বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা / ৬৪ · ৭০১৮০০ / ৬,৪০৯

৭০১.
কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে নিউট্রনের উপস্থিতি নেই?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. সিলিকন
  4. বোরন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০২.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) সালফার
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:

- যে গ্যাসের আণবিক ভর কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার বেশি হয়।
- হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২।
- অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২।
- ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০।
- সালফারের আণবিক ভর ৬৪।
- এখানে হাইড্রোজেনের আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তাই হাইড্রোজেনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে বেশি হবে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭০৩.
বায়ু কোন ধরনের পদার্থ? 
  1. মিশ্র পদার্থ 
  2. কঠিন পদার্থ 
  3. মৌলিক পদার্থ 
  4. যৌগিক পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
মিশ্র পদার্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র পদার্থ 
ব্যাখ্যা

মিশ্র পদার্থ: 
- যে মিশ্রণে একের অধিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় মিশ্র পদার্থ। 
- বায়ু এক ধরনের মিশ্র পদার্থ যেখানে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, জলীয়বাষ্পসহ অন্যান্য পদার্থ থাকে। 
- বায়ু এমন একটি মিশ্র পদার্থ যেখানে মৌলিক ও যৌগিক উভয় ধরনের পদার্থ রয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৭০৪.
কোনটির সাহায্যে ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়? 
  1. পেরিস্কোপ
  2. টেলিস্কোপ
  3. নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা এর মাধ্যমে দেখা যায়। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।  

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭০৫.
নিচের কোনটি অজৈব রাসায়নিক যৌগের উদাহরণ? 
  1. ইথেন
  2. পেন্টাইন 
  3. প্রোপিন 
  4. মরিচা 
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচা 
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ঘ) মরিচা অজৈব রাসায়নিক যৌগের উদাহরণ। কারণ অজৈব যৌগ সাধারণত কার্বন–হাইড্রোজেন (C–H) বন্ধনবিহীন হয় এবং ধাতু, অক্সাইড, লবণ ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। মরিচা হলো লোহার অক্সাইড।

জৈব যৌগ:  
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।  
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ।  
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে।  
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়।  
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার।  

অজৈব যৌগ:  
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে।  
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

৭০৬.
নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রের উদাহরণ কোনটি?
  1. একজন মাঝির নৌকা চালানো
  2. চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে
  3. থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন
  4. বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
একজন মাঝির নৌকা চালানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন মাঝির নৌকা চালানো
ব্যাখ্যা
• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
- উদাহরণ: কোনো বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়োগ করে।
- উদাহরণ: বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭০৭.
খাদ্য লবণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) পটাসিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
খাবার লবণের রাসায়নিক নাম NaCl - সোডিয়াম ক্লোরাইড

টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট। এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৭০৮.
ড্রাই সেল কোন ধরনের কোষ? 
  1. উভমুখী কোষ 
  2. প্রাইমারি কোষ 
  3. সেকেন্ডারি কোষ 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কোষ 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: 
- যে কোষে রাসায়নিক জারণ বিজারণ বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে পরিণত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। 
যেমন- ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ। 

২। সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ: 
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। 
যেমন- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭০৯.
কোন অধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী?
  1. টাইটেনিয়াম
  2. গ্রাফাইট
  3. ক্লোরিন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
গ্রাফাইট একটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
অধাতু:
- যেসব মৌলিক পদার্থ সাধারণত নরম, অ-চকচকে, স্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর হয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে।
- কার্বন, সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।

কিন্তু,
- কার্বন দানাদার রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে
- বিদ্যুৎ পরিবহনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে - কার্বন পরমাণুর চারটি যােজ্যতা ইলেক্ট্রনের মধ্যে তিনটি ইলেক্ট্রন তিনটি কার্বন পরমাণুর সাথে বন্ধন সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয়।
- অপর ইলেক্ট্রনটি মুক্ত থাকে।
- এ মুক্ত ইলেক্ট্রনগুলাে গ্রাফাইটের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

উৎস: নবম - দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও ব্রিটিনিকা।
৭১০.
How fast should an intercontinental ballistic missile be launched to leave Earth permanently?
  1. 11.2 kmh- 1
  2. 11.2 ms- 1
  3. 1.2 Kms- 1
  4. 9.8 ms- 2
  5. 11.2 Kms- 1
সঠিক উত্তর:
11.2 Kms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 Kms- 1
ব্যাখ্যা
• আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলকে (ICBM) ১১.২ Kms-1 বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসবে না। 

• মুক্তি বেগ:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তিবেগ (Escape velocity) বলা হয়।

• মুক্তি বেগ বা তার বেশি বেগে কোন বস্তুকে নিক্ষেপ করা হলে সেটি আর পৃথিবীতে ফিরে না এসে পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিন করতে থাকে।
- মুক্তি বেগের মান হলো ১১.২ কি.মি./সেকেন্ড বা ১১.২ Kms-1
- আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) কে মুক্তি বেগে উৎক্ষেপণ করা হলে সেটি পৃথিবীর অভিকর্ষকে অতিক্রম করে চলে যাবে , ফলে সেটি আর ফেরত আসবে না। 

• সাধারণত আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) এর গতিবেগ হয় প্রতি সেকেন্ডে ৬ থেকে ৯ কিলোমিটার। 
- মুক্তিবেগ থেকে এই বেগ কম হওয়ায় তা আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- কিন্তু তা ১১.২ কিলোমিটার/সেকেন্ড বা তার বেশি বেগ প্রাপ্ত হলে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১১.
যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহিত হতে পারে, তাদেরকে কী বলে? 
  1. পরিবাহী
  2. অপরিবাহী
  3. কুপরিবাহী
  4. অর্ধপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী
ব্যাখ্যা
পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই আধান বা তড়িৎ এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 

অর্ধপরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
- এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলত প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে কী ব্যবহৃত হবে?
  1. ক) প্লুটোনিয়াম
  2. খ) ইউরেনিয়াম
  3. গ) ডিউটোরিয়াম
  4. ঘ) পলোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানি হচ্ছে ইউরেনিয়াম।
- বর্তমানে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন মাধ্যমগুলোর একটি হচ্ছে পরমাণু বিদ্যুৎ।
- পৃথিবীতে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগে।
- বর্তমানে ৩১টি দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। 
- ৪৫০০ টন উচ্চ গ্রেডের কয়লা থেকে যে পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়, সেই একই পরিমাণ শক্তি মাত্র ১ কেজি ইউরেনিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 
- দীর্ঘ মেয়াদে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা হিসেবে সারাবিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত।
- আর এজন্যই পৃথিবীর সব উন্নত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এটি।

উৎস: rooppurnpp.gov.bd
৭১৩.
পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
  1. ক) স্বর্ণ
  2. খ) হীরা
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম।
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭১৪.
কার্বনের পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ১০
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা
- কার্বন (Carbon) এর প্রতীক C ;
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ ;
- এর পারমাণবিক ভর ১২ ;

উৎস: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
৭১৫.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
সাধারণভাবে বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭৮.০২%, অক্সিজেন ২০.৭১%, আর্গন ০.৮০%, জলীয়বাষ্প ০.৪১% এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।
সুতরাং বলা যায়, সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৭১৬.
অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যম দিয়ে আলো কোন প্রক্রিয়ায় চলে? 
  1. বিচ্ছুরণ
  2. অপবর্তন
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ব্যতিচার
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে, এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে বিকিরণআলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭১৭.
একটি বালিকা দোলনায় বসে দোল খাচ্ছে, সে দোলনায় উঠে দাঁড়ালে দোলনকালের কী পরিবর্তন ঘটবে?
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. শূন্য হবে
  4. পরিবর্তন হবে না
সঠিক উত্তর:
কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমবে
ব্যাখ্যা
দোলনকাল (Time Period) :
একটি পূর্ণদোলনের জন্য কোনো কণা যে সময় নেয় তাকে পর্যায়কাল বা দোলনকাল (T) বলা হয় । এর মাত্রা হলো সময়ের মাত্রা T এবং একক হলো সেকেন্ড (s)।
 
আমরা জানি, সরল দোলকের ক্ষেত্রে, T ∝ √L, যেখানে L = কার্যকরী দৈর্ঘ্য। 

বালিকা দোলনায় উঠে দাঁড়ালে কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে যাবে, ফলে দোলনকাল কমে যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৭১৮.
কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আকাশে পানির কনা জমে যায় এবং শিলা আকারে পৃথিবীতে নেমে আসে?
  1. -8° C
  2. -20° C
  3. -50° C
  4. -60° C
সঠিক উত্তর:
-20° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-20° C
ব্যাখ্যা

• আকাশে পানি কণার জমে যাওয়ার তাপমাত্রা নির্ভর করে মূলত বাতাসের তাপমাত্রা এবং পানির অবস্থা (তরল বা বাষ্প) এর উপর। সাধারণত, তাপমাত্রা -8°C থেকে -10°C-এর মধ্যে হলে ছোট ছোট পানি কণাগুলো বরফে পরিণত হতে শুরু করে। তবে, যখন শিলা বা বরফের আকারে পৃথিবীতে বৃষ্টি বা তুষার নামে নেমে আসে, তখন এটি অনেক কম তাপমাত্রায় ঘটে। সাধারণ আবহাওয়াগত গবেষণায় দেখা যায়, বৃষ্টির পানি বা ধূলিকণার চারপাশে বরফ গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় প্রায় -20°C তাপমাত্রা। তাই আকাশে পানি কণা জমে শিলা বা বরফ আকারে পৃথিবীতে নেমে আসার জন্য সবচেয়ে সঠিক তাপমাত্রা হলো খ) -20° C। এটি মূলত বরফবীজণ প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে।
 
• আকাশে পানির কনা জমে শিলা আকারে পৃথিবীতে পড়া (Hail Formation):
- যখন মেঘের ভেতরে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামে, তখন পানির কণা জমে কণা আকারে বরফে পরিণত হয়।
- সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় পানি খুব দ্রুত জমে এবং বড় বড় বরফের টুকরা (শিলা) তৈরি হয়।
- বরফের এই শিলাগুলি মেঘের ভেতরের বাতাসের প্রবাহের কারণে উপরের দিকে ওঠানামা করতে থাকে এবং আরও বরফ জমতে থাকে।
- যেহেতু এই প্রক্রিয়ার জন্য তাপমাত্রা খুব নিম্নে (-20° C) থাকা প্রয়োজন, তাই শিলা আকারে বরফ পৃথিবীতে পড়ে।
- বরফের শিলার আকার এবং ওজন মেঘের ভেতরের তাপমাত্রা ও বাতাসের গতির উপর নির্ভর করে।

সুতরাং, আকাশে পানির কনা জমে শিলা আকারে পৃথিবীতে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হলো -20° C।  
সঠিক উত্তর: খ) -20° C

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৭১৯.
পৃথিবীতে কোন বস্তুর মুক্তিবেগের মান কত?
  1. ক) 1.7 kms-1
  2. খ) 5.4 kms-1
  3. গ) 11.2 kms-1
  4. ঘ) 21.9 kms-1
সঠিক উত্তর:
গ) 11.2 kms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 11.2 kms-1
ব্যাখ্যা
সংজ্ঞা:
- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে খাড়া ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সে বেগকে মুক্তিবেগ বলে।

মুক্তিবেগের মান:
- কোনো বস্তুকে এমন গতিশক্তি দিতে হবে যাতে সেটি পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যেতে পারে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুকে অসীমে নিয়ে যেতে যে কাজ করতে হবে বস্তুটিকে নিক্ষেপের সময় সে গতিশক্তি প্রদান করতে হবে। এরূপ গতিশক্তি অর্জন করতে যে বেগ দিতে হবে তাই মুক্তিবেগ Ve
- পৃথিবীর মুক্তিবেগের মান 11.2 kms-1
অর্থাৎ, কোন বস্তুকে এই বেগে নিক্ষেপ করলে তা পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ড. শাহজাহান তপন। 
৭২০.
কোনো পানির BOD মান যত বেশি হয়, তখন- 
  1. পানি ক্ষারীয় হয় 
  2. পানি বেশি দূষিত হয় 
  3. পানি কম দূষিত হয় 
  4. পানি নিরপেক্ষ হয় 
সঠিক উত্তর:
পানি বেশি দূষিত হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি বেশি দূষিত হয় 
ব্যাখ্যা

BOD: 
- BOD এর পূর্ণ রূপ হলো Biological Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, BOD এর বাংলা অর্থ হলো জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত পচনযোগ্য জৈব দূষককে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির BOD বলে। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

COD: 
- COD এর পূর্ণরূপ হলো Chemical Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। 
- কোনো পানির COD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

- BOD ও COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা, পানিতে উপস্থিত শুধু জৈব বস্তুকে ভাঙতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ হলো BOD। অপরদিকে, সকল জৈব ও অজৈব দূষক তা অণুজীব দ্বারা পচনযোগ্য হোক বা না হোক তাদের রাসায়নিকভাবে সম্পূর্ণরূপে জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। সুতরাং, একই পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২১.
মিথান্যালের জলীয় দ্রবণকে কী বলে? 
  1. ভিনেগার
  2. মেথিলেটেড স্পিরিট
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট
  4. ফরমালিন
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
ব্যাখ্যা
ফরমালিন: 
- মিথান্যালের জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 
- পরিমাণ হিসেবে 40% মিথান্যাল, 52% পানি ও 8% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে। 

ভিনেগার: 
- 6 -10% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। 

রেকটিফাইড স্পিরিট: 
- 95.6% ইথানল ও 4.4% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 

মেথিলেটেড স্পিরিট: 
- ইথানলকে পানের অযোগ্য বা অসেবনীয় করার উদ্দেশ্যে রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল মিশ্রিত করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

পাওয়ার অ্যালকোহল: 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে 30% ইথানলকে যোগ করে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২২.
পানি কোন তাপমাত্রায় বরফে পরিণত হয়?
  1. ০ °C
  2. ৪ °C
  3. ৩৯ °C
  4. ১০০ °C
সঠিক উত্তর:
০ °C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ °C
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। 
- ৪°C সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
০°C তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হয়। 
- ১০০°C সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১গ্রাম/সি.সি. বা ১০০০ কেজি/মিটার৩। 
- ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি; বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৭২৩.
কোন ক্ষেত্রে কাজের পরিমাণ 1 জুল হবে? 
  1. 2 N বল প্রয়োগ করে 2 m সরণ সৃষ্টি হলে 
  2. 1 N বল প্রয়োগ করে 1 m সরণ সৃষ্টি হলে 
  3. 1 N বল প্রয়োগ করে 2 m সরণ সৃষ্টি হলে 
  4. 2 N বল প্রয়োগ করে 1 m সরণ সৃষ্টি হলে
সঠিক উত্তর:
1 N বল প্রয়োগ করে 1 m সরণ সৃষ্টি হলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 N বল প্রয়োগ করে 1 m সরণ সৃষ্টি হলে 
ব্যাখ্যা

কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে বল এবং সরণ এই দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই।
- কাজের মাত্রা, [W] = ML2T-2 । 

কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়। 
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। 
অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J) বলা হয়। এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৪.
ট্রানজিস্টর কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. একমুখীকরণে
  2. বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করতে
  3. বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
  4. উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরে
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র যা মূলত দুর্বল সংকেতকে শক্তিশালী করতে (বিবর্ধক বা Amplifier) এবং ইলেকট্রনিক সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে (সুইচ বা Switch) ব্যবহৃত হয়।

• ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। 
যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- একমুখীকরণে বা এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করতে মূলত ডায়োড ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করতে ধারক বা ক্যাপাসিটর ব্যবহৃত হয় যা বৈদ্যুতিক আধান ধরে রাখে।
- উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে রূপান্তরে ট্রান্সফর্মার (Step-down) ব্যবহার করা হয় যা মূলত এসি বিভব পরিবর্তন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৫.
বলের মাত্রা কোনটি?
  1. ML2T2
  2. ML2T-1
  3. ML2T-3
  4. MLT-2
সঠিক উত্তর:
MLT-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MLT-2
ব্যাখ্যা
• বলের মাত্রা MLT-2.

• মাত্রা:
- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- L কে দৈর্ঘ্যের মাত্রা, M কে ভরের মাত্রা, T কে সময়ের মাত্রা বলে।
- যেমন, বল = ভর × ত্বরণ। সুতরাং, বলের মাত্রা MLT-2.

- কাজের মাত্রা ML2T-2.
- শক্তির মাত্রা ML2T-2.
- টর্কের মাত্রা ML2T-2.
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3.

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৬.
গাঢ় নাইট্রিক এসিড কোন রঙের কাচের বোতলে রাখা হয়?
  1. কালো
  2. সাদা
  3. বাদামি
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
বাদামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদামি
ব্যাখ্যা
গাঢ় নাইট্রিক এসিড: 
- নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে পানিতে দ্রবীভূত করে নাইট্রিক এসিড তৈরি করা হয়। 
- কম পরিমাণ পানিতে অধিক পরিমাণে NO2 গ্যাস দ্রবীভূত করে গাঢ় নাইট্রিক এসিড HNO3 তৈরি করা হয়। 
3NO2 + H2O → 2HNO3 + NO 

- গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বোতলের মুখ খুললে হালকা কুয়াশার মতো গ্যাস বের হয় এবং তীব্র ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়া যায়। 
- গাঢ় নাইট্রিক এসিড যে কাচের বোতলে রাখা হয় সেই বোতলের বর্ণ বাদামি হয়। 
- নাইট্রিক এসিড যে বাদামি কাচের বোতলে রাখা হয় সেই কাচের বোতলের মধ্যে যদি আলো প্রবেশ করে তবে বোতলের মধ্যের HNO3 আলোর উপস্থিতিতে ভেঙে যায়। 
- HNO3 যাতে আলোর উপস্থিতিতে বোতলের মধ্যে ভেঙে না যায় সেজন্য HNO3 কে বাদামি বোতলের মধ্যে রাখা হয়, কারণ বাদামি বোতলের মধ্যে আলো প্রবেশ করতে পারে না। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭২৭.
1 µF কত ফ্যারাডের সমান?
  1. 10-3 F
  2. 10-6 F
  3. 10-9 F
  4. 10-12 F
সঠিক উত্তর:
10-6 F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-6 F
ব্যাখ্যা
ধারক (Capacitor): 
- কোনো বস্তুকে তাপ দিলে বস্তু তাপ ধারণ করে রাখে, তাই বস্তুকে তাপ ধারক বলা যায়। তেমনি যে বস্তু আধান ধারণ অর্থাৎ সঞ্চয় করে রাখে, তাকে আধান ধারক বা শুধু ধারক বলে। 
- পাত্রে পানি ঢাললে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, কোনো বস্তুকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তেমনি কোনো বস্তুতে আধান প্রদান করলে বস্তুর বিভব বৃদ্ধি পায়। 
- যে পরিমাণ আধান প্রদান করলে একটি বস্তুর বিভব 1V বৃদ্ধি পায় তাকে তার ধারকত্ব বলে। 
- ধারকত্বকে C দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ধারকত্বের একক ফ্যারাড (F)। 
ধরা যাক, একটি বস্তুতে q পরিমাণ আধান প্রদান করায় বস্তুটির বিভব হলো V । তাহলে বস্তুটিতে 1 বিভব বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় আধানের পরিমাণ বা বস্তুর ধারকত্ব, C = q/V 
সুতরাং 1(F) = 1(C)/1(V) = 1CV-1
- ধারকের একক ফ্যারাড (F) একটি বেশ বড় একক। এজন্য এর কতগুলো ছোট একক ব্যবহার করা হয়। 
১. 1 µF (মাইক্রো ফ্যারাড) = 10-6 F
২. 1 nF (ন্যানো ফ্যারাড) = 10-9 F এবং 
৩. 1 pF (পিকো ফ্যারাড) = 10-12 F. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৮.
নাইটিনল হলো -
  1. ক) এক ধরনের সংকর ধাতু
  2. খ) এক ধরনের এন্টিবায়োটিক
  3. গ) এক ধরনের আলোক যন্ত্র
  4. ঘ) একটি বিষাক্ত গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক) এক ধরনের সংকর ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক ধরনের সংকর ধাতু
ব্যাখ্যা
নাইটিনল হলো সংকর ধাতু যা নিকেল ও টাইটিনিয়ামের সমান আণবিক অনুপাতে তৈরী।
এটি নিকেল টাইটিনিয়াম নামেও পরিচিত।

নাইটিনল সংকর ধাতুটি দুটি খুবই অনন্য ও খুবই কাছাকাছি সম্পর্কযুক্ত ধর্ম প্রদর্শন করে।

১) আকৃতি ধরে রাখার অনন্য ক্ষমতা যাকে  Shape Memory বলে।
Shape memory হচ্ছে বিশেষ ধরনের বৈশিষ্ট যা নাইটিনলকে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পরিসরে তার আকৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে। নাইটিনল দিয়ে কোনো কিছু তৈরীর সময় নির্দিষ্ট আকৃতি দেওয়ার ক্ষত্রে তাপমাত্রা খুব বড় প্রভাবক। তৈরির সময়ের এই তাপমাত্রাকে রুপান্তরক তাপমাত্রা বলে।

২) বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা ( superelasticity বা pseudoelasticity)
নাইটিনলের বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা একটি ক্ষুদ্র তাপমাত্রার পরিসরে হয়ে থাকে যা এর রুপান্তর তাপমাত্রার বেশি। এই কারণেই বাঁকা তার টি এই রুপান্তর তাপমাত্রার বেশি তাপমাত্রার গরম পানিতে দেওয়ার ফলে সোজা হয়।

সূত্রঃ The Story of Nitinol: The Serendipitous Discovery of the Memory Metal and Its Applications;
৭২৯.
একটি বাল্বে '40W – 120V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম?
  1. 160 ohm
  2. 30 ohm
  3. 360 ohm
  4. 480 ohm
সঠিক উত্তর:
360 ohm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
360 ohm
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাল্বে '40W – 120V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম?

সমাধান: 
এখানে,
বিভব পার্থক্য, V = 120V
ক্ষমতা, P = 40 W
রােধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
⇒ R = V2/P
⇒ R = (120 × 120)/40
∴ R = 360 ohm
৭৩০.
এস্টারের কার্যকরী মূলক নিচের কোনটি?
  1. ক) -CHO
  2. খ) -CO
  3. গ) -OH
  4. ঘ) -COOR
সঠিক উত্তর:
ঘ) -COOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) -COOR
ব্যাখ্যা
এস্টার
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে।
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -COOR
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধিযুক্ত হয়। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে।
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়।
- তেল, চর্বি, আঠা, সেলুলোজ, রঙ, ভার্ণিশ ইত্যাদির দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়।
- বিউটাইল অ্যাসিটেট 'পেনিসিলিন' -এর দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩১.
6 Ω, 8 Ω ও 9 Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ কত হবে? 
  1. 0.5 Ω
  2. 5.0 Ω
  3. 23 Ω
  4. 25 Ω
সঠিক উত্তর:
23 Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
23 Ω
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6 Ω, 8 Ω ও 9 Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ কত হবে? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
রোধ, R1 = 6 Ω, 
রোধ, R2 = 8 Ω এবং 
রোধ, R3 = 9 Ω 

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 6 Ω + 8 Ω + 9 Ω 
= 23 Ω 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩২.
সুপরিবাহী পদার্থে valence band এবং conduction band -
  1. আলাদা থাকে
  2. ওভারল্যাপ থাকে
  3. অনেক দূরে থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ওভারল্যাপ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওভারল্যাপ থাকে
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী পদার্থ। 

সুপরিবাহী পদার্থে বৈশিষ্ট্য: 
- পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ, Ep এর মান শূন্য হয়। 
- এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে বা ওভারল্যাপ থাকে, কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। 
- এই উপরিলেপনের জন্য পরিবাহীর দুই প্রান্তে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩৩.
অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. বিবর্ধক কাঁচ
  2. দূরবীক্ষণ যন্ত্রে
  3. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  4. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে
সঠিক উত্তর:
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে
ব্যাখ্যা
• লেন্স:
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অভিসারী বা উত্তল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে।
• উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ব্যবহার করা হয়।

২. অপসারী বা অবতল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে।
• অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৩৪.
কোন মৌলটি সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে অবস্থান করে?
  1. ক) সিলভার
  2. খ) টিন
  3. গ) কপার
  4. ঘ) গোল্ড
সঠিক উত্তর:
খ) টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টিন
ব্যাখ্যা
সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 


- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৩৫.
এভারেস্ট শৃঙ্গে মহাকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান আনুমানিক কত?
  1. 9.75 m/s2
  2. 9.83 m/s2
  3. 9.77 m/s2
  4. 9.91 m/s2
সঠিক উত্তর:
9.77 m/s2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.77 m/s2
ব্যাখ্যা
[পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে g-এর মান সামান্য কমে যায়। এভারেস্ট শৃঙ্গের উচ্চতা প্রায় ৮৮৪৯ মিটার, ফলে সেখানে এ-এর মান 9.77 m/s² এর কাছাকাছি হয়। উল্লেখ্য যে, বোর্ড বই অনুসারে এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 m/s2, যেহেতু অপশনে  9.81 m/s2 নেই তাই ব্রিটানিকা ও অন্যান্য উৎস অনুসারে 9.77 m/s² কে সঠিক উত্তর বলে বিবেচনা করা হয়েছে]

• অভিকর্ষ:

- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
• অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্ব নিম্ন প্রায় 9.78 m/s², মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 m/s²।
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 m/s2 ও সমুদ্র সমতলে প্রাপ্ত 9.75 m/s²।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে ৪-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। এই মান হচ্ছে 9.80665 m/s²।
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 m/s2

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।9.81 m/s2
৭৩৬.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ভরসংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা
  2. নিউক্লিয়ন সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা
  3. নিউট্রন সংখ্যা= ভরসংখ্যা + পারমাণবিক সংখ্যা
  4. নিউট্রন সংখ্যা= ভরসংখ্যা - পারমাণবিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা= ভরসংখ্যা + পারমাণবিক সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা= ভরসংখ্যা + পারমাণবিক সংখ্যা
ব্যাখ্যা
ভরসংখ্যা/ নিউক্লিয়ন সংখ্যা:

- কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত প্রোটন এবং নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ভরসংখ্যা বা নিউক্লিয়ন সংখ্যা বলে।
- অর্থাৎ, ভরসংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।
- ভরসংখ্যাকে 'A' অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।

ভর সংখ্যা এবং পারমাণবিক সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক:

- কোনো মৌলের পরমাণুতে যদি P সংখ্যক প্রোটন এবং N সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাহলে, 
- পরমাণুটির ভরসংখ্যা (A) = প্রোটন সংখ্যা (P) + নিউট্রন সংখ্যা (N)
- যেহেতু, প্রোটন সংখ্যা (P) = পারমাণবিক সংখ্যা (Z)
- অতএব, ভরসংখ্যা (A) = পারমাণবিক সংখ্যা (Z) + নিউট্রন সংখ্যা (N)
- অর্থাৎ, A = Z + N
- বা, Z = A - N

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন ১ম পত্র।
৭৩৭.
কোনটি সাবানকে শক্ত করে?
  1. ক) সোডিয়াম কার্বনেট
  2. খ) সোডিয়াম সিলিকেট
  3. গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম সালফেট
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা
- সাবান সাধারণত শক্ত এবং কোমল এই দুই শ্রেণীতে বিভক্ত।
- শক্ত সাবান তৈরিতে কষ্টিক সোডা এবং কোমল সাবান তৈরিতে কস্টিক পটাসের ব্যবহার হয়ে থাকে।
- সাধারণত তুলনামূলক শক্ত ধরনের সাবান তৈরীর জন্যে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (NaOH) এবং কোমল ধরনের সাবানের জন্যে পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH) ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও, সাবানকে শক্ত ও ভারী করার জন্য সোডিয়াম সিলিকেট (Na2SiO3) ব্যবহার করা হয়। তবে, এটা পরিমাণমত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যাতে বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সাধারণ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৩৮.
SMOG সাধারণত কোন উপাদান মিলিত হয়ে সৃষ্টি হয়?
  1. তুষারাবৃত এবং বাতাস
  2. বৃষ্টি ও বালি
  3. ধোঁয়া ও কুয়াশা
  4. শিশির ও বালি
সঠিক উত্তর:
ধোঁয়া ও কুয়াশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধোঁয়া ও কুয়াশা
ব্যাখ্যা
SMOG:
- SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস।
- 'SMOG' শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।

⇒ মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে।
- মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যানসার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: National Geographic Society.
৭৩৯.
ভূ চুম্বকের দক্ষিণ মেরু কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের দক্ষিণে ভিকটোরিয়া অঞ্চলে
  2. খ) কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে
  3. গ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) দক্ষিণ চীন সাগরে
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে
ব্যাখ্যা
১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের পারিবারিক চিকিৎসক ড.গিলবার্ট বিভিন্ন পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি চুম্বক। সাধারন চুম্বকের মতো এর দুটি মেরু আছে। দক্ষিণ মেরু কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীকে এবং উত্তর মেরু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের দক্ষিণে ভিকটোরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। পদার্থ বিজ্ঞানের যে শাখায় পৃথিবীর চুম্বকত্ব এবং এতদসংক্রান্ত  বিভিন্ন বিষয় জানা যায় তাকে ভূ-চুম্বকত্ব বা পৃথিবীর চৌম্বকত্ব বলে ।

সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি প্রোগ্রাম
৭৪০.
কোনটি অর্ধ-পরিবাহী (Semi-conductor) নয়?
  1. ক) লোহা
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) জার্মেনিয়াম
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লোহা
ব্যাখ্যা
- অর্ধপরিবাহী বস্তু হলাে সেই বস্তু যার পরিবাহকত্ব অন্তরকের চেয়ে বেশি কিন্তু পরিবাহকের তুলনায় কম।
- সিলিকন, জার্মেনিয়াম, গ্যালিয়াম, আর্সেনাইড, ক্যাডমিয়াম সালফাইড প্রভৃতি বস্তু সচরাচর অর্ধপরিবাহী রূপে ব্যবহৃত হয়।
- লােহা একটি ধাতু যা তড়িৎ পরিবাহী।
৭৪১.
গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. এর ভর ও চার্জ আছে 
  2. এটি আলোর গতির সমান বেগে চলে 
  3. এটি ইলেকট্রিক ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় 
  4. এটি অণু-পরমাণু আয়নিত করতে পারে না 
সঠিক উত্তর:
এটি আলোর গতির সমান বেগে চলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি আলোর গতির সমান বেগে চলে 
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মির বেগ সব সময় আলোর বেগের সমান। 

গামা রশ্মি (Gamma Ray): 

- গামা রশ্মি আসলে একটি শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- এ গামা রশ্মির শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের হয়ে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪২.
সরল ছন্দিত গতি সম্পন্ন বস্তু কী ধরনের পথ অনুসরণ করে?
  1. বৃত্তাকার
  2. পরাবৃত্তাকার
  3. সরলরৈখিক
  4. অবিচলিত
সঠিক উত্তর:
সরলরৈখিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরলরৈখিক
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি: 
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। 
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচে গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ। 

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য: 
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি। 
৩. এটি সরল রৈখিক গতি। 
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক। 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৩.
নিউট্রনের প্রকৃত ভর কত?
  1. ৯.১০৮৫ x ১০-২৮ গ্রাম
  2. ১.৬৭৫ x ১০-২৪ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
১.৬৭৫ x ১০-২৪ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৬৭৫ x ১০-২৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
একটি নিউট্রনের আপেক্ষিক ভর ১, আপেক্ষিক আধান ০, প্রকৃত ভর ১.৬৭৫ x ১০-২৪ গ্রাম, প্রকৃত চার্জ ০ কুলম্ব এবং অবস্থান হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৭৪৪.
SMOG হচ্ছে-
  1. ক) সিগারেটের ধোঁয়া
  2. খ) কুয়াশা
  3. গ) কালধোঁয়া
  4. ঘ) দূষিত বাতাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) দূষিত বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দূষিত বাতাস
ব্যাখ্যা
SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস। 

- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে। মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

সূত্র- National Geographic Society [লিঙ্ক]
৭৪৫.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটে কোন তত্ত্বের মধ্য দিয়ে? 
  1. হাইজেনবার্গ এর অনিশ্চয়তাবাদ তত্ত্ব
  2. প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  3. আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব দুটি পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাপিয়ে দেয়। 
- দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। 
- কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলাে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়। 
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘটে ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে, এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালাে বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। 
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৭৪৬.
তারের কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে তার চারপাশে কী তৈরি হয়?
  1. রোধকত্ব
  2. চৌম্বকক্ষেত্র
  3. তড়িৎপ্রবাহ
  4. কিছুই ঘটে না
সঠিক উত্তর:
চৌম্বকক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বকক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
• যখন কোনো তার বা কুণ্ডলীতে (coil) দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ (electric current) চালানো হয়, তখন তার চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field) তৈরি হয়।
-   এটি একটি মৌলিক ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ঘটনা, যা অ্যাম্পিয়ারের নিয়ম (Ampere’s Law) ও অয়েরস্টেড পরীক্ষণ  (Oersted’s Experiment)-এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।

আবার, 
• ফারাডের গবেষণা অনুযায়ী, কুণ্ডলীর আশপাশে চৌম্বকক্ষেত্র পরিবর্তন করলে তাতে তড়িৎপ্রবাহ উৎপন্ন হয়।
-  ঠিক উল্টোভাবে, কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ চালালে তার চারপাশে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হয়।
- যখন কুণ্ডলীর মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন এটি একটি চুম্বকের মতো আচরণ করে। 

• এটি আবার দুইরকম হয়। যেমনঃ

→ একটি সোজা কুণ্ডলীতে বিদ্যুৎ চালালে তার ভেতরে একটি সুষম এবং শক্তিশালী চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়।
→ এর ভেতরে একটি লৌহ দণ্ড (iron core) দিলে এটি একটি শক্তিশালী অস্থায়ী চুম্বকে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় ইলেক্ট্রোম্যাগনেট (Electromagnet)।
→  বৈদ্যুতিক মোটর, ট্রান্সফরমার, জেনারেটর ইত্যাদি যন্ত্রে চৌম্বকক্ষেত্র ব্যবহার হয়।


তথ্যসূত্র: 
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
৭৪৭.
নিম্নের কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) তামা
  4. ঘ) রাবার
সঠিক উত্তর:
গ) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তামা
ব্যাখ্যা
তামা হচ্ছে একটি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎপ্রবাহ চলাচল করতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
যেমন– তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবহনের জন্য কোন মুক্ত ইলেকট্রন নেই, সেগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ ইত্যাদি। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৪৮.
নিচের কোন শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়? 
  1. খনিজ তেল
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. সৌর শক্তি
  4. কয়লা
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, তাই এটি বারবার ব্যবহার করা সম্ভব এবং পরিবেশের জন্য নিরাপদ। 

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:  
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা- 
১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। 
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়। 
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না। 
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। 
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৯.
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ X-ray এর চার্জ -
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
এক্সরের ধর্মঃ
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫০.
কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল নয়?
  1. F
  2. Br
  3. Cl
  4. O
সঠিক উত্তর:
O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন: 
- পর্যায় সারণির 17 তম গ্রুপের মৌলগুলো হ্যালোজেন নামে পরিচিত। 
- F, Cl, Br, I ও At এ পাঁচটি মৌল এ গ্রুপের মৌল। 
- হ্যালোজেন শব্দের অর্থ লবণ গঠনকারী। 
- এরা প্রত্যেকেই অতিশয় সক্রিয় ও তড়িৎ ঋণাত্মক মৌল। 
- প্রত্যেকের সর্ববহি:স্থ শক্তিস্তরে 7টি করে ইলেকট্রন বর্তমান থাকায় অতিরিক্ত একটি ইলেকট্রন লাভ করার প্রবণতা যথেষ্ঠ  থাকে। 
- প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে হ্যালাইড আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হয়ে হাইড্রোজেন হ্যালাইড যৌগ গঠন করে। 
- হাইড্রোজেন হ্যালাইড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিডে পরিণত হয়। 
- এরা তীব্র জারক। 

অন্যদিকে, 
- অক্সিজেন (O) হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল নয়, এটি গ্রুপ-16 এর মৌল

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫১.
পুকুরের পানির ঢেউ এর প্রকৃতি এর ক্ষেত্রে নিন্মের কোনটি অধিক প্রযোজ্য? 
  1. ক) পর্যাবৃত্ত
  2. খ) অধিবৃত্তাকার
  3. গ) বৃত্তাকার
  4. ঘ) উপবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
ক) পর্যাবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্যাবৃত্ত
ব্যাখ্যা
কোনো বস্তু নির্দ্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অতিক্রম করলে যে গতি উৎপন্ন হয় তাকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে ।
পর্যায় গতিসম্পন্ন বস্তু বা বস্তু কণার একই দিক থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুটি অতিক্রম করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
পর্যাবৃত্ত গতি দু' ধরণের। ঘুর্ণন গতি ও স্পন্দন গতি।
৭৫২.
তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কোন যন্ত্র তৈরি করা হয়?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. জেনারেটর
  4. ফিউজ
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক আবেশঃ

কোনো বদ্ধ কুন্ডলী এবং কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকলে ঐ কুন্ডলীতে
একটি আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে।

যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে। তড়িৎ
চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৫৩.
কোনটি মিথ্যা?
  1. ক) অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল
  2. খ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন
  3. গ) অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না
  4. ঘ) গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ
ব্যাখ্যা
পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।
১. অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
২. অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে।
৩. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
৪. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
৫. অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না।
মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
১. সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
২. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৫৪.
কোন আলোকরশ্মি ত্বকে ভিটামিন 'ডি' তৈরিতে সাহায্য করে?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) এক্স রশ্মি
  3. গ) বিটা রশ্মি
  4. ঘ) আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি
ব্যাখ্যা
Vitamin D is a hormone, not a vitamin. The skin is responsible for producing vitamin D. During exposure to sunlight, ultraviolet radiation penetrates into the epidermis and photolyzes provitamin D3 to previtamin D3.
Source:ncbi.nlm.nih.gov
৭৫৫.
​মাটির এসিডিটি কমাতে কোন লবণ ব্যবহার করা হয়? 
  1. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট 
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
  3. সোডিয়াম গ্লুটামেট 
  4. পটাসিয়াম নাইট্রেট 
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট 
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ। 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর বা ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। 
যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NHNO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), সিলভার সালফেট (Ag2SO4), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৫৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সর্বাধিক হয়?
  1. শূন্য
  2. কঠিন
  3. তরল
  4. গ্যাস
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।

শব্দের বেগ:
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন-ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন-পানি) হয়।
-বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।

  উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৫৭.
নিচের কোনটির জন্য UHF তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
  1. স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার
  2.  রেডিও ব্রডকাস্টিং
  3. মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  4.  হেডফোন সিগন্যাল
সঠিক উত্তর:
স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার
ব্যাখ্যা

স্যাটেলাইট টেলিভিশন সম্প্রচার:
- UHF (Ultra High Frequency) 
তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রিকোয়েন্সি 300 MHz থেকে 3 GHz পর্যন্ত, যা টেলিভিশন সম্প্রচার এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

রেডিও ব্রডকাস্টিং:
- সাধারণ FM/AM রেডিও ব্রডকাস্টিং VHF (Very High Frequency) বা HF (High Frequency) ব্যান্ড ব্যবহার করে।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন: 
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন 2.4 GHz বা তার আশেপাশের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে।
- এই ফ্রিকোয়েন্সি জল অণুগুলোর কম্পন ঘটাতে সক্ষম, যার ফলে খাবার গরম হয়।

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

৭৫৮.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয়তার একক নয়?
  1. কুরী
  2. বেকেরেল
  3. টেসলা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
টেসলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেসলা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকেরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার আরো একটি একক রয়েছে কুরী

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
(১) তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা । তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
(২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
(৩) তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
(৪) উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৯.
জারণ-বিজারণ একটি -
  1. প্রশমন বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. বিয়োজন বিক্রিয়া
  4. যুগপৎ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যুগপৎ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগপৎ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।

• জারণ অর্ধবিক্রিয়া Na0 → Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
• বিজারণ অর্ধবিক্রিয়াCl0 + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এই দুই অর্ধবিক্রিয়াকে যোগ করলে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া পাওয়া যায়।
• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: Na0 + Cl0 → Na+ + Cl- → NaCl

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণী।
৭৬০.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলার গ্রহের গতির তিনটি সূত্র দিয়েছিলেন:
১। প্রতিটি গ্রহ সূর্যকে ফোকাসে রেখে নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে । যাকে উপবৃত্তের সূত্র বলা হয় ।
২। সূর্য এবং গ্রহের সংযোগকারী রেখা গ্রহের আবর্তনের সাথে সাথে সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। যাকে ক্ষেত্রফলের সূত্র বলা হয় ।
৩। একটি গ্রহের কক্ষীয় পর্যায়কালের বর্গ তার কক্ষপথের পরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক। যাকে পর্যায়কালের সূত্র বলা হয় ।
সূত্র: ''Kepler's Laws of Planetary Motion''

৭৬১.
কোন উপাদানটি পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়?
  1. ইউরেনিয়াম
  2. প্যারাফিন
  3. ক্লোরিন
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
প্যারাফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারাফিন
ব্যাখ্যা
• প্যারাফিন পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 

• জীবাশ্ম জ্বালানি:
- জীবাশ্ম জ্বালানি হল এক প্রকার জ্বালানি যা কয়েক মিলিয়ন বছর ধরে মৃত উদ্ভিদ এবং প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে তৈরি হয়।

• পেট্রোলিয়াম:

- পেট্রোলিয়াম (Petroleum) হলো একটি প্রাকৃতিক তরল জ্বালানি যা বিভিন্ন হাইড্রোকার্বন যৌগের মিশ্রণ।
- পেট্রোলিয়াম সাধারণত ৫০০০ ফুট বা তার চেয়েও গভীরে শিলা স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়।
- যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েল বলা হয়। 
- এই পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়। 
- এই অপরিশোধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে স্ফুটনাংকের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়। 

• পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত উপাদান:
- পেট্রোল, 
- ডিজেল, 
- কেরোসিন, 
- প্যারাফিন (Paraffin), 
- টার,
- গ্যাসোলিন, 
- বিটুমিন ইত্যাদি। 

• প্যারাফিন: 
- প্যারাফিন হলো এক প্রকারের মোম বা মোমের মতো পদার্থ, যা প্রধানত পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়। 
- প্যারাফিন একটি স্যাচুরেটেড হাইড্রোকার্বন (alkane)।
- এটি একটি হালকা জ্বালানিসমৃদ্ধ পদার্থ, যা মোম, জ্বালানিতে, ওষুধ তৈরিতে এবং কসমেটিকে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।
৭৬২.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য কোন শর্তটি প্রয়োজন?
  1. আলোকরশ্মি শুধুমাত্র তীর্যকভাবে প্রবেশ করবে
  2. আলোকরশ্মি যে কোনো মাধ্যমে যেতে পারে
  3. আলোকরশ্মি অবশ্যই হালকা মাধ্যমে থেকে ঘন মাধ্যমে যেতে হবে
  4. আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
সঠিক উত্তর:
আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে
ব্যাখ্যা

- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য যে শর্তটি প্রয়োজন তা হলো- আলোকরশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যমে থেকে হালকা মাধ্যমে যেতে হবে। 

পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: 
- এক জোড়া নির্দিষ্ট স্বচ্ছ সমসত্ব মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাবার সময় যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় তবে আলোক রশ্মি হালকা মাধ্যমে বিন্দুমাত্র প্রতিসৃত না হয়ে সম্পূর্ণরূপে বিভেদ তল দ্বারা ঘন মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, একে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
যথা- 
১। আলোক রশ্মি অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যেতে হবে। 
২। এক জোড়া নির্দিষ্ট সচ্ছ সমসত্ব মাধ্যম ও একটি নির্দিষ্ট বর্ণের আলোক রশ্মিকে সংকট কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৩.
আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. সান্দ্র বল
  2. ঘর্ষণজাত বল
  3. সংরক্ষণশীল বল
  4. অসংরক্ষণশীল বল
সঠিক উত্তর:
সংরক্ষণশীল বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংরক্ষণশীল বল
ব্যাখ্যা

- আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল বা প্রত্যায়নী বলকে সংরক্ষণশীল বল বলা হয়। কারণ, এই বল দ্বারা কাজ শুধুমাত্র বস্তুর আদি ও শেষ অবস্থানের ওপর নির্ভর করে, কোন পথে নেওয়া হয়েছে তার ওপর নয়; একটি পূর্ণচক্রে (যেখান থেকে শুরু সেখানেই ফিরে আসলে) এই বল দ্বারা কৃত কাজের পরিমাণ শূন্য হয় এবং যান্ত্রিক শক্তি সংরক্ষিত থাকে এবং স্প্রিংকে সংকুচিত বা প্রসারিত করতে যে কাজ করা হয়, তা বিভব শক্তি হিসেবে জমা থাকে এবং পরে তা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। 

সংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় তাকে সংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর সংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনে। 
উদাহরণ- অভিকর্ষজ বল, বৈদ্যুতিক বল, চৌম্বক বল, আদর্শ স্প্রিং-এর বিকৃতি প্রতিরোধী বল ইত্যাদি। 

অসংরক্ষণশীল বল: 
- কোনো বস্তু বা কণার উপর যে বল দ্বারা কৃত মোট কাজের পরিমাণ শূন্য হয় না তাকে অসংরক্ষণশীল বল বলা হয়। 
- বস্তু বা কণার উপর অসংরক্ষণশীল বল ক্রিয়াশীল হলে বস্তুটিকে বিভিন্ন পথে ঘুরিয়ে একটি পূর্ণচক্র সমাপ্ত করে এবং আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনলেও মোট কাজ শূন্য হয় না। 
উদাহরণ- ঘর্ষণ বল, সান্দ্র বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৪.
যদি m < 1 হয়, প্রতিবিম্ব কেমন হবে? 
  1. খর্বিত 
  2. বিবর্ধিত 
  3. লক্ষ্যবস্তুর সমান 
  4. অস্পষ্ট 
সঠিক উত্তর:
খর্বিত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর্বিত 
ব্যাখ্যা

রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৫.
তড়িৎ কোষে কোন পদার্থটি ইলেকট্রন প্রদান করে?
  1. অ্যানোড
  2. ক্যাথোড
  3. ইলেকট্রোলাইট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ কোষে (Electrochemical Cell)  অ্যানোড হলো একটি ইলেকট্রোড বা তড়িৎদ্বার যেখানে জারণ বা অক্সিডেশন ঘটে।
অর্থাৎ এখানে পদার্থ ইলেকট্রন প্রদান করে।
• সাধারণভাবে বলা যায়, 
অ্যানোড → অক্সিডেশন → ইলেকট্রন প্রদান

অন্যদিকে,
ক্যাথোড: ক্যাথোডে বিজারণ  (Reduction) ঘটে, যেখানে পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
  অর্থাৎ ,  ক্যাথোড → হ্রাস → ইলেকট্রন গ্রহণ

ইলেকট্রোলাইট: এটি আয়ন পরিবহন করে (যেমন: NaCl দ্রবণ), কিন্তু ইলেকট্রন প্রদান করে না।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৭৬৬.
যে তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. বিক্ষিপ্ত তাপ 
  2. বিকীর্ণ তাপ 
  3. পরিবাহী তাপ 
  4. তাপমাত্রিক তাপ 
সঠিক উত্তর:
বিকীর্ণ তাপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকীর্ণ তাপ 
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- সূর্য থেকে তাপ পাওয়া যায়। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৭.
মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা সর্বোচ্চ কত হার্জ?
  1. ক) ২০০ হার্জ
  2. খ) ২,০০০ হার্জ
  3. গ) ২০,০০০ হার্জ
  4. ঘ) ২০,০০,০০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ২০,০০০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০,০০০ হার্জ
ব্যাখ্যা
মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ থেকে ২০,০০০ হয়ে থাকে।

- এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে।
- কম্পাঙ্কের যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।
- যে শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না তাকে অশ্রাব্য শব্দ বলে। অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জের কম এবং ২০,০০০ হার্জের বেশি হয়। এ শব্দ কুকুর, বাদুড়, মাকড়সা ইত্যাদি প্রাণী শুনতে পায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭৬৮.
বয়েলের সূত্রে কোনটি অপরিবর্তিত থাকে?
  1. চাপ
  2. আয়তন
  3. তাপমাত্রা
  4. এনট্রপি
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
বয়েলের সূত্র: 
- ১৬৬২ সালে রবার্ট বয়েল এই সূত্রটি উপস্থাপন করেন। তাই এটি বয়েলের সূত্র বলে পরিচিত। 
- সূত্রটি হলো- "তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক"। 

ব্যাখ্যা: 
- এই সূত্রানুসারে, তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের তার আয়তন চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে তাপমাত্রা T, আয়তন V এবং চাপ p হলে; 
V ∞ 1/p  [যখন T স্থির থাকে] 
বা, pV = K  [এখানে K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক] 
- K এর মান গ্যাসের ভর এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
সুতরাং, যদি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন যথাক্রমে V1, V2, V3, V4......... Vn ইত্যাদি এবং চাপ যথাক্রমে P1, P2, P3, P4........ Pn ইত্যাদি হয় তাহলে, 
P1V1 = P2V2 = P3V3 = P4V4 .......= PnVn = ধ্রুবক (K) । 
- অতএব, চাপ দ্বিগুণ হলে আয়তন অর্ধেক হবে, চাপ তিনগুণ হলে আয়তন এক তৃতীয়াংশ হবে, বা চাপ অর্ধেক হলে আয়তন দ্বিগুণ হবে এভাবে একটি বাড়লে অন্যটি কমবে। 

এনট্রপি: 
- তাপগতিবিদ্যায় এনট্রপির গুরুত্ব অপরিসীম। 
- এনট্রপি একটি প্রাকৃতিক রাশি যার মান তাপ ও পরম তাপমাত্রার অনুপাতের সমান। 
- এটি বস্তুর একটি তাপীয় ধর্ম যা তাপ সঞ্চালনের দিক নির্দেশ করে। 
- এটি বস্তুর তাপগতীয় অবস্থা নির্ধারণে সহায়তা করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৭৬৯.
শিশিরাঙ্ক ১৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস বলতে বুঝায় -
  1. ক) ১৬ ডিগ্রীতে বায়ু সম্পৃক্ত হবে
  2. খ) ১৬ ডিগ্রীতে কুয়াশা জমা শুরু করবে
  3. গ) ১৬ ডিগ্রীতে বায়ুতে জলীয়বাষ্প থাকবেনা
  4. ঘ) ১৬ ডিগ্রীতে বায়ুতে আদ্রতা সবচেয়ে কম হবে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ ডিগ্রীতে বায়ু সম্পৃক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ ডিগ্রীতে বায়ু সম্পৃক্ত হবে
ব্যাখ্যা
 -শিশিরাঙ্ক: যে তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু উপস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারাই সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাই শিশিরাঙ্ক।

- সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু সর্বাধিক যে পরিমান জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে তাকেই সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প বলে।

- অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু সর্বাধিক যে পরিমান জলীয় বাষ্প ধারন করতে পারে তার থেকে কম থাকলে তাকেই অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প বলে।

সাধারনত বায়ু অসম্পৃক্ত অবস্থায় থাকে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা থেকে কম জলীয় বাষ্প থাকে। বায়ুকে সম্পৃক্ত করার উপায় হলো ২ টি।
১) জলীয় বাষ্পের পরিমান বাড়িয়ে দেয়া।
২) তাপমাত্রা কমিয়া দেয়া। কারন তাপমাত্রা কমলে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের ধারণক্ষমতা কমে যায়। তখন বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারাই বায়ু সম্পৃক্ত হয়ে যায়। সেই  তাপমাত্রাই শিশিরাঙ্ক।

অর্থাৎ, কোনো একদিন বায়ুর শিশিরাঙ্ক ১৬ ডিগ্রী বলতে বুঝায় ওইদিনের বায়ুর তাপমাত্রা কমিয়ে ১৬ ডিগ্রীতে আনলে বায়ু উপস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হবে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের পদার্থবিজ্ঞান বই।
৭৭০.
মেঘাচ্ছন্ন রাতে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কেন বেশি থাকে?
  1. মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
  2. বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকে না
  3.  ভূ-পৃষ্ঠ তাপ সৃষ্টি করে না
  4. রাতে সূর্য বিকিরণ বেশি থাকে
সঠিক উত্তর:
মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে
ব্যাখ্যা

- মেঘাচ্ছন্ন রাতে ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশি থাকে কারণ মেঘ বিকিরণ বন্ধ করে রাখে (বা আটকে রাখে); মেঘ একটি কম্বলের মতো কাজ করে, যা পৃথিবী থেকে নির্গত তাপকে মহাকাশে চলে যেতে বাধা দেয় এবং সেই তাপকে পুনরায় ভূপৃষ্ঠের দিকে প্রতিফলিত করে, ফলে রাত পরিষ্কার আকাশের চেয়ে উষ্ণ থাকে। 

মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমার কারণ: 
- সব সময়ই বিভিন্ন জলাশয়ের পানির বাষ্পায়ন ঘটছে। এই বাষ্পায়নের ফলে জলীয় বাষ্প সৃষ্টি হয় এবং তা বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। 
- বায়ুমণ্ডল সৃষ্ট জলীয় বাষ্প ধারণ করে। 
- দিনের বেলায় সূর্য তাপে বাতাস গরম থাকায় ঐ জলীয় বাষ্প দ্বারা বায়ুমণ্ডল সম্পৃক্ত হয় না। 
- রাতে ভূ-পৃষ্ঠ তাপ বিকিরণ করে শীতল হয় অর্থাৎ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমে যায়। তখন বাতাস ধারণকৃত জলীয়বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয় এবং তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের নিচে নেমে যায়, ফলে শিশির জমে। 
- রাতের আকাশে মেঘ থাকলে, মেঘমুক্ত রাতের থেকে তাপ বিকিরণ কম হয়। 
- তাপ বিকিরণ কম হওয়ায ভূ-পৃষ্ঠের বাতাসও তুলনামূলকভাবে কম ঠান্ডা হয়। 
- বাতাসে তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কের খুব নিচে যেতে পারে না, তাই কম শিশির জমে। 
অর্থাৎ, মেঘাচ্ছন্ন রাত্রি অপেক্ষা মেঘশূন্য রাত্রে শিশির বেশি জমে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭১.
আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?
  1. ক) মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
  2. খ) সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
  3. গ) বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
  4. ঘ) মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় সূর্য থেকে যে আলোকরশ্মি (তাপ ও আলো) বিকিরণ আকারে আসে তার তরঙ্গদৈর্ঘ্য হয় বেশ ছোট। এ কারণে তা খুব সহজেই বর্ষার মেঘ ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে চলে আসতে পারে।
- এই বিকিরণ ভূপৃষ্ঠে সহজে আসতে পারলেও প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে চলে যেতে পারে না। কারণ প্রতিফলন হবার সময়ে এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড় হয়ে যায় ফলে তখন আর সহজে মেঘ ভেদ করতে পারে না। সেগুলি মেঘের গায়ে ধাক্কা খেয়ে মাটির দিকে ফিরে আসে।
- এ কারণে মেঘলা দিনে/রাতে ভূপৃষ্ট থেকে বির্কীর্ণ তাপের একটা অংশ মেঘ ও মাটির মধ্যেকার বায়ুমন্ডলে আটকে পড়ার ফলে মাটি এবং তার লাগোয়া বাতাসের স্তর ঠান্ডা তো হয়ই না, বরং বেশ গরম হয়েই থাকে। এতে আবহাওয়ার উষ্ণতা বেড়ে যায় বলেই গরমটা বেশি লাগে।
- ফলে আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি এর অর্থ বাতাসে পানির পরিমাণ বেশি।
- বাতাস আর্দ্র থাকার কারণে আমাদের গরম লাগে যেটাকে সাধারণ ভ্যাপসা গরম বলা হয়ে থাকে।
৭৭২.
যে সংঘর্ষে ভরবেগ সংরক্ষিত হয়, কিন্তু গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় না, তাকে কী বলে?
  1. আংশিক সংঘর্ষ
  2. স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
  3. সম্পূর্ণ সংঘর্ষ
  4. অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
ব্যাখ্যা
• সংঘর্ষ:
- সংঘর্ষ হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে অতি অল্প সময়ের জন্য বৃহৎ কোনো বল ক্রিয়া করে বস্তুর গতির হঠাৎ ও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটায়।
- সাধারণত সংঘর্ষের সময় বস্তুর গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় কিনা, তার ওপর ভিত্তি করে সংঘর্ষকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:

• অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ:
- যে সংঘর্ষে ভরবেগ সংরক্ষিত হয়, কিন্তু গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় না, তাকে অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলা হয়।
- একটি রাবারের বল যদি দৃঢ় পাটাতনে আঘাত করে, তবে বলটির আকার বিকৃত হয় এবং এর গতিশক্তি হ্রাস পায়।
- এই কারণেই রাবারের বলের সাথে পাটাতনের সংঘর্ষটি অস্থিতিস্থাপক।
- যদি সংঘর্ষের পরে অংশগ্রহণকারী দুটি বস্তু একত্রে যুক্ত হয়ে একই বেগে চলতে থাকে, তবে সেটি পূর্ণভাবে অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলে বিবেচিত হয়।

• উদাহরণ:

- যখন একটি গুলি লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে এবং লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে ঢুকে পড়ে, তখন গুলি ও লক্ষ্যবস্তুর সংঘর্ষ অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ হয়।

• স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ:
- যে সংঘর্ষে ভরবেগ ও গতিশক্তি উভয়ই সংরক্ষিত থাকে, তাকে স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলে।উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭৩.
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে শক্তির কী ধরনের রূপান্তর হবে?
  1. ক) বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে
  2. খ) বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে
  3. গ) বিদ্যুৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে
  4. ঘ) বিদ্যুৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্যুৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিদ্যুৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর:
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।

কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

নিচে শক্তির রূপান্তরের আরো কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল -


বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: শক্তির উৎস ও রূপান্তর, এসএসসি, সাধারণ বিজ্ঞান।
৭৭৪.
কোন গ্যাসটি ঘনীভূত হয়ে 'ড্রাই আইস' বা 'শুষ্ক বরফে' পরিণত হয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

• কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসকে অতি শীতল ও উচ্চ চাপে রাখলে তা সরাসরি কঠিন বরফে রূপান্তরিত হয়। এই কঠিন রূপটি কোনো তরল না হয়েই সরাসরি গ্যাসে পরিণত হতে পারে বলে একে ড্রাই আইস বলা হয়।

• শুষ্ক বরফ:
- ড্রাই আইস তৈরিতে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 
- ড্রাই আইস হচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইডের শক্ত রূপ।
- ড্রাই আইসকে শুস্ক বরফ ও বলা হয়। 
- হিমায়ক হিসেবে ও স্টেজ শো-তে কুয়াশা তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- আইসক্রিম এর গাডিতে, হিমাগারে এবং পচনশীল ফলমুল,মাছমাংস সংরক্ষনে ব্যবহার করা হয়। 

সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৭৭৫.
এয়ার লক কোন ইঞ্জিনের ফুয়েল সিস্টেমে ঘটে?
  1. ক) পেট্রোল ইঞ্জিনের
  2. খ) ডিজেল ইঞ্জিনের
  3. গ) গ্যাস ইঞ্জিনের
  4. ঘ) EFI ইঞ্জিনের
সঠিক উত্তর:
খ) ডিজেল ইঞ্জিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিজেল ইঞ্জিনের
ব্যাখ্যা
Air lock or Diesel block: 
- ডিজেল ইঞ্জিনের সাকশন লাইনে এয়ার লক ঘটে।
- জ্বালানী ট্যাঙ্কের ডিজেল ট্যাঙ্ক থেকে সাকশন লাইনের মাধ্যমে প্রি ফিল্টারে প্রবাহিত হয়। সাকশন লাইন হল সিন্থেটিক রাবার দিয়ে তৈরি একটি টিউব।
- প্রি ফিল্টার থেকে, ডিজেল water separator-এ প্রবাহিত হয়।
- তারপর ফুয়েল ইঞ্জেকশন এ যায়।
- যদি কোনো কারনে ফুয়েলের সাথে এয়ার ফ্লো হয় তখন বায়ুর বুদবুদ এর কারনে ফুয়েল ইঞ্জেক্টর দিয়ে ঠিকমত ফুয়েল প্রবাহিত হতে পারে না।
- এয়ার লক এর ফলে ইঞ্জিনের পারফরমেন্স এ ঘাটতি দেখা দেয় এবং রানিং অবস্থায় বন্ধ হয়ে।
- ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- থ্রটল রেসপন্স কমে যায়। 

উৎস: আন্তর্জাতিক জার্নাল[Link]
৭৭৬.
কাজ ও বলের একক যথাক্রমে -
  1. নিউটন ও মিটার
  2. জুল ও ডাইন
  3. ওয়াট ও পাউন্ড
  4. প্যাসকেল ও কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
জুল ও ডাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল ও ডাইন
ব্যাখ্যা

SI পদ্ধতিতে কাজের একক জুল।
SI পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন।
C.G.S পদ্ধতিতে বলের একক ডাইন।

৭৭৭.
নিউটনের “Principia Mathematica” কোন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে?
  1. গ্রহ ও চন্দ্রের গতিবিধি নির্ধারণের গাণিতিক পদ্ধতি
  2. আলোর বেগ ও রঙের প্রকৃতি বিশ্লেষণ
  3. গতিশক্তি ও মহাকর্ষের তত্ত্ব সংজ্ঞায়িত করা এবং গণিতের মাধ্যমে প্রকাশ
  4. বৈদ্যুতিক ও চুম্বকীয় ক্ষেত্রের প্রাথমিক সূত্র
সঠিক উত্তর:
গতিশক্তি ও মহাকর্ষের তত্ত্ব সংজ্ঞায়িত করা এবং গণিতের মাধ্যমে প্রকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতিশক্তি ও মহাকর্ষের তত্ত্ব সংজ্ঞায়িত করা এবং গণিতের মাধ্যমে প্রকাশ
ব্যাখ্যা

• স্যার আইজ্যাক নিউটন ও তাঁর গ্রন্থ “Principia Mathematica” (১৬৮৭):
- স্যার আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার গ্রন্থ “Philosophiae Naturalis Principia Mathematica” প্রকাশ করেন। সংক্ষেপে এটিকে Principia Mathematica বলা হয়।
- এই গ্রন্থে তিনি পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্র এবং গণিতের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন।

• নিউটনের তিনটি মৌলিক গতিসূত্র (Laws of Motion):
- এই গ্রন্থে নিউটন তিনটি মৌলিক গতিসূত্র প্রবর্তন করেন:

- জড় বস্তু স্থির থাকে বা সমান গতিতে সরলরেখায় চলে যতক্ষণ বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগ হয় না।
- বাহ্যিক বল বস্তুতে এর ভর ও ত্বরণের সঙ্গে সমানুপাতিক।
- প্রতিটি ক্রিয়ার বিপরীত ও সমান প্রতিক্রিয়া থাকে।

- এরপর তিনি মহাকর্ষের সূত্র প্রণয়ন করেন, যা বলে যে পৃথিবীর সব বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এই সূত্র ব্যবহার করে তিনি গ্রহগুলোর কক্ষপথ গণনা করেন এবং সৌরজগতের গতিবিধির ব্যাখ্যা দেন।

উৎস: Encyclopaedia Britannica.

৭৭৮.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ডায়োড
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. রেকটিফায়ার
  4. ফিউজ
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

• অ্যামপ্লিফায়ার (Amplifier): অ্যামপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা কোনো দুর্বল বা ছোট সিগন্যালকে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে সেটিকে শক্তিশালী বা বড় সিগন্যালে রূপান্তর করে আউটপুট দেয়। এটি মূলত ট্রানজিস্টরের সাহায্যে এই কাজটি সম্পন্ন করে।

• ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামে পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- ডায়োড: এটি তড়িৎ প্রবাহকে কেবল একদিকে চালিত করে এবং সিগন্যাল বড় করতে পারে না।
- রেকটিফায়ার: এটি মূলত এসি (AC) বিদ্যুৎকে ডিসি (DC) বিদ্যুতে রূপান্তর করার একটি প্রক্রিয়া বা যন্ত্র।
- ফিউজ: এটি সার্কিটের নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যবহৃত হয়; অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি পুড়ে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৭৯.
বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে শব্দের বেগ কেন বৃদ্ধি পায়?
  1. তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় 
  2. চাপ বেড়ে যাওয়ায়
  3. বাতাসের ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় 
  4. বাতাসের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় 
সঠিক উত্তর:
বাতাসের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় 
ব্যাখ্যা

- বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকার ফলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, কারণ জলীয়বাষ্পের ঘনত্ব শুকনো বায়ুর চেয়ে কম। শব্দের বেগ যান্ত্রিক তরঙ্গ হিসেবে মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতা এবং ঘনত্বের বিপরীত অনুপাতের ওপর নির্ভর করে। তাই ঘনত্ব কমলে শব্দ দ্রুত চলে ফলে বেগ বৃদ্ধি পায়

শব্দের বেগের পার্থক্য: 
- বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ √T  
এখানে, তাপমাত্রা কিন্তু সেলসিয়াস তাপমাত্রা নয়, কেলভিন স্কেইলে তাপমাত্রা। 
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না, তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়। 
- শব্দ নামক যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। তরলে শব্দের বেগ বাতাসে বেগের থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তার থেকেও বেশি। 
যেমন- বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ দেখানো হয়েছে- 
• বাতাস ⇒ 330 m/s, 
• হাইড্রোজেন ⇒ 1284 m/s, 
• পারদ ⇒ 1450 m/s, 
• পানি ⇒ 1493 m/s, 
• লোহা ⇒ 5130 m/s এবং 
• হীরা ⇒ 12000 m/s ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৮০.
অর্ধপরিবাহীতে কি মেশালে পরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) ফসফরাস
  4. ঘ) ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
সেমিকন্ডাক্টরের সাথে ফসফরাস মেশালে ফসফরাসের মুক্ত ইলেকট্রন থাকার কারণে সেটার সহযোগীতায় সেমিকন্ডাক্টর কন্ডাক্টর বা পরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে।
উৎসঃ নবম-দশম
৭৮১.
পেরিস্কোপে কতটি দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ২ 
  2. ৩ 
  3. ৪ 
  4. ৬ 
সঠিক উত্তর:
২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ 
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৭৮২.
দুটি বস্তুর মধ্যে দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে মহাকর্ষ বলের মান কী হবে? 
  1. বৃদ্ধি পাবে 
  2. কমে যাবে 
  3. অপরিবর্তিত থাকবে 
  4. প্রথমে বৃদ্ধি পাবে পরে কমবে 
সঠিক উত্তর:
কমে যাবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে যাবে 
ব্যাখ্যা

মহাকর্ষ: 
- লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
- শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: 
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৭৮৩.
শুষ্ক বরফের প্রধান রাসায়নিক উপাদান কোনটি?
  1. CO2
  2. N2
  3. H20
  4. CH4
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা

শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) কঠিন রূপ।
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়।
- শুষ্ক বরফের তাপমাত্রা অত্যন্ত কম, প্রায় - 78.5°C বা - 109.3°F।
- এর নাম "শুষ্ক বরফ" কারণ এটি তরল হয় না এবং কোনো জলীয় অবশেষ রাখে না।
-  এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে হিমায়ন বা শীতলকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পরিবহন এবং সংরক্ষণ।
- শুষ্ক বরফ থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস কোনো গন্ধ বা রঙ সৃষ্টি করে না, তবে এটি বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় নিচের দিকে অবস্থান করে।
- মঞ্চের অনুষ্ঠানে এটি কৃত্রিম ধোঁয়া বা কুয়াশা তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- শুষ্ক বরফকে খোলা জায়গায় ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এটি বাতাসের অক্সিজেনকে প্রতিস্থাপন করতে পারে এবং দম বন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৭৮৪.
নিচের কোনটি ক্যালসিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস? 
  1. 2, 8, 10
  2. 2, 8, 2
  3. 2, 8, 8, 2
  4. 2, 8, 8, 1
সঠিক উত্তর:
2, 8, 8, 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2, 8, 8, 2
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা = ২০। 
∴ প্রথম শক্তিস্তর(K) এ ইলেকট্রন আছে = ২ টি। 
- ২য় শক্তিস্তর(L) এ ইলেকট্রন আছে = ৮ টি। 
- ৩য় শক্তিস্তর(M) এ ইলেকট্রন আছে = ৮ টি। 
- ৪র্থ শক্তিস্তর(N) এ ইলেকট্রন আছে = ২ টি। 
ক্যালসিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস 2, 8, 8, 2 । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৫.
এক্স-রে রশ্মির ভেদন ক্ষমতা কেমন? 
  1. অত্যধিক 
  2. মধ্যম 
  3. খুব কম 
  4. নেই 
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অত্যধিক 
ব্যাখ্যা

এক্সরে রশ্মির ধর্ম: 
১। এক্সরে রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
৩। এক্সরে রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
৪। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
৫। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৬। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৭। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৮। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৯। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
১০। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
১১। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
১২। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১৩। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮৬.
তড়িৎ প্রবাহ প্রকৃতপক্ষে কী?
  1. ক) প্রোটনের প্রবাহ
  2. খ) নিউট্রনের প্রবাহ
  3. গ) ইলেকট্রন-প্রোটনের প্রবাহ
  4. ঘ) ইলেক্ট্রনের প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেক্ট্রনের প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেক্ট্রনের প্রবাহ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহ প্রকৃতপক্ষে ইলেকট্রনের প্রবাহ।
ধাতুর শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন দুর্বলভাবে নিউক্লিয়াসের সাথে যুক্ত থাকে, সামান্য বিভব পার্থক (voltage) প্রয়োগ করলে ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে বর্তনীতে প্রবাহিত হয়। ইলেকট্রনের প্রবাহই তড়িৎ প্রবাহের কারণ। 
প্রোটন ও নিউট্রন অপেক্ষাকৃত ভারী কণা এবং এরা শক্তিশালী Strong Nuclear Force এর জন্য নিউক্লিয়াসে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করে।

কিন্তু ইলেকট্রন আবিষ্কারের পূর্বে মানুষের ধারণা ছিল যে ধনাত্মক আধানের প্রবাহের জন্য তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। যেহেতু ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত, সেহেতু কনভেনশনাল নিয়ম অনুযায়ী ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিককে তড়িৎ প্রবাহের দিক ধরা হয় ।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ড. শাহজাহান তপন
৭৮৭.
তাপমাত্রার যে স্কেলে '০' ডিগ্রি সবচেয়ে বেশি তা হল-
  1. ক) ফারেনহাইট
  2. খ) ক্যালভিন
  3. গ) সেন্ট্রিগেড
  4. ঘ) সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সেলসিয়াস স্কেলকে সেন্টিগ্রেড স্কেলও বলে। সেলসিয়াস, ফারেনহাইট ও কেলভিন স্কেলের সম্পর্ক - C/5 = F-32/9 = k-273/100। এ সম্পর্ক থেকে এটা স্পষ্ট যে সেলসিয়াস স্কেলের ০ ডিগ্রির মানই সবচেয়ে বেশি। 0°C = 32°F = 273°k।

৭৮৮.
সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. পলিমারাইজেশন
  2. সালফোনেশন
  3. স্যাপোনিফিকেশন
  4. ফার্মেন্টেশন
সঠিক উত্তর:
স্যাপোনিফিকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাপোনিফিকেশন
ব্যাখ্যা

• সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া কে বলা হয় স্যাপোনিফিকেশন। 

• সাবান:  
- সাবান হলো উচ্চতর জৈব এসিডের  (যেমন: স্টিয়ারিক এসিড, পামিটিক এসিড)  সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ময়লা ও তেল অপসারণ করে।

• সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া কে বলা হয় স্যাপোনিফিকেশন।
- এ প্রক্রিয়া তে জৈব এসিডের সাথে ক্ষারের ক্রিয়ায় সাবান তৈরি হয়। 
• বিক্রিয়া:
- জৈব এসিড বা স্টিয়ারিক এসিড (C17H35COOH ) + NaOH → C17H35COONa (সোডিয়াম স্টিয়ারেট) + H2O
- এখানে সোডিয়াম স্টিয়ারেট হলো সবানের রাসায়নিক নাম।

অন্যদিকে, 
•  সালফোনেশন (Sulfonation): কোনো জৈব যৌগে সালফোনিক অ্যাসিড গ্রুপ (-SO3H) যুক্ত করার বিক্রিয়াকে সালফোনেশন বলে। এটি ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সাবান তৈরিতে নয়।

পলিমারাইজেশন: মনোমার থেকে পলিমার গঠন প্রক্রিয়াকে পলিমারাইজেশন বলা হয়।

ফার্মেন্টেশন: enzymes দ্বারা জৈব যৌগের ভাঙ্গন।

তথ্যসূত্র:
-  রসায়ন ,  নবম-দশম শ্রেণি। 
- রসায়ন ২য় পত্র,  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 

৭৮৯.
আদর্শ গ্যাসের জন্য কোন সমীকরণটি সঠিক? 
  1. PV = nK
  2. PV = K
  3. P = nRT
  4. PV = nRT
সঠিক উত্তর:
PV = nRT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PV = nRT
ব্যাখ্যা
আদর্শ গ্যাস (Ideal Gas): 
- যে গ্যাসসমূহ সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, অ্যাভোগাড্রোর সূত্র তথা আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT কে মেনে চলে তাদেরকে আদর্শ গ্যাস বলে
- প্রকৃতপক্ষে কোনো গ্যাসই সম্পূর্ণরূপে গ্যাস সূত্রসমূহ তথা PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না।
- আদর্শ গ্যাস হলো একটি কাল্পনিক গ্যাস।
- স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি আয়তনের উপর নির্ভর করে না। 

আদর্শ গ্যাসের বৈশিষ্ট্য: 
- আদর্শ গ্যাসে নিচের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্তমান থাকে- 
১. স্থির তাপমাত্রায় গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল একটি ধ্রুবক। অর্থাৎ PV = K. তাই এক্ষেত্রে যদি স্থির তাপমাত্রায় চাপ বনাম PV এর লেখ অঙ্কন করা যায় তবে তা একটি সরলরেখা হবে। 
২. আদর্শ গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে। 
৩. স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এর আয়তনের উপর নির্ভরশীল নয়। অর্থাৎ স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের আয়তনের পরিবর্তন হলেও এদের অভ্যন্তরীণ শক্তির কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
৪. চাপ অপরিবর্তিত রেখে গ্যাসের তাপমাত্রা 0°C হতে -273.15°C কমালে গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯০.
দুইটি বস্তুর মধ্যবর্তী দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে আকর্ষণ বল পূর্বের কতগুণ হবে?
  1. অর্ধেক
  2. এক-চতুর্থাংশ
  3. দ্বিগুণ
  4. চারগুণ
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
• দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল এক-চতুর্থাংশ।

• মহাকর্ষ বল:

- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

• নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র:
দুইটি বস্তুর মধ্যাকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।


নিউটনের সূত্রানুযায়ী,
১. মধ্যাকার আকর্ষণ বল ভরের গুণফলের সমানুপাতিক। অর্থাৎ,
F ∝ m1m2
∴ ভর বাড়লে বল বাড়বে।
উভয় বস্তুর ভর যদি দ্বিগুণ করা হয় তাহলে বল চারগুণ হবে এবং ভর যদি তিনগুণ করা হয় তাহলে বল নয়গুণ হবে।

২. আকর্ষণ বল মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্থানুপাতিক। 
∴ F ∝ 1/d2
অর্থাৎ দূরত্ব বাড়লে বল কমে।
দূরত্ব যদি দ্বিগুণ করা হয় তাহলে বল পূর্বের ১/৪ গুণ হবে এবং দূরত্ব যদি তিনগুণ করা হয় তাহলএ বল পূর্বের ১/৯ গুণ হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, শাহাজাহান তপন।
৭৯১.
নিম্নের কোনটি দৃশ্যমান আলোর সর্বোচ্চ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট রঙ? 
  1. লাল
  2. আসমানী
  3. কমলা
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িত চৌম্বকীয় বর্ণালীর অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গকে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এই দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। 
- নিম্নের ছকে দৃশ্যমান আলোর বর্ণ অনুসারে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তালিকা দেখানো হয়েছে- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯২.
অশ্রু বা চোখের জল হল-
  1. ক) অ্যাকুয়াস হিউমার
  2. খ) ভিট্রিয়াস হিউমার
  3. গ) লবণযুক্ত পানি
  4. ঘ) অ্যাকোয়া রিজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) লবণযুক্ত পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লবণযুক্ত পানি
ব্যাখ্যা

অশ্রু গ্রন্থি:
উপরের চক্ষু পল্লবের কোনায় অশ্রু গ্রন্থি থাকে যা থেকে অশ্রু (Tears) তৈরি হয়।
সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বনেট ও পানি সমন্বয়ে অশ্রু তৈরি হয়।
অশ্রুতে লাইসোজাইম নামক একটি এনজাইমও থাকে। অশ্রু গ্রন্থিকে ল্যাক্রিমাল গ্রন্থিও বলে।
কাজ: অশ্রু চোখকে সিক্ত রাখে, ধূলা ও ময়লা পরিস্কার করে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous humour) - লেন্সও কর্নিয়ার মধ্যবর্তী স্থান এক প্রকার স্বচ্ছ জলীয় পদার্থে ভর্তি থাকে। একে বলা হয় অ্যাকুয়াস হিউমার।
- অ্যাকুয়াস হিউমার আলোর প্রতিসরণে সাহায্য করে, চোখের সম্মুখ অংশের আকৃতি ঠিক রাখে এবং লেন্স ও কর্নিয়ায় পুষ্টি সরবরাহ করে।
ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous humour) - লেন্সও রেটিনার মধ্যবর্তী অংশে এক প্রকার জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে। একে বলা হয় ভিট্রিয়াস হিউমার।
- ভিট্রিয়াস হিউমার রেটিনার দিকে আলোর প্রতিসরণে সাহায্য করে ও চক্ষু গোলকের গোলাকার আকৃতি বজায় রাখে।

সুত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, HSC Program, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৩.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ইরিডিয়াম
  2. টেকনিশিয়াম-99
  3. আয়োডিন-131
  4. কোবাল্ট-60
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
ব্যাখ্যা
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
-  আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনিশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৭৯৪.
জৈব রসায়নের জনক-
  1. ক) রবার্ট বয়েল
  2. খ) জাবির ইবনে হায়ান
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) ফ্রেডারিক উহলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডারিক উহলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডারিক উহলার
ব্যাখ্যা

- রসায়নের যে শাখায় হাইড্রোকার্বন ও হাইড্রোকার্বনের বিভিন্ন জাতক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাকে জৈব রসায়ন বলে।
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত দ্বিমৌল যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলে।
- ফ্রেডারিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।
- জৈব বস্তুর সম্পূর্ণ দহনে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং অসম্পূর্ণ দহনে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়।

৭৯৫.
মৃৎক্ষার ধাতুর প্রমাণ জারণ সংখ্যা-
  1. +১
  2. +২
  3. -১
  4. -২
সঠিক উত্তর:
+২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+২
ব্যাখ্যা
• জারণ সংখ্যা নির্ণয়:
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল।
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

• বিভিন্ন মৌলের প্রমাণ জারণ মান:
- ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +1.
- মৃৎক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা +2.
- ধাতব হাইড্রাইড ব্যতিত অন্যসব মৌলের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা +1.
- ধাতব হাইড্রাইডের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা -1.
- অক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -2.
- পারঅক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা -1.
- ধাতব হ্যালাইডে হ্যালোজেনের জারণ সংখ্যা -1.

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৬.
চুনের পানির সংকেত কোনটি?
  1. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা

• চুনের পানির সংকেত হলো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Ca(OH)2 । 

• চুনের পানি:
- চুনের পানি হলো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের (Ca(OH)2 একটি স্বচ্ছ জলের দ্রবণ।

• বৈশিষ্ট্য:
- চুনের পানি বর্ণহীন ও স্বচ্ছ দ্রবণ।
- এটির প্রকৃতি ক্ষারীয়।
- চুনের পানি CO2 এর সাথে বিক্রিয়া করে দুধের মতো সাদা হয়ে যায়, কারণ এতে CaCO3​ গঠিত হয়।

• ব্যবহার:
- ল্যাবরেটরিতে কার্বন ডাই অক্সাইড সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় (lime water test)।
- কৃষি ও মাটির অম্লতা দূর করতে।
- বিভিন্ন রাসায়নিক পরীক্ষায়।

অন্যদিকে,
• কস্টিক সোডা (Caustic Soda)– এটি হলো সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH)–এর বাণিজ্যিক নাম।
• পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH) – এটি কস্টিক পটাশ নামে পরিচিত।
• ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)₂) – এটি সাধারণত অ্যাসিডিটির ওষুধে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৭.
কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়?
  1. তামা
  2. লোহা
  3. রূপা
  4. রাবার
সঠিক উত্তর:
রাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবার
ব্যাখ্যা
- পরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রন এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে সহজেই চলাচল করতে পারে।
যেমন: ধাতু; বিশেষ করে সিলভার ও কপার।

- কার্বন অধাতু হলেও এর রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী৷

- অপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে এর পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না।
যেমন: প্লাস্টিক, গ্লাস ও রাবার

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৭৯৮.
খাবার লবণে কোন ধরনের রাসায়নিক বন্ধন থাকে?
  1. সমযোজী বন্ধন
  2. আয়নিক বন্ধন
  3. ধাতব বন্ধন
  4. ভ্যান্ডার-ওয়ালস বন্ধন
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিক বন্ধন
ব্যাখ্যা

• খাবার লবণে উপস্থিত রাসায়নিক বন্ধন আয়নিক প্রকৃতির। 

• আয়নিক বন্ধন:
- ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে গঠিত ক্যাটায়ন এবং অ্যানায়নসমূহ যে আকর্ষণ বল দ্বারা যৌগের বল দ্বারা যৌগের অণুতে আবদ্ধ থাকে তাকে আয়নিক বন্ধন বলে। 
 
• আয়নিক বন্ধনের বৈশিষ্ট্য:
- ধাতুগুলোর আয়নিকরণ শক্তির মান অনেক কম হওয়ায় এরা অতি সহজেই সর্বশেষ শক্তিস্তরের এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট আয়ন বা ক্যাটায়নে পরিণত হয়।
- আবার অধাতুগুলোর ইলেকট্রন আসক্তির মান বেশি হওয়ায় এরা সহজেই সর্বশেষ শক্তিস্তরে এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আধানবিশিষ্ট আয়ন বা অ্যানায়নে পরিণত হয়।
- এভাবে সৃষ্ট বিপরীত আধানের ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের মধ্যে স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বল বা ইলেকট্রোস্ট্যাটিক বল কাজ করে। এই আকর্ষণ বলটিই আয়নিক বন্ধন।

NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড)-এ একটি আয়নিক বন্ধন থাকে, কারণ:
- Na (সোডিয়াম) একটি ধাতু, যা ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন (Na+) তৈরি করে।
- Cl (ক্লোরিন) একটি অধাতু, যা সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়ন (Cl-) তৈরি করে।
- ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়নের মধ্যে বৈদ্যুতিক আকর্ষণ বা আয়নিক বল দ্বারা গঠিত হয় আয়নিক বন্ধন।
Na → Na+ + e-
Cl + e- → Cl- 
Na + Cl → Na+ + Cl- = NaCl

অন্যদিকে,
সমযোজী বন্ধন: এটি গঠিত হয় যখন দুইটি অধাতু ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন তৈরি করে।
ধাতব বন্ধন: এটি সাধারণত কেবল দুইটি ধাতব পরমাণুর মধ্যে হয়ে থাকে।  
ভ্যান্ডার-ওয়ালস বন্ধন: এটি একটি দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ। এটি আয়নিক বন্ধনের মত শক্তিশালী বন্ধন নয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৭৯৯.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? 
  1. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  2. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
  4. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মিশ্রণকে বোঝায়
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়। 
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়। 
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে। 

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৮০০.
ভূপৃষ্ঠে যে ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমানে আছে -
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)।
লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।

Source: space.com