বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৫ / ৬৪ · ৫,৪০১৫,৫০০ / ৬,৪০৯

৫,৪০১.
ক্লোরোফর্মের রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
  1. CCl4
  2. CHCl3
  3. CH2Cl2
  4. CH3Cl
সঠিক উত্তর:
CHCl3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CHCl3
ব্যাখ্যা

◉ ক্লোরোফর্ম (Chloroform) হলো একটি জৈব যৌগ, যার রাসায়নিক সংকেত CHCl3

ক্লোরোফর্মের ব্যবহার: 
- পূর্বে সার্জারির সময় অ্যানেসথেটিক হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- জৈব দ্রাবক (Organic Solvent) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্লাস্টিক ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- ক্লোরোফর্ম অতিরিক্ত গ্রহণ করলে স্নায়ুতে প্রভাব ফেলতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে ক্ষতিকর হতে পারে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
CCl4 - কার্বন টেট্রাক্লোরাইড; 
CH2Cl2 - ডাইক্লোরোমিথেন; 
CH3Cl - মিথাইল ক্লোরাইড। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 

৫,৪০২.
বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে আমরা কোন ধরনের শক্তি পাই? 
  1. ক) যান্ত্রিক শক্তি
  2. খ) রাসায়নিক শক্তি
  3. গ) চুম্বক শক্তি
  4. ঘ) আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক শক্তি
ব্যাখ্যা

আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে আমরা আলোক শক্তি ও তাপ শক্তি পাওয়া যায়। তাপ শক্তির সাথে সূর্য থেকে সরাসরি আর যে শক্তিটি আসে তা হচ্ছে আলোক শক্তি। আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না। সূর্য আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
অপরদিকে, তাপ শক্তি সরাসরি সূর্য থেকে সরাসরি আসে। এই তাপ শক্তি পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে। তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী বা, উদ্ভিদ বেঁচে থাকতে পারে না।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

৫,৪০৩.
সেকেন্ড দোলক হচ্ছে যে সরল দোলকের দোলনকাল- 
  1. এক সেকেন্ড
  2. দুই সেকেন্ড
  3. তিন সেকেন্ড
  4. চার সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: 
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। 

সেকেন্ড দোলক: 
- যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে। 

সরল দোলন গতি: 
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
৫,৪০৪.
আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা প্রদান করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) হেন্রিখ হার্জ
  2. খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  3. গ) ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভ‚তপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (১৮৩১-১৮৭৯) আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্তে¡র ধারণা দেন।
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেন্রিখ হার্জের (১৮৫৭-১৮৯৪) পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী (১৮৭৪-১৯৩৭) তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে
সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন।
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও (১৮৫৮-১৯৩৭) একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়।

উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০৫.
p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে কোন পরমাণু দ্বারা ডোপিং করা হয়?
  1. ইন্ডিয়াম
  2. অ্যান্টিমনি
  3. ফসফরাস
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়াম
ব্যাখ্যা

• p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামের সাথে ত্রিমূলক (trivalent) পরমাণু ডোপিং করা হয়, যাদের ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি। এই ধরনের পরমাণু যুক্ত হলে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যাকে হোল বলা হয়, এবং হোলই এখানে প্রধান চার্জ বাহক হিসেবে কাজ করে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম একটি ত্রিমূলক পরমাণু, তাই এটি দ্বারা ডোপিং করলে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি হয়। অন্যদিকে অ্যান্টিমনি ও ফসফরাস পঞ্চমূলক এবং জার্মেনিয়াম নিজেই একটি অর্ধপরিবাহী। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্ডিয়াম।

• p-টাইপ অর্ধপরিবাহী (P-type Semiconductor):
- p-টাইপ অর্ধপরিবাহী হলো এমন এক ধরনের অর্ধপরিবাহী যেখানে হোল (hole) সংখ্যাগরিষ্ঠ বাহক (majority carrier) হিসেবে কাজ করে।
- এটি তৈরির জন্য বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামে ত্রিমান (trivalent) অমিশ্র পরমাণু যোগ করা হয়।
- ত্রিমান পরমাণুর ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি হওয়ায় একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়।
- এই ইলেকট্রনের ঘাটতিকে হোল বলা হয়।
- হোলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন হয় বলে একে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী বলা হয়।

• ডোপিং (Doping):
- ডোপিং হলো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীতে অল্প পরিমাণ অমিশ্র পদার্থ যোগ করার প্রক্রিয়া।
- p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য ত্রিমান মৌল ব্যবহার করা হয়।
- ত্রিমান মৌলগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম উল্লেখযোগ্য।
- এসব মৌল ইলেকট্রনের ঘাটতি তৈরি করে, ফলে হোলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

• অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
- ইন্ডিয়াম → ত্রিমান মৌল, p-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- অ্যান্টিমনি → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- ফসফরাস → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- জার্মেনিয়াম → বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী, ডোপিং উপাদান নয়। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

৫,৪০৬.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. অ্যালটিমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. অডিওমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৫,৪০৭.
1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ কত? 
  1. 1 ক্যালরি
  2. 2.4 জুল 
  3. 1 জুল 
  4. 4.2 ক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের S.I একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪০৮.
কোন পদার্থটি কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তন হ্রাস পায়?
  1. ক) মোম
  2. খ) তামা
  3. গ) বরফ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) বরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বরফ
ব্যাখ্যা
(ক) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়। যেমন: মোম, তামা ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।

(খ) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়। যেমন: লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়। অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪০৯.
একটি ব্যাটারি সেলে কোন ধরণের শক্তির রুপান্তর ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) তাপ শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোড  এ জমা হয় । এতে অ্যানোড ও ক্যাথোড এ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থায়  অ্যানোড ও ক্যাথোড পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রন গুলো  অ্যানোড এ প্রবাহিত হয় । 

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
৫,৪১০.
মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime) নামে অধিক পরিচিত-
  1. ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের পাতলা দ্রবণ
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাসপেনশান
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
ব্যাখ্যা
ব্লিচিং পাউডার তৈরি হয় শুকনো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের বিক্রিয়া ঘটিয়ে। আবার ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের পাতলা দ্রবণ যা চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার (Lime water) নামে পরিচিত সেটি আমাদের ঘরবাড়ি হোয়াইট ওয়াশ করতে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট যা মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime) নামে অধিক পরিচিত, তা পোকামাকড় দমনে ব্যবহৃত হয়। এন্টাসিড ঔষধ হলো মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। যা সাসপেনশান ও ট্যাবলেট দুভাবেই পাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাসপেনশান মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া (Milk of Magnesia) নামেই অধিক পরিচিত। কখনও কখনও এন্টাসিডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডও থাকে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি]
৫,৪১১.
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য কোন নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয়?
  1. নিউটনের প্রথম সূত্র
  2. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র
  3. নিউটনের তৃতীয় সূত্র
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিউটনের তৃতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:

- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমানও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।

• উদাহরণ:
১. বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
২. একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
৩. মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪১২.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা কোনটি? 
  1. ক্লোজড কনফারেন্স
  2. অনলি কনফারেন্স
  3. পাবলিক কনফারেন্স
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। 
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। 
যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। 
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫,৪১৩.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা কোনটি? 
  1. অ্যানথ্রাসাইট
  2. লিগনাইট
  3. বিটুমিনাস
  4. ক্যালাসাইট
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 

- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট, 
২। বিটুমিনাস এবং 
৩। লিগনাইট। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪১৪.
নিচের কোনটির সাথে রাবার রাসায়নিক বিক্রিয়া করে?
  1. ওজোন
  2. পানি
  3. দুর্বল ক্ষার
  4. দুর্বল এসিড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। 
- পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার। 
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী, তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে। 
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O3) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৫.
তড়িৎ বলরেখার ধারণা প্রথম দেন কে? 
  1. কুলম্ব
  2. নিউটন
  3. গাউস
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। এই বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। 
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়। 
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে। 
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে। 
- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। 
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। 
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়। 

- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। 
যেমন- 
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়। 
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা। 
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়। 
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1 C আধান থেকে 1/∈0 সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৬.
CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ কোনটি?
  1. বিউটেন
  2. প্রোপেন
  3. ইথেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪১৭.
অম্লের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. ক) সকল লঘু এসিড টক স্বাদ যুক্ত
  2. খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
  3. গ) এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ
  4. ঘ) সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
ব্যাখ্যা

লঘু এসিডের বৈশিষ্ট্যঃ

- সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত
- এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত
- এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে
- সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে
- ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

৫,৪১৮.
তরল পদার্থের নির্দিষ্ট কী নেই?
  1. আকার
  2. ভর
  3. আয়তন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকার
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি থাকার কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
- যেকোন পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪১৯.
মৌলিক গ্যাস সাধারণত কেমন অণু গঠন করে? 
  1. একপরমাণুক
  2. দ্বিপরমাণুক
  3. ত্রিপরমাণুক
  4. বহুপরমাণুক
সঠিক উত্তর:
দ্বিপরমাণুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিপরমাণুক
ব্যাখ্যা
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। 
যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। 
- আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 

- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষণ বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে, যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪২০.
লেন্সের ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. জুল
  2. ডায়াপ্টার
  3. ওয়াট
  4. মিটার
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
ব্যাখ্যা

লেন্স:
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলা হয়।
- লেন্স সাধারণত কাচের তৈরি হয়। এছাড়া কোয়ার্টজ, স্বচ্ছ প্লাস্টিক দ্বারাও লেন্স তেরি করা হয়।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex Lens)।
অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave Lens)।

লেন্সের ক্ষমতা:
- লেন্সের ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর একক হচ্ছে ডায়াপ্টার।
- দূরত্বকে মিটারে প্রকাশ করে এর বিপরীত রাশি নিলে লেন্সটির ক্ষমতা ডায়াপ্টার পাওয়া যায়।
- ডায়াপ্টারকে সংক্ষেপে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতা ধণাত্মক বা ঋণাত্মক যে কোনোটিই হতে পারে।
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক হয়, তাহলে বুঝতে হবে লেন্সটি উত্তল।
- লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়, তাহলে লেন্সটি হবে অবতল।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪২১.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রেক্ষিতে আলোর কণিকার নাম কী?
  1. Proton
  2. Photon
  3. Quark
  4. Neutron
সঠিক উত্তর:
Photon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Photon
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রেক্ষিতে আলোর কণিকাকে ফোটন (Photon) বলা হয়। ফোটন হল আলোর শক্তি কণিকা, যা আলোর তরঙ্গের সঙ্গে একত্রে বিদ্যমান। এটি কোনো বিশ্রাম ভরহীন কণা এবং আলোর বেগে (প্রায় ৩ লাখ কিমি/সেকেন্ড) চলাচল করে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, আলোর শক্তি নির্দিষ্ট পরিমাণে ছোট ছোট কণিকায় ভাগ হয়, যেগুলিকে ফোটন বলা হয়। ফোটন বিদ্যুতচুম্বকীয় বিকিরণ যেমন আলোক, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে ইত্যাদির মৌলিক কণা। তাই আলোর কণিকার নাম হলো ফোটন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) Photon.

কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে বের হয়ে না, বরং ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয়।
- প্রতি কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান নির্দিষ্ট থাকে। এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ আকারে সংঘটিত হয়।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪২২.
কোনটি ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয়?
  1. নিশাদল
  2. ন্যাপথলিন
  3. ইথানল 
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
ব্যাখ্যা

ইথানল ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয়। 

ঊর্ধ্বপাতন
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
- নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।

অন্যদিকে, ইথানল তরল পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৫,৪২৩.
একটি পেরিস্কোপ তৈরিতে কয়টি সমতল দর্পণ প্রয়োজন? 
  1. ১ টি 
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা দেখতে পাওয়া যায়।
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫,৪২৪.
'হেমাটাইট' কোন খনিজ পদার্থের একটি আকরিক?
  1. আয়রন
  2. সোডিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন
ব্যাখ্যা
• আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪২৫.
এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. প্রশমন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. সংযোজন বিক্রিয়া
  4. জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

প্রশমন বিক্রিয়া:
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
- এই প্রশমন বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়
যেমন- লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়।
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪২৬.
দুধের প্রধান প্রোটিন কোনটি?
  1. লিপিড
  2. ক্যারোটিন
  3. ক্যাজিন
  4. ল্যাক্টোবুমিন
সঠিক উত্তর:
ক্যাজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাজিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন (Protein): 
- দুধে তিন শ্রেণির প্রোটিন থাকে। 
যেমন- ক্যাজিন (casein), ল্যাক্ট এলবুমিন (lact albumin) ও ল্যাক্টো গ্লোবুলিন (lactoglobulin). 
- ল্যাক্ট এলবুমিন ও ল্যাকটোগ্লোবুলিনকে সেরাম বা হোয়ে-প্রোটিন (whey protein or serum) বলে। 
- দুধের মোট প্রোটিন (0.9-4.6%) এর মধ্যে 82% হলো ক্যাজিন এবং 18% হলো হোয়ে-প্রোটিন। 
- ক্যাজিন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান। 
- গ্লুটামিন ও এস্পারাজিন অ্যামাইনো এসিড বাদে অন্য সব অ্যামাইনো এসিড ক্যাজিনে আছে, তাই তরুণ-তরুণীদের দেহ বৃদ্ধির জন্য প্রায় সব অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ দুধের প্রোটিন উৎকৃষ্ট প্রোটিন খাদ্যরূপে বিবেচিত হয়। 
- ক্যাজিন হলো এক প্রকার ফসফোপ্রোটিন। 
- আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে ক্যাজিন ফসফরিক এসিড ও অ্যামাইনো এসিডে বিভক্ত হয়। 
- ক্যাজিন পানিতে অদ্রবণীয়; দুধে এসিড মিশালে ক্যাজিন অধঃক্ষেপরূপে পৃথক হয়ে পড়ে। 
- মায়ের দুধে 0.9% এবং পশুর দুধে 3.2-4.6% প্রোটিন থাকে। 
- আবার দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাজিন চার ধরনের হয়। 
যেমন- αS1 ক্যাজিন, αS2 ক্যাজিন, β ক্যাজিন ও Κ (kappa) ক্যাজিন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৫,৪২৭.
pH স্কেলের সীমা কোনটি? 
  1. 0–7 
  2. 0–10 
  3. 0–14 
  4. 1–14 
সঠিক উত্তর:
0–14 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0–14 
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪২৮.
ড্যানিয়েল সেলে অ্যানোড হিসেবে কোন ধাতুর দন্ড ব্যবহার করা হয়? 
  1. Zn
  2. Fe
  3. Na
  4. Cu
সঠিক উত্তর:
Zn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zn
ব্যাখ্যা

ড্যানিয়েল সেল (Daniel Cell) হলো একটি প্রকারের প্রাথমিক বৈদ্যুতিক ব্যাটারি যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুতের শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 

এতে দুটি ইলেক্ট্রোড থাকে: 
অ্যানোড (Zn): যেখান থেকে ইলেকট্রন নিঃসৃত হয়।
Zn → Zn2++ 2e-

ক্যাথোড (Cu):
যেখান ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
Cu2+ + 2e- → Cu

Zn ইলেকট্রন দানকারী, তাই অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

৫,৪২৯.
কোনটির আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) খাবার লবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে।

কঠিন পদার্থ
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়।
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
কঠিন পদার্থ: ইট, কাঠ, পাথর, খাবার লবণ, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি।
তরল পদার্থ: দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি।
বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ: অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,৪৩০.
সিরামিক চুম্বক ব্যবহৃত হয় কোনটিতে?
  1. ক) জেনারেটরে
  2. খ) মোটরে
  3. গ) টেপরেকর্ডারে
  4. ঘ) বৈদ্যুতিক পাখায়
সঠিক উত্তর:
গ) টেপরেকর্ডারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেপরেকর্ডারে
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বকঃ কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়।
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক
অস্থায়ী চুম্বকঃ চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

স্থায়ী চুম্বকঃ চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৩১.
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে স্পন্দন দিকের সাথে তরঙ্গ প্রবাহের দিকের মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হয়?
  1. ক) 90
  2. খ) 45
  3. গ) 0
  4. ঘ) 30
সঠিক উত্তর:
গ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 0
ব্যাখ্যা
একটি নমনীয় স্প্রিং এর এক প্রান্ত দেয়ালে বেঁধে অন্য প্রান্ত টান করে ধরে যে কোন প্রান্তে মৃদু আঘাত করলে দেখতে পাবেন স্প্রিংটির কিছু কুন্ডলীকৃত অংশ সংকুচিত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তি অংশ প্রসারিত রয়েছে। এবং অতি দ্রুত এ সংকুচিত অংশ সামনে সরে গিয়ে পেছনের কুন্ডলীতে প্রসারিত অংশ সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে সংকোচন-প্রসারণ পর্যায়ক্রমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই আন্দোলন জড় মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না, এটি এক প্রকার তরঙ্গ। এর নাম অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে স্পন্দন দিকের সাথে তরঙ্গ প্রবাহের দিকের মধ্যবর্তী কোণ 0 ডিগ্রি হয়।
৫,৪৩২.
ডুবোজাহাজ হতে পানির উপর কোনো বস্তু দেখার জন্য কোন আলোক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. পেরিস্কোপ 
  2. মাইক্রোস্কোপ
  3. প্রিজম
  4. টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
ব্যাখ্যা
• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।

অন্যদিকে,
- টেলিস্কোপ: দূরবর্তী মহাকাশ পর্যবেক্ষণ। 
- প্রিজম: আলো বিচ্ছুরণ ও প্রতিফলন। 
- মাইক্রোস্কোপ: ক্ষুদ্র জিনিস বড় করে দেখা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৪৩৩.
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফ্যাদম
  2. খ) ইকোগ্রাফ
  3. গ) ওডোমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• গভীর সমুদ্রের তলদেশে প্রতিফলিত শব্দের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা  নির্ণয় করা হয়। এই কাজের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফ্যাদোমিটার বা ইকোগ্রাফ বলে।

• ফ্যাদম: এক ফ্যাদম (Fathom) সমান ৬ ফুট (১.৮৩ মিটার)। যা দীর্ঘকাল পানির গভীরতার নটিক্যাল একক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।  
• ওডোমিটার - মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র।

উৎস: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৫,৪৩৪.
নিচের কোনটি অধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. ক) Mica
  2. খ) Cu
  3. গ) Au
  4. ঘ) Fe
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
ব্যাখ্যা
ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে।
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।

ধাতব খনিজ পদার্থ:
• লোহা (Fe)
• তামা  (Cu)
• সোনা (Au)
• রূপা  (Ag) ইত্যাদি। 

অধাতব খনিজ পদার্থ: 
• কোয়ার্টজ (Quartz)
• মাইকা (Mica)
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৩৫.
চেহারা দেখার জন্য যে দর্পনটি ব্যবহৃত হয় সেটি হলো একটি-
  1. ক) উত্তল দর্পন
  2. খ) অবতল দর্পন
  3. গ) সমতল দর্পন
  4. ঘ) উভোত্তল দর্পন
সঠিক উত্তর:
গ) সমতল দর্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমতল দর্পন
ব্যাখ্যা
সমতল দর্পণ (Plane mirror):
- দর্পণ পৃষ্ঠ যদি সমতল হয় অর্থাৎ কোনো সমতল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলক হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং তাতে আলোক রশ্মির নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তবে তাকে সমতল দর্পণ বলে।
- আমরা চেহারা দেখার জন্য প্রতিদিন যে আয়না ব্যবহার করি, চুল ছাটার সেলুনে, টয়লেটে, ড্রেসিং টেবিলে যে আয়না ব্যবহৃত হয় তা সমতল দর্পণ।

সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. দর্পণ থেকে বস্তু দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে বিম্বের 'দূরত্ব' তত।
২. বস্তু ও বিম্ব সংযোগকারী রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে।
৩. সমতল দর্পণে গঠিত বিম্ব অসদ ও সোজা।
৪. বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়।
৫. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৩৬.
কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা __________ । 
  1. বেশি
  2. সমান
  3. কিছুটা কম
  4. অনেক বেশি কম
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 


- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক বা বেশি। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৩৭.
তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• প্রতিফলন তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয়, বরং এটি আলো বা তরঙ্গের একটি ধর্ম।

• তাপ সঞ্চালন:
- উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহই হলো তাপ সঞ্চালন।

• তাপ সঞ্চালনের (Heat Transfer) তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
→ পরিবহন (Conduction):
- কঠিন পদার্থে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- অণুগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: লোহার রডের এক প্রান্ত গরম করলে অন্য প্রান্তে তাপ পৌঁছায়।

→ পরিচলন (Convection):
- তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- পদার্থের অণুগুলোর চলাচলের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: পানির তাপমাত্রা বাড়লে তা উপরের দিকে উঠে যায়।

→ বিকিরণ (Radiation):
- তাপ শক্তি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (যেমন: ইনফ্রারেড) আকারে স্থানান্তরিত হয়।
- মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না (শূন্যস্থানেও কাজ করে)।
- উদাহরণ: সূর্যের তাপ পৃথিবীতে পৌঁছায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৩৮.
নিচের কোনটি আলাদা?
  1. ক) শব্দ
  2. খ) মাটি
  3. গ) পানি
  4. ঘ) বাতাস
সঠিক উত্তর:
ক) শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শব্দ
ব্যাখ্যা

- যা ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য, যা কিছু স্থান দখল করে, যার ওজন আছে এবং বল প্রয়োগের সাহায্যে যার স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন করা যায়, তাকেই পদার্থ বলে। 
মাটি, পানি, বাতাস এরা সবাই পদার্থ। 
- যা কোনো স্থান দখল করে না, ওজন নেই, বল প্রয়োগের সাহায্যে অবস্থান পরিবর্তন করা যায় না, শুধু উপস্থিতি অনুভব করা যায় তাকে বলা হয় শক্তি। 
শব্দ, আলো, বিদ্যুৎ, তাপ ইত্যাদি হলো শক্তি। 

সূত্র: প্রাথমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, পঞ্চম শ্রেণি

৫,৪৩৯.
পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH কত?
  1. ৩.৫
  2. ৫.৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। 
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৪০.
কোবাল্ট-৬০ আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী কোন রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার: 
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ। 
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে। 
- কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়। 
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী 'গামা রশ্মি' ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৪১.
পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?
  1. বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
  2. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
  3. পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
  4. পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
ব্যাখ্যা
- চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন হয়। 
- চাপ কম হলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, চাপ বেশি হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। 
- এজন্য যারা পর্বতারোহণ করে অনেক উচ্চতায় যায় তাদের রান্না করতে সময় বেশি নেয়৷ 
- বাতাসের চাপ কম বলে সেখানে পানি তুলনামূলকভাবে কম তাপমাত্রায় ফুটতে থাকে, তাই তাপমাত্রা বাড়ানো যায় না, সেজন্য রান্না করতে সময় বেশি লাগে। 
- একই কারণে প্রেশার কুকার তৈরি হয়েছে, এটি আসলে একটি নিশ্ছিদ্র পাত্র, তাই রান্না করার সময় বাষ্প আবদ্ধ হয়ে চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং সে কারণে পানির স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায় বলে বেশি তাপমাত্রায় পানি ফুটতে থাকে। 
- তাপমাত্রা বেশি বলে রান্নাও করা যায় তাড়াতাড়ি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৪২.
কোনটি সুপরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) রাবার
  4. ঘ) সোনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
ব্যাখ্যা

যে বস্তুর মধ্য দিয়ে বিদ্যুত সহজেই প্রবাহিত হতে পারে বা চলাচল করতে পারে, তাকে সুপরিবাহী বলে। যেমন: লোহা, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।
সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান

৫,৪৪৩.
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপ-
  1. ক) বেড়ে যায়
  2. খ) দ্বিগুণ হয়
  3. গ) উৎপন্ন হয়
  4. ঘ) শোষণ হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোষণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোষণ হয়
ব্যাখ্যা
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপের শোষণ এবং তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ায় তাপের উৎপাদন ঘটে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫,৪৪৪.
শুকনা চুনে পানি ঢাললে কোনটি ঘটে?
  1. তাপের শোষণ ঘটে
  2. মিশ্রণের তাপমাত্রা হ্রাস পায়
  3. মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
  4. বিক্রিয়কের অভ্যন্তরীণ শক্তি উৎপাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি থেকে কম হয়
সঠিক উত্তর:
মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• শুকনা চুনে পানি ঢাললে মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

• রাসায়নিক বিক্রিয়া:

- রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এক বা একাধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে রূপান্তরিত হয়।

• তাপের পরিবর্তনের ভিত্তিতে বিক্রিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
- তাপোৎপাদী বিক্রিয়া।
- তাপহারী বিক্রিয়া। 

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়া:
- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে তাপ উৎপন্ন হয়, তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয়। 

• শুকনা চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড, CaO) পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Ca(OH)2] তৈরি করে।
- এই বিক্রিয়াটি অত্যন্ত তাপ উৎপাদী (Exothermic) অর্থাৎ তাপ নির্গত হয়। 
- এই বিক্রিয়ায় 63.95 kJ/mol তাপ উৎপন্ন হয়।
- এর ফলে শুকনা চুনে পানি ঢাললে মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- বিক্রিয়কের অভ্যন্তরীণ শক্তি উৎপাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি থেকে বেশি হয়। 

• বিক্রিয়াটি হলো - CaO + H2O → Ca(OH)2 ​+ 63.95 kJ/mol

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫,৪৪৫.
জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. বেতার তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. গামা রশ্মির তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- তরঙ্গ সৃষ্টির জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়। 
- আর জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। 
- কিন্তু জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়, এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্স রশ্মি, গামা রশ্মি, তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৪৬.
নিচের কোনটি লাফিং গ্যাস?
  1. NO2
  2. N2O
  3. SO2
  4. N2O5
সঠিক উত্তর:
N2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N2O
ব্যাখ্যা
• লাফিং গ্যাস:
- লাফিং গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত N₂O (ডাই নাইট্রোজেন মনোক্সাইড)।
- এটি একটি বর্ণহীন, মিষ্টি স্বাদের গ্যাস।
- শ্বাস নেওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য মেজাজ চঞ্চল বা হাসির অনুভূতি হয় এজন্যই নাম "Laughing Gas"।

উল্লেখ্য,
- হিলিয়াম (He): হালকা গ্যাস হওয়ায় এটি বেলুন এবং এয়ারশিপে ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S): পচা ডিমের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।
- মিথেন (CH4): পচনশীল জৈব পদার্থ, গবাদি পশুর অস্ত্র থেকে নির্গত হয়।
- আরগন (Ar): এটি বৈদ্যুতিক বাতিতে ব্যবহৃত হয়।
- চিপসের প্যাকেটে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।


উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,৪৪৭.
পিতল হলো-
  1. ক) তামা ও টিনের সংকর
  2. খ) তামা ও দস্তার সংকর
  3. গ) নিকেল ও টিনের সংকর
  4. ঘ) টিন ও সীসার সংকর
সঠিক উত্তর:
খ) তামা ও দস্তার সংকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তামা ও দস্তার সংকর
ব্যাখ্যা
• দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে।
• যেমন- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
• পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।
• সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি - রসায়ন বিজ্ঞান বই।
৫,৪৪৮.
সূর্যের পদার্থ সমূহ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) তরল
  2. খ) কঠিন
  3. গ) বায়বীয়
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা
প্লাজমা:

- পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা।
- এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস।
- প্লাজমার বড় উৎস হচ্ছে সূর্য। তাছাড়াও অন্যান্য নক্ষত্রগুলোও প্লাজমার উৎস।
- প্রায় কয়েক হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্লাজমা অবস্থার উৎপত্তি হয়।
- গ্যাসের ন্যায় প্লাজমার কোন নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই।
- প্লাজমা কণাগুেলো তড়িৎ আধান বহন করে বলে প্লাজমা তড়িৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থের এই অবস্থাটি আয়নিত রূপে থাকে।
- অত্যাধিক তাপমাত্রায় (প্রায় ১-২ হাজার ডিগ্রী ) প্লাজমা অবস্থার উদ্ভব ঘটে।
- গবেষণাগারে নিম্নচাপে গ্যাসীয় পদার্থকে উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়।
- গ্যাসীয় পদার্থের মতো প্লাজমার নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নেই।
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায়ও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৪৯.
বিড়ালের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা কত?
  1. ক) 45000 Hz
  2. খ) 20000 Hz
  3. গ) 35000 Hz
  4. ঘ) 64000 Hz
সঠিক উত্তর:
ঘ) 64000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 64000 Hz
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz
বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz
ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz
বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৪৫০.
আধুনিক ট্রানজিস্টর তৈরিতে ব্যবহৃত পদার্থ কোনটি?
  1. সিলিকন
  2. তামা
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা

• আধুনিক ট্রানজিস্টর তৈরিতে প্রধানত সিলিকন (Silicon) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অর্ধপরিবাহী (semiconductor) পদার্থ, যা নির্দিষ্ট অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম।

সিলিকনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি সহজলভ্য এবং সস্তা।
- এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করা যায় ডোপিং (doping) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- উচ্চ তাপমাত্রায় স্থিতিশীল থাকে, যা ইলেকট্রনিক সার্কিটে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।

অন্য বিকল্পগুলোর কারণ:
- তামা (Copper) বিদ্যুৎ পরিবাহী, কিন্তু অর্ধপরিবাহী নয়।
- অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) পরিবাহী ধাতু, ট্রানজিস্টরের সংযোগে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল পদার্থ নয়।
- কার্বন (Carbon) ট্রানজিস্টরে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না, যদিও কার্বন ন্যানোটিউব নিয়ে গবেষণা চলছে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 

৫,৪৫১.
রাস্তায় ব্যাংকিং করা হয় কেন?
  1. ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
  2. খ) কেন্দ্র বিমুখি বল দেয়ার জন্য
  3. গ) গাড়িতে জ্বালানির অপচয় রোধের জন্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
রাস্তার বাঁকে গাড়ি চালনার জন্য কেন্দ্রমুখী বলের প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বল না পেলে গাড়ি গতিজড়তার দরুণ বাকাঁ পথের স্পর্শক বরাবর ছিটকে চলে যেতে পারে।
কেন্দ্রমুখী বল পাবার জন্য গাড়িকে কেন্দ্রের দিকে কাত করানো প্রয়োজন। সাইকেল আরোহীর ক্ষেত্রে যেটি করা সম্ভব। কিন্তু গাড়ি বা ট্রেনের চালকের ক্ষেত্রে এটি অসম্ভব। যার ফলে কেন্দ্রের দিকে কাত করার জন্য গাড়ির গতি পথকেই কেন্দ্রের দিকে হেলানো রেখে তৈরী করা হয়।

কেন্দ্রের দিকে ঢালু করে তৈরী করাকে বলা হয় রাস্তার ব্যাংকিং।
৫,৪৫২.
জেনারেটর ও ট্রান্সফরমার তৈরিতে কোন ধরনের চুম্বক ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. সংকর চুম্বক
  4. সিরামিক চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক এবং 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক আবার দুই ধরনের হয়। যথা- 
১। সংকর চুম্বক ও 
২। সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৫৩.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) Cl
  2. খ) Br
  3. গ) F
  4. ঘ) Xe
সঠিক উত্তর:
ঘ) Xe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Xe
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় মৌল:
- গ্রুপ ১৮ তে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ অবস্থান করে।
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৫৪.
কোন আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. লাল
  2. বেগুনি
  3. নীল
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,৪৫৫.
অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়- 
  1. শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে
  2. চৌম্বক সংকেতের মাধ্যমে
  3. আলোক সংকেতের মাধ্যমে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমানে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৫৬.
তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম কী?
  1. ক) ভোল্টমিটার 
  2. খ) গ্যালভানোমিটার
  3. গ) ম্যাগনেটোমিটার
  4. ঘ) স্পেট্রমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম গ্যালভানোমিটার
গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয় বৈদ্যুতিক প্রবাহ সনাক্তকরণ এবং পরিমাপের জন্য। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৪৫৭.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে আলোকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. বিদ্যুৎ শক্তিতে 
  2. যান্ত্রিক শক্তিতে
  3. তাপ শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তির রূপান্তর: 
• হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়। 
এখানে, আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। 

• ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়। 
এখানে, আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৫৮.
লাফিং গ্যাসের অপর নাম কী?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) ফ্রেয়ন
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) ক্লোরিন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রাস অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রাস অক্সাইড
ব্যাখ্যা
লাফিং গ্যাসের অপর নাম নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)। 
কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন (CCl3NO2)
 
Nitrous oxide (N2O), also called dinitrogen monoxide, laughing gas, or nitrous, one of several oxides of nitrogen, a colourless gas with pleasant, sweetish odour and taste, which when inhaled produces insensibility to pain preceded by mild hysteria, sometimes laughter. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৪৫৯.
সমুদ্র সমতলে g -এর আদর্শ মান কোনটি?
  1. ক) 40° অক্ষাংশে 0.980656 ms-2
  2. খ) 45° অক্ষাংশে 98.0656 ms-2
  3. গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
  4. ঘ) 45° অক্ষাংশে 9.18 ms-2
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
ব্যাখ্যা
মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ, (g): 
- উপর থেকে একটি ধাতব মুদ্রা এবং একটি পাখির পালক এক সঙ্গে ছেড়ে দেয়া হলে অভিকর্ষের প্রভাবে অর্থাৎ পৃথিবীর আকর্ষণে দুটি বস্তুই মাটিতে পড়বে। 
- হয়তো দেখা যাবে ধাতব মুদ্রাটি আগে পড়বে, আর হালকা পাখির পালকটি আঁকাবাঁকা পথে ভাসতে ভাসতে একটু দেরিতে মাটিতে পৌঁছাবে। 

- কিন্তু উপরের চিত্রে দেখানে হয়েছে একটি বায়ু শূন্য নলের মধ্যে এক সাথে ছেড়ে দেয়া মুদ্রা এবং পালক এক সাথেই মাটিতে বা নলের তল দেশে পড়ছে। 
- এদের উপর বাতাসের কোন বাঁধা বা প্রভাব নেই; কাজ করছে কেবল পৃথিবীর আকর্ষণ বল। 
- এই বলের প্রভাবে বস্তু দুটির নিম্নমুখী ত্বরণ হচ্ছে। 
- বস্তু দুটি যখন ছেড়ে দেয়া হয় এদের ওপর কোন বল প্রয়োগ করা হয় নাই, তখন এদের বেগ ছিল শূন্য। 
- যতই নিচে পড়ছে এদের বেগ বাড়ছে। এর কারণ পৃথিবীর আকর্ষণ জনিত ত্বরণ। 
- একে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা অভিকর্ষজ ত্বরণ। 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি সব বস্তুর উপর এই ত্বরণের মান সমান। 
- g দিয়ে এই ত্বরণকে প্রকাশ করা হয়। 
- এর মান পৃথিবী পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে সামান্য তারতম্য হয়, কারণ পৃথিবীর সর্বত্র আকর্ষণ বল সমান নয়। 
- এই মানের পরিবতর্ন 1% থেকেও কম। 
- মোটামুটিভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠে তথা ভূ-পৃষ্ঠে g-এর মান প্রায় 10 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপরে ওঠা যায় g-এর মান ততই কমতে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর আদর্শ মান হচ্ছে 9.80656 ms-2. 
- হিসেবের সুবিধার জন্য আদর্শ মান ধরা হয় 9.81 ms -2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৬০.
গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. সালফিউরিক অ্যাসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
  3. নাইট্রিক অ্যাসিড
  4. ফসফরিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

অম্ল বা অ্যাসিড: 
- আরহেনিয়াস মতবাদ অনুসারে, হাইড্রোজেন পরমানু যুক্ত যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) দান করে তাকে অম্ল বা এসিড বলে। যেমন- HCl, H2SO4, HNO3 ইত্যাদি অম্ল।
- লুইস মতবাদ অনুসারে, যে সকল যৌগ বা আয়ন অন্য কোন যৌগ বা আয়ন থেকে এক জোড়া ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে তাকে অম্ল বা এসিড বলে। যেমন: H+, AICI3, ইত্যাদি।
- HCl, H2SO4, HNO3, H3PO4 ইত্যাদি বিভিন্ন শক্তিশালী এসিডের উদাহরণ। 

বিভিন্ন শক্তিশালী এসিডের ব্যবহার: 
- সার কারখানায় নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3), সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄), ফসফরিক অ্যাসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের সার প্রস্তুত করা হয়।
- টয়লেট পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত পরিষ্কারকের মূল উপাদানহলো হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCI), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) বা সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) এর মত শক্তিশালী অ্যাসিড।
- বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄)।

তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৪৬১.
এক্স রে মূলত-
  1. ধনাত্মক আধান যুক্ত
  2. ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  3. আধান নিরপেক্ষ
  4. বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের দিকে বিচ্যুত হয়
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে আদান নিরপেক্ষ বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,৪৬২.
কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ৬টি। এর পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পরমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে।
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে।
- যেমন, কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 6 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা হল 6 টি।
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬। 

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৬৩.
একটি মহাকাশযান পৃথিবীর সাপেক্ষে 0.8c বেগে চলছে। একটি আলোকরশ্মি একই দিকে c বেগে চললে, মহাকাশযানের সাপেক্ষে আলোর বেগ কত হবে?
  1.  0.2c
  2. 0.8c
  3.  c
  4. 1.8c
সঠিক উত্তর:
 c
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 c
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Special Theory of Relativity):
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Special Theory of Relativity) অনুসারে,আলোর বেগ (c) সকল পর্যবেক্ষকের জন্য ধ্রুবক।
- যে কোনো রেফারেন্স ফ্রেম থেকেই সেটি পরিমাপ করা হোক না কেন, এর মান সর্বদা c = 3 × 108 m/s
- নিউটনীয়ভাবে মনে হতে পারে, চলমান মহাকাশযান থেকে আলোর বেগ 1.8c বা বেশি হবে। কিন্তু আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী, আলোর বেগ কখনো c-এর বেশি হয় না।

- অতএব, মহাকাশযানের সাপেক্ষেও আলোর বেগ থাকবে c.

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

৫,৪৬৪.
নিচের কোন পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. রূপা 
  2. তামা 
  3. কাচ 
  4. সিলিকন 
সঠিক উত্তর:
কাচ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচ 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৬৫.
কোনটি ধাতু নয়? 
  1. ক) ক্যালসিয়াম 
  2. খ) তামা 
  3. গ) পারদ 
  4. ঘ) হীরা 
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা 
ব্যাখ্যা
হীরা মূলত কার্বনের একটি রুপভেদ।
কার্বন একটি অধাতু। তাই হীরাও অধাতু।

গ্রাফাইট কার্বনের আরেকটি রুপভেদ।
৫,৪৬৬.
একটি ফসিল কতবছরের পুরনো এটি কিসের সাহায্যে নির্ণয় করা যায়?
  1. আইসোথার্ম
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোবার
  4. আইসোইয়ার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

অনেক সময় দেখা যায় যে বিজ্ঞানীরা বলেন অমুক ফসিলটি এত বছরের পুরনো। এই কাজটি বিজ্ঞানীরা করে থাকেন আইসোটোপের ক্ষয় নির্ণয়ের মাধ্যমে।
কোনো ফসিলে স্থায়ী ও অস্থায়ী আইসোটোপের অনুপাত থেকে বোঝা যায় ফসিলটি কত বছরের পুরনো।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

৫,৪৬৭.
রিমোট কন্ট্রোলের সংকেত পরিবহনে কোন রশ্মি ব্যবহার হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. এক্স-রে
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা

◉ রিমোট কন্ট্রোল (যেমন: টিভি, এসি, ডিভিডি প্লেয়ার) সংকেত পাঠানোর জন্য ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে।

​অবলোহিত রশ্মি:
- উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে Infrared Ray আবিষ্কার করেন।
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি।
- বর্ণালির 10-6m থেকে 10-3m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের।
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ।
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত রশ্মি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৬৮.
বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) নাইক্রোম
  3. গ) স্টেনিয়াম
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
খ) নাইক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইক্রোম
ব্যাখ্যা
- নাইক্রোমের তার সহজেই গরম হয়ে যায় বলে একে বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রি সহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে ব্যাবহার করা হয়।
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গােল চাকতি থাকে। চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুন্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে।
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে।
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়।
(উৎসঃ  মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই)
৫,৪৬৯.
পানিতে ঢিল ফেললে নিচের কোন তরঙ্গের সৃষ্টি হয়?
  1. অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. স্থির তরঙ্গ
  3. দীঘল তরঙ্গ
  4. অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অগ্রগামী তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রগামী তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
অগ্রগামী তরঙ্গ 
যখন কোনো মাধ্যমের  ভিতর আন্দোলন এক স্তর থেকে অন্য স্তরে তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হতে হতে নির্দিষ্ট বেগে কেবল সামনের দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে অগ্রগামী তরঙ্গ বলে।
 
- পুকুরের পানিতে ঢিল ছোঁড়া হলে ঢেউ পানির মধ্য দিয়ে ক্রমাগত অগ্রসর হতে থাকে। এটি অগ্রগামী তরঙ্গের উদাহরণ।

স্থির তরঙ্গ 
একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব  হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে । 

অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ 
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয় সেটাই দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- বায়ু মাধ্যমে প্রবাহিত শব্দ তরঙ্গ দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের একটি উদাহরণ।


উৎস: পদার্থ  বিজ্ঞান, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৭০.
রঙিন টেলিভিশনে কোন মৌলিক রংগুলো থাকে? 
  1. বেগুনী, নীল ও সবুজ
  2. লাল, নীল ও সবুজ
  3. লাল, নীল ও হলুদ
  4. সবুজ, হলুদ ও লাল
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যা
- রঙিন টেলিভিশনে লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রং থাকে। 

টেলিভিশন: 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং-এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 
- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। 
- এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। 
- এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। 
- এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত। 
- এছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৭১.
শরীরের বিভিন্ন অংশের ইমেজিং করার জন্য কোন যন্ত্র শক্তিশালী রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আলট্রাসনোগ্রাফি
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
ব্যাখ্যা
এমআরআই: 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। 
- পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৭২.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য
  2. তরল
  3. কঠিন
  4. বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- তরল পদার্থে শব্দের বেগ কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উল্লেখ্য,
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৭৩.
ঘর্ষণ বলের দিক কেমন হয়?
  1. গতির দিকে
  2. গতির বিপরীতে
  3. লম্বভাবে
  4. কোন দিক থাকে না
সঠিক উত্তর:
গতির বিপরীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতির বিপরীতে
ব্যাখ্যা
• ঘর্ষণ বল: 
- যখন কোনো বস্তু অন্য বস্তুর উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে বা চলতে থাকে তখন বস্তুদ্বয়ের স্পর্শতলে এ গতির বিরুদ্ধে যে বাধাদানকারী বল সৃষ্টি হয়, তাই ঘর্ষণ বল।

• ঘর্ষণ বল সব সময়ই প্রয়োগ করা বলের বিপরীত দিকে কাজ করে অর্থাৎ গতির বিপরীতে কাজ করে।
- সেজন্য স্বাভাবিকভাবেই ঘর্ষণ বল গতিকে কমিয়ে দেয়। 

• ঘর্ষণের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। ঘর্ষণ যেমন উপকারী তেমনি অপকারী ও ।
- এই কারনে ঘর্ষণকে বলা হয় প্রয়োজনীয় উপদ্রব।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৫,৪৭৪.
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বেশি সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য কী ব্যাবহৃত হয়?
  1. ক) ভিনেগার
  2. খ) প্রিজারভেটিভস
  3. গ) সোডা
  4. ঘ) ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রিজারভেটিভস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রিজারভেটিভস
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিশেষ করে ফলের জুস, সস, কেক, বিস্কুট প্রভৃতিতে বেশি সময় ধিরে সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিভস দেওয়া হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫,৪৭৫.
কোন পদার্থের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. পরিবাহী পদার্থ 
  2. অপরিবাহী পদার্থ
  3. অর্ধপরিবাহী পদার্থ 
  4. সুপরিবাহী পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
অপরিবাহী পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিবাহী পদার্থ
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৭৬.
নিচের কোন মৌলটি যৌগ গঠন করে না?
  1. ক) H
  2. খ) N
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Kr
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kr
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৭৭.
'ডুরালমিন' সংকর ধাতুর মধ্যে কোন উপাদান সর্বোচ্চ পরিমাণে থাকে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. কপার
  3. ম্যাঙ্গানিজ
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'ডুরালমিন' সংকর ধাতুর মধ্যে 'অ্যালুমিনিয়াম' উপাদান সর্বোচ্চ পরিমাণে থাকে যা শতকরা ৯৫ ভাগ। 

সংকর ধাতু: 

- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
যেমন - পিতলের মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং জিংক 35% থাকে। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
যেমন- 
• স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
• আবার, পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 
 
 
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৭৮.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কোনটি?
  1. 2100 Jkg-1K-1
  2. 1400 Jkg-1K-1
  3. 2000 Jkg-1K-1
  4. 4200 Jkg-1K-1
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা
- বরফের আপেক্ষিক তাপ হচ্ছে- 2100 Jkg-1K-1  । 

আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat): 

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
যেমন- 0.5 kg পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে 5 kg পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1 kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
- তাই 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1 kg সীসার তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন। 
- নিচে কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৭৯.
শক্তির কোন উৎসটি পরিবেশের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর?
  1. ক) ফসিল ফুয়েল
  2. খ) জিওথার্মাল
  3. গ) বায়োগ্যাস
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলাে পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয় তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যেটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস।
অর্থাৎ এই গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৫,৪৮০.
গোধূলির কারণ কি?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিক্ষেপণ
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
আলোর বিক্ষেপণ:
- গোধূলির প্রধান কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ।
- আলো কোন মাধ্যমে যাওয়ার পথে মাধ্যমের কণাগুলোর সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা, পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী, নীল, আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে।
- আলোর বিক্ষেপণ এর ফলেই আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের খানিকটা অংশ গাড় লাল দেখায়।

অন্যদিকে -
• আলোর প্রতিফলন:
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশকালে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে যদি পূর্বের মাধ্যমেই ফিরে আসে তবে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে দিক পরিবর্তন করে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৪৮১.
কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে-
  1. সালফার
  2. কার্বন
  3. আর্গন
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক জ্বালানির উৎস:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক জ্বালানির মধ্যে অন্যতম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং পেট্রোলিয়াম। 
- এছাড়া রান্নার কাজে ব্যবহৃত কাঠের খড়ি, গাছের পাতা, পাটকাঠি, ধানের গুঁড়া এবং খড় বা গোবর দিয়ে তৈরি লাকড়ি, এগুলোকেও প্রাকৃতিক জ্বালানি হিসেবে গণ্য করা যায়।
 
• কয়লা:
কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (02) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে।
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তী সময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।
- কয়লা তিন রকমের হয়। যেমন: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৪৮২.
লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) উৎপন্ন হয়:
  1. কক্ষ তাপমাত্রায় চাপ বাড়িয়ে
  2. প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
  3. প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে মিশিয়ে
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
ব্যাখ্যা

• লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা এলএনজি উৎপন্ন হয় প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করার মাধ্যমে, যা (খ) অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করা হলে তা তরল অবস্থায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্যাসের আয়তন প্রায় ৬০০ গুণ কমে যায়, ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেক সহজ হয়। কক্ষ তাপমাত্রায় শুধু চাপ বাড়িয়ে এলএনজি তৈরি করা যায় না। একইভাবে পানির সাথে মেশানো বা গ্যাস জ্বালিয়ে এলএনজি উৎপন্ন করা অসম্ভব। তাই সঠিক উত্তর হলো অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা।
 
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৩.
অ্যাটমের ভরসংখ্যা বলতে কী বোঝায়?
  1. প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
  2. ইলেকট্রনের সংখ্যা
  3. নিউট্রনের সংখ্যা
  4. প্রোটনের সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের অবস্থান। 
- কোনো একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যত সংখ্যক প্রোটন থাকে, প্রোটনের সেই সর্বমোট সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে। 
- একে 'Z' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- 1913 খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী মোসলে সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। 
- অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা, Z = 8. সুতরাং অক্সিজেন নিউক্লিয়াসে 8 টি প্রোটন আছে। 

পারমাণবিক ভর সংখ্যা: 
- পারমাণবিক ভর সংখ্যা বলতে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নিউট্রন এবং প্রোটনের সমষ্টির সংখ্যাকে বোঝানো হয়। 
- একে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলে। 
- সুতরাং, পারমাণবিক ভর সংখ্যা = (প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা)। 
- যেমন- কার্বনের পারমাণবিক ভর সংখ্যা 12 বলতে বোঝায় কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 6 টি প্রোটন এবং 6 টি নিউট্রন আছে। 
- পারমাণবিক ভর সংখ্যাকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, A = (P + n)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৪.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ-
  1. বাড়ে
  2. কমে
  3. স্থির থাকে
  4. শূন্য হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বাড়ে-
১. শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মকালে শব্দের বেগ বেশি
২. রাতের বেলার চেয়ে দিনের বেলায় শব্দের বেগ বেশি
বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে গেলে বাতাসের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়-
১. এক পশলা বৃষ্টির পর বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে যায়, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়। এই কারণে বর্ষাকালে জোরে শব্দ শোনা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৪৮৫.
H+ সংকেত দ্বারা পরমাণুর কোন কণিকা বুঝায়?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. নিউট্রিনো
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 

প্রোটন (Proton): 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- ইহার সংকেত H+ .
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P.
- প্রোটনের আসল ভর 1.67×10-24 g ও আধান 1.60× 10-19 C. 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1.
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৮৬.
দিক নির্ণায়ক কম্পাসে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্থায়ী চুম্বক
  2. খ) বৈদ্যুতিক চুম্বক
  3. গ) অস্থায়ী চুম্বক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা

যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহারঃ
চৌম্বক কম্পাস বা দিকদর্শন যন্ত্র: সমুদ্রে জাহাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য চৌম্বক কম্পাস বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি নৌবাহবিজ্ঞানের (Navigation) অন্তর্ভূক্ত একটি যন্ত্র।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,৪৮৭.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে কোন তত্তের মধ্য দিয়ে?
  1. আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব
  3. প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. ব্ল্যাকহোল তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্তের মাধ্যমে।

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। যা পদার্থের শক্তি এবং রশ্মির কোয়ান্টাইজেশনের ধারণা নিয়ে আসে। 
- এটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়।
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।

উৎস:
১.পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,
২. ব্রিটানিকা।

৫,৪৮৮.
তেজস্ক্রিয়তা প্রথম আবিষ্কার করেন কে? 
  1. মার্কো পলো 
  2. হেনরী বেকেরেল 
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন 
  4. আইজ্যাক নিউটন 
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়। 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ)নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৮৯.
কয়লা কোন ধরনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. হাইড্রোজেন জ্বালানি
  2. তেজস্ক্রিয় জ্বালানি
  3. পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি
  4. জীবাশ্ম জ্বালানি
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানি
ব্যাখ্যা

কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (O2) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)।
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তীসময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।

- কয়লা কয়েক রকমের হয়ে থাকে। 
যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো আর এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৯০.
ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
  2. বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  3. পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
  4. পাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহের স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বায়ুর আর্দ্রতার উপর নির্ভর করে। 
- হাঁটা-চলা, কাজে কর্মে বা পরিশ্রান্ত হলে বা শরীরের ভেতরের গরমের কারণে দেহে ঘামের সৃষ্টি হয়। 
- ঘাম মূলত শরীরের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা জলকণা। 
- দেহের সংস্পর্শে আসা বাতাস ও দেহ থেকে সুপ্ত তাপ গ্রহণ করে এই জলকণা বাষ্পায়িত হয় ফলে আমাদের দেহ বা শরীর ঠান্ডা বা শীতলতা অনুভব করে ফলে আমরা আরাম বা স্বচ্ছন্দ বোধ করি। 
- কিন্তু গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় বাষ্পায়ন খুব কম হয় বা হয় না বললেই চলে ফলে দেহের ঘাম শুকায় না এবং দেহে অস্বস্তি বোধ হয় বা আমরা স্বচ্ছন্দ বোধ করি না। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৪৯১.
​পরমাণুর কেন্দ্রে কোন কণিকাগুলো অবস্থান করে? 
  1. ইলেকট্রন ও প্রোটন 
  2. প্রোটন ও নিউট্রন 
  3. ইলেকট্রন ও নিউট্রন 
  4. প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
​- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলা হয়। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৯২.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে ব্যবহৃত ধাতব বা গ্রাফাইট দণ্ডকে কী বলা হয়? 
  1. রেজিস্টার 
  2. ইলেকট্রন 
  3. ইলেকট্রোড 
  4. ক্যাপাসিটর 
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোড 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ (Electrochemical cell): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে রাসায়নিক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে অথবা বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হয় তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে একই বা দুইটি ভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের দ্রবণে দুইটি ধাতব দণ্ড বা একটি ধাতব দণ্ড ও একটি গ্রাফাইট দণ্ড আংশিক ডুবানো থাকে। 
- অতঃপর দণ্ড দুটিকে একটি ধাতব তার দিয়ে সরাসরি বা ব্যাটারির মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয়। 
- কোষে ব্যবহৃত ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দণ্ডকে তড়িৎদ্বার বা ইলেকট্রোড (Electrode) বলা হয়। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ দুই প্রকার। 
যথা- 
১। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ (Electrolytic Cell): 
- যে কোষে বাইরের কোনো উৎস থেকে তড়িৎ প্রবাহিত করে কোষের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো যায় সেই কোষকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলে। 

২। গ্যালভানিক কোষ (Gavlanic Cell): 
- যে কোষে রাসায়নিক পদার্থসমূহ বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে সেই কোষকে গ্যালভানিক কোষ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৪৯৩.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো -
  1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
  2. লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ
  3. লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
  4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
ব্যাখ্যা
- শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো: লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ-লাল।
- ট্রাফিক সিগন্যালে লাল মানে থামতে হবে।
- হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে নিতে হবে যাত্রার প্রস্তুতি। অর্থাৎ আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পরই যাত্রা শুরু নির্দেশক হলুদ আলো।
- আর সবুজ বাতি জ্বলে উঠলেই এগিয়ে যেতে হবে।
- চলন্ত অবস্থায় হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে গতি কমিয়ে থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।
- লালবাতি জ্বলে উঠলে থামতে হবে।

উৎস: সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
৫,৪৯৪.
নিচের কোনটি নোবেল গ্যাস?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নিয়ন 
  3. অক্সিজেন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
নিয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন 
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণির ১৮ নম্বর গ্রুপের মৌলগুলোকে নোবেল গ্যাস বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। নিয়ন (Ne) হলো একটি নোবেল গ্যাস।
- এই গ্যাসগুলো রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় কারণ এদের ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত স্থিতিশীল।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এ গ্রুপের মৌল গুলো হলো—
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

- এগুলোর মধ্যে প্রথম ৬টি প্রকৃতিতে প্রাপ্ত।
- ওগানেসন (Og) পরীক্ষাগারে তৈরি এবং তেজস্ক্রিয়।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

৫,৪৯৫.
মিথেন গ্যাসকে অক্সিজেনের সংস্পর্শে পোড়ালে নিচের কোন গ্যাসটি উৎপন্ন হয়?
  1. সালফার ডাই অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই।
৫,৪৯৬.
ইলেকট্রনের আধানের ধর্ম কী?
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. নিরপেক্ষ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
ব্যাখ্যা
• সকল পদার্থের পরমাণু হাইড্রোজেন ছাড়া তিনটি কণা দিয়ে তৈরি।
- সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundmental) বা মৌলিক কণা বলে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে।

• ইলেকট্রন:
- ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মৌলিক কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক (নেগেটিভ)।
- এ আধানের পরিমাণ - 1.6 × 10- 19 কুলম্ব। একে e প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একটি ইলেকট্রনের ভর 9.11 × 10- 28 g।
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1 ধরা হয় এবং এর ভর প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের তুলনায় 1840 গুণ কম। তাই এর আপেক্ষিক ভরকে শূন্য ধরা হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৫,৪৯৭.
একটি দ্রবণের pH মান কিসের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম?
  1. জলীয় অণু (H2O)
  2. হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
  3. হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH-)
  4. ক্লোরাইড আয়ন (Cl-)
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
ব্যাখ্যা

একটি দ্রবণের pH মান হলো হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম।

pH স্কেল:
-কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রার ঋনাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের PH বলে। অর্থাৎ, pH = -log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে।
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৪৯৮.
কোন ধরনের যৌগ টলেন বিকারকের উপস্থিতিতে চিহ্নিত হয়? 
  1. অ্যালডিহাইড
  2. কার্বোক্সিলিক এসিড
  3. কিটোন
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
অ্যালডিহাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালডিহাইড
ব্যাখ্যা

• টলেন বিকারক হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ যা বিশেষ করে কার্বনিল সমৃদ্ধ যৌগগুলোর উপস্থিতি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত একটি জার্নিক নীল আয়রন (Tollens’ reagent) যা অয়ন আকারে থাকে। টলেন বিকারক অ্যালডিহাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তাত্ক্ষণিকভাবে একটি ধাতব রূপে চাদরের মতো চকমকান সিলভার (silver mirror) সৃষ্টি করে। এই প্রতিক্রিয়াটি হয় অ্যালডিহাইডের অক্সিকরণ এবং সিলভার আয়নের হ্রাস দ্বারা। তবে কার্বোক্সিলিক অ্যাসিড, কিটোন বা অ্যালকোহল সাধারণভাবে টলেন বিকারকের সঙ্গে এই ধরণের ধাতব চাদর উৎপন্ন করতে পারে না। সুতরাং, টলেন বিকারক বিশেষভাবে অ্যালডিহাইড চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।

টলেন বিকারক:
- অতিরিক্ত NH4OH দ্রবণে AgNO3 যোগ করলে যে বর্ণহীন দ্রবণ উৎপন্ন হয় তাকে টলেন বিকারক বলা হয়। এতে [Ag(NH3)2]+ আয়ন থাকে। এটি একটি মৃদু জারক।
AgNO3 + NH4OH→ [Ag(NH3)2]OH + NH4NO3 + H2O

টলেন বিকারকসহ অ্যালডিহাইডকে একটি কাঁচের টেস্টটিউবে উত্তপ্ত করলে টেস্টটিউবের গায়ে কাঁচের মত ধাতব সিলভারের প্রলেপ পড়ে দর্পণের মত দেখায়। ইহাকে সিলভার দর্পন বলে। কিটোন এ বিক্রিয়া প্রদর্শন করে না। এ বিক্রিয়াটি তাই অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণের বিক্রিয়া।
CH3CHO (অ্যালডিহাইড) + 2[Ag(NH3)2] OH→ H3C-COONH4 + 2Ag↓ + 3NH3↑ + H2O

এছাড়াও, অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণে ফেহলিং দ্রবণ ব্যাবহার করা হয়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- অ্যালকোহল - অ্যাসিটাইল ক্লোরাইড পরীক্ষা অথবা লুকাস বিকারক দ্বারা অ্যালকোহল শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়। 
-  কিটোন - আইডোফর্ম টেস্ট অথবা 2,4-ডাইনাইট্রোফিনাইলহাইড্রাজিন (2,4-DNPH) টেস্ট দ্বারা কিটোন শনাক্ত করা হয়। 
- কার্বোক্সিলিক এসিড - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট টেস্ট দ্বারা শনাক্ত করা হয়। 

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৪৯৯.
তাপমাত্রার এস আই একক কোনটি?
  1. ক) সেলসিয়াস
  2. খ) রোমার
  3. গ) কেলভিন
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
ব্যাখ্যা
সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস, কেলভিন, রোমার, ফারেনহাইট ইত্যাদি তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন একক হলেও তাপমাত্রার এস আই একক হল কেলভিন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৫০০.
একটি Transistor এ Input voltage 10v ও Collector current 2mA হলে Input impedance কত?
  1. 20kΩ
  2. 0.2kΩ
  3. 10kΩ
  4. 5kΩ
সঠিক উত্তর:
5kΩ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5kΩ
ব্যাখ্যা
Input impedance = 10/(2 × 10- 3)
= 5 × 1000
= 5kΩ