বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৪ / ৬৪ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ৬,৪০৯

৫,৩০১.
প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বাড়ে প্রায় -
  1. 0.6 ms-1
  2. 1.0 ms-1
  3. 0.9 ms-1
  4. 1.6 ms-1
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট, কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০২.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশির উদাহরণ?
  1. সময়
  2. দৈর্ঘ্য
  3. বেগ
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায় যেখানে ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায় যেখানে পানির তাপমাত্রাও একটি রাশি ইত্যাদি। 

মৌলিক রাশি: 
- এসকল রাশির মধ্যে কয়েকটি রাশি রয়েছে যেগুলো পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না। এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ রাশি: 
- অপরদিকে, এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০৩.
চিপসের প্যাকেটে থাকে-
  1. নাইট্রোজেন গ্যাস
  2. হাইড্রোজেন গ্যাস
  3. অক্সিজেন গ্যাস
  4. হিলিয়াম গ্যাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন গ্যাসের  ব্যবহার:
- সাধারণ বৈদ্যুতিক বাতিতে ব্যবহৃত হয়,
- চিপসের প্যাকেটে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- এই নাইট্রজেন গ্যাস খাবারের গুণগত মান বজায় রাখে যা বিভিন্ন ধরনের চাপ থেকে উপাদানগুলোর গুঁড়া হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
- ইউরিয়া সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- সবচেয়ে হালকা গ্যাস - হাইড্রোজেন।
- দিয়াশলাই এর মাথায় থাকে - লোহিত  ফসফরাস।
- অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে থাকে - তরল কার্বন ডাই অক্সাইড।

উৎস: তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।
৫,৩০৪.
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
  1. ক) ওয়াট আওয়ারে
  2. খ) ওয়াটে
  3. গ) ভোল্টে
  4. ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক একক হচ্ছে কিলোওয়াট ঘন্টা।
- বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করা হয় কিলোওয়াট ঘণ্টায়।
- এক কিলোওয়াট ঘণ্টা সমান ৩.৬ × ১০৬ জুল।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,৩০৫.
একটি ব্যাটারি সেলে কয়টি অংশ থাকে ?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৪ টি 
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ একটি ব্যাটারি সেল এ ৩ টি অংশ থাকে, যথা:
- অ্যানোড ,
- ক্যাথোড ,
- ইলেকট্রোলাইট ।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই। 
৫,৩০৬.
নিচের কোনটি বয়েল ও চার্লসের সমন্বয় সূত্র?
  1. V ∝ 1/P
  2. V ∝ T
  3. PT = V
  4. PV/T = ধ্রুবক 
সঠিক উত্তর:
PV/T = ধ্রুবক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PV/T = ধ্রুবক 
ব্যাখ্যা
বয়েল ও চার্লসের সূত্রের সমন্বয়: 
বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন এর উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 

চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার উপর আরোপিত পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক। 

এখন, 
নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের আয়তন V, চাপ P ও কেনভিন তাপমাত্রা T হলে- 
বয়েলের সূত্র মতে, V ∝ 1/P যখন তাপমাত্রা স্থির। ................ (i)
চার্লসের সূত্র মতে, V ∝ T যখন চাপ স্থির।................. (ii) 

(i) নং ও (ii) নং সম্পর্ক হতে লিখা যায়-
V ∝ (1/P) × T (যখন তাপমাত্রা ও চাপ উভয়েই পরিবর্তনশীল)
বা, V = K × T/P (এখানে, K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক) 
বা, PV = KT
বা, PV/T = K 
সুতরাং, PV/T = ধ্রুবক 
- এই সূত্রটিই বয়েল ও চার্লসের সূত্রের সমন্বয়।
৫,৩০৭.
বায়ু ও পানির সংস্পর্শে জাহাজ চলাচল করলে কোন ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়?
  1. চল ঘর্ষণ
  2. আবর্ত ঘর্ষণ
  3. প্রবাহী ঘর্ষণ
  4. স্থিতি ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল: 
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে। 
- আর যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে। 
- ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। 
যথা - 
১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static friction), 
২. চল বা পিছলানো ঘর্ষণ (Sliding friction), 
৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling friction) এবং 
৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid friction) । 

প্ৰবাহী ঘর্ষণ: 
- যখন কোনো বস্তু যেকোনো প্রবাহী পদার্থ যেমন- তরল বা বায়বীয় পদার্থের মধ্যে প্রবাহিত হয় বা গতিশীল থাকে বা যখন কোনো তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিপথে কোনো স্থির বস্তু রাখা হয়, তখন উভয়ের মধ্যে যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয় তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে। 
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আবার পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ। 
- বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় প্রবাহী ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০৮.
p-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) এন্টিমনি
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
p- টাইপ অর্ধপরিবাহী:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে
- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৩০৯.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মিথানল 
  2. ইথানল
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট 
  4. পাওয়ার অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা

- মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে পাওয়ার অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার অ্যালকোহল হলো মূলত পেট্রোল এবং ইথানলের একটি মিশ্রণ, যাতে অল্প পরিমাণে বেনজিন বা অন্য কোনো উদ্বায়ী তরল পদার্থও থাকতে পারে।

অ্যালকোহল: 

- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়, এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে, তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১০.
চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে কী বলে?
  1. চৌম্বক ধারকত্ব
  2. কুরি বিন্দু
  3. রিমেনেন্স
  4. চৌম্বক সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
রিমেনেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিমেনেন্স
ব্যাখ্যা
• রিমেনেন্স:
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে।

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে ।

• চৌম্বক ধারকত্ব:
- উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম ।

• চৌম্বক সহনশীলতা:
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩১১.
পেরিস্কোপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) উত্তল লেন্স
  2. খ) সমতল দর্পণ
  3. গ) উত্তল দর্পণ
  4. ঘ) অবতল দর্পণ
সঠিক উত্তর:
খ) সমতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমতল দর্পণ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ তৈরিতে সমতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
দুটি সমতল দর্পনের ক্রমিক প্রতিফলন ব্যবহার পেরিস্কোপ তৈরী করা হয়। এখানে শুধুমাত্র প্রতিফলন ঘটে।

পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো প্রথম দর্পণে এসে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায়, সেইটা আমরা দেখতে পাই।


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৫,৩১২.
উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রধানত কোনটির মাধ্যমে ঘটে?
  1. ক) কাণ্ড
  2. খ) মূল
  3. গ) পত্ররন্ধ্র
  4. ঘ) পাপড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) পত্ররন্ধ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পত্ররন্ধ্র
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন
- প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য। তাই উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে।
- শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে পরিত্যাগ করে।
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
- উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধের মাধ্যমে ঘটে। এছাড়া কাণ্ড ও পাতার কিউটিকল এবং কাণ্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামন এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়।
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। যথা:
১। পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন
২। ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং
৩। লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
- সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পত্ররন্ধ্র এবং খালি চোখে কাণ্ডের লেন্টিসেল সহজে দেখা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৩১৩.
ইউরিয়া সারে কতভাগ নাইট্রোজেন থাকে?
  1. ৪৪%
  2. ৪৬%
  3. ৫৬%
  4. ৬৪%
সঠিক উত্তর:
৪৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬%
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারে মোট ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।

ইউরিয়া:
- ইউরিয়া সারে সাধারণত ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।
-এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার, যা ফসলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- ইউরিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বৈশিষ্ট্য:
- রাসায়নিক গঠন: ইউরিয়ার রাসায়নিক সূত্র হলো CH₄N₂O।
- এটি সহজে দ্রবণীয় এবং দ্রুত উদ্ভিদের শোষণের জন্য প্রস্তুত।
- সঠিক মাত্রায় ইউরিয়া ব্যবহার করলে এটি ফসলের ফলন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- তবে অতিরিক্ত ব্যবহারে মাটির পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট নাইট্রোজেন জাতীয় সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- অ্যামোনিয়াম সালফেটে শতকরা ২০.৫ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৫,৩১৪.
স্বাভাবিক আদর্শ পরিবেশে পানির ঘনত্ব যে তাপমাত্রায় সর্বোচ্চ মান পরিগ্রহ করে তা হলো -
  1. ০° সেন্টিগ্রেড
  2. ১০০° সেন্টিগ্রেড
  3. ৪° সেন্টিগ্রেড
  4. ২৬৩° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
৪° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে, পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩১৫.
কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের সর্বশেষ শক্তিস্তরে আটটি ইলেকট্রন নেই? 
  1. জেনন (Xe)
  2. নিয়ন (Ne)
  3. হিলিয়াম (He)
  4. ক্রিপ্টন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম (He)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম (He)
ব্যাখ্যা

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) ও ওগানেসন (Og)।
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে। - একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে। 
- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে। 

নিস্ক্রিয় গ্যাসের ধর্মসমূহ: 
১. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে এক পরমাণুক গ্যাস। 
২. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর কোন বর্ণ, স্বাদ বা গন্ধ নেই। 
৩. প্রতি লিটার পানিতে নিস্ক্রিয় গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেক কম। 
৪. গ্যাসের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত কম। 
৫. নিস্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে দুর্বল আকর্ষণ বল থাকার কারণে এদের গলনতাপ ও বাষ্পীয়ভবন তাপ কম।
৬. নিস্ক্রিয় গ্যাসের আয়নিকরণ শক্তি সবচেয়ে বেশি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

৫,৩১৬.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি? 
  1. তরল মাধ্যমে 
  2. কঠিন মাধ্যমে 
  3. শূন্য মাধ্যমে 
  4. বায়বীয় মাধ্যমে 
সঠিক উত্তর:
কঠিন মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
- অর্থাৎ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩১৭.
অক্সিজেনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্যি?
  1. বিজারক
  2. জারণ
  3. বিজারণ
  4. ধনাত্মক
সঠিক উত্তর:
বিজারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজারণ
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।

- বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথােডে।
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানােডে।

- বিজারণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া বা জারক পদার্থ অপর পদার্থকে জারিত করে, কিন্তু নিজে বিজারিত হয়।
- ক্লোরিন, ফ্লোরিন ইত্যাদি প্রায় সকল অধাতু হলো জারক। যেমন - সকল পারঅক্সাইড, অক্সি এসিড, ক্যাটায়ন, ইক্ লবণ, অক্সিজেন, ওজোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল।

সুতরাং, এখানে, অক্সিজেনের সাথে বিজারণ - সামঞ্জস্যপূর্ণ।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (২য় পত্র) বোর্ড বই ও মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩১৮.
খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত সোডিয়াম বেনজোয়েটের রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. C6H5COONa
  2. CH3COONa
  3. NaHCO3
  4. Na2CO3
সঠিক উত্তর:
C6H5COONa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C6H5COONa
ব্যাখ্যা

◉ সোডিয়াম বেনজোয়েটের রাসায়নিক সংকেত হলো C6H5COONa, যা খাদ্য সংরক্ষণের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

সোডিয়াম বেনজোয়েট (Sodium Benzoate):
- সোডিয়াম বেনজোয়েট খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ সংরক্ষণকারী (Preservative), যা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ইস্টের (Yeast) বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।
- এটি প্রধানত অম্লীয় পরিবেশে কার্যকর এবং বিভিন্ন প্রসেসড খাবারে ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
CH3COONa - সোডিয়াম অ্যাসিটেট; 
NaHCO3 - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট, অ্যাসিড-নিয়ন্ত্রণকারী এজেন্ট ও বেকিং উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
Na2CO3 - সোডিয়াম কার্বোনেট মূলত কাচ, সাবান ও ডিটারজেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

আরো কিছু মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO, 
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O].

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১৯.
কোন পদার্থটি সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় না?
  1. আয়োডিন
  2. বেনজিন
  3. ন্যাপথালিন
  4. নিশাদল
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
ব্যাখ্যা

• কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে রূপান্তরিত না হয় সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়।
যেমন:
- কর্পুর,
- গন্ধক,
- আয়োডিন,
- ন্যাপথালিন,
- নিশাদল,
- অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- আর্সেনিক,
- বেনজয়িক এসিড ইত্যাদি।

• কিন্তু বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩২০.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Global Positioning System
  2. Global Pointing System
  3. Global Publication System
  4. Great Positioning System
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
ব্যাখ্যা
GPS: 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
- GPS হলো এমন একটি স্যাটেলাইটনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যেকোনো স্থানের অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- সময়ের সাথ সাথে জিপিএস প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি সাধনের কারণে এখন মোবাইলের মাধ্যমেই যেকোনো বস্তু বা ব্যক্তির অবস্থান যথাযথভাবে নির্ণয়, ট্র্যাকিং সহ আরও অনেক সুবিধা ভোগ করা যায়। 
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম। 
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে। 
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি। 
- আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব। 

উৎস: Britannica.com
৫,৩২১.
কত তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ২৭৩ কেলভিন
  2. খ) ২৭৫ কেলভিন
  3. গ) ২৭৬ কেলভিন
  4. ঘ) ২৭৭ কেলভিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭৭ কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৭৭ কেলভিন
ব্যাখ্যা
-  পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে।
- পানির ঘনত্ব ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৩৯.২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ২৭৭.১৫ কেলভিন তাপমাত্রায় সব থেকে বেশী।
- এই তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব ১গ্রাম/সি.সি. বা ১০০০ কেজি/মিটার৩
- অর্থাৎ ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।


উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
৫,৩২২.
পৃথিবীর মুক্তি বেগ V হলে, যে গ্রহের ব্যাসার্ধ ও ভর পৃথিবীর ব্যাসার্থ ও ভরের দ্বিগুণ সে গ্রহের মুক্তি বেগ কত হবে?
  1. ক) 4V
  2. খ) 2V
  3. গ) V
  4. ঘ) 1/2V
সঠিক উত্তর:
গ) V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) V
ব্যাখ্যা
• মুক্তি বেগের সূত্র: V = √(2GM/R)
যেখানে, G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক,
M = গ্রহের ভর,
R = গ্রহের ব্যাসার্ধ।

নতুন গ্রহের জন্য:ভর (M2) = 2M (পৃথিবীর ভরের দ্বিগুণ)
ব্যাসার্ধ (R2) = 2R (পৃথিবীর ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ)

নতুন গ্রহের মুক্তি বেগ: V2 = √(2G(2M)/(2R)) = √(2GM/R) = V
তাই, নতুন গ্রহের মুক্তি বেগ হবে V

উত্তর: গ) V

- যদিও নতুন গ্রহের ভর ও ব্যাসার্ধ উভয়ই দ্বিগুণ, কিন্তু মুক্তি বেগের সূত্রে এই দুটি পরিবর্তন একে অপরকে প্রভাবিত করে।
- ভর দ্বিগুণ হওয়ায় মুক্তি বেগ বাড়ার প্রবণতা দেখায়, কিন্তু ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হওয়ায় তা কমে যায়, ফলে শেষ পর্যন্ত মুক্তি বেগ অপরিবর্তিত থাকে।
৫,৩২৩.
'গ্রাফাইট' কোন ধরনের খনিজ সম্পদ? 
  1. ধাতব খনিজ
  2. ধাতব ও শক্তি সম্পদ
  3. অধাতব খনিজ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অধাতব খনিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধাতব খনিজ
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ: 
- খনিজ সম্পদ প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে গঠিত হয়। 
- এক বা একাধিক উপাদানে গঠিত হয়ে বা সামান্য পরিবর্তিত অবস্থায় যেসব রাসায়নিক প্রক্রিয়াজাত যৌগিক পদার্থ শিলাস্তরে সঞ্চিত থাকে তাকে খনিজ বলে। 
- খনিজে সাধারণত বিভিন্ন শিলার উপাদানগুলো ভূ-তাত্ত্বিক সময়ের উপর নির্ভর করে ধীরে ধীরে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে খনিজ পদার্থে পরিণত হয়। 
যেমন-লৌহ আকরিক, চুনাপাথর, গ্রাভেল, কঠিন শিলা, গ্লাস স্যাণ্ড, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ট্যাংস্টেন, সোনা, হীরা, রূপা, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ সম্পদ। 
- খনিজ সম্পদ অজৈব পদার্থ। 
- খনিজ সম্পদের গঠন, উপাদান, আকার এবং ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে খনিজ সম্পদকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ: 
- ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি খনিজকে ধাতব খনিজ বলে। 
- ধাতব খনিজ লৌহ বর্গীয় এবং অলৌহ বর্গীয় হয়ে থাকে। 
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজসমূহ হলো- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ এবং নিকেল। 
- অলৌহ বর্গীয় খনিজসমূহ হলো- তামা, টিন, সোনা, রূপা, হীরা প্রভৃতি। 

২। অধাতব খনিজ: 
- যে সকল খনিজে ধাতব পদার্থ থাকে না তাকে অধাতব খনিজ বলে। 
যেমন- সালফার, গ্রাফাইট, অভ্র এবং জিপসাম প্রভৃতি। 

৩। শক্তি সম্পদ: 
- যে সকল খনিজ সম্পদ প্রধানত শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় তাকে শক্তি সম্পদ বলে। 
যেমন- খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং আণবিক খনিজ প্রভৃতি। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২৪.
তরল পদার্থের প্রসারণ দ্বারা কী বুঝানো হয়? 
  1. ক্ষেত্র প্রসারণ
  2. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  3. তলীয় প্রসারণ
  4. আয়তন প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে। 
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়। 
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই। 
- যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়। 
- তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়। 
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না। 
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২৫.
রোধ বলতে কী বোঝায়?
  1. পরিবাহীর তাপ উৎপাদন 
  2. পরিবাহীর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি 
  3. পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের বৃদ্ধি
  4. পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হওয়া
সঠিক উত্তর:
পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হওয়া
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।  
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩২৬.
মাটির এসিডিটি (অম্লত্ব) নিষ্ক্রিয় করতে ব্যবহৃত লবণ কোনটি?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. কপার সালফেট
  3. পটাসিয়াম নাইট্রেট 
  4. ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
ব্যাখ্যা

- মাটির অম্লত্ব বা এসিডিটি বৃদ্ধি পেলে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয় এবং ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হয়। এই অতিরিক্ত অম্লত্ব প্রশমিত বা নিষ্ক্রিয় করার জন্য ক্ষারীয় পদার্থের প্রয়োজন হয়। ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3) একটি ক্ষারীয় লবণ (যা চুনাপাথর হিসেবে পরিচিত), এটি মাটির এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে মাটির pH মান বৃদ্ধি করে এবং মাটিকে নিরপেক্ষ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। 

লবণ: 
- অনেক লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে। 
যেমন- 
• সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), 
• সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ। 

- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
যেমন- 
• ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3), 
• সিলভার সালফেট (Ag2SO4), 
• সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি। 

- কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও কিছু লবণ ব্যবহার করা হয় যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। 
যেমন- 
• তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) । 

- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্যও লবণ ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• চুনাপাথর (CaCO3) । 

- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। 
যেমন- 
• অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), 
• অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), 
• পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩২৭.
ফসজিন গ্যাসের সংকেত কোনটি? 
  1. CH3-CO-CH3
  2. COCI2
  3. CCI3
  4. CH3OH
সঠিক উত্তর:
COCI2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COCI2
ব্যাখ্যা

• ফসজিন গ্যাসের রাসায়নিক নাম: কার্বনাইল ক্লোরাইড (Carbonyl Chloride). অর্থাৎ ফসজিন (Phosgene) একটি বিষাক্ত গ্যাস যা সাধারণত রাসায়নিক যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হতো। সঠিক উত্তর: ফসজিন গ্যাসের সংকেত  খ) COCl2

• ফসজিন গ্যাস (Phosgene Gas):
- ফসজিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, যা প্রাথমিকভাবে ক্লোরিন এবং কার্বন মনোক্সাইড থেকে তৈরি হয়।
- এটি রঙহীন, গ্যাসাকৃত এবং শ্বাসকষ্টজনিত উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।
- ফসজিন সাধারণত রাসায়নিক যুদ্ধ বা শিল্পের দুর্ঘটনায় উৎপন্ন হতে পারে।

• রাসায়নিক সংকেত:
- ফসজিনের রাসায়নিক সূত্র হলো COCl2
- এটি একটি ক্লোরিনযুক্ত কার্বোনাইল যৌগ।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য: শ্বাসনালীর দ্বারা প্রবেশ করলে ফুসফুসে ক্ষতি করে এবং বিষক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- শিল্পে এটি মূলত রাসায়নিক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন প্লাস্টিক বা পেস্টিসাইড উৎপাদন।

• অন্যান্য যৌগ:
- CH3-CO-CH3: এটি অ্যাসিটোন।
- CCl3: এটি ট্রাইক্লোরোমিথাইল গ্রুপযুক্ত যৌগ।
- CH3OH: এটি মিথানল।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৫,৩২৮.
আয়না তৈরির জন্য কাচের পেছনে কোন ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়? 
  1. রূপা
  2. তামা 
  3. সিলিকন 
  4. পারদ 
সঠিক উত্তর:
রূপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা
ব্যাখ্যা

আয়না বা দর্পণ (Mirror): 
- আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলনের কারণে স্পষ্ট প্রতিবিম্বের তৈরি হয়। 
- আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে ৪% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় পুরো আলোই প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে।  - টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল (Optical) যন্ত্রে যখন মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন কাচের উপরেই রূপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয় যেন একটি ৪% হালকা আরেকটি ৯৬% স্পষ্ট, এ রকম দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটা ১০০% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩২৯.
নিচের কোনটিকে নীরব ঘাতক বলা হয়? 
  1. N2O
  2. CO
  3. NO
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO
ব্যাখ্যা
কার্বন মনোক্সাইড (CO): 
- কার্বন মনোক্সাইড মানুষের অজান্তেই খুব সহজেই শ্বাসের সাথে ফুসফুসে চলে যায়। 
- কার্বন মনোক্সাইড সেখানে গিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে একটি জটিল যৌগ তৈরি করে। 
Hb + CO → Hb(CO) 
- যার ফলে অক্সিজেন বহুরূপে কাজ করতে পারে না, শ্বাসকষ্ট হয় এবং হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। 
- তাই কার্বন মনোক্সাইডকে নীরব ঘাতক বলা হয়
৫,৩৩০.
একটি PN Junction- এ লিকেজ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার কারণ-
  1. Minority Carrier
  2. Majority Carrier
  3. Junction Capacitance
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Minority Carrier
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Minority Carrier
ব্যাখ্যা
- PN Junction-এ লিকেজ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার পেছনে মূলত কার্যকারী হল মাইনরিটি ক্যারিয়ার (Minority Carrier)।

- লিকেজ কারেন্ট হল  যা PN জাংশনে ডায়োডের মাঝে প্রবাহিত হয় যা ডায়োড অফ স্টেটে ঘটে।
- এই মাইনরিটি ক্যারিয়ার লিকেজ কারেন্ট সাধারণত খুব কম কিন্তু তবুও অল্প পরিমাণে কারেন্ট প্রবাহে অবদান রাখতে পারে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা অন্যান্য কারণগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে মাইনরিটি ক্যারিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে কারেন্টে সামান্য বৃদ্ধি হতে পারে।

অতএব, সঠিক উত্তরটি হল: ক) Minority Carrier 
৫,৩৩১.
সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়ার নাম- 
  1. ব্যাপন
  2. নিঃসরণ
  3. পাতন
  4. ঊর্ধ্বপাতন
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:

- সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে সুগন্ধি ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়ার নাম- ব্যাপন

অন্যদিকে,
ব্যাপন: 
- কোন মাধ্যমে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। এই প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ম ঘনমাত্রার দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পরে।

নিঃসরণ:
- সরু ছিদ্রপথে উচ্চচাপের স্থান থেকে কোন গাস নিম্মচাপের স্থানের দিকে সজোরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। যেমন: সিলিন্ডার থেকে গ্যাস সজোরে বেরিয়ে আসার ঘটনা নিঃসরণ প্রক্রিয়াকে প্রমান করে।

পাতন:
- কোন তরলকে তাপ প্রদানে বাস্পে পরিণত করে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিনত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ

             পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন

ঊর্ধ্বপাতন:
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরিবাস্পে পরিণত হয়, সেই ঘটনাকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন: কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল ইত্যাদি ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

৫,৩৩২.
চৌম্বক দৈর্ঘ্য ও জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের অনুপাত প্রায় কত?
  1. 0.55
  2. 0.70
  3. 0.85
  4. 1.00
সঠিক উত্তর:
0.85
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.85
ব্যাখ্যা

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য ও জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের অনুপাত প্রায় 0.85, অর্থাৎ চৌম্বক দৈর্ঘ্য জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের তুলনায় কিছুটা কম।

• চুম্বক ও চুম্বকত্ব:
- যে বস্তু অন্য বিশেষ ধর্মবিশিষ্ট বস্তুকে আকর্ষণ করতে পারে এবং মুক্তভাবে ঝুলালে উত্তর-দক্ষিণ দিকে অবস্থান করে, তাকে চুম্বক বলে।
- চুম্বক পদার্থের ভৌত ধর্মই হলো চুম্বকত্ব।
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভর, ঘনত্ব, আয়তন, তাপমাত্রা পরিবর্তন করে না।
- তবে তাপমাত্রা চুম্বকত্বের উপর প্রভাব ফেলে।

• চৌম্বক মেরু:
- চুম্বকের যে দুই প্রান্তে আকর্ষণ বল সর্বাধিক, সেগুলোকে চৌম্বক মেরু বলে।
- উত্তর মেরু (North Pole) এবং দক্ষিণ মেরু (South Pole) থাকে।

• চৌম্বক অক্ষ:
- চুম্বকের দুই মেরুকে সংযোগকারী সরলরেখাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য:
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর দুই মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বই চৌম্বক দৈর্ঘ্য।

• জ্যামিতিক দৈর্ঘ্য:
- দণ্ডচুম্বকের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্বকে জ্যামিতিক দৈর্ঘ্য বলে।

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য ও জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের সম্পর্ক:
- চৌম্বক দৈর্ঘ্য / জ্যামিতিক দৈর্ঘ্য ≈ 0.85 অর্থাৎ চৌম্বক দৈর্ঘ্য জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের তুলনায় কিছুটা কম।

• চৌম্বক মধ্যতল:
- মুক্তভাবে ঝুলন্ত চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে।

• ভৌগোলিক মধ্যতল:
- কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর-দক্ষিণ বরাবর কল্পিত উল্লম্ব তলকে ভৌগোলিক মধ্যতল বলে।
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যে কৌণিক ব্যবধানকে বিচ্যুতি বলে।

• চৌম্বক দ্বিমেরু:
- প্রতিটি অণুচুম্বক দুই মেরুবিশিষ্ট, তাই চুম্বককে চৌম্বক দ্বিমেরু বলা যায়।
- একটি দণ্ডচুম্বকও চৌম্বক দ্বিমেরু।

• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক:
- কোনো একটি মেরুশক্তি (m) ও চৌম্বক দৈর্ঘ্য (2l)-এর গুণফলই দ্বিমেরু ভ্রামক।
- M = m(2l).
- একক = অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2)।

• চৌম্বক ফ্লাক্স বা আবেশ:
- একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে অতিক্রান্ত বলরেখার সংখ্যাই চৌম্বক আবেশ।
- একক = ওয়েবার/মিটার2 বা টেসলা।

• চৌম্বক ক্ষেত্র:
- চুম্বক বা বিদ্যুৎবাহী তারের চারপাশের সেই অঞ্চল, যেখানে চৌম্বক প্রভাব অনুভূত হয়, তাকে চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।

• চুম্বকায়ন:
- প্রতি একক আয়তনে চৌম্বক ভ্রামককে চুম্বকায়ন বলে।
- I = M / V.
- একক = অ্যাম্পিয়ার/মিটার।

• চৌম্বক প্রাবল্য:
- চৌম্বক আবেশ ও চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতই চৌম্বক প্রাবল্য।
- একক = অ্যাম্পিয়ার/মিটার।

• চৌম্বক প্রবেশ্যতা:
- μ = B / H.
- শূন্যস্থানে μ₀ = B₀ / H.
- একক = টেসলা-মিটার/অ্যাম্পিয়ার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৩৩.
পরমাণুতে ইলেকট্রন সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী হলে তাকে কী বলে? 
  1. পজিট্রন
  2. নিউট্রন
  3. ধনাত্মক আয়ন
  4. ঋণাত্মক আয়ন
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক আয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক আয়ন
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বিশ্লেষণ: 
- কোনো অম্ল, ক্ষারক বা লবণ জাতীয় পদার্থের দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর দ্রব পদার্থের প্রত্যেকটি অণু দুটি তড়িতাহিত অংশে বিভক্ত হয় যায়। 
অর্থাৎ, “কোনো দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে”। 
- তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবনের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। 
- সকল অ্যাসিড, ক্ষার, কয়েকটি নিরপেক্ষ লবণ, অ্যাসিড মেশানো পানি ইত্যাদি তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। 
যেমন- H2SO4, NaOH, NaCl ইত্যাদি। 

- তড়িৎ বিশ্লেষণে পদার্থের মূলকগুলো আয়নিক হয়। 
- কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকে যদি স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম বা বেশী ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে আয়ন বলে।
- যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী থাকে তবে তাকে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়ন বলে। 
- আর যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তাকে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন বলে। 
- স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকের মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা নিউক্লিয়াসে অবস্থিত মোট প্রোটনের সংখ্যার সমান হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৪.
কাচের বা গোলীয় পৃষ্ঠের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্ফেরোমিটার
  2. স্ক্রু গজ
  3. স্লাইড ক্যালিপার্স
  4. ভার্নিয়ার স্কেল
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
ব্যাখ্যা

• কাচ বা গোলাকার পৃষ্ঠের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপার জন্য স্ফেরোমিটার ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বিশেষ যন্ত্র যা সাধারণত তিনটি পা এবং একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু দিয়ে তৈরি। কাচের লেন্স বা গোলাকার পৃষ্ঠের বক্রতার ব্যাসার্ধ নির্ধারণে এর ব্যবহার সবচেয়ে সুবিধাজনক। যন্ত্রটি পৃষ্ঠের ওপর স্থাপন করে কেন্দ্রীয় স্ক্রুতে সামান্য চাপ দিলে পায়ের উচ্চতা পরিবর্তনের মাধ্যমে বক্রতার মান বের করা যায়। এরপর স্ক্রুতে থাকা স্কেল থেকে পৃষ্ঠের ব্যাসার্ধ গণনা করা হয়। স্ফেরোমিটার লেন্স, আয়না বা অন্যান্য বক্র পৃষ্ঠের সঠিক ব্যাসার্ধ নির্ধারণে প্রয়োজনীয় এবং প্রায়শই অপটিক্যাল এবং যান্ত্রিক পরীক্ষায় ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য যন্ত্র যেমন স্ক্রু গজ, স্লাইড ক্যালিপার্স বা ভার্নিয়ার স্কেল সাধারণ মাত্রা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বক্রতার ব্যাসার্ধের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: ক) স্ফেরোমিটার।
 
স্ফেরোমিটার (Spherometer): 
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়। 
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার। 
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- এটি তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। 
- বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে, 
R = {(d2/6h) + (h/2)}
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা।

অন্যদিকে, 
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়।  
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৫,৩৩৫.
টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য টয়লেট ক্লিনার হিসেবে কোন ক্ষারধর্মীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়?
  1. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. ফেরাস হাইড্রোক্সাইড
  3. সোডিয়াম অক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক (Base): 
- সাধারণত ধাতু বা ধাতুর মতো ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের অক্সাইড এবং হাইড্রোক্সাইড যা এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারক বলে। 
যেমন- ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), কপার অক্সাইড (CuO), ফেরাস অক্সাইড (FeO), সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2, ফেরাস হাইড্রোক্সাইড Fe(OH)2, অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH) ইত্যাদি। 
- এসিডের সাথে ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন হওয়ার বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষারক প্রশমন বিক্রিয়া বলে। 
- তাই বলা হয় এসিড ক্ষারককে আর ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে। 
• CaO + 2HCl →  CaCl2 + H2
• 2KOH + H2SO4 → K2SO4 + 2H2
• NH4OH + HCl → NH4Cl + H2

ক্ষার (Alkali): 
- ধাতু বা ধাতুর মতো ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের হাইড্রোক্সোইড যৌগ যা পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 
- কোনো যৌগের ক্ষার হবার জন্য ২টি শর্ত রয়েছে- 
১। যৌগটিতে হাইড্রোক্সাইড (OH-) যৌগমূলক থাকতে হবে এবং 
২। ঐ যৌগ পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে। 
- NaOH ক্ষার, কারণ সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড যৌগে OH- মূলক আছে এবং এটি পানিতে দ্রবণীয়। 
- Fe(OH)2 কে ক্ষার বলা যায় না, কারণ এটিতে OH- গ্রুপ আছে কিন্তু এটি পানিতে দ্রবণীয় নয়, এটি শুধু ক্ষারক। 
- CaO ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয় কারণ CaO এ OH- মূলক নাই। 
অর্থাৎ, হাইড্রোক্সাইড মূলকধারী পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারকগুলোই হলো ক্ষার। তাই সব ক্ষারকই ক্ষার নয় কিন্তু সব ক্ষারই ক্ষারক। 
- বাসাবাড়িতে ক্ষার জাতীয় অনেক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- টয়লেট পরিষ্কার করার জন্য যে টয়লেট ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) ক্ষার থাকে। কাচ পরিষ্কার করার জন্য যে গ্লাস ক্লিনার ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ক্ষার (NH4OH) থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৩৬.
পাহাড়ের চূড়ায় কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) ওজোন
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে-
- নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%,
- অক্সিজেন - ২০.৭১%,
- আর্গন - ০.৮০%,
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড - ০.০৩% থাকে।
পাহাড়ের চূড়ার বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও নাইট্রোজেনের প্রাধান্য থাকে।
৫,৩৩৭.
মহাকর্ষ বল কী? 
  1. বস্তুর ভরের পরিমাণ
  2. পৃথিবীর নিজস্ব শক্তি
  3. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা
  4. পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ শক্তি
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- মানুষ লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠতে পারে না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে কারণ পৃথিবী তাদেরকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। এই ঘটনাকে (Phenomenon) বলে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৩৩৮.
মল্ট থেকে কোন এনজাইম নিঃসৃত হয়?
  1. জাইমেস
  2. ডায়াস্টেস
  3. মলটেস
  4. ইনভারটেস
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন:
ঈস্ট: 
- ঈস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। 
- পচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ঈস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। 
- ঈষ্টের কোষে জাইমেস (zymase), ইনভারটেস (invertase), মলটেস (maltase) ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। 

মল্ট: 
- বার্লির দানাকে পানিতে 15°C তাপমাত্রায় অন্ধকারে খোলা অবস্থায় রেখে দিলে বার্লির দানা অংকুরিত হয় এবং অংকুরিত শুষ্ক বার্লির দানাকে গুঁড়া করে নিলে মল্ট গুড়া পাওয়া যায়। 
- মল্ট থেকে ডায়াস্টেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। 

এনজাইম: 
- এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। 
- ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। 
যেমন- ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। 
- এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৯.
Al এ উপস্থিত নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 12
  2. 13
  3. 14
  4. 11
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

• অ্যালুমিনিয়ামে উপস্থিত নিউট্রন সংখ্যা 14টি। 

- অ্যালুমিনিয়ামের রাসায়নিক সংকেত Al এবং এটি এক ধাতব মৌল।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা 13, যার অর্থ নিউক্লিয়াসে 13টি প্রোটন থাকে।
- এর পারমানবিক ভর 27। 
- নিউট্রন সংখ্যা বাড়লে নিউক্লিয়াস স্থিতিশীল থাকে।
- অ্যালুমিনিয়াম একমাত্র প্রাকৃতিক আইসোটোপ 27Al নিয়ে গঠিত, যার নিউট্রন সংখ্যা 14 হওয়াই এটির স্থিতিশীলতার মূল কারণ।
- যদি নিউট্রন সংখ্যা বেশি বা কম হতো, তবে মৌলটি তেজস্ক্রিয় (Radioactive) হয়ে যেতে পারত।

নিউট্রন সংখ্যা = ভর সংখ্যা - প্রোটন সংখ্যা 
= 27 - 13  
= 14 

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩৪০.
যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয়, তাকে ______ বলে৷
  1. ক) হিমাংক
  2. খ) গলনাংক
  3. গ) স্ফুটনাংক
  4. ঘ) তরলাংক
সঠিক উত্তর:
খ) গলনাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গলনাংক
ব্যাখ্যা
যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয়, সে তাপমাত্রাকে বলে গলনাংক। গলনাংক এবং হিমাংক পরিমাণগত ভাবে একই, তবে দুটো বিপরীত প্রক্রিয়ার ফসল।
যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয় তাকে ঐ পদার্থের স্ফুটনাংক বলে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
৫,৩৪১.
কোন রাশি পরিমাপের জন্য অন্য রাশির উপর নির্ভর করতে হয়?
  1. বেগ
  2. ভর
  3. দৈর্ঘ্য
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ বা যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪২.
নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে বলা হয় -
  1. ক) ফিশন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
ব্যাখ্যা
- দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়া কে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। 
- অন্যদিকে যে নিউক্লিয় বিক্রিয়া একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে।

- মেসন হল মৌলের ক্ষুদ্রতম কণিকা।
- নিউট্রন মৌলের স্থায়ী মৌলিক কণিকা।
- নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া হাইড্রোজেন বোমা তৈরির ভিত্তি।
- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক বোমা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
৫,৩৪৩.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে একটি ধাতুর উপর অন্য একটি ধাতুর প্রলেপ দেয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়? 
  1. পেইন্টিং 
  2. ভলকানাইজিং 
  3. গ্যালভানাইজিং 
  4. ইলেকট্রোপ্লেটিং 
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোপ্লেটিং 
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। 
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। 
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়। 

ভলকানাইজিং: 
- রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানোকে ভলকানাইজিং বলে। 

পেইন্টিং: 
- ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করার জন্য রং দেয়াকে পেইন্টিং বলে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩৪৪.
What is the total resistance when three resistors of 7Ω, 8Ω, and 9Ω are connected in series?
  1. 14Ω
  2. 23Ω
  3. 24Ω
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
24Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24Ω
ব্যাখ্যা
Question: What is the total resistance when three resistors of 7Ω, 8Ω, and 9Ω are connected in series?

Solution:
দেওয়া আছে,
রোধ, R1 = 7Ω,
রোধ, R2 = 8Ω এবং
রোধ, R3 = 9Ω

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 7Ω + 8Ω + 9Ω 
= 24Ω 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৫.
ইলেকট্রিক ঘণ্টার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর কোন শক্তিতে ঘটে?
  1. শব্দশক্তি
  2. আলোক শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
শব্দশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দশক্তি
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রিক ঘণ্টার ক্ষেত্রে মূলত বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রটি কাজ করে। বৈদ্যুতিক শক্তি সরাসরি ঘণ্টার মেকানিজমকে ঘূর্ণন করায়, যা শব্দ উৎপাদনের মাধ্যমে আমাদের সময় জানানোর কাজ করে। অর্থাৎ, ঘণ্টা বাজানোর সময় যে “টিক-টক” শব্দ শোনা যায়, তা বৈদ্যুতিক শক্তির পরিবর্তন হয়ে তৈরি হয় শব্দশক্তিতে। এখানে কোন আলোক শক্তি বা রাসায়নিক শক্তি সরাসরি যুক্ত থাকে না, কারণ এটি আলো বা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে না। তাপ শক্তি কিছুটা নিঃসৃত হতে পারে যন্ত্রের চলার সময়, কিন্তু ঘণ্টার মূল কাজের জন্য তা প্রাথমিক শক্তি নয়। সুতরাং ইলেকট্রিক ঘণ্টায় বিদ্যুৎ শক্তি রূপান্তরিত হয় শব্দশক্তিতে।

• বৈদ্যুতিক ঘণ্টা: 
- বৈদ্যুতিক ঘণ্টা (Electric Bell) হচ্ছে এমন একটি যন্ত্র, যা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

• বৈদ্যুতিক ঘণ্টার কার্যপ্রণালী:
- বৈদ্যুতিক সংকেত প্রবাহিত হলে ইলেক্ট্রোম্যাগনেট সক্রিয় হয়। 
- ইলেক্ট্রোম্যাগনেট একটি হাতুড়িকে আকর্ষণ করে। 
- হাতুড়ি ঘণ্টার উপর আঘাত করে শব্দ সৃষ্টি করে। 
- স্প্রিংয়ের সাহায্যে হাতুড়ি ফিরে আসে এবং প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্ত হয়। 

• শক্তি রূপান্তরের ধারা:
বিদ্যুৎ শক্তি → চৌম্বক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি → শব্দ শক্তি

তথ্যসূত্র:
- University of Cambridge. (2020). GCSE Physics: Electromagnetic Devices.

৫,৩৪৬.
E = mc2 সূত্রে c দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ইলেক্ট্রন বেগ
  2. আলোর বেগ
  3. আপেক্ষিক বেগ
  4. চার্জের গতি
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ
ব্যাখ্যা
E = mc2
এখানে,
E (energy) = শক্তি
M (mass) = ভর
C (Light-velocity) = আলোর বেগ = 3×108 (মি./সে.)
আইনস্টাইনের বিখ্যাত E = mc2 সূত্র দ্বারা, শক্তি ও ভর যে অভিন্নতা নির্দেশ করে।
এই সূত্র অনুসারে m ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ঐ ভরের সাথে আলোর বেগ (c) এর বর্গের গুনফল এর সমান।
৫,৩৪৭.
মহাকর্ষ বলের বাহক কণা কোনটি?
  1. গ্রাভিটন
  2. Z বোসন
  3. ফোটন
  4. গ্লুঅন
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাভিটন
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ বলের বাহক কণা হলো গ্রাভিটন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বলের জন্য আলাদা আলাদা বাহক কণা রয়েছে, যেমন আলো বা তড়িৎচুম্বকীয় বলের বাহক কণা হলো ফোটন। তবে মহাকর্ষ বলের ক্ষেত্রেও একটি কণা কল্পনা করা হয়েছে, যাকে গ্রাভিটন বলা হয়। এটি একটি কাল্পনিক, বিমাত্রিক কণা, যা মহাকর্ষীয় শক্তি পরিবহনের কাজ করে। যদিও গ্রাভিটন এখনও সরাসরি আবিষ্কার হয়নি, তবুও এটি তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে মহাকর্ষের বাহক কণা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) গ্রাভিটন।


মৌলিক বল:

- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।

- এই মৌলিক বলগুলো হলো-
১। মহাকর্ষ বল,
২। তাড়িতচৌম্বক বল,
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল।
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।

অন্যদিকে,
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
৫,৩৪৮.
পটাশিয়ামবাহী সার কোনটি?
  1. ক) ইউরিয়া
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) মিউরিয়েট অব পটাশ
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
গ) মিউরিয়েট অব পটাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিউরিয়েট অব পটাশ
ব্যাখ্যা
মিউরিয়েট অব পটাশ হচ্ছে পটাশিয়ামবাহী সার। 

- মিউরিয়েট অব পটাশ  এক ধরণের রাসায়নিক সার। কৃষিকাজে ব্যবহারে পটাশিয়াম ক্লোরাইডকে প্রায়ই মিউরিয়েট অব পটাশ বলা হয়।
- পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCl) একটি শোধিত লাল বা ধূসর লাল ঘনক কেলাসিত যৌগ, যা দেখতে খাবার লবণের মতো।
- ‘মিউরিয়েট’ শব্দটির উৎপত্তি মিউরিয়েটিক এসিড থেকে, যা হাইড্রোক্লোরিক এসিডের একটি সাধারণ নাম।
- প্রক্রিয়াজাত পটাশিয়ামের ৯০ শতাংশেরও অধিক পরিমাণ সার হিসেবে ব্যবহূত হয় এবং বিশ্বব্যাপী পটাশিয়াম লবণের অন্তত ৭৮ শতাংশ মিউরিয়েট অব পটাশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ যৌগটিতে K2O (পটাশিয়াম অক্সাইড)-এর পরিমাণ ৪৮ থেকে ৭৮ শতাংশ (অর্থাৎ ৩৯ থেকে ৬১ শতাংশ পটাশ) এবং ক্লোরিনের পরিমাণ প্রায় ৪৭ শতাংশ।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৫,৩৪৯.
হ্যালোজেন সমূহ পর্যায় সারণীতে কোন গ্রুপে অবস্থিত? 
  1. ক) গ্রুপ ১ 
  2. খ) গ্রুপ ২ 
  3. গ) গ্রুপ ১৭
  4. ঘ) গ্রুপ ১৮ 
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রুপ ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রুপ ১৭
ব্যাখ্যা
হ্যালোজন অর্থ সামুদ্রিক লবণ উৎপাদনকারী। এদের অবস্থান গ্রুপ ১৭ তে। 
- গ্রুপ ১৮ তে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ অবস্থান করে।
- গ্রুপ ১ কে বলা হয় ক্ষার ধাতু।
- গ্রুপ ২ কে বলা হয় মৃত ক্ষার ধাতু। 
৫,৩৫০.
পারমাণবিক চুল্লিতে 'মডারেটরের' প্রাথমিক কাজ হলো:
  1. অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ এবং চেইন বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ
  2. চুল্লির কেন্দ্রে উৎপন্ন তাপ স্থানান্তর করে শীতল করা
  3. দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
  4. ক্ষতিকারক গামা বিকিরণ থেকে সুরক্ষা প্রদান
সঠিক উত্তর:
দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলোকে ধীরগতি করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ানো
ব্যাখ্যা

- পারমাণবিক চুল্লিতে ফিশন প্রক্রিয়ার সময় অত্যন্ত উচ্চ গতিসম্পন্ন বা উচ্চ শক্তির নিউট্রন উৎপন্ন হয়। কিন্তু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে নতুন ফিশন শুরু করার জন্য ধীরগতি সম্পন্ন বা তাপীয় নিউট্রন অনেক বেশি কার্যকর। মডারেটরের প্রধান কাজ হলো ইলাস্টিক কলিশন বা স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের মাধ্যমে নিউট্রনের গতি কমিয়ে সেগুলোকে ফিশন উপযোগী করা, যাতে চেইন রিঅ্যাকশন বজায় থাকে। 

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- শৃঙ্খল বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে ইউরেনিয়ামকে তাপীয় নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে এই ভারী নিউক্লিয়াসটি প্রায় সমান ভাবে দুটি নিউক্লিয়াসে ভেঙ্গে যায় এবং এর সাথে প্রচুর শক্তি নির্গত করে।  

- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।
- নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরের মডারেটর (Moderator) সম্বন্ধে এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো- 
মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181 MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং গ্রাফাইট। মডারেটর হিসেবে সাধারণত ভারী পানি ব্যবহার করা হয়।
- নিউক্লীয় বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিশক্তিসম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে মন্দীভূত করে মডারেটর এবং মন্দীভূত নিউট্রনগুলি আবার নিউক্লীয় বিক্রিয়া ঘটায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৫১.
লিফট যদি মুক্তভাবে নিচে পড়ে তবে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ হবে-
  1. ক) 0
  2. খ) অসীম
  3. গ) ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড ২
  4. ঘ) ৮.৯ মিটার/সেকেন্ড ২
সঠিক উত্তর:
ক) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0
ব্যাখ্যা
লিফট যদি মুক্তভাবে নিচে পড়ে অর্থাৎ, লিফটেরও যদি g ত্বরণ হয়, তবে লিফটের সাপেক্ষে আমাদের ত্বরণ হবে (g- g) অর্থাৎ শূন্য। ফলে আমরা লিফটের উপর কোনাে বল প্রয়ােগ করব না।
উৎস: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
৫,৩৫২.
According to Einstein’s theory of relativity, which phenomenon cannot be explained?
  1. Gravitation
  2. Stellar motion
  3. Concept of an expanding universe
  4. Magnetic property
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Magnetic property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magnetic property
ব্যাখ্যা
• আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার নীতি অনুসারে চৌম্বক ধর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না। 

• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আইনস্টাইনের মতে স্থান, কাল ও ভর পরম নয়,সবই আপেক্ষিক। আইনস্টাইনের এই তত্ত্বই আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of relativity) নামে পরিচিত।

• আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of Relativity) মূলত দুভাগে বিভক্ত, যথা-
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব (The general theory of relativity) এবং
- আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (The special theory of relativity)।

• আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (১৯০৫) ও সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (১৯১৫) নিম্নলিখিত বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করে:
- মহাকর্ষ।
- নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি।
- সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব ধারণা।

অন্যদিকে,
- চৌম্বকত্ব বা পদার্থের চৌম্বক ধর্ম ব্যাখ্যার জন্য কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্স (QED) বা ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণ ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫৩.
নিচের কোনটি বয়েলের সূত্রকে সমর্থন করে? 
  1. V/T = ধ্রবক
  2. PV = ধ্রবক
  3. P/V = ধ্রবক
  4. VT = ধ্রবক
সঠিক উত্তর:
PV = ধ্রবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PV = ধ্রবক
ব্যাখ্যা

• বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
- গাণিতিকভাবে, V ∝ 1/P বা, PV = ধ্রুবক। 

• চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
- গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/ 273 
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
- গাণিতিকভাবে, V ∝ T বা, V/T = ধ্রুবক। 

• গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক । 
- গাণিতিকভাবে, P ∝ T বা, P/T = ধ্রুবক। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৫,৩৫৪.
ফিটকিরিতে _________ অণু পানি থাকে। 
  1. ১৫
  2. ২৪
  3. ১৬
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা

• পানি অণুগুলো ফিটকিরির স্ফটিক গঠনকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। উত্তপ্ত করলে এই পানি ধীরে ধীরে বের হয়ে যায় এবং ফিটকিরির গঠন পরিবর্তিত হয়। তাই ফিটকিরিতে ২৪টি পানি অণু থাকে। সঠিক উত্তর হলো খ) ২৪।

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

- বিভিন্ন কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এটি জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
• কোথাও কেটে গেলে, ছিঁড়ে গেলে সেখানে পানিতে ভিজানো ফিটকিরি ঘষে দেওয়া হয়। 
• ফিটকিরি কঠিন অবস্থায় থাকে বলে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে নিতে হয় অথবা পানিতে দ্রবীভূত করে তা ক্ষতস্থানে লাগানো হয়। 
• খাবার পানি বিশুদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার জন্য এর সাথে পরিমাণমত ফিটকিরি ব্যবহারের ঘণ্টাখানেক আগে দিয়ে রাখা হয়। 
• ফিটকিরি গলে গেলে পানি ছেঁকে নেয়া হয়। 
• অনেকে দাড়ি কাটার পর এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরি ব্যবহার করেন। 
• এটি আফটার সেভ লোশান হিসেবে কাজ করে। 
• ফিটকিরি রক্তক্ষরণও বন্ধ করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৫৫.
নিম্নলিখিত অপশন গুলোর মধ্যে কোনটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন?
  1. ইথাইন
  2. বিউটিন
  3. ইথেন
  4. ইথিন
সঠিক উত্তর:
ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথেন
ব্যাখ্যা

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ হচ্ছে - ইথেন। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো CnH2n+2 যেখানে n=1,2,3 ইত্যাদি।

• ইথেন:
- ইথেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। ইথেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C2H6 
- এটি হলো ২ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। এতে ২ টি কার্বনের সাথে ৬ টি হাইড্রোজেন পরমাণু একক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৫৬.
প্রোটনের আপেক্ষিক ভর কত?
  1. ক) ০.১
  2. খ) ১
  3. গ) ০.০১
  4. ঘ) ০.১১
সঠিক উত্তর:
খ) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১
ব্যাখ্যা
নিউট্রন এবং প্রোটনের আপেক্ষিক ভর হলো ১, ইলেকট্রনের ০।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫,৩৫৭.
সার্কিট তৈরির জন্য প্রয়োজন -
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ক্যাপাসিটর
  3. রেজিস্টর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
৫,৩৫৮.
নাইটিনল কী?
  1. এক ধরনের সংকর ধাতু
  2. এক ধরনের এন্টিবায়োটিক
  3. এক ধরনের ভাইরাস
  4. এক ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের সংকর ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের সংকর ধাতু
ব্যাখ্যা
নাইটিনল হলো সংকর ধাতু যা নিকেল ও টাইটিনিয়ামের সমান আণবিক অনুপাতে তৈরী।
এটি নিকেল টাইটিনিয়াম নামেও পরিচিত।

নাইটিনল সংকর ধাতুটি দুটি খুবই অনন্য ও খুবই কাছাকাছি সম্পর্কযুক্ত ধর্ম প্রদর্শন করে।

১) আকৃতি ধরে রাখার অনন্য ক্ষমতা যাকে  Shape Memory বলে।
Shape memory হচ্ছে বিশেষ ধরনের বৈশিষ্ট যা নাইটিনলকে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পরিসরে তার আকৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে।  নাইটিনল দিয়ে কোনো কিছু তৈরীর সময় নির্দিষ্ট আকৃতি দেওয়ার ক্ষত্রে তাপমাত্রা খুব বড় প্রভাবক। তৈরির সময়ের এই তাপমাত্রাকে রুপান্তরক তাপমাত্রা বলে।

২) বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা ( superelasticity বা pseudoelasticity)
নাইটিনলের বিশেষ ধরনের স্থিতিস্থাপকতা একটি ক্ষুদ্র তাপমাত্রার পরিসরে হয়ে থাকে যা এর রুপান্তর তাপমাত্রার বেশি। এই কারণেই বাঁকা তার টি এই রুপান্তর তাপমাত্রার বেশি তাপমাত্রার গরম পানিতে দেওয়ার ফলে সোজা হয়।

সূত্রঃ The Story of Nitinol: The Serendipitous Discovery of the Memory Metal and Its Applications; researchgate.net থেকে যাচাইকৃত।
৫,৩৫৯.
রংধনুতে 'কমলা' রঙের পাশের দুটি রঙ কি কি?
  1. লাল ও নীল
  2. আসমানী ও হলুদ
  3. সবুজ ও কমলা
  4. হলুদ ও লাল
সঠিক উত্তর:
হলুদ ও লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ ও লাল
ব্যাখ্যা
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ হলুদ রঙের দুই পাশের দুইটি রং হলো- সবুজ এবং কমলা।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৬০.
নিচের সবচেয়ে কম সক্রিয় ধাতু কোনটি?
  1. গোল্ড
  2. সিলভার
  3. ক্রোমিয়াম
  4. ক্যাডমিয়াম
সঠিক উত্তর:
গোল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ড
ব্যাখ্যা
- সক্রিয়তা সিরিজে 'গোল্ড (Au)' ধাতুটি সবচেয়ে কম সক্রিয়। 

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 
 
- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
- অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬১.
পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের সময় কোনটি নির্গত হয় না?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. ডেল্টা
সঠিক উত্তর:
ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেল্টা
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের সময় ডেল্টা কণিকা নির্গত হয় না। 

• তেজস্ক্রিয় ভাঙন (Radioactive Decay):
- তেজস্ক্রিয় ভাঙন বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি অস্থির পারমাণবিক নিউক্লিয়াস শক্তি হারায় এবং তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা নির্গত করে।

• পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে গেলে সাধারণত তিন ধরনের বিকিরণ নির্গত হয়:
- আলফা কণা (α),
- বিটা কণা (β),
- গামা রশ্মি (γ)।

• ডেল্টা (Δ) কণা তেজস্ক্রিয় ক্ষয়ে কোনো সাধারণ বিকিরণ নয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৫,৩৬২.
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলােকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে যাওয়ার সময় আপতন কোণের মান সংকট কোনের চেয়ে বড় হলে আলােক রশ্মি প্রতিসরিত না হয়ে বিভেদতল থেকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়ে ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে। 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত দুইটি। 
যথা- 
১) আলােক রশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে ঘন ও হালকা মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হবে। 
২) আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বড় হবে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৬৩.
হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণের সময় কোন বিক্রিয়া সংঘটিত হয়?
  1. ক) নিউক্লিয় বিভাজন
  2. খ) তেজস্ক্রিয় বিকিরণ
  3. গ) নিউক্লিয় সংযোজন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয় সংযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয় সংযোজন
ব্যাখ্যা
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ভিন্ন মৌল তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বা নিউক্লিয় সংযােজন বিক্রিয়া বলে।

- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া।

- নিউক্লিয় ফিউশন নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনের আইসােটোপ - ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বােমা তৈরি করা হয়।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৬৪.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
  1. ধুলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টির কণা
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। 
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। 
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। 
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। 
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে। 
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।  
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই। 
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ  প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৬৫.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস-
  1. ক) পানির গতি শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি
  3. গ) পানির বিভব শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা

- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে বিভবশক্তি জমা হয়।
- পানি নিচে প্রবাহিত হওয়ার সময় এই বিভবশক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয়।
- পানি প্রবাহের সাহায্যে টারবাইনের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- এভাবে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩৬৬.
What type of signal can be transmitted through fiber optic cables?
  1. Electrical signal
  2. Radio signal
  3. Optical signal
  4. Sound wave
  5. Thermoelectric
সঠিক উত্তর:
Optical signal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Optical signal
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে আলোক সংকেত (Optical signal) প্রেরণ করা হয়। 

• ফাইবার অপটিক্স:
- ফাইবার অপটিক্স একটি অত্যাধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি যার ফলে আলোক সংকেতের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো যায়।
- এতে প্লাস্টিক বা কাঁচের তৈরি পাতলা তন্তুর (fiber) মাধ্যমে আলো পাঠানো হয়।
- এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্ম ব্যবহার করে দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য বহন করে। 

• ফাইবার অপটিক প্রযুক্তির কার্যপ্রণালী:
- তথ্য প্রথমে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই সংকেতকে আলোক সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
- আলোক সংকেতকে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মধ্য দিয়ে পাঠানো হয়।
- গন্তব্যে পৌঁছে আলোক সংকেত আবার ডিজিটাল তথ্য হিসেবে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ০ ১০ম শ্রেণি।
৫,৩৬৭.
নিচের কোনটির কারণে তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না? 
  1. চাপ
  2. তাপ
  3. চৌম্বকক্ষেত্র
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- তাপ, চাপ, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। 
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬৮.
ক্ষমতার মাত্রা কোনটি?
  1. MLT -3
  2. ML2T -2
  3. ML2T -3
  4. ML-2T -3
সঠিক উত্তর:
ML2T -3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ML2T -3
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
• 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা [ML2T -3]

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৬৯.
তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. হাইগেন
  3. নিউটন
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:

- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৭০.
pH স্কেলের সীমা কত? 
  1. 0-14
  2. 7-14
  3. 0-7
  4. 0-18
সঠিক উত্তর:
0-14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0-14
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৭১.
ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় যান্ত্রিক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?  
  1. চুম্বক শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. তাপ শক্তি
  4. শব্দ ও তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
শব্দ ও তাপ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ ও তাপ শক্তি
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয় ফলে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাঁশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক খন্ড পাথরের উপর একটি ধাতব দন্ড দ্বারা জোরে আঘাত করলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হতে দেখা যায় এবং এক ধরনের শব্দেরও সৃষ্টি হয়। ধাতব দণ্ড ও পাথর খন্ডটি খানিকটা উত্তপ্ত হয়ে যান্ত্রিক শক্তি তাপ, শব্দ ও আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় এতে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- একই ভাবে দোলনার ক্ষেত্রে স্থিতি ও গতিশক্তির রূপান্তর ঘটে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,৩৭২.
ট্রানজিস্টর তৈরিতে সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) এলুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন
ব্যাখ্যা

দুটি অর্ধপরিবাহী ডায়ােডকে পাশাপাশি যুক্ত করে একটি অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড তৈরি করা হলে তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর প্রথম তৈরি করেন উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।
ট্রানজিস্টর তৈরি করতে প্রয়ােজন সেমিকন্ডাক্টর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম)।
ট্রানজিস্টরের অপর নাম অর্ধপরিবাহী ট্রায়ােড। ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয় বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে।
ইলেকট্রনিক্সে বিপ্লব শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে।
ট্রানজিস্টর প্রধানত ব্যবহার করা হয় এমপ্লিফায়ার বা বিবর্ধক হিসেবে।

৫,৩৭৩.
আলফা রশ্মি বা আলফা কণা আসলে কী?
  1. ইলেকট্রন
  2. পজিট্রন
  3. হিলিয়াম পরমাণু
  4. তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ
  5. হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি (Alpha Ray)
- আলফা রশ্মি বা আলফা কণা আসলে একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে থাকে দুটো প্রোটন এবং দুটো নিউট্রন, কাজেই এটি একটি চার্জযুক্ত কণা।
- সে কারণে বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে এর গতিপথকে প্রভাবিত করা যায়।
- একটা নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যখন একটা আলফা কণা বের হয়ে আসে তখন তার শক্তি থাকে কয়েক MeV. কাজেই সেটি যখন বাতাসের ভেতর দিয়ে যায় তখন বাতাসের অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষ করে সেগুলোকে তীব্রভাবে আয়নিত করতে পারে।
- বাতাসে আলফা কণার গতিপথ হয় সরলরেখার মতো, এটা সোজা এগিয়ে যায়।
- তবে আলফা কণা যেহেতু হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস তাই এটা পদার্থের ভেতর দিয়ে বেশি দূর যেতে পারে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৩৭৪.
তাপমাত্রা, উপাদান ও দৈর্ঘ্য স্থির থাকলে কোন পরিবাহীর রোধ পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ……
  1. ক) ব্যস্তানুপাতিক
  2. খ) সমানুপাতিক
  3. গ) উভয়টি প্রযোজ্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
কোন পরিবাহীর রোধ পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, উপাদান ও তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। রোধের এ নির্ভরশীলতার উপর ভিত্তি করে রোধের তিনটি সূত্র আছে। সূত্রগুলো নিচে বর্ণনা করা হল :

প্রস্থচ্ছেদের সূত্রঃ তাপমাত্রা, উপাদান ও দৈর্ঘ্য স্থির  থাকলে কোন পরিবাহীর রোধ পরিবাহীর প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, কোন পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল A এবং রোধ R হলে সূত্রানুসারে, R ∝  (1 / A)  যখন L ধ্রুবক।

সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি প্রোগ্রাম
৫,৩৭৫.
আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত টুথপেস্ট কী জাতীয়?
  1. ক্ষার জাতীয়
  2. এসিড জাতীয়
  3. লবণ জাতীয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষার জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষার জাতীয়
ব্যাখ্যা
টুথপেস্ট:
কখনো মিষ্টিজাতীয় খাবার খেয়ে মুখ পরিষ্কার না করলে কিছুক্ষণ পর মুখে টক টক অনুভূত হয়।
- আসলে মুখের মধ্যে অনেক ব্যাকটেরিয়া থাকে যা আমাদের খাওয়া খাবার থেকে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড তৈরি করে।
- তাই মুখে টক স্বাদ অনুভূত হয়।
- এই এসিড দাঁতের এনামেলকে (ক্যালসিয়ামের যৌগ) ক্ষয় করে।
- টুথপেস্টে থাকা ক্ষারজাতীয় পদার্থ এ সকল এসিডকে প্রশমিত করে।
- ফলে দাঁতের এনামেল রক্ষা পায়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৭৬.
কে পরমাণুর নিউক্লিয়ার মডেল সম্পর্কে ধারণা দেন?
  1. ক) জন ডাল্টন
  2. খ) নীল বোর
  3. গ) ডেমোক্রিটাস
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সােলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে। 
- এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়।
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৭৭.
শুষ্ক কোষে কে ইলেকট্রন দান করে? 
  1. দস্তার খোল
  2. কার্বন দণ্ড
  3. কয়লার গুঁড়া
  4. ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ।
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫,৩৭৮.
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপি কী ঘটে? 
  1. বৃদ্ধি পায় 
  2. হ্রাস পায় 
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা

এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি (Entropy) বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সংকুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৫,৩৭৯.
ভর এবং ওজনের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
  1. ভর স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়, ওজন অপরিবর্তিত
  2. ভর অপরিবর্তিত, ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত
  3. উভয়ই স্থানভেদে পরিবর্তিত
  4. উভয়ই অপরিবর্তিত
সঠিক উত্তর:
ভর অপরিবর্তিত, ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর অপরিবর্তিত, ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত
ব্যাখ্যা

• কোনো বস্তুর ভর বস্তুর অবস্থানভেদে পরিবর্তন হয় না কিন্তু স্থানভেদে বস্তুর ওজনের তারতম্য হয়।

• ভর:
- একে m দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- SI পদ্ধতিতে এর একক কিলোগ্রাম(kg)।
- কোনো বস্তুর ভর বস্তুর অবস্থানভেদে পরিবর্তন হয় না।

• ওজন:
- ওজন এক প্রকার বল।
- ওজনের একক নিউটন। এটি একটি ভেক্টর রাশি।
- বলের মাত্রাই ওজনের মাত্রা (MLT- 2)।
- বস্তুর ওজন যে বিন্দুতে খাড়া নিচের দিকে ক্রিয়া করে, তাকে ভরকেন্দ্র বলে।
- স্থানভেদে বস্তুর ওজনের তারতম্য হয়।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর বস্তুর ওজন নির্ভরশীল।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৮০.
হ্যালোনস বা BCF সাধারণত কোন রূপে কাজে লাগানো হয়?
  1. চেতনানাশক
  2. কীটনাশক
  3. জ্বালানী
  4. অগ্নিনির্বাপক
সঠিক উত্তর:
অগ্নিনির্বাপক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিনির্বাপক
ব্যাখ্যা

• হ্যালোনস বা BCF (Bromochlorodifluoromethane) প্রধানত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এগুলো উচ্চ কার্যকারিতা সম্পন্ন ফায়ার এক্সটিংগুইশারগুলিতে ব্যবহৃত হয় এবং আগুন নিভানোর সময় দ্রুত তাপ শোষণ এবং জ্বলন প্রক্রিয়ার রাসায়নিক বাধা সৃষ্টি করে। হ্যালোনস বাতাসে তেমন ক্ষতি ছাড়াই আগুন দমন করতে সক্ষম এবং এটি ইলেকট্রনিক বা সংবেদনশীল সরঞ্জাম যেমন কম্পিউটার রুম, বিমান ইঞ্জিন, বা ল্যাবরেটরিতে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ। এগুলো চেতনানাশক বা কীটনাশক নয় এবং সাধারণ জ্বালানীর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা হয় না। তাই হ্যালোনসের প্রধান ব্যবহার হলো অগ্নিনির্বাপক হিসাবে।

- উত্তর: ঘ) অগ্নিনির্বাপক। 

• হ্যালোনস বা BCF (Halons or BCF):
- হ্যালোনস বা BCF হলো রসায়নিক যৌগ যা প্রধানত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  
- এগুলো আগুন নিভাতে খুব কার্যকর, বিশেষত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা সংবেদনশীল সরঞ্জামে।  
- হ্যালোনস আগুন নিভাতে ব্যবহার করার সময় জলে বা ধোঁয়ায় ক্ষতি করে না।  
- এগুলি চেতনানাশক, কীটনাশক বা জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার হয় না।  
- হ্যালোনস বাতাসে ছড়িয়ে গেলে পরিবেশে ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই এখন অনেক দেশ এগুলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে।  

- সুতরাং, হ্যালোনস বা BCF সাধারণত অগ্নিনির্বাপক পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) অগ্নিনির্বাপক।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৫,৩৮১.
সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড নয় কোনটি?
  1. ক) পামিটিক এসিড
  2. খ) প্রোপানোয়িক এসিড
  3. গ) স্টিয়ারিক এসিড
  4. ঘ) অলিয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলিয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অলিয়িক এসিড
ব্যাখ্যা
ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন - 

সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) প্রোপানোয়িক এসিড, 
(২) স্টিয়ারিক এসিড, 
(৩) পামিটিক এসিড। 

অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
(১) অক্সালিক এসিড, 
(২) অলিয়িক এসিড
(৩) লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
৫,৩৮২.
চুম্বকের আকর্ষণ ক্ষমতা কোথায় বেশি? 
  1. চুম্বকের উত্তর মেরু অঞ্চলে
  2. চুম্বকের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে
  3. চুম্বকের মাঝামাঝি অঞ্চলে
  4. চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক আবিষ্কৃত হয় গ্রীসে। 
- যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে তাদেরকে চুম্বক বলে। 
- প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষের তৈরি চুম্বককে বলা হয় কৃত্রিম চুম্বক। 
- চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাদের বলা চুম্বকীয় পদার্থ। 
- যে কোনো আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে চুম্বকের দুই প্রান্তের কাছাকাছি সরু অঞ্চলে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,৩৮৩.
ফারেনহাইট স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক কত ডিগ্রি?
  1. ক) ১০০
  2. খ) ১৮০
  3. গ) ২১২
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ২১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২১২
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০° C।
∴ ১০০/৫ = (x-৩২)/৯
(x-৩২)/৯ = ২০
x = ১৮০ + ৩২ = ২১২° F
৫,৩৮৪.
পৃথিবীতে কোন বস্তুর ভর ৬ কেজি হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে এর ভর কত হবে?
  1. ক) ৩ কেজি
  2. খ) ২ কেজি
  3. গ) ১ কেজি
  4. ঘ) ৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ কেজি
ব্যাখ্যা
পদার্থের ভর সবসময়ই অপরিবর্তিত থাকে। তাই পৃথিবীতে যে বস্তুর ভর ৬ কেজি, চাঁদেও তার ভর ৬ কেজিই থাকবে।

কিন্তু, চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীপৃষ্ঠে ঐ বস্তুর ওজনের ১/৬ অংশ হয়।
অর্থাৎ, পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ওজন ৬ নিউটন হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ১ নিউটন।
৫,৩৮৫.
মানুষের শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH এর মান কত?
  1. ৮.৫
  2. ১৪
  3. ৫.৫
সঠিক উত্তর:
৫.৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৫
ব্যাখ্যা
• pH এর মানের ভিন্নতা:
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH এর মান ৫.৫।
- ত্বকের pH এর মান ৫.৫ থেকে ৬.৫ এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমণকে প্রতিরোধ করতে পারে।
- ত্বকের pH এর মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়।
- মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল। এর pH এর মান হলো ৫.০।
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার শ্যাম্পুর pH এর মান ৫.৫ এর কাছাকাছি থাকাই উচিত।
- চুলের pH এর মান ৬ এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৬.
প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় -
  1. কোলাহল
  2. তীক্ষ্ণতা
  3. প্রতিধ্বনি
  4. বিস্তার
সঠিক উত্তর:
প্রতিধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা
- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- - প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।
- প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা, কূপের গভীরতা ইত্যাদি নির্ণয় করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৭.
মহাজাগতিক রশ্মির গবেষণায় নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে পাওয়া যায়—
  1. ক) নিউট্রিনো
  2. খ) বোসন
  3. গ) প্রোটন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসন
ব্যাখ্যা
• ইউকাওয়া হিদেকি একজন জাপানি পদার্থবিদ । প্রাথমিক কণার তত্ত্বের উপর গবেষণার জন্য তিনি ১৯৪৯ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার পান।
• ১৯৩৫ সালে, ওসাকা ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটির একজন প্রভাষক থাকাকালীন,  শক্তিশালী এবং দুর্বল পারমাণবিক শক্তির একটি নতুন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছিলেন যেখানে তিনি  একটি নতুন ধরণের কণার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন।
• তিনি এটিকে ইউ-কোয়ান্টাম নামে অভিহিত করেন এবং এটি পরবর্তীতে মেসন নামে পরিচিত হয়।
• মেসন এর ভর ইলেক্ট্রন এবং প্রোটনের মধ্যে ছিল।
• মেসন, কোয়ার্ক এবং অ্যান্টিকোয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত সাবএটমিক কণার সদস্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৩৮৮.
আলোর __________ ফলে পানিতে আংশিক ডুবানো লাঠি বাঁকা দেখা যায়।
  1. প্রতিফলনের
  2. বিক্ষেপণের
  3. প্রতিসরণের
  4. বিচ্ছুরণের
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণের
ব্যাখ্যা
আলোর প্রতিসরণ:
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়, তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে।
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না। 

• আলোর প্রতিসরণের ফলে:
- পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়।
- একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়।
- পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়।
- খাঁড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়।
- পানিতে আংশিক ডুবানো লাঠি বাঁকা দেখা যায়।

তথ্যসূত্র:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৮৯.
নিচের কোনটি একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত খনিজ?
  1. সোনা
  2. লবণ
  3. চুনাপাথর 
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা

- একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত খনিজ হচ্ছে সোনা (Au)। 

খনিজ সম্পদ: 

- মানুষ ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠ হতে যেসব বস্তু সংগ্রহ করে নিজের চাহিদা পূরণ করে তাকে খনিজ সম্পদ বলে। 
- কোনো কোনো খনিজ কেবল একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত। 
যেমন- সোনা, রূপা, হীরা ইত্যাদি। 
- কিন্তু বেশিরভাগ খনিজ দুই বা তার বেশি মৌলিক উপাদানের রাসায়নিক যৌগের ফলে বা সংমিশ্রণে গঠিত হয়। 
- সাধারণত দুইভাবে খনিজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১। উৎপত্তি অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- কোন বস্তু থেকে খনিজের উদ্ভব ঘটেছে তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর যাবতীয় খনিজ দ্রব্যকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) জৈব খনিজ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
(খ) অজৈব খনিজ: লোহা, নিকেল, সীসা, ম্যাঙ্গানিজ, অভ্র, জিপসাম প্রভৃতি। 

২। প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে খনিজ দ্রব্যগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- (ক) ধাতব খনিজ, (খ) অধাতব খনিজ এবং (গ) জ্বালানি খনিজ। 

অন্যদিকে, 
- চুনাপাথর একটি যৌগিক খনিজ, প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) দ্বারা গঠিত।
- লবণ মূলত সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) নামক যৌগ দ্বারা গঠিত খনিজ।
- জিপসাম ক্যালসিয়াম সালফেট ডাইহাইড্রেট (CaSO4.2H2O) নামক যৌগ দ্বারা গঠিত একটি সালফেট খনিজ। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

৫,৩৯০.
ব্যাটারিতে সঞ্চিত শক্তি হলো-
  1. তাপশক্তি
  2. যান্ত্রিক শক্তি
  3. রাসায়নিক শক্তি
  4. আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি (যেমন- তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ) হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি আমাদের দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় আমরা দরকারী কাজ করতে পারি। 
বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯১.
যৌগিক রাশি কোনটি? 
  1. বল 
  2. ভর 
  3. দৈর্ঘ্য 
  4. সময় 
সঠিক উত্তর:
বল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল 
ব্যাখ্যা

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। 
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৯২.
কোনটি পরমাণুর মৌলিক কণার মধ্যে নেই?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. ইলেকট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা

• পরমাণুর মৌলিক কণা: পরমাণু মূলত তিনটি মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন।

- প্রোটন (Proton): ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে।
- নিউট্রন (Neutron): নিরপেক্ষ চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসে থাকে এবং পরমাণুর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
- ইলেকট্রন (Electron): ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসের চারপাশে কক্ষপথে ঘোরে।

• ফোটন (Photon):
- এটি আলোর কণা বা কণা-প্রকৃতির তরঙ্গ যা শক্তি বহন করে, কিন্তু পরমাণুর কাঠামোর অংশ নয়। 
- ফোটন কোনো ভর রাখে না।
- এটি নিউক্লিয়াস বা ইলেকট্রনের অংশ নয়।

সুতরাং, পরমাণুর মৌলিক কণার মধ্যে নেই ফোটন।

তথ্যসূত্র: NCTB মাধ্যমিক রসায়ন। 

৫,৩৯৩.
ফ্যাদোমিটার দিয়ে কি নির্ণয় করা হয়?
  1. বায়ুর চাপ
  2. গ্যাসের চাপ
  3. সমুদ্রের গভীরতা
  4. বায়ুর আর্দ্রতা
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের গভীরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের গভীরতা
ব্যাখ্যা
ফ্যাদোমিটার:
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র।
- সাগর বা মহাসাগরের চলাচলকারি জাহাজের নিরাপত্তার জন্য সাগর বা মহাসাগরের গভীরতা জানা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিস গভীর সমুদ্রের তলদেশে প্রতিফলিত শব্দের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয় এই কাজের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফ্যাদোমিটার বা ইকোগ্রাফ বলে।
- সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসার জন্য এ ধরনের একটি ইউনিট এর শব্দ উৎপাদনের জন্য একটি শব্দ প্রতিশব্দ উৎপাদক রয়েছে এ যন্ত্রে একটি অংশে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষণিক শব্দের সম্পূর্ণ ভ্রমণ কাল লিপিবদ্ধ করা হয় পানিতে শব্দের বেগ এবং একে দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, এসময় জাহাজটি কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্ব হলে পরবর্তী সমীকরণ থেকে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
- হাইগ্রোমিটার বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র।
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র: ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ মাপার যন্ত্র: ম্যানোমিটার।

উৎস: Britannica.
৫,৩৯৪.
ধাতুর সক্রিয়তা ক্রম কোনটি সঠিক?
  1. K> Li> Na> Mg
  2. K> Li> Mg> Na
  3. Li> K> Na> Mg
  4. Li> Na> K> Mg
সঠিক উত্তর:
Li> K> Na> Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Li> K> Na> Mg
ব্যাখ্যা
• ধাতুর সক্রিয়তার সঠিক ক্রম: Li> K> Na> Mg।

• ধাতুর সক্রিয়তাক্রম:

- যে ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে ধাতু ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে ধাতু ততো কম সক্রিয়। 
- ধাতু সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৫.
Fahrenheit and Celsius scales show the same reading at -
  1. ক) - 30 Degree
  2. খ) - 40 Degree
  3. গ) - 80 Degree
  4. ঘ) -45 Degree
সঠিক উত্তর:
খ) - 40 Degree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) - 40 Degree
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো -
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]

এখন, সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে,
x/5 = (x - 32)/ 9
Or, 9x = 5x - 160
Or, 4x = -160
Or, x = - 40

অর্থাৎ, (- 40) ডিগ্রিতে সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ফারেনহাইট তাপমাত্রা সমান।
৫,৩৯৬.
কপার ও টিনের সংকর ধাতু কোনটি?
  1. পিতল
  2. ইস্পাত
  3. ডুরালুমিন
  4. কাঁসা
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কাঁসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁসা
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু:
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে।
যেমন-
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।
- সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে।
- সংকর ধাতু পিতলের প্রধান উপাদান হলো তামা যা শতকরা ৬৫% থাকে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৯৭.
নিচের কোন ভেক্টরটির মান শূন্য?
  1. সরণ ভেক্টর
  2. নাল ভেক্টর
  3. একক ভেক্টর
  4. অবস্থান ভেক্টর
সঠিক উত্তর:
নাল ভেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাল ভেক্টর
ব্যাখ্যা
একক ভেক্টর (Unit vector): 
- যে ভেক্টর রাশির মান এক একক তাকে একক ভেক্টর বলে। 
- মান শূন্য নয় এরূপ একটি সঠিক ভেক্টরকে তার মান দ্বারা ভাগ করলে ঐ ভেক্টরের দিকে একটি একক ভেক্টর পাওয়া যায়। 
- একক ভেক্টরকে টুপি (^) চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- û দ্বারা একক ভেক্টরকে প্রকাশ করা হয়। 

নাল বা শূন্য ভেক্টর (Null or Zero vector): 
- যে ভেক্টর রাশির মান শূন্য, তাকে নাল বা শূন্য ভেক্টর বলা হয়। 
- শূন্য ভেক্টরের পাদবিন্দু এবং শীর্ষবিন্দু একই। 
- পরস্পর বিপরীত দিকে ক্রিয়াশীল দুটি সমান ভেক্টরের লব্দিই হল নাল ভেক্টর। 

অবস্থান ভেক্টর (Position vector): 
- প্রসংগ কাঠামোর মূল বিন্দুর সাপেক্ষে কোনো বিন্দুর অবস্থান যে ভেক্টরের সাহায্যে নির্ণয় করা হয়, তাকে অবস্থান ভেক্টর বলা হয়। 

সরণ ভেক্টর (Displacement vector): 
- যে কোনো দুটি বিন্দুর মধ্যবর্তী পথের দৈর্ঘ্যকে যে কোনো ভাবেই অতিক্রম করা যায়। কিন্তু সরল বা রৈখিক পথে দুই বিন্দুর মধ্যবর্তী অতিক্রান্ত দূরত্বকে সরণ ভেক্টর বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৮.
ইউরেনিয়াম কে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে শক্তির কিরূপ পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) রাসায়নিক শক্তি থেকে শব্দ শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) তাপশক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
  4. ঘ) পারমাণবিক শক্তি থেকে শব্দ শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
ইউরেনিয়াম কে নিউট্রন দিয়ে  আঘাত করলে ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে যায় , ছোটো ছোটো মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় । এতে প্রচুর শক্তি ও নিউট্রন উৎপন্ন হয় ।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
৫,৩৯৯.
আমরা যে চক দিয়ে লিখি তা হলো-
  1. ক) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. গ) ক্যালসিয়াম সালফেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম ফসফেট
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
• আমরা যে চক দিয়ে লিখি তা হলো- ক্যালসিয়াম কার্বনেট। 

- চক CaCO3 ক্যালসিয়ামের একটি আকরিক। প্রাকৃতিক চর্ক তৈরি হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) থেকে।
- পানির নীচে বছরের পর বছর জমে থাকার ফলে এই ক্যালসিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন হয়ে কালক্রমে চকে রূপান্তরিত হয়।
৫,৪০০.
জুটিন আবিষ্কার করেন-
  1. ক) ড. মাকসুদুল আলম
  2. খ) ড. আব্দুল খালেক
  3. গ) ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. ঘ) ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. মোবারক আহমেদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান। পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin)
তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস। তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

জুটন (পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র) এর আবিষ্কারক- ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
পাটের জিন বিন্যাস আবিষ্কার করেন- ড. মাকসুদুল আলম।
স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন- ড. আব্দুল খালেক।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং প্রথম আলো পত্রিকা।