বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩,৭৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৩৮ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৩,৭৪৭

৩,৩০১.
নিকেল একটি -
  1. প্যারাচুম্বক
  2. ডায়াচুম্বক
  3. ফেরােচুম্বক
  4. অ্যান্টিফেরােচুম্বক
সঠিক উত্তর:
ফেরােচুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরােচুম্বক
ব্যাখ্যা
- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি হলো ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
- তামা, দস্তা, বিসমাথ, রূপা, সোনা, সীসা, পানি ইত্যাদি ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
- অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, এন্টিমনি, প্লাটিনাম, ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, তরল অক্সিজেন প্রভৃতি প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩,৩০২.
'লুমেন' কীসের একক?
  1. চৌম্বক ফ্লাক্স
  2. চৌম্বক প্রাবল্য
  3. দীপন তীব্রতা
  4. আলোর ফ্লাক্স
সঠিক উত্তর:
আলোর ফ্লাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর ফ্লাক্স
ব্যাখ্যা
আলোর ফ্লাক্সঃ
কোনো আলোর উৎস থেকে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে, যে পরিমাণ আলোক শক্তি নির্গত হয় বা প্রবেশ করে, তাকে দীপ্তি প্রবাহ বা আলোর প্রবাহ বা আলোর ফ্লাক্স বলে।
আলোর ফ্লাক্সকে গ্রীক অক্ষর φ (ফাই) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
আলোর ফ্লাক্স পরিমাপের একক লুমেন (lm)।
এক ক্যান্ডেলা দীপন তীব্রতার কোনো আলোক উৎস থেকে এক স্টেরেডিয়ান ঘনকোণে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ আলোক ফ্লাক্স নির্গত হয় তার পরিমাণ এক লুমেন (1 lm)।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩০৩.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. ওডোমিটার
  2. ক্রনোমিটার
  3. ম্যানোমিটার
  4. অডিওমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

আরোও কিছু গূরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩,৩০৪.
পিটার হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য কত সালে নোবেল পুরষ্কার পান?
  1. ১৯৬৪
  2. ১৯৯৩
  3. ২০১২
  4. ২০১৩
সঠিক উত্তর:
২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
- এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন।
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩০৫.
গামা রশ্মি -
  1. আধানহীন
  2. ধনাত্মক চার্জযুক্ত 
  3. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  4. চার্জ পরিবর্তনশীল 
সঠিক উত্তর:
আধানহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধানহীন
ব্যাখ্যা

◉ গামা রশ্মি (γ-rays) হলো এক ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ (Electromagnetic Radiation), যা দৃশ্যমান আলোর মতোই প্রকৃতিতে কিন্তু অনেক বেশি শক্তিশালী। এটি কোনো কণা নয়, বরং উচ্চ-শক্তির ফোটন (Photon) দিয়ে গঠিত। যেহেতু ফোটনের ভর নেই এবং কোনো বৈদ্যুতিক আধানও নেই, তাই গামা রশ্মি আধানহীন।

গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
- গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩০৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. বায়বীয়
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা
• কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। 

• শব্দ:
- শব্দ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ (mechanical wave), যা কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় এবং মাধ্যমের (বায়ু, পানি, কঠিন পদার্থ) কণাগুলোর অনুনাদ বা কম্পনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

• শব্দ শোনার জন্য শর্ত:
- একটি উৎস (source of vibration),
- একটি মাধ্যম (বায়ু, পানি, ইত্যাদি),
- একটি গ্রাহক (যেমন: কান)।

• মাধ্যমের ঘনত্ব যত বেশি শব্দের গতি তত বেশি হয়।
- কঠিন পদার্থের ঘনত্ব বেশি হওয়ায় কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- লোহাতে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।
- তরল মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের থেকে কম,
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ তরল মাধ্যমের থেকে কম।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য হয় কারণ শূন্য মাধ্যমে শব্দ পরিবহনের জন্য কোন কণা থাকে না।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩০৭.
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ-
  1. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
  2. প্রতিসরণের জন্য
  3. প্রতিফলনের জন্য
  4. অপবর্তনের জন্য
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
ব্যাখ্যা
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য হীরক উজ্জ্বল দেখায়।
- হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।
- হীরক বর্ণহীন, স্বচ্ছ, উজ্জ্বল, স্ফটিকাকার পদার্থ।
- হীরক সবচেয়ে কঠিন পদার্থ।
- হীরক তাপ ও বিদ্যুৎ অপরিবাহী।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩,৩০৮.
সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) ম্যাগনেটাইট
  2. খ) মাইকা
  3. গ) জিপসাম
  4. ঘ) ধাতব পাইরাইটস
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিপসাম
ব্যাখ্যা
ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) - লোহা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
মাইকা (Mica) - বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়
জিপসাম(CaSO4.2H2O) - সিমেন্টপ্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামাল
ধাতব পাইরাইটস - সালফার এবং নানা রকমের ধাতু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৩,৩০৯.
চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী মনুষ্যবাহী ১ম মহাকাশযানের নাম কী?
  1. ক) এ্যাপোলো-১২
  2. খ) এ্যাপোলো-১৪
  3. গ) এ্যাপোলো-১১
  4. ঘ) এ্যাপোলো-১৫
সঠিক উত্তর:
গ) এ্যাপোলো-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ্যাপোলো-১১
ব্যাখ্যা
মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে ২০ জুলাই, ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র চন্দ্রবিজয়ী বিশ্বের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দেশ।
- এপোলো-১১ নামক চন্দ্রযানে করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
৩,৩১০.
রেকটিফায়ার ব্যবহৃত হয়-
  1. এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে
  2. ডিসি ভোল্টেজকে এসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে
  3. তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি করতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসি ভোল্টেজকে ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তর করতে
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current- এসি) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।
একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১১.
রংধনু তৈরি হওয়ার কারণ কী?
  1. বিবর্ধন
  2. ব্যতিচার
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

• রংধনু বা রামধনু (Rainbow): 
- রংধনু একটি আলোকীয় ঘটনা। এক পশলা বৃষ্টির পর আবার যখন সূর্য উঠে তখন কখনও কখনও সূর্যের বিপরীত দিকে আকাশে উজ্জ্বল রঙের অর্ধবৃত্ত দেখা যায়। একে বলা হয় রংধনু ।
- রংধনুতে বর্ণালির ৭টি রং থাকে। সূর্যের বিপরীতে গঠিত হয় বলে সকালে পশ্চিমাকাশে এবং বিকালে পূর্বাকাশে রংধনু দেখা যায়।
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে।  রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে।
- তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়।
- এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩১২.
এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টরে ডোপায়ন করার ফলে কোনটি ঘটে?
  1. পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়
  2. পরিবাহিতা হ্রাস পায়
  3. মুক্ত ইলেকট্রনের পরিমাণ হ্রাস পায়
  4. হোলের পরিমাণ হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টরে ডোপায়ন করার ফলে এর পরিবাহিতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।

• সেমিকন্ডাক্টর: 

- যেসকল পদার্থের আপেক্ষিক রোধ অপরিবাহী ও পরিবাহীর মধ্যবর্তী তাদেরকে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী বলা হয়।
• ডোপায়ন: 
- পরিবাহিতা বৃদ্ধির জন্য বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরে অতিসামান্য অপদ্রব্য মেশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপায়ন বলা হয়। 

• সেমিকন্ডাক্টর প্রধানত দুই প্রকারঃ
→ ইনট্রিন্সিক বা অন্তর্জাত (Intrinsic) সেমিকন্ডাক্টর:
-  যে সকল সেমিকন্ডাক্টরে কোনো অপদ্রব্য মেশানো হয় না তাদেরকে ইনট্রিন্সিক বা অন্তর্জাত সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- এটি খাঁটি বা বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টর।
- এতে কোনো ডোপেন্ট (dopant) মেশানো থাকে না।
- এতে ইলেকট্রন ও হোল (hole) এর সংখ্যা সমান থাকে।

→ এক্সট্রিন্সিক বা বহির্জাত (Extrinsic) সেমিকন্ডাক্টর:
- অপদ্রব্য মেশানো সেমিকন্ডাক্টরকে এক্সট্রিন্সিক বা বহির্জাত সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- অন্তর্জাত সেমিকন্ডাক্টরে অতিসামান্য অপদ্রব্য নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে (প্রায় এক কোটি পরমাণুতে একটি পরমাণু) মেশালে এতে বিপুল পরিমাণে মুক্ত ইলেক্ট্রন বা হোল সৃষ্টি হয়।
- ডোপায়নের ফলে এর পরিবাহিতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
- বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা বাড়ানোর জন্য এতে সামান্য পরিমাণে অপদ্রব্য যোগ করা হয়।
- ডোপায়নের মাধ্যমে n-type এবং p-type এই ২ ধরনের এক্সট্রিন্সিক সেমিকন্ডাক্টর তৈরি হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৩,৩১৩.
What type of signal is transmitted through fiber optic cables?
  1. Radio signal
  2. Electrical signal
  3. Microwaves
  4. Optical signal
  5. Ultrasonic waves
সঠিক উত্তর:
Optical signal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical signal
ব্যাখ্যা

• ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে আলোক সংকেত (Optical signal) প্রেরণ করা হয়। 

• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়।
- এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে। 

• ফাইবার অপটিক প্রযুক্তির কার্যপ্রণালী:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Radio signal: ওয়্যারলেস যোগাযোগে (রেডিও, Wi-Fi, মোবাইল) ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Electrical signal: কপার তার (twisted pair, coaxial) দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
- Microwaves: মাইক্রোওয়েভ লিঙ্ক, স্যাটেলাইট যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, ফাইবারে নয়।
- Ultrasonic waves: শব্দ তরঙ্গ (ultrasound), যা মেডিকেল ইমেজিং বা sonar-এ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ০ ১০ম শ্রেণি।

৩,৩১৪.
নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশন বিক্রিয়ায় যে শক্তি পাওয়া যায় তা কোন সমীকরণের সাহায্যে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়?
  1. ভর-বেগের সমীকরণ
  2. ভর-শক্তির সমীকরণ
  3. ওজন-শক্তির সমীকরণ
  4. সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তির সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়।

• ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass Energy Relation):

- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক।
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য।
- চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা।
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে।
- এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা।
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়।
- অর্থাৎ ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়।
- E = mc2 এটিই আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ।
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়।
- অর্থাৎ এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৫.
নিচের কোনটি চাপের মাত্রা?
  1. ML- 1T- 2
  2. ML 2T- 3
  3. ML- 2T- 2
  4. ML- 1T- 3
সঠিক উত্তর:
ML- 1T- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ML- 1T- 2
ব্যাখ্যা
• চাপ:
- চাপ হল একক ক্ষেত্রফলে কোন বস্তুর তলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত সমভাবে বিতরিত বল।
- পারিপার্শ্বিক চাপের সাপেক্ষে যে চাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় গজ চাপ।
- চাপের একক হল প্যাসকেল এবং সংকেত Pa.
- চাপের মাত্রা হল: ML- 1T- 2.

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ক্ষমতার মাত্রা ML 2T- 3.
- কাজের মাত্রা ML 2T- 2.
৩,৩১৬.
এনট্রপি কোন ভৌত ধর্মের পরিমাপ করে?
  1. চাপ
  2. তাপ
  3. শৃঙ্খলা
  4. বিশৃঙ্খলা
সঠিক উত্তর:
বিশৃঙ্খলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৩,৩১৭.
তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে নিচের কোনটি?
  1. ডায়নামো
  2. কার্নো ইঞ্জিন
  3. বৈদ্যুতিক বাল্ব
  4. জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
কার্নো ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্নো ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য 'সাদী কার্নো' সকল দোষ-ত্রুটি মুক্ত যে আদর্শ যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন তাকে কার্নো ইঞ্জিন বলে।
কার্নো ইঞ্জিন একটি আদর্শ ইঞ্জিনের ধারণামাত্র, বাস্তবে এর রূপান্তর সম্ভব হয়নি।

সুত্র: শক্তির উৎস ও রূপান্তর, এসএসসি, সাধারণ বিজ্ঞান এবং একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (দ্বিতীয় পত্র)।

৩,৩১৮.
উপসর্গ “গিগা (Giga)” দ্বারা কোন মান বোঝানো হয়?
  1. 109
  2. 106
  3. 1012
  4. 1015
সঠিক উত্তর:
109
উত্তর
সঠিক উত্তর:
109
ব্যাখ্যা

- উপসর্গ “গিগা (Giga)” দ্বারা বোঝানো হয় 109 । 

উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 
- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানান কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6×1024 m), আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1×10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়ই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু S.I উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝানো যায়। 
- দৈনন্দিন জীবনে কিন্তু এগুলো সব সময় ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- দূরত্ব বোঝানোর জন্য এক হাজার মিটার না বলে এক কিলোমিটার বলা হয়, আবার পানির আয়তন বোঝানোর জন্য এক লিটারের এক শতাংশ না বলে 10 মিলিমিটার বলা হয়।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩১৯.
কোনটি তাপ সুপরিবাহী?
  1. তামা
  2. পশম
  3. কাঠ
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা
ব্যাখ্যা
সুপরিবাহী পদার্থ: 
- যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন- লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

কুপরিবাহী পদার্থ: 
- যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন- তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ ইত্যাদি।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৩,৩২০.
SI পদ্ধতিতে পদার্থের পরিমাণের একক -
  1. কিলোগ্রাম
  2. কেলভিন
  3. মোল
  4. ক্যান্ডেলা
সঠিক উত্তর:
মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোল
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের একক চালু থাকার ফলে বাস্তব ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধা দেখা দেয়।
- এসকল অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে বিজ্ঞানীগণ বিশ্বব্যাপী একই ধরনের একক চালুর সিদ্ধান্ত নেন, একে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা সংক্ষেপে এস আই (SI) একক বলে।
- কয়েকটি হলো- কিলোগ্রাম (kg), সেকেন্ড (s), মিটার (m), অ্যাম্পিয়ার (A), অ্যাম্পিয়ার (A), মোল (mol)।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ভরের একক হলো কিলোগ্রাম।
- মৌলিক ভৌত এককগুলো হলো—কিলোগ্রাম (kg, ভরের একক), সেকেন্ড (s, সময়ের একক), মিটার (m, দূরত্বের একক), অ্যাম্পিয়ার (A, বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক), কেলভিন (K, তাপমাত্রার একক), মোল (mol, পদার্থের পরিমাণের একক) এবং ক্যান্ডেলা (cd, দীপন তীব্রতার একক)।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২১.
মহাজাগতিক রশ্মি বলতে কী বোঝায়? 
  1. চাঁদের আলোক
  2. সৌরশক্তির তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
  3. মহাশূন্য থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশকারী উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণাসমূহ
  4. বায়ুমণ্ডলে গঠিত গ্যাসীয় কণা
সঠিক উত্তর:
মহাশূন্য থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশকারী উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণাসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাশূন্য থেকে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশকারী উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণাসমূহ
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি হলো Cosmic rays. 
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বা Cosmic rays বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হলো মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৩,৩২২.
ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভেতে ব্যবহার হওয়া রিসিভারের নাম কী?
  1. মাইক্রোফোন
  2. আলট্রাসাউন্ড ট্রান্সডিউসার
  3. জিওফোন 
  4. সিসমিক রিসিভার
সঠিক উত্তর:
জিওফোন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিওফোন 
ব্যাখ্যা

- ত্রিমাত্রিক (3D) সিসমিক সার্ভেতে মাটির নিচে প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গ বা কম্পন শনাক্ত করার জন্য প্রধানত জিওফোন (Geophone) ব্যবহার করা হয়। এটি যান্ত্রিক কম্পনকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে। 

শব্দের ব্যবহার: 
- শব্দের প্রচলিত ব্যবহারের কথা নিশ্চয়ই কাউকে আলাদা করে বলতে হবে না। 
যেমন- কথা বলা, গান শুনা, হৃৎস্পন্দন শোনা, যন্ত্রপাতির শব্দ শোনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে শব্দের ব্যবহার হয়। শব্দ ব্যবহার করে বৈজ্ঞানিকভাবে নবজাতককে গর্ভের ভিতর থেকে দেখা সম্ভব; এই প্রক্রিয়াকে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়। 

১। ত্রিমাত্রিক সিসমিক সার্ভে (3D Seismic Survey): 
- মাটির নিচে গ্যাস বা তেল আছে কি না দেখার জন্য সিসমিক সার্ভে করা হয়। এটি করার জন্য মাটির খানিকটা নিচে ছোট বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, বিস্ফোরণের শব্দ মাটির নিচের বিভিন্ন স্তরে প্রতিফলিত হয়ে উপরে ফিরে আসে। 
- জিওফোন (Geophone) নামে বিশেষ এক ধরনের রিসিভারে সেই প্রতিফলিত তরঙ্গকে ধারণ (Detect) করা হয়। 
- সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে মাটির নিচের নিখুঁত ত্রিমাত্রিক ছবি বের করে, কোথায় গ্যাস বা কোথায় তেল আছে তা বের করা যায়। শব্দের উৎসটি কোথায় আছে এবং জিওফোনগুলো কোথায় আছে দুটিই জানা থাকার কারণে উৎস থেকে জিওফোনে শব্দ আসতে কতটুকু সময় লেগেছে জানতে পারলেই বিভিন্ন স্তরের দূরত্ব নিখুঁতভাবে বের করা যায়। 

২। আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার: 
- ল্যাবরেটরিতে যখন ছোটখাটো যন্ত্রপাতি নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করতে হয়, তখন আলট্রাসাউন্ড ক্লিনার ব্যবহার করা হয়। এখানে কোনো একটি তরলে ছোটখাটো যন্ত্রপাতি ডুবিয়ে রেখে তার ভেতর আলট্রাসাউন্ড প্রবাহিত করা হয়, এবং তার কম্পনে যন্ত্রপাতির সব ময়লা বের হয়ে আসে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩২৩.
Which is not a semiconductor?
  1. Germanium
  2. Aluminum
  3. Gallium
  4. Silicon
  5. None of Above
সঠিক উত্তর:
Aluminum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aluminum
ব্যাখ্যা
- অ্যালুমিনিয়াম অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায় ।
- এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য ১.১ eV বা এর চেয়ে কম ।
- কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে ।

অন্যদিকে:
- অ্যালুমিনিয়াম সুপরিবাহী।
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বলে।যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, পণ্ঢাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৪.
নিম্নলিখিত কোনটি মৌলিক রাশি হিসেবে গণ্য হয়?
  1. দীপন তীব্রতা
  2. বল
  3. কাজ
  4. তাপ
সঠিক উত্তর:
দীপন তীব্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপন তীব্রতা
ব্যাখ্যা

• মৌলিক রাশি বা সাধারণ রাশি সেই ধরনের পরিমাণ যা অন্য কোনো রাশির সাহায্যে প্রকাশ করা যায় না। পদার্থবিজ্ঞানে রাশিগুলোকে মূলত দুই ধরনের হিসেবে দেখা হয়: মৌলিক (primary) এবং অনুমেয় (derived)। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে দীপন তীব্রতা, বল, কাজ এবং তাপ বিবেচনা করলে দেখা যায়, দীপন তীব্রতা (luminous intensity) অন্য কোনো মৌলিক রাশির সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। অন্যদিকে, বল, কাজ এবং তাপ সবগুলোই মৌলিক রাশির সমন্বয়ে তৈরি অনুমেয় রাশি। উদাহরণস্বরূপ, বলকে ভর ও ত্বরণের গুণফল হিসেবে লেখা যায়, কাজকে বল এবং স্থানচ্যুতি হিসেবে প্রকাশ করা যায়। 

- উত্তর: ক) দীপন তীব্রতা।


- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।

লব্ধ বা যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
অর্থাৎ, যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ বা যৌগিক রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩২৫.
হোল কোন ধরনের আধান হিসেবে কাজ করে? 
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. নিরপেক্ষ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক
ব্যাখ্যা
হোল: 
- তাপীয় শক্তির জন্য ইলেকট্রন যখন কোনো সমযোজী বন্ধন ভেঙ্গে বের হয়ে আসে তখন ইলেকট্রনের এই অপসারণ সমযোজী বন্ধনে একটি শূন্য স্থান রেখে আসে, ইলেকট্রনের এই শূন্যতা বা অনুপস্থিতিকে হোল বলা হয়। 
- হোল ধনাত্মক আধান হিসেবে কাজ করে। 
- একটি হোলের চার্জ 1.6×10-19 C । 
- যখনই একটি ইলেকট্রন মুক্ত হয়, তখনই একটি হোলের সৃষ্টি হয়। 
- সুতরাং তাপীয় শক্তি হোল-ইলেকট্রন জোড় সৃষ্টি করে। 
- যতগুলো মুক্ত ইলেকট্রন সৃষ্টি হয় ততগুলোই হোলের সৃষ্টি হয়। 
- হোল হলো একটি ইলেকট্রনের অনুপস্থিতি। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২৬.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলো পরিবহনের মূল নীতি কী?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবারে আলো পরিবহনের মূল নীতি হচ্ছে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে (θc) আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোক রশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

• অপটিক্যাল ফাইবার (Optical Fiber):
অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু ও নমনীয় কাঁচ বা প্লাস্টিকের তন্তু, যার মাধ্যমে আলো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত করা যায়।

বৈশিষ্ট্য:
- এটি খুব সরু ও নমনীয় কাঁচ তন্তু দিয়ে তৈরি।
- এর মাধ্যমে আলো পরিবহন করা হয়।
- এতে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) ঘটে।
- এতে সাধারণত দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অবলোহিত (Infrared) রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

• ব্যবহার:
- টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থায় দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য।
- এন্ডোস্কোপি চিকিৎসায় রোগীর পাকস্থলীর ভিতরের অংশ দেখার জন্য।
- বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা যন্ত্রে আলো পরিবহনের কাজে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী। পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩২৭.
অর্ধপরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. পরমশূন্য তাপমাত্রায় এরা অন্তরক
  2. কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায়
  3. নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে তড়িৎ পরিবাহকত্ব হ্রাস পায়
  4. সিলিকন একটি অর্ধপরিবাহী পদার্থ
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে তড়িৎ পরিবাহকত্ব হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে তড়িৎ পরিবাহকত্ব হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
অর্ধপরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো,
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় এরা অন্তরক।
- কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায়।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায় ও রোধ হ্রাস পায়।
- দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভবপার্থক্য বৃদ্ধি করলে তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায়।
- সিলিকন, জার্মেনিয়াম হলো অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৩২৮.
কোন আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. কমলা
  2. লাল
  3. নীল
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৩২৯.
নিচের কোনটি তড়িৎ বলরেখার ধর্ম নয়?
  1. তড়িৎ বলরেখা খোলা বক্র রেখা।
  2. বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
  3. বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে।
  4. তড়িৎ বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধান থেকে উৎপন্ন হয়ে ঋণাত্মক আধানে শেষ হয়।
সঠিক উত্তর:
বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে।
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখার ধর্ম:
তড়িৎ বলরেখার ধর্ম নিম্নে বর্ণনা করা হলো:
১. তড়িৎ বলরেখা খোলা বক্র রেখা।
২. তড়িৎ বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধান থেকে উৎপন্ন হয়ে ঋণাত্মক আধানে শেষ হয়। পরিবাহীর অভ্যন্তরে কোনো বলরেখা থাকে না ।
৩. বলরেখাগুলো পরস্পরকে ছেদ করে না ।
৪. বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে।
৫. বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক বস্তুর মতো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয় ।
৬. বলরেখাগুলো ধনাত্মক আধানে আহিত পরিবাহীর পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে বের হয় আর ঋণাত্মক পরিবাহীর পৃষ্ঠের সাথে
লম্বভাবে প্রবেশ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩০.
পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার বর্তনীতে কয়টি ডায়োড ব্যবহৃত হয়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি 
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

• একটি ব্রিজ রেকটিফায়ার (Bridge Rectifier) তৈরি করতে চারটি ডায়োডকে ব্রিজের মতো বিশেষ সংযোগে সাজানো হয়। এটি অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) এর উভয় চক্রকে (পজিটিভ ও নেগেটিভ) ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) এ রূপান্তর করতে পারে।

• রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)।
- একমুখীকারক দুই প্রকার।
যথা-
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক।

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার:
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে।
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়।
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়।
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন।
২. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩১.
কোন ভোল্টের উপরে বৈদ্যুতিক প্রবাহ অনুভব করা যায়?
  1. 50 V
  2. 1.5 V
  3. 220 V
  4. 1000 V
সঠিক উত্তর:
50 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 V
ব্যাখ্যা

ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়।
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়।
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে।
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে।
যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট।
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়।
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ V, সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০ V ।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি, আবার ২২০ V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৩২.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস-
  1. ক) পানির গতি শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি
  3. গ) পানির বিভব শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা

- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে বিভবশক্তি জমা হয়।
- পানি নিচে প্রবাহিত হওয়ার সময় এই বিভবশক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয়।
- পানি প্রবাহের সাহায্যে টারবাইনের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এভাবে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৩৩.
8N এবং 15N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?
  1. 7 N
  2. 13 N
  3. 17 N
  4. 23 N
সঠিক উত্তর:
17 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17 N
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 8N এবং 15N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?

সমাধান:
ধরি, বল দুটি P = 8N এবং Q = 15N।
বল দুটি লম্বভাবে ক্রিয়া করায়, তাদের মধ্যবর্তী কোণ (θ) = 90°

দুটি বল P ও Q এর লব্ধি R এর সূত্রটি হলো:
R2 = P2 + Q2 + 2PQ cosθ
⇒  R2 = 82 + 152 + 2 × 8 × 15 × cos 90°
 ⇒ R2 = 64 + 225 + 2 × 8 × 15 × 0 (যেহেতু cos 90° = 0)
⇒ R2 = 289 + 0
⇒ R2 = 289
⇒ R = √289
∴ লব্ধির মান, R = 17 N

৩,৩৩৪.
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফসফরাস-৩২
  2. কার্বন-১৪ 
  3. আয়োডিন-১৩১ 
  4. কোবাল্ট-৬০ 
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়োডিন-১৩১ 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার শনাক্ত করতে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট যৌগ ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড়ের বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমস্যা নির্ণয় এবং ব্যথার কারণ চিহ্নিত করতে টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- মস্তিষ্কের ক্যান্সার চিকিৎসায় ইরিডিয়াম আইসোটোপ প্রয়োগ করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৩৫.
যদি বাতাসের চাপ বেড়ে যায় তাহলে ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা কীভাবে পরিবর্তিত হয়? 
  1. 76 cm থেকে কমে যায় 
  2. 76 cm থেকে বেশি হয়
  3. সর্বদা 76 cm থাকে
  4. প্রথমে 76 cm থেকে কম হয়, পরে বাড়ে 
সঠিক উত্তর:
76 cm থেকে বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
76 cm থেকে বেশি হয়
ব্যাখ্যা

টরিসেলির পরীক্ষা: 
- বিজ্ঞানী টরিসেলি ১৬৪৩ সালে পারদ ব্যবহার করে বাতাসের চাপের পরীক্ষাটি করেছিলেন। 
- তিনি অবশ্য মুখ দিয়ে পারদকে একটি নল বেয়ে টেনে তোলার চেষ্টা করেননি, তিনি এক মুখ বন্ধ একটা নলের ভেতর পারদ ভরে, নলটি পারদ ভরা একটা পাত্রে উল্টো করে রেখেছিলেন।

- পারদের উচ্চতা নামতে নামতে ঠিক 76 cm এসে থেমে গেল। 
- চুমুক দিয়ে খাওয়ার সময় মুখের ভেতরে যে শূন্যতা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়, কাচের নলের উপরে ঠিক সেই শূন্যতা তৈরি হয়। 
- বাতাস পারদের উপরে চাপ দেয় এবং সেই চাপ তরলের সব জায়গায় সঞ্চালিত হয়ে নলের নিচেও আসে। নলের উপরে কোনো ফুটো নেই, তাই সেদিক দিয়ে বাতাস চাপ দিতে পারছে না। কাজেই সমতা আনার জন্য নলের নিচে এক মাত্র চাপ হচ্ছে 76 cm উচু পারদ স্তম্ভের ওজনের কারণে তৈরি হওয়া চাপ। 
- বাতাসের চাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার এবং টরিসেলির এই পদ্ধতি দিয়ে তৈরি ব্যারোমিটারে এখনো বাতাসের চাপ মাপা হয়। 
- বাতাসের চাপ বাড়লে পারদের উচ্চতা 76 cm থেকে বেশি হয়, চাপ কমলে উচ্চতা 76 cm থেকে কমে যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৩৬.
কোন মাধ্যমের মাধ্যমে শব্দ অতিক্রম করতে পারে না? 
  1. বায়ু 
  2. শূন্য
  3. পানি
  4. ইস্পাত
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা

 - শূন্য মাধ্যমের মাধ্যমে শব্দ অতিক্রম করতে পারে না। 

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৩৭.
আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয় করতে কোন ধরনের রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) আলফা রশ্মি
  3. গ) বিটা রশ্মি
  4. ঘ) রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray)
- নলের যে অংশে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হয় সে অংশ থেকে সবুজাভ হলুদ রং-এর আলোর আভা ছাড়াও এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি বিকিরিত হচ্ছে।
- এই অদৃশ্য রশ্মির প্রকৃত নাম না জানা থাকায় প্রফেসর রঞ্জন এর নামকরণ করেন এক্সরে (X-Rays)। একে রঞ্জন রশ্মিও বলে।
- ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হন যে, অধিক গতিসম্পন্ন ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতুর প্রতিবন্ধকে বাধা পেলে গতিশক্তি হারায় এবং এই গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়।
- এক্সরের একক হলো রন্টজেন।
- যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে। 
এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না ।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪ । এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108ms-1 বেগে গমন করে।
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে ।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে ।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই ।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে ।
শিল্প ক্ষেত্রে:
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।
- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়
- ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়
- আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়
- ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা
- ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়
- মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৩৮.
কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে?
  1. ক) পেট্রোল ইঞ্জিনে
  2. খ) ডিজেল ইঞ্জিনে
  3. গ) রকেট ইঞ্জিনে
  4. ঘ) বিমান ইঞ্জিনে
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল ইঞ্জিনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোল ইঞ্জিনে
ব্যাখ্যা
মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর
- বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
- সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না। শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩ টি কার্বুরেটর থাকে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
৩,৩৩৯.
কোনটি সঠিক?
  1. ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
  2. খ) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ বেশি।
  3. গ) আলোর গতিবেগ শব্দের গতিবেগের সমান।
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর চেয়ে শব্দের গতিবেগ কম।
ব্যাখ্যা

শূন্যস্থানে আলোর বেগ 3 × 108 মিটার./সেকেন্ড।
এটি হল আলোর সর্বোচ্চ বেগ, অর্থাৎ আলো শূন্যে সবচেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে।
বায়ুতে শব্দের গতিবেগ 332 মিটার/সেকেন্ড।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

৩,৩৪০.
পরপর কয়টি সুস্পন্দ বিন্দুর মধ্যকার দূরত্বই স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
স্থির তরঙ্গ:
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে।
- তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাইয়দা- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে।
- যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির।
- পরপর তিনটি নিস্পন্দ বিন্দু বা তিনটি সুস্পন্দ বিন্দুর মধ্যের দূরত্বই স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য।
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪১.
ডুবোজাহাজে কোন যন্ত্রের সাহায্যে পানির নিচ থেকে উপরের দৃশ্য দেখা হয়?
  1. মাইক্রোস্কোপ
  2. টেলিস্কোপ
  3. পেরিমিটার
  4. পেরিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো কোনো লুক্কায়িত স্থান থেকে পর্যবেক্ষণের জন্য যন্ত্রবিশেষ।
- এর সরলতম আকারে এটি ৪৫ ডিগ্রী কোনে প্রতি প্রান্তে পরস্পরের সাথে সমান্তরালে স্তাপিত দর্পণসহ একটি নল দ্বারা গঠিত।
- পেরিস্কোপ আলোর প্রতিফলন এবং ব্যতিচার নীতির উপর তৈরি হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষায় ব্যবহার করা হতো।
- এটি সাধারণত পানির নিচে বা কোন অবরুদ্ধ স্থানে থাকা জিনিস দেখতে ব্যবহৃত হয়।
- পেরিস্কোপের মাধ্যমে একটি নাবিক বা ব্যবহারকারী সাবমেরিন বা অন্যান্য যানের উপরিভাগের দৃশ্য দেখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয় সাবমেরিনে বা ডুবজাহাজে।
- মূলত ডুবজাহাজ থেকে বাইরের অবস্থা দেখার লক্ষ্যেই মারি-ডেভি তার নৌ-পেরিস্কোপটি উদ্ভাবন করেন।
- গবেষণা, অভিযান কিংবা অনুসন্ধানেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩,৩৪২.
কোনো বস্তুর ভর ১০ কেজি হলে বস্তুর ওজন-
  1. ক) ১০০ নিউটন
  2. খ) ৯.৮ নিউটন
  3. গ) ১০ নিউটন
  4. ঘ) ৯৮ নিউটন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৮ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৮ নিউটন
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
W = mg
= ১০ X ৯.৮
= ৯৮ নিউটন।

৩,৩৪৩.
তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি করলে বাষ্পায়ন -
  1. ক) একই হয়
  2. খ) কম হয়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেশি হয়
ব্যাখ্যা
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে।
- এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, পদার্থ বিজ্ঞান।
৩,৩৪৪.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে হলে কী পরিমাণ তাপের দরকার হয়?
  1. ক) ২ ক্যালরি
  2. খ) ৪ ক্যালরি
  3. গ) ৩ ক্যালরি
  4. ঘ) ১ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
ক্যালরি
- পদার্থের অণুগুলোর কম্পন বা গতির কারণে যে শক্তি পাওয়া যায় সেটা হচ্ছে তাপ।
- যেহেতু এটা শক্তি তাই স্বাভাবিকভাবে অন্য শক্তির মতোই তার একক হচ্ছে জুল (j)।
- তাপের আরো একটি একক আছে, তার নাম ক্যালরি (cal)।
- 1 gm পানির তাপমাত্রা 1°C বাড়াতে হলে যে পরিমাণ তাপের দরকার সেটা হচ্ছে 1 ক্যালরি
- 1 ক্যালরি হচ্ছে 4.2J এর সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৪৫.
ডায়োড মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বৈদ্যুতিক প্রবাহ বৃদ্ধি করা
  2. সার্কিটে প্রতিরোধ সৃষ্টি করা
  3. একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
  4. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• ডায়োড মূলত এক ধরনের অর্ধপরিবাহী উপাদান যা বিদ্যুৎ প্রবাহকে একদিক থেকে অন্যদিকে প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে বাধা দেয়। এটি সার্কিটে একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা rectification প্রক্রিয়ায় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ডায়োড AC (বিকল্প ধারা) কে DC (স্থির ধারা) তে রূপান্তর করতে সাহায্য করে। এছাড়া কিছু ডায়োড ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ বা সিগন্যালের গতি নিয়ন্ত্রণেও ব্যবহার হয়, তবে মূল কাজ হলো একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা।

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৪৬.
ওয়াট-এর সাথে অশ্বক্ষমতার সম্পর্ক কোনটি? 
  1. 1 H.P. = 550 W
  2. 1 H.P. = 3.6 × 106 W
  3. 1 H.P. = 746 W
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
1 H.P. = 746 W
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 H.P. = 746 W
ব্যাখ্যা
ওয়াট: 
- 1 সেকেন্ডে 1 জুল (J) কাজ করার ক্ষমতাকে 1 ওয়াট (W) বলে। 
∴ 1 W = 1 J s -1
1 কিলোওয়াট (kW) = 1000 ওয়াট (W) 
1 মেগাওয়াট (MW) = 1000 কিলোওয়াট (kW) = 106 W = 106 Hs-1

অশ্বক্ষমতা: 
- এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর পূর্বে ক্ষমতার একটি ব্যবহারিক একক ছিল অশ্বক্ষমতা। 
- ওয়াট-এর সাথে অশ্বক্ষমতার সম্পর্ক হলো - 
1 H.P. = 746 Watt. 

উৎস:
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৩,৩৪৭.
সূর্যের ভর পৃথিবীর ভরের অপেক্ষা অনেক গুণ বেশি হওয়ার সত্ত্বেও সূর্য কেন পৃথিবীকে তার নিজের দিকে টেনে নিতে পারছে না?
  1. ক) পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য
  2. খ) পৃথিবীর ঘনত্বের জন্য
  3. গ) কেন্দ্রমুখী বলের কারণে
  4. ঘ) কেন্দ্র বহির্মুখী বলের কারণে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেন্দ্র বহির্মুখী বলের কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেন্দ্র বহির্মুখী বলের কারণে
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে বললে, গ্রহগুলো বৃত্তাকার পথে ঘুরে মহাকর্ষ বল তথা কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাবে। এ বলের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ একটি কেন্দ্রবিমুখী বল ক্রিয়া করে যার ফলশ্রুতিতে পৃথিবী বা গ্রহগুলো তাদের কক্ষপথে চলতে থাকে।
৩,৩৪৮.
বিটা কণিকার ভর কত?
  1. ১.৬×১০-৩১ কেজি
  2. ৯.১×১০-৩১ কেজি
  3. ৭.৯×১০-১৯ কেজি
  4. ৯.১×১০-১৯ কেজি
সঠিক উত্তর:
৯.১×১০-৩১ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.১×১০-৩১ কেজি
ব্যাখ্যা
• বিটা (β) রশ্মি:
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন।
- বিটা রশ্মি হচ্ছে অতি উচ্চ দ্রুতি সম্পন্ন ইলেক্ট্রনের প্রবাহ।
- বিটা কণার দ্রুতি আলোর দ্রুতির প্রায় সমান। (শতকরা ৯৮ ভাগ)।
- এটি ঋণাত্বক চার্জযুক্ত। এর আধান - ১.৬ × ১০-১৯ কুলম্ব।
- এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা আলফা কণা অপেক্ষা বেশী।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান, ৯.১×১০-৩১ কেজি।

উতস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৯.
ফোটন কণা কোন ধরনের বল বহন করে? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎচৌম্বক
  3. সবল নিউক্লীয় বল
  4. দুর্বল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বক
ব্যাখ্যা

• ফোটন: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উল্লেখ্য:
- ভরের আকর্ষণ বা মহাকর্ষ বলের বাহক কণা হলো গ্র্যাভিটন।
- নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রনকে আবদ্ধকারী সবল নিউক্লীয় বলের বাহক হলো গ্লুয়ন।
- তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ের জন্য দায়ী দুর্বল নিউক্লীয় বলের বাহক হলো W ও Z বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৫০.
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্ৰ-
  1. ক) অডিওমিটার
  2. খ) অ্যামিটার
  3. গ) অডিওফোন
  4. ঘ) অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- অ্যামিটার তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৩৫১.
Resonance কন্ডিশনে একটি R-L-C সিরিজ বর্তনীর মোট Impedance হলো-
  1. Zero
  2. R
  3. Infinity
  4. L/RC
সঠিক উত্তর:
R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
R
ব্যাখ্যা
একটি R-L-C সিরিজ বর্তনীর মোট Impedance হলো = R + jωL + (1/jωC)
= R + jωL - (j/ωC)
= R + j {ωL - (1/ωC)}

Resonance কন্ডিশনে, ωL = 1/ωC

∴  Resonance কন্ডিশনে একটি R-L-C সিরিজ বর্তনীর মোট Impedance হলো = R
৩,৩৫২.
লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. 620-750 nm
  2. 520-650 nm
  3. 420-700 nm
  4. 320-600 nm
সঠিক উত্তর:
620-750 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
620-750 nm
ব্যাখ্যা
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 620-750 nm

• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4 × 10-7m থেকে 7 × 10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৩.
40°C এর মান ফারেনহাইটে হয়--
  1. ক) 120°F
  2. খ) 99°F
  3. গ) 104°F
  4. ঘ) 108°F
সঠিক উত্তর:
গ) 104°F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 104°F
ব্যাখ্যা

আমরা জানি, C/5 = (F-32)/9
এখন, 40/5 = (F-32)/9
∴ F = 104
অর্থাৎ ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা 104 ডিগ্রি ফারেনহাইট।

৩,৩৫৪.
চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয় করা যায় কোন যন্ত্রের সাহায্যে?
  1. তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
  2. গ্যালভানোমিটার
  3. কম্পাস
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
কম্পাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাস
ব্যাখ্যা
• চৌম্বকক্ষেত্র: 
 - কোন চুম্বক যেখানে অবস্থান করে সেখানে তার চারিদিকে যতদূর পর্যন্ত তার বলের প্রভাব ( আকর্ষণ জনিত কিংবা বিকর্ষণ জনিত ) বিস্তৃত থাকে, সেই অঞ্চলকে চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) বলা হয়।  

কম্পাস-
- কম্পাস একটি ছোট চৌম্বক সূঁচবিশিষ্ট যন্ত্র, যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
-  এটি চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে ঘুরে গিয়ে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্দেশ করে।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয়ের জন্য কম্পাসকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করা হয়।
-  সূঁচটি যেদিকে স্থির হয়, সেটিই চৌম্বক ক্ষেত্ররেখার দিক।

অন্যদিকে,
• তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুতে আধানের উপস্থিতি নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। 
• গ্যালভানোমিটার তড়িৎ প্রবাহ ও তড়িৎ প্রবাহের দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
• ভোল্টমিটার তড়িৎ বিভব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
৩,৩৫৫.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্যতা
  2. লোহা
  3. পানি
  4. বাতাস
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা

লোহায় (কঠিনে) শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।

শব্দ তরঙ্গ:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়।
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক।
- কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।
তরল পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি (বোর্ড বই)।

৩,৩৫৬.
1 MeV =?
  1. ক) 1.6 × 10-19 J
  2. খ) 1.6 × 10-17 J
  3. গ) 1.6 × 10-15 J
  4. ঘ) 1.6 × 10-13 J
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.6 × 10-13 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.6 × 10-13 J
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা: 1V বিভব পার্থক্যের দুটি বিন্দুর একটি থেকে অন্যটিতে একটি ইলেকট্রন স্থানান্ত্র করতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে এক ইলেকট্রন ভোল্ট বা সংক্ষেপে 1eV বলে ।
:. 1eV = একটি ইলেকট্রনের আধান × 1 ভোল্ট [কাজ=আধান × বিভব পার্থক্য]
= 1.6 × 10-19 C × 1v
= 1.6 x 10-19 C × 1J/1C
= 1.6 × 10-19 J

আবার এক ইলেকট্রন ভোল্টের দশ লক্ষগুণ অর্থাৎ 106 গুণ বড় একককে বলে মিলিয়ন ইলেকট্রন ভোল্ট বা মেগা ইলেকট্রন
ভোল্ট (MeV)।
1MeV = 106 eV
=1.6 × 10-19 × 106 J
= 1.6 × 10-13 J
এবং 1 GeV (1Giga electron volt) = 1012 eV

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৭.
কোন বস্তুর নির্দিষ্ট দিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে কি বলে?
  1. ক) দূরত্ব
  2. খ) বেগ
  3. গ) দৈর্ঘ্য
  4. ঘ) সরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরণ
ব্যাখ্যা
কোন বস্তুর নির্দিষ্ট দিকে অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ বলে। সরণ একটি ভেক্টর রাশি যার S.I একক মিটার (m)।
৩,৩৫৮.
কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?
  1. রবার
  2. এলুমিনিয়াম
  3. লৌহ
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে লোহার স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম।

• স্থিতিস্থাপকতা:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ করে কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তনের চেষ্টা করলে, যে ধর্মের ফলে বস্তুটি এই পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং বাহ্যিক বল অপসারিত হলে বস্তু তার পূর্বের আকার ও আয়তন ফিরে পায়, সেই ধর্মকে স্থিতিস্থাপকতা বলা হয়।

স্থিতিস্থাপক সীমা:
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক।
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়।
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫৯.
কোন বস্তুর অবস্থানের জন্য কোনটি তৈরি হয়?
  1. তড়িৎ শক্তি
  2. গতি শক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. স্থিতি শক্তি
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থিতি শক্তি
ব্যাখ্যা
স্থিতি শক্তি (Potential Energy) হলো সেই শক্তি, যা কোনো বস্তু তার অবস্থানের কারণে ধারণ করে। অর্থাৎ, একটি বস্তুকে যদি আমরা একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে রাখি (যেমন: মাটির ওপরে উঁচুতে), তাহলে সে অবস্থানের কারণেই তার মধ্যে এক ধরনের শক্তি জমা থাকে — সেটিই স্থিতি শক্তি।
- যখন একটি পাথর উঁচু স্থানে থাকে, তখন তার ভেতরে মাটিতে থাকার সময়ের তুলনায় বেশি স্থিতি শক্তি জমা থাকে।  
- এটি নিচে পড়লে সেই শক্তি গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।


অন্যদিকে, 
তড়িৎ শক্তি (Electrical Energy):  এটি চার্জের গতি বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের কারণে তৈরি হয়, অবস্থানের কারণে নয়।

গতি শক্তি (Kinetic Energy):  এটি তখন তৈরি হয়, যখন কোনো বস্তু চলন্ত অবস্থায় থাকে।

যান্ত্রিক শক্তি (Mechanical Energy):  এটি একটি সামগ্রিক শক্তি, যা স্থিতি শক্তি ও গতি শক্তি উভয়ের যোগফল — তাই একে সঠিক উত্তর ধরা যায় না, যেহেতু প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "অবস্থানের জন্য" জিজ্ঞেস করা হয়েছে।


তথ্যসূত্র: 
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান। 
- অষ্টম শ্রেণি – সাধারণ বিজ্ঞান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ।
৩,৩৬০.
হিগস বোসন কণা সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে
  2. বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে
  3. হিগস বোসনকে ঈশ্বর কণা বলা হয়
  4. হিগস বোসনের মাধ্যমে মৌলিক কণার ভর স্থানান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে
ব্যাখ্যা

বোসন কণা (যেমন: ফোটন, হিগস বোসন) পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 

• বোসন (Boson):

- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই।
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের।  যথা-
(i) গেজ বোসন (Gauge Boson):
- এদের স্পিন হলো 1।
- এই কণাগুলো হলো- গ্লুওন (g), ফোটন (y) এবং W ও Z বোসন।
- গ্লুওন: গ্লুওন কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর
শূন্য।
- ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
- W ও Z বোসন: W+, W- এবং W0 এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।
(ii) হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬১.
উৎসের বিস্তার এবং শব্দের তীব্রতার সম্পর্ক কী?
  1. I ∝ A
  2. I ∝ A2
  3. I ∝ 1/A
  4. I ∝ √A
সঠিক উত্তর:
I ∝ A2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I ∝ A2
ব্যাখ্যা

শব্দের তীব্রতা:
- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ।
- শব্দের তীব্রতা বলতে বুঝি, শব্দ সঞ্চালনের পথে লম্বভাবে অবস্থিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দ শক্তির পরিমাণ।
- শব্দের তীব্রতা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে-
১। উৎসের বিস্তার:
- শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পনের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।
- শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- শব্দের তীব্রতা I এবং বিস্তার A হলে, I ∝ A2.

২। উৎসের আকার:
- উৎসের আকার বড় হলে শব্দ তরঙ্গ বেশি পরিমাণ শক্তি সঞ্চালিত রতে পারে ফলে তীব্রতা বেড়ে যায়।

৩। উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব:
- উৎস ও শ্রোতার মধ্যবর্তী দূরত্ব যতো বাড়বে শব্দের তীব্রতা ততো কমে যাবে কারণ বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ফলে শব্দ তরঙ্গের শক্তি কমে যায়।
- তীব্রতা দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
- যদি তীব্রতা এবং দূরত্ব r হয় তাহলে, I ∝ 1/r2.

৪। মাধ্যমের ঘনত্ব:
- যে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হবে তার ঘনত্ব বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।

৫। মাধ্যমের বেগ:
- মাধ্যমের বেগের দিকে শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায় এবং বিপরীত দিকে সঞ্চালিত হলে শব্দের তীব্রতা কমে যায়।

৬। অনুনাদী বস্তুর উপস্থিতি:
- উৎসের কাছে কোনো অনুনাদী বস্তু থাকলে শব্দের তীব্রতা বেড়ে যায়।
- একটি সুরশলাকাকে বাতাসে স্পন্দিত করলে যে শব্দ উৎপন্ন হয় টেবিল বা কোনো ফাঁপা কাঠের বাক্সের সাথে লাগিয়ে স্পন্দিত করলে শব্দের তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়।
- এক্ষেত্রে বেশি আয়তনের বায়ু কম্পিত হয় বলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৩,৩৬২.
উত্তল লেন্সের ব্যবহার কোনটি?
  1. ক) গ্যালিলিওর দূরবীক্ষন যন্ত্র
  2. খ) সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টর
  3. গ) বিবর্ধক কাচ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বিবর্ধক কাচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিবর্ধক কাচ
ব্যাখ্যা
উত্তল লেন্স:

- যেই লেন্সে আলোক রশ্মি কোন একটি বিন্দুতে এসে মিলিত হয় তাকে উত্তল লেন্স বলে
- এই বিন্দুটি লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব।
- আতশী কাচ হিসেবে এবং আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যহার করা হয়।
- চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাচ, অণুবীক্ষন যন্ত্র ইত্যাদি আলোক যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৩.
n-p-n ট্রানজিস্টরে মাঝখানে কোন ধরনের অপদ্রব্য দিয়ে ডোপিং করা হয়?
  1. ধাতব
  2. পাঁচযোজী
  3. তিনযোজী
  4. নিরোধক
সঠিক উত্তর:
তিনযোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনযোজী
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া n-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে। 
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- আর একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে তিনযোজী পরমাণু প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- তাই একটি ট্রানজিস্টরকে দুটি ডায়োডকে পিঠাপিঠি (Back to back) যুক্ত বলে ধরা হয়। 
- ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে ট্রানজিস্টরের বেস (Base) বা ভূমি বলে। 
- প্রান্তের যে অংশের চওড়া অপর প্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক কম এবং অপদ্রব্যের অনুপাত একটু বেশি তাকে এমিটার (Emiter) বা নিঃসারক বলে। 
- যে প্রান্তের চওড়া একটু বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কালেক্টর (Collector) বা সংগ্রাহক বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৬৪.
শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল কত? 
  1. ১.০ সেকেন্ড
  2. ০.৫ সেকেন্ড
  3. ০.১ সেকেন্ড
  4. ০.০১ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল: 
- কোনো শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
অর্থাৎ, এই ০.১ সেকেন্ড সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং, প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৫.
ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে কোন ধরনের সংকেত পাঠানো যায়?
  1. বৈদ্যুতিক সংকেত
  2. আলোক সংকেত
  3. রেডিও সংকেত
  4. শব্দ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেত
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে আলোক সংকেত ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ করা হয়। 

• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল একটি উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সমিশন মাধ্যম যা আলোক সংকেত (অপটিক্যাল সিগন্যাল) ব্যবহার করে তথ্য পাঠায়। 
- এটি মূলত কাঁচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এক ধরনের পাতলা তন্তু, যা আলোকরশ্মিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহণ করে।
- এই ক্যাবলগুলো ডেটা স্থানান্তরের জন্য অত্যন্ত দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। 

• কাজের ধরন:
- এই ক্যাবলে তথ্য আলোক সংকেত (Optical Signal) রূপে পাঠানো হয়, যা লেজার বা LED দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্যাবলের মধ্যে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) এর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

• ফাইবার অপটিকের সুবিধা:
- উচ্চ গতিতে তথ্য প্রেরণ করা যায়।  
- দীর্ঘ দূরত্বেও কার্যকরভাবে তথ্য প্রেরণ করা যায় 
- আলোক তরঙ্গ ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফেরেন্স মুক্ত।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৩,৩৬৬.
কোন বলের প্রভাবে মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

• মহাকর্ষ বল:
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে মহাকর্ষ বলের প্রভাবে।
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে।
- মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি।
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে মহাকর্ষ বল কার্যকর হয়।
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৭.
ক্যাসেট প্লেয়ার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কোন চুম্বক ব্যবহৃত হয়?
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. প্রাকৃতিক চুম্বক
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
• স্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- এন্টেনা, লাউডস্পিকার, টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় স্থায়ী চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

• অস্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়।
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।
- বৈদ্যুতিক কলিং বেল, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৩৬৮.
‘পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে’-এই মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কোপারনিকাস
  2. খ) টলেমী
  3. গ) অ্যারিস্টটল
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
ক) কোপারনিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোপারনিকাস
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘোরে। বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোর্তিবিজ্ঞানী টলেমী জোরালোভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। কোপারনিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। পরবর্তীতে বিজ্ঞানী কেপলার ও গ্যলিলিও, কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি]
৩,৩৬৯.
নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি এক্স-রের ক্ষেত্রে সঠিক?
  1. ভেদন ক্ষমতা কম
  2. জীবন্ত কোষে কোনো প্রভাব ফেলে না
  3. গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
  4. চুম্বকীয় বিকৃতির মাধ্যমে দিক পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-ray): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন। 
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়। 
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার।
যথা- 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 

২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬ । আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭০.
হিগস বোসনের স্পিন কত?
  1. ০ 
  2. ১/২ 
  3. ২ 
  4. ১ 
সঠিক উত্তর:
০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ 
ব্যাখ্যা

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাকে ঈশ্বর কণা (God's Particle) বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭১.
ট্রানজিস্টরে কতটি টার্মিনাল থাকে? 
  1. ২ 
  2. ৩ 
  3. ৪ 
  4. ৫ 
সঠিক উত্তর:
৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে
যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭২.
পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের উৎস কোনটি? 
  1. রেজিস্টর
  2. জেনারেটর
  3. ব্যাটারি
  4. তড়িৎ কোষ
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহ: 
- কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যে দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাই হলো তড়িৎ প্রবাহ। 
- প্রচলিত তড়িৎ প্রবাহের দিক ইলেকট্রনের প্রবাহের বিপরীত দিকে হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার, একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

তড়িৎ প্রবাহের প্রকারভেদ: 
- তড়িৎ প্রবাহ প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
(ক) একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে একমুখী প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে একমুখী প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

খ) পরিবর্তী বা এসি প্রবাহ: 
- যদি সময়ের সাথে তড়িৎ প্রবাহের দিক বারবার পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পরিবর্তী প্রবাহ বলে। যদি দিক পরিবর্তনের মধ্যবর্তী সময় স্থির থাকে তবে এটিকে পর্যাবৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহ বা সাধারনভাবে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ, কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহের দিক পরিবর্তনের হার দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৩৭৩.
যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে, তাদেরকে কী বলে? 
  1. পরিবাহী পদার্থ
  2. অপরিবাহী পদার্থ
  3. কুপরিবাহী পদার্থ
  4. অর্ধপরিবাহী পদার্থ
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী পদার্থ
ব্যাখ্যা
পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই আধান বা তড়িৎ এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 

অর্ধপরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৪.
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রে বলের মান কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে? 
  1. কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
  2. মাধ্যমের ধরন ও তড়িৎ প্রবাহ
  3. কণাদ্বয়ের আয়তন ও তাপমাত্রা
  4. কণাদ্বয়ের আকার ও রঙ
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
ব্যাখ্যা

• নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রে বল নির্ভর করে কণাদ্বয়ের ভর ও তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের ওপর।
সঠিক উত্তর: ক) কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব। 

মহাকর্ষ: 

- লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
- শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: 
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৩৭৫.
হাট বাজারে শব্দের তীব্রতা লেভেল সাধারণত কত ধরা হয়? 
  1. ৭০ ডেসিবল 
  2. ৪০ ডেসিবল 
  3. ৩০ ডেসিবল 
  4. ৫০ ডেসিবল 
সঠিক উত্তর:
৭০ ডেসিবল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ ডেসিবল 
ব্যাখ্যা

- হাট বাজারে শব্দের তীব্রতার স্তর বা শব্দের তীব্রতা লেভেল হচ্ছে ৭০ ডেসিবল। 

শব্দের তীব্রতা: 
- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- শব্দের তীব্রতার মূল একক Wm-2  । 
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্বনিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা যার মান 10-12 Wm-2 কে বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা (threshold of audibility) হিসাবেও ধরা হয়।


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৬.
তাপমাত্রার বৈশিষ্ট্য হলো -
  1. ক) এটি অনুভব করা যায়।
  2. খ) এটি এক ধরনের শক্তি।
  3. গ) উষ্ণতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
  4. ঘ) এটি পরিমাপযোগ্য।
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটি পরিমাপযোগ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এটি পরিমাপযোগ্য।
ব্যাখ্যা
তাপ হলো এক প্রকার শক্তি, যার কারণে কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম হিসাবে অনুভব করা যায়। এটি এক ধরনের শক্তি- কোনো পদার্থ নয়। তাই এটি বল প্রয়োগে কোন বাঁধা প্রদান করে না।
তাপমাত্রা কোনো কিছুর তাপীয় অবস্থাকে প্রকাশ করে৷ তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়।
তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য সেলসিয়াস স্কেল, ফারেনহাইট স্কেল, কেলভিন স্কেল ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের স্কেল রয়েছে।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৩৭৭.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়-
  1. টাংস্টেন তার
  2. নাইক্রোম তার
  3. এন্টিমনি তার
  4. কপার তার
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
ব্যাখ্যা
- নাইক্রোমের তার বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রি সহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে ব্যাবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুন্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৭৮.
একটি তরঙ্গের ক্ষেত্রে যদি মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক পরস্পর লম্ব হয়, তবে সেই তরঙ্গটি কোন ধরনের?
  1. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  4. তাপ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ হলো সেই তরঙ্গ, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিক ও তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক পরস্পর লম্ব।

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ:
- যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
- পানিতে তরঙ্গ সৃষ্টি হলে পানির কণাগুলো উপরে-নিচে ওঠানামা করে, কিন্তু তরঙ্গ সামনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- অনুপ্রস্থ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ ও তরঙ্গ পাদ গঠিত হয়।
- পরপর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ অথবা দুটি তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলা হয়।
- আলো তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ ও পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গের উদাহরণ।

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:
- মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে-নিচে স্পন্দিত হয়।
- কণার স্পন্দনের দিক ও তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক পরস্পর লম্ব।
- তরঙ্গ শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালন করে, কিন্তু কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না।

• অন্যান্য অপশন:
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: যে তরঙ্গে কণার স্পন্দনের দিক ও তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক সমান্তরাল হয়।
- যান্ত্রিক তরঙ্গ: যে তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- তাপ তরঙ্গ: সূর্য থেকে তাপ শক্তি তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়, যা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৩,৩৭৯.
আপেক্ষিক রোধের একক কী?
  1. ক) ওহম মিটার
  2. খ) কুলম্ব
  3. গ) অ্যাম্পিয়ার 
  4. ঘ) গ্যালভানোমিটার 
সঠিক উত্তর:
ক) ওহম মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওহম মিটার
ব্যাখ্যা
একক দৈর্ঘ্য এবং একক প্রস্থচ্ছেদ ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট কোনো একটি পরিবাহী তার প্রস্থচ্ছেদের অভিলম্বভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহে যে পরিমাণ বাধা প্রদান করে তাকে তার আপেক্ষিক রোধ বলে।
আপেক্ষিক রোধের একক (ওহম মিটার)Ωm।

অপরদিকে 
রোধের একক— ওহম।
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক —অ্যাম্পিয়ার 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ,ড. শাহজাহান তপন
৩,৩৮০.
একটি আদর্শ রাইফেলের জন্য, আদর্শ শুটিং পরিস্থিতিতে রাইফেল থেকে নির্গত বুলেটটি সম্ভাব্য কত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে?
  1. 0.8 km
  2. 1.9 km
  3. 3.2 km
  4. 6.9 km
সঠিক উত্তর:
3.2 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.2 km
ব্যাখ্যা
• আদর্শ রাইফেলের বুলেটের সর্বোচ্চ দূরত্ব:
- একটি আদর্শ রাইফেলের বুলেট আদর্শ পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ ৩.২ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। এর কারণসমূহ নিচে দেওয়া হলো:

শুটিং কোণ:
- সাধারণত, ৪৫ ডিগ্রি কোণে শুট করলে বুলেট সবচেয়ে দূর পর্যন্ত যায়। এই কোণ বুলেটকে উঁচুতে উঠতে এবং বেশি দূরত্বে যেতে সহায়তা করে।

প্রাথমিক গতি:
- রাইফেল থেকে বের হওয়ার সময় বুলেটের প্রাথমিক গতি খুবই বেশি থাকে, যা তাকে দূরত্ব অতিক্রম করতে শক্তি যোগায়।

বাতাসের প্রভাব:
- আদর্শ পরিস্থিতিতে বাতাসের গতি ও দিকের প্রভাব কম থাকে। বাতাসের বাধা কম হলে বুলেট সহজেই বেশি দূরত্বে যেতে পারে।

মাধ্যাকর্ষণ শক্তি:
- মাধ্যাকর্ষণ বুলেটকে নিচে টেনে আনে। তবুও প্রাথমিক গতি ও শুটিং কোণ ঠিক থাকলে বুলেট অনেকদূর অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

সূত্র: livescience [লিংক]
৩,৩৮১.
আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ 
  2. ভূমিকর্ষণ
  3. শক্তির সংরক্ষণশীলতা 
  4. মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ
ব্যাখ্যা

- আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব মহাকর্ষের একটি জ্যামিতিক তত্ত্ব, যা স্থান-কালের বক্রতাকে কাজে লাগিয়ে মহাকর্ষ বলকে ব্যাখ্যা করে। এই তত্ত্বের ভিত্তিতে মহাবিশ্বের নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি এবং সম্প্রসারণশীলতার ধারণা ব্যাখ্যা করা যায়। 
অন্যদিকে, 
- শব্দের বিস্তারের জন্য একটি মাধ্যমের প্রয়োজন হয়; শূন্য মাধ্যমে শব্দ চলাচল করতে পারে না। এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের বিষয় নয়।
- শক্তির সংরক্ষণশীলতা পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি, যা আপেক্ষিক তত্ত্বের আবিষ্কারের অনেক আগে থেকেই পরিচিত ছিল। আপেক্ষিক তত্ত্ব এই নীতিকে সমর্থন করে, কিন্তু এটি আপেক্ষিক তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার মতো কোনো নতুন বিষয় নয়। বরং, ভর-শক্তি সমতা (E = mc2) এই দুটি ধারণাকে একত্রিত করে। 

আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন। 
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন। যথা- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা- 
প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮২.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. হাইগেন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৮৩.
একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?
  1. 48.4
  2. 50
  3. 51.6
  4. 55
সঠিক উত্তর:
48.4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48.4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?

সমাধান:
এখানে, বিভব পার্থক্য, V = 220V
ক্ষমতা, P = 1000 W
রোধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
বা, R = V2/P
বা, R = (220 × 220)/1000
বা, R = 48400/1000
∴ R = 48.4 ওহম

৩,৩৮৪.
মানুষের শ্রবণসীমার নিচের শব্দকে কী বলা হয়?
  1. ইনফ্রাসাউন্ড
  2. আলট্রাসাউন্ড
  3. মেগাসাউন্ড
  4. সাবসোনিক
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা

• ইনফ্রাসাউন্ড (Infrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার নিচে থাকে, অর্থাৎ 20 Hz-এর নিচে, সেগুলোকে ইনফ্রাসাউন্ড বলা হয়।
- উদাহরণ: ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির গর্জন, কিছু বৃহৎ প্রাণীর শব্দ।

• আলট্রাসাউন্ড (Ultrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার উপরে থাকে, অর্থাৎ 20 kHz-এর উপরে।
- উদাহরণ: ডেন্টিস্টদের ডেন্টাল ক্লিনিং যন্ত্র, ভয়েসহীন নেভিগেশন বা ডাক্তারি ইমেজিং (সোনোগ্রাফি)।

• মেগাসাউন্ড (Megasound):
- সাধারণত এটি ব্যবহার হয় খুব উচ্চশক্তির শব্দের জন্য যা কোনো বড় শক্তি বা বিস্ফোরণের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৮৫.
এক্স-রশ্মি হচ্ছে-
  1. ক) যান্ত্রিক তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) আড়তরঙ্গ
  4. ঘ) অবলোহিত তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৬.
নিচের কোনটি দিক রাশির উদাহরণ?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. সরণ
  3. দ্রুতি
  4. কাজ
সঠিক উত্তর:
সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৮৭.
নিচের কোনটি অন্তরক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) প্লাস্টিক
  2. খ) রাবার
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কাঠ
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনাে মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলাে হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। মূলত অধাতুগুলাে বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
উদাহরণ: প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলাে হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থ । (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

৩,৩৮৮.
Which semiconductor is used in Transistor?
  1. Manganese
  2. Arsenic
  3. Germanium
  4. Tungsten
সঠিক উত্তর:
Germanium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Germanium
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ১৯৪৮ সালে জে বার্ডিন ও ডব্লিউ এইচ ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রিক সার্কিট বা বর্তনীতে  ট্রানজিস্টর বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- ট্রানজিস্টর দুই ধরনের। যথা- n-p-n এবং p-n-p ।
- ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয় - জার্মেনিয়াম, সিলিকন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩৮৯.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. লাল
  2. সাদা
  3. কালো
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯০.
কোনটির আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে? 
  1. টেলিভিশন
  2. কম্পিউটার
  3. অসিলেটর
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯১.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি 
  2. মন্দন 
  3. বেগ 
  4. সরণ 
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
ব্যাখ্যা

মন্দন:
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে।
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়।
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি ।
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়।

দ্রুতি:
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে।
- এটি একটি স্কেলার রাশি।
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়।

সরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে।
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি।
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে।

বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৯২.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক রশ্মি কিভাবে চলে?
  1. সরাসরি তন্তুর মধ্য দিয়ে 
  2. দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
  3. তন্তুর বাইরের অংশ দিয়ে 
  4. যেকোনো পথে বিচ্ছিন্ন হয়ে 
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাঁচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৩৯৩.
আলফা রশ্মি হলো মূলত -
  1. প্রোটন
  2. আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  3. নিউট্রন
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি মূলত আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস যার ভর 6.6 × 10-27 কেজি। 
- ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2 × 10-19 কুলম্ব। 
- আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12J পর্যন্ত হয়। 
- আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
- আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
- ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৪.
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে, তাকে কী বলে? 
  1. স্টিম বিন্দু 
  2. ত্রৈধ বিন্দু 
  3. নিম্ন স্থির বিন্দু
  4. ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
ব্যাখ্যা

থার্মোমিটার: 
- তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটারের নলে একটি দাগ কাঁটা স্কেল প্রয়োজন হয়। 
- দাগ কাঁটার জন্য দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে নির্দিষ্ট করা হয়। 
- এ দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে থার্মোমিটারের স্থিরাংক (Fixed point) বলে। 
- পারদ থার্মোমিটারের ক্ষেত্রে বরফের গলনাংককে নিম্ন স্থিরাংক (Lower Fixed point) এবং পানির স্ফুটাঙ্ককে ঊর্ধ্ব স্থিরাংক (Upper Fixed point) ধরা হয়। 
- নলের যে দুটি বিন্দুতে নিম্ন স্থিরাংক এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাংক দাগ কাটা হয় তাদের নিম্ন স্থির বিন্দু এবং ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বলে। 

নিম্ন স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে। 

ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ‍, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে। 

ত্রৈধ বিন্দু: 
- 4.58 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৯৫.
৪.২ জুল যান্ত্রিক শক্তি =_____________ তাপ।
  1. ২ ক্যালরি
  2. ১ ক্যালরি
  3. ৪ ক্যালরি
  4. ৩ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৬.
আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) অ্যামিটার
  2. খ) ভোল্টামিটার
  3. গ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তু তড়িৎগ্রস্থ কিনা তা যাচাই করা যায় এবং তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
অ্যামিটার হলো একটি যন্ত্র যার সহায়তায় বিদ্যুতের প্রবাহ সরাসরি বৈদ্যুতিক একক অ্যাম্পিয়ারে পরিমাপ করা যায়।

যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

দূরবীক্ষণ যন্ত্র তথা দূরবীন (টেলিস্কোপ) এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু দর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি দূরবর্তী বস্তু থেকে নির্গত বিকিরণ সংগ্রহ, পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

৩,৩৯৭.
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে কোনটি ঘটে? 
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপ কমে যায় 
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ বন্ধ হয় 
  3. সৌরশক্তি বৃদ্ধি পায় 
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর এবং পরিবেশের উপর তার প্রভাব: 
- শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। 
- এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলো পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয়, তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় যেটি একটি গ্রিন হাউস গ্যাস। 
অর্থাৎ, এই গ্রিন হাউস গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত। 
- বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে, সে কারণে পৃথিবীর যেসব দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে এবং কৃষিজমি লবণাক্ত হয়ে পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে, তার মাঝে বাংলাদেশ একটি। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব দেশ মিলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করছে। 

- নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ হয় না, কিন্তু নিউক্লিয়ার বর্জ্য অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় এবং এদের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিরাপদ মাত্রায় পৌঁছানোর জন্য লক্ষ লক্ষ বছর সংরক্ষণ করতে হয় যেটি পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। 
- আধুনিক প্রযুক্তির কারণে নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্র অনেক নিরাপদ হলেও মাঝে মাঝে মানুষের ভুল কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে বড় দুর্ঘটনা ঘটে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে। 
যেমন- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল এবং জাপানের ফুকুশিমার দুর্ঘটনা। 
- তুলনামূলকভাবে পরিবেশের উপর নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষতিকর প্রভাব কম, তবে জলবিদ্যুতের জন্য যখন নদীতে বাঁধ দেওয়া হয় তখন একদিকে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পরিবেশের ক্ষতি হয়, অন্যদিকে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে বাঁধের পরবর্তী এলাকায় তীব্র খরার সৃষ্টি হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৯৮.
বর্তনীতে কত প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বর্তনীতে প্রধানত দুই প্রকার রোধ বা রোধক ব্যবহার করা হয়।

• রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

• রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৯৯.
প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম 10 টাকা হলে 10টি 100 ওয়াট বাল্ব 3 ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখলে কত টাকা বিল পরিশোধ করতে হবে?
  1. ক) 300 টাকা
  2. খ) 100 টাকা
  3. গ) 30 টাকা
  4. ঘ) 3 টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
ব্যাখ্যা
• ১ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ ওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
• ১ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ১ ইউনিট বলা হয়।
• ১ ইউনিট = ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা। 

১০ টি ১০০ ওয়াট বাল্ব ৩ ঘন্টা জ্বললে বিদ্যুৎ খরচ হয় (১০ × ১০০ × ৩) = ৩০০০ ওয়াট বা ৩ কিলোওয়াট-ঘন্টা

সুতরাং, বিল পরিশোধ করতে হবে ৩ × ১০ = ৩০ টাকা
৩,৪০০.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. সবুজ
  2. লাল
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।