বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৭ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৬৮১

১,২০১.
মধুপুর গড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. টাঙ্গাইল
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
মধুপুর গড়:
- মধুপুর গড় বাংলাদেশের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত একটি বৃহৎ উত্থিত এলাকা।
- এই গড়ের দক্ষিণাংশ ভাওয়াল গড় এবং উত্তরাংশ মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এই অঞ্চলটি একটি সোপান এলাকা, যা সংলগ্ন প্লাবনভূমির তুলনায় এক থেকে দশ মিটার উঁচু।
- মধুপুর গড়ের মোট বিস্তার ৪,২৪৪ বর্গ কিমি।
- টাঙ্গাইল-গাজীপুর ও নরসিংদীর অধিকাংশ ভূমির গঠন একই রকম, যা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- বনের প্রধান বৃক্ষ শাল, যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- কোচ এবং মান্ডা (গারো) নামক দুটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর বাস এই মধুপুর গড়ে, যারা মধুপুরের শালবনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
- কোচ উপজাতী বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১।
১,২০২.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,২০৩.
নিচের কোন উদ্ভিদটি সুন্দরবনে জন্মায় না?
  1. ক) পশুর
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) কেওড়া
  4. ঘ) চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপালিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপালিশ
ব্যাখ্যা
‘সুন্দরবন’ বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্য ৩৫টি প্রজাতি হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের।
সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ হলো সুন্দরী ও গেওয়া।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- কেওড়া
- ধুন্দল
- বাইন
- গোলপাতা
- ওড়া
- পশুর প্রভৃতি।
অন্যদিকে, চাপালিশ উদ্ভিদ পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলে দেখতে পাওয়া যায়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,২০৪.
সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) ঠাকুরগাঁও
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর জেলায় (১০,৬০৪ মে.টন)।

অন্যদিকে,
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায় (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর জেলায় (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।
 • সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় ঠাকুরগাঁও জেলায় (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১,২০৫.
পঞ্চব্রীহি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন কে?
  1. ডক্টর শফিউল আলম চৌধুরী
  2. ডক্টর নজরুল ইসলাম খান
  3. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  4. ডক্টর মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
ডক্টর আবেদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডক্টর আবেদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

পঞ্চব্রীহি:
- ফলন শেষ হওয়ার পর একটি ধানগাছ পুরোপুরি না কেটে ওই একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে আরও চারবার একই ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- বিভিন্ন মৌসুমে এক গাছ হতে পাঁচ প্রকারের ধান চাষের পদ্ধতিটি হচ্ছে পঞ্চব্রীহি।
- পঞ্চব্রীহির এক ধান গাছে পাঁচবার ফলন হয়।
- ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘খাদ্যনিরাপত্তা ও মানবস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ আবিষ্কারের কথা জানান তিনি।
- পঞ্চব্রীহি ধান চাষে প্রথমবার ১১০ দিন পর ফলন আসে।
- পরের ফলন আসে ৪৫ দিন অন্তর।
- একবার বোরো, দুবার আউশ ও দুবার আমন ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
- পঞ্চব্রীহি ধান প্রথমবার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয় চার টন।
- ধানের চারা প্রতি ৪ সেন্টিমিটার দূরত্বে রোপণ করতে হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ অক্টোবর ২০২৩।

১,২০৬.
বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি রাবার বাগান আছে মোট কয়টি?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ১৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাবার চাষের ইতিবৃত্ত: 
- রাবার  একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- এটি বাস্তবায়নকালে প্রকল্প সংশোধন করে ১৯৬২ সালে ১২১৪ হেক্টর জমিতে ৫ বছর মেয়াদী পুনঃপ্রকল্প গ্রহণ করা হয় এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ প্রকল্পের সাফল্যের প্রেক্ষিতে সরকার ১৯৬৫ সালে ৪২৫০ হেক্টর জমিতে ৫ বছর মেয়াদী আরেকটি প্রকল্প গ্রহণ করে।
- ১৯৬০-৭৩ সালে বিএফআইডিসি চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার ৬১১৬ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের প্রকল্প গ্রহণের জন্য নির্ধারণ করে।
- কিন্তু ঐ সময়ে মাত্র ৪০৯ হেক্টর জমিতে রাবার বাগান করা সম্ভব হয় এবং প্রকল্প মেয়াদে মাত্র ১৬২ হেক্টর জমির বাগান রাবার চাষের উপযোগী হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৪ সালে সরকার অধিকতর বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সুবিধার মাধ্যমে পুনঃরায় রাবার বাগান সৃজন করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- বর্তমানে বিএফআইডিসির ১৮টি বাগানে ৩,৮৬,০০০ টি রাবার গাছের মধ্যে ২ লক্ষাধিক গাছ উৎপাদনশীল।

সূত্র: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড।
১,২০৭.
‘মোহিনী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ধান
  3. পাট
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২০৮.
কৃষিতে ‘ঝুমকা’ বলতে কী ধরনের ফসল বোঝায়?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. মরিচ
  4. আলু
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
কৃষিতে ‘ঝুমকা’ বলতে উন্নত জাতের টমেটো বোঝায়।

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
⇒ উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২০৯.
খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ২০২২ সালে সাধু বা মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে -
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চর্তুথ
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২২’ বৈশ্বিক প্রতিবেদন অনুসারে -
- সাধু বা মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ দেশ – ভারত।
- সাধু বা মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ – তৃতীয়।
- সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে শীর্ষ দেশ – চীন।
- সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ – ২৫তম।

এছাড়াও -
- পাট প্তানিতে ১ম উৎপাদনে ২য় 
- কাঁঠাল রপ্তানিতে ১ম, উৎপাদনে ২য় |
- ধান, সবজি ও পেঁয়াজ উৎপাদনে ৩য়
- আম উৎপাদনে ৮ম
- ইলিশ উৎপাদনে ১ম
- পেয়ারা ও খাদ্যশস্য উৎপাদনে ৮ম ও ১১তম স্থান
- আলু উৎপাদনে ৬ষ্ঠ
- ছাগলের দুধ উৎপাদনে ২য়
- ছাগলের মাংস উৎপাদনে ৪র্থ
- চা উৎপাদনে ১০ম (১৬৭টি বাণিজ্যিক চা এস্টেট)

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ও লেকচার।
১,২১০.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নিমার্ণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নারায়নগঞ্জ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
• জাহাজ নির্মাণ বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প।
• আধুনিক যুগের শুরু থেকে বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণের একটি দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও স্থানীয়ভাবে তৈরি জাহাজ রপ্তানি করার মাধ্যমেই মুলতঃ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাহাজ নির্মাণ একটি প্রধান প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পে পরিণত হয়েছে।
• বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
•দেশের প্রায় ৭০০ ছোট-বড় নদীর ২৪ হাজার কিমি দীর্ঘ নদীপথ অভ্যন্তরীণ জলসীমা হিসেবে নৌপরিবহণের কাজে ব্যবহূত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,২১১.
রাজধানী ছাড়া 'ওয়াশিংটন' কিসের নাম?
  1. ক) তামাক
  2. খ) পেয়ারা
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) তরমুজ
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেঁপে
ব্যাখ্যা
পেঁপের বিভিন্ন জাতঃ কাহী, রাচি, ওয়াশিংটন, হানিডিউ, পুষা। (রেফারেন্সঃ ৭ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা)
১,২১২.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. কেওড়া
  3. গরান
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,২১৩.
বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা বাগান গড়ে উঠে কোথায়?
  1. ক) কুমিরায়
  2. খ) রামুতে
  3. গ) মালিনীছড়ায়
  4. ঘ) বড়লেখা
সঠিক উত্তর:
গ) মালিনীছড়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালিনীছড়ায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয়। বর্তমানে দেশে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও রাঙামাটি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১,২১৪.
কোনটি  বাংলাদেশের জন্য “ব্লু-গোল্ড” হিসেবে পরিচিত?
  1. পাট
  2. চিংড়ি
  3. মিঠাপানি
  4. লোনা পানি
সঠিক উত্তর:
মিঠাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিঠাপানি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিশাল মিঠাপানির ভাণ্ডারকে ২১শ’ শতকের “ব্লু-গোল্ড” বা ‘নীল-সোনা’ হিসেবে খ্যাত।

- বছরে গড়ে ২ হাজার ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ৭০০ শতাধিক নদীনালা, অসংখ্য খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় ও জলাভূমি—এসব মিলিয়ে বাংলাদেশ একটি অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনার জলভান্ডার।
- বাংলাদেশের পানি বিশুদ্ধতার দিক থেকে পৃথিবীর যেকোনো দেশের পানির চেয়ে এগিয়ে। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর ও সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার পানি ইতিমধ্যে উচ্চ বিশুদ্ধতার জন্য চিহ্নিত।
- এই অঞ্চলের পানির পিএইচ লেভেল ৬.৫, ৮.০ ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত: ৬.৫, ৮.৫।
- যা রীতিমতো অবাক হওয়ার মতো। এটাকে বাংলাদেশের জন্য একটা সোনার খনি বলা চলে।
- এ জন্যই বাংলাদেশের পানিকে ব্লু গোল্ড বলা হয়।

অন্যদিকে,
- সোনালী আঁশ হিসেবে খ্যাত- পাট।
- হোয়াইট গোল্ড হিসেবে খ্যাত- চিংড়ি।

উৎস: প্রথম আলো।

১,২১৫.
বর্তমানে চিনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কত লক্ষ টন?
  1. ক) ১ লক্ষ টন
  2. খ) ৩ লক্ষ টন
  3. গ) ৪ লক্ষ টন
  4. ঘ) ১০ লক্ষ টন
সঠিক উত্তর:
ক) ১ লক্ষ টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ লক্ষ টন
ব্যাখ্যা

বর্তমানে চীনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ লক্ষ টন।

- দেশে মোট চিনির চাহিদা ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এরমধ্যে সরকারি চিনিকলগুলোতে উৎপাদন হয় মাত্র ৮০ হাজার টন। অর্থাৎ বাকি ১৭ দশমিক ২ মেট্রিক টন চিনি প্রতিবছর বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আর এসব আমদানি চিনির অধিকাংশই আসে র-সুগার হিসেবে। 

-তারপর সেই র-সুগারকে রিফাইন করে চিনি উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দেশের চিনির সরবরাহ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। 

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন

১,২১৬.
’তারাপুরি’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. মরিচ
  2. বেগুন
  3. তামাক
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

- ’তারাপুরি’ বেগুন ফসলের উন্নত জাত।

• বেগুনের উন্নত জাত:
-  বারি বেগুন-১(উত্তরা),
- বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
- বারি বেগুন-৪(কাজল),
- বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

• তামাক:
- তামাক সুমাত্রা ও ম্যানিলা; -

• মরিচের জাত:
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

• তরমুজ এর জাত:
- পদ্ম
- বারি তরমুজ-১
- বারি তরমুজ-২

উৎস কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,২১৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে কৃষির সাথে জড়িত জনগোষ্ঠীর হার কত?
  1. ক) ৩৯%
  2. খ) ৪০.৬%
  3. গ) ২০.৪%
  4. ঘ) ৪১.৮৭ %
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০.৬%
ব্যাখ্যা
৩৯% - সেবা খাতে
৪০.৬%- কৃষি খাতে
২০.৪% - শিল্প খাতে
১,২১৮.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘কবরী’ কী?
  1. ক) কলার জাত
  2. খ) আমের জাত
  3. গ) গমের জাত
  4. ঘ) টমেটোর জাত
সঠিক উত্তর:
ক) কলার জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কলার জাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত কলার জাত:
১. খাটো জাত -- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার)
২. মাঝারি আকার -- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী
৩. লম্বাকৃতির জাত -- কাঁঠালি, আনাজি

উল্লেখ্য, হিম সাগর - আমের জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,২১৯.
কৃষিতে ‘মানিক' ও 'রতন’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. বাধাঁকপি
  3. টমেটো
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা

কৃষিতে ‘ঝুমকা’ টমেটোর উন্নত জাত।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।


এছাড়াও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, বাংলামতি, ব্রিশাইল, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, কিরণ, দুলাভোগ, দিশারী, মোহিনী, সুফলা, আশা, শ্রাবণী, প্রগতি, মুক্তা, ময়না, গাজী, শাহীবালাম, শাহজালাল। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট। 
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,২২০.
শীতকালীন শস্যকে বলে-
  1. ক) রবি শস্য
  2. খ) খরিপ শস্য
  3. গ) রিং শস্য
  4. ঘ) রিলে শস্য
সঠিক উত্তর:
ক) রবি শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রবি শস্য
ব্যাখ্যা

ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা- রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।

১,২২১.
’কার্ডিনাল ও চমক’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. মরিচ
  2. আলু
  3. টমেটো
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

- কার্ডিনাল ও চমক’ আলুর উন্নত জাত।

আলু:

- উন্নত জাতের আলুর জাত: 
- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।

এছাড়াও,
•  পেঁয়াজের জাত: তাহেরপুরী, ফরিদপুর ভাতি, ঝিটকা, কৈলাসনগর।
- উন্নত জাতের ধান:
- ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
 • মরিচের জাত:  বিনা মরিচ-২, সনিক, মেজর, ধুম, চন্দ্রমুখী

• উন্নত জাতের টমেটো: 
- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উন্নত জাতের বেগুন:
- শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,২২২.
বাংলামতি কী?
  1. এক ধরনের আম
  2. এক ধরনের ধান
  3. এক ধরনের গম
  4. এক ধরনের টমেটো
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ধান
ব্যাখ্যা
- গাজীপুরের ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তমাল লতা আদিত্যের নেতৃত্বে ৬টি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবিত হয়েছে।
- এর মধ্যে ভারত এবং পাকিস্তানের বিখ্যাত ধান বাসমতির বিকল্প 'বাংলামতি' এবং 'সরু বালাম' ধান নামেও দুটি নতুন জাত তিনি উদ্ভাবন করেছেন। 
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ব্রি-৫০।
- এটি দেখতে অনেকাংশে পাকিস্তান, ইন্ডিয়ান বাসমতির মতো।
- দেশীয় বাসমতি বা বাংলামতি উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট।
- ২০১০ সালে বাণিজ্যিকভাবে বাসমতি ধানের চাষ শুরু হয় বাংলাদেশে।
- এটি বোরো মৌসুমে আবাদ করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট লিংক।
১,২২৩.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র-
  1. Post Harvest Management
  2. Post-Entry Quarantine Centre
  3. Agriculture Information and Communication Council
  4. Agriculture Information and Communication Centre
সঠিক উত্তর:
Agriculture Information and Communication Centre
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agriculture Information and Communication Centre
ব্যাখ্যা
কৃষিভিত্তিক সেবা:
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র - Agriculture Information and Communication Centre (AICC)।

উল্লেখ্য,
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
- কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের ই-কৃষি সেবার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন, বন্ধু ফোন, Online Fertiliser Recommendation Software, Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি।
- জেলা পর্যায়ে বিপণন অফিসগুলোকে ইন্টারনেট সংযোগের আওতাভুক্তকরণ এবং হাট বাজারের বাজারদর ও তথ্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট www.dam.gov.bd-তে প্রচার এবং পরিবীক্ষণ জোরদারকরণ করা হয়েছে।
-  সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ এবং কফি ও কাজুবাদাম জাতীয় ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ।
- কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধান কার্যালয়ে ০১টি কৃষি কল সেন্টার স্থাপন।
- বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানীর কল সেন্টারসমূহে যোগাযোগের মাধ্যমে কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক সেবার ব্যবস্থা গ্রহণ।

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,২২৪.
'সিন্দুরী' কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
  1. টমেটো
  2. আলু
  3. তুলা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
- আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।
- টমেটো উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী।
- তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
- গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,২২৫.
কোন জেলাটি হাওরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
ব্যাখ্যা
মোট ৭টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের হাওরাঞ্চল গঠিত। এগুলো হলোঃ সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নেত্রকোনা এবং কিশোরগঞ্জ। এটি এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ হাওরাঞ্চল। সুনামগঞ্জ জেলাকে এ হাওরাঞ্চলের 'মা' বলা হয়। এই হাওরাঞ্চল বাংলাদেশের 'খাদ্য গুদাম' নামে পরিচিত। মোট বোরো ধান উৎপাদনের প্রায় ২০ ভাগ হাওরাঞ্চল থেকে আসে। উল্লেখযোগ্য হাওরের মধ্য সুনামগঞ্জ জেলার টাঙ্গুয়ার হাওর (রামসার সাইট), শনির হাওর ও চলতি হাওর; সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার হাকালুকি হাওর; ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার দ-খোলা আকাশি বিল; নেত্রকোনা জেলার পুটিয়ার হাওর; কিশোরগঞ্জ জেলার ধুপিবিল হাওর ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,২২৬.
কৃষিতে ’পদ্মা’ কোন ফসলের জাত?
  1. আম
  2. মরিচ
  3. তরমুজ
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরমুজ
ব্যাখ্যা
তরমুজের উন্নত জাত: পদ্মা , বারি তরমুজ-১, বারি তরমুজ-২, মধুমালা।
- বাংলাদেশের কৃষিতে  কয়েকটি জাত, যথা:-
• উচ্চ ফলনশীল আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
• আমের জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ,ক্ষীরসাপাতি।
• মরিচের জাত: যমুনা।
•টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপুর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।

উল্লেখ্য,
• ভূট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।
• গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।
১,২২৭.
নিচের কোনটি কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত?
  1. খেজুরের গুড়
  2. তিলের খাজা
  3. ব্ল‍্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া
ব্যাখ্যা

কুষ্টিয়া গ্রেড:
- বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের এবং মাংস অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়। তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হয়।
- যার কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,২২৮.
লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ক) ব্রি ধান-৬৭
  2. খ) ব্রি ধান-৪৩
  3. গ) ব্রি ধান-৫৬
  4. ঘ) ব্রি ধান-৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান-৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান-৬৭
ব্যাখ্যা
খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫
• ব্রি ধান-৫৬
• ব্রি ধান-৫৭
• ব্রি ধান-৬৬

লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৬৭
• বিনা ধান-১০
• ব্রি ধান-৫৩
• ব্রি ধান-৫৪

জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১
• ব্রি ধান-৫২
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৬২
• ব্রি ধান-৬৪
• ব্রি ধান-৭২
• ব্রি ধান-৭৪
• ব্রি ধান-৮৪

তথ্যসূত্র - কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,২২৯.
মধুপুর গড় কোথায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
মধুপুর গড়:

- মধুপুর গড় বাংলাদেশের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত একটি বৃহৎ উত্থিত এলাকা।
- এই গড়ের দক্ষিণাংশ ভাওয়াল গড় এবং উত্তরাংশ মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এই অঞ্চলটি একটি সোপান এলাকা, যা সংলগ্ন প্লাবনভূমির তুলনায় এক থেকে দশ মিটার উঁচু।
- মধুপুর গড়ের মোট বিস্তার ৪,২৪৪ বর্গ কিমি।
- টাঙ্গাইল-গাজীপুর ও নরসিংদীর অধিকাংশ ভূমির গঠন একই রকম, যা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- বনের প্রধান বৃক্ষ শাল, যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- কোচ এবং মান্ডা (গারো) নামক দুটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর বাস এই মধুপুর গড়ে, যারা মধুপুরের শালবনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
- কোচ উপজাতী বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১।
১,২৩০.
নিচের কোনটি আলুর জাত নয়?
  1. মরিনি
  2. মুলটা
  3. বরকত
  4. ধীরা
সঠিক উত্তর:
বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরকত
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের আলু:
- কুফরীসিন্দুরী, মুলটা, প্যাট্রোনিস, কার্ডিনাল, ডায়ামন্ট, মরিনি, ওরিগোহীরা
- চমক, মন্ডিয়াল, আইলসা, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা, বিনেলা
- আরিন্দা, রাজা
- বারি টি পিএস-১, বারি টি পিএস-২

অন্যদিকে,
- 'বরকত' গমের একটি জাত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৩১.
নিচের কোনগুলো ভুট্টার জাত?
  1. ক) বর্ণালি ও শুভ্রা
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) রূপালি ও ডেলফৌজ
  4. ঘ) গলদা ও বাগদা
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ণালি ও শুভ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বর্ণালি ও শুভ্রা
ব্যাখ্যা
বর্ণালি, শুভ্রা, মোহর, উত্তরণ ইত্যাদি হলো ভুট্টার কতগুলো জাত।
অন্যদিকে সোনালিকা ও আকবর হলো গমের জাত। রূপালি ও ডেলফৌজ হলো তুলার জাত। গলদা ও বাগদা হলো চিংড়ির প্রজাতি।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,২৩২.
ডায়াথেন এম-৪৫ এর অপেক্ষমান সময় কতদিন?
  1. ৩-৭ দিন
  2. ৫-৭ দিন
  3. ১-৫ দিন
  4. ৭-১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭-১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭-১০ দিন
ব্যাখ্যা
ডায়েথন এম-৪৫:
- ডায়েথন এম-৪৫ (Dithane M-45) একটি বহুল ব্যবহৃত ছত্রাকনাশক, যা মূলত ম্যানকোজেব (Mancozeb) দ্বারা তৈরি।
- এটি বিভিন্ন ফসলের ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধে কার্যকর।
- এর সক্রিয় উপাদান: ম্যানকোজেব (৮০%)।
- এটি ছত্রাকের কোষের বিভিন্ন অংশে আক্রমণ করে, যার ফলে ছত্রাকের বৃদ্ধি ও বিস্তার রোধ হয়।
- ম্যানকোজেব ছত্রাকের কোষের প্রোটিন এবং এনজাইমের সাথে বিক্রিয়া করে, যা ছত্রাকের কোষের কার্যকারিতা নষ্ট করে।
- ডায়াথেন এম-৪৫ এর অপেক্ষমান সময় ৭-১০ দিন।

তথসূত্র - ডায়েথন এম-৪৫ ওয়েবসাইট।
১,২৩৩.
কোন জেলায় সাধারণত জুম চাষ হয় না?
  1. ক) রাঙ্গামাটিতে
  2. খ) বান্দরবানে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) ময়মনসিংহে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা

- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটিতে জুম চাষ হয়।

১,২৩৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, নিচের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদন হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,২৩৫.
বাংলাদেশে কোন ধানের উৎপাদন সর্বাধিক হয়?  
  1. ইরি 
  2. বোরো 
  3. আউশ
  4. আমন 
সঠিক উত্তর:
বোরো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো 
ব্যাখ্যা

• ধান:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের ১২০.৫৩ লক্ষ একর জমিতে মোট ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে -
- আউশ ধান ২৫.৫৭ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪২.১০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: 
i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,২৩৬.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি নেই?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) বাগেরহাট
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরগুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরগুনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে সুন্দরবন বিস্তৃত।
এর আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি. যা বনবিভাগ নিয়ন্ত্রিত মোট বনভূমির প্রায় ৩৮.১২ শতাংশ।
এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী থেকেই বনের নাম সুন্দরবন হয়েছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য এবং রামসার সাইট।
(সূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
১,২৩৭.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি নেই?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) বাগেরহাট
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) ঝালকাঠি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঝালকাঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঝালকাঠি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে সুন্দরবন বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.। এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী থেকেই বনের নাম সুন্দরবন হয়েছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য এবং রামসার সাইট।
(সূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
১,২৩৮.
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) নয়াদিল্লী
  3. গ) ম্যানিলা
  4. ঘ) ব্যাংকক
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যানিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যানিলা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র (International Rice Research Institute (IRRI)) হল একটি স্বশাসিত, অলাভজনক, কৃষিবিষয়ক বিশ্লেষণ এবং প্রশিক্ষণ সংস্থা। সংস্থাটির সদর দপ্তর ফিলিপাইন এর ম্যানিলাতে অবস্থিত।
১,২৩৯.
বাংলাদেশ কোনটিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) আলু
  4. ঘ) পাট
সঠিক উত্তর:
খ) গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ গম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। ২০১৮-২০১৯ সালে দেশে গমের উৎপাদন ছিলো ১০ লক্ষ মেট্রিক টন। তাই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে গম আমদানি করতে হয়। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার থেকে মোট ৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানি করে। গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
(সূত্র: FAO এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,২৪০.
মাটির বুনট শ্রেনী কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৩টি
  3. ১২টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
বুনট শ্রেণী:
- কোন মৃত্তিকায় বিভিন্ন আকারের একক কণার পারষ্পরিক অনুপাত দ্বারা সৃষ্ট স্থূলতা বা সুক্ষ্মতাকে মাটির বুনট বলে।
- বিভিন্ন আকারের বালি, পলি এবং কর্দম কণা বিভিন্ন অনুপাতে মিশে একটি বিশেষ বুনট শ্রেণীর মৃত্তিকা সৃষ্টি করে।
- বুনট মৃত্তিকার একটি মৌলিক ও স্থায়ী ধরনের ধর্ম। মৃত্তিকার ভৌত গুণাবলী বুনটের উপর নির্ভর করে।
- বিভিন্ন বুনটের মৃত্তিকার ধর্ম বা বৈশিষ্ট বিভিন্ন।
- এই সমস্ত বৈশিষ্টগত কারনের জন্য এক এক শ্রেণীর মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা এক এক রকম এবং এক এক ফসলের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতির আওতায় মৃত্তিকাকে ১২টি বুনট শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,২৪১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলের প্রধান কাঁচামাল-
  1. ক) আখের ছোবড়া
  2. খ) বাঁশ
  3. গ) সুন্দরী কাঠ
  4. ঘ) নলখাগড়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরী কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরী কাঠ
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)]
১,২৪২.
নিচের কোন অঞ্চলে 'কালিজিরা' ধান বেশি উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল। এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd.

১,২৪৩.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৭২
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,২৪৪.
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের কোন জাতটি লবণাক্ততা সহিষ্ণু?
  1. ব্রি ধান - ৫৭
  2. ব্রি ধান - ৬৬
  3. ব্রি ধান - ৭১
  4. ব্রি ধান - ৪৭
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান - ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান - ৪৭
ব্যাখ্যা
- ২০০৬ সালে জাতটি চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক অনুমোদন লাভ করে।
- ব্রি ধান ৪৭ বাংলাদেশের লবণাক্ত এলাকায় বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে।

জাতের বৈশিষ্ট্য
- এটি লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাত।
- গাছের উচ্চতা ১০৫ সেমি।
- ডিগ পাতা চওড়া, লম্বা ও খাড়া।
- চাল মাঝারি মোটা এবং পেটে সাদা দাগ আছে।
- এ জাতটি চারা অবস্থায় উচ্চ মাত্রা (১২-১৪ ডিএস/মিটার) লবণাক্ততা সহনশীল।
- বয়স্ক অবস্থায় নিম্ন হতে মধ্যম মাত্রা (৬ ডিএস/মিটার) লবণাক্ততা সহনশীল।
- এ জাতের জীবনকাল ১৫২ দিন। 

→ ৪টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান - ৫৬, ব্রি ধান - ৫৭, ব্রি ধান -৬৬, ব্রি ধান -৭১।
→ দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান- ৬২ এবং ব্রি ধান- ৭২।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
১,২৪৫.
'তারাপুরি' কোন ধরনের ফসল?
  1. তরমুজ
  2. মরিচ
  3. বেগুন
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
⇒ বেগুনের জাত:
• বারি বেগুন-১(উত্তরা),
• বারি বেগুন-২(তারাপুরি),
• বারি বেগুন-৪(কাজল),
• বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)।

⇒ তরমুজ এর জাত:
• পদ্ম
• বারি তরমুজ-১
• বারি তরমুজ-২

⇒ মরিচের জাত:
• ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
• ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
• এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

⇒ তামাক:
• সুগন্ধী (BAT-2)

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২৪৬.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘কার্ডিনাল’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. আম
  3. গম
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
 
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
 
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
 
উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
 
১,২৪৭.
প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
  1. Bt-বেগুন
  2. Bt-আলু
  3. Bt-মিষ্টি কুমড়া
  4. Bt-টমেটো
সঠিক উত্তর:
Bt-বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bt-বেগুন
ব্যাখ্যা

প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
- জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
- হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।

⇒ বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে। 
- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জিনগতভাবে পরিবর্তন (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
- এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়

⇒ Bt-বেগুন: 
- Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন।
- সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। 
- পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। 
- Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
৫। উৎপাদন বাড়বে।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

১,২৪৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, দেশে এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,৮৪,০০০ একর
  2. ৫৩,৩৬,০০০ একর
  3. ৫৫,১৯,০০০ একর
  4. ৫৯,৬৪,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৫০,৮৪,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,৮৪,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,২৪৯.
দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ২৮ টি
  2. খ) ২৯ টি
  3. গ) ৩০ টি
  4. ঘ) ৩১ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯ টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১,২৫০.
'তাহেরপুরী' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. কলা
  2. গম
  3. পেঁয়াজ
  4. বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
 
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
 
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
 
উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,২৫১.
কোন পদ্ধতিতে কৃষি শুমারি ২০১৯-এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে?
  1. De-facto
  2. De-Juri
  3. Modular Approach
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Modular Approach
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modular Approach
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি ২০১৯:
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করেছে।
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এ পদ্ধতিতে প্রথমে গণনা কাজের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নপত্র (Short Questionnaire) ব্যবহার করা হবে এবং শুমারি শেষে প্রত্যেক গণনাকারী গণনা বই হতে একটি খানা তালিকা প্রস্তুত করেছে।
- তালিকায় মোট পরিচালনাধীন জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, মহিষ ইত্যাদির সংখ্যা এবং খানা মৎস্য চাষ বা আহরণে নিয়োজিত কি না এ বিষয়ক তথ্য রয়েছে।
- পরবর্তীতে একটি বিস্তারিত প্রশ্নপত্র (Long Questionnaire)-এর মাধ্যমে কৃষি খানায় নমুনা শুমারি (Sample Census) পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট। [link]
১,২৫২.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. পলি
  2. এঁটেল
  3. দো-আঁশ
  4. বেলে
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
ব্যাখ্যা

• পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৩.
নিচের কোনটি উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত?
  1. গ্রীন এক্সপ্রেস
  2. কার্ডিনাল
  3. সুখ সাগর
  4. ইরাটম
সঠিক উত্তর:
সুখ সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুখ সাগর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাতঃ
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি। পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা- পাবনা।
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,২৫৪.
'ময়না ও গ্রীন এক্সপ্রেস' যথাক্রমে কোন ফসলের জাত?
  1. আলু ও শসা
  2. ধান ও বাঁধাকপি
  3. ধান ও বেগুন
  4. বাঁধাকপি ও পেঁপে
সঠিক উত্তর:
ধান ও বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান ও বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাত: 
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১,২৫৫.
বর্তমানে পেয়াজের বিকল্প মসলা হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. ক) বারি পেয়াজ
  2. খ) চীজ
  3. গ) নায়াসিন
  4. ঘ) চিভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চিভ
ব্যাখ্যা
দেশের মাটিতে পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে ‘চিভ’ নামক এক মসলা চাষে সফল হয়েছেন গবেষকরা। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মসলা গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চিভ চাষে এই সাফল্য পেয়েছেন। (রেফারেন্সঃ BARI)
১,২৫৬.
বাংলাদেশে বোরো ধান রোপনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
  2. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  3. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১,২৫৭.
চা চাষের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত আবশ্যক?
  1. ৭৫ - ১৫০ সেন্টিমিটার
  2. ১২০ - ২০০ সেন্টিমিটার
  3. ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার
  4. ২২০ - ৩১০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
চা চাষ:

- চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশেষ উপযোগী।
- সাধারণত যেসব স্থানে ২৬০-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে সেসব স্থান চা চাষের উপযুক্ত।
- গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২০° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- চা চাষের জন্য ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৭০-৯০% আবশ্যক।
- অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টি বা খরা কোনোটিই চা গাছের জন্য উপযুক্ত নয়।
- চা গাছের জন্য যেমন প্রচুর পানি প্রয়োজন তেমনি উপযুক্ত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৮.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. ডায়মন্ড
  2. সুখসাগর
  3. আকবর
  4. ইরাটম
সঠিক উত্তর:
ইরাটম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাটম
ব্যাখ্যা

ইরাটম: 
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল একটি ধানের জাত ইরাটম।
- বােরাে ও আউশ উভয় মৌসুমে এটি চাষ করা যায়।
- আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
- 'আকবর' উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট, জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

১,২৫৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ১৭,৭৯,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৪৪,০০০ হেক্টর
  3. ৪১,০৫,০০০ হেক্টর
  4. ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৪৪,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,২৬০.
'Black Tiger' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল
  2. বাগড়া চিংড়ি
  3. তেজস্ক্রিয় বালু
  4. ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া
সঠিক উত্তর:
বাগড়া চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগড়া চিংড়ি
ব্যাখ্যা

বাগদা চিংড়ি:
- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- কুষ্টিয়া গ্রেড হিসেবে পরিচিত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া। 
- ব্ল্যাক গোল্ড হিসেবে পরিচিত তেজস্ক্রিয় বালু।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল হিসেবে পরিচিত কালো জাতের ছাগল।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

১,২৬১.
'সৌরভ' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. গম
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,২৬২.
নিচের কোনটি আমের জাত নয়?
  1. ক) হাড়িভাঙ্গা
  2. খ) রাজনন্দী
  3. গ) গোপালভোগ
  4. ঘ) মোহনভোগ
সঠিক উত্তর:
খ) রাজনন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজনন্দী
ব্যাখ্যা

মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি আমের কতগুলো জাত।
সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১,২৬৩.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. সুন্দরী
  2. ময়না
  3. প্রভাতী
  4. গৌরব
সঠিক উত্তর:
গৌরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌরব
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,২৬৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,২৬৫.
নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. বিআর ১৬
  2. ব্রি ধান ৭১
  3. ব্রি ধান ৪৬
  4. ব্রি ধান ৬৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৭১
ব্যাখ্যা
• নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত নয় ব্রি ধান ৭১।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,২৬৬.
সুন্দরবনের মোট আয়তনের কতভাগ বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. ৬০ ভাগ
  2. ৬১ ভাগ
  3. ৬২ ভাগ
  4. ৬৩ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৬২ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ ভাগ
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৬৭.
রোপা আউশের বীজতলায় বীজ বপনের সময় -
  1. ক) ২৫ ডিসেম্বর – ১৫ জানুয়ারি
  2. খ) ২৫ এপ্রিল – ১৫ মে
  3. গ) ২০ জুন – ১৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ৩০ মার্চ হতে ৩০ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ মার্চ হতে ৩০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ মার্চ হতে ৩০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• ধান:
- আউশ ধান দুইভাবে চাষ করা হয়। বোনা আউশ এবং রোপা আউশ।
- বোনা আউশের মূল জমিতে বীজ বপন ২৫ মার্চ হতে ২০ এপ্রিল,
- রোপা আউশের বীজতলায় বীজ বপন ৩০ মার্চ হতে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত উপযুক্ত সময়।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু। 
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু। 

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১ এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,২৬৮.
কোনগুলো তুলার জাত?
  1. বর্ণালি ও উত্তরণ
  2. সোনালিকা ও আকবর
  3. রূপালি ও ডেলফৌজ
  4. সোনালি ও কল্যাণীয়া
সঠিক উত্তর:
রূপালি ও ডেলফৌজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপালি ও ডেলফৌজ
ব্যাখ্যা
- রূপালি ও ডেলফৌজ হলো তুলার দুটি জাত।
তুলার অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সিভি-১২
- সিভি-১৩
- ডিএম-১
- পাহাড়ি তুলা-১,২ প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- বর্ণালি ও উত্তরণ : ভুট্টার জাত।
- সোনালি ও কল্যাণীয়া : সরিষার জাত।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,২৬৯.
নিচের কোনটি 'কাটারিভোগ' চাল উৎপাদনের জন্য প্রসিদ্ধ জেলা?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি সুগন্ধি চাল। এটি প্রধানত দিনাজপুর এলাকায় পাওয়া যায়।
- কাটারিভোগ জাতের ধান কৃষকেরা আমন মৌসুমে ফলায়।
- এই জাতের ধান চাষ করতে বাড়তি কোনো উপাদান বা খরচ হয় না। স্বাভাবিক আমন ধানের নিয়মে তা চাষ হয়ে থাকে। তবে আমন ধানের চেয়ে কাটারিভোগ জাতের ধান কম ফলন হয়, বিঘাপ্রতি ৮ থেকে ১০ মণ হয়ে থাকে।

এছাড়াও,
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই)।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উৎস:- কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd.
১,২৭০.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোনো দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ক) ১৭ ভাগ
  2. খ) ২৭ ভাগ
  3. গ) ৩০ ভাগ
  4. ঘ) ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭১.
কোন ফসলটি বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত?
  1. তামাক
  2. তুলা
  3. পাট
  4. চা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,২৭২.
সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে -
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তর: উপরের সবগুলো। 

- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত।
- এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
- এছাড়া সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া এবং ময়মনসিংহে গারোদের মধ্যেও জুম চাষ প্রচলিত ছিলো।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১,২৭৩.
“শাহী” কোন ফসলের উন্নত বা বিশেষ জাত?
  1. আম
  2. পেঁপে
  3. তরমুজ
  4. কাঁঠাল
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
ব্যাখ্যা

• শাহী পেঁপে:
- আঞ্চলিক নাম: শাহী পেঁপে
- শাহী পেঁপে হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দ্বারা অবমুক্ত একটি উচ্চ ফলনশীল একলিঙ্গী জাত।
- যার জীবনকাল ৪-৫ মাস। 
- গাছের উচ্চতা ১.৬-২.০ মি এবং কান্ডের খুব নিচ থেকে ফল ধরা শুরু হয়।
- ফলগুলো ডিম্বাকৃতির, ওজন ৮০০-১০০০ গ্রাম, প্রতি ফলের বীজের সংখ্যা ৫০০–৫৫০।
- শাসের পুরুত্ব ২ সে.মি., রং গাঢ় কমলা থেকে লাল, এবং ফল মিষ্টি (ব্রিক্সমান ১২%) ও সুস্বাদু।
- উৎপাদন সেচসহ প্রতি হেক্টরে ৪০-৬০ টন, তবে সেচ ছাড়া উৎপাদন নেই।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৭৪.
উৎপত্তি অনুসারে বন প্রধানত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
বনের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তি অনুসারে বন প্রধানত তিন প্রকার। যথা- ক) প্রাকৃতিক বন খ) সামাজিক বন ও গ) কৃষি বন

প্রাকৃতিক বন:
- প্রকৃতিতে আপনা-আপনি যে বিস্তৃত বনাঞ্চল সৃষ্টি হয়, তাকে প্রাকৃতিক বন বলে।
- সুন্দরবন এরকম একটি প্রাকৃতিক বন।
- বৃহত্তর ঢাকার গাজীপুর ও মধুপুরের শালবনও প্রাকৃতিক বন।
- আমাদের দেশের চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, ঢাকা, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, সিলেট প্রভৃতি অঞ্চলেও প্রাকৃতিক বন রয়েছে।

সামাজিক বন:
- বাড়িঘর, বিদ্যালয়, পুকুরপাড়, রাস্তা ও বাঁধের দুই পাশে আমরা বিভিন্ন রকম গাছপালা রোপণ করে থাকি।
- মানুষ নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য পরিকল্পনা করে যে বন সৃষ্টি করে, তাকে সামাজিক বন বলে।

কৃষি বন:
- আমাদের দেশের অনেক বাড়িতে এবং বাড়ির আঙ্গিনায় বড় গাছপালার সাথে সবজি চাষ করা হয়।
- ফলের বাগানে ও ফসলি জমির আইল, ক্ষেত-খামারে পৌঁছার পথ, পুকুরের চারপাশ, খাল-সেচনালার পাশে ছোট-বড় গাছ লাগানো যেতে পারে।
- এভাবে তৈরি বনকে কৃষি বন বলে।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৭৫.
পাট কোন ধরনের ফসল? 
  1. শীতকালীন 
  2. শুষ্ক ও গরম
  3. ঠাণ্ডা ও আর্দ্র
  4. উষ্ণ আর্দ্র
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ আর্দ্র
ব্যাখ্যা

পাট:
- পাট হলো একটি উষ্ণ আর্দ্র মৌসুমী ফসল।
- এটি ভালোভাবে বৃদ্ধি পায় এমন অঞ্চলে যেখানে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা বেশি থাকে।
- এটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের দিনের ফসল, অর্থাৎ পাটের বৃদ্ধির জন্য খুব বেশি দিনের আলো প্রয়োজন হয় না।
- পাট চাষ করার জন্য এমন স্থান নির্বাচন করা উচিত যেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫°সে. এবং সর্বোচ্চ ৪৩°সে. থাকে।
- এবং বাতাসের আর্দ্রতা প্রায় ৬০% থাকে।
- পাটের বৃদ্ধির জন্য বার্ষিক ১০০০–১৫০০ মি.মি. বৃষ্টিপাত এবং রোদ্র-উজ্জ্বল আবহাওয়া উপযুক্ত।
- পাটের সর্বোত্তম বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য তাপমাত্রা ১৮–৩৫°সে. এবং আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮০% বা তার বেশি থাকা উচিত।
- পাট সাধারণত জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না, তাই চাষের জমিতে ভালো পানি নিষ্কাশন থাকা জরুরি।
-  উচ্চ তাপমাত্রায় (৩২°সে.) পাটের গাছ মোটা ও লম্বা হয়।
- পাটের উৎপাদন মৌসুম- বপন থেকে কাটা পর্যন্ত- প্রায় ফাল্গুনের শেষ থেকে আষাঢ়ের শেষ পর্যন্ত থাকে।
- পাটের চারটি প্রধান জাত হলো—দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ এবং মেস্তা পাট, যা মূলত আঁশ উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়।

উৎস:
১. জাতীয় তথ্য বাতায়ন [লিঙ্ক]; 
২. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। 

১,২৭৬.
প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকে কত দিন?
  1. ১২দিন
  2. ১৮দিন
  3. ২২দিন
  4. ২৪দিন
সঠিক উত্তর:
২২দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২দিন
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
          ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর। 
১,২৭৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) আখ
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) চা
সঠিক উত্তর:
খ) তৈলবীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
- যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- তৈলবীজ হলো খাদ্যশস্য।
(তথ্যসূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৭৮.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫১
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
→ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো:
- ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

→ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

→ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

→ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

→ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,২৭৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি মাছ উৎপাদন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. চাদঁপুর
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:

জেলা হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হচ্ছে - ময়মনসিংহ।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - কুমিল্লা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - যশোর।
=========================
অপরদিকে, 
বিভাগ হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - চট্টগ্রাম।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - খুলনা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - রাজশাহী।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২
১,২৮০.
ধানের কোন জাতটিকে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়?
  1. ব্রি-৩৩
  2. ব্রি-৫৫
  3. ব্রি-৭৯
  4. ব্রি-৬৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি ধান-৩৩ কে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

মঙ্গার ধান:

- ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৬,

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১,
• ব্রি ধান-৫২,
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,২৮১.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত?
  1. গৌরব
  2. অনুপম
  3. কৈলাসনগর
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৈলাসনগর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন। 
১,২৮২.
বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে কয়টি রাবার বাগান রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ১৭টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা
রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,২৮৩.
তোষা পাট উত্তোলনের সময় কোনটি?
  1. ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
  2. খ) সেপ্টেম্বর - অক্টোবর
  3. গ) অক্টোবর - নভেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর - ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উত্তোলনের সময়:

- পাট (সাদা): জুলাই – আগস্ট।
- পাট (তোষা): আগস্ট – সেপ্টেম্বর।
- তুলা (খরিফ): মধ্য অক্টোবর – মধ্য ডিসেম্বর।
- তুলা (রবি): মধ্য ফেব্রুয়ারি – মধ্য এপ্রিল।
- সয়াবিন (খরিফ): সেপ্টেম্বরের শেষ – মধ্য নভেম্বর।
- সয়াবিন (রবি): মধ্য এপ্রিল – মে মাসের শুরু।
- মসুর ডাল: ফেব্রুয়ারির শুরু – মার্চের শুরু।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,২৮৪.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের ‘খরিপ-১’ মৌসুম-
  1. ক) চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস
  2. খ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাস
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস
  4. ঘ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস
সঠিক উত্তর:
ক) চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধান দুটি মৌসুম যথা—রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। এই দুই মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে। সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে। রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত। খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
খরিপ- ১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
খরিপ-২ঃ আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি]
১,২৮৫.
BADC-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. পাবনা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

১,২৮৬.
২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৮৫০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৯০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৯৫০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৮০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৫০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৫০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯৫০০ কোটি টাকা।
১,২৮৭.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় কোথায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ঠাকুরগাও
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১,২৮৮.
বাংলাদেশের কোন মাটি গম চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক?
  1. দোআঁশ মাটি
  2. পলিমাটি
  3. এটেল মাটি
  4. পলি দোঁআশ
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
• গম (Wheat):
- বর্তমানে খাদ্য-শস্যের প্রয়োজনীয়তায় বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই গম চাষ হয়।
- তবে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন।
- এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
- বাংলাদেশের উর্বর দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,২৮৯.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,২৯০.
কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক তৈরি করা ওয়েবসাইটের নাম কী?
  1. বাজার
  2. সদাই
  3. বেচাকেনা ডট কম
  4. স্বপ্ন
সঠিক উত্তর:
সদাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদাই
ব্যাখ্যা
সদাই:
- কৃষকের পণ্য অনলাইনে বিক্রির বন্দোবস্ত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ‘সদাই’ নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে।
- কৃষক এবং ভোক্তাদের জন্য আলাদা দুটি মোবাইল অ্যাপও তৈরি করেছে তারা।
- কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অনলাইনভিত্তিক কৃষি বিপণনব্যবস্থা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প ২০২০ সালের জুনে শুরু হয়।
- এই প্রকল্পের আওতায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সদাই’ ওয়েবসাইট ও দুটি অ্যাপ বানানো হয়, যা ইতিমধ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বুঝে পেয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,২৯১.
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায়-
  1. ক) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  3. গ) ভারতেশ্বরী হোমস
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

- ৭ মার্চ ২০২১ সালে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
উৎস: ডেইলি স্টার রিপোর্ট।

১,২৯২.
বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ৫১৪৯ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৫৮৫৩ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬৭৮২ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৩.
প্রথম ডিজিটাল স্বয়ংসম্পূর্ণ ভূমি কার্যালয় চালু হয় কোথায়?
  1. ক) ফটিকছড়ি
  2. খ) বাঁশখালী
  3. গ) হাইমচড়
  4. ঘ) সাচার
সঠিক উত্তর:
ক) ফটিকছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফটিকছড়ি
ব্যাখ্যা

চট্রগ্রামের ফটিকছড়িতে ২৩ জানুয়ারি ২০১৪,দেশের প্রথম ডিজিটাল স্বয়ংসম্পূর্ণ ভূমি কার্যালয় চালু হয়।
- নিখুঁত ও নির্ভুল ভূমি ব্যবস্থাপনা, কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রাজস্ব আদায় বাড়বে। এ ছাড়া, নামজারি, নথি হালনাগাদ করা এবং কম সময়ে ভূমি সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও খতিয়ান পাওয়া যাবে।

- খুলনায় চালু করা হয়েছে দেশের প্রথম ডিজিটাল ভূমি তথ্য ব্যাংক। এটির কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৯ সালে,খাসজমি বন্দোবস্ত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরো সহজ এবং এতে স্বচ্ছতা আনার জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছে জেলা প্রশাসন।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।

১,২৯৪.
’সিন্দুরী’ কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১,২৯৫.
উর্বর মাটির পিএই (pH) মান কত?
  1. ৫-৬
  2. ৬-৭.৫
  3. ৬-৮.৫
  4. ৬-৯
সঠিক উত্তর:
৬-৭.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬-৭.৫
ব্যাখ্যা
মাটির উর্বরতা:
- মাটির উর্বরতা মাটির একটি বড় গুণ।
- উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সকল উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে ও সুষম আকারে যোগান দেয়ার সামর্থকে মাটির উর্বরতা বলে।
- যে মাটি খুব বেশি পরিমাণ পুষ্টি উপাদান যোগান দিতে পারে সে মাটি তত বেশি পরিমাণ উর্বর।
- পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর মাটির উর্বরতা কম বা বেশি হতে পারে।

⇒ উর্বরতা অনুযায়ী মাটি ২ প্রকার। যথা:
• উর্বর মাটি: শস্য উৎপদানের জন্য উর্বর মাটি উত্তম। যে মাটি উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানসমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ও উৎপাদনের সুষম আকারে যোগান দিতে সক্ষম তাকে উর্বর মাটি বলে।
• অনুর্বর মাটি: যে মাটি উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানসমূহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ও সুষম আকারে যোগান দিতে অক্ষম তাকে অনুর্বর মাটি বলে। এ মাটি শস্য উৎপাদনের জন্য উপযোগী নয়।

উর্বর মাটির বৈশিষ্ট্য:
- মাটির পিএইচ মান ৬.০-৭.৫।
- মাটি গাঢ় বর্ণের।
- মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ ওজন ভিত্তিতে ২-৩%।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর সাথে খাপ খাওয়া ফসল ও ফসলবিন্যাস।
- দোআঁশ থেকে পলিদোআঁশ সম্পন্ন মৃত্তিকা বুনট।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৬.
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবাকে জনগণের দোড়গোয়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) আমাদের ডিজিটাল ঠিকানা
  2. খ) কৃষকের বাড়ি
  3. গ) কৃষকের তথ্য বাতায়ন
  4. ঘ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
ব্যাখ্যা
• কৃষিভিত্তিক ই-সেবা প্রতিষ্ঠান:
- কোভিড-19 এর অভিঘাতসহ বিভিন্ন আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষি ‍উৎপাদন বৃদ্ধি চলমান রাখা, কৃষিবিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে।
যেমন:
- কৃষকের জানালা 
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recomendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি। 

এছাড়াও -
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র- Agriculture Information and Communication Center (AICC)।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
১,২৯৭.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান মাছ কোনটি?
  1. ক) রুই
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) পাঙ্গাস
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলিশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে প্রধান হলো ইলিশ মাছ।
২০১৯-২০২০ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত (৪৫.০৩ লক্ষ টন) মাছের প্রায় ১২.২২ ভাগ।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১)
১,২৯৮.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) সাতক্ষিরা
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় অবস্থিত। [সূত্র: bfri.gov.bd]
১,২৯৯.
আলুর একটি জাত -
  1. ক) সূর্যমূখী
  2. খ) প্রতিভা
  3. গ) নয়নতারা
  4. ঘ) মানিক
সঠিক উত্তর:
ক) সূর্যমূখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সূর্যমূখী
ব্যাখ্যা
আলুর জাত
• দেশি জাতসমূহের মধ্যে আউশা, চল্লিশা, দোহাজারী লাল, ফেইন্তাশীল, হাসরাই, লাল পাকরী, লালশীল, পাটনাই, সাদা গুটি শীল বিলাতী ও সূর্যমূখী
• ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।

• গম: প্রতিভা, প্রদীপ, বিজয়, সৌরভ, গৌরব, শতাব্দী, বারিগম-২৫, বারিগম-২৬, বারিগম-২৭।

• বেগুন: নয়নতারা, কাজলা, উত্তরা, শিংনাথ, ইসলামপুরী, লাফফা, খটখটিয়া, ডিমবেগুন, ঝুমকা, কাঁটাবেগুন।

• টমেটো: মানিক, রতন, লালিমা, ঝুমকা, সিঁদুর, অপূর্ব।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
১,৩০০.
বাংলাদেশে কোন ধরনের ধান সবচেয়ে বেশি উপাদিত হয়-
  1. ক) আমন ধান
  2. খ) বোরো ধান
  3. গ) বিন্নি ধান
  4. ঘ) আউশ ধান
সঠিক উত্তর:
খ) বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বোরো ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় বোরো ধান। সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থের তথ্য অনুযায়ী দেশে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে মোট ২.০৩ কোটি মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়। এটি দেশের মোট উৎপাদিত ধানের প্রায় ৫৫ ভাগ।
(সূত্রঃ BRRI ওয়েবসাইট)