উত্তর
ব্যাখ্যা
'A' এর ASCII code = 65
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩১ / ৪৭ · ৩,০০১–৩,১০০ / ৪,৬১৯
• Poor UX (User Experience) হলো এমন ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা যা ব্যবহারকারীকে অসুবিধা বা হতাশা দেয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে “Slow-loading pages” হলো একটি স্পষ্ট উদাহরণ। যখন একটি ওয়েবসাইট ধীরে লোড হয়, তখন ব্যবহারকারীকে অপেক্ষা করতে হয়, যা হতাশাজনক এবং সময়ের অপচয়। এর ফলে ব্যবহারকারী সাইট ত্যাগ করতে পারে বা ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা খারাপ মনে করতে পারে। অন্যদিকে, Clear navigation, Consistent typography এবং Responsive design ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক এবং সহজবোধ্য, যা ভালো UX নিশ্চিত করে। তাই Slow-loading pages হল একটি স্পষ্ট “poor UX”-এর উদাহরণ।
UI (User Interface):
- UI হলো সেই ভিজ্যুয়াল ও ইন্টার্যাকটিভ এলিমেন্ট যা ব্যবহারকারীকে সিস্টেম, অ্যাপ, বা ওয়েবসাইটের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত “দেখতে কেমন” এবং “কীভাবে ব্যবহারকারী ক্লিক বা ট্যাপ করবে” সেই বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত।
- ব্যবহারকারী যেন সহজে এবং স্বচ্ছন্দে সিস্টেমটি দেখতে ও ব্যবহার করতে পারে, সেই জন্য দৃষ্টিনন্দন ও লজিক্যাল ডিজাইন তৈরি করা।
UX (User Experience):
- UX হলো ব্যবহারকারীর সামগ্রিক অভিজ্ঞতা যখন তারা কোনো সিস্টেম, অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে।
- এটি শুধু দেখতে সুন্দর হওয়া নয়, বরং ব্যবহারকারীর সুবিধা, সন্তুষ্টি ও অনুভূতি নিয়েও কাজ করে।
- ব্যবহারকারী যেন দ্রুত, ঝামেলাহীন এবং আনন্দদায়কভাবে কাঙ্ক্ষিত কাজটি সম্পন্ন করতে পারে।
উৎস: GeeksforGeeks ওয়েবসাইট।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অভিজ্ঞতা গ্রহণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস হলো হেডসেট। VR হেডসেট একটি বিশেষ ধরনের চশমার মতো ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি ছবি প্রদর্শন করে। এটি কেবল ভিজ্যুয়াল ইমার্সন দেয় না, বরং অনেক হেডসেটে হেড ট্র্যাকিং প্রযুক্তি থাকে, যা ব্যবহারকারীর মাথার চলাফেরার সঙ্গে ভার্চুয়াল জগতের দৃষ্টিকোণ পরিবর্তন করে। মাউস, কিবোর্ড বা প্রিন্টারের মতো ডিভাইস VR অভিজ্ঞতার জন্য অপরিহার্য নয়, কারণ সেগুলো শুধুমাত্র নিয়ন্ত্রণ বা আউটপুটের কাজ করে।
- তাই VR-এর সম্পূর্ণ ইমারসিভ অভিজ্ঞতা পেতে হেডসেট ছাড়া সম্ভব নয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
Excel’s COUNTA function counts cells that are not empty.
That means it includes error values, like #VALUE!, numbers and blank spaces. I don’t mean blank cells, I mean cells with empty text like for example if you entered a space in a cell then COUNTA would count that cell.
COUNTA doesn’t count empty or blank cells. You need the COUNTBLANK function for that.
The motion picture titled ''Theory of Everything '' is based on the life of Stephen Hawking.
Director: James Marsh.
Source: Imdb
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি সফটওয়্যার যা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসকে পরিচালনা করে এবং অ্যাপস চালানোর পরিবেশ তৈরি করে।
- Android ও iOS (অ্যাপল) সবচেয়ে জনপ্রিয়, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে এবং টাচস্ক্রিন, সেলুলার, Wi-Fi, Bluetooth ও অ্যাপ স্টোরের মতো সুবিধা দেয়।
- বহুল ব্যবহৃত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হল:
Android
iOS (Apple)
Blackberry OS
Symbian (Nokia)
- অপরদিকে OS/2 হলো আইবিএম (IBM) এবং মাইক্রোসফট (Microsoft) কর্তৃক যৌথভাবে তৈরি একটি মালিকানাধীন কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি এমন এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং পুরো সিস্টেমকে পরিচালনা করে, যেমন- ফাইল, মেমরি, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম চালানোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে এবং কম্পিউটারকে সচল রাখে।
- Microsoft Windows, macOS, Linux, Unix কিছু জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
উৎস:
১। Britannica [Link]
ভাইরাস (Virus) : ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি ক্ষমতা রয়েছে।
- ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করলে সাধারণত সংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং এক পর্যায়ে গোটা কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
হ্যাকিং (Hacking) : কোনাে কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমােদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
স্প্যামিং (Spamming) : যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটা ইমেইল এড্রেসে শত শত এমনকি লক্ষ লক্ষ মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে তখন একে বলে স্প্যামিং।
অর্থাৎ, ভাইরাস এবং হ্যাকার দুটোই নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার জন্য ঝুকিপূর্ণ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
• ডিজিটাল স্টোরেজ একক:
- কম্পিউটারে ডেটা পরিমাপের ক্রম:
1 Kilobyte (KB) = 1024 bytes = 10241 bytes.
1 Megabyte (MB) = 1024 KB = 1024 × 1024 = 10242 bytes.
1 Gigabyte (GB) = 1024 MB = 1024 × 1024 × 1024 = 10243 bytes.
1 Terabyte (TB) = 1024 GB = 1024 × 1024 × 1024 × 1024 = 10244 bytes.
1 Petabyte (PB) = 1024 TB = 1024 × 1024 × 1024 × 1024 × 1024 = 10245 bytes.
উৎস: ব্রিটানিকা।
• PayPal-এর মূল প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে ছিলেন এলন মাস্ক, পিটার থিয়েল ও ম্যাক্স লেভচিন। ১৯৯৮ সালে ম্যাক্স লেভচিন, পিটার থিয়েল ও লিউক নোসেক মিলে Confinity প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরে অনলাইন পেমেন্ট সেবা উন্নয়ন করে। অন্যদিকে এলন মাস্ক ১৯৯৯ সালে X.com নামে একটি অনলাইন ব্যাংকিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০০ সালে Confinity ও X.com একীভূত হলে গড়ে ওঠে আধুনিক PayPal. পরবর্তী সময়ে পেমেন্ট প্রযুক্তির উদ্ভাবন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অনলাইন লেনদেনকে সহজ করার মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠাতারা PayPal-কে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য একটি ডিজিটাল আর্থিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করেন।
PayPal:
- PayPal যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।
- এটি Online Money Transfer সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
- এটি ইন্টারনেটে অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল করার ক্ষেত্রে সহায়তা দিয়ে থাকে।
- প্রেসিডেন্ট: Dan Schulman.
- সিইও: Alex Chriss. [তথ্য - ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত]
- সদরদপ্তর: স্যান জোস, ক্যালিফর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ক্যালিফর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
উৎস: PayPal ওয়েবসাইট।
• RTOS এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Operating System।
- RTOS হলো এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা অত্যন্ত দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট সময়সীমার (Time-bound) মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Windows) যেখানে ইউজার ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিংকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে RTOS ডেডলাইন এবং কাজের নিশ্চয়তাকে (Determinism) অগ্রাধিকার দেয়। এটি এমবেডেড ডিভাইসের মেমোরি এবং প্রসেসরকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন যেকোনো ইনপুটের বিপরীতে তাৎক্ষণিক আউটপুট পাওয়া যায়।
• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Real-Time Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
• কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- VxWorks,
- QNX,
- ThreadX,
- RTLinux ইত্যাদি।
সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]
• Peripheral devices হলো কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত এমন যন্ত্র যা ডেটা ইনপুট বা আউটপুটের কাজ করে, কিন্তু কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিটের (CPU) অংশ নয়। যেমন, কীবোর্ড এবং মাউস ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই সকল যন্ত্র কম্পিউটারের মূল অংশ নয়, বরং CPU-এর সাথে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সকল কম্পিউটেশন এবং প্রোগ্রাম পরিচালনা করে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে CPU peripheral device নয়। এটি কম্পিউটারের অন্তর্নিহিত প্রধান অংশ।
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।
২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Vienna হলো একটি ঐতিহাসিক কম্পিউটার ভাইরাস যা DOS .COM এবং .EXE ফাইলগুলোকে সংক্রমিত করতো।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
পান্ডা, ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Melissa (মেলিসা),
- WannaCry, ILOVEYOU, Conficker,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
• Cache memory ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো CPU-এর অপেক্ষার সময় কমানো, যাতে প্রসেসর দ্রুত ডেটা ও নির্দেশনা পেতে পারে।
• Cache Memory:
- Cache memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।
• Cache Memory-এর প্রয়োজনীয়তা:
- প্রসেসরের কাজের গতি খুব বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনে, তখন সময় বিলম্ব হয়।
- এই বিলম্ব কমাতে Cache memory CPU ও Main Memory-এর মাঝে উচ্চগতির বাফার লেয়ার হিসেবে কাজ করে।
• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- CPU waiting time কমানো,
- ডেটা অ্যাক্সেসের গতি বৃদ্ধি,
- বারবার ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ,
- Latency কমানো ও Response Time উন্নত করা।
• Cache Memory-এর স্তরসমূহ:
- L1 Cache → সবচেয়ে দ্রুত, CPU কোরের সাথে সরাসরি যুক্ত,
- L2 Cache → L1-এর তুলনায় বড়, কিছুটা ধীর কিন্তু RAM-এর চেয়ে দ্রুত,
- L3 Cache → একাধিক কোরের জন্য শেয়ারড, আকারে বড়, RAM-এর চেয়ে দ্রুত।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
• Blockchain প্রযুক্তিতে প্রতিটি নতুন ব্লক পূর্ববর্তী ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে, ফলে ডেটা পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়।
• Blockchain:
- Blockchain হলো একটি distributed digital ledger technology যেখানে লেনদেনের তথ্য ধারাবাহিকভাবে ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি ব্লকে একাধিক transaction বা লেনদেনের তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- প্রতিটি নতুন ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash দ্বারা সংযুক্ত থাকে।
- এই সংযুক্ত কাঠামো একটি চেইন বা শৃঙ্খল তৈরি করে, তাই একে blockchain বলা হয়।
- Blockchain সাধারণত decentralized network-এ পরিচালিত হয়, যেখানে কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ থাকে না।
- নেটওয়ার্কের একাধিক কম্পিউটার বা node একই ledger কপি সংরক্ষণ করে।
- Blockchain প্রযুক্তিতে cryptography ব্যবহার করে ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
- এই প্রযুক্তি মূলত cryptocurrency, বিশেষ করে Bitcoin-এর ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• Blockchain-এর বৈশিষ্ট্য:
- Decentralization → কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয়।
- Transparency → নেটওয়ার্কের লেনদেনসমূহ যাচাইযোগ্য এবং উন্মুক্তভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- Immutability → একবার ব্লকে তথ্য সংরক্ষিত হলে তা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন।
- Security → cryptographic পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষিত রাখা হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Cryptographic hash → একটি গাণিতিক অ্যালগরিদম যা ডেটাকে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের hash মানে রূপান্তর করে এবং blockchain-এ ব্লক সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- IP address → নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইস শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি ইউনিক নম্বর।
- Database index → ডেটাবেজে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত একটি কাঠামো।
- URL link → ইন্টারনেটে কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবপেজের ঠিকানা নির্দেশ করে।
Source: Britannica.
• Rootkit এক ধরনের অত্যন্ত বিপজ্জনক ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করে এবং নিজেকে আড়াল করে রাখে। এটি মূলত অপারেটিং সিস্টেমের গভীর স্তরে লুকিয়ে থেকে হ্যাকারদের সিস্টেমে দীর্ঘমেয়াদী ও গোপন নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। সাধারণ অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি সফটওয়্যারের পক্ষে Rootkit শনাক্ত করা কঠিন, কারণ এটি সিস্টেম ফাইল ও প্রক্রিয়াগুলোকে এমনভাবে পরিবর্তন করে যে আক্রান্ত সিস্টেমে তার উপস্থিতি ধরা পড়ে না। অনেক সময় Rootkit ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি, ডেটা নজরদারি বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ সম্পন্ন করা হয়, যা সিস্টেমের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলে।
• Trojan horse (ট্রোজান হর্স):
- ট্রোজান হর্স হলো একটি ম্যালওয়্যার যা নিজেকে বৈধ বা সুবিধাজনক সফটওয়্যার হিসাবে প্রকাশ করে।
- ব্যবহারকারী যখন এটি ইনস্টল করে, তখন ট্রোজান আক্রমণকারীকে সিস্টেমে অননুমোদিত কার্য চালানোর সুযোগ দেয়।
- এটি সাধারণত ব্যাকডোর বা কুকি/পাসওয়ার্ড চুরি করার মতো কাজ করে।
- ট্রোজান নিজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায় না; ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে সিস্টেমে ঢুকতে হয়।
- যদিও এটি ক্ষতিকারক কর্মকাণ্ড করে, এর মূল লক্ষ্য সরাসরি ‘লুকানো থাকা’ নয়।
• Worm (ওর্ম):
- ওর্ম হলো এমন একটি ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে প্রতিলিপি তৈরি করে ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি ফাইলের সাথে লুকিয়ে না থেকে, নেটওয়ার্ক পোর্ট বা দুর্বলতা ব্যবহার করে দ্রুত বিস্তার করে।
- ওর্মের ফলে নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত ট্রাফিক, সার্ভার ওয়ালার বা সম্পদ ক্ষয় হতে পারে।
- ওর্ম সাধারণত সিস্টেমে স্থায়ীভাবে লুকে থাকতে নয়; এর লক্ষ্য দ্রুত ছড়ানো।
- কিছু ওর্ম পে-লোড হিসেবে বেকডোরও ইনস্টল করতে পারে, কিন্তু ‘অবৈধভাবে লুকিয়ে থাকা’ প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়।
• Rootkit (রুটকিট):
- রুটকিট হলো এমন একটি ম্যালওয়্যার যাকে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয় অননুমোদিত প্রবেশাধিকার অর্জন এবং সিস্টেমে গোপনে অবস্থিত থাকার জন্য।
- এটি অপারেটিং সিস্টেমের কোর বা ইউটিলিটি পরিবর্তন করে যাতে প্রসেস, ফাইল বা নেটওয়ার্ক সংযোগগুলো অনুসন্ধানে ধরা না পড়ে।
- রুটকিট সাধারণত নিরবভাবে ব্যাকডোর, কীবোর্ড লগার বা রিমোট কন্ট্রোল ফিচার স্থাপন করে।
- এটি সিস্টেম প্রশাসকের টুলগুলোও লুকাতে পারে, ফলে সনাক্তকরণ অত্যন্ত কঠিন হয়।
- রুটকিটের মূল লক্ষ্যই হলো সিস্টেমে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করা ও দীর্ঘ সময় ধরে লুকিয়ে থাকা।
• Adware (অ্যাডওয়্যার):
- অ্যাডওয়্যার হলো সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ইন্টারঅ্যাকশনের উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখায়।
- এটি সাধারণত কম ক্ষতিকারক এবং আয়-উৎপাদনের উদ্দেশ্যে তৈরি।
- কিছু অ্যাডওয়্যার ব্যবহারকারীর অনলাইন আচরণ ট্র্যাক করতে পারে, কিন্তু তা সরাসরি সিস্টেমে লুকে থাকার উদ্দেশ্যে নাও হতে পারে।
সুতরাং, অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে সিস্টেমে গোপনে থাকা — এটি হলো রুটকিট।
সঠিক উত্তর: গ) রুটকিট।
সূত্র: [link]
টুইটার একটি সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
তবে ফেসবুকের সাথে এর একটি মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।
এটিতে ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ 280 Character - এর মধ্যে তাদের মনোভাব প্রকাশ ও আদান - প্রদান করতে হয়।
এজন্য এটিকে মাইক্রোব্লগিং এর একটি ওয়েবসাইট ও বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (নবম - দশম শ্রেণি)
• Edge computing-এর প্রধান লক্ষ্য হলো ডেটা উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা। এর মানে হলো, সেন্সর বা IoT ডিভাইস থেকে আসা ডেটা সরাসরি স্থানীয় নোড বা ডিভাইসে প্রক্রিয়াজাত করা, যাতে ডেটা ক্লাউডে পাঠাতে অপেক্ষা না করতে হয়। এটি লেটেন্সি কমায়, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব করে এবং ব্যান্ডউইথের ব্যবহার কমায়। এছাড়াও, এটি নিরাপত্তা বাড়ায় কারণ সংবেদনশীল তথ্য দূরে পাঠানোর প্রয়োজন কমে যায়। তাই edge computing-এর মূল উদ্দেশ্য ডেটা উৎসের কাছে প্রক্রিয়াকরণ করা, যা IoT বা অন্যান্য রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- সঠিক উত্তর: ক) To process data closer to its source.
• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
সূত্র: IBM. [link]
The basic unit of a worksheet into which you enter data in excel is called a cell.
Enter text or a number in a cell
- On the worksheet, click a cell.
- Type the numbers or text that you want to enter, and then press ENTER or TAB. To enter data on a new line within a cell, enter a line break by pressing ALT+ENTER.
Source: Microsoft Support
Integrated circuit (IC), also called a chip, a microelectronic circuit, microchip.
Source: Britannica.
এই প্রশ্নে কিছুটা ত্রুটি রয়েছে।
===========================
Ctrl + Alt + Delete কী-বোর্ড শর্টকাট কমান্ড সাধারণত কম্পিউটার reboot/restart করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এই process টি সাধারণত করা হয় কম্পিউটার hang হয়ে গেলে অর্থাৎ কোন application কাজ করা বন্ধ করে দিলে।
যেহেতু, 'restart' এর একটি phase হচ্ছে 'Shut down',
তাই, অধিকতর গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে ঘ) Shut down the computer নেয়া হয়েছে।
তবে, বর্তমান প্রজন্মের Windows Operating System এ 'Ctrl + Alt + Delete' শর্টকাট কী চাপলে 'Task Manager' open হয়।
Optical scanner/Scanner, a computer input device that uses a light beam to scan codes, text, or graphic images directly into a computer or computer system.
Bar-code scanners are used widely at point-of-sale terminals in retail stores.
A handheld scanner or bar-code pen is moved across the code, or the code itself is moved by hand across a scanner built into a checkout counter or other surface, and the computer stores or immediately processes the data in the bar code.
Source: www.britannica.com
• Norton একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোনো ক্ষতিকারক ভাইরাস নয়।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ILOVEYOU,
- WannaCry,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার,
৪। নরটন (Norton) এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।