বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Penal Code, 1860

মোট প্রশ্ন২,৪৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Penal Code, 1860

PrepBank · পাতা ১০ / ২৫ · ৯০১১,০০০ / ২,৪৪৭

৯০১.
একজন ডাক্তার রোগীকে জানালেন যে তার মৃত্যু আসন্ন। রোগী শোকে মারা গেল। দণ্ডবিধি অনুসারে ডাক্তারের বিরুদ্ধে কী করা হবে?
  1. তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন
  2. তিনি নির্দোষ হবেন
  3. তাকে জরিমানা দিতে হবে
  4. তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলা হবে
সঠিক উত্তর:
তিনি নির্দোষ হবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি নির্দোষ হবেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কারও মঙ্গলার্থে সৎ উদ্দেশ্যে কোনো তথ্য জানিয়ে দেন এবং এতে কোনো ক্ষতি হয়, তবে এটি অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ডাক্তারের উদ্দেশ্য যদি রোগীকে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করা হয় এবং এটি যদি তিনি সৎ উদ্দেশ্যে ও মঙ্গলের জন্য করেন, তাহলে এটি অপরাধ হবে না, যদিও রোগী এতে শোকে মারা যান।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৯৩ অনুসারে, সদিচ্ছায় (good faith) এবং ব্যক্তির মঙ্গলের জন্য প্রদত্ত কোনো তথ্য বা পরামর্শ যদি কোনো ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
- এই ক্ষেত্রে, ডাক্তার সদিচ্ছায় রোগীকে তার আসন্ন মৃত্যুর বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন।
- রোগীর মৃত্যু শোকে হলেও ডাক্তারের উদ্দেশ্য ছিল রোগীকে সতর্ক করা বা প্রস্তুত করা, যা কল্যাণকর।
তাই, দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাক্তার নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

⇒ ধারা ৯৩-এর উদাহরণে (Illustration) বলা হয়েছে:
"A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence."
(একজন ডাক্তার সদিচ্ছায় রোগীকে জানান যে সে বাঁচবে না। রোগী শোকে মারা গেলেও ডাক্তার কোনো অপরাধ করেননি।)
সুতরাং, ডাক্তার নির্দোষ।
৯০২.
অবৈধ সমাবেশের কোনো সদস্য যদি সম্মিলিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তাহলে তা কী বলে গণ্য হবে?
  1. হরতাল
  2. দাঙ্গা
  3. ডাকাতি
  4. মারামারি
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৪৬ থেকে ১৪৮ ধারা "দাঙ্গা" (Riot)-এর সংজ্ঞা ও শাস্তি নির্ধারণ করে। ১৪৬ ধারা অনুযায়ী, ৫ জন বা তার বেশি লোক যদি অবৈধভাবে একত্রিত হয়ে সামূহিক উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তাহলে তা দাঙ্গা হিসেবে গণ্য হয়। অবৈধ সমাবেশ বলতে এমন একটি জমায়েতকে বোঝায় যা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ বা শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা সৃষ্টি করে।

ধারা ১৪৬ (Rioting):
"Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting."
- অর্থাৎ, যদি অবৈধ সমাবেশের কোনো সদস্য সম্মিলিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা করে, তবে তা “দাঙ্গা” (Rioting) হিসেবে গণ্য হবে।

- দাঙ্গার শাস্তি: দাঙ্গার অপরাধে অংশগ্রহণকারীদের ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় শাস্তি হতে পারে (১৪৭ ধারা)। নেতৃত্বদানকারীদের শাস্তি আরও কঠোর (১৪৮ ধারা)।

৯০৩.
'Special law prevails over general law' এই নীতি দণ্ডবিধির কোন ধারায় প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা

The Penal Code, 1860 এর ধারা ৫: এই আইনে কিছু বিশেষ আইন প্রভাবিত হবে না:
এই আইনের কোনো কিছুই এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যে, তা প্রজাতন্ত্রের (রাষ্ট্রের) সেনা, নৌ বা বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, সৈনিক, নাবিক বা বিমানকর্মীদের বিদ্রোহ (mutiny) বা পলায়ন (desertion) সম্পর্কিত শাস্তির জন্য প্রণীত কোনো আইনকে রদ, পরিবর্তন, স্থগিত বা প্রভাবিত করবে।

এছাড়াও, কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইন এই আইনের দ্বারা প্রভাবিত হবে না

৯০৪.
‘ক’ জানত তার স্বামী খুন করেছে। সে তাকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার জন্য লুকিয়ে রাখে। এই অবস্থায় ‘ক’ সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. কোনো দণ্ড হবে না
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো দণ্ড হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় বলা হয়েছে— অপরাধীকে আশ্রয় দিলে বা লুকিয়ে রাখলে শাস্তি হবে। কিন্তু যদি অপরাধীকে তার স্বামী বা স্ত্রী আশ্রয় দেয় বা লুকিয়ে রাখে, তাহলে এ ধারা প্রযোজ্য হবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারায় অপরাধীকে আশ্রয় বা লুকিয়ে রাখার জন্য শাস্তির বিধান আছে। তবে, যদি দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী তাকে আশ্রয় দেন, তবে তারা ২১২ ধারায় দণ্ডিত হবেন না।
যদি দোষী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে আশ্রয়দাতা পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যাবজ্জীবন বা দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে, দণ্ডিতের জন্য শাস্তি তিন বছর পর্যন্ত। দশ বছরের নিচে এক বছর পর্যন্ত দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত হলে, দণ্ডের সর্বাধিক মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।
এই ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় যে কোনো কাজ বোঝানো হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলেও দণ্ডনীয় হবে। তবে, দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যদি তাকে আশ্রয় দেন, তাহলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না। 

- দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান দোষী ব্যক্তিকে আশ্রয় দান করা:- কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-
দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:
- যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সেই অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার 'অপরাধ' বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

⇒ ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
--------
⇒ Exception. This provision shall not extend to any case in which the harbour or concealment is by the husband or wife of the offender.

৯০৫.
দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধর্ষণ
  2. ব্যভিচার
  3. নারী পাচার
  4. যৌন হয়রানি
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যভিচার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০-এর ৪৯৭ ধারা "ব্যভিচার" (Adultery) সংক্রান্ত। এই ধারায় বলা হয়েছে যদি কোনো পুরুষ অপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে,
→ তার স্বামীর সম্মতি বা সমর্থন ছাড়া যৌন সঙ্গম করে
→ এবং তা ধর্ষণের পর্যায়ে না পড়ে,
→ তবে এটি ব্যভিচার হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের শাস্তি:৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
- মেয়েটিকে (স্ত্রীকে) এই অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত করা যাবে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার বিধান ব্যভিচার:
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির স্ত্রী অথবা যাকে সে অন্য কোন ব্যক্তির স্ত্রী বলে জানে বা তার অনুরূপ বিশ্বাস করার কারণ আছে এমন কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত অন্য ব্যক্তির সম্মতি ও সমর্থন ছাড়া এইরূপ যৌন সঙ্গম করে যা নারী ধর্ষণের সামিল নয়, তবে সে ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধের জন্য দোষী হবে এবং তাকে ৫ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
- অনুরূপ ক্ষেত্রে স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না।
-------------
⇒The Penal Code, 1860, Section 497. Adultery:- Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he knows or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
In such case the wife shall not be punishable as an abettor.
৯০৬.
“অসুস্থ, রোগাক্রান্ত বা দৈহিকভাবে অপারগ ব্যক্তিকে আঘাত করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তা নরহত্যা বলে গণ্য হবে”—এটি দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার কোন ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ব্যাখ্যা–১
  2. ব্যাখ্যা–২
  3. ব্যাখ্যা–৩
  4. ব্যাখ্যা–৪
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা–১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা–১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-১-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।”
- অতএব, একজন মুমূর্ষু, গুরুতর অসুস্থ বা দুর্বল ব্যক্তিকে আঘাত করে তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করলে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে গণ্য হবে – এই বিধানটি শুধুমাত্র ব্যাখ্যা-১-এর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

- ব্যাখ্যা (Explanation)-৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

৯০৭.
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ পাওয়া সত্ত্বেও তাতে অংশগ্রহণ করলে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশে যোগ দেয় বা তাতে অবস্থান করে এবং আইনসম্মতভাবে সমাবেশটি ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে।
এই অপরাধের জন্য শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনি সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:
কোন বেআইনি সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনি সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনি সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
---------- 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:
Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯০৮.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে কী বিবেচনা করা হয়?
  1. শিশুটির আর্থিক অবস্থা
  2. শিশুটির শারীরিক অবস্থা
  3. শিশুটির পরিবারের অবস্থা
  4. শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
সঠিক উত্তর:
শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুটির মানসিক পরিপক্কতা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারা অনুসারে, ৯ থেকে ১২ বছর বয়সের শিশুর ক্ষেত্রে মানসিক পরিপক্কতা বিবেচনা করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, ৯ থেকে ১২ বছরের মধ্যে যেসব শিশু তাদের মানসিক পরিপক্কতা অর্জন করেনি, অর্থাৎ তারা তাদের কর্মের প্রকৃতি এবং পরিণতি বিচার করতে অক্ষম, তাদের কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।
অর্থাৎ, এই বয়সের শিশু যদি তার কাজের প্রকৃতি বা পরিণতি সম্পর্কে সচেতন না থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে না।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections- 84. Act of a person of unsound mind:
Nothing is an offence which is done by a person who, at the time of doing it, by reason of unsoundness of mind, is incapable of knowing the nature of the act, or that he is doing what is either wrong or contrary to law.
৯০৯.
'সরল মনে অপরাধী তার আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে আইনপ্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে কেউকে হত্যা করলে, উক্ত হত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না।'- কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২৯৯
  2. ৩০০
  3. ৩০১
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:

ব্যতিক্রম ১: যেক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন পরিগণিত হবে না :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি মারাত্মক ও আকস্মিক প্ররোচনার ফলে অপরাধী আত্ম-সংযমশক্তি হারাইয়া ফেলে এবং যে ব্যক্তি প্ররোচনা দান করেছে, সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় অথবা ভুলক্রমে বা দুর্ঘটনাক্রমে অপর কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ২: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধী সরল মনে তার আত্মরক্ষার অথবা সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগক্রমে তাকে আইন প্রদত্ত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং যার বিরুদ্ধে সে এই অধিকার প্রয়োগ করে, কোনরূপ পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত অথবা অনুরূপ অধিকার রক্ষার জন্য যতটুকু ক্ষতিসাধন করা আবশ্যক, তদপেক্ষা বেশি ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা ব্যতিরেকে, তার মৃত্যু ঘটায়।

ব্যতিক্রম ৩:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি দোষী একজন সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারীর সহায়তাকারী হিসেবে তাকে প্রদত্ত আইনানুগ ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে এবং এমন একটি কাজ সম্পাদন করে মত্যু ঘটায়, যা সে অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার জন্য আবশ্যকীয় ও আইনসম্মত বলে সরল মনে বিশ্বাস করে এবং সে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে তার প্রতি কোনরূপ দুরভিসন্ধি ছাড়াই কার্যটি করে।

ব্যতিক্রম ৪ :- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি অপরাধটি কোন আকস্মিক বিবাদের সময় আকস্মিক উত্তেজনার কারণে কোনরূপ পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই সংঘটিত হয় এবং অপরাধী কোন অন্যায় সুযোগ গ্রহণ না করে থাকে অথবা নিষ্ঠুরভাবে বা অস্বাভাবিকভাবে কার্য না করে থাকে।
ব্যাখ্যা:- এইরূপ ক্ষেত্রে কোন পক্ষ প্রথম উস্কানি দেয় বা প্রথম আঘাত করে, তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়।

ব্যতিক্রম ৫:- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুনের সামিল হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বৎসরের উর্ধ্ব বয়স্ক হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
৯১০.
দণ্ডবিধির ধারা ১৭০ অনুসারে, সরকারি কর্মচারীর ভান করে কোনো কাজ করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭০ অনুসারে, যে কেউ জেনেশুনে এমন কোনো সরকারি কর্মচারীর পদে থাকার ভান করে, যে পদে তিনি নেই, অথবা অন্য কোনো ব্যক্তির পদে থাকার ভান করে এবং এই ভান করে কোনো কাজ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তিনি যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত, জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান: ভুয়া সরকারী কর্মচারী বলিয়া পরিচয় দেওয়া:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম করাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
--------
⇒ The Penal Code,1860, Section-170: Personating a public servant:
- Whoever pretends to hold any particular office as a public servant, knowing that he does not hold such office or falsely personates any other person holding such office, and in such assumed character does or attempts to do any act under colour of such office, shall be punished with imprisonment of either description, for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯১১.
অসাধুভাবে তথ্য গোপনকরণ নিম্নের কোন বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. অনৈতিক প্রভাব
  3. প্রতারণা
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
------------
Section 415. Cheating
 Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".

Explanation. A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৯১২.
'ক' একটি ঝোপের আড়ালে 'গ' আছে বলে জ্ঞাত আছে। 'খ' এটা জানে না। 'ক', 'গ'- এর মৃত্যু ঘটার আশংকা আছে জেনে 'খ'-কে ঐ ঝোপের প্রতি গুলি ছোঁড়ার জন্য প্রবৃত্ত করে। 'খ' গুলি ছোঁড়ে ও 'গ'-কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
  2. 'খ' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে
  3. 'ক' এবং 'খ' কেউ শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করে নি
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ে শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
সঠিক উত্তর:
'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯৯- শাস্তিযােগ্য নরহত্যা:
কোন লােক যদি কোন কার্যের সাহায্যে মৃত্যু ঘটানাের লক্ষ্য নিয়ে মৃত্যু ঘটায় বা দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটানাের লক্ষ্য নিয়ে কৃত কোন কার্যের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটায় বা যে কার্য মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জ্ঞাত আছে, সে কার্যের মাধ্যমে মৃত্যু ঘটায়, তা হলে সে লােক শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ অনুষ্ঠান করেছে বলে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ-
ক) ক কোন কুপের মুখে কাণ্ডাদি ও ঘাসের ফরাস পাতে এই উদ্দেশ্যে যে, তাতে মৃত্যু ঘটতে পারে বা তাতে যে মৃত্যু ঘটতে পারে, তা জ্ঞাত হয়েও সে তা করে। খ ঐ স্থান মজবুত বলে বিশ্বাস করে এর উপর দিয়ে চলতে থাকে ও এর ভিতর পড়ে যায় ও‌ নিহত হয়। ক শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

খ) 'ক' একটি ঝোপের আড়ালে 'গ' আছে বলে জ্ঞাত আছে। 'খ' এটা জানে না। 'ক', 'গ'-র মৃত্যু ঘটায় ইচ্ছায় বা এতে 'গ'-র মৃত্যু ঘটিবার আশংকা আছে জেনে 'খ'-কে ঐ ঝোপের প্রতি গুলি ছোড়ার জন্য প্রবৃত্ত করে। 'খ' গুলি ছোঁড়ে ও 'গ'-কে হত্যা করে। এক্ষেত্রে 'খ' কোন অপরাধের জন্য অপরাধী না হতে পারে, কিন্তু 'ক' শাস্তিযােগ্য নরহত্যার অপরাধ করেছে।

গ) ক একটি মুরগী হত্যা ও চুরি করার উদ্দেশ্যে মুরগিটির প্রতি গুলি ছোঁড়ে, কিন্তু‌ ঝোপের অপর পাশে থাকা ‘খ' গুলি বর্ষণের কারণে মারা যায়, যা 'ক' জানত না। এইক্ষেত্রে যদিও ‘ক’ একটি বেআইনি কার্য করতেছিল, তবুও সে শাস্তিযােগ্য নরহত্যার সংগঠন করেছে বলে পরিগণিত হবে না, কেননা সে খ-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি ছােড়ে নাই বা এমন কোন কার্য করে মৃত্যু ঘটানাের অভিপ্রায় করে নি, যা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে তার জানা ছিল।

ব্যাখ্যা ১-
যে লােক অসুস্থতা, ব্যাধি বা দৈহিক বৈকল্যে ভুগছে এরূপ অপর কোন লােককে দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে, তার মৃত্যু ঘটানাের অপরাধ বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা ২-
যখন দৈহিক জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে লােক এরূপ দৈহিক জখম করে, সে লােক মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে পরিগণিত হবে, যদিও যথােচিত প্রতিকারের ও নিপুন চিকিৎসার আশ্রয় নিলে মৃত্যু নিবারণ করা যেত।

ব্যাখ্যা ৩-
মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটান নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে না । কিন্তু যদি কোন শিশুর দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তা হলে তা শাস্তিযােগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি যদিও শিশুটি শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে বা সম্পূর্ণ হিসেবে জন্মগ্রহণ না করে থাকে।
৯১৩.
চুরি করতে গিয়ে আসামী যদি স্বেচ্ছাক্রমে আঘাত দেয়, তবে অপরাধটি হবে-
  1. গুরুতর চুরি
  2. দস্যুতা
  3. ডাকাতি
  4. বলপূর্বক আদায়
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্যুতা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান- দস্যুতা: প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।

বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।

ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
৯১৪.
ঢাকায় একটি বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গায় রূপ নেয়। দাঙ্গা দমনে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি এক পুলিশ সদস্যকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, আঘাতকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ১৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা বা দাঙ্গা দমন করার সময় আক্রমণের শিকার হন, তাকে আক্রমণের হুমকি দেওয়া হয়, বাধা দেওয়া হয় বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করা হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে। এছাড়া অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তিও দেওয়া যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারী কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:- কোন সরকারী কর্মচারী অনুরূপ সরকারী কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারী কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-152- Assaulting or obstructing public servant when suppressing riot, etc.
- Whoever assaults or threatens to assault, or obstructs or attempts to obstruct, any public servant in the discharge of his duty as such public servant, in endeavouring to disperse an unlawful assembly, or to suppress a riot or affray, or uses, or threatens, or attempts to use criminal force to such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years or with fine, or with both. 

৯১৫.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনিভাবে টাকশাল হতে মুদ্রা তৈরির যন্ত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বাধিক শাস্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৪৫ ধারার বিধান - টাকশাল হইতে মুদ্রা প্রস্তুত করার কোন যন্ত্র বেআইনীভাবে লইয়া যাওয়া:
:কোন ব্যক্তি যদি আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের কোন টাকশাল হতে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতা ছাড়া কোন মুদ্রা তৈরী করার হাতিয়ার বা যন্ত্র নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কিংবা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-245: Unlawfully taking coining instrument from mint:
-Whoever, without lawful authority, takes out of any mint, lawfully established in Bangladesh, any coining tool or instrument, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৯১৬.
দণ্ডবিধির ধারা ৩২০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
  2. মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
  4. চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়া
সঠিক উত্তর:
কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩২০ অনুসারে, "গুরুতর আঘাত" (Grievous Hurt) হিসেবে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচিত হয়:
- পুরুষত্বহরণ (Emasculation)
- যেকোনো চোখের স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
- যেকোনো কানের স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের হ্রাস
- কোনো অঙ্গ বা জয়েন্টের ক্ষমতার স্থায়ী ক্ষতি
- মাথা বা মুখমণ্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
- অস্থিভঙ্গ বা স্থানচ্যুতি
- এমন আঘাত যা জীবনের জন্য বিপদজনক বা ২০ দিনের জন্য তীব্র শারীরিক ব্যথা সৃষ্টি করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অক্ষম করে।

গ) অপশনে উল্লিখিত "কানের অস্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস" এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ ধারা ৩২০-এ কেবল স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসকেই গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্য তিনটি বিকল্প (ক, খ, ঘ) এই ধারার অধীনে গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-

প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":-
Firstly.-Emasculation.
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye.
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly.-Privation of any member or joint.
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint.
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face.
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth.
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.

৯১৭.
'A' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই 'B' একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে, দণ্ডবিধি অনুসারে 'B' কোন ধরনের অপরাধ করেছে?
  1. জালিয়াতি
  2. প্রতারণা
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অপরাধ জনক বিশ্বাস ভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৬৩-এর অধীন, জালিয়াতি (Forgery) হলো কোনো ব্যক্তির দ্বারা মিথ্যা দলিল বা তার অংশ প্রণয়ন করা, যার উদ্দেশ্য জনসাধারণ বা ব্যক্তির ক্ষতি, দাবি প্রতিষ্ঠা, সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করা, চুক্তি সম্পাদন বা প্রতারণা সংঘটিত করা। এখানে 'B' পিতার সই নকল করে সাদা কাগজে মিথ্যা দলিল তৈরি করেছে, যা জালিয়াতির সংজ্ঞার অন্তর্গত। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 463- Forgery: Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.

৯১৮.
অপরাধ সংঘটনে জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা প্ররোচনা প্রদানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৭ ধারা: জনসাধারণ বা দশজনের অধিক ব্যক্তির দ্বারা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান:
যদি কোনো ব্যক্তি জনসাধারণ বা দশজনের অধিক কোনো শ্রেণীর বা দলের সদস্যদের দ্বারা কোনো অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করেন, তবে তাকে তিন বছরের পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।​

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো ব্যক্তি জনসমক্ষে একটি পোস্টার স্থাপন করেন যাতে দশজনের অধিক সদস্যবিশিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট সময়ে ও স্থানে সমবেত হয়ে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠীর সদস্যদের উপর আক্রমণ করার জন্য উত্সাহিত করা হয়, তবে সেই ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১১৭ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন।
৯১৯.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায়  “উইল (will)” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ৩১ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- ধারা ৩১: “উইল”:
"উইল" শব্দটি দ্বারা কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়।
Section- 31: “A will” The words "a will" denote any testamentary document.

এই ধারার অধীনে,
“উইল” বলতে এমন কোনো লিখিত দলিলকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর সম্পত্তি কাকে কিভাবে দেওয়া হবে—এই মর্মে করে যান। এটা একটি বৈধ ইচ্ছাপত্র।
৯২০.
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। কোন শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত 'ক' এর বিচার করতে পারে?
  1. যদি জাহাজ বাংলাদেশে ফিরে আসে
  2. যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
  3. 'ক' এর দেশের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. আমেরিকার অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
ধারা-৪: রাষ্ট্রীয় সীমানার বাইরের অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি (Extension of Code to extraterritorial offences):

দণ্ডবিধির ৪ ধারা ২টি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়-
১. বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে বাংলাদেশী নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার;
২. বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে, যখন উক্ত অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।

উদাহরণ:
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজ যেটা আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত, সেটাতে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর বিচার বাংলাদেশে করা যাবে, যদি 'ক' অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়। ৪ (১) ধারা শুধুমাত্র বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে ৪(২) ধারা বাংলাদেশী এবং বিদেশী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।
৯২১.
নিজেকে কোনো মৃত ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করলে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৪১৪ ধারা
  2. ৪১৬ ধারা
  3. ৪১৭ ধারা
  4. ৪২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা- অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে; খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

৯২২.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো পণ্য কোনো বিশেষ ব্যক্তির উৎপাদিত বলে বুঝাবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন _______ বলে অভিহিত।
  1. trade mark
  2. patents and property mark
  3. property mark
  4. patents
সঠিক উত্তর:
trade mark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
trade mark
ব্যাখ্যা
ধারা-৪৭৮; পণ্য-প্রতীক (Trade mark): কোন পণ্যদ্রব্য, কোন বিশেষ ব্যক্তির প্রস্তুত পণ্যদ্রব্য বা ব্যবসায়ের পণ্য বলে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য-প্রতীক বলে। অর্থাৎ কোন পণ্যদ্রব্যের মালিকানা নির্দেশক চিহ্ন বা মার্কাকে পণ্য- প্রতীক বা Trade mark বলে।

পণ্য-প্রতীক কথাটির দ্বারা ১৮৮৩ সালের পেটেন্টস, ডিজাইনস ও ট্রেড মার্কস আইন অনুযায়ী রক্ষিত পণ্য-প্রতীক রেজিষ্টারে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন পণ্য-প্রতীককে বুঝাবে ।

ধারা-৪৭৯: সম্পত্তি চিহ্ন (Property mark)- কোন অস্থাবর সম্পত্তি কোন বিশেষ ব্যক্তির স্বত্বাধীন বলে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বলে।
অর্থাৎ কোন অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা নির্দেশক চিহ্নকে সম্পত্তি চিহ্ন বা Property mark বলে।
৯২৩.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী সামান্য ক্ষতিকারক কার্য (Act causing slight harm) কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৯৫ ধারা মতে সামান্য ক্ষতিকারক কার্য:- সামান্য ক্ষতিকারক যে কার্যে সাধারণ বোধ ও মেজাজ সম্পন্ন কোন ব্যক্তি ক্ষতির অভিযোগ করবে না, এমন কোন কাজ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না- যদিও কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতিসাধিত হয় বা কাজটি অনুরূপ ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়, অথবা কার্যটির ফলে অনুরূপ ক্ষতি হতে পারে বলে উহার সম্পন্নকারীর জানা থাকে।

------------
♦ Section 95. Act causing slight harm:- Nothing is an offence by reason that it causes, or that it is intended to cause, or that it is known to be likely to cause, any harm, if that harm is so slight that no person of ordinary sense and temper would complain of such harm.
৯২৪.
X এর মনে তার স্ত্রী Y’র সঙ্গে Z এর অবৈধ সম্পর্ক থাকার বিষয়ে সন্দেহ হয় এবং রাত তিনটার সময় X Z’কে তার স্ত্রীর (Y) ঘরে দেখতে পেয়ে তাকে হত্যা করে। X, The Penal Code, 1860 এর কোন ধারার অপরাধ সংঘঠন করে?
  1. ৩০০
  2. ৩০১
  3. ৩০৩
  4. ৩০৪
সঠিক উত্তর:
৩০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৪
ব্যাখ্যা
♦The Penal Code, 1860 অনুযায়ী স্ত্রী’র (Y) সাথে নিহত ব্যক্তিকে (Z) গভীর রাতে একঘরে দেখা অবশ্যই একটি গুরুতর উসকানিমূলক কাজ ছিল যা ৩০০ ধারার ১ নং ব্যতিক্রমের অন্তর্ভুক্ত সুতরাং অপরাধটি ৩০৪ ধারার প্রথমাংশের অপরাধ গণ্য হবে এবং এ জন্য আসামীর (X) যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।
অর্থাৎ এখানে X শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বা নিন্দনীয় নরহত্যার অপরাধ করেছে।
৯২৫.
চোরাই মাল কখন চোরাই মাল বলে গণ্য হবেনা? 
  1. যদি উক্ত চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে
  2. যদি উক্ত চোরাই মাল পুলিশ গ্রহণ করে
  3. যদি উক্ত চোরাই মাল বিক্রি করা হয়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
যদি উক্ত চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি উক্ত চোরাই মাল দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট চলে আসে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই  মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণা হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ ধারা ৪১০ মতে চোরাই সম্পত্তি :- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------
⇒ Stolen property:
Section 410. Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৯২৬.
নিচের কোনটি দণ্ডবিধির ১০০ ধারায় উল্লিখিত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের শর্ত নয়? 
  1. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ
  2. সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ
  3. অপকৃত কাম লালসার অভিপ্রায়ে আক্রমণ
  4. গুরুতর আঘাতের আশঙ্কাজনক আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০০-এ দেহের আত্মরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানো পর্যন্ত প্রযোজ্য হওয়ার জন্য ছয়টি সুনির্দিষ্ট শর্ত/ক্ষেত্র উল্লেখ আছে:
১. মৃত্যুর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কাজনক আক্রমণ। 
২. গুরুতর আঘাতের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কাজনক আক্রমণ। 
৩. ধর্ষণের অভিপ্রায়ে আক্রমণ। 
৪. অপকৃত কাম লালসার (প্রকৃতিবিরুদ্ধ যৌন ইচ্ছা) অভিপ্রায়ে আক্রমণ। 
৫. অপহরণের উদ্দেশ্যে আক্রমণ। 
৬. অবৈধভাবে আটক রেখে আইনি সাহায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করার অভিপ্রায়ে আক্রমণ।
- "সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণ" ধারা ১০০-এর তালিকাভুক্ত নয়।
- সম্পত্তি রক্ষার জন্য মৃত্যু পর্যন্ত আত্মরক্ষার বিধান ধারা ১০৩-এ আলাদাভাবে দেওয়া আছে, সেটিও শুধু বিশেষ অপরাধের (ডাকাতি, রাত্রিবেলা গৃহভঙ্গ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- সাধারণ সম্পত্তি ধ্বংসের অভিপ্রায়ে আক্রমণের ক্ষেত্রে দেহের আত্মরক্ষায় মৃত্যু পর্যন্ত অধিকার প্রযোজ্য নয়।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 100. When the right of private defence of the body extends to causing death:
-The right of private defence of the body extends, under the restrictions mentioned in the last preceding section, to the voluntary causing of death or of any other harm to the assailant, if the offence which occasions the exercise of the right be of any of the descriptions hereinafter enumerated, namely:- 
Firstly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that death will otherwise be the consequence of such assault; 
Secondly.-Such an assault as may reasonably cause the apprehension that grievous hurt will otherwise be the consequence of such assault; 
Thirdly.-An assault with the intention of committing rape; 
Fourthly.-An assault with the intention of gratifying unnatural lust; 
Fifthly.-An assault with the intention of kidnapping or abducting; 
Sixthly.-An assault with the intention of wrongfully confining a person, under circumstances which may reasonably cause him to apprehend that he will be unable to have recourse to the public authorities for his release.

৯২৭.
দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. এক বছর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. তিন বছর কারাদণ্ড
  4. ছয় মাস কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒  দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়, তাকে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-143: Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৯২৮.
ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা ছাড়া সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারামতে-
  1. সাধারণ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে
  2. সরকার বিরোধী অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে গণ্য হবে
  4. অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
৯২৯.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী অপহরণ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section-359. Kidnapping:
 Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship. 

⇒ The Penal Code, 1860 Section-360. Kidnapping from Bangladesh, etc:

 Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860 Section-361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৯৩০.
'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধ সংঘটনের জন্য কোনটি যথেষ্ট?
  1. প্রবেশকারীর প্রবেশ করার ইচ্ছা
  2. প্রবেশকারীর সম্পূর্ণ শরীরের প্রবেশ
  3. প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
  4. প্রবেশকারীর অবস্থান করার ইচ্ছা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারা- অনধিকার গৃহে প্রবেশ:
কোনো ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোনো গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোনো অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ সংঘটনের জন্য যথেষ্ট।

Section 442- House-trespass:
Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".

Explanation: The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
৯৩১.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের অপরাধ কী?
  1. খুন
  2. খুনে সহযোগিতা
  3. পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা
  4. কোন অপরাধ করেন নি
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অপরাধ করেন নি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
-কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

 উদাহরণ:
ক একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। কএর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
⇒The Penal Code, 1860-Section 93: Communication made in good faith:
 -No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 
 
Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৯৩২.
ধারা ২৬৯-এর অপরাধটি মূলত কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে?
  1. ব্যক্তিগত অধিকার
  2. রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা।

দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা এমন অবহেলামূলক কার্যকে দণ্ডনীয় করে, যার ফলে জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। তাই এই অপরাধটি মূলত জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

৯৩৩.
'A', 'B'-এর পকেটে এই উদ্দেশ্যে কিছু অলংকার রাখে যে উক্ত অলংকার 'B'এর পকেটে পাওয়া যেতে পারে এবং এই ঘটনার জন্য 'B' চুরির অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে। 'A' এর অপরাধ?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্যদান
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
  3. প্রতারণা
  4. চুরি করতে সহযোগীতা
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:- কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

--------------
⇒  Fabricating false evidence:
Section 192. Whoever causes any circumstance to exist or makes any false entry in any book or record, or makes any document containing a false statement, intending that such circumstance, false entry or false statement may appear in evidence in a judicial proceeding, or in a proceeding taken by law before  a public servant as such, or before an arbitrator, and that such  circumstance, false entry or false statement, so appearing in evidence, may cause any person who in such proceeding is to form an opinion upon the evidence, to entertain an erroneous opinion touching any point material to the result of such proceeding, is said "to fabricate the evidence.” 
 
Illustrations 
(a) A puts jewels into a box belonging to Z, with the intention that they may be found in that box, and that this circumstance may cause Z to be convicted of theft. A has fabricated false evidence. 
 
(b) A makes a false entry in his Shop-book for the purpose of using it as corroborative evidence in a Court of Justice. A has fabricated false evidence. 
 
(c) A, with the intention of causing Z to be convicted of a criminal conspiracy, writes a letter in imitation of Z's handwriting purporting to be addressed to an accomplice in such criminal conspiracy, and puts the letter in a place which he knows that the officers of the Police are likely to search. A has fabricated false evidence.
৯৩৪.
'নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কাজ অপরাধ নহে'- এই সম্পর্কিত দন্ডবিধির ধারা কত?
  1. ৭৯ ধারা
  2. ৮১ ধারা
  3. ৮২ ধারা
  4. ৮৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির  ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

♦ Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

♦ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।
৯৩৫.
দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় কী ধরনের অপরাধের শাস্তি রয়েছে?
  1. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
  2. জাল নথি তৈরি করা
  3. মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
  4. সরকারি সম্পত্তি চুরি করা
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

→ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারায় মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু বা স্বাক্ষর করার শাস্তি রয়েছে। যদি কেউ জানে বা বিশ্বাস করে যে, তার ইস্যু করা সার্টিফিকেট মিথ্যা, তবে তাকে মিথ্যা সাক্ষ্যদান এর মতো শাস্তি দেওয়া হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
- কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 197: Issuing or signing false certificate:
- Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

৯৩৬.
দণ্ডবিধির কত ধারায় 'মুদ্রা' ও 'বাংলাদেশী মুদ্রা' এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২৩০ ধারায়
  2. ২৩১ ধারায়
  3. ২৩২ ধারায়
  4. ২৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
বাংলাদেশী মুদ্রা:- বাংলাদেশী মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশী মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 230- “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used. 
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money. 
 
Illustrations:
(a) Cowries are not coin. 
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin. 
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money. 
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin. 
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৯৩৭.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো ব্যক্তিকে কোনো স্থান থেকে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করলে তাকে ________ বলে।
  1. মনুষ্যহরণ
  2. অপহরণ
  3. অবৈধ বাধাদান
  4. বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপহরণ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬২ - অপহরণ:
যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

ধারা ৩৬৩ - মনুষ্য হরণের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
৯৩৮.
দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার কত নম্বর অনুচ্ছেদে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় আবশ্যক না (Intention of causing death is not essential)?
  1. ১ম অনুচ্ছেদে
  2. ২য় অনুচ্ছেদ
  3. ৩য় অনুচ্ছেদে
  4. ৪র্থ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০০ ধারার বিধান খুন:- খুনের সবক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নির্দেশ করা হয়েছে। সে সকল ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হবে, যদি যে কার্যটি কর্তৃক মৃত্যু অনুষ্ঠিত হয়, সে কার্যটি মৃত্যু সংঘটনের জন্যই করা হয়ে থাকে, অথবা

দ্বিতীয়ত, যদি কার্যটি কোন ব্যক্তিকে এমনভাবে দৈহিক আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে, যে আঘাতের ফলে যে ব্যক্তিকে আঘাত দেওয়া হল, সে ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে বলে অপরাধী জানে, অথবা

তৃতীয়ত, যদি কোন ব্যক্তিকে দৈহিক আঘাত দানের উদ্দেশ্যে কার্যটি করা হয় এবং যদি যে দৈহিক আঘাত দেওয়ার অভিসন্ধি করা হয়েছে, সে আঘাতটি প্রকৃতির স্বাভাবিক গতিতে মৃত্যু ঘটাবার পক্ষে যথেষ্ট হয়, অথবা

চতুর্থত, যদি যে ব্যক্তি কার্যটি অনুষ্ঠান করে সে ব্যক্তি জানে যে, কার্যটি এমন আশু বিপজ্জনক যে, ইহার দরুণ খুব সম্ভব মৃত্যু ঘটবে, অথবা ইহার দরুণ অবশ্যই এমন দৈহিক আঘাত ঘটবে, যার ফলে মৃত্যু ঘটতে পারে এবং মৃত্যু ঘটাবার বা অনুরূপ দৈহিক আঘাত ঘটাবার ঝুঁকি গ্রহণের অপর কোন অজুহাত ব্যতিরেকে অনুরূপ কার্য করে।

⇒ অর্থাৎ যে কার্য সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সেই কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে খুনের জন্য মৃত্যু ঘটানোর অভিপ্রায় থাকা আবশ্যক না।

যেমন- ক কোন অজুহাত ছাড়াই একটি গুলি ভর্তি কামান হতে জনতার প্রতি গুলিবর্ষণ করে এবং জনতার একজনকে হত্যা করে। এখানে ক খুনের দায়ে অপরাধী হবে, যদিও কোন বিশেষ লোককে নিহত করার জন্য ক-এর কোনরূপ পূর্বকল্পিত অভিপ্রায় ছিল না। কেননা কোন আসন্ন বিপদজনক কার্য যা সকল সম্ভাব্য ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাবে, সে ধরনের কার্যের দ্বারা মৃত্যু ঘটানো হলে তা খুন বলে গণ্য হবে।
৯৩৯.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অতিরাষ্ট্রিক অপরাধ (Extra-territorial offence) এর বিচারের বিধান করা হয়েছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪-এ অতিরাষ্ট্রিক অপরাধের (Extra-territorial offences) বিচারের বিধান করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ, যা বাংলাদেশে শাস্তিযোগ্য হতো, তা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির আওতায় বিচারযোগ্য:
- বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশের বাইরে যেকোনো স্থানে সংঘটিত অপরাধ।
- বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে যেকোনো ব্যক্তি (নাগরিকতা নির্বিশেষে) কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ, জাহাজ বা বিমান যেখানেই থাকুক না কেন।

⇒দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
⇒ দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i) বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
----------
⇒The penal Code Section-4. Extension of Code to extra-territorial offences:
- The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

৯৪০.
‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে একটি পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। ‘Z’ এর সম্মতি ছাড়াই এটি করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘A’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
- সুতরাং, ‘A’ ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৯৪১.
নিচের কোন ক্ষেত্রে Joint Liability (যৌথ দায়) হবে?
  1. কতিপয় কার্যের একটি সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধে সহযোগিতা করলে
  2. সাধারণ অভিপ্রায় থাকলে
  3. অপরাধমূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ধারা-৩৪ থেকে ৩৮: যৌথ দায় (Joint Liability)- একাধিক ব্যক্তি যখন কোন অপরাধ করে তখন তাদের মধ্যে কে কতটুকু ভূমিকা পালন করেছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নয় বরং সমস্ত অপরাধের জন্য তারা প্রত্যেকে সমানভাবে দোষী হবেন। দন্ডবিধির ৩৪, ৩৫, ৩৭ এবং ৩৮ ধারায় যৌথ দায় বা Joint Liability সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

♦ যে ক্ষেত্রে অপরাধীকে যৌথভাবে দায়ী করা যায়ঃ
১) দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা মতে অভিন্ন বা সাধারণ অভিপ্রায় পূরণকল্পে অপরাধমূলক কার্য।
২)দণ্ডবিধির ৩৫ ধারা মতে অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় নিয়ে অপরাধমূলক কার্য।
৩)দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা মতে যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা ।
৪) দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে একই অপরাধ সংঘটন করলেও ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে দোষী।

♦ দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦ সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।
৯৪২.
দণ্ডবিধির ৭৪ ধারা অনুসারে একাধারে সর্বোচ্চ কত দিন নির্জন কারাবাসে রাখা যায়?
  1. ৩ মাস
  2. ১ মাস
  3. ১৪ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:-
-নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
--------------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 74: Limit of solitary confinement:
-In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৯৪৩.
যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে আসামীকে প্রদত্ত কারাবাস-
  1. শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
  2. শুধুমাত্র সশ্রম হতে পারে
  3. সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে
  4. বেত্রাঘাত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৬৭ ধারা অনুযায়ী, অপরাধটি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হলে অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত কারাদণ্ড:-

♦ অপরাধটি যদি শুধু অর্থদণ্ড কর্তৃক দণ্ডনীয় হয়, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত যে কারাদণ্ডের আদেশ দিবেন, তা বিনাশ্রম হবে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য আদালত অপরাধীকে যে মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার আদেশ দিবেন, তা নিম্নে নির্দেশিত বিভিন্ন পরিমাণের অধিক হবে না,

⇒ যথা: অর্থদণ্ডের পরিমাণ পঞ্চাশ টাকার বেশি না হলে, অনূর্ধ্ব দুই মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; 
⇒ অর্থদণ্ডের পরিমাণ একশত টাকার অধিক না হলে, অনতিরিক্ত চার মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ; এবং
⇒ এতদ্ব্যতীত অপর যে কোন ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদ।
৯৪৪.
According to Section 38 of The Penal Code, 1860, if several persons are involved in a criminal act, they may be guilty of:
  1. No offence
  2. The same offence
  3. Different offences
  4. Only one person will be guilty
সঠিক উত্তর:
Different offences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Different offences
ব্যাখ্যা
Section 38- Persons concerned in criminal act may be guilty of different offences:
Where several persons are engaged or concerned in the commission of a criminal act, they may be guilty of different offences by means of that act. 
 
Illustration-
A attacks Z under such circumstances of grave provocation that his killing of Z would be only culpable homicide not amounting to murder. B having ill-will towards Z and intending to kill him, and not having been subject to the provocation, assists A in killing Z. Here, though A and B are both engaged in causing Z's death, B is guilty of murder, and A is guilty only of culpable homicide.

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৯৪৫.
Z-কে একটি বাঘ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। A বাঘটিকে গুলি করে, যদিও সে জানে যে গুলিটি Z-কে আঘাত করতে পারে তবুও সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের জন্য গুলি ছোড়ে। কিন্তু গুলিটি Z-কে মারাত্মকভাবে আঘাত করে এবং Z মারা যায়। এক্ষেত্রে A কী অপরাধ করেছে?
  1. মারাত্মক আঘাত
  2. অবহেলাজনিত খুন
  3. সাধারণ আঘাত
  4. কোনো অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে A কোনো অপরাধ করেনি, কারণ সে সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের উদ্দেশ্যে কাজ করেছে।

ধারা ৯২: কোনো ব্যক্তির উপকারে, সৎ বিশ্বাসে, তার সম্মতি ছাড়াই কাজ করলে তা অপরাধ নয়-
যদি কোনো কাজ সৎ বিশ্বাসে এমন একজন ব্যক্তির উপকারে করা হয় এবং এতে তার কিছু ক্ষতি হলেও, তা অপরাধ হবে না—
যদি ঐ ব্যক্তির পক্ষে সম্মতি দেওয়া সম্ভব না হয়, অথবা সে সম্মতি দিতে অক্ষম হয়, এবং এমন কোনো অভিভাবক বা আইনগত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না থাকে যার কাছ থেকে সময়মতো সম্মতি নেওয়া সম্ভব।

তবে নিম্নলিখিত শর্তগুলোতে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়ঃ
১ম শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানো বা মৃত্যুর চেষ্টা করা হলে, এই ধারার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
২য় শর্ত: যদি কেউ এমন কিছু করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং উদ্দেশ্য যদি মৃত্যু রোধ বা গুরুতর আঘাত প্রতিরোধ বা গুরুতর রোগ সারানো না হয়—তবে এটাও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৩য় শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা বা আঘাতের চেষ্টা করা হলে, এবং উদ্দেশ্য যদি শুধু মৃত্যু বা আঘাত প্রতিরোধ না হয়—তবে সেটিও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৪র্থ শর্ত: যে অপরাধে এই ধারা প্রযোজ্য নয়, সে অপরাধে সহায়তা (abetment) করলে, এই ধারার ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না।
৯৪৬.
পশু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অবহেলা প্রদর্শন করলে এর শাস্তির বিধান দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারায়
  2. দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারায়
  3. দণ্ডবিধির ২৮৭ ধারায়
  4. দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ২৮৯ ধারার বিধান: প্রাণী সম্পর্কে অবহেলামূলক আচরণ করা:- কোন ব্যক্তি যদি তার দখলভুক্ত কোন প্রাণী সম্পর্কে এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জ্ঞাতসারে বা অবহেলামূলকভাবে অন্যথা করে, যে ব্যবস্থা উক্ত প্রাণী হতে মানুষের জীবনের প্রতি সম্ভাব্য বিপদের বিরুদ্ধে অথবা নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পর্যাপ্ত, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------------
♦ Section 289. Negligent conduct with respect to animal:- Whoever knowingly or negligently omits to take such order with any animal in his possession as is sufficient to guard against any probable danger to human life, or any probable danger of grievous hurt from such animal, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৯৪৭.
দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারার বিধান কী?
  1. দাঙ্গা সংঘটনের জন্য কারাদণ্ড।
  2. বেআইনি সমাবেশে অস্ত্রসহ যোগদান।
  3. স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
  4. দাঙ্গার সময় পুলিশকে সহায়তার আইনি সুরক্ষা।
সঠিক উত্তর:
স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থে দাঙ্গা হলে প্রতিরোধে ব্যর্থ ব্যক্তির অর্থদণ্ড।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো দাঙ্গা (riot) এমন কোনো ব্যক্তির স্বার্থে সংঘটিত হয়, যিনি সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিক, দখলদার, স্বত্বের দাবিদার বা ওই দাঙ্গা থেকে উপকৃত হয়েছেন, তবে তার কিছু দায়িত্ব থাকে।
যদি তিনি, তার প্রতিনিধি বা ম্যানেজার জানতেন বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল যে, দাঙ্গা সংঘটিত হতে পারে বা বেআইনি সমাবেশ গঠিত হতে পারে, তাহলে তাদের অবশ্যই সেটি প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
যদি তারা আইনসম্মত সব উপায় অবলম্বন না করেন এবং দাঙ্গা প্রতিরোধ বা দমন করতে ব্যর্থ হন, তবে তারা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
অর্থাৎ, এই ধারার মাধ্যমে ভূমির মালিক বা স্বত্বের দাবিদারের দায়বদ্ধতা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে তারা দাঙ্গা প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৫ ধারা- যে ব্যক্তির স্বার্থে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয় তার দায়দায়িত্ব:
যে ভূমি সম্পর্কে দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হয়েছে, দাঙ্গাটি যদি ভূমির মালিক বা দখলদারের অথবা উক্ত স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির অথবা যে বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে দাঙ্গার সূত্রপাত হয়েছে উহাতে কোন স্বার্থ বা স্বত্বের দাবিদার কোন ব্যক্তির স্বার্থে বা স্বপক্ষে অথবা যে ব্যক্তি উহা হতে কোনভাবে উপকৃত হয়েছে তার স্বার্থে বা স্বপক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, তবে অনুরূপ ব্যক্তি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে-যদি উক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি বা তার ম্যানেজার অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হতে পারে অথবা যে বেআইনি সমাবেশ দ্বারা অনুরূপ দাঙ্গা অনুষ্ঠিত হবে তা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তার বা তাদের বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও অনুরূপ দাঙ্গা বা সমাবেশ নিরোধ করার এবং উহা দমন ও ছত্রভঙ্গ করার জন্য যথাক্রমে তার বা তাদের আয়ত্তাধীন সকল আইনসম্মত উপায় অবলম্বন না করে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 155- Liability of person for whose benefit riot is committed:
Whenever a riot is committed for the benefit or on behalf of any person who is the owner or occupier of any land respecting which such riot takes place or who claims any interest in such land, or in the subject of any dispute which gave rise to the riot, or who has accepted or derived any benefit therefrom, such person shall be punishable with fine, if he or his agent or manager, having reason to believe that such riot was likely to be committed or that the unlawful assembly by which such riot was committed was likely to be held, shall not respectively use all lawful means in his or their power to prevent such assembly or riot from taking place, and for suppressing and dispersing the same.
৯৪৮.
'Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty'- অপরাধটির শাস্তি দণ্ডবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ৩৫৪
  2. ধারা ৩৫৬
  3. ধারা ৩৫৮
  4. ধারা ৩৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৪
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪- Assault or criminal force to woman with intent to outage her modesty:
Whoever assaults or uses criminal force to any woman, intending to outrage or knowing it to be likely that he will thereby outrage her modesty, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৪ মতে- 
যদি কোন ব্যক্তি কোন নারীর শালীনতা নষ্ট করার অভিপ্রায়ে বা সে তৎকর্তৃক তার শালীনতা নষ্ট করতে পারে জেনে তাকে আক্রশ করে বা তৎপ্রতি অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে, তাহলে সে ব্যক্তি যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে—যার মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে বা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৯৪৯.
দস্যুতার উপাদান নয় কোনটি?
  1. আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
  2. অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল
  3. দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে
  4. ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
সঠিক উত্তর:
৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা মতে দস্যুতার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদান বিদ্যমান থাকে-

i)এক বা একাধিক ব্যক্তি তবে ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করেছিল;

ii) আঘাতের ভয় বা মৃত্যুভয় দেখিয়ে বা অবৈধ আটকের ভয় দেখিয়েছিল;

iii) অসাধুভাবে সম্পত্তিটি প্রদানে বাধ্য করেছিল; 

iv) প্রত্যেক দস্যুতার অপরাধের মধ্যে চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ থাকতে হবে।

♦এখানে ৫ জনের বেশি লোক যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করলে তা ডাকাতি বলে গণ্য হবে তবে দস্যুতার জন্য ৫ জনের কম যৌথভাবে অপরাধটি সংঘটিত করে থাকে। 
৯৫০.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী কখন নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে?
  1. স্ত্রী ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে
  2. স্ত্রী ১৬ বছরের কম বয়স্ক হলে
  3. স্ত্রী ১৪ বছরের কম বয়স্ক হলে
  4. স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১৩ বছরের কম বয়স্ক হলে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা- ধর্ষণ:
কোন পুরুষ অতঃপর উল্লেখিত ব্যতিক্রম ভিন্ন অপর সকল ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পাঁচটি যেকোন অবস্থায় কোন স্ত্রীলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করলে সে ধর্ষণ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
প্রথমত: স্ত্রীলোকটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে;
দ্বিতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতি ব্যতিরেকে;
তৃতীয়ত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে মৃত্যু বা জখমের ভয় প্রদর্শন করে স্ত্রীলোকটির সম্মতি আদায় করা হলে;
চতুর্থত: স্ত্রীলোকটির সম্মতিক্রমেই, যেক্ষেত্রে পুরুষটি জানে যে, সে স্ত্রীলোকটি স্বামী নয়, এবং পুরুষটি ইহার জানে যে, স্ত্রীলোকটি তাকে এমন অপর একজন পুরুষ বলে ভুল করেছে, যে পুরুষটির সাথে সে আইন সম্মতভাবে বিবাহিত হয়েছে বা বিবাহিত বলে বিশ্বাস করে;
পঞ্চমত: স্ত্রীলোকটি সম্মতিক্রমে অথবা সম্মতি ব্যতিরেকে, যদি স্ত্রীলোকটির বয়স চৌদ্দ বৎসরের কম হয়।

ব্যাখ্যা: ধর্ষণের অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌনসঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট গণ্য হবে।

ব্যতিক্রম: কোন পুরুষের কর্তৃক নিজ স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গম ধর্ষণ বলে পরিগণিত হবে না, যদি স্ত্রী তের বৎসরে নিম্ন বয়স্কা না হয়।
৯৫১.
দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার কখন শুরু হয়?
  1. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর
  2. আদালতে মামলা দায়ের করার পর
  3. অপরাধী উপস্থিত হওয়ার পর পরই
  4. দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহের প্রতি আক্রমণ বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা
ধারা-১০২: দেহ বা শরীর সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকারের স্থায়িত্ব (Commencement and continuance of the right of private defence of the body)-
দণ্ডবিধির ১০২ ধারায় দেহ বা শরীর রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার কখন আরম্ভ হবে এবং উক্ত অধিকার কতক্ষন পর্যন্ত বহাল থাকবে তা আলোচনা করা হয়েছে।

- দেহের প্রতি আক্রমন বা বিপদের যুক্তিযুক্ত আতংক সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে (reasonable apprehension of danger) অথবা আক্রমন যদি এমন আশঙ্কা সৃষ্টি করে যে, আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি গুরুতর আঘাত পাবেন, সেসময় থেকেই দেহ সম্পর্কিত আত্মরক্ষার অধিকার শুরু হয়।

- অন্যদিকে, যতক্ষন পর্যন্ত অনুপ আক্রমনের উদ্যোগ বা আতংক কেটে না যায় ততক্ষন পর্যন্ত আত্মরক্ষার অধিকার বিদ্যমান থাকে।
৯৫২.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, দস্যুতায় কোন অপরাধগুলো সংঘটিত হয়?
  1. খুন অথবা নরহত্যা
  2. চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  3. অপহরণ অথবা জীবননাশক অপরাধ
  4. ধর্ষণ অথবা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়। 
⇒দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, “In all robbery there is either theft or extortion.”
- অর্থাৎ, প্রত্যেক দস্যুতার ভিতরে চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion) – এ দুই অপরাধের যেকোনো একটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকে।
- তবে দস্যুতাকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় আশু মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, বা অবৈধ আটকের ভয় সৃষ্টি করা হয় বা সে উদ্দেশ্যে কোনো শারীরিক উপায় অবলম্বন করা হয়।
- তাই, দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার আওতায় দস্যুতা বলতে বোঝায়, চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সেই রূপ, যেখানে ভুক্তভোগীকে অবিলম্বে শারীরিক ক্ষতির ভয় দেখানো হয়।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
৯৫৩.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ জানার পরও তাতে যোগদান করলে কতদিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস পর্যন্ত
  2. ১ বছর পর্যন্ত
  3. ২ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪৫ ধারা: বেআইনী সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানা সত্ত্বেও উহাতে যোগদান করা অথবা উহাতে থেকে যাওয়া:
কোন বেআইনী সমাবেশকে আইন-নির্দেশিত পদ্ধতিতে ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদান করলে বা উক্ত বেআইনী সমাবেশে থাকলে, তাকে দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

Section 145- Joining or continuing in unlawful assembly, knowing it has been commanded to disperse:
Whoever joins or continues in an unlawful assembly, knowing that such unlawful assembly has been commanded in the manner prescribed by law to disperse, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯৫৪.
‘ক’ রাতের বেলায় ‘খ’-কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত না হলেও তার প্রবেশের উদ্দেশ্য প্রমাণিত হয়। ‘ক’-এর বিরুদ্ধে কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৪৫২
  2. ধারা ৪৫১
  3. ধারা ৪৫০
  4. ধারা ৪৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪৯
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৪৯ – মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য গৃহে অনধিকার প্রবেশ:
যে ব্যক্তি কোনো ঘর, গৃহ বা ভবনে অনধিকার প্রবেশ করে, সেই প্রবেশের উদ্দেশ্য থাকে কোনো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (offence punishable with death) সংঘটন করা, তাকে এই ধারার আওতায় শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।

শাস্তি
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life) অথবা
- সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous imprisonment) সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত, এবং
- অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

৯৫৫.
দণ্ডবিধির কত ধারায় জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তারে অবহেলামূলক কার্যের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৬৮
  2. ধারা ২৬৯
  3. ধারা ২৭০
  4. ধারা ২৭১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৯
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০–এর ধারা ২৬৯–এ বলা হয়েছে যে, যদি কেউ বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোনো কাজ করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, এবং সে জানে বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে তার কাজের ফলে সংক্রমণ ঘটতে পারে, তবে তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।
-  তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ধারা ২৬৯।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান:  জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য :- কোন ব্যক্তি যদি বেআইনীভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 269. Negligent act likely to spread infection of disease dangerous to life:- Whoever unlawfully or negligently does any act which is, and which he knows or has reason to believe to be, likely to spread the infection of any disease dangerous to life, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

৯৫৬.
দণ্ডবিধির ১০০ ধারা মতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য কয়টি ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ১০০ ধারামতে দেহ বা শরীরকে প্রতিরক্ষার জন্য নিম্নলিখিত ৬টি ক্ষেত্রে আক্রমণকারীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়। যথা-
   (i) এমন আক্রমন যা মৃত্যু ঘটাতে পারে
   (ii) এমন আক্রমন যা গুরুতর আঘাত তৈরী করতে পারে
   (iii) ধর্ষণের ক্ষেত্রে
   (iv) অপ্রকৃত কাম লালসার ক্ষেত্রে
   (v) মনুষ্যহরণ বা অপহরণের চেষ্টা করলে
   (vi) আইনের আশ্রয় নিতে বাধা দিতে অবৈধভাবে আটক করলে
৯৫৭.
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় কোন অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ডাকাতি
  2. দস্যুতা
  3. খুনসহ ডাকাতি
  4. ডাকাতির প্রস্তুতির
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারা- ডাকাতির সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি ডাকাতি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 395⇒ Punishment for dacoity:
Whoever commits dacoity shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৯৫৮.
কোনো quick with child নারীর জীবন বাঁচানোর উদেশ্য ব্যতীত সদবিশ্বাস ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভপাত করার সর্বোচ্চ শাস্তি কত বছরের কারাদণ্ড?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারা মতে যেক্ষেত্রে নারী সন্তানের বিচলন [quick with child] অনুভব করে এবং সেই ক্ষেত্রে নারীর জীবন বাঁচানোর উদ্দেশ্য ব্যতীত সদবিশ্বাস ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার গর্ভপাত করা হলে, শান্তি হতে পারে- অর্থদণ্ডসহ ৭ বৎসর পর্যন্ত যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ড।
৯৫৯.
'A', 'Z'- এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে 'Z'-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, 'A' -এর কৃত কাজ কোন উদ্দেশ্যে করা হলে তা 'অপরাধমূলক বল প্রয়োগ' হিসেবে গণ্য হবে?
  1. 'Z' কে আহত করা
  2. 'Z' কে ভয় দেখানো
  3. 'Z' কে বিরক্ত করা
  4. উপরের যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
উপরের যেকোনো একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের যেকোনো একটি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা- অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদহারণ:
"A, Z-এর সম্মতি ছাড়াই একটি কুকুরকে Z-এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করে। এক্ষেত্রে, যদি A-এর উদ্দেশ্য Z-কে আহত করা, ভয় দেখানো বা বিরক্ত করা হয়, তাহলে A, Z-এর প্রতি অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।"

Section 350- Criminal force:
Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.

(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
৯৬০.
দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীনে মানহানির সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ১ বছর বিনাশ্রম
  2. ১ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম
  3. ২ বছর বিনাশ্রম
  4. ২ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বিনাশ্রম
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০-ধারা ৫০০ : মানহানির শাস্তি:
যে ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির মানহানি করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section- 500: Punishment for defamation:
Whoever defames another shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯৬১.
গ-কে গুরুতর জখম করে ক,খ-কে প্ররোচিত করে। খ উক্ত প্ররোচনার ফলে গ-কে গুরুতর জখম করে। ফলে গ মারা যায়। এই ক্ষেত্রে ক _____জন্য দণ্ডিত হবে।
  1. ক শুধুমাত্র গুরুতর জখমে প্ররোচনার জন্য দণ্ডিত হবে
  2. ক গুরুতর জখম এবং খুন উভয়ের জন্য দণ্ডিত হবে
  3. ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ক খুনের জন্য দণ্ডিত হবে না শুধুমাত্র জখমের জন্য দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦যদি ক জানতো যে প্ররোচিত জখমের কার্যটি সম্ভাব্য মৃত্যু ঘটাবে তাহলে ক খুনে সহায়তার জন্য দণ্ডিত হবে এবং ক খুনের জন্য নির্ধারিত শাস্তি পাবে।
৯৬২.
বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচারে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৯৬৩.
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতির ভয় দেখানো।
  2. বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
  3. বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্ষতির ভয় দেখানো হয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কোন ক্ষতি করা হয় না।
  4. ক্ষতির ভয় দেখিয়ে কোন সম্পত্তি বা মূল্যমান জামানত জমা দিতে অসাধু প্ররোচনা করা।
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion)- কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে।
⇒ বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের উপাদান-
 স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে বলপূর্বক গ্রহণ হয়; এবং অপরাধী স্বয়ং উপস্থিত না থেকেও বলপূর্বক আদায় বা গ্রহণের অপরাধ করতে পারে।
যে ব্যক্তিকে ভয় দেখানো হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি অর্পণ করার সঙ্গেই বলপূর্বক গ্রহণের অপরাধ সংঘটিত হয়।
বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের ক্ষেত্রে দূরবর্তী ক্ষতির ভয় থাকলেও তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি হয়না।

"বলপূর্বক গ্রহণের ক্ষেত্রে সংঘটনকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে" এই বক্তব্যটি সঠিক নয়।
-------
Extortion: 
Section 383. Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in 124[fear to give donation or subscription of any kind or to deliver] to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion".
৯৬৪.
বিচারিক কার্যক্রমে (judicial proceeding) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের শাস্তি হতে পারে-
  1. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  2. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৩ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  3. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৫ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
  4. অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ডসহ যেকোন বর্ণনার কারাবাস যা ৭ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারার বিধান মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষাদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

♦ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৯৬৫.
Nothing is an offence which is done by a child under ______________.
  1. Eighteen years of age.
  2. Seven years of age.
  3. Nine years of age.
  4. Twelve years of age.
সঠিক উত্তর:
Nine years of age.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nine years of age.
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ৮২ ধারার বিধান নয় বৎসরের কম বয়সের শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসরের কম বয়স্ক শিশুর কোন কার্যই অপরাধ নয়।

⇒  Section 82. Act of a child under nine years of age:- Nothing is an offence which is done by a child under nine years of age.

⇒  দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:- নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

⇒  Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
 Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.
৯৬৬.
নিচের কোনটি চোরাই সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি
  2. জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  3. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি।

• চোরাই মাল (Stolen Property): দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী-
যে সম্পত্তির দখল চুরি, জোরপূর্বক আদায় (extortion) অথবা দস্যুতা (robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত হয়েছে, এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে অথবা যার ক্ষেত্রে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সংঘটিত হয়েছে, সেই সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করা হবে- চুরি, আত্মসাৎ বা বিশ্বাসভঙ্গ বাংলাদেশের ভেতরে বা বাইরে যেখানেই সংঘটিত হোক না কেন।

তবে, যদি উক্ত সম্পত্তি পরবর্তীতে আইনসিদ্ধভাবে অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির দখলে আসে, তাহলে সেই মুহূর্ত থেকে উক্ত সম্পত্তি আর চোরাই সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒ জালিয়াতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার সংজ্ঞা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি” হিসেবে গণ্য হয় না।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৯৬৭.
দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার মামলার আসামী দাবি করে যে, আসামীর কাজ সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে। উক্ত দাবি প্রমাণের দায়িত্ব আসামীর সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ১০২ ধারার
  2. ৯৬ ধারার
  3. ১০৩ ধারার
  4. ১০৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ধারার
ব্যাখ্যা
♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না। 
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১০৫ মতে- কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে মামলাটি যাতে দন্ডবিধিতে বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে পড়তে পারে, অথবা দন্ডবিধিতে বর্ণিত কোন বিশেষ ব্যতিক্রম বা উহার অপর কোন অংশে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে বা উক্ত অপরাধ সম্পর্কিত অপর কোন আইনে বর্ণিত কোন শর্তের মধ্যে পড়তে পারে, এইরূপ কোন পরিস্থিতির অস্তিত্ব প্রমাণ করার দায়িত্ব অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর ন্যস্ত থাকে এবং এইরূপ ক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ পরিস্থিতি অনুপস্থিত বলে অবশ্যই ধরে নিবেন।
♦সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত দণ্ডের সাধারণ ব্যতিক্রম দাবী করে, তাহলে সে যে দণ্ডবিধির অধীন বর্ণিত সাধারণ ব্যতিক্রমের অধীন পড়ে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারামতে দন্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমসমূহ সহ যে কোন ব্যতিক্রম প্রমানের দায়িত্ব আসামীর।
৯৬৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও উক্ত আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।ঃ
______________________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860, Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
⇒  Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
⇒ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৯৬৯.
একজন ব্যক্তি যদি নিজেকে একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা বলে পরিচয় দেয় এবং রাজনৈতিক সহায়তা লাভের চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কত ধারার অধীন অভিযোগ আনা যাবে?
  1. ৪০৬
  2. ৪১৬
  3. ৪২৬
  4. ৪৩৬
সঠিক উত্তর:
৪১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৬
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা- অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা:
কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক' একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। 'ক' অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) 'ক' নিজেকে 'খ' বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, 'খ' জনৈক মৃত ব্যক্তি। 'ক' অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
৯৭০.
চুরির অপরাধের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ন্যূনতম ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারার বিধান- চুরি করার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 379- Punishment for theft:
Whoever commits theft shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৯৭১.
"অসাধু উদ্দেশ্যে" (Dishonestly) কোনো কাজ করা বলতে কী বোঝায়, তা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে কোন ধারায়?
  1. দণ্ডবিধির ২৩ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ২৫ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ২৪ ধারা
ব্যাখ্যা
উত্তর:খ) দণ্ডবিধির ২৪ ধারা।
⇒ The Penal Code, 1860-এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, "অসাধু উদ্দেশ্যে" (Dishonestly) বলতে বোঝায়—
যে কেউ যদি অবৈধভাবে অন্যের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা অন্যকে অবৈধভাবে লাভবান করার উদ্দেশ্যে কোনো কাজ করে, তবে সেটিকে অসাধু উদ্দেশ্যে করা কাজ হিসেবে গণ্য করা হবে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Sections-24. “Dishonestly”:
- Whoever does anything with the intention of causing wrongful gain to one person or wrongful loss to another person, is said to do that thing "dishonestly".
৯৭২.
দণ্ডবিধির ৪২ ধারা অনুযায়ী 'স্থানীয় আইন' কাকে বলা হয়?
  1. শুধুমাত্র শহর এলাকায় প্রযোজ্য আইন
  2. বাংলাদেশের সমস্ত অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য আইন
  3. শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য আইন
  4. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য আইন
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য আইন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- স্থানীয় আইন (Local law) :

কেবলমাত্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ এলাকাসমূহের কোন বিশেষ অংশের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য আইনকে স্থানীয় আইন বলে।
A "local law" is a law applicable only to a particular part of the territories comprised in Bangladesh.
৯৭৩.
Penal Code, 1860 এর ধারা ৪৪৯ অনুযায়ী, কোন ধরনের অনধিকার প্রবেশ শাস্তিযোগ্য?
  1. সাধারণ চুরি করার জন্য প্রবেশ
  2. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ
  3. সাধারণ কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ
  4. সম্পত্তি ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে প্রবেশ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) এর ধারা ৪৪৯ – মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য গৃহে অনধিকার প্রবেশ:
যে ব্যক্তি কোনো ঘর, গৃহ বা ভবনে অনধিকার প্রবেশ করে, সেই প্রবেশের উদ্দেশ্য থাকে কোনো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (offence punishable with death) সংঘটন করা, তাকে এই ধারার আওতায় শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।

শাস্তি
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life) অথবা
- সশ্রম কারাদণ্ড (Rigorous imprisonment) সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত, এবং
- অর্থদণ্ড (Fine) প্রযোজ্য।

৯৭৪.
বসতঘরে চুরির অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
  1. ৫ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  2. ৩ বছরের কারাদন্ড ও জরিমানা
  3. ৭ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা
  4. ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারার বিধান বাসগৃহ ইত্যাদিতে চুরি করা:- কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন গৃহ, তাঁবু জলযানে চুরি করে যে গৃহ তাঁবু বা জলযান মানুষের বাসস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয় অথবা সম্পত্তি হেফাজতের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

যেহেতু সশ্রম কারাদণ্ড বিনাশ্রম কারাদণ্ড থেকে কঠিন এজন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হিসেবে অপশন 'ঘ' (৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও জরিমানা)  নির্বাচন করা হয়েছে।
৯৭৫.
'নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাব (Undue influence at elections)' দণ্ডবিধির কত ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ১৭০
  2. ১৭১ক
  3. ১৭১গ
  4. ১৭১ঘ
সঠিক উত্তর:
১৭১গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১গ: নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাব-
(১) যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বা চেষ্টা করে কোনো নির্বাচনী অধিকারের মুক্ত ব্যবহারকে হস্তক্ষেপ করতে, সে নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাবের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।

(২) উপধারা (১)-এর সাধারণ বিধির উপর ক্ষতি না করে, যে ব্যক্তি—
(ক) কোনো প্রার্থী বা ভোটার অথবা প্রার্থী বা ভোটারের সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে কোনো ধরনের ক্ষতির ভয় দেখায়, অথবা
(খ) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে বা চেষ্টা করে যে সে বা তার সাথে সম্পর্কিত কেউ ঈশ্বরের অদৃষ্টদোষ বা আধ্যাত্মিক শাস্তির সম্মুখীন হবে,

তাহলে তাকে নির্বাচনী অধিকারের মুক্ত ব্যবহারকে হস্তক্ষেপ হিসাবে গণ্য করা হবে, যেমনটি উপধারা (১)-এ উল্লেখিত।

(৩) সরকারি নীতি বা সরকারি কর্মের প্রতিশ্রুতি, বা কোনো নির্বাচনী অধিকারে হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য ছাড়া শুধুমাত্র কোনো আইনগত অধিকার প্রয়োগ করা, এটি এই ধারার অধীনে হস্তক্ষেপ হিসাবে গণ্য হবে না।
৯৭৬.
রফিক হাসানকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে, পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে হাসান একটি চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। রফিক জানেন যে হাসান কোনো চুরি করেনি, তবুও তিনি এই মিথ্যা অভিযোগটি দায়ের করেন যাতে হাসানকে আইনি জটিলতায় ফেলা যায়। এই ধরনের কাজের জন্য, রফিক দণ্ডবিধির ______ ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত হবেন।
  1. ২১১
  2. ৩১১
  3. ৪১১
  4. ১১১
সঠিক উত্তর:
২১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১১
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ২১১ ধারার বিধান- ক্ষতি করিবার উদ্দেশ্যে অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ:

কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে,
তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৯৭৭.
X অন্যায়ভাবে Y-এর ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক Y-এর একটি আংটি নদীতে নিক্ষেপ করে। X-এর কৃত অপরাধ হলো-
  1. চুরি
  2. অর্থ আত্মসাৎ
  3. ক্ষতি
  4. জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
৯৭৮.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরির জন্য অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অসাধু উদ্দেশ্য
  3. মালিকের সম্মতি
  4. সাক্ষীর উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
অসাধু উদ্দেশ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধু উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৭৮ অনুসারে চুরির (Theft) অপরাধ গঠনের জন্য নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অপরিহার্য:
১. অসাধু উদ্দেশ্য (Dishonest intention)
২. অস্থাবর সম্পত্তি (Moveable property)
৩. দখলকারীর সম্মতি ব্যতীত (Without consent of the person in possession)
৪. সম্পত্তি স্থানান্তর (Moving the property)

প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে "অপরিহার্য উপাদান" - এবং এর মধ্যে অসাধু উদ্দেশ্য হলো সর্বাধিক মৌলিক ও অপরিহার্য উপাদান। কারণ, অসাধু উদ্দেশ্য ছাড়া সম্পত্তি নেওয়া হলে তা চুরি হিসেবে গণ্য হয় না (যেমন– ভুলবশত অন্যকারও জিনিস নিয়ে যাওয়া)।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বন্ধু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লেখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-378. Theft:
-Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.

৯৭৯.
মামুন তার বন্ধুর গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে ঘুষি মেরে বন্ধুকে আঘাত করে। তার সর্বোচ্চ শাস্তি নিচের কোনটি হতে পারে?
  1. ১ মাসের কারাদণ্ড 
  2. ২ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাসের কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : সর্বোচ্চ ১ মাসের কারাদণ্ড।

দণ্ডবিধির, ১৮৬০ এর ধারা ৩৩৪- প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত প্রদান:

যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক প্ররোচনার কারণে স্বেচ্ছায় আঘাত করে, যদি সে অন্য কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান না থাকে, কেবল সেই ব্যক্তিকে আঘাত করে যে প্ররোচনা দিয়েছে, তবে তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয়ই দেওয়া যেতে পারে।

৯৮০.
দণ্ডবিধির অধীন কত থেকে কত ধারা পর্যন্ত ফৌজদারী অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৭৬ থেকে ১০০ পর্যন্ত
  2. ধারা ৭৪ থেকে ১০৪ পর্যন্ত
  3. ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
  4. ধারা ৯৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৬ থেকে ১০৬ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর চতুর্থ অধ্যায় ৭৬ ধারা থেকে ১০৬ ধারা পর্যন্ত সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ বা General exceptions নিয়ে আলোচনা করা হয়।

♦ যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।

♦ পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।

♦  সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি দাবি করে তার কার্য বা কার্যবিরতি দণ্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় উল্লেখিত কোন সাধারণ ব্যতিক্রমের মধ্যে পড়ে, তবে তা প্রমাণের ভার উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৯৮১.
দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি কীভাবে গণ্য হবে?
  1. এটি অবৈধ বস্তু হিসেবে গণ্য হবে
  2. এটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে
  3. সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
  4. এটি কেবলমাত্র ধাতব বস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মুদ্রা এখন আর প্রচলিত না থাকে, তবে সেটি এখনো "বাংলাদেশি মুদ্রা" বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত এবং স্ট্যাম্পযুক্ত ধাতব বস্তু যা একসময় অর্থ হিসেবে ব্যবহৃত হতো, তা অর্থ হিসেবে ব্যবহারের বৈধতা হারালেও "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ, যদি কোনো মুদ্রা প্রচলন হারায়, তবুও এটি দণ্ডবিধির অধীনে মুদ্রার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

⇒ উদাহরণ: পুরাতন "ফতেহাবাদ" টাকা, যা একসময় সরকার অনুমোদিত মুদ্রা ছিল, কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত নয়—তবুও এটি "বাংলাদেশি মুদ্রা" হিসেবে বিবেচিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:- বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।
- বাংলাদেশি মুদ্রা:- বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 230. “Coin” defined Bangladesh coin:
- Coin is metal used for the time being as money, and stamped and issued by the authority of some State or Sovereign Power in order to be so used.
- Bangladesh coin is metal stamped and issued by the authority of the Government in order to be used as money; and metal which has been so stamped and issued shall continue to be Bangladesh coin for the purposes of this Chapter, notwithstanding that it may have ceased to be used as money.

Illustrations:
(a) Cowries are not coin.
(b) Lumps of unstamped copper, though used as money, are not coin.
(c) Medals are not coin, inasmuch as they are not intended to be used as money.
(d) The coin denominated as the Company's taka is the Queen's coin.
(e) The "Farukhabad" taka, which was formerly used as money under the authority of the Government of India, is Bangladesh coin although it is no longer so used.
৯৮২.
নিচের কোন পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা প্রযোজ্য হবে না?
  1. সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে।
  2. রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে।
  3. ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
  4. করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে।
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে।
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ (Criminal Trespass) তখনই হয়, যখন কেউ অন্য কারো দখলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে, অথবা ভীতি প্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, অথবা কেউ বৈধভাবে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে অবস্থান করে একই উদ্দেশ্যে (অপরাধ, ভীতি, অপমান বা বিরক্ত করা)।

প্রতিটি অপশন বিশ্লেষণ:
ক) সোহেল তার বন্ধুর জমিতে প্রবেশ করে ফসল চুরি করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ এটি অপরাধ (চুরি) সংঘটনের উদ্দেশ্যে প্রবেশ।
খ) রাকেশ তার প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে প্রবেশ করে তাকে অপমান করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে অপমান করা।
গ) ফারুক তার বন্ধুর দোকানে তার অনুমতি নিয়ে কেনাকাটা করতে প্রবেশ করে। → প্রযোজ্য নয় — কারণ এখানে বৈধ অনুমতি রয়েছে, এবং কোনো অপরাধ বা অপমান/ভীতি/বিরক্তির উদ্দেশ্য নেই। এটি স্বাভাবিক ও আইনি প্রবেশ।
ঘ) করিম তার প্রতিবেশীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ভীতি প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে। → প্রযোজ্য — কারণ উদ্দেশ্য হচ্ছে ভীতি প্রদর্শন।

→ অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা "গ" (ফারুকের পরিস্থিতি)-এ প্রযোজ্য নয়, কারণ সেটি আইনসম্মত এবং নির্দোষ প্রবেশ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:
- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:
- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৯৮৩.
‘A’ ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয় যাতে নৌকা ভেসে যায়, এবং এতে ‘Z’ ভয় পায়। দণ্ডবিধি অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. আক্রমণ
  2. সাধারণ বলপ্রয়োগ
  3. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
  4. কোনো অপরাধ নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর নৌকার বাঁধন খুলে দেয়, যার ফলে নৌকা ভেসে যায় এবং ‘Z’ ভয় পায়। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৯৮৪.
জীবন রক্ষার ক্ষেত্র ব্যতীত গর্ভবতী নারী ইচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করলে-
  1. কোন অপরাধ হবে না
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুন
  4. অবৈধ গর্ভপাত
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গর্ভপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ গর্ভপাত
ব্যাখ্যা
• ৩১২ ধারা মতে গর্ভবতী নারী স্বামী বা প্রেমিকের সম্মতিতে বা একক সম্মতিতে ইচ্ছাকৃতভাবে স্বেচ্ছায় গর্ভপাত করলে তা অবৈধ গর্ভপাত হিসেবে গণ্য হবে।
৯৮৫.
বেআইনী সমাবেশের (unlawful Assembly) উদ্দেশ্যে ভাড়াকৃত ব্যক্তিকে কেউ আশ্রয় দিলে তার শাস্তি কোন ধারায়?
  1. ১৪৯ ধারায়
  2. ১৫০ ধারায়
  3. ১৫৮ ধারায়
  4. ১৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারার বধান বেআইনী সমাবেশের জন্য ভাড়া করা ব্যক্তিদের আশ্রয়দান :- কোন ব্যক্তি যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদান করার জন্য কোন ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়েছে বা নিযুক্ত করা হয়েছে অথবা অনুরূপ কোন ব্যক্তি অনুরূপ উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া হতে বা নিযুক্ত হতে যাচ্ছে জানা সত্ত্বেও অনুরূপ ব্যক্তিকে বা অনুরূপ ব্যক্তিদের তার দখলাধীন বা তত্ত্বাবধানাধীন বা নিয়ন্ত্রণাধীন কোন গৃহে বা বাড়িতে বা স্থানে আশ্রয়দান করে, গ্রহণ করে বা সমাবিষ্ট করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা হবে।
৯৮৬.
What does Section 153A prohibit?
  1. Encouraging cultural exchange
  2. Speaking freely about class differences of citizens
  3. Promoting friendship between classes of citizens
  4. Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
সঠিক উত্তর:
Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Promoting enmity or hatred between different classes of citizens
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860-Section-153A. Promoting enmity between classes:
-Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.

Explanation.-It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.
----------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৩ক ধারার বিধান বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন উচ্চারিত বা লিখিত কথা কর্তৃক অথবা চিহ্ন কর্তৃক অথবা দৃশ্যমান প্রতীক কর্তৃক অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে শত্রুতার মনোভাব বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- বাংলাদেশের জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণীর মধ্যে বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাবপ্রসূত, বিষয়ারার বা যেসব বিষয় অনুরূপ বৈরিতা বা বিদ্বেষের মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে হয়, সেসব বিষয় দূরীকরণের সৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এবং কোনরূপ দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্য ছাড়া তৎসমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তা এই ধারার অর্থ অনুযায়ী অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
৯৮৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতি সাধিত হলে অনিষ্ট (mischief) এর জন্য শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৫
  2. ধারা ৪২৬
  3. ধারা ৪২৭
  4. ধারা ৪২৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২৭
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৪২৭ অনুযায়ী, যদি কেউ অনিষ্ট (mischief) করে এবং এর ফলে ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের ক্ষতি বা লোকসান ঘটে, তাহলে সেই ব্যক্তি দণ্ডনীয় অপরাধ করে।
- এই ধারায় শাস্তির বিধান দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৯৮৮.
বিকৃত মস্তিষ্কের কোন ব্যক্তিকে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সরিয়ে নিয়ে গেলে দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধ হবে?
  1. ধারা ৩৫৯
  2. ধারা ৩৬০
  3. ধারা ৩৬১
  4. ধারা ৩৬৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৬১
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান- আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:
কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

Section 361- Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship.
৯৮৯.
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা অনুযায়ী নরহত্যা কখন শাস্তিযোগ্য হয়?
  1. মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে
  2. যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জানা থাকা সত্ত্বেও করা
  3. দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে করা কাজের মাধ্যমে যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে
  4. উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারা- শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ১:
যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

ব্যাখ্যা (Explanation) ২:
যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:
মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ কোন ব্যক্তি যদি:
- মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজের মাধ্যমে দৈহিক জখম হতে পারে এবং সেই জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, এমন কাজ করে এবং তার ফলস্বরূপ মৃত্যু ঘটে,
- যে কাজ মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে সে জানে, সেই কাজ করে এবং তার ফলে মৃত্যু ঘটে, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।
৯৯০.
পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারন উদ্দেশ্য অপরাধ সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামী হতে হবে-
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ৭ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
♦ দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার বিধান একই উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক কৃত কার্যাবলী:- যখন কতিপয় ব্যক্তি একত্রিত হয়ে তাদের সকলের একই অভিপ্রায় সাধনকল্পে অপরাধমূলক কাজ সম্পাদিত করে, তখন অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য এইরূপে দায়ী হবেন যেন উক্ত কাজ উক্ত ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত হয়েছিল।
দন্ডবিধির ৩৪ ধারায় সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায়ের (Common Intention) বিধান রয়েছে।

♦সাধারণ অভিপ্রায়/অভিন্ন অভিপ্রায় (Common intention) - আদালত যৌথ দায় নির্ধারণের জন্য সাধারণ অভিপ্রায় বা অভিন্ন অভিপ্রায় বিবেচনা করেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একই অভিপ্রায়ে অপরাধ করলে উক্ত ব্যক্তিগণের অপরাধ করার সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention ছিল বলে মনে করতে হবে। সাধারণ অভিপ্রায় বা Common intention কোন অপরাধ নয় বরং এটা অপরাধীদের দায় নির্ধারনের একটি নীতি।

♦ ৩৪ ধারা অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য (Common Intention) এর জন্য কোন ব্যক্তিকে যৌথভাবে দায়ী করতে হলে অপরাধটি অবশ্যই সংগঠিত হতে হবে এবং সেখানে সর্বনিম্ন ২ জন ব্যক্তি থাকতে হবে। কারণ দুইয়ের অধিক না থাকলে সাধারণ অভিপ্রায়ে (Common Intention) গঠিত হয় না।
৯৯১.
‘D’ একটি বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল, যাতে সম্পত্তি রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে। সে অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙে ফেলে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুযায়ী ‘D’ এর শাস্তি নির্ধারিত হবে?
  1. ধারা ৪৫৯
  2. ধারা ৪৬০
  3. ধারা ৪৬১
  4. ধারা ৪৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬২
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪৬২ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো বন্ধ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে এবং সেই পাত্রে সম্পত্তি রয়েছে বা রয়েছে বলে সে বিশ্বাস করে, কিন্তু অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে সেই পাত্র ভেঙে ফেলে, তার শাস্তি হলো ৩ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয়ই। এখানে, ‘D’ পাত্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এবং অনুমতি ছাড়া অসাধুভাবে বা ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে পাত্রটি ভেঙেছে, তাই ধারা ৪৬২ প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ‘D’-এর কাজ ধারা ৪৬২-এর অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি-যুক্ত পাত্র অসাধুভাবে ভাঙা হিসেবে গণ্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ধারা ৪৬২।
-----------
⇒The Penal Code, 1860- Section-462.Punishment for same offence when committed by person entrusted with custody:
- Whoever, being entrusted with any closed receptacle which contains or which he believes to contain property, without having authority to open the same, dishonestly, or with intent to commit mischief, breaks open or unfastens that receptacle, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৯৯২.
জসিম একটি কল্পিত নাম ব্যবহার করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন। তার শাস্তি হতে পারে:
  1. শুধু জরিমানা
  2. সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল
  3. সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ এক বছরের জেল
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারা- নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারা- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয় দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 171D- Personation at elections:
Whoever at an election applies for a voting paper or votes in the name of any other person, whether living or dead, or in a fictitious name, or who having voted once at such election applies at the same election for a voting paper in his own name, and whoever abets, procures or attempts to procure the voting by any person in any such way, commits the offence of personating at an election.

Section 171F- Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
৯৯৩.
‘K’ তার পকেটে কুকুরের জন্য একটি টোপ রাখে এবং ইহার সাহায্যে ‘Z’-এর কুকুরকে ইহার অনুসরণ করতে প্রলুব্ধ করে। এক্ষেত্রে যদি কুকুরটিকে ‘Z’-এর অধিকার হতে ‘Z’-এর সম্মতি ব্যতিরেকে অসাধুভাবে নিয়ে যাওয়া 'K' -এর অভিপ্রায় হয়ে থাকে তাহলে ‘Z’-এর কুকুরটি ‘K’ কে অনুসরণ করার সঙ্গে কী ধরণের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে?
  1. চুরি
  2. দস্যুতা
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অসাধুভাবে বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
চুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি
ব্যাখ্যা
♦ দন্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৩৭৮ এর উদাহরণ খ অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
৯৯৪.
A এবং B আলাদাভাবে ও বিভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে C কে খুন করার পরিকল্পনা করে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, A এবং B মিলে বিষ প্রয়োগ করলে C মারা যায়। A এবং B এর দোষ সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
  2. A ও B প্রত্যেকে খুনে সহায়তার জন্য দোষী হবে
  3. A খুনের জন্য এবং B খুনে সহায়তার জন্য দায়ী হবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B প্রত্যেকে খুনের জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
-যে কোন একটি কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনে সহযোগীতা:
দণ্ডবিধির ৩৭ ধারা অনুযায়ী, যখন কিছু কাজের মাধ্যমে একটি অপরাধ সংঘটিত হয়, তখন কেউ যদি ঐ কাজগুলির মধ্যে একটি সম্পাদন করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি অপর অপরাধীদের সাথে সমানভাবে দায়ী হবে। এর মানে হল যে, একই অভিপ্রায় না থাকলেও যদি একজন অপরাধীর কাজ অপর অপরাধীর কাজের সহায়ক বা সমর্থনমূলক হয়, তবে উভয়েই অপরাধে দায়ী হবে।

উদাহরণ: ক ও খ আলাদাভাবে, ভিন্ন সময়ে একটু একটু করে বিষ প্রয়োগ করে ফ-কে খুন করার জন্য একমত হয়। ক ও খ, ফ-কে খুন করার উদ্দেশ্যে চুক্তি অনুযায়ী বিষ প্রয়োগ করে। তাদের দ্বারা বিষ প্রয়োগের ফলে ফ মারা যায়। এখানে ক ও খ ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করতে সহায়তা করেছে এবং তারা প্রত্যেকে এমন কাজ করেছে যার ফলে মৃত্যু ঘটেছে। তাই, যদিও ক ও খ এর কাজ পৃথক, তবুও উভয়েই ফ-কে খুনের অপরাধে দায়ী।
---------------
→ The Penal Code, 1860 Section- 37: Co-operation by doing one of several Acts constituting an offence:
- When an offence is committed by means of several acts, whoever intentionally co-operates in the commission of that offence by doing any one of those acts, either singly or jointly with any other person, commits that offence.
 
Illustrations:
(a) A and B agree to murder Z by severally and at different times giving him small doses of poison. A and B administer the poison according to the agreement with intent to murder Z. Z dies from the effects of the several doses of poison so administered to him. Here A and B intentionally co-operate in the commission of murder and as each of them does an act by which the death is caused, they are both guilty of the offence though their acts are separate. 
 
(b) A and B are joint jailors, and as such, have the charge of Z, a prisoner, alternately for six hours at a time. A and B, intending to cause Z's death, knowingly co-operate in causing that effect by illegally omitting, each during the time of his attendance, to furnish Z with food supplied to them for that purpose. Z dies of hunger. Both A and B are guilty of the murder of Z.
৯৯৫.
"চোরাই মাল" বলতে বোঝায়-
  1. চুরির ফলে হস্তান্তরিতকৃত সম্পত্তি
  2. দস্যুতার ফলে অর্জিত সম্পত্তি
  3. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
চোরাই মাল (Stolen Property):
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুযায়ী- যে সম্পত্তির দখল চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার ফলে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে বা অপরাধমূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ করা হয়েছে, সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে গণ্য করতে হবে। অর্থাৎ, যে সম্পত্তি নিম্নোক্ত উপায়ে অর্জিত হয়েছে তাকে "চোরাই সম্পত্তি" বলে গণ্য করা হবে:
১. চুরি করে অর্জিত সম্পত্তি;
২. জোরপূর্বক আত্মসাৎ করে অর্জিত সম্পত্তি;
৩. দস্যুতা করে আনীত সম্পত্তি;
৪. অপরাধমূলক উপায়ে অর্জিত সম্পত্তি;
৫. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্জিত সম্পত্তি।

শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৪১১ ধারা অনুসারে, যে ব্যক্তি চোরাই মাল গ্রহণ করে, সেই ব্যক্তি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৯৯৬.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী নিচের কোনটি গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
  2. মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
  3. কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত
  4. অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুযায়ী অপশন (ঘ) 'অস্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ' গুরুতর আঘাত হিসেবে গণ্য হবে না।

⇒The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
---------------------
⇒The Penal Code, 1860- Section 320- Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৯৯৭.
রাস্তায় পড়ে থাকা একটি মূল্যবান আংটি ‘ক’ পেয়ে মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রয় করে দেয়। দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুসারে এই অপরাধের নাম কী?
  1. প্রতারণা
  2. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
  4. 'ক'-এর কাজ কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ 
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুসারে, কোনো চলমান সম্পত্তি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা বা নিজের ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করা অপরাধমূলক সম্পত্তি অপচয় (অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ) হিসেবে গণ্য। ধারা ৪০৩-এর উদাহরণ (f) অনুসারে, ‘ক’ রাস্তায় একটি মূল্যবান আংটি পেয়েছে এবং মালিকের খোঁজ না করে তা অবিলম্বে বিক্রি করে দিয়েছে, যা অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।
সুতরাং, ‘ক’-এর কাজ ধারা ৪০৩ অনুসারে অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ।

(f) A finds a valuable ring, not knowing to whom it belongs. A sells it immediately without attempting to discover the owner. A is guilty of an offence under section 403 of The Penal Code, 1860.

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.

৯৯৮.
The Penal Code, 1860 অনুসারে কোনো কাজ সৎবিশ্বাসে কৃত বলে গণ্য হবে যদি কাজটি যথাযথ - সহকারে সম্পাদিত হয়।
  1. সতর্কতা ও মনোযোগ
  2. তৎপরতা ও সতর্কতা
  3. সরলতা ও মনোযোগ
  4. মনোযোগ ও সততা
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতর্কতা ও মনোযোগ
ব্যাখ্যা
- “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

- দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
৯৯৯.
The Penal Code,1860 অনুযায়ী হত্যার শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা
কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 302- Punishment for murder
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
১,০০০.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে কোন কাজের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করা
  2. বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা
  3. বস্তুটিকে বাস্তবিকভাবে স্থানান্তর করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী, কোন বস্তু স্থানান্তরিত হয়েছে বলে ধরা হয় যদি:
১) বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়, যেমন—আটকে থাকা একটি জিনিসকে মুক্ত করে দেওয়া;
২) বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যেমন—কোনো দেয়ালে আটকানো জিনিস খুলে নেওয়া;
৩) বাস্তবিকভাবে বস্তুটি স্থানান্তর করা হয়, অর্থাৎ নিজের হাতে সরিয়ে নেওয়া।
- এই তিনটি কাজের যেকোনো একটি বা একাধিক মিলেও যদি অস্থাবর সম্পত্তিকে দখলদারের সম্মতি ব্যতীত অসাধু উদ্দেশ্যে সরানো হয়, তাহলে তা চুরি (Theft) হিসেবে গণ্য হবে।
- অতএব, “ঘ) উপরের সবকটি” হল যথাযথ এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.