কোনটি সরিষার একটি জাত?
  1. ক) বর্ণালি
  2. খ) রতন
  3. গ) মহুয়া
  4. ঘ) অগ্রণী
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অগ্রণী
ব্যাখ্যা
অগ্রণী হলো সরিষার একটি উন্নত জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সোনালি 
- কল্যাণীয়া
- সফল
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- বর্ণালি, শুভ্রা, মোহর, বারি : ভুট্টার জাত 
- মানিক, রতন, বাহার, মহুয়া : টমেটোর জাত 

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৪২৫.
আম গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. কুষ্টিয়া
  3. ময়মনসিংহ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আম গবেষণা কেন্দ্র:
- ১৯৮৫ সালে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতায় আম গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি  রাজশাহী শহর থেকে প্রায় ৫০ কিমি পূর্বদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত।
- কেন্দ্রের প্রধান উদ্দেশ্য আম চাষের ওপর সার্বিক গবেষণা পরিচালনা এবং আমের জাত উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধি।
- কেন্দ্রটির প্রায় ১২.৪০ হেক্টর (৩০.৬ একর) জমির উপর আছে ফলবাগান, গবেষণাগার, অফিস ও আবাসিক ভবন এবং ৬৫ জাতের তিন শতাধিক আমগাছ।
- একজন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কেন্দ্র প্রধান এবং সহযোগী হিসেবে রয়েছেন কয়েক জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।
- বর্তমানে আম গবেষণা কেন্দ্রটি উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের অধীনে আঞ্চলিক আম গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
- কতিপয় জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে এ কেন্দ্র সক্রিয় সহযোগিতা রাখে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪২৬.
বর্ণালি ও শুভ্র কোন ফসলের জাত?
  1. ক) গম
  2. খ) টমেটো
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বর্ণালি, শুভ্র, মোহর, বারি ভুট্টা-৫/৬ ইত্যাদি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত ভুট্টার উন্নত জাত। বলাকা, দোয়েল, আকবর ও কাঞ্চন হলো গমের জাত। মিন্টু, বাহার মানিক ইত্যাদি টমেটোর জাত। ওয়াশিংটন, রাঁচি ইত্যাদি পেঁপে'র জাত। (সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,৪২৭.
'গৌড়মতি' কিসের উচ্চ ফলনশীল জাতের নাম?
  1. ধান
  2. আম
  3. গম
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় নতুন জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গেছে।
কৃষিবিদেরা দাবি করেছেন, এটি নাবি জাতের (মৌসুমের শেষের দিকে হয়) সুস্বাদু একটি আম। আশ্বিনা ও ল্যাংড়া—এ দুই জাতের আমের মুকুলের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে নতুন জাতটির উৎপত্তি হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
তাঁরা আমটির নাম দিয়েছেন ‘গৌড়মতি’।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৪২৮.
উদ্ভিদ প্রজনন ও শস্যের জাত উন্নয়নে কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. BFRI
  2. SRDI
  3. BARI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BARI
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বিভিন্ন দানাদার ফসল, তৈলবীজ ও সবজির উন্নত জাত উদ্ভাবনে কাজ করে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার  পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মহাপরিচালক ৪(চার)টি উইং যথা গবেষণা উইং, সেবা ও সরবরাহ উইং,  প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ উইং এবং পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং এর ৪(চার) জন পরিচালকের মাধ্যমে তাঁর কার্য সম্পাদন করেন।
- গবেষণা উইং ৬টি কেন্দ্র, ১৭টি বিভাগ, ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ২৮টি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে যাবতীয় গবেষণা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

অন্যদিকে,
- বিএডিসি (BADC) মূলত বীজ উৎপাদন ও কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে থাকে।
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৪২৯.
ভারতীয় উপমহাদেশে কাদের মাধ্যমে প্রথম আলুর চাষ শুরু হয়েছিল?
  1. ডাচ
  2. ফরাসি
  3. পর্তুগিজ
  4. ব্রিটিশ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

আলু:
- বাংলাদেশের আলুর আদি জাত হচ্ছে মিষ্টি আলু।
- আর গোল আলুর আদি জাত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে।
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতবর্ষে প্রথম আলু নিয়ে আসে বলে ধারণা করা হয়।
- পর্তুগিজরা দীর্ঘ সমুদ্র যাত্রায় আলু বোঝাই করে নিয়ে আসতো। কারণ আলু সহজে পচে না। সেদ্ধ করেই খাওয়া যায়। পেট ভরা থাকে অনেকক্ষণ।

⇒ কিন্তু আলুকে ভারতবর্ষের সর্বত্র ছড়াতে কাজ করেছিল ইংরেজরা। 
- সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস। তিনি ১৭৭২ থেকে ১৭৮৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর দায়িত্বে থাকাকালে নিজ উদ্যোগে আলুর চাষ করেছিলেন। তিনি মূলত চেয়েছিলেন ভারতে কম দামে আলু চাষ করে ইউরোপে বিক্রি করতে। তার হাত ধরে ভারতের পশ্চিম উপকূলের শহর মুম্বাই বা তৎকালীন বোম্বেসহ অনেক প্রদেশে আলুর চাষ বিস্তার লাভ করে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গার্ডেনিং মান্থলি’ ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায়।
- পরে অষ্টাদশ শতকের শেষের দিকে উত্তর ভারত ও বাংলায় ব্রিটিশরা আলুর প্রচলন করেন।

উল্লেখ্য,
- ভারতে প্রথম আলুর চাষ শুরু হয় উত্তরখণ্ড রাজ্যের পাহাড়ি এলাকা নৈনিতালে।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) বিবিসি বাংলা।

১,৪৩০.
চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
চাল উৎপাদন:
- যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দপ্তরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বিশ্বে ৫৩ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হয়েছে।
- চাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- ২০২৪–২৫ বিপণন বছরে বাংলাদেশে ৩ কোটি ৬৬ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয়েছে। বিশ্বে মোট উৎপাদিত চালের ৭ শতাংশ এ দেশে উৎপাদিত হয়েছে।

⇒ চাল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. চীন।
২. ভারত।
৩. বাংলাদেশ।
৪. ইন্দোনেশিয়া।
৫. ভিয়েতনাম।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) ওয়েবসাইট।
১,৪৩১.
কোন জাতের ধান বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি পরিমানে উৎপাদন হয়? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. আউশ
  2. নাইজারশাইল
  3. বোরো
  4. আমন
সঠিক উত্তর:
বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বোরো ধানের জাত বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি পরিমানে উৎপাদন হয়।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বোরো ধানের প্রায় ২৭টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের ১১,৯৮,০০০ একর জমিতে মোট ২,০৭,৬৮,০০০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

অন্যদিকে -
- আউশ ধান ২৬২২০০০ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯০১০০০ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১৪৩০০০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৫৪২৬০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৪৩২.
কোন খাদ্য শস্যটি বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. ক) চিনি
  2. খ) পেঁয়াজ
  3. গ) গম
  4. ঘ) চাল
সঠিক উত্তর:
গ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গম
ব্যাখ্যা
সরকারি ও বেসরকারি উভয়ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি আমদানি করা খাদ্যশস্য - গম।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে,
- দেশে মোট খাদ্যশস্য আমদানির পরিমাণ ৩৮.১২ লক্ষ মেট্রিক টন।
- গম আমদানির পরিমাণ ৩৪.৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন এবং
- চাল আমদানির পরিমাণ ৩.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন। 

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১,৪৩৩.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. কার্তিক-ফাল্গুন
  2. চৈত্র-বৈশাখ
  3. ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  4. শ্রাবণ-আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১,৪৩৪.
মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর কিছু গবেষণা কেন্দ্র এবং তাদের অবস্থান:

- মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র — ময়মনসিংহ।
- আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- তাঁত গবেষণা বোর্ড — নরসিংদী।
- পাট গবেষণা কেন্দ্র — ঢাকা।
- তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — যশোর।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র — ফরিদপুর।
- রাবার গবেষণা বোর্ড — কক্সবাজার।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র — ঈশ্বরদী, পাবনা।
- রেশম গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী।
- ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট — সিলেট।
- হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট — নারায়ণগঞ্জ।
- কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — রামপাল, বাগেরহাট।
- চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট — হাজারীবাগ, ঢাকা।
- বন গবেষণা কেন্দ্র — চট্টগ্রাম।
- ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র — চাঁদপুর।
- ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট — জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- চা গবেষণা কেন্দ্র — শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
- তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর।
- আম গবেষণা কেন্দ্র — চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩৫.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. কার্তিক - ফাল্গুন
  2. চৈত্র - বৈশাখ
  3. ভাদ্র - অগ্রহায়ণ
  4. শ্রাবণ - আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
• কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৪৩৬.
নিচের কোন দুটি বেগুনের জাত?
  1. ক) কাজলা ও নয়নতারা
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
  4. ঘ) গ্রানোলা ও বিনেলা
সঠিক উত্তর:
ক) কাজলা ও নয়নতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজলা ও নয়নতারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রচলিত বেগুনের জাতসমূহ:
- নয়নতারা
- কাজলা
- তারাপুরী
- ইসলামপুরী
- শুকতারা
- বিজয়
- মুক্তকেশী
- ঝুমকো
- শিংনাথ
- নয়ন কাজল
- কেজি বেগুন
- তাল বা তল্লা বেগুন
- উত্তরা
- লাফফা
- ঈশ্বরদী-১
- খটখটিয়া ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৪৩৭.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নশিপুর, দিনাজপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা):
- অবস্থানঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

ইতিহাসঃ
- ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
- ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি ওয়েবসাইট।
১,৪৩৮.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. প্রভাতী
  2. ভাতি
  3. চমক
  4. প্রতিভা
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪৩৯.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ পারমাণবিক কৃষি ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
১,৪৪০.
নিচের কোনটি গম রোপনের সময়?
  1. ক) অক্টোবর - নভেম্বর
  2. খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
  3. গ) ডিসেম্বর - জানুয়ারী
  4. ঘ) জানুয়ারী - ফেব্রুয়ারী
সঠিক উত্তর:
খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নভেম্বর – ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের রোপনের সময়:

- আউশ ধান: মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আমন ধান: জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- বোরো ধান: মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- গম: নভেম্বর – ডিসেম্বর।
- ভুট্টা: মধ্য অক্টোবর – ডিসেম্বরের শেষ।
- আলু: মধ্য সেপ্টেম্বর – নভেম্বর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
১,৪৪১.
বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম কোথায় অবস্থিত ?
  1. পটুয়াখালী
  2. সুনামগঞ্জ
  3. কক্সবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- সাগরের পাহাড়, গুহা, তলদেশ উঁচু নিচু আর এলোমেলো সাগর পথ পাড়ি দিতে দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হবে।
- এমন  এ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদনের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো ফিস ওয়ার্ল্ড এ্যাকুরিয়াম হয়েছে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায়। যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন হয়েছে বিনোদনের নতুন ধাপ।
- বেসরকারিভাবে এটি তৈরি করেন রেডিয়েন্ট গ্রুপ।
- এটি মালেশিয়ার টেকনিক্যাল প্রকৌশলির সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। 
- এই এ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগরের থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য সংক্ষণ করা হয়েছে। 
- অচেনা এবং বিলুপ্ত প্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। 
- কক্সবাজারে স্থাপিত এটিই হচ্ছে দেশের প্রথম সামুদ্রিক ফিস এ্যাকুরিয়াম।
১,৪৪২.
বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকার?
  1. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  2. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
  3. স্বয়ংভোগী মিশ্র
  4. স্বয়ংভোগী শষ্য চাষ ও পশুপালন
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী ধরনের।

• ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে তাকে স্বয়ংভোগী চাষাবাদ বলে।
- আদ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসিতপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপানে ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে। 

• বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ক্ষুদ্রায়তন জমি।
- নিবিড় চাষাবাদ।
- ধানের প্রাধান্য।
- কায়িক শ্রম নির্ভর।
- একাদিক্রমে চাষাবাদ।
- চাষাবাদ প্রকৃতির উপর বেশী নির্ভরশীল।

• বাংলাদেশের কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলার কারণ: 
- আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য (ধান) উৎপাদন।
- বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। 
- এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসবজি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
- এজন্যই বাংলাদেশকে কৃষি ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী বলা হয়। 
--------------------- 
• বাংলাদেশের জাতীয় কৃ‌ষি:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) -মোস্তাফিজুর রহমান,  একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৩.
কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) ঠাকুরগাঁও
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• গম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
• পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা পাবনা।
• পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
• ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার
• কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশের জেলা নরসিংদী।
• আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
• রেশম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা রাজশাহী।
• রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।

১,৪৪৪.
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন (ময়নসিংহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরো ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- গবেষণা কেন্দ্র গুল হচ্ছেঃ
- স্বাদু পানির মৎস্য কেন্দ্র - ময়মনসিংহ
- লোনাপানির মৎস্য কেন্দ্র - খুলনা
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র - চাঁদপুর
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র - বাগেরহাট।

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৪৪৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘কৃষিশুমারি-২০১৯’ ছিল-
  1. ক) ৪র্থ কৃষিশুমারি
  2. খ) ৫ম কৃষিশুমারি
  3. গ) ৬ষ্ঠ কৃষিশুমারি
  4. ঘ) ৭ম কৃষিশুমারি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ম কৃষিশুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ম কৃষিশুমারি
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
১,৪৪৬.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা প্রবর্তন করে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
সামাজিক বনায়ন (Social Afforestration):
- প্রতিটি দেশের আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বৃক্ষ বা বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- এ জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু বনায়ন ব্যবস্থাপনা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে থেকে বনায়ন কর্মসুচী গ্রহণ করে।
- যে বনায়ন বা বন ব্যবস্থাপনায় জনসাধারণ সরাসরি জড়িত থাকে বা অংশগ্রহণ করে অর্থাৎ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে এবং জনগণ দ্বারা সৃষ্ট বনকে সামাজিক বনায়ন বা বন বলে।

⇒ বাংলাদেশের সামাজিক বনায়ন কর্মসূচী:
- জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলায় লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার সামাজিক বনায়নের ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
- বন বিভাগ ১৯৬০ দশকের শুরুর দিকে বন সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সর্বপ্রথম বনায়ন কর্মসূচী বনাঞ্চলের বাইরে জনগণের কাছে নিয়ে যায়।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ ১৯৮১-৮২ সালে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) আর্থিক সহযোগীতায় উত্তরাঞ্চলের ২৩ টি জেলার জনগণকে অংশীদার করে প্রথম সামাজিক বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- এরপর ১৯৯৫-৯৭ সালে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করে সম্প্রসারিত সামাজিক বনায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ১৯৯৫- ২০০২ সালে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
- সামাজিক বনায়নকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সরকার ২০০৪ সালে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা প্রবর্তন করে
- যা আরো কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ২০১০ সালে সংশোধনী আনা হয়।
- সংশোধিত বিধিমালায় সরকারী বন ভূমিতে বনায়নের জন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠিীর বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৭.
নিচের কোনটি তরমুজের একটি উন্নত জাত?
  1. সোনালি
  2. গ্রীন ড্রাগন
  3. ঝুমকা
  4. শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
গ্রীন ড্রাগন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীন ড্রাগন
ব্যাখ্যা
তরমুজ:
- উন্নত জাত: ভিক্টর সুপার, ওশেন সুগার, বঙ্গ লিঙ্ক, গ্রীন ড্রাগন, সুগার এম্পেরর, ভিক্টরী (FI), এম এস সি বাংলালিংক।

চাষপদ্ধতি:
- সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপনের পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করে মাদায় রোপণ করাই উত্তম। এতে বীজের পরিমাণ কম লাগে এবং জমিতে ফাঁকা জায়গা থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
- সাধারণত প্রতি মাদায় ৩-৪টি বীজ বপন করা হয়। বপনের ১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাদার মাটিতে সার মেশাতে হবে।
- দুই মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে দুই মিটার অন্তর মাদা তৈরি করতে হবে।
- মাদার সাইজ হবে ২০×২০×২০ ইঞ্চি।

- বীজ গজানোর পর প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রেখে বাকি চারাগুলো তুলে ফেলতে হবে।
- বীজ বপনের চেয়ে তরমুজ চাষে চারা রোপণ করাই উত্তম। চারা তৈরি করার জন্য ৪×৫ ইঞ্চি মাপের পলিথিনের ব্যাগে ৫০:৫০ অনুপাতে বালু ও পচা গোবর সার ভর্তি করে প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বপন করতে হবে।
- ৩০-৩৫ দিন বয়সের ৫-৬ পাতা বিশিষ্ট একটি চারা মাদায় রোপণ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা।
১,৪৪৮.
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট:
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
- এর প্রধান কার্যালয়: মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক  কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। 

⇒ এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৪৪৯.
কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কোন ফসলের জাত?
  1. আম
  2. আনারস
  3. কমলা
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলা
ব্যাখ্যা

কমলার জাত:
- কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কমলার জাত।
- এ জাতের কমলা চাষের সুবিধা হচ্ছে, এটি প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু। প্রচণ্ড গরমে এ ফল ঝরে না। পরিপক্ব হওয়ার পরও গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ে না। পাকার পরও ফলটি এক মাস গাছে রাখা যায়।
- এছাড়াও, কমলার উন্নত জাত: বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৪৫০.
বাংলাদেশে পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. ফরিদপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।

- আখ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা নাটোর।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।  

১,৪৫১.
পাটের জুটনে তুলা ও পাটের অনুপাত কত?
  1. ৭০ : ৩০
  2. ৮০ : ২০
  3. ৬০ : ৪০
  4. ৩০ : ৭০
সঠিক উত্তর:
৩০ : ৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ : ৭০
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় ৬ মার্চ।
- জুটনের আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- জুটন (Jutton) হল ৭০ ভাগ পাট ও ৩০ ভাগ তুলার মিশ্রণে তৈরি কাপড়।
- তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে এই ধরনের তন্তু তৈরি করা হয়।
- পাটের তৈরি সোনালি ব্যাগের আবিষ্কারক ড. মোবারক আহমদ খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৫২.
বাংলাদেশে কোন জাতের ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) আশা
  2. খ) সুফলা
  3. গ) বাংলামতি
  4. ঘ) মুক্তা
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলামতি
ব্যাখ্যা
বাংলামতি এক প্রকার ধান যা থেকে সুগন্ধি চাল পাওয়া যায়। এর বৈজ্ঞানিক পরিচয় ব্রি ধান ৫০। বাংলামতি উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট)
১,৪৫৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:

⇒ শীর্ষ জেলা:
• চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
• তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
• ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
• গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
• ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
• তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৪৫৪.
সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান -
  1. ক) ক্রমবর্ধমান
  2. খ) ক্রমহ্রাসমান
  3. গ) বর্ধমান
  4. ঘ) অপরিবর্তনীয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।

• জিডিপির
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

• কর্মসংস্থানের দিক থেকে
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৪৫৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'প্রতিভা' উন্নত জাতের -
  1. টমেটো
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. গম
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কৃষিতে প্রতিভা উন্নত জাতের গম। 
- উন্নত জাতের গম:- দোয়েল,আনন্দ,আকবর,বরকত,অগ্রণী,বলাকা, প্রতিভা

অন্যদিকে: 
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না, হীরা, মালা, ইরাটম, চান্দিনা, ব্রিশাইল, সুফলা, হরিধান।
• উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি, শুভ্র, উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪৫৬.
কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. বাহার
  2. অগ্রণী
  3. উত্তরণ
  4. সুফলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রণী
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪৫৭.
২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে বৃহৎ কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ২.৯৭%
  2. খ) ৩.৫১%
  3. গ) ৪.৪৪%
  4. ঘ) ৬.১৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৫১%
ব্যাখ্যা
দেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান নিম্নমূখী হলেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে সার্বিকভাবে দেশের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.৫১ শতাংশ যা আগের অর্থবছরে ছিলো ২.৯৭ শতাংশ।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
১,৪৫৮.
রেলপথের স্লিপার তৈরিতে কোন গাছ ব্যবহৃত হয়?
  1. শাল
  2. গর্জন
  3. গরান
  4. গেওয়া
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা
গর্জন:
- সুতাগোলা বা লেকুয়া গর্জন স্থানীয়ভাবে লাইসা গর্জন নামেও পরিচিত।
- গাছটি মহাবিপন্ন।
- চিরসবুজ লেকুয়া গর্জন সাধারণত ১২ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে।
- রেকর্ড অনুযায়ী এই গাছ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের চিরহরিৎ অরণ্যে জন্মে।

উল্লেখ্য,
- এ গাছের কাঠ প্রধানত নির্মাণকাজ, তক্তা ও ঘরের খুঁটি তৈরিতে ব্যবহার্য।
- কাঠে সূক্ষ্ম বুনন থাকায় কাপড় বোনার মাকু, সুতা রাখার ববিন এবং গণিত শাস্ত্রের যন্ত্রাদি তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত।
- রেলপথের স্লিপার হিসেবেও এই কাঠ বেশি ব্যবহার করা হয়।
- তা ছাড়া এ গাছের বাকল ও কাঠ থেকে প্রাপ্ত রেজিন ধূপ হিসেবে ব্যবহার করে তামাকপাতার সুগন্ধি করা হয়।

উৎস: ৮ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
১,৪৫৯.
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত নয় কোনটি?
  1. সূর্যপুরী
  2. সুফলা
  3. গোপালভোগ
  4. মোহনভোগ
সঠিক উত্তর:
সুফলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফলা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪৬০.
'মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. পটিয়া, চট্টগ্রাম 
  2. সুপরা, রাজশাহী
  3. গংগাচর, রংপুর
  4. সাভার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা

- মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, সাভারে অবস্থিত
- এটি মৎস অধিদপ্তর এর আওতাধীন।
- একাডেমির  নেতৃত্বে থাকেন একজন মহাপরিচালক, যাঁকে সহায়তা করেন চারজন পরিচালক (একজন রিজার্ভ) এবং দুইজন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পরিচালকের সমতুল্য)।

উল্লেখ্য,
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠার ওয়েবসাইট।

১,৪৬১.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সংক্ষিপ্ত নাম কি?
  1. ক) BRRI
  2. খ) BINA
  3. গ) BJRI
  4. ঘ) BARI
সঠিক উত্তর:
ঘ) BARI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) BARI
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলো BARI.
 
বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার  পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে। 
মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
 
উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট 
১,৪৬২.
BADC এর প্রধান কাজ কী?
  1. কৃষি গবেষণায় নেতৃত্ব প্রদান
  2. সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন
  3. কৃষি উপকরণ সরবরাহ
  4. কৃষি ঋণ বিতরণ
সঠিক উত্তর:
কৃষি উপকরণ সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি উপকরণ সরবরাহ
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

১,৪৬৩.
অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মোহনবাশী, বীট জবা, অমৃতসাগর ও সিংগাপুরী কি জাতীয় ফলের নাম?
  1. ক) পেয়ারা
  2. খ) কলা
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) জামরুল
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
কলার উন্নত জাতঃ অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মোহনবাশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, ও সিংগাপুরী। (রেফারেন্সঃ badc.gov.bd)
১,৪৬৪.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. মোহর
  2. কাবুলী
  3. গৌরব
  4. অগ্রদূত
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪৬৫.
BARI-এর উদ্ভাবিত 'নয়নতারা' কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. তরমুজ
  3. মরিচ
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

⇒ বেগুনের জাত:
- বারি বেগুন-১(উত্তরা),
- বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
- বারি বেগুন-৪(কাজল),
- বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

⇒ তামাক:
- সুগন্ধী (BAT-2)

⇒ মরিচের জাত:
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

⇒ তরমুজ এর জাত:
- পদ্ম
- বারি তরমুজ-১
- বারি তরমুজ-২

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৪৬৬.
বাংলাদেশের একমাত্র মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  2. চকরিয়া, কক্সবাজার
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ফকিরহাট, বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকিরহাট, বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র: সাভার, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৬৭.
‘জাপোনিকা জাতের’ ধান চাষের প্রমাণ পাওয়া গেছে-
  1. ক) সুনামগঞ্জে
  2. খ) ময়মনসিংহে
  3. গ) জয়দেবপুরে
  4. ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
ব্যাখ্যা
নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছর আগের জাপোনিকা জাতের ধান চাষের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। জাপান, থাইল্যান্ড, চীনে এই জাতের ধান এখনো চাষ হয়। কিছুটা আঠালো এই ধানের ভাত পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় জনপ্রিয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) পাঁচ গবেষকের যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা(০৭ ডিসেম্বর ২০১৯)।
১,৪৬৮.
কৃষিক্ষেত্রে কোন সময়কালকে রবি মৌসুম বলে?
  1. ফাল্গুন থেকে বৈশাখ
  2. আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ
  3. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. শ্রাবণ থেকে আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১,৪৬৯.
বর্তমানে কতটি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ১৪টি
  4. ঘ) ১৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭টি
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০’ প্রবর্তন করা হয়েছে এবং উক্ত আইনবলে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা ২০১৩’ প্রবর্তন করা হয়েছে।
• বর্তমানে ১৭টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১,৪৭০.
বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত কতটি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি  
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।যথা -
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
উল্লেখ্য,
• সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
১,৪৭১.
পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ড. আব্দুল আলিম
  2. ড. রেজা ইলাহি
  3. ড. মাকসুদুল আলম
  4. ড. মিনহাজুল করিম
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা ।

এছাড়া
- তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।

উৎস: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো,

১,৪৭২.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৫৬
  4. ব্রি ধান ৬২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৪৭৩.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া 
  3. যশোর 
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার পাশাপাশি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- অর্থাৎ ঝিনাইদহ জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।


উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. বাগেরহাট
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র: সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র: রাজশাহী।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৭৫.
গোপালভোগ কোন ফসলের জাত?
  1. কলা
  2. ভুট্টা
  3. আম
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা
- গোপালভোগ হলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হিমসাগর বা ক্ষীরসাপাত
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- হাড়িভাঙ্গা
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গৌরমতি
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,৪৭৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে মৎস্যজাত পণ্য থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় কত?
  1. ক) ২,৯০০.২৫কোটি টাকা
  2. খ) ২,৫৫৫.০৪ কোটি টাকা
  3. গ) ৩,৫৫৫.০৪ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৮০০.০৪ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ২,৫৫৫.০৪ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২,৫৫৫.০৪ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
 চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে (জানুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত)
- মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে ৪৬,৩৯৩.৫২ মেট্রিক টন 
- মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি আয়  প্রায় ২,৫৫৫.০৪ কোটি টাকা। 

[ উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১,৪৭৭.
কোন দশকে বাগদা চিংড়ি রপ্তানিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়?
  1. ষাটের দশকে 
  2. সত্তরের দশকে
  3. আশির দশকে
  4. নব্বইয়ের দশকে 
সঠিক উত্তর:
আশির দশকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশির দশকে
ব্যাখ্যা

বাগদা চিংড়ি:
- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশকে বাংলাদেশের রপ্তানিপণ্যের তালিকায় যুক্ত হয় এ চিংড়ি। 
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         iii) প্রথম আলো।

১,৪৭৮.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট।
- এর প্রধান কার্যালয় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে।
- এর অধীন শস্য গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে ৭টি এবং আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে ৭টি।      

 তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৪৭৯.
উচ্চফলনশীল কলার জাত নয় কোনটি? 
  1. সবরি
  2. কবরী
  3. কুফরী
  4. কাবুলী
সঠিক উত্তর:
কুফরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুফরী
ব্যাখ্যা

- 'কুফরী' উচ্চ ফলনশীল আলুর একটি জাত। 

• উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৪৮০.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে কোথায়?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) বরেন্দ্র্রভূমি
  4. ঘ) উপকূলীয় চরাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
যে বনভূমির বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না তাকে চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়। সাধারণত অধিক বৃষ্টিবহুল এলাকায় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য দেখা যায়।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
এই বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ।
এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৪৮১.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. প্রতিভা
  3. অগ্নিশ্বর
  4. সুফলা
সঠিক উত্তর:
অগ্নিশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৪৮২.
কোন ধরনের মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী?
  1. ল্যাটেরাইট মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. কাদামাটির মাটি
  4. বেলে মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৮৩.
দেশের সর্বশেষ চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

চা শিল্প:

- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।

⇒ বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- দেশের তৃতীয় এবং সর্বশেষ চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৯টি।
- সর্বশেষ পঞ্চগড়ের অর্গানিক অরিজিন চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৪৮৪.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. আকবর
  2. সৌরভ
  3. গৌরব
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
গমের জাত:
- কাঞ্চন
- আকবর
- অঘ্রাণী
- প্রতিভা
- সৌরভ (বারি গম-১৯)
- গৌরব (বারি গম-২০)

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
১,৪৮৫.
মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৯০%
  3. গ) ৭৫%
  4. ঘ) ৮৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৬টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

১,৪৮৬.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. ক) ক্লিওপেট্রা
  2. খ) দোয়েল
  3. গ) শ্রাবণী
  4. ঘ) লাফফা
সঠিক উত্তর:
ক) ক্লিওপেট্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্লিওপেট্রা
ব্যাখ্যা
• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী।
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,৪৮৭.
‘জোপাটিকা’ কোন ফসলের উন্নত জাত হিসেবে পরিচিত?
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

» বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৮৮.
বর্ণালী ও শুভ্রা কী?
  1. উন্নত জাতের আম
  2. উন্নত জাতের ভুট্রা
  3. উন্নত জাতের গম
  4. উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্রা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১,৪৮৯.
জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম কোন খাতে?
  1. ক) সেবা খাত
  2. খ) শিল্প খাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
-যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত, শিল্পখাত।
তার মধ্যে---
-বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান সবচেয়ে কম যার পরিমাণ-১১.৫০%
অন্যদিকে---
-সেবা খাত-৫১.৪৪% 
-শিল্প খাত- ৩৭.০৭%

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১,৪৯০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট - এর আঞ্চলিক শাখা কয়টি?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৭৬ সালের ৪ আগস্ট। এর প্রধান কার্যালয় গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে। এর অধীন গবেষণার মোট ১৭টি বিভাগ এবং ৮টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে। জামালপুর, চট্টগ্রাম, যশোর, মৌলভীবাজার, পাবনা, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা - জেলায় এই আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রগুলো অবস্থিত।
উৎসঃ BARI website.
১,৪৯১.
নিচের কোনটি সরকারি ভাবে খাদ্যশস্য বিতরনের পদ্ধতি নয়?
  1. ক) ওপেন মার্কেট সেল
  2. খ) ভলনারেবল গ্রুপ উন্নয়ন
  3. গ) গ্রাটিসাস রিলিফ
  4. ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই সরকারি খাদ্য শস্য বিতরনের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

সরকারি খাদ্য বিতরন ব্যবস্থার বিভিন্ন চ্যানেলে নির্ধারিত আয়ের সরকারি কর্মচারী ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার খাদ্য সহায়তা দিয়ে থাকে।
এর মধ্যে নগদ সহায়তায় (Monetised) আকারে -
- ওপেন মার্কেট সেল (OMS),
- ফেয়ার প্রাইজ কার্ড (FPC) ইত্যাদি
মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বা সরাসরি খাদ্য সহায়তা (Non - monetised) হিসাবে -
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা)
- টেস্ট রিলিফ (TR)
- ভলনারেবল গ্রুপ ফিডিং (VGF)
- ভলনারেবল গ্রুপ উন্নয়ন (VGD)
- গ্রাটিসাস রিলিফ (GR) ইত্যাদি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১,৪৯২.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের ধানের নাম?
  1. রূপালি
  2. ইরাটম
  3. শুভ্র
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
ইরাটম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটম
ব্যাখ্যা
• উন্নত জাতের ধানের নাম- ইরাটম।
• এ জাতের বৈশিষ্ট্যঃ
- এটি একটি মধ্যম স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন জাত।
- জীবনকাল বোরো মৌসুমে ১৪০-১৫০ দিন ও আউশ মৌসুমে ১২৫-১৩০ দিন।
- গাছ মাঝারী আকারের লমবা (৮০-৮৫ সেমি)
- জাতটি পাতা পোড়া রোগ প্রতিরোধী।
- প্রতি গুছিতে কুশির সংখ্যা ১৭-২০ টি, ছড়া ২১ সে.মি. লম্বা ও ১৪০-১৫০ টি ধান ধরে ।
- চাল  মাঝারী সরু ও লম্বা।
- চালে এ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৬-২৮% ও আমিষের পরিমাণ ৮.২১-৮.৩৮%।
- ভাত সহজে নষ্ট হয় না।
-----------------------------------------------------
অন্যদিকে,
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
১,৪৯৩.
জুম চাষ কোন ধরনের কৃষিপদ্ধতি?
  1. পাহাড়ী চাষ
  2. স্থানান্তর কৃষি
  3. মিশ্র চাষ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা

জুম চাষ:
- জুম চাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি। 
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এ ধরনের প্রাচীন চাষাবাদ অধিকাংশ উপজাতীয় অধিবাসীদের অতি পরিচিত।
- সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাইরে ঢালু পাহাড়ের ওপর জুমচাষ করা হয়। 
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৪৯৪.
কোনটি মৎস্য শিল্পে 'সাদা সোনা' নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. কাঁকড়া
  3. চিংড়ি
  4. অক্টোপাস
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা

• হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৪৯৫.
বর্তমানে বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান - [জুন, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএও) প্রকাশ করা বিশ্বের মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন ‘ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২৪’–এ এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।
- প্রতিবেদনে ২০২২ সালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

⇒ বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।
- কাঁকড়া চাষে বাংলাদেশ নবম অবস্থানে রয়েছে।
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) FAO ওয়েবসাইট।
১,৪৯৬.
সোনালী আঁশ কাকে বলা হয়?
  1. পাট
  2. রেশম সুতা
  3. কলাগাছের তন্তু
  4. ইলিশ মাছের আঁশ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- এটি একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১,৪৯৭.
‘অগ্নিশ্বর’ কিসের জাত?
  1. ক) পেঁপে
  2. খ) কলা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
অগ্নিশ্বর হলো কলার একটি জাত।
কলার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- বীটজবা
- চাম্পা
- মেহেরসাগর
- কবরি ইত্যাদি।
(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,৪৯৮.
নিচের কোনগুলো বেগুনের জাত?
  1. ক) নয়নতারা ও শুকতারা
  2. খ) দোয়েল ও কাঞ্চন
  3. গ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
  4. ঘ) বর্ণালি ও শুভ্রা
সঠিক উত্তর:
ক) নয়নতারা ও শুকতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নয়নতারা ও শুকতারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রচলিত বেগুনের জাতসমূহ:
- নয়নতারা
- কাজলা
- তারাপুরী
- ইসলামপুরী
- শুকতারা
- বিজয়
- মুক্তকেশী
- ঝুমকো
- শিংনাথ
- নয়ন কাজল
- কেজি বেগুন
- তাল বা তল্লা বেগুন
- উত্তরা
- লাফফা
- ঈশ্বরদী-১
- খটখটিয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- দোয়েল ও কাঞ্চন : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- বর্ণালি ও শুভ্রা : ভুট্টার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১,৪৯৯.
নিম্নের কোনটি খরিফ মৌসুমের ফসল?
  1. গম
  2. মসুর ডাল
  3. বোরো ধান
  4. আউশ ধান
সঠিক উত্তর:
আউশ ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আউশ ধান
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়। কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়। ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিফ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিফ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিফ মৌসুম। খরিফ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

⇒ খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে। এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

⇒ খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৫০০.
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত। এটি দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়। এর আওতায় কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমিতে সেচের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
(সূত্রঃ কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)