বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ বণ্টনের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

মোট প্রশ্ন৫৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ বণ্টনের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৫৩৭

২০১.
পোর্ট সৈয়দ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আলজেরিয়া
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) সিরিয়া
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
পোর্ট সৈয়দ উত্তর -পূর্ব মিশরের বন্দর শহর। 
- এটি সুয়েজ খালের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত। 
- শহরটি ১৮৫৯ সালে একটি নিম্ন বালুকাময় পটভূমিতে ভূমধ্যসাগরকে মনজালা (বুসায়রাত আল-মানজিলাহ) থেকে পৃথক করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২০২.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি সাধারণত কোথায় পাওয়া যায়?
  1. সুন্দরবনের দক্ষিণাঞ্চলে
  2. রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে
  3. চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে
  4. ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।

মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন 

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২০৩.
বিখ্যাত ‘দুবলার চর‘ কোথায় অবস্থিত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালি
  3. সুন্দরবন
  4. পটুয়াখালি
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• দুবলার চর:
- চাঁদপাই রেঞ্জের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দুবলার চর।
- কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে দুবলা একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।
- দুবলার চর মূলত জেলে গ্রাম। 
- সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের সদর দপ্তর বাগেরহাট থেকে মাছ সংগ্রহের পূর্বানুমতিসাপেক্ষে বহরদার ও জেলেরা দুবলার চরে প্রবেশ করে থাকেন।
- প্রতি বছর কার্তিক মাসে (খ্রিস্টীয় নভেম্বর) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাসমেলা এবং পূণ্যস্নানের জন্যও দ্বীপটি বিখ্যাত।

তথ্যসূত্র: খুলনা জেলার ওয়েবসাইট।
২০৪.
পলল কোণ ভূমিরূপ কোথায় গঠিত হয়?
  1. ক) পাহাড়ের পাদদেশে
  2. খ) নদীর মোহনায়
  3. গ) দোয়াব অঞ্চলে
  4. ঘ) নদীগর্ভে
সঠিক উত্তর:
ক) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য অঞ্চল থেকে কোন নদী হঠাৎ করে সমভূমিতে পতিত হলে সেই নদীবাহিত শিলাচূর্ণ, পলিমাটি পাহাড়ের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাত পাখা আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি করে যা যথাক্রমে পলর কোণ ও পলর পাখা নামে পরিচিত।
- যেসব অঞ্চলের মাটি অধিক পানি শোষণ করতে পারে সেখানে শিলাচূর্ণ বেশিদূর যেতে না পেরে পাহাড়ের পাদদেশে পলল কোণ সৃষ্টি করে।
- মাটির পানি শোষণ ক্ষমতা কম হলে সেক্ষেত্রে পলল পাখা ভূমিরূপ গঠিত হয়।
- হিমালয়ের পাদদেশে গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীর গতিপথে পলল কোণ ও পলল পাখা জাতীয় ভূমিরূপ দেখা যায়।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২০৫.
বাংলাদেশের কতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো হলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২০৬.
ইউনেস্কো কত তারিখে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
২০৭.
খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলের প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. কেওড়া
  2. গেওয়া
  3. সুন্দরী 
  4. ওড়া 
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন হচ্ছে বাংলাদেশের ফুসফুস।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হচ্ছে সুন্দরি।
- এছাড়া, সুন্দরবন অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে—
- গড়ান, গেওয়া, পশুর, ধুন্দুল, কেওড়া, বাইন, ওড়া, হেন্দাল ও কাঁকড়া প্রভৃতি।

- সুন্দরবনের বনসম্পদকে কেন্দ্র করে কয়েকটি শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে।
- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিল এবং হার্ডবোর্ড মিল।
- হার্ডবোর্ড মিল এর কাঁচামাল হিসেবে সুন্দরী বৃক্ষ ব্যবহৃত হয়।

- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলের প্রধান কাঁচামাল হলো সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ।
- এটি নিউজপ্রিন্ট তৈরির জন্য উপযুক্ত কারণ এর ফাইবারের গঠন ও গুণমান কাগজের শক্তি এবং সহনশীলতা নিশ্চিত করে।
- যদিও পরবর্তীতে আখের ছোবড়া ও অন্যান্য বিকল্প কাঁচামালের ব্যবহার চেষ্টা করা হয়েছে;
- তবুও গেওয়া কাঠ মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. বন অধিদপ্তর; 
২. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২০৮.
করতোয়া ও আত্রাই কোন নদীর উপনদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna) 
• ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পূর্বদিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম নদী।
যমুনার প্রধান উপনদী হলো ধরলা, তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই।
• এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
• মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো - শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।   
• ব্রহ্মপুত্রের শাখানদী - শীতলক্ষ্যা।
২০৯.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২১০.
গোবী মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) সুদান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা
গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা ডটকম।
২১১.
পর্বত গাত্রে শিলাখন্ড ভেঙ্গে কীসের প্রভাবে নিচে পড়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়?
  1. মাধ্যাকার্ষণ
  2. তাপ
  3. বিচূর্ণীভবন
  4. চাপ
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকার্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকার্ষণ
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে:
→ উচ্চ পর্বত গাত্রের খাড়া ঢালে প্রকান্ড শিলাখন্ড কোনো প্রকারে ভেঙ্গে আলগা হলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নিচে পড়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
→ পতিত শিলার আঘাতে পাদদেশের শিলাও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
→ আবার চলার পথে ভূ-পতিত শিলা অন্যান্য উচ্চ স্থানের শিলাগুলো দ্বারা সদা চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে।
→ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সর্বদা যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন ঘটছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১২.
বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয় কোন গাছের কাঠ হতে?
  1. গরান
  2. মেহগনি
  3. বাঁশ
  4. গেওয়া
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
দিয়াশলাই শিল্প:
- বাংলাদেশে দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয় গেওয়া গাছের কাঠ হতে।
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

অন্যদিকে,
- ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল প্রস্তুত করা হয়।
- গরান গাছের ছাল হতে রং প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৩.
বৈকাল হ্রদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• হ্রদ (Lake):
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে।
- বৈকাল হ্রদ অবস্থিত - রশিয়ায়।

এছাড়াও - 
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ অবস্থিত -  আফ্রিকায়।
- সুপিরিয়র হ্রদ অবস্থিত - যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৪.
'ভি' আকৃতির উপত্যকা নিচের কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়ে থাকে?   
  1. পার্শ্বক্ষয়ের ফলে
  2. পার্শ্বক্ষয় তলদেশের ক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে 
  3. তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  4. পাহাড়ি ভূমিধসের প্রভাবে 
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
ব্যাখ্যা

- সাধারণত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর স্রোতের বেগ প্রবল থাকে।
- এই অবস্থায় ক্ষয় ও বহন উভয় প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও ক্ষয় কার্যের প্রাধান্য থাকে এবং নদী খাত 'V' অক্ষরের ন্যায় হয়।

• 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি প্রক্রিয়া:
- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি।
- তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি।
- নদী উপত্যকার মধ্যভাগ ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
- পরে পার্শ্বক্ষয় বৃদ্ধি পেলে উপত্যকা প্রশস্ত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২১৫.
প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম 
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

প্রান্তিক হ্রদ:
- প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- প্রায় ২৫ একর জায়গাজুড়ে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাশয় 'প্রান্তিক লেক'।
- এ লেকের চারিপাশ নানা প্রজাতির গাছগাছালিতে ভরপুর।
- এটি বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পাশে হলুদিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- লেকটিতে উন্মুক্ত মাটির মঞ্চ, পিকনিক স্পট, বিশ্রামাগার এবং একটি উঁচু গোল ঘর ইত্যাদি স্থাপনা রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১৬.
কোন প্রাণীটি রক্ষার জন্য নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক এলাকা গুরুত্বপূর্ণ?
  1. চিত্রা হরিণ
  2. ডলফিন
  3. সামুদ্রিক কচ্ছপ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চর হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
-  ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।

উল্লেখ্য,
- নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক এলাকা মূলত বিপন্ন প্রজাতির ইরাবতী ডলফিন, চিত্রা হরিণ, হ্যামারহেড হাঙ্গর, সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং মূল্যবান ইলিশ মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 
- বর্তমানে চিত্রা হরিণ নিঝুম দ্বীপের প্রধান বন্য প্রাণী। নিঝুম দ্বীপে একরপ্রতি চিত্রল হরিণের ঘনত্ব সুন্দরবনের চেয়ে তিন গুণ বেশি।
- ন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রয়েছে এশীয় উদবিলাই, মেছোবাঘ ইত্যাদি।
- বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে রয়েছে নিশি বক, দেশি কানিবক, গো বক, দেশি পানকৌড়ি, ধূসর বক, কাদাখোঁচা, বালিহাঁস, কালো হাঁস ইত্যাদি।
- সরীসৃপের মধ্যে রয়েছে দেশি গুইসাপ ও নানা জাতের সামুদ্রিক কচ্ছপ। সামুদ্রিক কচ্ছপের গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল এই নিঝুম দ্বীপ। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১৭.
শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত -
  1. ক) বরেন্দ্র বনভূমি
  2. খ) রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি
  3. গ) সুন্দরবন 
  4. ঘ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
ব্যাখ্যা

ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা বন (শাল বন):

অবস্থান: এ বন মূলত গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত। তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় অল্প কিছু শাল বন রয়েছে।

পরিমাণ: প্রায় ১,২০,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ০.৮১% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৭.৫%।

উদ্ভিদ প্রজাতি: এ বনের মূল প্রজাতি শাল যা অনেকেই গজারী বলে জানেন। শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শাল গাছের পাতা ঝরে যায় বলে একে পত্রঝরা বনও বলা হয়। এ ছাড়া রয়েছে হরিতকি, বহেরা, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি প্রজাতির বৃক্ষ।

বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে মেছোবাঘ, বনবিড়াল, বানর, শিয়াল, বেজি, হনুমান, সজারু, ঈগল, কাঠবিড়ালী, সাপ, ধলাকোমর শামা, লাল বন মুরগী, সবুজঠোঁট মালকোয়া, তিলা-নাগঈগল.

সূত্র: বন অধিদপ্তর
===========================

বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে -

বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ। মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো। বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কিমি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কিমি। ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত।
এছাড়া কুমিাল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

==========================

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অনুসারে -

মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
 এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি: রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি
অবস্থিত। এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল। এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার। 
=========================

আমরা বাংলাপিডিয়া ও বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ধরে নিয়েছি।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইয়ে ভুল থাকতে পারে।

২১৮.
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন-
  1. ক) হাজীপুর
  2. খ) ধামসানী
  3. গ) বানিয়াচং
  4. ঘ) সাজেক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাজেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাজেক
ব্যাখ্যা

পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সাল অনুযায়ী,
জনসংখ্যায় ও আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন - হাজীপুর, (দৌলতখান, ভোলা)।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম ইউনিয়ন - ধামসানী, (সাভার, ঢাকা)। আয়তনে বৃহত্তম ইউনিয়ন সাজেক, (বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি)।

২১৯.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন -
  1. প্রায় ৫৭১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৫৮৩৮ বর্গ কিলোমিটার
  3. প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. প্রায় ৬৪৩৯ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২০.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ক) ব্যাসল্ট
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) ডাইক
সঠিক উত্তর:
গ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কয়লা
ব্যাখ্যা
- পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত শিলা পাললিক শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন প্রকার পাললিক শিলাসমূহ হলো:
- কয়লা
- চুনাপাথর
- বেলেপাথর
- কেওলিন
- শেল
- কাঁদাপাথর প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ব্যাসল্ট : বহিঃস্থ আগ্নেয় শিলা
- ডাইক : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- গ্রাফাইট : রূপান্তরিত শিলা।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২২১.
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কোন ঘটনা সংঘটিত হয়?
  1. ঋতু পরিবর্তন
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. সূর্যের তাপ বৃদ্ধি পায়
  4. রাত্রি দীর্ঘ হয়
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে যা সময় নেয়, তাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলা হয়।
- নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে পৃথিবী সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড। একে সৌরদিন বলা হয়।

• আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবীতে নানা পরিবর্তন ঘটে, যেমন-
- দিবা-রাত্রি সংঘটন
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
- বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
- সময় নির্ধারণ
- উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের প্রভাব

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।

২২২.
ধান চাষের জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা কত?
  1. ১০°–১৫° সেলসিয়াস
  2. ১৬°–৩০° সেলসিয়াস
  3. ৩১°–৩৫° সেলসিয়াস
  4. ৩৬°–৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৬°–৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬°–৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

ধান (Rice):
- বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। এ দেশে আউশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধরনের ধান চাষ হয়। 
​- বাংলাদেশের রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা, নোয়াখালী প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয়। 
​- তবে রংপুরে আমন ধান ও সিলেটে বোরো ধান ভালো হয়।
- ধান চাষের জন্য ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন এবং ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। 
​- এজন্য বাংলাদেশের সর্বত্রই ধান জন্মে।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২২৩.
কোন কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে?
  1. গেওয়া
  2. কেওড়া
  3. গরান
  4. ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
- কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
- নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
- দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৪.
বাংলাদেশের খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য, 
- BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
- পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
২২৫.
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী ধরনের সমভূমি বলা হয়?
  1. হিমবাহ
  2. ব-দ্বীপ
  3. উপকূলীয়
  4. সামুদ্রিক
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
 নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ সমভূমি বলা হয়।

• ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক। ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়।
- এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন ‘ব’ এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৬.
জার্মানি ও পোল্যান্ড এর মধ্যবর্তী সীমারেখা -
  1. ক) ওডারনিস লাইন
  2. খ) সিগফ্রিড লাইন
  3. গ) সনোরা লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাইন
সঠিক উত্তর:
ক) ওডারনিস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওডারনিস লাইন
ব্যাখ্যা
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ও প্রতিরক্ষা লাইনঃ
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
২২৭.
চুনাপাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. রূপান্তরিত শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. আগ্নেয়-পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

চুনাপাথর:
- চুনাপাথর এক প্রকার পাললিক শিলা।
- প্রধান উপাদান: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃)।
- খনিজ রূপ: ক্যালসাইট, কখনো ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহ বা ব্যতীত।
- বাংলাদেশে মজুতের ধরন: ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূগর্ভস্থ উভয়।
- ভূ-পৃষ্ঠীয় মজুত (Surface): সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ (কক্সবাজার)।
- ভূ-পৃষ্ঠীয়/স্বল্পগভীর মজুত: ভাঙ্গেরঘাট–লালঘাট–টাকেরঘাট (সুনামগঞ্জ)।
- ভূগর্ভস্থ মজুত (Sub-surface): জয়পুরহাট জেলা।
- সর্বপ্রথম আবিষ্কার: ১৯৫৭ সাল।
- প্রথম আবিষ্কারের স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২৮.
ইক্ষু চাষের জন্য কোন ধরনের ভূমি প্রয়োজন?
  1. পাহাড়ি ঢালু ভূমি
  2. সমতলভূমি
  3. উঁচু পাহাড়ি ভূমি
  4. জোয়ার-ভাটাযুক্ত নিম্নভূমি
সঠিক উত্তর:
সমতলভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতলভূমি
ব্যাখ্যা

ইক্ষু (Sugarcane):
- চিনি ও গুড় উৎপাদনের জন্য ইক্ষু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ফসল। 
​- ইক্ষু চাষের জন্য সমতলভূমি প্রয়োজন। 
​- রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহ ইক্ষু চাষের প্রধান অঞ্চল (চিত্র ১১.২)।
- ইক্ষু উৎপাদনের জন্য ১৯° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং কমপক্ষে ১৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন।
- বেলে দোআঁশ ও কর্দমময় দোআঁশ মাটিতে ইক্ষু চাষ ভালো হয়।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২২৯.
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুসারে, কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. সোনাদিয়া দ্বীপ
  3. তুরাগ নদী
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৩০.
বাংলাদেশে মোট গ্যাস ক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ২৭
  2. খ) ২৫
  3. গ) ২৬
  4. ঘ) ২৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদগুলো হলো- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও কঠিন শিলা।
- এছাড়া রয়েছে খনিজ বালু, চীনামাটি, সিলিকাবালু।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ।
- বাংলাদেশে মোট গ্যাস ক্ষেত্র ২৮ টি, সর্বশেষ গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় - সিলেট জেলার জকিগঞ্জে।
- গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর অধিকাংশই সিলেটবিভাগে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩১.
'বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র'টি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
খ) হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র - ২৭টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র - ভোলা নর্থ।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে -
উৎপাদনরত - ২০টি
উৎপাদনে যায় নি - ২টি
উৎপাদন স্থগিত রয়েছে - ৫টি
প্রাথমিক মজুদকৃত গ্যাস - এর পরিমানের হিসাবে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র "বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র" হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৮১ সালে আবিষ্কৃত হয়।
বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্রের প্রাথমিক মজুদকৃত গ্যাস - এর পরিমাণ - ৮,৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা 'তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের' প্রাথমিক মজুদকৃত গ্যাসের পরিমাণ - ৮,১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।
উল্লেখ্য, উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ - এর হিসাবে দেশের সবচেয়ে বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র।
উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ - ৬,৩৬৭.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
অন্যদিকে, বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্রের উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ - ৫,৭৫৪.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
দুটি গ্যাস ক্ষেত্রেরই বর্তমানে ২৬টি করে কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০।

২৩২.
এশিয়া ও ইউরোপকে বিভক্তকারী পর্বতমালা -
  1. পিরিনিজ
  2. ইউরাল
  3. কারাকোরাম
  4. অ্যাটলাস
সঠিক উত্তর:
ইউরাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাল
ব্যাখ্যা
পর্বতমালা:
• এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে ইউরাল পর্বত অবস্থিত।
- রাশিয়ায় অবস্থিত ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- ইউরাল পর্বত দ্বারা রাশিয়া ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত।
- ইউরাল পর্বতের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াইহাজার কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২৩৩.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় আছে - সুনামগঞ্জ জেলায়।

বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:

- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 

এছাড়াও - 
কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৪.
বাংলাদেশের 'লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান' কী ধরনের বনভূমি?
  1. পত্র পতনশীল জাতীয়
  2. ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়
  3. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
  4. স্রোতজ বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি:
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇔ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

⇒ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ জাতীয় বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩৫.
হিমাঙ্ক শিশিরাঙ্কের উপরে থাকলে ঘনীভবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জলীয়বাষ্প পরিণত হয় না-
  1. ক) বৃষ্টিতে
  2. খ) কুয়াশায়
  3. গ) শিশিরে
  4. ঘ) তুষারে
সঠিক উত্তর:
ঘ) তুষারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তুষারে
ব্যাখ্যা

বায়ু যত বেশি উষ্ণ হবে তত বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে। কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় যতটুকু পরিমাণ জলীয়বাষ্প বায়ুতে থাকলে বায়ু এর চেয়ে বেশি জলীয়বাষ্প আর ধারণ করতে পারে না সেই অবস্থায় ঐ বায়ুকে বলা হয় সম্পৃক্ত বা পরিপৃক্ত বায়ু।
এই সম্পৃক্ত বায়ু যখন শীতল হতে থাকে তখন তা আর অধিক পরিমাণে জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে না। এ পরিস্থিতিতে জলীয়বাষ্পের কিছু অংশ পানিতে পরিণত হয় এবং এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ঘনীভবন।
বায়ু যে উষ্ণতায় জলীয়বাষ্পরূপে ঘনীভূত হয় তাকে বলা হয় শিশিরাঙ্ক। তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা হিমাঙ্কের নিচে নেমে গেলে তখন ঘনীভূত জলীয়বাষ্প কঠিন আকার ধারণ করে তুষার ও বরফরূপে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়।
তবে হিমাঙ্ক শিশিরাঙ্কের উপরে থাকলে ঘণীভবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৃষ্টি, কুয়াশা ও শিশিরে পরিণত হয়।
সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।

২৩৬.
সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে কবে?
  1. ক) ২০০০ সালে
  2. খ) ২০০১ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
• পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ: সরকার পরিবেশ দূষণ রোধে ২০০২ সালের জানুয়ারি থেকে ঢাকা শহরে এবং একই সালের মার্চ থেকে সারাদেশে পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করে। পরিবেশ অধিদপ্তর নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ যাতে ব্যবহার হতে না পারে সে লক্ষ্যে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। পাশাপাশি সরকার জনগণকেও সচেতন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩৭.
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে কী বলা হয়?
  1. ক) নদীর উৎস
  2. খ) নদী অববাহিকা
  3. গ) নদীর মোহনা
  4. ঘ) দোয়াব অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর মোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নদীর মোহনা
ব্যাখ্যা
নদীর মোহনা (Mouth): নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

• নদীর উৎস (Source): নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে ।

• দোয়াব অঞ্চল: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে ।

• নদীসঙ্গম (Confluence): পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে ।

• নদী অববাহিকা (River Basin): মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়?
  1. গারো পাহাড়  
  2. খাসিয়া
  3. চিকনাগুল
  4. মোদকমুয়াল
সঠিক উত্তর:
মোদকমুয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোদকমুয়াল
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ  হচ্ছে— মোদকমুয়াল (১,০০০ মিটার) ও পিরামিড (৯১৫ মিটার), তাজিওডং (বিজয়),কিওক্রাডং।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম তাজিওডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হচ্ছে কিওক্রাডং, যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, কর্দম ও শেল পাথর দ্বারা গঠিত।

অন্যদিকে, 
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ :চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৯.
কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত-
  1. ক) নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
  2. খ) চট্টগ্রামের বাঁশখালি
  3. গ) খুলনার মংলা
  4. ঘ) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
উৎসঃ পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট।
২৪০.
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলা সৃষ্টি হয়?
  1. আদি শিলা
  2. স্তরীভূত শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. অস্তরীভূত শিলা 
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।
যেমন-কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪১.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরটি ভূ-ত্বকের সবচেয়ে নিচে অবস্থিত?
  1. ক) মেসোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) এক্সোমন্ডল
  4. ঘ) ট্রপোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
• এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
• ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
• ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪০ সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
• ট্রপোমন্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না। ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২৪২.
জাতিসংঘ তথ্যমতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৪৩.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. শীতল মরুভূমি
  2. উপকূলীয় মরুভূমি
  3. উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি 
  4. শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি 
ব্যাখ্যা

- চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:
- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২৪৪.
স্পারসো হচ্ছে-
  1. ক) মহাকাশ গবেষণা সরকারি সংস্থা
  2. খ) স্যাটেলাইট
  3. গ) উপগ্রহ
  4. ঘ) মহাকাশ গবেষণা বেসরকারী সংস্থা
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকাশ গবেষণা সরকারি সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকাশ গবেষণা সরকারি সংস্থা
ব্যাখ্যা
মহাকাশ গবেষণার সরকারি প্রতিষ্ঠান স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২৪৫.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. উপকূলীয় মরুভূমি
  2. শীতল মরুভূমি
  3. শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
ব্যাখ্যা

- চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:
- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৬.
কঠিন শিলা সমৃদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. গাইবান্ধা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কঠিন শিলা  
- বাংলাদেশে রয়েছে প্রিক্যাম্ব্রিয়ান যুগীয় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্জ ডায়োরাইট, নিস প্রভৃতি কঠিন শিলার বিশাল মজুত। 
- জি.এস.বি দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া নামক স্থানে ভূ-পৃষ্ঠের ১৩২ মিটার থেকে ১৬০ মিটার গভীরতায় এ সকল কঠিন শিলার মজুত আবিষ্কার করে।
- এ শিলাসমূহের বিশুদ্ধ অবস্থায় আর.কিউ.ডি (Rock Quality Designation) ৬০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- উত্তর কোরিয়া সরকারের সহায়তায় এ খনির উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।

২৪৭.
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে কত তারিখে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
  2. ২৬ মার্চ, ২০১৪
  3. ২৭ অক্টোবর, ২০১৪
  4. ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৪
সঠিক উত্তর:
২৭ অক্টোবর, ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অক্টোবর, ২০১৪
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের গভীরে অবস্থিত যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের একটি অংশ।
- এটি গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- এর আয়তন: ১,৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার। 
- এই গিরিখাতটির গড় গভীরতা প্রায় ১২০০ মিটার। 
- এটি ডলফিন, তিমি, হাঙ্গর, সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং বিপন্ন সামুদ্রিক প্রজাতির প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র। 

• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (MPA) বা সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। 
- এটি বাংলাদেশের প্রথম মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ২টি। যথা: সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া ও সেন্টমার্টিন মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া। 

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) IUCN ওয়েবসাইট।
iii) The Daily Star Bangla.

২৪৮.
চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার 
  2. চট্টগ্রাম 
  3. রাঙ্গামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য:
- চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।
- এটি চুনতি অভয়ারণ্য নামেও পরিচিত।
- চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া ও বাঁশখালি উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এর আয়তন ৭,৭৬৪ হেক্টর।

• বনের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য ১৯৮৬ সালে এই অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বন্য এশীয় হাতির যাতায়াতের একটি সংযোগপথ বা করিডোর হিসেবে এই অভয়ারণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।
- এই অভয়ারণ্য তার বিশালাকায় শতবর্ষী মাদার গর্জন গাছের জন্য সুপরিচিত যা এই বনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

• জীববৈচিত্র্য:
- বন্য এশীয় হাতি এই বনের অন্যতম আকর্ষণ এবং এরা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বনের মধ্য দিয়েই চলাচল করে।
- এই বনে ১২০০ প্রজাতির উদ্ভিদ দেখা যায়। যার মধ্যে ৪৫ প্রজাতির উচু গাছও রয়েছে।
- বড় প্রজাতির গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: গর্জন, রাকতান, জাম, উরি আম, চাপালিশ, শিমুল, কড়ই প্রভৃতি। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ এবং লতাগুল্ম এ বনে পাওয়া যায়।
- জীবজন্তুর মধ্যে ২ প্রজাতির উভচর, ২ প্রজাতির সরীসৃপ, ২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী এবং প্রায় ১১ ধরনের পাখি বর্তমানে বেশি দেখতে পাওয়া যায়।
- বন্য প্রানীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: হাতি, কয়েক ধরনের বিড়াল, দেশি বন শুকর, হনুমান প্রভৃতি এবং পাখির মধ্যে আছে: কাঠঠোকরা, ছোট বসন্তবৌরি, বনস্পতি, বড় কুবো, আবাবিল, তিলা ঘুঘু, ফিঙে, ময়না, ভাত শালিক প্রভৃতি। এছাড়াও বেশ কিছু জলজ প্রানীও এই বনে পাওয়া যায়।  

উৎস:  বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ওয়েবসাইট।

২৪৯.
সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত?
  1. জলপাইগুড়ি
  2. দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
  3. দার্জিলিং
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা 
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি।
- যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা।
- এটি ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সুন্দরবনের একটি বড় অংশ এই জেলায় পড়ে, এবং এখানেই সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান অবস্থিত।
- উত্তর চব্বিশ পরগনা: এই জেলার কিছু অংশও সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫০.
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ধান
  2. গম
  3. ডাল
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: 
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধাণ দেশ।

কৃষিজ পণ্যের শ্রেণীবিভাগ:
বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা - 
১. খাদ্যশস্য:
- ধান, 
- ডাল, 
- গম, 
- তেলবীজ, 
- সবজি, 
- ফলমূল।

২. অর্থকরী ফসল:
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
- পাট (বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল), 
- চা, 
- ইক্ষু , 
- তামাক, 
- ফুল।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র -
১. বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি),
২. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

২৫১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. বালু নদী
  2. মারজাত বাওড়
  3. সুন্দরবন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
২৫২.
কোন জেলা গুলোকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা, বাগেরহাট ও পঞ্চগড়
  3. গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) খুলনা, নওগাঁ ও সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন
• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
• এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার। প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
• জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।
• বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং খুলনা জেলা ওয়েবসাইট। 
২৫৩.
V-20 জোট কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. নবায়নযোগ্য জ্বালানি
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. শুল্কমুক্ত বাণিজ্য
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• V-20:
→ V-20 (Vulnerable-20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের ফোরাম।
→ এর নাম V-20 হলেও এর সদস্য সংখ্যা ৬৮টি দেশ।
→ ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
→ বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ মেয়াদে V-20 জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।

সূত্র: Vulnerable-20 ওয়েবসাইট।
২৫৪.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো- সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপন নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন
২৫৫.
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে?
  1. জমির উর্বরতা বৃদ্ধি
  2. অতিবৃষ্টি
  3. বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ঐসব অঞ্চলে খরা, জমির উর্বরতা নষ্ট ইত্যাদি প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। 

ফারাক্কা বাঁধ:

- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে। ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মাণ ও চালুর পর গত পাঁচ দশকে এটি গঙ্গা অববাহিকায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়ে চলেছে।
- ফারাক্কার কারণে নদীর পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ছে সমস্ত পদ্মা অববাহিকায়। 
- শুকনো মওসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পানির স্তর অনেক নীচে নেমে যায়। 
- অন্যদিকে, বর্ষা মওসুমে ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
২৫৬.
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পটি কোন জেলাগুলোতে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
  2. রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, পঞ্চগ্রাম 
  3. চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর
  4. সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প: 
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট)  গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ  সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- এর মধ্যে ১,৪২,০০০ হেক্টর জমি সেচযোগ্য।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- উপজেলাগুলি হলো - কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, ভেড়ামারা, চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ড, শৈলকূপা, মাগুরা সদর, শ্রীপুর এবং দৌলতপুর।
- প্রকল্পের ভৌগোলিক সীমারেখা উত্তরে গঙ্গা ও  গড়াই নদী, পূর্বে গড়াই-মধুমতি, দক্ষিণে  নবগঙ্গা এবং পশ্চিমে মাথাভাঙ্গা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ  খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ 

উল্লেখ্য,
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- পর্ব-১ এর আওতাভুক্ত এলাকা ৮৫,০২০ হেক্টর যার মধ্যে ৪৮,৭০০ হেক্টর ভূমি সেচযোগ্য।
- পর্ব-২ এর আওতাভুক্ত এলাকা ১,১৭,৮১৪ হেক্টর যার মধ্যে ৯৩,৩০০ হেক্টর ভূমি সেচযোগ্য।
- প্রকল্পটির আওতায় সর্বমোট সেচযোগ্য ভূমির পরিমাণ ১,৪২,০০০ হেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২৫৭.
বঙ্গোপসাগরের কত বৰ্গ কিমি. এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ১২৫০ বর্গ কি.মি.
  2. ১০৫০ বর্গ কি.মি.
  3. ১৭৪৩ বর্গ কি.মি.
  4. ১৩৫০ বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৭৪৩ বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪৩ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
 সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা: 
- সময়: ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি।
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ১,৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে "মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (Marine Protected Area - MPA)" হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- এর গভীরতা বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এবং এর আগে ঘোষিত ৫৯০ হেক্টর সংকটাপন্ন এলাকা ছাড়াও নতুন অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

• এই পদক্ষেপের কারণ:
- জীববৈচিত্র্য হ্রাস রোধ।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও নৌকা চলাচল,
- অতিরিক্ত মাছ ধরা, বর্জ্য ও রাসায়নিক নিক্ষেপ, প্রবাল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঠেকাতে।
- গোলাপি ডলফিন, হাঙ্গর, রে মাছ, সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক পাখি, প্রবাল ইত্যাদির আবাসস্থল রক্ষা করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [লিঙ্ক]
২৫৮.
প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ব্রাজিল
  2. আর্জেন্টিনা
  3. পেরু
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি (Patagonian Desert):
- প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি, যা প্যাটাগোনিয়ান স্টেপ (Patagonian Steppe) নামেও পরিচিত,
- এটি আর্জেন্টিনার বৃহত্তম মরুভূমি।
- আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম মরুভূমি।
- এই মরুভূমিটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
- এর সিংহভাগ অংশ আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং কিছু অংশ চিলিতে পড়েছে।

• বিভিন্ন দেশের কয়েকটি বিখ্যাত মরুভূমি: 
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা (১১টি দেশ জুড়ে)
- আরবীয়ান মরুভূমি: এশিয়া (আরব উপদ্বীপ)
- গোবি মরুভূমি: এশিয়া (মঙ্গোলিয়া, চীন)
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া  মরুভূমি: অস্ট্রেলিয়া
- কালাহারি মরুভূমি: আফ্রিকা (নামিবিয়া, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা)।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

২৫৯.
'টাঙ্গুয়ার হাওর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)  
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
• কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
• টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬০.
জোয়ারভাটায় বিধৌত লবণাক্ত সমতলভূমিকে বলা হয়- 
  1. পার্বত্য বন
  2. শালবন
  3. মধুপুর বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানগ্রোভ বন
ব্যাখ্যা

ম্যানগ্রোভ বন: 
-ম্যানগ্রোভ বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন  জোয়ারভাটায় বিধৌত লবণাক্ত সমতলভূমি।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন এরকম সমুদ্রের লোনা পানির জোয়ার ভাটায় প্লাবিত ম্যানগ্রোভ বন।
-এ আন্তপ্লাবিত জলাভূমি বিভিন্ন স্তরের পারষ্পরিক নির্ভরশীল উপাদানসমূহ যেমন- পানি প্রবাহ, পলি, পুষ্টি উপাদান, জৈব পদার্থ এবং জীবজন্তুর সমন্বয়ে গঠিত।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য বন বলতে সাধারণত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বনভূমিকে বোঝায়। 
- মধুপুর বন হলো মধুপুর শালবনের একটি অংশ, যা টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় বিস্তৃত।
- শালবন এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৬১.
অনবায়নযোগ্য সম্পদ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মজুদ বা যোগান সীমিত
  2. প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত
  3. নতুনভাবে তৈরি হতে দীর্ঘ সময় লাগে
  4. বার বার বা পুনরায় গঠনশীল
সঠিক উত্তর:
বার বার বা পুনরায় গঠনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার বার বা পুনরায় গঠনশীল
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক সম্পদ:
- প্রাকৃতিক সম্পদ হলো প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক উপাদান, যেগুলো মানুষের অভাব পূরণে সক্ষম।
- যেমন- ধান, সূর্যের আলো।

প্রাকৃতিক সম্পদকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নবায়নযোগ্য সম্পদ, যেমন-সূর্যালোক
২. অনবায়নযোগ্য সম্পদ, যেমন- কয়লা
৩. অন্যান্য সম্পদ, যেমন- প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য।

অনবায়নযোগ্য সম্পদ:
- যে সকল সম্পদের মজুদ বা যোগান সীমিত এবং যেগুলো নতুনভাবে তৈরি হতে দীর্ঘ সময় লাগে সেগুলো হলো অনবায়নযোগ্য সম্পদ।
- যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস।

নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- আবার যে সকল সম্পদ বার বার বা পুনরায় গঠনশীল এবং সময়ের ব্যবধানে বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল তাদের বলা হয় নবায়নযোগ্য সম্পদ।
- যেমন- জলবিদ্যুৎ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
টাঙ্গুয়ার হাওরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে -
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট (Ramsar sites):
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন (১৯৯২), টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০)।

⇒ টাঙ্গুয়ার হাওর:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
২৬৩.
'রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- এটি সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন এ অভয়ারণ্যের একদিকে ভারতীয় সীমান্ত ও অন্য তিন দিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান ঘেরা।
- রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন প্রায় ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর।
- ব্যবস্থাপনার কারণে বন বিভাগ র্কতৃক এ বনাঞ্চলকে রেমা, কালেঙ্গা, ছনবাড়ি ও রশিদপুর—চারটি বিটে ভাগ করা হয়েছে।
- বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলটি যেহেতু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, এজন্য বনের দেখভালের জন্য রয়েছে ১১টি ইউনিট ও ৭টি ক্যাম্প।

⇒ বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৬৪.
নিচের কোনটি একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি?
  1. পোপো আগ্নেয়গিরি
  2. ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি
  3. ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
  4. স্ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা

আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ:
পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি

ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি:
- যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- যেমন: স্ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি।

খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি:
- বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে।
- যেমন: জাপানের ফুজিয়ামা আগ্নেয়গিরি।

গ. মৃত আগ্নেয়গিরি:
- পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৫.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।
- ৩৮ বছরের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১টি থেকে কমে ৪০টিতে নেমেছে। 

অন্যদিকে,
- সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে ঘোষণা করে।
- জাফলং-ডাউকি নদী ২০১৫ সালে।

উৎস:পরিবেশ অধিদপ্তর। 

২৬৬.
মার্বেল কীসের রুপান্তরিত রূপ?
  1. বেলে পাথর
  2. চুনা পাথর
  3. গ্রানাইট
  4. সাদা সেল
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনা পাথর
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন-
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬৭.
বাংলাদেশের মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. খ) ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  3. গ) ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফার্মগেট, ঢাকা
ব্যাখ্যা

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। 
- এর প্রধান কার্যালয়, মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও srdi.portal.gov.bd
২৬৮.
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম যে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়?
  1. ক) রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী)
  2. খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
  3. গ) পেকুয়া (কক্সবাজার)
  4. ঘ) ঝিংলা(কক্সবাজার)
সঠিক উত্তর:
খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
ব্যাখ্যা
- সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম যে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় - সন্দীপ (চট্টগ্রাম)।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।’
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
২৬৯.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ?
  1. নিস
  2. স্লেট
  3. ব্যাসল্ট
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
শিলার প্রকারভেদ:
- ভূ-ত্বক গঠনকারী সকল শিলাসমূহকে গঠন প্রণালির ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
ক. আগ্নেয়শিলা:
- যেমন: ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
খ. পাললিক শিলা:
- যেমন: বেলে পাথর, শেল,লিগনাইট, বিটুমিনাস, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
গ. রূপান্তরিত শিলা:
- কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেটে, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭০.
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় -
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।

⇒ ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬০ সালে শেষ হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উল্লেখ্য,
- বিদ্যুৎ প্রকল্পের করা হ্রদের পানিতে ভেসে যায় পার্বত্য এলাকার ৫৪ হাজার একর ধানের জমি।
- পার্বত্য এলাকার প্রায় ১৮ হাজার পরিবারের ১ লাখ মানুষ এতে উদ্বাস্তু হয়ে পড়েন।
- বাঁধে বিপুল এলাকা প্লাবিত হওয়ার পর ‘১৯৬৪ সালে লংগদু, বরকল ও বাঘাইছড়ি থানার কাচালং পুনর্বাসন এলাকা থেকে ৩৫ হাজার উপজাতীয় লোক ভারতে চলে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭১.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন বিলুপ্ত প্রাণীর জন্যে বিখ্যাত?
  1. বনগরু
  2. কৃষ্ণষাড়
  3. রাজ শকুন
  4. উল্লুক
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৭২.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে কোন ধরনের বনভূমি দেখা যায়?
  1. স্রোতজ বনভূমি
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি
  3. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি
ব্যাখ্যা

ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি: 
- ​ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো শীতকালে গাছের পাতা ঝরে যাওয়া। 
​- তবে গ্রীষ্মকালে গাছগুলোতে আবার নতুন কচি পাতা গজায়।
​- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমির অবস্থান দেখতে পাওয়া যায়। 
​- পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমিকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি এবং রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি।

​ক. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি: 
- ​ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
​- এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। 
​- এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

খ. রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি:
​- রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি অবস্থিত। 
​- এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল। এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। 
​- এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার।

​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৩.
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপের নাম কি?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. মহেশখালী
  4. কুতুবদিয়া 
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

মহেশখালী:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ।
- মহেশখালী উপজেলা কক্সবাজার জেলার চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক এলাকা।
- এটি কক্সবাজার জেলার 'ভাটি আঁচল দ্বীপ' হিসেবে বিবেচিত।
- বিশেষ করে, প্রায় ২০০ বছর আগে এটি মহেশ খালি নামে পরিচিতি পায়।
- বৌদ্ধ সেন মহেশ্বরের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল ।
- মহেশখালী একটি দ্বীপ যা বেশ পাহাড়ি এবং ম্যানগ্রোভ বনে ঘেরা।
- এই দ্বীপটি লবণ উৎপাদনের জন্যও বিখ্যাত। 
- আদিনাথ মন্দির দ্বীপের একটি বিখ্যাত তীর্থস্থান যেখানে প্রতি বছর হাজার হাজার হিন্দু ভক্ত সমাগম করেন।
- দ্বীপটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকতের পাশে বনভূমি পাহাড় এবং ম্যানগ্রোভ গাছ দ্বারা বেষ্টিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৭৪.
সমুদ্র সমতল থেকে স্বল্প উচ্চতা বিশিষ্ট ভূমিরূপকে কী বলা হয়?
  1. সমভূমি
  2. মালভূমি
  3. পর্বত
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
→ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে স্বল্প উচ্চতায় মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে।
→ বিভিন্ন ভূ-প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়।
মৃদু ঢাল ও স্বল্প বন্ধুরতার জন্য সমভূমি কৃষিকাজ, বসতি নির্মাণ, রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য খুবই উপযোগী।
→ বিশ্বে সমভূমি অঞ্চলে সর্বাপেক্ষা ঘন জনবসতি গড়ে উঠেছে।
→ উৎপত্তির ধরনের ভিত্তিতে সমভূমিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় যেমন-ক্ষয়জাত সমভূমি ও সঞ্চয়জাত সমভূমি। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?
  1. গবেষণা জাহাজ না থাকা
  2. ঘনঘন বন্যা
  3. দক্ষ জনশক্তির অভাব
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘনঘন বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনঘন বন্যা
ব্যাখ্যা
Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।

Blue economy বা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ:
- মৎস্য আহরণ,
- জাহাজ চলাচল ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা, বন্দর এবং সামুদ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহায়ক,
- পরিসেবা,
- সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তি,
- খনিজ পদার্থ,
- সামুদ্রিক নবায়নযোগ্য শক্তি,
- সামুদ্রিক পণ্য,
- সামুদ্রিক পর্যটন ও অবকাশ,
- সামুদ্রিক স্থাপনা নির্মাণ,
- সামুদ্রিক বাণিজ্য,
- সামুদ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,
- শিক্ষা এবং গবেষণা।

বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ:
- পর্যাপ্ত নীতিমালার ও সঠিক কর্মপরিকল্পনার অভাব।
- দক্ষ জনশক্তির অভাব।
- প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব।
- সম্পদের পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যের অভাব।
- মেরিন রিসোর্সভিত্তিক পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়া।
- ব্লু-ইকোনমি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগের অভাব।
- সমুদ্রে গমন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য গবেষণা জাহাজ না থাকা।

উৎস: i) United Nation ওয়েবসাইট।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭৬.
V-20-এর উদ্যোক্তা সংস্থা কোনটি?
  1. UNDP
  2. CVF
  3. IMFD 
  4. World Bank
সঠিক উত্তর:
CVF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CVF
ব্যাখ্যা

V-20:
- Vulnerable Twenty (V20) হলো একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম, যা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে একত্রিত করে।
- এটি ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর লিমা তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত এই দেশের অর্থমন্ত্রীদের জন্য সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- এর উদ্ভাবক সংস্থা হলো- Climate Vulnerable Forum (CVF)।

- এতে প্রাথমিকভাবে ২০টি দেশ যুক্ত ছিল যারা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রথম ২০টি দেশ হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এর সদস্য সংখ্যা ৭০টি দেশ। 
- V20 গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের প্রায় ২০% জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে এবং বৈশ্বিক নির্গমনের প্রায় ৫% উৎপন্ন করে।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর Climate Vulnerable Forum-এর সাথে সরাসরি যুক্ত।
- বাংলাদেশ ২০২০–২০২২ সালে এই গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।

উৎস: V20 অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

২৭৭.
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয় কোনটি?
  1. জলপ্রবাহ
  2. জৈব শক্তি
  3. নিউক্লীয় শক্তি
  4. ভূ-তাপ
সঠিক উত্তর:
নিউক্লীয় শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লীয় শক্তি
ব্যাখ্যা

'নিউক্লীয় শক্তি' নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস নয়।

নবায়নযোগ্য শক্তি:

- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

• অনবায়নযোগ্য শক্তি:
- অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, নিউক্লীয় শক্তি, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৮.
চুনাপাথর পাওয়া যায়-
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. খ) পিরোজপুর
  3. গ) ঝালকাঠি
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• চুনাপাথর:
- চুনাপাথর: সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট, লালঘাট ও বাগলিবাজার, সিলেট জেলার জাফলং, কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন, জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাট ও জামালগঞ্জ, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এবং চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চুনাপাথর পাওয়া যায়।
- বাংলাদেশের চুনাপাথরের সম্ভাব্য মজুদের পরিমাণ ১২৯ মিলিয়ন টনের অধিক।
 - সিমেন্ট শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়।
 এছাড়া
গ্লাস, ব্রিসিং পাউডার, সাবান, কাগজ পেইন্ট প্রভৃতি শিল্পেও চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২৭৯.
নিচের কোনটি প্রতিবেশগত সংকাটাপন্ন এলাকা?
  1. বালু নদী
  2. গুলশানবারিধারা লেক
  3. মারজাত বাওড়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

- মারজাত বাওড়, গুলশানবারিধারা লেক,  বালু নদী প্রতিবেশগত সংকাটাপন্ন এলাকা।

• প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা: 

• ভূপ্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থার কারণে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
- কিন্তু অপরিণামদর্শী কর্মকান্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নানান ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

• এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। 
- সুন্দরবন: সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চতুর্দিকে ১০ কিমি বিস্তৃত এলাকা।
- কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত: গ্রাম, কৃষিজমি, পাহাড়, জঙ্গল, বনভূমি, সমুদ্রসৈকত, খাড়ি, বালিয়াড়ি, ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় জলাভূমিসহ উপকূলীয় এলাকা
 - সেন্টমার্টিন দ্বীপ: বালিয়াড়ি, পাথরময় জোয়ার-ভাটা অঞ্চল, উপকূলীয় জলাভূমি ও কোরালসহ সামুদ্রিক দ্বীপ।
- সোনাদিয়া দ্বীপ: ম্যানগ্রোভ, খাড়ি ও বালিয়াড়িসহ উপকূলীয় দ্বীপ।
- হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশানবারিধারা লেক,  বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২৮০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় কোনটি?
  1. চিম্বুক পাহাড়
  2. ফুরমোন পাহাড়
  3. গারো পাহাড়
  4. চন্দ্রনাথ পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
 
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হচ্ছে তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত। 
তাজিংডং এর উচ্চতা:
- ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
- ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]। 
- ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান)।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় হচ্ছে গারো পাহাড়।
 
নিম্নে পাহাড় ও পর্বতের মধ্যকার পার্থক্য নিম্নে দেওয়া হলো -
পাহাড় (Hill)
সমুদ্রতল থেকে ৬০০-১০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপ পাহাড় নামে পরিচিত। পর্বতের তুলনায় পাহাড় নিচু ও কম আয়তনের হয়। যেমন—গারো পাহাড়, রাজা পাহাড় ও চন্দ্রনাথ পাহাড়।

পর্বত (Mountain)
সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপ পর্বত নামে পরিচিত। পর্বতের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েক হাজার মিটার হতে পারে। যেমন—কিলিমানজারো ও হিমালয় পর্বতমালা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো আর্কাইভ, কালেরকণ্ঠ ।
২৮১.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

২৮২.
লাউয়াছড়া বনে কোন বিরল প্রাণী আছে?
  1. হনুমান
  2. চিতল হরিণ
  3. ভুবন চিল
  4. উল্লুক
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২৮৩.
'পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সরকার কতটি এলাকাকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৩টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন
এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:

- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• এলাকাগুলো:
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২৮৪.
মহেশখালি দ্বীপ কক্সবাজার শহরের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. ক) উত্তরে
  2. খ) পশ্চিমে
  3. গ) পূর্বে
  4. ঘ) দক্ষিণে
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পশ্চিমে
ব্যাখ্যা

কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান।
প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এ প্রাচীন সভ্যতা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

২৮৫.
বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) কর্ণফুলী
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮৬.
সাহারা মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় কত শতাংশ জুড়ে রয়েছে?
  1. ৩১ শতাংশ
  2. ২১ শতাংশ
  3. ১১ শতাংশ
  4. ১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম আর্সেনিক পাওয়া যায় কোন জেলায়? 
  1. শরিয়তপুর 
  2. চাঁদপুর 
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

আর্সেনিক (Arsenic):
- আর্সেনিক দূষণ একটি Global Problem.
- তাইওয়ানে প্রথম শনাক্তকরণ হয়।
- পৃথিবীর সকল মহাদেশের ৫০ টির মতো দেশে ভূগর্ভস্থ বা ভূউপরিস্থ পানিতে উচ্চমাত্রার আর্সেনিক শনাক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে চাঁপাই নবাবগঞ্জ উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় কয়েকটি কূপে পরীক্ষা চালিয়ে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর মতে, পানিতে নির্ধারিত মান অনুযায়ী ০.০১ পিপিএম আর্সেনিকের মাত্রা গ্রহণযোগ্য। 
- তবে যখন কোন এলাকার পানিতে ০.০১ পিপিএম এর চেয়ে বেশি পরিমাণ আর্সেনিক থাকে তখন সেই এলাকার পানিকে আর্সেনিক দূষণযুক্ত বলে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আর্সেনিক দূষণের মাত্রা বেশি।
- এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে এ দূষণের মাত্রা কম।
- সর্বোচ্চ দূষণযুক্ত জেলাগুলো হচ্ছে চাঁদপুর (৯০%), মুন্সিগঞ্জ (৮৩%), গোপালগঞ্জ (৭৯%), মাদারীপুর (৬৯%), নোয়াখালী (৬৯%), সাতক্ষীরা (৬৭%), কুমিল্লা (৬৫%), ফরিদপুর (৬৫%), শরিয়তপুর (৬৫%), মেহেরপুর (৬০%) ও বাগেরহাট (৬০%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বিএড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৮.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নেই?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক শ্রেণিবিভাগ:
- অবস্থান, ভূমির গঠন ও ভূ-তাত্ত্বিক সময়কাল অনুসারে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে বলে এগুলোকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শ্লেট জাতীয় প্রস্তর এবং কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের অবস্থান:
- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত। 
==================
এছাড়াও - 
- কুমিল্লা আছে প্লাইস্টোসিনকালের পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1.  রংপুর
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট):
- গঙ্গা কপতাক্ষ সেচ প্রকল্প কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশে প্রথম সেচ প্রকল্প।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- ১৯৬৯ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৯০.
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয় কোনটি?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. মারজাত বাওড়
  4. গুলশান-বারিধারা লেক
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
২৯১.
নিচের কোন দেশটি আসিয়ান অঞ্চলের জোটের নয়?
  1. ক) ব্রুনেই
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
ASEAN (Associaion of South East Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট। স্নায়ুযুদ্ধের সময় ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ডিক্লারেশনের মাধ্যমে আসিয়ান (ASEAN) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদরদপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, ব্রুনেই ও মিয়ানমার।
উৎসঃ আসিয়ান ওয়েবসাইট
২৯২.
তিব্বত মালভূমি কোন শ্রেণির মালভূমি?
  1. পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  2. পাদদেশীয় মালভূমি
  3. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি 
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
ব্যাখ্যা
• পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
→ পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়।
→ এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে।
তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি।
→ এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে।
→  দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৩.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ যার সঙ্গে যুক্ত -
  1. বন্য প্রাণী সংরক্ষণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. ভূরাজনীতি
  4. গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ যার সঙ্গে যুক্ত জলবায়ু পরিবর্তন। অন্যদিকে, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, ভূরাজনীতি, গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া  এগুলো পরিবেশ সংক্রান্ত হলেই ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’-এর সাথে যুক্ত নয়।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:

- ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা। 
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- দেশের কাঙ্ক্ষিত আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি, মৎস্য, বনায়ন, পানি ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ নেদারল্যান্ডস সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ শীর্ষক একটি দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যা ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে এনইসি কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
- এটি একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

উৎস: i) পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২৯৪.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি কোনটি?
  1. রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  2. চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  3. চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  4. টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
সঠিক উত্তর:
রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
ব্যাখ্যা
রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।
- এটি সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন এ অভয়ারণ্যের একদিকে ভারতীয় সীমান্ত ও অন্য তিন দিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান ঘেরা।
- রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন প্রায় ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর।
- ব্যবস্থাপনার কারণে বন বিভাগ র্কতৃক এ বনাঞ্চলকে রেমা, কালেঙ্গা, ছনবাড়ি ও রশিদপুর—চারটি বিটে ভাগ করা হয়েছে।
- বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলটি যেহেতু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, এজন্য বনের দেখভালের জন্য রয়েছে ১১টি ইউনিট ও ৭টি ক্যাম্প।

⇒ বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৯৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত-
  1. ক) বরমচালে
  2. খ) হরিপুরে
  3. গ) কৈলাশটিলায়
  4. ঘ) রশিদপুরে
সঠিক উত্তর:
ক) বরমচালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বরমচালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিলেট জেলার হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে। এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়। অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়। পরিশোধিত তেল থেকে কোরোসিন, বিটুমিন, পেট্রোল ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়। সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত। দৈনিক প্রায় ১,২০০ ব্যারেল তেল উত্তোলিত হয় এই তেলক্ষেত্রটি থেকে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সমগ্র বাংলাদেশের জ্বালানি তেল মজুদ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, বিপনন ও জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ করে থাকে। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২৯৬.
কুমিল্লা জেলা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পশুর
  2. খ) গোমতী
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) তিস্তা
সঠিক উত্তর:
খ) গোমতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোমতী
ব্যাখ্যা
• গোমতী নদী:
- গোমতী নদী (Gumti River)  ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর-পূর্বপ্রান্তীয় পার্বত্য অঞ্চল ডুমুর নামক স্থান থেকে উৎপন্ন।
- নদীটি উৎস থেকে পার্বত্যভূমির মধ্য দিয়ে ১৫০ কিমি সর্পিল পথ পার হয়ে কুমিল্লা সদর উপজেলার কটক বাজারের কাছে বাংলাদেশ ভূখন্ডে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশের পর এটি আকাবাঁকা প্রবাহপথে কুমিল্লা শহরের উত্তর প্রান্ত এবং  ময়নামতীর পূর্ব প্রান্ত অতিক্রম করে বয়ে চলেছে। প্রবাহপথের উত্তর দিকে বুড়িচং উপজেলাকে ডানে রেখে এটি দেবিদ্বার উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে পৌঁছেছে। ময়নামতি থেকে কোম্পানীগঞ্জ বাজার পর্যন্ত নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬০ কিলোমিটার।
- কোম্পানীগঞ্জ থেকে পশ্চিম দিকে বাঁক নিয়ে নদীটি শেষাবধি দাউদকান্দি উপজেলার শাপটা নামক স্থানে এসে  মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে।
- কোম্পানীগঞ্জ এবং দাউদকান্দির মধ্যে নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ ভূখন্ডে গোমতী নদীর মোট দৈর্ঘ্য ১৩৫ কিমি। গোমতীর গুরুত্বপূর্ণ উপনদীসমূহের একটি  ডাকাতিয়া এবং এর শাখা নদীর নাম বুড়ি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৯৭.
হাকালুকি হাওরকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর। এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত। হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

• হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী। এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়। বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

উল্লেখ্য,
 - হাকালুকি হাওরকে ১৯৯৯ সালে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৯৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সিলিকা বালি পাওয়া যায় না?
  1. হবিগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বরিশাল জেলায় সিলিকা পাওয়া যায়নি।

সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু:
- সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু প্রধানত কাচ প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও রং, অগ্নিচুল্লির ইপ্টক এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য তৈরিতে সিলিকা বালু ব্যবহৃত হয়।
- খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা, ২০১২-এর বিধি ২ (২৫) অনুযায়ী যে সমস্ত বালুতে ৯০% এর অধিক সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (SiO2) রয়েছে সে বালুকে ‘‘সিলিকা বালু” বলা হয়। বাংলাদেশের হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট এবং কুমিল্লা জেলায় সিলিকা বালু পাওয়া পায়।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৯.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সাধারণত আকস্মিক বন্যা দেখা যায়?
  1. দক্ষিণাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  3. পশ্চিমাঞ্চল
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

• আকস্মিক বন্যা:
 - বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
- আকস্মিক বন্যা অনেক কিছুর কারণে ঘটতে পারে, কিন্তু প্রায়শই বজ্রঝড় থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে হয়। বাঁধ বা লেভি ব্রেক, এবং/অথবা কাদা ধ্বসের (ডেব্রিস ফ্লো) কারণে আকস্মিক বন্যা ঘটতে পারে।
- বৃষ্টিপাতের তীব্রতা, বৃষ্টিপাতের অবস্থান ও বন্টন, জমির ব্যবহার এবং ভূ-সংস্থান, গাছপালা এবং বৃদ্ধি/ঘনত্ব, মাটির ধরন এবং মাটির জল-বস্তু সবই নির্ধারণ করে যে কত দ্রুত আকস্মিক বন্যা ঘটতে পারে এবং এটি কোথায় প্রভাব ফেলতে পারে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও  National Weather Service & The Daily Star বাংলা।
৩০০.
প্যারিস শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) সেইন
  2. খ) টেমস
  3. গ) দানিয়ুব
  4. ঘ) জর্ডান
সঠিক উত্তর:
ক) সেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেইন
ব্যাখ্যা
প্যারিস শহর ফ্রান্সের রাজধানী। 
- এটি দেশের উত্তর-মধ্য অংশে অবস্থিত।
- প্রায় ৭৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইংলিশ চ্যানেল নদীর মুখ থেকে ২৩৩ মাইল (৩৭৫ কিমি) উজানে সেইন নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।