বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

মোট প্রশ্ন১,৬৮১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ

PrepBank · পাতা ১২ / ১৭ · ১,১০১১,২০০ / ১,৬৮১

১,১০১.
দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান শতকরা কত?
  1. ৯%
  2. ১২%
  3. ১৫%
  4. ১৬%
সঠিক উত্তর:
১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইলিশ:

- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।

⇒ বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%। 
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

⇒ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)। [link]
১,১০২.
রবি শস্য বপন করা হয় কখন?
  1. জুন ও জুলাই
  2. অক্টোবর ও নভেম্বর
  3. নভেম্বর ও ডিসেম্বর
  4. ডিসেম্বর ও জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর ও নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর ও নভেম্বর
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,১০৩.
বাংলাদেশের কৃষির উপখাত কোনটি?
  1. বনজ সম্পদ
  2. প্রাণি সম্পদ
  3. শস্য ও শাকসবজি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃষির উপখাত:
- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে। যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ শস্য ও শাক-সবজি (Crops and vegetables):
- এটি বাংলাদেশের কৃষির সর্ববৃহৎ উপখাত।
- এ খাতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য যেমন ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তৈলবীজ, বাদাম, পিয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক, পটল, ঢেরস, করলা, লাউ, বেগুন, শসা, টমেটো, কপি ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।
- তাছাড়া এ উপখাতে বিভিন্ন ধরনেরর অর্থকারী ফসল যেমন পাট, চা, আখ, তামাক, রেশম, তুলা, রবার ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।

⇒ প্রাণিসম্পদ (Livestock):
- গৃহে পালিত নানাজাতীয় পশু-পাখি নিয়েই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ উপখাত গঠিত।
- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, হাঁস-মুরগি, কবুতর প্রভৃতি এদেশের প্রাণিসম্পদের অন্তর্ভূক্ত।
- প্রাণি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত মাংস, দুধ, ডিম, ইত্যাদি মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে।
- তাছাড়া চাষাবাদ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চামড়া ও চমড়া জাতীয় দ্রব্যদি উৎপাদন ও রপ্তানিতে এ উপখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বনজ সম্পদ (Forest Resources):
- এটি আমাদের কৃষির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাত।
- বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডের শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ জুড়ে বন রয়েছে।
- বনে সুন্দরি, গড়ান, গেওয়া, কেওড়া, শাল, গর্জন, গামাড়ি, গোলপাতা প্রভৃতি গাছ জন্মে।
- এগুলো থেকে দেশের কাঠের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় এবং কয়েকটি শিল্পের কাঁচামালের যোগান আসে।
- জ্বালানি কাঠ, বাঁশ, বেত, মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, ইত্যাদি এ উপখাত থেকে পাওয়া যায়।

⇒ মৎস্য সম্পদ (Fisheries):
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা থাকায় বাংলাদেশ সরকার একে একটি পৃথক খাত হিসেবে গণ্য করেছে।
- তবে সার্বিক বিবেচনায় এ খাতও কৃষিখাতের অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশের অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- এছাড়াও দেশের সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাছ আহরিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৪.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত নয় কোনটি?
  1. অঘ্রাণী
  2. মালভোগ
  3. প্রতিভা
  4. গৌরব
সঠিক উত্তর:
মালভোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভোগ
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
 
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।
 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
 
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
 
উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।
 
তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,১০৫.
BADC প্রধানত কী কাজ করে?
  1. ক) কৃষি উপকরণ সরবরাহ
  2. খ) ধানের জাত উন্নয়ন
  3. গ) কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. ঘ) গম ও ভুট্টার জাত উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি উপকরণ সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি উপকরণ সরবরাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
- বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
- সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
- কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট)
১,১০৬.
জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালন করা হয় কবে?
  1. ক) ১ জানুয়ারি
  2. খ) ৫ জানুয়ারি
  3. গ) ২ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
দেশের জনসাধারণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলােকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস হিসেবে ঘােষণা করা হয়েছে এবং ২০১৮ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯)
১,১০৭.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে -
  1. ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
  2. খ)  ১৯৭১ সালের ১লা অক্টোবর
  3. গ)  ১৯৭২ সালের ১লা অক্টোবর
  4. ঘ)  ১৯৭৩ সালের ১লা অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ধান গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রধান কেন্দ্র ও পথিকৃৎ হিসেবে দেশে-বিদেশে সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানটি  ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর যাত্রা শুরু করে, এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সংসদীয় আইন ১০, ১৯৭৩ (Parliamentary Act X, 1973)-এর বলে “বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)” নাম ধারণ করে।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্হিত ব্রি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা এবং বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS)-এর একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
- বর্তমানে ব্রি সংসদীয় আইন ১৯, ২০১৭ (Parliamentary Act X) মোতাবেক পরিচালিত হচ্ছে।
- মহাপরিচালক হচ্ছেন ব্রি-র সংস্থা প্রধান। তাঁর নেতৃত্বে একটি ১৩ সদস্যবিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা বোর্ড (Board of Management) ব্রি-র সার্বিক নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।

 • ব্রি-র প্রধান উদ্দেশ্য ও অভিলক্ষ্য হচ্ছে: টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ধানভিত্তিক প্রযুক্তিসমূহের নিরন্তর উন্নয়ন। বর্তমানের সমস্যাসমূহ সমাধানকল্পে ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চারটি প্রধান লক্ষ্য সামনে রেখে ব্রি-র সকল গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়:
- কৃষকবান্ধব টেকসই ধানের জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন,
- প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্হাপনার মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীববৈচিত্র্য অক্ষুন্ন রাখা,
- প্রাগ্রসর গবেষণার মাধ্যমে নতুন ও উন্নততর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং
- প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গ্রহণ ত্বরান্বিতকরণ।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
১,১০৮.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটির আয়তন প্রায় ১২৫০ হেক্টর। ১৯৯৬ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়।

এখানে গ্রীষ্মমন্ডলীয় চিরহরিৎ ও মিশ্র চিরহরিৎ বনভূমি দেখা যায়। এর আশেপাশে খাসিয়া ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,১০৯.
‘নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) হাকালুকি হাওর
  2. খ) শনির হাওর
  3. গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. ঘ) চলন বিল
সঠিক উত্তর:
গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
• টাঙ্গুয়ার হাওর:
 - টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। 
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি এবং দ্বিতীয় রামসার সাইট। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর ‘নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল’ নামে পরিচিত। 
-  এ হাওরে জীববৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন জাতের পাখি। 
 
উৎস: প্রথম আলো ও নয়া দিগন্ত পত্রিকা নিউজ।
১,১১০.
'বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency)' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়। 
- এটির অবস্থান গাজীপুর জেলায়। 
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার :  ৭ টি (৭ টি- ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। 

(তথ্যসূত্র: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট)
১,১১১.
সাধারণত জুম চাষ করা হয় যে এলাকায় -
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. খাগড়াছড়ি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুম চাষ (Jhum) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- মূলত পাহাড়ের জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করাই হলো জুম।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
- বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমি এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
১,১১২.
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে ‘বলাকা’ ও ‘দোয়েল’ নাম দুটি-
  1. ক) উন্নত ধানের জাত
  2. খ) উন্নত গমের জাত
  3. গ) উন্নত আলুর জাত
  4. ঘ) উন্নত ভুট্টার জাত
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত গমের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উন্নত গমের জাত
ব্যাখ্যা
উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি।
তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ ইত্যাদি। 

তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা। 
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ ইত্যাদি। 
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী, মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ ইত্যাদি। 

পেঁয়াজ: তাহেরপুরী, সুখসাগর। 
বাধাকপি: প্রতিভা, অগ্রদুত। 

উৎস: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১১৩.
গমের উন্নত জাতের একটি-
  1. বর্ণালি
  2. ডায়মন্ড
  3. দোয়েল
  4. সুমাত্রা
সঠিক উত্তর:
দোয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়েল
ব্যাখ্যা

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১,১১৪.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয়?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
১,১১৫.
বাংলাদেশের GDP-তে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১৫.৩৩
  2. খ) ৭৫
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ১৩.৪৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৪৭
ব্যাখ্যা
অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১৩.৪৭%
অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৪.৯৯%
অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৫৩%

[উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১,১১৬.
কোন গাছটি পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর?
  1. ক) সেগুন
  2. খ) নিম
  3. গ) নারিকেল
  4. ঘ) ইউক্যালিপটাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্যালিপটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউক্যালিপটাস
ব্যাখ্যা
অত্যাধিক পানি শোষণের জন্যে ইউক্যালিপটাস গাছকে পরিবেশের জন্যে ক্ষতিকর ধরা হয়। এজন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৮ সালে এই গাছের চারা উৎপাদন ও বিপণন নিষিদ্ধ করে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে আশির দশকে সরকারি বনায়নের আওতায় ব্যাপকহারে ইউক্যালিপটাস গাছের চারা রোপণ করা হলে পরবর্তীতে এই গাছের নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। এই গাছের আদিনিবাস অস্ট্রেলিয়ায়। (সূত্রঃ দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
১,১১৭.
বাংলাদেশের কৃষিতে কাঞ্চন ও মানিক কী ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা ও তামাক
  2. গম ও টমেটো
  3. আলু ও আম
  4. তুলা ও গম
সঠিক উত্তর:
গম ও টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও টমেটো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কৃষিতে কাঞ্চন হলো গমের একটি উন্নত জাত, আর মানিক হলো টমেটোর একটি উন্নত জাত। 

গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

টমেটো:
- বাহার, মানিক, রতন, অপুর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।

অন্যান্য ফসল ও তাদের কিছু উন্নত জাত:
→ ধান: ব্রি হাইব্রিড - ১, সুফলা, প্রগতি। 
→ ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ। 
→ বেগুন: নয়নতারা, শুকতারা, বিজয়। 
→ আলু: হিরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল। 
→ আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা। 
→ তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

১,১১৮.
ধান চাষের জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা নিচের কোনটি?
  1. ক) ১৭°-২৫° সেলসিয়াস
  2. খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
  3. গ) ১৯°-২৬° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২২°-৩৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮°-২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:

- ধান চাষে জলবায়ু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ধান চাষের জন্য সাধারণত বার্ষিক ১০০- ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন হয়।
- যেসব স্থানে বার্ষিক ১৭৫-২২৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে ধান অধিক উৎপাদন হয়।
- ১০০ সেন্টিমিটার এর কম বৃষ্টিপাত হলে সেচের প্রয়োজন হয়।
- ধান চাষের জন্য ১৮°-২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রার প্রয়োজন হয়।
- ধান বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য ১৬° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা এবং চারা বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২২°-২৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকা আবশ্যক।
- ধান পাকার সময় উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৯.
রিবন রেটিং কী?
  1. মাছ চাষ পদ্ধতি
  2. পাট চাষ পদ্ধতি
  3. ধান চাষ পদ্ধতি
  4. পাট পচানোর পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
পাট পচানোর পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট পচানোর পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
পাটের রিবন রেটিং (পাটের ছালকরণ ও পচন) প্রযুক্তি:
- স্বল্প পানি এলাকায় পাট পচন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বল্প পানি এলাকার পাট চাষিদের জন্য রিবন রেটিং (পাটের ছালকরণ ও পচন) প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
- এ পদ্ধতিতে পুরো পাট গাছ না পচিয়ে কাঁচা গাছ হতে প্রথমে ছাল বা বাকল ছাড়িয়ে নেয়া হয়।
- সেই ছাল আগে থেকে তৈরি করা মাটির গর্তে বা চাড়িতে রক্ষিত পানিতে পচানো হয়।
- এ প্রযুক্তির গোটা প্রক্রিয়া দুটি অংশে বিভক্ত। যথা : ১. পাটের ছালকরণ (রিবনিং), ২. রিবন রেটিং (ছাল পচন)।

⇒ রিবনিং প্রক্রিয়ায় পৃথককৃত ছাল বা বাকলগুলোকে তিনভাবে পচানো যায়। যথা- ক. বড় মাটির চাড়িতে; খ. পাটক্ষেতের আশে পাশে ছোট ডোবা, পুকুর বা খালে ও গ. মাটির তৈরি গর্তে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের শুষ্ক অঞ্চলসমূহে বিশেষ করে বৃহত্তর যশোর, কুষ্টিয়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহের কিছু অংশে উন্নত মানের পাট ফসল উৎপন্ন হয় কিন্তু পচন পানির অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় পানির অভাবেই উৎপাদিত পাট থেকে যে আঁশ পাওয়া যায় তা প্রায়ই নিম্ন মানের হয়ে থাকে। এখানে উল্লেখ্য, স্বল্প পানি এলাকায় রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচন উৎসাহিত করার জন্য বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিজস্ব উদ্যোগে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩৩,০০০(তেত্রিশ হাজার) রিবনার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাটচাষি কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশের শুষ্ক অঞ্চল বা স্বল্প পানি এলাকার পাটচাষিগণ বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত রিবন রেটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত মানের পাট আঁশ উৎপাদন করতে সক্ষম হবেন বলে গবেষকগণ মনে করেন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১২০.
নিচের কোনটি গমের জাত নয়?
  1. ক) দোয়েল
  2. খ) মোহর
  3. গ) বলাকা
  4. ঘ) কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
খ) মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহর
ব্যাখ্যা
• গমের কিছু জাত:

- দোয়েল, 
- বলাকা, 
- কাঞ্চন, 
- সৌরভ, 
- প্রতিভা, 
- গৌরব, 
- অঘ্রাণী,  
- আকবর প্রভৃতি।

• অন্যদিকে,
- মোহর : ভুট্টার জাত। 

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
১,১২১.
বাংলাদেশে সরকারিভাবে বীজ উৎপাদনকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BARI
  2. BRRI 
  3. BADC
  4. BARC
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান - BADC.

• BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট। 

১,১২২.
’সুমাত্রা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তামাক
  2. তুলা
  3. ভুট্টা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
তামাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাক
ব্যাখ্যা

- ’সুমাত্রা’ তামাক ফসলের উন্নত জাত। 

• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
- ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
- গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
- ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র;
- তুলা রূপালী ও ডেলফোজ।
- টমেটো মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী। -
- তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
- বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
- কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

১,১২৩.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ: 
- পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে ও তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয় তারই নাম জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় প্রায় ৫,৪৮০ বর্গকিলোমিটার বনভূমির সিংহভাগেই জুম চাষ করা হয়। 
- তিন পার্বত্য জেলা হচ্ছে- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। 
- তিন পার্বত্য জেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি জুমিয়া পরিবার এই জুম চাষের সঙ্গে জড়িত। 
- জুম চাষের জন্য পাহাড়ের গাছপালা পোড়ানো হয়। 
- চাষ পদ্ধতি এক হলেও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কাছে জুম চাষ আলাদা নামে পরিচিত।
- জুম চাষকে চাকমা ভাষায় জুম, মারমা ভাষায় ইয়াঁ, ত্রিপুরা ভাষায় হুগ, ম্রো ভাষায় উঃঅ, খিয়াং ভাষায় লাই, বম ভাষায় লাও বলা হয়।
- ভারী বৃষ্টির পর পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে রোপণ করা হয় বিভিন্ন ফসল।
- জুমের ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নানাজাতের ধান, কুমড়া, অড়হড়, শিম, শশা, করলা, ঢেঁড়শ, তিল, ভুট্টা, আদা, যব, তুলা, হলুদ, পাহাড়ি আলু, কচু, ইত্যাদি। 
- জুম চাষের ফলে পাহাড় গাছপালা শূন্য হয়ে পড়ে। 
- জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জুমের ফসল কাটার মৌসুম।
- জুম চাষে পাহাড়ের বন উজাড় হলেও অনেক পাহাড়েই নতুন নতুন বনাঞ্চল গড়ে তুলেছে বাংলাদেশের বন বিভাগ। 
- রাঙ্গামাটির মানিকছড়ির বনাঞ্চল এরকমই একটি উদাহরণ।

উৎস: DW বাংলা লিঙ্ক
১,১২৪.
বাংলাদেশের ধান চাষের মৌসুম কতটি?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) একটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ধান চাষের মৌসুম হলো তিনটি।
এগুলো হলো:
- আউশ
- আমন এবং
- বোরো।

আউশ ধানের চাষ হয় চৈত্র/বৈশাখ থেকে আষাঢ়/শ্রাবণ সময়ে।
আমন ধানের চাষ হয় শ্রাবণ/ভাদ্র থেকে কার্তিক/অগ্রহায়ণ সময়ে।
বোরো ধানের চাষ হয় কার্তিক থেকে জ্যেষ্ঠ মাসে।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
১,১২৫.
নিচের কোনটি পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি?
  1. সিলেটের পাহাড়িয়া বনভূমি
  2. সুন্দরবন
  3. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমি
  4. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের বনভূমি
ব্যাখ্যা
- পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন এরূপ পর্ণমোচী বা পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
- শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,১২৬.
প্রতি বছর কত তারিখে 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস' পালিত হয়?
  1. ১ অগ্রহায়ণ
  2. ১ কার্তিক
  3. ২ অগ্রহায়ণ
  4. ২ কার্তিক
সঠিক উত্তর:
১ অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়।
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

⇒ কৃষিপ্রথা চালু হওয়ার পর থেকে নবান্ন উৎসব পালন হয়ে আসছে।
- একসময় অগ্রহায়ণই ছিল বাংলা বছরের পয়লা মাস। ‘অগ্র’ মানে ‘প্রথম’, আর ‘হায়ণ’ অর্থ ‘মাস’।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১২৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. নওগাঁ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ ও কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১,১২৮.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) অপরিবর্তিত
  3. গ) ক্রমবর্ধমান
  4. ঘ) দ্রুতবর্ধনশীল
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রমহ্রাসমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান। ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৪.২৩ শতাংশ, ১৩.৬৫ শতাংশ এবং ১৩.৩৫ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি ছিলো যথাক্রমে ৪.১৯ শতাংশ, ৩.৯২ শতাংশ এবং ৩.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,১২৯.
ভুট্টার উন্নত জাত কোনটি?
  1. বরকত
  2. বর্ণালি 
  3. সুমাত্রা
  4. ম্যানিলা 
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণালি 
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।  

১,১৩০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. ফরিদপুর
  4. টাংগাইল
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল। এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল। তাই বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,১৩১.
নিচের কোনটি কৃষির উপখাত নয়?
  1. ক) শস্য ও শাক-সবজি
  2. খ) মৎস্য
  3. গ) প্রাণিজ সম্পদ
  4. ঘ) বনজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
খ) মৎস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৎস্য
ব্যাখ্যা

মৎস্য বাংলাদেশের কৃষির উপখাত নয়। এটি এখন উন্নত কৃষি খাত।
- পূর্বে মৎস্য, শস্য, শাকসবজি, বনজ সম্পদ ও প্রাণী সম্পর্কে কৃষির উপখাত হিসেবে ধরা হতো।
- বর্তমানে কৃষির উপখাত গুলো হল: শস্য ও শাকসবজি, বনজ সম্পদ এবং প্রাণী সম্পদ

 উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বই ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

১,১৩২.
'শতাব্দী' হল উন্নত জাতের -
  1. ধান
  2. গম
  3. বেগুন
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- গম: বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী , আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

- আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- বেগুন: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, , মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- মরিচ: মেজর, চন্দ্রমুখী, সনিক, যমুনা, চাতক।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৩৩.
বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ৫,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৭,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৮,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২%।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,১৩৪.
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
• ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
⇒ ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒  এটি গাজীপুর জেলার গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর উপজেলা নিয়ে বিস্তৃত।
⇒ এর মোট আয়তন ৫০২২ হেঃ।
⇒ এটি ঢাকা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়।
⇒ সরকারী তথ্য মতে প্রতি বছর প্রায় ৩,৭৫,০০০ দর্শনার্থী এখানে আসেন।
⇒ এটি একটি ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের বন।
 ⇒ এখানকার মুল প্রজাতি হলো শাল।
⇒ মুল কর্তিত গাছ থেকে পুনরায় গজানোর গুন থাকায় এগুলোকে গজারী বন ও বলা হয়।
⇒ এখানকার বর্তমান শাল বন মূলত দ্বিতীয় পর্যায়ভূক্ত শালবন। 
⇒  এ বনে প্রায়ই ১০ প্রজাতরি স্তন্যপায়ী প্রাণী ৬ প্রজাতির উভচর, ৯ প্রজাতির সরিস্প এবং ৩৯ প্রজাতির পাখি দেখা যায়।
⇒ বন্যপ্রাণীর মধ্যে গন্ধগোকুল, গেকশিয়াল, বাঘদাস, খরগোস, সজারু, বেজী ইত্যাদি উল্লেখ যোগ্য।
⇒ গুইসাপ, অজগর, কচ্ছপ ইত্যাদি প্রধান সরিসৃপ।
⇒ এখানে প্রায় ২২০ প্রজাতির গাছ দেখা যায়।

সূত্র: বন অধিদপ্তর।
১,১৩৫.
বর্তমানে BRRI উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাত কয়টি?
  1. ১১৩টি
  2. ১১৪টি
  3. ১১৫টি
  4. ১১৬টি
সঠিক উত্তর:
১১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫টি
ব্যাখ্যা
BRRI উদ্ভাবিত ধানের জাত:
- ব্রি উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাতের সংখ্যা ১১৫টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত নতুন দুই জাতের উচ্চ ফলনশীল ধানের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বীজ বোর্ড।
- ধানের দুইটি জাত হলো: ব্রি ধান১০৭ ও ব্রি ধান১০৮।

উৎস: .৯ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।  
১,১৩৬.
’জুম চাষ’ পদ্ধতি অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. আধুনিক কৃষি
  2. সমতল কৃষি
  3. প্রাচীন কৃষি
  4. স্থানান্তর কৃষি
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর কৃষি
ব্যাখ্যা

• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

১,১৩৭.
‘মধুবালা’ ও ‘পদ্মা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) টমেটো
  3. গ) আম
  4. ঘ) সরিষা
সঠিক উত্তর:
ক) তরমুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তরমুজ
ব্যাখ্যা
• তরমুজের উন্নত জাতের নাম - ‘মধুবালা’ ও ‘পদ্মা‘।
তাছাড়া---
•  টমেটোর উন্নত জাত - বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী ।
• বেগুনের উন্নত জাত - শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা।
• আমের উন্নত জাত - মোহনভোগ, মহানন্দা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপলি, ক্ষীরসাপাতি (চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত আমের নাম; যার অপর নাম ‘হিমসাগর’)।
•  মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাত - ‘হাজী’ ও ‘দানেশ’।
• সরিষার উন্নত জাত - ‘সফল’ ও ‘অগ্রণী’।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১,১৩৮.
বীজ প্রত্যয় এজেন্সি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
১,১৩৯.
'সিঙ্গাপুরী' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. কলা
  2. আলু
  3. বাঁধাকপি
  4. আম
সঠিক উত্তর:
কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল ফলের জাত:
⇒ কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

⇒ আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

ফলনশীল সবজির জাত:
⇒ আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

⇒ বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,১৪০.
মৌমাছির চাষকে বলা হয়-
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. হর্টিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা
- বানিজ্যিকভাবে  মৌমাছি চাষকে এপিকালচার বলে।

অন্যদিকে,
- বানিজ্যিকভাবে রেশম চাষকে সেরিকালচার বলে।
- বানিজ্যিকভাবে মৎস চাষকে পিসিকালচার বলে।
- উদ্যানবিদ্যা – হর্টিকালচার

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৪১.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের বেগুনের নাম?
  1. শিংনাথ
  2. ম্যানিলা
  3. কার্ডিনাল
  4. বর্ণালী
সঠিক উত্তর:
শিংনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিংনাথ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের বেগুন হলো শিংনাথ।
• উন্নত জাতের বেগুন: শিংনাথ, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উল্লেখ্য,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৪২.
According to Yearbook of Agricultural Statistics - 2022, which is the top cotton producing district?
  1. Jhenaidah
  2. Bogra
  3. Faridpur
  4. Naogaon
সঠিক উত্তর:
Jhenaidah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jhenaidah
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- বিভাগ অনুসারে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় রংপুর বিভাগে।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,১৪৩.
'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রশাসনিকভাবে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে। এগুলো হলো-
১। ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র,
২। চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র,
৩। খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র,
৪। কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং
৫। বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র 

উপকেন্দ্র ৫টি হলো-
১। রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
২। সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
৩। যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, পটুয়াখালীর
৪। খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
৫। সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ওয়েবসাইট।
১,১৪৪.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত -
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৫১
  4. ব্রি ধান ৪৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,১৪৫.
বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে মোট কতটি রাবার বাগান রয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৩টি 
  3. ১৭টি 
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

⇒ বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,১৪৬.
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর কোনটি?
  1. ক) বিনা
  2. খ) বিসিক
  3. গ) বিসিআইসি
  4. ঘ) বিএসইসি
সঠিক উত্তর:
ক) বিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিনা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর মোট ১৮টি।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো-
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
- বাংলাদেশ কৃষি গবষেণা ইনস্টিটিউট
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটউট
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)
- কৃষি তথ্য সার্ভিস ইত্যাদি।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশন ৪টি।
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

তথ্যসূত্র:-  কৃষি মন্ত্রনালয় এবং শিল্প মন্ত্রণালয়।
১,১৪৭.
কোন ধরনের বল তুলা সংগ্রহের জন্য উত্তম?
  1. অতিরিক্ত পরিপক্ক বল
  2. পরিপক্ক বল
  3. আধা-পরিপক্ক বল
  4. কচি বল
সঠিক উত্তর:
পরিপক্ক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপক্ক বল
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:
- তুলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঁশ জাতীয় ফসল।
- বস্ত্রখাতে ব্যবহৃত আঁশের ৭০-৭৫% আসে তুলা থেকে।
- বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পে বর্তমানে ৫৪ লাখ বেল তুলার প্রয়োজন যার মাত্র ৩% দেশে উৎপন্ন হয়। এ

⇒ মাটি ও জলবায়ু:
- তুলা উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া পছন্দ করে।
- চারাগাছের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য ২৪-৩৩° সে. তাপমাত্রা উপযোগী তুলাগাছ অতিবৃষ্টি সহ্য করতে পারে না।
- বার্ষিক ১০০ সে.মি. বৃষ্টি তুলার জন্য উত্তম।
- সবধরনের মাটিতেই তুলাগাছ জন্মে।
- দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। 

⇒  বীজ বপনের সময়:
- রবি মৌসুম: মধ্য শ্রাবণ-ভাদ্র মাস।
- খরিফ মৌসুম: জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাস।

⇒ তুলা সংগ্রহ:
- শুধুমাত্র পরিপক্ক বল থেকে তুলা সংগ্রহ করতে হবে।
- বল ফেটে তুলা বের হলেই বল পরিপক্ক হয়েছে বুঝতে হবে।
- সাধারণ বীজ বপনের ৫-৬ মাস পর তুলা সংগ্রহ করা যায়।
- তুলা সংগ্রহের সময় রৌদ্র উজ্জ্বল দিন তুলা সংগ্রহ করতে হয়।
- সাধারণত রবি মৌসুমে তুলা কার্তিক-অগ্রাহায়ণ মাসে এবং খরিফ মৌসুমের তুলা ফাল্গুন-চৈত্র মাসে সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৮.
'সিন্দুরী' বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?
  1. আলু
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৪৯.
''কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আবাদ হয়?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) লালমনিরহাট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় আবাদ হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১৫০.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সংক্ষিপ্ত নাম কী?
  1. ক) BRRI
  2. খ) IRRB
  3. গ) BARI
  4. ঘ) BIRR
সঠিক উত্তর:
ক) BRRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BRRI
ব্যাখ্যা
• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১৫১.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘বর্ণালী ও শুভ্র’ কিসের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. আলু
  3. টমেটো
  4. ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা

- উত্তরণ, বর্ণালী ও শুভ্র উন্নত জাতের ভুট্টার নাম।
- সফল ও অগ্রণী উন্নত জাতের সরিষা নাম।
- পদ্মা ও মধুবালা উন্নত জাতের তরমুজের নাম।
- যমুনা একটি উন্নত জাতের মরিচের নাম।

তথ্যসূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,১৫২.
কোনটি পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) মাটি
  3. গ) পানি
  4. ঘ) গাছপালা
সঠিক উত্তর:
খ) মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাটি
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি
এবং (ঘ) দো-আঁশ মাটি।

১,১৫৩.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. পাবনা
  4. মুন্সিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,১৫৪.
ডালিয়া সাধারণত কী থেকে চারা করা হয়?
  1. বীজ
  2. মূল
  3. পাতা
  4. কন্দমূল
সঠিক উত্তর:
কন্দমূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্দমূল
ব্যাখ্যা
ডালিয়া চাষ:
- ডালিয়ার রং আকারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল টবে, গৃহে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণের শোভা বর্ধনের জন্য চাষ হয়ে থাকে।
- ডালিয়া বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে।
- বংশবিস্তার সাধারণত কন্দমূলের মাধ্যমে অথবা শাখা কলমের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- সময়মত স্টপিং, টাইমিং ও থিনিং করা প্রয়োজন।
- ফুল বড় করার জন্য ডিজবাডিং করা হয়ে থাকে।
- ফুল ফোটা শেষ হলে কন্দমুল তুলে সংরক্ষণ করতে হবে।

⇒ মাটি ও জলবায়ু:
- প্রচুর সূর্যালোক সম্পন্ন ঠান্ডা আবহাওয়া ডালিয়া চাষের জন্য উপযোগী।
- উর্বর ও সুনিষ্কাশিত দোঁআশ মাটি উত্তম।

⇒ বংশ বিস্তার:
- সাধারণত অঙ্গজ বংশ বিস্তারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়।
- কন্দমুল ও শাখা কলম থেকে চারা করা হয়।
- কন্দমুলকে সরাসরি টবে বা জামিতে রোপন করা যায়।
- কন্দমুল থেকে গাছ জন্মালে দুই তিনটি পাতাসহ ৭-৮ সে.মি. কেটে মে থেকে জুন মাসে শাখা কলম করে চারা রোপন করা যায়।

⇒ মাটি বা জমি তৈরি:
- ডালিয়া ফুল বেড ও টবে দুইভাবে চাষ করা যায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৫.
সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. পটুয়াখালি
  3. বাগেরহাট
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই):

- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর প্যাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে।

• কেন্দ্রসমুহ:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১,১৫৬.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. পলি
  2. বেলে
  3. এঁটেল
  4. দো-আঁশ
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৭.
রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.১০ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৯ শতাংশ
  3. গ) ২.০ শতাংশ
  4. ঘ) ২.৪৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান ১.৩৯ শতাংশ। এছাড়া জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫২ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে অবদান ২৬.৩৭ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,১৫৮.
বাংলাদেশে কোন দশক থেকে উফশী ধানের চাষ শুরু হয়?
  1. ক) পঞ্চাশের দশক
  2. খ) ষাটের দশক
  3. গ) আশির দশক
  4. ঘ) নব্বইয়ের দশক
সঠিক উত্তর:
খ) ষাটের দশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষাটের দশক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় গত শতাব্দীর ষাটের দশকে। ১৯৬৭ সালে ইরি-৮ ধানের মাধ্যমে বাংলাদেশে উফশী ধানের আবাদ শুরু হয়।

ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। পরবর্তীতে, ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট)
১,১৫৯.
কোন শ্রেণির ভূমিতে ফসল জন্মায় না?
  1. পতিত
  2. অনুর্বর
  3. বন্ধ্যা
  4. উষর
সঠিক উত্তর:
উষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের জমি:
- যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না = ঊষর।
- যে জমি ফেলে রাখা হয়েছে = পতিত।
- যার উর্বরতা শক্তি নাই = অনুর্বর।
- যে নারীর সন্তান হয় না = বন্ধ্যা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৬০.
বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
• ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
• এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
• BADC এর কার্যাবলি সমূহ:
১। বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ
২। সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন
৩। কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট।

১,১৬১.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. ডায়ামন্ড
  2. সিন্দুরী
  3. কার্ডিনাল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
আলুর উন্নত জাত হলো ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী প্রভৃতি।

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৬২.
প্রজনন মৌসুমে কত দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে?
  1. ২২ দিন
  2. ২৫ দিন
  3. ২৭ দিন
  4. ২৮ দিন
সঠিক উত্তর:
২২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ দিন
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

উল্লেখ্য,
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১,১৬৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গোচারণের জন্য বাথান আছে?
  1. ক) সিরাজগঞ্জ
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ক) সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশের কোন কোন এলাকায় বাথান ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যায়, যেমন হাওর তটভূমে, নতুন জেগে-ওঠা চরাঞ্চলে এবং সমুদ্রোপকূলের দ্বীপাঞ্চলে।
- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- ,খরার মৌসুমে এগুলি গুটিয়ে ফেলা হয়।
- এছাড়া, পাবনা ও নাটোর জেলাস্থ চলনবিল এলাকায়ও কিছু বাথান দেখা যায়।
- প্রাচীন কাল থেকে পাবনা-সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের গো-খামারি ও কৃষকেরা উন্নত জাতের পাক-ভারতের জার্সি, ফ্রিজিয়ান, এফএস, শাহিওয়াল, সিন্ধি, হরিয়ানা ও মুলতানি গরু লালন-পালন করে আসছেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক পত্রিকা।
১,১৬৪.
চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং ব্যবহারের মাধ্যমে বাগেরহাটসহ খুলনা অঞ্চলের চিংড়ি উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয় ও প্রতিকার এবং চিংড়িজাত পণ্যের গুণগত মানোনয়নের লক্ষ্যে গবেষণার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য বাগেরহাটে একটি চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে-
১. স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ‍্
২. নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর
৩. লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা
৪. সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার
৪. চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।
[সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট]
১,১৬৫.
পেয়াজের বৈজ্ঞানিক নাম -
  1. Apis indica
  2. Oryza sativa
  3. Allium cepa
  4. Mangifera Indica
সঠিক উত্তর:
Allium cepa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Allium cepa
ব্যাখ্যা
Mangifera Indica- আম;
Oryza sativa- ধান;
Apis indica- মৌমাছি ;
Allium cepa - পেয়াজ।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৬৬.
রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

রাবার বাগান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হল বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সনের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত। 
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি’র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট

১,১৬৭.
নিচের কোনটি রবি মৌসুমের ফসল নয়?
  1. ফুলকপি
  2. মুলা
  3. কচু
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচু
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়া
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে।
- এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।
- আধুনিক চাষাবাদ কলাকৌশলের মাধ্যমে বর্তমানে সারাবছর সবধরনের ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে।


উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,১৬৮.
মৌসুমী ফল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ১০ম
  4. ঘ) ১১তম
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাবে, ১৮ বছর ধরে বাংলাদেশে সাড়ে ১১ শতাংশ হারে ফল উৎপাদন বাড়ছে। একই সঙ্গে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ চারটি ফলের মোট উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় উঠে এসেছে। কাঁঠাল উৎপাদনে বিশ্বের দ্বিতীয়, আমে সপ্তম ও পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে আছে বাংলাদেশ। আর মৌসুমি ফল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে দশম। আম, কাঁঠালের বাইরে মৌসুমি ফলের মধ্যে আছে জাম, লিচু, কুল, কামরাঙা, পেঁপে, বেল, লেবু, আনারস, আতা, সফেদা, লটকন, তরমুজ, ফুটি ইত্যাদি।
১,১৬৯.
'শাল' কোন ধরনের বনাঞ্চলের প্রধান বৃক্ষ?
  1. মধুপুর
  2. চিরহরিৎ
  3. উপকূলীয়
  4. পার্বত্য অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মধুপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর
ব্যাখ্যা
মধুপুর বনাঞ্চল:
- মধুপুর গড় বাংলাদেশের কেন্দ্রভাগে অবস্থিত একটি বৃহৎ উত্থিত এলাকা।
- এই গড়ের দক্ষিণাংশ ভাওয়াল গড় এবং উত্তরাংশ মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এই অঞ্চলটি একটি সোপান এলাকা, যা সংলগ্ন প্লাবনভূমির তুলনায় এক থেকে দশ মিটার উঁচু।
- মধুপুর গড়ের মোট বিস্তার ৪,২৪৪ বর্গ কিমি।
- টাঙ্গাইল-গাজীপুর ও নরসিংদীর অধিকাংশ ভূমির গঠন একই রকম, যা মধুপুর গড় নামে পরিচিত।
- বনের প্রধান বৃক্ষ শাল, যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- কোচ এবং মান্ডা (গারো) নামক দুটি উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর বাস এই মধুপুর গড়ে, যারা মধুপুরের শালবনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
- কোচ উপজাতী বাংলাদেশের প্রাচীনতম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অন্যতম।

এছাড়া,
- চিরহরিৎ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১৭০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে পরিচিত?
  1. গলদা চিংড়ি
  2. মৎস্য
  3. পোষাক শিল্প
  4. ঔষধ
সঠিক উত্তর:
গলদা চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলদা চিংড়ি
ব্যাখ্যা
- চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্যে বাংলাদেশে চিংড়িকে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বর্তমানে চিংড়ি মোট উৎপাদনের পরিমাণ - ২,৬১,১৫৪ (মে.টন) যা মোট উৎপাদনের ৫.৪৯%।

এছাড়াও -
• মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:

বিভাগ হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - চট্টগ্রাম।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - খুলনা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - রাজশাহী।

জেলা হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হচ্ছে - ময়মনসিংহ।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - কুমিল্লা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - যশোর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২
১,১৭১.
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ফরিদপুর
  3. পাবনা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,১৭২.
পীতরাজ হলো বাংলাদেশের অন্যতম -
  1. সরিষা
  2. ধান
  3. ভুট্টা
  4. তেলবীজ
সঠিক উত্তর:
তেলবীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলবীজ
ব্যাখ্যা
পিতরাজ:
- পিতরাজ হলো বাংলাদেশের অন্যতম তেলবীজ।
- ঢাকা, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল, সিলেট এবং ময়মনসিংহে দেখা যায়।

⇒ পিতরাজ, বা রয়না বা বদ্দিরাজ এর বৈজ্ঞানিক নাম Aphanamixis polystachya।
- এটি মেলিয়াসি পরিবারের একটি প্রজাতি।
- মাঝারি আকৃতির দর্শনীয় চিরসবুজ বৃক্ষ।
- ফল গোলাকার, মসৃণ, শাঁসযুক্ত এবং ঈষৎ লাল।
- তবে ফিকে পীতবর্ণও হতে দেখা যায়।
- ফলের বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়।
- আঞ্চলিকভেদে নানান নামে একে ডাকা হতে পারে।
- এটিকে রোহিতক বা রয়নাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক। 
১,১৭৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:

বিভাগ হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - চট্টগ্রাম।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - খুলনা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ বিভাগ হচ্ছে - রাজশাহী।

জেলা হিসেবে - 
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হচ্ছে - ময়মনসিংহ।
- মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - কুমিল্লা।
- মাছ উৎপাদনে তৃতীয় শীর্ষ জেলা হচ্ছে - যশোর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,১৭৪.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কোথায় অবস্থিত?
  1. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  4. মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI):
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
 - বিএআরআই (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- জয়দেবপুরের কেন্দ্রীয় স্টেশন ছাড়াও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৬টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ২৪টি উপকেন্দ্র আছে।

এছাড়াও, 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত- ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৭৫.
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BADC
  2. BINA
  3. BRRI
  4. BARI
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
১,১৭৬.
সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
১,১৭৭.
'ইরাটম' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. ধান
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
⇒ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
- তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- মরিচ: যমুনা।
- বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
- আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,১৭৮.
বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,১৭৯.
প্রতি ১০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্তিকার রাসায়নিক বিক্রিয়া কতগুণ হয়?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৪ গুণ
  4. ৫ গুণ
সঠিক উত্তর:
২ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ গুণ
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা গঠনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা:
- মৃত্তিকা গঠনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রার প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতি ১০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে মৃত্তিকার রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বিগুণ হয়। 

⇒ মেরু অঞ্চলে তাপমাত্রা হচ্ছে মৃত্তিকা গঠনের বিরোধিতাকারী একটি শক্তি।
- নিচু তাপমাত্রার কারণে সেখানে কোন পরিস্কার রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে না।
- শুষ্ক অঞ্চলেও পরিস্রবনের পরিমাণ কম।
- যার কারণ হচ্ছে অধিক বাস্পীভবন।

⇒ উচু পর্বত অঞ্চলে শীতকাল দীর্ঘ হওয়ায় মৃত্তিকা প্রোফাইল এর ভিতর দিয়ে পরিস্রবনের পরিমাণ কম হয়।
- ফলে হ্রদ জলভূমি পীট গঠিত হয়।
- নিচু তাপমাত্রায় অণুজীবের কার্যকলাপ সীমিত হওয়ায় জৈব পদার্থ সঞ্চিত হতে থাকে।
- ফলে এসব অঞ্চলে জৈব পদার্থের স্তর বেশ বিস্তৃত হয় এবং পিটের নিচে কোন মৃত্তিকা স্তর গঠিত হয় না।

⇒ অপরপক্ষে, আর্দ্র গ্রীষামন্ডল ও উপ-গ্রীযামন্ডল অঞ্চলে উদ্ভিদ প্রচুর পরিমাণে জন্মে এবং অবশেষে বিগলিত হওয়ার ফলে জৈবপদার্থ খুব কম হয়।
- যে সব এলাকায় উত্তাপ ও আর্দ্রতা বেশি সেখানে মাটিতে কর্দম কণা বেশি দেখা যায় কারণ অবক্ষয় প্রক্রিয়া বেশি মাত্রায় হয়।
- কিন্তু হীম ও শুল্ক বা হীম ও আর্দ্র এলাকায় ইহা কম হয়।
- তাপমাত্রা বেশি ও বৃষ্টিপাত কম হলে মৃত্তিকার ধনাত্রাক আয়ন বেশি ধরে রাখতে পারে এবং চুয়ানী পানির পরিমাণ কম হয়।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮০.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন তালিকা-২০২৪ অনুসারে, পেঁয়াজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ৩য়
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বে পেঁয়াজ উৎপাদন:

- বিশ্বে পেঁয়াজ উৎপাদনের দিক থেকে শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকা তৈরি করেছে ওয়ার্ল্ড পপুলেশন।
- তালিকা অনুসারে, বিশ্বে বছরে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ পাউন্ড পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।
- চলতি বছর প্রকাশিত এই তালিকায় নাম আছে-ভারত, চীন, মিসর, যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ, তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, সুদান ও রাশিয়া।
- বিশ্বে পেঁয়াজ উৎপাদনের দিক থেকে ভারতের অবস্থান শীর্ষে। দেশটিতে বছরে ২ কোটি ৬৭ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।

বাংলাদেশে পেঁয়াজ উৎপাদন:
- বিশ্বে পেঁয়াজ উৎপাদনের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
- বাংলাদেশিরা রান্নার গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হিসেবে পেঁয়াজের ব্যবহার করে থাকে।
- এখানে বছরে ১৯ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট। [Link]
১,১৮১.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. তামাক
  2. পাট
  3. গম
  4. আখ
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
- যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
যেমন:
- পাট
- চা
- আখ
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- ধান, গম, ভুট্টা, আলু, তেলবীজ প্রভৃতি হলো খাদ্যশস্য।
(তথ্যসূত্রঃ ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৮২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. ঝিনাইদহ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
→ শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

→ শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,১৮৩.
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে ‘আকবর’ হচ্ছে- 
  1. উন্নত ধানের জাত
  2. উন্নত গমের জাত
  3. উন্নত আলুর জাত
  4. উন্নত তুলার জাত
সঠিক উত্তর:
উন্নত গমের জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত গমের জাত
ব্যাখ্যা

◉ ‘আকবর’ হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) উদ্ভাবিত একটি উন্নত জাতের গম।

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,১৮৪.
'জুম' চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের কোন জেলাসমূহে দেখা যায়?
  1. সাতক্ষীরা, যশোহর, কুষ্টিয়া
  2. নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
  3. বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
  4. চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
ব্যাখ্যা
• 'জুম' চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের 'চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের' জেলাসমূহে দেখা যায়। 

• জুমচাষ (Jhum): 
- বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- এ ধরনের চাষাবাদে শুষ্ক মৌসুমে বনভূমি কেটে বা পুড়িয়ে স্বল্পসময়ের জন্য (১-৩ বছর) ফসল চাষাবাদের পর প্রাকৃতিক বনভূমির পুনর্জন্ম ও মৃত্তিকার উর্বরতার ক্ষয়পূরণের জন্য দীর্ঘসময় (১০-৪০ বছর) পতিত রাখা হয়।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।

- ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে জুমচাষ হয়।
- বাংলাদেশ শুধু তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে এ জুমচাষ করা হয়।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।

• জুমচাষের ক্ষতিকর প্রভাব: 
- এর মধ্যে রয়েছে মাটির উর্বরতা হ্রাস, ভূমিক্ষয়, বন উজাড়, বন্য পশুপাখির আবাসস্থল ধ্বংস এবং নদী ও হ্রদসমূহ ভরাট হওয়া। 
খাড়া পাহাড়ি ঢালে ঝুম চাষ এবং অন্যান্য চাষাবাদ পদ্ধতির প্রভাব ভূমিধ্বস সংঘটনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
১,১৮৫.
সর্ব প্রথমে যে উফশি ধান এদেশে চালু হয়ে এখনও বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ক) ইরি ১
  2. খ) ইরি ৮
  3. গ) ইরি ৩
  4. ঘ) ইরি ২০  
সঠিক উত্তর:
খ) ইরি ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরি ৮
ব্যাখ্যা
• কৃষি বিভাগ বলছে, উফশি জাতের ধানের ফলন হেক্টর প্রতি সাড়ে চার থেকে ৫ টন। যা স্থানীয় জাতগুলোর তুলনায় দ্বিগুণ। তাই এই ধানের আবাদ করলে লাভবান হবেন চাষিরা।
• বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইরি-৮ জাতের উফশি জাতের ধান আমদানি করা হয় যা এখনও এদেশে চালু আছে।

 
সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,১৮৬.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-
  1. ক) ১৩.৪০%
  2. খ) ১৩.৫৬%
  3. গ) ১৩.৬০%
  4. ঘ) ১৩.৬৫%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৬৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৩.৬৫%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৬৫% ।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

১,১৮৭.
কোন মাটিতে শিম সবচেয়ে ভাল জন্মে?
  1. এঁটেল মাটি
  2. বেলে মাটি
  3. দোআঁশ মাটি
  4. বেলে-দোআঁশ মাটি
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
শিম চাষ:
- শিম আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি।
- শিম এবং এর বীজ উভয়ই জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি।
- এটি উচ্চ আঁশযুক্ত, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।
- এর মূলে নডিউল জাত আছে তা বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে নাইট্রোজেন মাটিতে যুক্ত করতে পারে।

⇒ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি শিম-১, বারি শিম-২, বারি শিম-৩, বারি শিম-৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত ইপসা শিম, এছাড়া কার্তিকা, বারমাসি জনপ্রিয় জাতের মধ্যে অন্যতম।
- এছাড়াও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি থেকে নিত্য নতুন জাত বাজারজাত করছে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- শিম শীতকালীন এবং খরা সহিষ্ণু সবজি।
- দোআঁশ মাটি শিমের জন্য ভালো তবে সার ও পানি ব্যবস্থাপার মাধ্যমে যেকোন মাটিতে ভালো জন্মে।
- মাটির pH ৬.৫-৮.৫ হলে ভালো।
- ফসলের অঙ্গজবৃদ্ধি ও পুষ্পায়ন জন্য তাপমাত্রা ও দিবস দৈর্ঘ্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
- এ সবজি গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এবং দীর্ঘ দিবস প্রয়োজন।
- কিন্তু প্রজননের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও কম দিবস দৈর্ঘ্য প্রয়োজন।
- শীতকালীন জাতগুলোতে কেবল শীতের প্রভাবেই পুষ্পায়ন ঘটে.
- গ্রীষ্মকালীন জাতগুলো দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় বছরের যে কোনো সময় বীজ বপন বা চারা রোপন করা হউক না কেন যথাসময়ে পুষ্পায়ন ঘটে থাকে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে, দেশে বর্তমানে বনাঞ্চলের পরিমাণ -
  1. ১,৯৯,৭২,০০০ একর
  2. ৬৩,৬৩,০০০ একর
  3. ১,০১,৬৬,০০০ একর
  4. ৫৩,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
ব্যাখ্যা
মোট জমির পরিমাণ:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর (১,৫৯,৮২,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৯,৭২,০০০ একর (৮০,৮২,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫১,৬০,০০০ একর (২০,৮৮,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৬৬,০০০ একর (৪১,১৪,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৪,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫৩,০০০ একর, ২১,০০০ হেক্টর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,১৮৯.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'শ্বেতস্বর্ণ' বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
চিংড়ি:
- বাংলাদেশের কৃষিতে 'শ্বেতস্বর্ণ' বা হোয়াইট গোল্ড বলা হয় চিংড়িকে।

⇒ বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,১৯০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দ্বারা উদ্ভাবিত কলার জাত কোনটি? 
  1. জি-৯ কলা 
  2. সবরি কলা 
  3. বারী কলা-১
  4. যমুনা কলা 
সঠিক উত্তর:
বারী কলা-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারী কলা-১
ব্যাখ্যা

কলা:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কলাসহ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করে থাকে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বারি কলা-১, যা ২০০০ সালে BARI কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল কলার জাত।
- এই জাতটি অমৃতসাগর জাতের চেয়ে দৈর্ঘ্যে ছোট হলেও এর ফলন দেড় থেকে দুই গুণ বেশি।
- এবং প্রতি কাঁদির ওজন প্রায় ২৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
- BARI নিয়মিতভাবে কলার বিভিন্ন জাত নিয়ে গবেষণা চালায়।

- বাংলাদেশে উৎপাদিত কলার বিভিন্ন নাম:
• সবরি কলা, 
• বারি কলা,
• মিহের সাগর,
• আনাজি কলা,
• অগ্নিশর,
• অমৃতসাগর,
• মোহনবাশি,
• বিটজোবা,
• সিংগাপুরি,
• কানাইবাশি।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত কলার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, খরা, বন্যা ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে ফলন কমছে, রোগবালাই বাড়ছে;
- এবং সামগ্রিক উৎপাদন ও চাষাবাদের ঝুঁকি বাড়ছে, যা কলার দাম বৃদ্ধি ও কৃষকদের জীবন-জীবিকায় প্রভাব ফেলছে। 

উৎস:
১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর;
২. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,১৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সাতক্ষীরা। 
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১,১৯২.
"কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. ফুলবাড়িয়া
  3. কাশিয়ানী
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার: 
- "কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  

সূত্র: কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট। 

১,১৯৩.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষি ফসল নয় কোনটি?
  1. পাট
  2. চা
  3. ধান
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিফসল হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার প্রভৃতি।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কটামা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, মোট পাট উৎপাদন হয় ৯৫,৮১,৫৮০ বেল এবং সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান।
- অন্যান্য খাদ্যশস্য - গম, ডাল, তেলবীজ, আলু, ভুট্টা, সবজি ও ফলমূল ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,১৯৪.
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে সার আমদানিতে ভর্তুকির পরিমাণ কত কোটি টাকা?
  1. ক) ৯,৫০০ কোটি টাকা
  2. খ) ১২,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ১৪,৮০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১৬,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে সার আমদানিতে ভর্তুকির পরিমাণ ১৬,০০০ কোটি টাকা। সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩৩,৬৯৮ কোটি টাকা।

(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,১৯৫.
মুকুন্দপুরী কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. ভুট্টা
  4. পেয়ারা
সঠিক উত্তর:
পেয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেয়ারা
ব্যাখ্যা
মুকুন্দপুরী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর, কাজী, বারি পেয়ারা-২, বারি পেয়ারা-৩ ইত্যাদি পেয়ারার কতগুলো উন্নত জাত।
(সূত্র: কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
১,১৯৬.
‘কাঞ্চন’ ও ‘বিজয়’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) উন্নত জাতের গম
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের আলু
  4. ঘ) উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর:
ক) উন্নত জাতের গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উন্নত জাতের গম
ব্যাখ্যা
কয়েকটি উন্নত জাতের গম – অঘ্রানী, শতাব্দী, প্রদীপ, সুফী, বিজয়, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, সৌরভ, গৌরব, বরকত, জুপাটিকা-৭৩, ইনিয়া-৬৬। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ‘বিডব্লিউএমআরআই গম ১’ একটি আগাম এবং উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। এটি শতাব্দী এবং প্রদীপ জাতের মধ্যে বাংলাদেশে সংকরায়ন করে উদ্ভাবন করা হয়েছে।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১,১৯৭.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ২২২.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ৩৯০.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
খাদ্যশস্য উৎপাদন:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এর সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৬৭.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
- এর মধ্যে আউশ ২৯.০১ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৫৪.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২০৭.৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ১১.৭০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খাদ্যশস্য উৎপাদন এর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন, যার মধ্যে আউশ ৩৯.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৭১.৭৯ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২২২.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন ও গম ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা: 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা: ২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,১৯৮.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম কতটি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি। এগুলো হলো: খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম এবং রবি বা শীলকালীন মৌসুম।
আশ্বিন থেকে ফাল্গুন পর্যন্ত রবি মৌসুম। এ মৌসুমের ফসলের মধ্যে বোরো ধান ও গম প্রধান।
চৈত্র থেকে ভাদ্র পর্যন্ত খরিপ মৌসুম। এটিকে আবার দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: খরিপ-১ (ফাল্গুন-আষাঢ়) এবং খরিপ-২ (আষাঢ়-ভাদ্র)।
(সূত্র: কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
১,১৯৯.
এক অর্থবছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের পরিমাণ -
  1. ক) মোট জাতীয় উৎপাদন
  2. খ) মোট দেশজ উৎপাদন
  3. গ) নীট জাতীয় উৎপাদন
  4. ঘ) নীট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
খ) মোট দেশজ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা

মোট জাতীয় উৎপাদন/Gross National Product : কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে কোনো দেশের জনগণ মোট যে পরিমাণ চুড়ান্ত দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করে তার অর্থমূল্যকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে। জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী ও কর্মরত বিদেশি ব্যক্তি ও সংস্থার উৎপাদন/আয় অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে বিদেশে বসবাসকারী ও কর্মরত দেশি নাগরিক, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন/আয় অন্তর্ভুক্ত হবে।

মোট দেশজ উৎপাদন/Gross Domestic Product : কোনো দেশের অভ্যন্তরে বসবাসরত জনগোষ্ঠী অর্থাৎ দেশী ও বিদেশী নাগরিকগণ যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে। GDP-তে বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের দ্বারা উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা হিসাব করা হয় না।
উৎস : অর্থনীতিঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,২০০.
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অন্যতম উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. নদী শাসন ও খনন
  2. ফসল সংরক্ষণ 
  3. সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
  4. কীটনাশক ও সার নিশ্চিতকরণ
সঠিক উত্তর:
সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

 বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) 

→ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ এলাকা এবং নাটোরসহ বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার কিয়দংশ এলাকা এবং ভারতের উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত। 

→ পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়। দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি. সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি. এর বেশী নয়। ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ নির্মাণ করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা, আত্রাই, পূর্ণভবা, শিব, পাগলা, করোতোয়া, তিস্তা) শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়। 

→  ফলে এ অঞ্চলে ভূ-পরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল তাই বৃষ্টি নির্ভর একফসলী। যথা সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো। বৃষ্টি নির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকী সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। 

→ মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত নলকূপ দ্বারা সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। সে প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ জনাব ড. আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে এক বিশেষ ধরণের নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন।

→ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) এর আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (BIADP) এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫ টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা, বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

→বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারী রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল (২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।

কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলীঃ

১) সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে ভূ-পরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
২) কৃষি যান্ত্রিকিকরণ, বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং শস্যের বহুমুখীকরণ;
৩) পরিবেশের ভাসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ;
৪) কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষণ;
৫) সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহকরণ;
৬) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তি সম্পাদন;
৭) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।