বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

মোট প্রশ্ন১,১২৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

PrepBank · পাতা / ১২ · ৪০১৫০০ / ১,১২৭

৪০১.
ফ্লোরেস সাগর কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
  5. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেস সাগর: 
- ফ্লোরেস সাগর ইন্দোনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের একটি অংশ। 
- ফ্লোরেস সাগর, যা কথ্য ভাষায় "বাহাসা ইন্দোনেশিয়া লাউট ফ্লোরেস" নামে পরিচিত। 
- এটি প্রায় ২৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার ভূপৃষ্ঠ জুড়ে বিস্তৃত।
- ফ্লোরেস সাগর উত্তরে সেলেবেস ( সুলাওয়েসি ) দ্বীপ এবং দক্ষিণে ফ্লোরেসের সুন্দা দ্বীপপুঞ্জ এবং সুম্বাওয়া দ্বারা বেষ্টিত।

উৎস: World Atlas.
৪০২.
'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' কোন প্রণালী অতিক্রম করেছে?
  1. দার্দানেলিস প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বা ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- ইহা বেরিং প্রণালী দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- বেরিং প্রণালি রাশিয়ার এশিয়া অংশকে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে পৃথক করেছে। অর্থাৎ বেরিং প্রণালি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরের সাথে চুকচি সাগরের সংযোগ সাধন করেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
৪০৩.
হাকালুকি হাওরের জলরাশি কোন নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়?
  1. যমুনা
  2. কুশিয়ারা
  3. মেঘনা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুশিয়ারা
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর।
- এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

⇒ হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।

⇒ হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪০৪.
'মংডু' কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?
  1. ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
  2. খ) মিয়ানমার-চীন
  3. গ) বাংলাদেশ-ভারত
  4. ঘ) ভারত-মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ-মায়ানমার
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
source: kalerkantho.com
৪০৫.
আমাজন নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের পরে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৪০০ কিমি।
- নদীটি সাধারণত ১৯ - ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত, যার সর্বোচ্চ প্রস্থ ১০০ কিলোমিটার। 
- উৎপত্তিস্থান: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার নেভাদো মিস্মি (Nevado Mismi) পর্বত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
- নদীটি পেরু, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, বলিভিয়া, ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

⇒ আমাজন নদী বিশ্বের বৃহত্তম জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি কারণ এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট আমাজনের অবস্থান।
- এটি ২.৫ মিলিয়ন বিভিন্ন প্রজাতির পোকামাকড়, ২,২০০ প্রজাতির মাছ, হাজার হাজার উদ্ভিদ প্রজাতি এবং ২,৮০০ প্রজাতির পাখি এবং প্রাণীর আবাসস্থল।
- এই জলরাশি বিভিন্ন ধরণের বন্যপ্রাণীর আশ্রয়স্থল। 

উৎস: Worldatlas.
৪০৬.
কোন মহাসাগরটি ইংরেজি 'S' অক্ষরের মতো?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean):
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এ মহাসাগর আয়তনে প্রশান্তমহাসাগরের প্রায় অর্ধেক হলেও গুরুত্ব সর্বাধিক।
- কারণ পৃথিবীর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান অংশ এ মহাসাগর দিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

⇒ এ মহাসাগরের আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ৯,১৮৮ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্তমহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।

⇒ এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগরে বেশ কিছু দ্বীপ রয়েছে।
- এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৭.
সুন্দরবন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. চিত্রা
  2. শিবসা
  3. ডাকাতিয়া
  4. রূপসা
সঠিক উত্তর:
শিবসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবসা
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন শিবসা নদীর তীরে অবস্থিত

শিবসা নদী
- শিবসা নদী সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান নদী। 
- মংলা-তে পসুর নদী দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পশ্চিম শাখাটি শিবসা নামে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মোহনার কাছে কুঙ্গা নাম ধারণ করে বঙ্গোপাসাগরে পড়েছে।
- শিবসা-কুঙ্গার তীরে হিরণ পয়েন্ট অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ কিমি। উৎপত্তির পর প্রায় ২৭ কিমি পাইকগাছা উপজেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে অবশিষ্ট পথ পাইকগাছা এবং দাকোপ উপজেলার সাধারণ সীমা নির্ধারণ করে প্রবাহিত হয়েছে।
- শিবসা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে পসুর নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- নদীটি নিয়মিত জোয়ার-ভাটা দ্বারা প্রভাবিত। পূর্ণ বর্ষার কয়েক মাস ব্যতীত নদীর পানি সারা বছরই লবণাক্ত থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪০৮.
কোন সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে?
  1. ক) দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. খ) ভারত মহাসাগরে
  3. গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  4. ঘ) উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে নৌকা, জাহাজ চলাচল করতে সুবিধা হয়।
- তবে শীতল সমুদ্রস্রাত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা সবচেয়ে বেশি।
- উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে।
- আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রায় ৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা উত্তর আটলান্টিক ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের বিভক্ত করেছে।
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল, নবম দশম শ্রেণি।
৪০৯.
'স্টবাক' জলপ্রপাতটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- 'গুয়ারিয়া' জলপ্রপাত ব্রাজিলে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- স্ট্যানলি ও লিভিংস্টোন জলপ্রপাত কঙ্গোতে অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪১০.
যমুনা গোয়ালন্দের কাছে _____ নদীর সাথে মিশেছে।
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) তিস্তা
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পদ্মা
ব্যাখ্যা

যমুনা গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদীর সাথে মিশেছে। ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।।
সূত্রঃ বাংলাদেশের মানচিত্র, সরকারী ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
যমুনা নদী মূলত ব্রহ্মপুত্রের শাখা। তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতধারাটি যমুনা নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে এসে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। যমুনা বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী। যমুনা নদীর পূর্ব নাম ছিল জোনাই নদী। যমুনার শাখানদী হলো- ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা এবং উপনদীগুলো হলো- তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, বাঙ্গালী, কালজানি, ডোরসা, যমুনেশ্বরী, দুধকুমারত, গঙ্গা, তুলসী গঙ্গা, বড়াল, নারদ ইত্যাদি।
উৎসঃ ভূগোল, এইস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখ্য, এই উৎসে যমুনা নদীকে বাংলাদেশের প্রশস্ত নদী বলা হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য নির্ভরযোগ্য উৎস অনুযায়ী, মেঘনা বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী। বিষয়টা বিতর্কিত তাই এখানে উল্লেখ করা হলো।

৪১১.
হালদা কোন নদীর উপনদী?
  1. কর্ণফুলী
  2. সাঙ্গু
  3. মাতামুহুরী
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী (Karnaphuli):
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী।
- এ নদীর দৈর্ঘ্য ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- কাপ্তাইয়ে 'কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র' প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬২ সালে
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১২.
কোনটি নদীর প্রাথমিক অবস্থা?
  1. ঊর্ধ্বগতি
  2. নিম্নগতি
  3. মধ্যগতি
  4. সমগতি
সঠিক উত্তর:
ঊর্ধ্বগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊর্ধ্বগতি
ব্যাখ্যা

নদীর বিভিন্ন গতি বা অবস্থা (Life cycle of a river):
- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপথের আয়তন, গভীরতা, ঢাল, স্রোতের বেগ প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে নদীর গতিপথকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
(ক) ঊর্ধ্বগতি (Youthful Stage/Upper Course)
(খ) মধ্যগতি (Mature Stage/Middle Course)
(গ) নিম্নগতি (Old Stage/Lower Course)

⇒ ঊর্ধ্বগতি:
​- ঊর্ধ্বগতি হলো নদীর প্রাথমিক অবস্থা। পর্বতের যে স্থান থেকে নদীর উৎপত্তি হয়েছে সেখান থেকে সমভূমিতে পৌঁছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর ঊর্ধ্বগতি বলে। ঊর্ধ্বগতিতে নদীর প্রধান কাজ হলো ক্ষয়সাধন। ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদী স্থলভাগকে ক্ষয় করে এবং তা পরিবহন করে। এ অবস্থায় নদীর প্রধান কাজ ক্ষয় করা হলেও অনেক সময় নদীর ঢাল কমে গেলে হঠাৎ অধিক পরিমাণে পাথরের টুকরা এলে নদী তখন তা বহন করতে না পেরে হালকা সঞ্চয় করে।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪১৩.
দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. সাঙ্গু নদী
  2. হালদা নদী
  3. যমুনা নদী
  4. কর্ণফুলি নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার। 
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- চট্টগ্রাম শহরের পণ্যসামগ্রীর অধিকাংশই হালদা নদীপথে বড় মালবাহী নৌকার মাধ্যমে পরিবহণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪১৪.
ইংলিশ চ্যানেল কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।

উল্লেখ্য,
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৪১৫.
নিচের কোনটি ব্রহ্মপুত্র-যমুনার উপনদী নয়?
  1. তিস্তা
  2. পুনর্ভবা
  3. দুধকুমার
  4. ধরলা
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
ব্যাখ্যা
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনার চারটি প্রধান উপনদী রয়েছে: দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা এবং করতোয়া-আত্রাই নদীপ্রণালী
- এদের মধ্যে দুধকুমার, ধরলা এবং তিস্তা নদী তিনটি খরস্রোতা প্রকৃতির এবং ভারতের দার্জিলিং ও ভূটানের মধ্যবর্তী হিমালয়ের দক্ষিণপার্শ্বে অত্যধিক ঢালবিশিষ্ট অববাহিকা থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- শাখানদীসমূহের মধ্যে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দীর্ঘতম এবং দুইশত বছর পূর্বে এটিই ছিল ব্রহ্মপুত্রের মূল গতিধারা।
- পদ্মা নদীর উপনদী - মহানন্দা ও পুনর্ভবা।
তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৪১৬.
কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. তিস্তা
  2. কাসালং
  3. সিলোনিয়া
  4. গোমতী
সঠিক উত্তর:
কাসালং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাসালং
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।

উল্লেখ্য,
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।
- এটি পার্বত্য এলাকার পাকশমিমুরা রেঞ্জ থেকে বের হয়ে পূর্বদিকে হালদা নদীর প্রায় সমান্তরালে সমগ্র ফটিকছড়ি উপজেলা ঘুরে পূর্ব ধলাই নামক স্থানে হালদা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
৪১৭.
শুভলং ঝর্ণা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
শুভলং ঝর্ণা:
- শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দুরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে।
- বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে।

উল্লেখ্য,
- রাঙামাটির অন্যান্য কিছু দর্শনীয় স্থান- হ্রদ, চাকমা রাজবাড়ি, রাজবন বৌদ্ধ বিহার, পর্যটন ঝুলন্তত ব্রিজ, ফুরামোন পর্বত, উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ও জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪১৮.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. কুতুবদিয়া চ্যানেল
  2. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
  3. মহেশখালী 
  4. সেন্ট মার্টিন চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড :
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (যার তল নেই) হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সবচেয়ে গভীর সামুদ্রিক খাদ, যা  সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে অতিক্রম করা এই গিরিখাতের গড় গভীরতা প্রায় ১২০০ মিটার এবং
- সর্বোচ্চ রেকর্ডকৃত গভীরতা প্রায় ১৩৪০ মিটার।
- এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল এবং বিশ্বের বৃহত্তম ডুবো গিরিখাতগুলোর মধ্যেও অন্যতম।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গোপসাগর হলো ভারত মহাসাগরের একটি বিস্তৃত অংশ।
- এই উপসাগর বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর হিসেবে পরিচিত। 
- এটি ভারত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মধ্যবর্তী ত্রিভুজাকৃতির জলভাগ। 
- উপসাগরটির পশ্চিম সীমান্তে ভারত ও শ্রীলঙ্কা, উত্তরে ভারত ও বাংলাদেশ এবং পূর্বে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড অবস্থিত।

উৎস : Britannica

৪১৯.
বসফরাস প্রণালি কোন শহরের মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে ?
  1. ফ্লোরেন্স
  2. ভেনিস
  3. মিলান
  4. ইস্তাম্বুল
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
- ইস্তাম্বুল মূলত তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রদেশ।
- শহরটিকে দুই ভাগ করে মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে বসফরাস প্রণালি।
- উত্তরে কৃষ্ণ সাগর এবং দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর। এর পশ্চিম দিক এশিয়ার মধ্যে পড়েছে। আর পূর্বদিক ইউরোপে।
- বসফরাস প্রণালি কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৪২০.
রোম শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. টাইবার
  2. দানিয়ুব
  3. টেমস
  4. হাডসন
সঠিক উত্তর:
টাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইবার
ব্যাখ্যা
• টাইবার (Tiber) নদী:
- টাইবার (Tiber) নদী হলো ইতালির একটি প্রধান নদী, যার তীরে গড়ে উঠেছে রোম শহর — প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র।
- টাইবার নদী মধ্য ইতালিতে অবস্থিত এবং এটি প্রায় ৪০৫ কিমি দীর্ঘ।
- এটি অ্যাপেনাইন পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে টায়ারেনিয়ান সাগরে পতিত হয়।

উল্লেখ্য,
- টেমস – এটি লন্ডন শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত।
- হাডসন – এটি নিউইয়র্ক শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে।
- সিন- প্যারিস শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে।
- স্প্রি - বার্লিন শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে।
- সুমিদা - টোকিও শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪২১.
উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. দোয়াব
  2. নদীসংগম
  3. অববাহিকা
  4. নদী উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
অববাহিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অববাহিকা
ব্যাখ্যা
- উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে নদী সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলকে নদী অববাহিকা বলে

অন্যদিকে,
- প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলা হয়।
- যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়।
- দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪২২.
'Ha Long Bay' কোথায় অবস্থিত?
  1. ভিয়েতনাম
  2. থাইল্যান্ড
  3. অষ্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
• 'Ha Long Bay' :
- হে লং বে একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য এটি ভিয়েতনামের হ্যানয় মহানগরীর কাছাকাছি অবস্থিত।
- ইটি  হাজার বছর আগে গঠিত  কার্স্ট গঠনের বিশ্বের সেরা উদাহরণগুলির মধ্যে একটি।
- উপসাগরটিতে গুহা, দ্বীপ এবং গ্রোটোর একটি সংগ্রহ রয়েছে যা একটি ঘেরা সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত।
- ভিয়েতনামী নাম হা লং বে এর ইংরেজি অনুবাদ "বে অফ ডিসেন্ডিং ড্রাগনস"।
- স্থানটিকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।
- হা লং বে বিশ্বের নতুন সপ্তাশ্চর্যের তালিকায়ও স্থান পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪২৩.
দানিয়ুব নদী পতিত হয়েছে কোথায়?
  1. ক) ভূমধ্যসাগর
  2. খ) কৃষ্ণসাগর
  3. গ) উত্তর সাগর
  4. ঘ) বিস্কে উপসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণসাগর
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী। এটির উৎপত্তি জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে এবং পতিত হয়েছে কৃষ্ণসাগরে।
এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৮৫৭ কিলোমিটার। এটি ইউরোপের ১০টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
এই নদীর তীরে বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড, ভিয়েনা, ব্রাটিস্লাভা সহ অনেক বিখ্যাত শহর অবস্থিত। এজন্যে এটি আন্তর্জাতিক নদী নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪২৪.
বাঙ্গালী ও যমুনা নদীর সংযোগ কোথায়?
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. বগুড়া
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাঙ্গালী নদী:
- রংপুর জেলায় ঘাঘট নদীর অব্যাহত প্রবাহ।
- নদীটি পূর্ব প্রান্তে যমুনা নদীর সঙ্গে এবং পশ্চিমে রামনগরে কাটাখালির মাধ্যমে করতোয়া নদীর সঙ্গে সংযুক্ত।
- বাঙ্গালী নদী দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার সময় যমুনা নদী থেকে বেরিয়ে আসা বাউলাই নদীকে উপনদী হিসেবে গ্রহণ করেছে।
- আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার পর নদীটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পশ্চিম শাখা হলহলিয়া এবং পূর্ব শাখা বাঙ্গালী নামেই প্রবাহিত হয়।
- বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার উত্তরে যমুনার উপনদী মানস-মধুখালী বাঙ্গালী নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রবাহ কয়েক কিলোমিটার প্রবাহিত হওয়ার পর পুনরায় বিভক্ত হয়ে একটি শাখা ইছামতি নাম ধারণ করে সিরাজগঞ্জে দক্ষিণমুখী হয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- অপর শাখাটি দক্ষিণ-পশ্চিম অভিমুখে প্রবাহিত হয়ে ধুনটের পশ্চিমে হলহলিয়া নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে খানপুরের কাছে করতোয়া নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- মিলিত প্রবাহ ফুলঝর নামে প্রবাহিত হয়ে হুরাসাগর থেকে আগত আত্রাই-বড়াল নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- অপরদিকে ইছামতি কাজীপুর উপজেলায় যমুনার কাজীপুর উপনদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহটি নলকা নামক স্থানে ফুলঝর নদীতে পতিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪২৫.
'সাঙ্গু ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- 'সাঙ্গু ভ্যালি'- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি
সাজেক ভ্যালি - রাঙামাটি
বালিশিরা ভ্যালি - মৌলভীবাজার
হালদা ভ্যালি- খাগড়াছড়ি 
নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা। 
৪২৬.
পদ্মা ও ভাগিরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে কোন রাজ্যের অবস্থান ছিলো?
  1. ক) প্রাসিয়র
  2. খ) গঙ্গারিডি
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) সমতট
সঠিক উত্তর:
খ) গঙ্গারিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গঙ্গারিডি
ব্যাখ্যা
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে গঙ্গারিডই নামক রাজ্যের অবস্থান ছিলো। আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় এ রাজ্য অস্তিত্বশীল ছিলো বলে অনুমান করা হয়। একই সময়ে প্রাসিয়র নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো। হরিকেল জনপদ সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত, সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল এবং বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৪২৭.
পদ্মা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. ধরলা
  2. তিস্তা
  3. পুনর্ভবা
  4. ডাকাতিয়া
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উল্লেখ্য,
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২৮.
Which river is the longest in the world?
  1. Mississippi River
  2. Nile River
  3. Amazon River
  4. Yangtze River
সঠিক উত্তর:
Nile River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nile River
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র- Britannica.com & Worldatlas.com
৪২৯.
'দোয়াব অঞ্চল' বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. ক) দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থল
  2. খ) দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল
  3. গ) নদী উপত্যকার তলদেশ
  4. ঘ) দুই বা ততোধিক নদীর বিভাজন স্থল
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল
ব্যাখ্যা
নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ ও সংজ্ঞা

নদীর মোহনা
নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

দোয়াব অঞ্চল
দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

উপনদী
বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন - যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

শাখানদী
কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন - ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী।

নদীসঙ্গম
পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

নদী অববাহিকা
মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন - পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

নদী উপত্যকা
নদীর উৎস হতে মোহনা পর্যন্ত গতিপথে যে স্থানের মধ্য দিয়ে পানিরাশি প্রবাহিত হয় সেই খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।

নদীগর্ভ বা নদীতট
নদী উপত্যকার তলদেশকে বলা হয় নদীগর্ভ।

জলবিভাজিকা
যে উচ্চভূমি বিভিন্ন নদীজ এলাকাকে আলাদা করে থাকে তাকে জলবিভাজিকা বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩০.
সুন্দরবন অংশে বাংলাদেশ ভারতকে বিভক্তকারী নদী কোনটি?
  1. ক) নাফ
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) ডাকাতিয়া
  4. ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা
হাড়িয়াভাঙ্গা: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবনের মধ্যদিয়ে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী প্রবাহিত।
- হাড়িয়াভাঙ্গা নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকারী একটি নদী।
- হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- কক্সবাজার জেলার নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত।
- ডাকাতিয়া নদী চাঁদপুরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৩১.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন অনুযায়ী উপকূলীয় দেশের মহীসোপানের সীমা হবে ভিত্তি রেখা থেকে -
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২২ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

মহীসোপান (Continental Shelf):
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিয়দংশ ক্রমশ সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এরূপ ক্রমনিম্ন স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেশন অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের ( Continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার ভিত্তিরেখা (baseline) থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অথবা ২,৫০০ মিটার গভীরতার আইসোবাথ (isobath) থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান (continental slope) ভোগ করতে পারবে।
- এটি মূলত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ (UNCLOS) এর আওতায় আসে, যা উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর মহীসোপান ও মহাদেশীয় শেলফের অধিকার নির্ধারণ করে।
- এই নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলি তাদের উপকূল থেকে মহীসোপান বা মহাদেশীয় শেলফের বিশেষ অংশে অর্থনৈতিক বা গবেষণামূলক অধিকার দাবি করতে পারে।

⇒ মহীসোপান অংশের পানির গভীরতা সাধারণত ২০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি এক ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপান অঞ্চলটি সমুদ্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
- মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসোপানের সৃষ্টি হয়।
- আবার অনেক সময় সমুদ্র তরঙ্গ ও ক্ষয়ক্রিয়া মহীসোপান গঠনে সহায়তা করে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এ অংশের বিস্তৃতি সর্বত্র সমান নয়।
- উপকূলভাগের বন্ধুরতার উপর এর বিস্তৃতি নির্ভর করে।
- মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) UNCLOS ওয়েবসাইট।

৪৩২.
কত সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হয়ে নতুন স্রোতধারার সৃষ্টি হয়?
  1. ১৬৮৭ সালে
  2. ১৭৮৭ সালে
  3. ১৭৭৭ সালে
  4. ১৭৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা:
- তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়।
- এই নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়।
- এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত।
- যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী-বুড়িগঙ্গা।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী।
- ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি.।
- এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি. যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩৩.
বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১৫৫ কি.মি.
  2. খ) ১৪৫ কি.মি.
  3. গ) ১৩৫ কি.মি.
  4. ঘ) ১২০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত।
৪৩৪.
হালদার প্রধান উপনদী কোনটি?
  1. ফেনী
  2. মাতামুহুরী
  3. ধুরুং
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুরুং
ব্যাখ্যা
হালদা নদী: 
পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি। 
হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।
এটি পার্বত্য এলাকার পাকশমিমুরা রেঞ্জ থেকে বের হয়ে পূর্বদিকে হালদা নদীর প্রায় সমান্তরালে সমগ্র ফটিকছড়ি উপজেলা ঘুরে পূর্ব ধলাই নামক স্থানে হালদা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪৩৫.
বিশ্বের বৃহৎ প্রবালপ্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রশান্ত মহাসাগরের প্রবাল সাগরে অবস্থিত। 
- এটি আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

তথ্যসূত্র : Worldatlas.com

৪৩৬.
নাফ নদীর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৬০ কিমি
  2. খ) ৬৫ কিমি
  3. গ) ৬২ কিমি
  4. ঘ) ৬৮ কিমি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২ কিমি
ব্যাখ্যা
• নাফ দেশের সর্বদক্ষিণে মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা বরাবর প্রবাহিত ৬২ কিমি দীর্ঘ একটি নদী।
• নাফ মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় পর্বত শ্রেণী থেকে উৎসারিত হয়ে কক্সবাজার জেলাধীন উখিয়া উপজেলার পালংখালির কাছ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
• ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থ বিশিষ্ট এ নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৪৩৭.
লোহিত সাগর কোথায় অবস্থিত?
  1.  অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে
  2. ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে 
  3. এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে
  4. আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে
ব্যাখ্যা

• লোহিত সাগর (Red Sea):
- ভারত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- যা আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি সুয়েজ প্রণালী ও বাব এল-মানদেব প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত।
• অবস্থান ও সীমান্তবর্তী দেশসমূহ:
- উত্তর সীমা: সিনাই উপদ্বীপ, সুয়েজ উপসাগর ও আকাবা উপসাগর;
- দক্ষিণ সীমা: বাব এল-মানদেব প্রণালী, যা গালফ অব অ্যাডেনের সাথে সংযুক্ত;
- লোহিত সাগরের তীরবর্তী ৬টি দেশ;
- পূর্ব তীর: সৌদি আরব ও ইয়েমেন;
- পশ্চিম তীর: মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি।

উল্লেখ্য,
- লোহিত সাগরের উত্তরাংশে অবস্থিত আকাবা উপসাগর (Gulf of Aqaba) এবং সুয়েজ উপসাগর (Gulf of Suez) এর কারণে ইসরায়েল এবং জর্ডানও তীরবর্তী হিসেবে গণ্য হয়। তবে সরাসরি সংযুক্ত নেই লোহিত সাগরের সাথে।

উৎস: Britannica.

৪৩৮.
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পূর্বে কোন মহাসাগর অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আর্কটিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
উত্তর আমেরিকা (North America):
- পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ উত্তর আমেরিকা।
- ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান ম্যাককিনলে।
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
- এ মহাদেশে ছোট-বড় অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রীনল্যান্ড, নিউফাউন্ডল্যান্ড অন্যতম।
- এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি' বলা হয়।
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশ উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর , পূর্বে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর , দক্ষিণে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত ।
- মিসিসিপি-মিসৌরি এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ কানাডা এবং সবচেয়ে ছোট বার্বাডোস।

উৎস: Britannica.
৪৩৯.
পদ্মা নদীর উৎপত্তি
  1. ক) হিমালয় পর্বত
  2. খ) লুসাই পাহাড়
  3. গ) হিমালয়ের মানস সরোবরে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) হিমালয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিমালয় পর্বত
ব্যাখ্যা
নদীসমূহের উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তি স্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- ব্রহ্মপুত্র তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- মেঘনা আসামের 'বরাক' নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- করতোয়া নদীর মূলধারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর জলাভূমিতে উৎপন্ন হয়েছে।
- খাগড়াছড়ি বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গ হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪০.
টাইগ্রিস নদী কোন সাগরে পতিত হয়?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. পারস্য উপসাগর
  3. কৃষ্ণসাগর
  4. লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা

• টাইগ্রিস নদী:
- টাইগ্রিস নদী হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নদী।
- এটি মূলত তুরস্কের পূর্বাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সিরিয়া ও ইরাক হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- টাইগ্রিস নদী তুরস্কের তৌরুস পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়।
- এটি সিরিয়ার একটি ছোট অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মূলত ইরাকের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- ইরাকের দক্ষিণ অংশে টাইগ্রিস নদী ও ইউফ্রেটিস নদী একত্রিত হয়ে একটি নতুন নদী গঠন করে যার নাম শাত আল-আরব (Shatt al-Arab)।
- শাত আল-আরব নদী শেষ পর্যন্ত পারস্য উপসাগরে পতিত হয়।
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে শাত-ইল আরব নিয়ে বিবাদ ছিলো।
- এই নদীটি হাজার বছর ধরে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার (সুমের, আকাদ, ব্যাবিলন ইত্যাদি) প্রাণরেখা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝে অবস্থিত অঞ্চলকে বলা হয় মেসোপটেমিয়া, যার অর্থ “নদীর মাঝে ভূখণ্ড”।

তথ্যসূত্র: National Geographic Society ও ব্রিটানিকা

৪৪১.
গ্রেট ব্রিটেনের অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) ইংল্যান্ড
  2. খ) স্কটল্যান্ড
  3. গ) ওয়েলস
  4. ঘ) নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেন এবং ইউনাইটেড কিংডম নিয়ে একটা কনফিশন তৈরী হয় অনেকের মধ্যে৷ গ্রেট ব্রিটেন হলো ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলস নিয়ে৷ গ্রেট ব্রিটেনের সাথে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সংযুক্ত হলে তখন সেটাকে বলে ইউনাইটেড কিংডম।
source: Britannica
৪৪২.
সাগরের সীমা সাধারণত কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. প্রাকৃতিকভাবে
  2. অর্থনৈতিকভাবে
  3. রাজনৈতিকভাবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিকভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিকভাবে
ব্যাখ্যা
মহাসাগর ও সাগর:
- পৃথিবীর জলরাশির যে আধার তার প্রধান ক্ষেত্র মহাসাগর ও সাগরসমূহ।
- পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।
- এর মধ্যে বৃহত্তম প্রশান্তমহাসাগর।
- এটির আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং ক্ষুদ্রতম হলো দক্ষিণ মহাসাগর যার আয়তন ১ কোটি ৪৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

⇒ মহাসাগরগুলোর গড় গভীরতাও সমান নয়।
- গড় গভীরতা সবচেয়ে বেশি প্রশান্তমহাসাগরের (৪,২৭০ মিটার) এবং সবচেয়ে কম গড় গভীরতা দক্ষিণ মহাসাগরের (১৪৯ মিটার)।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর সাগরসমূহ মহাদেশগুলোর উপকূলভাগে অবস্থিত।
- পৃথিবীতে অনেকগুলো সাগর রয়েছে।
- যেমন: আরব সাগর, পীত সাগর, জাপান সাগর প্রভৃতি।

⇒ সাগরগুলোর আয়তন মহাসাগরের তুলনায় অনেক কম এবং সাগরের সীমা সাধারণত প্রাকৃতিকভাগে নির্ধারিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৩.
ভারতের মোট প্রদেশ কতটি?
  1. ক) ২৬টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ২৮টি
  4. ঘ) ২৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮টি
ব্যাখ্যা

বর্তমান ভারতের প্রদেশ সংখ্যা ২৮টি। সর্বশেষ প্রদেশ হচ্ছে তেলেঙ্গানা।
এছাড়া ভারতে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল ৮টি।
উল্লেখ্য যে, ভারতে প্রদেশ ছিল ২৯টি কিন্তু সংবিধানের ৩৭০ নং ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলভুক্ত করায় এখন প্রদেশ সংখ্যা ২৮টি হয়েছে।
সূত্র: ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট

৪৪৪.
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. ভিসায়াস
  2. মিন্দানাও
  3. লুজন
  4. হনসু
সঠিক উত্তর:
লুজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুজন
ব্যাখ্যা
লুজন দ্বীপ: 
- ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- লুজন ফিলিপাইনের বৃহত্তম ও সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ।
- এই দ্বীপে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা অবস্থিত।
- বিশ্বের সপ্তম সর্বোচ্চ দ্বীপ রয়েছে ফিলিপাইনে।
- লুজন, ভিসায়াস এবং মিন্দানাও ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ।

উৎস: worldatlas.com ও ব্রিটানিকা।
৪৪৫.
উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম -
  1. ক) বরাক নদী
  2. খ) কীর্তিনাশা নদী
  3. গ) গারোই নদী
  4. ঘ) জোনাই নদী
সঠিক উত্তর:
ক) বরাক নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বরাক নদী
ব্যাখ্যা
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪৬.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. সামুদ্রিক অববাহিকা
  2. প্রতিবাত ঢাল
  3. বদ্বীপ
  4. চর
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক অববাহিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামুদ্রিক অববাহিকা
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৪৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল কোনটি?
  1. বাল্টিক খাল
  2. পানামা খাল
  3. সুয়েজ খাল
  4. গ্রান্ড খাল
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
ব্যাখ্যা
গ্রান্ড খাল:
- পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল গ্রান্ড খাল।
- গ্রান্ড খাল চীনের বেইজিং এবং হ্যাংচ্যাং- এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- গ্রান্ড খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮০০ কি.মি।
- এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- ৬০৭ সালে গ্রান্ড খাল উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: Britannica.
৪৪৮.
নদী বিহীন দেশ কোনটি?
  1. ভুটান
  2. হাঙ্গেরি
  3. মালদ্বীপ
  4. মঙ্গোলিয়া
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

• নদী বিহীন দেশ:
- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• দেশগুলো হলো:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas.

৪৪৯.
আটলান্টিক মহাসাগর কোন মহাদেশগুলোর মধ্যে অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা
  2. আফ্রিকা এবং এশিয়া
  3. এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া
  4. আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean):
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত।
- এ মহাসাগরের পূর্বদিকে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- আর্কটিক সাগরসহ এটি সবচেয়ে লম্বা মহাসাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলকে যুক্ত করেছে।
- স্থলভাগ সংলগ্ন অনেকগুলো অগভীর সাগর যেমন- আর্কটিক, বাল্টিক, ক্যারাবিয়ান, ভূ-মধ্যসাগর এবং মেক্সিকো উপসাগর রয়েছে।
- এ মহাসাগরে পতিত নদীগুলোর মধ্যে আমাজান এবং কঙ্গো অন্যতম।
- আটলান্টিক মহাসাগরে বেশ কিছু দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড অন্যতম।
- এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ, আইসল্যান্ড, সেন্ট পল বক দ্বীপ প্রভৃতি।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫০.
বাংলাদেশের কোন নদীতে প্রধানত বিনুনী নদীখাত দেখা যায়?
  1. যমুনা নদী
  2. গোমতী নদী
  3. বুড়িগঙ্গা নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
যমুনা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা নদী
ব্যাখ্যা

যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থা:

- কোন উৎস হতে (পার্বত্য ভূমি, হ্রদ, বৃষ্টিবহুল স্থান, বরফ স্তুপ ইত্যাদি) নেমে আসা যে জলধারা সুদীর্ঘ খাতের মধ্যদিয়ে এঁকে বেঁকে নিয়ত প্রবাহমান, তাই নদী নামে পরিচিত।
- যে খাতের মধ্য দিয়ে জলধারা প্রবাহিত হয়, তাকে নদী উপত্যকা এবং উপত্যকার তলদেশ নদীগর্ভ নামে অভিহিত।
- অপেক্ষাকৃত ছোট নদী স্রোতস্বিনী, কোন একটি নদী অপর একটি নদীতে মিলিত হলে প্রথম নদীটিকে অপর নদীটির উপনদী এবং একটি নদী হতে অপর একটি নদীর উৎপত্তি/বিকাশ/সৃষ্টি হলে সৃষ্ট নদীটিকে মূল নদীর শাখা নদী বলে। 
- নদী যে স্থান থেকে উৎপত্তি বা সৃষ্টি হয় তাকে নদীর উৎস এবং যেখানে মিলিত হয় তাকে মোহনা বলে।
- একটি নদী ও তার উপনদীসমূহ একত্রে একটি নদী প্রণালী বা নদী ব্যবস্থা গঠন করে।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ নদ-নদীই বার্ধক্য পর্যায়ে উপনীত হয়ে বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়ে থাকে। 

⇒ নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানত তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনি নদীখাত।

• সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়। এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

• বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
- কোনো নদীর পরিবহন ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পলি উৎস অঞ্চল থেকে নদীতে সরবরাহ হলে তা নদী খাতেই জমা হয়। নদীর ভিতর বালি, নুড়ি, কাঁকর, কর্দম ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়, তাকে বালুচর বলে। বালুচর প্রধানত দুটি কারণে সৃষ্টি হয়। প্রথমত, নদীর পানিতে যখন অতিরিক্ত বালু, কর্দম, নুড়ি ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে তখন স্রোতের বেগ কমে যায় এবং বাহিত পদার্থসমূহ দ্রুত সঞ্চিত হয়ে বালুচরের সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়ত নদীখাতে অতিরিক্ত পলি সঞ্চয়নের কারণে বহুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এরূপ বহু শাখা বিশিষ্ট পানির ধারা অনেকটা চুলের বিনুনীর মতো দেখতে। একে বিনুনী নদী বা চর উৎপাদী নদীও বলা হয়। যে সকল নদীতে পানির প্রবাহে ঋতুভিত্তিক পরিবর্তন ব্যাপক হয় সেখানে এ ধরনের নদী বিন্যাস দেখা যায়। বাংলাদেশের যমুনা নদীতে এ ধরনের বিনুনী বিন্যাস দেখা যায়। এজন্য যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

• সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়। কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

উৎস: i) বাংলাদেশ ভূগোল ও সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪৫১.
কোন জলপ্রপাত ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া’ নামে পরিচিত?
  1. নায়াগ্রা জলপ্রপাত
  2. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  3. অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত
  4. ক্যাইয়েট্যুর জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা

জলপ্রপাত:
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত আফ্রিকা মহাদেশের দুটি দেশ জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমানায় অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত।
- দুই দেশের সীমান্তবর্তী নদী ‘জাম্বেজি’ থেকেই এর উৎপত্তি। 
- পানি পড়ার সময় প্রচণ্ড আওয়াজ হয় বলে এর স্থানীয় নাম ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া’। 
- উচ্চতা প্রায় ১০৮ মিটার এবং চওড়ায় প্রায় ১,৭০০ মিটার। 
- প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৩৫ ঘনমিটার পানি নিচে গড়িয়ে পড়ে। 
- ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন জলপ্রপাতটি দেখে এর নামকরণ করেন রাণী ভিক্টোরিয়ার নামে। 
- সে সময় থেকেই ভিক্টোরিয়া ফলস নামে পরিচিতি পায়। 
- ২০১৩  সালে জিম্বাবুয়ে সরকার পুনরায় এর নামকরণ করে ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া ফলস’। 
- জলপ্রপাতের অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্য এখানকার জলীয়বাষ্পে আলো পড়ে রংধনুর সৃষ্টি হওয়া। 
- ১৯৮৯ সালে ইউনেসকো ‘ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত’ এবং ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া জলপ্রপাত’ উভয় নামেই বিশ্ব ঐতিহ্যর অন্তভুক্ত করে।
 
উৎস: Britannica. com 

৪৫২.
সুরমা নদীর আদি উৎস কোন নদী?
  1. ক) যমুনা নদী
  2. খ) বরাক নদী
  3. গ) মনু নদী
  4. ঘ) কংস নদী
সঠিক উত্তর:
খ) বরাক নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরাক নদী
ব্যাখ্যা
সুরমা নদী:
- সুরমা নদীর আদি উৎস বরাক নদী।
- মণিপুর পাহাড়ে মাও সংসাং হতে বরাক নদীর উৎপত্তি।
- আসামের নাগা মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি দুই শাখায় বিভক্ত হয়ে জকিগঞ্জ, কানাইঘাট,বিয়ানীবাজার, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর উত্তরের শাখাটি সুরমা পশ্চিম দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমেরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, আর দক্ষিণের শাখা সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জে সিলেটের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এর পরে সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরব বাজারে পুরাতন বহ্মপুত্রের সঙ্গে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কংস নদী (Kangsa River) ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এ নদী কংসাই বা কংসবতী নামেও পরিচিত।
- মনু নদী ভারতের পার্বত্য ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম যেখানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা রচনা করেছে তারই পূর্বকোণের উঁচু ভূমিতে দুটি উপনদী উৎপত্তি হওয়ার পর উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ত্রিপুরার ফটিকরাই-এর দক্ষিণে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১২০০০ মিটার(আরিচা) যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী। করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
৪৫৩.
গ্রিনল্যান্ড এর অবস্থান কোথায়?
  1. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড: 
- গ্রিনল্যান্ড, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মাঝখানে থাকা গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
- গ্রিনল্যান্ড ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে।
- গ্রীনল্যান্ড (কালাল্লিত নুনাত) তার বিশাল তুন্দ্রা এবং বিশাল হিমবাহের জন্য বিখ্যাত।
- যদিও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের রাজ্যের অংশ।
- দ্বীপের স্বরাষ্ট্র-শাসন সরকার বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলির নিজেরা শাসন করে।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানী নুউক (গডথাব)।

এচাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যের আয়তনের তিনগুণেরও বেশি, গ্রীনল্যান্ড। 
- দ্বীপের দুই-তৃতীয়াংশ আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত।
- এবং দ্বীপের উত্তর প্রান্তটি উত্তর মেরু থেকে ৫০০ মাইল।
- গ্রিনল্যান্ড কানাডার এলেসমের দ্বীপ থেকে উত্তরে মাত্র ১৬ মাইল দুরে।
- নিকটতম ইউরোপীয় দেশ হল আইসল্যান্ড, দক্ষিণ-পূর্বে ডেনমার্ক ।

উৎস: Britannica.

৪৫৪.
বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

বিশ্বের গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
----------------------------------
• প্রশান্ত মহাসাগর: 
-  প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম, গভীরতম ও প্রশস্ততম মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা প্রায় ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- এবং সর্বাধিক গভীরতা প্রায় ৩৬,২০১ ফুট (১১,০৩৪ মিটার)।
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
- এ মহাসাগরটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের তথা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম স্থান হচ্ছে- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা প্রায় ১০৫০০ মিটার।
------------------------------------------------
• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ:
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ হল প্রশান্ত মহাসাগরের তলে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাদ।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয়েছে নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ এবং অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- এই ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর অংশে সমুদ্রের গভীরতা প্রায় ৩৫,০০০ ফুট (১০,৫০০ মিটার)।
- এই গভীরতা পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নতম স্থলবিন্দু, ডেড সী, থেকেও অনেক গভীর। 
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলদেশের গভীরতা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার চেয়ে অনেক বেশি।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু হচ্ছে- Challenger Deep.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা কিডস [লিঙ্ক]। 
২. Britannica [লিঙ্ক]। 

৪৫৫.
মালদ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত
  2. খ) উত্তর
  3. গ) আটলান্টিক
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হলাে মালদ্বীপ। এর আয়তন ২৯৮ বর্গ কিলােমিটার। উল্লেখ্য, মালদ্বীপ বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মুসলিম দেশও বটে। এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৪৫৬.
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় কী নামে পরিচিত?
  1. টাইফুন
  2. সাইক্লোন
  3. বাগিও
  4. হ্যারিকেন
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইক্লোন
ব্যাখ্যা

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন-
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে 'সাইক্লোন'
- জাপানের উপকূলে 'টাইফুন'
- ফিলিপাইনে 'বাগিও'
- মেক্সিকো উপকূলে 'হ্যারিকেন'
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে 'সাইক্লোন' ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪৫৭.
কাসালং কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. কর্ণফুলি
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি নদী:
- কর্ণফুলী নদীবাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী। 
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে।
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। 
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা নদীর উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- যমুনার নদীর উপনদী: ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই।

উপনদী (Tributary):
- বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৫৮.
হালদা কোন নদীর প্রধান উপনদী?
  1. কর্ণফুলী
  2. সাঙ্গু
  3. মাতামুহুরী
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৫৯.
গগল্যান্ড (Gogland) দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফিনল্যান্ড উপসাগর
  2. খ) কৃষ্ণ সাগর
  3. গ) মেক্সিকো উপসাগর
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিনল্যান্ড উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিনল্যান্ড উপসাগর
ব্যাখ্যা
- Gogland বা Hogland Island বাল্টিক সাগরের পূর্বদিকে ফিনল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত।
- ইহা রাশিয়ার  নিয়ন্ত্রণাধীন একটি দ্বীপ। 
 
উৎস: artsandculture.google.com
৪৬০.
মাদাগাস্কার দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
মাদাগাস্কার দ্বীপ:
- ভারত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে মাদাগাস্কার দ্বীপ অবস্থিত। 
- মাদাগাস্কার , আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দ্বীপ দেশ । 
- গ্রীনল্যান্ড , নিউ গিনি এবং বোর্নিওর পরে মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ ।
- ইন্দোনেশিয়ার পর এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপরাষ্ট্র। 
- এই দ্বীপকে আফ্রিকান মহাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে মোজাম্বিক চ্যানেল।
- দ্বীপটি আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৪৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- মাদাগাস্কারের উপকূলরেখা প্রায় ৪,৮২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। 
- দ্বীপের দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৫৭০ কিলোমিটার, 
- গড় প্রস্থ প্রায় ৫৭০ কিলোমিটার, এবং
- আয়তন ৫,৮৭,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৪৬১.
নিচের কোন নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশে?
  1. হালদা
  2. মেঘনা
  3. নাফ
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী। 
- এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।
⇒ হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। 
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। 
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। 
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস। 
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে। 
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪৬২.
নিচের কোনটি আমাজন নদীর উৎপত্তিস্থল? 
  1. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  2. পামীর মালভূমি
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. টাঙ্গানিকা হ্রদ
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

- আমাজন নদীর উৎপত্তিস্থল আন্দিজ পর্বতমালা।

• আমাজন নদী (Amazon River): 

- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা, ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা। 
- উৎস: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর দ্বিতীয় দীর্ঘতম,)
- প্রবাহের গন্তব্য: অটলান্টিক মহাসাগর।
- বেসিন আকার: প্রায় ৭ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার।
- জৈব বৈচিত্র্য: জাগুয়ার, প্যারাট, এবং অসংখ্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।
- পানি প্রবাহ: পৃথিবীর মোট নদী প্রবাহের ২০% নিয়ন্ত্রণ।
- চ্যালেঞ্জ: বন উজাড়, পরিবেশ দূষণ।

উৎস: Britannica.

৪৬৩.
ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল কবে?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- ধরলা ও তিস্তা প্রধান উপনদী। 
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে বয়ে যেত‌।
- পরবর্তীতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
          ii) ২০ জুলাই, ২০১৯, প্রথম আলো।
৪৬৪.
নিচের কোনটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া
  2. তিব্বত মালভূমি
  3. ভারতীয় উপদ্বীপ
  4. উত্তর আমেরিকার কলোরাডো
সঠিক উত্তর:
তিব্বত মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিব্বত মালভূমি
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- কয়েকটি পাহাড়ের সম্মিলিতস্থানে যে সমতল অঞ্চল তৈরি হয় তাই মালভূমি।
- পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে।

⇒ অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথা:
• পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি,
• পাদদেশীয় মালভূমি,
•মহাদেশীয় মালভূমি।

⇒ পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি:
- পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি পর্বত দ্বারা বেষ্টিত থাকে।
- এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।
- এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
- এছাড়া তারিম মালভূমি, মঙ্গোলিয়া, বলিভিয়া ও মেক্সিকো পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া এবং উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি হলো পাদদেশীয় মালভূমি।
- ভারতীয় উপদ্বীপ, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিনল্যান্ড, সৌদি আরব, এন্টার্কটিকা প্রভৃতি হলো মহাদেশীয় মালভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬৫.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোগকারী প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পানামা খাল
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী:

- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৬৬.
এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে -
  1. ক) বেরিং প্রণালী
  2. খ) সুয়েজ খাল
  3. গ) লোহিত সাগর
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

লােহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
এবং বেরিং প্রণালী এশিয়া এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
উল্লেখ্য, বেরিং প্রণালীর একদিকে অবস্থান করছে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত রাশিয়ার উলেনা এবং অপর পাশে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা। এই প্রণালীটির সংকীর্ণতম অংশটি মাত্র ৮২ কিমি চওড়া।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ

৪৬৭.
কোন প্রণালি কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগরকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ডোভার প্রণালি
  2. দার্দানেলিস প্রণালি
  3. বেরিং প্রণালি
  4. কার্চ প্রণালি
সঠিক উত্তর:
কার্চ প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্চ প্রণালি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কার্চ প্রণালি দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত। এই প্রণালি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
অ্যাজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের মারিয়াপোল ও রাশিয়ার রোস্টভ সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কার্চ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪৬৮.
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. ব্রহ্মপুত্র নদ
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র নদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ :
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

উল্লেখ্য,
- কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬৯.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. পদ্মা
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. হোয়াংহো
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- ইয়াংসিকিয়াং চীন ও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল বা ৬,৩০০ কিমি।
- এই নদীটি চীনে অবস্থিত।
- এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে,
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৪৭০.
এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং
  2. ইনিসি
  3. হোয়াং হো
  4. সালউইন
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- দৈর্ঘ্য: ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৭১.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. আমুর
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. হোয়াংহো
  4. মেকং
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪৭২.
দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ -
  1. আসাল হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. টিটিকাকা হ্রদ
সঠিক উত্তর:
টিটিকাকা হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিটিকাকা হ্রদ
ব্যাখ্যা
টিটিকাকা হ্রদ:
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ টিটিকাকা।
- বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- হ্রদটির তীরে ৩০ লাখ মানুষের বাস।
- হ্রদটি পেরু ও বলিভিয়া সীমান্ত জুড়ে ৩ হাজার ২০০ বর্গমাইলের বেশি এলাকায় বিস্তৃত। 
- হ্রদ ঘিরে আয়মারা, কেচুয়া আর উরোস আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস।
- হ্রদটি মধ্য আন্দিজ পর্বতশ্রেণিতে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, যা এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৪৭৩.
বাংলাদেশে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৩টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৭৪.
পারস্য উপসাগর কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর:
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন, ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, অবস্থিত।
- এর উপকুলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ইরানের দীর্ঘতম উপকূলরেখা (১,৫৩৬ কিলোমিটার) রয়েছে।

তথ্যসূত্র - WorldAtlas.com

৪৭৫.
ধলেশ্বরী নদী কোন নদী থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. মেধনা
  3.  বুড়িগঙ্গা 
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা

ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী। 
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি।
- এর দুটি শাখা রয়েছে। 
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়। 
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪৭৬.
মধুপুর গড় নিম্নের কোন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা, নোয়াখালি
  2. রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বগুড়া,নওগাঁ
  4. টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৭.
'চেঙ্গী নদী' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• চেঙ্গী নদী:
- খাগড়াছড়ির প্রধান নদী চেঙ্গী।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এর উৎপত্তি। রাজ্যটির আঠারমুড়া থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এটি মহালছড়িতে এসে কাপ্তাই লেকে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর অববাহিকায় রয়েছে লোগং, পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, খাগড়াছড়ি, মাইসছড়ি ও মহালছড়ি।খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম চেঙ্গি।
- এটি চিংড়ি নদী নামেও পরিচিত।
- পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৯৬ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৭৭ মিটার।

উৎস: মহালছড়ি উপজেলা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৭৮.
নিচের কোনটি সরল নদী?
  1. পদ্মা
  2. তিস্তা
  3. গোমতী
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীখাতের ধরান অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানতঃ তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনী নদীখাত।

ক) সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়।
- কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

খ) সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়।
- এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

গ) বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
- যে সকল নদী একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হয় তাদেরকে বিনুনী বা চরোৎপাদী নদী বলা হয়।
- বিনুনী সদৃশ বলে একে বিনুনী এবং প্রবাহ পথে চর উৎপাদিত হয় বলে চরোৎপাদিত নদী বলা হয়।
- নদীতে শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত সঞ্চয়জাত পললের কারণে চর পড়ে মূল স্রোত ধারাকে দ্বিধা বা বহুধা খাতে বিভক্ত করে প্রবাহিত হয়।
- এসব নদীর প্রশস্ততা বেশি, গভীরতা কম, প্রবাহ পথে চর গঠন এবং পরিশেষে একাধিক খাতে প্রবাহিত হয়ে থাকে। যেমন- যমুনা নদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৯.
নীলনদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. আরব সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- নীল নদের উৎস লেক ভিক্টোরিয়া (আফ্রিকা)।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূমধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: Worldatlas.
৪৮০.
সুয়েজ খাল কোন উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত?
  1. আরব উপদ্বীপ
  2. আলাস্কা উপদ্বীপ
  3. সিনাই উপদ্বীপ
  4. আসুয়েরো উপদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনাই উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৯ মে ২০২১, বিবিসি বাংলা।
৪৮১.
বাবেল মান্দেব প্রণালি কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. স্পেন – মরক্কো
  2. ইয়েমেন – জিবুতি
  3. ইরান – ওমান
  4. বোর্নিও – সুলায়েসি
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন – জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন – জিবুতি
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি ইয়েমেন (এশিয়া) থেকে জিবুতি ও ইরিত্রিয়া (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে। এটি এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
অন্যদিকে,
স্পেন ও মরক্কোকে পৃথক করেছে জিব্রাল্টার প্রণালি।
ইরান ও ওমানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালি এবং
ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুলায়েসি দ্বীপকে পৃথক করেছে মার্কাসার প্রণালি।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস)
৪৮২.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের অন্তর্ভূক্ত?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. মায়োসিন যুগের
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা
→ টারশিয়ারি যুগের।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলারপূর্বাংশ।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত তাজিং ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এ পর্বতশৃঙ্গের উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিষ্কৃত হওয়ার পূর্বে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং,
- যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এসব পাহাড় কৃষিকাজের উপযোগী নয়।
-  স্থানীয় অধিবাসীগণ পাহাড়ের ঢালে জুম পদ্ধতিতে সীমিত পরিসরে চাষাবাদ করে থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালিয়।
৪৮৩.
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত-
  1. ক) মাউন্ট এভারেস্ট
  2. খ) হিমালয়
  3. গ) কাঞ্চনজঙ্ঘা
  4. ঘ) কেউক্রাডং
সঠিক উত্তর:
গ) কাঞ্চনজঙ্ঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঞ্চনজঙ্ঘা
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা এই পর্বত দুটি যথাক্রমে পৃথিবীর বৃহত্তম এবং তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত যা হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত।
Source: worldatlas
৪৮৪.
পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত 'ভিক্টোরিয়া ফলস' কোন দুটি দেশে অবস্থিত?
  1. জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
  2. চীন ও রাশিয়া
  3. কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ে
  4. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
জলপ্রপাত:
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত আফ্রিকা মহাদেশের দুটি দেশ জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমানায় অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত।
- দুই দেশের সীমান্তবর্তী নদী ‘জাম্বেজি’ থেকেই এর উৎপত্তি। 
- পানি পড়ার সময় প্রচণ্ড আওয়াজ হয় বলে এর স্থানীয় নাম ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া’। 
- উচ্চতা প্রায় ১০৮ মিটার এবং চওড়ায় প্রায় ১,৭০০ মিটার। 
- প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৩৫ ঘনমিটার পানি নিচে গড়িয়ে পড়ে। 
- ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন জলপ্রপাতটি দেখে এর নামকরণ করেন রাণী ভিক্টোরিয়ার নামে। 
- সে সময় থেকেই ভিক্টোরিয়া ফলস নামে পরিচিতি পায়। 
- ২০১৩  সালে জিম্বাবুয়ে সরকার পুনরায় এর নামকরণ করে ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া ফলস’। 
- জলপ্রপাতের অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্য এখানকার জলীয়বাষ্পে আলো পড়ে রংধনুর সৃষ্টি হওয়া। 
- ১৯৮৯ সালে ইউনেসকো ‘ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত’ এবং ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া জলপ্রপাত’ উভয় নামেই বিশ্ব ঐতিহ্যর অন্তভুক্ত করে।
 
উৎস: Britannica. com [Link]
৪৮৫.
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড় থেকে কোন নদীর উৎপত্তি?
  1. ক) হালদা
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) মাতামুহুরী
  4. ঘ) মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
খ) সাঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল: 

- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদী আসামের লুসাই পাহাড়।
- কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- করতোয়া নদী সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদী মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদী খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদী মহালড্রীম, দার্জিলিং থেকে উৎপত্তি স্থল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৬.
বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য ৪টি।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা,  মিজোরাম রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪৮৭.
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৭ টি
  2. ৫৪ টি
  3. ৫৫ টি
  4. ৫২ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা

- আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭ টি। 
- ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৫৪ টি।
-  বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- আন্তর্জাতিক নদী ১ টি। (পদ্মা)
- বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর প্রবাহের দিক উত্তর থেকে দক্ষিণে (সর্পিল গতি)।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত নদী মাতামুহুরী, ডাকাতিয়া, গোমতী।
- দুবার ভারতে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদী। 
- সর্বাধিক নাব্য নদী মেঘনা। 
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১ টি (হালদা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৮৮.
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী ধরনের সমভূমি বলা হয়?
  1. হিমবাহ
  2. ব-দ্বীপ
  3. উপকূলীয়
  4. সামুদ্রিক
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ সমভূমি বলা হয়।

• ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক। ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়।
- এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন ‘ব’ এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৯.
নিচের কোনটি আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ বেষ্টিত?
  1. চীন সাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগর পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশে পৌঁছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিমে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর থেকে দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিকার কাছে দক্ষিণ মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৪৯০.
'চীনের দুঃখ' বলা হয় কোন নদীকে?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. হুয়াংহো নদী
  3. নীলনদ
  4. সিন্ধু নদী
সঠিক উত্তর:
হুয়াংহো নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুয়াংহো নদী
ব্যাখ্যা

হোয়াংহো:
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম নদী।
- এর অপর নাম পীত নদী।
- হুয়াংহো নদীর সর্ব্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার।
- এটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি পীতসাগরে পতিত হয়েছে।
- প্রাচীন চীনে শুধু হোয়াংহো নদীকে হো নামে ডাকা হতো।
- হুয়াংহো নদী অর্থাৎ পীত নদীকে "চীনের দুঃখ" বলা হয়।
- প্রাচীন চীনে প্রায়ই হুয়াংহো নদী ছাপিয়ে উঠে সবকিছু বন্যায় ভাসিয়ে দিত বলে এই নদীর নাম ছিল "চিনের দুঃখ"।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এই নদীর অববাহিকায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯১.
‘কর্তারপুর করিডোর’ রয়েছে-
  1. ক) ভারত ও ভুটানের মধ্যে
  2. খ) ভারত ও নেপালের মধ্যে
  3. গ) বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে
  4. ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ভারতের পাঞ্জাবের ডেরা বাবা নানক সৌধের সঙ্গে প্রায় চার কিমি দূরে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের নারওয়াল জেলার কর্তারপুর সাহিবের সংযোগ স্থাপন করছে এই করিডোর। ভারতীয় শিখ তীর্থযাত্রীরা ভিসা ছাড়া পাকিস্তানের অভ্যন্তরে থাকা এই উপাসনালয়ে যেতে কর্তারপুর করিডোরের চুক্তি করেছে নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ। সূত্র- বিবিসি, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা এবং bengali.indianexpress.com।
৪৯২.
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে কোন নদীর উৎপত্তি?
  1. ক) মহানন্দা 
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) হালদা
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহানন্দা: মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম
পর্বতে। এরপর জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে

মাতামুহুরী: মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল লামার মাইভার পর্বত। উৎপত্তির পর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার নিকট দিয়ে পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার। 

করতোয়া:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে করতোয়া নদীর উৎপত্তি। এটি পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 

হালদা নদী: খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গ থেকে হালদা নদী উৎপন্ন হয়েছে। এরপর দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে কালুরঘাটের নিকট কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
৪৯৩.
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) সিন্ধু নদ
  2. খ) নীল নদ
  3. গ) ইউফ্রেটিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয়।
সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৪৯৪.
নিচের কোনটি পদ্মার উপনদী?
  1. ভৈরব
  2. ইছামতি
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
ব্যাখ্যা
পদ্মা (Padma):
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা।
- এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- পদ্মার শাখানদীগুলোর মধ্যে কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, আড়িয়াল খাঁ উল্লেখযোগ্য।
- উত্তর দিক থেকে আগত উপনদীগুলোর মধ্যে মহানন্দা প্রধান। 
- মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৫.
খুলনা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. কপোতাক্ষ
  3. রূপসা
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
ব্যাখ্যা
খুলনা: 
- খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত। 
- খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর খুলনা শহর।
- ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা নদী এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম।
- খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনা শহরকে শিল্প নগরী হিসেবে ডাকা হয়।
- খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
- পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা বিভাগের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
- খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি ঘটেছে।
- খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব সড়কপথে ৩৩৩কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৪৯৬.
ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বনাম কী?
  1. ক) দোলাই
  2. খ) লোহিত্য
  3. গ) কীর্তিনাশা
  4. ঘ) জোনাই
সঠিক উত্তর:
খ) লোহিত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লোহিত্য
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম: 

ব্রহ্মপুত্র - লোহিত্য,
যমুনা - জোনাই,
পদ্মা - কীর্তিনাশা,
বুডিগঙ্গা - দোলাই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৯৭.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কপোতাক্ষ
  2. ভাগীরথী
  3. করতোয়া
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

করতোয়া: 
​- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
​- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে করতোয়া নদীর উৎপত্তি। 
​- এটি পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
​- এরপর দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার নিকট আত্রাই নামে পরিচিত। 
​- সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে সমাধিঘাট পর্যন্ত অগ্রসর হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে। 
​- এরপর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে আবার রাজশাহী জেলার দেওয়ানপুরে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বড়াল নদীর মধ্য দিয়ে পাবনার বেড়ার নিকট যমুনায় পতিত হয়েছে। 
​- করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম উপনদী।

​উল্লেখ্য,​
​- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন দূর্গনগরী।
​- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
​- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
​- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৮.
কোন দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে হিমালয় পর্বতমালার উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. আফ্রিকান প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
  3. অস্ট্রেলিয়ান প্লেট ও এন্টার্কটিক প্লেট
  4. উত্তর আমেরিকান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেস্ট ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বা ইন্ডিয়ান প্লেট) ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া অন্তর্ভুক্ত করে। এটি উত্তর দিকে চলমান হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সাথে সংঘর্ষ করে, যা হিমালয় গঠনের প্রধান কারণ।
- আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ানের সাথে সংঘর্ষ করে মরক্কো থেকে ইউরোপীয় পর্বত গঠন করে, কিন্তু হিমালয়ের জন্য নয়।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।

৪৯৯.
The river Buriganga is a branch of which river?
  1. Jamuna
  2. Padma
  3. Turag
  4. Dhaleshwari
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Dhaleshwari
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dhaleshwari
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- একটি শাখা যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- যমুনার শাখানদী ধলেশ্বরী, ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫০০.
নিচের কোন দেশটি কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী দেশ নয়?
  1. রোমানিয়া
  2. তুরস্ক
  3. আজারবাইজান
  4. বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
→ আজারবাইজান কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত নয়।
• কৃষ্ণ সাগর:
-
কৃষ্ণ সাগর পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ, আনাতোলিয়া এবং ককেশাস পর্বতমালা দ্বারা আবদ্ধ।
- এবং ভূ-মধ্যসাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে মিলেছে।
- এই সাগর ভূ-মধ্যসাগরের সাথে বসফরাস প্রণালি দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রণালিটি সরু যার গড় গভীরতা ৭০০ মিটার এবং সর্বনিম্ন গভীরতা ৪০ মিটার।
- কৃষ্ণ সাগরের আয়তন প্রায় ৪.৩৬ বর্গকিলোমিটারG
- এবং গড় গভীরতা ১,৩১১ মিটার।

• কৃষ্ণ সাগরের তীরে মোট ৬টি দেশ অবস্থিত:
-
তুরস্ক, বুলগেরিয়া, জর্জিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া।


উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ শ্রেণি।