বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৩০১৪০০ / ১,৮৬১

৩০১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী সুপেয় পানি গ্রহণকারী-
  1. ক) ৯৮.৩ শতাংশ
  2. খ) ৯৭.৬ শতাংশ
  3. গ) ৯৪.৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৩.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.৩ শতাংশ।
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫ শতাংশ।
- মোট প্রজনন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বৎসর বয়সী মহিলা) ২.০৪ শতাংশ।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩.৯ শতাংশ।
৩০২.
Bangladesh Bank is a-
  1. ক) Commercial bank
  2. খ) State Bank
  3. গ) Central Bank
  4. ঘ) Bank of Industry
সঠিক উত্তর:
গ) Central Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Central Bank
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি টাকা এবং তা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ৩ লক্ষ শেয়ারে বিভক্ত।
- প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ.ন.ম হামিদুল্লাহ। 

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৩০৩.
বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো -
  1. আবগারি শুল্ক
  2. বহিঃশুল্ক
  3. বাণিজ্য শুল্ক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো আবগারি শুল্ক।

আবগারি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক  দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর আরোপিত কর। 
- সরকারি কোষাগারে রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়, যা দিয়ে সরকারি ব্যয় মেটানো হয়।
- এটা সরকারের আয়ের একটা উৎস।
- আবগারি শুল্ক সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আবার এটি আয়ের পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- করারোপের সুবিধার নীতি প্রয়োগের জন্যও আবগারি শুল্ককে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন, কোনো বিশেষ দ্রব্যের (যথা, তামাকের) ওপর আবগারি শুল্ক সংগ্রহ করে উক্ত তহবিল ওই দ্রব্যের ভোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- ১৯৯১-৯২ সালে মূসক-এর আওতা বহির্ভুত যেসব দ্রব্য ও সেবার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপযোগ্য ছিল, সেগুলি হলো তামাক, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলজাত দ্রব্য, সংবাদপত্রের কাগজ, সোনা-রুপা ও সোনা-রূপার জিনিসপত্র, লবণ, ব্যাংক চেক এবং সাধারণ ইট।

অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক: কিছু বিলাস সামগ্রীর আমদানি ও ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এসব পণ্যের উপর মুসক ছাড়াও বিভিন্ন হারে অতিরিক্ষ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।
- বহিঃশুল্ক: আমদানি-রপ্তানির উপর আরোপিত শুল্ককে বহিঃশুল্ক বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক: বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর: দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।

উৎস: i)  অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩০৪.
কোন্ সংস্থা বাংলাদেশের GDP হিসাব করে?
  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. অর্থ বিভাগ 
  4. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

♦ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP):
- GDP এর পূর্ণরূপ Gross Domestic Product.
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত ১ বছরের জন্য গণনা করা হয়।

♦ বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে ।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।

♦ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
• দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
• দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
• দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
• বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

→ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

♦ বর্তমান জিডিপি:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

♦ উল্লেখ্য:
→ বাংলাদেশ ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) মুদ্রানীতি, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ, ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে।
→ অর্থ বিভাগ: অর্থ বিভাগ (Ministry of Finance-এর অংশ) বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ, ব্যয় বরাদ্দ, ফিসকাল পলিসি নির্ধারণ করে। 
→ বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন: পরিকল্পনা কমিশন (Planning Commission) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রকল্প অনুমোদন, উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট, অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৫.
ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) মিথেন গ্যাস
  4. ঘ) অপরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে। বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৩০৬.
সরকারি নোটে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর
  3. অর্থ সচিব
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ সচিব
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৩০৭.
‘কাবিখা’ কর্মসূচি কোন ধরনের সরকারি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকা দান
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. দারিদ্র বিমোচন
  4. অবকাঠামো উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
ব্যাখ্যা

‘কাবিখা’ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ‘কাবিখা’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব, খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তীব্র বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ যখন অনাহারের সম্মুখীন হয়, তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরবর্তীতে কাবিখা হিসেবে পরিচিতি পায়।
- এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, স্বাভাবিক সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি।
- পাশাপাশি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা ও সার্বিক দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩০৮.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
পাট:
- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।
- বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পাট থেকে উৎপাদিত সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- সারা বিশ্বে আঁশ উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে তুলার পরেই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসল দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়— ফরিদপুর জেলায় । 
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা— ১৯৭৪ সালে ।
- পাট উৎপাদনের বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত (২য় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ)।
- জুটন আবিস্কার করেন— ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকউল্লাহ । 
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর ফার্মগেট, ঢাকা (প্রতিষ্ঠা ২৭ এপ্রিল ২০০২)। 
- বাংলাদেশে উৎপন্ন কিছু উন্নত জাতের গম— অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
৩০৯.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৩১০.
The position of Bangladesh in 2024 index of economic Freedom is -
  1. 152nd
  2. 123rd
  3. 134th
  4. 103rd
  5. 116th
সঠিক উত্তর:
116th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
116th
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০২৪:
- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৪ প্রকাশ করেছে।।
- ২০২৪ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ সিঙ্গাপুর।
- সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া।
 
উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।
৩১১.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী, জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন কত?
  1. ৩০০ কোটি টাকা
  2. ৫০০ কোটি টাকা
  3. ৭০০ কোটি টাকা
  4. ৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বীমা কর্পোরেশন: 

- বীমা হলো একটি চুক্তি।এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ক্ষতিপূরণ দিবে বলে নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। অন্যপক্ষ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়।

⇒ ১৯৮৪ সালে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ এর সংশোধনী আনা হয়।
- এতে সাধারণ বীমা ও জীবন বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা খাতে বীমা কোম্পানি পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
- বীমা কর্পোরেশন (সংশোধনী) আইন ১৯৮৪, ব্যবসায় পরিচালনা এবং পুনঃবীমা সংক্রান্ত কয়েকটি বিধিনিষেধ সাপেক্ষে ব্যক্তিমালিকানা খাতে সাধারণ ও জীবন বীমা কোম্পানি স্থাপনের অনুমতি দেয়।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুযায়ী,
• জীবন বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা।
• সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৩১২.
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যকার সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তির নাম কী?
  1. TICFA
  2. SAPTA
  3. NAPTA
  4. APTA
সঠিক উত্তর:
TICFA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TICFA
ব্যাখ্যা
• TICFA চুক্তি :
- TICFA  এর পূর্ণরূপ- Trade and Investment Co - operation Forum Agreement..
- এটি একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি,
- এটি হলো টিফা চুক্তির সম্প্রসারিত রুপ।
• TICFA-এর মূল উদ্দেশ্য :
- যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ পরস্পরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করার একটি মাধ্যম তৈরি করা।
- ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩,টিকফা-র সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস : U.S. Embassy in Bangladesh (.gov)
৩১৩.
"মূল্য সংযোজন কর" কোন ধরনের কর?
  1. পরিপূরক কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. প্রত্যক্ষ কর
  4. সম্পূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয়।
- এটি ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩১৪.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত? ( মে-২০২৫)
  1. ৩৬,৪৭৭ (মেঃওঃ)
  2. ৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
  3. ৪৮,৩৭৯ (মেঃওঃ)
  4. ১৬,৭৭৮ (মেঃওঃ)
সঠিক উত্তর:
৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ)
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত :
 - বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা : ৩০,৭৭৮ (মেঃওঃ) (ক্যাপটিভ সহ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সহ)।
- সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন: ১৬,৪৭৭ মেঃওঃ (৩০ এপ্রিল ২০২৪)।
- গ্রাহক সংখ্যা: ৪ কোটি ৮২ লক্ষ।
- মোট সঞ্চালন লাইন (সা.কি.মি.): ১৬,৮৮৩।
- গ্রিড সাব-ষ্টেশন ক্ষমতা (এমভিএ): ৭৫,৮০০।
- বিতরণ লাইন (কি.মি.): ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭২৫।
- বিতরণ লস: ৭.২৫% (জুন২০২৪)।
- মাথাপিছু উৎপাদন (কিঃওঃআঃ): ৬৪০ (২৩-২৪ অর্থবছর)।
- বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্ত জনগোষ্ঠী: ১০০%।
- প্রি-পেইড মিটারস্থাপন: ৭২ লক্ষ ১৫ হাজার  ৬৪২ ।
- সোলার হোম সিস্টেম: ৬০ লক্ষ।

উৎস : পাওয়ার সেল [লিংক]
৩১৫.
বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস রেগুলেটরি কমিশন
  3. সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। 
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। Link

৩১৬.
New Development Bank-এর বর্তমান সভাপতি কে?
  1. দিলমা রুসেফ
  2. মার্কোস প্রাডো
  3. লেসলি ম্যাসডর্প
  4. কে ভি কামাথ
সঠিক উত্তর:
দিলমা রুসেফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিলমা রুসেফ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

New Development Bank:

- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

অন্যদিকে -
- কে ভি কামাথ নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- লেসলি ম্যাসডর্প নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- মার্কোস প্রাডো ট্রয়জো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের পূর্ববর্তী প্রেসিডেন্ট।

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
৩১৭.
'কাবিখা' কোন ধরনের কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. দারিদ্র বিমোচন
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. টিকাদান কর্মসূচি
  4. কাজের প্রশিক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩১৮.
নিচের কোনটির কারনে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে?
  1. উৎপাদন বেড়ে যাওয়া
  2. অর্থের মান বৃদ্ধি
  3. পণ্যের দাম কমে যাওয়া
  4. মূল্যস্তর এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
মূল্যস্তর এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যস্তর এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• মুদ্রাস্ফীতি:
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
- মুদ্রাস্ফীতির সময় অর্থের যোগান বৃদ্ধি পাওয়ায় সমাজের ব্যয়োপযোগী আয়ের পরিমাণ বেড়ে মোট চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
- দেশে পূর্ণ নিয়োগ অবস্থার পূর্ব পর্যন্ত চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে দ্রব্যের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়।
- কিন্তু দেশ পূর্ণ নিয়োগ অবস্থায় পৌছানোর পর দ্রব্যসামগ্রীর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয় না।
- চাহিদা বৃদ্ধির তুলনায় জিনিসপত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি না পাওয়ায় দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি ঘটে।
- তাই মুদ্রাস্ফীতি যদি দীর্ঘকাল স্থায়ী হয় তাহলে শ্রমিকরা অধিক মজুরি দাবি করে।
- মুদ্রাস্ফীতির সময় শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি পায় ।
- এবং সে সাথে যন্ত্রপাতি ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পায়।
- এর ফলে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দ্রব্যমূল্য আরও বেড়ে যায়।
- এভাবে মুদ্রাস্ফীতির ফলে দেশে উৎপাদন ব্যয় এবং মুল্যস্তর বৃদ্ধি পায়।

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্বাবিদ্যালয়।
৩১৯.
বাংলাদেশের কতটি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে?
  1. ৩৬
  2. ২৬
  3. ৪৬
  4. ৫৬
সঠিক উত্তর:
৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬
ব্যাখ্যা

• বীমা প্রতিষ্ঠান:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

• বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ এবং ডেইলিস্টার বাংলা [লিংক]।

৩২০.
বাংলাদেশে কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি 
সঠিক উত্তর:
৭টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

৩২১.
ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. যমুনা ব্যাংক 
  2. পূবালী ব্যাংক 
  3. জনতা ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

জনতা ব্যাংক পিএলসি:
- ১৯৭১ সালে যুদ্ধের পর স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে সাথে, রক্ত, অশ্রু, বেদনা এবং আমাদের লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনের বেদনায় ভরা একটি যুদ্ধ, দেশের ইতিমধ্যেই ভাঙা আর্থিক ভিত্তি পুনর্নির্মাণের উত্তরাধিকারকে একটি নবজাত রাষ্ট্রের ধসে পড়া অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দিনের একটি জরুরি আহ্বান হিসেবে অনুভূত হয়েছিল।
- এই পটভূমিতে, দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের জন্য, এই অঞ্চলে পূর্বে পরিচালিত বেশ কয়েকটি ব্যাংককে একীভূত করে নতুন ব্যাংক তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং এই উদ্যোগের ফলে ১৯৭২ সালে ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৬) এর অধীনে পূর্ববর্তী ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড এবং ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডকে একত্রিত করে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়

⇒ ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর জনতা ব্যাংক জয়েন্ট স্টক অফ রেজিস্ট্রারদের সাথে নিবন্ধিত হয় এবং জনতা ব্যাংক লিমিটেড নামে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২০২০ সংশোধনীর আওতায়, ব্যাংকটির নামকরণ করা হয় জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- চেয়ারম্যান: জনাব এম. ফজলুর রহমান।

উৎস: Janata Bank PLC ওয়েবসাইট।

৩২২.
কোন শাসক সর্বপ্রথম বাংলায় মুদ্রা প্রচলন করেন?
  1. ঈশা খাঁ
  2. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  4. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
⇒ শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ:
→ ১২০০ হতে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ অঞ্চলে মুসলিম যুগের শাসনামল লক্ষ করা যায়।
→ ইতিহাসে এ সময়কে স্বর্ণযুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
→ ১৩০১ খ্রিস্টাব্দে শামছুদ্দিন ফিরোজ শাহ বিনিময় প্রথা রহিত করে সোনারগাঁয়ে প্রথম মুদ্রার প্রচলন করেন।
 
→ মধ্যযুগে শেরশাহের আমলে সমগ্র রাজত্বকে কতগুলো সরকার এবং পরগণায় বিভক্ত করা হয়। তখন জমির উৎপাদিত ফসলের এক-চতুর্থাংশ খাজনা হিসাবে কৃষকরা দিত।
→ সম্রাট আকবরের আমলে ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে রাজা টোডরমল এ অঞ্চলের রাজস্ব বন্দোবস্তের তালিকা প্রস্তুত করেন।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
(প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক ছিল)
Which international organization recently declared Bangladesh as lower middle income country?
  1. ক) IMF
  2. খ) OECD
  3. গ) WB
  4. ঘ) ADB
সঠিক উত্তর:
গ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WB
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বেরিয়ে এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় উন্নীত হয়েছে।
- ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত এক তালিকায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

- বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় বর্তমানে ২,৮২৪ মার্কিন ডলার।
- যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।

- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিলো, তাই বাংলাদেশকে বলা হতো নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।

 সূত্র: ডেইলি স্টার। 
৩২৪.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান-
  1. ক) ১ শতাংশের অধিক
  2. খ) ২ শতাংশের অধিক
  3. গ) ৩ শতাংশের অধিক
  4. ঘ) ৪ শতাংশের অধিক
সঠিক উত্তর:
ক) ১ শতাংশের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ শতাংশের অধিক
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম, তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ এবং এশিয়ার মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের অধিক। একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ ‘ইলিশের দেশ’ হিসেবে পরিচিত।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৩২৫.
কোনটি অনুপার্জিত আয়?
  1. ক) কমিশন
  2. খ) প্রাপ্য কমিশন
  3. গ) অগ্রিম প্রাপ্ত কমিশন
  4. ঘ) প্রাপ্ত কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্রিম প্রাপ্ত কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অগ্রিম প্রাপ্ত কমিশন
ব্যাখ্যা
সেবা প্রদান ব্যতীত অগ্রিম টাকা বা লভ্যাংশ গ্রহণ করাকে অনুপার্জিত আয় বলে, কারণ এই আয়টা এখনো সেবা প্রদানের মাধ্যমে উপার্জন করা হয় নি।
তবে কমিশন, প্রাপ্য কমিশন এবং প্রাপ্ত কমিশন এগুলো সেবা প্রদান করার পর উপার্জিত আয়।
৩২৬.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০০৯ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।
(তথ্যসূত্রঃ BIDA ওয়েবসাইট)
৩২৭.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো  কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. ব্যয় পদ্ধতি
  3. আয় পদ্ধতি
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
আয় পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয় পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না।

বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:

- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।
- উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩২৮.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. পূবালী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩২৯.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) মুনাফা অর্জন
  2. খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) ঋণ প্রদান
  4. ঘ) আমানত গ্ৰহণ
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ:

- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হল,
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য হলো - মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা।
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা।
- বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া।
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৩০.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত? 
  1. ১৭ টি
  2. ১৩ টি
  3. ১৯ টি 
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬ ধরে)
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

৩৩১.
বাংলাদেশকে ডেল্টা প্ল্যানে সহায়তা করছে কোন দেশ?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৩২.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে-
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. রূপালী ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে।

• সোনালী ব্যাংক:

- ১৯৭২ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও প্রিমিয়ার ব্যাংক একত্রে “সোনালী ব্যাংক” নামে প্রতিষ্ঠিত।
- ৩ জুন ২০০৭-এ কোম্পানি নিবন্ধন, ৫ জুন ২০০৭-এ ব্যাংকিং লাইসেন্স এবং ১৫ নভেম্বর ২০০৭-এ কার্যক্রম শুরু।
- ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে “সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড” নামে সাবসিডিয়ারী কোম্পানি মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ২৯ জুন ২০১০ থেকে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু।
- “সোনালী ফাউন্ডেশন” পরিচালনা করে কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব কার্যক্রম।
- মোট শাখা: ১,২৩৪ (দেশে ১,২৩২, বিদেশে ২); গ্রামাঞ্চল ৬৯৬, শহরাঞ্চল ৫৩৬।
- বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রমের জন্য ৪৮ অনুমোদিত শাখা ও ৬১৭ বৈদেশিক করেসপন্ডেন্ট রয়েছে।
- প্রশাসনিক ইউনিট: ১৮ জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ৬৯ প্রিন্সিপাল অফিস, প্রধান কার্যালয়ের ৪৭টি বিভাগ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী (৯টি শাখা), যুক্তরাজ্যে ৬টি শাখা, সৌদি আরব ও কুয়েতে প্রতিনিধি অফিস।
- মালয়েশিয়ায় IME, SDN BHD ও মে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রেরিত অর্থ কার্যক্রম পরিচালনা।
- প্রশিক্ষণ: ঢাকায় স্টাফ কলেজ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া ও ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউট।
- ঋণ ও অর্থনৈতিক সহায়তা: কৃষি ও শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানী-রফতানি ঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, SME ঋণ, ভোগ্যপণ্য ঋণ ইত্যাদি।
- দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা।

উৎস: সোনালী ব্যাংক ওয়েব সাইট।

৩৩৩.
ডলারের বিপরীতে টাকার অবমুল্যায়নের অন্যতম প্রভাব কি?
  1. বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
  2. তারল্য সংকট কাটিয়ে উঠা
  3. খেলাপী ঋণের পরিমান কমিয়ে আনা
  4. রপ্তানী বাড়ানো
সঠিক উত্তর:
রপ্তানী বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানী বাড়ানো
ব্যাখ্যা

→ ডলারের বিপরীতে টাকার অবমুল্যায়নের অন্যতম প্রভাব রপ্তানী বাড়ানো।

♦ মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- অবমূল্যায়নের ফলে আমদানি ব্যয়বহুল হয় কারণ একই পরিমাণ বিদেশী পণ্য কিনতে আরও বেশি স্থানীয় মুদ্রার প্রয়োজন হয়।
- আমদানিকৃত কাঁচামাল, জ্বালানি এবং যন্ত্রপাতির উপর নির্ভরশীল দেশগুলিতে, এটি সরাসরি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায় ৷

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৪.
সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি বাবদ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ওয়েবভিত্তিক পদ্ধতির নাম কী?
  1. এ-চালান
  2. বি-চালান
  3. ও-চালান
  4. ওয়েব-চালান
সঠিক উত্তর:
এ-চালান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ-চালান
ব্যাখ্যা
অটোমেটেড চালান বা এ-চালান: 
- অটোমেটেড চালান (এ-চালান) সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি বাবদ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ওয়েবভিত্তিক একটি পদ্ধতি।
- অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৯-২০ অর্থবছর হতে অটোমেটেড চালান (এ-চালান) সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
- এ-চালান সিস্টেম ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল শাখাসহ সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের যে কোন শাখার কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস: রকেট/বিকাশ/নগদ/উপায়/টেপ/ওকে ওয়ালেট ইত্যাদি) ও ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি সরকারি কোষাগারে তাৎক্ষণিকভাবে (Real Time) জমা করা যায়।
- চালান জমা দেয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, হিসাবরক্ষণ অফিস এবং সরকারি সংস্থার হিসাবের মধ্যে কোন পার্থক্য ছাড়াই সংগতিসাধন (Reconciliation) সম্পন্ন হয় এবং প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠান তার অংশের জমা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান।
- এছাড়া, চালান ভেরিফিকেশন ওয়েবসাইটে গিয়ে চালানের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়।

উৎস: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। লিঙ্ক 
৩৩৫.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল?
  1. ক) ৮.১৫%
  2. খ) ৭.৪০%
  3. গ) ৭.৮০%
  4. ঘ) ৭.২৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৪০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৪০%
ব্যাখ্যা
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল- ৭.৪০%
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.১৫%।   

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৩৩৬.
সম্পদ থেকে মূলধন বিয়োগ করলে হয়:-
  1. লাভ
  2. দায়
  3. রেভিনিউ
  4. ইকুয়িটি
সঠিক উত্তর:
দায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়
ব্যাখ্যা
সম্পদ থেকে মূলধন বিয়োগ করলে হয় দায়।
সম্পদ:
- সম্পদ হলো সব ধরনের সম্পত্তি যা একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে। আর মূলধন হলো সম্পদের মধ্যে স্থায়ী সম্পত্তি যেমন ভবন, যন্ত্রপাতি, গাড়ি ইত্যাদি।
- সম্পদ থেকে মূলধন ক্রয় করা হলে তা হবে সম্পদ বিয়োগ এবং ব্যবসার জন্য এটি হবে দায় বা খরচ।

অন্যদিকে,
লাভ, রেভিনিউ বা ইকুইটি হলো সম্পদের অংশ, যা মূলধন বিয়োগের ফলে কমে না।

উৎস: Investopedia Website.[link]
৩৩৭.
স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) ডিভিডেন্ট
  2. খ) ডিভ্যালু
  3. গ) ডিম্যাট
  4. ঘ) ডিসকাউন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্যাট
ব্যাখ্যা
- ডিম্যাট বা ডিম্যাটেরিয়ালাইজড ফরম্যাট হল এমন একটি উপায় যেখানে আপনার ফিজিক্যাল শেয়ার এবং সিকিউরিটিগুলি ইলেকট্রনিক উপায়ে রূপান্তরিত এবং সংরক্ষণ করা হয়। 
- ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল স্বচ্ছতা।
- অনলাইনে ট্রেড করার সময়, আপনার কেবল একটি ডিম্যাট নম্বর প্রয়োজন এবং বিশাল কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই।
- শেয়ারগুলি আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে কেনা বা বিক্রি করা যেতে পারে এবং এগুলি ক্রেডিট এবং ডেবিট আকারে রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। 

উৎস : বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট
৩৩৮.
’থ্রি জিরো' তত্ত্ব এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য বেকারত্ব
  3. শূন্য নিরক্ষরতা
  4. শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
শূন্য নিরক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য নিরক্ষরতা
ব্যাখ্যা

'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:
- থ্রি জিরো তত্ত্ব আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলাদা সম্মান পেয়েছেন তাঁর এই থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সেগুলো হলো জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ।

উৎস: Younus Centre.

৩৩৯.
বাংলাদেশে কয়টি শেয়ার বাজার রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার:

- বাংলাদেশে ২টি শেয়ার বাজার রয়েছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্বেই ১৯৫৬ সালে ঢাকা শেয়ার মার্কেটের কার্যক্রম শুরু হয়।এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।।ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত পরিচালনা নীতি দ্বারা পরিচালিত।
- সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয় ৮ জুন ১৯৯৩ সালে।
- কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং সিকিউরিটিস নিয়ম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। বর্তমানে কমিশনে চেয়ারম্যান ব্যতীত তিনজন পূর্ণকালীন সদস্য রয়েছেন। কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ তথ্য বাতায়ন।
৩৪০.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হস্তশিল্প
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. নীট পোশাক
  4. কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

• নীট পোশাক:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য  নীট পোশাক
- এখাতে  ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোশাক:
 - ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%

• হোম টেক্সটাইল : 
- হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৩৪১.
বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি-
  1. পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  2. দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা
  3. শতবর্ষী পরিকল্পনা
  4. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা

• বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ :
- বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা।
- ’দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০ ‘ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ‘ অনুমোদন করা হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ’বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে- নেদারল্যান্ড।

• বাংলাদেশে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে সমগ্র দেশকে মোট ৬টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে।
হটস্পটগুলো হচ্ছে:
১।  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২ ।বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩। হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫। নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬। নগরাঞ্চল ।

 উৎস:  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড

৩৪২.
খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্থার নাম-
  1. ক) Bangladesh Debt Management Corporation
  2. খ) Default Loan Management Company
  3. গ) Bangladesh Asset Management Corporation
  4. ঘ) Bangladesh Resource Management Company
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Asset Management Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Asset Management Corporation
ব্যাখ্যা
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারি যে করপোরেশন বা সংস্থা করা হচ্ছে, সেটি পরিচালিত হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে; যার নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন(Bangladesh Asset Management Corporation-BAMCO)’। সংস্থাটির মূল কাজ হবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি বা জামানতি ঋণ আদায় ও কেনাবেচা করা।
[সূত্রঃ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়]
৩৪৩.
এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রা কয়টি?
  1. ১৪টি
  2. ১৫টি
  3. ১৬টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ।
- SDGS-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
• দারিদ্র্য নির্মূল।
• ক্ষুধামুক্তি।
• সুস্বাস্থ।
• মানসম্মত শিক্ষা।
• লিঙ্গ সমতা।
• বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
• সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
• উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
• শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
• বৈষম্য হ্রাস।
• টেকসই শহর ও জনগণ।
• পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
• জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
• সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
• স্থলভাগের জীবন।
• শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
• অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৪৪.
কোনটি বাংলাদেশের একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি?
  1. প্রাথমিক বৃত্তি
  2. ইজিপিপি
  3. মাতৃমঙ্গল
  4. জেলা সদর হসপিটাল
সঠিক উত্তর:
ইজিপিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইজিপিপি
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সমূহ :
- বয়স্ক ভাতা
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)।
- কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা)।
- দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)।
- খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)।
- গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর)

উৎস : সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৩৪৫.
’জীবন তরী’ কী?
  1. চিত্রকর্ম
  2. কর্মসূচী 
  3. উপন্যাস
  4. হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

- ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসে ‘জীবন তরী’ নামে পরিচিত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি ভাসমান হাসপাতাল চালু করে। 
- দেশের প্রধান প্রধান নদীর ধারের মানুষ, যারা শহর বা নগরে খুব কমই যেতে পারে, তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ‘জীবন তরী’ ভাসমান হাসপাতালটি সাধারণ চিকিৎসা এবং শল্য চিকিৎসা দুধরনেরই স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও সেবা প্রদান করে। 
- জীবন তরী’ হাসপাতালটি অক্টোবর ২০০০ পর্যন্ত ৫৬,৬৭২ জনকে বিভিন্ন চিকিৎসা এবং ৩,৭৮৭ জনকে শল্য চিকিৎসা প্রদান করেছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৪৬.
চলতি বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ক) ৪১,৯৩৩ টাকা
  2. খ) ৩৭,৩৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৫,৫৫৫ টাকা
  4. ঘ) ৪৫,৮৮৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১,৯৩৩ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১,৯৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।
• মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• গত বছর মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল - ৩৭,৩৩৩ টাকা 

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩৪৭.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কবে শেষ হবে?
  1. ২০৩১
  2. ২০৩৫
  3. ২০৪১
  4. ২০৪৫
সঠিক উত্তর:
২০৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে ২০৪১ সালে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০১০-২০২১। 

[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রূপকল্প ২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে চেয়েছিল সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা, ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার করার লক্ষ্য ছিল। এজন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ৪৭ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পটি গ্রহণ করে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। এর মধ্যে ১৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকাই খরচ হবে পরামর্শক খাতে।

উল্লেখ্য,
- দেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অনুমোদিত হয়।
- এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উত্তরসূরি এবং দীর্ঘমেয়াদি 'বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১' এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রথম বড় দলিল।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) পরিকল্পনা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে কোন ব্যাংক?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। 
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে। 
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৪৯.
সিগারেট এর উপর কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ভ্যাট
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫০.
একটি ফার্মের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত -
  1. সম্পদ সর্বাধিকরণ
  2. মুনাফা সর্বাধিকরণ
  3. মূলধন বৃদ্ধি
  4. বিক্রয় বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সম্পদ সর্বাধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পদ সর্বাধিকরণ
ব্যাখ্যা
সম্পদ সর্বোচ্চকরণ (Wealth Maximization):
- একটি ফার্মের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং যথাযথ উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐ ফার্মের শেয়ারহোল্ডারদের তথা, ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ বা নীট বর্তমান মূল্য (Net present value) সর্বাধিকরণ।
- কোম্পানির বা ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐ কোম্পানি তার আর্থিক কর্মকান্ড বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
- এটি মুনাফা সর্বাধিকরণের উদ্দেশ্যের দুর্বলতাগুলি দূর করে সঠিকভাবে সম্পদের পরিমাপ করতে সক্ষম হয় বলে এ উদ্দেশ্যটি একটি সুষ্ঠু ও যুক্তিসঙ্গত উদ্দেশ্য হিসেবে সার্বজনীনভাবে গৃহীত।

⇒ এটি ফার্মের মুনাফা ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করে।
- ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য, এর প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির পরিমাণ, এর শেয়ার মূল্য, লভ্যাংশ ইত্যাদি দ্বারা এ উদ্দেশ্য প্রভাবিত হয়।
- একটি ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ বলতে ঐ ফার্মের শেয়ারের মূল্য সর্বাধিকরণকে বা নীট বর্তমান মূল্য সর্বাধিকরণকে বুঝায়।
- কোন বিনিয়োগের নীট বর্তমান মূল্য বলতে মুনাফার বর্তমান মূল্যের সমষ্টি ও বিনিয়োগের বর্তমান মূল্যের মধ্যবর্তী পার্থক্যকে বুঝায়।
- ইতিবাচক (positve) নীট বর্তমান মূল্যই (NPV) সম্পদের সৃষ্টি করে।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫১.
কোন সংস্থা থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক ঋণ সহায়তা পায়?
  1. ক) AIIB
  2. খ) IDA
  3. গ) ADB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ IDA (International Development Association) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা পায়।
- গত বছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২২৬.৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পায় যা IDA এর দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণ গ্রহীতা।
(তথ্যসূত্রঃ IDA ওয়েবসাইট)
৩৫২.
সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর বিদেশে কতটি শাখা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৫৩.
BEZA কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) কাজ করে থাকে।
- এটি ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়।
- BEZA প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

- এর কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
- এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।

অন্যদিকে,
- BEPZA এর দায়িত্ব রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।
- BIDA বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।
- BIDF হলো অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল।

তথ্যসূত্র:- BEZA ওয়েবসাইট
৩৫৪.
একটি দেশের জিডিপিকে দেশের জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. মাথাপিছু আয়
  2. জাতীয় মোট আয়
  3. বিনিয়োগের অংশ
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হার
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

৩৫৫.
দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা -
  1. ক) ৮০টি
  2. খ) ৭৯টি
  3. গ) ৭৮টি
  4. ঘ) ৮১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৯টি
ব্যাখ্যা
দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা - ৭৯টি। 
২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬০,৯৪৪.৯৫ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৩৫৬.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে LDC তালিকা থেকে বের-
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২২ সালে
  3. গ) ২০২৪ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৭টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

৩৫৭.
বাংলাদেশে আইএমএফ-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  2. ধানমন্ডি, ঢাকা
  3. টঙ্গী, গাজীপুর
  4. আগারগাঁও, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৩৫৮.
কত সালে দেশে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।
 
উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত) কত?
  1. ৩.৫১%
  2. ৪.২৮%
  3. ৫.৭৪%
  4. ৬.৩৯%
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৩৬০.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ১% এর কম
  2. ২% এর কম
  3. ৩% এর কম
  4. ৪% এর কম
সঠিক উত্তর:
১% এর কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১% এর কম
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১% এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৩৬১.
বাংলাদেশের জিডিপিকে সার্বিকভাবে কতটি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপ পদ্ধতি:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।  
- জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ,
২। খনিজ ও খনন,
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প),
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
৫। পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম,
৬। নির্মাণ,
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত,
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ,
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম,
১০। তথ্য ও যোগাযোগ,
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম,
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম,
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম,
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম,
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা;
১৬। শিক্ষা,
১৭।  মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম,
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন,
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩৬২.
বাংলাদেশে কত সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ১৯৮৯ সাল
  2. ১৯৯১ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৬৩.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান- [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু জিডিপি:
- মাথাপিছু জিডিপি হলো একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনকে (জিডিপি) দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যা পাওয়া যায়, সেটি
- সহজভাবে বললে, দেশের মোট উৎপাদিত সম্পদের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য গড় কতটুকু অর্থ বা সম্পদ তৈরি হয়েছে, সেটি হলো মাথাপিছু জিডিপি।
- সম্প্রতি এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। 
- এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। 
- তারপরও দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।
- ২০২৪ সালের সর্বশেষ হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি এখন ২ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে শীর্ষে রয়েছে মালদ্বীপ।
- এই দ্বীপরাষ্ট্রের নাগরিকদের মাথাপিছু জিডিপি হচ্ছে ১১ হাজার ডলারের বেশি।
- তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা; দেশটির মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪ হাজার ৫১৬ ডলার।
- এ ছাড়া প্রায় ৪ হাজার ডলার নিয়ে ভুটান তৃতীয় ও ২ হাজার ৮০০ ডলার নিয়ে ভারত চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্নে আফগানিস্তানের (৪০০ ডলারের বেশি) অবস্থান।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৩৬৪.
On which date is the first 'Money Day' celebrated in Bangladesh?
  1. ক) 7 March 2021
  2. খ) 26 March 2021
  3. গ) 4 March 2021
  4. ঘ) 17 March 2021
সঠিক উত্তর:
গ) 4 March 2021
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 4 March 2021
ব্যাখ্যা
নিজস্ব মুদ্রা:

- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে ‘টাকা দিবস’।
- বাংলাদেশে নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় ৪ মার্চ ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের।তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়।১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর  করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান। 
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ছবি এবং  তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে  প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।

উৎস - দৈনিক প্রথম আলো,৪ মার্চ,২০২১।
৩৬৫.
'Excise Duty' এর পরিভাষা-
  1. ক) অতিরিক্ত কর
  2. খ) অতিরিক্ত দায়িত্ব
  3. গ) সম্পূরক শুল্ক
  4. ঘ) আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

- 'Excise Duty' এর পরিভাষা আবগারি শুল্ক।
- দেশের অভ্যন্তরের উৎপাদিত ও ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত করকে আবগারি কর বা শুল্ক বলে।
- Supplement Duties এর পরিভাষা সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান

৩৬৬.
বর্তমানে দেশে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলছে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-৭৮।
• দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮০-৮৫।
• তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮৫-৯০।
• চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯০-৯৫।
• পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯৭-২০০২।
• ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১১-১৫।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১৬-২০।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০-২৫।

উল্লেখ্য,
⇒ ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৩৬৭.
নিচের কোনটি অ-তফসিলিভুক্ত ব্যাংক?
  1. বেসিক ব্যাংক লি.
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
অন্যদিকে,
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৩৬৮.
আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি কী?
  1. মূলধন
  2. অর্জিত মুনাফা
  3. সঠিক হিসাবরক্ষণ
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অর্জিত মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্জিত মুনাফা
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ -
১. আয়কর:
- আয়কর সরকারী আয়ের একটি বর্ধমান উৎস। জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের উপর এ কার্য করা হয়।
২. ভূমি রাজস্ব:
- কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হল ভূমি রাজস্ব। স্বাধীনতার পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করায় এ খাতে আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
৩. মূল্য সংযোজন কর:
- দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
8. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
৫. আবগারী শুল্ক:
- চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, কেরোসিন, ঔষধ, প্রসাধনী প্রভৃতির উপর কেন্দ্রীয় সরকার আবগারী শুল্ক ধার্য করে।
৬. স্ট্যাম্প:
- বিভিন্ন দলিল, মামলা-মোকদ্দমার আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ইত্যাদির উপর স্ট্যাম্প বসাতে হয়। স্ট্যাম্প বিক্রয়ের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
৭. রেজিস্ট্রেশন:
- বিভিন্ন দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হলে সম্পত্তির মূল্যের উপর সরকারকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান:
- এসব প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হিসেবে গণ্য।
৯. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প:
- স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও সরকারী মালিকানায় রয়েছে সেগুলো থেকে সরকারের আয় হয়।
১০. সুদ:
- কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কর্মচারীদের সুদে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে।
১১. ডাক, তার ও দুরালাপনী:
- ফোন, ফ্যাক্স ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
১২. যাতায়াত:
- যাতায়াত খাতে রেলওয়ে ও বিআরটিসি দীর্ঘদিন লোকসানী খাত ছিল। গত বছর রেলওয়ে খাতে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরটিসি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়াতে এটা বর্তমানে সরকারের লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে।
১৩. বন:
- বন যে কোন দেশের জাতীয় সম্পদ। বনাঞ্চল থেকে বাঁশ, কাঠ, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ বিক্রয় করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সরকার কিছু না কিছু আয় করে।
১৪. যানবাহন:
- কেন্দ্রীয় সরকার যানবাহন থেকে কর আদায় করে।

উল্লেখ্য,
- আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি হলো অর্জিত মুনাফা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
একটি চেকের বৈধতা কতদিন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১ বছর
  5. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

একটি চেকের বৈধতা ৬ মাস বা ১৮০ দিন।

চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী  একটি চেকের বৈধতার মেয়াদ সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে ৬ মাস (১৮০ দিন) পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এরপর আর উক্ত চেকের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে না। 
- তারিখ পরিবর্তন করে প্রস্তুতকারকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আবার টাকা উত্তোলন করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭০.
বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট আবিষ্কার প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. UNICEF
  2. WHO
  3. CARE
  4. ICDDR,B
সঠিক উত্তর:
ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস : icddr,b.
৩৭১.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৯টি
  3. ১৫টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

৩৭২.
দেশে সরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান কয়টি?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান দুইটি। এগুলো হলো:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন
- জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্রতিষ্ঠানই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৩৭৩.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. ১৯৭৩-১৯৭৮
  2. ১৯৭৪-১৯৭৯
  3. ১৯৭৫-১৯৮০
  4. ১৯৭৬-১৯৮১
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৭৪.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ধাতব মুদ্রা প্রচলন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭১ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে প্রথম চারটি ধাতব মুদ্রা প্রচলন করা হয়।
- এগুলো হচ্ছে পাঁচ পয়সা, ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ৫০ পয়সা।
- এর পরের বছর ১৯৭৪ সালে আরেকটি নতুন মুদ্রা সংযোজিত হয় যার মূল্যমান ছিল এক পয়সা।

⇒ ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ কয়েনেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী, এই ধাতব মুদ্রাগুলো বাতিল বা অচল করা হয়নি এবং এগুলো এখনো চাহিদা অনুযায়ী বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যে এক, পাঁচ ও ১০ পয়সার কয়েন প্রচলিত হয়েছিল, সেগুলো মূলত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। অন্যদিকে ২৫ এবং ৫০ পয়সা ছিল ইস্পাতের তৈরি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে যেসব কাগজের তৈরি ব্যাংক নোট রয়েছে সেগুলো বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন থেকে ছাপানো হয়। কিন্তু ধাতব মুদ্রা দেশে নয় বরং অন্য দেশ থেকে তৈরি করে নিয়ে আসতে হয়।
- বাংলাদেশে সবশেষ ২০১১-১২ অর্থবছরে তিনটি ধাতব মুদ্রা বিদেশ থেকে মিন্ট করে বা তৈরি করে নিয়ে আসা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশে ব্যাংক এবং বিবিসি।

৩৭৫.
'E-TIN' চালু করা হয় কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৩৭৬.
বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে-
  1. বাংলাদেশে ব্যাংক
  2. এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. আইএমএফ
  4. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম :
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDTF) হল একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী - বিশ্বব্যাংক।
-  ১৯৭৪ সালের অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত এ সম্মেলনকে ‘প্যারিস কনসোর্টিয়াম’ বলা হতো।

উৎস: Economic Relations Division, Ministry of Finance.
৩৭৭.
নিচের কোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবাটি বাংলাদেশে প্রথম চালু হয়?
  1. উপায়
  2. রকেট
  3. নগদ
  4. বিকাশ
সঠিক উত্তর:
রকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকেট
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেট।

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৭৮.
মোহর ও শুভ্রা কোন ফসলের জাত?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) গম
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
- মোহর ও শুভ্রা হলো ভুট্টার দুটো জাত।
- ভুট্টার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- বর্ণালি
- উত্তরণ
- খই ভুট্টা
- বারি ভুট্টা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৩৭৯.
'কাবিখা' কোন ধরনের কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকাদান কর্মসূচি
  2. কাজের প্রশিক্ষণ
  3. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  4. দারিদ্র বিমোচন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮০.
বাংলাদেশে 'মূসক' কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯০ সাল
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
  3. ১ জুলাই, ১৯৯২ সাল
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর(মূসক) :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৩৮১.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস কী?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) মূল্য সংযোজন কর
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
খ) মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
সরকারের রাজস্বের উৎস:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
- এই খাত থেকে আসে ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- ২য় উৎস: আয়কর, এই খাত থেকে আসে ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা।
- ৩য় উৎস: সম্পূরক শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৬০,৭০৩ কোটি টাকা।
- ৪র্থ উৎস: আমদানি শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৪৬,০১৫ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
৩৮২.
বাংলাদেশে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার 
  3. চট্টগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হয়েছে।
-  ৬ ডিসেম্বর ২০২২ এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এটির আয়তন মোট ১০০০ একর। অঞ্চলটিতে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
- এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে অটোমোবাইল, ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি, মোবাইল ইকুইপমেন্টসহ প্রভৃতি উৎপাদন হবে।
- এটি হবে এশিয়ায় জাপানের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ কেন্দ্র।
- জিটুজি  ব্যবস্থার অধীনে নির্মিত এটি দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৩৮৩.
বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬২.১
  2. খ) ৬৩.৪
  3. গ) ৬৫.৫
  4. ঘ) ৫৮.৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩.৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬৩.৪ শতাংশ।
এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে এই হার ৬২.৭ এবং শহরাঞ্চলে ৬৪.৪। আধুনিক জন্ম নিযন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬২.১ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
৩৮৪.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. চট্রগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:
• বিভাগ
১. চট্টগ্রাম (৮১০২৮৩ মেট্রিক টন)
২. খুলনা (৭৫৬২২৫মেট্রিক টন)
৩. রাজশাহী (৫৩৩৬১৩মেট্রিক টন)
•জেলা
১. ময়মনসিংহ  (৩,৩৩,৮৭৭ মেট্রিক টন)
২. কুমিল্লা  (৩,০৩,৭১৩ মেট্রিক টন)
৩. যশোর  (২,৩৫,৬৬৫মেট্রিক টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
৩৮৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? ( মে ২০২৫)
  1. ২,৭৮০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭০  মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  4. ২৭,০০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• জিডিপির পরিমাণ- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
-  মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (মে-২০২৫)।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৩৮৬.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে? ( মে - ২৫)
  1. ৭ টি
  2. ৯ টি
  3. ৮ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবর্তক- রাশিয়া।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল- ১৯৭৩ - ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ কারা হয়েছে - ৮ টি।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ- ২০১২ -২০২৫ সাল পর্যন্ত।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন- পরিকল্পনা কমিশন।
- পরিকল্পনা কমিশনের সদর দপ্তর- ঢাকার আগারগাঁও

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।
৩৮৭.
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
  1. ০৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
❐ বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুসারে অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি।
❐ বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গণনার জন্য ২০০৫-০৬ সাল ভিত্তিক অর্থনীতিকে সাধারণত ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়েছিল।
 তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর: ১৫টি।


বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৮৮.
CAMELS মডেল মূলত কোন খাতের মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়?
  1. Capital Adequacy
  2. Cash Flow
  3. Current Ratio
  4. Collateral Value
  5. Cost Control
সঠিক উত্তর:
Capital Adequacy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Capital Adequacy
ব্যাখ্যা

CAMELS:
- CAMELS ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বাস্থ্য ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে ছয়টি মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়, এর প্রথমটি হলো Capital adequacy.
- কোনো ব্যাংকের কাছে যথেষ্ট মূলধন আছে কিনা, যা দিয়ে তারা আর্থিক ক্ষতি, ঋণ খেলাপি বা বাজার ঝুঁকির মতো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে তা বোঝায়।
- মূলধন যত বেশি মজবুত হবে, ব্যাংক তত বেশি নিরাপদ ও স্থিতিশীল থাকবে।
- এই মূল্যায়ন ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকা ও গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
- 'A' বলতে তাই সরাসরি বোঝানো হয় Asset Quality (সম্পদের মান)।

⇒ CAMELS এর পূর্ণরূপ:
C = Capital Adequacy (মূলধনের পর্যাপ্ততা)
A = Asset Quality (সম্পদের মান)
M = Management Quality (ব্যবস্থাপনার মান)
E = Earnings (আয়)
L = Liquidity (তরলতা)
S = Sensitivity to Market Risk (বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতা)

তথ্যসূত্র - Corporate Finance Institute ওয়েবসাইট।

৩৮৯.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয় -
  1. ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
  2. ১৯৯৬-৯৭ অর্থ বছরে
  3. ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
  4. ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩৯০.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. সীমান্ত ব্যাংক
  3. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- এই ব্যাংকটি আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (এডব্লিউটি) দ্বারা পরিচালিত।
- বিস্তৃত পরিসরের কর্পোরেট, খুচরা, এসএমই এবং ইসলামিক ব্যাংকিং পণ্য নিয়ে টিবিএল ১৯৯৯ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে এবং তখন থেকে একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করেছে।
- চেয়ারম্যান: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। 
- ভাইস চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল মোঃ মাসুদুর রহমান। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

৩৯১.
দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. নগদ
  2. ব্র্যাক
  3. টেলিটক
  4. রবি
সঠিক উত্তর:
নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
৩৯২.
বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে?
  1. পাঁচটি
  2. ছয়টি
  3. সাতটি
  4. আটটি
সঠিক উত্তর:
সাতটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতটি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৩৯৩.
বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. সিটি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩৯৪.
'ভিজিএফ' নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক নিরাপত্তা
  2. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  3. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  4. সামাজিক আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

মানবিক সহায়তা কর্মসূচি:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।
- এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

⇒ দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ):
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

৩৯৫.
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’এর বিকল্প চেয়ারপারসন হলেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ নিম্নরূপে গঠন করেছে-
প্রধানমন্ত্রী: চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়: বিকল্প চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: ভাইস চেয়ারপারসন
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ: সদস্য
সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ: সদস্য-সচিব
[সূত্র- বাংলাদেশ গেজেট, ১৫ এপ্রিল ২০১৯]
৩৯৬.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পাশ করা হয় -
  1. ক) ১ জুন, ২০২৩
  2. খ) ৬ জুন, ২০২৩
  3. গ) ১৬ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ২৬ জুন, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬ জুন, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৬ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
- এটি বাংলাদেশের ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম) বাজেট।
- বাজেট পেশ হয়: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পাশ হয়: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয়: ৬ জুন, ২০২৩।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল লক্ষ্য: ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৩৯৭.
আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [সেপ্টেম্বর- ২০২৫]
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা

অনলাইন গেট পাস: 
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।

​অন্যদিকে, 
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।

উৎস - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিক।

৩৯৮.
কোনটি নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়?
  1. যাত্রার নিরাপদ সময়
  2. নিরাপত্তা বহর সাথে রাখা
  3. জলদস্যুর উৎপাত
  4. যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ
  5. সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা
সঠিক উত্তর:
জলদস্যুর উৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলদস্যুর উৎপাত
ব্যাখ্যা
নৌ বীমা:
- নৌবীমা মূলত সম্পত্তি বীমা।
- সমুদ্র পথে চলাচলকালে টাকায় পরিমাপযোগ্য সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ও বিপদজনিত ঝুঁকির বিপরীতে যে বীমা করা হয় তাকে নৌবীমা বলে।
- নৌবীমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য হলো নৌ বিপদ সমূহের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা, আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি, সঞ্চয় সংগ্রহ ও মূলধন গঠন, কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, অদৃশ্যমান রপ্তানী আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি, সামুদ্রিক ক্ষতি সর্বনিম্ন করণ প্রভৃতি।

⇒ নৌ বীমায় ব্যবহৃত কতিপয় শব্দ ও ধারা হলো বীমাকারীর নাম, বীমাকৃত বিষয়বস্তু ও বীমাকৃত ঝুঁকির উল্লেখ, সমুদ্র যাত্রা বা অভিযাত্রা বা উভয়েরই উল্লেখ, বীমাকৃত অর্থের পরিমাণ, বীমাকারী বা বীমাকারীগণের নাম, বীমাপত্রের প্রাথমিক শব্দাবলী, স্বত্ব নিয়োগ ধারা, হারান বা না হারান, সমুদ্র যাত্রার বিবরণ, জাহাজের নাম, কাপ্তানের নাম, ঝুঁকির আরম্ভ ও পরিসমাপ্তি, ঘাটে ভিড়ান ও অবস্থান, যাত্রার পরিবর্তন, যাত্রা পরিত্যাগ, ব্যয়দাবী ও শ্রমধারা, পরিহার ধারা, প্রতিদান ধারা, স্মারকলিপি ধারা, পণ্যগার থেকে পণ্যাগার ধারা, যুদ্ধ বিগ্রহের ধারা, ব্যর্থতার ধারা, জাহাজ বা পণ্য বন্ধকীতে ঋণ গ্রহন ধারা মেয়াদ বৃদ্ধি ধারাসহ সময়, পণ্য ও মাসুল ধারা উল্লেখযোগ্য।

⇒ নৌ-বীমার শ্রেণীবিন্যাস:
১। জাহাজ বীমা,
২। পণ্য বীমা,
৩। মাসুল বীমা,
৪। দায়-বীমা।

⇒ ব্যক্ত প্রকাশিত শর্তাবলী:
১। যাত্রার নিরাপদ সময়,
২। যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ:,
৩। নিরাপত্তা রক্ষী সাথে রাখা,
৪। সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা।

অন্যদিকে,
- জলদস্যুর উৎপাত নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৯.
জাতীয় বাজেট প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে
  2. খ) ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে
  3. গ) ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে
  4. ঘ) ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে
ব্যাখ্যা
 কালো টাকা সাদা:
- ১৯৭৫ সালের ৬ এপ্রিল তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার হঠাৎ এক ঘোষণায় ১০০ টাকার নোট অচল করেছিল।
- অর্থমন্ত্রী এ আর মল্লিক ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করেন। 
- এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কালোটাকার বিরুদ্ধে একমাত্র সরকারি পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, 
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘোষণা দিয়েছেন যে কেউ যদি বিদেশ থেকে অর্থ আনেন, তাহলে ৭ শতাংশ কর দিলেই হবে।
- আর বিদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে ওই সম্পদের মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ এবং বিদেশে অবস্থিত অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে এর ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।

উৎস: প্রথম আলো, ১১ জুন ২০২২।
৪০০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী কোন বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম এবং রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি। সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯।