বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৬০১৭০০ / ১,৮৬১

৬০১.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-তে মোট কয়টি প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা দেওয়া হয়?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ৬ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
 সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
-  শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর {লিংক}।
৬০২.
ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা 'রকেট' চালু করে কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে: ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়: ৩১শে মার্চ, ২০১১ সালে।
- প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম: রকেট।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬০৩.
বাংলাদেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (GDP) হিসাব করার দায়িত্ব পালন করে কোন সংস্থা?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে ।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
- বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

→ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

উৎস:
i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট, 
ii) অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০৪.
স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের চেয়ারপার্সন -
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
-‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবার রূপ নিচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ।
- এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স কমিটির চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাঁচজন মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রীসহ সদস্য রয়েছেন ৩০ জন।
- দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দেবে এই 'টাস্কফোর্স'।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬০৫.
কোনটি মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়
  2. রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়
  3. রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
  4. সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বাড়বে
ব্যাখ্যা
মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।

⇔ মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৬.
"ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার" অপর নাম কী?
  1. কেন্দ্রীয় অর্থব্যবস্থা
  2. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  3. মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
  4. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদনের উপকরণসমূহের উপর ব্যক্তিগত মালিকানা বজায় থাকে এবং সমাজের যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেসরকারি পর্যায়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংঘটিত হয়।
- "ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা" এর অপর নাম মুক্তবাজার অর্থব্যবস্থা (Free Market Economy)।

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

১/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এত স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে। অর্থাৎ, ক্রেতা ও বিক্রেতা পণ্য দামাদামির উপর ভিত্তি করে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে।
২/ উৎপাদন, বিনিময়, বণ্টন ও ভোগ এই সকল গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডগুলো ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি উদ্যোগে হয়ে থাকে।
৩/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণগুলো ব্যক্তিমালিকানায় থাকে এবং ব্যক্তি কর্তৃক এগুলো ভোগ করার পাশাপাশি হস্তান্তর করা হয়ে থাকে।
৪/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকার শৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা ও সম্পদের মালিকানা রক্ষার মাধ্যমে ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় আয় বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়।
৬/ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোক্তার চাহিদা ও মুনাফার সুযোগের উপর ভিত্তি করে উৎপাদকরা বা ফার্মগুলো পণ্য উৎপাদন করে এবং তাদের পণ্য উৎপাদনের মূল উদ্দেশ্য থাকে মুনাফা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ১ম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৭.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে -
  1. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  2. রপ্তানি কমে
  3. আমদানি হ্রাস পায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমদানি হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমদানি হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬০৮.
'ট্যাক্স হলিডে' নীতির উদ্দেশ্য হলো:
  1. কর পরিশোধে উৎসাহিত করা
  2. কর পরিশোধের জন্য দিন ধার্য করা
  3. নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
  4. কর মেলার আয়োজন করা
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি। যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।

⇒ শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে। অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা। [NBR]

⇒ সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
৬০৯.
"এসএমই নীতিমালা" কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০১৭
  2. খ) ২০১৯
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
৬১০.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৬১১.
মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় -
  1. জাতীয় আয়
  2. মাথাপিছু আয়
  3. নীট জাতীয় উৎপাদন
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
নীট জাতীয় উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট জাতীয় উৎপাদন
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১২.
’জিআর’ নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক নিরাপত্তা
  2. সামাজিক আন্দোলন
  3. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  4. পল্লী উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।
৬১৩.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৩১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ক) ২.৬%
  2. খ) ২.৩%
  3. গ) ১.৩%
  4. ঘ) ২.৯%
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৩%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।


সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৬১৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াটে পৌঁছাবে?
  1. ২৫,০০০ মেগাওয়াট
  2. ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  3. ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ৩২,০০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৩০,০০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৬১৫.
“Desk Government” কি?
  1. ক) নির্বাচিত সরকার
  2. খ) স্বৈরতান্ত্রিক সরকার
  3. গ) ছায়া সরকার
  4. ঘ) আমলাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমলাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমলাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ ''Bureaucracy''। ইংরেজি ''Bureaucracy'' শব্দটি এসেছে ফরাসি থেকে। ফরাসিতে শব্দটি এসেছে ফরাসি 'Bureau' এবং গ্রিক 'Kratos' শব্দের সমন্বয়ে। 'Bureau' শব্দের অর্থ ডেস্ক বা অফিস এবং 'Kratos' শব্দের অর্থ শাসন বা রাজনৈতিক ক্ষমতা। সুতরাং আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ''Desk government'' বা ''দাপ্তরিক সরকার''। আক্ষরিক অর্থে আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন। বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৬১৬.
নিচের কোনটি তফসিলভুক্ত ব্যাংক নয়?
  1. বেসিক ব্যাংক লি.
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান ব্যাংক
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৬১৭.
বাংলাদেশের বীমা খাতের জন্য প্রণীত জাতীয় বীমা নীতি কোনটি?
  1. জাতীয় বীমা নীতি ২০১০
  2. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৩
  3. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
  4. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৫
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় বীমা নীতি প্রণয়ন করে, যা দেশের বীমা খাতের উন্নয়ন, সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
- এই নীতির লক্ষ্য বীমা খাতকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমার ভূমিকা নিশ্চিত করা।
- বীমাযোগ্য ঝুঁকিসমূহ নিরসনে বীমা সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়ন, আর্থিক শৃংখলা বজায়, বীমা সেবা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব সৃষ্টি এবং বীমা সেবার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে বীমা খাতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান সম্ভব হবে।

উৎস: জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬১৮.
বাংলাদেশে কোন অর্থ বছরে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়?
  1. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  2. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  3. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
  4. ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (নভেম্বর, ২০২৫) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৯০০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

⇒ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ।
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন।
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান।
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৬১৯.
Exclusive Economic Zone (EEZ) এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০০ নটিকেল মাইল
  2. ২০০ নটিকেল মাইল
  3. ৪০০ নটিকেল মাইল
  4. ৩০০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিকেল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালে সম্পাদিত জাতিসংঘের সমুদ্র বিষয়ক কনভেনশন অনুযায়ী উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার ) পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ সীমার মধ্যে উপকূলবর্তী দেশগুলো মাছ ধরা , বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একচেটিয়া অধিকার লাভ করে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
৬২০.
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে কে?
  1. জাতীয় উন্নয়ন কাউন্সিল
  2. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
  4. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৬২১.
কাবিখা কর্মসূচি কোন ধরনের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা উন্নয়ন
  2. দারিদ্র্য বিমোচন
  3. স্বাস্থ্যসেবা
  4. শিল্পায়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬২২.
সাধারণত ১ বছরের বেশি কিন্তু ৫ বছরের কম সময়কালের জন্য প্রণীত পরিকল্পনাকে বলা হয়-
  1. স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা
  2. দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা
  3. মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
  4. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যমেয়াদী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনার ধারণা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া। 
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। 

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।
২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan): মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে। কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৩.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের রেপো রেট কত শতাংশ? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ৯%
  2. ৯.৫০%
  3. ১১.৫০%
  4. ১১%
সঠিক উত্তর:
৯.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৫০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার বৃদ্ধি: 

- মূল্যস্ফীতি কমাতে বিদ্যমান নীতি সুদহার শতকরা ৯ শতাংশ হতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করে ৯.৫০ শতাংশে পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

ব্যাংক রেট (Bank Rate)
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে মুদ হারে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয় বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোকে তাকে ব্যাংক রেট বা হার বলে।
- বর্তমানে Bank Rate ৪%।

রেপোরেট (Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে স্বল্পমেয়াদী ঋণ গ্রহণ করে, তাকে Repo rate বলে।
- বর্তমান রেপোরেট ৯.৫০% (বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ)।
- সর্বনিম্ন রেপো নেট  ৪.৫০% (২০১০ সালে)। 

রিভার্স রেপোরেট (Reverse Repo Rate)
- বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্ধৃত অর্থ যেহারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে তাকে রিভার্স রেপো নেট বলে। 

Standing Lending Facility (SLF)
- স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটিকেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ব্যাংককে ওভার নাইট ঋন দিতে ব্যবহার করে এটি। 
- বর্তমান রেট  ১১%। 

Standing Deposit facilities (SDF) 
- বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি ব্যবহার করে।
- অর্থাৎ সে রেটে বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে  টাকা ডিপোজিট করতে পারে তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে SDF বলে।
 - বর্তমানে এসডিএফ রেট ৮%।

সূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক।
৬২৪.
অবচয় কোন ধরনের ব্যয়?
  1. দৃশ্যমান ব্যয়
  2. নগদ ব্যয়
  3. বাকি ব্যয়
  4. অনগদ ব্যয়
সঠিক উত্তর:
অনগদ ব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনগদ ব্যয়
ব্যাখ্যা
অবচয়:
- কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত স্থায়ী সম্পত্তি ব্যবহার, কালের আবর্তন, অপ্রচলন, সরাসরি ভোগ, বাজার মূল্যের স্থায়ী পতন ইত্যাদি দৃশ্যমান বা অদৃশ্য কারনে সম্পত্তির গুণ, পরিমাণ ও মূল্যের যে হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলা হয়।
- অবচয়ের ইংরেজী প্রতিশব্দ Depreciation ল্যাটিন শব্দ Depretium হতে উদ্ভূত হয়েছে।
- Depretium শব্দের অর্থ মূল্য হ্রাস।
- অর্থাৎ সম্পত্তি ব্যবহারের ফলে যে পরিমাণ মূল্য হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলে।
- আধুনিক হিসাববিজ্ঞানে অবচয়কে একটি বণ্টন প্রক্রিয়া বলা হয়।
- অন্যান্য খরচের মত অবচয়ও একটি খরচ এবং প্রতিষ্ঠানের লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়। 

⇒ অবচয়ের বৈশিষ্ট্য:
১. সম্পত্তির ব্যবহারজনিত ব্যয় (Expenditure due to uses of assets): মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য অর্জিত সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য যে ব্যয় নির্ধারিত হয় তাই অবচয়। মুনাফা নির্ণয়ের জন্য অবচয় অন্যান্য ব্যয়ের মত লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়।
২. মূলধনজাতীয় ব্যয়ের মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর (Transformation of capital expenditure into revenue expenditure): সম্পত্তি অর্জন ব্যয় একটি মূলধনজাতীয় ব্যয়। ইহার অংশ বিশেষ অবচয় হিসাবে মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর করা হয়।
৩. অনগদ ব্যয় (Non-cash expenditure): অবচয় একটি মুনাফাজাতীয় ব্যয় কিন্তু মূলধনজাতীয় ব্যয়ের অংশ বিশেষ। অবচয়ের জন্য চলতি বছরের কোন অর্থ ব্যয় করতে হয় না। তাই অবচয়কে একটি অনগদ ব্যয় বলা হয়।
৪. আনুমানিক ব্যয় (Estimated expense): অভিজ্ঞতা ও সম্পত্তির আনুমানিক কার্যকর জীবনকালের ভিত্তিতে অবচয় নির্ণয় করা হয়। তাই অবচয় একটি আনুমানিক ব্যয়।
৫. অদৃশ্য ব্যয় (Non-visible expense) : প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ব্যয়ের মত অবচয় দৃশ্যমান নয়। তবে সম্পত্তির কার্যক্ষমতার হ্রাস পাওয়া বুঝা যায়।
৬. তহবিলের উৎস (Sources of fund): অবচয় সরাসরি কোন তহবিল সৃষ্টি না করলেও অবচয় অনগদ ব্যয় বিধায় প্রতিষ্ঠান ঐ পরিমাণ নগদ অর্থ ধরে রাখার সুযোগ পায়। এই যুক্তিতে অনেক হিসাববিজ্ঞানী অবচয়কে তহবিলের উৎস বলে থাকেন।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৫.
বাংলাদেশে দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশের সাথে 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি' সম্পাদন করে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা

Preferential Trade Agreement (PTA):
- বাংলাদেশের প্রথম 'অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি'।
- বাংলাদেশের সাথে PTA (Preferential Trade Agreement) সম্পাদনকারী দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ ভুটান।
-৬ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে ভুটানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি অবশ্য পুরোপুরি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নয়, বরং বলা যায় এফটিএর আগের ধাপ বা আংশিক এফটিএ।
- এ চুক্তির আওতায় এখন বাংলাদেশ ভুটানে ১০০টি পণ্যে ও ভুটান বাংলাদেশে ৩৪টি পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৬২৬.
Which one of the following channels of remittance flows does not contribute to our Foreign Exchange Reserve?
  1. hundi
  2. banking
  3. draft
  4. online
সঠিক উত্তর:
hundi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
hundi
ব্যাখ্যা
হুন্ডি:
- মুদ্রা অর্থনীতিতে হুন্ডি একটি বহুল প্রচলিত অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়া।
- যে প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মরত একজন ব্যক্তি রেমিটেন্স বা অর্থ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রেরণ না করে অন্যকোনো মধ্যস্বত্বভোগী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- যারা ধনী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত, তারা অর্থ পাচার করে মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে।
- আর যাঁরা ঘুষ-দুর্নীতি, কর ফাঁকি, চোরাচালান বা অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছেন, তাঁরা অর্থ পাচারের জন্য বেছে নেন হুন্ডিকেই।
- সাধারণত ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হুন্ডির মাধ্যমে লেনদেন করা হয়।
- যার কারণে এটি আমাদের Foreign Exchange Reserve এ কোনো অবদান রাখে না।

উৎস: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬২৭.
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কোন বিভাগ বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে?
  1. অর্থ বিভাগ
  2. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  4. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
ব্যাখ্যা
অর্থ মন্ত্রণালয় (Ministry of Finance):
- অর্থ মন্ত্রণালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি),
২. অর্থ বিভাগ (এফডি),
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

⇒ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (Economic Relations Division):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম, নীতি প্রণয়ন, উক্ত বিষয়ে সুপারিশ প্রদান এবং দেশের উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনায় আর্থিক ঘাটতি পূরণের জন্য বৈদেশিক সহায়তা সংগ্রহের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপর ন্যস্ত।
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বৈদেশিক সম্পদ (অনুদান, ঋণ ও খাদ্য সাহায্য) আহরণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে থাকে।
- এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে বিভাগটি সরকার গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা এবং বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থার মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে।
- এ সকল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক অর্থ ছাড়করণ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহ পরিবীক্ষণ এ বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব।
- এ দায়িত্ব পালনের জন্য এ বিভাগের সমস্ত কার্যক্রমকে বিশ্বের ভৌগোলিক অবস্থানভেদে উন্নয়ন সহযোগী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার উপর ভিত্তি করে অনুবিভাগওয়ারি বিন্যস্ত করা হয়েছে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৬২৮.
কোন জেলায় শালবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল (মধুপুর), গাজীপুর (ভাওয়াল), ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে।
এই বনের মোট আয়তন প্রায় ১.২০ লক্ষ হেক্টর। এই বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। এটি একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬২৯.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রথম দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ ছিল কোনটি?
  1. ক) ২০০৩-২০০৬
  2. খ) ২০০৪-২০০৭
  3. গ) ২০১০-২০১৩
  4. ঘ) ২০০৫-২০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
• আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
• বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
• এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
• উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র:- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৬৩০.
কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৮৮ কি.মি.
  2. খ) ৯২ কি. মি.
  3. গ) ১০৫ কি. মি.
  4. ঘ) ১২৮ কি. মি.
  5. ঙ) ১৪৪ কি. মি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৮ কি. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২৮ কি. মি.
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প শুরু হয় ২০১১ সালে। চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু-কক্সবাজার-ধুমধুমিয়া পর্যন্ত মোট দৈর্ঘ্য ১২৮ কিলোমিটার। এই পথে মোট ৯ টি রেলস্টেশন হবে। (সূত্রঃ রেলপথ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো)
৬৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে অর্থনীতির খাতসমূহের কোন অংশের অবদান সর্বাধিক?
  1. কৃষি ও বনজ
  2. শিল্প ও বাণিজ্য
  3. মৎস্য সম্পদ
  4. সেবা
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপিতে) অর্থনীতির খাতসমূহের সেবা খাতের অবদান সর্বাধিক।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে,
⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
- শিল্প: ১৭.৩৭%, 
- সেবা: ৩৭.৯৬%।

⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১০.৯৪%।
- শিল্প: ৩৭.৪৪%।
- সেবা: ৫১.৬২%।

⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৬৩২.
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী, ২০২১ সালে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে-
  1. ক) ৩৫ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৩০ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০২১ অনুযায়ী ২০২১ সালে একটি শক্তিশালী শিল্পখাত গড়ে উঠবে যেখানে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান হবে ৪০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে অবদান হবে ২৫ শতাংশ। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
৬৩৩.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৫
  4. ১৯
সঠিক উত্তর:
১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪,৯৬৬ মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.০৩%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.২৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) ৭৬.৪%।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
• কৃষি: ১১.২০%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
• সেবা: ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬৩৪.
কোন সালে বাংলাদেশে বীমা জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা ব্যবসা জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৫.
কোনটি অর্থনৈতিক কাজ নয়?
  1. ডাক্তারি পেশা
  2. আইনজীবীর পেশা
  3. পণ্য ক্রয়-বিক্রয়
  4. একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
সঠিক উত্তর:
একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন ছাত্রের কলেজ টিমে ক্রিকেট খেলা
ব্যাখ্যা
 অর্থনৈতিক কাজ:
- অর্থনৈতিক কাজ হলো যেকোনো ধরনের কাজ যা মূলত অর্থনৈতিক উপকারিতা বা আয় সৃষ্টির লক্ষ্যে করা হয়।
- যেমন - কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদন ও বিক্রয়, চাকরি, ব্যবসা ইত্যাদি।
- কিন্তু একজন কলেজ ছাত্রের ক্রিকেট খেলা তার ব্যক্তিগত আগ্রহের কাজ। এতে তার কোনো অর্থনৈতিক লাভ হয় না। সুতরাং এটি অর্থনৈতিক কাজ নয়।

অন্যদিকে,
- ডাক্তারি পেশা, আইনজীবীর পেশা এবং পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সবগুলোই অর্থনৈতিক কাজ।

উৎস: Investopedia Website.
৬৩৬.
The Bank for International Settlement (BIS) is in -
  1. ক) Frankfurt
  2. খ) New York
  3. গ) London
  4. ঘ) Basel
সঠিক উত্তর:
ঘ) Basel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Basel
ব্যাখ্যা
• BIS:
- প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান - BIS
- BIS এর পূর্ণরুপ - the Bank for International Settlement
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৩০ সালে (হেগ সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- সুইজারল্যান্ড শহরের ব্যাসেল শহরে Bank for International Settlements অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: BIS ওয়েবসাইট।
৬৩৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার কত?
  1. ৫৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৪৮০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৪২০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপির আকার: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৪৪,৯০,৮৪২ কোটি টাকা (৪৫২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৬৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৬%
  2. ৩৭%
  3. ৩৮%
  4. ৩৯%
সঠিক উত্তর:
৩৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৩৯.
SLR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Liquidity Reserve
  2. Statutory Liquidity Ratio
  3. Systemic Liquidity Ratio
  4. Statutory Liquidity Requirement
  5. System Liquidity Reserve
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
ব্যাখ্যা

SLR:
- SLR-এর পূর্ণরূপ: Statutory Liquidity Ratio.
- সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) আমানতের ন্যূনতম শতাংশকে বোঝায় যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ভল্টে সোনার সম্পদ, নগদ বা সরকার- অনুমোদিত সিকিউরিটি হিসাবে বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়।
- CRR (Cash Reserve Ratio) হচ্ছে তফসিলি ব্যাংকগুলো কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংক বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার।
- এই অনুপাত বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকের অর্থনীতিতে অর্থ ইনজেক্ট করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- SLR (সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত) RBI দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- SLR ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, 1949 এর ধারা 24 (2A) দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) Business Standard.

৬৪০.
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয়কে বিবেচনা করা হয় -
  1. নীট দেশজ উৎপাদন (NDP)
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
  3. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)
  4. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
ব্যাখ্যা
⇒ মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

• দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪১.
বাংলাদেশের সরকারি নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. অর্থসচিব
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থসচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থসচিব
ব্যাখ্যা
⇒ ব্যাংক নোট:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নোট বের করে থাকে তাদের ব্যাংক নোট বলা হয়। এসব নোটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক নোটের সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলো:
• ১০ টাকা,
• ২০ টাকা,
• ৫০ টাকা,
• ১০০ টাকা,
• ২০০ টাকা,
• ৫০০ টাকা,
• ১০০০ টাকা।

⇒ সরকারি নোট:
- ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬৪২.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৬৪৩.
বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থা কীরূপ?
  1. ক) ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  3. গ) ইসলামী অর্থব্যবস্থা
  4. ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশ্র অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো মিশ্র অর্থব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় সম্পদের উপর সরকারি ও বেসরকারি মালিকানা পাশাপাশি বিদ্যমান।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয়, সমবায় ও ব্যক্তিগত মালিকানার উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মুক্ত বাজার অর্থনীতি চালু হয়।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও বাংলাদেশ সংবিধান)
৬৪৪.
মূল্য সংযোজন কর বা (VAT) কোন ধরণের কর?
  1. ক) প্রত্যক্ষ কর
  2. খ) পরোক্ষ কর
  3. গ) পরিপূরক কর
  4. ঘ) সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
খ) পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
→ প্রথম - মূল্য সংযোজন কর।
→ দ্বিতীয় - আয়কর।
→ তৃতীয় - সম্পূরক শুল্ক।
→ চতুর্থ - আমদানি শুল্ক।
→ পঞ্চম - আবগারি শুল্ক।
→ ষষ্ঠ - রপ্তানি শুল্ক।
→ উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা – ৮৮ লক্ষ প্রায়।

উৎস: বাজেট ২০২৩-২৪
৬৪৫.
নিচের কোনটি বিনিয়োগের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া?
  1. অর্থের সময়মূল্য
  2. বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ মূল্য
  3. মূলধন বাজেটিং
  4. বাট্টার হার নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
ব্যাখ্যা
মূলধন বাজেটিং
মূলধন বাজেটিং হলো কোন ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। সংকীর্ণ অর্থে, ফার্মের দালানকোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ের মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে মূলধন বাজেটিং বলে। ব্যাপক অর্থে, দীর্ঘদিন ধরে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত নগদ প্রবাহ পাবার আশায় যদি কোন ফার্ম তার তহবিল ১ বছরের বেশি সময়ের জন্য বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তবে তাকে মূলধন বাজেটিং বলে।

⇒ নগদ প্রবাহ দু'ধরনের হতে পারে (ক) আয় বৃদ্ধি ও (খ) ব্যয় হ্রাস।

সাধারণত কোন ফার্ম এর মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পদের সংযোজন, বিয়োজন, আধুনিকায়ন এবং প্রতিস্থাপন প্রভৃতি বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, মূলধন বাজেটিং হচ্ছে একটি বিনিয়োগ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ায় একটি ফার্ম তার দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগযোগ্য তহবিল বিভিন্ন লাভজনক দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ ও প্রকল্পে বিনিয়োগ করে থাকে । তাই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের পরিকল্পনা থেকে আরম্ভ করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই মূলধন বাজেটিং এর আওতাভুক্ত। মূলধন বাজেটিং এর বিকল্পরূপে মূলধন ব্যয় সিদ্ধান্ত, মূলধন খরচ ব্যবস্থাপনা, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, স্থায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি নামগুলোকে ব্যবহার করা যায়।

মূলধন বাজেটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- দীর্ঘমেয়াদের ভিত্তিতে তহবিলের বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহের সম্ভাবনায় বর্তমান তহবিল বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহ অব্যাহতভাবে অনেক বৎসর ধরে ঘটবে।
- তুলনামূলকভাবে অধিক ঝুঁকি নিতে হয়।
- ভবিষ্যত প্রাপ্তির সাথে চলতি বা বর্তমান তহবিলের বিনিময়।

উৎস: আর্থিক ব্যবস্থাপনা, OSBBA Program, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪৬.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ সিমেন্ট কারখানাটির অবস্থান-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) ছাতক
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছাতক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৬৪৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত একর?
  1. ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
  2. খ) ২ কোটি ১০ লক্ষ একর
  3. গ) ১ কোটি ৯৭ লক্ষ একর
  4. ঘ) ১ কোটি ৭৯ লক্ষ একর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ৯৯ লক্ষ একর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লক্ষ ৭৩ হাজার একর। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদী জমি বিদ্যমান রাজশাহী বিভাগে ৩২ লক্ষ ৯৮ হাজর একর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৬৪৮.
কোনো বিল অর্থবিল কিনা তাতে কার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গৃহীত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬৪৯.
বৃহৎ শিল্পখাতের কোন উপ-খাতটির জিডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. খনিজ ও খনন
  2. ম্যানুফ্যাকচারিং
  3. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
শিল্পখাত:
- বৃহৎ শিল্পখাতের ম্যানুফ্যাকচারিং উপ-খাতটির জিডিপির অবদান সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য,
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা
- খনিজ ও খনন
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ এবং
- নির্মাণ।



তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৬৫০.
৫ কোটি টাকার উর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ সকল প্রকল্প যাচাই ও অনুমোদন করে-
  1. অর্থমন্ত্রনালয়
  2. একনেক
  3. স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
একনেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একনেক
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি (একনেক):
- ১৯৮২ সালে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির গঠন কাঠামো ও কার্যাবলি নিরূপণ করা হয়।
- ওই  প্রস্তাবের ফলে এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সকল আদেশ বাতিল হয়ে যায়।
- ১৯৮২ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীকে আহবায়ক করে এ কমিটি গঠিত হয়।
- ২০০০ সালের জানুয়ারিতে জারিকৃত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে একনেকের সদস্য তালিকা থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রী/ প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দেওয়া হয়।
- সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একনেকের সভাপতি এবং অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি। 

• একনেকের বর্তমান বিবেচ্য বিষয়াবলি হচ্ছে:
- সকল প্রকল্প পরিকল্পনাপত্র যাচাই ও অনুমোদন;
- প্রকল্প মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত ৫ কোটি টাকার উর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ সকল প্রকল্প যাচাই ও অনুমোদন;
- উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা;
- বেসরকারি ও যৌথ উদ্যোগের বিনিয়োগ প্রকল্পসমূহ যাচাই;
- দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড তত্ত্বাবধান ও নীতিমালা পর্যালোচনা;
- সরকারি বিধিবদ্ধ কর্পোরেশনসমূহের আর্থিক কর্মসূচি পর্যালোচনা;
- সরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎপন্ন পণ্যাদির মূল্য এবং সরকারি সেবা খাতের রেট, ফি ইত্যাদি নির্ধারণ; এবং
- বৈদেশিক সাহায্য ও ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ ইত্যাদি।

উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৫১.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ৪.৬%
  2. ৪.৮%
  3. ৬.৬%
  4. ৬.৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৬%
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
-প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%। 

উৎস- পরিকল্পনা বিভাগ।  
৬৫২.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় বা অবচয় ব্যয় বাদ দিলে যা থাকে তাকে কী বলে?
  1. নিট দেশজ উৎপাদন
  2. মোট জাতীয় আয়
  3. নিট জাতীয় আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
নিট জাতীয় আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিট জাতীয় আয়
ব্যাখ্যা

⇒ মোট জাতীয় আয় (Gross National Income: GNI):
মোট জাতীয় আয় ও মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাণগতভাবে একই অর্থ প্রকাশ করে।
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলা যায়।
- GNI মোট দেশজ উৎপাদন এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক আয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য (GNI) থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (Capital Consumption Allowance-CCA) বা অবচয় ব্যয় (Depreciation Cost) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
- GDP জাতীয় আয় নির্ধারণ, সামষ্টিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন নীতি নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। GDP ধারণাটি GNP ধারণার সাথে সমজাতীয় হলেও উভয়ের মধ্যে কিছুটা তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয়-এর সমষ্টি (includes) থেকে দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ থেকে বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়।

⇒ নিট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product বা NDP):
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) হতে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (CCA) বা অবচয় ব্যয় (DC) বাদ দেওয়ার পর যা পাওয়া যায়, তাকে নিট দেশজ উৎপাদন বলে।

তথ্যসূত্র - Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত হবে?
  1. ১.১৫
  2. ১.১৮
  3. ১.২১
  4. ১.২৮
সঠিক উত্তর:
১.১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১৮
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদান্তে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৮.৫১%।
- মেয়াদান্তে মুদ্রাস্ফীতি হবে - ৪.৬০%।
- মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১৮ হবে।
- মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৬৫৪.
অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কয় ধরনের?
  1. ক) ৩ ধরনের
  2. খ) ৪ ধরনের
  3. গ) ৫ ধরনের
  4. ঘ) ২ ধরনের
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ৪ ধরনের।
যথা - ক. ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী খ. সমাজতান্ত্রিক বা নির্দেশমূলক গ. মিশ্র ঘ. ইসলামি
ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী : সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা, স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা, অবাধ প্রতিযোগিতা এবং ভোক্তার স্বাধীনতা।
সমাজতান্ত্রিক বা নির্দেশমূলক : সম্পদের রাষ্ট্রীয় মালিকানা, ব্যক্তিগত উদ্যোগের অনুপস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা।
মিশ্র : সম্পদের রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিমালিকানা।
ইসলামি : ইসলামি শরীয়া মোতাবেক পরিচালিত অর্থব্যবস্থা।
বাংলাদেশে মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।
উৎস : অর্থনীতি-রণজিত কুমার নাথ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।

৬৫৫.
কোনটি কমিউনিজমের মূলনীতি নয়?
  1. শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা
  2. রাষ্ট্রীয় মালিকানায় উৎপাদন ব্যবস্থা
  3. মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা

- মুক্ত বাজার ও প্রতিযোগিতা কমিউনিজমের মূলনীতি নয়।

কমিউনিজম (Communism):

- এর মূল সূত্রধারী: কার্ল মার্কস ও ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস।
- তাদের লেখা কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো (১৮৪৮) কমিউনিজমের তত্ত্বাবলম্বী বই হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯০০-এর দশকে রাশিয়ায় বোলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা।
- পরবর্তীতে চীন, কিউবা, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস ইত্যাদি দেশেও কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পায়।

• মূলনীতিসমূহ:
- শ্রেণীহীন সমাজ: সমাজের সব মানুষ সমান, কোন শ্রেণী বা বিরোধ থাকবে না।
- সরকারের নিয়ন্ত্রণ: উৎপাদনের সমস্ত উপকরণ ও সম্পদ রাষ্ট্রের মালিকানা  বা জনগণের সমষ্টিগত মালিকানায় থাকবে।
- বিনিময়হীন অর্থনীতি: পুঁজিবাদী বাজার ব্যবস্থার পরিবর্তে পরিকল্পিত অর্থনীতি চালু থাকবে।
- উৎপাদন ও বিতরণ: মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদ সরবরাহ করা হবে, আর বাজার ভিত্তিক মুনাফার ধারণা থাকবে না।

• বর্তমান অবস্থা:
- বর্তমানে অনেক দেশ বাজার অর্থনীতি ও ব্যক্তিগত মালিকানার সঙ্গে সীমিত পরিসরে কমিউনিস্ট নীতিগুলো মিশিয়ে শাসন পরিচালনা করছে, বিশেষ করে চীন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৫৬.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প সভাপতি -
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৬৫৭.
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)    
• দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স' প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
• ২০১২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)'।
• একাডেমিটি মূলত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
 
তথ্যসূত্র: বাপার্ড ওয়েবসাইট।
৬৫৮.
একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে কী বলে?
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. মাথাপিছু আয়
  4. নেট জাতীয় উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মোট দেশজ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product: GDP): 
- একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)।
- জিডিপি হিসাব করা হয় মূলত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য।
- তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসা করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসেবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- মূলত জিডিপি হচ্ছে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্য।

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product: GNP): 
- একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)।
- অর্থাৎ একটি দেশের নাগরিক নিজ দেশসহ বিশ্বের যেখানেই চাকরি বা ব্যবসা করুক না কেন যখন তাদের অর্জিত আয় দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয় তখন তা মোট জাতীয় উৎপাদন হিসেবে বিবেচিত হবে।
- জিএনপি হিসাব করা হয় একটি দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবদান বোঝার জন্য।
- যেমন-কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে চাকরি বা ব্যবসা করে অর্জিত অর্থের যে পরিমাণ অর্থ বৈধপথে বাংলাদেশে পাঠায় তা বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের অংশ হবে।

মাথাপিছু আয় (Per Capita Income: PCI)
- একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এর মাধ্যমে একটি দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়।
- যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত এবং অর্থনীতি তত বেশি সমৃদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬৫৯.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক এবং বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একত্রিত হয়ে গঠিত হয়-
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. কর্মসংস্থান ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (BDBL) গঠিত হয় ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে Companies Act,
- 1994 অনুযায়ী একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে।
- এটি গঠিত হয় রাষ্ট্রীয় খাতে দুইটি উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (DFIs)- 
১) বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (BSB) এবং
২) বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (BSRS).

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

৬৬০.
GDP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Gross Domestic Product
  2. Global Domestic Production
  3. Gross Development Progress
  4. Growing Domestic Product
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product
ব্যাখ্যা

GDP:
- GDP এর পূর্ণরূপ Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।
- মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে অবস্থানরত দেশি ও বিদেশি সকল সম্পদ ব্যবহার করে এক বছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার বাজার মূল্য।
- জিডিপি একটি দেশের ভুগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য হিসাব করে।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদন ক্ষমতার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে এবং দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬১.
বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন দেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রেমিট্যান্স:

- সম্প্রতি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর-এই তিন মাসের প্রবাসী আয়–সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রেরণকারী দেশ হিসেবে টানা তিন মাস ধরে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৪০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই তালিকায় শীর্ষ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- দেশটি থেকে অর্থবছরের তিন মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৯৯ কোটি ডলার।
- এরপরে রয়েছে যথাক্রমে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, ইতালি, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদন।
৬৬২.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৬৬৩.
ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়নে বাংলাদেশকে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৬৬৪.
রূপকল্প-২০৪১ এর মেয়াদ শেষে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯ শতাংশ
  2. ৯.৫ শতাংশ
  3. ৯.৭ শতাংশ
  4. ৯.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৬৬৫.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন দেশে প্রথমবারের মতো পন্যবাহী জাহাজ যায়?
  1. ক) পর্তুগাল
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।
- ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়। 
- চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
৬৬৬.
নিচের কোনটি সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই?
  1. ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক
  2. ইউনিয়ন ব্যাংক
  3. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
  4. আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই। 

সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

৬৬৭.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  2. খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
  3. গ) গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছরে বৃদ্ধি করা
  4. ঘ) দারিদ্র্য হার শূন্যে নামিয়ে আনা
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে ২০২১-২০৪১ মেয়াদে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার মূল বিষয় হলো ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২,৫০০ ডলারে উন্নীত করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা। এছাড়া বৈষম্য হ্রাস, দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ প্রভৃতি এই পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য।
(সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন)
৬৬৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা-
  1. ক) ১৬.৯১ কোটি
  2. খ) ১৬.৮০ কোটি
  3. গ) ১৬.৫১ কোটি
  4. ঘ) ১৭.০৮ কোটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭.০৮ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭.০৮ কোটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭.০৮ কোটি
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত: ১০০.২ : ১০০।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭২.৮ বছর।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২%।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৪০ জন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৬৬৯.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী'-এর সংক্ষিপ্তরূপ কোনটি?
  1. ADP
  2. GDP
  3. GNI
  4. GNP
সঠিক উত্তর:
ADP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ADP
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি।
- ২০২৫-২৬ বাজেট অনুসারে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ জিএনপি বা মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP or Gross National Product):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত: এক বছরে একটি দেশে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার সমষ্টি হলো মোট জাতীয় উৎপাদন। মোট উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্মকে তাদের গড় মূল্য দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় জিএনপি। 

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন। মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়। এর ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে। দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়। একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে। 

⇒ Gross Domestic Product (GDP):
- একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। অর্থাৎ, জিডিপি তে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সকল দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মূল্য হিসাব করা হয়। 

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP)
- নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার কত ছিল? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৮.০৩ শতাংশ
  2. ৯.০৩ শতাংশ
  3. ১০.০৩ শতাংশ
  4. ১১.০৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১০.০৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.০৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গড় মূল্যস্ফীতি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
-  ২০১৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে। ওই অর্থবছরে ৯ শতাংশের কিছু বেশি হয় গড় মূল্যস্ফীতি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে হয় ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
- গত জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়েছে, যা বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৭১.
বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কোন আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১১
  2. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৬
  3. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৭
  4. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬৭২.
কারখানা কোন ধরণের উপযোগ সৃষ্টি করে?
  1. স্বত্বগত
  2. রুপগত
  3. নির্মাণ
  4. সময়গত
সঠিক উত্তর:
রুপগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুপগত
ব্যাখ্যা
- কারখানা বিভিন্ন উপাদান থেকে শেষ পণ্য তৈরি করে।
- এখানে উপাদানসমূহ রুপগত বা ফর্ম ইউটিলিটি সৃষ্টি করে, অর্থাৎ উপাদানগুলোকে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে একটি নতুন রূপে পরিণত করে।
-সুতরাং, কারখানা রুপগত বা ফর্ম ইউটিলিটি সৃষ্টি করে।

অন্যদিকে,
- স্বত্বগত বা সাবস্ট্যান্স ইউটিলিটি হলো পণ্যের গুণ বা মানদণ্ড যা তার স্বত্বে বিদ্যমান থাকে।
- কারখানা তা সৃষ্টি করে না।

উৎস:  Investopedia Website [link]
৬৭৩.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত মুদ্রাস্ফিতির হার -
  1. ক) ৫.৩ শতাংশ
  2. খ) ৫.৬ শতাংশ
  3. গ) ৬.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৭.২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত মুদ্রাস্ফিতির হার - ৫.৬%। 
• ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ছিল ৫.৩ শতাংশ। 

তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট। 
৬৭৪.
বীমা কোম্পানিগুলাে জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বীমা হচ্ছে একজনের ঝুঁকিকে অনেকের কাঁধে বিস্তৃত করার একটি বৈধ ব্যবস্থা।
- ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল।
- এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
- এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
- এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি বীমা আইন-১৯৭৩ এর অধীনে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়।
- এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়।
- একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬৭৫.
সরকারের আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) সম্পূরক শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা।
বাজেটের অর্থসংস্থান:
- এনবিআর কর রাজস্ব : ৫৪.৭ শতাংশ
- অভ্যন্তরীণ ঋণ : ১৮.৮ শতাংশ
- বৈদেশিক ঋণ : ১৬.২ শতাংশ
- কর বহির্ভূত রাজস্ব : ৭.১ শতাংশ
- এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব : ২.৬ শতাংশ
- বৈদেশিক অনুদান : ০.৬ শতাংশ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়ের উৎস সমূহ:
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।

(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৬৭৬.
নিচের কোনটি 'পরোক্ষ কর'?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. সম্পদ কর
  3. বিক্রয় কর
  4. আয়কর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা

⇒ প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

⇒ পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭৭.
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোনটি?
  1. ক) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
  4. ঘ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ১০০ বছর মেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০। ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় এটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে ১২ সদস্যের ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস সহায়তা করে।
(সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর)
৬৭৮.
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে বাজার মূলধন এক বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক ব্যাংক:
- দেশের শেয়ারবাজারে এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাজার মূলধন অতিক্রম করেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক।
- ২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম ব্যাংকটি এ মাইলফলক অর্জন করেছে।
- বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্র্যাক ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। 

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে ব্র্যাক ব্যাংক।
- বর্তমানে সারা দেশে ১৯১টি শাখা, ৯৪টি উপশাখা, ১ হাজার ১২১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৮ হাজারেরও বেশি কর্মী নিয়ে এই ব্যাংকের কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে।
- আর গ্রাহক সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
৬৭৯.
বাংলাদেশে কত শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে?
  1. ক) ৩ শ্রেণি
  2. খ) ২ শ্রেণি
  3. গ) ৪ শ্রেণি
  4. ঘ) ৫ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক: যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। 
২। অ-তফসিলী ব্যাংক: যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
• মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬৮০.
বাংলাদেশে কতটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩২টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। 
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। (Link) (Link2)

৬৮১.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) -
  1. ক) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
  2. খ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
  3. গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  4. ঘ) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
৬৮২.
রূপকল্প-২০৪১ এ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.৮%
  2. ৭.১%
  3. ৮.৩%
  4. ৯.৯%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা

রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)। 
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।

৬৮৩.
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬৮৪.
ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি, মুক্ত বাজার ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের প্রবর্তক -
  1. ক) ডেভিড রিকার্ডো
  2. খ) এরিস্টল
  3. গ) অ্যাডাম স্মিথ
  4. ঘ) বব কলিনস
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাডাম স্মিথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা
- ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি, মুক্ত বাজার ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের প্রবর্তক - অ্যাডাম স্মিথ
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- কাঠামোগত সংস্কার সাধনের ফলে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে এবং সরকারের ব্যয় কমবে;
- প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার কারণে পণ্যের ব্যয় কমবে;
- প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার কারণে পণ্যের মান বাড়বে এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে;
- খোলাবাজার অর্থনীতি অনুসরণ করার ফলে রপ্তানীমুখী বিভিন্ন শিল্প স্থাপিত হওয়ার ফলে বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি করবে হবে;
- অদক্ষ এবং অযোগ্য রুগ্ন শিল্পগুলোর দায়দায়িত্ব সরকারের হাতে থাকবে না। ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়া হলে মালিক পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থেই এসব শিল্পসমূহকে পুনরুজ্জীবিত করবে।

উৎস: উৎস: ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৫.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা কত বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ১-৫ বছর
  2. ১-৭ বছর
  3. ২-১০ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১-৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা ১-৫ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়।

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:

- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন ৫ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।
- স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল -
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৬.
GDP হিসাবের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি গণ্য হয় না?
  1. ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
  2. খ) রপ্তানি আয়
  3. গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. ঘ) ইপিজেডের উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
ব্যাখ্যা
- GDP (Gross Domestic Product) বা স্থূল দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।
- GDP হিসাবে দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হলেও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- GNP (Gross National Product) বা স্থূল জাতীয় উৎপাদনে প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় কিন্তু দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি : রণজিৎ কুমার নাথ)
৬৮৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুসারে, দেশের কোন জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. ক) মুন্সিগঞ্জ
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) মাদারীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ ১৬-তম খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে,
সবচেয়ে কম দারিদ্র্য হারের জেলাসমূহ:
- প্রথম : নারায়ণগঞ্জ
- দ্বিতীয় : মুন্সিগঞ্জ
- তৃতীয় : মাদারীপুর।
সর্বাধিক দারিদ্র্য হারে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : কুড়িগ্রাম
- দ্বিতীয় : দিনাজপুর
- তৃতীয় : বান্দরবান।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)

৬৮৮.
২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে (ফিসিক্যাল ইয়ার ২০২৪-২৫) বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সবচেয়ে বেশি এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে।
 • নেদারল্যান্ডস সর্বোচ্চ FDI নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, যা মোট FDI প্রবাহের প্রায় ২৭%।


উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ২০২৫ অর্থবছরে ১৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
 
 উৎস: TBS ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]

৬৮৯.
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় -
  1. ৬-৮%
  2. ৮-৯%
  3. ৮-১০%
  4. ৯-১১%
সঠিক উত্তর:
৬-৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬-৮%
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৬৯০.
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় -
  1. ২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৮ মার্চ, ১৯৭২
  4. ১২ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো।
- কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
ii) ২৩ মে ২০২৩, প্রথম আলো।
৬৯১.
২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর হতে অর্থনীতির মোট খাত-
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
- ২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর হতে অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি

১)  কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ
২) খনিজ ও খনন
৩ ) ম্যানুফ্যাকচারিং
৪ ) বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
৫) পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম 
৬ ) নির্মাণ 
৭ ) পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত  
৮) পরিবহণ এবং সংরক্ষণ
৯ ) আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম 
১০) তথ্য ও যোগাযোগ 
১১ ) আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম
১২) রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম   
১৩ ) পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম 
১৪) প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম 
১৫) জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা 
১৬ ) শিক্ষা 
১৭) মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম 
১৮) শিল্পকলা ও বিনোদন 
১৯ ) অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

- ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছরে অর্থনীতির মোট খাত ছিল ১৫টি‌।


উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৬৯২.
বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা কত?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:

- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- 'কোরিয়ান ইপিজেড' চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১।
৬৯৩.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. জাপান
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে।

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে।
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো ও কালের কণ্ঠ।
৬৯৪.
'Bank for the Poor' নামে পরিচিত ব্যাংক কোনটি?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. গ্রামীণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- 'Bank for the Poor' নামে পরিচিত ব্যাংক গ্রামীণ ব্যাংক।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৬৯৫.
দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বিনিয়োগের জন্যে গঠিত তহবিল কোনটি?
  1. BIDF
  2. BDF
  3. BIDA
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
BIDF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIDF
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৈদেশিক ‍মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগের লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন ফান্ড বা Bangladesh Infrastructure Development Fund (BIDF) গঠন করেছে।
- গত ১৫ মার্চ ২০২১ এই তহবিলের উদ্বোধন করা হয়।
- এই তহবিল থেকে সর্বপ্রথম পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষকে ৫,৪১৭ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করে
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৬৯৬.
How many Islamic Shariah-based banks are there in the country?
  1. ক) 11
  2. খ) 14
  3. গ) 12
  4. ঘ) 10
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10
ব্যাখ্যা
• দেশে বর্তমানে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক রয়েছে - ১০টি। এগুলো হলো - 
• ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি, ইউনিয়ন, সোশ্যাল ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, আল-আরাফাহ্, এক্সিম, শাহজালাল, স্ট্যান্ডার্ড ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
৬৯৭.
বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট- ২০২৫ অনুসারে, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ কত শতাংশ বেড়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২২ শতাংশ
  2. ৩২ শতাংশ
  3. ৪২ শতাংশ
  4. ৫২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ:
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৫ অনুসারে, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪২ শতাংশ।
- পাঁচ বছরে আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৩৫৫ কোটি ডলার।
- ২০২৪ সাল শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ১০ হাজার ৪৪৮ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। 
- এই হিসাব সরকারি ও বেসরকারি- দুই ধরনের ঋণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে বিশ্বব্যাংক।
- এছাড়া, বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের পরিমাণ গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ঋণ পায়।
- মোট ঋণের প্রায় ২৬ শতাংশই বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পেয়েছে বাংলাদেশ।
- এরপর আছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাপান।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [link]

৬৯৮.
মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসার মূল লক্ষ্য কী?
  1. ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জন
  2. সামাজিক সমস্যার সমাধান
  3. বৈশ্বিক বাজার দখল
  4. প্রযুক্তি উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যার সমাধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক সমস্যার সমাধান
ব্যাখ্যা
সামাজিক ব্যবসা: 
- মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত সামাজিক ব্যবসা হলো একটি নতুন ব্যবসার ধারণা, যেখানে মূল লক্ষ্য মুনাফা নয়, বরং সামাজিক সমস্যার সমাধান।
- এ ধরনের ব্যবসা মুনাফা অর্জন করে, কিন্তু মালিক সেই মুনাফা গ্রহণ করে না; বরং বিনিয়োগ ফেরত পেলে বাকি মুনাফা ব্যবহার হয় সামাজিক কল্যাণে।
- সামাজিক ব্যবসা প্রচলিত পুঁজিবাদের একমাত্র মুনাফাকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করে।
- এটি মানবপ্রকৃতির নিঃস্বার্থ দিকটিকে সামনে এনে সমস্যার টেকসই সমাধানের পথ তৈরি করে।
- বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসার প্রসার ঘটছে, যেমন: বাংলাদেশ, চীন, জার্মানি, ভারতসহ বহু দেশে।
- ইউনূস সেন্টার ‘সোশ্যাল বিজনেস ডিজাইন ল্যাব’ আয়োজনের মাধ্যমে সামাজিক ব্যবসার প্রকল্প তৈরি ও বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- ড. ইউনূস বলেন, ক্ষুদ্রঋণ নিজেই একটি সামাজিক ব্যবসা। তিনি বিশ্বাস করেন, সফল সামাজিক ব্যবসা টিকে থাকবে এবং ভবিষ্যতে এর প্রসার ঘটবে।
- ড. ইউনূসের মতে, সামাজিক ব্যবসা এমন একটি মডেল যেখানে ব্যবসা লোকসান ছাড়াই মুনাফা অর্জন করে, তবে সেই মুনাফা সমাজের উন্নয়নে ব্যয় হয়।
- উদাহরণ: গ্রামীণ ড্যানোন—ফরাসি প্রতিষ্ঠান ড্যানোনের সঙ্গে গ্রামীনের যৌথ উদ্যোগ। এটি গ্রামের দুগ্ধ খামারিদের কাছ থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে, গ্রামীণ নারীদের মাধ্যমে বাজারজাত করে এবং কম মূল্যে দই বিক্রি করে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- মূল লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা সমাধান।
- মুনাফার ব্যবহার: সেবার মান উন্নয়ন ও বিস্তারে।
- টেকসই পদ্ধতি: দানের পরিবর্তে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিনিয়োগ।

সামাজিক ব্যবসা দিবস উদযাপন: 
- ২৮ জুন ২০১১ তারিখে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ইউনূস সেন্টারের উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক ব্যবসা দিবস পালিত হয়।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
৬৯৯.
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট প্রকাশ করে?
  1. ক) ৫০ টাকা
  2. খ) ২০০ টাকা
  3. গ) ৫০০ টাকা
  4. ঘ) ১০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇨ ২৩ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
⇨ ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও বঙ্গবন্ধুর ম্যূরাল-১ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
⇨ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ টাকা মূল্যমানের একটি ডাকটিকিট, ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫০ টাকা মূল্যমানের চারটি স্মারকপত্র এবং ৫ টাকার একটি ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেন।
⇨ ২৬ জুন, ২০২২ তারিখে সকাল ৬টা থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় পদ্মা সেতু।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৭০০.
বাংলাদেশ থেকে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ থেকে ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৭,৪৭০ জন)।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।