বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩,৭৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা ৩৩ / ৩৮ · ৩,২০১৩,৩০০ / ৩,৭৪৭

৩,২০১.
কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে-
  1. সালফার
  2. কার্বন
  3. আর্গন
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক জ্বালানির উৎস:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক জ্বালানির মধ্যে অন্যতম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং পেট্রোলিয়াম। 
- এছাড়া রান্নার কাজে ব্যবহৃত কাঠের খড়ি, গাছের পাতা, পাটকাঠি, ধানের গুঁড়া এবং খড় বা গোবর দিয়ে তৈরি লাকড়ি, এগুলোকেও প্রাকৃতিক জ্বালানি হিসেবে গণ্য করা যায়।
 
• কয়লা:
কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (02) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে।
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তী সময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।
- কয়লা তিন রকমের হয়। যেমন: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,২০২.
লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) উৎপন্ন হয়:
  1. কক্ষ তাপমাত্রায় চাপ বাড়িয়ে
  2. প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
  3. প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে মিশিয়ে
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
ব্যাখ্যা

• লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা এলএনজি উৎপন্ন হয় প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করার মাধ্যমে, যা (খ) অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করা হলে তা তরল অবস্থায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্যাসের আয়তন প্রায় ৬০০ গুণ কমে যায়, ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেক সহজ হয়। কক্ষ তাপমাত্রায় শুধু চাপ বাড়িয়ে এলএনজি তৈরি করা যায় না। একইভাবে পানির সাথে মেশানো বা গ্যাস জ্বালিয়ে এলএনজি উৎপন্ন করা অসম্ভব। তাই সঠিক উত্তর হলো অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা।
 
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২০৩.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ-
  1. বাড়ে
  2. কমে
  3. স্থির থাকে
  4. শূন্য হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বাড়ে-
১. শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মকালে শব্দের বেগ বেশি
২. রাতের বেলার চেয়ে দিনের বেলায় শব্দের বেগ বেশি
বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে গেলে বাতাসের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়-
১. এক পশলা বৃষ্টির পর বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে যায়, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়। এই কারণে বর্ষাকালে জোরে শব্দ শোনা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২০৪.
দিক নির্ণায়ক কম্পাসে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্থায়ী চুম্বক
  2. খ) বৈদ্যুতিক চুম্বক
  3. গ) অস্থায়ী চুম্বক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা

যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহারঃ
চৌম্বক কম্পাস বা দিকদর্শন যন্ত্র: সমুদ্রে জাহাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য চৌম্বক কম্পাস বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি নৌবাহবিজ্ঞানের (Navigation) অন্তর্ভূক্ত একটি যন্ত্র।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,২০৫.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে কোন তত্তের মধ্য দিয়ে?
  1. আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব
  3. প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. ব্ল্যাকহোল তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্তের মাধ্যমে।

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। যা পদার্থের শক্তি এবং রশ্মির কোয়ান্টাইজেশনের ধারণা নিয়ে আসে। 
- এটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়।
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।

উৎস:
১.পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,
২. ব্রিটানিকা।

৩,২০৬.
তেজস্ক্রিয়তা প্রথম আবিষ্কার করেন কে? 
  1. মার্কো পলো 
  2. হেনরী বেকেরেল 
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন 
  4. আইজ্যাক নিউটন 
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়। 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ)নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২০৭.
ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
  2. বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  3. পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
  4. পাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহের স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বায়ুর আর্দ্রতার উপর নির্ভর করে। 
- হাঁটা-চলা, কাজে কর্মে বা পরিশ্রান্ত হলে বা শরীরের ভেতরের গরমের কারণে দেহে ঘামের সৃষ্টি হয়। 
- ঘাম মূলত শরীরের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা জলকণা। 
- দেহের সংস্পর্শে আসা বাতাস ও দেহ থেকে সুপ্ত তাপ গ্রহণ করে এই জলকণা বাষ্পায়িত হয় ফলে আমাদের দেহ বা শরীর ঠান্ডা বা শীতলতা অনুভব করে ফলে আমরা আরাম বা স্বচ্ছন্দ বোধ করি। 
- কিন্তু গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় বাষ্পায়ন খুব কম হয় বা হয় না বললেই চলে ফলে দেহের ঘাম শুকায় না এবং দেহে অস্বস্তি বোধ হয় বা আমরা স্বচ্ছন্দ বোধ করি না। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৮.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো -
  1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
  2. লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ
  3. লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
  4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
ব্যাখ্যা
- শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো: লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ-লাল।
- ট্রাফিক সিগন্যালে লাল মানে থামতে হবে।
- হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে নিতে হবে যাত্রার প্রস্তুতি। অর্থাৎ আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পরই যাত্রা শুরু নির্দেশক হলুদ আলো।
- আর সবুজ বাতি জ্বলে উঠলেই এগিয়ে যেতে হবে।
- চলন্ত অবস্থায় হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে গতি কমিয়ে থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।
- লালবাতি জ্বলে উঠলে থামতে হবে।

উৎস: সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
৩,২০৯.
তাপমাত্রার এস আই একক কোনটি?
  1. ক) সেলসিয়াস
  2. খ) রোমার
  3. গ) কেলভিন
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
ব্যাখ্যা
সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস, কেলভিন, রোমার, ফারেনহাইট ইত্যাদি তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন একক হলেও তাপমাত্রার এস আই একক হল কেলভিন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২১০.
একটি Transistor এ Input voltage 10v ও Collector current 2mA হলে Input impedance কত?
  1. 20kΩ
  2. 0.2kΩ
  3. 10kΩ
  4. 5kΩ
সঠিক উত্তর:
5kΩ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5kΩ
ব্যাখ্যা
Input impedance = 10/(2 × 10- 3)
= 5 × 1000
= 5kΩ
৩,২১১.
দূরত্ব বাড়লে বৈদ্যুতিক তারে শক্তি অপচয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী?
  1. তারের রোধ বৃদ্ধি
  2. চৌম্বক ফ্লাক্স হ্রাস
  3. ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন
  4. ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হওয়া
সঠিক উত্তর:
তারের রোধ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারের রোধ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• দূরত্ব বাড়লে বৈদ্যুতিক তারে শক্তি অপচয়ের প্রধান কারণ হলো তারের রোধ বৃদ্ধি।

• বিদ্যুৎ পরিবহন:
- বৈদ্যুতিক তারের নিজস্ব রোধ থাকে।
- রোধের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।
- বিদ্যুতের একটি অংশ তাপে অপচয় হয়।
- দূরত্ব যত বেশি, তারের দৈর্ঘ্য তত বেশি।
- দৈর্ঘ্য বাড়লে রোধও বৃদ্ধি পায়।
- ফলে শক্তি অপচয় বৃদ্ধি পায়।

• ভোল্টেজ বৃদ্ধি করার প্রয়োজন:
- শক্তি অপচয় কমানোর জন্য ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।
- ভোল্টেজ বাড়ালে কারেন্ট কমে।
- কারেন্ট কম হলে I²R লস কম হয়।
- তাই দূরবর্তী সঞ্চালনে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারের কাজ:
- ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে।
- কারেন্ট হ্রাস করে।
- লাইন লস কমায়।
- দূরত্বে বিদ্যুৎ পরিবহন সহজ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- চৌম্বক ফ্লাক্স হ্রাস → এটি সঞ্চালন লাইনের প্রধান অপচয়ের কারণ নয়।
- ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন → বিদ্যুৎ পরিবহনে সাধারণত ফ্রিকোয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে।
- ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হওয়া → বাস্তবে সঞ্চালন লাইনে ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হয় না।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।

৩,২১২.
শব্দ বিস্তারের জন্য-
  1. ক) কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না
  2. খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
  3. গ) বায়বীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• শব্দ তরঙ্গ:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক।
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে, বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
৩,২১৩.
সৌর জগতের গ্রহগুলোর গতি সংক্রান্ত সূত্র কে প্রদান করেন? 
  1. নিউটন
  2. কেপলার
  3. গ্যালিলিও
  4. কোপারনিকাস
সঠিক উত্তর:
কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেপলার
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র: 
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন। 
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন। 
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে। 
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে। 
- জন কেপলার সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত তিনটি সূত্র উপস্থাপন করেন, তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। 
দ্বিতীয় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্ৰ সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। 
তৃতীয় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২১৪.
গ্যাসের পরমশূন্য তাপমাত্রা নির্ভর করে- 
  1. বাহ্যিক বলের উপর
  2. গ্যাসের ভর ও ঘনত্বের উপর
  3. গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C । 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৩,২১৫.
একটি জাহাজ সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করলে জাহাজের তল-
  1. ক) আরও ডুববে
  2. খ) ভাসবে
  3. গ) একই থাকবে
  4. ঘ) ভাসা ডোবা নির্ভর করবে জাহাজটির তৈরীর সরঞ্জামের উপর
সঠিক উত্তর:
ক) আরও ডুববে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আরও ডুববে
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানির তুলনায় বেশি। অর্থাৎ সমুদ্রের পানির ওজন নদীর পানির তুলনায় বেশি। 
আর্কিমিডিসের নীতি অনুসারে আমরা জানি, জাহাজ পানিতে ভেসে থাকার জন্য তার ওজনের সমপরিমাণ পানি অপসারিত হয়। 
সুতরাং, জাহাজ সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করলে বেশি পরিমাণ পানি অপসারণ করবে। 
অর্থাৎ, নদীতে প্রবেশ করলে জাহাজের তল বেশি ডুববে। 
৩,২১৬.
কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে?
  1. কাঁচ
  2. সিলিকন
  3. প্লাস্টিক
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২১৭.
শব্দের প্রতিধ্বনি সৃষ্টি হওয়ার কারণ কী?
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. শোষণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
- কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যখন দূরবর্তী কোনো মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- অর্থাৎ, প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় প্রতিধ্বনি।
- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব ন্যূনতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
[- বায়ুতে শব্দের গতিবেগ সেকেন্ডে 1120 ফুট বা 332 মিটার হলে 1/10 সেকেন্ডে শব্দ 112 ফুট বা 33.2 মিটার পথ অতিক্রম করে।
- উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দটি প্রতিফলিত হয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে, সুতরাং কোন শব্দের প্রতিধ্বনি স্পষ্ট করে শুনতে হলে প্রতিফলক এবং উৎসের দূরত্ব কমপক্ষে 112/2 = 56 ফুট বা 33.2/2 = 16.6 মিটার হওয়া দরকার।]
- শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়।
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে।
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২১৮.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  2. খ) তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ হ্রাস পায়।
  3. গ) মাধ্যমের ঘনত্ব হ্রাস পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা

পরীক্ষা করে দেখা গেছে আলাের দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3x108 ms-1 নির্দিষ্ট। কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1

তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
 
মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1, পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং লােহার মধ্যে 5220 ms-1 |

বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,২১৯.
ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
  2. খ) কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগরের কিরিবাতি দ্বীপে
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপে
সঠিক উত্তর:
ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের পারিবারিক চিকিৎসক ড. গিলবার্ট বিভিন্ন পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে পৃথিবী একটি চুম্বক।
এই ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে এবং উত্তর মেরু এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রকৃতপক্ষে ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু ভৌগলিক উত্তর মেরু থেকে প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু ভৌগলিক দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ২২০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,২২০.
পারমাণবিক বোমার তুলনায় হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা কত গুণ?
  1. 1000
  2. 100
  3. 10
  4. 5
সঠিক উত্তর:
1000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক বোমা (অ্যাটম বোমা) ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে, যেখানে হাইড্রোজেন বোমা (থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা) ফিউশন প্রক্রিয়ায় কাজ করে। ফিউশনে হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা ফিশনের তুলনায় অনেক বেশি। ইতিহাসে দেখা যায়, হিরোশিমায় ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার শক্তি ছিল প্রায় ১৫ কিলোটন, আর হাইড্রোজেন বোমার শক্তি কয়েক মেগাটন পর্যন্ত হতে পারে। তাই সাধারণভাবে বলা হয়, হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা পারমাণবিক বোমার তুলনায় প্রায় ১০০০ গুণ বেশি। সঠিক উত্তর: ক) 1000.

• হাইড্রোজেন বোমা:
- হাইড্রোজেন বোমায় মূলত পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে।  
- এখানে ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি ফিউশন বিক্রিয়া থেকে আসলেও, সেই বিক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রথমে একটি ফিশন বিক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- প্রথমে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- সেই শক্তি দিয়ে হাইড্রোজেন আইসোটোপ (ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম)-এর ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয়।  
- এই ফিউশন বিক্রিয়ায় অতি অল্প সময়ে বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমা কে বলা হয় থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা।  
- এটি সাধারণ পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী।  

• নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া: 
- যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুর বা আয়নের সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। নিউক্লিয়াসের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে, এখানে ইলেকট্রনের কোনো ভূমিকা নেই। 
- এ বিক্রিয়ার ফলে নতুন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। 
- যে বিক্রিয়ার ফলে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে বড় মৌলের নিউক্লিয়াস অথবা কোনো বড় মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে একাধিক ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস তৈরি হয় সেই বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- বিভিন্ন রকমের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া আছে; তবে এদের মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ও নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া অন্যতম। 
 
• নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন (Fusion) বিক্রিয়া বলে। 
নিচে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার উদাহরণ দেওয়া হলো-

• নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়ার সাথে নিউট্রন আর প্রচুর (Fission) পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে কে আঘাত করলে নিউক্লিয়াসটি প্রায় দুইটি সমান অংশে বিভক্ত হয়ে এর নিউক্লিয়াস ও তিনটি নিউট্রন ও তার সাথে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি একটি নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া। 

- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
 ব্রিটানিকা [link]

৩,২২১.
নিচের কোনটি রোধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ক) ইলেকট্রন উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবে প্রবাহিত হয়।
  2. খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
  3. গ) ইলেকট্রন উচ্চ বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
  4. ঘ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে নিন্ম বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
রোধের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 

- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহীর ধর্ম।
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাই হলো রোধ।
- রোধের এসআই (SI) একক ও’ম (Ω)। একে ওমেগাও বলা হয়, এটি একটি গ্রিক চিহ্ন।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য।
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়।
- পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,২২২.
এক্স-রের কোন ধর্মটি সঠিক?
  1. এতে চার্জ থাকে 
  2. এটির ভেদন ক্ষমতা খুবই কম 
  3. এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
  4. এটি দৃশ্যমান আলো 
সঠিক উত্তর:
এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-Rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (X-Rays) আবিষ্কার করেন। 
- প্রফেসর রঞ্জন একে "X-Rays" নামে অভিহিত করেন। পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের (Target) সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এক্স-রের কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২২৩.
শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা তার বিস্তারের-
  1. সমানুপাতিক
  2. বর্গের সমানুপাতিক
  3. ঘনের সমানুপাতিক
  4. বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, তা প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
যেমন- ইলেকট্রনিক স্পিকারে যে পাতলা ডায়াফ্রাম রয়েছে সেটিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাঁপিয়ে শব্দ তৈরি করা হয়। স্কুলের ঘণ্টার মাঝে আঘাত করলে সেটি কাঁপতে শুরু করে শব্দ তৈরি করে, এবং তখন হাত দিয়ে সেটাকে চেপে ধরে কম্পন বন্ধ করে ফেললে সাথে সাথে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়। গিটারের তারে টোকা দিলে সেটি কাঁপতে থাকে এবং শব্দ তৈরি করে। ল্যাবরেটরিতে সুর শলাকা দিয়ে নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করা যায়। 
- শব্দের কম্পাঙ্ক যদি 20 Hz থেকে 20,000 Hz (অর্থাৎ 20 kHz) এর মাঝখানে থাকে তাহলে সেই শব্দ শোনা যায়। 
(তবে কানে হেডফোন লাগিয়ে অবিরত গান শুনে কিংবা প্রচণ্ড শব্দদূষণে থাকলে অনেক সময় শোনার ক্ষমতা কমে যায়।) 
- শব্দের কম্পাঙ্ক 20 Hz থেকে কম হলে সেটাকে শব্দেতর বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে এবং 20 kHz থেকে বেশি হলে সেটাকে শব্দোত্তর বা আলট্রাসাউন্ড বলে। 
- 20 Hz থেকে কম কিংবা 20 kHz থেকে বেশি কম্পাঙ্ক তৈরি করা হলে সেটি বাতাসে যে আলোড়ন সৃষ্টি করে তা শুনতে পাওয়া যায় না। এ ধরনের শব্দের অস্তিত্ব বুঝতে হলে বিশেষ ধরনের মাইক্রোফোন বা রিসিভার ব্যবহার করতে হবে। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২২৪.
যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে বলে -
  1. তাপীয় সমতা
  2. ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু
  3. নিম্ন স্থির বিন্দু
  4. মধ্য স্থির বিন্দু
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
ব্যাখ্যা
নিম্ন স্থির বিন্দু:
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে।

ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু:
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে 

তাপীয় সমতা:
যে অবস্থায় তাপীয়ভাবে সংযুক্ত বস্তুগুলোর মধ্যে তাপের আদান-প্রদান ঘটে না, তাকে তাপীয় সমতা বলে।

থার্মোমিটার:
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়, তাকে থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র বলে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২২৫.
আইনস্টাইন নােবেল পুরস্কার পান-
  1. ক) আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
  2. খ) মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
  3. গ) কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
  4. ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা

কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে। ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,২২৬.
নিচের কোন জোড়াটি সঠিক? 
  1. দ্রুতি — ভেক্টর রাশি
  2. সরণ — স্কেলার রাশি
  3. সময় — ভেক্টর রাশি
  4. বেগ — ভেক্টর রাশি
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
ব্যাখ্যা

• বেগ — ভেক্টর রাশি; বেগের মান ও দিক উভয়ই থাকে।

• ভৌত রাশি:

- বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানার জন্য বিভিন্ন রাশি পরিমাপ করতে হয়। যেমন—দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, উচ্চতা, সরণ, বেগ ইত্যাদি।
- এই প্রতিটি পরিমেয় বিষয়কে একটি করে রাশি বলা হয় এবং এগুলোকে ভৌত রাশি বলা হয়।

- পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্গত সকল ভৌত রাশিকে একইভাবে প্রকাশ করা যায় না।

- কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে শুধুমাত্র মান প্রয়োজন হয়।
- আবার কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়ই প্রয়োজন হয়।

- এই বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো—

ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity),
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity).
 
• স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, সেগুলোকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- দৈর্ঘ্য,
- ভর,
- সময়,
- তাপমাত্রা।
 
• ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, সেগুলোকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- সরণ,
- বেগ,
- ত্বরণ,
- বল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২২৭.
পদার্থবিজ্ঞানে সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রথম কে প্রদান করেন?
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. নিকোলাস কোপারনিকাস
  3. জোহানেস কেপলার
  4. আইজ্যাক নিউটন
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপারনিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপারনিকাস
ব্যাখ্যা

• নিকোলাস কোপারনিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করে পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন।

• পদার্থবিজ্ঞান:
বিশ্ব প্রকৃতিতে যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে পদার্থ বলে।
পদার্থ ও শক্তির প্রকৃতি এবং এদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে পদার্থবিজ্ঞান বলে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বস্তু ও শক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং ফলাফল পরিমাপগতভাবে প্রকাশ করাই পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য।

• পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর:
- বিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হলো পদার্থবিজ্ঞান।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশলশাস্ত্র, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান প্রভৃতি শাখায় পদার্থবিজ্ঞানের নীতি ব্যবহৃত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানকে বলবিজ্ঞান, তাপবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান, চুম্বকত্ববিজ্ঞান, তড়িৎবিজ্ঞান, কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ:
- থেলিস সূর্যগ্রহণ ও জ্যামিতি বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন।
- পিথাগোরাস জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সূত্র প্রবর্তন করেন।
- ডেমোক্রিটাস পদার্থের অবিভাজ্য একক পরমাণু ধারণা প্রদান করেন।
- আর্কিমিডিস ভাসমানতার নীতি ও জ্যামিতিতে অবদান রাখেন।
- জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়নে অবদান রাখেন।
- আল-খোয়ারিজমি গণিতে গবেষণা করেন এবং Algebra শব্দটির উৎপত্তি তাঁর গ্রন্থ থেকে।
- ইবনে আল-হাইয়াম আলোকবিজ্ঞানে অবদান রাখেন।
- আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- রজার বেকন পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধারণা প্রদান করেন।
- নিকোলাস কোপারনিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করেন।
- জোহানেস কেপলার গ্রহের গতিসূত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও গ্যালিলি পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র, ক্যালকুলাসের নীতি ও আলোর কণাতত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেন।
- ওয়েরস্টেড, ফ্যারাডে, লেঞ্জ তড়িৎচুম্বকত্বে অবদান রাখেন।
- ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব প্রদান করেন।
- মার্কনি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- বেকেরেল ও মেরি কুরি তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ে অবদান রাখেন।
- জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং ভর-শক্তি সমীকরণ E=mc² প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ড নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন।
- নীলস বোর পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন।
- অটো হান নিউক্লিয় বিভাজন প্রমাণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব প্রদান করেন।

• অন্যান্য অপশন :
- গ্যালিলিও গ্যালিলি পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক হিসেবে পরিচিত।
- জোহানেস কেপলার গ্রহের গতিসূত্র প্রদান করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র ও ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন।

৩,২২৮.
রিখটার স্কেল দ্বারা কি পরিমান করা হয়?
  1. ক) ভূ - আলোড়নের সংখ্যা
  2. খ) কম্পন সংখ্যা
  3. গ) ভূ - কম্পন শক্তি
  4. ঘ) ক্ষয় - ক্ষতির মাত্রা
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ - কম্পন শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ - কম্পন শক্তি
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম রিখটার স্কেল।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,২২৯.
সরু চোঙের ব্যাসার্ধ নির্ণয়ে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. মিটার স্কেল
  2. স্ক্রু গজ
  3. তুলা যন্ত্র
  4. স্লাইড ক্যালিপার্স
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
ব্যাখ্যা
স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়। 
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়। 
স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩০.
'প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে' - নিউটনের কোন সূত্রকে সমর্থন করে?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
উদাহরণ:
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৩১.
এক কিলোওয়াট - ঘন্টা সমান কত?
  1. ৬.৩ মেগা জুল
  2. ৩.৬ মেগা জুল
  3. ৩.৫ মেগা জুল
  4. ১ মেগা জুল
সঠিক উত্তর:
৩.৬ মেগা জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৬ মেগা জুল
ব্যাখ্যা
কিলোওয়াট-ঘন্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
∴ ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ঘণ্টা। 

- আবার, অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
∴ ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
∴ ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ৩,৬০,০০০০ জুল = ৩.৬ মেগা জুল। 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 

- আন্তর্জাতিকভাবে তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়। 
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা এই এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৩২.
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী (Knee) ভোন্টেজ হলো-
  1. 0.4 V
  2. 0.5 V
  3. 0.6 V
  4. 0.7 V
সঠিক উত্তর:
0.7 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.7 V
ব্যাখ্যা
জাংশান ডায়োড:
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশান বা জাংশান ডায়োড বলে।
- দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে।

• সম্মুখী ঝোঁক: যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যার ফলে এটি বিভব প্রাচীরকে হ্রাস করে বা নিষ্ক্রিয় করে তড়িৎপ্রবাহ চালু করে তখন একে সম্মুখী ঝোঁক বলা হয় ।
• বিমুখী ঝোঁক: যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে বিভব প্রাচীর-এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তখন একে বিমুখী ঝোঁক বলা হয়।

নী ভোল্টেজ:
- প্রযুক্ত ভোল্টেজের মান একটি নির্দিষ্ট মান অতিক্রম করার পর তড়িৎ প্রবাহ দ্র“ত সূচকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ডায়োডের এই নির্দিষ্ট ভোল্টেজকে প্রারম্ভিক বা সূচন ভোল্টেজ (Threshold Voltage) বা নী ভোল্টেজ বলে।
- সিলিকন ডায়োডের জন্য এই ভোল্টেজের মান 0.7V.
- জার্মেনিয়াম এর ক্ষেত্রে এই মান 0.3V.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৩.
টেলিভিশন কে আবিষ্কার করেন? 
  1. জন লজি বেয়ার্ড
  2. জি. মার্কনী
  3. জেমস হ্যারিসন
  4. আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল
সঠিক উত্তর:
জন লজি বেয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন লজি বেয়ার্ড
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 
- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত। 
- এ ছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৩৪.
লোহার গ্যালভানাইজিং বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) লোহার উপর সীসার প্রলেপ দেয়া
  2. খ) লোহার ওপর কপারের প্রলেপ দেয়া
  3. গ) লোহাকে ইস্পাতে পরিণত করে তার ওপর কালো রঙের প্রলেপ দেয়া
  4. ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানাইজিং:
- লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়।
- ঘরের টিনে সহজে মরিচা পড়তে পারে না। গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরকার খাবার নষ্ট হয় না।
- এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেয়াকেই গ্যালভানাইজিং বলে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৫.
আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?
  1. শূন্য
  2. অসীম
  3. তুল্যরোধের সমান
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসীম
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের (Ideal Current Source) প্রতিরোধ অসীম (infinite) হয়।

একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্স সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ কারেন্ট সরবরাহ করে, যেটি লোড বা ভোল্টেজের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য সোর্সের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম হতে হবে, যাতে কোনো ভোল্টেজ পরিবর্তন হলেও কারেন্ট অপরিবর্তিত থাকে।
যদি রোধ শূন্য (zero) হতো, তাহলে ওহমের সূত্র (V = IR) অনুযায়ী, সামান্য ভোল্টেজ পরিবর্তনেও বিশাল কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারত, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।
তাই, একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের রোধ অসীম হতে হয়, যাতে এটি যেকোনো লোডের জন্য নির্দিষ্ট কারেন্ট সরবরাহ করতে পারে।

Source:
"Fundamentals of Electric Circuits" – Charles K. Alexander & Matthew N. O. Sadiku.
2. "Basic Engineering Circuit Analysis" – J. David Irwin & R. Mark Nelms.
৩,২৩৬.
সুপ্ত তাপের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. পদার্থের আকার পরিবর্তনের সময় তাপ উৎপন্ন হয়
  2. পদার্থের ভরের কারণে তাপ বৃদ্ধি পায়
  3. পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
  4. পদার্থের কঠোরতা বৃদ্ধির কারণে তাপ থাকে
সঠিক উত্তর:
পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
ব্যাখ্যা

- সুপ্ত তাপ হলো সেই তাপ যা কোনো পদার্থকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় (যেমন গলন, বাষ্পীভবন) রূপান্তর করতে লাগে, কিন্তু পদার্থের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয় না।
- সুপ্ত তাপ সরাসরি আণবিক শক্তি এবং অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য নয়।
- এটি আণবিক স্তরে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উদাহরণ: 
- বরফ গলে পানি হতে গেলে বা পানি বাষ্পে রূপান্তর হলে। 
- বরফের তাপমাত্রা ০°C এ স্থির থাকলেও, বরফ গলতে তাপ শোষিত হয়।
- এই তাপকে বলা হয় গলন সুপ্ত তাপ। 

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, Britannica 

৩,২৩৭.
ভরবেগ কোন ধরনের রাশি?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ভেক্টর রাশি
  3. মাত্রাহীন রাশি
  4. ধ্রুব রাশি
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি
ব্যাখ্যা

• ভেক্টর রাশি — ভরবেগের মানের পাশাপাশি দিকও থাকে, তাই এটি ভেক্টর রাশি।

• ভরবেগ:
- ভরবেগ = বস্তুর ভর × বেগ।
- গাণিতিকভাবে, p = mv.
- এখানে p → ভরবেগ, m → ভর, v → বেগ।
- SI একক → kg·m/s.

• ভরবেগের প্রকৃতি:
- ভরবেগের মান ও দিক উভয়ই আছে।
- বেগের দিক পরিবর্তিত হলে ভরবেগের দিকও পরিবর্তিত হয়।
- তাই ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি।

• অন্যান্য অপশন:
- স্কেলার রাশি → যার শুধু মান আছে, দিক নেই।
- মাত্রাহীন রাশি → যার কোনো একক বা মাত্রা নেই।
- ধ্রুব রাশি → যার মান অপরিবর্তিত থাকে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৩,২৩৮.
ডায়োড সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
  2. এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
  3. একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস।
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ডায়োড:
- ডায়োড হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা একটি নির্দিষ্ট সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে সক্ষম, তবে উল্টো সংযোগে প্রবাহিত হয় না।
- ডায়োডের বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। সাধারণ ডায়োডের পাশাপাশি, বিভিন্ন রঙের ছোট আলো যেমন Light Emitting Diode (LED) ব্যবহার করা হয়।
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী এবং একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী মিলিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- 'ডায়োড' মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে, যা এসি (Alternating Current) প্রবাহকে ডিসি (Direct Current) প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৩৯.
কোন কারণে শরীরের কিছু টিস্যু এক্স-রে ইমেজিং-এ অন্ধকার দেখায়?
  1. এক্স-রের বেশিরভাগ অংশ শোষণের জন্য।
  2. এক্স-রে প্রতিফলনের জন্য।
  3. এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা
• এক্স-রের তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে টিস্যুর উজ্জ্বলতা ও অন্ধকার অবস্থা নির্ধারিত হয়।
- X-ray attenuation হচ্ছে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস। 
- X-ray attenuation হচ্ছে কোন বস্তুর মধ্য দিয়ে এক্স-রে নির্গত হওয়ার সময় এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস হওয়াকে বুঝায়।
- শরীরের নরম টিস্যু (যেমন রক্ত, ত্বক, চর্বি এবং পেশী) বেশিরভাগ এক্স-রেকে অতিক্রম করতে দেয় এবং ফিল্ম বা ডিজিটাল মিডিয়াতে গাঢ় ধূসর দেখায়।
- একটি হাড় বা একটি টিউমার, যা নরম টিস্যুর চেয়ে বেশি ঘন, কিছু এক্স-রে হাড় বা টিউমারের মধ্য দিয়ে যেতে দেয় এবং এক্স-রেতে সাদা দেখায়।

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় ।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারণত ২ ধরনের হয়।
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
৩,২৪০.
রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কোনটি বেশি কার্যকর?
  1. খোলা পাত্রে রান্না
  2. বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার
  3. দীর্ঘ সময় রান্না করা
  4. প্রেসার কুকার ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
প্রেসার কুকার ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেসার কুকার ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য প্রেসার কুকার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর।

• বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধের ধারণা:
- বিদ্যুৎ একটি সীমিত সম্পদ, তাই এর কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে রান্নার কাজে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হলে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

• রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়:
- প্রেসার কুকার ব্যবহার করলে রান্নার সময় কম লাগে।
- কম সময়ে রান্না সম্পন্ন হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ হ্রাস পায়।
- তাপ অপচয় কম হয়, ফলে শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

• বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের গুরুত্ব:
- বিদ্যুৎ বিল কমে।
- জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংকট কমাতে সহায়তা করে।
- পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- খোলা পাত্রে রান্না: এতে তাপ অপচয় বেশি হয় এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
- বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার: এতে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়।
- দীর্ঘ সময় রান্না করা: এতে বিদ্যুৎ অপচয় বৃদ্ধি পায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

৩,২৪১.
10 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর ওপর 10s ব্যাপী 10 N বল প্রয়োগ করা হয়েছে। বস্তুটির গতিশক্তি কত?
  1. 50 J
  2. 500 J
  3. 1000 J
  4. 1500 J
সঠিক উত্তর:
500 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
500 J
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 10 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর ওপর 10s ব্যাপী 10 N বল প্রয়োগ করা হয়েছে। বস্তুটির গতিশক্তি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, ভর, m = 10 kg
বল, F = 10 N সময়, t = 10 s
প্রাথমিক বেগ, u = 0 (বস্তুটি স্থির)

আমরা জানি,
F = ma
⇒ a = F/m = 10/10
= 1 m/s2

এখন, v = u + at সূত্র ব্যবহার করে,
v = 0 + 1 × 10 = 10 m/s

গতিশক্তি, Ek = (1/2)mv2
⇒ Ek = (1/2) × 10 × (10)2
⇒ Ek = 5 × 100
⇒ Ek = 500 J

∴ বস্তুটির গতিশক্তি = 500 J

৩,২৪২.
নিচের দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোনটির আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম?
  1. লাল
  2. নীল
  3. হলুদ
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪৩.
P-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. Aluminum
  2. Phosphorus
  3. Bromine
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Aluminum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aluminum
ব্যাখ্যা
• P-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য ডোপিং উপাদান হিসেবে Aluminum ব্যবহার করা হয়। জার্মেনিয়াম একটি অর্ধপরিবাহী উপাদান, যা ডোপিংয়ের মাধ্যমে তার পরিবাহিতা বাড়ানো যায়। P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে এমন উপাদান প্রয়োজন যা জার্মেনিয়ামের চেয়ে একটি কম শক্তিবাহু ইলেকট্রন সরবরাহ করে। Aluminum একটি ট্রাইভ্যালেন্ট উপাদান, অর্থাৎ এর বাইরের স্তরে তিনটি ইলেকট্রন থাকে। এটি জার্মেনিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে ইলেকট্রনের ঘাটতি বা ‘হোল’ সৃষ্টি করে, যা পজিটিভ চার্জ বহনকারী হিসাবে কাজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর: ক) Aluminum.

• ডোপিং (Doping):

- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি।

• P- টাইপ অর্ধপরিবাহী:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে।

- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪৪.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি হতে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে কত তাপের প্রয়োজন?
  1. ১০ ক্যালরি
  2. ২ ক্যালরি
  3. ৩ ক্যালরি
  4. ৪ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে 1 ক্যালরি (Cal) বলে। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
∴ এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে ৪.২ জুল তাপের প্রয়োজন হয়। 
আবার, এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১০ (২০ ডিগ্রি হতে ৩০ ডিগ্রি) ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে ১০ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৪৫.
শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র অনুযায়ী কোন তথ্যটি সঠিক নয়? 
  1. শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় 
  2. শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
  3. শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
  4. শক্তির রূপান্তরে মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হয় না 
সঠিক উত্তর:
শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
ব্যাখ্যা

শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র: 
- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। 
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না। 
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না। 
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে। 
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৪৬.
পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস নিচের কোনটি? 
  1. ডায়নামো
  2. সৌরকোষ
  3. ব্যাটারি 
  4. ডিসি জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা

- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস হচ্ছে 'জেনারেটর বা ডায়নামো'

তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। 
যথা- 
১. পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

২. অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,২৪৭.
কোনটি মাধ্যমের কণাগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে অগ্রসর হয়?
  1. আলোক তরঙ্গ
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. পানির তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: যেসব তরঙ্গে কণাগুলোর কম্পনের দিক তরঙ্গ চলার দিকের সঙ্গে লম্বভাবে (সমকোণে) ঘটে, সেগুলোকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলা হয়।

এর বৈশিষ্ট্য হলো:
→কণাগুলো তরঙ্গ চলার দিকে উপর-নিচে বা ডান-বামে দুলে।
→তরঙ্গে শীর্ষ (crest) ও পাদ (trough) দেখা যায়। 
→এই তরঙ্গগুলো শূন্যস্থানেও চলতে পারে। 

উদাহারনঃ আলোর তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ। 

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: যেসব তরঙ্গে কণাগুলোর কম্পনের দিক তরঙ্গ চলার দিকের সাথে সমান্তরাল, সেগুলোকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।কণাগুলো একই সরলরেখা বরাবর সামনের দিকে-পেছনের দিকে দুলে।
- তরঙ্গে সংকোচন (compression) ও প্রসারণ (rarefaction) হয়।
- এগুলো পরিবহনের জন্য সাধারণত মাধ্যম (বায়ু, জল, কঠিন পদার্থ) প্রয়োজন হয়।

উদাহারন: শব্দ তরঙ্গ, স্প্রিংয়ে সৃষ্ট কম্পন, ভূমিকম্পের প্রাথমিক তরঙ্গ 

• শব্দ তরঙ্গ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা সংকোচন ও প্রসারণ এর মাধ্যমে মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে ছড়ায়। এই তরঙ্গ অগ্রসর হতে কোনো না কোনো মাধ্যম (যেমন: বায়ু, জল, কঠিন পদার্থ) প্রয়োজন হয়।

শব্দ যেভাবে ছড়ায়:
-  যখন কোনো উৎস (যেমন: ঘণ্টা, স্পিকার) শব্দ সৃষ্টি করে, তখন তার চারপাশের বায়ুর কণাগুলো কম্পিত হয়।
-  কণাগুলো একে অপরকে ধাক্কা দিয়ে সংকোচন (কণাগুলো কাছাকাছি আসে) এবং প্রসারণ (কণাগুলো দূরে সরে যায়) সৃষ্টি করে।
-  এইভাবে একের পর এক সংকোচন-প্রসারণ তরঙ্গাকারে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে আমরা শব্দ হিসেবে শুনি।

অন্যদিকে,
আলোক তরঙ্গ: এটি একটি তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ — এটি মাধ্যম ছাড়াই শূন্যে (vacuum) চলতে পারে।

বেতার তরঙ্গ (Radio wave): এটিও তড়িৎ-চৌম্বক তরঙ্গ, মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।

পানির তরঙ্গ: এটি পৃষ্ঠতরঙ্গ (surface wave) — এটি কণার ওঠানামার মাধ্যমে ছড়ায়, সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে নয়।


তথ্যসূত্র: 
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান। 
- নবম-দশম শ্রেণি – পদার্থবিজ্ঞান।
৩,২৪৮.
E = mc2  সমীকরণটি কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. Law of inertia
  2. Quantum field theory
  3. Theory of general relativity
  4. Theory of special relativity
সঠিক উত্তর:
Theory of special relativity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Theory of special relativity
ব্যাখ্যা
E = mc² হল আলবার্ট আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার তত্ত্বে বর্ণিত সূত্র যা  প্রকাশ করে যে ভর ও  শক্তি একই ভৌত সত্তা এবং একে অপরকে পরিবর্তন করা সম্ভব।
 
E = mc² is Albert Einstein's theory of special relativity that expresses the fact that mass and energy are the same physical entity and can be changed into each other. 
In the equation, the increased relativistic mass (m) of body times the speed of light squared (c²) is equal to the kinetic energy (E) of that body.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৩,২৪৯.
চৌম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে কোনটি তৈরি হয়?
  1. শব্দতরঙ্গ
  2. বিদ্যুৎপ্রবাহ
  3. আলোকতরঙ্গ
  4. তাপশক্তি
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
• তাড়িতচৌম্বক আবেশ:
- একটি তারের কুণ্ডলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার মাধ্যমে কুণ্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলা হয়। 

যখন চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন হয় শুধু তখন বিদ্যুৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- একটা কয়েলের মাঝখানে প্রচণ্ড শক্তিশালী একটা চুম্বক রেখে দিলে কিন্তু নড়াচড়া না করলে কয়েল দিয়ে কোনো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে না।
- শুধু যখন চুম্বকটি নাড়িয়ে চৌম্বক ক্ষেত্র পরিবর্তন করা হবে তখনই এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৩,২৫০.
সান্দ্রবল কী ধরনের বল?
  1. সংরক্ষণশীল বল
  2. অসংরক্ষণশীল বল
  3. অভিকর্ষজ বল
  4. চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
অসংরক্ষণশীল বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসংরক্ষণশীল বল
ব্যাখ্যা

• সংরক্ষণশীল বল:
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল বলা হয়।
- বস্তু বা কণার উপর সংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনে।
- উদাহরণ: অভিকর্ষজ বল, বৈদ্যুতিক বল, চৌম্বক বল, আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল ইত্যাদি।

• অসংরক্ষণশীল বল:
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় না তাকে অসংরক্ষণশীল বল বলা
হয়।
- বস্তু বা কণার উপর অসংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনলেও মোট কাজ শূন্য হয় না ।
- উদাহরণ: ঘর্ষণ বল, সান্দ্র বল ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৫১.
বিদ্যুচ্চমক সৃষ্টি হয় - 
  1. দুটি আহিত মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  2. দুটি মেঘের ঘর্ষণের ফলে
  3. পৃথিবীর সাথে আহিত মেঘের আধান বিনিময়ের ফলে
  4. বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
সঠিক উত্তর:
বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত আধানে আহিত দুটি মেঘের মধ্যে তড়িৎক্ষরণের ফলে
ব্যাখ্যা
বজ্রপাত: 
- সাধারণত গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বায়ুতে প্রচুর জলীয় বাষ্প থাকে। 
- এই জলীয় বাষ্পগুলো বাতাসের আহিত আয়নগুলোর উপর ঘনীভূত হয়ে জলকণা সৃষ্টি করে এবং আহিত আয়নগুলোর আধানে আহিত হয়। 
- বাতাসে ভাসমান এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণাগুলো তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ুপ্রবাহের সাথে সাথে উপরে উঠে যায় এবং শীতল হয়। 
- তাছাড়া উপরে বায়ুর চাপ কম থাকায় বাতাস প্রসারিত হয় এবং আরো শীতল হয়। 
- শীতল ভাসমান এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলকণাগুলো একত্রিত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে। 
- বাতাসের আহিত আয়নগুলোর জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে জলকণা সৃষ্টি করে, সেহেতু মেঘ ধনাত্মক বা ঋণাত্মক যেকোনো আধানে আহিত হতে পারে। 
- মেঘের আকারের উপর তাদের আধানের পরিমান নির্ভর করে। 
- দুই ধরণের আহিত মেঘ কাছাকাছি আসলে তাদের মধ্যে তড়িৎক্ষরণ ঘটে এবং বিরাট অগ্নিস্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বিদ্যুচ্চমক সৃষ্টি হয়। 
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই অগ্নিস্ফুলিঙ্গের তাপমাত্রা সূর্য পৃষ্ঠের তাপমাত্রার চেয়েও বেশী হয়। 
- সৃষ্ট অগ্নিস্ফুলিঙ্গের পথে বাতাসগুলো তাপ পেয়ে হঠাৎ প্রসারিত হয় এবং পার্শ্ববর্তী বাতাসকে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা বা চাপ দেয়। এর ফলে প্রচন্ড শব্দ হয়। 
- এই চাপ বাতাস বাহিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে আসে। 
- চাপের কিছু অংশ দুই মেঘের মধ্যে বার বার প্রতিফলিত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে আসে। 
- এই জন্য আমরা গড় গড় শব্দ শুনি। একেই মেঘের গর্জন বলে। 
- প্রচুর আধানযুক্ত কোনো মেঘ যদি ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি চলে আসে তাহলে আবেশ প্রক্রিয়ায় ভূ-পৃষ্ঠের সেই অংশ বিপরীতধর্মী আধানে আহিত হয়। 
- সেই স্থাানের গাছপালা বা বাড়ীঘর তুলনামুলক মেঘের কাছে থাকায় এবং এর ক্ষেত্রফল কম হওয়ায় এদের শীর্ষ বিন্দুগুলোর আধানের তলমাত্রিক ঘনত্ব অনেক বেশী হয়। 
- এদের আকর্ষণে তড়িৎক্ষরণের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠে চলে আসে। একে আমরা বজ্রপাত বলি। 
- এই বজ্রপাতের ফলে প্রচন্ড উত্তাপের সৃষ্টি হয় এবং আগুন ধরে যায়। 
- এই বজ্রপাতের ফলে যে শব্দের সৃষ্টি হয় তাকে আমরা বজ্রনাদ বলি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫২.
একটি অবতল দর্পণ ব্যবহার করে বাস্তব, উল্টানো ও বস্তুর সমান আকারের চিত্র পাওয়া গেল। বস্তুটির অবস্থান হবে-
  1. ফোকাসের ভিতরে
  2. ফোকাস ও বক্রতার কেন্দ্রের মাঝামাঝি
  3. বক্রতার কেন্দ্রে
  4. বক্রতার কেন্দ্রের বাইরে
সঠিক উত্তর:
বক্রতার কেন্দ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক্রতার কেন্দ্রে
ব্যাখ্যা

অবতল দর্পণ (Concave Mirror):
- অবতল দর্পণ এমন এক ধরনের দর্পণ যার প্রতিফলক পৃষ্ঠ ভিতরের দিকে বাঁকানো থাকে।
- এটি আলোর রশ্মিকে অভ্যন্তরের দিকে প্রতিফলিত করে, ফলে বিভিন্ন অবস্থানে বস্তু রাখলে চিত্রের অবস্থান, আকার ও প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়।

• অবতল দর্পণের মূল বিন্দুসমূহ:
- P (Pole): দর্পণের কেন্দ্রবিন্দু।
- F (Focus): যেখানে সমান্তরাল আলোকরশ্মি প্রতিফলিত হয়ে মিলিত হয়।
- C (Center of Curvature): বক্রতার কেন্দ্র; এর ব্যাসার্ধ R = 2f

• যখন বস্তুটি বক্রতার কেন্দ্রে (C) রাখা হয়:
- প্রতিফলিত রশ্মি এমনভাবে ফিরে আসে যে চিত্রটি একই বিন্দুতে তৈরি হয়।
- চিত্রটি হয় বাস্তব, উল্টানো ও বস্তুর সমান আকারের।
 
 
 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,২৫৩.
একক সময়ে শব্দ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে কী বলে?
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  2. কম্পাঙ্ক
  3. শব্দের গতি
  4. শব্দ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দের গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দের গতি
ব্যাখ্যা
• শব্দের গতি (Speed of Sound):
- শব্দের গতি (Speed of Sound) বলতে বোঝায় “এক সেকেন্ডে শব্দ যত দূরত্ব অতিক্রম করে।”
- এটি একটি ভৌত রাশি, যা সময় ও দূরত্বের উপর নির্ভর করে।
- সাধারণত শুষ্ক বায়ুতে শব্দের গতি ≈ 343 m/s (২০°C তাপমাত্রায়)।

অন্যদিকে,
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য: এক কম্পাঙ্কের মধ্যে তরঙ্গ যতটা দূরত্ব অতিক্রম করে। এটি শব্দের "একটা অংশ"।
- কম্পাঙ্ক (Frequency): প্রতি সেকেন্ডে কতবার কণার দোলন হয়। এককে হার্টজ (Hz)।
- শব্দ তরঙ্গ: শব্দের একটি সামগ্রিক রূপ বা আকার; এটি কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৫৪.
পৃথিবী উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিত চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত স্ফীত আকার ধারণ করার কারণ-
  1. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
  2. মহাকর্ষ শক্তি
  3. প্রচণ্ড উত্তাপ
  4. অবিরাম আবর্তন
সঠিক উত্তর:
অবিরাম আবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম আবর্তন
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকৃতি: কোনো নমনীয় বস্তু যদি নিজের অক্ষের উপর লাটিমের মতো ঘুরতে থাকে তবে তার মধ্যে একই সঙ্গে কেন্দ্রমুখী (Centripetal) এবং কেন্দ্রবিমূখী (Centrifugal) বলের উদ্ভব হয়, যার প্রভাবে গোলাকৃতি বস্তুর প্রান্তদেশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ কিছুটা স্ফীত হয়। আবর্তন গতির প্রভাবেই জন্মকাপে নমনীয় পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু একটু চাপা এবং মধ্যভাগ সামান্য স্ফীত হয়ে যায়। বিজ্ঞানী নিউটন বলেন যে, পৃথিবীর আবর্তনের ফলেই এর আকৃতি এমন হয়েছে।

• আবর্তন বা আহ্নিক গতির ফলে পৃথিবীতে যেসব পরিবর্তন হয়:
- দিন-রাত্রি হয়, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হয়, সময় নির্ধারণ করা যায়, নিয়ত বায়ুপ্রবাহের ও সমুদ্রস্রোতের গতিবিক্ষেপ হয়, জোয়ার ভাটা হয়, পৃথিবী উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিত চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত স্ফীত আকার ধারণ করে।

অন্যদিকে,
• বার্ষিক গতির ফলে ভূ-পৃষ্ঠে যেসব পরিবর্তন হয়:
- বছর বা সময়কাল নির্ধারণ করা যায়, দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি হয়, ঋতু পরিবর্তন হয়।

[উক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বা মহাকর্ষ শক্তির সাথে পৃথিবী উত্তর দক্ষিণে কিঞ্চিত চাপা ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত স্ফীত হওয়ার সাথে কোন সর্ম্পক নেই। যেহেতু অবিরাম আবর্তনের সাথে আহ্নিক গতির সর্ম্পক রয়েছে তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে অবিরাম আবর্তন উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং INSIDE SCIENCE.ORG।[LINK]
৩,২৫৫.
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত গরম হয়, কারণ-
  1. বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায়
  2. বায়ুমণ্ডলীয় ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায়
  3. বায়ুমণ্ডলে বেশি পরিমাণ ধূলিকণা থাকায়
  4. মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
সঠিক উত্তর:
মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
ব্যাখ্যা
- আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- এই মেঘলা থাকার কারণে দিনের যে তাপ থাকে তা উপরে যেতে মেঘ বাধা দেয়।
- তাই এ তাপ ভূ - পৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- এ তাপের জন্য মেঘলা রাতে শিশির জমে না এবং ভ্যাপসা গরম অনুভূত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৫৬.
সমুদ্রকে নীল দেখানোর কারণ হলো আপতিত সূর্য রশ্মির -
  1. বিক্ষেপণ
  2. প্রতিফলন
  3. প্রতিসরণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
• বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের আলোর মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- যখন এক আলোক তরঙ্গ অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার ওপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়। একে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- এ বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ওপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি।
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়।  
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- যখন এই আলোকরশ্মি সাগরের পানিতে এসে প্রবেশ করে তখন লাল, কমলা, হলুদ এইসব দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো পানির মধ্যে দৃঢ়ভাবে শোষিত হয়ে যায়। 
- কিন্তু ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো তেমনটা শোষিত না হয়ে বিক্ষিপ্ত হয়। তখন আমরা সাগরের পানি নীল রঙের দেখতে পাই। 

উৎস:
১. [NASA]
২. পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৫৭.
পানির অণু একটি-
  1. প্যারাচুম্বক
  2. ডায়াচুম্বক
  3. ফেরােচুম্বক
  4. অ্যান্টিফেরােচুম্বক
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বক
ব্যাখ্যা
• প্যারাচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ডায়াচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
- অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরোচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫৮.
এক্স-রের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কম ভেদন ক্ষমতা
  2. অদৃশ্য রশ্মি 
  3. চার্জযুক্ত কণা 
  4. দৃশ্যমান রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদৃশ্য রশ্মি 
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (x-rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (x-rays) আবিষ্কার করেন।
- প্রফেসর রঞ্জন একে 'x-rays' নামে অভিহিত করেন, পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এক্স-রের কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৫৯.
স্ফেরোমিটার কোন ধরনের বস্তুর পরিমাপের জন্য ব্যবহার করা হয়? 
  1. বাতাসের চাপ 
  2. তরল পদার্থের ঘনত্ব 
  3. ভারী ধাতব পদার্থের ওজন 
  4. গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ
সঠিক উত্তর:
গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ
ব্যাখ্যা

স্ফেরোমিটার: 
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়। 
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার। 
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- এটি তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। 
- বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে, 
R = {(d2/6h) + (h/2)} 
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা। 

অন্যদিকে, 
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৩,২৬০.
শব্দ সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
  1. বস্তুর কম্পন
  2. বস্তুর প্রসারণ
  3. মাধ্যমের প্রসারণ
  4. মাধ্যমের সংকোচন
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর কম্পন
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- শব্দ এক প্রকার শক্তি।
- বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন।
- জড় মাধ্যমের মধ্যে কোন বস্তুর কম্পন হলে মাধ্যমের কণাগুলো আন্দোলিত হয়ে তরঙ্গের সৃষ্টি করে।
- এই তরঙ্গ জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সঞ্চালিত হয়ে কানে প্রবেশ করে।
- কানের মধ্যে বিভিন্ন যান্ত্রিক কৌশলের মাধ্যমে মস্তিষ্কে শব্দের অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তাই শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ এক ধরনের তরঙ্গ এবং এর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। 
যেমন- 
১. শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 
২. কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, অর্থাৎ শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
৩. শব্দ তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৪. শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতি (ঘনত্ব, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ইত্যাদি)-এর ওপর নির্ভরশীল। 
৫. শব্দের তীব্রতা তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
৬. শব্দ তরঙ্গ প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও উপরিপাতন সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৬১.
প্রতি সেকেন্ডে ১ জুল কাজ করলে কত ওয়াট কাজ করা হয়েছে বুঝায়? 
  1.  ০.১ ওয়াট 
  2.  ১.০ ওয়াট
  3. ১০ ওয়াট
  4. ১০০ ওয়াট
সঠিক উত্তর:
 ১.০ ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১.০ ওয়াট
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা হচ্ছে কাজ করার হার। 
অর্থাৎ, t সময়ে W পরিমাণ কাজ করা হলে ক্ষমতা P হবে, P = W/t. 
- কাজ করার অর্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তর। শক্তির যেহেতু ধ্বংস নেই তাই কাজ করার মাঝে দিয়ে শক্তির রূপান্তর করা হয় মাত্র। তাই বলা যায়, ক্ষমতা হচ্ছে শক্তির রূপান্তরের হার। 
- কাজ বা শক্তি যেহেতু স্কেলার তাই ক্ষমতাও স্কেলার। 
- ক্ষমতার একক হচ্ছে- ওয়াট (W)। 
- ক্ষমতার মাত্রা হচ্ছে, [P] = ML2T -3
- যদি প্রতি সেকেন্ডে 1 জুল কাজ করা হয় তাহলে বলা হয় 1 ওয়াট (W) কাজ করা হয়েছে বা শক্তির রূপান্তর হয়েছে বুঝায়। 
- 100 W এর একটা বাতি জ্বালানোর অর্থ হচ্ছে বাতিতে প্রতি সেকেন্ডে 100 J শক্তি ব্যয় হচ্ছে। 
- আবার যখন শুনা যায়, দেশে 1000 MW নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি হবে তার অর্থ সেই নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্রে প্রতি সেকেন্ডে 1000×106 ওয়াট বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৬২.
যে ট্রান্সফরমারে সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা প্রাইমারির তুলনায় কম হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রাইমারি ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  4. সিকোয়েন্স ট্রান্সফরমার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

- যে ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা প্রাইমারি তুলনায় কম হয়, তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলা হয়, কারণ এটি ভোল্টেজ কমিয়ে দেয়, যা কম প্যাঁচের কারণে ঘটে। 

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

- প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু বৈদ্যুতিক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটা পরিমাপ করা হয় VI (ভোল্টেজ × কারেন্ট) দিয়ে, একটা ট্রান্সফরমারে প্রাইমারিতে যে পরিমাণ VI প্রয়োগ করা হয়, সেকেন্ডারি কয়েল থেকে ঠিক সেই পরিমাণ VI ফেরত পাওয়া যায়। কাজেই সেকেন্ডারিতে যদি ভোল্টেজ দশ গুণ বাড়িয়ে নেয়া যায় তাহলে সেখানে বিদ্যুৎও দশ গুণ কমে যাবে। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৬৩.
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 15N এবং 8N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?
  1. 14 N
  2. 15 N
  3. 16 N
  4. 17 N
সঠিক উত্তর:
17 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 15N এবং 8N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 15N এবং 8N
∴ তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ = √(152 + 82)
= √(225 + 64)
= √289
= 17 N
৩,২৬৪.
কোনো একটি বস্তুর দৈর্ঘ্য 4.0 ± 0.5 cm হলে, নিচের কোনটি বস্তুটির দৈর্ঘ্য হতে পারে না? 
  1. 3.1 cm
  2. 3.8 cm
  3. 4.0 cm
  4. 4.4 cm
সঠিক উত্তর:
3.1 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.1 cm
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি বস্তুর দৈর্ঘ্য 4.0 ± 0.5 cm হলে, নিচের কোনটি বস্তুটির দৈর্ঘ্য হতে পারে না? 

সমাধান: 
বস্তুটির দৈর্ঘ্য 4 - 0.5 cm বা, 3.5 cm থেকে 4 + 0.5 cm বা 4.5 cm এর ভেতর যেকোন মান হতে পারে।
৩,২৬৫.
দুধ দাঁতের সংখ্যা-
  1. ২০টি
  2. ২৪টি
  3. ২৮টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩,২৬৬.
What is a gas pressure gauge called?
  1. Barometer
  2. Manometer
  3. Hygrometer
  4. Pyrometer
  5. Fadometer
সঠিক উত্তর:
Manometer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Manometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,২৬৭.
MRI যন্ত্রে কোন ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয়?
  1. আলোক বিকিরণ
  2. এক্স-রে
  3. গামা বিকিরণ
  4. রেডিও তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর পূর্ণরূপ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্রটি কাজ করে। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই এমআরআই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। 
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৬৮.
গামা রশ্মি বিকিরণে কোনটি পরিবর্তিত হয়?
  1. ইলেকট্রন সংখ্যা
  2. প্রোটন সংখ্যা
  3. নিউট্রন সংখ্যা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি (β)
- গামা রশ্মি, স্বল্পতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং সর্বোচ্চ শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ।
- ফরাসি রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী পল ভিলার্ড ১৯০০ সালে গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন। একে γ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- গামা রশ্মি এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

- গামা রশ্মি একটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
- ভারী এবং অস্থিত তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- এটি নির্গমনের ফলে কোনো প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের সংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি বা রূপান্তর ঘটে না।
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মির কোনো ভর নেই।
- আয়নিত করার ক্ষমতা সর্বনিম্ন ও ভেদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ।


- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় অনেক কম।
- তবে গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- মানব দেহে ক্যান্সার আক্রান্ত সেল ধ্বংস করতে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে, বিজ্ঞানগারে গবেষণার কাজে ও ধাতব বস্তুতে ফাটল নির্ণয়ে গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
- কিন্ত মানবদেহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর এই গামা রশ্মি।

তথ্যসূত্র:  পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৬৯.
আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯০১
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৯২১
  4. ঘ) ১৯২৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯২১
ব্যাখ্যা
কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয়, একে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া বলে। আলোর তরঙ্গ ধর্মের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। সেজন্য তাকে ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৭০.
Which of the following is a semiconductor?
  1. Germanium
  2. Silicon
  3. Aluminium
  4. Both A and B
সঠিক উত্তর:
Both A and B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both A and B
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
- যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে।
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭১.
একমুখীকরণের কাজ নিচের কোন যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয়?
  1. অ্যামপ্লিফায়ার 
  2. রেফটিফায়ার 
  3. ট্রানজিস্টর 
  4.  ট্রান্সফরমার 
সঠিক উত্তর:
রেফটিফায়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফটিফায়ার 
ব্যাখ্যা

রেকটিফিকেশন: 
- যে প্রক্রিয়ায় পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating current) বা ভোল্টেজকে একমুখী প্রবাহ (Direct current- ডিসি) বা ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় তাকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে। 
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেফটিফায়ার বলে। 
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না। 
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়। 
 
উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৭২.
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর আদর্শ মান কত?
  1. 9.75 ms²
  2. 9.81 ms²
  3. 11.75 ms²
  4. 9.63 ms²
সঠিক উত্তর:
9.81 ms²
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.81 ms²
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষ:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
• অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্ব নিম্ন প্রায় 9.78 ms², মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms²।
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms² ও সমুদ্র সমতলে প্রাপ্ত 9.75 ms²।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে ৪-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। এই মান হচ্ছে 9.80665 ms²।
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms²।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭৩.
'ডিনামাইট' আবিষ্কার করেন কে? 
  1. টমাস আলভা এডিসন
  2. আলফ্রেড নোবেল
  3. টি এইচ মাইম্যান
  4. ওপেনহেমার
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড নোবেল
ব্যাখ্যা
- ডিনামাইট আবিষ্কার করেন - আলফ্রেড নোবেল। 

অন্যদিকে, 
- ওপেনহেইমার আবিষ্কার করেন পারমাণবিক বোমা, 
- থিওডর মাইম্যান আবিষ্কার করেন লেজার রশ্মি, 
- টমাস আলভা এডিসন আবিষ্কার করেন গ্রামোফোন, ফনোগ্রাফ, সিনেমা প্রজেক্টর, ভিডিও ক্যামেরা এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈদ্যুতিক বাতি (বাল্ব) ইত্যাদি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,২৭৪.
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বর্তনীর তড়িৎপ্রবাহমাত্রা সরাসরি পরিমাপ করা হয় তাকে কী বলে? 
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্টমিটার
  3. তড়িৎ প্রবাহ মিটার 
  4. ব্যারোমিটার 
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
ব্যাখ্যা

অ্যামিটার (Ammeter): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহমাত্রা সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা হয়, তাকে অ্যামিটার বলে। 
- এর আসল নাম অ্যাম্পিয়ার মিটার, সংক্ষেপে একে অ্যামিটার বলে। 
- এটি প্রকৃতপক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার। 
- বর্তনীর প্রবাহমাত্রা নির্ণয়ের জন্য অ্যামিটারকে বর্তনীর সাথে শ্রেণী সমবায়ে যুক্ত করা হয়। 

ভোল্টমিটার (Voltmeter): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দু'বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা হয়, তাকে ভোল্টমিটার বলে। 
- এটিও প্রকৃতপক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার। 
- একে বর্তনীতে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করতে হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৭৫.
সিমেন্স কিসের একক?
  1. ক) রোধ
  2. খ) আপেক্ষিক রোধ
  3. গ) পরিবাহিতা
  4. ঘ) ধারকত্ব
সঠিক উত্তর:
গ) পরিবাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিবাহিতা
ব্যাখ্যা
- SI(International System of Units) পদ্ধতিতে পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S);
- আধানের একক কুলম্ব(C); 
- তড়িৎ প্রবাহের একক এম্পিয়ার;
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট;
- রোধের একক ওহম 

[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৩,২৭৬.
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়, কারণ- 
  1. রান্নার জন্য শুধু তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
  2. বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
  3. উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
  4. সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
- প্রেসার কুকারে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। 
- স্থির আয়তনে প্রেসার কুকারে উচ্চ চাপের সৃষ্টি হয়। এতে পানির স্ফুটনাংক বেড়ে যায়। 
- প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ, কুকারের ভেতরের পানি ফুটন্ত অবস্থায় বাষ্পে পরিণত হয়েই বাইরে আসতে পারে না। 
প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৭৭.
এক কিলোওয়াট-ঘন্টা সমান কত জুল?
  1. 2.6 × 106 J
  2. 3.6 × 103 J
  3. 3.6 × 106 J
  4. 6.6 × 106 J
সঠিক উত্তর:
3.6 × 106 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3.6 × 106 J
ব্যাখ্যা
শক্তি (Energy): 
- কোনো কিছুর কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। 
অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি, বস্তু, পদার্থ বা ব্যবস্থার কাজ করার সামর্থ্যকে শক্তি বলে। 
- বস্তু বা ব্যক্তি সর্ব মোট যতটুকু কাজ করতে পারে তা দিয়েই তার শক্তির পরিমাণ পরিমাপ করা হয়। 
- কাজের মতো শক্তিও স্কেলার রাশি। 
- শক্তির মাত্রা ও কাজের মাত্রা অভিন্ন। 
- শক্তির একক ও কাজের একক একই অর্থাৎ জুল (J), কিন্তু বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব করা হয় কিলোওয়াট ঘন্টা এককে। 
- এক কিলো ওয়াট ক্ষমতার একটি যন্ত্র এক ঘন্টায় যতটা কাজ করে তাকে বলা হয় এক কিলোওয়াট-ঘন্টা (kWh)।
1 kWh = 1000 Wh
= 1000 Js-1 × 3600 s
1 kWh = 3.6 × 106
- কোনো বস্তুর মধ্যে গতি, বস্তুর অবস্থান বা ভৌত অবস্থা পরিবর্তনের জন্য কাজ করার সামর্থ্য সৃষ্টি হয়; এই ধরনের সামর্থ্যকে যান্ত্রিক শক্তি বলে অভিহিত করা হয়েছে। 
- যান্ত্রিক শক্তি দু ধরণের। যথা- গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭৮.
কোনো চার্জযুক্ত কণিকা যদি চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে ৯০° কোণে চলে, তবে- 
  1. কোনো বল থাকে না
  2. সর্বাধিক বল কাজ করে
  3. বলের মান অর্ধেক হয়
  4. বলের মান শূন্য হয়
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক বল কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক বল কাজ করে
ব্যাখ্যা

চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর চলন্ত চার্জ q-এর ওপর প্রয়োগিত লরেঞ্জ বলের সূত্র হলো:
F = qv × B
যেখানে,
q = চার্জের মান
v = কণিকার বেগ
B = চৌম্বক ক্ষেত্র
θ = v এবং B-এর মধ্যে কোণ

লরেঞ্জ বলের মান নির্ণয় হয়:
F = qv × B. sinθ
sinθ সর্বাধিক হয় যখন, θ = 90° 
অর্থাৎ, বেগ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র পরস্পর লম্ব হলে sin⁡90° = 1
তাই, Fmax​ = qvB হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,২৭৯.
বিকীর্ণ তাপের সাথে নিচের কোন শক্তির সাদৃশ্য রয়েছে? 
  1. গতি শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. আলোক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক শক্তি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- সূর্য থেকে তাপ পাওয়া যায়। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ আসে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৮০.
তাপের একক কি?
  1. ক) ক্যালরি
  2. খ) ফারেনহাইট
  3. গ) কেলভিন
  4. ঘ) সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালরি
ব্যাখ্যা
এস আই এককে তাপের একক - জুল।
তাপমাত্রার একক - কেলভিন।
বল/ওজনের একক - নিউটন।
সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮১.
অ্যাম্পিয়ারের সংজ্ঞা কী? 
  1. 1 কিলোগ্রামের ভর
  2. শূন্য মাধ্যমে 1 মিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি পরিবাহকের তড়িৎপ্রবাহ
  3. 1 পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রার 1/273.16 ভাগ
  4. বায়ুশূন্য স্থানে আলো 1/299,792,458 সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে 1 মিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি পরিবাহকের তড়িৎপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে 1 মিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি পরিবাহকের তড়িৎপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
এস.আই. (SI) এর মৌলিক একক সমূহ: 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মৌলিক এককগুলোর জন্য সর্বশেষ গৃহীত আদর্শ নিম্নে বর্ণনা করা হল- 
১। দৈর্ঘ্যের একক: মিটার 
- বায়ুশূন্য স্থানে আলো 1/299,792,458 সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সে দূরত্ব কে 1 মিটার (m) বলা হয়। 

২।  ভরের একক: কিলোগ্রাম 
- ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস্ এ সংরক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 কিলোগ্রাম (kg) বলে। 
- এই সিলিন্ডারটির উচ্চতা ও ব্যাস উভয়েই 3.9 cm  । 

৩। তড়িৎ প্রবাহের একক: অ্যাম্পিয়ার 
- শূন্য মাধ্যমে 1m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষনীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎপ্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2×10-7 N নিউটন বল উৎপন্ন হয় তাকে 1 ampere বলে। 

 ৪। সময়ের একক: সেকেন্ড 
- একটি সিজিয়াম পরমানুর (133Cs) 9,192,631,770 টি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় তাকে 1 সেকেন্ড (s) বলে। 

৫। তাপমাত্রার একক: কেলভিন 
- 1 পানির ত্রৈধ বিন্দুর (triple point) তাপমাত্রার 1/273.16 ভাগকে 1 কেলভিন (K) বলে। 

৬ । দীপন তীব্রতার একক: ক্যান্ডেলা 
- ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540×1012 হার্জ কম্পাঙ্কের এক 1 বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরোডিয়ান ঘনকোণে 1/863 ওয়াট। 

৭। পদার্থের পরিমাণের একক: মোল 
- যে পরিমাণ পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-১২ এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ) থাকে তাকে 1 মোল বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৮২.
নিচের কোন ধরণের Circuit Breaker অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং রক্ষনাবেক্ষন কম?
  1. Vacuum circuit breaker
  2. Oil Circuit breaker
  3. SF6 circuit breaker 
  4. Air blast circuit breaker
সঠিক উত্তর:
SF6 circuit breaker 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SF6 circuit breaker 
ব্যাখ্যা
- SF6 (সালফার হেক্সাফ্লোরাইড) সার্কিট ব্রেকারগুলি তাদের উচ্চ অস্তরক শক্তি, চমৎকার আর্ক-নিভানোর ক্ষমতা এবং উচ্চ-ভোল্টেজ প্রবাহকে বাধা দেওয়ার নির্ভরযোগ্যতার জন্য পরিচিত।
- এই সার্কিট ব্রেকারগুলি তাদের উচ্চতর নিরোধক এবং চাপ-নির্বাপক বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে সাধারণত উচ্চ-ভোল্টেজ অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
- এই Circuit Breaker অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এবং রক্ষনাবেক্ষণ কম।
৩,২৮৩.
বস্তুর ভর ভূপৃষ্ঠে বা ভূপৃষ্ঠের উপরে অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে-
  1. ক) ৬ গুণ বৃদ্ধি পায়
  2. খ) পরিবর্তিত হয় না
  3. গ) হ্রাস পায়
  4. ঘ) পরিবর্তত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবর্তিত হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবর্তিত হয় না
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন বস্তুটির ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলের সমান। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপড়ে ওঠা হয় ততই g এর মান কমে।
কিন্তু বস্তুর ভর মৌলিক বৈশিষ্ট্য। এটি বাড়ে না বা কমে না।
সুতরাং একই বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর গুণফল তথা ওজন ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে কমে।
সূত্রঃ অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বই।

৩,২৮৪.
হ্রস্ব দৃষ্টি বা মাইওপিয়ার ক্ষেত্রে যেটি হয়-
  1. ক) দূরের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু কাছের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না
  2. খ) এই চোখের নিকট বিন্দু ২৫ সেন্টিমিটার এর চেয়ে অনেক বেশি
  3. গ) চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা কমে যাওয়ার জন্য এই ত্রুটি দেখা দেয়
  4. ঘ) সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়
ব্যাখ্যা
হ্রস্ব দৃষ্টি/মাইওপিয়াঃ
১. দূরের জিনিস ভালোভাবে দেখতে পায় না কিন্তু কাছের জিনিস দেখতে পায়।
২. এই চোখের নিকট বিন্দু ২৫ সেন্টিমিটার এরও কম হতে পারে।
৩. চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতায় বেড়ে যাওয়ার জন্য এই ত্রুটি দেখা দেয়।
৪. অভিসারী ক্ষমতা কমানোর জন্য সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮৫.
সলিনয়েডে চুম্বকক্ষেত্রের শক্তি বাড়াতে কী করা যেতে পারে? 
  1. বৈদ্যুতিক প্রবাহ বাড়ানো
  2. বিদ্যুৎ অপসারণ করা
  3. শক্ত লোহা স্থাপন করে প্রবাহ বন্ধ করা
  4. কুণ্ডলির পাক সংখ্যা কমানো
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক প্রবাহ বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক প্রবাহ বাড়ানো
ব্যাখ্যা
সলিনয়েড (Solenoid): 
- যদি কোনো তার সোজা থাকে এবং তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তাহলে তার চারপাশে চৌম্বক বলরেখা সৃষ্টি হয়। 
- ডান হাতের নিয়ম ব্যবহার করে চৌম্বক বলরেখার দিক নির্ধারণ করা যায়। বুড়ো আঙুল বিদ্যুৎপ্রবাহের দিক নির্দেশ করলে, হাতের বাকী আঙুলগুলো চৌম্বক বলরেখার দিক নির্দেশ করে। 
- যদি তারটি সোজা না হয়ে বৃত্তাকার হয়, তবে তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে বৃত্তাকার তারের ভেতরে চৌম্বক বলরেখাগুলো একত্রিত হয়। এ ক্ষেত্রেও ডান হাতের নিয়ম ব্যবহার করা যায়। যদি হাতের আঙুলগুলো বিদ্যুৎ প্রবাহের দিক নির্দেশ করে, তাহলে বুড়ো আঙুলটি চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্দেশ করবে। 


- বিদ্যুৎপ্রবাহ যত বেশি হবে, তত বেশি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হবে। 
- তবে তারের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ একটি সীমা পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব, কারণ বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তারটি I2R সূত্র অনুযায়ী উত্তপ্ত হয়ে যায়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহের সর্বোচ্চ সীমা নির্ভর করে বিদ্যুৎ উৎসের ক্ষমতার ওপর। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করতে কেবল একটি বৃত্তাকার লুপের ওপর নির্ভর না করে, অপরিবাহী আস্তরণ দিয়ে ঢাকা তার ব্যবহার করে একটি কুণ্ডলী বা কয়েল তৈরি করা হয়। এরকম কুণ্ডলীকে বলা হয় সলিনয়েড। 
- সলিনয়েড একটি দণ্ড চুম্বকের মতো কাজ করে। 
- ডান হাতের নিয়ম অনুযায়ী বুড়ো আঙুলের দিকটি সলিনয়েডের উত্তর মেরু নির্দেশ করে। 
- সলিনয়েডের প্রত্যেক লুপ বিদ্যুতের জন্য পৃথক চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। ফলে সম্মিলিত চৌম্বক ক্ষেত্র অনেক শক্তিশালী হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮৬.
শব্দ তরঙ্গের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি? 
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. বায়ুবীয় 
  4. শূন্যস্থান 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, সেটাকে প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
- পুরুষের গলার স্বর মোটা এবং নারী ও শিশুদের গলার স্বর তীক্ষ্ণ। যখন কোনো একটা শব্দ করা হয় তখন আমাদের ফুসফুস থেকে বাতাস গলা দিয়ে দিয়ে বের হয়ে আসে। আমাদের গলায় ও ফুসফুসে বাতাস ঢোকার জন্য এবং বের হওয়ার জন্য রয়েছে Wind pipe এর উপরে শব্দ সৃষ্টি করার জন্য রয়েছে স্বরযন্ত্র (Larynx)। সেখানে দুটো পর্দা ভালভের মতো কাজ করে, এই পর্দা দুটির নাম ভোকাল কর্ড (Vocal Cord)। বাতাস বের করার সময় এগুলো কাঁপতে পারে এবং শব্দ তৈরি করে। 
- বয়সের সাথে সাথে পুরুষের ভোকাল কর্ড শক্ত হয়ে যায়, নারীদেরটি কোমল থাকে। সে জন্য পুরুষেরা কম কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে মেয়েরা বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করে। সে কারণে পুরুষের গলার স্বর মোটা, নারীর স্বর তীক্ষ্ণ। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮৭.
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি? 
  1. আলফা রশ্মি
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি: 
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। 
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর। 
- জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হচ্ছে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
৩,২৮৮.
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়-
  1. কয়লা পোড়ালে
  2. বাল্ব জ্বালালে
  3. পাখা ঘুরালে
  4. টারবাইন চালালে
সঠিক উত্তর:
কয়লা পোড়ালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা পোড়ালে
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর:
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
• কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: শক্তির উৎস ও রূপান্তর, এসএসসি, সাধারণ বিজ্ঞান।

৩,২৮৯.
কোন রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন একটি কণা?
  1. আলোক রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি: 
- গামা রশ্মি আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- কাজেই গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৯০.
'সূর্য' থেকে প্রাপ্ত তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ কোনটি?
  1. এক্স-রে
  2. গামা রশ্মি
  3. মাইক্রোওয়েভ
  4. অতিবেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনী রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিবেগুনী রশ্মি
ব্যাখ্যা
- 'অতিবেগুণী রশ্মি' হচ্ছে 'সূর্য' থেকে প্রাপ্ত তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। 

তাড়িতচৌম্বক বর্ণালী: 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমানুসারে রেডিও তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, অবলোহিত রশ্মি, দৃশ্যমান আলো, অতিবেগুণী রশ্মি, এক্সরে, গামা রশ্মি হলো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। 
- তাড়িতচৌম্বক বর্ণালীর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও কম্পাঙ্কের বিন্যাস দেখানো হয়েছে। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৯১.
মাঝখানে গোলাকার ছিদ্রবিশিষ্ট একটি প্লেটকে উত্তপ্ত করলে, ছিদ্রটির ব্যাস-
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. প্রথমে বাড়বে, পরে কমবে
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
ব্যাখ্যা
- একটি গোলাকার ছিদ্রযুক্ত প্লেটের মাঝখানে যখন গরম করা হয়, তখন প্লেটের উপাদান অর্থাৎ চারপাশ সব দিকে সম্প্রসারিত হয়। 
- এই সম্প্রসারণ ছিদ্রের চারপাশের উপাদানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যার অর্থ প্লেট সম্প্রসারিত হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রের ব্যাসও বৃদ্ধি পায়। 
- প্রথম দৃষ্টিতে এটি হ্রাস বা কমবে মনে হতে পারে, কারণ কেউ হয়তো ভাববে, উপাদান সম্প্রসারিত হলে ছিদ্রটি সংকুচিত হবে, কিন্তু এটি বোঝার মূল কথা হলো ছিদ্রটিকে সেই উপাদানের একটি অংশ হিসাবে ধরা, যা নিজেও সম্প্রসারিত হচ্ছে। 
- প্লেটের প্রতিটি অংশ, ছিদ্রের সীমানাকে সংজ্ঞায়িত করা প্রান্তগুলিও ছিদ্রের কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে চলে যায়। তাই, প্লেট গরম হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বড় হয়ে যায়। 
অর্থাৎ, যখন মাঝখানে বৃত্তাকার ছিদ্র থাকা একটি প্লেটকে গরম করা হয়, তখন ছিদ্রটির ব্যাস বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বোস্টন ইউনিভার্সিটি এবং রাইট স্টেট ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
৩,২৯২.
নিচের কোনটি পুনঃনবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎসের উদাহরণ?
  1. বায়োগ্যাস
  2. কয়লা 
  3. তরল পেট্রোলিয়াম
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস কারণ এটি জৈব পদার্থ (যেমন- কৃষি বর্জ্য, পশুর মলমূত্র ইত্যাদি) থেকে অবায়বীয় পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এই জৈব পদার্থগুলো ক্রমাগত পুনরায় পূরণ করা যায়, তাই বায়োগ্যাসকে নবায়নযোগ্য শক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

জ্বালানি: 

- যে সব পদার্থ থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর তাপশক্তি উৎপাদিত হয়, সেগুলোকে জ্বালানি বলা হয়। 
- জ্বালানিই তাপশক্তির প্রধান উৎস। 

জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরল পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। 
- এগুলো প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর উচ্চ চাপ ও তাপে পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়। 

বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস।
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 
- বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ এটি পুনঃনবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎস। 
- এটি সাম্প্রতিক জৈব পদার্থের পচন থেকে উৎপন্ন হয়, যা স্বল্প সময়ে পুনরায় উৎপাদনযোগ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৯৩.
নিচের কোনটি অভিকর্ষের বৈশিষ্ট্য হিসেবে সঠিক?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বলের মতো বিকর্ষণ সৃষ্টি করে
  2. কেবল মহাকাশে কার্যকর, পৃথিবীর পৃষ্ঠে প্রযোজ্য নয়
  3. সব সময় কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়াশীল একটি বল
  4. কেবল ঘর্ষণ প্রতিরোধ করে, মহাকর্ষের অংশ নয়
সঠিক উত্তর:
সব সময় কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়াশীল একটি বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব সময় কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়াশীল একটি বল
ব্যাখ্যা

• অভিকর্ষ বল একটি কেন্দ্রমুখী বল।

• অভিকর্ষ:

- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়।
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না।
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ, কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়।
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ।

 • অভিকর্ষ বলের বৈশিষ্ট্য:
- অভিকর্ষ বল একটি কেন্দ্রমুখী বল।
- অভিকর্ষ বলের অপর নাম মাধ্যাকর্ষণ বল।
- অভিকর্ষের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের পরেও আমরা ছিটকে পড়ি না।
- অভিকর্ষের ফলেই বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সঙ্গে আবর্তিত হচ্ছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৯৪.
বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায়-
  1. ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
  2. খ) এক ওয়াট-ঘন্টা
  3. গ) এক ওয়াট
  4. ঘ) এক মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক কিলোওয়াট-ঘন্টা
ব্যাখ্যা
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘন্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট Χ ১ঘণ্টা
- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট Χ ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়।
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে।
- বৈদ্যুতিক মিটারে এক ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ বলতে বুঝায় এক কিলোওয়াট-ঘন্টা। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,২৯৫.
মোবাইল চার্জ করার সময় তড়িৎশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. শব্দ শক্তি
  2. তাপ শক্তি
  3. আলোক শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ বা তড়িৎ শক্তি (Electrical Energy): 
- শক্তির রূপান্তরের উদাহরণ দিতে হলে সবার আগে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তির উদাহরণ দেওয়া হয়, তার কারণ এই শক্তিকে সবচেয়ে সহজে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- শুধু তা-ই নয়, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ। 
- তাই চারপাশে নানা ধরনের শক্তি থাকার পরও আমাদের বাসায় অন্য কোনো শক্তি সরবরাহ না করে সবার প্রথমে তড়িৎশক্তি বা ইলেকট্রিসিটি সরবরাহ করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
(যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে দেখা যায়)। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎশক্তি আলোতে রূপান্তরিত হয়। 
- শব্দশক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয়, সেটি এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। তারপরও স্পিকারে বিদ্যুৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে আসলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৯৬.
শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে নিচের কোনটি নির্ণয় করা যায়?
  1. বস্তুর ভর
  2. তাপমাত্রা
  3. বৈদ্যুতিক রোধ
  4. সমুদ্রের গভীরতা
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের গভীরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের গভীরতা
ব্যাখ্যা

• শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

• শব্দের প্রতিধ্বনি:
- কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ দূরবর্তী বাধায় প্রতিফলিত হয়ে উৎসের কাছে ফিরে এলে মূল ধ্বনির পুনরাবৃত্তিকে প্রতিধ্বনি বলে।
- এককথায়, প্রতিফলিত শব্দই প্রতিধ্বনি।
- প্রতিধ্বনি স্পষ্টভাবে শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমপক্ষে ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।

• প্রতিধ্বনির ব্যবহার:
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে।
- কুয়ার গভীরতা নির্ণয়ে।
- দূরত্ব পরিমাপে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৯৭.
দুটি সমান মানের বল যদি বিপরীত দিক থেকে বস্তুতে প্রয়োগ করা হয় এবং একই সরলরেখায় না থাকে, তখন বস্তুতে কি সৃষ্টি হয়?
  1. ঘূর্ণন
  2. সমানুপাতিক পরিবর্তন
  3. স্থিতিশীল ভারসাম্য
  4. পরিপূর্ণ বিকলন
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণন
ব্যাখ্যা

- দুটি সমান মানের বল যদি বিপরীত দিক থেকে বস্তুতে প্রয়োগ করা হয় এবং একই সরলরেখায় না থাকে, তখন তা ঘূর্ণন শুরু করে।
- তবে এই বলগুলো একটি মোমেন্ট বা টর্ক সৃষ্টি করে।
- টর্কের কারণে বস্তু ঘূর্ণন (Rotation) শুরু করে।
- এই অবস্থাকে টর্ক বা ঘূর্ণন বলের প্রভাবে সৃষ্টি ঘূর্ণন বলা হয়।

উদাহরণ:
- ঘুর্ণিঝড়
- দরজা খোলার ক্ষেত্রে হিঞ্জের চারপাশে দুইটি বিপরীত দিকের বল প্রয়োগ হলে দরজা ঘূর্ণন করে।
- জিমন্যাস্টিক রিংয়ে হাত দিয়ে টর্ক প্রয়োগ করলে ঘূর্ণন দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।

৩,২৯৮.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. T1/2 = 0.693/λ
  2. T1/2 = 0.694/λ
  3. T1/2 = 0.695/λ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
T1/2 = 0.693/λ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T1/2 = 0.693/λ
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু:
- যে সময়ে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের মোট পরমাণুর ঠিক অর্ধেক পরিমাণ ভেঙ্গে যায় তাকে ঐ পদার্থের অর্ধায়ু বলে। 
- যে সময় কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের 'N' সংখ্যক অণু ভেঙ্গে N/2 সংখ্যক হয়, সেই সময় হলো অর্ধায়ু।
- তেজস্ক্রিয়তা হচ্ছে তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা।
- অর্ধায়ু কে T1/2 বা T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

 T1/2 = 0.693/λ
- এখানে, T1/2 = অর্ধায়ু বা Half life.
- এবং λ = ক্ষয়‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা‌ ‌অবক্ষয়‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা‌ ‌ভাঙন‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা Decay‌ ‌constant.
- সমীকরণটি দ্বারা বুঝায়, তেজস্ক্রিয় পদার্থের অর্ধায়ু এর ক্ষয় ধ্রুবকের ব্যস্তানুপাতিক। 
………………
- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে তা বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য “অর্ধায়ু” এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে ঐ নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু। 
- যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়তা যত বেশি, সেই নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ু অসীম বলে বিবেচনা করা হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান বই।
৩,২৯৯.
তিনটি ৪ ভোল্টের ব্যাটারি  কে সমান্তরালে সংযুক্ত করলে কত ভোল্ট পাওয়া যাবে ?
  1. ক) ১২ ভোল্ট
  2. খ) ৪ ভোল্ট
  3. গ) ৮ ভোল্ট
  4. ঘ) ২৪ ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ভোল্ট
ব্যাখ্যা
সমান্তরালে ব্যাটারি সংযুক্ত করলে বিভবের কোনো পরিবর্তন হয় না । ফলে তিনটি ৪ ভোল্টের ব্যাটারি  কে সমান্তরালে সংযুক্ত করলে  ৪ ভোল্ট ই থাকবে।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই। 
৩,৩০০.
শক্তির একক-
  1. ক) F
  2. খ) W
  3. গ) J
  4. ঘ) A
সঠিক উত্তর:
গ) J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) J
ব্যাখ্যা
কাজ করার ক্ষমতাকে বলে শক্তি। শক্তির একক জুল (J)। ক্ষমতার একক ওয়াট (W)।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি