বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৪০১৫০০ / ১,৮৬১

৪০১.
সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম কি?
  1. সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. দি সোনালী ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪০২.
রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
  3. গ) অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খ) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রেরিত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮২০.৪৭ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে ৪১৪.৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।
দ্বিতীয় ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ২০২.৭৭ কোটি ডলার। তৃতীয় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ১৭৬.২৭ কোটি ডলার। চতুর্থ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ১২৯.০৪ কোটি ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৪০৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব?
  1. ক) ১১০৩ জন
  2. খ) ১১১৬ জন
  3. গ) ১১২৫ জন
  4. ঘ) ১১৩৫ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ১১২৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১২৫ জন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৬.৬৫ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাতঃ ১০০.২ঃ১০০।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১২৫ জন।

৪০৪.
"তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।"
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর -
  1. ১৪.৮%
  2. ১৩.৪%
  3. ১৫.৪%
  4. ১৬.২%
সঠিক উত্তর:
১৫.৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫.৪%
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর - ১৫.৪%।

• বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা - ৭.৫%
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

সূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
৪০৫.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:

- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।

- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। 
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৪০৬.
বাংলাদেশে সর্ব প্রথম পাটকল কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৪৭
  3. গ) ১৯৭২
  4. ঘ) ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫১
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : ১৯৫১ 

পাট শিল্প:
-  ১৯৫১ সালে নারায়নগঞ্জের আদমজীনগরে বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১০০০ তাঁত নিয়ে শুরু হয়। 
- ৫২ বছর পর ২০০২ সালের ৩০ জুন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। 
- ২৪৫ দশমিক ১২ একর জায়গায় পরে গড়ে তোলা হয় ২০০৬ সালে। 
- আদমজী ইপিজেডের প্লট সংখ্যা ২২৯টি।
 - বিজেএমসি বর্তমানে ২৭টি পাটকল নিয়ন্ত্রণ করে।
 
উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
৪০৭.
পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. NCC Bank PLC
  2. Eastern Bank PLC
  3. Trust Bank PLC
  4. Community Bank Bangladesh PLC
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৪০৮.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত কোন সময়কালের জন্য গণনা করা হয়?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত ১ বছরের জন্য গণনা করা হয়।

মোট দেশজ উৎপাদন:

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।

উল্লেখ্য:
⇒ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৯.
জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রায় চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা কত শতাংশের নিচে আনার জন্য বলা হয়েছে?
  1. ৩%
  2. ৫.৬%
  3. ৭%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩%
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

National Priority Targets - NPT (জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রা):
- বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে যত দ্রুত সম্ভব এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ৩৯টি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।

SDG 1 - সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান:
- NPT ১: চরম দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ৩% এর নিচে হ্রাস করা।
- NPT ২: জাতীয় দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ১০% এর নিচে হ্রাস করা।

উৎস: SDG Tracker বাংলাদেশ।
৪১০.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর প্রথম প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১
  3. ৫ জানুয়ারি, ১৯৯২
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪১১.
E-TIN এ কয়টি ডিজিট থাকে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
E-TIN:

- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪১২.
বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৪২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৬৭১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)সর্বশেষ রিপোর্ট:
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ মার্কিন  ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

৪১৩.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে বাংলাদেশ।
- এ বছরে শেষে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে আছে সৌদি আরব। 

উৎস: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট-২০২৩ (বিশ্বব্যাংক)।
৪১৪.
গ্রামীণ ব্যাংক কোন ধরণের তালিকার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) তালিকাভুক্ত ব্যাংক
  2. খ) বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. গ) অ-তফসিলি ব্যাংক
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) অ-তফসিলি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ-তফসিলি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক হচ্ছে  অ-তফসিলি ব্যাংক। 

• অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। 
• বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি।
যথা :
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. জুবিলি ব্যাংক,
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক এবং
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি
• বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি
• বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি । 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪১৫.
PRSP এর পূর্ণরূপ-
  1. Public Resource Support Program
  2. Primary Rural Support Project
  3. Poverty Reduction Strategy Paper
  4. Policy Reform Support Plan
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি,
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪১৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক -
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪১৭.
Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
  4. সিটি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bkash ব্র্যাক ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে।

বিকাশ (Bkash):

- Bkash-এর যাত্রা শুরু ২০১১ সালে।
- ব্র্যাক ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং সফটব্যাংক-এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল আর্থিক সেবা দিয়ে আসছে।

⇒ দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্চেন্টের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিকাশ একটি ক্যাশলেস ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। ফলে, প্রায় ৮ কোটি গ্রাহকের আস্থা নিয়ে বিকাশ এখন প্রতিদিনের সঙ্গী।
- বাংলাদেশের ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-২০২৩ এ ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার’ সম্মাননায় ভূষিত হয় বিকাশ।

উৎস: বিকাশ ওয়েবসাইট।
৪১৮.
বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) ব্যাংক অব ডেনিস
  2. খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) ব্যাংক অব বার্সিলোনা
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাংক অব ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক ব্যবস্থা:
- বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয়ব্যাংক 'স্ভেরিজেস রিকস ব্যাংক' হলেও প্রথম সুসংগঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে ১৬৯৪ সালের ২৭ জুলাই স্থাপিত হয়  ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’
- ‘ব্যাংক অব ইংল্যান্ড’কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জননী নামেও অভিহিত করা হয়।
- ব্যাংকিং কার্যক্রমের ধারণা প্রাচীন আমলেও বিদ্যমান ছিল।
- ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয় - মুদ্রাকে।
- তবে বিশ্বের প্রথম সংগঠিত ব্যাংক ধরা হয় ১১৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব ভেনিসকে।
- ১৪০১ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব বার্সিলোনা ছিল প্রথম আধুনিক ব্যাংক।
- ১৬৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক অব সুইডেন ছিল সনদপ্রাপ্ত প্রথম বাণিজ্যিক ব্যাংক।
 
উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি।
৪১৯.
বাংলাদেশে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
দেশের ইপিজেডগুলো ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষ হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন। ইপিজেড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা গঠন করা হয়। বেপজা গঠনের পর শুরু হয় ইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ। প্রথম ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (সিইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তিন দশক ধরে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে আটটি। চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পর ১৯৯৩ সালে এসে গড়ে ওঠে ঢাকা ইপিজেড। এরপর পর্যায়ক্রমে ১৯৯৯ সালে মংলা, ২০০০ সালে কুমিল্লা, ২০০১ সালে ঈশ্বরদী ও নীলফামারীতে উত্তরা, ২০০৬ সালে নারায়ণগঞ্জে আদমজী ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ইপিজেডের যাত্রা শুরু হয়। সূত্র-প্রথম আলো এবং বেপজা ওয়েবসাইট।
৪২০.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: 
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) প্রশাসনিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা,
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৭৬ দ্বারা গঠিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- NBR মূলত কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায় এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে।
- এছাড়া, চোরাচালান প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক শুল্ক-কর সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন এবং সরকারের রাজস্ব নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

৪২১.
'Bangladesh Securities and Exchange Commission' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।
৪২২.
বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয় কোনটি?
  1. বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. অভ্যন্তরীণ জ্বালানীর মূল্যবৃদ্ধি
  3. দুর্বল মুদ্রানীতি
  4. টাকার অবমূল্যায়ন
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়া, যার ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণসমূহ -
⇒ জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: জ্বালানি ও বিদ্যুতের খরচ বৃদ্ধি ব্যবসার উৎপাদন খরচ বাড়ায়। এর ফলে ভোক্তা মূল্যে সরাসরি প্রভাব পড়ে এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়।
⇒ দুর্বল মুদ্রানীতি: কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না, তখন অতিরিক্ত অর্থ চলাচল করে দাম বাড়ায়।
⇒ মুদ্রার অবমূল্যায়ন: বাংলাদেশি টাকার দুর্বলতা আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ায়।

⇒ বিশ্বব্যাংকের মতে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ নয়  - বৈদেশিক মুদ্রা বৃদ্ধি পাওয়া। 
অর্থাৎ, বৈদেশিক মুদ্রার মান বৃদ্ধি সরাসরি বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতিতে বড় ভূমিকা রাখে না।

উৎস: আইএমএফ ওয়েবসাইট এবং বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট। [লিংক] [লিংক]

৪২৩.
বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৪.
Which authority in Bangladesh issues license to Credit Rating Agencies?
  1. ক) BSEC
  2. খ) MRA
  3. গ) BB
  4. ঘ) IDRA
সঠিক উত্তর:
ক) BSEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BSEC
ব্যাখ্যা
- ক্রেডিট রেটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স প্রদান করে  BSEC (Bangladesh Securities Exchange Commission)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম।
- BSEC এর অধীন বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের সংখ্যা দুটো। এগুলো হলো:
- DSE (Dhaka Stock Exchange)
- CSE (Chittagong Stock Exchange)।

সূত্র: BSEC ওয়েবসাইট [লিংক]। 
৪২৫.
কৃষক প্রজা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা -
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
কৃষক প্রজা পার্টি:
- কৃষক প্রজা পার্টি আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত একটি রাজনৈতিক দল।
- দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে  নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।
- আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ-সভাপতি ছিলেন।
- এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি।
- ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
- এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি-র প্রধান দু প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ।
- কৃষক ভোটাররা ফজলুল হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়।
- নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কেপিপি তৃতীয় স্থান দখল করে।
- কংগ্রেস পায় ৫২টি আসন, মুসলিম লীগ ৩৯টি, কে.পি.পি ৩৬টি এবং অন্যান্য খন্ডিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৫০ আসনের বাকিগুলি দখল করে।
- এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪২৬.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. কুয়েত
  2. আলজেরিয়া
  3. সংযুক্তি আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

• বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. 

৪২৭.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  3. ব্যাংক এশিয়া
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে - ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংকের মাধ্যমে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এর মোবাইল ব্যাংকিং বর্তমানে রকেট নামে পরিচিত।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ। 
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

উৎস: ডেইলি স্টার রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

৪২৮.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড অবস্থিত-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) চট্টগ্রামে
  3. গ) গাজীপুরে
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
- 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড' হলো দেশের একমাত্র টাকশাল যা গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। এটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
- এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷


উৎসঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৪২৯.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৩০.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার অবস্থিত-
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) নারায়ণগঞ্জে
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার। এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। 
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।
৪৩১.
সরকারের আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নীতিকে বলা হয় -
  1. ক) আর্থিক নীতি
  2. খ) রাজস্ব নীতি
  3. গ) ঋণ নীতি
  4. ঘ) অনুদান নীতি
সঠিক উত্তর:
খ) রাজস্ব নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজস্ব নীতি
ব্যাখ্যা
রাজস্ব নীতি (Fiscal Policy):
- প্রসারিত দৃষ্টিতে রাজস্ব নীতি বলতে সরকারের আয়-ব্যয়সংক্রান্ত নীতিকে বোঝানো হয়।
- সংকীণ দৃষ্টিতে সরকারের ব্যয় এবং কর এই দুয়ের সমন্বিত নীতি বলে।
- বাজেটের মধ্যে যেহেতু সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব লিপিবদ্ধ থাকে, তাই অনেক সময় বাজেটসংক্রান্ত গৃহীত নীতিকে রাজস্ব নীতি বলা হয়।

• আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি (Monetary Policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

• ঋণ নীতি:
- ঋণ নীতি আর্থিক নীতির অংশ। তবে আর্থিক নীতির সবটাই ঋণ নীতির পর্যায়ভুক্ত হতে পারে না। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ নীতির লক্ষ্য। আর্থিক নীতির দ্বারা অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রিত হয়। তবে অর্থের যোগানের সবটাই ঋণ নয়, চাহিদা আমানত ছাড়াও শক্তিশালী মুদ্রা অর্থের যোগানের অন্যতম উপাদান। তাছাড়া আর্থিক নীতি প্রত্যক্ষভাবে অর্থের যোগানকে ঘিরে পরিচালিত হলেও অর্থের চাহিদার ওপর তার পরোক্ষ প্রভাবকে অস্বীকার করা যায় না। কাজেই আর্থিক নীতি শুধুমাত্র ঋণ নীতি নয়, ঋণ নীতির তুলনায় আর্থিক নীতির আওতাটি বড়।

সূত্র: ব্যবস্থাপকীয় অর্থনীতি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩২.
ঘাটতি বাজেট বলতে কী বোঝায়?
  1. ব্যয় আয়ের চেয়ে কম হলে
  2. ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হলে
  3. আয়-ব্যয় সমান হলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হলে
ব্যাখ্যা
ঘাটতি বাজেট:
- বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে সুষম বাজেটের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়।
- জনগনের জীবনযাত্রার মান ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করতে হলে তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে হলে ঘাটতি বাজেট করতে হয়।
- অনুন্নত, উন্নয়নশীল দেশ এমনকি উন্নত দেশ সমূহও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘাটতি বাজেট করে থাকে।
- এ বাজেটের মাধ্যমে দেশের রাজস্বনীতির লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়িত হয়।
- বানিজ্য চক্রের উত্থান পতনের সাথে সাথে এ বাজেট প্রণয়ন করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা যায়।
- এছাড়া মূলধন গঠনের জন্য এ বাজেটের কোন বিকল্প নাই।

• সুতরাং ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।

⇒ ঘাটতি বাজেটের মাধ্যমে পূর্ণ নিয়োগ স্তরের পূর্ব পর্যন্ত মুদ্রাস্ফীতির কোন সম্ভাবনা থাকে না।
- কারণ এক্ষেত্রে দেশের অব্যবহৃত সম্পদ ব্যবহৃত হয় এবং উৎপাদন ও নিয়োগ বৃদ্ধি পায়।
- পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হলে প্রতিটি দেশের ঘাটতি বাজেট করা উচিত।

⇒ অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা এবং সম্পদ ও আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা প্রত্যেক সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
- আর এটা নিশ্চিত করতে হলে কর নীতি ও ব্যয় নীতি সঠিক ও যুগোপযোগী ভাবে প্রণয়ন করতে হবে।
- আর, বানিজ্য চক্রের প্রতিরোধ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সরকারের আর্থিক নীতির লক্ষ্য।
- বাজেট শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের দলিলই নয়, এটি সরকারের অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য অর্জনের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
৪৩৩.
অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণ কোনটি?
  1. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  2. বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা
  3. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

৪৩৪.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ 'তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য' থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৫৩.৫৮%
  2. খ) ৮৪.৫৮%
  3. গ) ৪৬.০১%
  4. ঘ) ৩৮.৫৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৪.৫৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৪.৫৮%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)। 

- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৮৯% এবং
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৪৩৫.
Vulnerable Group Feeding (VGF)-কর্মসূচি সরকার কত সালে শুরু করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

৪৩৬.
নিচের কোনটি সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়?
  1. মুনাফা ও লভ্যাংশ
  2. নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
  3. সরকারি জমি ভাড়া
  4. জরিমানা ও ফি
সঠিক উত্তর:
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
ব্যাখ্যা

- 'নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়' সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়। 
- এটি সরকারের কর রাজস্ব আয়ের অন্তর্ভুক্ত।

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:

- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।

» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

• কর রাজস্বের উৎস: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক

• কর-বহির্ভূত সরকারি আয়ের উৎস: মুনাফা ও লভ্যাংশ, সুদ, ফি, জরিমানা, সরকারি সম্পত্তি, টোল ও লেভী, বাণিজ্যিক আয়, বিশেষ কর, বিবিধ আয়

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৭.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ২০১৫ সালের ১ জুন
  2. খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
  3. গ) ২০১৬ সালের ১ জুন
  4. ঘ) ২০১৬ সালের ১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
•  ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৪৩৮.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
• প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
• রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক।
• রূপালী ব্যাংক।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৩৯.
বাংলাদেশে কতটি  বিশেষায়িত ব্যাংক (Specialized Bank) রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উল্লেখ্য,
​• ​তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

​• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৪৪০.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৪৪১.
জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি কত তম?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৬ষ্ঠ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
ব্যাখ্যা
- জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি দেশের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
- বিশ্বে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা প্রবর্তন করেন রাশিয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্টালিন।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত করা হয়। 

উৎস: (পরিকল্পনা কমিশন)।
৪৪২.
২০২২-২৩ অর্থবছরে কয় লক্ষ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার শূন্য?
  1. ক) ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ২,৫০,০০০ টাকা
  3. গ) ৩,৭৫,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - শূন্য
পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার ৫%

পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - ১০%
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - ১৫%

পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর - ২০%
অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর করহার - ২৫%
 
উৎস : এনবিআর ওয়েবসাইট
৪৪৩.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা না থাকলে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে যে ব্যাংক -
  1. যমুনা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. জনতা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের -
  1. ক) সংস্থাপন বিভাগ
  2. খ) ব্যাংকিং বিভাগ
  3. গ) হিসাব রক্ষণ বিভাগ
  4. ঘ) ইস্যু বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্যু বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্যু বিভাগ
ব্যাখ্যা
• নোট প্রচলন:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের - ইস্যু বিভাগ।
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর প্রধান কাজ হল নোট প্রচলন করা।
- নোট প্রচলনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যূনতম রিজার্ভ পদ্ধতি অনুসরণ করে।
- এ নীতি অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংককে মোট কাগজী নোট ইস্যু করার বিপরীতে কমপক্ষে ৬০ কোটি টাকার সমমূল্যের সোনা, রূপা ও অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের ইস্যু বিভাগে জমা রাখতে হয়।

- বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০০, ৫০০,২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- পক্ষান্তরে, ১, ২ ও ৫ টাকার নোট বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে থাকে এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।।
- এ জন্য ১, ২ ও ৫ টাকার নোটকে সরকারী নোট ও অবশিষ্ট প্রকার নোটকে ব্যাংক নোট বলে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৫.
কোন পণ্যকে ২০২০ সালে ‘Product of the Year’ ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) কৃষি ও কৃষি পক্রিয়াজাত পণ্য
  2. খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
সঠিক উত্তর:
গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
বর্ষপণ্য :
২০২০- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
২০১৯ – কৃষি ও কৃষি পক্রিয়াজাত পণ্য
২০১৮- ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
২০১৭ – চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
৪৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩' অনুযায়ী কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

সূত্র: সময় নিউজ।
৪৪৭.
বাংলাদেশে কোন ধরণের প্রবাসীর সংখ্যা বেশি?
  1. পেশাজীবী
  2. দক্ষ
  3. আধা-দক্ষ
  4. স্বল্প-দক্ষ
সঠিক উত্তর:
স্বল্প-দক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বল্প-দক্ষ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী বাংলাদেশী:
- স্বল্প-দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা বেশি।

• ২০২২ সালে শ্রেণিভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা:
• স্বল্প-দক্ষ – ৭৩.৬৯%
• দক্ষ ২২.২২%
• আধা-দক্ষ – ৩.৭৭%
• পেশাজীবী – ০.৩২%
- পূর্বের বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে, স্বল্প-দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
-  ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে।
- আবার, সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৪৪৮.
পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. ক) সোনালি ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) জনতা ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংখ
  5. ঙ) পূবালি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে এদেশে অবস্থিত পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়। পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়। সোনালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে । হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক নিয়ে অগ্রণী ব্যাংক গঠিত হয়। রূপালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়ে। পূবালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক ও দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক নিয়ে।(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৪৪৯.
দেশে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ৪৩টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ব্যাংক রয়েছে ৬টি, এগুলো হলো
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি
• জনতা ব্যাংক পিএলসি
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি 
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি (বিডিবিএল)
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট।
৪৫০.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট অবমুক্ত করে?
  1. ক) ১৫০ টাকা
  2. খ) ২০০ টাকা
  3. গ) ২৫০ টাকা
  4. ঘ) ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৭ মার্চ ২০২০ প্রথমবারের মতো ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট অবমুক্ত করে।
এছাড়া ১০০ টাকার সোনা ও রুপার স্মারক মুদ্রা বাজারে ছাড়া হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৪৫১.
নিচের কোনটি ব- দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকিপ্রবণ হটস্পট হিসেবে বিবেচিত?
  1. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
  3. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ একটি দীর্ঘমেয়াদি, আন্তঃখাত সমন্বিত, অভিযোজনভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা।
- দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নকে টেকসই করতে ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব হ্রাসে বিভিন্ন পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ব- দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
(১) উপকূলীয় অঞ্চল: ঘূর্ণিঝড়প্রবণ অঞ্চল- ১৩টি উপকূলীয় ও ৬টি ৩ নদী বাহিত জেলা;
(২) বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল;
(৩) হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭টি জেলা;
(৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল;
(৫) নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল এবং
(৬) নগরাঞ্চল ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় চিহ্নিত ৬টি হটস্পট প্রায়শই দুর্যোগ কবলিত হয়।
- এনপিডিএম-এ দুর্যোগ হটস্পট বিবেচনায় অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ এর প্রধান কার্যক্রম ও লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার হটস্পটের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা।
৪৫২.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক-
  1. ক) শাপলা
  2. খ) দোয়েল
  3. গ) হরিণ
  4. ঘ) বলাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বলাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিমানের বাণিজ্যিক নাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
- ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে কার্যক্রম শুরু হয়।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক বলাকা।
- ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- শ্লোগান 'আকাশে শান্তির নীড়'
- বিমান বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ সংখ্যা ২১টি।

উৎস: বাংলাদেশ বিমানের ওয়েবসাইট।
৪৫৩.
নিচের কোনটি সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস?
  1. আয় ও মুনাফা কর
  2. যানবাহন কর
  3. টোল ও লেভী
  4. সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
টোল ও লেভী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোল ও লেভী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।

» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

» সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎসগুলো হলো:

১। মুনাফা ও লভ্যাংশ – সরকারি শিল্প, কারখানা ও কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ।
২। সুদ – সরকার প্রদত্ত ঋণ থেকে প্রাপ্ত সুদ।
৩। ফি – বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে আদায়কৃত অর্থ, যেমন কোট ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি।
৪। জরিমানা – আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা অপরাধী থেকে আদায়।
৫। সরকারি সম্পত্তি – খাল, বিল, নদী, বন, সরকারি খাস জমি ইত্যাদি লীজ দিয়ে অর্জিত আয়।
৬। টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়।
৭। বাণিজ্যিক আয় – সরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন রেল, ডাক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত আয়।
৮। বিশেষ কর – উন্নয়নমূলক কাজের কারণে জমির মূল্যবৃদ্ধি থেকে প্রাপ্ত আয়।
৯। বিবিধ আয় – ক্ষতিপূরণ, পুরস্কার, বৈদেশিক সাহায্য ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত আয়।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫৪.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিযোজিত?
  1. ক) BRRI
  2. খ) BADC
  3. গ) BCSIR
  4. ঘ) BINA
সঠিক উত্তর:
খ) BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BADC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷ এটি বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে। BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যার প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
৪৫৫.
'মূল্য সংযোজন কর' চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ক) ১৯৯০-১৯৯১
  2. খ) ১৯৯২-১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯১-১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৩-১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১-১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১-১৯৯২
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর। 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থবছরে অর্থাৎ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- এখান থেকেই বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র;- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৪৫৬.
নিচের কেনটি ‘সুনীল অর্থনীতি’র সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) বনজ সম্পদ
  2. খ) খনিজ সম্পদ
  3. গ) মৎস্য সম্পদ
  4. ঘ) সমুদ্র সম্পদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
‘সুনীল অর্থনীতি’র সাথে সম্পর্কিত সমুদ্র সম্পদ .
সমুদ্র অর্থনীতির ধারণায় সাগর ও মহাসাগর হলো 'উন্নয়ন অঞ্চল', যেখানে সম্পদ সংরক্ষণ, জীবিত সম্পদের টেকসই ব্যবহার, তেল ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন, জৈব সম্ভাবনা, টেকসই জ্বালানি উৎপাদন এবং সমুদ্র পরিবহনকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত পরিকল্পনা করা হয়

উৎস: দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট
৪৫৭.
নিম্নের কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি নেই?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) চীন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
 দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
-  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৪৫৮.
অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কী বোঝায়?
  1. উপযোগ সষ্টি করা
  2. অধিক সম্পর্ক সৃষ্টি করা
  3. সম্পর্ক বণ্টন করা
  4. কল্যাণ বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
উপযোগ সষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযোগ সষ্টি করা
ব্যাখ্যা
উৎপাদনের ধারণা (Concept of Production)
সাধারণ অর্থে 'উৎপাদন' বলতে কোন কিছু সৃষ্টি করাকে বুঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে শুধু সৃষ্টি করাকে বুঝায় না। অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কোন নির্দিষ্ট সময়ে কোন দ্রব্যের আকার ও আকৃতির পরিবর্তন করে দ্রব্যের উপযোগ সৃষ্টি করাকে উৎপাদন বলে।

প্রকৃতপক্ষে মানুষ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। মানুষের আশে পাশে যা কিছু রয়েছে সবই প্রকৃতির দান। মানুষ কেবল মাত্র প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের রূপগত, গুণগত, পরিমাণগত ও অবস্থানগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন উপযোগ সৃষ্টি করতে পারে বা ভবিষ্যতের জন্য মজুদ রেখে অতিরিক্ত উপযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এভাবে কোন দ্রব্যের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করাকে অর্থনীতিতে উৎপাদন বলে। যেমন- বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে আসবাবপত্র প্রস্তুত করে মানুষ কোন নতুন দ্রব্য বা পদার্থ সৃষ্টি করতে পারে না। শুধুমাত্র কাঠের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে আসবাবপত্র তৈরী করে উপযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে মাত্র। অর্থাৎ আসবাবপত্র তৈরীর মাধ্যমেই কাঠের উপযোগ সৃষ্টি করা হলো। সুতরাং অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কোন দ্রব্য সৃষ্টি করাকে বুঝায় না; বরং দ্রব্যের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে অধিক উপযোগ সৃষ্টি করাকে বুঝায়। বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ উৎপাদনের বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন। যেমন:

অধ্যাপক মার্শালের মতে, “এ বস্তু জগতে মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত বস্তুকে অধিকতর উপযোগী করে তোলার উদ্দেশ্যে এরূপ পূর্নবিন্যাস করে যাতে তাকে অধিকতর কার্যোপযোগী করা যায়।”

অধ্যাপক ডানিয়েল বি. সুইটস এর মতে, “উৎপাদন হলো এমন একটি পদ্ধতি যা দ্বারা মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত বস্তুকে ভোগের উপযোগী করে তুলতে পারে।”

সুতরাং সংক্ষেপে বলা যায়, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের সাথে নিজের শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে অধিকতর উপযোগ সৃষ্টি করে তাকে উৎপাদন বলে।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৯.
'ECNEC' এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

- ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council) গঠিত হয় ১৯৮২ সালে।
- একনেকের সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সভাপতি।
- অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৪৬০.
বর্তমানে দেশে কয়টি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৪৬১.
'বেপজা'র অধীনে দেশে কয়টি ইপিজেড চালু রয়েছে?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
ব্যাখ্যা
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ দেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ) স্থাপন করেছে। যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

বেপজা’র অধীনে বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
এগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা ইপিজেড (দ্বিতীয়)
- মংলা ইপিজেড
- কুমিল্লা ইপিজেড
- ঈশ্বরদী ইপিজেড
- উত্তরা ইপিজেড (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী ইপিজেড
- কর্ণফুলী ইপিজেড (সর্বশেষ)।

(সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট)
৪৬২.
বাংলাদেশ প্রথম LDC তালিকায় যুক্ত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

 LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের তারিখ- ৪ নভেম্বর ২০২৬ সাল।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪৬৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. জাপানে
  2. চীনে
  3. ভারতে
  4. ইন্দোনেশিয়ায়
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৭.৩৭%।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৪৬৪.
How many five-year plans are currently running?
  1. ক) 6th
  2. খ) 7th
  3. গ) 8th
  4. ঘ) 5th
সঠিক উত্তর:
গ) 8th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 8th
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০- জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন।
৪৬৫.
Two Taka note bears the signature of -
  1. Governor, Bangladesh Bank
  2. Finance Secretary
  3. President
  4. Finance Minister
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট: 
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।

অন্যদিকে -
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক।
         ii) অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৪৬৬.
২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৮.৬%
  2. ৯.৯%
  3. ১০.৩%
  4. ১১.৭%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৪৬৭.
ই-কমার্স কী?
  1. প্রেষণা দানের নতুন পদ্ধতি
  2. নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
  3. পরিবহন ব্যবস্থা
  4. বাণিজ্যিক ব্যাংকিং
সঠিক উত্তর:
নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:

- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
-  ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।

তথ্যসূত্র - ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৪৬৮.
ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে -
  1. ক) বাণিজ্যিক ব্যাংক
  2. খ) কৃষি ব্যাংক
  3. গ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. ঘ) বিশেষায়িত ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- ব্যাংক রেট নিধারণ করে - কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক - বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ট্রেজারি বিল ইস্যু করে - সরকার (বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে)।
- ট্রেজারি বিল এক ধরনের স্বল্পমেয়াদি শর্তহীন সরকারি ঋণপত্র।
- ট্রেজারি বিল বিক্রি করে - বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশে ব্যাংক নোট - ৭ টি।
- সরকারি নোট - ৩টি।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে - অর্থ সচিবের।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৬৯.
BIDA- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Bangladesh International Development Authority
  2. খ) Bangladesh Investment Development Authority
  3. গ) Bangladesh Investment Development Access
  4. ঘ) Bangladesh Investment Developing Authority
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bangladesh Investment Development Authority
ব্যাখ্যা
• BIDA:
- BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
৪৭০.
বর্তমানে দেশে কয়টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৪]
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ব্যাংক খাত:

- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি।
- যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. সিটিব্যাংক এনএ,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড (যুক্তরাজ্য),
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৭১.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৪৭২.
থ্রি - জিরো তত্ত্বে কোনটি নেই?
  1. জিরো দারিদ্র্য
  2. জিরো বেকারত্ব
  3. জিরো ক্ষুধা
  4. জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
জিরো ক্ষুধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিরো ক্ষুধা
ব্যাখ্যা
জিরো ক্ষুধা থ্রি - জিরো তত্ত্বে নেই।

থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Bussiness Stundard.
৪৭৩.
২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে বাজেট বাংলাদেশের কততম বাজেট?
  1. ৫১তম
  2. ৫২তম
  3. ৫০তম
  4. ৫৪তম
সঠিক উত্তর:
৫২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২তম
ব্যাখ্যা
• জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- প্রস্তাবিত বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- প্রস্তাবিত বাজেট পাস: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৫৩তম)। 
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। 

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৪৭৪.
বাংলাদেশের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, অতি দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৭.৬%
  3. ৫.৯%
  4. ৩.৬৫
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিস্থিতি :
- সরকার অর্থনীতির কাঠামোগত 'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ
- এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।
- বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে,
- ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান
- এবং ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৪৭৫.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ হলো:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা্ ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অন্যদিকে,
পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড এবং কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৪৭৬.
'নর্থবেঙ্গল পেপার মিল' কোথায় অবস্থিত‌?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
ক) পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাবনা
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎসঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৪৭৭.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিলমূল্যে জিডিপিতে কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ
- মৎস্যখাত : ৫.৭৪ শতাংশ
- খনিজ ও খনন : ০.২৯ শতাংশ (সর্বনিম্ন)
- স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা : ৯.৯৪ শতাংশ (সর্বোচ্চ)।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪৭৮.
NNP এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Net National Production
  2. Net National Product
  3. National Net Production
  4. Net National Price
সঠিক উত্তর:
Net National Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Net National Product
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭৯.
শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের পথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা কোনটি?
  1. শিল্পাঞ্চলের অভাব
  2. রাজনৈতিক অস্থিরতা
  3. দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
  4. ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা
সঠিক উত্তর:
দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
ব্যাখ্যা

♦ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি:
- শ্রমনির্ভর অর্থনীতি হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে পণ্য ও সেবা উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় মানুষের শ্রম মূলধন বা যন্ত্রপাতি এর তুলনায় অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়।
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শ্রমের অনুপাত খুব বেশি থাকে।
- যন্ত্রপাতি বা অটোমেশনের পরিবর্তে বেশি সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ করে কাজ করানো হয়।
- এ ধরনের অর্থনীতিতে সস্তা ও প্রচুর শ্রমশক্তি থাকলে সুবিধা হয়, কারণ উৎপাদন খরচ কমে।

♦ উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতি:
- উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতি হল এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে সস্তা শ্রমের পরিবর্তে মূল ভিত্তি হল দক্ষতা, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতা।

♦ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর:
- বাংলাদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমনির্ভর মডেলে (বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে সস্তা শ্রমের সুবিধা নিয়ে) চলছে।
- বর্তমানে উৎপাদনভিত্তিক বা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর জরুরি, যাতে উচ্চমূল্যের পণ্য, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ে।
- এই রূপান্তরের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষা-কর্মক্ষেত্রের গভীর অসামঞ্জস্য।
- শিক্ষা ব্যবস্থা সার্টিফিকেট-কেন্দ্রিক, প্র্যাকটিক্যাল ও ইন্ডাস্ট্রি-রিলেটেড স্কিল তৈরিতে ব্যর্থ।
- ফলে শিল্পপতিরা দক্ষ কর্মী না পেয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারছেন না।
- উচ্চমূল্যের খাতে (আইটি, ফার্মা, ইলেকট্রনিক্স) প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

৪৮০.
ই-টিআইএন বলতে বুঝায়-
  1. ক) নাবিকদের পরিচিতি নাম্বার
  2. খ) বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিচিতি নাম্বার
  3. গ) পুলিসের পরিচিতি নাম্বার
  4. ঘ) করদাতাদের পরিচিতি নাম্বার
সঠিক উত্তর:
ঘ) করদাতাদের পরিচিতি নাম্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করদাতাদের পরিচিতি নাম্বার
ব্যাখ্যা

- টিআইএন (TIN এর পূর্ণরূপ Taxpayers Identification Number) হচ্ছে করদাতা সনাক্তকরণ নাম্বার।
- এটি ১৯৯৩ সালে থেকে প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: এন.বি.এর ওয়েবসাইট

৪৮১.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
  2. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৪৮২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় নবম ইপিজেড নির্মাধীন?
  1. খুলনা
  2. সাতক্ষীরা
  3. পটুয়াখালী
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

ইপিজেড:
- দেশের নবম ইপিজেড নির্মিত হচ্ছে পটুয়াখালী। 
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)।
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
-  বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৪৮৩.
NNP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Net New Product
  2. National New Product
  3. Net National Product
  4. National Net Product
সঠিক উত্তর:
Net National Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Net National Product
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮৪.
Taka 10 polymer note was first introduced in Bangladesh in:
  1. 2000
  2. 2001
  3. 2002
  4. 2003
সঠিক উত্তর:
2000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2000
ব্যাখ্যা
দশ টাকা: 
- বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে নোট চালু করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। 
- ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০ টাকার নোট ইস্যু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ২রা জুন এবং ১৯৭৩ সালের ১৫ই অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর- এর ছবি সংবলিত আরো দুটি নোট ইস্যু হয়।
- ১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর তারা মসজিদ- এর ছবি সংবলিত নোট ইস্যু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ৩রা আগস্ট এবং ১৯৮২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর আতিয়া জামে মসজিদ- এর ছবি সংবলিত ভিন্ন দুটি নোট ইস্যু হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১১ই ডিসেম্বর লালবাগ কেল্লা মসজিদ- এর ছবি সংবলিত নোট ইস্যু হয়।
- ২০০০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে ১০ টাকার পলিমার নোট তৈরি করে আনা হয়, অবশ্য তা বাংলাদেশের জন্য ব্যবহারের অনুপযোগী।
- ২০০২ সালের ৭ই জানুয়ারি ১০ টাকার আরেকটি নোট ইস্যু হয়।
- সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা উপাদান বাড়িয়ে পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৪৮৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর নিযুক্ত করা হয়েছিল কাকে?
  1. আব্দুর রউফ
  2. এ এন হামিদুল্লাহ
  3. সালাউদ্দিন আহমেদ
  4. ফখরুদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এ এন হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এন হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক :
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠন করা হয়।
- এ আদেশ কার্যকর করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ প্রথম গভর্নর নিযুক্ত করা হয়-  এ এন হামিদুল্লাহকে।
- কোনো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সোনা রিজার্ভ ছাড়া এবং পাকিস্তানিদের রেখে যাওয়া ৩৫৮ কোটি টাকা দায় মাথায় নিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের যাত্রা।
- বাংলাদেশে ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর-  ড. আহসান এইচ মনসুর ( মে-২৫) 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় - মতিঝিল, ঢাকা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪৮৬.
একটি দেশের উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সময় নিচের কোনটি ঘটে না?
  1. বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
  2. মূল্যস্তর বৃদ্ধি পায়
  3. অর্থের মূল্য কমে
  4. অর্থের সরবরাহ বাড়ে
সঠিক উত্তর:
বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
ব্যাখ্যা
মূদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদদের মতে:
- অর্থনীতিবিদ্ ক্রাউথার (Crowther) বলেন, “মূদ্রাস্ফীতি হল এমন এক অবস্থা যখন অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায় এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।”
- অধ্যাপক পিগু (Pigou) বলেন, “যখন আয় সৃষ্টিকারী কাজ অপেক্ষা মানুষের আর্থিক আয় অধিক হারে বৃদ্ধি পায়, তখনই মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।”

মূদ্রাস্ফীতি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব:
- পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না।
- ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
- এ সময় ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারিগণ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিবর্তে ফটকা কারবারের দ্বারা দ্রুত মুনাফা অর্জন করতে আগ্রহী হয়।
- ফলে দেশের প্রকৃত উৎপাদন কমে যায়। তাছাড়া অর্থের ক্রয়শক্তি দ্রুত কমতে থাকে, বলে সঞ্চয়কারী সঞ্চয়ের পরিবর্তে ভোগ ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।ফলে মূলধন গঠন ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
- চরম মুদ্রাস্ফীতির সময় উদ্যোক্তাগণও উৎপাদন ক্ষেত্রে ঝুঁকি গ্রহণ করতে আগ্রহী হয় না।
- সুতরাং মুদ্রাস্ফীতির ফলে শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ও নিয়োগ কমে আসে।
- নিয়োগ কম হলে বেকারত্ত্বের হার বাড়বে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
৪৮৭.
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
প্রকল্পটি ফলগ্রসূ হলে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৪৮৮.
বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে?
  1. ক) একবার
  2. খ) দুইবার
  3. গ) তিনবার
  4. ঘ) চারবার
সঠিক উত্তর:
ক) একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একবার
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। বছরে একবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।
- তবে ২০০৬-২০১৯ সময়ে বছরে ছয় মাস অন্তর দুইটি করে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।
- মুদ্রানীতি হলো মুদ্রার গতিবিধির প্রক্ষেপণ। এটি অভ্যন্তরীণ ঋণ ও মুদ্রা সরবরাহের সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
- দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, অর্থনৈতিক গতিশীলতা রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে মুদ্রানীতি সহায়তা করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাপিডিয়া)
৪৮৯.
সম্প্রতি, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন বাতিল করেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি এবং পাঁচটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে।

- বাতিল করা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সরকারিগুলো হলো:
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (কক্সবাজার), সুন্দরবন ট্যুরিজম পার্ক (বাগেরহাট), গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (মুন্সীগঞ্জ), শ্রীপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল (গাজীপুর) এবং ময়মনসিংহ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ময়মনসিংহ)।

- বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হলো:
বিজিএমইএ গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (মুন্সীগঞ্জ), ছাতক ইকোনমিক জোন (সুনামগঞ্জ), ফমকম ইকোনমিক জোন (বাগেরহাট), সিটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (ঢাকা) এবং সোনারগাঁও অর্থনৈতিক অঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ)। - এছাড়াও নেপালের জন্য আলাদা একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৯০.
ব্রেটন উডস সংস্থা হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. AIIB
  2. NATO 
  3. World Bank
  4. ADB
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা

• ব্রেটন উডস সংস্থা: 
- ব্রেটন উডস সংস্থা বলতে প্রধানত বোঝানো হয়: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্ব ব্যাংক কে (World Bank).
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফলে ব্রেটন উডস সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এই প্রতিষ্ঠান দুটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে।

বিশ্বব্যাংক: 
- বিশ্বব্যাংক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস–এ প্রতিষ্ঠিত হয়;
- মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসের পর ইউরোপকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে।
- পরে, এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- সংস্থাটি ১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং
- এর সদর দপ্তর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত।
--------------------------------------
উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের মূল কাজ হলো:
• নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়া,
• নীতিগত পরামর্শ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করা।
- যাতে টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

• আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- IMF কে ব্রেটন উডস সংস্থা বলা হয়ে থাকে।
- IMF সদস্য দেশগুলোকে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সংকটে সহায়তা প্রদান করে;
- প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেয়, এবং
- বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে,
- IMF বৈদেশিক মুদ্রার হার নিয়ন্ত্রণ করে ও ঋণ সহায়তা দেয়।

উৎস: Britannica ও World Bank Website. 

৪৯১.
পরিকল্পনা কমিশনের বিকল্প চেয়ারম্যান কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী।
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৪৯২.
From which country does Bangladesh import the most in terms of money?
  1. ক) United States
  2. খ) India
  3. গ) China
  4. ঘ) Japan
সঠিক উত্তর:
গ) China
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) China
ব্যাখ্যা
আমদানিকৃত দেশ:

- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। 
- উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।
- পণ্যের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভারত থেকে।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে। তাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা জাপান।
- জাপান থেকে বাংলাদেশ দেশ হিসেবে বেশি সাহায্য পায়।

তথ্যসূত্র - রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
৪৯৩.
বাংলাদেশে প্রতি অর্থ বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি:
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে ওই দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক কর্তৃপক্ষ।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর প্রতি অর্থ বছরে দুই বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো-
- মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৪৯৪.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) নবম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে তৃতীয়।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৪৯৫.
UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা কত কোটি?
  1. ক) ১৪.৯৭ কোটি
  2. খ) ১৫.৫১ কোটি
  3. গ) ১৬.৪৭ কোটি
  4. ঘ) ১৭.৩৮ কোটি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬.৪৭ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬.৪৭ কোটি
ব্যাখ্যা
UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি। জসনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১ শতাংশ। জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার- আগস্ট)
৪৯৬.
বাংলাদেশ কত সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries):
- এলডিসি দেশগুলো একধরনের উন্নয়নশীল দেশ।
- যেসব দেশের সক্ষমতা তুলনামূলক কম, তাদের এই তালিকায় রাখা হয়।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে। 
- তিনটি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেগুলো হলো:
১. আয় সূচক;
২. মানব সম্পদ সূচক;
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মানদণ্ডের তিনটিতেই উত্তীর্ণ হয়।
- ২০২১ সালেই বাংলাদেশ চূড়ান্ত সুপারিশ পায় যে ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণ হতে পারে বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে বের হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে প্রস্তুতির জন্য আরও দুই বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়।
- সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

৪৯৭.
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের দিক বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান -
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
• ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৪৯৮.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. ক) সুতা
  2. খ) তুলা
  3. গ) আইসিটি পণ্যসামগ্রী
  4. ঘ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
• প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

• একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – সুতা।
তৃতীয় সর্বোচ্চ - সার। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৪৯৯.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর ধার্য করা হয় - 
  1. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  2. আয়কর 
  3. আবগারি শুল্ক
  4. সম্পূরক শুল্ক 
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫০০.
Insurance companies of Bangladesh operate under the -
  1. Insurance Corporation Act 1973
  2. Insurance Corporation Act 2000
  3. Insurance Corporation Act 2010
  4. Insurance Corporation Act 2016
সঠিক উত্তর:
Insurance Corporation Act 1973
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insurance Corporation Act 1973
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বীমা হচ্ছে একজনের ঝুঁকিকে অনেকের কাঁধে বিস্তৃত করার একটি বৈধ ব্যবস্থা।
- ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল।
- এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
- এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
- এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি বীমা আইন-১৯৭৩ এর অধীনে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়।
- এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়।
- একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

⇒ বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স একাডেমী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালে এটি বীমা বিষয়ে পেশাগত শিক্ষার উন্নয়ন, আয়োজন ও শিক্ষা প্রদান এবং বীমা বিষয়ে গবেষণা করার উদ্দেশ্যে স্থাপন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।