বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৫০১৬০০ / ১,৮৬১

৫০১.
নিচের কোনটি সংরক্ষিত শিল্প?
  1. ক) বৈদেশিক কর্মসংস্থান
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  4. ঘ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পারমাণবিক শক্তি
- অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক শিল্প
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমিতে যান্ত্রিক আহরণ।
অন্যদিকে,
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, জাহাজ নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি হলো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
৫০২.
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী ধরনের আয় পাওয়া যায়?
  1. ব্যয়যোগ্য আয়
  2. জাতীয় আয়
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
৫০৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ -
  1. জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
  2. জুলাই, ২০২১ - জুন, ২০২৬
  3. জুলাই, ২০২২ - জুন, ২০২৭
  4. জুলাই, ২০২৩ - জুন, ২০২৮
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৫০৪.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুসারে, কোম্পানির কত শতাংশ পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে?
  1. ২০%
  2. ৩০%
  3. ৪৫%
  4. ৫০%
  5. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৫০৫.
অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ ফোরাম কোনটি?
  1. ক) NICAR
  2. খ) ERD
  3. গ) ECNEC
  4. ঘ) NIEM
সঠিক উত্তর:
গ) ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ECNEC
ব্যাখ্যা

• দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
• এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রপতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
• এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয় ।
• এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
• NICAR হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
উৎসঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৫০৬.
নিচের কোনটি রেওয়ামিলে অন্তর্ভুক্ত হবে না?
  1. ব্যাংক চার্জ
  2. হাতে নগদ
  3. অনাদায়ী পাওনা
  4. মজুরি
সঠিক উত্তর:
হাতে নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতে নগদ
ব্যাখ্যা
- হাতে নগদ, ব্যাংক জমা, দেনাদার, পাওনাদার প্রভৃতি চলতি সম্পদ ও চলতি দায়ের প্রারম্ভিক উদ্বৃত্ত রেওয়ামিলে আসবে না কারণ এগুলো সংশ্লিষ্ট হিসাবের সমাপনী উদ্বৃত্তের সাথে সমন্বিত থাকে।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,২০১৮।
৫০৭.
আশ্রয়ণ কী?
  1. ক) একটি সরকারি প্রকল্প
  2. খ) একটি বেসরকারি প্রকল্প
  3. গ) একটি এনজিও প্রকল্প
  4. ঘ) একটি বিদেশী প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
ক) একটি সরকারি প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একটি সরকারি প্রকল্প
ব্যাখ্যা
• আশ্রয়ণ প্রকল্প (আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প নামেও পরিচিত), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন।
২. প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা।
৩. আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৫০৮.
একনেক কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৫০৯.
বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ইউনিসেফ
  2. খ) আইএমএফ
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) জাতিসংঘ
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ,
- অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৫১০.
ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় আয় কত?
  1. ক) $১,৮২৭
  2. খ) $১,৯০৯
  3. গ) $২,৭৫৬
  4. ঘ) $৩,৫২৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) $৩,৫২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) $৩,৫২৪
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP) - এর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০১৮ অনুসারে,
ক্রয় ক্ষমতা বা Purchasing Power Parity (PPP) - এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ৩,৫২৪ মার্কিন ডলার।
অন্যদিকে, স্থিরমূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ১৯০৯ মার্কিন ডলার।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৫১১.
Which of the following is not a function of commercial bank?
  1. ক) Receiving deposit
  2. খ) Disbursing loans and advances
  3. গ) Transferring money
  4. ঘ) Controlling the money supply
  5. ঙ) Dealing in foreign exchange
সঠিক উত্তর:
ঘ) Controlling the money supply
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Controlling the money supply
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হল:

- কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ করতে পারে না।
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা।
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা, বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া।
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন।
- তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য হলো মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫১২.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত আছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো একপ্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো জুষ চাষ করে।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৫১৩.
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের গঠন:
- বিগত ২৯-০১-২০০৯ খ্রিঃ তারিখে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী (প্রজ্ঞাপন নং-মপবি/ক:বি:শা:/মসক-১/২০০৯/৪১) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনকে নিম্নরূপে পূনর্গঠন করা হয়:

→ প্রধানমন্ত্রী (চেয়ারপারসন) ।
→ পরিকল্পনা মন্ত্রী (ভাইস-চেয়ারম্যান)।
→ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ (সদস্য)।
→ সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ (সদস্য-সচিব)।
 
- ৩১ জানুয়ারী ১৯৭২ সনে “বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) “পরিকল্পনা বোর্ড” গঠনের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সূচনা হয়। 

→ পরিকল্পনা কমিশনের আওতায় মোট ৬টি বিভাগ রয়েছে।
বিভাগসমূহ হচ্ছে
-সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ,
- কার্যক্রম বিভাগ, 
- আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ, 
- কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ, 
- শিল্প ও শক্তি বিভাগ 
- এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগ।
 
 উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫১৪.
What will be the inflation rate target of 8th five year plan?
  1. 4.1%
  2. 4.3%
  3. 4.6%
  4. 4.7%
সঠিক উত্তর:
4.6%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4.6%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৫১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ৩৬.২৭%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৩৮.৪৯%
  4. ৩৯.৮১%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫১৬.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম কবে প্রথম শুরু হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৭ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।
- বর্তমানে - জনপ্রতি মাসে ৬৫০ টাকা হারে এ ভাতা প্রদান করা হয় (২০২৫-২৬ অর্থবছর)।
 
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।

৫১৭.
আমাদের দেশের চরম দরিদ্র কারা?
  1. ক) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  2. খ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির সমপরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করে
  3. গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
  4. ঘ) যারা দৈনিক ২,১২২ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যারা দৈনিক ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিমাপ পদ্ধতি হিসেবে দেশে প্রথম ‘খানা ব্যয় জরিপ’ (Household Expenditure Survey - HES) পরিচালিত হয় - ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে। তখন খানা ব্যয় জরিপের ভিত্তি ছিল - ২টি। যথা –
- খাদ্য শক্তি গ্রহণ (Food Energy Intake-FEI) ও
- প্রত্যক্ষ ক্যালরি গ্রহণ (Direct Calorie Intake-DCI)

• দৈনিক জনপ্রতি ২,১২২ কিলোক্যালরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে অনপেক্ষ দারিদ্র্য (Absolute Poverty)।
• দৈনিক জনপ্রতি ১,৮০৫ কিলোক্যালোরির নিচে খাদ্য গ্রহণকে চরম দারিদ্র্য (Hard Core Poverty) হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ ও খানা আয়-ব্যয় জরিপ, ২০১৬।
৫১৮.
মূলধন তহবিল বলতে কি বুঝায়?
  1. আয় ও ব্যয়ের হিসাব
  2. সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
  3. নগদ প্রাপ্তি ও প্রদানের পার্থক্য
  4. সম্পত্তি ও দায় হিসাব
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্য
ব্যাখ্যা
মূলধন তহবিল:
- অব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সম্পত্তি ও দায়ের পার্থক্যকে মূলধন তহবিল বলে।
- অনেক প্রতিষ্ঠান একে সাধারণ তহবিল (General Fund) বলে।
- মূলধন তহবিলকে নীট সম্পত্তিও বলা হয়।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৯.
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. ড. আখতার হামিদ খান
  4. স্যার ফজলে হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৫২০.
আমাদের দেশে কাদের চরম দারিদ্র্য বোঝানো হয়?
  1. ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  2. খ) যারা ১৮০৫ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  3. গ) যারা ২০০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
  4. ঘ) যারা ২৫০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
সঠিক উত্তর:
ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যারা ১৭০০ কিলোক্যালরি বা তার সমপরিমাণ খাবার খায় তাদের
ব্যাখ্যা
চরম দারিদ্র্য:
- চরম দারিদ্র্য হলো সবচেয়ে গুরুতর ধরনের দারিদ্র্য, যাকে জাতিসংঘ (UN) দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে 'খাদ্য, নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন সুবিধা, স্বাস্থ্য, আশ্রয়, শিক্ষা এবং তথ্যসহ মৌলিক মানবিক চাহিদাগুলির গুরুতর বঞ্চনার দ্বারা চিহ্নিত একটি অবস্থা'।
- দারিদ্র্যতাকে আবার অনেকেই ক্যালরি গ্রহনের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন। 
- একটি নির্দিষ্ট স্তরের নিচে ক্যালরি গ্রহিতারাই দরিদ্র।
-  FAO, BBS এর গবেষনা অনুযায়ী যারা ২২০০ ক্যালরী শক্তির খাদ্য পায় না তারাই দরিদ্র।
- বাংলদেশে সামর্থ্যের অভাবে দৈনিক ২১২২ কিলোক্যালরীর কম খাদ্য গ্রহণকারীদের অবস্থান ‘দারিদ্র্য সীমার নিচে’ ধরা হয়।
- বাংলাদেশে কমপক্ষে দৈনিক ১৮০৫ কিলোক্যালরী গ্রহণকে দারিদ্র্য রেখা-২ বলা হয় এবং যারা এর নিচে অবস্থান করে তাদেরকে চরম দারিদ্র্য বলা হয়।

[যেহেতু অপশনে ১৮০৫ এর নিচে শুধু ১৭০০ ক্যালরি আছে, সে হিসেবে অপশন (ক) অধিক যুক্তিযুক্ত উত্তর।]


উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২১.
একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে -
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. মাথাপিছু আয়
  4. নেট জাতীয় উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মোট দেশজ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product: GDP)
- একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)।
- জিডিপি হিসাব করা হয় মূলত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য।
- তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসা করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসেবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- মূলত জিডিপি হচ্ছে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্য।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫২২.
e-TIN কী?
  1. অটোমেটেড পেমেন্ট গেটওয়ে
  2. অটোমেটেড পেমেন্ট সিস্টেম
  3. করদাতার পরিচিতি নম্বর
  4. মূল্য সংযোজন কর নম্বর
সঠিক উত্তর:
করদাতার পরিচিতি নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করদাতার পরিচিতি নম্বর
ব্যাখ্যা
e-TIN: 
- করদাতা  হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত  ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন  (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি  প্রবর্তন করেছিল।
- ই-টিআইএন (e-TIN) মানে ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার। 
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- e-TIN করদাতার পরিচিতি নম্বর। 
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
৫২৩.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয় কত সালে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৬
  4. ১ জুন, ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় — ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর,
- দ্বিতীয় : আয়কর, 
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক, 
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক।

উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।

৫২৪.
বিহিত মুদ্রা কি?
  1. ক) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রা
  2. খ) বিদেশ থেকে আগত মুদ্রা
  3. গ) অর্থ মন্ত্রনালয়ের কর্তৃক প্রচিলিত মুদ্রা
  4. ঘ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক বাতিলকৃত মুদ্রা
  5. ঙ) বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রা
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রা
ব্যাখ্যা


উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫২৫.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কত?
  1. ৭৫৯ কোটি ডলার
  2. ৯৫০ কোটি ডলার
  3. ৮৬৯ কোটি ডলার
  4.  ৯০০ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৮৬৯ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬৯ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি:
- দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- কোনো কোনো বছর জার্মানি শীর্ষস্থানে ছিল। 

- যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৮৬৯ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ। 
- এর আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বাড়ে ১৪ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন, অর্থাৎ শার্ট-প্যান্ট জাতীয় পোশাক।
- ওভেন পোশাকের রপ্তানি ছিল ৪৯৫ কোটি ডলার। 
- দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওভেনের অংশ ২৭ শতাংশ।
- তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য অর্থাৎ গেঞ্জি ও সোয়েটার জাতীয় পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
- নিটওয়্যারে অংশ ১২ শতাংশ। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।  (LINK)

৫২৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৬.১%
  3. ৭.৭%
  4. ৮.৩%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৫২৭.
কল মানি রেট কী?
  1. আন্তঃব্যাংক সুদের হার
  2. কেন্দ্রিয় ব্যাংকের সুদের হার
  3. চলতি হিসাবের সুদের হার
  4. নির্দিষ্ট অপারেটরে কল করার ভাতা
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক সুদের হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তঃব্যাংক সুদের হার
ব্যাখ্যা
কল মানি:
- কল মানি হল ন্যূনতম স্বল্পমেয়াদী ফিনান্স যা চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য।
- এটি আন্তঃব্যাংক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকের সাময়িক তারল্য সংকট নিরসনে যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো একে অন্যের থেকে স্বল্পমেয়াদে ঋণ গ্রহন করে তাকে কল মানি রেট বলে।

উল্লেখ্য,
- কলমানির সুদের হার ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
- এক দিনের জন্য টাকা ধার দেওয়ার ক্ষেত্রে গড় সুদের হার ৯ দশমিক ১৪ শতাংশে উঠেছে।
- ২০১২ সালের পর এটিই কল মানির সর্বোচ্চ সুদহার।

উৎস: ২২ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। 
৫২৮.
বাংলাদেশে ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা-২১০০ কোন দেশের পরিকল্পনাকে অনুসরণ করে করা হয়েছে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. নেদারল্যান্ড
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• এ প্রেক্ষাপটে, নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
৫২৯.
Bank's functions do not include
  1. ক) acceptance of deposit
  2. খ) giving loans
  3. গ) trading
  4. ঘ) transfer of funds
সঠিক উত্তর:
গ) trading
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) trading
ব্যাখ্যা
ব্যাংকের কাজ:

- ব্যাঙ্কের কার্যাবলী অন্তর্ভুক্ত নয় লেনদেন।
- 'ব্যাংকের প্রধান কাজই হলো আমানত সংগ্রহ করা।
- সেই সংগৃহীত অর্থ ঋণস্বরূপ প্রদান করা'।
- এই সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায় যে, একটি ব্যাংক মূলত আমানত গ্রহণ, ঋণ দান, এবং চেক প্রচলন করে থাকে।
- এছাড়া দেশি-বিদেশি বাণিজ্যের অর্থনৈতিক লেনদেন-এ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানও ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৩০.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. ৫ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
• দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
- এটি ছিলো বাংলাদেশের একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।

- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩১.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ।
৫৩২.
'বুক বিল্ডিং' কোন বিষয়ের সাথে জড়িত?
  1. ক) পুঁজিবাজার
  2. খ) হাউজিং
  3. গ) প্রকাশনা
  4. ঘ) ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ক) পুঁজিবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পুঁজিবাজার
ব্যাখ্যা
- পুঁজিবাজারের সাথে বুক বিল্ডিং জড়িত।

• পুঁজিবাজার:
- পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রনে নতুন বুক বিল্ডিং সিস্টেম  চালু করেছে ডিএসই।
- ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের ধসের অন্যতম কারণ ছিল এই বুক বিল্ডিং সিস্টেম।
- পুঁজিবাজারের লোপাটকারিরা ২০০৯ সালে এই বুক বিল্ডিংকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা নিয়েছিল।
- তাই সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই সময়ে বুক বিল্ডিয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে বিএসইসি।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কয়েক দফায় নতুন করে বুক বিল্ডিংয়ের সংস্কার করলেও তা বাজারের জন্য বর্তমানে প্রয়োগ উপযোগী নয়।

উৎস: জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৩৩.
কোন বাজারে যদি ক্রেতার সংখ্যা অধিক থাকে কিন্তু বিক্রেতার সংখ্যা একজন থাকে তাহলে তাকে কী বাজার বলে?
  1. মনোপলি
  2. ডুয়োপলি
  3. অলিগোপলি
  4. মনোপসনি
সঠিক উত্তর:
মনোপলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনোপলি
ব্যাখ্যা
মনোপলি বাজার:
কচেটিয়া কারবারের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Monopoly. Mono শব্দের অর্থ একক আর Poly শব্দের অর্থ বিক্রেতা। অর্থাৎ একক বিক্রেতার বাজার হলো একচেটিয়া বাজার। একচেটিয়া বাজার হলো এমন এক বাজার ব্যবস্থা যেখানে একজনমাত্র বিক্রেতা দ্রব্যের বাজার নিয়ন্ত্রন করে। অর্থাৎ যে বাজারে একজনমাত্র বিক্রেতা দ্রব্যের উৎপাদন করে, মূল্য নির্ধারণ করে এবং বাজার নিয়ন্ত্রন করে। এ বাজারে দ্রব্যের কোনো নিকট পরিবর্তত দ্রব্য থাকে না এবং অন্য বিক্রেতার জন্য বাজারে প্রবেশে বাধা থাকে।
৫৩৪.
ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম কী?
  1. ক) আল বারাকা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
The Bank was initially emerged in the Banking scenario of the then East Pakistan as Eastern Mercantile Bank Limited at the initiative of some Bangalee entrepreneurs in the year 1959 under Bank Companies Act 1913 for providing credit to the Bangalee entrepreneurs who had limited access to the credit in those days from other financial institutions. After independence of Bangladesh in 1972 this Bank was nationalized as per policy of the Government and renamed as Pubali Bank. Subsequently due to changed circumstances this Bank was denationalized in the year 1983 as a private bank and renamed as Pubali Bank Limited. সূত্র- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫৩৫.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপীয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, কানাডা, তুরস্ক, রাশিয়া, বেলারুশ, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে ‘Everything But Arms’ স্কিমের আওতায় অস্ত্র ব্যতীত সকল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৫৩৬.
বাংলাদেশের কর সংগ্রহের জন্য কোন সরকারি সংস্থাটি দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৩৭.
বাংলাদেশে মোট আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র-
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র ৫টি।
- বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৫৩৮.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের দ্বিতীয় প্রধান খাত কোনটি?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আয়কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর):
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৫৩৯.
বাংলাদেশে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

উল্লেখ্য:
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫৪০.
ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হলে ব্যাংক থেকে আসা SMS-এ কি লিখা থাকে?
  1. Dr.
  2. Cr.
  3. Br.
  4. Lr.
সঠিক উত্তর:
Cr.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cr.
ব্যাখ্যা
যে হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ জমা রাখে এবং তা থেকে উত্তোলনের সুযোগ, তাকে ব্যাংক হিসাব বলে। ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে অর্থ জমা দিয়ে হিসাব খুলতে পারে। ব্যক্তিক হিসাব ব্যক্তি নিজে এবং প্রতিষ্ঠানিক হিসাব দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পরিচালনা করে। ব্যাংকে নগদ টাকা, চেক, ড্রাফট ইত্যাদি জমা দিলে তার হিসাবে যোগ বা ক্রেডিট (Credit) করা হয়। ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হলে ব্যাংক থেকে আসা SMS-এ (Credit, সংক্ষেপে Cr.) লিখা থাকে। আবার কোন চেক লিখে টাকা উত্তোলন করলে তার হিসাব থেকে বিয়োগ বা ডেবিট (Debit) করা হয়।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪১.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক অ-তফসিলী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৫৪২.
বাংলাদেশে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
(৫) বার্ধক্যজনিত দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব কমানো। 

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৫৪৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. আক্তার হামিদ খান
  4. এ.কে.এফ. আহমেদ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৫৪৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে?
  1. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি
  2. মুক্তবাজার অর্থনীতি
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

• মিশ্র অর্থ ব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- অর্থাৎ মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও সম্পদের বণ্টনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু'ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়।
- অর্থাৎ এসব দেশে মিশ্র অর্থনীতি বিদ্যমান।
- বৃটেন, কানাডা, জাপান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৫.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  2. ড. মোহাম্মদ শাহজাহান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ড. আকবর আলি খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৫৪৬.
বাংলাদেশে মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৫৪৭.
অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির লক্ষ্যে 'গ্রামীণ ব্যাংক' প্রতিষ্ঠার সময়কাল কত?
  1. ক) ১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৬
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
- প্রকল্পটি সফলতা লাভ করায় বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে।
২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)

৫৪৮.
বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিময় কার্যক্রম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে কে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক বিনিময়:
- অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বৈদেশিক বিনিময় বলতে দেশি ও বিদেশী মুদ্রার বিনিময় হারকেও বুঝায়।
- আমাদের দেশের এক টাকা দিয়ে বিদেশের যে পরিমাণ মুদ্রা ক্রয় করা হয় তাই বিনিময় হার।
- কোন দেশের মুদ্রার অধিকার অন্য দেশের মুদ্রার অধিকারে রূপান্তরিত করার উপায় ও পদ্ধতি বৈদেশিক বিনিময় নামে অভিহিত।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৪৭ সালের "বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিধি" অনুসারে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কার্যাবলি পরিচালিত হয়।
- বৈদেশিক মুদ্রা ও সিকিউরিটির আদান-প্রদান ও কাজ-কারবার এবং কারেন্সী ও সোনা-রূপার বাঁটের আমদানী-রপ্তানী নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে এ বিধি জারী করা হয়।
- ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান আমলেও এই আইনে কিছু সংশোধন করা হয়, যদিও সেগুলো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্য পরিচালনা করে।
- বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি 'বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিভাগ' খোলা হয়েছে।
- এ বিভাগের প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে অবস্থিত এবং এর প্রশাসনের ভার একজন "বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রক"-এর উপর ন্যস্ত।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৯.
বাংলাদেশ কোন্ দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানী করে?
  1. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
  2. ভারত ও চীন
  3. জার্মানি ও ভিয়েতনাম
  4. আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

সয়াবিন তেল আমদানি:
- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ সয়াবিন তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত।
- দেশের সয়াবিন তেলের চাহিদার বড় অংশই আমদানি দ্বারা পূরণ হয়।
- বাংলাদেশ তার সয়াবিন তেলের অধিকাংশ আমদানি করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- এই তিনটি দেশ প্রধান সয়াবিন উৎপাদক ও সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের বার্ষিক চাহিদার বড় অংশ পূরণ করে।

এছাড়াও,
- জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সাত দেশের আট প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সোয়া ১৪ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে।

সূত্র: মার্কিন কৃষি বিভাগের (USDA) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট [লিংক] [লিংক]

৫৫০.
Bangladesh's first private commercial bank 'AB Bank' started it's operation in-
  1. 1980
  2. 1981
  3. 1982
  4. 1983
সঠিক উত্তর:
1982
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1982
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারী ব্যাংক হিসেবে এবি ব্যাংক লিমিটেড ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করে।
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে ।
- ১২ই এপ্রিল, ১৯৮২ সালে কারওয়ান বাজারে প্রথম শাখা খুলে ব্যাংকটির সফল পদচিহ্ন পড়েছে ১০৫ টি শাখায় যার মধ্যে একটি বৈদেশিক শাখা রয়েছে ভারতের মুম্বাই শহরে এবং সাড়া দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ২৭০ টির বেশি এটিএম।
- প্রতিষ্ঠার পঁচিশ বছর পর ব্যাংকটির নতুন নাম হয় এবি ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৪ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে ব্যাংকটির নতুন নাম অনুমোদন করে।
- ব্যাংকটি এর মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমে মোট ৫টি সহায়ক কোম্পানী, একটি বৈদেশিক ব্যাংকিং ইউনিট এবং কাস্টডিয়াল সেবা সংযুক্ত করেছে।
- ব্যাংকটি এর বৈদেশিক কার্যক্রম বিস্তৃতির লক্ষ্যে মায়ানমারের ইয়াঙ্গুন রিপ্রেসেন্টেটিভ অফিস চালু করেছে।

উৎস: এবি ব্যাংক ও বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৫৫১.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০০৭
  4. ঘ) ২০১০
  5. ঙ) ২০০৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
ব্যাখ্যা

With the decision of the Government, Bangladesh Development Bank Ltd. (BDBL) was incorporated on 16 November, 2009 as a Public Company Limited by shares under the Companies Act, 1994 by amalgamation of former Bangladesh Shilpa Bank (BSB) and Bangladesh Shilpa Rin Sangstha (BSRS), two Development Financial Institutions (DFIs) in the public sector.

Bangladesh Shilpa Bank (BSB) was established on October 31, 1972 for accelerating the industrial pace of the country through providing loan and equity to the industrial projects as per Bangladesh Shilpa Bank Order, 1972 (President’s Order No. 129 of 1972).

With the same objective, Bangladesh Shilpa Rin Sangstha (BSRS) was also established on October 31, 1972 as per Bangladesh Shilpa Rin Sangstha Order, 1972 (President’s Order No. 128 of 1972).

Source: BDBL

৫৫২.
দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) গোমতী নদী
  2. খ) আন্ধারমানিক লেক
  3. গ) শনির হাওর
  4. ঘ) হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী। এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।
(সূত্রঃ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৫৫৩.
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য সেতু?
  1. ক) ৪.৬ কিমি
  2. খ) ৪.৭ কিমি
  3. গ) ৪.৮ কিমি
  4. ঘ) ৪.৯ কিমি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪.৮ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪.৮ কিমি
ব্যাখ্যা
- যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
- ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৮.৫ মিটার প্রস্থ এই সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৯৮ সালে শেষ হয়।
- এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৫৪.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি:
দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করার জন্য প্রধানত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. উৎপাদন পদ্ধতি – দেশভিত্তিক সকল উৎপাদনের যোগফল হিসাব করা হয়।
২. আয় পদ্ধতি – উৎপাদনের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের যোগফল নির্ণয় করা হয়।
৩. ব্যয় পদ্ধতি – চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মোট ব্যয় হিসাব করা হয়।

জাতীয় আয়
• একটি নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক অর্থবছরে, একটি দেশে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার বাজার মূল্য এবং বিদেশ থেকে নীট আর্থিক অর্জনের সমষ্টিকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

• অন্যভাবে বলা যায়, একটি দেশের সকল জনগণ তাদের সম্পদ, শ্রম ও মূলধন ব্যবহার করে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫৫.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.৬৮%
  2. ৯.৯৪%
  3. ৭.৬৬%
  4. ৬.৯৪%
সঠিক উত্তর:
৬.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৯৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------- 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
------------------------ 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৫৬.
যেসব জিনিস মানুষ বেশি ভোগ করে, তখন তাদের দাম বেড়ে যায়, এগুলিকে কী বলা হয়?
  1. ক) প্রয়োজনীয় পণ্য
  2. খ) ক্যাপিটাল পণ্য
  3. গ) শপিং পণ্য
  4. ঘ) গিফেন পণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিফেন পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গিফেন পণ্য
ব্যাখ্যা
• চাহিদার ধারণা (Concept of Demand): 
- সাধারন অর্থে, কোন কিছু পাওয়ার আকাঙ্খা বা ইচ্ছাকে চাহিদা বলে।
- কিন্তু অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে ভোক্তার কোন দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার আকাঙ্খার সাথে সাথে
তা ক্রয়ের অর্থ, সামর্থ্য এবং ব্যয় করার ইচ্ছা থাকলে তবেই ঐ আকাঙ্খাকে চাহিদা বলে। 

অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে নিম্নোক্ত তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণীয়। শর্ত তিনটি হলো :
(১) কোন দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খা;
(২) দ্রব্যটি ক্রয় করার প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য; এবং
(৩) প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি ক্রয় করার ইচ্ছা।

সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন ক্রেতা বা ভোক্তার একটি নির্দিষ্ট দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খা, আর্থিক সামর্থ্য বা ক্রয়ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট দামে ক্রয় করার ইচ্ছা থাকলে তবে তাকেই অর্থনীতিতে চাহিদা (Demand) বলে ।

চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম (Exceptions of the Law of Demand):
সাধারণত: চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যকার সম্পর্ক বিপরীতমুখী। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম নিম্নরূপ:

বিলাসবহুল দ্রব্য:
এমন কিছু দ্রব্য আছে যে গুলোর দাম বৃদ্ধি পেলে লোকে সামাজিক মর্যাদা বা গৌরবের আশায় বেশী পরিমাণ ক্রয় করে।
যেমন- ডায়মন্ড, দামী গাড়ী, সৌখিন বাড়ি ইত্যাদি।
এসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা বিধি কার্যকর হয় না।

গিফেন দ্রব্য:
এমন কিছু নিকৃষ্ঠ দ্রব্য আছে যেমন- মোটা চাল, মোটা কাপড়, প্রভৃতির ক্ষেত্রে দাম বাড়লে ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে ক্রয়ের পরিমাণ হ্রাস পায়। অর্থনীতিবিদ স্যার রবার্ট গিফেন এর নামানুসারে এসব ব্যতিক্রমধর্মী দ্রব্যকে গিফেন দ্রব্য বলা হয়।

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য:
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম পরিবর্তনের ফলে চাহিদার তেমন কোন পরিবর্তন হয় না।
যেমন- লবন, ঔষধ ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ১ম পত্র- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৭.
রূপকল্প ২০৪১ কতটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৫৫৮.
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. পটুয়াখালী
  2. গাইবান্ধা
  3. গোপালগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)। 
- এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ইতিমধ্যে ১,৪৭৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। 
- বেপজার কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পর থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বেড়েছে। 
- এ সুযোগ কাজে লাগাতে পটুয়াখালী ইপিজেড বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে—একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর। 
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে। 
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বেপজা ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপন করে।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard। [link]
৫৫৯.
নিচের কোন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বিদেশি শাখা রয়েছে?
  1. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
  2. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে 'সোনালী ব্যাংক পিএলসি' এর বিদেশি শাখা রয়েছে।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩৩টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২৩১টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে ১২৩১টি শাখা রয়েছে।
• গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৬৯৫টি।
• শহরাঞ্চলে রয়েছে ৫৩৬টি।

⇒ বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
• কোলকাতায়।
• শিলিগুড়ি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৬০.
জুলাই মাসে বাংলাদেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কত হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  2. ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  3. ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ
  4. ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
সার্বিক মূল্যস্ফীতি:
- জুলাই মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
- গত জুন মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ, তা বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
- বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
- আর খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- গত তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৫৬১.
দেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন কোনটি?
  1. এলায়েন্স
  2. বিডিএফ
  3. এফবিসিসিআই
  4. এফআইসিসিআই
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এফবিসিসিআই’র সভাপতি মাহবুবুল আলম।
- তিনি ২০২৩-২৫ মেয়াদে এফবিসিসিআই’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। 

অন্যদিকে -
- এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।
- বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।
- এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট। 

উৎস: ২ আগস্ট ২০২৩, যুগান্তর।
৫৬২.
বিশ্বব্যাংক কোন পদ্ধতিতে মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে?
  1. এটলাস মেথড
  2. এভারেজ মেথড
  3. ইনকাম মেথড
  4. সাসটেইন মেথড
  5. লুইসি মেথড
সঠিক উত্তর:
এটলাস মেথড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটলাস মেথড
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ:
- বিশ্বব্যাংক মাথাপিছু জাতীয় আয় পরিমাপ করে থাকে যে পদ্ধতিতে, তাকে বলা হয় এটলাস মেথড।
- একটি দেশের স্থানীয় মুদ্রার মোট জাতীয় আয়কে (জিএনআই) মার্কিন ডলারে রূপান্তর করা হয়।
- এই রূপান্তর হয় এটলাস পদ্ধতিতে।
- অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তিন বছরের গড় বিনিময় হারকে সমন্বয় করা হয়।
- যাতে করে আন্তর্জাতিক মূল্যস্ফীতি ও বিনিময় হারের ওঠানামা সমন্বয় হয়।
- এ কারণে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব আর বিশ্বব্যাংকের হিসাব এক হয় না।

⇒ মধ্যম আয়ের দেশ শ্রেণীকরণটি মূলত বিশ্বব্যাংকের।
- বিশ্বব্যাংক সাহায্য দেওয়ার সুবিধার জন্য এই শ্রেণীকরণটি করেছে।

⇒ জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করে, যেমন: স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশ।
- বাংলাদেশ এলডিসিতে অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৫৬৩.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপন্ন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।

৫৬৪.
বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম শুরু হয় -
  1. ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থবছর
  2. ২০০১-২০০২ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৯-২০১০ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (ডিসেম্বর, ২০২৪) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৫৬৫.
বাংলাদেশের অর্থ বছর কোন তারিখে সমাপ্ত হয়?
  1. ৩১ ডিসেম্বর
  2. ৩০ চৈত্র
  3. ৩০ জুন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
অর্থবছর:

- বাংলাদেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, আর শেষ হয় পরের বছর জুনে।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- মূলত একটি দেশের শস্যের উৎপাদন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সরকারি-বেসরকারি খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ-সুবিধার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে অর্থবছর ঠিক করা হয়।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল।
- এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে। এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়।
- বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ, ১ জুন ২০২৩।
৫৬৬.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা করে কোন সংস্থা?
  1. অর্থ বিভাগ
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮। 
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০-২০২৫।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৫৬৭.
‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৫৬৮.
জনপ্রতি মাসিক বিধবা ভাতার পরিমাণ কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৫৫০ টাকা।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৫৬৯.
How many years is the term of Bangladesh Bank Governor?
  1. 3 years
  2. 4 years
  3. 5 years
  4. 6 years
সঠিক উত্তর:
4 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 years
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৭০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে বৃহৎ শিল্প খাতের নিচের কোনটির অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) বিদ্যুৎ, গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে বৃহৎ শিল্পখাত ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হল খনিজ ও খনন, ম্যানুফ্যাকচারিং, বিদ্যুৎ, গ্যাস বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ।
- এর মধ্যে জিডিপি'তে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ।

• শিল্প খাত (বৃহৎ): ৩৭.৫৬%,
• খনিজ ও খনন: ১.৭৫%,
• ম্যানুফ্যাকচারিং: ২৪.৯৫%, 
• বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: ১.২১%, 
• পানি সরবরাহ: ০.১০%,
• নির্মাণ: ৯.৫৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫৭১.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বানিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বিএসইসি
সঠিক উত্তর:
বিএসইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএসইসি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি ):
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ৮ জুন ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিএসইসির কার্যাবলি:
- শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ: 
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা: 
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিয়ম-নীতি নিশ্চিতকরণ: 
- নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে একটি পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ার বাজার।

উৎস: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ।
৫৭২.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. তৃতীয়
  2. পঞ্চম
  3. সপ্তম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু জিডিপি:
- মাথাপিছু জিডিপি হলো একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনকে (জিডিপি) তার মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করে প্রাপ্ত মান।
- এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- সম্প্রতি, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশ পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
- ২০২৪ সালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বর্তমানে ২,৬২৫ মার্কিন ডলার।
- এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

⇒ এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে নিম্নলিখিত অবস্থান রয়েছে:
- মালদ্বীপ: মাথাপিছু জিডিপি ১১,০০০ মার্কিন ডলারের বেশি, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- শ্রীলঙ্কা: মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪,৫১৬ মার্কিন ডলার, দ্বিতীয় অবস্থানে।
- ভুটান: মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪,০০০ মার্কিন ডলার, তৃতীয় অবস্থানে।
- আফগানিস্তান: মাথাপিছু জিডিপি ৪০০ মার্কিন ডলারের সামান্য বেশি, যা তালিকার সর্বনিম্ন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৫৭৩.
বাংলাদেশে প্রথম 'ভ্যাট' চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৯
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

৫৭৪.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৬২ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. বয়সসীমা নেই
সঠিক উত্তর:
বয়সসীমা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই। 

⇒ সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগে বয়সসীমা তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- এ পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
- এ কারণে বিধানটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৫৭৫.
Bangladesh Bank was established on-
  1. ক) December 16,1971
  2. খ) December 16,1972
  3. গ) March 26,1971
  4. ঘ) March 26,1972
সঠিক উত্তর:
ক) December 16,1971
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) December 16,1971
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি টাকা এবং তা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ৩ লক্ষ শেয়ারে বিভক্ত।
- প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ.ন.ম হামিদুল্লাহ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫৭৬.
বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশ কোন শ্রেণির দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. মধ্যম আয়ের দেশ
  2. নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
  3. নিম্ন আয়ের দেশ
  4. উচ্চ আয়ের দেশ
সঠিক উত্তর:
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
• নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস: প্রথম আলো (২ জুলাই, ২০১৫) রিপোর্ট।
৫৭৭.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ কোনটি?
  1. ক) ঢাকা - চট্টগ্রাম
  2. খ) ঢাকা - রাজশাহী
  3. গ) ঢাকা - পঞ্চগড়
  4. ঘ) ঢাকা - খুলনা
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা - পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা - পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত ট্রেন।
- ৫০৭ কিলোমিটার পথ মাড়িয়ে ২৩টি স্টেশন ঘুরে এটি পৌঁছাবে পঞ্চগড়।
- দূরত্বের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ।
৫৭৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮১২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৫৭৯.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ এপ্রিল
  3. ১ মে
  4. ১ জুন
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৫৮০.
The foreign exchange reserve of Bangladesh Bank at this moment is at record level. What is that level?
  1. $ 23 + billion
  2. $ 22 + billion
  3. $ 21 + billion
  4. $ 20 + billion
সঠিক উত্তর:
$ 23 + billion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
$ 23 + billion
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ :

- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মেনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রকৃত তথ্য প্রকাশ শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- রিজার্ভ এখন ২ হাজার ৩৫৬ কোটি বা ২৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ বর্তমানে ২ হাজার ৯৯৭ কোটি ডলার বা ২৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকৃত রিজার্ভ বা বৈদেশিক মুদ্রার মজুত হিসাব করতে ৬৪০ কোটি ডলার বাদ দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - ১৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৫৮১.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৫৮২.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. তারাগঞ্জ
  2. আলী নগর
  3. শিবগঞ্জ
  4. শায়েস্তাগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ।

৫৮৩.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) আখ
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়। বাংলাদেশে অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, আখ, চা, রাবার, তামাক, তুলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে ধান, গম, আলু, তেলবীজ, ভুট্টা, ডাল, সবজি, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল)
৫৮৪.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কী? 
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৫৮৫.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫৮৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে কী পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে?
  1. ২৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  2. ২৭ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো অর্থবছরে এত প্রবাসী আয় আসেনি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- এই আয় আগের অর্থবছরের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
- এই প্রবৃদ্ধির পেছনে হুন্ডি রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করাসহ নানা উদ্যোগ বড় ভূমিকা রেখেছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৫৮৭.
বাংলাদেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কবে থেকে প্রবর্তিত হয়েছে?
  1. ১৯৮৩ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
ব্যাখ্যা

- সর্বজনীন শব্দের অর্থ সকলের জন্য।
- কাজেই সকলের জন্য যে কল্যাণকর শিক্ষা তা-ই সর্বজনীন শিক্ষা।
- কোন শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা তখনই সর্বজনীন বলব, যখন কোন সমাজ বা দেশের ধর্ম, বর্ণ, ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে যা সকল নাগরিকের জন্য তা হবে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ও কল্যাণকর।
- সর্বজনীন শিক্ষার বৈশিষ্ট্য মোটামুটি তিনটি: সমান সুযোগ সুবিধা, বিদ্যালয়ে ভর্তির সমান অধিকার এবং ন্যূনতম স্তর পর্যন্ত অভিন্ন শিক্ষাক্রম।
- বাংলাদেশের ৬-১০ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য সারা দেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা ১৯৮০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।

উৎস: স্কুল অব এডুকেশন, সিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৮.
গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫৮৯.
বাংলাদেশে ব্যাংকিং কোম্পানি আইন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে 
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- বাংলাদেশে ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ১৯৯১ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- এই আইনটি ব্যাংকিং কোম্পানি সম্পর্কিত বিধান প্রণয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৫৯০.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের কোন বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়?
  1. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  2. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
  4. অর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৯১.
_______ এর প্রধান ক্ষেত্র উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণ।
  1. ক) ফিন্যান্সিয়াল একাউন্টিং
  2. খ) কস্ট একাউন্টিং
  3. গ) মার্কেটিং
  4. ঘ) অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
খ) কস্ট একাউন্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কস্ট একাউন্টিং
ব্যাখ্যা
Cost Accounting:
এইচ. জে. ওয়েলডন (H.J. Whelder) এর ভাষায়, “ঊৎপাদন ব্যয় হিসাব বিজ্ঞান বলতে উৎপাদন ও সেবার ব্যয় নির্ণয়  এবং ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহকল্পে ব্যয়ের বিভক্তিকরণ, লিপিবদ্ধকরণ ও সুষ্ঠু বন্টন ও নিয়ন্ত্রণকে বুঝায়।”

ICMA, London এর দেয়া সংজ্ঞাটিই একটি পূর্ণ সংজ্ঞা বলে মনে হয়। এসব আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, পণ্য বা সেবার ব্যয় ও মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে উৎপাদন ব্যয় লিপিবদ্ধকরণ, শ্রেণীবদ্ধকরণ, নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উৎপাদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করার কলা-কৌশল হিসাববিজ্ঞানের যে শাখার মাধ্যমে জানা যায় তাকে উৎপাদন ব্যয় হিসাব বিজ্ঞান বলা হয়।

উৎস: হিসাব বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
কোনটি উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত?
  1. ক) ড্রামহেড
  2. খ) চান্দিনা
  3. গ) কার্ডিনাল
  4. ঘ) প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা, 
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক, 
- সুন্দরী, 
- কুফরী ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী, 
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব, 
- ইরাটম, 
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান, 
- নারিফা, 
- প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৫৯৩.
নিম্নের কোন ব্যাংকটি আয়কর মুক্ত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জনতা ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।

উল্লেখ্য,
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর।
- এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আয়কর আইন ২০২৩ এর ধারা ৭৬ এর উপধারা (১) এর ক্ষমতাবলে, গ্রামীণ ব্যাংক আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪ এর অধীন স্থাপিত গ্রামীণ ব্যাংকের অর্জিত সকল আয়কে এই আইনের অধীন আয়কর প্রদান হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।’ এর এই কর অব্যাহতির মেয়াদ থাকবে ২০২৯ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৫৯৪.
১৯৫৩ সালে বাংলাদেশের কোথায় প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয়?
  1. ক) পাকশী
  2. খ) মাগুরা
  3. গ) চন্দ্রঘোনা
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রঘোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চন্দ্রঘোনা
ব্যাখ্যা
১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনায় দেশের প্রথম কাগজ কল তথা কর্ণফুলি পেপার মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
এ কাগজকলে বাঁশ হচ্ছে প্রধান কাঁচামাল। দেশের মধ্যে এটাই বৃহত্তম কাগজকল (মন্ডসহ)।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
৫৯৫.
উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
  1. অতি মুদ্রাস্ফীতি
  2. মুদ্রাস্ফীতি
  3. মুদ্রা সংকোচন
  4. বর্নিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা সংকোচন
ব্যাখ্যা

- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।

মুদ্রাস্ফীতি:

- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৫৯৬.
বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮০২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- দেশের অভ্যন্তরের মোট আয় এবং রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা ওই দেশের মোট জাতীয় আয়।
- ওই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৫৯৭.
'অ্যাকর্ড' কোন দেশ/অঞ্চলের গার্মেন্টস পণ্য আমদানিকারকদের জোট?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপ
  4. ঘ) জি-২০
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপ
ব্যাখ্যা
'অ্যাকর্ড' হলো ইউরোপীয় পোশাক আমদানিকারকদের একটি জোট। এটি বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও মান পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনে নিয়োজিত।
২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সহস্রাধিক শ্রমিক নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই জোট গড়ে উঠে। চলতি ২০২০ সালের ১ জুন অ্যাকর্ড তাদের মিশন সমাপ্ত ঘোষণা করে।
(সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
৫৯৮.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষ খাত কোনটি?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
২০২১-২০২২ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার ৭.১০ শতাংশ।

বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৯.৮৬ শতাংশ
- সেবাখাত : ৬.২৬ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.০৫ শতাংশ।

উপখাতসমূহের মধ্যে:
- মৎস্যখাতে প্রবৃদ্ধি : ২.৬৪ শতাংশ
- প্রাণিজ খাত : ৩.১০ শতাংশ
- বনজ সম্পদ : ৫.০৮ শতাংশ।
- সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বৃহৎ শিল্পখাতে : ১৫.৬৮ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৫৯৯.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IMF
  2. World Bank
  3. WTO
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
BDF:
- BDF-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Economic Relations Division ওয়েবসাইট।
৬০০.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত সরকারি কর বা শুল্ককে বলা হয়-
  1. ক) Excise Duties
  2. খ) Customs Duties
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Supplymentary Duties
সঠিক উত্তর:
ক) Excise Duties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Excise Duties
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকারি যে কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক (Excise Duties) বলে। সূত্র- অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।