বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা / ২৫ · ৭০১৮০০ / ২,৪৪৭

৭০১.
দণ্ডবিধির ধারা ১০৯ প্রযোজ্য হতে হলে কোন শর্তটি থাকতে হবে?
  1.  প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে
  2.  প্ররোচনাকারী ঘটনাস্থলে থাকতে হবে
  3. প্ররোচনাকারীর স্বীকারোক্তি প্রয়োজন
  4. অপরাধ পুলিশের সামনে ঘটতে হবে
সঠিক উত্তর:
 প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হতে হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো অপরাধে প্ররোচনা (Abetment) দেয় এবং সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হয়, তবে প্ররোচনাকারীকে অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হবে। এই ধারাটি তখন প্রযোজ্য হয় যখন দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা বা স্পষ্ট শাস্তির বিধান নেই।

উদাহরণ:
যদি A, B কে কোনো অপরাধ করতে প্ররোচনা দেয় এবং B সেই অপরাধটি করে, তবে A কেও B এর মতো একই শাস্তি দেওয়া হবে, যদি দণ্ডবিধিতে প্ররোচনার জন্য আলাদা শাস্তির বিধান না থাকে।

ধারা ১০৯-এর মূল ভিত্তি হলো- প্ররোচনা + সেই প্ররোচনার ফলে অপরাধ সংঘটন।

৭০২.
দণ্ডবিধির কোন অধ্যায়ে 'মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. ষোড়শ অধ্যায়
  4. বিংশ অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ অধ্যায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:
দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।
৭০৩.
বাংলাদেশী বা বিদেশী কোন নাগরিক বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজে বা বিমানে কোন অপরাধ করলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে এর বিধান আছে-
  1. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক; 
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।

♦ ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়: যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

♦ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৭০৪.
বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টির অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 124A- Sedition:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
৭০৫.
চুরির সংজ্ঞা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোনটি চুরির অপরাধ গঠনের জন্য অপরিহার্য?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য
  3. দখলকারীর সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী, চুরি সংঘটিত হওয়ার জন্য নিচের সব উপাদানগুলো একত্রে থাকতে হয়:
- অস্থাবর সম্পত্তি (Movable Property): কেবল অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয় হতে পারে।
- অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্য (Dishonest Intention): দোষী ব্যক্তির মনে থাকতে হবে অসাধু উদ্দেশ্য।
- দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত স্থানান্তর (Without Consent of Possessor): চুরি তখনই ঘটে, যখন দখলকারীর স্পষ্ট বা পরোক্ষ সম্মতি ছাড়া সম্পত্তিকে সরানো হয়।
এই তিনটি উপাদানের যেকোনো একটি না থাকলে চুরি সংঘটিত হয় না।
- তাই, এই প্রশ্নে “উপরের সবকটি” একত্রে অপরিহার্য উপাদান হিসেবে সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৭০৬.
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ
  2. প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
  3. সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি সংক্রান্ত
  4. সরকারি তহবিল আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণামূলক সম্পত্তি অপসারণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪২৪ ধারা: অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে সম্পত্তি অপসারণ বা গোপন করা:
যে ব্যক্তি অসাধু বা প্রতারণামূলকভাবে নিজের বা অন্যকারো সম্পত্তি গোপন করে অথবা অপসারণ করে, অথবা এমন কাজে সহায়তা করে যা সম্পত্তি গোপন বা অপসারণে সহায়তা করে, অথবা নিজের কোনো দাবি বা দাবির ছেড়ে দেয় যা তার অধিকারভুক্ত, তাকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly or fraudulently conceals or removes any property of himself or any other person, or dishonestly or fraudulently assists in the concealment or removal thereof, or dishonestly releases any demand or claim to which he is entitled, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৭০৭.
দণ্ডবিধির কত ধারায় "আঘাত" (Hurt) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩১৯
  2. ধারা ৩২০
  3. ধারা ৩২১
  4. ধারা ৩২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১৯
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা অনুসারে "আঘাত" (Hurt) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ব্যক্তি অন্য কাউকে শারীরিক ব্যথা, রোগ বা শারীরিক দুর্বলতা সৃষ্টি করে, তাকে "আঘাত" হিসেবে গণ্য করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 319. Hurt: - Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.
৭০৮.
‘ক’ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নকল করে তার চারিত্রিক সনদে নিজে চেয়ারম্যানের নামে স্বাক্ষর দেয়। ‘ক’ কোন অপরাধ করেছে?
  1. জালিয়াতি
  2. নকল
  3. ক্ষতি
  4. চুরি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
৭০৯.
কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে নিচের কোনটি থাকতে হয়?
  1. Mens Rea
  2. Actus Rea
  3. Res Gestae
  4. A & B Both
সঠিক উত্তর:
A & B Both
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A & B Both
ব্যাখ্যা
⇒ কোন ব্যক্তিকে ফৌজদারী অপরাধে অভিযুক্ত করতে প্রধানত ২টি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হয়।
      (i) দোষযুক্ত মন বা অপরাধী মন [Mens Rea] এবং
      (ii) দোষাবহ কার্য বা অপরাধজনক কার্য [Actus Rea]

⇒ Actus reas and Mens rea:

 ⇒
'Actus reas' এর আভিধানিক অর্থ 'দোষাবহ কার্য'। এটি অপরাধের একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান যা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করার পূর্বে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। 'Actus reas' অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তুল্য নয়; অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটা হবে নিছক একটি কার্য, যেমন- সম্পত্তি আত্মসাৎ করা চুরিরূপ কার্য এবং এর সাথে সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি- যেমন, সম্পত্তিটির মালিক ব্যতীত অন্য কেউ যুক্ত থাকবে।

⇒  “Mens rea' শব্দের অর্থ ‘অপরাধী মন বা দোষযুক্ত মন' (guilty mind).
⇒  অপরাধ সংঘটনের সময়ে আসামীর মনের অবস্থা “Mens rea' নামে পরিচিত। এটা ‘অপরাধীর দুষ্টমন' নামেও পরিচিত। একজন অপরাধী শুধু তার অপরাধজনক কার্যের জন্যই দায়ী হয় না বরং সে তার কার্যের সাথে তার অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যের জন্যই বিশেষভাবে দায়ী হয়ে থাকে। এই অপরাধী মন বা অপরাধ করার ইচ্ছাকে বলা হয় mens rea বা guilty mind.

⇒ Res Gestae বা 'একই কার্যের অংশ'- Res Gestae (রেস গেস্টাই) অর্থ হলো একই কাজের অংশ বিশেষ বা একই Transaction এ সংগঠিত অনেকগুলো ঘটনা।
⇒ অর্থাৎ কোন একটি কাজ করতে গিয়ে উক্ত কাজের ধারাবাহিকতায় অন্য যেসব কাজ করা হয় বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তা ঐ একই কাজের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে Res Gestae বলে পরিচিত।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬ থেকে ৯ এবং ১৪ ধারায় Res Gestae (রেস গেস্টাই) নীতির বিধান রয়েছে।
৭১০.
চোরাই মালের সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৪১১
  2. ৪১২
  3. ৪১০
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি

(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি

(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 

(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।


♦উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৭১১.
The Penal Code, 1860 এর কোন অধ্যায়ে সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. সপ্তম
  2. ষষ্ঠ
  3. পঞ্চম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
→ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয়, এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়। এটি ছিল দণ্ডবিধি ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন। The Penal Code, 1860 আইনে মোট অধ্যায় ২৩টি এবং মোট ধারা ৫১১টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো:
- দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা (GENERAL EXPLANATIONS);
- তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি (PUNISHMENTS);
- চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম (GENERAL EXCEPTIONS);
- পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (ABETMENT);
- পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (CRIMINAL CONSPIRACY);
- ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE STATE);
- সপ্তম অধ্যায়: সেনাবাহিনী (Army), নৌবাহিনী (Navy) এবং বিমানবাহিনী (Air Force)- সম্পর্কিত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO THE ARMY, NAVY AND AIR FORCE);
- অষ্টম অধ্যায়: সর্বসাধারণের শান্তি পরিপন্থী অপরাধ (OFFENCES AGAINST THE PUBLIC TRANQUILITY)
- নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মচারী সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS);
- নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO ELECTIONS);
- ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY);
- সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ (OFFENCES AGAINST PROPERTY);
- বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE);
- একবিংশ অধ্যায়: মানহানি (DEFAMATION);
- ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)।
৭১২.
X লাঠি হাতে নিয়ে Y কে বলে, ‘আমি তোমাকে পিটাবো।’ এর দ্বারা X এর কৃত অপরাধ ________
  1. আক্রমণ
  2. আঘাত
  3. বল প্রয়োগ
  4. আঘাতের চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩৫১ ধারায় আক্রমণের বিধান রয়েছে। যখন কোন প্রকার অঙ্গভঙ্গী বা প্রস্তুতি যা কোন অপরাধজনক বল প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে, কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অপরাধজনক বল প্রয়োগ করা হয়না তখন তাকে আক্রমণ বলে।

♦ শুধু মুখের কথার মাধ্যমে আক্রমণ হবে না, আক্রমণের ক্ষেত্রে অবশ্যই কথার সাথে অঙ্গভঙ্গি(Gesture) বা প্রস্তুতি (preparation) থাকতে হবে।

♦ উদাহরণ-৩: ক একটি ছড়ি ঘুরাইতে ঘুরাইতে চ-কে বলল, “তোমাকে পিটুনি দেব।” এখানে শুধুমাত্র ক-এর মুখের কথাগুলো আক্রমণ বলে গণ্য হবেনা, কিন্তু এখানে যেহেতু ক-এর মুখের কথাগুলোর সাথে ছুড়ি ঘুরানোর অঙ্গভঙ্গি রয়েছে, তাই ক-এর মুখের কথাগুলো এবং অঙ্গভঙ্গি মিলে তা আক্রমণ বলে গণ্য হবে।
৭১৩.
গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
  4. শুধু জরিমানা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা
ব্যাখ্যা
• ৩১৪ ধারা মতে গর্ভবতী নারীর সম্মতি ব্যতীত গর্ভপাতের ফলে গর্ভবতী নারীর মৃত্যু হলে তার শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
৭১৪.
দণ্ডবিধিতে কত প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৩ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধিতে ২ প্রকার কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং খ) বিনাশ্রম (Simple).

 দণ্ডবিধি মূলত দণ্ড সম্পর্কিত আইন, দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় শাস্তির প্রকারভেদ রয়েছে। ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

      (i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty)

      (ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life)

      (iii) কারাদণ্ড(Imprisonment) দুই প্রকার:

          ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং

          খ) বিনাশ্রম (Simple)

      (iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property)

      (v) অর্থদণ্ড (fine)

    ♦ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
৭১৫.
অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয় (Sale of noxious food drink) সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. দণ্ডবিধির ২৭৫ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৭৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ২৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকার করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানাসত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

---------------------------
♦ Section 273. Sale of noxious food or drink: - Whoever sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৭১৬.
“রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ” দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর কোন অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. পঞ্চম অধ্যায়
  2. ষষ্ঠ অধ্যায়
  3. নবম অধ্যায়
  4. নবম-ক অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

 ⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং মোট ধারা ৫১১টি।

- গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,
তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,
চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,
পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,
পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,
ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ,
নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ,
নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,
ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,
সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ,
একবিংশ অধ্যায়: মানহানি,
ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ।

৭১৭.
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ছয় মাস কারাদণ্ড
  2. এক বৎসর কারাদণ্ড
  3. তিন বৎসর কারাদণ্ড
  4. দুই বৎসর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
---------------------
⇒ Section 406. Punishment for criminal breach of trust:- Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৭১৮.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা কী ধরনের অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. চুরি
  2. আক্রমণ
  3. অপহরণ
  4. জালিয়াতি
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা "আক্রমণ" (Assault) সম্পর্কিত। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যার ফলে উপস্থিত ব্যক্তি মনে করে যে তার ওপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হতে পারে, তবে সেটি আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 351. Assault:
Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault.
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault.
Illustrations:
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৭১৯.
A "_______________" is a law applicable to a particular subject.
  1. Local law
  2. Special law
  3. Subjective Law
  4. Domestic law
সঠিক উত্তর:
Special law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special law
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৪১ ধারা মতে বিশেষ আইন:- কোন বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'বিশেষ আইন'।

♦ Section 41. "Special law":- A "special law" is a law applicable to a particular subject."

♦ দণ্ডবিধির ৪২ ধারা মতে স্থানীয় আইন:- কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকা সমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে 'স্থানীয় আইন' বলে।

♦ Section 42. "Local law":- A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৭২০.
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করতে চায়, তবে তার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. দশ বছরের কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কাউকে প্রাণনাশের ভয়, অথবা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে,
তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
সর্বনিম্ন শাস্তি: ৭ বছর কারাদণ্ড (সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে “shall not be less than seven years”),
এবং সাথে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
- যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
- Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
৭২১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী গুরুতর আঘাত কত প্রকার?
  1. ৬ প্রকার
  2. ৭ প্রকার
  3. ৮ প্রকার
  4. ৯ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------
⇒ Grievous hurt:
Section 320. The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৭২২.
'ক' একজন আসামিকে আশ্রয় দিয়েছেন, যিনি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২১২ ধারা: অপরাধীকে আশ্রয় দানের বিধান:
কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর, যদি কোনো ব্যক্তি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও বা দোষী বলে বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয় দেন, তবে নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে—

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি পাঁচ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সাধারণ কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে:
যদি অপরাধটি সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত যে কোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে আশ্রয়দাতা ব্যক্তি উক্ত অপরাধের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ব্যতিক্রম (Exception): দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৭২৩.
‘A’, ‘C’ কে হত্যা করতে ‘B’ কে প্ররোচিত করে। কিন্তু ‘B’  ‘C’ কে হত্যা করতে রাজি হয় না। ‘A’ কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. প্ররোচনার অপরাধ করেছে
  2. নৈতিক অপরাধ করেছে
  3. হত্যার চেষ্টার অপরাধ করেছে
  4. কোন অপরাধ করে নাই
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ররোচনার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা ১০৮ ব্যাখ্যা-২ অনুযায়ী প্ররোচিত কাজটি সংঘটিত না হলেও প্ররোচনার অপরাধ হবে। যে অপরাধ সংঘটনের জন্য প্ররোচনা করা হয়েছে সেই অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক শুধুমাত্র প্ররোচনা প্রমাণিত হলেই প্ররোচনাকারীকে বা দোষ কর্মের সহায়তাকারী উক্ত অপরাধের অপরাধমূলক কাজের প্ররোচনা করার জন্য দায়ী হবে। অর্থাৎ অপরাধ সংঘটিত হোক বা না হোক তাতে কিছু আসে যায় না দোষ কর্মের সহায়তার অপরাধ প্ররোচনার সাথে সাথেই সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

-------------------
♦ Abettor:
-Section 108. A person abets an offence, who abets either the commission of an offence, or the commission of an act which would be an offence, if committed by a person capable by law of committing an offence with the same intention or knowledge as that of the abettor. 
 
Explanation 1.-The abetment of the illegal omission of an act may amount to an offence although the abettor may not himself be bound to do that act. 
 
Explanation 2.-To constitute the offence of abetment it is not necessary that the act abetted should be committed, or that the effect requisite to constitute the offence should be caused.
৭২৪.
X, ইচ্ছাকৃতভাবে Y এর নাকে ঘুষি মেরে নাক ভেঙ্গে দেয়। The Penal Code,1860 এর ৩২৫ ধারায় X এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে-
  1. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা- স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত দানের (Voluntarily causing grievous hurt) শাস্তি:
কোন ব্যক্তি, যদি ৩৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে, স্বেচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করে, তবে সে ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

[Whoever, except in the case provided for by section 335, voluntarily causes grievous hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.]
৭২৫.
দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুসারে, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি বা প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা
  2. ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  3. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
  4. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে বাধা দেয় বা প্রচারে বাধা সৃষ্টি করে, তবে তার শাস্তি হবে ১ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

- তবে, যদি সমন, নোটিশ বা আদেশটি আদালতে হাজিরা বা দলিল পেশের জন্য হয়, এবং কেউ এতে বাধা দেয়, তবে তার শাস্তি হবে ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৩ ধারার বিধান সমন বা নোটিশ জারি করিতে বা লটকাইয়া দিতে বাধা দেওয়া বা লটকানোর পর উহা অপসারণ করা বা কোন হুলিয়া জারি করিতে বাধা দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক তার বা অপর কোন ব্যক্তির উপর কোন সমন, নোটিশ বা আদেশ জারি করতে ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারী কর্তৃক তার উপর বা অন্য কোন ব্যক্তির উপর অনুরূপ কোন সমন বা নোটিশ বা আদেশ জারি বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে; অথবা ইচ্ছাপূর্বক অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ কোন স্থানে আইনসম্মত ভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, অথবা ইচ্ছাপূর্বক যে স্থানে অনুরূপ সমন, নোটিশ বা আদেশ আইনসম্মতভাবে টানিয়ে বা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে সে স্থান হতে উহা অপসারিত করে। অথবা ইচ্ছাপূর্বক আইনসম্মতভাবে কোন ঘোষণা প্রচার বা প্রকাশ করার নির্দেশদানের আইনানুগ ক্ষমতাসম্পন্ন কোন সরকারি কর্মচারীর অনুমতানুসারে অনুরূপ কোন ঘোষণার আইনসম্মত প্রচার বা প্রকাশ বন্ধ করে বা বাধার সৃষ্টি করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;
- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত উপস্থিত হওয়ার কিংবা কোন আদালতে কোন দলিল পেশের নির্দেশমূলক হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 173. Preventing service of summons or other proceeding or preventing publication thereof:
Whoever in any manner intentionally prevents the serving on himself, or on any other person, of any summons, notice or order proceeding from any public servant legally competent, as such public servant, to issue such summons, notice or order,
or intentionally prevents the lawful affixing to any place of any such summons, notice or order,
or intentionally removes any such summons, notice or order, from any place to which it is lawfully affixed,
or intentionally prevents the lawful making of any proclamation, under the authority of any public servant legally competent, as such public servant, to direct such proclamation to be made,
shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both;
or, if the summons, notice, order or proclamation is to attend in person or by agent, or to produce a document in a Court of Justice, with simple imprisonment for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৭২৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার অনধিক কত বছরে হ্রাস করতে পারে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৭২৭.
কোন নারীকে বিবাহ বা যৌন সহবাস করিবার উদ্দেশ্যে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩৬৬ ধারা
  2. ৩৬৮ ধারা
  3. ৩৬৬ক ধারা
  4. ৩৬৬খ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৬ ধারার বিধান কোন নারীকে বিবাহ ইত্যাদিতে বাধ্য করার অভিপ্রায়ে অপহরণ বা হরণ বা প্রলুব্ধকরণ:- কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীকে অপহরণ করে এবং অপহরণ করার উদ্দেশ্য হয় অথবা অপহরণ করার ফলে এইরূপ হবে জানে যে, সে নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তিকে বিবাহ করতে বাধ্য করা অথবা তাকে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা অথবা তাকে জোরপূর্বক, বা ফুসলিয়ে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি তাকে অপহরণ করা হয়, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে;

এবং কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিতে বর্ণিত অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন দ্বারা অথবা ক্ষমতার অপব্যবহার দ্বারা অথবা বাধ্যতা সাধনের অপর কোন পদ্ধতি দ্বারা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে অথবা সে নারীকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অন্য কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোন স্থান হতে গমনে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তিও পূর্বোক্তরূপে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ Kidnapping or abducting or inducing woman to compel her marriage, etc.
Section 366. Whoever kidnaps or abducts any woman with intent that she may be compelled, or knowing it to be likely that she will be compelled, to marry any person against her will, or in order that she may be forced or seduced to illicit intercourse, or knowing it to be likely that she will be forced or seduced to illicit intercourse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and whoever, by means of criminal intimidation as defined in this Code or of abuse of authority or any other method of compulsion, induces any woman to go from any place with intent that she may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall also be punishable as aforesaid.
৭২৮.
অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে কী বলা হয়?
  1. Mischief
  2. House-trespass
  3. Criminal trespass
  4. Lurking house-trespass
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Criminal trespass
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৪১ অনুসারে, অন্যের দখলকৃত স্থানে অপরাধ করার অভিপ্রায়ে বা ভয় দেখানো, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করা, অথবা বৈধভাবে প্রবেশ করার পরও উক্ত উদ্দেশ্যে অবস্থান করাকে "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" (Criminal Trespass) বলা হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে এমন প্রবেশ বা অবস্থান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".

৭২৯.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৮ কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি করা
  2. সরকারি নথি জাল করা
  3. সরকারি কর্মচারীর আদেশ অমান্য করা
  4. সরকারি কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেয়া
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশ অমান্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি কর্মচারীর আদেশ অমান্য করা
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি ১৮৮ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বিধিসম্মত ঘোষিত আদেশ অমান্য করা-
যে কেউ, যদি জানে যে কোনো সরকারি কর্মচারী, যিনি আইনানুযায়ী কোনো আদেশ ঘোষণার ক্ষমতা রাখেন, তাকে (অর্থাৎ ওই ব্যক্তিকে) কোনো বিশেষ কাজ থেকে বিরত থাকতে বা তার দখলে বা তত্ত্বাবধানে থাকা কোনো সম্পত্তির বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, এবং সে ব্যক্তি সেই আদেশ লঙ্ঘন করে—

তাহলে: যদি তার এই অবাধ্যতা কোনো বৈধভাবে নিযুক্ত ব্যক্তির জন্য বাধা, বিরক্তি, ক্ষতি বা তার সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা
- ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

আর যদি এই অবাধ্যতা মানবজীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার জন্য বিপদ সৃষ্টি করে বা এর সম্ভাবনা থাকে, অথবা দাঙ্গা বা সংঘর্ষের কারণ হয় বা তার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে:
- সর্বোচ্চ ছয় মাসের যে কোনো ধরণের (সাধারণ বা সশ্রম) কারাদণ্ড, বা
- ১,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা, বা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৭৩০.
সুমন একটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চরিত্র সম্পর্কে এমন একটি বিবৃতি দিয়েছেন যা তিনি জানেন মিথ্যা এবং এতে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত হতে পারে। সুমনের শাস্তি কী হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১ছ: নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত মিথ্যা বিবৃতি:

যে কেউ, নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে, কোনো বিবৃতি যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় এবং যা সে জানে বা বিশ্বাস করে যে মিথ্যা, অথবা যা সত্য বলে বিশ্বাস করে না, এমন কোনো বিবৃতি প্রকাশ করে বা প্রকাশের উদ্যোগ নেয় যা কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত চরিত্র বা আচরণের সাথে সম্পর্কিত, তাকে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 171G- False statement in connection with an election:
Whoever with intent to affect the result of an election makes or publishes any statement purporting to be a statement of fact which is false and which he either knows or believes to be or does not believe to be true, in relation to the personal character or conduct of any candidate shall be punished with fine.
৭৩১.
দাঙ্গার ক্ষেত্রে কারা দোষী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধু অবৈধ সমাবেশের নেতা
  2. শুধু অস্ত্রধারীরা
  3. শুধু সহিংসতায় অংশগ্রহণকারীরা
  4. অবৈধ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য
সঠিক উত্তর:
অবৈধ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
- যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

৭৩২.
১৮ বছরের কম বয়সী একটি বালিকাকে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হলে, সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬৬ক ধারা- অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকা সংগ্রহ করণ:
কোন ব্যক্তি যদি যে কোন প্রকারেই হোক আঠারো বৎসরের কম বয়সী কোন অপ্রাপ্ত বয়স্কা বালিকাকে কোন স্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদনে বাধ্য করে এবং যদি তা করার উদ্দেশ্য হয়, বালিকাটিকে অপর কোন ব্যক্তির সাথে যৌন- অবৈধ সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা, অথবা তাকে অন্যভাবে অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন-সহবাসে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে বাধ্য করা হতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও তাকে কোনস্থান হতে গমনে বা কোন কাজ সম্পাদন বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 366A- Procuration of minor girl:
Whoever, by any means whatsoever, induces any minor girl under the age of eighteen years to go from any place or to do any act with intent that such girl may be, or knowing that it is likely that she will be, forced or seduced to illicit intercourse with another person shall be punishable with imprisonment which may extend to ten years and shall also be liable to fine.
৭৩৩.
দস্যু বা ডাকাতদের আশ্রয়দানের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ২১৬ক ধারামতে দস্যু বা ডাকাতদের আশ্রয়দানের শাস্তি হলো অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
৭৩৪.
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী কত জন বা তার বেশি ব্যক্তির সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে গণ্য করা হবে।
অতএব, সঠিক উত্তর: গ) ৫ জন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৭৩৫.
Which of the following is false about Section 34 of the Penal Code?
  1. it does not create a distinct offence
  2. it is only a rule of evidence
  3. it is a penal provision
  4. lays down principle of liability
সঠিক উত্তর:
it is a penal provision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
it is a penal provision
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ According to Section 34
- সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি। এটির মাধ্যমে যৌথ দায় বা Joint Liability নির্ধারন হয়। 

♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে।
সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।

♦ যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দণ্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
৭৩৬.
'Rioting' এর সংজ্ঞা পেনাল কোডের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৪১ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারা
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860: ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting

- দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায়,
যদি কোনো অবৈধ সমাবেশ বা সমাবেশের কোনো সদস্য সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করে, এবং সেটি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) বাস্তবায়নের জন্য হয়, তাহলে সেটি "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে।
৭৩৭.
Which of the following can be the subject matter of theft according to the Penal Code?
  1. Immovable property
  2. Intellectual property
  3. Movable property
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
Movable property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Movable property
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার চুরির বিধান থেকে আমরা বলতে পারি যে শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি চুরির বিষয়বস্তু হতে পারে। মেধা সম্পত্তি চুরির বিষয়ে দণ্ডবিধিতে কোন বিধান নেই।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৭৩৮.
দণ্ডবিধির ৯৭ ধারা অনুসারে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার কিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র নিজের শরীর রক্ষার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র নিজের সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
  3. শুধুমাত্র নিজের শরীর এবং ম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
  4. নিজের বা অন্যের শরীর ও সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নিজের বা অন্যের শরীর ও সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের বা অন্যের শরীর ও সম্পত্তি রক্ষার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৯৭ ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার শরীর ও সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। এই ধারা অনুযায়ী ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায় দুটি ক্ষেত্রে-
(i) অন্যের আক্রমণ হতে নিজের বা অন্যের দেহ রক্ষা করতে;
(ii) নিজের বা অন্যের সম্পত্তি রক্ষা করতে।

Section 97: Right of private defence of the body and of property:
Every person has a right, subject to the restrictions contained in section 99, to defend
Firstly.- His own body, and the body of any other person against any offence affecting the human body;
Secondly.- The property, whether moveable or immovable, of himself or of any other person, against any act which is an offence falling under the definition of theft, robbery, mischief or criminal trespass, or which is an attempt to commit theft, robbery, mischief or criminal trespass.
৭৩৯.
পেনাল কোডে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি বর্ণিত হয়েছে-
  1. ১৯১ ধারায়
  2. ১৯২ ধারায়
  3. ১৯৩ ধারায়
  4. ১৯৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ১৯১ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্যের সংজ্ঞা, ১৯২ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য সাজানোর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

♦ পেনাল কোডে্র ১৯৩ ধারায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি (Punishment for false evidence ) দেওয়া আছে : মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করার শাস্তিঃ

১) অন্য কোন ক্ষেত্রে হলে-৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদন

২) বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম হলে- ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড

ব্যাখ্যা ১:- সামরিক আদালত সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম

ব্যাখ্যা ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগী কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৭৪০.
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারামতে, কোন ব্যক্তি ___________ অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
  1. দাঙ্গার
  2. মারামারির
  3. সাধারন আঘাতের
  4. বেআইনি সমাবেশের
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৭ ধারার- দাঙ্গা করার সাজা:
কোন ব্যক্তি দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

Section 147: Punishment for rioting:
Whoever is guilty of rioting, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭৪১.
The Penal Code, 1860 এর ________ ধারায় খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে।
  1. ৩৯৪
  2. ৩৯৫
  3. ৩৯৭
  4. ৩৯৬
সঠিক উত্তর:
৩৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯৬ তে খুনসহ ডাকাতি (Dacoity with murder) এর সংজ্ঞা রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একসঙ্গে ডাকাতি করতে গিয়ে কাউকে হত্যা করে, তবে প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, বা দশ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং সাথে অর্থদণ্ডও আরোপিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান খুনসহকারে ডাকাতি:- যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 396. Dacoity with murder:- If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৭৪২.
'ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে। হঠাত কুঠারটির মাথা উঠে গিয়ে কাছে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে আঘাত করে ও তিনি নিহত হন। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে দণ্ডবিধির কত ধারা অনুসারে 'ক' এর কাজটি অপরাধ হবে না?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৮৭
  3. ধারা ৮৫
  4. ধারা ৮০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮০
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮০ ধারা- আইনানুগ কাজ সম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা:
কোন আইনানুগ কাজ আইনানুগ পদ্ধতিতে আইনানুগ উপায়ে যথোপযুক্ত সতর্কতা ও যত্নসহকারে সম্পাদন করাকালে কোন অপরাধমূলক উদ্দেশ্য বা অবগতি ছাড়া দুর্ঘটনা বা দুর্ভাগ্যক্রমে অনুষ্ঠিত কোন কিছুই অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।

উদাহরণ:
‘ক’ একটি কুঠার নিয়ে কাজ করছে, হঠাৎ তা কুঠারের মাথাটি খুলে গিয়ে উড়ে যায় এবং সন্নিকটে দণ্ডায়মান এক ব্যক্তিকে নিহত করে। এক্ষেত্রে যদি ‘ক’ এর পক্ষে যথাযথ সতর্কতার অভাব না থেকে থাকে, তাহলে তার কাজ মার্জনীয় হবে এবং অপরাধ হবে না।

Section 80- Accident in doing a lawful act:
Nothing is an offence which is done by accident or misfortune, and without any criminal intention or knowledge in the doing of a lawful act in a lawful manner by lawful means and with proper care and caution.

Illustration:
A is at work with a hatchet; the head flies off and kills a man who is standing by. Here if there was no want of proper caution on the part of A, his act is excusable and not an offence.
৭৪৩.
কোন ব্যক্তি যদি ________ কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ________ কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে গেলে, তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
  1. ১০ বছর, ১২ বছর
  2. ১৫ বছর, ১৬ বছর
  3. ১৪ বছর, ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর, ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর, ১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর, ১৬ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৭৪৪.
দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার মতে, যদি কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমার বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে সেটি কী অপরাধ বলে গণ্য হবে?
  1. ডাকাতি
  2. অপহরণ
  3. মানব পাচার
  4. হত্যার চেষ্টা
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজের সম্মতি ছাড়া, অথবা তার পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশের সীমার বাইরে পাঠানো বা নিয়ে যাওয়া হয়, তবে এটি “বাংলাদেশ থেকে অপহরণ” (Kidnapping from Bangladesh) বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্য হরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্য হরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 359.Kidnapping:
Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 360. Kidnapping from Bangladesh, etc:
Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 361. Kidnapping from lawful guardianship
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৭৪৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

- দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদণ্ড ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:-
- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশ বলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনত দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-70: Fine leviable within six years, or during imprisonment Death not to discharge property from liability:
-The fine, or any part thereof which remains unpaid, may be levied at any time within six years after the passing of the sentence, and if, under the sentence, the offender be liable to imprisonment for a longer period than six years, then at any time previous to the expiration of that period; and the death of the offender does not discharge from the liability of any property which would, after his death, be legally liable for his debts.
৭৪৬.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মারামারির (Affray) সর্বোচ্চ অর্থ দণ্ডের পরিমাণ কত?
  1. ৫০ টাকা
  2. ১০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি:
- যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান  মারামারির শাস্তি:
- কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
___________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860, Section-159:- Affray:
- When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray".
⇒ The Penal Code, 1860, Section-160: Punishment for committing affray:
- Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with a fine which may extend to one hundred taka, or with both.
৭৪৭.
The Penal Code, 1860 এর ৪২৬ ধারা অনুসারে অনিষ্ট সাধনের জন্য শাস্তি হতে পারে
  1. ২ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর  ৪২৫ ধারার বিধান হল অনিষ্টঃ কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বাহ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি ক্ষতি সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
♦The Penal Code, 1860 এর ৪২৬ ধারা মতে  অনিষ্টের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিনমাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৭৪৮.
দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) কোন উপায়ে হতে পারে?
  1. প্ররোচনা
  2. ষড়যন্ত্র
  3. ইচ্ছাকৃত সহায়তা
  4. উল্লিখিত সব উপায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব উপায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, প্ররোচনা (Abetment) তিনটি উপায়ে হতে পারে:
১) প্ররোচনা (Instigation)
২) ষড়যন্ত্র (Conspiracy)
৩) ইচ্ছাকৃত সহায়তা (Intentional Aid)
- সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সব উপায়ে।

⇒ অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা (Abetment):
অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা বলতে এমন কাজ বা কার্যক্রম বোঝায় যা অন্যকে অপরাধ করতে উসকানির মাধ্যমে সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে:
- অনুপ্রেরণা বা উসকানি (Instigation): অন্য কাউকে অপরাধ করার জন্য উদ্বুদ্ধ বা প্ররোচিত করা।
- ষড়যন্ত্র (Conspiracy): অপরাধ করার জন্য অন্য কারও সাথে গোপনে পরিকল্পনা করা।
- সহায়তা (Assistance): অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সাহায্য করা।
-  যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তখন তাকে অপরাধের সাথে সম্পর্কিত হিসেবে দণ্ডবিধির ১০৮ ধারায় প্ররোচনাকারী হিসেবে গণ্য করা হয়।
- দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যেকোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করার জন্য কাউকে প্ররোচিত করে বা অপরাধ সংঘটনের জন্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়, তবে তাকে অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনাকারী বলে গণ্য করা হবে।

উদাহরণ: যদি একজন ব্যক্তি অন্য কাউকে চুরি করতে উসকানি দেয় বা চুরির জন্য তাকে সাহায্য করে, তবে সে সেই অপরাধের জন্য দায়ী হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 Section 107: Abetment of a thing: 
- A person abets the doing of a thing, who-
Firstly.- Instigates any person to do that thing; or
Secondly.- Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly.- Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.- A person who, by wilful misrepresentation, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.
Explanation-2.- Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.

৭৪৯.
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার ভিত্তিতে, একজন ব্যক্তির কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না যদি _______ কারণে সে তার কার্যক্রমের অপরাধমূলক প্রকৃতি বুঝতে না পারে।
  1. দায়িত্বহীনতার
  2. সচেতনতার
  3. মানসিক অসুস্থতার
  4. মনোযোগহীনতার
সঠিক উত্তর:
মানসিক অসুস্থতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসিক অসুস্থতার
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৪ ধারার বিধান: অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্য:
এমন কোন ব্যক্তির কোন কার্যই অপরাধ নয়, যে ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় তার মনে অসুস্থতা বশত কাজটি যে অন্যায় অথবা আইনবিরুদ্ধ, তা বুঝতে অসমর্থ ছিল।

Section 84: Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৭৫০.
কেবল অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকা হলে, উহা অনাদায়ে সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে,
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:

এক্ষেত্রে,
⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

The Penal Code, 1860- Section-67: Imprisonment for non-payment of fine, when offence punishable with fine only:
If the offence be punishable with fine only, the imprisonment which the Court imposes in default of payment of the fine shall be simple, and the term for which the Court directs the offender to be imprisoned, in default of payment of fine, shall not exceed the following scale, that is to say, for any term not exceeding two months when the amount of the fine shall not exceed fifty taka, and for any term not exceeding four months when the amount shall not exceed one hundred taka, and for any term not exceeding six months in any other case.
৭৫১.
দণ্ডবিধি কত ধারায় সদবিশ্বাসের (Good faith) সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ৪৫
  2. ৫১
  3. ৫২
  4. ৫২ক
সঠিক উত্তর:
৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
----------------
→ The Penal Code,1860- Section 52: “Good faith”: Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৭৫২.
The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not. এটি দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১২ ধারার
  2. ১১ ধারার
  3. ১৭ ধারার
  4. ১৪ ধারার
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

♦ ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
♦ “Person” Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.
৭৫৩.
দণ্ডবিধি ১৮৬০ অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডাকাতি অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দশ বছর কারাদণ্ড
  4. সাত বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯৫ অনুসারে, ডাকাতির (Dacoity) অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এই শাস্তির পাশাপাশি অপরাধীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারার বিধান ডাকাতির সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 395. Punishment for dacoity:- Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

৭৫৪.
কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির মালিকানাধীন বলিয়া বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে বলা হয়-
  1. ট্রেড মার্ক বা পণ্য প্রতিক
  2. সম্পত্তি চিহ্ন
  3. গ্রন্থস্বত্ব
  4. 'ক' বা 'খ',
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি চিহ্ন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৭৯ ধারার বিধান সম্পত্তি চিহ্ন:- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।

⇒  Section 479. Property mark:- A mark used for denoting that moveable property belongs to a particular person is called a property mark.
৭৫৫.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া একটি অপরাধ?
  1. ১৪১ ধারা
  2. ১৪২ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কোনো সমাবেশ অবৈধ, তবুও ইচ্ছাকৃতভাবে সে সমাবেশে যোগ দেন বা সেখানে অবস্থান করেন, তবে তিনি "বেআইনি সমাবেশের সদস্য" হিসেবে গণ্য হবেন এবং অপরাধী হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 142. Being member of unlawful assembly:
Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly.
⇒ The Penal Code, 1860- Section 143. Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৭৫৬.
X, Z-এর মুখে ঘুষি মারলে তার (Z) একটি দাঁত পরে যায়। X এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. সাধারণ জখম
  2. মারাত্মক জখম
  3. ইচ্ছাকৃত জখম
  4. হত্যার প্রচেষ্টা
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের মারাত্মক বা গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে।

(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন

(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

দন্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী  X এর কৃত অপরাধ মারাত্মক জখম  বলে গণ্য হবে।
৭৫৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অর্থদণ্ড কত বছরের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করা যায়?
  1. ১ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে।

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়।
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে।
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে। অর্থাৎ আসামির মৃত্যু হলেও অর্থদণ্ড/জরিমানা মওকুফ হবে না।

♦ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:- অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৭৫৮.
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা কোন অপরাধের জন্য প্রযোজ্য?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ
  4. বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
সঠিক উত্তর:
বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।

Section 374- Unlawful compulsory labour:
(1) Whoever unlawfully compels any person to labour against the will of that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

(2) Whoever compels a prisoner of war or a protected person to serve in the armed forces of Bangladesh shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year.

Explanation- In this section the expressions "prisoner of war" and "protected person" shall have the same meaning as have been assigned to them respectively by Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Treatment of Prisoners of War of August 12, 1949, and Article 4 of the Geneva Convention Relative to the Protection of Civilian Persons in Time of War of August 12, 1949.
৭৫৯.
১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি কী?
  1. মূল কারাদণ্ডের সমান
  2. মূল কারাদণ্ডের অর্ধেক
  3. মূল কারাদণ্ডের এক তৃতীয়াংশ
  4. মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২০১ ধারা মতে, অপরাধীকে বাঁচানোর জন্য অপরাধের সাক্ষ্য নষ্ট করার শাস্তি হতে পারে-
(i) মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড ।
(ii) যাবজ্জীবন বা অন্যূন ১০ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
(iii) ১০ বছরের কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে মূল কারাদণ্ডের এক চতুর্থাংশ কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭৬০.
দণ্ডবিধির ৫২ ধারা অনুযায়ী "Good faith" এর ক্ষেত্রে কোন দুটি বিষয় অপরিহার্য?
  1. সততা এবং দ্রুততা
  2. উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
  3. সতর্কতা এবং মনোযোগ
  4. বিশ্বাস এবং অনুমান
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা এবং মনোযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা এবং মনোযোগ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে-
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

Section 52- “Good faith”:
Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.
৭৬১.
চোরাই মালের সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৪১১
  2. ৪১২
  3. ৪১০
  4. ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
৪১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১০
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-
(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
৭৬২.
দণ্ডবিধি অনুসারে- “Wrongful loss” is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is ___________.
  1. legally entitled
  2. not legally entitled
  3. in possesion of any property
  4. not in possesion of any property
সঠিক উত্তর:
legally entitled
উত্তর
সঠিক উত্তর:
legally entitled
ব্যাখ্যা
• Section 23- Wrongful loss:
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
৭৬৩.
'চ'- কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে 'ক' আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। এক্ষেত্রে 'ক' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পাবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় নয়, কিন্তু যাবজ্জীবন কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে অন্য কোন ব্যক্তিকে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে অথবা উক্ত অন্য কোন ব্যক্তি অনুরূপ অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি পূর্বোলিখিত অপরাধে কোন ব্যক্তি অপরাধী সাব্যস্ত হলে তাকে যে দণ্ডে দণ্ডিত করা যেত, সেই দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ-
মিথ্যা সাক্ষ্য কর্তৃক 'চ'-কে ডাকাতির দায়ে দণ্ডিত করার মানসে ক আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে। ডাকাতির সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডসহ বা অর্থদণ্ড ছাড়া দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড। সুতরাং 'ক' যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডসহ বা ছাড়া কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 195- Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of offence punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever gives or fabricates false evidence intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which by any law for the time being in force is not capital, but punishable with imprisonment for life, or imprisonment for a term of seven years or upwards, shall be punished as a person convicted of that offence would be liable to be punished.

Illustration-
A gives false evidence before a Court of Justice, intending thereby to cause Z to be convicted of a dacoity. The punishment of dacoity is imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, with or without fine. A, therefore, is liable to such imprisonment for life or imprisonment, with or without fine.
৭৬৪.
‘E’ একটি পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত হয় এবং সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর বিধান অনুসারে এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের জন্য অর্পিত হয়েছেন, সেই সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করলে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তর করলে তা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) হিসেবে গণ্য। এখানে, ‘E’ একজন পরিবহনকারী হিসেবে ‘Z’-এর সম্পত্তি বহনের জন্য অর্পিত ছিলেন এবং তা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করেছেন, যা ধারা ৪০৫-এর অধীনে অপরাধ। ধারা ৪০৭ অনুসারে, পরিবহনকারী হিসেবে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি হলো ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা। সুতরাং, অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
সুতরাং, ‘E’-এর অপরাধের জন্য ধারা ৪০৭ অনুসারে অপরাধের নাম অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
---------- 
⇒The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৭৬৫.
যদি কোনো ব্যক্তি জ্ঞাতসারে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেট সত্য হিসেবে ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করে তাহলে তিনি দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ১৯৪
  2. ধারা ১৯৬
  3. ধারা ১৯৮
  4. ধারা ১৯৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৮
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৯৮-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (corruptly) একটি মিথ্যা সার্টিফিকেটকে সত্য হিসেবে ব্যবহার বা ব্যবহারের চেষ্টা করে, এবং তিনি জানেন যে এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অপরাধের সমতুল্য শাস্তি (ধারা ১৯৩ অনুযায়ী) পাওয়ার যোগ্য হবেন।
→ সুতরাং, মিথ্যা সার্টিফিকেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধারা ১৯৮ প্রযোজ্য।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ১৯৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জ্ঞাতসারে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেটকে সত্য হিসেবে দুর্নীতিপূর্ণভাবে ব্যবহার করেন বা ব্যবহার করার চেষ্টা করেন, এবং ঐ সার্টিফিকেটের কোনো অংশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মিথ্যা হয়, তাহলে তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যদানের মতো শাস্তিযোগ্য হবেন।

⇒The Penal Code, 1860-Section- 198. Using as true a certificate known to be false:
 Whoever corruptly uses or attempts to use any such certificate as a true certificate, knowing the same to be false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৭৬৬.
কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি রয়েছে?
  1. ৫০৬ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৪৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৫০৯ ধারা অনুযায়ী কোন নারীর শ্লীলতাহানী বা অমর্যাদা করার উদ্দেশ্যে কোন কথা, অঙ্গভঙ্গি, বস্তু প্রদর্শন বা কোন কাজ করার শাস্তি হলো অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
• ইভ-টিজিং করার শাস্তি ৫০৯ ধারায় প্রদান করা হয়।
৭৬৭.
'ক', 'খ'- কে একটি মামলা করা হতে বিরত রাখার জন্য, 'খ'- এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভয় দেখায়। এক্ষেত্রে 'ক' কোন অপরাধের দায়ে অপরাধী হবে?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অনিষ্টসাধন
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।

Section 503: Criminal Intimidation
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
৭৬৮.
Under section 45 of penal code, Life denotes-
  1. life of human being and of an animal both
  2. Life of a living thing
  3. life of an animal
  4. life of a human being
সঠিক উত্তর:
life of a human being
উত্তর
সঠিক উত্তর:
life of a human being
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধির ৪৫ ধারার বিধান জীবন:- প্রসঙ্গে ভিন্নতর কিছু না বুঝালে 'জীবন' কথাটি কর্তৃক মানুষের জীবন বুঝাবে। 

♦ “Life” 
Section 45. The word "life" denotes the life of a human being, unless the contrary appears from the context.
৭৬৯.
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা মতে-
অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি হলো অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৭৭০.
'জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান'- The Penal Code,1860 এর কত ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ৭৭
  2. ধারা ১৯৩
  3. ধারা ২০১
  4. ধারা ১৯০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯৩
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং
কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা ১: সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
ব্যাখ্যা ২: কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩: কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায়; যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ:
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

⇒ জমির সীমানা নির্ণয়ের লক্ষ্যে যখন কোনো আদালত একজন কর্মচারী বা অফিসারকে পাঠায়, তখন সেই কর্মচারী বা অফিসারের সামনে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি দেয়, তাহলে তা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। কারণ জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আদালত কর্তৃক প্রেরিত অফিসার বা কর্মচারীর সামনে পরিচালিত তদন্তকে বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি অংশ বলে গণ্য করা হয়। এই তদন্তে যদি কেউ মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করে, তাহলে সেটা মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান হিসেবে বিবেচিত হবে। সুতরাং, জমির সীমানা নির্ণয় সংক্রান্ত আদালতের তদন্তে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।
৭৭১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি একত্রিত হলে তাদের সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৭৭২.
দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুসারে, নিম্নলিখিত কোন কাজ “বলপ্রয়োগ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. কারো সম্পত্তি চুরি করা
  2. কাউকে চিঠির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া
  3. কাউকে মৌখিকভাবে গালিগালাজ করা
  4. কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারা অনুযায়ী, “বলপ্রয়োগ” বলতে বোঝায়, “যখন কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির গতি সঞ্চার, পরিবর্তন বা স্তব্ধ করেন বা কোনো বস্তুকে এমনভাবে নাড়ান যাতে তা ঐ ব্যক্তির শরীর, তার পরিহিত বা বহনকৃত দ্রব্যের সংস্পর্শে আসে।”
- তাই কাউকে ধাক্কা দিয়ে তার গতি পরিবর্তন করা স্পষ্টভাবে “বলপ্রয়োগ” এর সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৪৯ ধারার বিধান: বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে কোন বস্তুতে এমন গতি সঞ্চার করে, বা গতি স্তব্ধ করে, যাতে উহা অপর কোন ব্যক্তির দেহের কোন অংশের সংস্পর্শে আসে, অথবা যদি সে অপর কোন ব্যক্তির পরিহিত বা বাহিত কোন দ্রব্যে অনুরূপ গতি সঞ্চার, গতি পরিবর্তন বা গতি স্তব্ধ করে, অথবা যদি সে এমন কোন বস্তুর সাথে উহা করে যা এমনভাবে সংস্থিত যে, উহার সংস্পর্শ দ্বিতীয়োক্ত ব্যক্তির অনুভব-শক্তি ব্যাহত করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রতি বলপ্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়:-
তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি গতি সঞ্চার করে, গতি পরিবর্তন করে বা গতি স্তব্ধ করে, সে ব্যক্তির গতি সঞ্চারের, গতি পরিবর্তনের বা গতি স্তব্ধকরণের পদ্ধতি নিম্নোক্ত তিনটি উপায়ের যেকোন একটি হতে হবে-
প্রথমত:- তার নিজ দেহের শক্তি প্রয়োগ করে।
দ্বিতীয়ত:- কোন বস্তু এমনভাবে ব্যবহার করে, যার ফলে তার নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির কোন কাজ ব্যতীত গতি বা গতির পরিবর্তন বা গতির স্তব্ধতা সাধিত হয়।
তৃতীয়ত:- কোন পশুকে চালিত করে গতি পরিবর্তন বা পশুটির গতি স্তব্ধ করে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860 -Section 349: Force:
- A person is said to use force to another if he causes motion, change of motion, or cessation of motion to that other, or if he causes to any substance such motion, or change of motion, or cessation of motion as brings that substance into contact with any part of that other's body, or with anything which that other is wearing or carrying, or with anything so situated that such contact affects that other's sense of feeling:
Provided that the person causing the motion, or change of motion, or cessation of motion, causes that motion, change of motion, or cessation of motion in one of the three ways hereinafter described:
Firstly. By his own bodily power.
Secondly. By disposing any substance in such a manner that the motion or change or cessation of motion takes place without any further act on his part, or on the part of any other person.
Thirdly. By inducing any animal to move, to change its motion, or to cease to move.

৭৭৩.
নিম্নলিখিত কোন কাজটি ধারা ৫০৫ক এর আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রকাশ করা
  2. সরকারি নীতির সমালোচনা করা
  3. জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা
  4. বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ক- শব্দ ইত্যাদির মাধ্যমে ক্ষতিকর কাজ:

যে কেউ-
(ক) মৌখিক বা লিখিত শব্দের মাধ্যমে, বা সংকেতের মাধ্যমে, বা দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে কিছু করে, অথবা
(খ) এমন কোনো বিবৃতি, গুজব বা প্রতিবেদন তৈরি করে, প্রকাশ করে বা প্রচার করে,
যা বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থের পক্ষে, অথবা বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে, অথবা সমাজের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ক্ষতিকর বা ক্ষতিকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৭৭৪.
"Punishment for Rape" দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৩৭৪ ধারা
  2. ৩৭৫ ধারা
  3. ৩৭৬ ধারা
  4. ৩৭৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ধর্ষণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি ধর্ষণের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, যদি না ধর্ষিত স্ত্রীলোকটি তার নিজ স্ত্রী হয় ও বারো বৎসরের কম বয়স্কা না হয়; যদি তদ্রূপ হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------------
⇒ Section 376. Punishment for rape:- Whoever commits rape shall be punished with imprisonment for life or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine, unless the woman raped is his own wife and is not under twelve years of age, in which case he shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৭৭৫.
দণ্ডবিধির ৪৯৮ ধারায় ____________ নারীদের অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে।
  1. বিবাহিতা
  2. অবিবাহিতা
  3. বিধবা
  4. সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহিতা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮- বিবাহিতা নারীকে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধ করা বা নিয়ে যাওয়া বা আটকে রাখা:

যে কেউ কোনো নারীকে, যিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী এবং যাকে সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তিনি অন্য কোনো পুরুষের স্ত্রী, সেই পুরুষ থেকে বা সেই পুরুষের পক্ষে তার দেখাশোনা করছে এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ে যায় বা প্রলুব্ধ করে, যাতে সেই নারী কোনো ব্যক্তির সাথে অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, অথবা এই উদ্দেশ্যে এমন কোনো নারীকে লুকিয়ে রাখে বা আটকে রাখে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৭৭৬.
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা দণ্ডবিধির অধীন কোন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. বলপ্রয়োগ
  2. আঘাতের চেষ্টা
  3. আক্রমণ
  4. ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারা- আক্রমণ:
কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

• উক্ত ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
⇒ কোনো ব্যক্তি যদি এমন অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করে যাতে অন্য কোনো ব্যক্তির মনে এই ভয় জাগে যে, সে তার উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করবে, তাহলে এটা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।
⇒ শুধুমাত্র কথা বলা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে কোনো ব্যক্তির কথার ভাষা এমন হতে পারে যে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতিকে আক্রমণাত্মক অর্থ দিতে পারে। তাহলে সেটা আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ ৩৫১ ধারার বিধান অনুসারে,
কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কাউকে গালিগালাজ করে এবং তার কথা ও আচরণে উদ্ধত অঙ্গভঙ্গি দেখায়, যাতে অন্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করে তাহলে তা আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

আরো কিছু উদাহরণ-
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে।

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
৭৭৭.
বাংলাদেশের আইনে কীভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. পাথর ছুড়ে
  2. ফাঁসি দিয়ে
  3. গুলি করে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারামতে কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকিবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। তবে ২০১০ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আদালত ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের (Special Powers Act, 1974) ৩৪ক ধারামতে ২ ভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে। যথা- i) ফাঁসি দিয়ে; অথবা ii) গুলি করে।
৭৭৮.
দণ্ডবিধি প্রণয়নকারী কমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
  1. মি. ম্যাকলিউড
  2. লর্ড ম্যাকুলে
  3. স্যার বার্নেস পিকক
  4. লর্ড আ্যাকল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ম্যাকুলে
ব্যাখ্যা
→ ১৮০৭ সাল থেকে দণ্ডবিধি বলবৎ (১৮৬১) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজ এ তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে ইংল্যান্ডের দণ্ডবিধি অনুসৃত হতো। অবশিষ্ট মফস্বল এলাকায় ইসলামি ফৌজদারি আইন মোতাবেক নিজামত/সার্কিট জজ/ম্যাজিস্ট্রেট বিচার ও দণ্ডবিধান করতেন।
→ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
যা নিম্নরূপ :-
i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকুলে।
ii) সদস্য- মি. ম্যাকলিউড।
iii) সদস্য-মিঃ এন্ডারসন।
iv) সদস্য-মিঃ মিলার।
→ এ কমিশন দণ্ডবিধির খসড়া প্রণয়ন করে ১৮৩৭ সালের ১৪ই অক্টোবর ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড আ্যাকল্যান্ডের নিকট পেশ করেন। যা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার বার্নেস পিকক এবং অন্যান্য বিচারপতিগণ (যারা ফোর্ট উইলিয়ম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিল)। সতর্কতার সাথে পরীক্ষা করে ১৮৫৬ সালে দণ্ডবিধির খসড়া লজেসলেটিভ কাউন্সিলে উপস্থাপিত হয়। ১৮৬০ সালে লেজিসলেটিভ কাউন্সিল আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করেন। অতঃপর ভারতে বিদ্যমান বিভিন্ন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কিছু সংশোধনী করে ১৮৬২ সালের ৬ই অক্টোবর দণ্ডবিধি পাশ হয়। যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ তারিখ আইন, দণ্ডবিধি।
→ ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর ভারতে দণ্ডবিধি নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান পেনাল কোর্ড (আইপিসি) পাকিস্তান নামের পরিবর্তন করে রাখা হয় পেনাল কোড (পিপিসি) ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ অভূদ্যয়ের পর প্রেসিডেন্ট আদেশ নং-৮ তারিখ ৩০/০৬/১৯৭৩ মূলে পাকিস্তান দণ্ডবিধি নামের পাকিস্তান শব্দটি তুলে নিয়ে এই আইনের পুনঃ নামকরণ হয় দণ্ডবিধি। এতে আছে মোট ২৩টি অধ্যায় ৫১১টি ধারা আছে।
৭৭৯.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রয়োগ করা যায় কয়টি ক্ষেত্রে?
  1. চারটি ক্ষেত্রে
  2. ছয়টি ক্ষেত্রে
  3. আটটি ক্ষেত্রে
  4. পাঁচটি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ছয়টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০ অনুযায়ী ছয়টি ক্ষেত্রে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়।
যথা:
(i) এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
(ii) এমন আক্রমণ যা গুরুতর আঘাত তৈরি করতে পারে।
(iii) ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(iv) অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ।
(v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টায় আক্রমণ।
(vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক রাখলে।
৭৮০.
‘A’ একটি দ্রব্যে নকল চিহ্ন লাগিয়ে ‘Z’-কে বিখ্যাত প্রস্তুতকারক কোম্পানির দ্রব্যে বলে বিশ্বাস করিয়ে ফাঁকি দেওয়ায় এবং ক্রয়ে প্ররোচিত করে, ‘A’ দণ্ডবিধির কত ধারায় সংজ্ঞায়িত অপরাধ করেছে?
  1. ৪০৫
  2. ৪১৫
  3. ৪১৬
  4. ৪০৩
সঠিক উত্তর:
৪১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৫
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

-  ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415.Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৭৮১.
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে?
  1. সম্মতি ব্যতিত
  2. ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায়
  3. ইচ্ছার বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারামতে ৫টি ক্ষেত্রে কোন নারীর সাথে যৌন সহবাস করলে তা ধর্ষণ বলে গণ্য হবে।
যথা
(i) ইচ্ছার বিরুদ্ধে
(ii) সম্মতি ব্যতীত
(iii) মৃত্যু বা আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি আদায় করা হলে
(iv) প্রতারণামূলকভাবে সম্মতিক্রমে (যখন নারীটি পুরুষটিকে নিজের স্বামী বলে বিশ্বাস করে) অথবা
(v) সম্মতিসহ বা ছাড়া ১৪ বছরের কম বয়স্ক নারীর সাথে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী ১৬ বছর) অর্থাৎ ১৪ বছরের কম বয়স্ক মেয়ের সাথে যৌন সহবাস করলেই তা ধর্ষণ হবে এ ক্ষেত্রে মেয়েটির সম্মতি থাকা না থাকা অপ্রাসঙ্গিক। ধারা-৩৭৫, ব্যাখ্যা (Explanation)- ধর্ষণের অপরাধের জন্য প্রয়োজনীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবেশ করাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে।
৭৮২.
দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ রাজপথে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়ে দস্যুতা করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  2. ১২ বছর কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারা অনুযায়ী সাধারণভাবে দস্যুতার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
- কিন্তু যদি দস্যুতা রাজপথে এবং সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মাঝখানে সংঘটিত হয়, তাহলে এই শাস্তির মেয়াদ চৌদ্দ (১৪) বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
- এ কারণে সঠিক উত্তর গ) ১৪ বছর কারাদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 392. Punishment for robbery:
Whoever commits robbery shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if the robbery be committed on the highway between sunset and sunrise, the imprisonment may be extended to fourteen years.
৭৮৩.
গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করা হলে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ২০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫৮- গুরুতর প্ররোচনায় আক্রমণ বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ:
যে কেউ অন্য কোনো ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত গুরুতর ও হঠাৎ প্ররোচনার কারণে সেই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুইশত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

Section 358- Assault or criminal force on grave provocation:
Whoever assaults or uses criminal force to any person on grave and sudden provocation given by that person, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one month or with fine which may extend to two hundred taka, or with both.
৭৮৪.
অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার (Cheating by personation) সংজ্ঞা সম্পর্কিত দণ্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৪১৬ ধারা
  2. ৪১৯ ধারা
  3. ৪১১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব‍্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
Cheating by personation:
Section 416. A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is. 
 
Explanation.-The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person. 
 
Illustrations 
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation. 
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
৭৮৫.
The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা
  1. স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেছে
  2. সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি
  3. কোন স্বতন্ত্র অপরাধ সৃষ্টি করেনি
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হল কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক একই উদ্দেশ্য সাধানকল্পে কৃত কার্যাবলীঃ যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকেই উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
♦The Penal Code, 1860 এর ৩৪ ধারা হলো সাক্ষ্য আইনের একটি নীতি মাত্র এবং এটা কোন স্বতন্ত্র বা মৌলিক অপরাধ সৃষ্টি করেনি।
৭৮৬.
'আইনতঃ বাধ্যবলে বা ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত কাজটি করতে বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।'- কোন উদহারনের সাথে এই বিধান সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. অসতর্কতা হেতু কুড়ালের মাথা উড়ে নিকটস্থ ব্যক্তিকে আহত করা
  2. মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে জেনেও ডাক্তার সদবিশ্বাসে রুগির অনুমতি ছাড়া অস্ত্রপচার করায় রুগি মারা গেলে
  3. সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈনিক তার উর্দ্ধতন পদস্থ কর্মকর্তার আদেশক্রমে আইনের নির্দেশ মোতাবেক জনতার উপর গুলি করেন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৭৬ ধারার বিধান- আইনবলে বাধ্য বা ভুল ধারণাবশতঃ নিজেকে আইনবলে বাধ্য বলে বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য:
যে ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনতঃ বাধ্য বলে কোন কাজ সম্পাদন করলে, অথবা আইনের কাজটি ভুল না করে ঘটনা সম্পর্কে ভুলবশত: কাজটি করতে আইনতঃ বাধ্য বলে সরল মনে বিশ্বাস করে সে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদন করলে তা অপরাধ হবে না।

উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একজন সৈনিক। সে তার উর্ধ্বতন অফিসারের নির্দেশক্রমে আইনের বিধানমতে কোন জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে। ক-এর গুলিবর্ষণ কাজ অপরাধ হবে না।
(খ) বিচারালয়ের জনৈক কর্মকর্তা 'ক' উক্ত বিচারালয় কর্তৃক ম-কে গ্রেফতার করার জন্য আদিষ্ট হয়ে এবং যথাযথ তদন্তের পর 'খ'-কে 'ম' মনে করে 'খ'-কে গ্রেফতার করেন। 'ক' কোন অপরাধ সংঘটন করেন নাই।

Section 76- Act done by a person bound, or by mistake of fact believing himself bound, by law:
Nothing is an offence which is done by a person who is, or who by reason of a mistake of fact and not by reason of a mistake of law in good faith believes himself to be, bound by law to do it.

Illustrations-
(a) A, a soldier, fires on a mob by the order of his superior officer, in conformity with the commands of the law. A has committed no offence.
(b) A, an officer of a Court of Justice, being ordered by that Court to arrest Y, and, after due enquiry, believing Z to be Y, arrests Z. A has committed no offence.
৭৮৭.
কোন ধরনের সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হলে The Penal Code, 1860 এর ৪০৩ ধারায় শাস্তি পাবে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি
  4. অস্থাবর ও স্থাবর উভয় সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩ অনুসারে,
যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের কাজে ব্যবহার করে, তবে তাকে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৭৮৮.
রফিক একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে ভারত নিয়ে যায়। রফিকের এই অপরাধ কোন ধারার অধীনে পড়বে?
  1. ৩৬০ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬২ ধারা
  4. ৩৬৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ ২ প্রকার। যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারা- বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৭৮৯.
A, Z কে হুমকি দেয় যে, তাকে টাকা না দিলে Z সম্পর্কে সে মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশ করবে। A যে অপরাধ করেছে তা-
  1. মানহানি
  2. অনিষ্টসাধন
  3. বলপূর্বক আদায়
  4. বিশ্বাস ভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৮৩ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তা দ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
৭৯০.
দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্চাকৃত আঘাত প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১০ বছর কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধি ৩৯৪ ধারার বিধান অনুযায়ী দস্যুতা সংঘটনের সময় স্বেচ্ছাকৃত আঘাত প্রদানের শাস্তি (Voluntarily causing hurt in committing robbery) হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড তদুপরি অর্থদণ্ড।
৭৯১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিচের কোনটি অপথে গৃহপ্রবেশ (House breaking) হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. সিঁধ কেটে প্রবেশ করা
  2. তালা ভেঙে প্রবেশ করা
  3. আক্রমণ বা ভয় দেখিয়ে প্রবেশ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা House breaking বলে গণ্য হবে। যথা-

i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।

অর্থাৎ, সিঁধ কেটে, তালা ভেঙে বা আক্রমণ/ভয় দেখিয়ে যেকোনো প্রবেশকেই অপথে গৃহপ্রবেশ বলা হয়।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-445: House-breaking: A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly.-If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass.
Secondly.-If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 
Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 
Fourthly.-If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 
Fifthly.-If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 
Sixthly.-If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 
Explanation.-Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
৭৯২.
প্রতারণা (Cheating) কি?
  1. অসাধুভাবে কারো নিকট কোনো সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করা
  2. ছলনার মাধ্যমে কারো দেহ, মন বা সম্পত্তির ক্ষতি করা
  3. অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Cheating:
Section 415. Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat". 
 
Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৭৯৩.
নিচের কোন ধারায় ‘বলপূর্বক গ্রহণ’’ (Extortion) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৪৮৩
  2. ৩৮৩
  3. ২৮৩
  4. ৩৮৯
সঠিক উত্তর:
৩৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮৩
ব্যাখ্যা
- দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে।
- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
৭৯৪.
'ক' একটি ছুরি ঘুরাতে ঘুরাতে 'চ'-কে বলিল, "তোমাকে কুপিয়ে দেব।" এবং 'চ' এর দিকে দৌড়ে যায়। 'চ' এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও 'ক' এই কাজ করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর অপরাধ-
  1. বলপ্রয়োগ করেছে।
  2. আক্রমণ করেছে।
  3. অপরাধমূলক ক্ষতি করেছে।
  4. আঘাত করেছে।
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ করেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ করেছে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান  আক্রমণ:- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।
উদাহরণ
(ক) ক, চ-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে চ যাতে বিশ্বাস করে যে ক তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই ক তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে। ক আক্রমণ করেছে। 

(খ) ক একটি হিংস্র কুকুরের মুখ বন্ধনী খুলতে শুরু করে। চ যাতে বিশ্বাস করে যে, ক কুকুরটিকে দিয়ে তাকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যেই কুকুরটির মুখ বন্ধনী খুলে দিচ্ছে, এই উদ্দেশ্যেই, অথবা চ এইরূপ বিশ্বাস করতে পারে জানা সত্ত্বেও ক এই কাজ করে। ক-চ এর উপর আক্রমণ করেছে।

(গ) ক একটি লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে চ-কে বলিল, "তোমাকে পিটুনি দেব।" এখানে যদিও কেবল ক-এর ব্যবহৃত কথাগুলি কোনক্রমেই আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে না, এবং যদিও অপর কোন অনুষঙ্গ ব্যতীত কেবল ক-এর অঙ্গভঙ্গি আক্রমণতূল্য নয়, তবুও অঙ্গভঙ্গি ও তার আনুষঙ্গিক ব্যাখ্যামূলক কথাগুলি মিলিয়ে আক্রমণ বলে পরিগণিত হবে।
-----------
Assault:
Section 351. Whoever makes any gesture, or any preparation intending or knowing it to be likely that such gesture or preparation will cause any person present to apprehend that he who makes that gesture or preparation is about to use criminal force to that person, is said to commit an assault. 
 
Explanation.- Mere words do not amount to an assault. But the words which a person uses may give to his gestures or preparation such a meaning as may make those gestures or preparations amount to an assault. 
 
Illustrations 
(a) A shakes his fist at Z, intending or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that A is about to strike Z. A has committed an assault. 
(b) A begins to unloose the muzzle of a ferocious dog, intending, or knowing it to be likely that he may thereby cause Z to believe that he is about to cause the dog to attack Z. A has committed an assault upon Z. 
(c) A takes up a stick, saying to Z, "I will give you a beating". Here, though the words used by A could in no case amount to an assault, and though the mere gesture, unaccompanied by any other circumstances, might not amount to an assault, the gesture explained by the words may amount to an assault.
৭৯৫.
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারার অধীনে কোন বিধানটি সঠিক?
  1. শুধুমাত্র প্রধান অপরাধীই দায়ী হবে
  2. যিনি অপরাধে অংশগ্রহণ করেননি তিনি দায়ী হবেন না
  3. অপরাধে সহযোগীতাকারী ব্যক্তিও দায়ী হবে
  4. শুধুমাত্র অপরাধ সংঘটনের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধে সহযোগীতাকারী ব্যক্তিও দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধে সহযোগীতাকারী ব্যক্তিও দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা- যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:

যখন কতিপয় কার্যের মাধ্যমে অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, তখন কেউ কতিপয় কাজের মধ্যে একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা করলে উক্ত সহযোগীতাকারী ব্যক্তি অন্য অপরাধীদের সাথে যৌথভাবে সমান দায়ী হবে। অর্থাৎ, একই অভিপ্রায় বিদ্যমান না থাকলেও একজন অপরাধীর কাজ যদি অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তাহলে উভয়ই দায়ী হবে।
[When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.]

যেমন- ক ও খ পৃথকভাবে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাত্রায় বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ- কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। ফ-এর প্রতি অনুরূপভাবে প্রযুক্ত কতিপয় মাত্রা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ-এর মৃত্যু হয়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাপূর্বকভাবে খুন সংঘটনে সহযোগিতা করে এবং তারা প্রত্যেকেই এইরূপ একটি কার্য সম্পাদন করে যা দ্বারা মৃত্যু সংঘটিত হয়। সুতরাং যদিও ক ও খ এর কার্যসমূহ স্বতন্ত্র তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
৭৯৬.
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১২১ ধারায় বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করলে সেই ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

এই ধারায় মূলত ৩টি ভিন্ন ভিন্ন কার্যকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:
১. যুদ্ধ ঘোষণা করা (Waging war);
২. যুদ্ধ ঘোষণার চেষ্টা করা (Attempting to wage war);
3. যুদ্ধ ঘোষণা করতে সহায়তা করা বা প্ররোচিত করা (Abetting the waging of war)।
৭৯৭.
একজন বিকৃত মস্তিষ্কের ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুসারে অপরাধ সংঘটিত হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, কোনো ব্যক্তি যদি "বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে" তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে নিয়ে যায়, তবে তা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব থেকে মনুষ্যহরণ বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
যথা:
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

৭৯৮.
বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির বয়সসীমা কত?
  1. পুরুষ ও নারী উভয় ১৮ বছর
  2. পুরুষ ১৪ বছর এবং নারী ১৬ বছর
  3. পুরুষ ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর
  4. কোন বয়স সীমা নেই
সঠিক উত্তর:
কোন বয়স সীমা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন বয়স সীমা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান  মনুষ্যহরণ:- মনুষ্যহরণ দুই প্রকারের:- বাংলাদেশ হতে মনুষ্যহরণ এবং আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ Section 359. Kidnapping:-Kidnapping is of two kinds; kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান  বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
⇒ অর্থাৎ বাংলাদেশ হইতে মনুষ্য হরণকৃত ব্যক্তির কোন বয়স সীমা নেই।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় "আইনসম্মত অভিভাবক" বলতে অনুরূপ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা অপর ব্যক্তির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইনতঃ ভারপ্রাপ্ত যেকোন ব্যক্তিকেও বুঝাবে।

ব্যতিক্রম:- যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোন অবৈধ সন্তানের পিতা বলে বিশ্বাস করে অথবা যে ব্যক্তি নিজেকে অনুরূপ শিশুর আইনসম্মত রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে সরলমনে বিশ্বাস করে, সে ব্যক্তি কোন অবৈধ বা বেআইনী উদ্দেশ্যে অনুরূপ কাজ না করলে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না।
-------------------
⇒ Section 360. Kidnapping from Bangladesh:-Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ Section 361. Kidnapping from lawful guardianship: Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.

Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৭৯৯.
দণ্ডবিধির কত ধারায় চোরদের দলে থাকার সাজার বিধান রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৪০২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০১ ধারার বিধান: চোরদের দলে থাকার সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাস হওয়ার পরবর্তী কোন সময়ে এমন কোন ভ্রাম্যমান বা অপর কোনরূপ দলে থাকে, যে দলের ব্যক্তিরা বরাবর চুরি বা দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে পরস্পর সংঘবদ্ধ এবং যদি উহা ঠগদের বা ডাকাতদের দল না হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ Section 401. Punishment for belonging to gang of thieves:- Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to any wandering or other gang of person, associated for the purpose of habitually committing theft or robbery, and not being a gang of thugs or dacoits, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine. 
৮০০.
Chapter V of The Penal Code deals with-
  1. CRIMINAL CONSPIRACY
  2. PUNISHMENTS
  3. ABETMENT
  4. GENERAL EXCEPTIONS
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ABETMENT
ব্যাখ্যা
 ⇒ Chapter V of The Penal Code deals with-ABETMENT.

 ⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০ আইনে মোট অধ্যায় ২৩ টি এবং দণ্ডবিধির মোট ধারা ৫১১ টি (মূল দণ্ডবিধিতে ৪৮৮টি ধারা ছিল)।

  ⇒ গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যায়ের নাম:

দ্বিতীয় অধ্যায়: সাধারণ ব্যাখ্যা সমূহ,(GENERAL EXPLANATIONS)

তৃতীয় অধ্যায়: শাস্তি,(PUNISHMENTS)

চতুর্থ অধ্যায়: সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ,(GENERAL EXCEPTIONS)

পঞ্চম অধ্যায়: অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা,(ABETMENT)

পঞ্চম-ক অধ্যায়: অপরাধ মূলক ষড়যন্ত্র,(CRIMINAL CONSPIRACY)

ষষ্ঠ অধ্যায়: রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ, (OFFENCES AGAINST THE STATE)

নবম অধ্যায়: সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES BY OR RELATING TO PUBLIC SERVANTS)

নবম-ক অধ্যায়: নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES RELATING TO ELECTIONS)

ষোড়শ অধ্যায়: মানবদেহ সংক্রান্ত অপরাধ,(OFFENCES AFFECTING THE HUMAN BODY)

সপ্তদশ অধ্যায়: সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,  (OFFENCES AGAINST PROPERTY)

বিংশ অধ্যায়: বিবাহ সংক্রান্ত অপরাধ, (OFFENCES RELATING TO MARRIAGE)

একবিংশ অধ্যায়: মানহানি, ( DEFAMATION)

ত্রয়োবিংশ অধ্যায়: অপরাধ সংগঠনের উদ্যোগ। (ATTEMPTS TO COMMIT OFFENCES)