বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ৮০১৯০০ / ১,৮৬১

৮০১.
বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?
  1. ২০২১-২০৩০
  2. ২০২৪-২০৩২
  3. ২০২১-২০৪১
  4. ২০২২-২০৫০
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
ব্যাখ্যা
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক ও ২টি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয় ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে।
- সর্বশেষ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, 
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ এবং দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী,
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।
৮০২.
কোনটির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি বন্ধ হয়?
  1. পণ্যের দাম কমা
  2. মূলধনের জোগান কমা
  3. মুনাফার হার কমা
  4. সরকারি ব্যয় হ্রাস
সঠিক উত্তর:
সরকারি ব্যয় হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি ব্যয় হ্রাস
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।

⇒ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রনের উপায়:
- মুদ্রাস্ফীতি দূর করতে হলে অর্থের পরিমাণ কমাতে হবে। এ অর্থের পরিমাণ কমাতে হলে ব্যাংক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণও কমাতে হবে। 
- মুদ্রাস্ফীতি ব্যবধান দূর করতে হলে সরকারি ব্যয় হ্রাস করতে হবে।
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার পণ্যসামগ্রীর দামের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারে। এভাবে পণ্যসামগ্রীর সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য বেধে দেওয়া হলে দামস্তর একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়।
- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যায্যমূল্যে ভোগ্যপণ্য সরবরাহের জন্য সরকার 'ন্যায্য মূল্যের বিক্রয় কেন্দ্র' স্থাপন করতে পারে। এছাড়া সরকার রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে পারে।
- মুদ্রাস্ফীতির সময় শ্রমিকগণ মজুরির হার বাড়ানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করে। তাদের অধিক মজুরি দেয়ার ফলে উৎপাদন ব্যয় এবং মূল্যস্তর বেড়ে যায়; তখন শ্রমিকেরা পুনরায় মজুরি বৃদ্ধির দাবি করে।
- অত্যাবশ্যক দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমানো যেতে পারে।
- মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করলে অনেক সময় পুরাতন মুদ্রা পরিত্যাগ করে নতুন মুদ্রার প্রচলন করা হয়। কোন কোন সময় বেশি মূল্যের নোটকে অচল করে দেওয়া হয়।
- করের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হলে জনগণের ব্যয়যোগ্য আয় হ্রাস পায়। এর ফলে ভোগব্যয় কমে আসে। এ অবস্থায় সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পাবে। এর ফলে দ্রব্যমূল্য কমবে ও চলতি আয় হ্রাস পেয়ে পূর্ণ নিয়োগ স্তরে ফিরে আসবে এবং মুদ্রাস্ফীতি ব্যবধান দূর হবে।
- বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ সুদের হার বাড়লে বিনিয়োগ চাহিদা হ্রাস পায়। এর ফলে বিনিয়োগ সংকুচিত হয় এবং সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পায়। এভাবে সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পেলে মুদ্রাস্ফীতি ব্যবধান দূরীভূত হয়।
- মুদ্রাস্ফীতি ব্যবধান দূরীকরনের অন্যতম উপায় হল বিদেশ থেকে আমদানি বৃদ্ধি। এ ক্ষেত্রে দেশীয় পণ্যের যোগান বৃদ্ধির সুযোগ থাকে না। এ অবস্থায় বিদেশ থেকে ভোগ্যপণ্য ও বিনিয়োগ দ্রব্য আমদানি করে দেশে সামগ্রিক যোগান বৃদ্ধি করা যায়। এর ফলে সামগ্রিক চাহিদা যোগানের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি ব্যবধান দূর করা যায়।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলীর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. নোট প্রচলন
  2. সরকারের ব্যাংক
  3. নিকাশ ঘর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী:
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী নিচে আলোচনা করা হল:
- নোট প্রচলন
- সরকারের ব্যাংক
- অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ
- ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল
- বৈদেশিক বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা
- নিকাশ ঘর
- উন্নয়নমূলক কার্যাবলী
- অন্যান্য কাজ
- উপরিউক্ত কাজ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক অথনৈতিক বিষয়ে গবেষণা করা, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান তৈরি করা, ব্যাংক কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত ও পরামর্শ দেয়া ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে থাকে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৪.
SDG বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রথম লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
  1. ক্ষুধামুক্তি
  2. বৈষম্য হ্রাস
  3. লিঙ্গ সমতা
  4. দারিদ্র্য নির্মূল
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য নির্মূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য নির্মূল
ব্যাখ্যা

• টেকসই উন্নয়ন জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহিত হয় - ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।
টেকসই উন্নয়ন উদ্দেশ্য - ১৬৯টি।
টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নের সময়কাল- ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০।

• ​টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা- ১৭টি।
১. দারিদ্র্য নির্মূল;
২. ক্ষুধামুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য;
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০. বৈষম্য হ্রাস;
১১. টেকসই শহর ও জনগণ;
১২. পরিমিত ভোগ;
১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ;
১৪. পানির নিচে প্রাণ;
১৫. স্থলভাগের জীবন;
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং
১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।

উৎস : বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

৮০৫.
বর্তমানে সর্বোচ্চ আয়কর হার কত?
  1. ক) ১৫ শতাংশ
  2. খ) ২০ শতাংশ
  3. গ) ২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ আয়কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ।
বাজেটে সাধারণ (পুরুষদের ক্ষেত্রে) করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা। এর পরবর্তী ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর আয়কর হার ৫ শতাংশ। পরবর্তী ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর আয়কর হার ১০ শতাংশ। পরবর্তী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর আয়কর হার ১৫ শতাংশ। পরবর্তী ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর আয়কর হার ২০ শতাংশ। অবশিষ্ট আয়ের উপর করহার ২৫ শতাংশ।
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের পূর্বে সর্বোচ্চ করহার ছিলো ৩০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ।
(সূত্র: অর্থবিভাগ)
৮০৬.
What is the population growth rate of Bangladesh by Economic Review - 2022?
  1. ক) 1.22%
  2. খ) 1.25%
  3. গ) 1.35%
  4. ঘ) 1.37%
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.37%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.37%
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
৮০৭.
বাংলাদেশে 'কাবিখা' কর্মসূচি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮০৮.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল- 
  1. জুন-জুলাই
  2. জুলাই-জুন
  3. জানুয়ারি- ডিসেম্বর
  4. মার্চ- ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর শুরু হয় জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

৮০৯.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৮১০.
রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা কোনটি?
  1. ক) পরিকল্পনা কমিশন
  2. খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ আয়কর কমিশন
  4. ঘ) বাংলাদেশ রাজস্ব কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
৮১১.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  2. দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা
  3. আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন পাঁচ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।
- স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল -
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১২.
একনেক (ECNEC)-এর প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি 
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

একনেক (ECNEC)
- ECNEC এর পূর্ণরূপ- Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৮১৩.
ভ্যাট (VAT) -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Value And Tax
  2. Value As Tax
  3. Value Added Tax
  4. Value And Taxation
সঠিক উত্তর:
Value Added Tax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Value Added Tax
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- ভ্যাট (VAT) এর পূর্ণরূপ - Value Added Tax.
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।

উল্লেখ্য,
- VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। 
- এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।
- আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৮১৪.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর আরোপিত কর হলো-
  1. ক) মূল্য সংযোজন কর
  2. খ) বিক্রয় কর
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) বাণিজ্য শুল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত পণ্য-দ্রব্যের উপর আরোপিত করকে বলা হয় আবগারি শুল্ক। রাজস্ব সংগ্রহের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক আরোপ করা হয়।
বাংলাদেশে চা, চিনি, সিগারেট, তামাক, ঔষধ, দিয়াশলাই, মদ, স্পিরিট, গাঁজা, আফিম প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী।
৮১৫.
কোনটিকে ‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে?
  1. পুঁজি বাজার
  2. শ্রম বাজার
  3. মুদ্রা বাজার
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজি বাজার
ব্যাখ্যা
BSEC: 
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বর্তমান চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজ।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- ডিএসসি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
- সিএসই হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট। 
৮১৬.
পূর্ণ প্রতিযোগীতামূলক বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়-
  1. বিক্রেতার ইচ্ছানুযায়ী
  2. পণ্যের যোগান দ্বারা
  3. চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
  4. সরকারী আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
পূর্ণ প্রতিযোগীতামূলক বাজার:

- পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজার এমন এক বাজার যেখানে অসংখ্য ক্রেতা ও বিক্রেতা একটি সমজাতীয় পণ্য নির্দিষ্ট দামে ক্রয়-বিক্রয় করে।
- পূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক বাজারে একটি ফার্মকে দাম মান্যকারী বা দাম গ্রহনকারী (Price Taker) বলা হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে বা বাজারে চাহিদা ও যোগানের মাধ্যমে দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্যষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৭.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সভাপতি কে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এই কমিটির সভাপতি দেশের প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৮১৮.
e-TIN নম্বর কত ডিজিটের হয়? 
  1. ৮ ডিজিট
  2. ১০ ডিজিট
  3. ১২ ডিজিট
  4. ১৪ ডিজিট
সঠিক উত্তর:
১২ ডিজিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ডিজিট
ব্যাখ্যা

 e-TIN:-
 E-TIN এর পূর্ণরূপ - Electronic Taxpayer's Identification Number. 

- করদাতা  হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত  ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন  (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি  প্রবর্তন করেছিল।
-  'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
 - এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- e-TIN করদাতার পরিচিতি নম্বর। 
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

৮১৯.
বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) প্রণয়নে নির্দেশনা প্রদান করে -
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্বব্যাংক
  3. গ) জাইকা
  4. ঘ) এডিবি
সঠিক উত্তর:
ক) আইএমএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইএমএফ
ব্যাখ্যা
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Proverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র).
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎসঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮২০.
দৈনিক কত ডলার এর নিচে আয়কে চরম দারিদ্র্য হিসেবে অভিহিত করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ১.৫০ ডলার
  2. ২.১৫ ডলার
  3. ৩.৬৫ ডলার
  4. ৬.৮৫ ডলার
সঠিক উত্তর:
২.১৫ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.১৫ ডলার
ব্যাখ্যা
- Poverty and Equity Briefs (PEBs) হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন যা বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর বসন্ত ও বার্ষিক সভার সময় বছরে দু’বার প্রকাশিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য, সমবণ্টিত উন্নয়ন ও বৈষম্যের প্রবণতা তুলে ধরা হয়।
- জাতীয় দারিদ্র্যরেখা এবং আন্তর্জাতিক চরম দারিদ্র্যরেখা (২০১৭ সালের পিপিপির পরিভাষায় ২.১৫ ডলার) অনুসারে দারিদ্র্যের হার এবং মোট দরিদ্রের সংখ্যা, পাশাপাশি নিম্ন-মধ্যম আয়ের (৩.৬৫ ডলার) এবং উচ্চ-মধ্যম আয়ের (৬.৮৫ ডলার) দারিদ্র্যরেখা।
- শুধু আয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষা ও মৌলিক সেবা প্রাপ্তির মতো অ-আর্থিক দিকগুলো থেকেও দারিদ্র্যকে মূল্যায়ন করা হয়।
- Gini Index-এর মাধ্যমে সমাজে আয় ও সম্পদের বৈষম্য বোঝা যায়।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮২১.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ক) সিঙ্গাপুরে
  2. খ) ভারতে
  3. গ) চীনে
  4. ঘ) জাপানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপানে
ব্যাখ্যা
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।    

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৮২২.
বাংলাদেশে 'VGF কর্মসূচি' কোন সংস্থার সহযোগিতায় চালু হয়?
  1. WB
  2. WFP
  3. FAO
  4. IFAD
সঠিক উত্তর:
WFP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WFP
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( World Food Programme-WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে।
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে,
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

৮২৩.
’বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা’ এর জনক কে?
  1. ক) Mary Parkell
  2. খ) Lithan Gilbreth
  3. গ) Henry Fayol
  4. ঘ) F.W. Taylor
সঠিক উত্তর:
ঘ) F.W. Taylor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) F.W. Taylor
ব্যাখ্যা
বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা:
- বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, কিন্তু F. W. Taylor কেই এ ব্যবস্থাপনার পুরোধা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তবে তিনি Henry R. Towne এর দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- ’বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা’ এর জনক  F. W. Taylor
- Taylor নিজেই বলেছেন যে, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা হলো শত জ্ঞানের কাজের অবদান।
- তথাপি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার পূর্ণাঙ্গ ও পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে ও রূপায়নে টেলরই প্রথম ।
- F. W. Taylor ১৮৭৮ সালে মিডভ্যাল স্টিল কোম্পানিতে প্যাটার্ন মেকার (Pattern Maker) হিসেবে যোগ দেন। 
- এতে তিনি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতিসমূহ তুলে ধরেন।
- তাঁর নীতির মধ্যে রয়েছেঃ
(i) শ্রমিকগণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে নির্বাচিত হতে হবে; প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে যে কাজের জন্য উপযোগী, যে কাজে নিয়োগ দেয়া উচিত।
(ii) পুরাতন ধ্যান-ধারণা পাল্টে ফেলে বিজ্ঞানভিত্তিক অর্থাৎ সংগঠিত জ্ঞানের প্রয়োগ করতে হবে।
(iii) কাজের পরিকল্পনাকারী ও কাজের বাস্তবায়ন কারীদের মধ্যে সু-সমন্বয় থাকতে হবে।
(iv) ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকগণকে কাজের জন্য সমভাবে দায়িত্ব বহন করতে হবে।

উৎস: ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৪.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
- দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
- প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

- সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
- সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
- সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়ার যায়।

- ২০০৯ সালে সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পটুয়াখালীর পায়রাতে সরানো হয়।

উৎস: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮২৫.
Fazle Kabir is the _______ governor of Bangladesh bank.
  1. 9th
  2. 10th
  3. 11th
  4. 12th
সঠিক উত্তর:
11th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11th
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর।
- ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের দশম গভর্নর।
- ফজলে কবির বাংলাদেশ ব্যাংকের ১১তম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮২৬.
আবুল হাসান মাহমুদ আলী দেশের কততম অর্থমন্ত্রী?
  1. ১৩তম
  2. ১৫তম
  3. ১৭তম
  4. ১৮তম
সঠিক উত্তর:
১৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮তম
ব্যাখ্যা
• আবুল হাসান মাহমুদ আলী 
- বাংলাদেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী হলেন দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- আবুল হাসান মাহমুদ আলী দশম জাতীয় সংসদের সদস্য এবং ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
- এর আগে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ আসনে বিজয়ী হন আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

উৎস: প্রথম আলো।  
৮২৭.
বাংলাদেশে কার্যরত বিদেশী ব্যাংক কোনটি?
  1. স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
  2. দি সিটি ব্যাংক
  3. সিটিব্যাংক এন.এ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিটিব্যাংক এন.এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটিব্যাংক এন.এ
ব্যাখ্যা
বিদেশি ব্যাংকসমূহের নাম:
- ব্যাংক আলফালাহ্
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- সিটিব্যাংক এন.এ
- হাবিব ব্যাংক
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- উরি ব্যাংক

উৎস: তফসিলি ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিসমূহের CSR কার্যক্রমের ষান্মাসিক প্রতিবেদন (জানুয়ারি-জুন ২০২৪), বাংলাদেশ ব্যাংক।
৮২৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, কোন মেগা প্রকল্পে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়?
  1. পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প
  2. ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প
  3. প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪)
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মেগা-প্রজেক্টগুলোতে অর্থায়ন:
- মেগাপ্রজেক্ট (Fast Track Project)- এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট থেকে প্রদত্ত বরাদ্দ নিম্নরূপ:

১। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প: ৯,৭০৭ কোটি টাকা।
২। মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্ট: ৯,০৮১ কোটি টাকা।
৩। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪): ৮,৫৮৬ কোটি টাকা।
৪। ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প: ৫,৮৭০ কোটি টাকা।
৫। পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প: ৫,৫০০ কোটি টাকা।
৬। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প: ৫,৪৯৯ কোটি টাকা।
৭। ফিজিক্যাল ফ্যাসিলিটিস ডেভেলপমেন্ট: ৪,৬৯৬ কোটি টাকা।
৮। মেট্রোরেল-১ প্রকল্প: ৩,৯১১ কোটি টাকা।
৯। বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু প্রকল্প: ৩,৭৮৮ কোটি টাকা।
১০। মেট্রোরেল-৬ প্রকল্প: ৩,৪২৫ কোটি টাকা।

উৎস: দৈনিক ইনকিলাব, ডেইলি স্টার ও জাতীয় বাজেট ২০২৩-২০২৪।
৮২৯.
বিবিএস এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.৮২%
  2. ৫.৮২%
  3. ৪.৬২%
  4. ৪.২২%
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- তন্মধ্যে স্কুল দেশজ উৎপাদ (GDP)-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন অন্যতম।
 ইতঃপূর্বে সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- এ পর্যায়ে চূড়ান্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২%, সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮৩০.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি -
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. সম্পূরক কর
  4. পরিপূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয় ।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%। 
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৮৩১.
বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে কত সালে? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

 দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) প্রণয়ন করে।

উৎস: IMF .

৮৩২.
বাংলাদেশে প্রথম ২০০ টাকার নোট চালু হয় কোন সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ২০০ টাকার নোট চালু হয় ২০২০ সালে।

বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:

- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

⇒ ২০০ টাকার নোট:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ, ২০২০ প্রথমবারের মতো বাজারে আসে ২০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট।
- এই নোট শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং ইউভি কিউরিং বার্নিশযুক্ত। 

উৎস: ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
৮৩৩.
ট্যাক্স হেভেনে সাধারণত কী থাকে না?
  1. শূন্য কর্পোরেট ট্যাক্স
  2. শেল কোম্পানি সুবিধা
  3. উচ্চ আয়কর হার
  4. ব্যাংক গোপনীয়তা 
সঠিক উত্তর:
উচ্চ আয়কর হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ আয়কর হার
ব্যাখ্যা

- ট্যাক্স হেভেনে উচ্চ আয়কর হার থাকেনা। বরং,  করের হার খুব কম বা শূন্য থাকে। 
- অন্যদিকে, 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো শেল কোম্পানি, ব্যাংক গোপনীয়তার মাধ্যমে কাজ করে।

• ট্যাক্স হেভেন : 

- ট্যাক্স হেভেন হলো এমন দেশ বা অঞ্চল যেখানে বিদেশি ব্যক্তি বা কোম্পানিগুলোর জন্য করের হার খুব কম বা শূন্য, এবং আর্থিক গোপনীয়তা উচ্চমাত্রায় নিশ্চিত করা হয়।
- সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আয়ের উৎস গোপন করে এসব কোম্পানি পরিচালিত হয় এবং একইভাবে কিছু ব্যাংকিং চ্যানেল গোপনে অর্থ লেনদেন করে থাকে।
- এ ধরনের কোম্পানি ও ব্যাংককে বলা হয় অফশোর কোম্পানি ও অফশোর ব্যাংক। 
- এ ধরনের ট্যাক্স হেভেন দেশে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েই ডলার বা সম্পদ ক্রয় করতে পারেন। আর ওই সম্পদকে বলা হয় অফশোর সম্পদ।
- তবে নিজ নিজ দেশের আইন মেনে পরিচালিত হলে এ ধরনের কোম্পানি বা ব্যাংক বৈধ হিসেবে গণ্য হয়।

- ট্যাক্স হেভেনগুলো সাধারণত কম কর, তথ্য বিনিময়ের অভাব, স্বচ্ছতার অভাব এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবের মাধ্যমে কাজ করে। 

• কার্য কৌশল: 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিদেশি আয়ের উপর কম বা শূন্য কর আরোপ করে, এবং আর্থিক লেনদেনের গোপনীয়তা রক্ষা করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি তাদের সম্পদ বা লাভকে এই দেশগুলোতে স্থানান্তর করে কর এড়াতে পারে।
- এগুলোতে প্রায়ই শেল কোম্পানি বা ট্রাস্ট তৈরি করা হয়, যা মালিকানার তথ্য গোপন রাখে।

• প্রভাব:
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিশ্বব্যাপী কর অপব্যবহার সহজ করে, মানি লন্ডারিং বা জালিয়াতির সম্ভাবনা তৈরী করে। 
- অফশোর কোম্পানির সবচেয়ে খারাপ দিক হলো —  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরিদ্র দেশগুলোর প্রভাবশালীরা তথ্য গোপন করে এসব কোম্পানির মাধ্যমে উন্নত দেশে বৈধ ও অবৈধভাবে অর্থ পাঠিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে।
- উদাহরণস্বরূপ,
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে-গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে ইউএইতে। 
- বিশেষ করে এশিয়ায় আর্থিক খাতের অন্যতম বৃহৎ হাব হিসেবে পরিচিতি দুবাইয়ে পুঁজি পাচারের মাত্রা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় এসেছে বারবার।

উল্লেখ্য,
- দুবাইয়ে পাচারকৃত অর্থের অন্যতম উৎস দেশ এখন বাংলাদেশ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের তথ্য বারবার সামনে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির (ইইউট্যাক্স) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, বাংলাদেশে তথ্য গোপন করে দুবাইয়ে প্রপার্টি কিনেছেন ৪৫৯ বাংলাদেশী।

তথ্যসূত্র:
i) Unbiased. (Link)
ii) Kuvera. (Link)
iii) সমকাল। (Link)
iv) বনিক বার্তা। (Link)

৮৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, ২০২১ - ২২ অর্থবছরে, জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ৫২.০৭ %
  2. খ) ৩৬.০১ %
  3. গ) ৫১. ৯২ %
  4. ঘ) ৫১.৪৪ %
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫১.৪৪ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫১.৪৪ %
ব্যাখ্যা
সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান - ৫১.৪৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৬১%। 
এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৯.০%।

বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বৃহৎ।
সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৪.০৮%। এর প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫৪%।
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে - সবচেয়ে বেশি - ৯.৯৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৮৩৫.
How many number of foreign branches of Sonali Bank Plc?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক -৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৩৬.
২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার কত শতাংশ হ্রাস করা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট ছিল?
  1. ক) ৮.৯ শতাংশ
  2. খ) ১২.৩ শতাংশ
  3. গ) ১৬.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮.৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট হলো ২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার ১৮.৬% এবং চরম দারিদ্র্য হার ৮.৯% এ হ্রাস করা। প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সমন্বিত দারিদ্র্য নিরসন কৌশলের অপরিহার্য উপাদান হিসেবে মানব উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেয়া হবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
৮৩৭.
কোনটির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি বন্ধ হয়?
  1. মূলধন যোগান হ্রাস করা
  2. সুদের হার কমানো
  3. সুদের হার বৃদ্ধি
  4. পণ্যের দাম হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণত পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় অর্থাৎ, মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কম পণ্য বা সেবা কেনা যায়।

- মুদ্রাস্ফীতির কারণসমূহ:
• অর্থের যোগান বৃদ্ধি ।
• সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি।
• উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি।

- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানো।
• সরকারের করের হার বৃদ্ধি।
• সরকার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৮.
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  4. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

অন্যদিকে, 
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড বিদেশী ব্যাংক।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৩৯.
বর্তমানে তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ৩,৫০.০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০টাকা
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ টাকা।
• তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৪০.
বর্তমানে দেশে কতটি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৪৬টি
  2. ৪৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। link
৮৪১.
কোন নদীকে প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎসখনি' বলা হয়?
  1. পদ্মা নদী
  2. হালদা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।
- হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সমকাল পত্রিকার নিউজ।
৮৪২.
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ৫০ বছরের পরিকল্পনা
  2. দশ বছরের পরিকল্পনা
  3. শতবর্ষী পরিকল্পনা
  4. ত্রৈমাসিক পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা

• বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ :
-বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা।
- ’দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০ ‘ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ‘ অনুমোদন করা হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ’বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে- নেদারল্যান্ড।

• বাংলাদেশে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে সমগ্র দেশকে মোট ৬টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে।
হটস্পটগুলো হচ্ছে:
১।  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২ ।বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩। হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫। নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬। নগরাঞ্চল ।

 উৎস:  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

৮৪৩.
বর্তমানে তফসিল বহির্ভূত ব্যাংক সংখ্যা কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৮৪৪.
সরকারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি? 
  1. বিদেশি অনুদান
  2. কর
  3. রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের মুনাফা
  4. বিদেশি ঋণ
সঠিক উত্তর:
কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:, ৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৪৫.
Sadharan Bima Corporation is entitled to _____of public sector insurance business in Bangladesh. 
  1. 20%
  2. 30%
  3. 40%
  4. 50%
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
50%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি সম্পত্তি বা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোন ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করে এর ৫০% নিজের মধ্যে রেখে অবশিষ্ট ৫০% সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করে দেয়।
- উল্লেখ্য, এই আইনের ধারা ১৬(৩) অনুযায়ী ধারা ১৬(১) এর বিধান লঙ্ঘন করে গৃহীত বা ইস্যুকৃত যে কোন বীমা বাতিল বলে গণ্য হবে।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির অনুকূলে শুধু সাধারণ বীমা কর্পোরেশন থেকে সকল ধরনের বীমা পলিসি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে।
- বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির বীমাকরণ সম্পর্কিত বিধান নিম্নরূপঃ ধারা ১৬। সরকারি সম্পত্তি বীমাকরণঃ-
(১) কোনো সরকারি সম্পত্তি অথবা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (শতকরা একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করিয়া উহার ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) নিজের নিকট রাখিয়া অবশিষ্ট ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করিবে।

⇒ পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, ঐ আইন এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮৪৬.
The exchange of commodities between two countries is referred as -
  1. ক) Bilateral trade
  2. খ) Balance of trade
  3. গ) Volume of trade
  4. ঘ) Multilateral trade
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
ব্যাখ্যা
• দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য:
- দ্বিপাক্ষিকতা বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলতে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা বোঝায়।
- একপাক্ষিকতা বা বহুপাক্ষিকতা যেখানে যথাক্রমে এক দেশ কিংবা বহুদেশ নিয়ে কাজ করে, দ্বিপাক্ষিকতা সেখানে দুটি দেশ নিয়ে কাজ করে।

উৎস: সময় নিউজ এবং যুগান্তর।
৮৪৭.
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৮
  4. ২০০১
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

কর্মসংস্থান ব্যাংক:
সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে — ১৯৯৮ সনে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
-  ২০২২-২৩ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২৩৫৮.৯৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।
- দেশের বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছে এই ব্যাংকটি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট,বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৪৮.
কোন পদ্ধতিতে দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে?
  1. CAPI
  2. CATI
  3. CAWI
  4. PAPI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

৮৪৯.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৩.২১%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.৩৭%
  4. ৩.৫০%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
কৃষি (Agriculture) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩.৩০% । 

- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮৫০.
বাংলাদেশ সরকাররের রাজস্বের প্রধান উৎস- 
  1. রেমিটেন্স
  2. কর রাজস্ব
  3. বৈদেশিক বানিজ্য
  4. চামড়া শিল্প
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

​• কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

​উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৮৫১.
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক রেট -
  1. ৩.৫%
  2. ৪%
  3. ৪.৫%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৫২.
বুড়িমাড়ী স্থল বন্দর কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুরঙ্গামারী
  2. খ) হাতিবান্ধা
  3. গ) পাটগ্রাম
  4. ঘ) আদতমারী
সঠিক উত্তর:
গ) পাটগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাটগ্রাম
ব্যাখ্যা
• লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তে এ স্থল বন্দর অবস্থিত।
• ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।

সূত্র: লালমনিরহাট জেলা
৮৫৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি
  3. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. ক্রেডিট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি
ব্যাখ্যা
বেসরকারী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালের ২৭ আগস্ট হতে ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সালের ৩২নং আইন) কার্যকর করে।
এই আইনের আওতায় ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে সরকার ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
[উৎসঃ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ওয়েবসাইট]
৮৫৪.
কোনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ?
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. সঞ্চয় স্থানান্তর
  3. ঋণ প্রদান
  4. আমানত গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
ঋণ নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণ নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম। সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৫.
বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ডাম্পিং শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৮৫৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক:
- ব্যাংক প্রধাণত দুই ধরনের। যথা: তফসিলভুক্ত এবং অ-তফসিলভুক্ত।
- দেশে সর্বমোট ব্যাংক আছে ৬৬টি, যার মধ্যে ৬১টি তফসিলভুক্ত এবং ৫টি  অ-তফসিলভুক্ত।

• তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি:
 -তফসিলভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আবার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি:
১. সোনালী ব্যাংক।
২. জনতা ব্যাংক।     
৩. অগ্রণী ব্যাংক।        
৪. রূপালী ব্যাংক।
৫. বেসিক ব্যাংক।     
৬. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪৩টি।
যেমন: পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি।

বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৯টি।
যেমন: এইচএসবিসি, উরি ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন ইত্যাদি।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

• অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৫টি:
১. জুবিলী ব্যাংক।
২. গ্রামীণ ব্যাংক।
৩. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
৪. কর্মসংস্থান ব্যাংক।
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৫৭.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৫৮.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Finance System
  2. Mobile Finance Finance
  3. Mobile Financial Services
  4. Mobile Fiscal Service
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
ব্যাখ্যা

MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- MFS হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা। 
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহ কদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৮৫৯.
নিচের কোনটি 'অ-তফসিলী ব্যাংক' নয়?
  1. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. জুবিলী ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

অ-তফসিলী ব্যাংকগুলো:
- জুবিলী ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮৬০.
নিপোর্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• National Institute of Population Research and Training (NIPORT) :
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)- গঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করা।

উৎস: niport

৮৬১.
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) কোন সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
সঠিক উত্তর:
২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB): 
-
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাইতে অবস্থিত।
- এটি BRICS সদস্য দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ তে;
- কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১৫ এ

উল্লেখ্য,
• NDB-এর মূল ভূমিকা:
• উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মূলধন জোগাড় করা
• উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বৃদ্ধি করা।
• অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলোর পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ESG) প্রভাব মূল্যায়ন করে ঝুঁকি হ্রাস করা।
• ঋণ, গ্যারান্টি ও ইক্যুইটির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রকল্পে সহায়তা প্রদান।

উৎস: Britannica ও NDB Website.

৮৬২.
বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. একনেক
  3. এনইসি
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
একনেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একনেক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC).

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৮৬৩.
একটি দেশে শ্রম, জমি বা মূলধনের সেবার জন্য প্রাপ্ত আয়ের সমষ্টিকে বলা হয়--
  1. গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
  2. গ্রস ডোমেস্টিক ইনকাম
  3. ন্যাশনাল ইনকাম
  4. গ্রস ন্যাশনাল ইনকাম
সঠিক উত্তর:
গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
ব্যাখ্যা
জাতীয় আয় ও এর পরিমাপ:
-  একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত  একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবাসমূহের সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- জিডিপি'র ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার সমষ্টিকেই বুঝায়।
- তাহলে বলা যায় যে, কোন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক অর্থবছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে তথা ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে সে সব দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product - GDP) বলা হয়।

অন্যদিকে,
- মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP): একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬৪.
Sustainable Development Goals (SDGs) এর সর্বমোট লক্ষ্য কয়টি?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ২৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রায় মহাসাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
৮৬৫.
মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কখন থেকে চালু করা হয়?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৩
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৫
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৮৬৬.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের নাগরিকদের গড় আয়কে কী বলে?
  1. মোট জাতীয় আয়
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- মাথাপিছু আয় হলো কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের নাগরিকদের গড় আয়।
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৮৬৭.
বাংলাদেশের নবম সরকারি ইপিজেড কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. পটুয়াখালী
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

৯ম ইপিজেড:
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৮৬৮.
বাংলাদেশে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (Direct Foreign Investment) হয়েছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------ 
• বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে — যুক্তরাজ্য থেকে। এর পরিমাণ ৬১৩ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলার। এটি মোট সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ২০ দশমিক চার শতাংশ।

বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন: 

- ২০ জুন ২০২৪ তারিখ জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD)  বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম World Investment Report 2024. 
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে (২০২৩ সালে) সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) হয় ৩,০০৪ মিলিয়ন ডলার।
- বিনিয়োগ প্রাপ্তি ও বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র- জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ব্যাংক, ডেইলি স্টার বাংলা।
৮৬৯.
পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন মেয়াদে হবে?
  1. ক) ২০১৫-২০১৯
  2. খ) ২০১৬-২০২০
  3. গ) ২০১৭-২০২১
  4. ঘ) ২০১৮-২০২২
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৬-২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৬-২০২০
ব্যাখ্যা

- পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১৬ থেকে ২০২০ এই মেয়াদে হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫

সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৮৭০.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. রেমিট্যান্স
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য
  3. পোশাক শিল্প
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭১.
‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮৭২.
BIA কী?
  1. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
  4. আন্তর্জাতিক তথ্য ‍নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Insurance Academy (BIA):
-  ১৯৭৩ সালে ২৯ নভেম্বর একটি স্বায়ত্ব-শাসিত বীমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা  হয়।
-  ১৯৭৩ সালে একাডেমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বীমা খাত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ন্যস্ত হয় এবং একাডেমি অর্থ মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
- একাডেমি কর্তৃক প্রতি বছর ঢাকাসহ সারা দেশে ২৮/৩০ টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
- একই সাথে একাডেমি বীমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম-সাময়িক বিষয়ের উপর প্রতি বছর ৩/৪টি  সেমিনার / ওয়ার্কশপ আয়োজন করে থাকে।

উৎস: Bangladesh Insurance Academy (BIA).
৮৭৩.
একজন গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সেটি ব্যাংকের জন্য____________।
  1. আয়
  2. দায়
  3. সম্পত্তি
  4. লাভ
সঠিক উত্তর:
দায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়
ব্যাখ্যা
- ব্যাংক একটি সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠান। কমিউনিটিতে এর অবস্থান।
- কমিউনিটির একজনের অর্থ আমানত হিসেবে জমা নেয় এবং অন্যকে উচ্চ সুদে ঋণ প্রদান করে মুনাফা অর্জন করে। আমানকারী ও ঋণ গ্রহীতা উভয়েই ব্যাংকের গ্রাহক।
- গ্রাহক সেবার কোন উন্নয়ন না করলে ব্যাংকের ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পরবে। ব্যাংক গ্রাহকদের বিভিন্ন রকম সেবা প্রদান করে থাকে।
- ব্যাংকিং ব্যবসার তহবিলের মূল উৎস আমানত।
- একজন গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সেটি ব্যাংকের জন্য দায়।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭৪.
BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B): 
- BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় জাপান। 

- ২০১৪ সাল বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর।
- ওই বছরে টোকিওতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে "জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিত অংশীদারিত্ব" প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- জাপান বাংলাদেশকে উন্নয়ন প্রকল্পে ৬০০ বিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এরপর প্রধানমন্ত্রী আবে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে (BIG-B) উদ্যোগকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (JICA) BIG-B উদ্যোগ বাস্তবায়নে কৌশলগত প্রকল্প গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছে।

BIG-B এর ধারণা:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বঙ্গোপসাগরের তীরে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে।
- এই অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক এবং আন্তঃআঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার একক সুযোগ এনে দেয়।
- BIG-B উদ্যোগটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার শিল্পাঞ্চলের দ্রুত উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে।

উদ্দেশ্য ও সম্ভাবনা:
- জাপানের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পারস্পরিক লাভবান হওয়া।
- বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা।
- দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি করা।

উৎস: JICA ওয়েবসাইট।
৮৭৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) মৎস্যখাত
  4. ঘ) শিল্পখাত
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি নির্ণয়ে প্রধান খাত হলো তিনটি।
এগুলো হলো:
- কৃষিখাত
- শিল্পখাত
- সেবাখাত।

২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১২.০৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৬.০১ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৯২ শতাংশ।

বাংলাদেশের জিডিপিদে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক। শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান। কৃষিখাতে সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৮৭৬.
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে শিল্পখাতের অবদান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১.০২ শতাংশ
  2. ২৭.২৯ শতাংশ
  3. ৩৭.৯৫ শতাংশ
  4. ৪৫.০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান: 
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ৩৩.৮৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০.২০ শতাংশ।
- পোশাকশিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজসম্পদ ও নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে এই খাতের অন্তর্ভুক্ত করায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান অনেক বেড়ে যায়।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৬ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮৭৭.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ৫ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৮৭৮.
বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

• মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮৭৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. খনিজ সম্পদ
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. কৃষি
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হল সেবা খাত (Service Sector)। যদিও কৃষি অতীতে প্রধান খাত ছিল, বর্তমানে সেবা খাত দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে। 

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ ইতঃপূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। [link]
৮৮০.
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তার নাম কী?
  1. নির্ধারিত বিনিময় হার
  2. ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট
  3. ক্রলিং পেগ
  4. মুদ্রা বোর্ড ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ক্রলিং পেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রলিং পেগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি ঠিক করেছে, তার নাম ‘ক্রলিং পেগ’। 
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে। ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও - পারবে না।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৪)। 
৮৮১.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪.৮৫ কি.মি.
  2. খ) ৫.২০ কি.মি.
  3. গ) ৬.১৫ কি.মি.
  4. ঘ) ৬.৫৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এটি দেশের দীর্ঘতম সেতু।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে এটি নির্মিত হচ্ছে।
পদ্মাসেতুতে স্প্যান সংখ্যা ৪১টি। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান এবং ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ স্প্যান বসানো হয়।
সেতু নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
৮৮২.
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাংলাদেশ কত সাল পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে? 
  1. ২০২৭ সাল
  2. ২০২৮ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩০ সাল 
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৯ সাল
ব্যাখ্যা

• স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণ:
- এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) অধীন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)।
- এই সুপারিশ ECOSOC-এ অনুমোদিত হয় এবং পরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। 

- তিন বছর পরপর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা— এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না। 
- যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয় অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকাভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়।
 - ২০২১ সালেই চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে।
 - তবে করোনার কারণে প্রস্তুতির জন্য দুই বছর সময় বাড়ানো হয়।
- ফলে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে। 
- তবে, ২০২৬ সালে নতুন সরকার দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে এলডিসি উত্তরণ-প্রস্তুতির সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। 

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

৮৮৩.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
- বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক পূবালী ব্যাংক।
- যেটি ১৯৫৯ সালে “ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড” নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালে এটি পূবালী ব্যাংক নামে সরকারিকরণ করা হয় এবং পুনরায় ১৯৮৩ সালে এটি বেসরকারিকরণ করা হয়।
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর ১১ক(ক) ধারার বিধান অনুসারে ৯ অক্টোবর থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলোর তালিকায় ‘পূবালী ব্যাংক লিমিটেড’র নাম পরিবর্তন করে ‘পূবালী ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এ সন্নিবেশিত ১১ক (ক) ধারার বিধান অনুসারে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সীমিতদায় পাবলিক ব্যাংক-কোম্পানির নামের শেষে ‘পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি’ বা পিএলসি শব্দটি যোগ করার বিধান রয়েছে।
 
উৎস:- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট (লিংক) ।
৮৮৪.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Financial Services
  2. Mutual Fund Service
  3. Mobile File System
  4. Mobile Fund Services
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mobile Financial Services
ব্যাখ্যা
MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- Mobile Financial Services হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা।
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৮৮৫.
নিম্নের কোনটির কারণে বাজারের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়?
  1. মুদ্রাস্ফীতি
  2. বাণিজ্য ঘাটতি
  3. তারল্য সংকট
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফীতি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

⇒ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব:
• উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব:
- পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না।
- ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

• আয় বণ্টনের উপর প্রভাব
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়।

• মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
- ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।

অন্যদিকে,
- একটি দেশ যখন পণ্য রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি করে তখন তাকে বাণিজ্য ঘাটতি বলে।
- কোনো কারণে গ্রাহক যদি ব্যাংকের নিকট (তার সঞ্চিত অর্থ কিংবা বিনিয়োগের জন্য ঋণের টাকা) চেয়ে না পান তখন যে অবস্থার সৃষ্টি হয় সেই অবস্থা। অর্থাৎ গ্রাহকের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর মতো টাকা ব্যাংকে জমা না থাকার মত অবস্থাকে তারল্য সংকট বলে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৬.
বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বাধিক রাজস্ব আয় করে?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযােজন কর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযােজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল্য সংযােজন কর
ব্যাখ্যা
রাজস্ব বাের্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস - 
মূল্য সংযােজন কর - ১,৪১,১৯২ (৩৮.২%)।
• আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,২১,০২০ (৩২.৭%)।
• সম্পূরক শুল্ক - ৫৮,৫২৪ (১৫.৮%)।
• আমদানি শুল্ক - ৪৩,৯৯৪ (১১.৯%)।
• আবগারি শুল্ক - ৪,১২৭।   

জেনে রাখা ভালো, 
• বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
• ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
• দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা - ২৯ লাখ।    

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
৮৮৭.
বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার কত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ৯.৫%
  2. ১২%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার -১৫%।

• ভ্যাট:

- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

৮৮৮.
BFIU-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Bank Financial Intelligence Unit
  2. Bangladesh Financial Intelligence Unit
  3. Bank Financial Intelligence Unit
  4. Banking & Financial Intelligence Unit
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
ব্যাখ্যা
BFIU:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ।
- BFIU- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Financial Intelligence Unit।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত হয়।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা, বিদেশে অর্থ পাচার এবং মানিলন্ডারিং তৎপরতা প্রতিরোধ ও দমনের কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে ২৭ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসভিত্তিক ৭টি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠন করে এবং এপ্রিল ২০০২ এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জারি করে।
- উক্ত আইনে বর্ণিত দায়িত্ব পালনের জন্য ১৮ জুন ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ' নামে একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে, যা ২০১২ সালে পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নাম ধারণ করে।

⇒ উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হলো সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর), নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) এবং রিপোর্টিং এজেন্সি এবং থেকে প্রাপ্ত মানি লন্ডারিং (এমএল) / সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন (টিএফ) সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য দায়ী অন্যান্য উত্স এবং প্রাসঙ্গিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তথ্য/গোয়েন্দা তথ্য প্রচার করা।
- বিএফআইইউ-এর মূল উদ্দেশ্য হল অর্থ পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

⇒ নির্বাহী পরিচালক ও উপ-প্রধান: একেএম এহসান,
- পরিচালক: মোহাম্মদ আনিসুর রহমান,
- পরিচালক: মোঃ মোস্তাকুর রহমান।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BFIU ওয়েবসাইট।
৮৮৯.
দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮৯০.
বিদেশে অবস্থানরত দেশি জনগণের আয় কোনটির অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. GDP
  2. NNP
  3. GNP
  4. GNI
সঠিক উত্তর:
GNP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GNP
ব্যাখ্যা

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে । সুতরাং,
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯১.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
৮৯২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন খাতে বেশি জনশক্তি নিয়োজিত?
  1. সেবা খাত
  2. পর্যটন খাত
  3. শিল্প খাত
  4. কৃষি খাত
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.২০%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৫৬%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮৯৩.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক
  5. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- সোনালী ব্যাংক।
- জনতা ব্যাংক।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৯৪.
পদাধিকার বলে ECNEC এর চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. বাণিজ্য মন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৮৯৫.
জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন গণনায় নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. শুধু দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  3. প্রাথমিক দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  4. সরকারি ও বেসরকারি মোট আয়
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯৬.
ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রাস্ফিতি
  3. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. কারেন্সি সোয়াপ
সঠিক উত্তর:
মুদ্রার অবমূল্যায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রার অবমূল্যায়ন
ব্যাখ্যা
ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়াকে বলা হয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন। এটির ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে। এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়। ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

অন্যদিকে,
-মুদ্রাস্ফিতি হলো বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়া। মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।
- ‍মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
- কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া)
৮৯৭.
e-GP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Government Procedures
  2. খ) Electronic Government Procurement
  3. গ) Electronic Governance Process
  4. ঘ) Electronically Goods Procure
সঠিক উত্তর:
খ) Electronic Government Procurement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Electronic Government Procurement
ব্যাখ্যা
e-GP এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Government Procurement. এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন Central Procurement Unit (CPU) এর একটি সেবা। এর মাধ্যমে অনলাইনে সরকারি ক্রয় ও সংগ্রহ সংশ্লিষ্ট কার্যাদি সম্পন্ন করা যায়। (সূত্রঃ CPTU ওয়েবসাইট)
৮৯৮.
'রূপকল্প-২০৪১' কী?
  1. চলচ্চিত্র
  2. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস
  3. পরিকল্পনা
  4. চুক্তি
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৯ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ১৫% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৮৯৯.
ক্ষতিকর দ্রব্যের ওপর আরোপ করা শুল্ককে কী বলা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties): 
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯০০.
বাংলাদেশ ব্যাংক কতদিন পর পর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে?
  1. মাসিক
  2. ত্রৈমাসিক
  3. ষান্মাসিক
  4. বার্ষিক
সঠিক উত্তর:
ষান্মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষান্মাসিক
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস (ষান্মাসিক) পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

⇒ ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
- পরের কয়েক বছর এমনই ছিল।
- পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
১. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
২. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
৩. উচ্চ কর্মসংস্থান,
৪. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
৫. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত সময়ের মুদ্রানীতিতে চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখা ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।