বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ৮০১৯০০ / ২,৪৪৭

৮০১.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষের বাসযোগ্য ঘরে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ (Theft in dwelling-house, etc.) অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষ বসবাসের উপযোগী ভবন, তাঁবু বা নৌযানে চুরি করে, অথবা সেই স্থানে যেটি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাহলে:
“সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হতে পারে এবং সেই সঙ্গে জরিমানার মুখোমুখি হবে।”
- চুরির স্থান: ভবন, তাঁবু, বা নৌযান—যা মানুষ বাস করে বা সম্পত্তি রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- শাস্তির পরিমাণ: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 380.Theft in dwelling-house, etc.
 Whoever commits theft in any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling, or use for the custody of property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮০২.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. তিন জন
  2. পাঁচ জন
  3. সাত জন
  4. দশ জন
সঠিক উত্তর:
পাঁচ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ জন
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is 
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৮০৩.
অবিবাহিত পুরুষ 'ক', একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই পরিস্থিতিতে কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র বিবাহিত নারীর বিরুদ্ধে
  3. উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কোনো অভিযোগ আনা যাবে না
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান- ব্যভিচার:
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

অর্থাৎ, ব্যাভিচারের জন্য শুধু পুরুষ ব্যক্তিটিকে অভিযুক্ত করা যায়। শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যাবে।

Section 497- Adultery:
Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.

৮০৪.
একজন নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি একটি পার্কে গিয়ে চিৎকার করছে এবং অশ্লীল আচরণ করছে, যার কারণে অন্যান্য লোকজন বিরক্ত হচ্ছে। উক্ত কাজ দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ৫০৯ ধারা
  2. ৫১০ ধারা
  3. ৫০০ ধারা
  4. ৫০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১০ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা অনুযায়ী, প্রকাশ্যে মাতাল ব্যক্তির অশুভ আচরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

• দণ্ডবিধির ৫১০ ধারা- নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি দ্বারা প্রকাশ্যে অসদাচরণ:
কোন ব্যক্তি যদি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কোন প্রকাশ্য স্থানে গমন করে, বা যে স্থানে প্রবেশ করা তার পক্ষে অনধিকার প্রবেশ, সে স্থানে প্রবেশ করে এবং সে স্থানে এমন আচরণ করে, যার ফলে কারো বিরক্তি ঘটে, তবে সে ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টা পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা দশ টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 510⇒ Misconduct in public by a drunken person:
Whoever, in a state of intoxication appears in any public place, or in any place which it is a trespass in him to enter, and there conducts himself in such a manner as to cause annoyance to any person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to twenty-four hours, or with fine which may extend to ten taka, or with both.
৮০৫.
X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। X কি ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
  3. সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারা মতে বিশ্বাসভরে ভারপ্রাপ্ত হয়ে অথবা আইনগত চুক্তির মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অপরাধীর দখলে আসার পর অপরাধী উক্ত বিশ্বাস বা চুক্তির বরখেলাপ করে সম্পত্তিটি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা অসাধুভাবে নিজের ব্যবহারে লাগালে তাকে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা Criminal Breach of Trust বলে।

♦ দণ্ডবিধি ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:- কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ‘অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

♦অর্থাৎ  X এর মনিব কিছু মালপত্র বিক্রি করে টাকা আনার জন্য X কে পাঠায়। X তার মনিবকে বিক্রিত মালের টাকা দেয় নাই। এই ক্ষেত্রে  X অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
৮০৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৬ ধারার
  4. ৩০৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 303: Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
৮০৭.
সরকারী কর্মকর্তা কোন ব্যক্তিকে শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তির বাজেয়াপ্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে আইনের নির্দেশনা অমান্য করলে তার শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় প্রদান করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২১৬ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২২৫ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২১৫ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২১৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২১৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২১৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২১৭ ধারার বিধান কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে বাঁচাবার বা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হওয়া হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে সরকারী কর্মচারী দ্বারা আইনের নির্দেশ লংঘন করা:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হওয়ায় তাঁর আচরণ সম্পর্কে যেরূপ আইনের নির্দেশ রয়েছে, তা জ্ঞাতসারে অমান্য করে এবং অমান্য করার উদ্দেশ্য হয় কোন ব্যক্তিকে সাজা হতে রক্ষা করা বা সে সাজা হতে যাতে রক্ষা পেতে পারে, জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা বা সে যে দণ্ডে দণ্ডনীয় তা অপেক্ষা লঘুদণ্ডে তাকে দণ্ডিত করা, অথবা কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে কিংবা আইনানুসারে কোন দায় হতে রক্ষা করা বা উহা যাতে রক্ষা পেতে পারে জ্ঞাতসারে এইরূপ কাজ করা, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

------------------
♦ Public servant disobeying direction of law with intent to save person from punishment or property from forfeiture:
Section 217. Whoever, being a public servant, knowingly disobeys any direction of the law as to the way in which he is to conduct himself as such public servant, intending thereby to save, or knowing it to be likely that he will thereby save, any person from legal punishment, or subject him to a less punishment than that to which he is liable or with intent to save, or knowing that he is likely thereby to save, any property from forfeiture or any charge to which it is liable by law, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮০৮.
According to Section 82, what is the legal status of an act done by a child under nine years of age?
  1. It is not considered an offence.
  2. It is considered an offence unless proven otherwise.
  3. It is considered an offence if it harms someone.
  4. It can be an offence, but only under extreme circumstances.
সঠিক উত্তর:
It is not considered an offence.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is not considered an offence.
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা- নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

Section 82- Act of a child under nine years of age:
Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

এছাড়া, দণ্ডবিধির ৮৩ ধারায় বলা আছে-
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
৮০৯.
‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়ে যায়, ‘Z’-এর সম্মতি ছাড়া। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. অপহরণ
  2. চুরি
  3. প্রতারণা
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধুভাবে তার অধিকারে থাকা চলমান সম্পত্তি নিয়ে যাওয়া চুরি হিসেবে গণ্য। ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৪ অনুসারে, পশুকে প্রলোভন দিয়ে নিয়ে যাওয়া চুরি। এখানে, ‘C’ ‘Z’-এর কুকুরকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধুভাবে নিয়েছে, যা ধারা ৩৭৮-এর অধীনে চুরি।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৮১০.
দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারার অধীনে কোনটি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া
  2. মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
  3. মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা- মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান করা:
কোন ব্যক্তি যদি মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অথবা যে বস্তু অপরাধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলে মৃত্যু ঘটতে পারে তা কর্তৃক সজ্জিত হয়ে কোন বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 144- Joining unlawful assembly armed with deadly weapon:
Whoever, being armed with any deadly weapon, or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৮১১.
"Intention of causing death is not essential" দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কত নম্বর অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১ম অনুচ্ছেদে
  2. ২য় অনুচ্ছেদ
  3. ৩য় অনুচ্ছেদে
  4. ৪র্থ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

অর্থাৎ যে কার্য সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সেই কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় থাকা আবশ্যক না।
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার চতুর্থ নম্বর অনুচ্ছেদে 'Intention of causing death is not essential' বিধানটি ফোটে উঠেছে।

যেমন- ক কোন অজুহাত ছাড়াই একটি গুলি ভর্তি কামান হতে জনতার প্রতি গুলিবর্ষণ করে এবং জনতার একজনকে হত্যা করে। এখানে ক খুনের দায়ে অপরাধী হবে, যদিও কোন বিশেষ লোককে নিহত করার জন্য ক-এর কোনরূপ পূর্বকল্পিত অভিপ্রায় ছিল না। কেননা কোন আসন্ন বিপদজনক কার্য যা সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সে ধরনের কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
৮১২.
দণ্ডবিধ ১৮৬০ অনুযায়ী নির্জন কারাবাস এককালীন কত দিনের অধিক হতে পারবে না?
  1. এককালীন ১৪ দিন
  2. এককালীন ১ মাস
  3. এককালীন ৭ দিন
  4. সর্বমোট ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
এককালীন ১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এককালীন ১৪ দিন
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র সশ্রম কারাদন্ডের ক্ষেত্রে নির্জন কারাবাস দেয়া হয়।
• ৭৪ ধারা মতে নির্জন কারাবাস একটানা ১৪ দিনের বেশি হবেনা, তবে কারাদন্ডের মেয়াদ ৩ মাসের অধিক হলে কোন এক মাসে ৭ দিনের বেশি নির্জন কারাবাসে রাখা যাবে না।
• নির্জন কারাবাস সর্বমোট ৩ মাসের বেশি হবে না।
৮১৩.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন শর্তে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা "খুন" হিসেবে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু ঘটলে
  2. শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটলে
  3. কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের উদ্দেশ্যে করা হলে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা অনুসারে, খুনের শাস্তি তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন একটি কাজ এমন উদ্দেশ্যে করা হয় যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে, কার্যটি মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা হলে, সেটি শাস্তিযোগ্য "খুন" হিসেবে গণ্য হবে।
এই ধারায় ৪টি শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে:
১) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করা: যদি কেউ মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে কাজ করে এবং তার কাজের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটে, তবে সেটি খুন হবে।
২) মৃত্যুর আশঙ্কা জানানো: যদি কাজটি এমনভাবে করা হয় যে, অপরাধী জানে বা বুঝতে পারে যে তার কাজটি মৃত্যুর কারণ হবে, তবে সেটি খুনের মধ্যে পড়বে।
৩) দৈহিক আঘাতের অভিপ্রায়: যে কাজটি করা হয়, তা এমন আঘাত সৃষ্টি করবে যা প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম হবে।
৪) বিপজ্জনক কাজ: এমন কোনো কাজ করা, যা এমন বিপজ্জনক এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে, এবং অপরাধী সেই ঝুঁকি গ্রহণ করে।
অন্যদিকে, দুর্ঘটনাবশত মৃত্যু বা আত্মরক্ষার জন্য মৃত্যু ঘটানো খুনের আওতায় পড়বে না, কারণ সেখানে মৃত্যুর উদ্দেশ্য ছিল না বা আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে ছিল।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা
দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা
তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা
চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 300: Murder:
-Except in the cases hereinafter excepted, culpable homicide is murder, if the act by which the death is caused is done with the intention of causing death, or-
Secondly.-If it is done with the intention of causing such bodily injury as the offender knows to be likely to cause the death of the person to whom the harm is caused, or –
Thirdly.-If it is done with the intention of causing bodily injury to any person and the bodily injury intended to be inflicted is sufficient in the ordinary course of nature to cause death, or –
Fourthly.-f the person committing the act knows that it is so imminently dangerous that it must, in all probability, cause death, or such bodily injury as is likely to cause death, and commits such act without any excuse for incurring the risk of causing death or such injury as aforesaid.

Illustration:
(a) A shoots Z with the intention of killing him. Z dies in consequence. A commits murder.
৮১৪.
ধারা ৩৭৭ অনুযায়ী অপরাধ সংঘটনের জন্য কী প্রয়োজনীয়?
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে শারীরিক আঘাত করা
  2. ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পদ চুরি করা
  4. ইচ্ছাকৃতভাবে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাকৃতভাবে যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা- অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা: এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:
Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
৮১৫.
দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি অপরাধীর স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেয়, তাহলে স্বামী বা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোন বিধান প্রযোজ্য হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড প্রযোজ্য হবে
  2. অর্থদণ্ড প্রযোজ্য হবে
  3. সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য হবে
  4. কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি প্রযোজ্য হবে না
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা- অপরাধীকে আশ্রয় দান করার বিষয়ের বিধান রয়েছে-
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imprisonment for life, or with imprisonment):-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৮১৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৫০৩ অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড 
  2. ২ বছর কারাদণ্ড 
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড 
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৫০৩ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন (Criminal Intimidation) হলো কোনো ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম, বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, অথবা তার কোনো আগ্রহী ব্যক্তির ক্ষতির হুমকি দেওয়া, যাতে সে ভীত হয়, বা এমন কাজ করতে বাধ্য হয় যা করতে সে আইনত বাধ্য নয়, বা এমন কাজ না করতে বাধ্য হয় যা করার জন্য সে আইনত অধিকারী। ধারা ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ শাস্তি হলো ২ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই।
তবে, যদি হুমকিটি মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, সম্পত্তির অগ্নিসংযোগ, বা নারীর সতীত্বের অপবাদের হয়, তবে শাস্তি ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে এই ধরনের গুরুতর হুমকির উল্লেখ নেই, তাই সাধারণ শাস্তি প্রযোজ্য। তাছাড়া ৭ বছর অপশনে না থাকায় '২ বছর কারাদণ্ড' সঠিক উত্তর।

অর্থাৎ ধারা ৫০৩ এবং ৫০৬ অনুসারে, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাধারণ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ২ বছর কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) ২ বছর কারাদণ্ড।
-------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503. Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506-Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
and if the threat be to cause death or grievous hurt, or to cause the destruction of any property by fire, or to cause an offence punishable with death or imprisonment for life, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, or to impute unchastity to a woman, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.

৮১৭.
ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান কোথায় আছে?
  1. ২৬৪
  2. ২৬৬
  3. ২৬৭
  4. ২৬৮
সঠিক উত্তর:
২৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৪
ব্যাখ্যা
• ২৬৪ ধারায় ওজনের জন্য মিথ্যা যন্ত্রের ব্যবহারের শাস্তি বিধান হিসেবে অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডের উল্লেখ আছে।
৮১৮.
Which of the following is not required to constitute an affray under Section 159?
  1. Fighting in a public place
  2. Disturbance of public peace
  3. Intent to cause serious harm
  4. Involvement of two or more people
সঠিক উত্তর:
Intent to cause serious harm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intent to cause serious harm
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860-Section 159:- Affray:
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".

So, 'Intent to cause serious harm' is not required to constitute an affray under Section 159.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 160: Punishment for committing affray:
-Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৮১৯.
Penal Code এর কোন ধারায় 'Dacoity' এর সংজ্ঞা আছে?
  1. ৩৯০
  2. ৩৯১
  3. ৩৯৪
  4. ৩৯৫
সঠিক উত্তর:
৩৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৮২০.
স্ত্রীলোকের সতীত্ব নষ্টের দুর্নামের ভয় দেখানো দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ধারা ৫০৩
  2. ধারা ৫০৬
  3. ধারা ৫০৭
  4. ধারা ৫০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার বিধান: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

মৃত্যু অথবা গুরুতর আঘাত ইত্যাদির ভীতি প্রদর্শন করা:- এবং যদি হুমকিটি মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত ঘটাবার অথবা অগ্নি সংযোগে কোন সম্পত্তি ধ্বংস করার কিংবা মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ অনুষ্ঠানের অথবা কোন স্ত্রীলোকের সতীত্ব নষ্ট হয়েছে বলে দুর্নাম আরোপের হুমকি হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 506. Punishment for criminal intimidation. Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
 
and if the threat be to cause death or grievous hurt, or to cause the destruction of any property by fire, or to cause an offence punishable with death or imprisonment for life, or with imprisonment for a term which may extend to seven years, or to impute unchastity to a woman, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, or with fine, or with both.
৮২১.
হলফনামায় মিথ্যা বিবৃতি দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি হবে?
  1. ২ বৎসর পর্যন্ত করাদন্ড
  2. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
  3. ১ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
  4. ৩০০০ টাকা অর্থদন্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৮১ ধারা অনুযায়ী, হলফ বা শপথনামায় মিথ্যা বিবৃতি দিলে তার শাস্তি হতে পারে ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৮২২.
A, B-এর মুখে এসিড নিক্ষেপ করে, যার ফলে B-এর মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়। A-এর শাস্তি কোন ধারায় নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৩২৫
  2. ধারা ৩২৬
  3. ধারা ৩২৬ক
  4. ধারা ৩২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২৬ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩২৬ক অনুযায়ী, কেউ উভয় চোখ বা মুখ এর স্থায়ী বিকৃতি ঘটায় বা corrosive পদার্থ ব্যবহার করে গুরুতর আঘাত করে, এমন আঘাতের জন্য মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন ও জরিমানা প্রযোজ্য।
- প্রশ্নে উল্লিখিত, A B-এর মুখে এসিড নিক্ষেপ করেছে, ফলে মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়েছে। এটি সরাসরি ধারা ৩২৬ক-এর আওতায় আসে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২৬ক ধারা: স্বেচ্ছাকৃতভাবে দুইটি চোখ উপড়ে বা এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা চোখ দুইটির দৃষ্টি নষ্টকরণ বা মুখমণ্ডল বা মস্তক এসিড দ্বারা বিকৃতিকরণ:
যে ব্যক্তি ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়া স্বেচ্ছাকৃতভাবে নিম্নবর্ণিত উপায়ে-
(ক) ৩২০ ধারার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে উভয় চক্ষুর ব্যাপারে হয় উৎপাটন দ্বারা অথবা যেকোন ধরনের এসিড জাতীয় পদার্থ কর্তৃক, কিংবা
(খ) ৩২০ ধারার ষষ্ঠ অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধ যেক্ষেত্রে কোন এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা কোন ব্যক্তিকে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code,1860, Section 326A- Voluntarily causing grievous hurt in respect of both eyes, head or face by means of corrosive substance, etc:
Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt of the kind mentioned in-
(a) clause secondly of section 320 in respect of both the eyes either by gouging out the same or by means of any corrosive substance; or
(b) clause sixthly of section 320 by means of any corrosive substance, shall be punished with death, or imprisonment for life and shall also be liable to fine.

৮২৩.
'ক', 'খ' এর বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে 'খ' এর কাছে ধরা পড়ে।সে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. Theft
  2. Robbery
  3. Dacoity
  4. Extortion
সঠিক উত্তর:
Robbery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robbery
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী-
চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

এক্ষেত্রে 'ক' চুরি করতে গিয়ে 'খ' কে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বিধায় তা ৩৯০ ধারা অনুযায়ী 'দস্যুতা বা Robbery' বলে গণ্য হবে।
 
উল্লেখ্য, দস্যুতাকে হিংস্রতম চুরি বা হিংস্রতম বলপ্রয়োগ গ্রহণ বলা হয়। কেননা প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান-
i) এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;
iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; এবং
iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।
 
এছাড়া,
⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।

⇒ প্রত্যেক ডাকাতির ক্ষেত্রে দস্যুতা ( চুরি অথবা বলপূর্বক গ্রহণ) থাকে। কিন্তু দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সংখ্যাগত। দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী ডাকাতির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন থাকতে হবে।
৮২৪.
বেশ্যাবৃত্তি (Prostitution) ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের (minor) বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  2. বারো বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
  3. সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড।
  4. তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান বেশ্যাবৃত্তি, প্রভৃতির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা ১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।
ব্যাখ্যা ২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে "অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথা: এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতূল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
--------------
Selling minor for purposes of prostitution, etc.
Habitual dealing in slaves 
 Section 372. Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc. 

Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong  to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
৮২৫.
চুরির অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. নগদ টাকা
  2. স্বর্ণালংকার
  3. জমি
  4. আসবাবপত্র
সঠিক উত্তর:
জমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি
ব্যাখ্যা
দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।
♦ দন্ডবিধির ধারা ৩৭৮ অনুযায়ী একমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরি করা যায়। স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি চুরি করা যায় না।
৮২৬.
দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী নিচের কোনটি “Person” শব্দের মধ্যে পড়ে না?
  1. একটি সমিতি
  2. একটি কোম্পানি
  3. সমবায় প্রতিষ্ঠান
  4. একটি প্রাকৃতিক নদী
সঠিক উত্তর:
একটি প্রাকৃতিক নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি প্রাকৃতিক নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১১ (Section 11) অনুযায়ী:
“The word ‘person’ includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.”
- “Person” শব্দটি দ্বারা কোনো কোম্পানি, সংঘ বা ব্যক্তি-সমষ্টি বোঝানো হয়—তা নিবন্ধিত (incorporated) হোক বা না হোক।

তবে, “প্রাকৃতিক নদী”:
- একটি প্রাকৃতিক সত্তা, যার আইনি ব্যক্তিত্ব নেই।
- (যদিও কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা আইন অনুযায়ী 'legal person' হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু সেটা দণ্ডবিধির সাধারণ সংজ্ঞায় নয়)।
- এটি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংঘ নয়, সুতরাং দণ্ডবিধির ধারা ১১ অনুযায়ী "Person" এর মধ্যে পড়ে না।
৮২৭.
পেনাল কোডে কয় ধরনের শাস্তির বিধান আছে?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
 
(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);
 
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);
 
(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);
 
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);
 
(v) অর্থদণ্ড (fine)।
 
⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
⇒ এই ধারায়, বেত্রাঘাত শাস্তির কোনো উল্লেখ নেই।
৮২৮.
অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টায় আক্রমণ করলে দণ্ডবিধির ৩৫৭ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৭: অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় আক্রমণ বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ-
যে কেউ কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় তার প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ করে, তিনি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, in attempting wrongfully to confine that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৮২৯.
কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন বা অনধিক ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১৩০ মতে কোন রাজবন্ধী বা যুদ্ধবন্ধীকে হাজত হতে পলায়নে সহায়তা, উদ্ধার, আশ্রয়দান বা লুকিয়ে রাখার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থন্ডের বিধান আছে।
৮৩০.
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ১০৭ ধারায়
  2. ১২০ ধারায়
  3. ১২০ক ধারায়
  4. ১২০খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২০ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১২০ক ধারা-এ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের (Criminal Conspiracy) স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী:
"যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অবৈধ কাজ করতে অথবা বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে সম্মত হয়, তখন তা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য হবে।"

শর্ত:- অপরাধ ছাড়া অন্যান্য ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে শুধু সম্মতি যথেষ্ট নয়, ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে অন্তত একটি কাজ প্রমাণ করতে হবে।
উদাহরণ: A ও B চুরি করার পরিকল্পনা করে এবং A চাবি কিনলে তা "কাজ" হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অবৈধ কাজটি ষড়যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য হোক বা গৌণ উদ্দেশ্য হোক, তা বিবেচ্য নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 120A. Definition of criminal conspiracy. 
 When two or more persons agree to do, or cause to be done,- 
(1) an illegal act, or 
(2) an act which is not illegal by illegal means, such an agreement is designated a criminal conspiracy: 
Provided that no agreement except an agreement to commit an offence shall amount to a criminal conspiracy unless some act besides the agreement is done by one or more parties to such agreement in pursuance thereof.
Explanation.-It is immaterial whether the illegal act is the ultimate object of such agreement, or is merely incidental to that object.

৮৩১.
রাহুল অফিসে কাজ করার সময় সহকর্মী রিতার সামনে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে। রাহুলকে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ কী সাজা দেওয়া যাবে?
  1. ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  2. ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  3. ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. ৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে

Section 509- Word, gesture or act intended to insult the modesty of a woman:
Whoever, intending to insult the modesty of any woman, utters any word, makes any sound or gesture, or exhibits any object, intending that such word or sound shall be heard, or that such gesture or object shall be seen, by such woman, or intrudes upon the privacy of such woman, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৮৩২.
Public Servant এর সংজ্ঞা পেনাল কোড-এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২
  2. ১৪
  3. ১৯
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ২১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট কারা কারা হবেন এর দীর্ঘ তালিকা দেওয়া হয়েছে। পেনাল কোডের ২১ ধারায় ১১ শ্রেণীর ব্যক্তিকে সরকারি কর্মচারী বা পাবলিক সার্ভেন্ট বলা হয়েছে।
৮৩৩.
“Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence”- দণ্ডবিধির কোন ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৫
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
 • দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৮৩৪.
যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হয়, তবে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সর্বাধিক কত হতে পারে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ৭৩ ধারার অনুযায়ী, যদি কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের বেশি না হয়, তবে আদালত সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কারাবাসে রাখতে পারে সর্বাধিক এক মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 73: Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:  
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year: 
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒ The Penal Code, 1860 Section 74: Limit of solitary confinement:
 In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.

৮৩৫.
দণ্ডবিধির ৩১১ ধারায় ‘Thug’-এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ঠগ (Thug) হয়, তাহলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। ঠগ হওয়ার জন্য, ব্যক্তিকে অভ্যাসগতভাবে খুন বা শিশু অপহরণ করে দস্যুতা সংঘটনের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করতে হবে, যা ৩১০ ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১০ ধারায় ঠগের সংজ্ঞা (Thug) রয়েছে। খুন অথবা খুন সহকারে দস্যুতা সংঘটন অথবা শিশু অপহরণ করার উদ্দেশ্যে দুষ্টু মন নিয়ে মেলামেশা করাকে ঠগ (Thug) বলে। অর্থাৎ অভ্যাসগতভাবে কাউকে খুন বা শিশু অপহরন করে দস্যুতার উদ্দেশ্যে মেলামেশা করাকে ঠগ বলা হয়। সমস্ত ঠগই দস্যু এবং ডাকাত কিন্তু সমস্ত দস্যু বা ডাকাত ঠগ নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১১ ধারার বিধান ঠগের শাস্তি:-কোন ব্যক্তি যদি ঠগ হয়, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 310: Thug:
-Whoever, at any time after the passing of this Act, shall have been habitually associated with any other or others for the purpose of committing robbery or child-stealing by means of or accompanied with murder, is a thug.
⇒ The Penal Code, 1860: Section 311:Punishment:
- Whoever is a thug, shall be punished with imprisonment for life, and shall also be liable to fine.

৮৩৬.
স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' একজন মেয়েকে ইভটিজিং করে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অর্থাৎ, পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।
৮৩৭.
X, Z কে একটি দেওয়ালে ঘেরা জায়গায় যেতে বাধ্য করে এবং Z কে তালাবদ্ধ করে রাখে। ফলে Z সেখানে দেওয়ালের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট সীমার বাইরে যেতে বাধগ্রস্থ হয় এবং ১২ দিন পর্যন্ত আটকে থাকে। X এর কৃত কাজের জন্য সে দণ্ডবিধির কোন ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪৩ ধারায়
  3. ৩৪৪ ধারায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তির ৩ ধরনের বিধান আছে।
(i) ৩৪২ ধারায় শুধু অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(ii) ৩৪৩ ধারায় ৩ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
(iii) ৩৪৪ ধারায় ১০ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধ আটক বা অবরোধের শাস্তি- অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৮৩৮.
দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারায় "অনিষ্টসাধন" এর শাস্তির মেয়াদ কত পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৮৩৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় খুনসহ ডাকাতির শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৩৯০ ধরায়
  2. ৩৯২ ধারা
  3. ৩৯৬ ধারায়
  4. ৩৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতিঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৮৪০.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public servant) সংজ্ঞা দেয়া রয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১১ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারা সমূহের মাঝে 'সাধারণ ব্যাখ্যা' (General explanations) দেয়া আছে।
• ১৪ ধারায় রাষ্ট্রীয় কর্মচারী (Servant of The State), ২১ ধারায় সরকারি কর্মচারী (Public Servant), ১১ ধারায় ব্যক্তি (Person) এবং ১২ ধারায় জনসাধারণ (Public) এর সংজ্ঞা দেয়া আছে।
৮৪১.
নিচের কোন সম্পত্তিকে দণ্ডবিধি অনুযায়ী “চোরাই মাল” বলা হয় না?
  1. বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
  2. বলপূর্বক আদায়কৃত সম্পত্তি
  3. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  4. বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১০-এর অধীন, চোরাই মাল (stolen property) বলতে চুরি, বলপূর্বক আদায় (extortion), দস্যুতা (robbery), অপরাধমূলক আত্মসাতকরণ (criminal misappropriation) বা বিশ্বাসভঙ্গ (criminal breach of trust)-এর দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে বোঝায়, যা বাংলাদেশের মধ্যে বা বাইরে সংঘটিত হোক না কেন। বৈধভাবে কেনা সম্পত্তি এই সংজ্ঞার অন্তর্গত নয়, এবং যদি চোরাই মাল আইনানুগভাবে দখলের অধিকারীর কাছে ফিরে আসে, তাহলে তা আর চোরাই মাল থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒The Penal Code, 1860- Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৮৪২.
A একটি বিচারালয়ের অফিসার। উক্ত আদালত কর্তৃক Y কে আটক করার আদেশ প্রাপ্ত হয়ে এবং যথাযথ অনুসন্ধান করার পর জানা যায় Z কে Y মনে করে Z কে আটক করে। এই ক্ষেত্রে A এর অপরাধ
  1. কোন অপরাধ করেনি
  2. অবৈধ আটক করেছে
  3. বেআইনী বাধা প্রদান করেছে
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
♦Y কে আটক করার আদেশ ছিল কিন্তু Z কে Y মনে করে A কে আটক করে। এটা একটি ঘটনাগত ভুল বা (Mistake of Fact) এবং A আটক করতে আইনবলে বাধ্য ছিল। যদি এই ক্ষেত্রে তিনি সরল বিশ্বাসে কোন প্রকার অবহেলা ছাড়া আটক করে, তাহলে এটা কোন অপরাধ না।
৮৪৩.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গুরুতর আঘাতের বিধান আছে?
  1. ৩১৯
  2. ৩২০
  3. ৩২১
  4. ৩২২
সঠিক উত্তর:
৩২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒The penal Code,1860: Section-320. Grievous hurt:
-The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৮৪৪.
'A' জানে যে 'Z' একটি ঝোপের পেছনে আছে, কিন্তু 'B' তা জানে না। 'A', 'Z'-কে মারার উদ্দেশ্যে 'B'-কে ঝোপের দিকে গুলি করতে প্ররোচিত করে এবং 'Z'-এর মৃত্যু হয়। এক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান অনুযায়ী কে দোষী হবে?
  1. শুধুমাত্র B
  2. শুধুমাত্র A
  3. A এবং B উভয়েই
  4. A এবং B কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র A
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একটি কূপের মুখে আড়াআড়িভাবে বাঁশের কঞ্চি পেতে তার উপর ঘাস পাতা বিছিয়ে দেয়- এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে অথবা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে তা জানা সত্ত্বেও তা করে। 'চ' শক্ত মাটি মনে করে উহার উপর দিয়ে চলতে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে যায় এবং নিহত হয়। 'ক' শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(খ) একটি ঝোপের একপাশে 'ক' ও 'খ' রয়েছে এবং অন্য পাশে 'চ' রয়েছে 'ক' জানে যে, 'চ' অন্য পাশে রয়েছে, কিন্তু 'খ' তা জানে না। ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করলে যাতে 'চ'-এর মৃত্যু হয় সে। উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ গুলিবর্ষণ করলে 'চ'-এর মৃত্যু হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও 'ক' ঝোপের দিকে গুলিবর্ষণ করার জন্য 'খ'-কে অনুরোধ করে। 'খ' অনুরোধ রক্ষা করে গুলিবর্ষণ করে এবং তার গুলিবর্ষণের ফলে 'চ' এর মৃত্যু হয়। এইক্ষেত্রে 'খ' কোন দোষে দোষী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তি যোগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

(গ) 'ক' একটি মুরগি হত্যা করে উহা চুরি করার উদ্দেশ্যে উহার প্রতি গুলিবর্ষণ করে, কিন্তু গুলিবর্ষণের ফলে ঝোপের অন্য পাশে 'খ'-এর মৃত্যু হয়। 'ক' জানত না যে, 'খ' সেখানে ছিল। এই ক্ষেত্রে 'ক' যদিও একটি বেআইনী কাজই করতেছিল, তথাপি সে শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী নয়, কেননা সে 'খ'-কে হত্যা করতে চায় নাই, অথবা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, জ্ঞাতসারে সে কার্য করে সে মৃত্যু ঘটায় নাই।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
Illustrations:
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.

৮৪৫.
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান কী?
  1. ডাকাতির সাজা
  2. দস্যুতা সাজা
  3. খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
  4. ডাকাত দলে থাকার সাজা
সঠিক উত্তর:
খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনসহকারে ডাকাতি সাজা
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতির সাজাঃ যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করতে গেলে এবং সে ঘটনায় কোনো একজন খুন করলে “খুনসহ ডাকাতি”-এর অপরাধে সকল ডাকাতকে শাস্তি দেওয়া যাবে যদিও তারা প্রত্যেকে খুনে অংশগ্রহণ করেনি।
৮৪৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৮ক-এ বর্ণিত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ৩৩৮ক অনুযায়ী, যদি কেউ জনপথে বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে অন্য কাউকে গুরুতর আঘাত করে, যাতে মানুষের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে সে অপরাধী হবে।
- এই অপরাধের শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) ২ বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৮ক ধারা: জনপথে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে গুরুতর আঘাত প্রদান করা:
যে ব্যক্তি বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে গণপথে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্বারোহণ করে কোন ব্যক্তিকে এমন গুরুতর আঘাত করে যাতে মনুষ্যজীবন ও অন্যের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 338A- Causing grievous hurt by rash driving or riding on a public way:
Whoever causes grievous hurt to any person by driving any vehicle, or riding on any public way so rashly or negligently as to endanger human life, or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৮৪৭.
ফৌজদারী আদালতের রায় অনুযায়ী জল্লাদ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাঁসি কার্যকর করলে তা-
  1. অপরাধ বলে গণ্য হবে না
  2. অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. নরহত্যা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারা মতে আদালতের আদেশে কৃত কাজ অপরাধ নয় অর্থাৎ আদালতের রায় বা আদেশ মোতাবেক সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ নয় আদালতের আদেশ বাস্তবায়িত করার জন্য সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীগণ যে সমস্ত কার্য করবেন তা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭৮ ধারার বিধান আদালতের রায় বা আদেশের অনুসরণে সম্পাদিত কাজ:- কোন আদালতের নির্দেশক্রমে অথবা কোন আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী উক্ত রায় বা আদেশ বলবৎ থাকাকালে সম্পাদিত কোন কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না; আদালতের অনুরূপ রায় বা আদেশ প্রদানের এখতিয়ার না থাকলেও অনুরূপ কাজ অপরাধ বলে অভিহিত হবে না যদি উক্ত কাজটি সম্পন্নকারী ব্যক্তি সরল মনে বিশ্বাস করে থাকে যে, আদালতের অনুরূপ এখতিয়ার রয়েছে।

-------------------
Act done pursuant to the judgment or order of Court:
Section 78. Nothing which is done in pursuance of, or which is warranted by the judgment or order of, a Court of Justice, if done whilst such judgment or order remains in force, is an offence, notwithstanding the Court may have had no jurisdiction to pass such judgment or order, provided the person doing the act in good faith believes that the Court had such jurisdiction.
৮৪৮.
দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত কোনটি আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়?
  1. গুরুতর আঘাতের আশঙ্কা।
  2. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  3. চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
  4. ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ।
ব্যাখ্যা
→ "চুরির করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ" দণ্ডবিধি ১০০ ধারায় উল্লেখিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১০০ ধারা অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা:  
      (i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
      (ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
      (iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
      (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
      (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
-------------------
The Penal Code, 1860- Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
-The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.
৮৪৯.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৩-এ কারাদণ্ডের কত প্রকার উল্লেখ আছে?
  1. দুটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি (১৮৬০), ধারা ৫৩-এ শাস্তির প্রকারভেদের মধ্যে 'কারাদণ্ড' (Imprisonment) দুই প্রকারের উল্লেখ করা হয়েছে:
- সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous Imprisonment: কঠিন শ্রমসহ)
- বিনাশ্রম কারাদণ্ড (Simple Imprisonment: শ্রম ছাড়া)
- এছাড়া, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদা সশ্রম হিসেবে বিবেচিত হয়, কিন্তু এটি কারাদণ্ডের পৃথক প্রকার নয়। 
- তাই মোট কারাদণ্ডের প্রকার দুটি।


⇒ দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন।
- দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে।
৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:
(i) মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)
(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)
(iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is, with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple)
(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)
(v) অর্থদণ্ড (fine)
- দণ্ডবিধির ধারা ৫৩ তে বিধান আছে যে, কারাদণ্ড ২ প্রকারের- সশ্রম ও বিনাশ্রম।
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 53. Punishments:
The punishments to which offenders are liable under the provisions of this Code are,-
Firstly,- Death;
Secondly,- Imprisonment for life;
Thirdly,-[Omitted].
Fourthly,-Imprisonment, which is of two descriptions, namely:-
(1) Rigorous, that is, with hard labour;
(2) Simple;
Fifthly,- Forfeiture of property;
Sixthly,- Fine.
Explanation: -In the punishment of imprisonment for life, the imprisonment shall be rigorous.

৮৫০.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় মোট কয়টি ব্যাখ্যা (Explanation) রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৩টি।
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারায় ৩টি ব্যাখ্যা রয়েছে: ১) অসুস্থ বা অপারগ ব্যক্তির মৃত্যু ত্বরান্বিত করা শাস্তিযোগ্য। ২) দৈহিক আঘাতের কারণে মৃত্যু ঘটলে, আঘাতকারীকে দায়ী করা হবে। ৩) মাতৃগর্ভে শিশুর মৃত্যু নরহত্যা নয়, তবে জন্মের পর মৃত্যু ঘটানো শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা:- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
ব্যাখ্যা ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগছে, তার দৈহিক, জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভূমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 299: Culpable homicide:
- Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide.
Explanation-1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death.
Explanation-2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented.
Explanation-3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৮৫১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩০৫
  2. ৩০৬
  3. ৩০৭
  4. ৩০৮
সঠিক উত্তর:
৩০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৬
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করে এবং অন্য কোনো ব্যক্তি তাকে আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধের জন্য দণ্ডবিধিতে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) এবং অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৮৫২.
দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারা অনুসারে, নিম্নের কোনটি অপথে গৃহে প্রবেশ (House Breaking) এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. তালা ভেঙে গৃহে প্রবেশ করা
  2. নতুন পথ তৈরি করে প্রবেশ করা
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা 'House breaking' বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
৮৫৩.
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় কোন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. জোরপূর্বক গ্রহণ
  2. ক্ষতিসাধন বা অনিষ্টসাধন
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২০ক ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রকে (criminal conspiracy) কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন অবৈধ কাজ করতে [To do an illegal act] বা কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে to do a legal act by illegal means] সম্মত হয় তখন উক্ত ব্যক্তিরা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছে বলে গণ্য হবে।

শর্ত বা উপাদান:
১. অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দুই (২) বা ২ এর অধিক ব্যক্তি বা সদস্য থাকতে হবে;
২. যাদেরকে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে অপরাধ করার একটি সম্মতি [Agreement] থাকতে হবে;
৩. সম্মতি [Agreement] টি হতে হবে-
1. কোন অবৈধ কাজ করতে বা
II. কোন বৈধ কাজ অবৈধ উপায়ে করতে।
৮৫৪.
কোনটি ব্যভিচারের উপাদান?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি নারীর সহিত সঙ্গম করে থাকে
  2. উক্ত নারী বিবাহিত থাকে
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তি জানেন যে যৌন সঙ্গমকারী নারী অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।

⇒ Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৮৫৫.
'খ' একজন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতের নির্দেশে 'ক'-কে আইনানুগভাবে গ্রেফতার করে। এতে 'ক' প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত হয়ে 'খ' কে হত্যা করে। 'ক' পেনাল কোডের কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. ৩০০
  2. ৩০২
  3. ৩০৪
  4. ৩০৪-এ
সঠিক উত্তর:
৩০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নটি দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ১- এর উদাহরণ (গ) এ দেয়া আছে।

ব্যতিক্রম ১ এ বলা আছে-
মারাত্মক বা আকস্মিক প্ররোচনায় সংযম হারাইয়া প্ররোচনাকারীকে বা ভুলক্রমে বা দূর্ঘটনাক্রমে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে তা খুন বলে গণ্য হবে না। কিন্তু এখানে 'খ' একজন সরকারি কর্মচারী এবং সে তার দায়িত্ব পালন করেছে। এক্ষেত্রে তার হত্যা 'খুন' বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য যে,
আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের সময় আসামি কোন ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধটি করেছে, তার উল্লেখ করতে হয়। অর্থাৎ যে ধারাতে অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া আছে সে ধারা উল্লেখ করতে হয় না; যে ধারাতে অপরাধের শাস্তির উল্লেখ আছে সে ধারা উল্লেখ করতে হয়।

বর্ণিত ঘটনাটি ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী একটি খুন। আর খুনের শাস্তি (Punishment of Murder] উল্লেখ আছে ৩০২ ধারায়। সুতরাং প্রশ্নের ঘটনাটি ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
৮৫৬.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের কৃত কাজটি দণ্ডবিধির কত ধারায় বিচারযোগ্য?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৮৫৭.
গণ-উৎপাত সংঘটনের ক্ষেত্রে মামলা করতে পারে কে?
  1. সরকারি কৌসুলী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  4. যে-কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ৯১ এর বিধান জনক্ষতিকর কাজ (Public nuisances): জনক্ষতিকর কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলেও অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের লিখিত সম্মতিপ্রাপ্ত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা বা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারে নিমিত্তে মোকদ্দমা রুজু করতে পারে।
৮৫৮.
অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কাজের জন্য The Penal Code, 1860 এর ৩৩৬ ধারার অধীন, অপরাধীর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৩৬ ধারা- অন্যদের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্নকারী কার্য:
যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করে যা অতিরিক্ত বেপরোয়া বা অবহেলামূলকভাবে করা হয় এবং এতে মানবজীবন বা অন্যদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন হয়, তাকে তিন মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুইশত পঞ্চাশ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 336- Act endangering life or personal safety to others:
Whoever does any act so rashly or negligently as to endanger human life or the personal safety of others, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to two hundred and fifty taka, or with both.
৮৫৯.
নিচের কোন কাজটি দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রম অনুযায়ী মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. ব্যক্তিগত স্বার্থে মিথ্যা প্রচার করা
  2. পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
  3. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা
  4. কোনো ব্যক্তির খ্যাতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তথ্য প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশের কাছে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার অধীনে মানহানির ব্যতিক্রমগুলোর মধ্যে অষ্টম ব্যতিক্রমে বলা হয়েছে যে, কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে (যেমন: পুলিশ) সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্য বিকল্পগুলো মানহানির সংজ্ঞার আওতায় পড়ে, কারণ সেগুলো সৎ বিশ্বাসে বা জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে করা হয় না।

⇒ মানহানির সংজ্ঞা-
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারামতে, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য কথা বা চিহ্ন বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সেই ব্যক্তি-সম্পর্কিত কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করেন, তবে সেটি মানহানি হয়েছে বলে পরিগণিত হবে। উদ্দিষ্ট ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে জেনে বা সুনাম নষ্ট হতে পারে বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, যদিও কেউ নিন্দাবাদ প্রণয়ন ও প্রকাশ করেন তাহলেও সেটি মানহানি বলে গণ্য হবে।

⇒ মানহানির শাস্তি-
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, তবে ওই ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদে বিনা শ্রম কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।’ 

- তাছাড়া ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’-এর ২৯ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এমন কর্মকাণ্ড হবে একটি অপরাধ। এর জন্য তিনি অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ আইনে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়নি।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় কোন কাজগুলো মানহানি হবে সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রমের কথাও বলা হয়েছে। অর্থাৎ এই ব্যতিক্রমগুলো আইন অনুযায়ী মানহানি বলে গণ্য হবে না:
১. জনগণের কল্যাণে কারও প্রতি সত্য দোষারোপ করলে;
২. সরকারি কর্মচারীর সরকারি আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করলে;
৩. সরকারি বিষয়-সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে কোনো ব্যক্তির আচরণ নিয়ে মতপ্রকাশ করলে;
৪. আদালতের কার্যবিবরণী প্রতিবেদন প্রকাশ করা মানহানির অন্তর্ভুক্ত হবে না;
৫. যেকোনো জনসমস্যা সম্পর্কে ও কোনো ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা;
৬. আদালতে সিদ্ধান্তকৃত মামলার দোষ, গুণ বা সাক্ষীদের সম্পর্কে বা অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত দেওয়া;
৭. গণ-অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানাদি সম্পর্কে কোনো মতামত দেওয়া;
৮. কর্তৃত্বসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে সৎ বিশ্বাসে কারও সম্পর্কে অভিযোগ করা হলে সেটিও মানহানি হবে না। যেমন: পুলিশের কাছে কারও ব্যাপারে সৎ বিশ্বাসে অভিযোগ দেওয়া; 
৯. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক তার বা অন্য কারও স্বার্থ রক্ষার্থে দোষারোপ করা;
১০. জনকল্যাণের স্বার্থে সতর্ক করার উদ্দেশ্যে কারও সম্পর্কে কিছু বলা হলে।

৮৬০.
দন্ডবিধি অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?
  1. পায়ে রক্তাক্ত জখম
  2. হাতে জখম
  3. পিঠে স্থায়ী ক্ষত
  4. দাত ভেঙ্গে ফেলা
সঠিক উত্তর:
দাত ভেঙ্গে ফেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাত ভেঙ্গে ফেলা
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
৮৬১.
X সদবিশ্বাসে Y এর একটি ঘড়ি তার (X) নিজের মনে করে নিয়ে যায় এবং তা ব্যবহার করতে থাকে। X এর কৃত কাজ -
  1. অপারধ নয়
  2. চুরি
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. প্রতারণা
সঠিক উত্তর:
অপারধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারধ নয়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

♦ দন্ডবিধির ৩৭৮ ধারার উদাহরণ-৪: ক সরল মনে গ-এর সম্পত্তি নিজের সম্পত্তি বলে বিশ্বাস করে গ-এর দখল হতে নিয়ে যায়। এখানে যেহেতু ক অসাধুভাবে সম্পত্তিটি নিয়ে যায় নাই, সেহেতু সে চুরি করেছে বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ X এর কৃত কাজ অপারধ নয়।
৮৬২.
কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে, তাকে সর্বোচ্চ কী শাস্তি দেয়া যাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
  4. সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৪৯: মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ-
যে কেউ কোনো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটন করার উদ্দেশ্যে গৃহে অনধিকার প্রবেশ করলে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

Section 449: House-trespass in order to commit offence punishable with death-
Whoever commits house-trespass in order to the committing of any offence punishable with death, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৮৬৩.
'সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে'- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৮ ধারা
  4. ১৪৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারার বিধান- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
-যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-149. Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
- If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.

৮৬৪.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তি বর্ণিত আছে?
  1. চুরি
  2. ডাকাতি
  3. দস্যুতা
  4. বলপূর্বক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা- দস্যুতার সাজা:
কোনো ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

Section 392- Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৮৬৫.
দণ্ডবিধি অনুসারে কখন চোরাই মাল আর চোরাই মাল থাকে না?
  1. যখন বিক্রি করা হয়
  2. যখন পুলিশ জব্দ করে
  3. যখন আদালতে উপস্থাপন করা হয়
  4. যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
সঠিক উত্তর:
যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আইনানুগ মালিকের দখলে আসে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।
উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

৮৬৬.
'C' এর বাড়িতে আগুন লাগানোর জন্য 'B' পাগল প্রকৃতির ব্যক্তি 'A' কে বলেন এবং সে মোতাবেক 'C' এর বাড়িতে 'A' আগুন লাগায় এক্ষেত্রে-
  1. A পাগল হওয়ার কারণে তার কোন অপরাধ বা শাস্তি হবে না
  2. B প্ররোচনা দিয়েছে তাই আগুন লাগানোর দোষে দোষী হবে
  3. B এর ৪৩৬ ধারার অধীনে ক্ষতিসাধনের শাস্তি হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-৩ অনুযায়ী যখন প্ররোচিত ব্যক্তি অপরাধী না হলেও প্ররোচনাকারী অপরাধী হয়।
• অর্থাৎ অপরাধ করতে যে ব্যক্তি আইনগত অযোগ্য যেমন: নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল ব্যক্তিকে দিয়ে অপরাধ করালে যিনি উক্ত অপরাধ সংঘটিত করান তিনি দোষ কর্মের সাহায্যকারী হিসেবে দোষী হবেন।
 • ধারা ৪৩৬ এ উল্লেখ আছে যে গৃহ ইত্যাদি ধ্বংস করার অভিপ্রায়ে অগ্নি বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে অনিষ্ট সাধন।
৮৬৭.
দণ্ডবিধির ২১৬ক কোন ধরনের অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. খুনী
  2. প্রতারক
  3. ডাকাত ও দস্যু
  4. দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
ডাকাত ও দস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাত ও দস্যু
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১৬ক ধারা (Section 216A of the Penal Code, 1860) সুনির্দিষ্টভাবে "দস্যু" (robbers) এবং "ডাকাত" (dacoits) কে আশ্রয়দান বা গোপন রাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কিছু লোক ডাকাতি বা দস্যুতা করতে যাচ্ছে বা করেছে, এবং তিনি তাদের অপরাধ করতে সাহায্য করার জন্য বা শাস্তি থেকে বাঁচাতে আশ্রয় দেন, তবে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

ব্যতিক্রম: এই ধারা স্বামী বা স্ত্রীর মাধ্যমে দেওয়া আশ্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- তাই এই ধারা কেবলমাত্র: ডাকাত ও দস্যুদের আশ্রয়দাতার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত ও দস্যু।

⇒The Penal Code, 1860 – Section 216A. Penalty for harbouring robbers or dacoits:
Whoever, knowing or having reason to believe that any persons are about to commit or have recently committed robbery or dacoity, harbours them or any of them, with the intention of facilitating the commission of such robbery or dacoity, or of screening them or any of them from punishment, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
- Explanation.-For the purposes of this section it is immaterial whether the robbery or dacoity is intended to be committed, or has been committed, within or without Bangladesh. 
- Exception.–This provision does not extend to the case in which the harbour is by the husband or wife of the offender.
৮৬৮.
সর্বনিম্ন কত দিন কোন ব্যক্তিকে আটক রাখলে আটককারী ব্যক্তি অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৮৬৯.
দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মানহানি
  2. রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
  3. আঘাত
  4. রাষ্ট্রদ্রোহিতা
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ করার ক্ষেত্রে 
♦ দন্ডবিধির ১০৩ ধারামতে সম্পত্তি প্রতিরক্ষার জন্য ৪টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
i) দস্যুতা (Robbery)
ii) রাত্রি বেলায় অপথে গৃহে প্রবেশ (House-breaking by night);
iii) বাসগৃহে বা কোন সম্পত্তি রাখার স্থানে অগ্নি সংযোগ (Mischief by fire committed on any building, tent or vessel, used as a human dwelling); এবং
iv) গুরুতর আঘাত বা মৃত্যুর আশংকাযুক্ত চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশ (Theft, mischief or house - trespass, under such circumstances as may reasonably cause apprehension of death or grievous hurt)।
উপরের ৪টি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষেত্র যেমন- সাধারণ চুরি, ক্ষতি বা অনধিকার গৃহে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্মরক্ষা অধিকার প্রয়োগকালে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকারী নরহত্যা ব্যতীত অন্য যে কোন ক্ষতি করতে পারে । [ধারা-১০৪]
৮৭০.
When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to ________________.
  1. "Affray"
  2. "commit an affray"
  3. "Rioting"
  4. "Unlawful assembly"
সঠিক উত্তর:
"commit an affray"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"commit an affray"
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:

যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

___________________________________________
♦ Affray

Section 159. When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
♦ Punishment for committing affray
Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৮৭১.
ধারা ৩৭০ অনুযায়ী, দাস ব্যবসার অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তির জন্য কি ধরনের দণ্ড প্রদান করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কারাদণ্ড
  2. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. দণ্ডবিধিতে কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭০: কোন ব্যক্তিকে দাস হিসেবে ক্রয় বা বিক্রয়:
যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তিকে দাস হিসেবে আমদানি, রপ্তানি, সরানো, ক্রয়, বিক্রয় বা নিকাশ করে, অথবা কাউকে দাস হিসেবে গ্রহণ, গ্রহণ করে বা বাধ্য করে রাখে, সে ব্যক্তি সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 370- Buying or disposing of any person as a slave:
Whoever imports, exports, removes, buys, sells or disposes of any person as a slave, or accepts, receives or detains against his will any person as a slave, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৮৭২.
মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রুপান্তর করতে পারে
  2. যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  3. ২০ বৎসর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
  4. মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৫৪ ধারায় সরকারকে মৃত্যুদণ্ড মওকূফ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি বরং মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে অন্যকোন দণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেমন মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাবাস দিতে পারে।
৮৭৩.
দণ্ডবিধির ১৬০ ধারামতে মারামারির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে?
  1. ৫০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
♦ Punishment for committing affray:

Section 160. Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৮৭৪.
দণ্ডবিধির ১৪৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে মারাত্মক অস্ত্র নিয়ে "Rioting" করতে দেখা যায়, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. দুই বছরের কারাদণ্ড
  2. তিন বছরের কারাদণ্ড
  3. সাত বছরের কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ১৪৮ অনুযায়ী: "যে কেউ প্রাণঘাতী অস্ত্র বা এমন কিছু সঙ্গে নিয়ে দাঙ্গার অপরাধ করে, যা আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটাতে পারে, সে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।

⇒The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
- Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৮৭৫.
‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে, যাতে সম্পত্তি শুধু নিজে এবং ‘C’-এর মধ্যে ভাগ হয়। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. জালিয়াতি
  3. ক্ষতিসাধন
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬৩ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে, ক্ষতি করার, সম্পত্তি হস্তান্তর করানোর, বা কোনো দাবি বা অধিকার সমর্থনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন করে, তবে তা জালিয়াতি (Forgery) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪৬৪ অনুসারে, কোনো দলিলে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা জালিয়াতির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এখানে, ‘D’ ‘Z’-এর উইলে ‘B’-এর নাম মুছে ফেলে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তির ভাগ পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছে, যা ধারা ৪৬৪-এর দ্বিতীয় উপায়ে (দলিলে পরিবর্তন) জালিয়াতি।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) প্রতারণা: প্রতারণা (ধারা ৪১৫) হলো প্রতারণামূলকভাবে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর বা কাজ করতে প্ররোচিত করা। এখানে ‘D’-এর কাজ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা দলিল তৈরি বা পরিবর্তন, তাই এটি জালিয়াতি।
গ) ক্ষতিসাধন: ক্ষতিসাধন (ধারা ৪২৫) হলো সম্পত্তির ক্ষতি বা ধ্বংস করার অপরাধ। এখানে ‘D’ সম্পত্তি ধ্বংস করেনি, বরং দলিল পরিবর্তন করেছে।
ঘ) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (ধারা ৪০৫) হলো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তির অসাধু ব্যবহার। এখানে ‘D’ কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত সম্পত্তি নিয়ে কাজ করেনি।
অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬৩ এবং ৪৬৪-এর অধীনে জালিয়াতি হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) জালিয়াতি।
---------
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৪ ধারার বিধান মিথ্যা দলিল তৈয়ার করা:- নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি মিথ্যা দলিল তৈয়ার করেছে বলে পরিগণিত হয়-প্রথমত:- যদি কোন ব্যক্তি, যে ব্যক্তি দ্বারা যার প্রদত্ত ক্ষমতা বলে কোন দলিল কিংবা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বা যে সময়ে উক্ত দলিল বা উহার অংশবিশেষ প্রণীত, স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে সে জানে, অথবা সে দলিলটি বা উহার অংশবিশেষ সে ব্যক্তি দ্বারা বা তৎপ্রদত্ত ক্ষমতা বলে কিংবা সে সময়ে প্রণীত স্বাক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত কিংবা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাইবার উদ্দেশ্যে অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এইরূপ দলিল বা অংশবিশেষ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, সীলমোহরযুক্ত বা সম্পাদন করে অথবা দলিলটি সম্পাদিত হয়েছে বলে বুঝাবার জন্য কোন চিহ্ন বা প্রতীক স্থাপন করে; অথবা
দ্বিতীয়ত:- কোন দলিল তৎকর্তৃক বা অন্য কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হওয়ার পরে কোনরূপ আইনসম্মত ছাড়াই অসাধুভাবে অথবা প্রতারণামূলক ভাবে, বাতিলকরণের মাধ্যমে বা অপর কোন উপায়ে দলিলের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিবর্তন করে; দলিলটি যদি অপরাধী দ্বারা সম্পাদিত না হয়ে অপর কোন ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে, তবে এইরূপ পরিবর্তনের সময়ে সে ব্যক্তি জীবিত থাকুক অথবা পরলোকগত হোক তাতে অপরাধের কোনরূপ তারতম্য হবে না; অথবা
তৃতীয়ত:- কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে বা প্রতারণামূলকভাবে এমন কোন ব্যক্তিকে দিয়ে কোন দলিল স্বক্ষরিত, সীলমোহরযুক্ত সম্পাদিত কিংবা পরিবর্তিত করায় যে ব্যক্তি মানসিক অপ্রকৃতিস্থতা কিংবা প্রমত্ততার কারণে অথবা তাকে যেভাবে প্রতারণা করা হয়েছে তার ফলে উক্ত দলিলটির বিষয়বস্তু বা পরিবর্তনের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত নয় বলে সে জানে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তির নিজের নাম, স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন প্রকৃত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে কাল্পনিক কোন ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন অথবা কোন মৃত ব্যক্তি জীবদ্দশায় সম্পাদিত করেছিল বলে বিশ্বাস জন্মাবার অভিপ্রায়ে সে মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সম্পাদন জালিয়াতি বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ
(ক) ক চ-কে দিয়ে খ-এর প্রতিপক্ষে ১০,০০০ টাকার জন্য একটি লেটার অব ক্রেডিট লিখে নিয়ে পরে ক খ-কে ঠকাবার উদ্দেশ্যে, ১০,০০০-টাকার সাথে একটি শূন্য যোগ করে উহাকে ১,০০,০০০ টাকা করে নেয়, এই অভিপ্রায়ে যে, খ বিশ্বাস করবে যে, চ ঐরূপ লিখেছে। ক জালিয়াতি করেছে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

⇒ The Penal Code, 1860-Section 464. Making a false document:
 A person is said to make a false document:
Firstly.-Who dishonesty or fraudulently makes, signs, seals or executes a document or part of a document, or makes any mark denoting the execution of a document, with the intention of causing it to be believed that such document or part of a document was made, signed, sealed or executed by or by the authority of a person by whom or by whose authority he knows that it was not made, signed, sealed or executed, or at a time at which he knows that it was not made, signed, sealed or executed; or 
Secondly.-Who, without lawful authority, dishonestly or fraudulently, by cancellation or otherwise, alters a document in any material part thereof, after it has been made or executed either by himself or by any other person, whether such person be living or dead at the time of such alteration; or 
Thirdly.-Who dishonestly or fraudulently causes any person to sign, seal, execute or alter a document, knowing that such person by reason of unsoundness of mind or intoxication cannot, or that by reason of deception practiced upon him he does not know the contents of the document or the nature of the alteration.
Explanation 1.-A man's signature of his own name may amount to forgery.
Explanation 2.- The making of a false document in the name of a fictitious person, intending it to be believed that the document was made by a real person, or in the name of a deceased person, intending it to be believed that the document was made by the person in his lifetime, may amount to forgery.

৮৭৬.
দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৪ (Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে তাকে ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
- এই ধারা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আয়োজিত সম্পত্তির বিক্রয় বা নিলাম প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বাধা দিলে তাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত আইনি কার্যক্রমের চলমানতা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ হস্তক্ষেপ রোধ করা।
তবে, এই শাস্তির মেয়াদ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারার বিধান: সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-184. Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant:
Whoever intentionally obstructs any sale of property offered for sale by the lawful authority of any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৮৭৭.
দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার বেশি সময় আটক রাখে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ১০ দিন বা তার অধিক সময় আটকে রাখে, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ৩ বছর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারার বিধান দশ বা ততোধিক দিনব্যাপি অবৈধভাবে অবরোধ:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দশ বা ততোধিক দিনের জন্য অবৈধভাবে অবরোধ করে রাখে; তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 344. Wrongful confinement for ten or more days:- Whoever wrongfully confines any person for ten days, or more, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine.
৮৭৮.
কোন ধরনের মানসিক অবস্থার ব্যক্তির আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিলে দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. উন্মাদ ব্যক্তি
  2. নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি
  3. নির্বোধ ব্যক্তি
  4. মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন উন্মাদ ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.
৮৭৯.
'ক' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। 'ক' The Penal Code,1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৬ ধারা
  4. ১৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-
কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

৮৮০.
‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট, সরল বিশ্বাসে খ-এর বিরুদ্ধে তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে মানহানিকর অভিযোগ দায়ের করে, যা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য। দণ্ডবিধি অনুসারে এটি-
  1. মানহানি
  2. মিথ্যা ষড়যন্ত্র
  3. ক্ষমতার অপব্যবহার
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৯ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মুখে, লিখিতভাবে, চিহ্নের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগ করা মানহানি হিসেবে গণ্য। তবে, ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রম (Ninth Exception) অনুসারে, সরল বিশ্বাসে (good faith) নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার জন্য বা জনসাধারণের কল্যাণের জন্য কোনো অভিযোগ করা মানহানি নয়। এখানে, ‘ক’, একজন ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে, সরল বিশ্বাসে এবং জনসাধারণের কল্যাণের জন্য তার উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে খ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। এটি ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়।
- অর্থাৎ ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪৯৯-এর নবম ব্যতিক্রমের আওতায় পড়ে, তাই এটি কোনো অপরাধ নয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) কোনো অপরাধ নয়।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 499-Defamation:
Imputation made in good faith by person for protection of his or other’s interests
Ninth Exception.-It is not defamation to make an imputation on the character of another, provided that the imputation be made in good faith for the protection of the interest of the person making it, or of any other person, or for the public good.
Illustrations:
(a) A, a shopkeeper, says to B, who manages his business-"Sell nothing to Z unless he pays you ready money, for I have no opinion of his honesty.” A is within the exception, if he has made this imputation on Z in good faith for the protection of his own interests. 
(b) A, a Magistrate, in making a report to his own superior officer, casts an imputation on the character of Z. Here, if the imputation is made in good faith, and for the public good, A is within the exception.

৮৮১.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা অনুযায়ী, অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিগণ কীভাবে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র একজনই দোষী হবেন
  2. সবাই একই অপরাধে দোষী হবেন
  3. বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
  4. কোনো অপরাধে দোষী হবেন না
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.
৮৮২.
ডাকাতির সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. মৃত্যুদন্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদন্ড
  3. ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড
  4. কোন অপরাধ হয় নাই
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদন্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির শাস্তি:

কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:

যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে, অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৭ ধারার বিধান মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত সংঘটনের উদ্যোগ সহকারে দস্যুতা বা ডাকাতি:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি সংঘটনকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করে, অথবা কাউকে গুরুতর আঘাত করার উদ্যোগ করে, তবে যে কারাদণ্ডে অনুরূপ অপরাধকারীকে দণ্ডিত করা হবে তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।

♦দণ্ডবিধির ৩৯৮ ধারার বিধান মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় দস্যুতা বা ডাকাতি করিবার উগ্যোগ:

যদি দস্যুত বা ডাকাতি অনুষ্ঠানের উদ্যোগকালে অপরাধকারী কোন মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তবে অনুরূপ অপরাধকারী যে দণ্ডে দণ্ডিত হবে, তার মেয়াদ সাত বৎসরের কম হবে না।
৮৮৩.
Doctrine of Transfer of Malice নীতিটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৮৮৪.
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এই কাজ-
  1. খুন
  2. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  3. কোনো অপরাধ নয়
  4. প্ররোচনামূলক নরহত্যা
সঠিক উত্তর:
খুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারা- খুন:
ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

উপরোক্ত ব্যতিক্রমটি নিম্নোক্ত শর্তাবলী সাপেক্ষে:-
প্রথমত, প্ররোচনাটি কোন ব্যক্তিকে হত্যা করার বা তার ক্ষতি সাধনের অজুহাতস্বরূপ অপরাধী কর্তৃক স্বয়ং প্রার্থীত বা প্ররোচিত হতে পারবে না।
দ্বিতীয়ত, উক্ত প্ররোচনাটি আইনানুসারে কৃত কোন কার্য দ্বারা বা কোন সরকারী কর্মচারীর সরকারী কর্মচারী হিসেবে যথাযোগ্য ক্ষমতাবলীর আইনসম্মত প্রয়োগসঞ্জাত হতে পারবে না।
তৃতীয়ত, প্ররোচনা আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারের আইনসম্মত প্রয়োগক্রমে সম্পাদিত কোন কার্য পালন হতে পারবে না।

ব্যাখ্যা:- প্ররোচনাটি এমন মারাত্মক ও আকস্মিক ছিল কিনা, যার ফলে অপরাধটি খুনের শামিল হবে না, তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন।

উদাহরণ:
'চ' আইনসম্মতভাবে 'ক'-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ফলে 'ক' হঠাৎ ও আকস্মিকভাবে উত্তেজিত হয়ে 'চ'-কে হত্যা করে। এটা খুন, কেননা এটা উস্কানির ফলে একজন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক তার ক্ষমতা প্রয়োগক্রমে কৃত একটি কাজ।
৮৮৫.
দণ্ডবিধির অনুসারে প্রোপার্টি মার্ক কী ধরনের সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিভিত্তিক সম্পত্তি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৭৯ অনুসারে, প্রোপার্টি মার্ক (Property Mark) বলতে এমন চিহ্নকে বোঝায় যা চলন্ত (movable) সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চলন্ত সম্পত্তি অর্থাৎ অস্থাবর সম্পত্তি (যেমন: জিনিসপত্র, যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), যা স্থাবর (immovable) সম্পত্তির (যেমন: জমি, বাড়ি) বিপরীত।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা-৪৭৯: প্রোপার্টি মার্ক: যে চিহ্নটি অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দিষ্ট ব্যক্তির নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রোপার্টি মার্ক বলা হয়।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-479:
- Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.

৮৮৬.
A এবং B একত্রে Z কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী A বিষ সংগ্রহের জন্য B কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়। B বিষ সংগ্রহ করে A এর অনুপস্থিতিতে B ঐ বিষ Z কে পান করিয়ে তার মৃত্যু ঘটায়। এক্ষেত্রে -
  1. A কোনো অপরাধে দায়ী হবে না
  2. শুধুমাত্র B ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  3. A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
 
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।
 
দণ্ডবিধির ১০৯ থেকে ১২০ ধারা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার প্ররোচনার শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। ১০৯ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হলে শাস্তি কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে, তা ১০৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে-
 
⇒ আইনের সাধারণ নীতি হলো প্ররোচনাকারী এবং কার্য সংগঠনকারী একই শাস্তি পাবে।

⇒ কোন অপরাধের সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত থাকলে অপরাধের সহায়তাকারী উক্ত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ: A, B নামক একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে। উন্মাদ ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে। শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা দানের জন্য শাস্তি দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং এই ক্ষেত্রে A মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক দশ বৎসর মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ কোন অপরাধে সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত না থাকলে, অপরাধে সহায়তাকারি মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।

এখানে, B খুনের জন্য দায়ী হবে এবং খুনের জন্য নির্ধারিত ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, A খুনে সহায়তা করার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু খুনে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে উল্লেখ নেই। এক্ষেত্রে, A মূল অপরাধের দণ্ডধারা ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে।
৮৮৭.
ধারা ৮৮ এর অধীন কোন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে সম্মতি থাকা প্রয়োজন?
  1. অপরাধমূলক কাজ
  2. ব্যক্তিগত লাভের জন্য করা কাজ
  3. অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
  4. অন্যের অপকারের জন্য করা কাজ
সঠিক উত্তর:
অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের উপকারের জন্য করা কাজ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৮ ধারা- মৃত্যু ঘটাইবার জন্য অভিপ্রেত নহে এমন কার্য ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থ সদবিশ্বাসে সম্মতি সহকারে সম্পাদন:

যে ব্যক্তির উপকার হবে বলে আন্তরিক সদিচ্ছা বা সরল বিশ্বাস হতে কোন কাজ উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত কার্যভূত ক্ষতি স্বীকার বা ক্ষতির ঝুঁকি স্বীকারমূলক সম্মতিক্রমে, মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছাড়া উক্ত ব্যক্তির উপকারার্থে সম্পন্ন হয়-কার্যটি সম্পাদনের পর তাতে কোনরূপ ক্ষতি সাধিত হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তিনি উহাতে যে ক্ষতি করার ইচ্ছা করেছিলেন, যে ক্ষতি হওয়ার ফলে অথবা যিনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, উহাতে সম্ভবত সে ক্ষতি হতে পারে বলে জানতেন, তা হওয়ার ফলে কাজটি অপরাধ হবে না।

সহজ ভাষায়,
যদি কেউ আন্তরিকভাবে কারো উপকারের জন্য তার সম্মতি নিয়ে কোনো কাজ করে এবং সেই কাজের ফলে কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না, যদি কাজটি করার উদ্দেশ্য মৃত্যু ঘটানো না হয়। অর্থাৎ, যদি কারো ভালোর জন্য, তার সম্মতি নিয়ে, কোনো কাজ করা হয় এবং সেই কাজের ফলে দুর্ঘটনাক্রমে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে সেটিকে অপরাধ হিসেবে ধরা হবে না।

Section 88- Act not intended to cause death, done by consent in good faith for person’s benefit:
Nothing, which is not intended to cause death, is an offence by reason of any harm which it may cause, or be intended by the doer to cause, or be known by the doer to be likely to cause, to any person for whose benefit it is done in good faith, and who has given a consent, whether express or implied, to suffer that harm, or to take the risk of that harm.
৮৮৮.
কোন অভিপ্রায় থাকলে দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬ এর দায় সৃষ্টি হয়?
  1. নিজের সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
  2. রাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্য
  3. অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
  4. অন্য কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভের উদ্দেশ্য
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হওয়ার জ্ঞান বা ধারণা থাকা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ১৬৬: আইন লঙ্ঘনকারী সরকারি কর্মচারী, যার উদ্দেশ্য অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতি করা:
যে ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী হিসেবে, আইন অনুযায়ী যে ভাবে তার কর্তব্য পালন করতে হবে তা জানার পরও ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘন করে, এবং জানে বা ধারণা করে যে তার এই অমান্যতার ফলে কোনো ব্যক্তির ক্ষতি হতে পারে, সে ব্যক্তি এক বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে, অথবা উভয়ই হতে পারে।

উদাহরণ:
ক, একজন কর্মকর্তা, আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি কার্যকর করতে নির্দেশপ্রাপ্ত, যাতে খ এর পক্ষে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটাতে পারে, যদি সে সচেতনভাবে সেই নির্দেশ অমান্য করে এবং জানে যে এর ফলে খ এর ক্ষতি হতে পারে, তাহলে এ ব্যক্তি উক্ত ধারায় অপরাধ করেছেন।

৮৮৯.
নিচের কোনটি চোরাই মাল (Stolen Property)?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. বিশ্বাসভঙ্গ মূলে গৃহীত সম্পত্তি
  3. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒  Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৮৯০.
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে শাস্তিযোগ্য অপরাধে সহায়তাকরণের ফলে অপরাধ সংঘটিত না হলেও তার শাস্তি হলো-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:

- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে:- এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

----------------
♦ Abetment of offence punishable with death or imprisonment for life- if offence be not committed; if act causing harm be done in consequence:
Section 115. Whoever abets the commission of an offence punishable with death or 31[imprisonment] for life, shall, if that offence be not committed in consequence of the abetment, and no express provision is made by this Code for the punishment of such abetment, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine; 
 
and if any act for which the abettor is liable in consequence of the abetment, and which causes hurt to any person, is done, the abettor shall be liable to imprisonment of either description for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
৮৯১.
সাক্ষীর আচরণ বা মামলার ফলাফল নিয়ে মতামত দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার কোন ব্যতিক্রমে মানহানি নয়?
  1. চতুর্থ ব্যতিক্রম
  2. পঞ্চম ব্যতিক্রম
  3. ষষ্ঠ ব্যতিক্রম
  4. সপ্তম ব্যতিক্রম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ব্যতিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম ব্যতিক্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
 দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় (মানহানি) ৪টি ব্যাখ্যা আছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি  ব্যতিক্রম নিচে দেয়া হল-

১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৮৯২.
দণ্ডবিধির কত ধারা ব্যভিচার (Adultery) সম্পর্কিত?
  1. ৪৯৫ ধারা
  2. ৪৯৬ ধারা
  3. ৪৯৭ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার :- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৮৯৩.
'A' একটি সরু রাস্তার মুখে দাঁড়িয়ে 'Z'-কে বাধা দেয়, যার ফলে 'Z' ওই পথে বাজারে যেতে পারে না। 'Z' যেদিক দিয়ে এসেছে, সেদিকে ফিরে যেতে পারে। দণ্ডবিধি অনুসারে 'A'-এর অপরাধ কী?
  1. Assault
  2. Criminal force 
  3. Wrongful restraint
  4. Wrongful confinement
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wrongful restraint
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী "অবৈধ বাধাদান" (Wrongful Restraint) এর অপরাধ প্রমাণের জন্য ইচ্ছাকৃত বাধা প্রদান (voluntarily obstructs) অপরিহার্য। অপরাধটির মূল উপাদানগুলি হলো:
১. ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তিকে বাধা দেওয়া।
২. বাধাটি এমন হতে হবে যাতে ব্যক্তিটি যে দিকে যাওয়ার আইনগত অধিকার রাখে, সে দিকে অগ্রসর হতে না পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৩৯ ধারা- অবৈধ বাধা (Wrongful restraint): যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে ইচ্ছাপূর্বক এমনভাবে বাধাদান করে যার ফলে উক্ত ব্যক্তির যেদিকে যাবার অধিকার রয়েছে, এমন কোন দিকে উক্ত ব্যক্তির যাবার পথ রুদ্ধ হয়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাধাদান করেছে বলে পরিগণিত হয়।
- ব্যতিক্রম: যদি কোন লোক স্থলে বা জলে কোন বেসরকারি পথে বাধা দেওয়ার আইনসম্মত অধিকার তার রয়েছে বলে সরল মনে বিশ্বাসবশতঃ উক্ত পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, তবে তার কাজ এই ধারার অর্থের আওতায় অপরাধ হবে না।

- উদাহরণ: যে পথ অতিক্রম করার অধিকার চ-এর রয়েছে, সে পথে ক বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ক সরল মনে বিশ্বাস করে না যে, পথটি রোধ করার অধিকার তার রয়েছে। ক-এর পথ রোধের ফলে চ পথ অতিক্রম করতে অসমর্থ হয়। ক অবৈধভাবে চ-কে বাধাদান করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860-Section 339- Wrongful restraint:
Whoever voluntarily obstructs any person so as to prevent that person from proceeding in any direction in which that person has a right to proceed, is said wrongfully to restrain that person.
- Exception: The obstruction of a private way over land or water which a person in good faith believes himself to have a lawful right to obstruct, is not an offence within the meaning of this section.
Illustration: 
- A obstructs a path along which Z has a right to pass, A not believing in good faith that he has a right to stop the path. Z is thereby prevented from passing. A wrongfully restrains Z.

৮৯৪.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন (Criminal Intimidation) এর সংজ্ঞা উল্লেখ আছে কত ধারায়?
  1. ৪৯৮ ধারা
  2. ৪৯৬ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারার বিধান অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।  

⇒ উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
------------
⇒ Section 503. Criminal Intimidation:- Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

⇒ Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৮৯৫.
"আঘাত" (Hurt)-এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ৩১৯
  2. ধারা ৩২০
  3. ধারা ৩২১
  4. ধারা ৩২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ধারা ৩১৯ অনুযায়ী, “Hurt” বা আঘাত বলতে বোঝায় যে কেউ অন্য ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain), ব্যাধি (disease) বা অপরাগতা (infirmity) সৃষ্টি করে।
- এটি Hurt-এর মূল ও প্রাথমিক সংজ্ঞা, যা পরবর্তী ধারা ৩২০ (Grievous Hurt) এবং ৩২১ (Voluntarily Causing Hurt)–এর জন্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
⇒ এখানে তিনটি মূল উপাদানকে “আঘাত” হিসেবে গণ্য করা হয়:
- দৈহিক যন্ত্রণা (bodily pain)
- ব্যাধি (disease)
- অপারগতা (infirmity)
অতএব, ধারা ৩১৯-ই ‘Hurt’ বা ‘আঘাত’-এর মূল সংজ্ঞা প্রদান করে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারার বিধান: আঘাত:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 319. Hurt:- Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

৮৯৬.
দস্যুতার সদস্য যদি পাঁচ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা __________ বলে পরিণত হয়।
  1. দাঙ্গা
  2. ডাকাতি
  3. দলীয় দস্যুতা
  4. বেআইনী সমাবেশ
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা মতে যখন ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হয়ে একইসাথে কোন দস্যুতা সংঘটন করে, তখন সেই দস্যুতা ডাকাতি বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী চুরি করার উদ্দেশ্যে বা বলপূর্বক গ্রহণের সময় কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটালে, আঘাত দান করলে বা আটক করে রাখলে অথবা মৃত্যু, আঘাত বা অবৈধ বাধার তাৎক্ষণিক ভয় (instant fear) দেখানো হলে তখন তা দস্যুতা বা Robbery বলে গণ্য হবে।

⇒ দস্যুতার সর্বনিম্ন সদস্য ১ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য ৪ জন। অন্যদিকে ডাকাতির সর্বনিম্ন সদস্য ৫ জন। দস্যুতার সদস্য যদি ৫ বা ততোধিক হয় তখন দস্যুতা ডাকাতিতে পরিণত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনী সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনী সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে। অর্থাৎ দাঙ্গার সদস্যও পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি হবে।
৮৯৭.
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. দেহ
  2. খ্যাতি
  3. সম্পত্তি
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা: ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।
৮৯৮.
‘মানহানি’ বিষয়টি দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিংশ অধ্যায়
  2. একবিংশ অধ্যায়
  3. ত্রয়োবিংশ অধ্যায়
  4. ষোড়শ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
একবিংশ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবিংশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে, ‘মানহানি (Defamation)’ সংক্রান্ত বিধানসমূহ একবিংশ অধ্যায় (Chapter XXI)-এ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই অধ্যায়ের শিরোনাম: "Of Defamation"
- এটি শুরু হয় ধারা ৪৯৯ (Section 499) থেকে এবং শেষ হয় ধারা ৫০২(Section 502)-এ।

⇒ মানহানির সংজ্ঞা (Section 499): "যদি কোন ব্যক্তি কথায়, লেখা বা ইঙ্গিতে অন্য কোনো ব্যক্তির সুনামহানি ঘটায় বা এমন কিছু প্রকাশ করে যার ফলে সেই ব্যক্তির সামাজিক, পেশাগত বা নৈতিক অবস্থান ক্ষুণ্ণ হয়, তবে সেটি ‘মানহানি’ হিসেবে গণ্য হবে।"
- তবে এই ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম (Exceptions) রয়েছে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় মানহানি বলে গণ্য হবে না।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও বিষয়বস্তু:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (ধারা ৬-৫২-ক) – অপরাধ সংজ্ঞায়নের মূল শব্দাবলি।
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (ধারা ৫৩-৭৫) – মৃত্যুদণ্ড, কারাদণ্ড, জরিমানা প্রভৃতি।
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (ধারা ৭৬-১০৬) – আত্মরক্ষা, ভুল ইত্যাদি কারণে দায়মুক্তি।
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ধারা ১০৭-১২০)।
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (ধারা ১২০-ক থেকে ১২০-খ)।
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (ধারা ১২১-১৩০) – রাষ্ট্রদ্রোহ, যুদ্ধঘোষণা ইত্যাদি।
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তাদের অপরাধ (ধারা ১৬১-১৭১) ।
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ১৭১-ক থেকে ১৭১-ঝ)।
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহের বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ২৯৯-৩৭৭) – হত্যা, আহত করা, ধর্ষণ ইত্যাদি।
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (ধারা ৩৭৮-৪৬২খ) – চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা।
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (ধারা ৪৯৩-৪৯৮) – বহুবিবাহ, বৈবাহিক প্রতারণা।
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (ধারা ৪৯৯-৫০২) – মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।

৮৯৯.
কোনটি 'অনধিকার গৃহপ্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের একটি শর্ত?
  1. বৈধ অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করা
  2. শারীরিকভাবে ক্ষতি করা
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকা
ব্যাখ্যা
অনধিকার গৃহপ্রবেশ [House Trespass]:
দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা অনুযায়ী মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হলে তাকে অনধিকার গৃহপ্রবেশ বলে।

অনধিকার গৃহপ্রবেশের শর্তসমূহ:
১. অবশ্যই অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ থাকতে হবে;
২. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশটি কোন মনুষ্য বসবাসের স্থান, দালান, তাবু, বা উপাসনার স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয় এমন স্থানে হতে হবে।

শাস্তি:
৪৪৮ ধারা অনুযায়ী অনধিকার গৃহপ্রবেশের শাস্তি যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ১ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডসহ যা ১০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.

Punishment for house-trespass (Section 448):
Whoever commits house-trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯০০.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
  2. সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা
  3. ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
  4. আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:-
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেওয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।