বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

মোট প্রশ্ন১৭,৪৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

PrepBank · পাতা ১৬৫ / ১৭৪ · ১৬,৪০১১৬,৫০০ / ১৭,৪৩৭

১৬,৪০১.
'সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-
এই নদী নক্ষত্রের তলে
সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন -
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!' চরণগুলোর রচয়িতা কে?
  1. জসীম উদ্‌দীন 
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. বিষ্ণু দে
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

সেই দিন এই মাঠ
জীবনানন্দ দাশ

সেই দিন এই মাঠ স্তব্ধ হবে নাকো জানি-
এই নদী নক্ষত্রের তলে
সেদিনো দেখিবে স্বপ্ন -
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!
আমি চলে যাব বলে
চালতাফুল কি আর ভিজিবে না শিশিরের জলে
নরম গন্ধের ঢেউয়ে?
লক্ষ্মীপেঁচা গান গাবে নাকি তার লক্ষ্মীটির তরে?
সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে!
চারিদিকে শান্ত বাতি ভিজে গন্ধ মৃদু কলরব;
খেয়ানৌকোগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে;
পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;
এশিরিয়া ধলো আজ বেবিলন ছাই হয়ে আছে।

• 'সেইদিন এই মাঠ' কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের রূপসী বাংলা কাব্য থেকে সংকলিত হয়েছে।
সভ্যতা একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অন্যদিকে চলে তার বিনির্মাণ।
মরণশীল ব্যক্তিমানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, কিন্তু প্রকৃতিতে থাকে চিরকালের ব্যস্ততা।

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম ও দশম শ্রেণি, (২০২৫ সংস্করণ)

১৬,৪০২.
'গাজী মিয়া' নামে পরিচিত কোন লেখক?
  1. কাজীম আল কোরায়েশী
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. সৈয়দ আহমদ
  4. মীর মশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
'গাজী মিয়া' নামে পরিচিত লেখক মীর মশাররফ হোসেন।
- ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক মীর মশাররফ হোসেনের জন্ম ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায়।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১) ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র (১৮৬৩) মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।

-  তাঁর প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯)।

তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা হলো:
- গোরাই-ব্রিজ অথবা গৌরী-সেতু (১৮৭৩),
- বসন্তকুমারী নাটক (১৮৭৩),
- জমিদার দর্পণ (১৮৭৩),
- এর উপায় কি (১৮৭৫),
- বিষাদ-সিন্ধু (১৮৮৫-১৮৯১),
- সঙ্গীত লহরী (১৮৮৭),
- গো-জীবন (১৮৮৯),
- বেহুলা গীতাভিনয় (১৮৯৮),
- উদাসীন পথিকের মনের কথা (১৮৯০),
- তহমিনা (১৮৯৭),
- টালা অভিনয় (১৮৯৭),
- নিয়তি কি অবনতি (১৮৮৯),
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী (১৮৯৯),
- মৌলুদ শরীফ  (১৯০৩),
- হযরত ওমরের ধর্মজীবন লাভ (১৯০৫),
- মদিনার গৌরব (১৯০৬), বাজীমাৎ (১৯০৮),
- আমার জীবনী (১৯০৮-১৯১০),
- আমার জীবনীর জীবনী বিবি কুলসুম (১৯১০) ইত্যাদি।

- তাঁর অমর কীর্তি বিষাদ-সিন্ধু উপন্যাসে কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক কাহিনী বিবৃত হয়েছে। তবে অনেক ঘটনা ও চরিত্র সৃষ্টিতে উপন্যাসসুলভ কল্পনার আশ্রয়ও নেওয়া হয়েছে।
- তাঁর জমিদার দর্পণ নাটকটি ১৮৭২-৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সংঘটিত কৃষক-বিদ্রোহের পটভূমিকায় রচিত।

কিছু উল্লেখযোগ্য লেখকের ছদ্মনাম নিম্নরুপ- 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানুসিংহ
- প্রমথ চৌধুরী - বীরবল
- প্যারীচাঁদ মিত্র - টেকচাঁদ ঠাকুর
- কাজেম আল কোরায়েশী - কায়কোবাদ
- কালী প্রসন্ন সিংহ - হুতোম পেঁচা
- ফররুখ আহমদ - বানভট্ট
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় - বনফুল
- বিমল ঘোষ - মৌমাছি
- রাজশেখর বসু - পরশুরাম
- সমরেশ বসু - কাল্কূট
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় - নীল লোহিত

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪০৩.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সোমেন চন্দ
  2. সুকুমার রায়
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত উপন্যাস।
এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:

- তিনি একজন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি ১৯২২ সালে, ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু'।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪০৪.
'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ'- উক্তিটি কোন রচনার অন্তর্গত?
  1. চণ্ডালিকা
  2. সভ্যতার সংকট
  3. শিক্ষা
  4. মানুষের ধর্ম
সঠিক উত্তর:
সভ্যতার সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভ্যতার সংকট
ব্যাখ্যা

• 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ কথাটি 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে বলেছেন।

• সভ্যতার সংকট: 
- সভ্যতার সংকট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ রচনা।
- এই প্রবন্ধে ইউরোপীয় সভ্যতা ও ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের তীব্র সমালোচনা ও মানবতার প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশিত হয়েছে।
- 'ঐ মহামানব আসে' গানটি এই প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত।
- 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে তিনি বলেছেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৪০৫.
ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন -
  1. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. চণ্ডীচরণ মুনশী
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীচরণ মুনশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীচরণ মুনশী
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীচরণ মুনশী: 
- ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা বিভাগের অন্যতম অধ্যাপক।
- ১৮০৫ খ্রী. কাদির বখশ রচিত ফারসী গ্ৰন্থ ‘তুতীনামা’র বঙ্গানুবাদ করেন।
- গ্রন্থটি ‘তোতা ইতিহাস’ নামে প্রথমে শ্ৰীরামপুর মিশনারী প্রেস থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়।
- তার রচিত এই তোতা ইতিহাস একটি উপাখ্যান যা বাঙালা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।
- এতে মোট ৩৫ টি গল্প আছে।

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪০৬.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা কোনটি? 
  1. হুলিয়া
  2. সোনালি কাবিন
  3. স্মৃতিস্তম্ভ
  4. তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা
সঠিক উত্তর:
স্মৃতিস্তম্ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতিস্তম্ভ
ব্যাখ্যা
- স্মৃতিস্তম্ভ' আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা। 

মহান একুশে নিয়ে তাঁর একটি বিখ্যাত কবিতার কয়েক পংক্তি: 
স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো! যে-ভিৎ কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরার মুকুট নীল পরোয়া খোলা তলোয়ার
খরের ঝটিকা ধূলায় চূর্ণ যে-পদপ্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক, ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার।

অন্যদিকে, 
- 'হুলিয়া' নির্মলেন্দু গুণ-এর কবিতা। 
- ‘তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা' শহীদ কাদরী রচিত কবিতা। 
- ‘সোনালী কাবিন' কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)।
১৬,৪০৭.
হুমায়ুন আজাদের রচিত “সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে” কি ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. উপন্যাস
  3. কবিতা 
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
কবিতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিতা 
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন আজাদের  রচিত “সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে” এটি একটি কবিতা। 

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার সাহিত্যজীবনের শুরু হয় কাব্যরচনার মাধ্যমে।

কবিতা:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল, ইত্যাদি।

উপন্যাসসমূহ:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪০৮.
'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' কী ধরনের রচনা?
  1. ক) উপন্যস
  2. খ) ঐতিহাসিক নাটক
  3. গ) কবিতা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন আজাদঃ লেখক ও অধ্যাপক।
তার রচিত কবিতার বইগুলো হলোঃ
- অলৌকিক স্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি৷

উপন্যাস-
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ৷

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

যেহেতু, অপশনে কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই নেই; তাই সঠিক উত্তর হিসাবে ঘ) কোনটিই নয় ধরা হয়েছে।

১৬,৪০৯.
’শ্যামল ছায়া’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. জহির রায়হান
  3. জীবনান্দ দাশ
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

 হুমায়ূন আহমেদ :
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলায়।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

• হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র:
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪১০.
”কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী”- পঙ্‌ক্তিটি কোন কবিতার অন্তর্গত?
  1. উদাত্ত পৃথিবী
  2. কেয়ার কাঁটা
  3. তাহারেই পড়ে মনে
  4. মন ও পৃথিবী
সঠিক উত্তর:
তাহারেই পড়ে মনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহারেই পড়ে মনে
ব্যাখ্যা
• ”তাহারেই পড়ে মনে” কাবিতা।
- এটি সাঝোঁর মায়া কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত বেগম সুফিয়া কামাল রচিত কবিতা ।
- কতিাটি প্রকাশিত হয়- ১৯৩৫ সালে।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- ”কুহেলি উত্তরীতলে মাঘের সন্ন্যাসী”- পঙ্‌ক্তিটি এই কবিতার অন্তর্গত।

বেগম সুফিয়া কামাল:
- সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে। 
- তিনি নিজ চেষ্টায় হয়ে ওঠেন স্বশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত।
- বাড়িতে উর্দুভাষার চল থাকলেও নিজ উদ্যেগেই তিনি বাংলা ভাষা শিখে নেন।
- ১৯২৩ সালে তিনি রচনা করেন তাঁর প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’, যা বরিশালের তরুণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- মায়া কাজল ,
- মন ও জীবন ,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪১১.
'কলিকাতা কমলালয়' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) রমানন্দ চট্টোপাধ্যায়
  2. খ) ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
খ) ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'কলিকাতা কমলালয়' গ্রন্থের রচয়িতা ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- এটি ভবনীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গ্রন্থ।
- কলিকাতা কমলালয় প্রকাশিত হয় ১৮২৩ সালে।
- এ গ্রন্থে তিনি কলকাতার জীবনযাত্রার পরিচয় তুলে ধরেন বিশেষ করে নব্য ধনীদের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাত্রা। 
-----------------------

ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (১৭৮৭-১৮৪৮):
- লেখক, সাংবাদিক ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতার রক্ষণশীল হিন্দু সমাজের অন্যতম নেতা।
- রামমোহন রায়-সম্পাদিত সম্বাদ-কৌমুদী পত্রিকায় ১৮২১ সালের ডিসেম্বর মাস সাংবাদিকতার কাজ আরম্ভ করেন।
- তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে ১৮২৫ সালে প্রকাশিত নববাবুবিলাস এবং ১৮৩১ সালে নববিবিবিলাস অন্যতম।
- নববাবুবিলাস গ্রন্থে তিনি নব্যধনীদের অসংযমী জীবনযাত্রাকে বিদ্রূপবাণে বিদ্ধ করেন। 
- ভবনীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় উপন্যাস রচনা না করলেও, তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সৃজনশীল গদ্য লেখেন।
- তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে দূতীবিলাস (১৮২৫), শ্রীশ্রী গয়াতীর্থ (১৮৩১) এবং আশ্চর্য্য উপাখ্যান (১৮৩৫) উল্লেখযোগ্য।
- তার রচনার তীব্র বিদ্রূপ এবং রঙ্গব্যঙ্গ পাঠকদের আকৃষ্ট করে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪১২.
বাংলা নাটকের প্রথম অভিনয় কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. ১৮৩১ সালে
  2. ১৭৯৫ সালে
  3. ১৭৮৫ সালে
  4. ১৮৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা নাটকের উৎস ও বিকাশ:
- আঠারো শতকের শেষদিকে নেপালে বাংলা নাটক রচিত ও অভিনীত হয়।
- কিন্তু বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এসব একটা কৌতূহল ছাড়া অন্য কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি।
- বাংলা নাটকের প্রথম অভিনয় হয় ১৭৯৫ সালে।
- হেরাসিম লেবেডফ নামে একজন রুশদেশীয় আগন্তুক কলকাতায় প্রথম ‘বেঙ্গল থিয়েটার’ নামে একটি রঙ্গালয় স্থাপন করেন।
- তিনি 'The Disguise' এবং 'Love is the best Doctor' নামে দুখানা নাটক বাংলা ভাষান্তরিত করে এদেশীয় পাত্রপাত্রীর দ্বারা অভিনয় করান।
- এতে ভারতচন্দ্র রচিত গান সংযোজিত হয়েছিল।
- ১৮৩১ সালে প্রসন্নকুমার ঠাকুর কর্তৃক কলকাতায় ‘হিন্দু থিয়েটার’ নামক প্রথম বাংলা নাট্যাভিনয়ের উপযোগী রঙ্গমঞ্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর অংশের নাট্যরূপ অভিনীত হয়।
- বাংলা মৌলিক নাটক রচনার সূত্রপাত হয় ১৮৫২ সালে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৬,৪১৩.
'আগুন পাখি' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. হাসান আজিজুল হক 
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
হাসান আজিজুল হক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান আজিজুল হক 
ব্যাখ্যা

'আগুন পাখি' উপন্যাস:
- 'আগুন পাখি' হাসান আজিজুল হক রচিত উপন্যাস।
- 'আগুনপাখি' হাসান আজিজুল হকের পৈতৃক নিবাস বর্ধমানের একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ওই এলাকার মানুষের সংগ্রামী জীবন এবং বিভেদকামী রাজনীতি ও সাম্প্রদায়িকতার যথাযথ রূপায়ণ।
- মেঝ বউ চরিত্রটি উপন্যাসের মূল এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সুসংবদ্ধতার প্রতীকে পরিণত।

হাসান আজিজুল হক রচিত রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নামহীন গোত্রহীন,
- সমুদ্রের স্বপ্ন,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- শীতের অরণ্য,
- জীবন ঘষে আগুন,
- রোদে যাবো,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- পাতালে হাসপাতালে।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪১৪.
'তিনসঙ্গী' গল্পসংকলনের অন্তর্ভুক্ত গল্প নয় কোনটি?
  1. ল্যাবরেটরি
  2. রবিবার
  3. শাস্তি
  4. শেষকথা
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
ব্যাখ্যা
তিনসঙ্গী:
- 'তিনসঙ্গী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গল্প সংকলন।
- এটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনে লেখা তিনটি গল্প প্রকাশ পায় এ গ্রন্থে।
- গল্প তিনটি: রবিবার, শেষকথা, ল্যাবরেটরি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত আধুনিক নরনারীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪১৫.
শামসুজ্জামান খান রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রবন্ধ সংগ্রহ
  2. গ্রামবাংলার রঙ্গরসিকতা
  3. মাটি থেকে মহীরুহ
  4. শাশ্বত বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
মাটি থেকে মহীরুহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি থেকে মহীরুহ
ব্যাখ্যা
• শামসুজ্জামান খান রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'মাটি থেকে মহীরুহ'।
- গ্রন্থটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।

• শামসুজ্জামান খান:
- শামসুজ্জামান খান ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার চারিগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর মায়ের নাম শামসুন্নাহার খানম এবং বাবার নাম আবদুর রহমান খান।
- তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি’র মহাপরিচালক হন।
- তিনি অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার, কালুশাহ পুরস্কার, দীনেশচন্দ্র সেন ফোকলোর পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার , মীর মশাররফ হোসেন স্বর্ণপদক ইত্যাদি পুরস্কার ও পদকে ভূষিত হন।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা প্রসঙ্গ,
- গণসঙ্গতি,
- মাটি থেকে মহীরুহ,
- বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ প্রাসঙ্গিক কথকতা,
- ফোকলোরচর্চা।

• তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- ঢাকাই রঙ্গরসিকতা,
- গ্রামবাংলার রঙ্গরসিকতা,
- গ্রামবাংলার রঙ্গ গল্প।

• তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য:
- দুনিয়া মাতানো বিশ্বকাপ।

অপশন আলোচনা:
• প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধ গ্রন্থ- প্রবন্ধ সংগ্রহ।
• কাজী আবদুল ওদুদের প্রবন্ধ শাশ্বত বঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪১৬.
মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় কোনটি?
  1. এর উপায় কি?
  2. বসন্তকুমারী
  3. বিষাদ-সিন্ধু
  4. মহৎ জীবন
সঠিক উত্তর:
মহৎ জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহৎ জীবন
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় - মহৎ জীবন
- এটি ডা. মোঃ লুৎফর রহমান রচিত গ্রন্থ।

মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

তাঁর রচিত প্রহসন: 
- এর উপায় কি?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪১৭.
'মোহিনী এবং রজনী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. করুণা
  2. নৌকাডুবি
  3. চোখের বালি
  4. ঘরে-বাইরে
সঠিক উত্তর:
করুণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করুণা
ব্যাখ্যা
'করুণা' উপন্যাস:
- 'করুণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম উপন্যাস, কিন্তু গ্রন্থাকারে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস নয় (প্রথম উপন্যাসগ্রন্থের নাম 'বউ ঠাকুরানীর হাট')।
- মাসিক 'ভারতী' পত্রিকায় এক বছর ধরে (আশ্বিন-ভাদ্র ১২৮৪-৮৫) 'করুণা' উপন্যাসটি ছাপা হয়। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবৎকালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়নি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'জীবনস্মৃতি'তেও এই রচনার কোনো উল্লেখ করেন নি।
- পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত 'রবীন্দ্র রচনাবলি'তে (১৯৬১) 'করুণা' প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- সাতাশ পরিচ্ছেদ বিশিষ্ট এই উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মহেন্দ্র, মোহিনী, রজনী

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- বউ ঠাকুরানীর হাট,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- চতুরঙ্গ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৬,৪১৮.
"পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. শওকত আলী
  2. এস ওয়াজেদ আলী
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. শহীদুল্লা কায়সার
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লা কায়সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লা কায়সার
ব্যাখ্যা

• 'পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' ভ্রমণবৃত্তান্তের রচয়িতা শহীদুল্লা কায়সার। 
- প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে। 

শহীদুল্লা কায়সার (১৯২৭-১৯৭১) : 
- কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক শহীদুল্লা কায়সার ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ধারার সকল আন্দোলনের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
- বামপন্থী রাজনীতির সমর্থক হিসেবে তিনি শ্রমিক-জনতার দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য সক্রিয় সংগ্রামের ওপর গুরুত্ব দিতেন। 
-  ১৯৫২-র  ভাষা আন্দোলন-এ তিনি অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করেন এবং ৩জুন গ্রেফতার হয়ে প্রায় সাড়ে তিন বছর কারাভোগ করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি পুনরায় গ্রেফতার ও কারারুদ্ধ হন। ১৯৫৮ সালের ১৪ অক্টোবর সামরিক শাসক কর্তৃক তিনি পুনরায় গ্রেফতার হন এবং প্রায় চার বছর কারাভোগের পর ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি লাভ করেন।

- শহীদুল্লা কায়সারের প্রধান  উপন্যাস সারেং বউ (১৯৬২)-এ মানুষ ও তার অস্তিত্বের সংগ্রামের কথা বর্ণিত হয়েছে।
 তাঁর অন্যান্য উপন্যাস-
- সংশপ্তক (১৯৬৫),
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)
- রাজবন্দীর রোজনামচা (১৯৬২) 

- তাঁর স্মৃতিকথা ও ভ্রমণবৃত্তান্ত- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ (১৯৬৬) 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৪১৯.
সত্যজিৎ রায় সৃষ্ট জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র কোনটি?
  1. ব্যোমকেশ বক্সী
  2. ফেলুদা
  3. টেনিদা
  4. ঘনাদা
সঠিক উত্তর:
ফেলুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেলুদা
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র 'ফেলুদা' এর স্রষ্টা সত্যজিৎ রায়।

• ফেলুদা সিরিজ:
- ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্দেশ পত্রিকায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প ফেলুদার গোয়েন্দাগিরির প্রথমভাগ প্রকাশিত হয় যা পরের আরো দুইটি সংখ্যার মাধ্যমে শেষ হয়। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে।

- ফেলুদার প্রধান সহকারী তার খুড়তুতো ভাই তপেশরঞ্জন মিত্র ওরফে তোপসে ও লেখক লালমোহন গাঙ্গুলি (ছদ্মনাম জটায়ু)।
- ফেলুদার চরিত্র নির্মাণে সত্যজিৎ রায় তার ছোটবেলায় পড়া শার্লক হোমস এর গোয়েন্দা গল্পের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।

- তাই ফেলুদার চরিত্রের সাথে অনেক জায়গায় আমরা হোমসের আর ফেলুদার ভাই ও সহকারী তোপসের সাথে হোমসের সহকারী ওয়াটসনের মিল পাওয়া যায়। নিজের লেখা অধিকাংশ গল্পের বইয়ের মতই ফেলুদার বইতেও সত্যজিৎ রায় নিজেই প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করতেন।

অন্যদিকে,
- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসিদ্ধতম সৃষ্টি হলো গোয়েন্দা চরিত্র সত্যান্বেষী- ব্যোমকেশ বক্সী।
- 'টেনিদা' নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এক অমর সৃষ্টি।
- প্রেমেন্দ্র মিত্রের "মশা" একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনিমুলক ছোটগল্প যা তাঁর জনপ্রিয় চরিত্র ঘনাদার সঙ্গে জড়িত।

উৎস: 'ফেলুদা সিরিজ' এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

১৬,৪২০.
'খাইখাই' শিশুতোষ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) শওকত ওসমান
  2. খ) সুকুমার রায়
  3. গ) সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
আবোলতাবোল, হ-য-ব-র-ল, পাগলা দাশু, বহুরূপী, খাইখাই, ব্যাঙের সমুদ্র দেখা ইত্যাদি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত শিশুতোষ সাহিত্য। অতীতের কথা সুকুমার রায়ের কাব্য এবং হেসোরামের ডাইরী তাঁর রম্যরচনা।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
১৬,৪২১.
'জমিলা, মজিদ' কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. পদ্মানদীর মাঝি
  2. চরিত্রহীন
  3. লালসালু
  4. পল্লীসমাজ
সঠিক উত্তর:
লালসালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালসালু
ব্যাখ্যা
‘লালসালু’ উপন্যাস:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে। 
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ, খালেক ব্যাপারি, জমিলা, রহিমা, আমেনা, আক্কাস, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা প্রমুখ।
 
------------------------- 
⇒ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লা‘র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনুদিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।
---------------
অন্যদিকে, 
• পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্র:
- কুবের, কপিলা, মালা, ধনঞ্জয়, গণেশ, শীতলবাবু, হোসেন মিয়া ইত্যাদি।

• চরিত্রহীন উপন্যাসের চরিত্র:
-  সতীশ, সাবিত্রী, দিবাকর, কিরণময়ী।

• ‘পল্লীসমাজ’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র:
- রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪২২.
'আঠারো শতকের বাংলা চিঠি' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল ফজল
  2. আনিসুজ্জামান
  3. দীনেশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
আনিসুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• 'আঠারো শতকের বাংলা চিঠি' গ্রন্থটির রচয়িতা - আনিসুজ্জামান।

আনিসুজ্জামান:
- লেখক আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পান।
- এছাড়াও ২০১৪ সালে ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে,
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি,
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে,
- কাল নিরবধি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪২৩.
মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে মুনীর চৌধুরী কোন নাটকটি রচনা করেন?
  1. রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. কবর
  3. দণ্ডকারণ্য
  4. রূপার কৌটা
সঠিক উত্তর:
কবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবর
ব্যাখ্যা
• কবর নাটক:
- মুনীর চৌধুরী একাধারে একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সমালোচক ও বাগ্মী ছিলেন।
- তাঁর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত “কবর” একটি একাঙ্ক নাটক। 
- নাটকটি ১৯৫৩ সালে ঢাকা জেলে বসে তিনি রচনা করেন এবং রাজবন্দি দ্বারা অভিনীত হয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৬৬ সালে নাটকটি প্রথম প্রকাশ করা হয়।
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw  রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনা কেন্দ্র করে “কবর” নাটকটি লেখা হয়েছে।
 
মুনীর চৌধুরী:
- তিনি একজন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক ছিলেন।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
 
- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।
 
মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দন্ডকারণ্য।
 
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচন,  
- বাংলা গদ্যরীতি।
 
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪২৪.
প্রমথ চৌধুরী রচিত 'তেল নুন লকড়ি' কী জাতীয় গ্রন্থ?
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) গল্পগ্রন্থ
  3. গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. ঘ) ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪২৫.
'অশোক সৈয়দ' কোন লেখক ব্যবহৃত ছদ্মনাম?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. আবদুল মান্নান সৈয়দ
  3. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান সৈয়দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান সৈয়দ
ব্যাখ্যা
• আবদুল মান্নান সৈয়দ প্রথম জীবনে 'অশোক সৈয়দ' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

অন্যদিকে,
• সৈয়দ মুজতবা আলী এর ছদ্মনাম প্রিয়দর্শী।

---------------------
• আবদুল মান্নান সৈয়দ:
- আবদুল মান্নান সৈয়দ ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও সাহিত্য-সমালোচক। 
- তিনি ১৯৪৩ সালের ৩ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন।
- আবদুল মান্নান সৈয়দ ১৯৬০ সাল থেকে কবিতা লেখা শুরু করেন এবং পাঁচ দশক ধরে লেখা অব্যহত রাখেন। তাঁর প্রথম গ্রন্থ জন্মান্ধ কবিতাগুচ্ছ প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- আবদুল মান্নান সৈয়দ ছন্দ বিষয়ে বেশ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন। প্রবোধচন্দ্র সেন ও শহীদ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী ছিলেন তাঁর ছন্দবিষয়ক শিক্ষক।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পরিপ্রেক্ষিতের দাস-দাসী,
- শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি,
- অ-তে অজগর,
- পোড়ামাটির কাজ,
- ক্ষুধা প্রেম আগুন।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- সত্যের মতো বদমাশ,
- মৃত্যুর অধিক লাল ক্ষুধা,
- নেকড়ে হায়েনা আর তিন পরী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪২৬.
'রজনী' উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'রজনী' উপন্যাস:
- 'রজনী' (১৮৭৭) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। 
- উপন্যাসের নায়িকা রজনীর সঙ্গে লর্ড লিটন প্রণীত 'দি লাস্ট ডেজ অফ পম্পেই' নামক উপন্যাসের নিডিয়া চরিত্রের কিছুটা ঐক্য আছে। বিভিন্ন পাত্র-পাত্রীর জবানবন্দিতে এই উপন্যাস রচিত।

- এই রীতিটিও যে বঙ্কিম ইংরেজ ঔপন্যাসিক কার্লিনস অনুসরণে করেছেন তা তিনি ভূমিকায় জানিয়েছেন।

- বাংলা উপন্যাস গড়ে তুলবার জন্য এভাবেই পাশ্চাত্যের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। বঙ্কিমের অধিকাংশ উপন্যাসের মতোই এখানেও প্রেম ও আদর্শের সংঘাতই কাহিনির মূল উপজীব্য।

- 'রজনী'কে প্রকৃত উপন্যাস না বলে রোমান্স বলা হয়ে থাকে। কারণ এখানে বেশ কল্পদৃশ্যে ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬,৪২৭.
কোন উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়?
  1. ক) চোখের বালি
  2. খ) গোরা
  3. গ) যোগাযোগ
  4. ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো হলো :-
- চোখের বালি
- গোরা
- যোগাযোগ
- চতুরঙ্গ
- ঘরে -বাহিরে
- চার অধ্যায়
- মালঞ্চ
- দুইবোন

অন্যদিকে,
- কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিমচন্দ্র রচিত উপন্যাস।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

১৬,৪২৮.
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এর উপাধি কোনটি?
  1. কাব্যসুধাকর
  2. কাব্যকণ্ঠ
  3. কবিরত্ন
  4. স্বপ্নাতুর কবি
সঠিক উত্তর:
কাব্যকণ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যকণ্ঠ
ব্যাখ্যা
•  মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক 'কাব্যকণ্ঠ' উপাধি লাভ করেন।

অন্যদিকে,
কাব্যসুধাকর - গোলাম মোস্তফা।
স্বপ্নাতুর কবি - সৈয়দ ইসমাঈল হোসেন সিরাজী। 

• মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক:
- তিনি কবি, সাংবাদিক। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক 'কাব্যকণ্ঠ' উপাধি লাভ করেন।
- তিনি মোজাম্মেল হক লহরী (১৮৯৯), মোসলেম ভারত (১৯২০) ও শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন।

• তাঁর প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থগুলোর নাম:
- কুসুমাঞ্জলি,
- অপূর্বদর্শন,
- হযরত মুহাম্মদ,
- জাতীয় ফোয়ারা।

• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো নাম:
- জোহরা
- দরাফ খান গাজী।

• তাঁর রচিত গ্রন্থগুলোর নাম:
- ফেরদৌসী-চরিত
- মহর্ষি-মনসুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪২৯.
‘মা যে জননী কান্দে’ কোন ধরণের রচনা?
  1. ক) কাব্য
  2. খ) নাটক
  3. গ) উপন্যাস
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
ক) কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাব্য
ব্যাখ্যা
- ‘মা যে জননী কান্দে’ এক ধরনের কাব্য বা কাব্যগ্রন্থ।
- অনেকে এটিকে কাহিনী কাব্য হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে।
- এই গ্রন্থ সম্পর্কে কবি জসীমউদ্দীন বলেন, 'মা যে জননী কান্দে' বইখানায় এবং ইতিপূর্বে প্রকাশিত আমার ‘সখিনা' কাব্যে মাঝে মাঝে আমি গ্রাম্য গীত-কবিতার ছন্দ ব্যবহার করিয়াছি।
-এই ছন্দকে কেহ যেন প্রচলিত বাংলা পয়ার ছন্দ মনে করিবেন না। বাংলা পয়ার ছন্দে তেমন ধূনিবৈচিত্র্য নাই; কিন্তু গীতি-কবিতার ছন্দ যদিও পয়ারেরই দোসর, লোক-সাহিত্যে কবিরা ইচ্ছামতো শব্দ যোগ করিয়া ইহাতে নানা রকমের ধূনির সৃষ্টি করিয়াছেন । 

জসীমউদ্দীন 

- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- জসীমউদ্দীন সাহিত্যের নানা শাখায় কাজ করেছেন, যেমন গাথাকাব্য, খন্ডকাব্য, নাটক, স্মৃতিকথা,  শিশুসাহিত্য, গল্প-উপন্যাস ইত্যাদি। 
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

তাঁর প্রধান গ্রন্থগুলি হলো:
 
- নক্সী কাঁথার মাঠ
- সোজন বাদিয়ার ঘাট 
- রঙিলা নায়ের মাঝি
- মাটির কান্না
- সুচয়নী
- পদ্মা নদীর দেশে
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে
- পদ্মাপার
- বেদের মেয়ে 
উৎস: মা যে জননী কান্দে এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৩০.
'বিষের বাঁশি' কাজী নজরুল রচিত একটি—
  1. ক) গল্প
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) কাব্য
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাব্য
ব্যাখ্যা
বিষের বাঁশি:
১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (আগস্ট, ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই। সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে।
- এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার অন্তর্গত।
- কাজী নজরুলের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট হয়েছে।

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- বন্দী-বন্দনা,
- উদ্‌বোধন,
- উৎসর্গ,
- চরকার গান,
- জাতের বজ্জাতি,
- বন্দনা-গান,
- বিদ্রোহীর বাণী,
- যুগান্তরের গান,
- শিকল-পরার গান।

• কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ-
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৩১.
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণ কাহিনী কোনটি?
  1. ক) দেশান্তর
  2. খ) দেশে বিদেশে
  3. গ) জলে ডাঙ্গায়
  4. ঘ) পালামৌ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পালামৌ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পালামৌ
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় ভ্রমণ সাহিত্যের প্রথম রচয়িতা হল সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- তার রচিত গ্রন্থের নাম 'পালামৌ' (১৮৮০)।
- ছোটোনাগপুরের বিশেষ অঞ্চলের ভ্রমণকাহিনি।
- তিনি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভাই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৩২.
জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. সেইদিন এই মাঠ
  2. বেলা অবেলা কালবেলা
  3. সাতটি তারার তিমির
  4. রূপসী বাংলা
সঠিক উত্তর:
সেইদিন এই মাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেইদিন এই মাঠ
ব্যাখ্যা
• ‘সেইদিন এই মাঠ’ জীবনানন্দ দাশ রচিত একটি কবিতা।

- কবিতাটি রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থভুক্ত প্রথম কবিতা। ‘রূপসী বাংলা’ প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর পর, ১৯৫৭ সালে। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় ‘আবহমান বাংলা, বাঙালী’কে।
-  কবিতাগুলির গঠন সনেটের। এদের বিষয় বাংলার গ্রাম-প্রিকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান। এ কাব্যের একটি বিখ্যাত পঙক্তি হলো-

‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’

---------------------------
• জীবনানন্দ দাশ:

- জীবনানন্দ দাশ কবি ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।

জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৩৩.
'নেমেসিস' নাটকটির রচয়িতা-
  1. ক) সেলিম আল দীন
  2. খ) নুরুল মোমেন
  3. গ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. ঘ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নুরুল মোমেন
ব্যাখ্যা
'নেমেসিস' নাটকটির রচয়িতা- নুরুল মোমেন।

নুরুলমোমেন: 
-  নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটক শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে।
- 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত। 
- ১৯৪৮ সালে তাঁর 'বহুরূপা' নামে একটি রম্যরচনা প্রকাশিত হয়। 

তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত নাটক:
যদি এমন হতো 
নয়া খান্দান 
আলোছায়া 
আইনের অন্তরালে 
শতকরা আশি 
রূপলেখা 
যেমন ইচ্ছা তেমন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,৪৩৪.
'আনোয়ার পাশা' নাটকটির রচয়িতা-
  1. সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
  2. ইব্রাহীম খাঁ
  3. কাজী আবদুল ওদুদ
  4. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহীম খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহীম খাঁ
ব্যাখ্যা
• 'আনোয়ার পাশা' নাটকটির রচয়িতা- 'ইব্রাহীম খাঁ'। 

প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ: 

- প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ ১৮৯৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর স্মৃতিকথা বাতায়ন সমকালের মুসলিম সমাজের একটি বিশস্ত দলিল হিসেবে বিবেচিত।
- তিনি ব্রিটিশ আমলে ‘খান সাহেব’ ও ‘খান বাহাদুর’ এবং পাকিস্তান আমলে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

• নাটক, গল্প, উপন্যাস, শিশুসাহিত্য, ভ্রমণকাহিনী ও স্মৃতিকথা মিলে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা ২১টি।
সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: 
- 'কামাল পাশা,
- আনোয়ার পাশা,
- ঋণ পরিশোধ,
- আলু বোখরা,
- ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৩৫.
‘নরকে লাল গোলাপ ’ – নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আহসান হাবিব
  2. খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. গ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
  4. ঘ) আবদুল কাদির
সঠিক উত্তর:
খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন আল আজাদ নাটকঃ মরক্কোর জাদুঘর, মায়াবী প্রহর, ধন্যবাদ, নিঃশব্দ যাত্রা, নরকে লাল গোলাপ, হিজল কাঠের নৌকা, সংবাদ শেষাংশ। রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
১৬,৪৩৬.
মহাকবি 'কায়কোবাদ' এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) কুসুমকানন
  2. খ) শিবমন্দির
  3. গ) বিরহ বিলাপ
  4. ঘ) মহাশ্মশান
সঠিক উত্তর:
গ) বিরহ বিলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিরহ বিলাপ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। 
- কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ বিলাপ’। 
- কবি বলেছেন ‘আমি যখন বার বৎসর বয়স্ক বালক সেই সময় আমার বিরহ- বিলাপ  নামক ক্ষুদ্র কাব্য প্রকাশিত হয়।’ 
- কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ  ‘মহাশ্মশান’ 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড.সৌমিত্র শেখর
১৬,৪৩৭.
নিচের কোনটি নাটক নয়?
  1. ক) উজানে মৃত্যু
  2. খ) বহিপীর
  3. গ) তরঙ্গভঙ্গ
  4. ঘ) নয়নচারা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নয়নচারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নয়নচারা
ব্যাখ্যা
নয়নচারা, দুই তীর, গল্পসমগ্র সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ছোটগল্প। বহিপীর, তরঙ্গভঙ্গ, সুড়ঙ্গ, উজানের মৃত্যু ইত্যাদি তাঁর রচিত নাটক এবং লালসালু, কাঁদো নদী কাঁদো ও চাঁদের অমাবস্যা তাঁর রচিত উপন্যাস।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৬,৪৩৮.
‘ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল’ উপন্যাসটি কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. গণঅভ্যুত্থান
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. সামরিক আইন জারী
সঠিক উত্তর:
সামরিক আইন জারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক আইন জারী
ব্যাখ্যা
'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- 'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস। 
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধেদিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- বাংলাদেশে সামরিক আইন জারীর প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাসটি ১৯৯৪ সালে ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- একটি খুনের স্বপ্ন। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং 'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস।
১৬,৪৩৯.
'জালি লাউয়ের ডগার মতোন বাহু দু'খান সরু' কার সম্বন্ধে বলা হয়েছে?
  1. সাজু
  2. রূপাই
  3. দুখী
  4. সোজন
সঠিক উত্তর:
রূপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপাই
ব্যাখ্যা
• উদ্ধৃত লাইনটি পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের কাহিনিকাব্য 'নক্সীকাঁথার মাঠ' থেকে সংগৃহীত। পঙ্‌ক্তিটিতে নায়ক রূপাই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

--------------------
• নক্সী কাঁথার মাঠ:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য/কাহিনিকাব্য।এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

--------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৪০.
'অশ্রুমালা' কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) মহাকাব্য
  2. খ) গীতিকাব্য
  3. গ) কাব্যনাট্য
  4. ঘ) গাঁথাকাব্য
সঠিক উত্তর:
খ) গীতিকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গীতিকাব্য
ব্যাখ্যা

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি - কায়কোবাদ। তার প্রকৃত নাম - কাজেম আল কোরেশী।
তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - 'বিরহ-বিলাপ'
তার অন্যান্য রচনা -
মহাকাব্য - মহাশ্মশান (১৯০৫)
গীতিকাব্য - অশ্রুমালা (১৮৯৫)
এছাড়াও তিনি -
কুসুমকানন, শিবমন্দির, অমিয়ধারা ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬,৪৪১.
'মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ' প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. আশরাফ সিদ্দিকী
  2. এস ওয়াজেদ আলি
  3. মুহম্মদ আবদুল হাই
  4. মুহম্মদ এনামুল হক
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলি
ব্যাখ্যা
• 'মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ' প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা - এস ওয়াজেদ আলি

এস ওয়াজেদ আলি:  
- প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনি রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলি ১৮৯০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শ্রীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তিনি ১৯১৯ সালে 'Bulletin of the Indian Rationalistic Society' নামে একটি ইংরেজি জার্নাল এবং ১৯৩২ সালে 'গুলিস্তাঁ' নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।
- ১৯২৫ সালে তাঁর ছোটোগল্প ’রাজা’ ইসলাম দর্শন এ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'গুলদাস্তা' (১৯২৭)। এটি একটি গল্পগ্রন্থ। 
- লেখক হিসেবে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, রম্যরচনা ও ভ্রমণকাহিনি রচনায় তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- জীবনের শিল্প,
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য,
- ভবিষ্যতের বাঙালি,
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা,
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৪২.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক বলা হয় কাকে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আহমদ ছফা
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. ইমদাদুল হক মিলন
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন একজন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যরচয়িতা৷
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার 'মীর মশাররফ হোসেন'।
- তাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক বলা হয়।
- তাঁর রচিত প্রথম গ্রন্থ হলো 'রত্নাবতী'।
- তাঁর রচিত একমাত্র প্রহসন : 'এর উপায় কি?'

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী ,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৪৩.
‘উত্তরাধিকার’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শহীদ কাদরী
  2. সমরেশ মজুমদার
  3. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  4. শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
সমরেশ মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমরেশ মজুমদার
ব্যাখ্যা
• ‘উত্তরাধিকার’ উপন্যাস:
- ‘উত্তরাধিকার’ সমরেশ মজুমদার রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কাহিনির শুরু উত্তরবঙ্গের একটি চা-বাগানের পটভূমিকায়। ১৯৪৭ সালের পনেরই আগস্টে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা দিবস উৎযাপনের সময় অনিমেষ নামে একটি কিশোর প্রথম শুনেছিল 'বন্দেমাতরম্' শব্দটি। শব্দটির অর্থ পুরোপুরি উপলব্ধি করতে না পারলেও তার ধ্বনি-ব্যঞ্জনা তার মনকে নাড়া দিল।
- এই কাহিনি সেদিনকার সেই কিশোর তরুণ অনিমেষের আত্ম-অনুসন্ধানের কাহিনি, আত্ম-জিজ্ঞাসার কাহিনি।
- ১৯৮৪ সালে অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন উত্তরাধিকার উপন্যাসের নায়ক অনিমেষের মধ্য জীবন-পর্বের কাহিনিটি।

অন্যদিকে,
- 'উত্তরাধিকার' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- 'শহীদ কাদরী'।

--------------------------
• সমরেশ মজুমদার:
- সমরেশ মজুমদারের জন্ম ২৬ ফাল্গুন, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ।
-  প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প 'দেশ' পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে।
- প্রথম উপন্যাস 'দৌড়'। প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে 'দেশ' পত্রিকায়।
- 'দৌড়' চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও ১৯৮৪ সালে 'কালবেলা' উপন্যাস রচনার জন্য পেয়েছেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার।
 
তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ হলো:
- দৌড়,
- এই আমি রেণু,
- উত্তরাধিকার, 
- বন্দীনিবাস,
- বড় পাপ হে,
- উজান গঙ্গা,
- বাসভূমি,
- লক্ষ্মীর পাঁচালি,
- উনিশ বিশ,
- সওয়ার,
- কালবেলা ইত্যাদি।
 
উৎস: ‘উত্তরাধিকার’ উপন্যাস সমরেশ মজুমদার এবং ‘অনেকেই একা’ সমরেশ মজুমদার।
১৬,৪৪৪.
নিচের কোনটি উপন্যাস?
  1. নেমেসিস
  2. ছাড়পত্র
  3. চোখের বালি
  4. বলাকা
সঠিক উত্তর:
চোখের বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের বালি
ব্যাখ্যা
• 'চোখের বালি'  উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন। এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্ত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্খা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্রর স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- বিনোদিনী,
- মহেন্দ্র,
- আশালতা,
- বিহারী,
- রাজলক্ষী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• নুরুল মোমেনের শ্রেষ্ঠ নাটক নেমেসিস। ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৪৪ সালে রচনা করা হয় এই নাটক।
• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ 'ছাড়পত্র'। 
• 'বলাকা'- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ।

উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও চোখের বালি উপন্যাস, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৪৫.
কোনটি জসীমউদ্‌দীনের কাব্য নয়?
  1. ক) মানসী
  2. খ) মাটির কান্না
  3. গ) এক পয়সার বাঁশি
  4. ঘ) রাখালী
সঠিক উত্তর:
ক) মানসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানসী
ব্যাখ্যা

'মানসী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যৌবনকালে রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো নকসী কাঁথার মাঠ, রাখালী, বালুচর, ধানক্ষেত, রূপবতী, মাটির কান্না ইত্যাদি। তার শিশুতোষ গ্রন্থগুলো হলো হাসু, এক পয়সার বাঁশি ও ডালিম কুমার।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।

১৬,৪৪৬.
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মারা যান?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।
- ২৯শে বৈশাখ ১৩৫৪ বঙ্গাব্দে মাত্র একুশ বছর বয়সে কবি মৃত্যুবরণ করেন। 

সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- হরতাল,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬,৪৪৭.
'মে দিবস' নাটকের রচয়িতা কে?
  1. নুরুল মোমেন
  2. নির্মলেন্দু গুণ
  3. বিজন ভট্টাচার্য
  4. মামুনুর রশীদ
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা
• 'মে দিবস' নাটকের রচয়িতা - মামুনুর রশীদ
- এটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়।

মামুনুর রশীদ:
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান৷

তাঁর রচিত নাটক:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৪৮.
'মনীষা মঞ্জুষা' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ড. মুহম্মদ এনামুল হক
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  4. ড. মুহাম্মদ আবদুল হাই
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ এনামুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা
• 'মনীষা মঞ্জুষা' গ্রন্থ:
- 'মনীষা মঞ্জুষা' মুহম্মদ এনামুল হকের একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ, যেখানে সাহিত্য, সংস্কৃতি, দর্শন, এবং সমাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- গ্রন্থটিতে মুহম্মদ এনামুল হক বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্য, মধ্যযুগীয় সাহিত্য, ভাষার বিবর্তন, এবং সমসাময়িক সাহিত্যিক প্রবণতার উপর আলোকপাত করেছেন। এছাড়াও, বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ রয়েছে।

--------------------
• মুহম্মদ এনামুল হক:

- মুহম্মদ এনামুল হক ১৯০২ সালে বর্তমান চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণায় অন্যতম প্রধান পন্ডিত ব্যক্তি।
- মুহম্মদ এনামুল হক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাস এবং বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ে দুরূহ গবেষণা কর্মে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
- ১৯২৯ হতে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেয়ে এনামুল হক অধ্যাপক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে গবেষণা করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল 'History of Sufism in Bengal'।
- বাংলা একাডেমি তাঁর নামে 'মুহম্মদ এনামুল হক সাহিত্য পদক' প্রচলন করে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

মুহম্মদ এনামুল হক রচিত গ্রন্থ:
- আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য,
- মনীষা মঞ্জুষা,
- ঝর্ণাধারা (১৯২৮, কবিতা সংকলন),
- বঙ্গে সূফী প্রভাব (১৯৩৫),
- ব্যাকরণ মঞ্জুরি (১৯৫২)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; 'মনীষা মঞ্জুষা' গ্রন্থ।
১৬,৪৪৯.
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) রজনীকান্ত সেন
সঠিক উত্তর:
গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক গীতি কবিতা রচনা করেন বিহারীলাল চক্রবর্তী। এজন্যে তাকে বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার জনক বলা হয়। রবীন্দ্রনাথ তার ভাবশিষ্য ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ তাকে ভোরের পাখি হিসেবে অভিহিত করেন৷ বঙ্গসুন্দরি (১৮৭০) তার প্রথম সার্থক গীতিকবিতার গ্রন্থ। তবে তার শ্রেষ্ঠ গীতিকবিতা গ্রন্থ হলো সারদা মঙ্গল (১৮৭৯) । (সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১৬,৪৫০.
‘নদী ও নারী’ উপন্যাসে কোন নদী ও পরিবেশের চিত্র ফুটে উঠেছে?
  1. পদ্মা নদী
  2. তিতাস নদী
  3. যমুনা নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী
ব্যাখ্যা
নদী ও নারী:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির। 
- ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৫১.
'জলপাইহাটি ও মাল্যবান' উপন্যাসদ্বয় কার রচনা?
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• "জলপাইহাটি" উপন্যাস:
'জলপাইহাটি' জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস। উপন্যাসের মূল দুই চরিত্র পিতা নিশিথ ও পুত্র হারীত। এই হারীত চরিত্রকে ঘিরেই কাহিনি সামনের দিকে এগিয়েছে। উপন্যাসে জলপাইহাটিকে ঘিরে হারীতে বেড়ে ওঠা, উপার্জনের খোঁজে দূরে যাওয়া, হারীতের সাথে অর্চনার পরিচয়ের মধ্য দিয়ে জীবন যৌবনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতি, প্রেমের উজ্জীবন পরিলক্ষিত হয়।

• "মাল্যবান" উপন্যাস:
'মাল্যবান' (১৯৭৩) জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস। উপন্যাসটি লেখা হয়েছিল সম্ভবত ১৯৪৮ সালে, প্রকাশিত হয় জীবনানন্দের মৃত্যুর অনেক দিন পরে।
বাংলা সাহিত্যের মূল কাহিনি বর্ণনার ধারা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এই উপন্যাসটি। দাম্পত্য জীবনের এক নিষ্ঠুর কাহিনি। সম্পর্কের জটিলটা এবং পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা বোধ এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।

-----------------
ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে জীবনানন্দের স্বতন্ত্র প্রতিভা ও নিভৃত সাধনার উন্মোচন ঘটে মৃত্যুর পরে প্রাপ্ত অসংখ্য পাণ্ডলিপিতে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- 
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ,
- জলপাইহাটি,
- জীবনপ্রণালী,
- বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।

• কবিতার কথা (১৯৫৫) নামে তাঁর একটি মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং "জলপাইহাটি" ও "মাল্যবান" উপন্যাস। 
১৬,৪৫২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত "বাংলাদেশ" কবিতাটি কার রচনা? 
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. আনোয়ার পাশা
  4. আহমদ ছফা
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত "বাংলাদেশ" কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর রচনা।  

অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী' (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।
- তিনি 'বাংলাদেশ' কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচনা করেন।
- তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে।
- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে 'দেশিকোত্তম' (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার 'পদ্মভূষণ' (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৫৩.
"ব্যাধি সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়" উক্তি টি কার?
  1. লুৎফর রহমান
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. বীরবল
  4. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
সঠিক উত্তর:
বীরবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরবল
ব্যাখ্যা
"ব্যাধি সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়" উক্তি টি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর(বীরবল)। 

প্রমথ চৌধুরী, (১৮৬৮-১৯৪৬)
 
সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে।
- পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার। 
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন।
- তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।
- তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা হলো বিশ্বভারতী (১৩৪৯-৫০), রূপ ও রীতি (১৩৪৭-৪৯) এবং অলকা।
তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬),
- সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩),
- চার-ইয়ারি কথা (১৯১৬),
- বীরবলের হালখাতা (১৯১৬),
- The Story of Bengali Literature (১৯১৭),
- পদচারণ (১৯১৯),
- রায়তের কথা (১৯২৬),
- নীললোহিত (১৯৩২) ও
- আত্মকথা (১৯৪৬)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৫৪.
'মরমী কবি ' কাকে বলা হয়?
  1. ক) হাছন রাজা
  2. খ) সৈয়দ সুলতান
  3. গ) জসীমউদ্দীন
  4. ঘ) কায়কোবাদ
সঠিক উত্তর:
ক) হাছন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাছন রাজা
ব্যাখ্যা

দেওয়ান হাসন রাজা (২১ ডিসেম্বর, ১৮৫৪ - ৬ ডিসেম্বর, ১৯২২) - (বাংলা- ৭ পৌষ,১২৬১ - ২২ অগ্রহায়ণ,১৩২৯) বাংলাদেশের একজন মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী। তাঁর প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রাজা। মরমী সাধনা বাংলাদেশে দর্শনচেতনার সাথে সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়েছে। অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতে লালন শাহ্‌ এর প্রধান পথিকৃৎ।
লোকে বলে বলেরে, ঘর বাড়ি ভালা নায় আমার
কি ঘর বানাইমু আমি, শূন্যের-ই মাঝার
ভালা করি ঘর বানাইয়া, কয় দিন থাকমু আর
আয়না দিয়া চাইয়া দেখি, পাকনা চুল আমার।
-হাসন রাজা।
তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গান হলো 'মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়ারে', 'আঁখি মুঞ্জিয়া দেখ রূপরে', 'সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল', 'মরণ কথা স্মরণ হইল না হাছন রাজা তোর', 'আমি যাইমুরে যাইমুরে আল্লার সঙ্গে', 'কানাই তুমি খেইর খেলাও কেনে', 'একদিন তোর হইব রে মরন রে হাসন রাজা'।

১৬,৪৫৫.
“ব্যথার দান” কী ধরনের গ্রন্থ?
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) গল্পগ্রন্থ
  4. ঘ) রম্যরচনা।
সঠিক উত্তর:
গ) গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

ব্যথার দান” কাজী নজরুল ইসালামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ
- ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হয়।
- গল্পগ্রন্থ ছাড়া এটিই নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।

এই গ্রন্থে মোট গল্প রয়েছে ছয়টি।
- ব্যথার দান
- হেনা
- অতৃপ্ত কামনা
- বাদল-বরিষণে
- ঘুমের ঘোরে
- রাজবন্দীর চিঠি।

- রিক্তের বেদন, শিউলিমালা তাঁর আরো দুইটি গল্পগ্রন্থ।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬,৪৫৬.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক কোন সাহিত্যিক?
  1. ক) এস ওয়াজেদ আলি
  2. খ) কাজী আব্দুল ওদুদ
  3. গ) আহমদ শরীফ
  4. ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) আহমদ শরীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গবেষক ছিলেন আহমদ শরীফ।
- শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, লেখক আহমদ শরীফ  ১৯২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি  চট্টগ্রাম জেলার  পটিয়া উপজেলার সুচক্রদন্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

- অধ্যাপক শরীফ মধ্যযুগের চল্লিশোর্ধ্ব কাব্যের পুথি সম্পাদনা করেছেন।
- সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: আলাওলের তোহফা (১৯৫৮) ও সিকান্দরনামা (১৯৭৭), মুহম্মদ খানের সত্য-কলি-বিবাদ-সংবাদ (১৯৫৯), মুসলিম কবির পদসাহিত্য (১৯৬১), জয়েনউদ্দীনের  রসুলবিজয় (১৯৬৪), মুজাম্মিলের নীতিশাস্ত্রবার্তা (১৯৬৫), মধ্যযুগের রাগতালনামা (১৯৬৭), বাঙলার সূফীসাহিত্য (১৯৬৯), আফজল আলীর নসিহতনামা (১৯৬৯), বাউলতত্ত্ব (১৯৭৩), সৈয়দ সুলতানের  নবীবংশ,  রসুলচরিত (১৯৭৮) ইত্যাদি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা ও পুথি গবেষণাসূত্রে অধ্যাপক শরীফ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বিশিষ্টতা অর্জন করেন এবং এ ক্ষেত্রে বিশেষ খ্যাতির অধিকারী হন।
- তিনি তাঁর গবেষণা ও ইতিহাস পর্যালোচনার মাধ্যমে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানদের অবদানের যথার্থ পরিচয় তুলে ধরেন।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রণয়নে অধ্যাপক শরীফের অনন্যতা এখানে যে, তিনি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকল বাঙালির সাধনাকেই অসাম্প্রদায়িক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করেছেন।
- ফলে তাঁর বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য (দুখন্ড ১৯৭৮, ১৯৮৩) মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থের মর্যাদা লাভ করেছে।
- এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা। 
- মধ্যযুগের সাহিত্য বিষয়ে তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সৈয়দ সুলতান: তাঁর গ্রন্থাবলী ও তাঁর যুগ (১৯৭২), মধ্যযুগের সাহিত্যে সমাজ ও সংস্কৃতির রূপ (১৯৭৭) ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য (১৯৮৫)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৫৭.
'সেঁজুতি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
'সেঁজুতি' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যের অধিকাংশ কবিতাই কবির মৃত্যু সম্পর্কে ভাবনা এবং পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা রয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সেঁজুতি কাব্যগ্রন্থে ২২টি কবিতা রয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৫৮.
কোন লেখকের ছদ্মনাম 'কালপুরুষ'?
  1. রাজশেখর বসু
  2. সুবোধ ঘোষ
  3. বিমল ঘোষ
  4. বিমল মিত্র
সঠিক উত্তর:
সুবোধ ঘোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবোধ ঘোষ
ব্যাখ্যা
• ‘সুবোধ ঘোষ’ এর ছদ্মনাম - কালপুরুষ

অন্যদিকে,
- বিমল মিত্র জাবালি ছদ্মনামে লিখতেন।
- বিমল ঘোষ এর ছদ্মনাম - মৌমাছি৷
- রাজশেখর বসু এর ছদ্মনাম - পরশুরাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৫৯.
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. নাটক 
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. প্রবন্ধ 
  4. ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

• 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' আহসান হাবীব রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।   

----------------------
• আহসান হাবীব:
- আহসান হাবীব ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- আহসান হাবীব আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরু বাল্যকাল থেকেই। সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।

- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র। এভাবেই তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরু।

- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই 'রাত্রিশেষ' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 
- মধ্যবিত্তের সংকট ও জীবনযন্ত্রণা আহসান হাবীবের কবিতার মুখ্য বিষয়। সামাজিক বাস্তবতা, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সংগ্রামী চেতনা এবং সমকালীন যুগযন্ত্রণা তাঁর কবিতায় শিল্পসম্মতভাবে পরিস্ফুটিত হয়েছে। তাঁর ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিতে নাগরিক মননের ছাপ আছে।

- সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১), বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬১), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪), নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), একুশে পদক (১৯৭৮), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০) এবং আবুল কালাম স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৪) লাভ করেন।

• আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- আশায় বসতি,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দুহাতে দু আদিম পাথর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।

• তাঁর দুটি বিশিষ্ট উপন্যাস হলো:
- অরণ্য নীলিমা ও
- রাণীখালের সাঁকো।

• তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ: 
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, 
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৬০.
মুনীর চৌধুরী রচিত 'কেউ কিছু বলতে পারে না' একটি -
  1. ক) অনুবাদ গল্প
  2. খ) অনুবাদ উপন্যাস
  3. গ) অনুবাদ প্রবন্ধ
  4. ঘ) অনুবাদ নাটক
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুবাদ নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুবাদ নাটক
ব্যাখ্যা

মুনীর চৌধুরীর বিখ্যাত অনুবাদ নাটক হলো রূপার কৌটা (মূল: জর্জ গলজওয়ার্দি রচিত The Silver Box), কেউ কিছু বলতে পারে না (মূল: জর্জ বার্নার্ড শ রচিত You Never Can Tell) এবং মুখরা রমণী বশীকরণ (মূল: উইলিয়াম শেকসপিয়ার রচিত Taming of the Shrew)।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১৬,৪৬১.
রম্য লেখক হিসেবে সুপরিচিত কে?
  1. ক) সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. খ) হুমায়ূন আহমেদ
  3. গ) শওকত আলী
  4. ঘ) তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা রম্য লেখক। তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলো দেশে-বিদেশে, জলে ডাঙ্গায়, চাচা কাহিনী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৬২.
ভাগলপুরের নিকটবর্তী বনঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. বিষাদ-সিন্ধু
  2. আরণ্যক
  3. অশনি সংকেত
  4. ইছামতী
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
ব্যাখ্যা

‘আরণ্যক' উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরণ্যক’।
- ভাগলপুরের নিকটবর্তী বনঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে আরণ্যক উপন্যাস।
- প্রধান চরিত্র: ভানুমতী, বনোয়ারী, দোবরু, বুদ্ধু সিংহ।

অন্যদিকে,
'অশনি সংকেত' উপন্যাস:
- 'অশনি সংকেত' উপন্যাসটির রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ। আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কিভাবে বিস্তার লাভ করেছে তাঁর নিখুত বর্ণনা লাভ করেছে এই উপন্যাসে।
- উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে। তবে পুস্তকাকারে প্রকাশের ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক মাতৃভূমি পত্রিকায় প্রকাশিত।
- 'অশনি সংকেত' উপন্যাসটির পটভূমি বিভূতিভূষণের নিজ গ্রাম বরাকপুর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বনগ্রাম মহকুমা শহর।
- এই উপন্যাসটি সত্যজিৎ রায় একই নামে চলচিত্রে রূপদান করেন।

'ইছামতী' উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত উপন্যাস 'ইছামতী' প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে। এটি রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করে।
- ইছামতী নদীর তীরবর্তী গ্রামের মানুষের জীবনকথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ভবানী বাঁড়ুয্যে কিংবা তার পুত্রত্রয় তিলু, বিলু, নীলু লেখকের নিজের অভিজ্ঞতায় দেখা মানুষ।
- একান্ত অন্তরঙ্গ ভাবমূর্তিতে এদেরকে তিনি গড়ে তুলেছেন। গয়া মেম অন্যতম উল্লেখযোগ্য চরিত্র। রাজারাম দেওয়ান পরম সাত্ত্বিক ব্রাহ্মণ, কিন্তু ইংরেজের চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হতে ছলচাতুরি ও জোচ্চুরি করেছে।

'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থটির জন্যেই। 'বিষাদ-সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ- সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পৰ্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৬,৪৬৩.
কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে লেখা গ্রন্থ-
  1. ক) জলে ডাঙ্গায়
  2. খ) পথে প্রবাসে
  3. গ) দেশে বিদেশে
  4. ঘ) পালামৌ
সঠিক উত্তর:
গ) দেশে বিদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ মুজতবা আলী একজন বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
• তিনি ভ্রমণ কাহিনীর জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
• তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীঃ
- দেশে বিদেশে (কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে লেখা। আফগানিস্তানের কাবুলে অধ্যাপনা কালে সেখানকার বিচিত্র অভিজ্ঞতার আলোকে এই গ্রন্থ রচনা জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।)
- জলে ডাঙ্গায়।
• তাঁর বিখ্যাত রম্যরচনাঃ
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী,
- বড়বাবু,
- কত না অশ্রুজল।
• তাঁর রচিত ছোটগল্পঃ
- চাচা কাহিনী,
- টুনি মেম।
• পথে প্রবাসে অন্নদাশঙ্কর রায়ের ভ্রমণ কাহিনী।
• পালামৌ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৬৪.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ইছামতী
  2. দেবযান
  3. আরণ্যক
  4. মেঘমল্লার
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
ব্যাখ্যা
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- আরণ্যক,
- দেবযান,
- ইছামতী।

অন্যদিকে,
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প - মেঘমল্লার

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৬৫.
‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কে সম্পাদনা করতেন? 
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. কাঙ্গাল হরিনাথ
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
কাঙ্গাল হরিনাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঙ্গাল হরিনাথ
ব্যাখ্যা

• 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকা:
- এটি উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা।
- ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- যদিও প্রকাশের পরের বছর থেকে এটি পাক্ষিক এবং ১৮৭১ সাল থেকে সাপ্তাহিক পত্রিকায় পরিণত হয়।
- প্রথমদিকে পত্রিকাটি মুদ্রিত হতো কলকাতার গিরিশ বিদ্যারত্ন প্রেস থেকে; পরে ১৮৬৪ সালে কুমারখালি থেকে প্রকাশ হয়।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকায় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞানবিষয়ক প্রবন্ধ প্রকাশিত হতো।
- আঠারো বছর গ্রামবার্তা প্রকাশিকা সম্পাদনা করার পর সাংবাদিকতা ত্যাগ করে হরিনাথ ধর্মসাধনায় মনোনিবেশ করেন।
- প্রখ্যাত মুসলিম লেখক মীর মশাররফ হোসেনের সাহিত্যচর্চার হাতেখড়িও হয় এ পত্রিকার মাধ্যমে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৬৬.
কোন কবি বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডবদের মধ্যে অন্যতম?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) বুদ্ধদেব বসু
  3. গ) মোহিতলাল মজুমদার
  4. ঘ) জসিম উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
খ) বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা

ত্রিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রকাব্য ধারার বাহিরে গিয়ে কাব্য চর্চা করতেন এমন পাঁচ জন কবিকে বাংলা সাহিত্যের পঞ্চ পান্ডব বলা হয়
বাংলা সাহিত্যের পঞ্চ পান্ডব হলেন:-
- জীবনানন্দ দাস
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
- অমিয় চক্রবর্তী
- বুদ্ধদেব বসু
- বিষ্ণু দে
[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১৬,৪৬৭.
রামায়ণের একমাত্র মহিলা অনুবাদক 'চন্দ্রাবতী' কত শতকের কবি ছিলেন? 
  1. চৌদ্দ
  2. পনেরো
  3. ষোলো
  4. সতেরো
সঠিক উত্তর:
ষোলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোলো
ব্যাখ্যা

• চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের ষোলো শতকের একজন উল্লেখযোগ্য নারী কবি।

• চন্দ্রাবতী:
- মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণ রচনা করে পুরাতন বাংলা সাহিত্যর ইতিহাসে একমাত্র মহিলা কবি হিসেবে গৌরব অর্জন করেন।
মধ্যযুগের তিনজন প্রধান নারী কবির একজন চন্দ্রাবতী। অপর দুইজন চণ্ডীদাস অনুরাগী রামী ও চৈতন্যের কৃপাপাত্রী মাধবী।
- চন্দ্রাবতীর পিতা ছিলেন মনসামঙ্গলের কবি দ্বিজ বংশীদাস।
- তিনি পিতার আদেশে 'রামায়ণ' অনুবাদে হাত দেন। কিন্তু তা সমাপ্ত করার পূর্বে মারা যান।
- তাঁর রচনার বৈশিষ্ট্য ষোড়শ শতাব্দীর সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থা প্রতিফলিত করা।

চন্দ্রাবতী রচিত কাব্যগুলো হলো:
- মালুয়া
- দস্যু কেনারামের পালা
- রামায়ণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৪৬৮.
পল্লিকবি জসীম উদ্‌দীনের পৈতৃক নিবাস কোথায়?
  1. গোবিন্দপুর
  2. তাম্বুলখানা
  3. লাহিনীপাড়ায়
  4. কাঁঠালপাড়া
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দপুর
ব্যাখ্যা

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস - গোবিন্দপুর গ্রাম, ফরিদপুর।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন।
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী, 
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৬৯.
'দুর্দিনের যাত্রী' প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আবুল ফজল
  2. কাজী নজরুল ইসলাম 
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম 
ব্যাখ্যা

• 'দুর্দিনের যাত্রী' কাজী নজরুল ইসলামের প্রবন্ধগ্রন্থ।
- এই প্রবন্ধে দেশপ্রেমের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ: আমি সৈনিক; মোরা সবাই স্বাধীন সবাই রাজা; স্বাগত; তুবড়ি বাঁশির ডাক।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

• তাঁর রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- রাজবন্দীর জবানবন্দী,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্র-মঙ্গল,
- অন্যান্য প্রবন্ধ।

উল্লেখ্য,
• 'দুর্দিনের দিনলিপি' আবুল ফজল রচিত দিনলিপি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৪৭০.
'তাহমিনা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. শিউলিমালা
  2. কুহেলিকা
  3. মৃত্যুক্ষুধা
  4. বাঁধনহারা
সঠিক উত্তর:
কুহেলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুহেলিকা
ব্যাখ্যা
'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে। কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
- এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- ফিরদৌস বেগম।

অন্যদিকে,
- 'শিউলিমালা' কাজী নজরুল ইসলামের গল্পগ্রন্থ।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধনহারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৭১.
'অনিঃশেষ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু
  2. খ) অমিয় চক্রবর্তী
  3. গ) জীবনানন্দ দাস
  4. ঘ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫; তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই কবিতাবলী (১৯২৪-২৫)।
তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার (১৯২৭),
- খসড়া (১৯৩৮),
- এক মুঠো (১৯৩৯),
- মাটির দেয়াল (১৯৪২),
- অভিজ্ঞান বসন্ত (১৯৪৩),
- পারাপার (১৯৫৩),
- পালাবদল (১৯৫৫),
- ঘরে ফেরার দিন (১৯৬১),
- হারানো অর্কিড (১৯৬৬),
- পুষ্পিত ইমেজ (১৯৬৭),
- অমরাবতী (১৯৭২),
- অনিঃশেষ (১৯৭৬),
- নতুন কবিতা (১৯৮০),
- চলো যাই (১৯৬২),
- সাম্প্রতিক (১৯৬৩)।

তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।

 
১৬,৪৭২.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. অশনি সংকেত
  2. চাঁদের পাহাড়
  3. দিবারাত্রির কাব্য
  4. চাঁদের অমাবস্যা
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

অন্যদিকে, 
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত উপন্যাস: অশনি সংকেত, চাঁদের পাহাড়।
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস- দিবারাত্রির কাব্য।

---------------------
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস:
- লালসালু, 
- চাঁদের অমাবস্যা, 
- কাঁদো নদী কাঁদো।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬,৪৭৩.
সরদার জয়েনউদ্‌দীন রচিত 'সরলা ও মেহের বয়াতির' প্রেমের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে নিচের কোন উপন্যাসে?
  1. অনেক সূর্যের আশা
  2. বেগম শেফালী মির্জা
  3. রোদের ঢেউ
  4. আদিগন্ত
সঠিক উত্তর:
আদিগন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদিগন্ত
ব্যাখ্যা
'আদিগন্ত' উপন্যাস:
- 'আদিগন্ত' সরদার জয়েন উদ্দিন রচিত একটি উপন্যাস। 
- প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ খিষ্টাব্দে। 
- সরলা ও মেহের বয়াতির প্রেমের কাহিনি বর্ণানার ভেতর দিয়ে পল্লিসমাজের জটগুলো অনাবৃতভাবে এতে প্রকাশিত হয়েছে। 

সরদার জয়েনউদ্‌দীন:

- সরদার জয়েনউদ্দীন ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমান বাংলাদেশ) পাবনার সুজানগর উপজেলার কামারহাটিতে এক কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- অনেক সূর্যের আশা, 
- বেগম শেফালী মির্জা,
- রোদের ঢেউ,
- আদিগন্ত।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- নয়ান ঢুলি 
- খরস্রোত 
- বেলা ব্যানার্জীর প্রেম
- অষ্টপ্রহর  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৭৪.
''সর্বদাই হুহু করে মন, বিশ্ব যেন মরুর মতন”- পঙক্তিদ্বয় বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সারদামঙ্গল
  2. সঙ্গীত শতক
  3. বঙ্গসুন্দরী
  4. স্বপ্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
ব্যাখ্যা
⇒ ‘বঙ্গসুন্দরী’ গীতিকবিতা:
- বিহারীলালের প্রথম সার্থক গীতিকবিতার গ্রন্থ ‘বঙ্গসুন্দরী’ (১৮৭০)।
- গ্রন্থটি ১০টি সর্গে বিভক্ত।
- গ্রন্থটির প্রথম সর্গ উপহার, দ্বিতীয় সর্গ নারীবন্দনা, তৃতীয় সর্গ সুরভালা, চতুর্থ সর্গ চিরপরাধীনা, পঞ্চম সর্গ করুণাসুন্দরী, ষষ্ঠ সর্গ বিষাদিনী, সপ্তম সর্গ প্রিয়সখী, অষ্টম সর্গ বিরহিণী, নবম সর্গ প্রিয়তমা ও দশম সর্গ অভাগিনী নামকরণ করা হয়েছে।
-  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ গ্রন্থ-প্রসঙ্গে বলেছেন: ‘আধুনিক বঙ্গসাহিত্যে এই  প্রথম বোধ হয় কবির নিজের কথা প্রকাশ পাইয়াছে।’

এ কাব্যে কবি বলেছেন:

''সর্বদাই হুহু করে মন,
বিশ্ব যেন মরুর মতন,
চারদিকে ঝালাপালা,
উঃ কি জ্বলন্ত জ্বালা!
অগ্নিকুণ্ডে পতঙ্গ পতন।''

-----------------------
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী  আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল। 

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদামঙ্গল,
- প্রেম প্রবাহিণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৭৫.
‘হুগলীর ইমামবাড়ি’ কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. ছোটগল্প
  2. কবিতা
  3. নাটক
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

‘হুগলীর ইমামবাড়ি’- স্বর্ণকুমারী দেবীর লেখা উপন্যাস। 

• 'হুগলীর ইমামবাড়ি’:
- স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রসিদ্ধ উপন্যাস হুগলীর ইমামবাড়ি রচিত হয়েছে হাজী মুহম্মদ মহসিনকে নিয়ে।
- হুগলীর ইমামবাড়ি’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট উনিশ শতকের হুগলি অঞ্চলের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবন।
- উপন্যাসটি হাজী মুহম্মদ মহসিনের দানকৃত সম্পত্তি থেকে নির্মিত ইমামবাড়িকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
- উপন্যাসটিতে ঐতিহাসিক ও কল্পনার মিশেল চমতকারভাবে ফুটে উঠেছে।
----------------------------------
স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রজন্মের একজন উল্লেখযোগ্য মহিলা সাহিত্যিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা উপন্যাসিক।
- তিনি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সদস্য এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন ছিলেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী কবি, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ‘দীপনির্বাণ’ নামে প্রথম বাংলা উপন্যাস রচনা করেন, যা তাকে প্রথম বাংলা মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিতি দেয়।
- এছাড়াও কবিতা, নাটক ও প্রবন্ধ লিখেছেন। ‘

• তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- দীপনির্বাণ;
- ছিন্নমুকুল;
- মালতী;
- মিবাররাজ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৭৬.
গোলাম মোস্তফা রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. বুলবুলিস্তান
  2. বিশ্বনবী
  3. কাব্যকাহিনী
  4. খোশরোজ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বনবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা
• 'বিশ্বনবী' গোলাম মোস্তফা রচিত- গদ্যগ্রন্থ।
- এটি রাসুলুল্লাহ (স) এর জীবনীমূলক গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়।

---------------------
• গোলাম মোস্তফা:

- গোলাম মোস্তফা ছিলেন কবি ও লেখক। ১৮৯৭ সালে যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক 'কাব্য সুধাকর' (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক 'সিতারা-ই-ইমতিয়াজ' (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্যকাহিনী,
- গীতি সঞ্চয়ন,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।

তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- মুসাদ্দাস-ই-হালী,
- কালামে ইকবাল,
- শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া (১৯৬০)।

তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- আমার চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৭৭.
‘লেলিহান পান্ডুলিপি’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. খ) অমিয় চক্রবর্তী
  3. গ) জীবনানন্দ দাশ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

মানচিত্র,
লেলিহান পান্ডুলিপি,
ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
সূর্য জ্বালার স্বপন,
নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ,
সাজঘর ইত্যাদি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

১৬,৪৭৮.
‘স্মৃতির শহর’ শামসুর রাহমান রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. আত্মস্মৃতি
  3. ভ্রমণকাহিনি
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
আত্মস্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মস্মৃতি
ব্যাখ্যা
• ‘স্মৃতির শহর’ আত্মস্মৃতি:
• শামসুর রাহমানের শৈশব-কৈশোরে বেড়ে উঠার আনন্দ বেদনার স্মৃতিনিয়ে রচিত গদ্য ‘স্মৃতির শহর’।

• কবি শামসুর রাহমান জন্মেছিলেন ঢাকা শহরে (জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯২৯)। ঢাকা তখন ছিল ফাঁকা ফাঁকা।
মানুষের এমন দমবন্ধ অবস্থার কথা তখন কল্পনাও করা যেত না। এত দালানকোঠা আর পিঁপড়ের সারির মতো গাড়ি ছিল না। ছিল পাড়ায় পাড়ায় আস্তাবল, ঘোড়ার গাড়ি, গাড়োয়ান, বাতিওয়ালা, ভিস্তিওয়ালা, ফেরিওয়ালা। গলির ভেতরে ছোটবড় বাড়িতে ছিল মানুষের বাস। স্কুল ছিল, মসজিদ-মন্দির ছিল, আর ছিল পালা-পার্বণে নানা আনন্দ-উৎসব। এসবের ভেতর দিয়ে শৈশব-কৈশোরে বেড়ে উঠেছেন কবি। সেই সব দিনের আনন্দ-বেদনার স্মৃতিকথা লিখেছেন এই গদ্যে।

----------------------------
• শামসুর রাহমান:
• কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
• শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
• ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য- "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"- এর প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
• তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
• যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
• একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল অজস্র গল্প, উপন্যাস কবিতার মধ্যে ‘বন্দী শিবির থেকে’র কবিতাগুচ্ছ এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী।

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক,
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

তাঁর রচিত আত্মস্মৃতি:
- কালের ধুলোয় লেখা,
- স্মৃতির শহর।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; ‘স্মৃতির শহর’ আত্মস্মৃতি শামসুর রাহমান এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৭৯.
‘রাজ্যটা রাজার একলার নয়।’
- শাশ্বত এই উক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটক থেকে উধৃত?
  1. প্রায়শ্চিত্ত
  2. ডাকঘর
  3. তাসের দেশ
  4. রক্তকরবী
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা
• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথের 'বউ ঠাকুরাণীর হাট' উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক 'প্রায়শ্চিত্ত'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে। 
- 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। 
- নাটকটি পঞ্চাঙ্কের। 
- টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে। 
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ধনঞ্জয় বৈরাগী, সুরমা, উদয়াদিত্য, বিভা ইত্যাদি।
- ‘প্রায়শ্চিত্ত’ নাটকের নতুন ও পরিবর্তিত সংস্করণ ‘পরিত্রাণ’ নাটক। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- প্রায়শ্চিত্ত নাটকে রবীন্দ্রনাথ বলেন, ‘রাজ্যটা রাজার একলার নয়।’ 
-------------------
----------------------- 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ডাকঘর' (১৯১২) রূপক সাংকেতিক নাটক। 
- বালক অমল এই নাটকের নায়ক।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রূপক নাটক 'তাসের দেশ'।
- নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে।
- নাটকটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কে উৎসর্গ করা হয়।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'বসন্ত' গীতনাট্য।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'রক্তকরবী' সাংকেতিক নাটক।
- ১৩৩০ বঙ্গাব্দে নাটকটি প্রবাসী পত্রিকায় প্রকাশিত।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- চরিত্র - নন্দিনী, রঞ্জন। 

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'চিরকুমার সভা' কৌতুক নাটক।

রবীন্দ্রনাথ রচিত আরো নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা, 
- অচলায়তন, 
- চিরকুমার সভা, 
- তাসের দেশ, ,
- বৈকুন্ঠের খাতা, 
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত, 
- ডাকঘর, 
- বসন্ত, 
- চণ্ডালিকা, 
- নটীর পূজা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বিবিসি বাংলা।
৩. প্রথম আলো।
৪. ডেইলি স্টার বাংলা।
১৬,৪৮০.
"আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর" - কে লিখেছেন?
  1. আবুল হুসেন
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  4. আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা

• আবুল মনসুর আহমেদ:
- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- আবুল মনসুর আহমদ একজন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি খিলাফত, অসহযোগ, স্বরাজ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

• ব্যঙ্গরচনা:
- আয়না,
- ফুড কনফারেন্স,
- গালিভারের সফরনামা

• স্মৃতিকথা:
- আত্মকথা (১৯৭৮, আত্মজীবনী),
- আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর,
- শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সত্যমিথ্যা,
- জীবন ক্ষুধা,
- আবে-হায়াৎ

• অন্যান্য রচনা
- বাংলাদেশের কালচার,
- আসমানী পর্দা।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৮১.
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসে কালো মেয়েটির নাম কী?
  1. নাজমা
  2. নাছিমা
  3. কাজল
  4. আসমা
সঠিক উত্তর:
নাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমা
ব্যাখ্যা
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

• উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে। এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- একটি কালো মেয়ের কথা।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৮২.
'ডাকঘর' নাটকের চরিত্র কোনটি?
  1. রতন
  2. অমল
  3. রহমত
  4. রাইচরণ
সঠিক উত্তর:
অমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমল
ব্যাখ্যা
• 'ডাকঘর' নাটক:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ডাকঘর' (১৯১২) রূপক সাংকেতিক নাটক।
- বালক অমল এই নাটকের নায়ক।

অন্যদিকে,
- 'পোস্টমাস্টার' গল্পের রচয়িতা রতন।
- 'কাবুলিওয়ালা' গল্পের রচয়িতা রহমত।
- 'খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন' ছোটগল্পের রচয়িতা 'রাইচরণ'।

• নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- অমল,
- সুধা,
- ঠাকুর্দা প্রমুখ।

• রবীন্দ্রনাথ রচিত অন্যান্য নাটক:
- বিসর্জন, 
- রাজা, 
- অচলায়তন, 
- চিরকুমার সভা, 
- তাসের দেশ, 
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত, 
- ডাকঘর, 
- বসন্ত, 
- চণ্ডালিকা,
- নটীর পূজা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৮৩.
কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্ম নয়?
  1. স্বদেশ ও সাহিত্য
  2. স্বদেশ অন্বেষা
  3. বিরাজ বৌ
  4. নারীর মূল্য
সঠিক উত্তর:
স্বদেশ অন্বেষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বদেশ অন্বেষা
ব্যাখ্যা

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর সাহিত্যকর্ম নয় - স্বদেশ অন্বেষা। এটি আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।

অন্যদিকে,
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ - নারীর মূল্য, স্বদেশ ও সাহিত্য।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস - বিরাজ বৌ।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী।
- তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। ব্যক্তিমানুষের মন পল্লীর সংস্কারাচ্ছন্ন মানসিকতার আঘাতে কতটা রক্তাক্ত হতে পারে, তারই রূপচিত্র এঁকেছেন তিনি তাঁর রচনায়। 
- তবে তাঁর উপন্যাসে ব্যক্তিবর্গের ইচ্ছাভিসার ও মুক্তি সর্বদাই সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় বলে তাঁকে রক্ষণশীলও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৮৪.
"বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ" গ্রন্থের প্রধান চরিত্র-
  1. ভক্তপ্রসাদ বাবু
  2. মোকাজেন মিয়া
  3. রামপ্রসাদ বাবু
  4. নিমচাঁদ বাবু
সঠিক উত্তর:
ভক্তপ্রসাদ বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভক্তপ্রসাদ বাবু
ব্যাখ্যা
• 'বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ' :
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন।
- প্রথমে এ প্রহসনের নাম ছিল 'ভগ্ন-শিবমন্দির'।
- এক লম্পট জমিদারের আচার-ব্যবহার ও দরিদ্র প্রজাদের দ্বারা উচিত শিক্ষা এই উপভোগ্য প্রহসনের মূলকাহিনী।

• উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- ভক্তপ্রসাদ বাবু,
- পঞ্চানন বাচস্পতি,
- গদাধর,
-পুঁটি,
- ফতেমা প্রমুখ।

• তাঁর রচিত অন্যান্য প্রহসন:
- একেই কি বলে সভ্যতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৮৫.
'যে অরণ্যে আলো নেই' কোন জাতীয় রচনা?
  1. ক) নাটক
  2. খ) প্রবন্ধ
  3. গ) ছোট গল্প
  4. ঘ) কাব্য
সঠিক উত্তর:
ক) নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাটক
ব্যাখ্যা
- 'যে অরণ্যে আলো নেই' নীলিমা ইব্রাহীম রচিত নাটক। 

• নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী।
- ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা প্রফুল্লকুমার রায়চৌধুরী এবং মাতা কুসুমকুমারী দেবী।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয় ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- দুয়ে দুয়ে চার,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর ইত্যাদি।

• 'বিন্দু বিসর্গ' তাঁর রচিত আত্মজীবনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৮৬.
'তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে , ‘এতোদিন কোথায় ছিলেন?' কার রচিত কবিতাংশ?
  1. ক) জসীমউদদীন
  2. খ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. গ) জীবনানন্দ দাশ
  4. ঘ) দক্ষিণারঞ্জন মিত্র
সঠিক উত্তর:
গ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

কবিতাঃ বনলতা সেন
কবিঃ জীবনানন্দ দাশ

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে , ‘এতোদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মত চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে — সব নদী- ফুরায় এ-জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।

১৬,৪৮৭.
কুসুমকুমারী দাশের গদ্যগ্রন্থের নাম কী?
  1. পৌরাণিক আখ্যায়িকা
  2. নদীর কাহিনি
  3. ছায়াপথের গল্প
  4. পৌরাণিক আখ্যান
সঠিক উত্তর:
পৌরাণিক আখ্যায়িকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরাণিক আখ্যায়িকা
ব্যাখ্যা
কুসুমকুমারী দাশ:
- তিনি ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম 'পৌরাণিক আখ্যায়িকা'।
- শিশুদের জন্যে তিনি 'কবিতা মুকুল' নামে একটি পুস্তিকা রচনা করেন।
- তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত 'প্রবাসী', 'ব্রহ্মবাদী', 'মুকুল' প্রভৃতি পত্রিকায়।
- তাঁর বিখ্যাত কবিতা পঙ্‌ক্তি - 'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৮৮.
‘হুতোম পেঁচা’ ছদ্মনামটি কার?
  1. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  2. দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার
  3. রাজশেখর বসু
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
কালীপ্রসন্ন সিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালীপ্রসন্ন সিংহ
ব্যাখ্যা
'কালীপ্রসন্ন সিংহ' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম- 'হুতোম পেঁচা'।

অন্যদিকে,
- 'দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার' এর ছদ্মনাম ছিল- দৃষ্টিহীন।
- 'তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম- হাবু শর্মা।
- রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম পরশুরাম।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৬,৪৮৯.
ঢাকার 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর প্রতিষ্ঠা কোন খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৯২৬
  2. ১৯১১
  3. ১৮৬৪
  4. ১৯০৫
সঠিক উত্তর:
১৯২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৬
ব্যাখ্যা
• মুসলিম সাহিত্য-সমাজ:
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। তারাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য।
- নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর।
এছাড়াও-
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র শিখা পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন।
- এই পত্রিকার স্লোগান ছিলো - 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৯০.
কোন দুটি জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ? 
  1. বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী
  2. বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
  3. ঝরা পালক ও মাল্যবান
  4. ছাড়পত্র ও বনলতা সেন
সঠিক উত্তর:
বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থ - বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি

অন্যদিকে,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ - উত্তর ফাল্গুনী।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থ - ছাড়পত্র।

জীবনানন্দ দাশ:

- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৯১.
আধুনিক বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ সৃষ্টি করেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. উইলিয়াম কেরি
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
⇒ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। 
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

================
উল্লেখ্য,
⇒ উইলিয়াম কেরি:
- উইলিয়াম কেরিকে বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ বলা হয়।
- তিনি সুশৃঙ্খল গদ্যের পথকিৃৎরূপে বিদেশী ব্যবহারের ও শিক্ষার উপযোগী করে ১৮০১ সালে ‘ কথোপকথন’ গ্রন্থটি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশ করেন।
- ‘কথোপকথন’ গ্রন্থটি ছিল ‍দ্বিভাষিক - এক পৃষ্ঠায় বাংলা, অপর পৃষ্ঠায় ইংরেজি।
- বাংলা ভাষার কথ্যরীতির প্রথম নিদর্শন এই গ্রন্থে বিধৃত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৬,৪৯২.
'গোলক বসু' দীনবন্ধু মিত্র রচিত কোন নাটকের চরিত্র?
  1. কমলে কামিনী
  2. নীল-দর্পণ
  3. লীলাবতী
  4. নবীন তপস্বিনী
সঠিক উত্তর:
নীল-দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল-দর্পণ
ব্যাখ্যা
'নীল-দর্পণ' নাটক:
- 'নীল-দর্পণ' দীনবন্ধু মিত্র রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত' A Native' ছদ্মনামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন ও নাম দেন 'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' (1861)
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নীল-দর্পণকে 'আঙ্কল টমস কেবিন'-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে। এটিই বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে 'কস্যচিৎ পথিকস্য' ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।
 
এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- গোলক বসু, নবীন মাধব, রাইচরণ, তোরাপ, সাবিত্রী, সরলতা ক্ষেত্রমণি ইত্যাদি।
 
দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক:
- নীল-দর্পণ, 
- কমলে কামিনী, 
- নবীন তপস্বিনী, 
- লীলাবতী ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৯৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পত্র সংকলন কোনটি?
  1.  ছিন্নপত্র
  2. জাভা যাত্রীর পত্র
  3. পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি
  4. চয়নিকা
সঠিক উত্তর:
 ছিন্নপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ছিন্নপত্র
ব্যাখ্যা

• 'ছিন্নপত্র':
- 'ছিন্নপত্র' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা চিঠির সংকলন।
- ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবীকে লিখা চিঠিসমূহ এখানে স্থান পেয়েছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালে।
- ইন্দিরা দেবীর সঙ্গে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর বিবাহ হয়।

অন্যদিকে,
------------------
• "জাভা যাত্রীর পত্র" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি যেখানে তিনি জাভা (ইন্দোনেশিয়া) ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণগুলি চিঠির আকারে নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লিখেছেন।

• "পশ্চিম-যাত্রীর ডায়ারি" হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ভ্রমণকাহিনী যেখানে তিনি ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতাগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন। এটি মূলত তাঁর বিভিন্ন ইউরোপ ভ্রমণের দিনলিপি থেকে সংকলিত, এবং এতে তিনি নিজের দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ ও অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।

• 'চয়নিকা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম রচনা সংকলন। এটির প্রথম সংস্করণে ১৩০ টি কবিতা ছিল। এটি ১৯০৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৯৪.
কোন পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা ঘটে? 
  1. সবুজপত্র
  2. সওগাত  
  3. পূর্বাশা 
  4. লহরি
সঠিক উত্তর:
সবুজপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজপত্র
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা ঘটে। 
-------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল, এবং তিনি নিজেকে “বাংলা সাহিত্যের বীরবল” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের মেয়ে ইন্দ্রাদেবীকে বিয়ে করেন।

- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনি মাসিক সবুজপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা করেন, যা তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
• কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ।
• গল্পগ্রন্থ: নীললোহিত ও চার ইয়ারি কথা।
• প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল নুন লাকড়ি ও বীরবলের হালখাতা।
--------------------- 
অন্যদিকে, 
- ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
- ‘লহরি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৯৫.
"পুতুলনাচের ইতিকথা" উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. জহির রায়হান 
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 
  4. শামসুর রহমান 
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 
ব্যাখ্যা

"পুতুলনাচের ইতিকথা" উপন্যাসের রচয়িতা হচ্ছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ সালে তাঁর পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকটস্থ মালবদিয়া গ্রাম।
- মূলত তিনি একজন কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, আর ‘মানিক’ ছিল তাঁর ডাকনাম।
- তিনি বাংলা ত্রিশোত্তর যুগের কথাসাহিত্যের একজন প্রভাবশালী লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হলো জননী (১৯৩৫)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্প অতসী মামী, যা বিচিত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয় ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর, কলকাতায়।

উপন্যাসসমূহ:
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- অহিংসা, 
- সার্বজনীন, 
- সোনার চেয়ে দামী, 
- স্বাধীনতার স্বাদ, 
- দিবারাত্রির কাব্য, 
- পদ্মা নদীর মাঝি, 
- শহরবাসের ইতিকথা, 
- আরোগ্য ইত্যাদি।

গল্পসমূহ:
- প্রাগৈতিহাসিক, 
- সরীসৃপ, 
- সমুদ্রের স্বাদ, 
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৯৬.
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি,
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি
তার বুকে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল'- পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) অতুলপ্রসাদ সেন
  2. খ) সৈয়দ শামসুল হক
  3. গ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. ঘ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা- 'আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ' 

'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে।
- গ্রন্থটিতে কবিতা রয়েছে ৩৯টি কবিতা।
- এই কাব্যগ্রন্থের নাম  কবিতায় আছে 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' লাইনটি। 

• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- সাতনরী হার (প্রথম প্রকাশিত),
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ,
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- নির্বাচিত কবিতা,
- আমার সকল কথা,
- আমার সময়,
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা: 
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি',
- 'মাগো, ওরা বলে',
- কোন এক মাকে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
১৬,৪৯৭.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত গল্প নয়?
  1. জীবিত ও মৃত
  2. কঙ্কাল
  3. ক্ষুধিত পাষাণ
  4. শাস্তি
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত গল্প:
- 'নিশীথে'
- 'ক্ষুধিত পাষাণ',
- 'মণিহারা',
- 'জীবিত ও মৃত'ও
- 'কঙ্কাল'।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের নাম - ভিখারিনী।
- বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম উপাদান হলো ছোটগল্প।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্প স্থান লাভ করে বিধায় তাকে ছোটগল্পের জনক বলা হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোট গল্পগুলো হল:
- ভিখারিণী ,
- দেনা পাওনা ,
- মনিহারা ,
- পোস্টমাস্টার,
- এক রাত্রি ,
- ক্ষুধিত পাষাণ ,
- স্ত্রীর পত্র ,
- নষ্টনীড়,
- কাবুলিওয়ালা ,
- হৈমন্তী ,
- মুসলমানীর গল্প । 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৯৮.
'বাংলাদেশ কথা কয়' সম্পাদনা করেন-
  1. ক) শামসুর রাহমান
  2. খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. গ) আবু ইসহাক
  4. ঘ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ কথা কয়' সম্পাদনা করেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান, শেষ রজনীর চাঁদ, নাম না জানা ভোর, নীল যমুনা ইত্যাদি তাঁর উপন্যাস। উৎস: শীকর, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
১৬,৪৯৯.
ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যনাট্য- 
  1. সিরাজাম মুনিরা
  2. মুহূর্তের কবিতা
  3. নৌফেল ও হাতেম
  4. হাতেমতায়ী
সঠিক উত্তর:
নৌফেল ও হাতেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌফেল ও হাতেম
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমদ ও তাঁর সাহিত্যকীর্তি:

জন্ম ও পরিচয়:
ফররুখ আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন, মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যজগতে তাঁর আবির্ভাব ঘটে কিশোর বয়সেই। তিনি বাংলা কবিতায় মুসলিম সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ, ইসলামি ঐতিহ্যের চেতনা ও জাতীয়তার উন্মেষ ঘটান।

সাহিত্যজীবনের সূচনা ও খ্যাতি: 
১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা ‘লাশ’ কবিতার মাধ্যমে ফররুখ আহমদ প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
একই বছর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি, যা তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায়।
 
উল্লেখযোগ্য কাব্য ও গ্রন্থসমূহ:
• আজাদ কর পাকিস্তান;
• সিরাজাম মুনীরা;
• হে বন্য স্বপ্নেরা;
• ইকবালের নির্বাচিত কবিতা;
• কাফেলা;
• হাবেদা মরুর কাহিনী;
• তসবির নামা;
• দিলরুবা;
• ঐতিহাসিক অনৈতিহাসিক কাব্য;
• অনুস্বার;
• ধোলাই কাব্য।
 
নাটক, কাহিনিকাব্য ও অন্যান্য রচনা:
• নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১) → কাব্যনাট্য।
• মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩) → সনেট সংকলন।
• হাতেমতায়ী (১৯৬৬) → কাহিনিকাব্য, এর জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার পান।
• পাখির বাসা (১৯৬৫) → শিশুতোষ গ্রন্থ, এর জন্য ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
 
কবির মৃত্যু:
১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর, ঢাকায় ফররুখ আহমদের মৃত্যু হয়।
-----------------
অপশন বিশ্লেষণ:

• ‘নৌফেল ও হাতেম’ কাব্যনাট্য:
- আরব্য উপন্যাসের বিখ্যাত কাহিনি থেকে কবি ফররুখ আহমদ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নামে একটি — কাব্যনাট্য রচনা করেছেন। ১৯৬১ সালে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার ইন্সটিটিউটে ঢাকা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নাটকটি মঞ্চস্থ করেন এবং নাট্যমোদীদের দ্বারা তা উচ্চ প্রশংসিত হয়।

- ইতিপূর্বে ‘মাহে নও’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পায় এবং ১৯৬১ সালের জুন মাসে পাকিস্তান লেখক সংঘের পক্ষে ড. কাজী মোতাহার হোসেন তা প্রকাশ করেন।

- ইসলামি রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ ‘নৌফেল ও হাতেম’ নাটকটিতে ইয়েমেনের শাহজাদা হাতেমকে মানবতাবাদী চরিত্র ও প্রতীকরূপে গ্রহণ করেছেন। হাতেমকে আদর্শবাদী ‘ন্যায়পরায়ণ’, পরোপকারী, সেবাব্রতী, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী ও মহৎ মানবতাবাদীরূপে চিত্রিত করেছেন। অন্যদিকে নৌফেল ঈর্ষাপরায়ণ, অত্যাচারী, অহংকারী বাদশাহর প্রতীকে চিত্রিত করেছেন। বিজয় দেখিয়েছেন মানবতার। মুক্তি দেখিয়েছেন ইনসাফের।

সিরাজাম মুনিরা:
- সিরাজাম মুনিরা ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত কাব্য।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে।
- এই কাব্যে মোট কবিতা হচ্ছে ১৯ টি।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে সিরাজাম মুনিরা।

• মুহূর্তের কবিতা:
- গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ৬৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি। 

• 'হাতেমতায়ী' কাব্যগ্রন্থ:
- রচনা করেন - ফররুখ আহমদ।
- এটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: 
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. দৈনিক পত্রিকা।
৪. সাত সাগরের মাঝি, ফররুখ আহমদ।

১৬,৫০০.
'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' কাব্যগ্রন্থটির কবি হলেন -
  1. শামসুর রাহমান
  2. আহসান হাবীব
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• 'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' - সৈয়দ আলী আহসান রচিত কাব্যগ্রন্থ।

সৈয়দ আলী আহসান:

-  ১৯২০ সালে মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
-  তাঁর পিতা সৈয়দ আলী হামেদ ছিলেন একজন স্কুল ইন্সপেক্টর।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- উচ্চারণ,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- সমুদ্রেই যাবো।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা,
- নজরুল ইসলাম,
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা,
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা।

তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।