বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৭০১৮০০ / ১,৮৬১

৭০১.
বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. সীমান্ত ব্যাংক
  4. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৭০২.
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় কোন হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হয়?
  1. ক) GDP
  2. খ) GNP
  3. গ) Both
  4. ঘ) None
সঠিক উত্তর:
খ) GNP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) GNP
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভূক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।


উৎস: অর্থনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. আকতার হামিদ খান
  2. শফিউর রহমান
  3. ফজলে হাসান আবেদ
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৭০৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. মো. সফিকুল হক চৌধুরী
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া। সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে। এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।
- ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা। 
৭০৫.
What was the previous name of Janata Bank?
  1. ক) Janata Multipurpose Bank
  2. খ) United Bank
  3. গ) Janata Commerce Bank
  4. ঘ) Cooperative Bank
সঠিক উত্তর:
খ) United Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) United Bank
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক:

- জনতা ব্যাংকের পূর্বের নাম ছিলো ইউনাইটেড ব্যাংক। 
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক
- ২০০৪-০৫ সালে গৃহীত Enterprise Growth and Bank Modernization Project (EGBMP). শীর্ষক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ভিত্তিতে এবং বিদ্যমান কোম্পানি আইন মোতাবেক ‘জনতা ব্যাংক লিমিটেড’ গঠন করা হয়। 
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখ থেকে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।
-  ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ২৭টি বিভাগ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- অবিভক্ত বাংলায় সমবায় সমিতি ও কৃষক পর্যায়ে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে সরকারী উদ্যোগে ১৯২২ সালে সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৭০৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২,৭২০ ডলার
  2. ২,৮০০ ডলার
  3. ২,৩২০ ডলার
  4. ২,৮২০ ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ ডলার
ব্যাখ্যা

 ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫,১০৯ টাকা (৮২ ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস।

৭০৭.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৬ (ছয়) টি
  2. খ) ৭ (সাত) টি
  3. গ) ৮ (আট) টি
  4. ঘ) ৯ (নয়) টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ (আট) টি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৭০৮.
কোন খাত থেকে বাংলাদেশ সরকার সবচেয়ে বেশি আয় করে?
  1. আয়কর
  2. সম্পূরক শুল্ক
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর):
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৭০৯.
প্রথম কোন জেলায় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচী চালু করা হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. রংপুর
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭১০.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে -
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৯.৫%
  3. গ) ১০.৫%
  4. ঘ) ১৫.৬%
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.৬%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যসমূহ: দারিদ্র দূরীকরণ ও বৈষম্য কমিয়ে আনতে মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা, শিশুদের জন্য পুষ্টির জোগান নিশ্চিত করা, দরিদ্র মানুষের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ টাকা পৌঁছানো, গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুতায়ন এবং আধুনিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের নির্দেশনা রয়েছে নতুন পরিকল্পনায়।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪,৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- গড় মূল্যস্ফীতি: ৪.৮%। 
- মেয়াদান্তে জাতীয় জিডিপির আকার: ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা।
- কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- মেয়াদান্তে চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, portal.gov.bd.
৭১১.
কোন আমলে দেশে হুন্ডি প্রথার বিকাশ ঘটে?
  1. সেন আমলে
  2. সুলতানি আমলে
  3. মোঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমলে
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং প্রথা:
- ব্যবসা বাণিজ্য প্রসার লাভ করার ঢাকা, হুগলী ও মুর্শিদাবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রে অর্থ ব্যবসায়ীদের শাখা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- মোঘল শাসকরাও এই সকল ঋণ প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করতো।
- এ সময়ে মোঘল সম্রাটগণ ভূমি, রাজস্ব ও খাজনা মুদ্রায় আদায় করতেন।
- শুধু তাই না জনগণ মোঘল টাকশালে সোনা-রুপা প্রভৃতি মূল্যবান বস্তু মুদ্রায় রূপান্তরিত করতে পারতো।
- হুন্ডি ও বিনিময় পত্র তখন থেকেই প্রচলিত ছিল।
- ১৭০০ সালের শেষ দিকে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ বেনিয়াদের উপস্থিতি ঘটে।
- ১৭২৪ সালে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর রেকর্ড পত্র থেকে জানা যায় যে, বাংলা অঞ্চলের রাজস্ব মুর্শিদাবাদে জগৎশেঠ পরিবারের মাধ্যমে হুন্ডি করে দিল্লীতে পাঠানো হতো।
 - অতএব বোঝা যায় যে, মোঘল আমলেই এদেশে গোষ্ঠী মালিকানাধীন ঋণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয় এবং হুন্ডি ও বিনিময় পত্রের প্রচলন ঘটে।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭১২.
বাংলাদেশ কবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে  উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হবে?
  1. ২২ নভেম্বর ২০২৬
  2. ২৩ নভেম্বর ২০২৬
  3. ২৪ নভেম্বর ২০২৬
  4. ২১ নভেম্বর ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর ২০২৬
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের সুপারিশ করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- The United Nations Committee for Development policy (CDP)  বাংলাদেশ কে উন্নয়নশীল দেশে তে যাওয়ার জন্যে সুপারিশ করে।
 CDP কোন দেশ কে ৩ টি সূচকের উপর ভিত্তি করে LDC  থেকে উত্তরণের সুপারিশ করেন।
- বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের শর্ত পূরণ করে-  ২০১৮ সালে।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য: 
-১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: ডয়েছ লেভেল, প্রথম আলো।
৭১৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের নাম কী?
  1. ব্যবস্থাপনা পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. চেয়ারম্যান
  4. নির্বাহী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
গভর্নর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গভর্নর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৭১৪.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. সিটিব্যাংক এনএ
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
  4. উরি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
ব্যাংকিং ব্যবস্থা:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- - বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ এবি ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৮১ সালের ৩১ ডিসেম্বর আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড এর নামে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদন প্রদানের সূচনা হয়।
- ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল এ ব্যাংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাগণ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ব্যাংক লিমিটেডের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে এর প্রতিষ্ঠা।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: i) এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭১৫.
বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১৯২৮ ডলার
  2. খ) ১৯৭০ ডলার
  3. গ) ২০৬৪ ডলার
  4. ঘ) ২২৩০ ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬৪ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬৪ ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং জিডিপি ছিলো যথাক্রমে ১৯০৯ ও ১৮২৮ মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
৭১৬.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৫ দশমিক ২ শতাংশ
  2. খ) ৫ দশমিক ৪ শতাংশ
  3. গ) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৫ দশমিক ৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ দশমিক ৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ দশমিক ৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
বাজেটের আকার : ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

বাজেটের আয়
রাজস্ব আয় প্রাক্কলন : ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা : ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
এনবিআর বহির্ভূত কর : ১৮ হাজার কোটি টাকা
করছাড় প্রাপ্তি : ৪৩ হাজার কোটি টাকা
বৈদেশিক অনুদান : ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

বাজেটের খরচ
বাজেট ঘাটতি : ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ : ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা : ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা : ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩
৭১৭.
নিচের কোনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আদায় হয়ে থাকে?
  1. মাদক শুল্ক
  2. আবগারী শুল্ক
  3. স্ট্যাম্প বিক্রয়
  4. ভূমি রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
আবগারী শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারী শুল্ক
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা। এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে। আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান প্রধান কার্যাবলী:
১. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণের লক্ষ্যে শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর সংক্রান্ত আইন/নীতি প্রণয়ন;
২. বিদ্যমান আইন ও বিধির ব্যাখ্যা/স্পষ্টীকরণ;
৩. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণ;
৪. আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারী শুল্ক এবং আমদানি ও রপ্তানী শুল্ক আহরণে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ;
৫. অর্পিত ক্ষমতাবলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক/কর মওকুফ করা;
৬. রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার কৌশলগত বিভাজন;
৭. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের আওতা ও পরিধি নির্ধারণ এবং স্বেচ্ছা প্রতিপালন উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি;
৮. রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ, রাজস্ব আহরণ মনিটর এবং রাজস্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা;
৯. করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধকল্পে পরিচালিত জরীপ/নিরীক্ষা কাজে এবং চোরাচালান দমন ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম তদারকি ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ;
১০. আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিদেশের সাথে সাধারণ সহযোগিতা চুক্তি, অনুদান ও ঋণ সংক্রান্ত চুক্তি এবং কর-সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা প্রদান;
১১. বন্ডেড ওয়‍্যারহাউস ও প্রত্যর্পণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা প্রদান;
১২. করদাতা সেবা প্রদান এবং করদাতাদের কর পরিশোধে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচী আয়োজন।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৭১৮.
বাংলদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এর নির্ধারিত হার কত?
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
৭১৯.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে?
  1. ৩টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৭২০.
অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত ও শিল্পখাত।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩। 
৭২১.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কত তারিখে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  3. ০৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ০৪ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
০৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় ৪ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে। 

⇒ বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব মুদ্রা ছিল মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো। এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা। এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে। এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো। কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) প্রথম আলো।

৭২২.
২০২১-২২ অর্থবছরে মােট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পােশাক খাত থেকে এসেছে?
  1. ক) ৮৩.৮৯ শতাংশ
  2. খ) ৮৮.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৯৫.৮৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৮১.২৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮১.২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮১.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৭২৩.
একনেক কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৭২৪.
‘প্রাপকের হিসাবে দেয়’ কথাটি কোন ধরণের চেকে লেখা থাকে?
  1. বাহক চেক
  2. হুকুম চেক
  3. ভ্রমণকারীর চেক
  4. দাগকাটা চেক
সঠিক উত্তর:
দাগকাটা চেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাগকাটা চেক
ব্যাখ্যা
চেকের সংজ্ঞা:
একজন আমানতকারী তার ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখার প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করার জন্য যে শর্তহীন আদেশ প্রদান করে থাকেন তাদের চেক বলে। একটি চেকের সকল বৈধ শর্তাবলী বর্তমান থাকলে ব্যাংকে চেক উপস্থাপন করা মাত্র আদেশ অনুযায়ী টাকা প্রদান করতে ব্যাংক বাধ্য থাকে। দাগকাটা চেক এ ‘প্রাপকের হিসাবে দেয়’ কথাটি চেকে লেখা থাকে।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৫.
অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা
  2. ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা
  3. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

৭২৬.
বর্তমানে দেশে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ লক্ষ
  2. খ) ৩৪ লক্ষ
  3. গ) ৪৪ লক্ষ
  4. ঘ) ৪৯ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৯ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৯ লক্ষ
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে এর সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং ভাতার পরিমাণ ছিলো মাসিক ১০০ টাকা।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
৭২৭.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত কর হলো-
  1. সম্পূরক কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. সারচার্জ
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যাদির ব্যবহার নিরুসাহিত করার লক্ষ্যে এসব দ্রব্যাদির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

বাংলাদেশে চা, তামাক, চিনি, গুড় প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। আবগারি শুল্ক এক প্রকার পরোক্ষ কর।

অন্যদিকে,
সারচার্জ হলো একপ্রকার মাশুল বা অতিরিক্ত ফি/শুল্ক। বিদ্যমান করের সাথে সারচার্জ আরোপ করা হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ব্রিটানিকা)
৭২৮.
বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫- এ বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ৩৩তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৬তম
  4. ৩৭তম
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫তম
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫:
- প্রতিবেদনের শিরোনাম: 2025 Military Strength Ranking.
- প্রকাশ: জানুয়ারি, ২০২৫। 
- প্রকাশক: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৪৫টি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী-
• শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
• সর্বনিম্ন দেশ: ভুটান।
• বাংলাদেশের অবস্থান: ৩৫তম।

উৎস: বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫।

৭২৯.
বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  2. ২৮৪০ মার্কিন ডলার
  3. ২৭২০ মার্কিন ডলার 
  4. ২৭৪০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৭৩০.
দেশে প্রচলিত সর্বনিম্ন মূল্যমানের ব্যাংক নোট কোনটি?
  1. পাঁচ টাকা
  2. দশ টাকা
  3. এক টাকা
  4. দুই টাকা
সঠিক উত্তর:
দশ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশ টাকা
ব্যাখ্যা

- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয়ে থাকে সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট রয়েছে। এগুলো হলো:
- দশ টাকা
- বিশ টাকা
- পঞ্চাশ টাকা
- একশ টাকা
- দুইশ টাকা
- পাঁচশ টাকা এবং
- একহাজার টাকা।
- এদের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যাংক নোট দশ টাকা এবং সর্বোচ্চ ব্যাংক নোট এক হাজার টাকা।
- সর্বশেষ চালুকৃত ব্যাংকনোট হলো দুইশত টাকার নোট (১৭ মার্চ ২০২০)।
- ব্যাংক নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
অন্যদিকে,
- পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।
(তথ্যসূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো)

৭৩১.
অর্থ পাচারের কারণ নয় কোনটি?
  1. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
  2. কর ফাঁকি না দেয়া
  3. কোম্পানির মুনাফা লুকানো
  4. দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি না থাকা
সঠিক উত্তর:
কর ফাঁকি না দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর ফাঁকি না দেয়া
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

⇒ উক্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র 'কর ফাঁকি না দেওয়া' সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। 

উৎস - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট । 

৭৩২.
কোনটি স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মাতারবাড়ী
  2. খ) মোংলা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পায়রা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
৭৩৩.
মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০.১ কিমি
  2. খ) ১৮.১ কিমি
  3. গ) ২১.১ কিমি
  4. ঘ) ২৫.১ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.১ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০.১ কিমি
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

তথ্যসূত্র:- DMTCL ওয়েবসাইট। 
৭৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাকের অবদান -
  1. ক) ৩৬.৭২%
  2. খ) ৪৪.৫৩%
  3. গ) ২৯.৭২%
  4. ঘ) ৮১.২৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬.৭২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৬.৭২%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৭৩৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ১.২১ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৭ শতাংশ
  3. গ) ১.২৭ শতাংশ
  4. ঘ) ১.৫৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, 
⇨ মোট জনসংখ্যা : ১৭ কোটি ৮ লাখ 
⇨ জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন (বর্গ কিমি)
⇨ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
⇨ পুরুষ ও নারীর অনুপাত  : ১০০.২ : ১০০

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৭৩৬.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান কাজ কী?
  1. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
  3. মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ
  4. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
৭৩৭.
Who is the first Governor of Bangladesh Bank?
  1. A. N. M. Hamidullah
  2. Atiur Rahman
  3. AKN Ahmed
  4. M Nurul Islam
সঠিক উত্তর:
A. N. M. Hamidullah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A. N. M. Hamidullah
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- এম নূরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় গভর্নর। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন তিনি।
- একেএন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় গভর্নর।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নে তার অবদানের জন্য আতিউর রহমানকে 'গরিবের ব্যাংকার' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৩৮.
BEPZA গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
৭৩৯.
বাংলাদেশের মোট অ-তফসিলী ব্যাংক কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে ৩টি।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭৪০.
স্বাধীন বাংলাদেশে ১ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ক) ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
৪ মার্চ, ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।

- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০০৮ সালে : ১০০০ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

(সূত্র: প্রথম আলো)
৭৪১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন পরিকল্পনা কোনটি?
  1. ক) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  2. খ) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  3. গ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  4. ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক একটি মহাপরিকল্পনা যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রথম আলো)
৭৪২.
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কয়টি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৭৪৩.
কত সালে বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (VAT) চালু হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭৪৪.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু বরাদ্দ কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪১,৮২৩ টাকা
  2. খ) ৪১,৯৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৯,৮৩৩ টাকা
  4. ঘ) ৪৫,৯৩৩ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৪১,৯৩৩ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪১,৯৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৭৪৫.
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রথম প্রকল্প চট্টগ্রামের কোথায় শুরু হয়?
  1. জোবরা
  2. হালিশহর
  3. আনোয়ারা
  4. রাউজান
সঠিক উত্তর:
জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোবরা
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৮.৭৩%
  2. ৩৯.৪৯%
  3. ৪১.২৮%
  4. ৪৪.৬৭%
সঠিক উত্তর:
৪৪.৬৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.৬৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৭৪৭.
বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে।
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৭৪৮.
কোনটির কারণে ঋন খেলাপি হওয়ার সম্ভাবনা কমায় ?
  1. ক) হিসাব সতেনতা
  2. খ) হিসাব সংরক্ষন
  3. গ) ব্যবসায় অধিক লাভ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) হিসাব সতেনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিসাব সতেনতা
ব্যাখ্যা
• খেলাপি ঋণ:
যখন কোনো কারণে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি ফেরত পাওয়া যায় না বা সম্ভব হয় না; তখন ওই ঋণকে খেলাপি ঋণ বলে।
বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতি তথা ব্যাংক খাতের প্রধান সমস্যা এই খেলাপি ঋণ। 

ঋণ খেলাপী হওয়া  থেকে পরিত্রাণের উপায় 
১. নৈতিকতার চর্চা করা;
২. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক নেতা এবং ব্যাংক পরিচালকদের প্রভাবমুক্ত করা;
৩. সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে;
৪. কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সব ব্যাংককে শুধু খেলাপি ঋণসাপেক্ষে আলাদা করে মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে;
৫. যাচাই-বাছাই করে ঋণ প্রদান এবং বিতর্কিত ঋণের যথাযথ পর্যবেক্ষণ;
৬. সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
৭. ঋণ প্রদানে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা;
৮. অর্থ ঋণ আদালতসহ আইনি প্রক্রিয়া আরও উন্নত ও সংস্কার করা;
৯. খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের কালো তালিকা প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে ঋণ প্রদানে বিরত থাকা;
১০. ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পত্তির সঠিক চলতি বাজারমূল্য নিরূপণ করা;
১১. একই খাতে বেশি ঋণ না দিয়ে বিভিন্ন খাতে ঋণ প্রদান করা;
১২. অর্থঋণ আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে ইত্যাদি। 

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০। 
৭৪৯.
ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. BEPZA
  2. BEZA
  3. BSEZ
  4. BJRI
সঠিক উত্তর:
BEPZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEPZA
ব্যাখ্যা
BEPZA: 
- বেপজা হল ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারের সরকারী সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘ওপেন ডোর পলিসি’ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা হয়।
- BEPZA বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে।

BEPZA-এর ভূমিকা ও কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZs) এ বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক ও পরিবেশগত মান, নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ।
- EPZ-এ শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক সমন্বয়ে সহায়তা করা।
- সহজ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো এড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের অনুকূল পরিবেশ প্রদান করে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৭৫০.
ব্লু ইকোনমি কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) সমুদ্র
  3. গ) আকাশ
  4. ঘ) মাটি
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৭৫১.
বাংলাদেশ ব্যতীত কোন দেশের মালিকানা শেয়ার রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. জার্মান
  2. চীন
  3. ভুটান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
শেয়ার মার্কেট:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক চীনের সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ।
- ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনের অধীনে ২০১৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনা কোম্পানির দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।
- এ শেয়ার ক্রয়ে চীনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো ভারত।
- “দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে এমন কৌশলগত বিনিয়োগ করা হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ।
৭৫২.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. গেওয়া
  3. ধুন্দল
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

• রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৩.
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বাংলাদেশি প্রবাসী সংখ্যা কত?
  1. প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ
  2. প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ
  3. প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ
  4. প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী আয়

- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে পোশাকশিল্পের বিকাশ ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধি।
- বাংলাদেশ সাধারণত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং আমেরিকা, কুয়েত, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশ থেকে সর্বাধিক প্রবাসী আয় পেয়ে থাকে।
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ।
- ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অভিবাসন হয় যা সংখ্যায় ১৩ লাখেরও বেশি।
- প্রবাসী আয়ে প্রতি বছর দেশে ২২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স আসে, যা দেশের মোট জিডিপির ১২ শতাংশ।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী আয় বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
• দারিদ্র্য বিমোচন;
• গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন;
• জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন;
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি;
• বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা ;
• বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি;
• আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্য রক্ষা;
• নারীর ক্ষমতায়ন। 

সূত্র- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৭৫৪.
দেশে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
  2. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৮-২০০৯ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা: 
​- ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়।

​​- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
​- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
​- পরবর্তীতে এ আইনটি বাতিল করে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রবর্তন করা হয়। 
 
​​উল্লেখ্য, 
- অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু হয়।
​- ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা  চালু হয়।

​উৎস: জাতীয় সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

৭৫৫.
কোন ক্ষেত্রে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন?
  1. শুধুমাত্র বাজেট পাসের সময়
  2. যখন কোনো সদস্য অনুপস্থিত থাকে
  3. পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট:
- কাস্টিং ভোট (Casting Vote) হলো একটি নির্ণায়ক বা চূড়ান্ত ভোট।
- এই ভোটের মাধ্যমে অচলাবস্থা দূর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

⇒ উল্লেখ্য:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
• উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৭৫৬.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৭৫৭.
বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৯৪
  2. খ) ৭.২১
  3. গ) ৭.২৫
  4. ঘ) ৭.৮৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৯৪
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখা কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার প্রভাবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে।
- ২০২৩ অর্থবছরের জন্য সরকার বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।
- এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় তা ৬ দশমিক ৫০ শতাংশে সংশোধন করে।
- গত ২০২১-২২ অর্থবছরে চুড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
- আর মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে গিয়েছিল ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে।

সূত্র: ডেইলি স্টার। 
৭৫৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়ক-
  1. ক) ECOSOC
  2. খ) UNDP
  3. গ) WB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
গ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WB
ব্যাখ্যা
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৭৫৯.
বাংলাদেশ সরকার কত বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষণা করে?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কৌশল ও লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ সরকার ১ বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষনা করে।
- বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের এডিপি'র আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা। 
- ৫৩ বছরের ব্যবধানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩০,০০০.০০ কোটি (জিওবি ১,৪৪,০০০.০০ কোটি ও প্রকল্প ঋণ/অনুদান ৮৬,০০০.০০ কোটি) টাকা।
- এছাড়া, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন এর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ৮,৫৯৯.৭১ কোটি  টাকাসহ মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৯২ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২,৭৮৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় নণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

৭৬০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেটের আকার:  ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫%।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:  ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৭.০%।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৭৬১.
বাংলাদেশ সরকার কয়টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করেছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো IMF-এর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৭৬২.
বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার সাথে যুক্ত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২৫টি
  2. ২৮টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৩১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১টি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা:
- ২০১৪ সালে ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে চালু হয় এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৩১টি ব্যাংক এই সেবার সঙ্গে যুক্ত।
- দেশজুড়ে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় প্রায় আড়াই কোটি গ্রাহক হিসাব খোলা হয়েছে এবং ২১ হাজার কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
- গত মার্চ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় আমানত জমা হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা।
- তার বিপরীতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।

উল্লেখ্য,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এজেন্ট আউটলেটে দেশে শীর্ষে আছে ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক।
- গত মার্চের শেষে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬২৫।
- এরপরের অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া। মার্চ শেষে দেশজুড়ে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৩৬।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। তাদের এজেন্ট আউটলেট ২ হাজার ৭৯০।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৭৬৩.
How many state-owned insurance companies in Bangladesh?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৭৬৪.
Which of the following is the function of the Central Bank?
  1. deposit collection
  2. savings mobilization
  3. loan sanction
  4. credit control
সঠিক উত্তর:
credit control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
credit control
ব্যাখ্যা
Bangladesh Bank:
- BB performs all the core functions of a typical monetary and financial sector regulator, and a number of other noncore functions.
- The major functional areas include:
• Formulation and implementation of monetary and credit policies.
• Regulation and supervision of banks and non-bank financial institutions, promotion and development of domestic financial markets.
• Management of the country's international reserves.
• Issuance of currency notes.
• Regulation and supervision of the payment system.
• Acting as banker to the government.
• Money Laundering Prevention.
• Collection and furnishing of credit information.
• Implementation of the Foreign exchange regulation Act.
• Managing a Deposit Insurance Scheme.

উৎস: Bangladesh Bank Website.
৭৬৫.
কোন ব্যাংক সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে?
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।

এছাড়াও, 
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

সূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭৬৬.
কোন দেশের সহায়তায় ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণীত হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) নেদারল্যান্ডস
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক একটি মহাপরিকল্পনা যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরুর মাধ্যমে ডেল্টা প্ল্যানের কার্যক্রমের শুরু হয়।
‍(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রথম আলো)
৭৬৭.
বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ব্যাংক চালু হয় কত সনে?
  1. ১৯৯৫ সনে
  2. ১৯৯৭ সনে
  3. ১৯৯৮ সনে
  4. ১৯৯৯ সনে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সনে
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের প্রতিটি পরিবারে একজন সদস্যের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কর্মসংস্থান ব্যাংক এ দেশের যুবসমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিজেদেরকে আরো নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করতে বিগত অর্থ-বছরে দেশব্যাপী ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয় ও ২৭৭টি শাখার মাধ্যমে ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- ব্যাংকের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০০.০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৫৫৯ কোটি টাকা।
- সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত পুঞ্জীভূতভাবে মোট ১৬,২৪৯.৭৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ এবং পুঞ্জিভুত ঋণ আদায় করা হয়েছে ১৪,৩৪০.১৪ কোটি টাকা।
- এ ঋণ সহায়তার মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে ১১,১১,৯১০ জন ঋণ গ্রহীতার কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া পরোক্ষভাবে উপকারভোগীর সংখ্যা ৪০,১৩,৯৯৫ জন। ২০২৩-২৪ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২,৮৮৪.৫৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - কর্মসংস্থান ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৬৮.
জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না-
  1. দেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের আয়
  2. রপ্তানি আয়
  3. প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
ব্যাখ্যা

• একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তাদের বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলে।
• এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত দেশি বিদেশি সকল নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
• তবে বিদেশে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
উৎসঃ অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  3. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  4. ফজলে কবির
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৭৭০.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১১.১২ শতাংশ
  2. ১১.৪৪ শতাংশ
  3. ১১.৬২ শতাংশ
  4. ১১.৭৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১১.৬২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫-এ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৭৭১.
দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. বাণিজ্য শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্য শুল্ক
ব্যাখ্যা
কর রাজস্ব:
- বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
- দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

২. আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

৩. আয়কর:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর।
- জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়।
- যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল (Progressive) হারে আয়কর আদায় করা হয়।

8. মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় ভ্যাট (Value Added Tax) নামে পরিচিত।
- বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবাখাতের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৭৭২.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয় সীমা -
  1. ৩ লাখ
  2. ৩ লাখ ৫০ হাজার
  3. ৪ লাখ
  4. ৪ লাখ ৫০ হাজার
  5. ৪ লাখ ৭৫ হাজার
সঠিক উত্তর:
৪ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ লাখ
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
৭৭৩.
বাংলাদেশে ব্যাংক নোট নয় কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৭৭৪.
পণ্যের দাম বাড়লে সরবরাহ_________।
  1. কমে
  2. সমান থাকে
  3. বাড়ে
  4. দ্রুত কমে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
যোগান/সরবরাহের ধারণা (Concept of Supply)
কোন বিক্রেতা বা উৎপাদন প্রতিষ্ঠান কোন নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট দামে তাদের উৎপাদিত পণ্যের যে পরিমাণ বিক্রয় করতে প্রস্তুত থাকে তাকে অর্থনীতিতে যোগান/সরবরাহ (Supply) বলে।

⇒ যোগানের অন্যতম একটি নির্ধারক হচ্ছে, 'দ্রব্যের দাম বাড়লে যোগানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে যোগানের পরিমাণ হ্রাস পায়।'

উৎস:
অর্থনীতি ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭৫.
RTGS-এর পূর্ণরূপ -
  1. Real Time Gross Standardize
  2. Real Time Gross Settlement
  3. Real Time Gross System
  4. Real Time Gross Service
সঠিক উত্তর:
Real Time Gross Settlement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real Time Gross Settlement
ব্যাখ্যা
RTGS:
- RTGS-এর পূর্ণরূপ: Real Time Gross Settlement.
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯শে অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করে।
- এটি একটি পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি ইকোসিস্টেমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি দেশে বৃহৎ মূল্য এবং সময় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদানের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে।

উল্লেখ্য,
- একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম হিসাবে, এটি একটি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকে রিয়েল-টাইমে এবং মোট ভিত্তিতে তহবিল স্থানান্তর নিশ্চিত করে৷
- এখানে রিয়েল-টাইম লেনদেনগুলির জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন নেই৷
- লেনদেনগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে নিষ্পত্তি করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৭৬.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিল্পায়ন
  2. স্বাস্থ্যসেবা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. শিক্ষা উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৭৭.
নিচের কোনটি GDP-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সেবা
  3. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য
  4. বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকের আয়
ব্যাখ্যা

GDP: 
- GDP -এর পুর্ন্রুপ Gross Domestic Product বা মোট দেশজ উৎপাদন। 
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় সাধারণত এক বছরে হিসাব করা হয়;
- পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য ধরা হয়;
- এতে ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা অন্তর্ভুক্ত হয়; এবং
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশি নাগরিকদের উৎপাদন এখানে আসে না।

উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭৮.
কোনটি অনুৎপাদনশীল ব্যয়?
  1. শরণার্থীর জন্য ব্যয়
  2. শিক্ষার জন্য ব্যয়
  3. স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়
  4. শিল্প খাতে ব্যয়
সঠিক উত্তর:
শরণার্থীর জন্য ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরণার্থীর জন্য ব্যয়
ব্যাখ্যা
সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়।
- যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে।
- সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।
- অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে। 

⇒ উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে সরকারি ব্যয় দুই প্রকার:
• উৎপাদনশীল ব্যয়:
- বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ইত্যাদি খাতে ব্যয় করে ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধি সম্ভব।
- তাই এগুলো উৎপাদনশীল খাত।

• অনুৎপাদনশীল ব্যয়:
- যেসকল খাতে সরকারি ব্যয় করলে ভবিষ্যাতে আয় বৃদ্ধির কোন সম্ভাবনা থাকে না সেগুলো অনুৎপাদনশীল খাত।
- যেমন- যুদ্ধের ব্যয়, শরনার্থীর জন্য ব্যয় ইত্যাদি। 

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭৯.
বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে কোনটি ঘটে?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রাস্ফীতি
  3. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. মুদ্রানীতি
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
ব্যাখ্যা
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি। এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়।
- পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
অন্যদিকে,
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে ‍মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- ডলারের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার মান হ্রাস করাকে মুদ্রার অবমূল্যায়ন বলে।
- মুদ্রানীতি হলো ‍মুদ্রার প্রক্ষেপণ যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণয়ন করে থাকে।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
৭৮০.
বাংলাদেশ কত সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০৩১ সালে
  3. ২০৩৫ সালে
  4. ২০৪১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪১ সালে
ব্যাখ্যা
LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না।
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা সামাল দিতে এ সময়সীমা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৮১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। 
- বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা। 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা। 

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৮২.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  4. ঘ) হস্তশিল্পজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- হোম টেক্সটাইল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৭৮৩.
নিচের কোন দুটি সরিষার জাত?
  1. ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) অগ্রদূত ও প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোনালি ও কল্যাণীয়া
ব্যাখ্যা
- সোনালি ও কল্যাণীয়া হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- অগ্রণী
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সোনালিকা ও আকবর : গমের জাত
- অগ্রদূত ও প্রভাতী : বাঁধাকপির জাত
- গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
৭৮৪.
‘থ্রি জিরো তত্ত্বের’ প্রবক্তা কোন নোবেল বিজয়ী?
  1. নার্গেস মোহাম্মদী
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাদিয়া মুরাদ
  4. মারিয়া রেসা
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব
- শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য তত্ত্বের জন্য।
- ‘থ্রি জিরো তত্ত্বের’ প্রবক্তা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।
 
উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া আয়োজিত একটি জন-বক্তৃতা অনুষ্ঠানে ভাষণ দেয়াকালে তার ‘তিন শূন্য’, অর্থাৎ শূন্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও শূন্য বেকারত্বের ধারণার ব্যাখ্যা করেছিলেন।

সূত্র- প্রথম আলো ও বিবিসি প্রতিবেদন।  
৭৮৫.
দেউলিয়া কে?
  1. ঋণ গ্রহীতা
  2. ঋণ পরিশোধে অক্ষম
  3. ঋণের জামানতকারী
  4. ঋণ খেলাপী
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ পরিশোধে অক্ষম
ব্যাখ্যা

দেউলিয়া:
- দেউলিয়া হলো ঋণ পরিশোধে অক্ষম। 

- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন পাওনাদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে অক্ষম হয় তখন উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সাধারণত: আইনসঙ্গতভাবে আদালত একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়া বলে ঘোষণা করতে পারে।
- সাধারণত: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই দুই ধরনের সত্ত্বাকে আইনগতভাবে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
- এই দুই ধরনের সত্ত্বার দেউলিয়ত্বের জন্য বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা আইনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- যুক্তরাজ্য সহ বেশ কিছু দেশে ব্যক্তি পর্যায়ের দেউলিয়ত্ত্বের জন্য রয়েছে ইনসল্ভেন্সি অ্যাক্ট (Insolvency Act) Insolvency Act 1986, অপরদিকে প্রাতিষ্ঠানিক দেউলিয়ত্বের জন্য রয়েছে কোম্পানি লিকুইডেশন অ্যাক্ট (Company Liquidation Act) Liquidation।

উৎস: Britannica.

৭৮৬.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ধান: তৃতীয়।
- চা: চতুর্থ।
- পাট: দ্বিতীয়।
- আম: সপ্তম।
- ইলিশ: প্রথম।
- মাছ: দ্বিতীয়।
- সবজি: তৃতীয়।
- পেঁয়াজ: তৃতীয়।
- আলু: সপ্তম।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৭৮৭.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কোন ইউনিট কাজ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. বাংলাদেশ এন্টি মানি লন্ডারিং কমিশন
  4. ফিনান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU ওয়েবসাইট
৭৮৮.
বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রধান কর্তৃপক্ষ হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৭৮৯.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. যমুনা ব্যাংক পিএলসি
  3. এবি ব্যাংক পিএলসি
  4. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
৭৯০.
ক্রলিং পেগ কী?
  1. বৈদেশিক মুদ্রার অতিমূল্যায়ন
  2. সামরিক সরঞ্জাম
  3. স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ক্রলিং পেগ:
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে।
- ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও পারবে না।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির হারে লাগাম টানার লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৮ শতাংশ করা হয়েছে।
- সেই সঙ্গে ডলারের বিনিময় মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্রলিং পেগ নামে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, ডিসেম্বর, ২০২৩ শেষে দেশে এখন সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৪১ শতাংশ। 

উৎস: ১৭ জানুয়ারী ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
৭৯১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মাথাপিছু জাতীয় আয়-
  1. ক) ২,৭২৩ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২,৮৯৪ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২,৮২৪ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২,৯১১ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৮২৪ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৮২৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৭২৩ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৮২৪ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫%।
- মুদ্রাস্ফিতি/ মূল্যস্ফিতি ৫.৮৩%।
৭৯২.
Which of the following is a payment system of Bangladesh?
  1. ক) BTGS
  2. খ) ITGS
  3. গ) BDTGS
  4. ঘ) RTGS
সঠিক উত্তর:
ঘ) RTGS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) RTGS
ব্যাখ্যা
RTGS এর পূর্ণরূপ - Real Time Gross Settlement.

নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমকে সহজতর করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে ২৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করেছে। 
 
RTGS হল একটি ইলেকট্রনিক সেটেলমেন্ট সিস্টেম যেখানে একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্কে রিয়েল-টাইমে তহবিল স্থানান্তর করা হয়।
 
উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট
৭৯৩.
বর্তমানে দেশে কয়টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩১টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৭টি
  4. ৪০টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Finance Companies (FCs)):
- ফাইন্যান্স কোম্পানি (FCs) হলো এমন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলো ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এর আওতায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
- এর মধ্যে ২টি সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন, ১টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহায়ক, ২টি সরকার এবং বিদেশী সরকারি সংস্থার যৌথ মালিকানাধীন, ১৯টি বেসরকারি দেশীয় উদ্যোক্তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং ১১টি দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগ।
- ফাইন্যান্স কোম্পানির প্রধান অর্থের উৎস হলো মেয়াদি আমানত (কমপক্ষে তিন মাসের মেয়াদ), ব্যাংক ও অন্যান্য ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে ঋণ সুবিধা, কল মানি, বন্ড এবং সিকিউরিটাইজেশন।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]

৭৯৪.
ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৭৯৫.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়টি ‘দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP)’ গ্রহণ করে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
PRSP এর পূর্ণরূপ হলো Proverty Reduction Strategy Papers. PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ সময়ে প্রথম এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে। এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
[সূত্রঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট]
৭৯৬.
নিচের কোনটি আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ?
  1. ক) আইএফআইসি
  2. খ) ওরিয়েন্টাল ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) অগ্রণী
  4. ঘ) আইসিবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
ব্যাখ্যা

আইসিবি ব্যাংক আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ।

-ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (বাংলাদেশ বিনিয়োগ সংস্থা, সংক্ষেপে আইসিবি) হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগ কোম্পানি, যা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (১৯৭৬ সালের ৪০ নং অধ্যাদেশ)-এর অধীনে ১ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত। -এটি একাধারে একটি বিনিয়োগ ও মার্চেন্ট ব্যাংক।

উৎস:icb.gov.bd

৭৯৭.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫০%
  2. খ) ৬.২৫%
  3. গ) ৬.৩৯%
  4. ঘ) ৬.৬৯%
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরের অর্থনীতির খাতগুলোর প্রবৃদ্ধির হারঃ
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
- সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫% ও
- শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৭৯৮.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে শিল্পখাতে অবদান হবে -
  1. ৩৭.৫৮%,
  2. ৪২.৫৮%,
  3. ৪৭.৫৮%,
  4. ৪১.৮৬%
সঠিক উত্তর:
৪১.৮৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১.৮৬%
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে অর্থনীতির বড় তিনটি খাতের অবদান হবে - 
- শিল্প খাতে - ৪১.৮৬%,
- সেবা খাতে - ৪৭.৫৮%,
- কৃষি খাতে - ১০.৫৬%।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৭৯৯.
বিশ্বব্যাংকের শ্রেণীবিন্যাস অনুসারে বাংলাদেশ একটি-
  1. ক) অনুন্নত দেশ
  2. খ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
  3. গ) উন্নয়নশীল দেশ
  4. ঘ) উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের শ্রেণীবিন্যাস অনুসারে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা. ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।

বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৮০০.
২০২৪ সালে কততম অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

⇒ ২০২৪ সালে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।