বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ বণ্টনের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ বণ্টনের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৫৩৭

৩০১.
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে কয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল ও শীতকাল। বাংলাদেশে মার্চ-মে ( ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল। জুন-অক্টোবর ( জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক ) পর্যন্ত বর্ষাকাল এবং নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস ( কার্তিক-ফাল্গুন ) পর্যন্ত সময়কালকে শীতকাল বলা হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৩০২.
আগ্নেয় পর্বতের (Volcanic Mountain) উদাহরণ কোনটি?
  1. ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
  2. কিলিমাঞ্জারো
  3. হিমালয় পর্বত
  4. বিন্ধ্যা পর্বত
সঠিক উত্তর:
কিলিমাঞ্জারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain) উদাহরণ কেনিয়ার কিলিমাঞ্জারো। 
• পর্বত (Mountains):

- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
(গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং,
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

• ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে। 
​- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কিলিমাঞ্জারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: 
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়। চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তুপ পর্বত বলে।
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

• ল্যাকোলিথ পর্বত:
- পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন গ্যাসের দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কোনো সময় বাধা পেয়ে এগুলো ভূপৃষ্ঠের উপরে না এসে ভূত্বকের নিচে একস্থানে জমাট বাঁধে। ঊর্ধ্বমুখী চাপের কারণে সস্ফীত হয়ে ভূত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে । 
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।

৩০৩.
’চর নিউটন‘ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. ভোলা 
  2. চট্টগ্রাম
  3. নোয়াখালী
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ভোলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা 
ব্যাখ্যা

- চর নিউটন ভোলা জেলায় অবস্থিত।

বাংলাদেশের চরসমূহ:

- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
– নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩০৪.
নিচের কোন অঞ্চলটি বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল নয়?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. রাজশাহী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
খরা:
- সাধারণত খরা বলতে কোনো এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে ভূমিতে পানির অনুপস্থিতিকে বুঝায়।
- অর্থাৎ কোনো এলাকা বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকলে বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- এর ফলে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় এবং পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
- এরূপ অবস্থাকে খরা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে খরার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান কোনটি?
  1. ক) দুর্যোগ পরবর্তী উন্নয়ন
  2. খ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার
  3. গ) দুর্যোগে সাড়া প্রদান
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুর্যোগ প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুর্যোগ প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন। এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

• সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
• দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
• অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০৬.
প্রাকৃতিক গ্যাস কোন খাতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. শিল্প উৎপাদনে
  2. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  3. সার উৎপাদনে
  4. গৃহস্থালিতে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে গ্যাসের ব্যবহারকারিদের ৮টি গ্রাহকশ্রেণি রয়েছে।
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ৩৭%, শিল্পে ২৩%, ক্যাপটিভ বিদ্যুতে ১৮%, গৃহস্থালিতে ১০%, সার উৎপাদনে ৭%, সিএনজিতে ৪% এবং বাণিজ্যিক ও চা শিল্পে ১% গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- কৃষি সেচ মৌসুম, রমজান মাস ও গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাহিদা আরো বেশি থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)

৩০৭.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস-
  1. ক) এপ্রিল
  2. খ) জুন
  3. গ) জুলাই
  4. ঘ) মে
সঠিক উত্তর:
ক) এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল এবং শীতলতম মাস - জানুয়ারি,
উষ্ণতম জেলা - রাজশাহী এবং শীতলতম জেলা - সিলেট,
উষ্ণতম স্থান - লালপুর, নাটোর এবং শীতলতম স্থান - শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৩০৮.
পাললিক শিলার উদাহরণ কোনটি?
  1. ব্যাসল্ট
  2. কেওলিন
  3. গ্রানাইট
  4. ডলোরাইট
সঠিক উত্তর:
কেওলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেওলিন
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
- বৃষ্টি, বায়ু, তুষার, তাপ, সমুদ্রের ঢেউ প্রভৃতি শক্তির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত ও বিচূর্ণীভূত হয়ে রূপান্তরিত হয় এবং কাঁকর, কাদা, বালি ও ধুলায় পরিণত হয়।
- ক্ষয়িত শিলাকণা জলস্রোত, বায়ু এবং হিমবাহ দ্বারা পরিবাহিত হয়ে পলল বা তলানিরূপে কোনো নিম্নভূমি, হ্রদ এবং সাগরগর্ভে সঞ্চিত হতে থাকে।
- পরবর্তীতে ঐসব পদার্থ ভূগর্ভের উত্তাপে ও উপরের শিলাস্তরের চাপে জমাট বেঁধে কঠিন শিলায় পরিণত হয়।
- পাললিক শিলা ভূপৃষ্ঠের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ দখল করে আছে।
- তবে মহাদেশীয় ভূত্বকের আবরণের ৭৫ ভাগই পাললিক শিলা।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে।
- স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার উদাহরণ।
- জীবদেহ থেকে উৎপন্ন হয় বলে কয়লা ও খনিজ তেলকে জৈব শিলাও বলে।
- অনেক পাললিক শিলার মধ্যে নানাপ্রকার উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায়।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- পাললিক শিলা স্তরীভূত, নরম ও হালকা এবং সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

উল্লেখ্য, ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ও ডলোরাইট আগ্নেয় শিলার উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০৯.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমি অঞ্চলের গাছ?
  1. শাল
  2. ময়না
  3. সুন্দরি
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
সুন্দরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরি
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে 'সুন্দরি' স্রোতজ বনভূমি অঞ্চলের গাছ।

⇒ বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- চাপালিশ, ময়না, তেলসুর প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।                                     
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায় না।

⇒ ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- শাল, কড়ই, হিজল প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।           
- গাছের পাতা একসঙ্গে ঝরে যায়।
   
⇒ স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সুন্দরি, গরান, গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া প্রভৃতি এই বনের বৃক্ষ।    
- স্রোতময় মিঠা ও নোনা পানির সংযোগস্থলে জন্মে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১০.
Golden Island কোথায় অবস্থিত?
  1. মহেশখালী
  2. ভোলা
  3. সন্দীপ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে নোয়াখালীর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠে জাহাইজ্জ্যার চর।
- যার বর্তমান নাম স্বর্ণদ্বীপ বা Golden Island।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে শুরু থেকেই চরটিকে ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতো দস্যুর দল।
- সমুদ্রের খুব কাছাকাছি হওয়ায় বছরের প্রায় আট মাসই জলমগ্ন থাকে দ্বীপটির অধিকাংশ এলাকা।
- তাই এখানে ফলস উৎপাদনে সবথেকে বড় বাধা এর মাটির লবনাক্ততা।
- তবে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে এখানে রবি শস্যের চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
- এছাড়া প্রায় ২০টি বাথানের মাধ্যমে কয়েক হাজার গরু, মহিষ এবং ভেড়া পালন করা হচ্ছে।
- স্বর্ণদ্বীপের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ব্যবহৃত হয় পশু চারণভূমি হিসেবে।
- ২০১৩ সালে সরকার দ্বীপটি সেনাবাহিনীকে বরাদ্দ দিলে পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

সূত্র: সময় নিউজ ও দৈনিক ইনকিলাব। 
৩১১.
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৮) মূল ফোকাস ছিল -
  1. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  3. ওজোনস্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
  4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
কপ-২৮ এ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস বিষয়ে দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে একমত হয়েছে প্রায় ২০০ দেশ। কপ-২৮ এর মূল ফোকাস ছিল এটি।
অন্যদিকে, জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৯) মূল ফোকাস ছিল জলবায়ু অর্থায়ন। 

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থান: আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- কপ-২৮ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে সরে আসার আহবান জলবায়ু সম্মেলনে।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
- COP এর পূর্ণরূপ: Conference of the parties.
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

⇒ ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরে 'কপ-২৭' অনুষ্ঠিত হয়।
- 'কপ-২৯' আয়োজিত হয়েছে আজারবাইজানে।
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।
৩১২.
'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে-
  1. ক) নদীর উৎপত্তিস্থলে
  2. খ) নদীর মোহনায়
  3. গ) নদীর নিম্ন অববাহিকায়
  4. ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা

- 'পলল পাখা' জাতীয় ভূমিরূপ গড়ে উঠে পাহাড়ের পাদদেশে।
- পার্বত্য কোনো অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে কোনো নদী যখন সমভূমিতে পতিত হয় তখন শিলাচূর্ণ, পলিমাটি প্রভৃতি পাহাড়ের পাদদেশে সমভূমিতে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাতপাখার ন্যায় ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- এ কারণে এরূপ পললভূমিকে পলল কোণ বা পলল পাখা বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩১৩.
বাংলাদেশের কোথায় প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে?
  1. নেত্রকোনায়
  2. শেরপুরে
  3. পাবনায়
  4. দিনাজপুরে
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি।

উৎস: ১৮ জুন ২০১৯, প্রথম আলো।
৩১৪.
'শৈলপ্রপাত' জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়িতে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) মৌলভীবাজারে
  4. ঘ) বান্দরবানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবানে
ব্যাখ্যা

- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবানে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- রিছাং ঝর্না খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩১৫.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইসটোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. কক্সবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. মৌলভীবাজার
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ভু-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং 
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
• দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের টাংগাইলের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৬.
বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে কত সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে?
  1. ১৯৬৫ সাল
  2. ১৯৬৬ সাল
  3. ১৯৬৭সাল
  4. ১৯৬৮ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় বনায়ন:
- বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বপ্রথম সফল উপকূলীয় বনায়নকারী দেশ।
- উপকূলীয় জনগণের আরও অধিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে ১৯৬৬ সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে।
- বন বিভাগ কর্তৃক উপকূলীয় বনায়ণের সফলতা প্রত্যক্ষ করে সরকার উপকূলীয় ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার একর (প্রায় ৫ লক্ষ  হেক্টর) এলাকা বনায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এর নিকট হস্তান্তর ও বন আইনের ৪ ধারায় সংরক্ষিত ঘোষণা করেছেন। 

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর।
৩১৭.
পৃথিবীর কোন শহর দুই মহাদেশে অবস্থিত?
  1. হ্যামারফাস্ট
  2. আস্তানা
  3. লিসবন
  4. ইস্তাম্বুল
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- দুই মহাদেশে অবস্থিত নগরী হচ্ছে তুরস্কের ইস্তানবুল
- এটি এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশে পড়েছে।
- এর পুরোনো নাম কন্সটান্টিনোপল।
- এছাড়া এটি বাইজান্টিয়াম নামেও পরিচিত ছিল।
- রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন এখানে রোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী স্থাপন করার পর এর নামকরণ করেন কনস্টান্টিনোপল।

উৎস: ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়াএবং হিস্টোরি ডটকম।
৩১৮.
SMOG কীভাবে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ধোঁয়া ও বায়ু
  2. খ) কুয়াশা ও বায়ু
  3. গ) কালোধোঁয়া ও বাতাস
  4. ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধোঁয়া ও কুয়াশা
ব্যাখ্যা
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে  SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভূতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি হয়।

 উৎস : National Geographic Society.
৩১৯.
বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র উষ্ণ পানির ঝর্ণা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের একমাত্র শীতল পানির ঝর্ণা কক্সবাজার হিমছড়িতে অবস্থিত।
- হামহাম ঝর্ণা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
- শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটির বরকলে অবস্থিত।
- রিসাং ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত ঝর্ণা বান্দরবানে অবস্থিত।
- তৈদুছড়া ঝর্ণা খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট।
৩২০.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ার্টজাইট
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

অন্যদিকে,

- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর : পাললিক শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি)
৩২১.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ১৫ ভাগ
  2. ১৭ ভাগ
  3. ২০ ভাগ
  4. ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন
- কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২২.
নিচের কোনটির কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
  1. খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে
  2. পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি হলে
  3. ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের কারণ:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় বহির্মুখী বাষ্পরাশির চাপে ভূমিকম্প হয়।
- পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি বা হিমবাহ অঞ্চলে হিমানী সম্প্রপাত হলে ভূমিকম্প হয়।
- খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভস্থ আগ্নেয় পদার্থের উর্ধ্বমুখী চাপের ফলে ভূ-কম্পন হয়।
-  ভূ-ত্বক সাতটি বৃহৎ এবং কতকগুলো ছোট প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহ একে অপরের দিকে, একে অপরের বিপরীতে অথবা পরস্পর সমান্তরালভাবে সঞ্চালিত হয়।
- এইরূপ সঞ্চালনের ফলে সৃষ্ট চাপ থেকে আকস্মিকভাবে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূ-পৃষ্ঠে এই কম্পন ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
- কোনো কারণে ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।

এছাড়াও,
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবল ফ্রিকশান হয়ে কোনো অংশ ধসে পড়ে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
- উত্তপ্ত ভূ-অভ্যন্তর তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে শিলাস্তরে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য স্থান পরিবর্তন করলে ভূ-ত্বক কেঁপে উঠলে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভে সঞ্চিত বাষ্পচাপ অধিক হলে নিম্নভাগে প্রবলভাবে ধাক্কা দেয়, এতে ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে।
- ভূ-গর্ভে চাপ হ্রাস পেলে এর অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত কঠিন পদার্থ গলে নিচের দিকে অপসারিত ও আলোড়িত হতে থাকে, এতে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৩.
কত সালে বাংলাদেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম নলকূপে আর্সেনিক শনাক্ত হয় ১৯৯৩ সালে।

আর্সেনিক:
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণ প্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

সূত্র: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৩২৪.
টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত পাহাড় আছে কোন অঞ্চলে?
  1. রাঙামাটি
  2. কুমিল্লা
  3. পটুয়াখালি
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
→ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
→ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
→ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
• এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
• এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৫.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রসীমার মীমাংসা হয়েছে কোন আদালতে?
  1. ক) আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
  2. খ) স্থায়ী সালিশি আদালত
  3. গ) আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত
  4. ঘ) সমুদ্র আইন আদালত
সঠিক উত্তর:
খ) স্থায়ী সালিশি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থায়ী সালিশি আদালত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনাম ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলা হয় নেদারল্যান্ডস এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালতে (Permanent Court of Arbitration-PCA)।
এই সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় হয় ২০১৪ সালের ৮ জুলাই।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ ছিল ২৫,৬০২ বর্গকিলোমিটার। এই মামলার রায়ে বাংলাদেশ পায় ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার।
উৎসঃ প্রথম আলো।
৩২৬.
পৃথিবীর গভীরতম খাতের নাম কী?
  1. ক) অ্যারাবিয়ান ট্রেঞ্চ
  2. খ) সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
  3. গ) পুয়ের্তোরিকো সমুদ্রখাত
  4. ঘ) মারিয়ানা সমুদ্রখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারিয়ানা সমুদ্রখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারিয়ানা সমুদ্রখাত
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রের সমভূমিতে সৃষ্ট গভীর খাত বা গর্তকে সমুদ্রখাত বলে। পৃথিবীর গভীরতম সমুদ্রখাত হলো মারিয়ানা সমুদ্রখাত।
• এর গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার। এটি প্রশান্ত মহাসাগরে গুয়াম দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

অন্যদিকে, 
• পুয়ের্তোরিকো (৮,৫৩৮ মি.) আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি সমুদ্রখাত।
• গঙ্গাখাত বা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি সমুদ্রখাত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
’টাঙ্গুয়ার হাওর’ কখন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২১ মে, ১৯৯২ সালে
  2. ১০ জুলাই, ২০০০ সালে
  3. ২১ জুলাই, ২০০০ সালে
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৩২৮.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
 
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
 
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
যেমন-
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
 
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৯.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কঠিন শিলা
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

​প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
​-  ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

​এছাড়াও, 
​- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
​- জাফলং ও তামাবিল অঞ্চলে চুনাপাথর পাওয়া যায়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।

৩৩০.
তাজিংডং(বিজয়) কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
  3. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
ব্যাখ্যা
তাজিংডং (বিজয়):

- এটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়, একত্রে 'বড় পাহাড়'।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত।
- তাজিংডং এর উচ্চতা: ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
- ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]।
- ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।
৩৩১.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কয়টি? [মে - ২০২৫] 
  1. ২৮টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৩৩২.
ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী নিম্নের কোন অঞ্চল প্লাইস্টোসিনকালের ভূমির অন্তর্ভুক্ত?
  1. বরেন্দ্র ভূমি
  2. লালমাই পাহাড়
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:

- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলোতে গম চাষ বেশি প্রসার লাভ করেছে?
  1. ক) পূর্বাঞ্চলের
  2. খ) পশ্চিমাঞ্চলের
  3. গ) দক্ষিণাঞ্চলের
  4. ঘ) উত্তরাঞ্চলের
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরাঞ্চলের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তরাঞ্চলের
ব্যাখ্যা

বর্তমানে খাদ্য-শস্যের প্রয়ােজনীয়তায় বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই গম চাষ হয়।
তবে, উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলাে গম চাষের জন্য বিশেষ উপযােগী।
- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালাে হয়।
রেফারেন্স - ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩৩৪.
তারুয়া দ্বীপ বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. ভোলা
  3. কক্সবাজার
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
তারুয়া দ্বীপ: 
- তারুয়া দ্বীপ বাংলাদেশের ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউনিয়নের দক্ষিণে অবস্থিত একটি সমুদ্র সৈকত।
- প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ বছর আগে সাগরে জেগে ওঠা এই দ্বীপটি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- এখানে হরিণ, বন্য মহিষ, বানর, লাল কাঁকড়াসহ বিভিন্ন প্রাণীর বসবাস রয়েছে।  

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ: 
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ছোট দ্বীপ।
- এটি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- একসময় এটিকে বলা হতো চর ওসমানী, বালুয়ার চর, গোল্ডেন আইল্যান্ড
- নিঝুম দ্বীপ মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।

মনপুরা দ্বীপ:
- মনপুরা দ্বীপ হচ্ছে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর এলাকার উত্তরদিকে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- এটি ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় কিছুটা অংশ জুড়ে অবস্থিত।
- এই দ্বীপের আয়তন ৩৭৩ বর্গ কিলোমিটার।

এছাড়াও, 
- বরিশাল বিভাগে অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা, যা দ্বীপ জেলা নামে পরিচিত।
- এই জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর। 

সূত্র: বাসস ও প্রথম আলো। 
৩৩৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি কয়লা ক্ষেত্র বিদ্যমান?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।

সূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩৩৬.
কোন ধরনের ভূ-গর্ভস্থ পদার্থ জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলা সৃষ্টি হয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) বালু
  3. গ) ম্যাগমা
  4. ঘ) ভষ্ম 
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাগমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যাগমা
ব্যাখ্যা
ম্যাগমা জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলা সৃষ্টি হয়?
 
• আগ্নেয়শিলা (Igneous Rocks):

- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয়শিলা নামে অভিহিত।
- আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে। লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলার সৃষ্টি হয়।
- পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা (Primary Rock) বলা হয়।
যেমন- ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৭.
নিচের কোন দ্বীপটি জাপানে অবস্থিত নয়?
  1. হোক্কাইডো
  2. কিউসু
  3. শিকোকু
  4. বোর্নিও
সঠিক উত্তর:
বোর্নিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোর্নিও
ব্যাখ্যা
• জাপান:
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো:
→ শিকোকু,
→ কিউসু, 
→ হনসু ও
→ হোক্কাইডো।

- আয়তনে বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ এই দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: Britannica & world Atlas.
৩৩৮.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. গ্যাস
  2. তেল
  3. কয়লা
  4. বায়ু
সঠিক উত্তর:
বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু
ব্যাখ্যা

অনবায়নযােগ্য সম্পদ:
- অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না।
- এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

নবায়নযােগ্য সম্পদ:
- যে জ্বালানি পুনঃপুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, নদীর বহমান পানি, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

সূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৯.
“কান্সা খিওং”- কোন নদীর আঞ্চলিক নাম?
  1. কর্ণফুলী
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. সুরমা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদী:
- কর্ণফুলী নদী রাংগুনিয়া উপজেলার ঠিক মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে। কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর আঞ্চলিক নাম - কান্সা খিওং।

=============================
• নামের ইতিকথা:

- কর্ণফুলী নদীর নামের উৎস সম্পর্কে বিভিন্ন কাহিনী প্রচলিত আছে। কথিত আছে যে, আরাকানের এক রাজকন্যা চট্টগ্রামের এক আদিবাসী রাজপুত্রের প্রেমে পড়েন। এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে তাঁরা দুই জন এই নদীতে নৌভ্রমণ উপভোগ করছিলেন। নদীর পানিতে চাঁদের প্রতিফলন দেখার সময় রাজকন্যার কানে গোঁজা একটি ফুল পানিতে পড়ে যায়। ফুলটি হারিয়ে কাতর রাজকন্যা সেটা উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু প্রবল স্রোতে রাজকন্যা ভেসে যান, তাঁর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। রাজপুত্র রাজকন্যাকে বাঁচাতে পানিতে লাফ দেন, কিন্তু সফল হন নি। রাজকন্যার শোকে রাজপুত্র পানিতে ডুবে আত্মাহুতি দেন। এই করুণ কাহিনী থেকেই  নদীটির নাম হয় 'কর্ণফুলী। মার্মা আদিবাসীদের কাছে নদীটির নাম কান্সা খিওং।

তথ্যসূত্র: রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
৩৪০.
কোনটি সবচেয়ে কঠিন খনিজ?
  1. রূপা
  2. হীরা
  3. সোনা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে কঠিন খনিজ - হীরা।

• খনিজ:
- ভূ-পৃষ্ঠ নানা প্রকার রাসায়নিক মৌলিক উপাদান একত্রে মিলিত হয়ে যে যৌগিক পদার্থের সৃষ্টি করে, তাকে খনিজ বলে।
- তবে কিছু কিছু খনিজ একটি মাত্র মৌল দ্বারাও গঠিত হতে পারে। যেমন- হীরা, সোনা, তামা, রূপা, পারদ ও গন্ধক ।

- এর মধ্যে হীরার কাঠিন্য সবচেয়ে বেশি এবং টেলক এর কাঠিন্য সর্বনিম্ন।
- খনিজ তরল, কঠিন ও বায়বীয় এই তিন ধরনের হয়।
- শিলা ও খনিজের মূল পার্থক্য হচ্ছে খনিজ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানে গঠিত আর বিভিন্ন খনিজের সমন্বয়ে শিলা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪১.
’ডেকার হাওর’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. সিলেট 
  2. সুনামগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ডেকার হাওর:
- সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার এবং সুনামগঞ্জ সদরের অধীনে অবস্থিত।
- এর আয়তন ২৫,১০০ হেক্টর।
- এতে বেশ কয়েকটি বড় অগভীর বিল রয়েছে যাতে ভাসমান এবং উদ্ভিদ জলজ উদ্ভিদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রয়েছে,
- যা ধানক্ষেত দ্বারা ঘেরা। 

আরো কয়েকটি হাওড়:
• হাইল হাওর:
- হাইল হাওর মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার অধীনে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫,১০০ হেক্টর।
- এটি দক্ষিণ-পূর্বভাগে তারাপ এবং বানুগাছ পাহাড়শ্রেণীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

বাইক্কা বিল:
- বাইক্কা বিল হলো হাইল হাওরের মধ্যে অবস্থিত ১০০ হেক্টর আয়তনের একটি জলাভূমি অভয়ারণ্য।
- এতে উন্মুক্ত জলস্থান রয়েছে যাতে উদ্ভিদ (প্রধানত পদ্ম) উদ্ভিদ এবং স্থানীয় জলাভূমি বনের একটি ফ্রিঞ্জ রয়েছে।
- বিলটি মাছ সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারের জন্য সুরক্ষিত এবং এতে প্রায় ৯০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- শীতকালে প্রায় ১৪১ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে বিশ্রাম এবং বাসার জন্য ব্যবহার করে। 

উৎস: বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।

৩৪২.
“বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবনের উত্তরে
  2. খ) পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
  4. ঘ) মেঘনা মােহনায়
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।

সূত্র: প্রথম আলো।
৩৪৩.
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়
 - ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি জন্মলাভ করেছে।
- তৎকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৪″ব্যাস সম্পন্ন ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের পর ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। 
- কর্পোরেশন : বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়  : বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
- তিতাস অধিভূক্ত এলাকা : বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

উৎস: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, ওয়েবসাইট।

৩৪৪.
সেন্ট মার্টিনকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া:
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মত্স্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্রের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিমি এলাকাকে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।

• বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ধারা ১৩ (১) ও ১৩ (২)-এর ক্ষমতাবলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাধীন বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন দ্বীপকে ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ ঘোষণা করে।
- এ মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়াটি এখন পর্যন্ত দেশের সর্ববৃহৎ এবং দ্বিতীয় মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিকভাবে হুমকির মুখে থাকা প্রবাল, গোলাপী ডলফিন, হাঙ্গর, রে মাছ, সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক পাখি, সামুদ্রিক ঘাস, সামুদ্রিক জীব বৈচিত্র্য এবং এদের আবাসস্থল সংরক্ষণ; সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই আহরণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার মানোন্নয়ন; ব্লু ইকোনমি সমৃদ্ধকরণ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-১৪) অর্জনের লক্ষ্যে এই সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মিয়ানমার সীমান্তের কাছে বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- দ্বীপটি কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনের ৫৯০ হেক্টর এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করেছিল সরকার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বণিক বার্তা।

৩৪৫.
সুন্দরবনের চারপাশে কত কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৮ কিলোমিটার
  2. ১০ কিলোমিটার
  3. ১২ কিলোমিটার
  4. ১৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন। 
- সারা দেশের মেরুদণ্ডী ও অমেরুদণ্ডী প্রাণীর আনুমানিক মোট প্রজাতি ১১ হাজার ৮০০টির মধ্যে সুন্দরবনেই আছে ২ হাজার ২০০।
- বৈশ্বিকভাবে বিপদাপন্ন ৩১টির বেশি প্রজাতি আছে এখানে।
- সুন্দরবনে মোট উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা ৩৩৪। 
- বিশ্বের মোট ৪৮ প্রজাতির শ্বাসমূলীয় বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরবনেই রয়েছে ১৯টি। 
- সুন্দরবনের প্রায় ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে।
- পৃথিবীর বেশির ভাগ ম্যানগ্রোভ বনে দুই থেকে তিন প্রজাতির শ্বাসমূল রয়েছে। আর সুন্দরবনে ছয় ধরনের শ্বাসমূল দেখা যায়, যা বনটিকে স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৫ এর ক্ষমতাবলে সুন্দরবনের ৫২ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্য ও চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৪৬.
সর্বপ্রথম কত সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
৩৪৭.
ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে -
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) লৌহ
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম ।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

ভূ-ত্বকে,
অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।
-
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৮.
বাংলাদেশে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ -
  1. ১৫.৫৮ শতাংশ
  2. ১৭.৬১ শতাংশ
  3. ১০.৭৪ শতাংশ
  4. ২২.৪২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১০.৭৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৭৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বনভূমির পরিমাণ

- একটি দেশের মোট আয়তনের তুলনায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট আয়তনের মাত্র ১৫.৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪ শতাংশ। 
- বাংলাদেশের মোট বনভূমি - ২২.৪২ লক্ষ হেক্টর (৫৫.৪ লক্ষ একর)।
- একক বনভূমি হিসাবে দেশের বৃহত্তম বনভূমি - সুন্দরবন (৬০১৭ বর্গ কিমি)।
- দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল - চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম এর বনাঞ্চল।

- দিন দিন এদেশে বনভূমির পরিমাণ আশংকাজনক হারে কমছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্বক হুমকি।
- এই থেকে পরিত্রাণে জাতীয় পর্যায়ে রক্ষনাবেক্ষন এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও বৃক্ষরোপন বৃদ্ধি ও বৃক্ষনিধন হ্রাসে আমাদের সচেতন হতে হবে।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩৪৯.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র
  2. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  3. হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
  4. সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র হলো হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র,
- এটি ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলায় আবিষ্কৃত হয়।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র,
- এটি ১৯৯৬ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- এছাড়া, দেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।[ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র হলো ভোলার ইলিশা-১, এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

৩৫০.
নিম্নলিখিত কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন (ECA) এলাকা?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. মেরজাত বাওড়
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• এলাকাগুলো:
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৩৫১.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
  2. খ) চট্টগ্রামের রাউজানে
  3. গ) জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
  4. ঘ) সিলেটের হবিগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রামের রাউজানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রামের রাউজানে
ব্যাখ্যা
• মহামুনি বিহার চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।

মহামুনি বিহার:
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়। 

উৎস: সমকাল পত্রিকা।
রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ- ১৪ এপ্রিল, ২০১৮।
৩৫২.
Which country is cooperating to implement 'Bangladesh Delta Plan, 2100'?
  1. Beigium
  2. Denmark
  3. USA
  4. Netherland
সঠিক উত্তর:
Netherland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Netherland
ব্যাখ্যা
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০:   
• ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা।
• এটি মূলত একটি পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা। 
• বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল।

• ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়। 
• এটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।  

• ২০২০ সালের ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
• বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

• এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
• এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।

• ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে; 
• নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। 

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট। 
৩৫৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন জেলায় জ্বালানি তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. বিবাড়িয়া
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের খনি:
- বাংলাদেশের সিলেট জেলায় গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপের ১ম স্তরে জ্বালানি তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- সিলেটে জৈন্তাপুর-গোয়াইনহাট এলাকায় গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে ২৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন হয়েছে।
- এই কূপে ৪টি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
- স্তরগুলো প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মিটারের ঊর্ধ্বে।
- এখানে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেল উঠছে, প্রথম দিন দুই ঘণ্টা ৭০ ব্যারেল তেল উঠেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ৩৭ বছর পর আবারও ভূগর্ভে তেলের সন্ধান মিলেছে।

উৎস: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৩৫৪.
কোনটি থেকে গ্রাফাইট উৎপন্ন হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. বেলেপাথর
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
→ আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
→ ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
→ চুনাপাথর রূপান্তরি হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাদা ও শেল রুপান্তরিত হয়ে স্লেট,
→ গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫৫.
ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশে কয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৬টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
৩৫৬.
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প: 
- উত্তর জনপদের বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বাড়তি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মূল পরিকল্পনা গৃহীত হয় ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে।
- পরবর্তীতে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে লালমনিরহাট ও নীলফামারী মহকুমার সীমান্তে তিস্তা নদীর উপর ৪৪টি রেডিয়াল গেট সম্বলিত ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ব্যারেজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে।
- বাইপাস ক্যানেলের উপর নির্মিত গেট সহ এ ব্যারেজের মোট গেট সংখ্যা ৫২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫৭.
নিচের কোন জেলায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই-এ দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩৫৮.
যানবাহনের কালো ধোঁয়া কিভাবে পরিবেশকে দূষিত করে?
  1. ক) বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  2. খ) বাতাসে ফ্লোরাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  3. গ) বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  4. ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা
গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন, কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে। যা পরিবেশকে দূষিত করে।
৩৫৯.
প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়-
  1. ক) নাইরোবিতে
  2. খ) জেনেভায়
  3. গ) স্টকহোমে
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
সঠিক উত্তর:
গ) স্টকহোমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টকহোমে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এটির নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৩৬০.
গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কার্টাগোনা প্রোটোকল জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশনের সম্পূরক হিসেবে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৩৬১.
সার্ক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গুজরাট
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কাঠমান্ডু
  4. ঘ) থিম্পু
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

- সার্ক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র - ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র অবস্থিত ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধীনগরে। পূর্বে এটি ভারতের নয়াদিল্লিতে ছিল।
- সার্ক বন কেন্দ্র - থিম্পু, ভুটান।
- সার্কের সদর দপ্তর কাঠমন্ডুতে অবস্থিত।
উৎসঃ উৎসঃ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রর ওয়েবসাইট।

৩৬২.
ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে কোন ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়?
  1. ক) কালবৈশাখি ঝড়
  2. খ) অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) ভূমিকম্প
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের যে তারতম্য হয়, তাতে ভূ-অভ্যন্তরে প্রচন্ড শক্তির সৃষ্টি হয় এবং ভূ-ত্বকের আকস্মিক ও ধীর পরিবর্তন হয়।
• ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি হয়ে থাকে।
• এসব দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় দূষণের উদ্ভব হতে পারে। যেমন- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে গ্রাম, শহর ও জনপদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই নগর লাভার নিচে চাপা পড়ে। এছাড়া ছাই, ভস্ম ইত্যাদি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বাতাস দূষিত করে তোলে।
• আবার ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ, জীবজন্তু মারা যায় এবং ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়। মৃতদেহসমূহ দ্রুত সরাতে না পারলে তা পচে দুর্গন্ধ এবং রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বায়ু, পানি এবং মৃত্তিকা দূষণ
দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায় যে, ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগসমূহ দূষণের কারণ হিসেবে কাজ করে।   

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৩.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
▪ এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
▪ স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
▪ তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত। 
তাজিংডং এর উচ্চতা:
▪ ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
▪ ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]। 
▪ ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।
▪ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান)।
▪ বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় হচ্ছে গারো পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৩৬৪.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) সক্রিয়
  2. খ) মৃত
  3. গ) নিস্তেজ
  4. ঘ) সুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্ত
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠে ছিদ্রপথ পা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।
- জাপানের ফুজিয়ামা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- ইরানের কোহিসুলতান মৃত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৬৫.
নদী প্রবাহের কোন পর্যায়ে স্রোতের গতিবেগ সর্বাধিক থাকে?
  1. ক) ধীরগতি
  2. খ) মধ্যগতি 
  3. গ) উর্ধ্বগতি
  4. ঘ) নিম্নগতি 
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বগতি
ব্যাখ্যা
• নদী প্রবাহ:
- পর্বতের উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর প্রবাহকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
এগুলো হলো:
- উর্ধ্বগতি, মধ্যগতি এবং নিম্নগতি।
- উর্ধ্বগতি হলো প্রাথমিক অবস্থা যেখানে ক্ষয় সাধন হলো প্রধান কাজ এবং এতে নদীর স্রোতের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- মধ্যগতি শুরু হয় যখন নদী সমভূমি দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় সঞ্চয় সাধন প্রধান কাজ। স্রোতের বেগ পূর্বের তুলনায় অনেক কমে যায়।
- সর্বশেষ হলো নিম্নগতি যেখানে স্রোতের বেগ একেবারেই কমে যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৩৬৬.
ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশ অধিকৃত ‘সুন্দরবন' বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় -
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- ইউনেস্কো ১৯৮৭ সালে ভারত সংলগ্ন সুন্দরবন অঞ্চলকে 'World Heritage site' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩৬৭.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা নয়?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. জিপসাম
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ। 

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৮.
মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস সীমান্তে মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলকে কী বলে?
  1. ক) গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  2. খ) ট্রায়াঙ্গেল ক্রিসেন্ট
  3. গ) গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
ব্যাখ্যা

The Golden Crescent is a key area of illegal opium growth spanning Western, Central, and South Asia. It covers the mountains of Afghanistan, Iran, and Pakistan.
It should not be confused with the Golden Triangle which is the only other significant region of illegal opium growing area.
It is easy to differentiate the two by geographical coverage because the Golden Triangle covers South East Asia at the borders of Laos, Thailand, and Myanmar.
Source: worldatlas

৩৬৯.
মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়-
  1. ক) ১৯৮৭ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই প্রটোকল কার্যকর হয় ১৯৮৯ সালে।
- এই প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল বায়মণ্ডলের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর পুরো নাম: Montreal Protocol on Substance that Deplete the Ozone Layer।
- বাংলাদেশ এটি অনুমােদন করে ১৯৯০ সালে।

৩৭০.
নিচের কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. তুরাগ নদী
  2. সোনাদিয়া দ্বীপ
  3. মারজাত বাওড়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- ভূপ্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থার কারণে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
- কিন্তু অপরিণামদর্শী কর্মকান্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নানান ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। 
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়,  গুলশানবারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৩৭১.
বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার জনসংখ্যার কত শতাংশ চরম তাপমাত্রা প্রবাহের ঝুঁকিতে থাকবে?
  1. প্রায় ৯০ শতাংশ
  2. প্রায় ৭০ শতাংশ
  3. প্রায় ৮০ শতাংশ
  4. প্রায় ৫০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বিশ্বব্যাংকের "Risk and Resilience: Helping People and Firms Adapt in South Asia" রিপোর্ট:
- প্রকাশিত হয়:  জুন, ২০২৫।
- ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার (বাংলাদেশসহ) মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০% (প্রায় ১.৮ বিলিয়ন মানুষ) চরম তাপের ঝুঁকিতে থাকবে।
- এই ঝুঁকি উত্তাপ তরঙ্গের ফলে স্বাস্থ্য সমস্যা, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাসের কারণ হবে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উচ্চতম তাপ-ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার হিসেবে,
- যেখানে ২০২৪ সালেই উত্তাপ-সম্পর্কিত ক্ষতি GDP-এর ০.৪% (প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার) হয়েছে।
- রিপোর্টটি জলবায়ু অভিযোজনের জন্য আর্থিক সুরক্ষা এবং ব্যক্তিগত-কর্মক্ষেত্রীয় প্রস্তুতির উপর জোর দিয়েছে, যাতে এই ঝুঁকি মোকাবেলা করা যায়।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৩৭২.
দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র কোনটি?
  1. বড়পুকুরিয়া
  2. জামালগঞ্জ
  3. ফুলবাড়ী
  4. খালাসপীর
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩৭৩.
পাশাপাশি অবস্থিত দুইটি নদীর মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত উঁচু পলল সমভূমি অঞ্চলকে কী বলা হয়?
  1. নদীসঙ্গম
  2. নদী উপত্যকা
  3. দোয়াব
  4. নদীগর্ভ
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোয়াব
ব্যাখ্যা
নদীর বিভিন্ন অংশ ও গতিপথ:
দোয়াব: পাশাপাশি অবস্থিত দুইটি নদীর মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত উঁচু পলল সমভূমি অঞ্চলকে দোয়াব বলে।
যেমন: গঙ্গা ও যমুনার মধ্যবর্তী দোয়াব অঞ্চল।
নদীসঙ্গম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসঙ্গম বলে। যেমন: পদ্মা ও যমুনার
মিলনস্থল গোয়ালন্দ উক্ত দুই নদীর নদীসঙ্গম অঞ্চল।
উপনদী: পর্বত বা হ্রদ থেকে ছোট নদী উৎপন্ন হয়ে কোনো বড় নদীতে পতিত হলে তাকে সেই বড়
নদীর উপনদী বলে। বাংলাদেশের তিস্তা ও করতোয়া হলো যমুনা নদীর উপনদী।
শাখানদী: মূল নদী থেকে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। বাংলাদেশের কুমার ও
গড়াই হলো পদ্মা নদীর শাখানদী।
নদী উপত্যকা: উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে
উক্ত নদী উপত্যকা বলে।
নদীগর্ভ: নদী উপত্যকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৪.
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেটে
  2. ভোলায়
  3. চট্টগ্রামে
  4. বঙ্গোপসাগরে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
→ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।

সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
- ২০০৭-০৮ সালে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনে ধস নামে।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার এমআইএস রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৪৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] 
৩৭৫.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি বিস্তৃত কোন অঞ্চলে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুমিল্লা
  4. পার্বত্য চট্টগাম
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য চট্টগাম
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগাম তথা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৭৬.
'Mobarokpur Gas Field' is located in -
  1. ক) Netrokona
  2. খ) Hobigonj
  3. গ) Moulivibazar
  4. ঘ) Pabna
  5. ঙ) None of these
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pabna
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Pabna
ব্যাখ্যা
- মোবারকপুর গ্যাস ক্ষেত্র পাবনায়  অবস্থিত। 
- ২০১৭ এই গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। 
 
উৎস : সমকাল 
৩৭৭.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় -
  1. ক) ৬ ঘন্টা আগে
  2. খ) ৬ ঘন্টা পরে
  3. গ) ৫ ঘন্টা আগে
  4. ঘ) ৫ ঘন্টা পরে
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘন্টা আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘন্টা আগে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। অন্যদিকে, গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ভূগোল ও পরিবেশ।

৩৭৮.
কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. আঁড়িয়াল বিল
  3. চলন বিল
  4. কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
• প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
→ পরিবেশ অথবা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হলে ওই এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ বলা হয়।
→ ইংরেজিতে বলা হয় - Ecologically Critical Areas (ECAs)
→ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
→ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এলাকাগুলো যথাক্রমে- সুন্দরবন (১৯৯৯), কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত (১৯৯৯), সেন্টমার্টিন দ্বীপ (১৯৯৯), সোনাদিয়া দ্বীপ (১৯৯৯), হাকালুকি হাওর (১৯৯৯), টাঙ্গুয়ার হাওর (১৯৯৯), মারজাত বাঁওড় (১৯৯৯), গুলশান-বািরধারা লেক (২০০১), বুড়িগঙ্গা নদী (২০০৯), তুরাগ নদী (২০০৯), বালু নদী (২০০৯), শীতলক্ষ্যা নদী (২০০৯) ও জাফলং-ডাউকি নদী (২০১৫)।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৩৭৯.
প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি কোনটি?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. লালমাই পাহাড়
  4. গারো পাহাড়
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি :
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। 
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮০.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে এটি আবিষ্কৃত হয় এবং
- ১৯৮৭ সালে এখান থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, 
- প্রাথমিক জরিপের হিসাব অনুযায়ী, হরিপুর তেলক্ষেত্রে অন্তত ১ কোটি (বা ১০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ তেলক্ষেত্রে যে মজুত, তার মাত্র ৫ শতাংশ তেল উত্তোলন করা হয়। মাটির নিচে রয়ে যায় বাকি প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল।

সূত্র: প্রথম আল [লিঙ্ক]। 

৩৮১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গারো পাহাড় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৮২.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান কোথায় পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. নওগাঁ
  3. রাজশাহী
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
লোহার খনির: 
- বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় পাওয়া গেছে।
- এই খনি ইসবপুর গ্রামে আবিষ্কৃত হয় এবং এটি বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) দ্বারা খুঁজে পাওয়া যায়।
- খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) সহ মূল্যবান কপার, নিকেল এবং ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি রয়েছে।
- ভূগর্ভের ১,৩০০ থেকে ১,৬৫০ ফুট গভীরে লোহার স্তর পাওয়া গেছে এবং এই খনির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিটি থেকে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ অন্যান্য মূল্যবান পদার্থ উত্তোলন সম্ভব হবে।

সূত্র: প্রথম আলো 
৩৮৩.
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম-
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
ব্যাখ্যা
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম চীন। 
দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া, তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত।
উৎস: statista.com
৩৮৪.
দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. ৩০টি
  2. ২৯টি
  3. ২৮টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এর মধ্যে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছে। [ডিসেম্বর- ২০২৪]
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৩৮৫.
সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট কুসি
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
  3. অ্যাটলাস পর্বত 
  4. মাউন্ট এটনা
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
ব্যাখ্যা

- মাউন্ট কুসি (Mount Koussi) সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি চাদে অবস্থিত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যা সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে পরিচিত।

• সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩৮৬.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ১,২০০ মেগাওয়াট
  2. ২,৪০০ মেগাওয়াট
  3. ৩,৬০০ মেগাওয়াট
  4. ৪,২০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
২,৪০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

• রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Rooppur Nuclear Power Plant – RNPP):
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর গ্রামে, পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট। 
- এটি দুটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটে বিভক্ত।
- প্রতিটি ইউনিট VVER-1200 রিয়্যাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

- কেন্দ্রটি বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পরমাণু শক্তি কমিশন।
- এবং নির্মাণ কাজ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটোম এর প্রকৌশল বিভাগ এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
- মূল নির্মাণ চুক্তি ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়;
- যার বাস্তবায়ন সময়কাল ধরা হয় ৭ বছর, এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদকাল ৬০ বছর।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
- ৫ অক্টোবর ২০২৩ রাশিয়া বাংলাদেশকে কেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম সরবরাহ করে।
- এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম এবং দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৩৮৭.
সিলেট জেলার হরিপুরে খনিজ তেল আবিষ্কৃত হয় কবে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

খনিজ তেল (Petroleum):
- বর্তমান যান্ত্রিক যুগে খনিজ তেল একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। 
​- শক্তি, তাপ এবং আলো উৎপাদনের কাজে খনিজ তেল ব্যবহার করা হয়। 
​- খনিজ তেল পরিশোধন করে ডিজেল, কেরোসিন, গ্যাসোলিন, প্যারাকিন, বিটুমিন প্রভৃতি পাওয়া যায়। 
​- ১৯৮৬ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের সপ্তম কূপে বাংলাদেশে প্রথম তেল পাওয়া যায়। 
​- একূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়।
​- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে দৈনিক প্রায় ১২০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়।
​- এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে খনিজ তেল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে বিশেষজ্ঞগণ ধারণা করছেন। 

​উল্লেখ্য,
- ​বাংলাদেশের জ্বালানি তেল মজুদ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, বিপনন এবং চাহিদা অনুযায়ী আমদানির কাজ সম্পাদন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। 
​- অপরিশোধিত খনিজ তেল চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারী শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম লবনাক্ত পানির হ্রদ কোনটি?
  1. ক) বৈকাল
  2. খ) কাস্পিয়ান
  3. গ) সুপিরিয়র
  4. ঘ) টিটিকাকা
সঠিক উত্তর:
খ) কাস্পিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাস্পিয়ান
ব্যাখ্যা
- কাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর ককেশাস পর্বতমালার পূর্বে এবং মধ্য এশিয়ার বিস্তীর্ণ মাঠের পশ্চিমে অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর পাঁচটি দেশ দ্বারা সীমান্তবর্তী: কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আজারবাইজান এবং রাশিয়া।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ হলো টিটিকাকা
- বৈকাল (রাশিয়া) পৃথিবীর প্রাচীনতম ও গভীরতম হ্রদ।
- সুপিরিয়র পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
- লেক আসাল (জিবুতি) সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।

উৎস: ব্রিটানিকা 
৩৮৯.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. ক) উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
  2. খ) উপকূলীয় মরুভূমি
  3. গ) শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. ঘ) শীতল মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
ব্যাখ্যা
চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:

- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯০.
বাংলাদেশের উচ্চতম পাহাড়ের নাম কী?
  1. সীতাকুণ্ড পাহাড়
  2. কুলাউড়া পাহাড়
  3. গারো পাহাড়
  4. লালমাই পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- গারো পাহাড়ের দীর্ঘতম নদীটির নাম সিমসাং।
- নদীটির উৎপত্তি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৪০০ মিটার উচ্চতায় নকরেক অঞ্চলে, পরবর্তীতে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয়, যা বান্দরবানে অবস্থিত এবং উচ্চতা ১২৩১ মিটার।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত এবং যা হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৯১.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল -
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এই অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু অংশ খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
এই অঞ্চলে খরার কারণগুলো নিম্নরূপ:
স্বল্প বৃষ্টিপাত: এই অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় কম। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে মাটি আর্দ্রতা হারায় এবং কৃষিকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তীব্র গ্রীষ্মকাল: উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মাটির আর্দ্রতা দ্রুত হ্রাস পায় এবং খরার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
জলবায়ুর পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের ধরণে পরিবর্তন আসছে, যা খরার প্রবণতা বাড়িয়ে তুলছে।
নদীপ্রবাহের হ্রাস: এই অঞ্চলে নদীপ্রবাহের পরিমাণ কম হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নেমে যায়, যার ফলে কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় পানি সংকট দেখা দেয়।
আবহাওয়ার চক্র: এই অঞ্চলের আবহাওয়ার চক্রের কারণে খরার প্রবণতা বেড়ে যায়। বিশেষ করে রবি ফসলের সময় মাটির আর্দ্রতা কম থাকে, যার ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী ও ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯২.
ভূ-অভ্যন্তরস্থ কোন স্তরটি অত্যধিক তাপ ও চাপে আঠালো অবস্থায় রয়েছে?
  1. বহিঃ কেন্দ্রমণ্ডল
  2. অন্তঃস্থ কেন্দ্রমণ্ডল
  3. গুরুমণ্ডল
  4. অশ্মমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
গুরুমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুরুমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• গুরুমণ্ডল (Mantle):
- অশ্মমণ্ডলের অব্যবহিত পর থেকে ভূ-অভ্যন্তরে প্রায় ২,৮৮৫ কি.মি. পর্যন্ত পুরুত্ব বিশিষ্ট স্তরটিকে গুরুমণ্ডল বলে।
- এই স্তরটির গাঠনিক উপাদানগুলো হলো-সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ।
- অত্যধিক তাপ ও চাপে গুরুমণ্ডলের উপাদানগুলো কঠিন ও তরলের মাঝামাঝি আঠালো অবস্থায় রয়েছে।

- গুরুমণ্ডলের প্রধান স্তর দুইটি হলো-
→ (ক) লোহা ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ সিলিকেট খনিজ দ্বারা তৈরি উর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (৭০০ কি.মি. বিস্তৃত) এবং
→ (খ) আয়রন অক্সাইড, ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড ও সিলিকন অক্সাইড সমৃদ্ধ নিম্ন গুরুমন্ডল। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
  1. ১৯ শতাংশ
  2. ১২ শতাংশ
  3. ১৬ শতাংশ
  4. ৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------
বনাঞ্চল:

- বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
সুতরাং,
সে হিসেবে উত্তর ১৬ শতাংশ ধরা হয়েছে।

- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
- বাংলাদেশে সংরক্ষিত বনের পরিমাণ ১৫.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মোট আয়তন ২৫৭৫১৯৬.০১ হেক্টর বা ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৬ লক্ষ হেক্টর।
- ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- যেমন- পাহাড়ী বন, প্রাকৃতিক ম্যনগ্রোভ বন, সৃজিত উপকূলীয় বন, শাল বন, জলাভূমির বন ইত্যাদি।
- বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
- বনভূমি ছাড়াও দেশের গ্রাম এলাকায় প্রচুর গাছপালা রয়েছে।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট, প্রথম আলো রিপোর্ট (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
৩৯৪.
বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে কোন ধরণের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন
  2. শৈলোৎক্ষেপ
  3. ঘূর্ণিবাত
  4. সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ:
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।

বৃষ্টিপাতের  ৪টি প্রকারভেদ হলো:
১। পরিচলন বৃষ্টিপাত:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। 
২। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়। 
৩। ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত:
- ঘূর্ণিবাত কেন্দ্রের বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন তাপমাত্রা হ্রাস পায় ও শীতল হয়।
- এ সময় বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প অতিরিক্ত ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৪। সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত:
- শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ যখন মুখোমুখি হয় তখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শিশিরাঙ্কে পৌঁছায়।
- আরও ঘনীভূত হয়ে বায়ুপুঞ্জের সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রকার বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত। এই ধরনের বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯৫.
চুনাপাথর কোন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিরামিক
  2. সিমেন্ট
  3. মৃৎশিল্প
  4. ইস্পাত 
সঠিক উত্তর:
সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৯৬.
পরিবেশ অধিদপ্তর কত সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে সাগরের বুকে ৮ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ছোট্ট প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- এ দ্বীপ সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র। এছাড়া এখানে ৬৮ প্রজাতির প্রবাল, ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ১৯১ প্রজাতির মোলাস্ট বা কড়ি জাতীয় প্রাণী, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, পাঁচ প্রজাতির ডলফিন, চার প্রজাতির উভচর প্রাণী, ২৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৭৫ প্রজাতির উদ্ভিদ, দুই প্রজাতির বাদুড়সহ নানা প্রজাতির প্রাণীর বসবাস ছিল এককালে।
- জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনের ৫৯০ হেক্টর এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করেছিল সরকার।
- এছাড়াও, সমুদ্র সম্পদের টেকসই আহরণের লক্ষে বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ২০২২ সালে ‘সেন্ট মার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৯৭.
'জিপসাম' হলো একধরনের -
  1. ক) আগ্নেয় শিলা
  2. খ) রূপান্তরিত শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) প্রাথমিক শিলা
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- পাললিক শিলার উদাহরণ- চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৮.
The only rock-mine of Bangladesh is situated in:
  1. Bogra
  2. Thakurgaon
  3. Dinajpur
  4. Rangpur
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৩৯৯.
বাংলাদেশে ‘বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ কতটি রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২টি
  2. ২৩টি
  3. ২৪টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- অভয়ারণ্য শব্দটির অর্থ হলো যে জঙ্গলে প্রাণীদের নির্ভয় বিচরণ নিশ্চিত করা হয় তাকে অভয়ারণ্য বলা হয়।
- অভয়ারণ্য হলো এমন বনাঞ্চল, যেখানে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের প্রজনন ও আবাস নিরাপদ রাখতে শিকারিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

⇒ অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়:
১. ঐ এলাকার বন্যপ্রাণী যেন ধ্বংস না হয়।
২. পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেন এই বনাঞ্চল মুক্ত থাকে।
- পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারিরা যাতে এই নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশ না করতে পারে।
- অভয়ারণ্য শুধু স্থলভাগের বনাঞ্চলই হয়ে থাকে তা নয়, জলভাগের অংশও অভয়ারণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সংখ্যা ২৫টি।

উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হলো: রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ, চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, ভোলা, সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, বাগেরহাট, সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা, সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, খুলনা, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চট্টগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪০০.
বাংলাদেশের পাহাড় ধসের অন্যতম প্রধান কারণ -
  1. পাহাড় কাটা
  2. বৃষ্টিপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. জুম চাষ
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কাটা
ব্যাখ্যা
পাহাড়ধস:
- পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি স্থাপন এবং পাহাড়ের বন উজাড় ধসের অন্যতম প্রধান কারণ।
- ফলে অব্যাহতভাবে পাহাড়ের মাটি ক্ষয় হতে থাকে এবং পাহাড়গুলো নাজুক হয়ে পড়ে।
- পাহাড়ধসের অরেকটি কারণ বলা হচ্ছে জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প পাহাড়গুলোতে ফাটল সৃষ্টি করে।
- পাহাড়ধসের তাৎক্ষণিক কারণ বজ্রপাতও।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১৩ আগস্ট ২০১৭ , প্রথম আলো।