বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ বণ্টনের প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ
PrepBank · পাতা ৫ / ৬ · ৪০১–৫০০ / ৫৩৭
৪০১.
গ্রেট বেরিয়ার রীফ কোথায় অবস্থিত?
ক
আটলান্টিক মহাসাগরে
খ
প্রশান্ত মহাসাগরে
গ
পারস্য মহাসাগরে
ঘ
ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর: খ
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
প্রশান্ত মহাসাগরে
খ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ: - গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম। - এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত। - এর আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। - এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। - এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।
উৎস: Worldatlas.com।
৪০২.
বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?
ক
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর প্রবাহ মাত্রা
খ
মাধ্যাকর্ষণের কেন্দ্রে বায়ুর অস্তিত্ব
গ
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
ঘ
বায়ুর উর্ধ্বমুখী চাপ
সঠিক উত্তর: গ
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
গ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল: - ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে। - বায়ুমণ্ডলের গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার। বায়ুমণ্ডলের একটির উপর আরেকটি স্তর আছে। ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি বা সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব বেশি ও উর্ধ্বদিকে এই ঘনত্ব কমতে থাকে।
- বায়ুমণ্ডলের উপাদান মূলত বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণ। - বায়ুমণ্ডলের এই সব গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে শুদ্ধ উপাদান হলো অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন, বাকী উপাদান হলো কৃত্রিম বা অশুদ্ধ উপাদান। - এই সব গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকাসমূহ বায়ুমন্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৩.
নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
ক
ক) অক্ষরেখা
খ
খ) দ্রাঘিমারেখা
গ
গ) উচ্চতা
ঘ
ঘ) সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর: খ
খ) দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) দ্রাঘিমারেখা
খ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চলে উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল। আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন। কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে। জলবায়ুর বিভিন্ন নিয়ামকগুলো হলো - - অক্ষাংশ, - উচ্চতা, - সমুদ্র থেকে দূরত্ব, - বায়ুপ্রবাহ, - সমুদ্রস্রোত, - পর্বতের অবস্থান, - ভূমির ঢাল, - মৃত্তিকার গঠন, - বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি। দ্রাঘিমারেখা একটি অঞ্চল বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণে নিয়ামক হিসাবে কাজ করে না।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪০৪.
চা চাষের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন?
ক
ক) ১০০ সেন্টিমিটার
খ
খ) ১৫০ সেন্টিমিটার
গ
গ) ২০০ সেন্টিমিটার
ঘ
ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
ঘ
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম। বাংলাদেশে উৎপাদিত চা-এর কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ করা হয়। নিয়ামক: তাপমাত্রা : চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা চা চাষের উপযোগী। বৃষ্টিপাত : চা চাষের জন্য ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। মৃত্তিকা : উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪০৫.
বায়ুমণ্ডলে আর্গন ও জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কত?
ক
০.০২ ও ০.৩০ শতাংশ
খ
৭৮.০২ ও ০.০৩ শতাংশ
গ
২০.৭১ ও ০.৮০ শতাংশ
ঘ
০.৮০ ও ০.৪১ শতাংশ
সঠিক উত্তর: ঘ
০.৮০ ও ০.৪১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
০.৮০ ও ০.৪১ শতাংশ
ঘ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডল: - ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
• আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি : → কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে। যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।
রামসার সাইট: - রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়। - এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা। - বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে। - বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। - রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর। - বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন। - ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর। - এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৪০৮.
ফসল উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের মাটি উত্তম?
ক
ক) এঁটেল মাটি
খ
খ) বেলে মাটি
গ
গ) দো-আঁশ মাটি
ঘ
ঘ) পলি মাটি
সঠিক উত্তর: গ
গ) দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) দো-আঁশ মাটি
গ
ব্যাখ্যা
- ফসল উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি উত্তম। কারণ এই মাটিতে বালি, পলি, কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। - এ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে তাই চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী। - এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয় বেশি। - বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি দো-আঁশ মাটি। - কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়।
উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
৪০৯.
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সরকার কতটি এলাকাকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) হিসেবে ঘোষণা করেছে?
ক
১২টি
খ
১০টি
গ
১৫টি
ঘ
১৩টি
সঠিক উত্তর: ঘ
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
১৩টি
ঘ
ব্যাখ্যা
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা: - অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। - এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে। - দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। - এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
• 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত'। - 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত' এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার। - কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্য়াস্তের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যায়। - পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে কুয়াকাটার দুরত্ব ৭০ কিলোমিটার - সমুদ্র সৈকতের পাশেই দেড় শতাধিক একর জমিতে অবস্থিত নারিকেল বাগান যা "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত।
• পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত। • ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।
উল্লেখ্য, • সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত। - প্রচুর নারকেল পাওয়া যায় বলে এ নামটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত হয়েছে।
সূত্র: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট
৪১১.
বিচূর্ণীভবনের প্রভাবক কোনটি?
ক
ক) তাপ ও তাপমাত্রা
খ
খ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
গ
গ) বৃষ্টিপাত
ঘ
ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) সবগুলো
ঘ
ব্যাখ্যা
• বিচূর্ণীভবনের প্রভাবকসমূহ হলো: - তাপ ও তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, জীবজন্তু ও কীটপতঙ্গ, নদীর প্রভাব, বায়ু, হিমবাহ ও তুষারের কার্য ইত্যাদি। - বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হওয়ার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে বিচূর্ণীভবন বা আবহবিকারকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- রাসায়নিক, যান্ত্রিক ও জৈবিক বিচূর্ণীভবন।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ কত?
ক
৬২,৮৭,০০০ একর
খ
৬৩,৬৩,০০০ একর
গ
৬৫,১৪,০০০ একর
ঘ
৬৯,৩৮,০০০ একর
সঠিক উত্তর: খ
৬৩,৬৩,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬৩,৬৩,০০০ একর
খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল: - দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• ভূ-প্রকৃতি: - ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, - প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ, - সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি,
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: - বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে। - এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। - এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। - এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। - যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: - আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। - উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত। - প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি: - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি। - এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। - স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে। - এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪১৪.
'আবু মুসা দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
ক
ক) পারস্য উপসাগরে
খ
খ) আরব সাগরে
গ
গ) বঙ্গোপসাগরে
ঘ
ঘ) ক্যারিবিয়ান সাগরে
সঠিক উত্তর: ক
ক) পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) পারস্য উপসাগরে
ক
ব্যাখ্যা
• 'আবু মুসা দ্বীপ': - 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে। - এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত। - এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে - এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে। - বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।
উৎস ব্রিটানিকা ডট কম।
৪১৫.
সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় -
ক
পাগ-মার্ক
খ
ফুটমার্ক
গ
GIS
ঘ
কোয়ার্ডবেট
সঠিক উত্তর: ক
পাগ-মার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
পাগ-মার্ক
ক
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক।
সুন্দরবন: - সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি । - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। - সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। - সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। - বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। - ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে। - সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। - সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। - সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। - ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, - সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক। - সুন্দরবনে কয়েকটি পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত বাঘ গণনা করা হয়েছে। - তবে সর্বশেষ পদ্ধতিটি ছিল ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি। - পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে বাঘ গণনা করা হলেও, সেই পদ্ধতিতে ভুলভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হতো। - ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে এখন প্রায় সব দেশ অনুসরণ করে থাকে।
উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট। ii) ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, বিবিসি বাংলা।
৪১৬.
সুন্দরবনের অন্য নাম কী?
ক
গর্জনবন
খ
শালবন
গ
বাদাবন
ঘ
চিরসবুজ বন
সঠিক উত্তর: গ
বাদাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাদাবন
গ
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন: - সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি । - এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। - ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন। - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। - বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ। - এর অন্য নাম বাদাবন। • সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। - সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। - তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার। - সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। - সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। - ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়। - ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১৭.
উদ্ভিদ বৈচিত্র অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
ক
২টি
খ
৩টি
গ
৪টি
ঘ
৬টি
সঠিক উত্তর: গ
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৪টি
গ
ব্যাখ্যা
উদ্ভিজ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত: চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। → (১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি যা মূলতঃ পাহাড়ী বনভূমি নামে পরিচিত; → (২) ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি বা শালবন; → (৩) গরান বা স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন; → (৪) অশ্রেণীভূক্ত সরকারী মালিকানাধীন ছন জাতীয় মিশ্র জঙ্গলাকীর্ণ বনভূমি।
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক ভূগোল (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৮.
কক্সবাজারের জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
ক
চরমভাবাপন্ন
খ
মৃদুভাবাপন্ন
গ
সমভাবাপন্ন
ঘ
নিয়তভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর: খ
মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
মৃদুভাবাপন্ন
খ
ব্যাখ্যা
মৃদুভাবাপন্ন: - জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। - যেমন: কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন। - সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন বা মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।
অন্যদিকে - - সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। - এ কারণে সমুদ্রের দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়। - স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। - কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। - তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। - এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়। - আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। - ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। - মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৯.
'গ্রানাইট' কোন ধরনের শিলা?
ক
আগ্নেয় শিলা
খ
পাললিক শিলা
গ
রূপান্তরিত শিলা
ঘ
বিচূর্ণীত শিলা
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলা
ক
ব্যাখ্যা
- গ্রানাইট' আগ্নেয় শিলা।
• আগ্নেয় শিলা: → পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয় শিলা নামে অভিহিত। → আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে। → লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়। → পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট, গ্রানাইট ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২০.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
ক
ভঙ্গিল পর্বত
খ
চ্যুতি-স্থপ পর্বত
গ
আগ্নেয় পর্বত
ঘ
ল্যাকোলিথ
সঠিক উত্তর: গ
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
আগ্নেয় পর্বত
গ
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় পর্বত: - আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। - একে আপ্লেয়জাত সমভূমি সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। - এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, • ভঙ্গিল পর্বত: - ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি। - কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। - এশিয়ার হিমালয়, - ইউরোপের আল্পস, - উত্তর আমেরিকার রকি এবং - দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
• চ্যুতি-স্থপ পর্বত: - ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। - এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভুত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়। - কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভুত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। - ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভুত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়। - ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।
উল্লেখ্য, - সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৪২১.
ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ-এর উৎপাদিত সার-এর নাম কোনটি?
ক
ইউরিয়া এবং এএসপি
খ
ইউরিয়া
গ
টিএসপি এবং এএসপি
ঘ
ডিএপি
সঠিক উত্তর: ক
ইউরিয়া এবং এএসপি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ইউরিয়া এবং এএসপি
ক
ব্যাখ্যা
◉ ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ-এর উৎপাদিত সার-এর নাম ইউরিয়া এবং এএসপি।
ন্যাচারেল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটিড: - ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ দেশের প্রথম এবং পুরাতন ইউরিয়া সার কারখানা। - এটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট জেলায় স্থাপিত হয়। - পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্টটি স্থাপন করা হয়। - এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্পাদন ক্ষমতা ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।
উল্লেখ্য, - সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (এনজিএফএফ) ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর বন্ধ হয়ে যায়। - ২০১৬ সালের ৩০ জুন কারখানাটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। - বিকল্প হিসাবে এই কারখানার পাশেই নতুন প্রযুক্তিতে শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি চালু হয়।
উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট। ii) ১০ জুন ২০২৩, যুগান্তর।
৪২২.
নদী-বিধৌত অঞ্চল সবচেয়ে বেশি কোন নদীর?
ক
ক) পদ্মা
খ
খ) মেঘনা
গ
গ) ব্রহ্মপুত্র
ঘ
ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর: গ
গ) ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ব্রহ্মপুত্র
গ
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন। তিব্বতে এর নাম সংপো এবং ডিহং নামে এটা আসামের উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। অতঃপর ব্রহ্মপুত্র নামে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের মাজহিয়ালীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরবর্তীতে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্বে বেঁকে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্থানের নাম পুরাতন ব্রহ্মপুত্র। ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের ৫০,৫০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিধৌত করেছে।
অন্যদিকে, পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকিঃমিঃ ও মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ - ২৯,৭৮৫ বর্গকিঃমিঃ।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল (অর্থনৈতিক ভূগোল) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৪২৩.
কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম -
ক
ক) আস্তানা
খ
খ) দুশানবে
গ
গ) লিসবন
ঘ
ঘ) মিনস্ক
সঠিক উত্তর: ক
ক) আস্তানা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) আস্তানা
ক
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি দেশের রাজধানী: - কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানা। - তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানবে। - পর্তুগালের রাজধানী লিসবন। - বেলারুশের রাজধানীর মিনস্ক।
সূত্র: Britannica
৪২৪.
নদী শাসনের ক্ষেত্রে ড্রেজিং বলতে কী বোঝায়?
ক
নদীর পানি শুকিয়ে ফেলা
খ
নদীর পাড় উঁচু করা
গ
নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
ঘ
নদীর গতিপথ বন্ধ করা
সঠিক উত্তর: গ
নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা বৃদ্ধি
গ
ব্যাখ্যা
নদীশাসন: - প্রতিবছর নানাবিধ কারণে নদীভাঙ্গন দেখা যায় যা অতি পরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। - নদীর এ ভাঙ্গন প্রক্রিয়া প্রতিরোধ ও নদীর পানি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করার জন্য বাঁধ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করাই হলো নদীশাসন। যেমন:- তিস্তা ব্যারেজ।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে কমবেশি নদীভাঙ্গন দেখা যায়। - তবে নদীভাঙ্গনের ফলে সর্বোচ্চ ভূমিক্ষয় ঘটে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায়। - নদীভাঙ্গনের ফলে নদীর পাড়ে বসবাসকারী মানুষের পালিত পশুসম্পদ, ফসলি জমি, জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। - তাই নদীশাসনের জন ইতোমধ্যে সরকার অনেক নদীর তীরে বাঁধ দিয়ে নদীভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করছে।
⇒ নদীশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ: • উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করে এবং ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদী খনন করে নদীশাসন করা। • নদীশাসনের জন্য নদীর পাড় থেকে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটা ও পাথর তোলা বন্ধ করে নদীভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব। • সমভূমি থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি একই পথে নদীতে পতিত হওয়া রোধ করে পরিকল্পিতভাবে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে নদীভাঙ্গন রোধ করে নদীশাসন করা যায়। • প্রতিবছর নদীর পাড় ও বাঁধ সংস্করণ, নদী খনন, নদীর নাব্যতা ধরে রাখা ইত্যাদির মাধ্যমে নদীভাঙ্গন রোধ করা যায়।
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২৫.
মুহুরী সেচ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
ক
রাজশাহী
খ
ফেনী
গ
চাঁদপুর
ঘ
রংপুর
সঠিক উত্তর: খ
ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ফেনী
খ
ব্যাখ্যা
•মুহুরী সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেচ প্রকল্প। - ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পোরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজিয়ায় পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে চল্লিশ ফুট স্লুইস গেট। - এটি বর্ষা মৌসুমে বন্যার সম্ভাবনা কমাতে এবং আমন ফসলের জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাই উপ-জেলার কয়েকটি এলাকায় পানি সরবরাহ করে। - সিডা, ইইসি এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় জাপানি কোম্পানি এসআইএম ইউ জে এইচ ইউ এই প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে।
উৎস: পানি উন্নয়ন বোর্ড।
৪২৬.
আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কততম?
ক
ক) ৩য়
খ
খ) ৮ম
গ
গ) ১৩ তম
ঘ
ঘ) ১৪ তম
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৩ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ১৩ তম
গ
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় আর বিশ্বের ১৩ তম দেশ হিসেবে আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলো বাংলাদেশে। - পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দেশ প্রবেশ করল ‘সুপার ক্রিটিক্যাল ক্লাবে’। - জ্বালানি সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব ক্লিন কোল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দক্ষতা ৪৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। - সালফার নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন (এফজিডি) স্থাপন করা হয়েছে। - ফ্লাইঅ্যাশ কমাতে ৯৯ শতাংশ দক্ষতাসম্পন্ন ইলেক্ট্রো স্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর (ইএসপি) বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সংযোজিত হয়েছে।
তথ্যসূত্র- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৪২৭.
বাংলাদেশকে কয়টি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে?
ক
২টি
খ
৩টি
গ
৪টি
ঘ
৫টি
সঠিক উত্তর: গ
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৪টি
গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল: - ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। - সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। - অঞ্চলগুলো হলো: ১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: - উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)। - এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36 ২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: - উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)। - এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28 ৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: - নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)। - এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2 ৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: - দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)। - এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12
উল্লেখ্য, - BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে। অঞ্চলগুলো হলো: ১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭), ২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬), ৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)। - পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। - মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।
আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত পাহাড় কোনটি?
ক
লালমাই পাহাড়
খ
ময়নামতি পাহাড়
গ
চন্দ্রনাথ পাহাড়
ঘ
শিপ্পি পাহাড়
সঠিক উত্তর: ঘ
শিপ্পি পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
শিপ্পি পাহাড়
ঘ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পাহাড়: - বাংলাদেশের পাহাড়, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটের, মূলত টারশিয়ারি যুগে ভারতের এবং ইউরেশীয় টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষ ও ভাঁজ প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে। - এগুলো আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়। - পাহাড়গুলো প্রধানত বেলেপাথর, শেল ও কদম শিলায় গঠিত। - দীর্ঘ সময় ধরে নদী, বৃষ্টি ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের প্রভাবে পাহাড়গুলোর বর্তমান আকার তৈরি হয়েছে।
- দেশের বৃহত্তম ও উচ্চতম পাহাড় হলো গারো পাহাড়, যা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত। - ইউরেনিয়াম খনিজ পাওয়া যায় কুলাউড়া পাহাড়ে, মৌলভীবাজার জেলায়। - ঐতিহাসিক গুরুত্বের দিক থেকে লালমাই পাহাড় ও ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ। - হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত চন্দ্রনাথ পাহাড়, যা চট্টগ্রাম ও সীতাকুণ্ড এলাকায় অবস্থিত। - পাহাড়ের রানি বা বাংলাদেশের দার্জিলিং হিসেবে খ্যাত চিম্বুক পাহাড়/কালাপাহাড় বান্দরবানে অবস্থিত। - বান্দরবানের শিপ্পি বা রামজু পাহাড় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২৯.
অস্তরীভূত শিলা কেনটি?
ক
আগ্নেয় শিলায়
খ
পাললিক শিলায়
গ
বিচূর্ণীত শিলায়
ঘ
রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলায়
ক
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা: - পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয় শিলা নামে অভিহিত।
• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ: → আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা; → আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই; → আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য; → আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩০.
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চারপাশে কত কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করা হয়েছে?
ক
১৫ কিলোমিটার
খ
১০ কিলোমিটার
গ
১২ কিলোমিটার
ঘ
৮ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: খ
১০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১০ কিলোমিটার
খ
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন: - সুন্দরবন সংরক্ষিত বনের (রিজার্ভ ফরেস্ট) চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার (ইসিএ)। - কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। - ইসিএ ঘোষণার আলোকে ওই অঞ্চলে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে। - সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে গঠিত ইসিএ এলাকায় পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩১.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
ক
ইথিওপিয়া
খ
উগান্ডা
গ
কেনিয়া
ঘ
তানজানিয়া
সঠিক উত্তর: ঘ
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
তানজানিয়া
ঘ
ব্যাখ্যা
কিলিমাঞ্জারো পর্বত: - আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত। - অবস্থান: পূর্ব আফ্রিকা, তানজানিয়া। - উচ্চতা: ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪৫ ফিট)। - ধরণ: কিলিমাঞ্জারো পর্বতটি একটি নিষ্ক্রিয় তুষারাবৃত স্ট্র্যাটোভলকানো। - তিনটি শীর্ষ: কিবো, মাসে, শিরা। - জলবায়ু/ভূপ্রকৃতি: নিম্নভূমি বন, মধ্যভূমি লাউবাল বন, উপরের অংশে হিমবাহ ও বরফপাত। - বিখ্যাত: পর্বতারোহী ও ট্রেকিং ডেস্টিনেশন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩২.
Which from the following is NOT a renewable energy resource?
ক
ক) Geothermal
খ
খ) Nuclear
গ
গ) Biomass
ঘ
ঘ) Solar
সঠিক উত্তর: খ
খ) Nuclear
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) Nuclear
খ
ব্যাখ্যা
• শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। - নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
• নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: - সৌরশক্তি (Solar Energy), - জলবিদ্যুৎ (Hydropower), - বায়ু শক্তি (Wind Energy, - ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal) - জৈবিকভর (Biomass) ইত্যাদি।
• অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: - পেট্রোলিয়াম (Petroleum) - প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas) - কয়লা (Coal) - পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)
• খেয়াল করুন, - পরমাণুতে বিপুল পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত আছে। তাই, পরমাণুর সঞ্চিত শক্তি নবায়নযোগ্য শক্তির আধার। • অন্যদিকে, - পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা ইউরেনিয়ামের উপর নির্ভর করে। ইউরেনিয়ামের পরিমাণ সীমিত। তাই, এই শক্তি নবায়নযোগ্য নয়।
তথ্যসূত্র: www.eia.gov এবং পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৩৩.
কোনটি বাংলাদেশের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
ক
আড়িয়াল বিল
খ
তুরাগ নদী
গ
গুলশান-বারিধারা লেক
ঘ
মারজাত বাওড়
সঠিক উত্তর: ক
আড়িয়াল বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আড়িয়াল বিল
ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা: - অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। - এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে। - দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। - ⇒ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। ⇒ এলাকাগুলো: - সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।
উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪৩৪.
নিচের কোনটি আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
ক
ক) স্তরবিহীন
খ
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
গ
গ) কেলাসিত
ঘ
ঘ) প্রাচীনতম
সঠিক উত্তর: খ
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) জীবাশ্ম বিশিষ্ট
খ
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় শিলা সৃষ্টির প্রথমে পৃথিবী উত্তপ্ত গ্যাসীয়পিন্ড ছিল। এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়। পরে আরো তাপ বিকিরণ করে উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে। এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য ১। স্তরবিহীন : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে ঠান্ডা হয়ে জমাট বেঁধে এই জাতীয় শিলার সৃষ্টি হয় বলে এতে কোনো স্তর থাকে না। ২। জীবাশ্মবিহীন : উত্তপ্ত গলিত পদার্থ থেকে আগ্নেয় শিলার উৎপত্তি বিধায় কোনো প্রাণি বা উদ্ভিদের অস্তিত্ব আশা করা যায় না। এ কারণে এ জাতীয় শিলার মধ্যে জীবাশ্ম পাওয়া যায় না। ৩। কেলাসিত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে এ জাতীয় শিলা তৈরি হয় বলে ক্ষেত্রবিশেষে কেলাসিত হয় বা নির্দিষ্ট আকারে দানা বাঁধে। ৪। অপ্রবেশ্য : আগ্নেয় শিলার দানাগুলির মধ্যে কোনো ছিদ্র না থাকায় এই শিলায় পানি প্রবেশ করতে পারে না। তাই আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য। ৫। সুদৃঢ় ও সুসংহত : উত্তপ্ত গলিত অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণ করে উৎপন্ন হয় বলে এ শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত। ৬। প্রাচীনতম : আগ্নেয় শিলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা। এই শিলা থেকে অন্যান্য শিলার উৎপত্তি হয়েছে। ৭। অপেক্ষাকৃত ভারী : আগ্নেয় শিলা অন্যান্য শিলার চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভারী।
অন্যদিকে, পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - ১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়; ২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়; ৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়; ৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।
তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৫.
এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি?
ক
ক) সিঙ্গাপুর
খ
খ) ব্রুনেই
গ
গ) বাহরাইন
ঘ
ঘ) মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) মালদ্বীপ
ঘ
ব্যাখ্যা
- মালদ্বীপ এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম। - এটি ভারত মহাসাগরের অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে গঠিত। - এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল এবং জনসংখ্যা প্রায় ৪২৭,৭৫৬। - মালদ্বীপের রাজধানী মালে।
উৎস: ওয়াল্ড এটলাস
৪৩৬.
'আন্দিজ পর্বত' কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
ক
আগ্নেয় পর্বত
খ
ভঙ্গিল পর্বত
গ
চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
ঘ
মালভূমি
সঠিক উত্তর: খ
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
ভঙ্গিল পর্বত
খ
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত: - ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি। - ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। - কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। - এশিয়ার হিমালয়, - ইউরোপের আল্পস, - উত্তর আমেরিকার রকি এবং - দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: - বঙ্গোসাগরের মাঝে অবস্থিত সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। - এটি স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত। - সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ টেকনাফ উপেজেলা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মিয়ানমার উপকূল থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। - সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এটির গড় উচ্চতা ৩.৬ মিটার।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৩৮.
Climate Vulnerable Forum গঠনে উদ্যোগ নিয়েছিল-
ক
ক) শ্রীলঙ্কা
খ
খ) বাংলাদেশ
গ
গ) মালদ্বীপ
ঘ
ঘ) ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর: গ
গ) মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) মালদ্বীপ
গ
ব্যাখ্যা
- বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক দিক নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে গঠিত হয় Climate Vulnerable Forum। - মালদ্বীপের উদ্যোগে ২০০৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। - এর বর্তমান সদস্য ৫৫টি। - Climate Vulnerable Forum এর বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ (২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত)। - বাংলাদেশের পূর্বে সভাপতি ছিল মার্শাল আইল্যান্ড।
৪৩৯.
লবণাক্ততার কারণে দেশের কোন অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে?
ক
উত্তরাঞ্চল
খ
দক্ষিণাঞ্চল
গ
পূর্বাঞ্চল
ঘ
পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর: খ
দক্ষিণাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দক্ষিণাঞ্চল
খ
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা বৃদ্ধি: - জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। - লবণাক্ততার কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি অংশের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা বদলে যাচ্ছে। - বিগত তিন দশকে খুলনা জেলায় লবণাক্ততা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ২১ শতাংশ। - খুলনার পরেই বাগেরহাট। - সেখানে লবণাক্ততা বেড়েছে ১৫.৮৮ শতাংশ। - নড়াইল, যশোর ও গোপালগঞ্জে লবণাক্ততা একেবারেই ছিলনা। - অথচ সেখানকার জমিতেও লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে। - উপকূল এবং তীরবর্তী এলাকায় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় লবণাক্ত মাটি রয়েছে। - এ অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়লে লবণাক্ততা আরো ভিতরের দিকে আসবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে। - লবণাক্ততা বর্ষা মৌসুমে ১০ শতাংশ থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে তা বেড়ে ৪০ শতাংশ হয় (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ২০২০)। - লবণাক্ততা বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে। - ১৯৭৩ সালে লবণাক্ততাপূর্ণ অঞ্চল ছিল ৮৩.৩ মিলিয়ন হেক্টর, ২০০০ সালে ১০২ মিলিয়ন হেক্টর এবং ২০০৯ সালে ১০৫.৬ মিলিয়ন হেক্টর এবং ২০১৯ সালে ১০৯.৮ মিলিয়ন হেক্টর (ইউএসবি এবং আইপিএস রিপোর্ট, ২০২০)।
উৎস: i) বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪০.
বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি-
ক
ক) পলল সমভূমি
খ
খ) প্লাবন সমভূমি
গ
গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
ঘ
ঘ) ক্ষয়জাত সমভূমি
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ক্ষয়জাত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ক্ষয়জাত সমভূমি
ঘ
ব্যাখ্যা
ক্ষয়জাত সমভূমি: বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন-নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে, নিচুঁ হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি, ফিনল্যান্ড ও সাইবেরিয়া সমভূমি এ ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি দুটি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৪১.
কোন মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়?
ক
ক) তারিম মালভূমি
খ
খ) তিব্বত মালভূমি
গ
গ) পামীর মালভূমি
ঘ
ঘ) গোলান মালভূমি
সঠিক উত্তর: গ
গ) পামীর মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) পামীর মালভূমি
গ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি। - এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত। - পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার। - পামীর মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়। (সূত্র: ব্রিটানিকা)
৪৪২.
কোন ধরনের শিলায় স্তর নেই?
ক
আগ্নেয় শিলায়
খ
বিচূর্ণীত শিলায়
গ
পাললিক শিলায়
ঘ
রূপান্তরিত শিলায়
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
আগ্নেয় শিলায়
ক
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা: - পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয় শিলা নামে অভিহিত।
• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ: → আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা; → আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই; → আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য; → আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর দিয়ে জেট বিমান চলাচল করে?
ক
স্ট্রাটোমণ্ডল
খ
মেসোমণ্ডল
গ
ট্রপোমণ্ডল
ঘ
তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর: ক
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
স্ট্রাটোমণ্ডল
ক
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল: - বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল। - এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে। - এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়। - এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না। - ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক। - ঝড়-বৃষ্টি থাকেনা বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৪.
ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত ভাগ করা যায়-
ক
৪ শ্রেণিতে
খ
৫ শ্রেণিতে
গ
৩ শ্রেণিতে
ঘ
২ শ্রেণিতে
সঠিক উত্তর: গ
৩ শ্রেণিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩ শ্রেণিতে
গ
ব্যাখ্যা
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
• ভূপ্রকৃতি বাংলাদেশ: - বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ। - গঙ্গা নদী পশ্চিম, ব্রহ্মপুত্র নদ উত্তর, সুরমা ও কুশিয়ারা নদী উত্তর-পূর্ব দিক থেকে সুবিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করেছে। - স্থায়ী বসবাসের জন্য সমভূমিই আদর্শ। - বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। - বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। - ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, - প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ, - সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪৫.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট কোনটি?
ক
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
খ
ব্ল্যাকফরেস্ট
গ
সুন্দরবন
ঘ
কঙ্গো রেইনফরেস্ট
সঠিক উত্তর: ক
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট
ক
ব্যাখ্যা
অ্যামাজন রেইনফরেস্ট: - অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট। - অ্যামাজন রেইনফরেস্ট একটি আর্দ্র ও চওড়া পাতার (Broadleaf) বনভূমি যা দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন অববাহিকার অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত। - এই বনভূমির আয়তন প্রায় ২১,২৩,৫৬১.৮ বর্গমাইল, যা একে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। - এই বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে অনেকগুলো নদী, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অ্যামাজন নদী। - এখানে আনুমানিক ৩৯০ বিলিয়ন গাছ রয়েছে, যেগুলো ১৬,০০০ প্রজাতির মধ্যে বিভক্ত। - এই বন প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর পুরনো, এবং ইওসিন যুগে (Eocene era) গঠিত হয়েছিল, যখন প্রাণিকুল ও উদ্ভিদজগতের বিবর্তন ও টিকে থাকার অনুকূল পরিবেশ ছিল। - অ্যামাজন রেইনফরেস্ট শুধু জীববৈচিত্র্য নয়, বরং স্থানীয় ও আঞ্চলিক জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - এই বনভূমি নয়টি দেশজুড়ে বিস্তৃত। - তবে এসব দেশের মধ্যে ব্রাজিলের অংশেই সবচেয়ে বড় পরিমাণ অ্যামাজনের বনাঞ্চল রয়েছে।
উৎস: World Atlas
৪৪৬.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
ক
রাজশাহী
খ
কুমিল্লা
গ
সিলেট
ঘ
দিনাজপুর
সঠিক উত্তর: ঘ
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
দিনাজপুর
ঘ
ব্যাখ্যা
কয়লা: - বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ। - বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি। - এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত। - এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে। - এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
৪৪৭.
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি যা হবে-
ক
উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
খ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
গ
সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
ঘ
বৃষ্টিপাত কমে যাবে
সঠিক উত্তর: খ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
খ
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। - আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
• গ্রিন হাউজ প্রভাব: - ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। - গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে। - ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। - এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। - গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
উৎস: ১. বাংলাপিডিয়া। ২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৪৮.
'Blue economy' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
ক
সমুদ্র সম্পদ
খ
সবুজ বিপ্লব
গ
খনিজ সম্পদ
ঘ
বনজ সম্পদ
সঠিক উত্তর: ক
সমুদ্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
সমুদ্র সম্পদ
ক
ব্যাখ্যা
• সুনীল অর্থনীতি: - সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। - সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। - সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে। - সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। - বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’
- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে। - এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।
উৎস: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
৪৪৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট কোন জেলায় অবস্থিত?
ক
বাগেরহাট
খ
সিলেট
গ
সুনামগঞ্জ
ঘ
পাবনা
সঠিক উত্তর: গ
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সুনামগঞ্জ
গ
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট: - রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়। - এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা। - বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে। - বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। - রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর। - বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন। - ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর। - এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৪৫০.
ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় ব্যবহৃত হয় -
ক
ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
খ
খ) ফেঞ্চুগঞ্জের প্রাকৃতিক গ্যাস
গ
গ) রশিদপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
ঘ
ঘ) বিয়ানীবাজারের প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর: ক
ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
ক
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, বাণিজ্যিক, শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে জ্বালানির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। - ফেঞ্চুগঞ্জের সার কারখানা ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় সিলেটের হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। - নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত ঘোড়াশালের সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়। - সিলেটের চা বাগানগুলো রশিদপুরের প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীল।
উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫১.
ITCZ-এর পূর্ণরূপ কী?
ক
Intra Tropical Convergence Zone
খ
Internal Tropical Convergence Zone
গ
Inter Tropicel Convargence Zone
ঘ
Inter Tropical Convergence Zone
সঠিক উত্তর: ঘ
Inter Tropical Convergence Zone
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
Inter Tropical Convergence Zone
ঘ
ব্যাখ্যা
ITCZ: - ITCZ-এর পূর্ণরূপ হল Inter-tropical Convergence Zone. - এটি হলো পৃথিবীর বিষুব রেখার কাছাকাছি একটি বিশেষ জলবায়ু অঞ্চলের নাম। - এই অঞ্চলে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাতাস একে অপরের দিকে আসতে থাকে এবং এখানে সাধারণত শক্তিশালী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত হয়।
•বৈশিষ্ট্য: - বৃষ্টিপাত: ITCZ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, বিশেষত গ্রীষ্মকালীন সময়ে। - বাতাসের সংঘর্ষ: উত্তর গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এখানে একে অপরকে ঠেকিয়ে আসে। এই সংঘর্ষের ফলে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠে যায় এবং এটি মেঘ সৃষ্টি করে, যা বৃষ্টি নিয়ে আসে। - ঋতুবর্তী পরিবর্তন: ITCZ-এর অবস্থান বছরের বিভিন্ন সময়ে বদলায়। গ্রীষ্মকালে এটি উত্তর দিকে চলে যায় এবং শীতকালে দক্ষিণ দিকে চলে আসে। - এই অঞ্চলটি পৃথিবীর বেশ কিছু ট্রপিক্যাল এলাকায়, যেমন আফ্রিকা, এশিয়া, ও লাতিন আমেরিকাতে, বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে এবং এটি গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
উৎস: National Oceanic and Atmospheric Administration (.gov).
৪৫২.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন সালে?
ক
১৯৮৫ সালে
খ
১৯৯৭ সালে
গ
২০০১ সালে
ঘ
২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর: খ
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৯৯৭ সালে
খ
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন: - সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা জলাভূমির বন হিসেবেও পরিচিত। - সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত। - এই বনের অধিকাংশ অংশ দিনে দু’বার জোয়ার ভাটার কারণে লোনা পানিতে ডুবে যায়, যা ম্যানগ্রোভ বন হিসাবে এর বিশেষত্ব তৈরি করে। - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি। - এর মধ্যে বাংলাদেশে বিস্তৃত সুন্দরবনের আয়তন ২,৪০০ বর্গমাইল বা ৬২%। - সুন্দরবন যে এলাকাগুলো জুড়ে রয়েছে: সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনা। - সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয়। - কারণ এই বন বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। - ১৮৭৮ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। - ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো এই বনকে ৭৯৮তম ‘World Heritage Site’ বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সুন্দরবন অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে— - সুন্দরী, গড়ান, গেওয়া, পশুর, ধুন্দুল, কেওড়া, বাইন, ওড়া, হেন্দাল ও কাঁকড়া প্রভৃতি। - এসব উদ্ভিদ লবণাক্ত জলাভূমি পরিবেশে টিকে থাকার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।
- সুন্দরী বৃক্ষ এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ গাছ। - আন্তর্জাতিকভাবে এই গাছটি “লুকিং গ্লাস ট্রি (Looking Glass Tree)” নামে পরিচিত। - সুন্দরী গাছের প্রাচুর্যের কারণেই এই বনভূমির নামকরণ করা হয়েছে “সুন্দরবন”।
উৎস: ১. বন অধিদপ্তর, ২. বাংলাপিডিয়া; ৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫৩.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস?
ক
ক) হ্রদ
খ
খ) মহাসাগর
গ
গ) উপসাগর
ঘ
ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর: ক
ক) হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) হ্রদ
ক
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫৪.
গ্রানাইট থেকে কোন রূপান্তরিত শিলার সৃষ্টি হয়?
ক
ক) নিস
খ
খ) কোয়ার্টজাইট
গ
গ) স্লেট
ঘ
ঘ) গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর: ক
ক) নিস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) নিস
ক
ব্যাখ্যা
অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয়, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত। রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৫৫.
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের কোন স্থানে কঠিন শিলার খনি রয়েছে?
ক
রানীপুকুর
খ
ভোলাগঞ্জ
গ
পত্নীতলা
ঘ
মধ্যপাড়া
সঠিক উত্তর: ঘ
মধ্যপাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
মধ্যপাড়া
ঘ
ব্যাখ্যা
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
কঠিন শিলা (Hard Rock): - পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। - দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে। - আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪ সালে। - গভীরতা: ১২৮ মিটার। মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।
উল্লেখ্য, - ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়। - দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২৮ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়। - মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়। - এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে। - রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।
সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ: - ম্যানগ্রোভ বন হচ্ছে সমুদ্র-উপকূলবর্তী বন, যেখানে জোয়ারের সময় পানি উঠে এবং ভাটার সময় নেমে যায়। - পৃথিবীব্যাপী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বন দেখা যায়। - বিশ্বে ১,৮১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ম্যানগ্রোভ বন ছিল; কিন্তু বর্তমানে এ বনের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটারের নিচে নেমে এসেছে। - এখন পর্যন্ত ১০২টি দেশে এ বনের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও শুধু ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি ম্যানগ্রোভ বন আছে। - বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত করে। এটি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবেও মনোনীত হয়।
তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
৪৫৭.
বাংলাদেশের পাহাড় শ্রেণির ভূ-তাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ কোনটি?
ক
ক) টারশিয়ারি যুগের
খ
খ) মায়োসিন যুগের
গ
গ) প্লাইস্টোসিন যুগের
ঘ
ঘ) নিউ টারশিয়ারি যুগের
সঠিক উত্তর: ক
ক) টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) টারশিয়ারি যুগের
ক
ব্যাখ্যা
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়। • এগুলো হলো: - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী - প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ - প্লাবন সমভূমি।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী। - আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়। - দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত। - দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
ক
ক) কয়লা
খ
খ) চুনাপাথর
গ
গ) সাদামাটি
ঘ
ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) গ্যাস
ঘ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। - ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়। - দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি। - বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
৪৫৯.
অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর গিরিখাতকে বলা হয়-
ক
ক) বর্তুলাকার গর্ত
খ
খ) পলল কোণ
গ
গ) ক্যানিয়ন
ঘ
ঘ) ‘U’-আকৃতির উপত্যকা
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) ক্যানিয়ন
গ
ব্যাখ্যা
নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়। এরূপ গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে। উত্তর আমেরিকার কলোরোডো নদীর গিরিখাত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন পৃথিবী বিখ্যাত। এটি ১৩৭-১৫৭ মিটার বিস্তৃত, প্রায় ২.৪ কিলোমিটার গভীর ও ৪৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৬০.
নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ কোনটি?
ক
প্রাকৃতিক গ্যাস
খ
খনিজ তেল
গ
বায়োগ্যাস
ঘ
পীট কয়লা
সঠিক উত্তর: গ
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বায়োগ্যাস
গ
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য শক্তি: - নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। - এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। - বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (বায়োগ্যাস, বায়োম্যাস, বায়োফুয়েল), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
• অনবায়নযোগ্য শক্তি: - অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না। - যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, নিউক্লীয় শক্তি, খনিজ তেল ইত্যাদি।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬১.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
ক
ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার
খ
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
গ
গ) ৭ বর্গ কিলোমিটার
ঘ
ঘ) ৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: খ
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
খ
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ। - দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার। - কক্সবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
- প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য। - সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়। - সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে। - সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।
উৎস: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট ও শিক্ষক বাতায়ন।
৪৬২.
ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের নরম আবরণকে কী বলে?
ক
ক) জৈব পদার্থ
খ
খ) পানি
গ
গ) মৃত্তিকা
ঘ
ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: গ
গ) মৃত্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) মৃত্তিকা
গ
ব্যাখ্যা
• মৃত্তিকা: - রোদ, বৃষ্টি, বায়ুপ্রবাহ, পানি স্রোত, হিমবাহ, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলারাশি চূর্ন-বিচূর্ণ হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরিভাগে যে নরম আবরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে মৃত্তিকা বলে। মৃত্তিকার উপরই আমরা বসবাস করি এবং গাছপালাসহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদন করে জীবনধারণ করি।
• মৃত্তিকা দূষণ: - শিল্প বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য, জমাকৃত আবর্জনা এবং বিভিন্ন জৈব উপাদান মৃত্তিকার যে ক্ষতিসাধন করে তাই হলো মৃত্তিকা দূষণ।
তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৩.
সুরমা ও কুশিয়ারা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
ক
ক) চিলমারি
খ
খ) গোয়ালন্দ
গ
গ) ভৈরববাজার
ঘ
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
ঘ
ব্যাখ্যা
• সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল (মেঘনা): আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
অন্যদিকে, • পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল: গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) • পদ্মা ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে মিলিত হয়েছে। • পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল: চাঁদপুর • ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল: চিলমারি (কুড়িগ্রাম) • পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল: ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৪৬৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
ক
ক) ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
খ
খ) শ্রাবণ-আশ্বিন
গ
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
ঘ
ঘ) চৈত্র-বৈশাখ
সঠিক উত্তর: গ
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
গ
ব্যাখ্যা
• রবি মৌসুম: - ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথাঃ রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম। - শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। - কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম। - গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।
উৎসঃ কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৪৬৫.
সুন্দরবনের পরে দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি কোনটি?
ক
চুনতি
খ
হাজারিখিল
গ
চর কুকরি মুকরি
ঘ
রেমা কালেঙ্গা
সঠিক উত্তর: ঘ
রেমা কালেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
রেমা কালেঙ্গা
ঘ
ব্যাখ্যা
রেমা–কালেঙ্গা বন: - রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল। - এটি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত। - এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।
⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা। - এটি সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি। - ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন এ অভয়ারণ্যের একদিকে ভারতীয় সীমান্ত ও অন্য তিন দিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান ঘেরা। - রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়। - বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন প্রায় ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর। - ব্যবস্থাপনার কারণে বন বিভাগ র্কতৃক এ বনাঞ্চলকে রেমা, কালেঙ্গা, ছনবাড়ি ও রশিদপুর—চারটি বিটে ভাগ করা হয়েছে। - বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলটি যেহেতু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, এজন্য বনের দেখভালের জন্য রয়েছে ১১টি ইউনিট ও ৭টি ক্যাম্প।
⇒ বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪৬৬.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল-
ক
ক) মেরু অঞ্চলে বরফের সঞ্চিতি বৃদ্ধি
খ
খ) সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস
গ
গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
ঘ
ঘ) নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়া
সঠিক উত্তর: গ
গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
গ
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে। (সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪৬৭.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র কোনটি?
ক
বিবিয়ানা
খ
তিতাস
গ
হরিপুর
ঘ
কৈলাশটিলা
সঠিক উত্তর: গ
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
হরিপুর
গ
ব্যাখ্যা
- সিলেটের হরিপুর বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র: - বাংলাদেশের দুটি খনিজ তেলক্ষেত্র রয়েছে। - বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র। - এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। - ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়। - ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।
এছাড়াও, - হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র: - বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে। - ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। - ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৪৬৮.
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
ক
উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
খ
বৃষ্টিপাত কমে যাবে
গ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ঘ
সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
সঠিক উত্তর: গ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
গ
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। - আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
• গ্রিন হাউজ প্রভাব: - ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। - গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে। - ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। - এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। - গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
উৎস: ১. বাংলাপিডিয়া। ২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬৯.
প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র- [অর্থনৈতিক সমীক্ষা,২০২৪]
ক
বিবিয়ানা
খ
ইলিশা-১
গ
তিতাস
ঘ
বাখরাবাদ
সঠিক উত্তর: ক
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
বিবিয়ানা
ক
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র: - উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)। - এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৮১৮.৩ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)। - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু)। - দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা – ১০৯টি। - এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে – বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি। দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২৩টি।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
৪৭০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কোনটি?
ক
ক) মেঘনা
খ
খ) পদ্মা
গ
গ) কর্ণফুলী
ঘ
ঘ) যমুনা
সঠিক উত্তর: গ
গ) কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) কর্ণফুলী
গ
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদী : - বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী। - মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল। - বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী। - পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। - কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি। - রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। - এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট। - দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭১.
পৃথিবীতে চাপ বলয়ের সংখ্যা কতটি রয়েছে?
ক
৭টি
খ
৮টি
গ
৫টি
ঘ
৬টি
সঠিক উত্তর: ক
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
৭টি
ক
ব্যাখ্যা
চাপ বলয়: - পৃথিবীতে মোট চাপ বলয়ের সংখ্যা ৭টি। এর মধ্যে উচ্চচাপ বলয় চারটি এবং নিম্নচাপ বলয় তিনটি। এগুলো হলো: - নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় - কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় - মকরীয় উচ্চচাপ বলয় - উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয় - দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয় - উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং - দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল,নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭২.
আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মহাসাগর কোনটি?
ক
ক) প্রশান্ত মহাসাগর
খ
খ) আটলান্টিক মহাসাগর
গ
গ) ভারত মহাসাগর
ঘ
ঘ) উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর: ক
ক) প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) প্রশান্ত মহাসাগর
ক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর। • প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। • গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি. • এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত। • ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। • আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর।
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৩.
একাধিক খনিজ পর্দাথের সমন্বয়ে তৈরি হয় কোনটি?
ক
শিলা
খ
পানি
গ
বাযু
ঘ
উদ্ভিজ্জ
সঠিক উত্তর: ক
শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
শিলা
ক
ব্যাখ্যা
• খনিজ: → খনিজ হলো প্রাকৃতিক অজৈব পদার্থ, যার সুনির্দিষ্ট রাসায়নিক গঠন এবং ভৌত রাসায়নিক ধর্ম রয়েছে। যথা: কোয়ার্টজ, ফেলসপার, হীরা, সোনা, পারদ, গন্ধক ইত্যাদি। → একাধিক খনিজের সংমিশ্রনে শিলা গঠিত হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৪.
নিচের কোনটি জলজ উদ্ভিদ নয়?
ক
হিজল
খ
করচ
গ
ডুমুর
ঘ
গজারী
সঠিক উত্তর: ঘ
গজারী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
গজারী
ঘ
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ: - জলজ উদ্ভিদ সহজে পানিতে ভাসতে পারে, কারণ এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে। - অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড ফাঁপা। - এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে, তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে। - এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। - করচ, হিজল ও ডুমুর - জলজ উদ্ভিদ।
⇒ জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। - বায়ুমণ্ডলে ০.০৩% এবং পানিতে ০.৩% কার্বন ডাই-অক্সাইড আছে, তাই জলজ উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
অন্যদিকে, - গজারীর অপর নাম শাল। - গাছ কাটার পর গোড়া থেকে চারা গজানোর কারণে এর নাম গজারি হয়েছে মনে করা হয়। - লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি ভালো জন্মে। - গজারী জলজ উদ্ভিদ নয়। - পানিতে এ গাছ বেশিদিন বাঁচে না।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭৫.
কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম কী?
ক
মারিয়ানা খাত
খ
মিন্ডানাও খাত
গ
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
ঘ
ডাউকি ফল্ট
সঠিক উত্তর: গ
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
গ
ব্যাখ্যা
মালভূমি: → পর্বত থেকে কম উচ্চতার তবে সমভূমি থেকে অধিক উচ্চতার খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে। → মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। → পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৪,১৯০ মিটার। → কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা - (ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি, (খ) পাদদেশীয় মালভূমি, (গ) মহাদেশীয় মালভূমি।
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৬.
শুভলং ঝর্ণা কোন জেলায় অবস্থিত?
ক
বান্দরবন
খ
সিলেট
গ
রাঙামাটি
ঘ
খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর: গ
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
রাঙামাটি
গ
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা: - শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত। - রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দুরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। - শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে। - বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে।
উল্লেখ্য, - রাঙামাটির অন্যান্য কিছু দর্শনীয় স্থান- হ্রদ, চাকমা রাজবাড়ি, রাজবন বৌদ্ধ বিহার, পর্যটন ঝুলন্তত ব্রিজ, ফুরামোন পর্বত, উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ও জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৭৭.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
ক
ক) ১২০ কি.মি.
খ
খ) ১২৫ কি.মি.
গ
গ) ১৩০ কি.মি.
ঘ
ঘ) ১৫০ কি.মি.
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) ১২০ কি.মি.
ক
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কি.মি.।
• কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতটি পৃথিবীর দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত। - কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর। - এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। - এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। - এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান।
সূত্র: কক্সবাজার জেলা ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
৪৭৮.
বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন কোনটি?
ক
শালবন
খ
মধুপুর বন
গ
সুন্দরবন
ঘ
ভাওয়াল গড় বন
সঠিক উত্তর: গ
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
সুন্দরবন
গ
ব্যাখ্যা
• ম্যানগ্রোভ: - ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়। - ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove forest), জোয়ারভাটায় বিধৌত লবনাক্ত সমতলভূমি। - উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় অক্ষাংশের আন্তপ্লাবিত আবাসস্থলের সমন্বয়ে ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম গঠিত। - পৃথিবীতে ১০২টি দেশে ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব থাকলেও কেবলমাত্র ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গ কিমি এর বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। - পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩% ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজার এ অবস্থিত এবং এদের প্রত্যেকটি দেশে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ২৫% হতে ৬০% ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। - বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৭৯.
বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত নিম্নের কোন স্টেশনে রেকর্ড করা হয়?
ক
ক) সিলেট
খ
খ) টেকনাফ
গ
গ) কক্সবাজার
ঘ
ঘ) সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর: ক
ক) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) সিলেট
ক
ব্যাখ্যা
- সিলেটে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪১৮০ মিমি, মেঘালয় মালভূমির পাদদেশ সংলগ্ন সুনামগঞ্জে এর পরিমাণ ৫৩৩০ মিমি এবং লালাখাল (জৈন্তিয়াপুর উপজেলা) নামক স্থানে ৬৪০০ মিমি। - বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ঘটে থাকে এই লালাখালে। - মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলা থেকে সরাসরি উত্তর দিকে মাত্র ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত। চেরাপুঞ্জিতে বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিস্ময়কর রকমের বেশি, ১০৮২০ মিমি। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪৮০.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
ক
কয়লা
খ
বায়ু
গ
চুনাপাথর
ঘ
প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর: খ
বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
বায়ু
খ
ব্যাখ্যা
নবায়নযােগ্য শক্তি (Renewable Energy): - যে জ্বালানি পুন: পুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়। যেমন: সূর্যের আলাে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, নদীর বহমান পানি, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।
অনবায়নযােগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy): অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না। যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।
তথ্যসূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮১.
বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত নয় কোন জেলা?
ক
ক) রাজশাহী
খ
খ) নওগাঁ
গ
গ) রংপুর
ঘ
ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) কুমিল্লা
ঘ
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি: - রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি। প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮২.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভবনা রয়েছে?
ক
রূপান্তরিত শিলা
খ
পাললিক শিলা
গ
আগ্নেয় শিলা
ঘ
উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর: খ
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
পাললিক শিলা
খ
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: - পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে। - পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়। - কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।
পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য: - এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়। - একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়। - এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়। - এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি। - ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়। - কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা। - কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম। - দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।
উল্লেখ্য, - পাললিক শিলার বিভিন্ন স্তরে আবদ্ধ হয়ে থাকা উদ্ভিত ও প্রাণীর দেহাবশেষ বা প্রস্তরীভূত রূপকে জীবাশ্ম বলে (Fossil)।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৩.
কোন সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী 'জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে'?
ক
জাতিসংঘ
খ
ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ
গ
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
ঘ
বিশ্বব্যাংক
সঠিক উত্তর: গ
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
গ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত ♣ জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে; • পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে; • এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। • আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
♣ ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে: • ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে। • ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। • উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
♣ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB) একটি সমীক্ষা থেকে জানা যায়: • উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা ২০৫০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। • জলবায়ুর অন্য আনুষঙ্গিক পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে। • ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বে চাষাবাদ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।
♣ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি (MIT) অর্থনীতিবিদদের নতুন গবেষণা অনুসারে বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেবে।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮৪.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিকাশের অনুকূল পরিবেশের অন্যতম কারণ-
ক
ক) কাঁচামালের সহজলভ্যতা
খ
খ) যাতায়াতের সহজলভ্যতা
গ
গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
ঘ
ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর: গ
গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তৈরি পােশাক শিল্প বিকাশের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। অন্যান্য নিয়ামকের মধ্যে স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা অন্যতম। এ দেশে এ শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে দক্ষ ও অদক্ষ বিপুল শ্রমশক্তির, বিশেষ করে সমাজের নিম্ন আয়ের দরিদ্র জনগােষ্ঠীর আয়-রােজগারের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও সুফল বয়ে আনছে। পােশাক শিল্পকে এখন বলে 'বিলিয়ন ডলার শিল্প'। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
৪৮৫.
নিম্নের কোন জেলায় চীনামাটির মজুত রয়েছে?
ক
নেত্রকোনা
খ
চট্টগ্রাম
গ
শেরপুর
ঘ
বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর: ঘ
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
বর্ণিত সবগুলো
ঘ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি: - চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে। - বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। - বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। - নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে। - এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
উল্লেখ্য, - ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৮৬.
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোন দেশে অবস্থিত?
ক
চিলি
খ
ব্রাজিল
গ
বাংলাদেশ
ঘ
অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর: গ
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
বাংলাদেশ
গ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন: ১. সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ: বাংলাদেশে অবস্থিত। ২. পিচাভারম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট: ভারতের তামিলনাড়ুতে অবস্থিত। ৩. ফ্লোরিডা ম্যানগ্রোভ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। ৪. বাহিয়া ম্যানগ্রোভ: উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলে অবস্থিত। ৫. গোদাবরী-কৃষ্ণ ম্যানগ্রোভ: অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণ-গুন্দুর জেলায় অবস্থিত।
ম্যানগ্রোভ: - ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়। - বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে। - এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। - ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন। - সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি । - সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার। - সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। - সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। - বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। - ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে। - সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। - সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন। - সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। - এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম। - সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.। - এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে। - ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি। - বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।
উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট ও বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৪৮৭.
ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
ক
১৭%
খ
২০%
গ
১০%
ঘ
২৫%
সঠিক উত্তর: ক
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
১৭%
ক
ব্যাখ্যা
- বৈশ্বিক উষ্ণতা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম মাত্রার বন্যা-ঘূর্ণিঝড় এবং লবণাক্ততার অভিঘাত বাংলাদেশে আঘাত করছে। - ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ ১০-এ অবস্থান করছে। - সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। - এটি দুই কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে। - এ ছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টি, নদীভাঙন, খরা ও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ ইতিমধ্যে কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
উল্লেখ্য, - জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ): রূপকল্প ও চ্যালেঞ্জ জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ২০২২ সালে তার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) চূড়ান্ত করেছে, যাতে ১৪টি জলবায়ু ঝুঁকি চিহ্নিত করে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ১১০টি কর্মকৌশল প্রস্তাব করা হয়েছে।
উৎস:¡) Climate Risk Index 2025. [লিঙ্ক] [লিঙ্ক] ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
৪৮৮.
কোন শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে?
ক
আগ্নেয়
খ
পাললিক
গ
রূপান্তরিত
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
পাললিক
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
পাললিক
খ
ব্যাখ্যা
• পাললিক শিলা: → পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
• পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - → পাললিক শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে। → পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়। → পাললিক শিলাস্তরে জীবাশ্মের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যে সকল জীব এই শিলাঞ্চলে বাস করে তাদের মৃতদেহ কালক্রমে পলির নিচে চাপা পড়ে। এর ফলে এদের দেহের কঠিন অংশ প্রস্তরীভূত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়। → পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়। → পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।
• জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা: → উদ্ভিদ বা প্রাণির দেহাবশেষজাত পলি থেকে এ শিলার উৎপত্তি হয়। → চুনাপাথর এ জাতীয় শিলা। জলজ পরিবেশে অতীতে যে গাছ ছিল তা ভূ-প্রাকৃতিক কারণে ভূ-অভ্যন্তরে চাপা পড়ে যায় এবং ওপরের পলির প্রচন্ড চাপে এর পরিবর্তন হয় এবং কালক্রমে কয়লায় পরিণত হয়। → বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা এবং গোপালগঞ্জের পিট কয়লা এ জাতীয় শিলার উদাহরণ।
তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৯.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল) কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
ক
ক) অ্যামোনিয়া
খ
খ) সুপার ফসফেট
গ
গ) টিএসপি
ঘ
ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) ইউরিয়া
ঘ
ব্যাখ্যা
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড দেশের অন্যতম ইউরিয়া সার কারখানা। - রাজধানী ঢাকা হতে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে মেঘনা নদীর পূর্ব তীরে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার আশুগঞ্জে এ কারখানা অবস্থিত। - দেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় আশুগঞ্জে একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। - ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) নামে এ কারখানা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী রূপে যাত্রা শুরু করে।
উৎস: afccl.portal.gov.bd
৪৯০.
সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা -
ক
ক) আইসোহাইট
খ
খ) আইসোথার্ম
গ
গ) আইসোবার
ঘ
ঘ) আইসোহেলাইন
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আইসোহেলাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) আইসোহেলাইন
ঘ
ব্যাখ্যা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা - আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা - আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা - আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা (সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল-বিওবি এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৪৯১.
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের কার্যক্রম কোনটি?
ক
ক) পূর্ব প্রস্তুতি
খ
খ) প্রতিরোধ
গ
গ) প্রশমন
ঘ
ঘ) উন্নয়ন
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ঘ) উন্নয়ন
ঘ
ব্যাখ্যা
• উন্নয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের একটি কার্যক্রম।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে। - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট। - এভারেস্ট এশিয়ার ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর অংশে অবস্থিত। - এটি চীন ও নেপালের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমানায় অবস্থিত। - ২৯শে মে ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং স্থানীয় নেপালি শেরপা তেনজিং নোরগে আনুষ্ঠানিকভাবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী প্রথম পুরুষ হয়েছিলেন।
অন্যদিকে, - আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো। - ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলবুর্জ। - উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ম্যাককিনলি। - দক্ষিন আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাাকাস্কোগুয়া। - ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪৯৩.
আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ নিম্নের কোনটি?
ক
কলম্বিয়া
খ
উরুগুয়ে
গ
পেরু
ঘ
ব্রাজিল
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ব্রাজিল
ঘ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ: - দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত। - দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম। - স্বাধীন দেশ - ১২ টি। - জাতিসংঘভুক্ত দেশ - ১২ টি - আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল। - জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল। - ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা। - ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ।
সূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
৪৯৪.
বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে -
ক
৩টি
খ
৪টি
গ
৫টি
ঘ
৬টি
সঠিক উত্তর: গ
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫টি
গ
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন: - ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। - এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা। - সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। - বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। - অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত। - এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছে: পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।
৪৯৬.
'প্রেইরি তৃণভূমি'র অবস্থান কোথায়?
ক
ক) উত্তর আমেরিকা
খ
খ) দক্ষিণ আমেরিকা
গ
গ) আফ্রিকা
ঘ
ঘ) পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া
সঠিক উত্তর: ক
ক) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) উত্তর আমেরিকা
ক
ব্যাখ্যা
• তৃণভূমি হলো ঘাস দ্বারা আচ্ছাদিত সুবিস্তৃত ভূমি। - সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।
• পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু তৃণভূমি: - প্রেইরি (উত্তর আমেরিকা) - প্যাম্পাস ও ল্যানোস (দক্ষিণ আমেরিকা) - সাভানা (আফ্রিকা) - স্তেপ (পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া) প্রভৃতি।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা।
৪৯৭.
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কার্যকরের ফলে বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধি পেয়েছে-
ক
ক) ৯৭০০ একর
খ
খ) ১০০৪১ একর
গ
গ) ১৩০০০ একর
ঘ
ঘ) ১৭১১০ একর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০০৪১ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
খ) ১০০৪১ একর
খ
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে উভয় দেশের অভ্যন্তরে থাকা ছিটমহলগুলো সংশ্লিষ্ট দেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতের ১৭১৬০ একর জমি বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় এবং ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের ৭১১০ একর জমি ভারতের সাথে যুক্ত হয়। যার ফলে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে বাড়তি ১০০৪১.২৫ একর জমি যুক্ত হয়। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ৩১ জুলাই ২০১৫)
৪৯৮.
বাংলাদেশের প্রধান বন গবেষণা কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
ক
রাজশাহী
খ
কুমিল্লা
গ
চট্টগ্রাম
ঘ
গাজীপুর
সঠিক উত্তর: গ
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
চট্টগ্রাম
গ
ব্যাখ্যা
• বন গবেষণা কেন্দ্র: - BFRI এর পূর্ণরূপ— Bangladesh Forest Research Institute. - বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের বনসম্পদ সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টির জন্য গবেষণা পরিচালনা করে। - ১৯৫৫ সালে মূলত ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। - এই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কেন্দ্র বর্তমানে চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত। - বিএফআরআই পরিচালনা করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। - সুন্দরবনের করমজলে একটি বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন গবেষণার আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৯৯.
কোন মালভূমির সাথে পর্বতের কোনো সংযোগ থাকে না?
ক
ক) মহাদেশীয় মালভূমি
খ
খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
গ
গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
ঘ
ঘ) পাদদেশীয় মালভূমি
সঠিক উত্তর: ক
ক) মহাদেশীয় মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
ক) মহাদেশীয় মালভূমি
ক
ব্যাখ্যা
মহাদেশীয় মালভূমি : সাগর বা নিম্নভূমি পরিবেষ্টিত বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বলে। এ ধরনের মালভূমির সঙ্গে পর্বতের কোনাে সংযােগ থাকে না। স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, গ্রিনল্যান্ড, এন্টার্কটিকা এবং ভারতীয় উপদ্বীপ এর অন্যতম উদাহরণ। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
৫০০.
আতাকামা মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
ক
ক) এশিয়ায়
খ
খ) আফ্রিকায়
গ
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
ঘ
ঘ) পেরুতে
সঠিক উত্তর: গ
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
গ
ব্যাখ্যা
আতাকামা মরুভূমি উত্তর চিলিতে অবস্থিত একটি শীতল, শুষ্ক, বৃষ্টিবিহীন মরুভূমি অঞ্চল।