বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

মোট প্রশ্ন১,১২৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

PrepBank · পাতা / ১২ · ৩০১৪০০ / ১,১২৭

৩০১.
সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. মিয়ানমার ও ভারত
  2. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
  3. ভারত ও নেপাল
  4. বাংলাদেশ ও ভারত
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু (Shangu):
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
- বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০২.
গ্রীণল্যান্ড কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
Greenland is a constituent country within the Kingdom of Denmark. It is located between Atlantic and Arctic Oceans. Although it has politically and culturally been associated with Europe, it belongs to the North American continent.
Source: worldatlas
৩০৩.
'কপোতাক্ষ' কোন নদীর শাখানদী?
  1. যমুনা নদী
  2. গড়াই নদী
  3. ভৈরব নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
ভৈরব নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৈরব নদী
ব্যাখ্যা

• ভৈরব নদী:
 - ভৈরব অর্থ ভয়াবহ। একসময় গঙ্গা ও পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ এই নদকে প্রমত্তা রূপ দিয়েছিল।
- সেই থেকেই নামটির উৎপত্তি।
- খুলনা ও যশোর শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৈরব নদী যশোর-খুলনা এলাকার দীর্ঘতম নদী। 
- মালদহের যেস্থানে শ্রুতকীর্তি গঙ্গায় পড়েছে, তারই অপর পাড়ে ভৈরবের উৎপত্তি।
- ভৈরব নদের দৈর্ঘ্য ২৫০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৬০ মিটার এবং এর প্রকৃতি সর্পিলাকার।

- চলার পথে ভৈরব বহু নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- নদীটির উল্লেখযোগ্য দুটি শাখা হচ্ছে ইছামতি ও কপোতাক্ষ।
- কালিগংগার পর বৈখালী পর্যন্ত কালিন্দী নদী নামে পরিচিত। 
- তারপর মোহনার নিকট এই নদী রায়মংগল নামে পরিচিত। 
- পূর্বে রায়মংগল এবং পশ্চিমে হাড়িয়াভাংগা মোহনা দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

- এই নদের তীরে খুলনা, যশোর শহর ছাড়াও রয়েছে মুজিবনগর, মেহেরপুর, গাড়াবাড়িয়া, চুয়াডাঙা, বড়বাজার, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা, দৌলতপুর ও বাগেরহাট। 
- সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নদটি পবিত্র। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও কালের কণ্ঠ।  (Link1) (Link2) (Link3)

৩০৪.
'দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) পটুয়াখালী
  3. গ) বরগুনা
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (South Talpatti Island)  
• সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ।
• বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
• এটির  ভৌগোলিক অবস্থান ২১°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
• দ্বীপটি মূলত  গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে। দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়। হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মূল স্রোতধারা দ্বীপটির পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
• দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। জোয়ারভাটার উঠানামায় দ্বীপটির জেগে থাকা ভূ-ভাগের আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি থেকে ১৪ বর্গ কিমি পর্যন্ত হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।
• ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী  ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩০৫.
যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. স্নোডন
  2. বেন নেভিস
  3. স্লিভ ডোনার্ড
  4. হেলভেলিন
সঠিক উত্তর:
বেন নেভিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেন নেভিস
ব্যাখ্যা
বেন নেভিস:
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- বেন নেভিস স্কটিশ হাইল্যান্ডসের লোচাবার এলাকায় অবস্থিত, ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.
৩০৬.
বাংলাদেশের ও মায়ানমারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত অভিন্ন নদী কতটি?
  1. ৬টি 
  2. ৩টি
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন। 
- এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
- এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

৩০৭.
'আকাবা' সমুদ্রবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) স্কটল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ক) জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জর্ডান
ব্যাখ্যা

- আকাবা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে।
- মন্ট্রিল, কুইবেক, ভ্যাঙ্কুভার সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- গ্লাসগো সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- এডেন সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট।

৩০৮.
শীতল মরুভূমি কোনটি?
  1. ক) সাহারা
  2. খ) লাদাখ
  3. গ) থর
  4. ঘ) দাহনা
সঠিক উত্তর:
খ) লাদাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাদাখ
ব্যাখ্যা
শীতল মরুভূমির মধ্যে লাদাখ(ভারত), তাকলামান(চীন), প্যাটাগোনিয়া(আর্জেন্টিন, চিলি) উল্লেখযোগ্য।
Source: Britannica
৩০৯.
নিচের কোন দেশটিতে নদী নেই?  
  1. টোঙ্গা
  2. কোমোরোস 
  3. জিবুতি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• নদী বিহীন দেশ:
- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• নদী বিহীন দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. 

৩১০.
ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি? 
  1. থেমস
  2. ডানিউব
  3. ভলগা
  4. রাইন
সঠিক উত্তর:
ভলগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভলগা
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত আর্কটিক মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে (পশ্চিম থেকে পূর্বে) ভূমধ্যসাগর, কৃষ্ণ সাগর ও কুমা-মানিচ নিম্নচাপ এবং পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত।

- এই মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি। 
- ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ হলো রাশিয়া, যা আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই বৃহত্তম। 
- এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে অবস্থিত রাশিয়ার অংশ ইউরোপের অন্তর্ভুক্ত।

- ইউরোপের বৃহত্তম দ্বীপ হলো গ্রিনল্যান্ড, যা ডেনমার্কের অধীনে রয়েছে, তবে ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- এই মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- এবং দীর্ঘতম পর্বতমালা হলো আল্পস পর্বতমালা।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো মাউন্ট এলব্রুস।
- আর সর্বনিম্ন স্থান হলো কাস্পিয়ান সাগর। 

উৎস: World Atlas ও Britannica. 

৩১১.
যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল কোনটি?
  1. বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ
  2. গাঙ্গোত্রী হিমবাহ
  3. আসামের লুসাই পাহাড়
  4. মানস সরোবর হ্রদ
সঠিক উত্তর:
মানস সরোবর হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানস সরোবর হ্রদ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
বাংলাদেশের কোন নদীটি ইয়ারলুং সাংপো নামে পরিচিত?
  1. পদ্মা 
  2. মেঘনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।

উল্লেখ্য,
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো (Yarlung Tsangpo) নামে পরিচিত। 
- তিব্বতে এর নাম ইয়ারলুং সাংপো, অরুণাচলে সিয়ং এবং আসাম ও বাংলাদেশে এর নাম হয়েছে ব্রহ্মপুত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৩১৩.
লালন শাহ সেতু কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. আড়িয়াল খাঁ
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
ব্যাখ্যা
লালন শাহ সেতু: 
- লালন শাহ সেতু ঈশ্বরদী হার্ডিঞ্জ ব্রীজের অদূরে পদ্মা নদীর উপর নির্মাণ করা হয়।
- ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন: ২০০১ সালের ১৩ জানুয়ারী।
- সেতুটি নির্মাণ শুরু হয় ২০০৩ সালে।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১.৮ কিমি এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩১৪.
কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে কোনটি অবস্থিত?
  1. আবু মুসা দ্বীপ
  2. পেরেজিল দ্বীপ
  3. সুমাত্রা দ্বীপ
  4. ক্রিমিয়া উপদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া উপদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়া উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ক্রিমিয়া উপদ্বীপটি কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নিয়ে ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- রাশিয়া "ক্রিমিয়া উপদ্বীপ" দখল করে রাশিয়ার অংশ করে নেয় ২০১৪ সালে।
- ক্রিমিয়ার ৬০ ভাগ অধিবাসী রাশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর।
- কৃষ্ণসাগর কিংবা ভূমধ্যসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে রাশিয়ার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সেবাস্তাপুল বন্দর যা ক্রিমিয়ায় অবস্থিত।
- এতে রাশিয়া সেখানে একটি গণভোট আয়োজন করে যেখানে অধিকাংশ রাশিয়ার সাথে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে মত দেয়।

• অপরদিকে,
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- 'পেরেজিল দ্বীপ' ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত।
- 'সুমাত্রা দ্বীপ' ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড পত্রিকা রিপোর্ট।
৩১৫.
কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগরকে সংযুক্তকারী প্রণালির নাম কী?
  1. ক) জিব্রাল্টার প্রণালি
  2. খ) হরমুজ প্রণালি
  3. গ) দার্দানেলিস প্রণালি
  4. ঘ) বসফরাস প্রণালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসফরাস প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসফরাস প্রণালি
ব্যাখ্যা
- বসফরাস প্রণালি: কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগরকে সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি: ভূমধ্যসাগর ও আটিলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- হরমুজ প্রণালি: পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুয়েজ খাল: লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- দার্দানেলিস প্রণালি: মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.
৩১৬.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) নাফ
  4. ঘ) কর্ণফুলি
সঠিক উত্তর:
গ) নাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাফ
ব্যাখ্যা
নাফ নদী:
- টেকনাফ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা।
- এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। 
- টেকনাফ মায়ানমারের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর তীরে অবস্থিত। 
- কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত প্রলম্বিত খাঁড়ি সদৃশ নাফ নদী মায়ানমারের আরাকান থেকে কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত।

উৎস: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া। 
৩১৭.
'ভবদহ' বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. ঢাকা
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
ভবদহ বিল: 

- বৃহৎ আকৃতির প্রাকৃতিক জলাধার, যেগুলোতে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে অভ্যন্তরীণ ও পৃষ্ঠ নিষ্কাশনের মাধ্যমে বয়ে আসা পানি জমা হয় তাঁদের বিল বলে।
- “ভবদহ” বিল যশোরে অবস্থিত।
- যশোর জেলার উল্লেখযোগ্য আরী কয়েকটি বিল হল: জলেশ্বর, বিল বকর, হরিণা, অরল, ইছামতি, বিল কেদারিয়া, বিল খুকশিয়া ও বিল পাজিয়া পাত্রা। 
- বাংলাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি বিভিন্ন আকারের বিল রয়েছে। 

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিল হল: 
• চলন বিল: পাবনা,নাটোর,সিরাজগঞ্জ,রাজশাহী অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
• গোপালগঞ্জ-খুলনা বিল: গোপালগঞ্জ ও খুলনা অঞ্চলে অবস্থিত।
• আড়িয়াল বিল: মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
• ডাকাতিয়া বিল: খুলনা জেলার পূর্বাঞ্চলে ফুলতলা উপজেলায় অবস্থিত।
•  গাজনার বিল: পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় অবস্থিত।
• বাইক্কা বিল: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত।
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল / মিঠাপানির মাছের উৎস চলন বিল।এটি পাবনা, সিরাজগঞ্জ রাজশাহী ও নাটোরে অবস্থিত
• পশ্চিম বাহিনীর নদী বলা হয় ডাকাতিয়া বিলকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া
৩১৮.
বিশ্বের গভীরতম খাল -
  1. ক) সুয়েজ খাল
  2. খ) পানামা খাল
  3. গ) গ্রান্ড খাল
  4. ঘ) কিয়েল খাল
সঠিক উত্তর:
খ) পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল ।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে -
- সুয়েজ খাল ভূমধ্য সাগর ও লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
- পৃথিবীর প্রাচীন ও দীর্ঘতম খাল চীনের গ্রান্ড খাল।
- কিয়েল খাল জার্মানিতে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৩১৯.
পৃথিবীর কোন দেশে সবচেয়ে বেশি পাহাড় রয়েছে?
  1. তাজিকিস্তান
  2. কিরগিজস্তান
  3. ভুটান
  4. মন্টেনিগ্রো
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে বেশি পাহাড় আছে যে দেশে:
- পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাহাড়ি অঞ্চল ভুটানে। 
- এর ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ পাহাড়ে আবৃত। 
- তিব্বত ও ভারতের মধ্যে স্থলবেষ্টিত এই দেশ।
- পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই দেশটি ‘ল্যান্ড অফ দ্য থান্ডার ড্রাগন’ নামেও পরিচিত। 
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০,৭৬০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই দেশ।
- ভুটান বিশ্বের প্রথম কার্বন-নেতিবাচক দেশ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ২য় স্থানে রয়েছে তাজিকিস্তান  (৯১.৯%)।
- ২য় স্থানে রয়েছে কিরগিজস্তান (৯০.৭%)।

উৎস: Worldatlas.
৩২০.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিদ্যমান আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• সীমান্তবর্তী নদী:
- আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী হলো এমন নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে।
- বাংলাদেশে মোট ৫৭টি আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী রয়েছে।
- এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রধানত তিনটি নদী প্রবেশ করেছে।
- যা হলো: নাফ, মাতামুহুরী এবং সাঙ্গু। 
- এই তিনটি নদীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী হলো নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
-  বঙ্গোপসাগরে মিশে নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রধান আন্তর্জাতিক সীমান্ত গঠন করে। 
- অন্য দুটি নদী, মাতামুহুরী ও সাঙ্গু, মিয়ানমার থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ।

৩২১.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. রাজশাহী
  2. কুষ্টিয়া
  3. নওগাঁ
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২২.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. আমুর নদী
  3. হোয়াংহো নদী
  4. মেকং নদী
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩২৩.
কোন প্রণালি মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. বসফরাস প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. কার্চ প্রণালি
  4. দার্দেনেলিস প্রণালি
সঠিক উত্তর:
দার্দেনেলিস প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দার্দেনেলিস প্রণালি
ব্যাখ্যা
- দার্দানেলিস প্রণালি মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে ও এশিয়া-ইউরোপকে পৃথক করেছে।
অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালি মর্মর সাগর ও কৃষ্ণসাগরকে যুক্ত করেছে এবং এশিয়া-ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক সাগরকে যুক্ত করেছে এবং আফ্রিকা-ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- কার্চ প্রণালি অ্যাজব সাগর ও কৃষ্ণসাগরকে যুক্ত করেছে এবং ক্রিমিয়া ও রাশিয়াকে পৃথক করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩২৪.
হালদা ও বোয়ালখালি কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা নদীর
  2. ফেনী নদীর
  3. মেঘনা নদীর
  4. কর্ণফুলী নদীর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী নদীর
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
- মিজোরামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলী।
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- অর্থাৎ হালদা ও বোয়ালখালি কর্ণফুলী নদীর উপনদী।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৫.
নদী উপত্যকার তলদেশকে কী বলা হয়?
  1. দোয়াব অঞ্চল
  2. নদীসঙ্গম
  3. নদীতট
  4. জলবিভাজিকা
সঠিক উত্তর:
নদীতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীতট
ব্যাখ্যা
নদীগর্ভ বা নদীতট:
- নদী উপত্যকার তলদেশকে বলা হয় নদীগর্ভ।

নদীর উৎস (Source):
- নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

নদীর মোহনা (Mouth):
- নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

দোয়াব অঞ্চল:
- দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

উপনদী (Tributary):
- বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে। যেমন- যমুনার উপনদী করতোয়া, তিস্তা এবং মেঘনার উপনদী সুরমা ও কুশিয়ারা।

শাখানদী (Distributory):
- কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে। যেমন- ইছামতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি পদ্মার শাখানদী।

নদীসঙ্গম (Confluence):
= পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়। এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়। ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়। এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

নদী অববাহিকা (River Basin):
- মূল নদী, বিভিন্ন শাখানদী ও উপনদী প্রভৃতির মধ্য দিয়ে যে সকল স্থানের বা অঞ্চলের পানিরাশি প্রবাহিত হয় তখন এ অঞ্চলকে ঐ নদীর অববাহিকা বলে। যেমন- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সিন্ধু নদের অববাহিকা।

নদী উপত্যকা (River Valley):
- নদীর উৎস হতে মোহনা পর্যন্তগতিপথে যে স্থানের মধ্য দিয়ে পানিরাশি প্রবাহিত হয় সেই খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।

জলবিভাজিকা:
- যে উচ্চভূমি বিভিন্ন নদীজ এলাকাকে আলাদা করে থাকে তাকে জলবিভাজিকা বলে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৬.
কোন নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে?
  1. মহানন্দা
  2. তিস্তা
  3. কর্ণফুলী
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
- কর্ণফুলী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- ভারতের সিকিমের পাবর্ত্য অঞ্চলে তিস্তা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বতে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৭.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. লোহিত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান ।
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ হলো কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপানের কাছ থেকে দ্বীপগুলো দখল করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- এই বিরোধ মূলত দক্ষিণ কুড়িলের চারটি দ্বীপ নিয়ে।
- বিরোধপূর্ণ চারটি দ্বীপ হলো:
- ইটুরুপ (Iturup / Etorofu)
- কুনাশির (Kunashir)
- শিকোটান (Shikotan)
- হাবোমাই (Habomai)
- এই চারটির মধ্যে কুনাশির দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- জাপান এই চারটি দ্বীপকে একত্রে “নর্দান টেরিটরিজ (Northern Territories)” বলে দাবি করে।
- দ্বীপগুলো প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে, জাপানের হোক্কাইডো ও রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- এই ভূখণ্ড বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান এখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩২৮.
'লেক বোর্গেট' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
লেক বোর্গেট
- বোর্গেট হল ফ্রান্সের বৃহত্তম প্রাকৃতিক হ্রদ।
- একটি রামসার জলাভূমি হ্রদ হিসেবে পরিচিত।
- এটি ৪৪  কিঃমিঃ প্রসারিত হ্রদ।
- পাহাড় এবং পর্বত দ্বারা বেষ্টিত।
- প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে/অক্টোবরের শুরুতে, বোর্গেট হ্রদের রোমান্টিক নাইটস ফেস্টিভ্যাল দুর্দান্ত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

উৎস: Britanica & france-voyage.com.[link]
৩২৯.
ভূকম্পন সক্রিয় অঞ্চল 'রিং অফ ফায়ার' কোন মহাসাগরীয় অববাহিকায় অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আর্কটিক মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire):
- রিং অফ ফায়ার হলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকাকে ঘিরে থাকা অশ্বখুরাকৃতি ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরি সক্রিয় অঞ্চল। 
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার (২৪,৯০০ মাইল)।
- পুরো অঞ্চল জুড়ে অসংখ্য সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থাকায় একে “রিং অফ ফায়ার” বলা হয়।
- এই অঞ্চল দ্বীপমালার সারি যেমন টোঙ্গা ও নিউ হেব্রিডিস, ইন্দোনেশীয় দ্বীপপুঞ্জ, ফিলিপাইন, জাপান, কুরিল দ্বীপপুঞ্জ ও আলেউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, এবং আর্ক-আকৃতির ভূ-আকৃতি যেমন উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূল ও আন্দেস পর্বতমালা অনুসরণ করে বিস্তৃত। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অধিকাংশ ভূমিকম্প, সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর প্রায় সবকটি এবং বিশ্বের প্রায় ৭৫% সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই অঞ্চলে ঘটে। 
- ১৮০০ সালের পর থেকে রিং অফ ফায়ারের ভেতরে সংঘটিত প্রধান আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাতের মধ্যে রয়েছে মাউন্ট টাম্বোরা (১৮১৫), ক্রাকাতোয়া (১৮৮৩), নোভারুপটা (১৯১২), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (১৯৮০), মাউন্ট রুইজ (১৯৮৫) ও মাউন্ট পিনাতুবো (১৯৯১)। 
- এছাড়া এই অঞ্চলে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চিলি ভূমিকম্প (১৯৬০, ২০১০), আলাস্কা ভূমিকম্প (১৯৬৪), জাপান ভূমিকম্প (২০১১) এবং ২০০৪ সালের ভয়াবহ ভারত মহাসাগরীয় সুনামি সৃষ্টিকারী ভূমিকম্প।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৩০.
Which river of Bangladesh originates from Tibet?
  1. Brahmaputra
  2. Tista
  3. Padma
  4. Surma
সঠিক উত্তর:
Brahmaputra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Brahmaputra
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র:
- ব্রহ্মপদ নদ চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরপূর্ব দিক এবং আসামের (ভারত) ভবানীপুরের পূর্ব দিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী ধরলা ও তিস্তা।
- প্রধান শাখা নদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩৩১.
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) কুমার
  3. গ) ভৈরব।
  4. ঘ) বাইগার।
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইগার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইগার।
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গােপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমান গােপালগঞ্জ জেলা সদরের দক্ষিণে ও পশ্চিমে মধুমতি নদী।
- আর 'বাইগার' নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রাম।
- মধুমতীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।

উৎসঃ গোপালগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৩৩২.
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কাসালং
  2. মাতামুহুরী
  3. কর্ণফুলী
  4. হালদা
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৩৩.
শৈবাল সাগর কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

⇒ শৈবাল সাগর:
- মহাসাগরের মাঝখানে বিভিন্ন স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়, এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়। 
- আটলান্টিক মহাসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে (১) উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, (২) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং (৩) ক্যানারি স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।
- এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়।
- আটলান্টিক মহাসাগর ছাড়াও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরেও (১) উত্তর প্রশান্ত-মহাসাগরীয় স্রোত, (২) কুরোশিয়ো বা জাপান স্রোত, (৩) উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং (৪) ক্যালিফোর্নিয়া স্রোতের মাঝখানে প্রকাণ্ড একটি শৈবাল সাগর দেখা যায় ।

উৎস: Britannica.
৩৩৪.
পদ্মার উপনদী কোনটি?
  1. কুলিক
  2. মধুমতি
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. মাথাভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
কুলিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুলিক
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩৫.
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. যমুনা নদীতে
  2. সন্দ্বীপ চ্যানেল
  3. মেঘনার মোহনায়
  4. বঙ্গোপসাগরে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত,
- যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়,
- যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ,
- মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার,
- তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৩৬.
যমুনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে? 
  1. পদ্মায়
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. ব্রহ্মপুত্রে
  4. মেঘনায়
সঠিক উত্তর:
পদ্মায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মায়
ব্যাখ্যা
• যমুনা নদী:
- যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর একটি।
- এটি ব্রহ্মপুত্র নদীর প্রধান শাখা।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশ ভূখন্ডে ব্রহ্মপুত্র-যমুনার দৈর্ঘ্য ২৭৬ কিমি যার মধ্যে যমুনা নদীর দৈর্ঘ্য ২০৫ কিমি।
- নদীটির প্রশস্ততা ৩ কিমি থেকে ২০ কিমি পর্যন্ত। তবে এর গড় প্রশস্ততা প্রায় ১০ কিমি।
- যমুনা নদী — পদ্মা নদীতে পতিত হয় গোয়ালন্দে।
- যমুনার প্রবাহমান জেলাসমূহ-বগুড়া জেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা, টাঙ্গাইল জেলা (টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতি এবং ভূঞাপুর উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত) গাইবান্ধা জেলা।
- যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী (করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী) বাঙালি+যমুনা বগুড়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৩৭.
পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত -
  1. নায়াগ্রা জলপ্রপাত
  2. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  3. অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত
  4. ইগুয়াজু জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা

অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত:
- বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত হলো অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত।
- এটি ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৯৭৯ মিটার।
- গুয়ারিয়া জলপ্রপাত ব্রাজিল অবস্থিত।
- এটি পানি পতনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত।

অন্যদিকে,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর মাঝে অবস্থিত নায়াগ্রা জলপ্রপাত। এই জলপ্রপাতটি মাত্র ৫১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট।
- ভিক্টোরিয়া ফলস পৃথিবীর সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত। এটির উচ্চতা ১০৮ মিটার।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সীমান্তে অবস্থিত। এই জলপ্রপাতটি মাত্র ৮১ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট । 

উৎস: Britannica.

৩৩৮.
বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো -
  1. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  2. K2
  3. লোটসে
  4. অন্নপূর্ণা
সঠিক উত্তর:
K2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K2
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পর্বত:
১. মাউন্ট এভারেস্ট:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে হিমালয়ে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৮৪৮.৮৬ মিটার।

২. K2:
- পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ K2।
- এর আরেক নাম Godwin-Austen।
- এটির উচ্চতা ৮৬১১ মিটার।

৩. কাঞ্চনজঙ্ঘা:
- নেপাল ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত কংচেনজঙ্ঘা।
- এটির উচ্চতা ৮৫৮৬ মিটার।

৪. লোটসে:
- নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত লোটসে।
- এটির উচ্চতা ৮৫১৬ মিটার।

5. মাকালু পর্বত:
- নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত মাকালু।
- এটির উচ্চতা ৮৪৮৫ মিটার।

6. চো ওয়ু:
- নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত চো ওয়ু ।
- এটির উচ্চতা ৮১৮৮ মিটার।

7. ধৌলাগিরি:
- নেপালে অবস্থিত ধৌলাগিরি।
- এটির উচ্চতা ৮১৬৭ মিটার।

৮. মানাসলু:
- নেপালে অবস্থিত মানাসলু।
- এটির উচ্চতা ৮১৬৩ মিটার।

9. নাঙ্গা পর্বত:
- পাকিস্তানে অবস্থিত নাঙ্গা পর্বত।
- এটির উচ্চতা ৮১২৬ মিটার।

10. অন্নপূর্ণা:
- নেপালে অবস্থিত অন্নপূর্ণা।
- এটির উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।

উৎস: Worldatlas.
৩৩৯.
উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকার সাথে যুক্ত করেছে?
  1. ক) বেরিং প্রণালী
  2. খ) পানামা যোজক
  3. গ) গ্রেট লেকস্
  4. ঘ) ফ্লোরিডা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
খ) পানামা যোজক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানামা যোজক
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - পানামা যোজক।

• পানামা খাল:
 - পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
-  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে আলাদা করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৪০.
টাইগ্রিস নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. ক) ভূমধ্য সাগরে
  2. খ) পারস্য উপসাগরে
  3. গ) আরব সাগরে
  4. ঘ) লোহিত সাগরে
সঠিক উত্তর:
খ) পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারস্য উপসাগরে
ব্যাখ্যা
টাইগ্রিস নদীর আরেক নাম দজলা। পারস্য শব্দ ‘টিগরা’ থেকেই নাম হয়েছে টাইগ্রিস। তুরস্কের পাহাড় থেকে উত্পত্তি হয়ে নদীটি ইরাকে প্রবাহিত হয়েছে। প্রায় ১৯০০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ নদী ইউফ্রেটিসের (ফোরাত নদী) সঙ্গে মিলে পারস্য উপসাগরে গিয়ে ঠেকেছে।
সূত্রঃ কালের কন্ঠ
৩৪১.
আটলান্টিক মহাসাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে-
  1. ক) ডেভিস প্রণালী
  2. খ) বেরিং প্রণালী
  3. গ) জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. ঘ) পানামা খাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর গভীরতম খাল পানামা খাল। এটি আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। এখানে উল্লেখ্য যে দুইটি স্থলভাগকে পৃথক করে প্রণালী এবং দুইটি সমুদ্রকে যুক্ত করে খাল।
সূত্র: Worldatlas
৩৪২.
কোন রেখায় ভিয়েতনামকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছিলো?
  1. ১৭° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৪° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
১৭° উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম : ১৭° উত্তর অক্ষরেখা
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া : ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
- পাকিস্তান ও ভারত : ২৪° উত্তর অক্ষরেখা
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা : ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৩৪৩.
নীল নদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. লোহিত সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. আরব সাগর
  4. ক্যারিবিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

নীল নদ:
- নীল নদ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এটি নিরক্ষরেখার দক্ষিণে উৎপন্ন হয় এবং উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার মধ্য দিয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৬৫০ কিলোমিটার (৪,১৩২ মাইল) এবং এর অববাহিকা প্রায় ৩,৩৪৯,০০০ বর্গকিলোমিটার (১,২৯৩,০০০ বর্গমাইল)।
- নীল নদের অববাহিকায় তানজানিয়া, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, কেনিয়া, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, সুদান এবং মিশরের চাষযোগ্য অংশ অন্তর্ভুক্ত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস হলো বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.

৩৪৪.
নীল নদ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ/নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত.
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩৪৫.
'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) ভোলা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার দুবলার চর থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান। ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস্য শিকারী। এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইন বোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপের আকার ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় আসতে থাকে। এর পর থেকে না ডুবে ক্রমেই বড় হচ্ছে দ্বীপটি। ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক নতুন করে জেগে ওঠা দ্বীপটিতে যায়। সেখানে তারা টানা তিনদিন অবস্থান করে দ্বীপটির অভ্যন্তরীণ মৃত্তিকা, ডিসিপি জরিপ ও ভিজিবিলিটি অ্যানালাইসিসসহ বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক অনুসন্ধান চালান।
৩৪৬.
নদী পয়স্তি কারা?
  1. নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণ
  2. নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
  3. নদীতে যারা সারা বছর মাছ ধরে
  4. নদীর পাড়ে যারা বসবাস করে
সঠিক উত্তর:
নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা

নদীভাঙন:
- বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

উল্লেখ্য:
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে নদী সিকস্তি বলে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৭.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ক) ২০°৩২′ থেকে ২৮°৯২′ উত্তর অক্ষরেখা
  2. খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
  3. গ) ২৪°৩৪′ থেকে ৩০°৮৮′ উত্তর অক্ষরেখা
  4. ঘ) ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০°৩৪′ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) এবং ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৪১)
৩৪৮.
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর -
  1. লোহিত সাগর
  2. মারমারা সাগর
  3. পীতসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমারা সাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর হলো মারমারা সাগর।

মারমারা সাগর:

- মারমারা সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট সাগর।
- এটি মাত্র ১৭৫ মাইল (২৮০ কিমি) দীর্ঘ এবং প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) প্রশস্ত।
- মোট ভূপৃষ্ঠের আয়তন মাত্র ৪৩৮২ বর্গ মাইল (১১৩৫০ বর্গ কিমি)।
- এর গড় গভীরতা ১৬২০ ফুট (৪৯৪ মিটার) এবং কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৪৪৪৬ ফুট (১৩৫৫ মিটার) গভীরতা।
- এটি তুরস্কে অবস্থিত এবং বস্পোরাস হয়ে কৃষ্ণ সাগরকে দার্দানেলসের মাধ্যমে এজিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্র হলো দক্ষিণ চীন সাগর প্রায় ৩,৫০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি চীন, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনাম সীমান্তে অবস্থিত।

উৎস: Guinness World Records ওয়েবসাইট।
৩৪৯.
'করতোয়া' নদী কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. পঞ্চগড়
  2. লালমনিরহাট
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫০.
পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর ।
- এর সর্বোচ্চ গভীরতা ১০,৯২৮ মিটার এবং গড় গভীরতা ৪০৭৯ মিটার।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন- ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩৫১.
পৃথিবীর সর্বাধিক গভীর স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত (Mariana Trench) পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা গভীর খাত। 

 • প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আকৃতি - ত্রিভুজের মতো।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস

৩৫২.
'ইয়াংসিকিয়াং' কোন মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া
  4. ওশেনিয়া
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি চীন এর পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে পণ্য পরিবহন করে এবং একটি প্রধান জলপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- চীন সরকার এ নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য থ্রি গর্জেস ড্যাম (Three Gorges Dam) নামক বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৩৫৩.
ভলগা নদীর উৎপত্তিস্থল-
  1. ভ্যালডাই হিলস
  2. হিমালয় পর্বতমালা
  3. আল্পস পর্বতমালা
  4. আন্দিজ পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ভ্যালডাই হিলস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যালডাই হিলস
ব্যাখ্যা

• ভলগা নদী (Volga River):
- উৎপত্তি: মস্কোর উত্তরে ভ্যালডাই হিলস।
- পতিত হয়েছে:  ক্যাসপিয়ান সাগরে, দক্ষিণে প্রায় ৩,৫৩০ কিমি দূরে।
- নদীর মোট দৈর্ঘ্য: প্রায় ৩,৫৭,০০০ মাইল।
- এটি প্রায় ২০০ উপনদী, ১,৫১,০০০ নদী ও স্থায়ী ও অস্থায়ী নালা সমন্বিত।

- এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং পশ্চিম রাশিয়ার প্রধান নৌপথ।
- এটি রাশিয়ার ঐতিহাসিক কেন্দ্রস্থল এবং দেশের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল উৎস।
- ভলগা নদীর অববাহিকা ইউরোপীয় রাশিয়ার প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ এলাকায় বিস্তৃত এবং এটি প্রায় রাশিয়ার জনসংখ্যার অর্ধেকের আবাসস্থল।
- অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটি বিশ্বের প্রধান নদীর মধ্যে গণ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৫৪.
কোন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বিভক্ত হয়েছে?
  1. জামালপুর
  2. কুড়িগ্রাম
  3. দেওয়ানগঞ্জ
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানগঞ্জ
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ তার পুরানো গতিপথ পরিবর্তন করে দক্ষিণাভিমুখী যমুনা নদী নামে প্রবাহিত হয়ে আরিচায় গঙ্গা (পদ্মা) নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৫৫.
টাইগ্রিস নদী পতিত হয়েছে-
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. পারস্য উপসাগরে
  3. কৃষ্ণসাগরে
  4. লোহিত সাগরে
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগরে
ব্যাখ্যা
• টাইগ্রিস নদী:
- টাইগ্রিস নদী হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নদী।
- এটি মূলত তুরস্কের পূর্বাঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সিরিয়া ও ইরাক হয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- টাইগ্রিস নদী তুরস্কের তৌরুস পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়।
- এটি সিরিয়ার একটি ছোট অংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মূলত ইরাকের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- ইরাকের দক্ষিণ অংশে টাইগ্রিস নদী ও ইউফ্রেটিস নদী একত্রিত হয়ে একটি নতুন নদী গঠন করে যার নাম শাত আল-আরব (Shatt al-Arab)।
- শাত আল-আরব নদী শেষ পর্যন্ত পারস্য উপসাগরে পতিত হয়।
- এই নদীটি হাজার বছর ধরে মেসোপটেমিয়া সভ্যতার (সুমের, আকাদ, ব্যাবিলন ইত্যাদি) প্রাণরেখা হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মাঝে অবস্থিত অঞ্চলকে বলা হয় মেসোপটেমিয়া, যার অর্থ “নদীর মাঝে ভূখণ্ড”।

উৎস: National Geographic Society ও ব্রিটানিকা
৩৫৬.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. গোবি মরুভূমি মঙ্গোলিয়ায় অবস্থিত
  2. মোজাবে মরুভূমি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত
  3. ভিক্টোরিয়া মরুভূমি অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত
  4. আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
সঠিক উত্তর:
আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতাকামা মরুভূমি পাকিস্তানে অবস্থিত
ব্যাখ্যা
⇒ গোবি মরুভূমি (Gobi Desert):
- গোবি মরুভূমি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান চীন ও মঙ্গোলিয়া এই দুই দেশে বিস্তৃত।
- এর আয়তন আনুমানিক ১৩ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।

⇒ ভিক্টোরিয়া মরুভূমি (Great Victoria Desert):
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- একে বলা হয় Great Victoria Desert।
- এটি ১৮৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান অনুসন্ধানকারী Ernest Giles একে মহারানী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে Great Victoria Desert নামকরণ করেন।
- এর আয়তন ৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বিশ্বের ৭ম বৃহৎ ও অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।

⇒ মোজাবে মরুভূমি:
- মোজাবে মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে অবস্থিত।
- কিছু অংশ নেবাদা, এরিজোনা, উতাহ অঙ্গরাজ্যে জুড়ে বিস্তৃত।
- মোজাবে মরুভূমির আয়তন ২৫০০০ বর্গ মাইল (৬৫০০০বর্গ কিমি)।

⇒ আতাকামা মরুভূমি:
- আতাকামা মরুভূমি চিলির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ থেকে ৭০০ মাইল (১০০০ থেকে ১১০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর সুনির্দিষ্ট সীমানা নির্ধারিত নয়, তবে এটি মূলত লোয়া নদীর দক্ষিণ বাঁক এবং সালাডো-কোপিয়াপো জলাধারের মধ্যবর্তী পর্বতমালার মধ্যে অবস্থিত।
- উত্তরে, মরুভূমি পেরুর সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত।

এছাড়াও -
⇔ কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি ও আর্জেন্টিনা,
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা,

উৎস: Britannica.
৩৫৭.
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে -
  1. ক) গেইসার
  2. খ) সবিরাম প্রস্রবণ
  3. গ) অবিরাম প্রস্রবণ
  4. ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উষ্ণ প্রস্রবণ
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে - উষ্ণ প্রস্রবণ।


উষ্ণ প্রস্রবণ (Hot Spring): 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিকভাবে বেরিয়ে আসা এক ধরনের উষ্ণ ঝর্নাধারা যার পানির তাপমাত্রা মানব দেহের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বক্রেশ্বর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েলোস্টোন পার্ক, নিউজিল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের দ্বীপসমূহ, আইসল্যান্ড, ইটালি ও জাপান উষ্ণ প্রস্রবণের জন্য বিখ্যাত। 
- বাংলাদেশে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পাহাড়িয়া অঞ্চলে আছে- উষ্ণ প্রস্রবণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫৮.
বালিশিরা ভ্যালি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:
- বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার
- ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)
- সাজেক ভেলী : রাঙামাটি
- হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা)
৩৫৯.
কোন নদীর ভারতীয় অংশের নাম বরাক?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা
বরাক নদী

- বরাক নদী (Barak River)  আসামের (ভারত) মহিপুর ও কাছাড় জেলায় সুরমা কুশিয়ারা নদীর উজান প্রবাহের নাম।
- বদরপুরের কাছে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে সিলেটের সমভূমিতে এসে এই শাখা দুটি আবার মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা সাধারণভাবে বরাক নদী হলেও স্থানভেদে কালনী, ভেড়ামোহনা, বলেশ্বর ও মেঘনা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩৬০.
'কংস' নদীর উৎপত্তিস্থল কোন পাহাড়ে?
  1. গারো পাহাড়
  2. লুসাই পাহাড়
  3. সীতা পাহাড়
  4. কংস পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা

• কংস নদী বা কংশ নদী বা কংসবতী নদী বা কংসাই নদী: 

- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। 
- ভারতের শিলং মালভূমির পূর্বভাগে তুরার কাছে গারো পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি। 
- উৎস থেকে দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হওয়ার পর শেরপুর জেলার উত্তর ভাগে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদরের প্রায় ১৬ কিমি উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। 
- সেখান থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে সোমেশ্বরী নদীতে মিশেছে। কংস ও সোমেশ্বরীর মিলিত স্রোত বাউলাই নদী নামে পরিচিত। 

• বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬১.
মেঘনা নদীর উপনদীগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত? 
  1. তিস্তা 
  2. আত্রাই 
  3. বাউলাই 
  4. করতোয়া 
সঠিক উত্তর:
বাউলাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউলাই 
ব্যাখ্যা

মেঘনা নদী: 
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এই নদীটি মূলত বরাক নদী থেকে উৎপন্ন হয়।
- বরাক নদী ভারতের পার্বত্য অঞ্চল থেকে জন্ম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- এই দুটি নদী সিলেট জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের সীমান্তে মারকুলীতে মিলিত হয়ে কালনী নামে পরিচিত হয়।
- এরপর ভৈরব বাজারের কাছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে নদীটি মেঘনা নাম ধারণ করে।

- মেঘনার উপনদীসমূহ হলো-
• বাউলাই, 
• ধলেশ্বরী,
• গোমতি,
• তিতাস,
• মনু,
• ফেনী।

উল্লেখ্য,
- মেঘনা নদী দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে পদ্মা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়।
- আরও দক্ষিণে এটি নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ভোলা দ্বীপের মধ্য দিয়ে মেঘনা লোয়ার নদী নামে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে।
- নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫০ মাইল।
-  নদীটি গভীর এবং প্রবাহ খুব দ্রুত, কখনও কখনও নিজস্ব চ্যানেল এবং বালির তীরে বিভক্ত হয়।
- সারা বছর নৌযান চলাচলের জন্য উপযোগী হলেও ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে বসন্তের জোয়ারে, যখন সমুদ্রের পানি প্রায় ২০ ফুট (৬ মিটার) উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।

উৎস:
১. জাতীয় তথ্য বাতায়ন;
২. Britannica.

৩৬২.
আফ্রিকার বৃহত্তম মিঠা পানির উৎস-
  1. সুপিরিয়র হ্রদ
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. বৈকাল হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা

• ভিক্টোরিয়া হ্রদ:
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ আফ্রিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির উৎস
- এই হ্রদটি কেনিয়া, তানজানিয়া এবং উগান্ডার মধ্যে অবস্থিত, যদিও তানজানিয়া সবচেয়ে বেশি জল ধারণ করে।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ বৃষ্টিপাত এবং নীল নদ সহ বেশ কয়েকটি নদী থেকে তার জল গ্রহণ করে। 
- এটি ২৬,৬০০ বর্গমাইল পৃষ্ঠভূমি জুড়ে বিস্তৃত, এর গভীরতম স্থানে এর গভীরতা ২৭২ ফুট এবং গড় গভীরতা ১৩০ ফুট। 
- এটি প্রায় ৬৬০ ঘনমাইল জল ধারণ করে।

এছাড়াও,
- বৈকাল হ্রদ: টি বিশ্বের গভীরতম হ্রদ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ হলো কাস্পিয়ান সাগর।
- উত্তর আমেরিকার সুপিরিয়র বিশ্বের বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৩৬৩.
Which of the following is the largest and the deepest ocean of the world?
  1. ক) Arctic
  2. খ) Atlantic
  3. গ) Pacific
  4. ঘ) Indian
সঠিক উত্তর:
গ) Pacific
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pacific
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস
৩৬৪.
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কোনটি?
  1. কাস্পিয়ান সাগর
  2. লেক সুপিরিয়র
  3. টিটিকাকা হ্রদ
  4. লেক আসাল
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা

বৃহত্তম হ্রদ:
- পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর যা একটি লবণাক্ত পানির হ্রদ
- এটি ককেশাস পর্বতমালার পূর্বে এবং মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি প্রায় ১২০০ কিমি দীর্ঘ এবং ৩২০ কিমি চওড়া।
- এটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত যার আয়তন প্রায় ৩.৭২ লক্ষ বর্গকিমি।
- ক্যাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের ল্যাকস্ট্রিন জলের ৪০ -৪৪% এর মধ্যে রয়েছে।
- তবে সর্বাধিক লবণাক্ত হ্রদ হলো জিবুতির লেক আসাল। 

অন্যদিকে,
- সুপিরিয়র বিশ্বের বৃহত্তর স্বাদুপানির হ্রদ যা উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- লেক আসাল পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত হ্রদ যা আফ্রিকার জিবুতিতে অবস্থিত।
- বলিভিয়া ও পেরু সীমান্তে অবস্থিত টিটিকাকা পৃথিবীর উচ্চতম হৃদ।
 
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৩৬৫.
সুয়েজ খালের খননকার্য শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৬ সালে
  2. খ) ১৮৫৯ সালে
  3. গ) ১৮৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়। ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র:- সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৩৬৬.
Dead Sea is a _____.
  1. Sea
  2. River
  3. Lake
  4. Canal
সঠিক উত্তর:
Lake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lake
ব্যাখ্যা
Dead Sea:
- ডেড সি হলো একটি লবণের হ্রদ।
- এটি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ইসরায়েল এবং জর্ডানের মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
⇒ Dead Sea এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অত্যন্ত উচ্চ লবণাক্ততা, যা এর পানি এমনভাবে অতি লবণাক্ত করে তোলে যে, এতে কোনো জীবন্ত প্রাণী বাস করতে পারে না, তাই এর নাম "মৃত সাগর"।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে নীচু স্থান, প্রায় ৪৩০ মিটার (১,৪১০ ফুট) সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নিচে।
- পানিতে মানুষ ডুবে গেলেও ডেড সি বা মৃত সাগর এমন একটি হ্রদ যেখানে কেউ ডুবে না।
- এর পানি এতটাই ঘণ যে ওই পানিতে কেউ চাইলে শুয়েও থাকতে পারে।
- এতে কোন মাছ উৎপাদন হয় না।
- এই হ্রদটি ইসরায়েল, পশ্চিমতীর ও জর্ডানের সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৩৬৭.
নিচের কোনটি নদী ভাঙ্গনের কারণ?
  1. ক) জলবায়ু পরিবর্তন
  2. খ) বৃক্ষ নিধন
  3. গ) নদীর গতিপথ পরিবর্তন
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নদীখাতে পানিপ্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদী ভাঙ্গন বলে। পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত বাংলাদেশে নদী ভাঙ্গনে প্রতিবছর প্রচুর ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়। অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটে। নদী ভাঙ্গনের কারণগুলো হলো- জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর প্রবাহপথ ও তীব্র গতিবেগ, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, নদীগর্ভে শিলার উপাদান, রাসায়নিক দ্রব্যের উপস্থিতি, বৃক্ষ নিধন, বাহিত শিলার কঠিনতা ও নদীগর্ভে ফাটলের উপস্থিতি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬৮.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর উৎপত্তিস্থল কোনটি?
  1. লেক টানা
  2. নেভাদো মিসমি পর্বত
  3. কাগেরা নদী
  4. লেক ভিক্টোরিয়া
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেক ভিক্টোরিয়া
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
৩৬৯.
ব্লাক ফরেষ্ট অবস্থিত-
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

ব্লাক ফরেষ্ট:
- ব্লাক ফরেষ্ট জার্মানির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য ব্যান্ডেন-ওরিটেমবার্গে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণ ও পশ্চিমে রাইন উপত্যকা।
- এ বনের দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি এবং প্রস্থ ৬০ কিমি।
- এটি পার্বত্য বনাঞ্চল। 
- এখান থেকে দানিয়ুব নদীর উৎপত্তি।

উল্লেখ্য,
- আমাজন বনকে বিশ্বের ফুসফুস বলা হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম সবুজ বনাঞ্চল হলো আমাজন। 
- আমাজন বনের ৬০% ব্রাজিলে, ১৩% পেরুতে, বাকি অংশ কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গায়ানা ও সুরিনামে অবস্থিত।
- টাংগাস ফরেষ্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা রাজ্যে অবস্থিত।
- সাইবেরিয়া রাশিয়াতে তৈগা হল বিশ্বের বৃহত্তম অরণ্য।
- বিশ্বের সর্বাধিক বনভূমির দেশ হল রাশিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩৭০.
What is Inuit?
  1. ক) Eskimo of Greenland
  2. খ) Freedom fighters of Albenia
  3. গ) Biggest mountain in the North Arctic
  4. ঘ) None of it
সঠিক উত্তর:
ক) Eskimo of Greenland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Eskimo of Greenland
ব্যাখ্যা
গ্রীনল্যান্ডের এস্কিমোদেরকে ইনুইট(ইন্যুট) বলা হয়। এরাই গ্রীনল্যান্ডের প্রধান অধিবাসী।
source: Britannica
৩৭১.
পৃথিবীর কোন নদীতে মাছ হয় না?
  1. ক) জাম্বেসি
  2. খ) জর্ডান
  3. গ) আমাজন
  4. ঘ) দানিয়ুব
সঠিক উত্তর:
খ) জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জর্ডান
ব্যাখ্যা
জর্ডান নদী:
- জর্ডান নদী মাউন্ট হারমোন থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- এটির দৈর্ঘ্য ৩৬০ কিলোমিটার।
- এটি পৃথিবীর যেকোনো নদীর তুলনায় এর উচ্চতা সবচেয়ে কম।
- নদীটি সিরিয়া ও লেবাননের সীমান্তে হারমন পর্বতের ঢালে উঠে গেছে এবং উত্তর ইস্রায়েলের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে গ্যালিল সাগরে।
- এই নদীতে কোন মাছ হয়না।

সুত্রঃ ব্রিটানিকা
৩৭২.
লাক্ষা দ্বীপের অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. লোহিত সাগর
  3. আরব সাগর
  4. বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
ব্যাখ্যা
• লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep):
- লাক্ষাদ্বীপ ভারতের একমাত্র প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ।
- ভারতের  ক্ষুদ্রতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- এটি আরব সাগরে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
- লাক্ষাদ্বীপের নামটি মালয়ালম ও সংস্কৃত ভাষায় "শত হাজার দ্বীপ" অর্থে ব্যবহৃত হয়। ​

→ দ্বীপের সংখ্যা:
- ৩৬টি দ্বীপ, যার মধ্যে ১২টি প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ (atoll)।
- ৩টি প্রবালপ্রাচীর (reef), এবং ৫টি নিমজ্জিত তীর রয়েছে।

→আবাসযোগ্য দ্বীপ:
- ১০টি দ্বীপে মানুষ বসবাস করে।
- রাজধানী: কবরাতি।

উল্লেখ্য,
 আরব সাগরে অবস্থিত দ্বীপ সমূহ:
- সেন্ট মেরির দ্বীপপুঞ্জ, নেত্রাণী দ্বীপ, সোত্রা দ্বীপ, লাক্ষাদ্বীপ, মাসিরাহ দ্বীপ, খুরিয়া মুরিয়া দ্বীপপুঞ্জ ।

উৎস: World Atlas & Britannica.
৩৭৩.
নিচের কোনটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ নয়?
  1. মার্গুই
  2. নিকোবর
  3. আবু মুসা
  4. আন্দামান
সঠিক উত্তর:
আবু মুসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু মুসা
ব্যাখ্যা

• আবু মুসা পারস্য উপসাগরের দ্বীপ।

• বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal):

- পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদী দ্বারা সৃষ্ট ব-দ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার থেকে আন্দামান-নিকোবর পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২১,৭২,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের অন্তর্ভুক্ত ৫৭২ টি দ্বীপ আছে৷
- তন্মধ্যে আন্দামান, নিকোবর, মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ অন্যতম৷।
-  ৫৭২টি দ্বীপের মধ্যে ৩৭টিতে অধিবাসী রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩৭৪.
নিচের কোনটির উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়?
  1. ক) অক্ষরেখা
  2. খ) মেরুবৃত্তীয় রেখা
  3. গ) দ্রাঘিমারেখা
  4. ঘ) বিষুবরেখা
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
- দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়।
- পুরো পৃথিবীকে মোট ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- মূল মধ্যরেখা বা ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে প্রমাণ সময় বিবেচনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখার পূর্বদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে যোগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- মূল মধ্যরেখার পশ্চিমদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে সময় বিয়োগ করে প্রমাণ সময় নির্ণয় করতে হয়।
- ১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৪১)
৩৭৫.
নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন দুই দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা 
  4. কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• নায়াগ্রা জলপ্রপাত:
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর সীমান্তে অবস্থিত।
- নায়াগ্রা নদী এই জলপ্রপাতটির মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

⇒ এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত জলপ্রপাত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৫১ মিটার (১৬৭ ফুট) এবং এটি প্রতি মিনিটে প্রায় ২,৮০০ ঘনমিটার পানি পতিত হয়।
- এটি মূলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটির নাম হলো হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এর পরের ফলসটির নাম আমেরিকান ফলস। অন্যটির নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাতের তিন ভাগের এক ভাগ আমেরিকায়। বাকি দুই ভাগ কানাডায়।

উল্লেখ্য,
- স্টবাক জলপ্রপাত: সুইজারল্যান্ড।
- অ্যাঞ্জেলস জলপ্রপাত: ভেনিজুয়েলা। 
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: জিম্বাবুয়ে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩৭৬.
কুমিল্লা জেলা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. গোমতী
  2. ডাকাতিয়া
  3. কাঁকরী নদী
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গোমতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোমতী
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা জেলা:
- কুমিল্লা জেলা ২৩°০১' থেকে ২৩°৪৭' ৩৬" উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯০°৩৯' থেকে ৯১°২২' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বিস্তৃত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা কুমিল্লা জেলা অতিক্রম করেছে।
- এই জেলার কিছু অংশ গঠিত হয়েছে প্লাবন ভূমি দ্বারা এবং কিছু অংশ পাহাড়ি বৈশিষ্ট্যময়, বাকি অংশ সমতলভূমি।
- এ জেলার অধিকাংশ এলাকার ভূ-তাত্ত্বিক গঠন হয়েছে প্লাইস্টোসিন ও হলোসীন বা বর্তমান যুগেই।

⇒ কুমিল্লা জেলা মেঘনা সমভূমি হতে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সমুদ্রতীর থেকে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশের গড় উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট, আর মেঘনা সমভূমির পশ্চিম ভাগের গড় উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট।
- সুতরাং জেলার এই সমভূমির ঢাল মৃদু এবং পশ্চিম দিকে কুমিল্লা শহরের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত, উত্তর-দক্ষিণে প্রলম্বিত লালমাই পাহাড় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নিম্ন জলাভূমি ব্যতীত সমগ্র সমভূমিটিকে সাধারণ ভাবে পশ্চিম-ঢাল সম্বলিত একটি সমতল ভূমি বলা যেতে পারে।

⇒ কর্কট ক্রান্তি রেখা কুমিল্লা জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করার জন্য এ জেলা ক্রান্তীয় অঞ্চলের অর্ন্তভূক্ত।

⇒ প্রাচীনকালে এটি সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল এবং পরবর্তীতে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়েছিল। 
- ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরবর্তী সময়ে ১৯৬০ সালে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ হয় ডেপুটি কমিশনার।
- ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।

⇒ নদ-নদী:
- কুমিল্লায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী রয়েছে।
- এখানে প্রধান নদী গোমতী।
- কুমিল্লা জেলা প্রধানত গোমতী নদীর তীরেই অবস্থিত।
- ডাকাতিয়া, কাঁকরী নামে আরো দুটি নদী ও রয়েছে।
- গোমতীর উৎপত্তি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ী এলাকায়।
- গোমতীর দৈর্ঘ্য ১৩০.১২২ কিলোমিটার।
- এটি কুমিল্লার সদর, বুড়িচং, ব্রা্হ্মণপাড়া, দেবিদ্বার, মুরাদনগর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দাউদকান্দি হয়ে মেঘনায় মিলেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭৭.
বর্তমানে বাংলাদেশে নদী বন্দর কয়টি?
  1. ৩৩ টি
  2. ৩৪ টি
  3. ৩৫ টি
  4. ৩৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশে নদী বন্দর ৩৫টি।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর বালাগঞ্জ, সিলেট।
- ৩৪ তম নদীবন্দর মীরসরাই রাসমতি নদীবন্দর।
- ৩৩ তম নদীবন্দর মেঘাইঘাট নাটুয়াপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বন্দর নারায়ণগঞ্জ।
উৎসঃ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।

৩৭৮.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর 'গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. উত্তর মহাসাগর 
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর 
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন ৬৩৮০০০০০ বর্গ মাইল।
- প্রশান্ত মহাসাগর গড় গভীরতা ১৪,০৪০ ফুট।
- প্রশান্ত মহাসাগর দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল থেকে উত্তরে আর্কটিক বৃত্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- পশ্চিমে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩৭৯.
নীলনদ কয়টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।

উৎস: Britannica.
৩৮০.
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের উল্লেখযোগ্য কোন দ্বীপটি আয়তনে সবচেয়ে বড়?
  1. হরমুজ
  2.  গেশম
  3. আবু মুসা
  4. খার্ক
সঠিক উত্তর:
 গেশম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 গেশম
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর :
-  পারস্য উপসাগর দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি ভূমধ্যসাগরীয় সাগর।
- এই উপসাগরটি ইরান ও আরব উপদ্বীপের মাঝে অবস্থিত। 
- এটি হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ওমান উপসাগরের সাথে যুক্ত।
- এর চারপাশে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ইউএই ও ওমানসহ আটটি দেশ অবস্থিত।
- ইরানের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ : গেশম, হরমুজ, বাহরাইন, আবু মুসা, এবং খার্ক/খার্গ এই উপসাগরে অবস্থিত।
- গেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালীর মধ্যে অবস্থান করে, যা তাকে ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে পৃথক করেছে।
- গেশম দ্বীপ  শুধু ইরানের নয়, সমগ্র পারস্য উপসাগরের বৃহত্তম দ্বীপ হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

উৎস : Britannica.com

৩৮১.
সাহারা মরুভূমিকে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে পৃথক করেছে-
  1. ক) এটলাস পর্বতমালা
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. গ) বেরিং প্রণালী
  4. ঘ) ডেভিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ক) এটলাস পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এটলাস পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

এটলাস পর্বতমালা আটলান্টিক মহাসগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সাহারা মরুভূমি হতে পৃথক করেছে।
আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী।
সূত্র: worldatlas.com

৩৮২.
কুক আইল্যান্ডস কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- কুক দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত নিউজিল্যান্ডের একটি স্ব-শাসিত দ্বীপ রাষ্ট্র।
- ইহা ১৫টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। 
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
      - মাইক্রোনেশিয়া
      - মেলানেশিয়া
      - পলিনেশিয়া
মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মাইক্রোনেশিয়া।
মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।
পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়া।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা )
৩৮৩.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা ট্রেজ।
- পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল-প্রাচীর 'গ্রেট বেরিয়ার রীফ' (Great Barrier Reef) প্রশান্ত মহাসাগরের অস্ট্রেলিয়ার উত্তরপূর্ব উপকূলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আটলান্টিক মহাসাগর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- উত্তর বা আর্কটিক মহাসাগর আয়তনে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর ও সর্বাপেক্ষা কম গভীর একটি মহাসাগর।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩৮৪.
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল কোথায়?
  1. গোয়ালন্দ
  2. ভৈরববাজার
  3. চিলমারি
  4. দেওয়ানগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
ভৈরববাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৈরববাজার
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর মিলনস্থল:
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল - ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ),
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল - গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী),
ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল - চিলমারি (কুড়িগ্রাম),
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার বিভক্তি হয়েছে - দেওয়ানগঞ্জে,
সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল - আজমিরিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৮৫.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটি কোন হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. টিটিকাকা হ্রদ
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. বৈকাল হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

⇒ নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তিস্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: Worldatlas.
৩৮৬.
মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা কত?
  1. ২৯,০৩২ ফুট
  2. ২৯,৩২০ ফুট
  3. ২৯,৩৪৮ ফুট
  4. ২৯,০২২ ফুট
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯,০৩২ ফুট
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic.
৩৮৭.
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কত?
  1. ৫০টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৮.
পদ্মা কোথায় যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুরের নিকট
  2. শরীয়তপুরের নিকট
  3. দৌলতদিয়ার নিকট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
ব্যাখ্যা
পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৩৮৯.
নদী অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় -
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) নদীসঙ্গম
  3. গ) খাঁড়ি
  4. ঘ) মোহনা
সঠিক উত্তর:
গ) খাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাঁড়ি
ব্যাখ্যা
 খাঁড়ি - নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় খাঁড়ি।

• নদী সম্পর্কিত:
- মোহনাঃ নদী যখন কোন হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
- দোয়াবঃ প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
- নদী উপত্যকাঃ উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদী উপত্যকা বলে।

উৎস:- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
৩৯০.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর নাম কী? 
  1. বলেশ্বর (পাবনা)
  2. ইছামতি
  3. বলেশ্বর (শেরপুর)
  4. গড়াই
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর (শেরপুর)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর (শেরপুর)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের নদ-নদী:
• ​বর্তমানে বাংলাদেশে নদ-নদীর (BWDB–এর হিসাবে) সংখ্যা হলো—১৪১৫টি।
• বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম—পদ্মা। দৈর্ঘ্য ৩৫১ কিমি।
• বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর নাম—বলেশ্বর। (শেরপুর) দৈর্ঘ্য ০.২ কিমি।

​- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - ঢাকা বিভাগে।
- এই বিভাগে নদীর সংখ্যা - ২২২ টি।
- সবচেয়ে বেশী নদী প্রবাহিত হচ্ছে - সুনামগঞ্জ জেলায় (৯৭টি)।
- সবচেয়ে বেশী জেলায় প্রবাহিত হচ্ছে- পদ্মা (১২টি)।
- সবচেয়ে বেশী উপজেলায় প্রবাহিত হচ্ছে - মেঘনা (৩৬টি)।

​উৎস: জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড।

৩৯১.
বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৪ টি
  2. ৫৭ টি
  3. ৫৯ টি
  4. ৭২ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে আন্তঃসীমান্ত নদী- ৫৭ টি।
• ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৫৪ টি।
• বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
• আন্তর্জাতিক নদী- ১ টি। (পদ্মা)

উৎস: যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ

৩৯২.
পদ্মানদীর প্রধান শাখা নদী কোনটি?
  1. তিস্তা
  2. আড়িয়াল খাঁ 
  3. করতোয়া
  4. আত্রাই
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়িয়াল খাঁ 
ব্যাখ্যা

• পদ্মানদীর শাখা নদী- ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি। 

• মহানন্দার উপনদী পুবর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।
• কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী হলো- কাপ্তাই, হালদা, কাসালায়ং, রাঙখিয়াং,
• যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম। 
• মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি ।

৩৯৩.
সিরাজগঞ্জ শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) পাদ্মা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
ব্যাখ্যা
সিরাজগঞ্জ শহর যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
৩৯৪.
কুষ্টিয়া কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) গড়াই
  2. খ) যমুনা
  3. গ) মধুমতি
  4. ঘ) সুরমা
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গড়াই
ব্যাখ্যা
নদী তীরবর্তী বিভিন স্থান: 
- পঞ্চগড়, বগুড়া - করতোয়া।
- রাজশাহী, ফরিদপুর - পদ্মা।
- সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল - যমুনা।
- কুষ্টিয়া - গড়াই।
- খুলনা - রূপসা।
- বাগেরহাট - মধুমতি।
- সিলেট, সুনামগঞ্জ  - সুরমা।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া - তিতাস।
- নারায়ণগঞ্জ - শীতলক্ষ্যা।
- বরিশাল - কীর্তন খোলা।
- বান্দরবান - সাঙ্গু।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৯৫.
পদ্মা কোথায় যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে?
  1. চাঁদপুরের নিকট
  2. শরীয়তপুরের নিকট
  3. দৌলতদিয়ার নিকট
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার নিকট
ব্যাখ্যা

• পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

৩৯৬.
'এডেন' সমুদ্রবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) জর্ডান
  4. ঘ) মরোক্ক
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সমুদ্রবন্দর: 
- ইরান: বন্দর আব্বাস, আবাদান।
- জর্ডান: আকাবা।
- মরোক্ক: ক্যাসাব্লাঙ্কা।
- ইয়েমেন: এডেন।
- ব্রাজিল: রিও ডি জেনিরো।
- জার্মানি: হামবুর্গ।
- ফিলিপাইন: ম্যানিলা, দাভাওসিটি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৯৭.
মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল কোন দেশে?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী হল উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৬২৭০ কি.মি.
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ। যা আমেরিকার মিনোসোটার রাজ্যে অবস্থিত।
অর্থাৎ মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- মিসিসিপি নদীর প্রশস্ত অংশ বেনা।


তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
 ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৩৯৮.
প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা-
  1. ত্রিভুজাকার
  2. ডিম্বাকার
  3. বৃত্তকার
  4.  গোলাকার 
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিভুজাকার
ব্যাখ্যা
• প্রশান্তমহাসাগর:
- প্রশান্তমহাসাগর পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এর আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- যা মহাসাগরগুলোর মোট আয়তনের ৪৭.২০ শতাংশ।
- অন্যদিকে, এ মহাসাগরের আয়তন পৃথিবীর মোট ভূ-ভাগের ৩৫%।
- এবং সমগ্র পৃথিবীর জলভাগের ৪৫%।
- প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা অসম ত্রিভুজের মতো।
- এর শীর্ষদেশ বেরিং প্রণালি থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে এশিয়া ও ওশেনিয়া পর্যন্তবিশাল ত্রিভুজ সৃষ্টি করেছে। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৯.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে কি বলে?
  1. নদীর উৎস
  2. নদীর মোহনা
  3. দোয়াব
  4. নদীসঙ্গম
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীসঙ্গম
ব্যাখ্যা

• নদী সম্পর্কিত বিভিন্ন পারিভাষিক শব্দ ও সংজ্ঞা:

১। নদীর উৎস (Source): নদীর উৎপত্তিস্থলকে নদীর উৎস বলে।

২। নদীর মোহনা (Mouth): নদী উৎপত্তি লাভ করে সাগর বা হ্রদের সাথে যে স্থানে মিলিত হয় সেই মিলিত স্থানকে নদীর মোহনা বলে।

৩। দোয়াব অঞ্চল: দুটি নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে দোয়াব অঞ্চল বলে।

৪। নদীসঙ্গম (Confluence): পার্বত্য অঞ্চলে প্রাথমিক অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নদীগুলো নিজ নিজ পথে প্রবাহিত হয়।
- এক সময় ঐ নদীগুলো একটি অপরটির সাথে মিলিত হয়।
- ফলে মিলিত স্রোতধারা ক্রমশ অধিকতর বড় হয়।
- এভাবে দুই বা ততোধিক নদীর মিলন স্থলকে নদীসঙ্গম বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০০.
ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কোনটি?
  1. ক) ব্রহ্মপুত্র
  2. খ) গঙ্গা
  3. গ) মাতামুহুরি
  4. ঘ) দুধকুমার
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধকুমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধকুমার
ব্যাখ্যা
আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers): আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে। এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।

অপশনগুলোর মধ্যে ভুটান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী - দুধকুমার

ভারতের  পশ্চিমবঙ্গ থেকে আগত রায়ডাক বা সংকোশ নদী পাটেশ্বরীর কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করে দুধকুমার নাম ধারণ করেছে। 
দুধকুমার নদীর উৎপত্তিস্থল তিব্বতের চুম্বি উপত্যকা থেকে।
বাংলাদেশে এই নদীর দৈর্ঘ - ৪৬ কি.মি.
ভারতের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ১০৮ কি.মি.
ভুটানের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ১১৩ কি.মি.
তাছাড়া চীনের অভ্যন্তরে এর দৈর্ঘ্য - ৩১ কি.মি.

সূত্র: যৌথ নদী কমিশনের ওয়েবসাইট।