বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৩ / ৬৪ · ৫,২০১৫,৩০০ / ৬,৪০৯

৫,২০১.
সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিড বিক্রিয়া করলে কী উৎপন্ন হয়? 
  1. অক্সাইড ও গ্যাস 
  2. ক্ষার ও পানি 
  3. লবণ ও পানি 
  4. লবণ ও হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
লবণ ও হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণ ও হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

এসিড (Acid): 
- রাসায়নিক দ্রব্যাদির মধ্যে এসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এসিড এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য যা পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে (ভেঙে) হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটন (H+) দান করে। 
যেমন- 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এরা তীব্র এসিড; অতএব, এরা জলীয় দ্রবণে নিম্নরূপে বিয়োজিত হয়- 
• HCl(aq) → H+(aq) + Cl-(aq) 
• H2SO4(aq) → 2H+(aq) + SO42-(aq) 
- কার্বনিক এসিড (H2CO3), এসিটিক এসিড (CH3COOH) এরা মৃদু এসিড; অতএব, এরা জলীয় দ্রবণে নিম্নরূপে বিয়োজিত হয়- 
• H2CO3(aq) ⇔ 2H+(aq) + CO32-(aq) 
• CH3COOH(aq) ⇔ H+(aq) + CH3COO-(aq) 

- এসিড ও পানির দ্রবণে এসিডের পরিমাণ যদি বেশি থাকে তবে তাকে গাঢ় এসিড বলে। আবার, এসিডের জলীয় দ্রবণে পানির পরিমাণ যদি এসিডের তুলনায় অনেক বেশি হয় তবে তাকে লঘু এসিড বলে।
- এসিড টক স্বাদযুক্ত। 
- এসিড দ্রবণ নীল রঙের লিটমাস পেপারকে লাল রঙের লিটমাস পেপারে রূপান্তরিত করে। 
- এসিড ধাতব অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
• CaO + 2HCl  → CaCl2 + H2
- এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরি করে। 
• 2Na + 2HCl → 2NaCl + H2

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২০২.
2NaOH + H₂SO₄ বিক্রিয়ায় কী কী উৎপন্ন হয়?
  1. Na2SO₄ ও 2H2O
  2. NaO2 ও 2H2
  3. Na2SO4 ও 2H2
  4. NaOH ও 2SO2
সঠিক উত্তর:
Na2SO₄ ও 2H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2SO₄ ও 2H2O
ব্যাখ্যা

2NaOH + H₂SO₄ বিক্রিয়ায় Na₂SO₄ ও 2H₂O উৎপন্ন হয়। 

এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া (প্রশমন বিক্রিয়া)
- আমরা জানি, এসিড জলীয় দ্রবণে H⁺ আয়ন দান করে এবং ক্ষার জলীয় দ্রবণে OH⁻ আয়ন দান করে।
- তাই, এসিড ও ক্ষার একত্রে মিশ্রিত হলে এসিডের H⁺ এবং ক্ষারের OH⁻ বিক্রিয়া করে পানি উৎপন্ন করে।
- উদাহরণ: HCl পানিতে H⁺ দেয় এবং NaOH পানিতে OH⁻ দেয়। এই দ্রবণ দুটিকে একত্রিত করলে পানি উৎপন্ন হয়।

এসিড-ক্ষার সমতা
- এসিডের বাকি ঋণাত্মক আয়ন Cl⁻ এবং ক্ষারের ধনাত্মক আয়ন Na⁺ বিক্রিয়া করে লবণ (NaCl) উৎপন্ন করে।
- এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হওয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। কারণ, এই বিক্রিয়ায় এসিড তার এসিডত্ব এবং ক্ষার তার ক্ষারকত্ব হারায় এবং প্রশম পদার্থ লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।

উদাহরণসমূহ:
2NaOH(aq) + H₂SO₄(aq) → Na₂SO₄(aq) + 2H₂O(l)
- এক মোল সালফিউরিক এসিড দুই মোল সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করে।
- এটি প্রমাণ করে যে, কোনো নির্দিষ্ট এসিডের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অপর কোনো নির্দিষ্ট ক্ষারের নির্দিষ্ট পরিমাণকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করতে পারে।

NaOH(aq) + HCl(aq) → NaCl(aq) + H₂O(l)
- এখানে এক মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড এক মোল সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করে।
- দুই মোল HCl দুই মোল NaOH কে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করবে।

উৎস: রসায়ন - ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫,২০৩.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপনের হার সবচেয়ে কম?
  1. সালফার
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
♦ ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত বেশি হয়।
- বিপরীতভাবে যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত কম হয়। 
• অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২
• কার্বন ডাই অক্সাইডের আণবিক ভর ৪৪
• ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০
• সালফারের আণবিক ভর ৬৪

- ক্লোরিনের আণবিক ভর সবচেয়ে বেশি, তাই ক্লোরিনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে কম হবে।

উৎস:
১. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৪.
যখন লিফট উপরের দিকে ত্বরণ সহকারে চলে, তখন আরোহীর অনুভূত ওজন কেমন হয়? 
  1. শূন্য
  2. প্রকৃত ওজনের সমান
  3. প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম
  4. প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা
লিফটে ও মহাশূন্যে ওজনের তারতম্য: 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে g এর মান নির্দিষ্ট, ফলে সেখানে কোনো ব্যক্তির ওজনও নির্দিষ্ট। 
- তা সত্ত্বেও পৃথিবীতে কোনো স্থানে কোনো ব্যক্তি তার ওজনের ভিন্নতা অনুভব করতে পারেন, এমনকি নিজেকে ওজনহীনও মনে করতে পারেন। কারণ প্রকৃত ওজন (W = mg) এবং কোনো ব্যক্তির অনুভূত ওজন একই রাশি না। 
যেমন- লিফটের ভিতরে অনুভূত ওজন এর একটি উদাহরণ। 
(১) স্থির লিফটের ভিতরে অনুভূত ওজন: 
- স্থির লিফটের ভিতরে একজন আরোহী লিফটের মেঝের উপর তাঁর প্রকৃত ওজনের (W = mg) সমান বল প্রয়োগ করেন। লিফটের মেঝে বা তলদেশও আরোহীর উপর সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে, যা আরোহী ওজন হিসেবে অনুভব করেন। এক্ষেত্রে অনুভূত ওজন প্রকৃত ওজনের সমান মানের হয়। 

(২) সমবেগে গতিশীল লিফটে অনুভূত ওজন: 
- সমবেগে উপরে অথবা নিচে গতিশীল লিফটের আরোহীও একই সাথে সমবেগে গতিশীল থাকেন। ফলে আরোহীর উপর শুধু তার প্রকৃত ওজন (পৃথিবীর আকর্ষণ বল) ক্রিয়া করে। আরোহী লিফটের উপর প্রকৃত ওজনের সমান বল প্রয়োগ করেন ও লিফটের মেঝে এর সমান প্রতিক্রিয়া বল আরোহীর উপর প্রয়োগ করে। আরোহীর অনুভূত ওজন তাঁর প্রকৃত ওজনের সমান মানের হয়। 

(৩) উপরের দিকে ত্বরণযুক্ত লিফটে ওজন: 
- স্থির অবস্থা থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করতে লিফটের কেবল বা তারের মাধ্যমে (লিফট ও আরোহীর মোট ওজনের চেয়ে বেশি) একটি অতিরিক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল লিফটের উপর প্রয়োগ করতে হবে। লিফটের মেঝে বা তলদেশ আরোহীর উপর তাঁর প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করবে। ফলে আরোহীর অনুভূত ওজন তাঁর প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি হয়। এই অনুভূত ওজনকে প্রতিক্রিয়া বল হিসেবেও চিন্তা করা যায়। 

(৪) নিচের দিকে ত্বরণযুক্ত লিফটে ওজন: 
- উপরে অবস্থিত স্থির লিফটকে নিচের দিকে চলমান করতে লিফটের কেবল বা তারের মাধ্যেমে প্রযুক্ত টানকে (লিফট ও আরোহীর মোট ওজনের থেকে) কমিয়ে দিতে হবে। লিফটের সাথে সাথে নিচে চলমান আরোহীর উপর লিফটের তলদেশ বা মেঝে আরোহীর প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম মানের বল প্রয়োগ করে। তাই আরোহীর অনুভূত ওজন তার প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম হয়। 

(৫) মুক্তভাবে পড়ন্ত লিফটের ভিতরে ওজন: 
- দুর্ভাগ্যক্রমে লিফটের ভারবহী কেবল বা তারটি ছিড়ে গেলে লিফটটি আরোহীসহ নিচের দিকে মুক্তভাবে (বাতাসের বাধা ও অন্যান্য ঘর্ষণ উপেক্ষা করলে) পড়তে থাকে। লিফটের দড়িতে কোনো টান না থাকায় (কেবল ছিড়ে যাওয়ায়) লিফটের তলদেশ বা মেঝে আরোহীর উপর কোনো বল প্রয়োগ করে না। ফলে আরোহী নিজেকে ওজনহীন অনুভব করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,২০৫.
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২ হলে, Mg2+ এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা কত?
  1. ১৬
  2. ১৪
  3. ১২
  4. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
• কোন মৌলের প্রোটন সংখ্যাই ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
• আবার কোনো মৌলে প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।
- তাই মৌলের প্রোটন সংখ্যা তথা পারমাণবিক সংখ্যা হবে ইলেট্রন সংখ্যার সমান।

• কোনো মৌলের ভরসংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যার পার্থক্য হল নিউট্রন সংখ্যা।
অর্থাৎ,
ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।

- ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২।
- অর্থাৎ ম্যাগনেসিয়ামের ইলেট্রন সংখ্যা ১২।
- Mg2+ এর মানে হচ্ছে - ম্যাগনেসিয়াম ২টি ইলেক্ট্রন ত্যাগ করেছে।
- তাই, Mg2+ এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা ১০।

সূত্র: বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
৫,২০৬.
কার্বনের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপে প্রোটন কতটি?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) কোনটাই না
সঠিক উত্তর:
ক) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬
ব্যাখ্যা
৬ টি প্রোটন এবং ৮ টি নিউট্রন সমৃদ্ধ কার্বনের C14 আইসোটোপটি তেজস্ক্রিয়।উল্লেখ্য যে প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে আইসোটোপে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,২০৭.
অপটিক্যাল ফাইবার কী?
  1. সরু তার
  2. ধাতব তার
  3. সরু কাচ তন্তু
  4. সরু ধাতব তার
সঠিক উত্তর:
সরু কাচ তন্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরু কাচ তন্তু
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,২০৮.
সিলিকন এবং জার্মেনিয়ামের বৈশিষ্ট্য কীভাবে সম্পর্কিত? 
  1. উভয় পরিবাহী 
  2. উভয় অপরিবাহী 
  3. সিলিকন পরিবাহী, জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী
  4. উভয় অর্ধপরিবাহী 
সঠিক উত্তর:
উভয় অর্ধপরিবাহী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় অর্ধপরিবাহী 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী: 
- যে পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম ও সিলিকন ইত্যাদি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২০৯.
সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোয়ার্টজ
  2. চুনাপাথর
  3. মাইকা
  4. ম্যাগনেটাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো - 
• লোহা (Fe), 
• তামা  (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে - 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২১০.
নিচের কোন শক্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে সঞ্চিত থাকে?
  1. আলোক শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ শক্তিই পারমাণবিক শক্তি।

• পারমাণবিক শক্তি:

- আমরা জানি, সকল পদার্থ পরমাণু দিয়ে গঠিত।
- পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে অত্যন্ত শক্তিশালী বলের মাধ্যমে কণিকাগুলো আবদ্ধ থাকে।
- এই শক্তিকেই পারমাণবিক শক্তি বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি প্রয়োজনে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কাজে লাগানো যায়।

• আলোক শক্তি:

- সূর্য থেকে তাপ শক্তির সঙ্গে যে শক্তি সরাসরি আসে, তাকে আলোক শক্তি বলা হয়।
- আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না।
- সূর্য হলো আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
- এছাড়া আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়েও আমরা আলোক শক্তি পাই।

 
• শব্দ শক্তি:

- আমরা যখন কথা বলি, গান করি বা শাঁখ বাজাই, তখন এক ধরনের শক্তির উৎপত্তি হয়, যাকে শব্দ শক্তি বলা হয়।
- শব্দ শক্তির সাহায্যে আমরা একে অপরের কথা শুনতে পারি।
- টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশনে শব্দ শক্তির ব্যবহার করা হয়।
- পদার্থের কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।

 
• বিদ্যুৎ শক্তি:

- বিদ্যুৎ শক্তি হলো শক্তির একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রয়োজনীয় রূপ।
- বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে আমরা বাতি জ্বালাই, পাখা চালাই এবং কল-কারখানায় বিভিন্ন যন্ত্র পরিচালনা করি।
- অনেক দেশে রেলগাড়িও বিদ্যুৎ শক্তির মাধ্যমে চলে।
- বিদ্যুৎ শক্তি তারের সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

৫,২১১.
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপযোগী করতে কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. ডায়নামো
  2. রেকটিফায়ার
  3. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার 
  4. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
ব্যাখ্যা

• স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎকে কমিয়ে গ্রাহকের ব্যবহারের উপযোগী (২২০ ভোল্ট) মানে রূপান্তর করে।

• তড়িতের সিস্টেম লস: 
- দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলোতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে, এই বিদ্যুৎকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতে হয়। 
- বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়। 
- সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ-ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয়, কম হলেও তাদের কিছু পরিমাণ রোধ থাকে। 
- একটা রোধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সবসময়েই (I2R) তাপ উৎপন্ন হয় এবং এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয় হয়। 
- একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। 
- সে জন্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। 
- গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযোগ্য ভোল্টেজে নামিয়ে আনা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২১২.
উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয়। কারণ -
  1. ক) লাল আলোর বিচ্ছুরণ বেশি
  2. খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
  3. গ) লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
  4. ঘ) লাল আলোর বিচ্যুতি বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
ব্যাখ্যা

আলাের বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকে দেখা যায়। সে জন্য উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয় যাতে বিমান বা হেলিকপ্টার নিচ দিয়ে উড়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখে সতর্ক হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২১৩.
যে বর্তনীর সাহায্যে A.C প্রবাহকে D.C প্রবাহে রূপান্তর করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. ট্রান্সফরমার 
  2. রেকটিফায়ার
  3. অসিলেটর 
  4. অ্যাম্পলিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

- রেকটিফায়ার (Rectifier) এমন একটি বর্তনী যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) (এসি)-কে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) (ডিসি)-এ রূপান্তরিত করে, যা ডায়োডে ব্যবহার করে করা হয় এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে এই রূপান্তর অপরিহার্য। 

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এই ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier) বলা হয়। 
- একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার মূলত দুই প্রকার।
যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার: 
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে। এই চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়। 
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে লোড রেজিস্টান্স সংযোগ দেওয়া হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২১৪.
রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা -
  1. ক) CO
  2. খ) NO
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) N2O
সঠিক উত্তর:
গ) H2SO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) H2SO4
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিড (H2SO4): ১০০% বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিডকে সালফান এবং ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে ওলিয়াম (H2S2O7) বলে। সালফিউরিক এসিডকে রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা বলা হয় কারণ প্রায় প্রত্যেক শিল্পে কোনো না কোনো স্তরে H2SO4 এসিড ব্যবহৃত হয়।
৫,২১৫.
নিউটনের মহাকর্ষ বলের মান কোনটির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. কেবল কণার গতি
  2. কণার ভরের গুণফল
  3. কণার ভরের যোগফল
  4. কেবল কক্ষপথের দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
কণার ভরের গুণফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণার ভরের গুণফল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

• মহাকর্ষ ও নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র (Gravitation and Newton's Law of Gravitation):
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন।
- কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মন্ডলীর গ্রহ উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না।
- ১৬৮৭ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন। এর নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল।
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল।
- অর্থাৎ যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন।
- এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত।

•  সূত্রটি হলো:
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২১৬.
What type of process happens in iron during rust formation?
  1. Only Physical Change
  2. Oxidation Reaction
  3. Reduction Reaction
  4. Thermal Reaction
  5. Combustion Reaction
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
ব্যাখ্যা
• লোহায় মরিচা পড়ার সময় লোহাতে জারণ বিক্রিয়া ঘটে। 

• মরিচা:

- বিশুদ্ধ লোহা, জলীয় বাষ্প ও বায়ুর অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লোহার যে অক্সাইড গঠন করে তাকে মরিচা বলে।

• লোহাকে বাতাসে দীর্ঘসময় রেখে দিলে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে লোহা বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে।
- লোহার উপর মরিচা পড়া অনেক ধীর গতিতে সংঘটিত হয়।
- লোহায় মরিচা পড়ার এই প্রক্রিয়া টি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- এখানে এক ধাপে জারণ এবং অন্যধাপে বিজারণ ঘটে থাকে। 

• মরিচা পড়ার প্রক্রিয়া:
- লোহা (Fe) অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- এই বিক্রিয়ায় লোহা অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয় এবং ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- এর ফলে লোহাতে জারণ ঘটে।
- ত্যাগকৃত ইলেকট্রনটি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহণ করে পানি তৈরি করে, যা বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
- ফলে, লোহার অক্সাইড (Fe2O3) গঠিত হয়, যা মরিচা নামে পরিচিত।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 
৫,২১৭.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু কোনটি?
  1. রন্টজেনিয়াম
  2. প্লাটিনাম
  3. ইস্পাত
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক। (হীরক ধাতু নয়। এটি কার্বনের একটি রূপভেদ)
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন।
- সবচেয়ে ভারি ধাতু - রন্টজেনিয়াম (Roentgenium)। আনবিক ভর - ২৭২.০।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম (Uranium)। আনবিক ভর - ২৩৮.০৩।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম (Platinum)। এর আনবিক ভর - ১৯৫.০৭৮
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম (Lithium)। এর আনবিক ভর - ৬.৯৪

উৎস: ব্রিটানিকা ও রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২১৮.
কোনটি আয়রন বা লোহার আকরিক?
  1. বক্সাইট
  2. হেমাটাইট
  3. ক্রায়োলাইট
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
ব্যাখ্যা

হেমাটাইট আয়রন বা লোহার আকরিক। 

আয়রন বা লোহার আকরিক:
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট।

আরও,
সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]। 

৫,২১৯.
নাইট্রাস অক্সাইড মূলত কোন ধরনের পদার্থের উদাহরণ? 
  1. তেজস্ক্রিয় পদার্থ 
  2. উত্তেজক পদার্থ  
  3. বিস্ফোরক পদার্থ 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উত্তেজক পদার্থ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তেজক পদার্থ  
ব্যাখ্যা

বিস্ফোরক পদার্থ (Explosive substance): 
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এক ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ।এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়। 

দাহ্য পদার্থ (Flammable substance): 
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে। তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সব সময় দূরে রাখতে হবে। 

বিষাক্ত পদার্থ (Toxic substance): 
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ। এ পদার্থ শরীরে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা ক্ষতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। 

উত্তেজক পদার্থ (Irritant substance): 
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ। এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে। তাই এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ব্যবহার করতে হবে। 

স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ (Health risk substance): 
- বেনজিন, টলুইন, জাইলিন ইত্যাদি এ ধরনের পদার্থ। এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে তা শরীরের স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে। এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ কিংবা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। তাই এগুলোকে সতর্কভাবে রাখতে হবে এবং ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ও মাস্ক পরে নিতে হবে। 

তেজস্ক্রিয় পদার্থ (Radioactive substance): 
- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয় যা ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে কিংবা একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে। তাই এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর (Dangerous for environment): 
- লেড, মার্কারি ইত্যাদি পদার্থগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলোকে ব্যবহার করার সময় যথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ব্যবহারের পরে এগুলো যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। এসব পদার্থকে যথাসম্ভব পুনরুদ্ধার করে আবার ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে এগুলো সহজে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। 

ক্ষত সৃষ্টিকারী (Corrosive): 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ঘন দ্রবণ এ জাতীয় পদার্থের উদাহরণ। এ পদার্থগুলো শরীরে লাগলে শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে তা শরীরের ভেতরের অঙ্গেরও ক্ষতিসাধন করতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২২০.
নিচের কোন পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না?
  1. ক) গ্লাস
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কপার
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লাস
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রন এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে সহজেই চলাচল করতে পারে। যেমনঃ ধাতু; বিশেষ করে সিলভার ও কপার।
কার্বন অধাতু হলেও এর রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী৷ অপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে এর পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না। যেমনঃ প্লাস্টিক, গ্লাস ও রাবার৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
৫,২২১.
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে কী বলে? 
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. পোলারন
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 
- প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২২২.
দৈর্ঘ্য পরিমাপের CGS একক কোনটি?
  1. ক) সেন্টিমিটার
  2. খ) মিটার
  3. গ) কিলোমিটার
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

CGS বা সিজিএস পদ্ধতি (Centimeter-gram-second system) পরিমাপের একটি বিশেষ ধরনের পদ্ধতিকে বোঝায়
এখানে, দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার, ভরের একক গ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড

৫,২২৩.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করা যায়?
  1. ক) ক্রোনোমিটার
  2. খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
  3. গ) রিখটার স্কেল
  4. ঘ) ক্রেস্কোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা
Geiger Counter, with Geiger-Mueller (GM) Tube or Probe—A GM tube is a gas-filled device that, when a high voltage is applied, creates an electrical pulse when radiation interacts with the wall or gas in the tube. These pulses are converted to a reading on the instrument meter. If the instrument has a speaker, the pulses also give an audible click. Common readout units are roentgens per hour (R/hr), milliroentgens per hour (mR/hr), rem per hour (rem/hr), millirem per hour (mrem/hr), and counts per minute (cpm). GM probes (e.g., ''pancake'' type) are most often used with handheld radiation survey instruments for contamination measurements.
source:hps.org
৫,২২৪.
কোন তাপ সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না?
  1. পরিচলন
  2. বিকিরণ
  3. পরিবহন
  4. সংবহন
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
ব্যাখ্যা

- তাপ সঞ্চালনের বিকিরণ পদ্ধতিতে কোনো জড় মাধ্যমের (কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) প্রয়োজন হয় না, এই প্রক্রিয়ায় তাপ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের আকারে সঞ্চালিত হয়, যা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও ভ্রমণ করতে পারে। 

তাপ: 
- সূর্য থেকে তাপ পাওয়া যায়। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

অন্যদিকে, 
- পরিচলন বা সংবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় এবং মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরের মাধ্যমে তাপ বহন করে। 
- পরিবহন মূলত কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলোর সরাসরি সংযোগ বা কম্পনের প্রয়োজন হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২২৫.
নিউট্রন কে আবিষ্কার করেন? 
  1. রাদারফোর্ড 
  2. ডারউইন 
  3. চ্যাডউইক 
  4. আইনস্টাইন 
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
ব্যাখ্যা

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- বিজ্ঞানী চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২২৬.
পরমশূন্য তাপমাত্রা হল-
  1. ক) 0 F
  2. খ) 0 K
  3. গ) 0°C
  4. ঘ) -273 K
সঠিক উত্তর:
খ) 0 K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 0 K
ব্যাখ্যা
স্থির চাপে গাণিতিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C বা 0K) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫,২২৭.
কিসের মাধ্যমে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায়?
  1. প্রিজম
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. পেরিস্কোপ
  4. বাইনোকুলার
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২২৮.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. পুকুরে
  2. খালে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ: 
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে। 
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়। 
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম। 
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয় ফলে সাগরে বা সমুদ্রে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২২৯.
ধাতুর ক্ষেত্রে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক নয়?
  1. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করে
  2. পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী
  4. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৩০.
মোটর ও জেনারেটর তৈরিতে কোন চুম্বক ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. সংকর চুম্বক
  4. সিরামিক চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা - 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক এবং 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২৩১.
কোনটি শুষ্ক বরফের উপাদান? 
  1. NH3
  2. CO2
  3. H2O
  4. PH3
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা

• শুষ্ক বরফ:
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এর কঠিন রূপ। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাইড, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৫,২৩২.
তাপ ইঞ্জিন মূলত -
  1. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  2. তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  3. রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  4. বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
সঠিক উত্তর:
তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
ব্যাখ্যা
তাপ ইঞ্জিন: তাপশক্তিকে কাজে পরিণত করার জন্য একটি যন্ত্রের বা যান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।
এ যন্ত্র বা যান্ত্রিক ব্যবস্থাকে তাপীয় ইঞ্জিন বা তাপ ইঞ্জিন বলে।
যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে।
যেমন বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।

উৎস: এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৩৩.
আলোর মরীচিকা (Mirage) কী কারণে ঘটে?
  1. আলোর বিচ্ছুরণ
  2. আলোর ব্যতিচার
  3. আলোর প্রতিসরণ
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

◉ আলোর মরীচিকা (Mirage) হলো একটি আলোক বিভ্রম (Optical Illusion), যা গরম মরুভূমি বা পিচঢালা রাস্তায় ঘটে। এটি মূলত আলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে ঘটে।

মরীচিকা: 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে মরুভূমিতে সৃষ্ট মরীচিকা অতি পরিচিত উদাহরণ।
- উত্তপ্ত মরুভূমিতে মরুচারী পথিক প্রায়শ মরীচিকা দেখতে পান এবং বিভ্রান্ত হন। মরীচিকা হল এক ধরণের দৃষ্টি ভ্রম।
- প্রচন্ড সূর্য তাপে মরুভূমির বালু খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়। ফলে বালু সংলগ্ন বাতাসও খুব গরম হয়। এতে বালু সংলগ্ন স্তরের বায়ু খুব হালকা হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায় বায়ু স্তরের তাপমাত্রা তত কম হয়। তাই ভূ সংলগ্ন বায়ু স্তর থেকে যতই ওপরে ওঠা যায় বায়ু স্তর তত ঘন হয়।
- এঅবস্থায় মরুভূমিতে দূরে কোন খেজুর গাছ থেকে পথিকের চোখে আসা আলোক রশ্মি ধাপে ধাপে ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করতে থাকে, ফলে প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে।
- এভাবে বাঁকতে বাঁকতে এমন কোন স্তরে পৌঁছায় যেখানে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়।
- ফলে আপতিত আলোক রশ্মির প্রতিসরণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,২৩৪.
একটি ৪০ ওয়াটের বাতি ১০ মিনিট ধরে জ্বললে বাতিটির ব্যয়িত শক্তির জুল কত হবে?
  1. ২১ X ১০ জুল
  2. ৬০ X ১০ জুল
  3. ৪০ X ১০ জুল
  4. ২৪ X ১০ জুল
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
ব্যাখ্যা

বৈদ্যুতিক ক্ষমতার,P =৪০ ওয়াট , সময় T= ১০ মিনিট=৬০০ সেকেন্ড।

 আমরা জানি,
কাজ(W)=( P X T) জুল
= (৪০ X ৬০০)
= ২৪০০০ বা ২৪ X ১০৩ জু

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

৫,২৩৫.
এস্টারের কার্যকরী মূলক হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. -COOR
  2. -OH
  3. -CO
  4. -CHO
সঠিক উত্তর:
-COOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-COOR
ব্যাখ্যা

• এস্টারের কার্যকরী মূলক হলো -COOR, যেখানে R একটি অ্যালকাইল বা অ্যারাইল মূলককে নির্দেশ করে। এস্টার মূলত কার্বোক্সিলিক অ্যাসিড ও অ্যালকোহলের বিক্রিয়ায় তৈরি হয়, এ প্রক্রিয়াকে এস্টারিফিকেশন বলে। এই যৌগে কার্বনাইল গ্রুপ (C=O) একটি অক্সিজেন পরমাণুর মাধ্যমে অন্য একটি কার্বনযুক্ত মূলকের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা -COOR গঠন সৃষ্টি করে। অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -OH হলো অ্যালকোহলের কার্যকরী মূলক, -CO কিটোন বা অ্যাসিডের অংশ এবং -CHO অ্যালডিহাইডের কার্যকরী মূলক। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) -COOR

এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে।
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -COOR।
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধিযুক্ত হয়। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে।
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়।
- তেল, চর্বি, আঠা, সেলুলোজ, রঙ, ভার্ণিশ ইত্যাদির দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়।
- বিউটাইল অ্যাসিটেট 'পেনিসিলিন' -এর দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৩৬.
শুষ্ক অবস্থায় মানুষের দেহের রোধ কত থাকে?
  1. ১০০০০ ওহম
  2. ১০ কিলোওহম
  3. ২০ কিলো ওহম
  4. ৫০ কিলোওহম
সঠিক উত্তর:
৫০ কিলোওহম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ কিলোওহম
ব্যাখ্যা
• রোধ (Resistance) হলো একটি বৈদ্যুতিক ধর্ম, যা কোনো পরিবাহকের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
এর একক হলো ওহম (Ω)। 

মানুষের দেহও একধরণের পরিবাহী অর্থাৎ যার ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। মানুষের দেহেও স্বাভাবিক রোধ রয়েছে।

মানুষের দেহের বৈদ্যুতিক রোধ (Resistance) নির্ভর করে:
⇒ ত্বক শুকনা না ভেজা,
⇒ শরীরের ভিতরের ও বাইরের অংশে সংযোগ কোথায় হয়েছে,
⇒ ত্বকের পুরুত্ব এবং সংস্পর্শের পৃষ্ঠের আয়তন। 

 শুষ্ক অবস্থায়:
⇒ মানুষের শরীরের বাইরের ত্বকে  রোধ অনেক বেশি থাকে।
⇒ সাধারণভাবে শুষ্ক ত্বকে রোধ হয় প্রায় ৪০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ ওহম পর্যন্ত।
গড় হিসেবে ধরা হয়:  ৫০,০০০ ওহম (৫০ কিলোওহম)

 ভেজা অবস্থায়:
⇒ পানি ত্বকের রোধ অনেক কমিয়ে দেয়।
⇒ রোধ কমে গিয়ে ১,০০০ ওহম বা তারও কম হতে পারে, যা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: 
-  ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান।
-  পদার্থবিজ্ঞান – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
-  Occupational Safety and Health Guidelines” – OSHA (USA)
৫,২৩৭.
রোদে কাপড় শুকায় কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) স্ফুটন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা

রোদের তাপে কাপড়ের পানি বাস্পে পরিণত হয়। ফলশ্রুতিতে কাপড় শুকিয়ে যায়।

কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
যেমন- চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

৫,২৩৮.
ফোটন কণার ধর্ম কী?
  1. তড়িৎ নিরপেক্ষ
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. ধনাত্মক চার্জযুক্ত 
  4. তড়িৎ চার্জযুক্ত
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

- ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা এবং এটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এর কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ নেই। এই কারণে এটি তড়িৎ ক্ষেত্র বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত বা বিচ্যুত হয় না। 

ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। ৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf (যেখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক)। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়, ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৩৯.
মৌমাছি হুল ফুটালে যে জ্বালাপোড়া হয়, তা নিষ্ক্রিয় করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জিংক কার্বোনেট
  2. খ) অক্সালিক এসিড
  3. গ) কার্বোনিক এসিড
  4. ঘ) অ্যাপামিন
সঠিক উত্তর:
ক) জিংক কার্বোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিংক কার্বোনেট
ব্যাখ্যা
- পিঁপড়ার কামড়ের মাধ্যমে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। 
- আর মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যার কারণে জ্বালাপোড়া হয় আবার আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায়।
- এসব জ্বালাপোড়ার কারণ হচ্ছে এসিড, যা নিষ্ক্রিয় করতে জিংক কার্বোনেট, বেকিং সোডা ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারি।

 উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৫,২৪০.
দহন বিক্রিয়ার ফলে কোন গ্যাস তৈরি হয়? 
  1. H2
  2. N2
  3. O2
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
সাধারণ জ্বালানি (কাঠ, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস): 
- রান্নার কাজে সাধারণত কাঠ, কয়লা বা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- এসকল বস্তু দহন করে যে তাপ পাওয়া যায় তা দিয়ে রান্না করা হয়। 
- দহন বলতে এমন রাসায়নিক বিক্রিয়া বোঝায় যেখানে কোন পদার্থ অক্সিজেনের সাথে স্বত:স্ফূর্ত বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো দেয়। 
- কাঠের উপাদান সেলুলোজ যার মূল উপাদান কার্বন। 
- দহনের ফলে কাঠ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে প্রধানত CO2, তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
• কাঠ + O2 → তাপ + CO2 + আলো 
- একইভাবে, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালেও তাপ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও আলো পাওয়া যায়। 
• C (কয়লা) + O2 → তাপ + CO2 + আলো 
• CH4 (মিথেন বা প্রাকৃতিক গ্যাস) + O2 → তাপ + CO2 + H2O + আলো । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৪১.
যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয়, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. দুর্বল এসিড
  2. শক্তিশালী এসিড
  3. জৈব এসিড
  4. খনিজ এসিড
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী এসিড
ব্যাখ্যা

• যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় এবং অধিক পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে, সেগুলোকে শক্তিশালী এসিড বলা হয়।

• শক্তিশালী ও দুর্বল এসিড:
- যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় এবং প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে, তাদেরকে শক্তিশালী এসিড বলা হয়।
- অপরদিকে, যেসব এসিড পানিতে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় না, বরং আংশিকভাবে আয়নিত হয়, সেগুলোকে দুর্বল এসিড বলা হয়।
- অর্থাৎ, দুর্বল এসিডের ক্ষেত্রে এসিডের সব অণু থেকে H+ আয়ন উৎপন্ন হয় না।
- কিন্তু শক্তিশালী এসিডের ক্ষেত্রে পানিতে দ্রবীভূত হলে প্রায় সব অণুই H+ আয়নে বিযুক্ত হয়।
 
• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সব জৈব এসিডই যে দুর্বল হবে, তা নয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কার্বনিক এসিড (H2CO3) একটি জৈব এসিড হলেও এটি দুর্বল এসিড।
- আবার কোনো এসিড খনিজ (Inorganic) হলেই যে তা শক্তিশালী হবে, এমনটিও নয়।
 
• দুর্বল এসিডের উদাহরণ:
- এসিটিক এসিড (CH3COOH),
- সাইট্রিক এসিড (C6H8O7),
- অক্সালিক এসিড (HOOC–COOH)।
 
• শক্তিশালী এসিডের উদাহরণ:
- সালফিউরিক এসিড (H2SO4),
- নাইট্রিক এসিড (HNO3),
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl)। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৪২.
মোটর গাড়ীতে ব্যবহৃত দর্পণ—
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) সমতল দর্পণ
  3. গ) উত্তল দর্পণ
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
ব্যাখ্যা
মোটর গাড়ীতে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।

- উত্তল দর্পণের প্রতিফলক তল উঁচু থাকে। এটি আপতিত আলোক রশ্মিকে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়।
- এই দর্পণে সবসময় অসদ, সোজা এবং লক্ষ্যবস্তু থেকে ছোট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়, তাই যে সব ক্ষেত্রে বড় আকারের বা বেশি এলাকার দৃশ্য সহজে এক সাথে ছোট করে দেখার প্রয়োজন সে সব ক্ষেত্রে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। 

উত্তল দর্পণের ব্যবহারসমূহ- 
১. বড় বড় ভবন হাসপাতাল, অফিস বা শপিং মলে মাঝে মাঝে উত্তল দর্পণ বসান হয় এতে পুরো তলার মধ্যে কোথায় কী আছে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে খুটিনাটি দেখা যায় এবং লোকজন চলাচলে পরস্পরের সাথে ধাক্কা ধাক্কির ঝুঁকিও এড়ানো যায় ।
২. এক ধরণের বিশালাকার উত্তল দর্পণ মন্দির, মসজিদ, সপিং কমপ্লেক্স- বিভিন্ন জনসমাগম স্থানে উপর থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হয়। এত নিচের সমস্ত এলাকা এক সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এদের বলা হয় সীলিং ডোম মিরর। এটি ভবনের ছাদের সাথে কোণায়, পাশে বা কেন্দ্র বরাবরও স্থাপন করা হয়।
২. সানগ্লাসে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। এতে সানগ্লাস পরিহিত ব্যাক্তির চোখে পতিত সৌর রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চোখকে উত্তাপ ও তীক্ষ্ণ আলো থেকে রক্ষা করে।
৩. মোটর গাড়ী, মোটর সাইকেল ইত্যাদি দ্রুতগামী গাড়ির চালকের সামনে একটি উত্তল দর্পণ থাকে। একে বলা হয় রিয়ার ভিউ মিরর। চালক গাড়ি চালানোর সময় পেছনের দৃশ্য দেখার জন্য এটি প্রয়োজন হয়।
এতে পেছন থেকে আসা গাড়ি এবং পেছনের দিকের বিস্তীর্ণ এলাকার চিত্র এক সাথে চালকের চোখে পড়ে। রিয়ার ভিউ মিরর চালককে অনেক রকম দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।
৪. ইদানিং শহরের রাস্তায় অনেক এটিএম বুথ চোখে পরে। এই বুথে গ্রাহকের সামনে দেয়ালে উত্তল দর্পণ লাগানো থাকে। এতে বুথ ব্যবহারকারী তার পেছনে কেউ আছে কিনা নিরীক্ষণ করতে পারেন । এটি একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। এতে ডাকাত ছিনতাইকারীর থেকে সতর্ক থাকা যায় ।
৫. যে সব এলাকায় বা যায়গায় সহজে যাওয়া যায়না বা ঢোকা সম্ভব হয় না সেসব স্থান দেখা বা নিরীক্ষণের জন্য একটি সঠিক মাপের লাঠির সাথে একটি উত্তল দর্পণ এবং আলোর উৎস লাগিয়ে নেয়া হয়। গাড়ীর তলা পরীক্ষা করা জন্য পুলিশ চেক পোষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ভবনে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। গাড়ি মেরামতের কাজসহ বিভিন্ন কারিগরি কাজে এর ব্যবহার চোখে পড়ে ।
৬. রাস্তার আলো প্রতিফলক হিসাবে কোন কোন দেশে রাস্তায় বিশাল বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এই দর্পণ বিস্তীর্ণ এলাকায় আলো ছড়িয়ে দিতে পারে।
৭. অনেক যায়গায় রাস্তার বাঁকে বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এতে বাকের কারণে দূর থেকে থেকে আগত যেসব গাড়ি, যা বরাবর তাকিয়ে দৃষ্টি গোচর হওয়া সম্ভব নয় তা দেখা যায়। ফলে মারাত্মক সংঘর্ষ এড়ানো যায় ।

সূত্র: ২১৩ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৪৩.
ইলেকট্রনিক টিউবলাইটে সবুজ আলো সৃষ্টি করার জন্য কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জেনন
  2. খ) হিলিয়াম
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) জেনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেনন
ব্যাখ্যা
জেননের ব্যবহার - ইলেকট্রনিক টিউবলাইটে সবুজ আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন ব্যবহার করা হয়৷
ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ টিউবে অতি উজ্জ্বল আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন গ্যাস ব্যবহার করা হয়৷
উৎসঃ রসায়ন এইচএসসি প্রোগ্রাম- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,২৪৪.
VLSI-এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Variable Light System Integrated
  2. Very Low Scale Integrated
  3. Variable Large Scale Integrated
  4. Very Large Scale Integrated
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
ব্যাখ্যা

- VLSI-এর পূর্ণ রূপ হল Very Large Scale Integrated Circuit.

সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন-
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits), 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits) এবং 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৪৫.
মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime)-এর রাসায়নিক সংকেত নিচের কোনটি?
  1. Ca(OH)2
  2. CH3COONa
  3. CH3COOH
  4. CuSO4.5H2O
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,২৪৬.
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?
  1. 38 N
  2. 41 N
  3. 37 N
  4. 46 N
সঠিক উত্তর:
41 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
41 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N
∴ তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ = √(402 + 92)
= √(1600 + 81)
= √1681
= 41 N
৫,২৪৭.
কোন গ্যাসের আধিক্যের ফলে ইউরেনাস গ্রহকে নীলাভ সবুজ বর্ণ দেখায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. আর্গন
  3. মিথেন
  4. নিয়ন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল। ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলে।
Source: NASA
৫,২৪৮.
থিওরি অব রিলেটিভিটির প্রণেতা কে?
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) চার্লস ডারউইন
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আন্দ্রে শাখারভ
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির বা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা ৷ ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রদান করেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,২৪৯.
পলিথিন কোন বিক্রিয়ার মধ্যমে তৈরি হয়?
  1. সংযোজন
  2. ঘনীভবন
  3. পানিগ্রাহী
  4. সালফোনেশন
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
ব্যাখ্যা
• সংযোজন বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক যৌগ বা মৌল যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে সে বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়া বলা হয়। 

• সংযোজন পলিমার:
- যে পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় কোন ক্ষুদ্র অণুর অপসারণ ব্যাতিত মনোমার অণুসমূহ পরস্পর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল পলিমার গঠন করে এবং গঠিত পলিমারের আণবিক ভর মনোমারের আণবিক ভরের পূর্ণ গুণিতক হয় তাকে সংযোজন পলিমার বলে।
- সাধারণত দ্বিবন্ধন যুক্ত যৌগসমূহ যেমন অ্যালকিন, প্রতিস্থাপিত অ্যালকিন ও ভিনাইল যৌগসমূহে সংযোগ পলিমারকরণ (addition polymerization) ঘটে।

• পলিথিন:
- ১০০০-১২০০ বায়ু চাপে ইথিন গ্যাসকে তরলীকৃত করে সমান্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ২০০০০ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ইথিনের অসংখ্য অণু পরপর যুক্ত হয়ে যুত পলিমার পলিথিন গঠন করে।
- পলিথিন তৈরির এই প্রক্রিয়া টি সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। 
- পলিথিন একটি সাদা অসচ্ছ ও শক্ত প্লাস্টিক পদার্থ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫০.
মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল কোনটি?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. তড়িৎচুম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বলটি হলো মহাকর্ষ বল (Gravitational Force)।

প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৫১.
আন্তর্জাতিকভাবে রসায়নবিদদের অনুমোদিত সবুজ রসায়ন নীতি কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সবুজ রসায়ন: 
- ১৯৯১ সালে Paul Anastas সর্বপ্রথম গ্রিন কেমিস্ট্রি ধারণার অবতারণা করেন। 
- সবুজ রসায়নে (Green Chemistry) মূলত পরিবেশবান্ধব যৌগ ও তার উৎপাদন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
- এটি মূলত রাসায়নিক গবেষণা ও প্রকৌশলের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর যৌগের ব্যবহার ও উৎপাদন নিরুৎসাহিত করে। 
- পরিবেশের উপর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিক্রিয়ক ও উৎপন্ন উৎপাদের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাসকল্পে সবুজ রসায়নের অধ্যয়ন ও অনুশীলন আবশ্যক। 
- পল এনাসথাস এবং পরবর্তীতে United States Environment Protection Agency ও John C. Warner সবুজ রসায়নের ১২টি নীতি প্রণয়ন করেন। 
- নিচে এসব নীতিমালা আলোচনা করা হলো - 
১। প্রতিরোধ, 
২। পরমাণু অর্থনীতির সর্বোচ্চকরণ, 
৩। নিরাপদ উৎপাদ, 
৪। উৎপাদের বিষক্রিয়া হ্রাস, 
৫। নিরাপদ দ্রাবক ও সহায়ক পদার্থ, 
৬। শক্তির কর্মদক্ষতার পরিকল্পনা, 
৭। নিরাপদ কাঁচামাল ব্যবহার, 
৮। প্রভাবকীয় বিক্রিয়ক ব্যবহার, 
৯। ক্ষুদ্রাংশকরণ পরিকল্পনা, 
১০। বিক্রিয়ায় সময় অপ্রয়োজনীয় জাতক সৃষ্টি রোধ, 
১১। যথাসময়ে দূষণ এবং 
১২। দুর্ঘটনা প্রতিরোধ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৫,২৫২.
​ট্রান্সফরমার কী? 
  1. একটি যন্ত্র যা তড়িৎ প্রবাহকে বৃদ্ধি করে 
  2. একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে 
  3. একটি যন্ত্র যা তড়িৎ শক্তি সংরক্ষণ করে 
  4. একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
সঠিক উত্তর:
একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৫৩.
টিউবলাইটে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. অক্সিজেন
  2. আর্গন
  3. রেডন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা

• টিউবলাইটের ভেতরে খুব কম চাপে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন এবং সামান্য পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়।

• আর্গনের ব্যবহার:
১. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি (পারদ) বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
২. রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল এ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
৪. তেজষ্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।।
৫. বিভিন্ন ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়াম বা স্টেইনলেস স্টিল জোড়া দেওয়ার সময় (TIG Welding) বাতাস থেকে অক্সিজেন সরিয়ে দিয়ে পরিষ্কার ঢালাই নিশ্চিত করতে আর্গন শিল্ডিং গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. রেডিওকার্বন ডেটিং: ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় পটাশিয়াম-আর্গন ডেটিং পদ্ধতিতে শিলা বা খনিজের বয়স নির্ণয় করা হয়।

উৎস: রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

৫,২৫৪.
তরঙ্গস্থিত কোনো কণা একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় নেয়, তাকে ঐ তরঙ্গের কী বলে?
  1. স্পন্দন
  2. পর্যায়কাল 
  3. কম্পাঙ্ক
  4. দশা
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল 
ব্যাখ্যা

• পর্যায়কাল (Time period):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায় কাল বলে।
- পর্যায়কালকে T' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)।

• পূর্ণ কম্পন বা স্পন্দন (Complete Vibration):
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোন বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণ স্পন্দন বলে।

• কম্পাঙ্ক (Frequency):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ, সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।

• দশা (Phase):
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থাকে তার দশা বলে।
- কোনো একটি মুহূর্তের গতির অবস্থা বলতে ঐ বিশেষ মুহূর্তে কণাটির সরণ, বেগ, ত্বরণ ইত্যাদি বুঝায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৫৫.
পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বৃহৎ অণুকে কী বলা হয়? 
  1. মনোমার অণু 
  2. পলিমার অণু
  3. আয়নিক যৌগ 
  4. মৌলিক অণু 
সঠিক উত্তর:
পলিমার অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিমার অণু
ব্যাখ্যা

পলিমারকরণ (Polymerization) বিক্রিয়া: 
- প্রভাবক, উচ্চ চাপ ও তাপের প্রভাবে যখন এক বা একাধিক যৌগের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহদাকার অণু তৈরি করে তখন তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। 
- এক্ষেত্রে বৃহদাকার অণুটিকে পলিমার অণু এবং ক্ষুদ্র অণুটিকে মনোমার অণু বলা হয়। 
- যে বিক্রিয়ায় অসংখ্য মনোমার থেকে পলিমার উৎপন্ন হয় তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। 
- 1200 atm চাপে 200 °C তাপমাত্রায় ও O2 প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিলিনের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে বৃহৎ পলিমার অণু পলিথিন উৎপন্ন করে, এ বিক্রিয়া হচ্ছে ইথিলিনের পলিমারকরণ বিক্রিয়া। 
এখানে, ইথিলিন মনোমার এবং পলিথিন পলিমার অণু হিসেবে বিবেচিত। যেখানে, n দ্বারা ইথিলিনের অসংখ্য অণুর সংখ্যা বোঝায়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৫৬.
কোনটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. রেফ্রিজারেটর
  3. পেট্রোল ইঞ্জিন
  4. ডিজেল ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
ব্যাখ্যা
• বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীতে কাজ করে।

• তাপীয় ইঞ্জিন:

- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।
- বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপীয় পাম্পের একটি উদাহরণ যা আসলে একটি তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫৭.
পানির ঘনত্ব ও তাপমাত্রার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিবরণটি সঠিক?
  1. বরফ (০° C) সর্বাধিক ঘন, পানি সব সময় তাপমাত্রা বাড়লে সংকুচিত হয়
  2. পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
  3. পানি ১০০° C-এ সর্বাধিক ঘন, কারণ এটি বাষ্পে রূপান্তরিত হতে থাকে
  4. পানি ২৫° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, কারণ কক্ষ তাপমাত্রায় অণু স্থিতিশীল
সঠিক উত্তর:
পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
ব্যাখ্যা

• পানির ঘনত্বের পরিবর্তন (Density Anomaly of Water):
- পানি একটি বিশেষ ধরনের পদার্থ, যার ঘনত্ব তাপমাত্রার সাথে অস্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হয়। 
- সাধারণত পদার্থ তাপমাত্রা বাড়লে প্রসারিত হয় এবং ঠান্ডা হলে সংকুচিত হয়।
- পানির ক্ষেত্রে ০° C থেকে ৪° C পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়লে ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

- পানি অণুগুলির মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন বন্ধন এর কারণে এই অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায়।
- ০° C-এ পানি বরফে পরিণত হয়, যেখানে অণুগুলি খোলামেলা ক্রিস্টাল কাঠামো তৈরি করে। এজন্য বরফের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হয় এবং বরফ পানির ওপর ভেসে থাকে।

- পানির এই density anomaly নদী, হ্রদ ও অন্যান্য জলাধারে জীবজন্তুর টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ঠান্ডা পরিবেশেও পানির নিচে উষ্ণ স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি

৫,২৫৮.
বক্সাইট খনিজ থেকে কোন ধাতু উত্তোলন করা যায়? 
  1. লেড 
  2. জিংক
  3. আয়রন 
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

খনিজ (Minerals): 
- মাটির উপরিভাগে বা মাটির তলদেশে যেসকল পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রবাদি যেমন-বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে খনিজ বলা হয়। 
- যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাকে খনি বলে। 

আকরিক: 
- যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা য়ায সে সকল খনিজকে আকরিক বলে। 
যেমন- 
• গ্যালেনা থেকে লাভজনকভাবে লেড ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাই গ্যালেনাকে লেড ধাতুর আকরিক বা লেড ধাতুর খনিজ বলা হয়। 
বক্সাইট থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, অতএব বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বা খনিজ বলা হয়। কাদামাটি থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না, সেজন্য কাদামাটি শুধু অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়। 
• আয়রনের সালফাইডকে আয়রন পাইরাইটস বলা হয়, আয়রন পাইরাইটস থেকে আয়রন ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। 
অতএব, আকরিক অবশ্যই খনিজ হবে কিন্তু খনিজ হলে সেটা আকরিক নাও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৫৯.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী কোনটি? 
  1. ইথার
  2. এস্টার
  3. গ্লুকোজ
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R । 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬০.
লাউড স্পীকারে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
  3. গ) বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে
  4. ঘ) শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
ব্যাখ্যা
লাউড স্পিকারে তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

- লাউড স্পিকার তড়িৎ সংকেতকে শব্দে পরিবর্তিত করে।
- লাউড স্পিকারের শব্দ হলো মাইক্রোফোনের সাহায্যে তড়িৎ সংকেতে রুপান্তরিত শব্দের অনুরূপ শব্দ।
- তড়িৎ শক্তি বলতে কোনো তড়িৎ উৎসের কাজ করার সামর্থ্যকে বোঝায়।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
৫,২৬১.
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান কত হতে হবে? 
  1. 0.1 সেকেন্ড 
  2. 0.01 সেকেন্ড
  3. 0.05 সেকেন্ড 
  4. 1.00 সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড 
ব্যাখ্যা

- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান 0.1 সেকেন্ড হতে হবে, কারণ মানুষের কান দুটি শব্দকে আলাদাভাবে বোঝার জন্য কমপক্ষে এই সময়টুকু প্রয়োজন হয়; এর কম হলে শব্দ দুটি মিশে যাবে এবং প্রতিধ্বনি শোনা যাবে না। 

শব্দ: 

- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3 m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৬২.
ব্যাটারির এক ধরণের সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় কিন্তু উল্টো সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না কোন যন্ত্রে?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
ডায়ােডের আরাে একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৬৩.
কোন যন্ত্রটি ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনারেটর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য অর্থাৎ উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে বা নিম্ন ভোল্টেজকে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করতে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়।
- এটি তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

অন্যান্য অপশন:
- জেনারেটর: এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, কিন্তু বিদ্যমান ভোল্টেজ পরিবর্তন করে না।
- অ্যামিটার: এটি বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের (Current) মান পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভোল্টমিটার: এটি বর্তনীর দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ পরিমাপ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৬৪.
কোন কাজে টিএনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তেলের খনি অনুসন্ধানে
  2. খ) বিস্ফোরক হিসেবে
  3. গ) পোকামাকড় ধ্বংস করা জন্য
  4. ঘ) হৃদরোগের ঔষুধরূপে
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্ফোরক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্ফোরক হিসেবে
ব্যাখ্যা
- টিএনটি এর পূর্ণ নাম হচ্ছে ২, ৪, ৬ ট্রাইনাইট্রো টলুইন।

ব্যবহার
- শক্তিশালী বিস্ফোরক রুপে 
- হাত বোমায়
- সেনাবাহিনীর Bomb Shell এবং জাহাজ ধ্বংসকারক  Torpedo প্রস্তুতকরণে
- বিল্ডিং ও পাহাড় Amatol নামক বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণে

সূত্র- রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, হাজারী ও নাগ, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি
৫,২৬৫.
হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা গ্যাস কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. নিয়ন
  3. আর্গন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা গ্যাস। 
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের তুলনায় হিলিয়াম (He) গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।

৫,২৬৬.
সাধারণত কত তাপমাত্রায় একজস্টিং করা হয়?
  1. ক) 30°C - 45°C 
  2. খ) 45°C - 55°C
  3. গ) 80°C - 90°C 
  4. ঘ) 95°C - 110°C
সঠিক উত্তর:
ঘ) 95°C - 110°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 95°C - 110°C
ব্যাখ্যা
একজস্টিং:
এটি এক ধরনের কৌটাজাতকরণ পদ্ধতি। মাছ কৌটাজাতকরণের ক্ষেত্রে  একজস্টিং করা হয়।
কৌটাকে ফুটন্ত পানিতে ২/৩ অংশ ডুবিয়ে অথবা বাষ্পের সাহায্যে তাপ প্রয়োগ করে কৌটার সব বায়ু অপসারণ করে দেয়া হয়। এ কাজের জন্য ৮-১০ মিনিট সময়ই যথেষ্ট । 

• একজসটিং করার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হলো: 95°C-110°C

• পাত্রের মধ্যস্থিত বায়ু দুর করার জন্য তাপ প্রয়োগ করে একজস্টিং করা হয়। যার কারনে পাত্রের ভেতরে মরিচা পড়েনা এছাড়া একজস্টিং করার ফলে বায়ুবীয় অনুজীব দ্বারা খাদ্য দুষিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। উপরিউক্ত কারনে কৌটা জাত করার সময় একজস্টিং করা হয়।

SOURCE: রসায়ন ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৭.
মহাকর্ষসূত্র ও ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন কে? 
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. জোহান কেল্লার
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা
আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬৮.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে আধান শনাক্ত করা যায়?
  1. ক) এমিটার
  2. খ) ভোল্টমিটার
  3. গ) গ্যালভানোমিটার
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
কোন বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্নয়ের যন্ত্র হলো - তড়িৎবীক্ষন যন্ত্র।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৫,২৬৯.
কোনটির মাধ্যমে বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ করা যায়? 
  1. পাইরোমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ব্যারোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার 
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার 
ব্যাখ্যা

বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার। 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৫,২৭০.
pH স্কেলের সর্বাধিক সীমা কত? 
  1. 0
  2. 14
  3. 7
  4. 10
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৭১.
কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) n- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  2. খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  3. গ) z- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,২৭২.
কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 200V এবং তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা 20A হলে এর রোধ কত?
  1. 4000Ω
  2. 0.1Ω
  3. 10Ω
সঠিক উত্তর:
10Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10Ω
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 200 V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 20 A
এবং রোধ, R = ?

আমরা জানি,
I = V/R
বা, R = V/I
বা, R = 200/20
= 10Ω

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৭৩.
দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান-
  1. ক) এদের আধানের পরিমাণের গুণফলের ব্যস্তানুপাতিক
  2. খ) মধ্যবর্তী দূরত্বের সমানুপাতিক
  3. গ) মধ্যবর্তী দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক
  4. ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা

কুলম্বের সূত্র: দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল এদের আধানের পরিমানের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
এই বল এদের সংযোগ সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
এই বলের মান মাধ্যমের উপর নির্ভর করে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,২৭৪.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
রঞ্জন রশ্মি: 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়। 
- এক্স-রের একক রন্টজেন। 
- এক্স-রে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭৫.
পদার্থের একক ভরের মোট তাপের পরিমাণকে বলে-
  1. ক) এনথালপি
  2. খ) এনট্রপি
  3. গ) এনট্রাপি
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

পদার্থের একক ভরের মোট তাপের পরিমাণকে বলে- আপেক্ষিক তাপ। 

আপেক্ষিক তাপ: 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। আপেক্ষিক তাপকে ইংরেজি অক্ষর S দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এনথালপি: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমের অভ্যন্তরীন শক্তি এবং কৃতকাজ এর সমষ্টিকে এনথালপি বলে।

এনট্রপি: শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা তাপীয় বিশৃক্ষলাকে এনট্রপি বলে।

৫,২৭৬.
নিচের কোন শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়?
  1. সৌর শক্তি
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. খনিজ তেল
  4. কয়লা
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:  
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। 
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়। 
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না। 
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। 
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭৭.
ডিটারজেন্ট এবং সাবানের মধ্যে মূল ভিন্নতা কী?
  1. সাবান ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, ডিটারজেন্ট গলে না
  2. উভয়ই ঠান্ডা পানিতে গলে না
  3. উভয়ই ঠান্ডা পানিতে গলে
  4. ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
ব্যাখ্যা

• ডিটারজেন্ট এবং সাবানের মধ্যে মূল ভিন্নতা হচ্ছে - ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না। 

পরিষ্কারক উপাদান: 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৭৮.
উদ্ভিদে কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে বের হয়ে যায়? 
  1. শ্বসন
  2. নিঃসরণ
  3. প্রস্বেদন
  4. অভিসরণ
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার সামান্য অংশই বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যয় করে। 
- অধিকাংশ পানি উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে। 
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। 
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদে তিন ধরনের প্রস্বেদন দেখা যায়। যথা- 
(ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
(খ) ত্বকীয় প্রস্বেদন এবং 
(গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭৯.
X-Ray এর মাধ্যমে কোন রোগ নির্ণয় করা যায়?
  1. ফ্র্যাকচার
  2. নিউমোনিয়া
  3. টিউমার
  4. উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা

◉ এক্স-রে (X-ray) হল এমন একটি ইমেজিং প্রযুক্তি, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হাড়ের সমস্যা, ফুসফুসের রোগ এবং টিউমার শনাক্ত করতে কার্যকর।

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

এক্স-রে রশ্মির ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৮০.
কোন আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ডায়োড
  3. ট্রায়োড
  4. ট্রানজিস্টর
  5. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- এই আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এই ট্রানজিস্টর কত দ্রুত এবং কত ব্যাপকভাবে পুরো পৃথিবীকে পাল্টে দেবে সেটি তখনো কেউ অনুমান করতে পারেনি।
- ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতোই কাজ করতে পারে। 
- কিন্তু ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় এটি অতি ক্ষুদ্র, ওজন খুবই কম, এটি ব্যবহার করতে খুব অল্প বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, এটি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে বড় কথা এটি অনেক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব।
- ট্রানজিস্টর খুব দ্রুত ভ্যাকুয়াম টিউবকে সরিয়ে তার স্থান দখল করে নিতে শুরু করল এবং পৃথিবীর মানুষ স্বল্প মূল্যে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে তৈরি নানা ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পেতে শুরু করল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,২৮১.
গ্যালভানাইজিং (Galvanizing) বলতে কী বোঝায়?
  1. লোহার উপর রুপার প্রলেপ দেওয়া
  2. লোহাকে তাপে গলিয়ে শক্তিশালী করা
  3. লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
  4. লোহাকে তাপে গলিয়ে বিশুদ্ধ করা
সঠিক উত্তর:
লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
ব্যাখ্যা

Galvanizing হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে লোহা বা ইস্পাতের উপর দস্তার (Zinc) আবরণ দেওয়া হয়। এই দস্তার স্তর বাতাস ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে zinc oxide গঠন করে, যা লোহার উপর প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে। এর ফলে লোহা সহজে মরিচা ধরে না এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৫,২৮২.
কোন এসিড শিল্পোন্নয়নের পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সালফিউরিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. কার্বোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
যেমন-
• সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,২৮৩.
অবতল লেন্স কী? 
  1. যে লেন্স আলো শোষণ করে 
  2. যে লেন্স আলো প্রতিফলিত করে 
  3. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
  4. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে এক বিন্দুতে মিলিত করে 
সঠিক উত্তর:
যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
ব্যাখ্যা

লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা-
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা অপসারিত করে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৮৪.
শূন্য মাধ্যমে 1 C আধান থেকে কতগুলো বলরেখা নির্গত হয়?
  1. একটি
  2. অসীম
  3. 0 টি
  4. 1/∈0 টি
সঠিক উত্তর:
1/∈0 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/∈0 টি
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন।
- বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়।
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে।
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে।

- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন।
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়।
- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
যেমন-
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়।
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা।
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়।
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1C আধান থেকে 1/∈0 সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৮৫.
কোনটি ডিজিটাল ডিভাইস হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ফ্লিপ-ফ্লপ
  2. মাল্টিপ্লেক্সার
  3. কাউন্টার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর একটি অ্যানালগ বা এনালগ-লেভেল উপাদান  (component)। এটি অ্যাম্পলিফায়ার এবং সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

-  যদিও ট্রানজিস্টর ডিজিটাল ডিভাইসের ভিত্তি (যেমন: গেট, ফ্লিপ-ফ্লপ, কাউন্টার ইত্যাদি) তৈরি করে, তবে একা ট্রানজিস্টর কোনো পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ডিভাইস নয়।
অর্থাৎ ট্রানজিস্টর নিজে ডিজিটাল ডিভাইস নয়, বরং এটি ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির মূল উপাদান।

অন্যদিকে,
 ফ্লিপ-ফ্লপ: এটি একটি ডিজিটাল লজিক ডিভাইস যা 1 বিট ডেটা মেমোরি হিসেবে কাজ করে।

 মাল্টিপ্লেক্সার: এটি একাধিক ইনপুট থেকে একটি ইনপুট সিলেক্ট করে। এটি ডিজিটাল লজিক গেট ব্যবহার করে কাজ করে। 

 কাউন্টার: এটি বাইনারি সংখ্যা গণনা করে। এটি দিয়ে সাধারনত ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা গননা করা হয়। 

তথ্যসূত্র: 
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (NCTB)।
-  পদার্থবিজ্ঞান – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (NCTB)। 
-   Electrical Counting By W.B. Lewis.
৫,২৮৬.
ওভারহেড লাইনে সাধারনত ব্যবহৃত হয়-
  1. Copper conductors
  2. All Aluminium conductors
  3. A.C.S.R conductors
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
A.C.S.R conductors
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A.C.S.R conductors
ব্যাখ্যা
ACSR এর অর্থ হল  "Aluminum Conductor Steel Reinforced."
- এটি এক ধরণের বৈদ্যুতিক পরিবাহী যা সাধারণত বিদ্যুৎ প্রেরণের জন্য ওভারহেড পাওয়ার লাইনগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
- ACSR কন্ডাক্টরগুলি অ্যালুমিনিয়াম স্ট্র্যান্ড দ্বারা বেষ্টিত ইস্পাতের একটি কেন্দ্রীয় কোর দিয়ে তৈরি।

বৈশিষ্ট্য: 
- কম্পোজিট স্ট্রাকচার,
- ভালো পরিবাহিতা,
- হালকা ওজনের,
- ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা, 
- কম খরচের। 
৫,২৮৭.
সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের-
  1. জটিল গতি
  2. অর্ধবৃত্তাকার গতি
  3. উপবৃত্তাকার গতি
  4. রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল দোলন গতি: 
- কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ঐ কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়। 
অথবা, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্য: 
- সরল দোলন গতির কতগুলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। 
- এই বৈশিষ্ট্যসমূহ দিয়ে কোনো কণার গতি সরল দোলন গতি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়। 
- নিচে সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্যসমূহ দেয়া হলো- 
১। সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। অর্থাৎ, কোনো বস্তুকণা একই সময়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরলরেখাংশ বরাবর এদিক-ওদিক যাওয়া-আসা করে। 
২। সরল দোলন গতি বিশিষ্ট কণার ত্বরণ সর্বদা তার সাম্যাবস্থান অভিমুখী হয়। 
৩। কণাটির ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক। 
৪। কণাটি যে মুহূর্তে সাম্যাবস্থান অতিক্রম করে সেই মুহূর্তে গতিবেগ সর্বোচ্চ হয়। সরণের শেষ সীমায় গতিবেগ মুহূর্তের জন্য শূন্য হয় এবং তারপরেই কণাটি বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করে। 
৫। সরল দোলন গতির পর্যায়কাল তার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণে বিস্তার হ্রাস পেতে থাকলেও পর্যায়কাল অপরিবর্তিত থাকে। 
৬। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার স্পন্দন সীমা সাম্যাবস্থান থেকে উভয় দিকে সমান দূরে অবস্থান করে। 
৭। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার সরণ সাইন বা কোসাইন অপেক্ষক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৮৮.
COD এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Carbon Oxygen Density
  2. খ) Chemical Oxygen Demand
  3. গ) Carbon dioxide and Oxygen Demand 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
খ) Chemical Oxygen Demand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Chemical Oxygen Demand
ব্যাখ্যা

COD এর পূর্ণরূপ হল Chemical Oxygen Demand।

অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হল রাসয়নিক অক্সিজেন চাহিদা। এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসয়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে উক্ত পানির COD বলে। কোন পানির COD এর মান যত বেশি হয়, সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। এছাড়া, BOD এবং COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়নবিজ্ঞান

৫,২৮৯.
পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি হ্রাসের জন্য কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোক
  2. গ্রাফাইট
  3. চারকোল
  4. হীরক
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
কার্বন: 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক্।  
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক। 

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫,২৯০.
পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে সাধারণত ইলেকট্রন আসক্তির কী পরিবর্তন হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. শূন্য হয়ে যায় 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে মৌলের ইলেকট্রন আসক্তির মান বৃদ্ধি পায়। 

• ইলেকট্রন আসক্তি: 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 
যেমন- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির ২ নং গ্রুপ-এর মৌল।
- এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি।
- আবার Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে কম। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫,২৯১.
'কম্যুটেটর' কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রান্সফরমারের
  2. ডিসি মোটরে
  3. এসি মোটরে
  4. মাইক্রোফোনে
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
ব্যাখ্যা

প্রত্যেক ডিসি জেনারেটরের আর্মেচারে উৎপন্ন কারেন্ট সব সময় এসি হয়ে থাকে, ডিসি জেনারেটরের এই এসি ভোল্টেজকে বহিঃসার্কিটে ডিসি পাওয়ার জন্য যে ডিভাইস বা মেকানিজম ব্যবহৃত হয় তাকে কম্যুটেটর বলে।
- নরম লোহার উপরে তামার পুরো পাত একের পর এক সাজিয়ে কুণ্ডলী আকার বানিয়ে কম্যুটেটর বানানো হয় ।
- কম্যুটেটরের প্রধান কাজ হলো AC (অল্টারেন্ট কারেন্ট) কারেন্ট কে DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট) কারেন্টে রূপান্তরিত করা ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

৫,২৯২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয় না? 
  1. হাড়ে ফাটল নির্ণয়ে 
  2. দাঁতের গোড়ার ক্ষয় নির্ণয়ে 
  3. পেটের অন্ত্র প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করতে 
  4. রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
ব্যাখ্যা

- 'রক্তচাপ পরিমাপ করতে' এক্সরে ব্যবহৃত হয় না। 

এক্সরে যন্ত্রের মূলনীতি ও ও এর ব্যবহার: 

- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 
- এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। 
- অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৯৩.
স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব কত? 
  1. ১৫ সেন্টিমিটার
  2. ৫০ সেন্টিমিটার 
  3. ২৫ সেন্টিমিটার
  4. ১০০ সেন্টিমিটার 
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

স্পষ্ট দর্শনের ন্যুনতম বা নিকটতম দূরত্ব: 
- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে। 
- স্বাভাবিক চোখের জন্য স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম (নিকটতম) দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার। 
অর্থাৎ, চোখের লেন্স থেকে ২৫ সেন্টিমিটার দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়। 
- এই সীমা থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৯৪.
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N, তাদের লব্ধি পরিমাণ কত?
  1. 14 N
  2. 13 N
  3. 12 N
  4. 11 N
সঠিক উত্তর:
13 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N, তাদের লব্ধি পরিমাণ কত?

সমাধান: 
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N
∴ তাদের লব্ধি পরিমাণ = √(122 + 52)
= √(144 + 25)
= √169
= 13 N
৫,২৯৫.
কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।- এটি কোন ধরনের বিক্রিয়া?
  1. সংযোজন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
  4. দহন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
দহন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দহন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- 
১। সংযোজন বিক্রিয়া, 
২। বিয়োজন বিক্রিয়া, 
৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং 
৪। দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি।

দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
- এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
- কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- সালফারকে বায়ুতে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- মিথেন গ্যাসকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পোড়ালে মিথেনের উপাদান মৌল কার্বন পরিবর্তিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং হাইড্রোজেন পরিবর্তিত হয়ে উহার অক্সাইড পানি উৎপন্ন করে। এ দহন বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপ রান্নাসহ অন্যান্য কাজ বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,২৯৬.
প্রাথমিক বর্ণ নয় কোনটি ?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) নীল
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
ব্যাখ্যা

আলোর প্রাথমিক বা মৌলিক বর্ণ ৩ টি।

  • লাল
  • নীল/আসমানী
  • সবুজ

(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৫,২৯৭.
কোন সরঞ্জাম বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম?
  1. মাইক্রোফোন
  2. উইন্ডমিল
  3. জেনারেটর
  4. লাউড স্পিকার
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম সরঞ্জাম হলো লাউডস্পিকার। লাউডস্পিকার বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে তা যান্ত্রিক কম্পন বা স্পন্দনে রূপান্তর করে, যা আমাদের কানে শব্দ হিসেবে শোনা যায়। অন্যদিকে, মাইক্রোফোন শব্দকে বিদ্যুতের সিগন্যাল বা সংকেত হিসেবে রূপান্তরিত করে। জেনারেটর বা উইন্ডমিল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সরাসরি শব্দ তৈরি করতে পারে না। তাই শব্দ উৎপাদনের জন্য মূলত লাউডস্পিকার ব্যবহৃত হয়।

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৯৮.
বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় -
  1. দ্বিগুন
  2. তিনগুন
  3. চারগুন
  4. পাঁচগুন
সঠিক উত্তর:
চারগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারগুন
ব্যাখ্যা
- সব তরঙ্গেই একটা বেগ থাকে সেই বেগ তার মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। 
- বাতাসে শব্দের বেগ 330m/s পানিতে এর বেগ 1439m/s
- বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় চারগুন। 
- ঢিলে একটা দড়িতে একটা তরঙ্গের যত বেগ হবে টান টান করে রাখা দড়িতে হবে তার থেকে বেশি।
- তরঙ্গের ভেতর দিয়ে শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। 
- শক্তি যত বেশি হয় তরঙ্গের বিস্তার তত বেশি হয়। শক্তি তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। অর্থাৎ বিস্তার যদি দ্বিগুণ হয় শক্তি হয় চার গুণ।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থবিজ্ঞান। 
৫,২৯৯.
বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না, কারণ-
  1. পাখির গায়ে বিদ্যুৎরোধী আবরণ থাকে
  2. পাখির দেহের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না
  3. বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হলেও পাখি মরে না
  4. মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
সঠিক উত্তর:
মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না কারণ মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না। 
- বর্তনী সম্পূর্ণ করতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সংযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে বর্তনী পূর্ণ হয় না বলে পাখি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় না। 
- কিন্তু পাখিটি যদি অন্য তার স্পর্শ করে কিংবা ভূ - সংযুক্ত কোনো পরিবাহীর সংস্পর্শে আসে, তাহলে বর্তনী পূর্ণ হবে এবং এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার ফলে পাখিটি মারা যাবে। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩০০.
ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস শুরু হয় কোন উদ্ভাবনের মাধ্যমে?
  1. টেলিভিশন
  2. কম্পিউটার
  3. রোবট
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্সের যাত্রা শুরু হয়। 
- ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস মূলত ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার থেকে শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করেন। এটি একটি ছোট, শক্তিশালী এবং কম শক্তি ব্যবহারকারী ডিভাইস যা বিদ্যুৎ সংকেত নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ট্রানজিস্টরের আগমনের আগে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি প্রধানত ভ্যাকুয়াম টিউবের ওপর নির্ভরশীল ছিল, যা বড়, ভারী এবং অকার্যকর ছিল। ট্রানজিস্টরের কারণে কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র দ্রুত, ছোট এবং সাশ্রয়ী হয়। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগের ভিত্তি স্থাপন করেছে। সুতরাং, ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস শুরু হয় ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবনের মাধ্যমে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রানজিস্টর।

• ট্রানজিস্টর:

- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়। 

- ১৯৪৭ সালে আমেরিকার Bell Laboratories–এ John Bardeen, Walter Brattain এবং William Shockley প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে।
- এটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এবং মাইক্রোপ্রসেসর-এর বিকাশের পথ তৈরি করে, যা আধুনিক কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের মূল ভিত্তি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।