বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪৭ / ৬৪ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ৬,৪০৯

৪,৬০১.
কোন বৈদ্যুতিক যন্ত্রে গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যামিটার
  2. ভোল্ট মিটার
  3. ক ও খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা হয় তাকে গ্যালভানোমিটার বলে।
অ্যামিটার ও ভোল্টমিটার উভয় যন্ত্রে গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী
৪,৬০২.
কোন পদার্থের দৃঢ়তা কম?
  1. ক) বরফ
  2. খ) লোহা
  3. গ) পানি
  4. ঘ) ইট
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
ব্যাখ্যা
অবস্থাভেদে পদার্থ তিন প্রকার হয়৷ যথা- কঠিন, তরল ও বায়বীয়৷
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন ও দৃঢ়তা আছে৷ যেমন- লোহা, বরফ, ইট ইত্যাদি৷
তরল পদার্থে নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার এবং দৃঢ়তা নেই৷ যেমনঃ পানি, তেল ইত্যাদি৷
গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার, আয়তন এবং দৃঢ়তা কোনোটিই নেই। যেমনঃ অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
৪,৬০৩.
১ মেগাওয়াট কত ওয়াটের সমান? 
  1. ১০ ওয়াট 
  2. ১০ ওয়াট
  3. ১০ ওয়াট
  4. ১০ ওয়াট 
সঠিক উত্তর:
১০ ওয়াট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ওয়াট 
ব্যাখ্যা

কিলোওয়াট: 
- কোনো রোধ বা তড়িৎ যন্ত্রের দুই পাশের বিভব পার্থক্য এক ভোল্ট হলে যদি এর মধ্য দিয়ে এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহিত হয়, তবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা এক ওয়াট। 
• এক ওয়াট = ১ ভোল্ট × ১ অ্যাম্পিয়ার 
- যখন অনেক বেশি তড়িৎ ক্ষমতা ব্যবহৃত হয় তখন সেটাকে কিলোওয়াট বা মেগাওয়াটে প্রকাশ করা সুবিধাজনক।
• ১ কিলোওয়াট = ১০০০ ওয়াট বা ১০ওয়াট এবং 
১ মেগা ওয়াট = ১০ ওয়াট। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন- বাতি জ্বললে আলোক শক্তি বা পাখা ঘোরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
• ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ ঘণ্টা 
- অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষপে ইউনিট বলে। 
- বিদ্যুৎ বিল কিলোওয়াট-ঘণ্টা এককেই হিসাব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬০৪.
রেফ্রিজারেটরে কম্প্রেসারের কাজ কী?
  1. ফ্রেয়নকে ঠাণ্ডা করা
  2. ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
  3. ফ্রেয়নকে বাষ্পীভূত করা
  4. ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
ব্যাখ্যা
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে। 
- এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরােডাইফ্লোরাে মিথেন।
- কম্প্রেসরের কাজ হলো বায়ু বা বায়বীয় পদার্থের অণুসমূহ সংকোচনের মাধ্যমে চাপ বৃদ্ধি করা।
- কমপ্রেসর ফ্রেয়ন গ্যাসকে সংকুচিত করে উচ্চচাপে পরিণত করে এবং এর ফলে এর তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এরপর এই গরম গ্যাস কনডেনসারে প্রবেশ করে, যেখানে এটি ঠান্ডা হয়ে তরলে পরিণত হয় এবং রেফ্রিজারেশনের পুরো চক্র সম্পন্ন হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৫.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত মিলিমিটার?
  1. ক) ৭২
  2. খ) ৭৬
  3. গ) ৭৬০
  4. ঘ) ৭২০
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৬০
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান।

(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪,৬০৬.
আইসি (IC) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internal Circuit
  2. Integrated Current
  3. Inductive Capacitor
  4. Integrated Circuit
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
ব্যাখ্যা
• IC এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Circuit।
- এটি হলো একটি অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ যা একটি অর্ধপরিবাহী (সাধারণত সিলিকন) চিপের মধ্যে বহু ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত থাকে।

• IC-এর ব্যবহার:
- কম্পিউটার প্রসেসর,
- মোবাইল ফোন, 
- ক্যালকুলেটর, 
- রেডিও, টিভি, 
- গাড়ির ইলেকট্রনিক সিস্টেম। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৪,৬০৭.
সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. রেডন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।
৪,৬০৮.
আলোর বর্ণালীতে কয়টি বর্ণ থাকে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
• আলোর বর্ণালীতে ৭ টি বর্ণ থাকে।

• বর্ণালী:
- সূর্য থেকে আগত আলোকরশ্মি একটি কাচের প্রিজমের উপর আপতিত হলে প্রিজমের অপর পার্শ্বে রাখা একটি সাদা পর্দায় বিভিন্ন বর্ণ বিশিষ্ট সাতটি বর্ণের আলোর একটি স্তর দেখা যায় )। এই স্তরকে বর্ণালী (Spectrum) বলা হয়।

• বর্ণালী তে মোট ৭ টি বর্ণ থাকে।
• এই স্তরের সবচেয়ে উপরের বর্ণ লাল (Red) এবং সবচেয়ে নিচের বর্ণ বেগুনী (Violet)।
- এই দুই বর্ণের মধ্যবর্তী অংশে যথাক্রমে কমলা (Orange), হলুদ (Yellow), সবুজ (Green), আকাশী (Blue) এবং নীল (Indigo) বর্ণ থাকে।
- মনে রাখার সুবিধার জন্য বেগুনী বর্ণ থেকে শুরু করে ৭ টি বর্ণের প্রথম অক্ষরকে সাজানো হয় "বেনীআসহকলা" বা "VIBGYOR"।

• বহুবর্ণী বা মিশ্র আলোর বিভিন্ন বলে বিভাজিত হওয়ার ঘটনাকে আলোর বিচ্ছুরণ (Dispersion) বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৯.
ডেভিলস ব্রেথ কী? 
  1. এক ধরনের ড্রাগ
  2. এক ধরনের বিষ
  3. এক ধরনের কীটনাশক
  4. এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ড্রাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের ড্রাগ
ব্যাখ্যা
শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ: 
- ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা স্কোপোলামিন এক ধরনের ড্রাগ, যা ধুতরা ফুল থেকে তৈরি করা হয়।  
- এটি মানুষকে সম্মোহিত বা বশ করে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
- স্কোপোলামিন তরল ও পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায় এবং শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে দ্রুত কাজ করে।
- অপরাধীরা এটি ব্যবহার করে ব্যক্তির মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়।
- এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, অস্থিরতা, এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।
- নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সতর্ক থাকা জরুরি।
- প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিংক]
৪,৬১০.
উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) অভিস্রবণ
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) ইমবাইবিশন
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বদন বলা হয়। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়। এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়। 
- এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি 'Necessary evil'।  
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। কারণ প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত করে
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৪,৬১১.
এক ন্যানো সমান-
  1. ক) ১০-৬
  2. খ) ১০-৯
  3. গ) ১০-১২
  4. ঘ) ১০-১৫
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০-৯
ব্যাখ্যা
এক ন্যানো সমান ১০-৯; এক মাইক্রো সমান ১০-৬; এক পিকো সমান ১০-১২ এবং এক ফেমটো সমান ১০-১৫। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬১২.
গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশ করতে STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা কত ধরা হয়?
  1. - 298° C
  2. 0° C
  3. 25° C
  4. 298 K
সঠিক উত্তর:
0° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে। 
যেমন- 
(১) STP পদ্ধতি: 
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure. 
- STP পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol-1

(২) SATP পদ্ধতি: 
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure. 
- এ পদ্ধতিতে তাপমাত্রা 25°C বা 298K ও চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, Vmθ = 24.789 Lmol-1

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৪,৬১৩.
রেডক্স বিক্রিয়ায় মৌলের কোন বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়? 
  1. পরমাণুর ভর 
  2. ইলেকট্রনের আকার 
  3. পরমাণুর সংখ্যা 
  4. জারণ সংখ্যা 
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

রেডক্স বিক্রিয়া: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত। 
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ। 
- বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে। 
- সকল জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 
- ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- সংযোজন বিক্রিয়া, বিয়োজন বিক্রিয়া, প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি। 

নন-রেডক্স বিক্রিয়া: 
- নন-রেডক্স বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে বিক্রিয়ার সময় মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না। 
- এক বা একাধিক বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার সময় বিক্রিয়ক অণুতে বর্তমান মৌল সমূহের মধ্যে কোনো মৌলের পরমাণুতেই যদি ইলেকট্রন দান বা গ্রহণ না ঘটে তবে তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে। 
- পরমাণুতে ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ না ঘটার কারণে বিক্রিয়া শেষে কোনো বিক্রিয়ক বা উৎপাদ মৌলের পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না। 
- ইলেকট্রনের দান বা গ্রহণ ঘটে না এরূপ বিক্রিয়াকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। 
যথা- প্রশমন বিক্রিয়া এবং অধঃক্ষেপ বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬১৪.
নিরপেক্ষ দ্রবণে pH মান কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৫.
কোনটি পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করা হয়?
  1. ভর
  2. দৈর্ঘ্য
  3. তাপমাত্রা
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
• দৈর্ঘ্য পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করা হয়।

• ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স:
- ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স (Vernier Calipers) হলো একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাপক যন্ত্র যা খুব ছোট দৈর্ঘ্য বা ব্যাস, গভীরতা ইত্যাদি 0.01 সেন্টিমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভার্নিয়ার স্কেল বিশিষ্ট ক্যালিপার্স দিয়ে ছোট দৈর্ঘ্য খুব সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়, যা সাধারণ স্কেলের চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত ।

• এটি প্রধানত দুটি স্কেল নিয়ে গঠিত। যথা:
– প্রধান স্কেল ও
– ভার্নিয়ার স্কেল।

• এটি দিয়ে পরিমাপ করা হয়- 
- ছোট বস্তু বা নলাকার জিনিসের দৈর্ঘ্য, বাহ্যিক ব্যাস বা প্রস্থ। 
- ফাঁপা বস্তুর অভ্যন্তরীণ ব্যাস। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,৬১৬.
ফিল্টার কোন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করে থাকে?
  1. ক) ক্লোরিনেশন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) পরিস্রাবণ
  4. ঘ) পাতন
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিস্রাবণ
ব্যাখ্যা
সাধারণত যেসব প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়, সেগুলাে হলাে পরিস্রাবণ, ক্লোরিনেশন, স্ফুটন, পাতন ইত্যাদি। নিচে এই প্রক্রিয়াগুলাে বর্ণনা করা হলােঃ

পরিস্রাবণঃ পরিস্রাবণ হলাে তরল আর কঠিন পদার্থের মিশ্রণ থেকে কঠিন পদার্থকে আলাদা করার একটি প্রক্রিয়া। পানিতে অদ্রবণীয় ধুলা-বালির কণা থেকে শুরু করে নানারকম ময়লা-আবর্জনার কণা থাকে। এদেরকে পরিস্রাবণ করে পানি থেকে দূর করা হয়। এটি করার জন্য পানিকে বালির স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়, তখন পানিতে অদ্রবণীয় ময়লার কণাগুলাে বালির স্তরে আটকে যায়। বালির স্তর ছাড়াও খুব সূক্ষ্মভাবে তৈরি কাপড় ব্যবহার করেও পরিস্রাবণ করা যায়। বর্তমান সময়ে আমাদের অনেকের বাসায় আমরা যেসব ফিল্টার ব্যবহার করি, সেখানে আরাে উন্নতমানের সামগ্রী দিয়ে পরিস্রাবণ করা হয়।

ক্লোরিনেশনঃ যদি পানিতে রােগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকে, তবে তা অবশ্যই দূর করতে হবে এবং সেটি করা হয় জীবাণুনাশক ব্যবহার করে। নানারকম জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এদের মাঝে অন্যতম হচ্ছে ক্লোরিন গ্যাস। এছাড়া ব্লিচিং পাউডার এবং আরও কিছু পদার্থ যার মাঝে ক্লোরিন আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সেগুলাে ব্যবহার করা হয়।

স্ফুটনঃ পানিকে খুব ভালােভাবে ফুটালে এতে উপস্থিত জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। প্রশ্ন হতে পারে, জীবাণুমুক্ত করার জন্য কতক্ষণ পানি ফুটাতে হয়? স্ফুটন শুরু হওয়ার পর ১৫-২০ মিনিট ফুটালে সেই পানি জীবাণুমুক্ত হয়। বাসা-বাড়িতে খাওয়ার জন্য এটি একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী প্রক্রিয়া।

পাতনঃ যখন খুব বিশুদ্ধ পানির প্রয়ােজন হয়, তখন পাতন প্রক্রিয়ায় পানি বিশুদ্ধ করা হয়। যেমন: ঔষধ তৈরির জন্য, পরীক্ষাগারে রাসায়নিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়। এই প্রক্রিয়ায় একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাপ দিয়ে সেটাকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। পরে ঐ বাষ্পকে আবার ঘনীভূত করে বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ করা পানিতে অন্য পদার্থ থাকার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬১৭.
ট্রান্সফরমারে সাধারণত কয়টি কুণ্ডলী থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলত দুইটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৮.
থার্মোমিটারে কি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) পারদ
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারদ
ব্যাখ্যা

পারদ একটি তরল ধাতু। তাপে পারদের সুষম এবং দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে, যা তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য একটি প্রয়ােজনীয় বৈশিষ্ট্য।
এছাড়া পারদের গলনাঙ্ক পানির গলনাঙ্কের অনেক কম এবং স্ফুটনাঙ্ক পানির স্ফুটনাঙ্কের অনেক বেশি।
এজন্য সাধারণত জীবদেহের তাপমাত্রা মাপতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারদ থার্মোমিটার ব্যবহার করা হয়।

৪,৬১৯.
বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের মধ্যে কোন আকর্ষণ কাজ করে?
  1. ক) গতি
  2. খ) মহাকর্ষ
  3. গ) অভিকর্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাকর্ষ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে।
যেমন: চন্দ্র ও সূর্যের মাঝে আকর্ষণ।

অভিকর্ষ: পৃথিবী এবং অন্য যেকোনো বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ তাকে অভিকর্ষ বলে।
মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে। দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় তবে যে আকর্ষণ হয় তাই অভিকর্ষ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৪,৬২০.
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় সাধারনত কোনটি ঘটে?
  1. কঠিন থেকে তরলে রূপান্তর
  2. কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
  3. তরল থেকে বায়বীয়তে রূপান্তর
  4. বায়বীয় থেকে কঠিনে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন থেকে বায়বীয়তে সরাসরি রূপান্তর
ব্যাখ্যা
• ঊর্ধ্বপাতন:
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।

- নিশাদল (NH4CI), কর্পূর (C10H16O), ন্যাফথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি উদ্বায়ী পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ উদ্বায়ী পদার্থকে মিশ্রণ থেকে সহজে পৃথক করা যায়, যেমন নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যাবে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
৪,৬২১.
গ্যাসীয় পদার্থ পাত্রে রাখলে কী হয়? 
  1. পাত্রের নিচে জমে থাকে
  2. নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে
  3. পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
  4. শুধু পাত্রের মুখ পর্যন্ত ওঠে
সঠিক উত্তর:
পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও  নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬২২.
ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল কত?
  1. 10 dB
  2. 50 dB
  3. 30 dB
  4. 60 dB
সঠিক উত্তর:
50 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 dB
ব্যাখ্যা
- ক্লাস রুমে শব্দের তীব্রতার লেভেল হলো- 50 dB. 

শব্দের তীব্রতার লেভেল: 

- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- এর মূল একক W/m2
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্ব নিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্ব নিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। 
- এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৩.
চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে কী বলে?
  1. খনিজ
  2. ধাতু
  3. অধাতু
  4. উপধাতু
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
- চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে ধাতু বলে।

পদার্থ: 
-
সকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৪.
In which two places mirages are usually seen?
  1. Desert & pitch road
  2. Mountain & sea
  3. Mountain & Sky
  4. Sea and sky
সঠিক উত্তর:
Desert & pitch road
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Desert & pitch road
ব্যাখ্যা
• Mirage কী?
- Mirage হলো একটি প্রাকৃতিক অপটিক্যাল বিভ্রম (optical illusion) — যা তখন ঘটে যখন আলো বিভিন্ন তাপমাত্রার স্তরের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করে এবং বেঁকে যায়।
- এর ফলে কোনো বস্তু বা পানির অস্তিত্ব ভুলভাবে আমাদের চোখে প্রতিফলিত হয়।

• Mirage কীভাবে ঘটে?
- Mirage ঘটার মূল কারণ হলো আলোর প্রতিসরণ (refraction) — অর্থাৎ, আলো যখন এক ধরনের মাধ্যম (density) থেকে অন্য ধরনের মাধ্যমে যায়, তখন তা বেঁকে যায়।

• গরম পরিবেশে, ভূমির কাছাকাছি বাতাস খুব গরম ও হালকা হয়, আর তার ওপরে থাকে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ও ঘন বাতাস। এই দুটি স্তরের ঘনত্ব ভিন্ন হয়।

• সূর্যের আলো যখন উপরের ঠান্ডা স্তর থেকে নিচের গরম স্তরের দিকে নামে, তখন তা ক্রমশ নিচের দিকে বেঁকে যায় (bends downward)। কিন্তু আমাদের চোখ তা সোজা পথেই আসছে বলে ধরে, ফলে আমরা দেখি যেন সেই আলো নিচের মাটিতে প্রতিফলিত হয়েছে — ঠিক পানির মতো।

• Mirage কোথায় দেখা যায় বেশি?
১) মরুভূমি (Desert):
- মরুভূমিতে বালি প্রচণ্ড গরম হয়।
- এর ফলে বালির ওপরের বাতাস অনেক গরম থাকে এবং আলো নিচের দিকে বেঁকে যায়।
- দূরে মনে হয় যেন পানির এক টুকরো অংশ আছে, কিন্তু বাস্তবে কিছুই থাকে না।

২) পিচঢালা রাস্তায় (Pitch Road):
- গরম দিনে পিচ রাস্তাও অনেক তাপ ধরে রাখে।
- ঠিক মরুভূমির মতোই এখানেও নিচের বাতাস গরম হয়।
- রাস্তায় অনেক দূরে তাকালে দেখা যায় যেন পানি জমে আছে — এটি একটি Mirage।

সঠিক উত্তর:
ক) মরুভূমি ও পিচ রাস্তায় (Desert & Pitch Road).

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৬২৫.
লাল আলোতে হলুদ রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) কালো
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়।

- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়।
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে।
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না।
- সুতরাং লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬২৬.
বস্তুর কোন ধর্মের কারণে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু গতিশীল থাকতে চায়? 
  1. জড়তা
  2. ক্ষমতা
  3. বল
  4. শক্তি
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
জড়তা (Inertia): 
- জড়তা বস্তুর একটি ধর্ম, যে ধর্মের কারণে স্থির বস্তু স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে গতিশীল থাকতে চায়। 
- জড়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। স্থিতি জড়তা (Inertia of rest): 
- স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতা বা ধর্মকে স্থিতি জড়তা বলে। 

২। গতি জড়তা (Inertia of motion): 
- সুষম গতিশীল বস্তু চিরকাল সুষম গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতা বা ধর্মকে গতি জড়তা বলে। 

নিউটনের প্রথম সূত্র: 
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থিরই থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে। 
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি বস্তুর জড়তা ও বলের গুণগত ধারণা দেয়। 

বল: 
- যা কোন স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় বা কোন গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে এর গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায়, তাকে বল বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৭.
কোন অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো সবচেয়ে দূরে দূরে অবস্থান করে?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) স্ফটিক অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
যখন কোন পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে, তখন তার অণুগুলো মুক্ত অবস্থায় থাকে, ফলে অণুগুলোর একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

অপরদিকে,
- কঠিন অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাছাকাছি থাকে, কিন্তু একটি অনু অন্য অণুর সাপেক্ষে নড়তে পারে না।
- তরল অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাঁপে নিজ অবস্থানে থেকে, কিন্তু স্থান পরিবর্তন করতে পারে না।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
৪,৬২৮.
কোন প্রক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়?
  1. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  2. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  3. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  4. উভমুখী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- কোনো সিস্টেম যখন এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন অবস্থার এ পরিবর্তন দু'ভাবে সংঘটিত হতে পারে। যথা:

১. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে।

• প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. আমরা জানি, বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

২. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে খুব ধীরে ধীরে কোনো স্প্রিংকে সম্প্রসারণ করতে প্রতি ধাপে স্প্রিং এর উপর যে পরিমাণ কাজ করা হবে, সংকোচনের সময় স্প্রিংটিও সেই একই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করবে।

৩. অল্প উপর থেকে একটি স্থিতিস্থাপক বলকে একটি স্থিতিস্থাপক ইস্পাত পাতের উপর ফেলা হলে বলটি যদি | প্রাথমিক উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠে আসে তবে বোঝা যাবে যে, শক্তির কোনো অপচয় হয়নি। সুতরাং প্রক্রিয়াটি প্রত্যাবর্তী।

২. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারে না অর্থাৎ সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয় না তাকে অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া বলে।
- প্রকৃতিতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা রূপান্তর নিজ থেকেই ঘটে সেগুলোকে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন বলে। যেমন- তাপ সবসময়ই উচ্চতর তাপমাত্রা থেকে নিম্নতর তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হবে, বস্তু সবসময়ই উঁচু থেকে নিচুতে পড়তে থাকে।

• অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না।

২. তাপমাত্রার পার্থক্য আছে এমন দুটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে রাখলে তাপ সবসময়ই অধিক তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হবে। কিন্তু কখনোই কম তাপমাত্রার বস্ত্র হতে অধিক তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হবে না। সুতরাং এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

৩. বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬২৯.
শব্দোত্তর তরঙ্গের সাহায্যে জামা-কাপড় কীভাবে পরিষ্কার করা হয়?
  1. শব্দ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  2. শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. শব্দ শক্তিকে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. শব্দ শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- কয়লা পোড়ালে রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সাধারণত বিদ্যুৎকোষে রাসায়নিক দ্রব্যের বিক্রিয়ার ফলে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- এছাড়া কয়লা, পেট্রোল, কেরোসিন, গ্যাস ইত্যাদি পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে তাপ ও আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

পারমাণবিক শক্তির রূপান্তর: 
- পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক শক্তিকে প্রাথমিকভাবে তাপশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 
- তাপশক্তিকে ব্যবহার করে টারবাইন ঘুরিয়ে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। পরবর্তীতে যান্ত্রিক শক্তিকে জেনেরেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। 

তাপ শক্তির রূপান্তর: 

- বাষ্পীয় ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে উৎপন্ন তাপশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে রেলগাড়ি চালানো হয়। 

আলোক শক্তির রূপান্তর: 
- ফটোগ্রাফিক কাগজের উপর আলোর ক্রিয়ার ফলে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সূর্যের আলোকে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তিতে পরিণত করা হয়। 
- এছাড়া বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন- পকেট ক্যালকুলেটর, রেডিয়ো ও ইলেকট্রনিক ঘড়িতে সৌর শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়। 

শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- শব্দোত্তর তরঙ্গ দ্বারা উৎপন্ন শব্দশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জামা কাপড়ের ময়লা পরিষ্কার করে। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত করে। 

চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- লোহাকে দ্রুত ও বারবার চুম্বক এবং বিচুম্বকরনকালে তাপ উৎপন্ন হয়। এতে চৌম্বক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- তাছাড়া তড়িৎ চুম্বকের সাহায্যে ভারী জিনিসপত্র উঠানো যায়। এতে চৌম্বকশক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

বিদ্যুৎশক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে বিদ্যুৎ চালনা করলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক পাখার মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে পাখা ঘুরতে থাকে। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্ব বা LED লাইট জ্বললে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৬৩০.
২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত?
  1. ২০ জুল
  2. ২০ ওয়াট
  3. ১০ জুল
  4. ১০ ওয়াট
সঠিক উত্তর:
১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুল
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ নিউটন বল কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর উপর প্রয়োগ করায় বস্তুটি  ৫ মিটার দূরে সরে গেলো। সম্পন্ন কাজের পরিমাণ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
বল = 2 নিউটন
সরণ = 5 মিটার

আমরা জানি,
কাজ = বল × সরণ
= ২ × ৫
= ১০ জুল
অর্থাৎ, সম্পন্ন কাজের পরিমাণ ১০ জুল।
৪,৬৩১.
কোন ধাতুর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) সীসা
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) পারদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পারদ
ব্যাখ্যা

যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে, তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
প্রদত্ত পদার্থ গুলোর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম; যার মান -৩৮.৮৩°C।
ফলে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ।
অন্য দিকে,
দস্তার গলনাঙ্ক ৪১৮°C
সীসার গলনাঙ্ক ৩২৭°C
এবং লোহার গলনাঙ্ক ১৫৩৫°C।

৪,৬৩২.
দীপন তীব্রতার একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. মোল
  3. ক্যান্ডেলা
  4. অ্যাম্পিয়ার 
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
পরিমাপের একক: 
- পরিমাপ বলতে বুঝায় কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা। 
- যে কোন ভৌত রাশির পরিমাপের জন্য তার একটি নিদিষ্ট পরিমাণকে আদর্শ হিসেবে ধরা হয় এবং এই পরিমাণের সাপেক্ষে সমগ্র ভৌত রাশিটির পরিমাপ করা হয়। 
- বিভিন্ন ভৌত রাশি (যেমন- ক্ষেত্রফল, আয়তন, ওজন, সময়, বল, তাপ, শক্তি) ইত্যাদি পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন একক রয়েছে এবং পরিমাপের বিভিন্ন পদ্ধতিতে এদের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। 
- এ এককগুলো আবার পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। 
সুতরাং, যে আদর্শ পরিমাপের সাথে তুলনা করে ভৌত রাশিকে পরিমাপ করা হয় তাকে পরিমাপের একক বলা হয়। 
যেমন- মিটার, কিলোগ্রাম, সেকেন্ড, নিউটন, জুল ইত্যাদি পরিমাপের এককের উদাহরণ। 

এস.আই. (SI) এর মৌলিক একক সমূহ: 
- যেহেতু মৌলিক রাশির একক সমূহ অন্য কোনো এককের উপর নির্ভর করে না, তাই মৌলিক একক ইচ্ছামত নির্বাচন করা যায়। 
- তবে নির্বাচিত এককগুলোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থাকতে হবে এবং এই এককগুলোর কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। 
- এটি হবে অপরিবর্তনীয় অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্র ভেদে কোন কিছুর উপর নির্ভর করবে না। কালের বিবর্তনে বা অন্য কোন প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলে এর কোন পরিবর্তন হবে না। 
- 1960 সালে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর সময় মৌলিক এককগুলোর যে আদর্শ বা স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ করা হয়েছিল পরবর্তীকালে উপযুক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জনের লক্ষ্যে এদের মধ্যে অনেক এককের আদর্শ বদল করা হয়েছে কিন্তু তাতে এককগুলোর মানের কোনরূপ পরিবর্তন হয়নি। 
যেমন- 1900 সালে ট্রপিক্যাল বৎসরের উপর ভিত্তি করে সময়ের একক সেকেন্ড এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সিজিয়াম পরমাণুর পারমাণবিক পরিবৃত্তির উপর ভিত্তি করে সেকেন্ডের সংজ্ঞা প্রণয়ন করা হয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে মৌলিক এককগুলোর জন্য সর্বশেষ গৃহীত আদর্শ নিম্নে বর্ণনা করা হল- 
১। দৈর্ঘ্যের একক: মিটার 
- বায়ুশূন্য স্থানে আলো 1/299,792,458 সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সে দূরত্ব কে 1 মিটার (m) বলা হয়। 

২।  ভরের একক: কিলোগ্রাম 
- ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস্ এ সংরক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 কিলোগ্রাম (kg) বলে। 
- এই সিলিন্ডারটির উচ্চতা ও ব্যাস উভয়েই 3.9 cm  । 

৩। সময়ের একক: সেকেন্ড 
- একটি সিজিয়াম পরমানুর (133Cs) 9,192,631,770 টি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় তাকে 1 সেকেন্ড (s) বলে। 

৪। তাপমাত্রার একক: কেলভিন 
- 1 পানির ত্রৈধ বিন্দুর (triple point) তাপমাত্রার 1/273.16 ভাগকে 1 কেলভিন (K) বলে। 

৫। তড়িৎ প্রবাহের একক: অ্যাম্পিয়ার 
- শূন্য মাধ্যমে 1m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষনীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎপ্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2×10-7 N নিউটন বল উৎপন্ন হয় তাকে 1 ampere বলে। 

৬। দীপন তীব্রতার একক: ক্যান্ডেলা 
- ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540×1012 হার্জ কম্পাঙ্কের এক 1 বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরোডিয়ান ঘনকোণে 1/863 ওয়াট। 

৭। পদার্থের পরিমাণের একক: মোল 
- যে পরিমাণ পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-১২ এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ) থাকে তাকে 1 মোল বলে। 



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৩.
সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস-
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. র‍্যাডন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
- হাইড্রোজেন গ্যাস একটি গ্রিন এনার্জি, যাকে দাহ্য করা হলে শুধুমাত্র পানি উৎপন্ন করে, তাই এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাস দাহ্য কিন্তু দহনে সাহায্য করে না।

• হাইড্রোজেন গ্যাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন, বর্ণহীন, স্বাদহীন, গন্ধহীন।
২. জলে প্রায় অদ্রাব্য গ্যাস।
৩. হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।
৪. বাতাস হাইড্রোজেন এর চেয়ে ১৪.৪ গুণ ভারী।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬৩৪.
মারকারির সংকেত কী?
  1. ক) Au
  2. খ) Pb
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Hg
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Hg
ব্যাখ্যা
Au হলো গোল্ডের প্রতীক, Pb হলো লেড, Fe হলো আয়রন এবং Hg হলো মারকারির প্রতীক৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৪,৬৩৫.
কোন গ্যাসের ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. অক্সিজেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন:
- কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কঠিন, তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থ উচ্চ ঘনমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন ঘনমাত্রার স্থানের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যেমন: ঘরের এক কোণে কোনো একটি সুগন্ধির শিশির মুখ খুলে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে সারা ঘরে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এটি ব্যাপন প্রক্রিয়ার উদাহরণ।
- কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে সময় কম লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার বেশি এবং কোনো পদার্থ ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগলে ঐ পদার্থের ব্যাপন হার কম।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম, তার ব্যাপন হার তত বেশি৷

এখানে,
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের আণবিক ভর ২,
- অ্যামোনিয়া (NH3) গ্যাসের আণবিক ভর ১৭,
- অক্সিজেন (O2) এর আণবিক ভর ৩২,
- নাইট্রোজেন (N2) এর আণবিক ভর ২৮।

- এখানে, হাইড্রোজেন এর আণবিক ভর সবচেয়ে কম, তার ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি৷ 
- কাজেই হাইড্রোজেন (H2) এর ব্যাপন হার সবচেয়ে বেশি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি। 
৪,৬৩৬.
অপরিশোধিত তেল থেকে কেরোসিন, ডিজেল ও পেট্রোল পৃথক করা হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. তাপীয় বিক্রিয়া
  2. আংশিক পাতন
  3. পরিস্রবণ
  4. ক্রিস্টালাইজেশন
সঠিক উত্তর:
আংশিক পাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আংশিক পাতন
ব্যাখ্যা
পেট্রোলিয়াম: 
- পেট্রোলিয়াম সাধারণত 5000 ফুট বা তার চেয়েও গভীরে শিলা স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়। 
- পেট্রোলিয়ামের সাথে অনেক সময় প্রাকৃতিক গ্যাস থাকে, যা পেট্রোলিয়ামের উপরিভাগে চাপ প্রয়োগ করে। 
- কূপ খনন করা হলে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোলিয়ামকে ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে উঠে আসতে সাহায্য করে। 
- যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) বা পেট্রোলিয়াম বলে। 
- এই অপরিশোধিত তেল অস্বচ্ছ, এতে কখনো কখনো সালফারের কিছু কিছু যৌগ থাকার কারণে দুর্গন্ধযুক্ত হয়। 
- পেট্রোলিয়াম বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ, এদের স্ফুটনাঙ্কও বিভিন্ন। 
- এই পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়। এই অপরিশোধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে স্ফুটনাঙ্কের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়। 
- অপরিশোধিত তেল ব্যবহারের উপযুক্ত নয়, কিন্তু একে যদি আংশিক পাতনের সাহায্যে পৃথক করা হয় তবে এ অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, গ্যাস, পেট্রোলিয়াম, ন্যাপথা, কেরোসিন, ডিজেল, প্যারাফিন মোম এবং পিচ প্রভৃতি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়, যা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৩৭.
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রবের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি।
  2. দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
  3. দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে।
  4. পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর:
দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
ব্যাখ্যা
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 

- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
- যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3 ) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৮.
এক্স-রশ্মি কোন পথে চলে?
  1. বক্র পথে
  2. সরল পথে
  3. জটিল পথে
  4. আবর্তিত পথে
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
ব্যাখ্যা

- এক্স-রশ্মি (X-ray) হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ। দৃশ্যমান আলোর মতোই এক্স-রশ্মিও একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বদা সরল পথে চলাচল করে, এটি বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না। 

এক্স-রশ্মির ধর্ম: 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।  
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৩৯.
ক্লোরোফরম ব্যবহৃত হয় - 
  1. জীবাণুনাশক হিসেবে
  2. ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায়
  3. চেতনানাশক হিসেবে
  4. অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে
সঠিক উত্তর:
চেতনানাশক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেতনানাশক হিসেবে
ব্যাখ্যা
- ক্লোরোফরম ব্যবহৃত হয় চেতনানাশক হিসেবে। 

ক্লোরোফরম: 
- ইথানল, ব্লিচিং পাউডার ও পানির মিশ্রণকে পাতন করলে ক্লোরোফরম পাতিত তরল রূপে সংগৃহীত হয়। 
- ব্লিচিং পাউডার ও পানি থেকে উৎপন্ন ক্লোরিন দ্বারা ইথানল প্রথমে জারিত হয়ে আ্যাসিটালডিহাইড বা ইথান্যাল উৎপন্ন করে এবং পরে ক্লোরিনেশন দ্বারা ক্লোরাল এবং শেষে ক্ষারীয় বিশ্লেষণের ফলে ক্লোরোফরম উৎপন্ন হয়। 
- চেতনানাশক হিসেবে ক্লোরোফরম ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪০.
সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
  1. ক) লিথিয়াম
  2. খ) পটাশিয়াম
  3. গ) প্লাটিনাম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাটিনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাটিনাম
ব্যাখ্যা
- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৪১.
মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপের একক কোনটি?
  1. অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল
  2. পারসেক
  3. ট্রিলিয়ান কিলোমিটার
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পারসেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারসেক
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক দূরত্ব:
- pc বা পারসেক হল মহাজাগতিক দূরত্ব পরিমাপের একক।
- সূর্য বা পৃথিবীর মধ্যকার গড় দূরত্বকে এক অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট (AU) বলে।
- 1 AU = 1.495x108 km.
- 1 AU দৈর্ঘ্যের কোনো চাপ যে দূরত্বে ঠিক এক সেকেন্ডে কোণ উৎপন্ন করে সেই দূরত্বকে 1 pc বা এক পারসেক বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪২.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ কী? 
  1. তাপের প্রভাব
  2. অণুর সংখ্যা
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রাসায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তনই পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান। 
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে। 
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে। 
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না। 
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৩.
Which is the hearing range of dogs?
  1. ক) 4 Hz - 45,000 Hz
  2. খ) 45 Hz - 64,000 Hz
  3. গ) 1,000 Hz - 91,000 Hz
  4. ঘ) 2,000 Hz - 110,000 Hz
সঠিক উত্তর:
ক) 4 Hz - 45,000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 4 Hz - 45,000 Hz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার পাল্লা:

- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz - ২০,০০০ Hz.
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz - ৪৫,000 Hz.
- বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz - ৬৪,000 Hz.
- ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz - ৯১,০০০ Hz.
- বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz - ১১০,০০০ Hz.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৪.
তরঙ্গ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দুই প্রকার। যথা- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৪৫.
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত কী? 
  1. CuSO4.5H2O
  2. NaHCO3
  3. Na2SO4.10H2O
  4. Na2CO3.10H2O
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4.5H2O
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO । 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৬.
ভারি পানিতে নিচের কোনটি বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) প্রোটিয়াম
  2. খ) ডিউটেরিয়াম
  3. গ) ট্রিটিয়াম
  4. ঘ) ভ্যানাডিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ডিউটেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিউটেরিয়াম
ব্যাখ্যা

পানির সংকেত হলো H2O এবং ভারি পানির সংকেত হলো D2O।
পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন।
ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন।
প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

সূত্রঃ মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৬৪৭.
পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর সংকেত কোনটি?
  1. ক) K2MnO2
  2. খ) KMnO4
  3. গ) K2MnO4
  4. ঘ) KMnO2
সঠিক উত্তর:
খ) KMnO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) KMnO4
ব্যাখ্যা

পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট এর সংকেত হল KMnO4

পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট হচ্ছে অজৈব যৌগ।
ইহার রাসায়নিক সংকেত KMnO4 এবং K+ ও MnO−4 দ্বারা গঠিত।
এটা লালচে কালো স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ, যেটি পানিতে দ্রভিভুত হয়ে তাৎক্ষণিক গোলাপি বা লালচে দ্রবণ তৈরি করে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়নবিজ্ঞান

৪,৬৪৮.
কোন বিক্রিয়াটি সৌর শক্তির উৎস?
  1. Nuclear fusion
  2. Ionization
  3. Nuclear Fission
  4. Chemical combustion
সঠিক উত্তর:
Nuclear fusion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nuclear fusion
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয়ার ফিউশন: যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়
এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
 
সৌর শক্তির উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন। 
 
The Sun is powered by nuclear fusion, a process by which nuclear reactions between light elements form heavier ones (up to iron). Substantial amounts of energy are released in cases where the interacting nuclei belong to elements with low atomic numbers. Fusion reactions constitute the fundamental energy source of stars.

[উৎস: ব্রিটানিকা ]
৪,৬৪৯.
জৈব যৌগ কোনটি?
  1. কস্টিক সোডা
  2. খাবার লবণ
  3. খাবার সোডা
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- 
• মিথেন, 
• ইথেন, 
বেনজিন
• ইউরিয়া, 
• প্রোপিন, 
• পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

অজৈব যৌগ: 
- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
যেমন- 
• পানি, 
খাবার লবণ
খাবার সোডা
• কাপড় কাচার সোডা, 
কস্টিক সোডা
• চুন, 
• মরিচা ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৫০.
বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কিসের একক পাওয়া যায়? 
  1. ত্বরণের
  2. দৈর্ঘ্যের
  3. কাজের
  4. ক্ষমতার
সঠিক উত্তর:
কাজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজের
ব্যাখ্যা
কাজের একক: 
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে মিটার (m)।
- অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। 
- নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়। 
- এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক। 
- কোন বস্তুর উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ করা হলে যদি বস্তুটি বলের দিকে এক মিটার সরণের সৃষ্টি হয় তবে সম্পন্ন কাজ হবে এক জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫১.
অপটিক্যাল ফাইবার আলোর কোন নীতি অনুসারে কাজ করে?
  1. প্রতিসরণ
  2. ব্যাতিচার
  3. বিচ্ছুরণ
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল ফাইবার আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতি অনুসারে কাজ করে। 

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোকরশ্মি সম্পূর্ণরূপে ঘন মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

• আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের বাস্তব উদাহরণ-
- হীরক উজ্জ্বল দেখায়।
- পদ্ম পাতার উপর বৃষ্টির ফোটা পড়লে চকচক করে।
- গ্রীষ্মের প্রখর রৌদ্রে উত্তপ্ত পিচঢালা মসৃন রাজপথকে বৃষ্টির অব্যবহিত পরবর্তী সময়ের মত ভেজা ও চকচকে মনে হয়।
- মরুভূমির মরীচিকার (Mirage) সৃষ্টি হয়।

• অপটিক্যাল ফাইবার:
• অপটিক্যাল ফাইবার হলো এক ধরনের পাতলা স্বচ্ছ কাচ নির্মিত তার, যার মাধ্যমে আলো এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হয়। 
• আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ধর্মকে কাজে লাগিয়ে অপটিক্যাল ফাইবার বা ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরি করা হয়েছে। 
• সাধারণত টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট পরিবহনে এটি ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি
৪,৬৫২.
সালফানাইড প্রস্তুতিতে সালফার কেন ব্যবহার করা হয়? 
  1.  গ্যাস উৎপাদনের জন্য 
  2. তাপমাত্রা কমানোর জন্য 
  3.  রঙ দেয়ার জন্য 
  4. ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য 
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য 
ব্যাখ্যা

সালফার: 
- সালফার হলুদ বর্ণের পদার্থ।
- সালফারের খনি মাটির অনেক নিচে থাকে।
 - ফ্রাশ (Frasch) পদ্ধতিতে সালফারের খনি থেকে সালফারকে নিষ্কাশন করা হয়।
- এক্ষেত্রে মাটির অনেক নিচে সালফারের খনির মধ্যে তিনটি এককেন্দ্রিক পাইপ প্রবেশ করানো হয়, যাকে ফ্লাশ পাইপ বলে।
- সালফার 115° C তাপমাত্রায় গলে যায়। এজন্য সালফারের গলনাঙ্কের চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় গরম পানি (সুপার হিটেড ওয়াটার) তিনটি এককেন্দ্রিক নলের বাইরের পাইপ দিয়ে প্রবাহিত করা হয় যাতে গরম পানির তাপমাত্রায় সালফার গলে যায়।
- এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100° C, কিন্তু চাপ বাড়ালে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। এভাবে অতিরিক্ত চাপে 100° C থেকে 374° C তাপমাত্রার মধ্যবর্তী যেকোনো তাপমাত্রার পানিকে সুপার হিটেড ওয়াটার বলে। 
- এবার সবচেয়ে ভিতরের পাইপ দিয়ে 20-22 বায়ুমণ্ডল চাপের বাতাস প্রবাহিত করা হয়। একদিকে বাইরের পাইপ দিয়ে গরম পানির চাপে এবং সবচেয়ে ভিতরের পাইপ দিয়ে বাতাসের চাপে গলিত সালফার মাঝের পাইপ দিয়ে মাটির উপরে উঠে এসে বাইরের পাত্রে জমা হয়। 

সালফারের ব্যবহার: 
- সালফার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- 
(i) সালফিউরিক এসিড প্রস্তুতিতে সালফার ব্যবহার করা হয়। 
(ii) রাবারকে টেকসই করার জন্য রাবারের মধ্যে সালফার যোগ করা হয়, একে রাবারের ভলকানাইজিং বলে। 
(iii) সালফানাইড দ্বারা বিভিন্ন প্রকার ওষুধ তৈরি করা হয়। সালফানাইড ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। সালফানাইড প্রস্তুতিতে সালফার ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৫৩.
রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. সিলভার
  2. চুনাপাথর
  3. মাইকা
  4. কোয়ার্টজ
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা (Fe), তামা  (Cu), সোনা (Au) এবং  রূপা (Ag) ইত্যাদি।
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) এবং খনিজ লবণ ইত্যাদি।

- গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট (Fe3O4) খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর (CaCO3) খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৫৪.
মানুষ কোন কম্পনমাত্রার শব্দ শুনতে পারে?
  1. সেকেন্ডে ২০ এর কম কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
  2. সেকেন্ডে ২০,০০০-এর বেশি কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
  3. সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
  4. সেকেন্ডে ২০ থেকে ২৫,০০০ কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দ
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা: 
- কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়। 
- সকল কম্পনশীল বস্তুর শব্দ মানুষ শুনতে পাই না। 
- যে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে ২০টির কম কম্পন দিয়ে সৃষ্টি হয়, তা মানুষেরা শুনতে পাই না, এরকম শব্দকে শ্রুতিপূর্ব শব্দ বলা হয়। 
- আবার প্রতি সেকেন্ডে ২০,০০০-এর বেশি কম্পনের ফলে সৃষ্ট শব্দকেও মানুষ শুনতে পাই না, একে শ্রুতি-উত্তর শব্দ বলা হয়। 
সুতরাং মানুষের জন্য শ্রাব্যতার সীমা হলো প্রতি সেকেন্ডে ২০ থেকে ২০,০০০ কম্পন দিয়ে সৃষ্ট শব্দ। 
- প্রতি সেকেন্ডে কোনো বস্তু যতটা কম্পন দেয় তাকে বলা হয় ঐ বস্তুর কম্পাঙ্ক। 
- এই কম্পাঙ্ক প্রকাশের একক হলো হার্জ (Hertz)। 
- কোনো বস্তু সেকেন্ডে ২০ বার কাঁপলে তার কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ, ২০,০০০ বার কাঁপলে ২০,০০০ হার্জ। 
সুতরাং মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ, এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে। 

- কোনো কোনো প্রাণী ২০,০০০ হার্জ কম্পাঙ্কের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়। 
যেমন- কুকুরের এই ক্ষমতা আছে। পুলিশ অতি উচ্চ কম্পাঙ্কের হুইসেল ব্যবহার করে যা কুকুর শুনতে পায় কিন্তু মানুষ শুনতে পায় না। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক অতিশব্দ (শ্রুতি-উত্তর শব্দ ব্যবহারকারী) যন্ত্রের একটি হলো আল্ট্রাসনোগ্রাম। এ যন্ত্র ২০,০০০ হার্জের চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দের সাহায্যে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৬৫৫.
পারমাণবিক চুল্লিতে কোন মৌল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) ইউরেনিয়াম-২৩৫
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) ট্রিটিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম-২৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরেনিয়াম-২৩৫
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties.
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials.
- অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৬৫৬.
রঙিন মনিটরের পিক্সেলে কয় ধরনের রঙ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৮
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
ব্যাখ্যা
রঙ্গিন মনিটর: 
- রঙ্গিন মনিটরের পিক্সেলে ৩ ধরনের রঙ থাকে।
- মনিটরে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে মনিটরের পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৭.
আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য দুটি কত সালে প্রদান করেন? 
  1. ১৯০০ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৩ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে সমবেগে গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর কোনো ঘটনা বা কোনো ভৌত রাশির পরিমাপ সংক্রান্ত আলোচনা। 
- ভর, সময়, দৈর্ঘ্য, বেগ ও শক্তির আপেক্ষিকতা ইত্যাদি বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই দুইটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
যথা- 
প্রথম স্বীকার্য: 
- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 

দ্বিতীয় স্বীকার্য: 
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৮.
বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৬৭.৮১%
  2. ৭০.৪১%
  3. ৭৩.৬৩%
  4. ৭৫.১৯%
  5. ৭৮.০২%
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.০২%
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ:
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%
• আর্গন ⇒ o.৮০%
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%
• ওজোন ⇒ ০.০০০১%
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১%
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৫৯.
পানির ঘনত্ব 4° C তাপমাত্রায় কত?
  1. 1 kg/m3
  2. 10 kg/m3
  3. 100 kg/m3
  4. 1000 kg/m3
সঠিক উত্তর:
1000 kg/m3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000 kg/m3
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V . 
- বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার, সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)। ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা gcm-3) বহুল প্রচলিত। এটি S.I এককের উপগুণিতক। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। 
যেমন- [ρ] = ML-3

- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1 gm/cc

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬০.
সবচেয়ে উৎকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা নিচের কোনটি?
  1. পিট
  2. লিগনাইট
  3. বিটুমিনাস
  4. অ্যানথ্রাসাইট
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা (Coal): 
- কোনো এক যুগে ভূপৃষ্ঠস্থ বিশেষ এক ধরনের গাছপালা ভূগর্ভে প্রোথিত হওয়ায় অভ্যন্তরীণ তাপ ও উপরের শিলাস্তরের চাপের ফলে তা রূপান্তরিত হয়ে এক ধরনের শিলাস্তরে পরিণত হয় তাকে কয়লা বলে।
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা কার্বনের সমাবেশ ছাড়া আর কিছুই নয়।
- কার্বনের পরিমাণ বেশি হলে তাপ প্রদানের ক্ষমতাও অধিক হয়।
সুতরাং, তাপ প্রদানের ক্ষমতা দ্বারাই কয়লার গুণাগুণ বিচার করা হয়।
- গুণাগুণের পার্থক্য অনুযায়ী কয়লাকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যথা- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পিট।
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট: 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো উৎকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা। 

২। বিটুমিনাস: 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 

৩। লিগনাইট: 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

৪। পিট:
- পিট হচ্ছে এক ধরণের নিকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা। 

উল্লেখ্য, 
- নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বই অনুসারে, কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস, লিগনাইট। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)। 
৪,৬৬১.
বৈদ্যুতিক পাখার গতি এক ধরনের -
  1. ক) দোলন গতি
  2. খ) সরল রৈখিক গতি
  3. গ) পর্যাবৃত্ত গতি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৪,৬৬২.
নিচের কোন জৈব যৌগটিতে হাইড্রোজেন অনুপস্থিত থাকে?
  1. ক) ফরমালিন
  2. খ) ফ্রেয়ন
  3. গ) কার্বন- ডাই- অক্সাইড
  4. ঘ) বিউটিন
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
গ্যামাক্সিন, হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, পাইরিন, ক্লোরোপিক্রিন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি হলো হাইড্রোজেনবিহীন জৈব যৌগ।
ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।
কার্বন- ডাই- অক্সাইড একটি হাইড্রোজেনবিহীন অজৈব যৌগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৬৬৩.
একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২০ সেমি হলে এর ক্ষমতা কত?
  1. +২.৫ ডাইঅপ্টার
  2. -২.৫ ডাইঅপ্টার
  3. +৫ ডাইঅপ্টার
  4. -৫ ডাইঅপ্টার
সঠিক উত্তর:
+৫ ডাইঅপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+৫ ডাইঅপ্টার
ব্যাখ্যা

◉ উত্তল লেন্সের ফোকাস ধনাত্মক ধরা হয়, তাই ক্ষমতাও ধনাত্মক হবে।২০ সেমি ফোকাস দূরত্ব মানে +৫ ডাইঅপ্টার ক্ষমতা।

লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। 
- অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের "ক্ষমতা" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর বা ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- আবার লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

লেন্সের ক্ষমতা (P) = 100 / f 
যেখানে, f = ফোকাস দূরত্ব (সেমি) = 20 সেমি

P = 100/20 = +5 D (ডাইঅপ্টার)

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৬৬৪.
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি? 
  1. বৈদ্যুতিক মোটর
  2. জলবাষ্প ইঞ্জিন
  3. টেলিফোন লাইন
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়।
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়।
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৬৫.
কোন অবস্থায় বল দ্বারা কোনো কাজ হয় না? 
  1. বল এবং সরণ একই দিকে হলে 
  2. বল এবং সরণ বিপরীত দিকে হলে 
  3. বল এবং সরণ পরস্পরের লম্ব হলে 
  4. উপরের কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
বল এবং সরণ পরস্পরের লম্ব হলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল এবং সরণ পরস্পরের লম্ব হলে 
ব্যাখ্যা

- বল এবং সরণ পরস্পরের লম্ব অবস্থায় বল দ্বারা কোনো কাজ হয় না। 

বলের দ্বারা কাজ বা ধনাত্মক কাজ: 
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় বা বলের দিকে সরণের উপাংশ থাকে, তাহলে সেই বল এবং বলের দিকে সরণের উপাংশের গুণফলকে ধনাত্মক কাজ বা বলের দ্বারা কাজ বলে। 
উদাহরণ: 
- একটি বস্তু উপর থেকে মাটিতে ফেলে দিলে বস্তুটি অভিকর্ষ বলের দিকে পড়বে। এক্ষেত্রে প্রযুক্ত বল তথা বস্তুর ওজন mg এবং সরণ s একই দিকে তথা নিচের দিকে হয়; ফলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল দ্বারা কাজ হয়েছে বা অভিকর্ষ বলের জন্য ধনাত্মক কাজ হয়েছে বোঝায়। 

বলের বিরুদ্ধে কাজ বা ঋণাত্মক কাজ: 
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় বা বলের বিপরীত দিকে সরণের উপাংশ থাকে তাহলে সেই বল এবং বলের বিপরীত দিকে সরণের উপাংশের গুণফলকে ঋণাত্মক কাজ বা বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে। 
উদাহরণ: 
- একখানি বই যদি মেঝে থেকে টেবিলের উপর ওঠানো হয়, তাহলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল তথা বস্তুর ওজন mg খাড়া নিচের দিকে এবং সরণ s খাড়া উপরের দিকে ক্রিয়া করে। এক্ষেত্রে অভিকর্ষ বল ও সরণ বিপরীতমুখী হওয়ায় অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ করা হবে বা অভিকর্ষ বলের জন্য ঋণাত্মক কাজ হবে। 

শূন্য কাজ: 
- বল প্রয়োগে যদি কোনো বস্তুর সরণ বলের লম্ব বরাবর হয়, তবে ঐ বলের দ্বারা কোনো কাজ হয় না। 
- কেননা, এই ক্ষেত্রে θ = 90° হওয়ায় W = FS cos90° = 0 । 
উদাহরণ: 
- কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরায় যে কেন্দ্রমুখী বল, তার দ্বারা কোনো কাজ হয় না। কেননা, প্রতি মুহূর্তে বল ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়া করে আর সরণ হয় বৃত্তের স্পর্শক বরাবর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৪,৬৬৬.
লব্ধ রাশির উদাহরণ হচ্ছে -
  1. বেগ
  2. সময়
  3. ভর 
  4. দৈর্ঘ্য 
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা

• লব্ধ রাশি হলো সেই ভৌত রাশি, যা এক বা একাধিক মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত হয়। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে বেগ একটি লব্ধ রাশি, কারণ বেগ নির্ণয় করা হয় দূরত্ব ও সময়ের সাহায্যে (বেগ = দূরত্ব ÷ সময়)। এখানে দূরত্ব ও সময় উভয়ই মৌলিক রাশি। অন্যদিকে সময়, ভর এবং দৈর্ঘ্য নিজেরা মৌলিক রাশি; এদেরকে অন্য কোনো রাশির মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয় না। তাই এরা লব্ধ রাশি নয়। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবল বেগই লব্ধ রাশির উদাহরণ।

রাশি: 
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায় যেখানে ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায় যেখানে পানির তাপমাত্রাও একটি রাশি ইত্যাদি। 

মৌলিক রাশি: 
- এসকল রাশির মধ্যে কয়েকটি রাশি রয়েছে যেগুলো পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এই রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ রাশি: 
- অপরদিকে, এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৬৭.
পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ কোনটি?
  1. সাইকেলের চাকার গতি
  2. সরল দোলকের গতি
  3. ঘড়ির কাঁটার গতি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো বস্তু নির্দ্দিষ্ট সময় পরপর একই দিক থেকে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে অতিক্রম করলে যে গতি উৎপন্ন হয় তাকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- পর্যায় গতিসম্পন্ন বস্তু বা বস্তু কণার একই দিক থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুটি অতিক্রম করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
- পর্যাবৃত্ত গতি দু’ ধরণের।
যেমন- ঘুর্ণন গতি ও স্পন্দন গতি।
- এই গতি বৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার, সরল রৈখিকও হতে পারে। 

- ঘড়ির কাঁটার গতি, সিলিং ফ্যানের গতি, সাইকেলের চাকার গতি, সরল দোলকের গতি  সবগুলোই পর্যাবৃত্ত গতির উদাহরণ।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৬৮.
সিলিকনের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ১১
  2. খ) ১২
  3. গ) ১৪
  4. ঘ) ১৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪
ব্যাখ্যা
সিলিকনের পারমাণবিক সংখ্যা ১৪,
সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১১,
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২,
কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬,
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩,
পারদের পারমাণবিক সংখ্যা ৮০।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৬৯.
পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান কত? 
  1. ০ মি/সে
  2. ৯.৭৮ মি/সে
  3. ৯.৮৩ মি/সে
  4. ৯.৮ মি/সে
সঠিক উত্তর:
০ মি/সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ মি/সে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) এর মান শূন্য (0) হয়।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের সূত্র হলো: g = GM/R2,
- যেখানে M হলো পৃথিবীর ভর এবং R হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ।
- কিন্তু পৃথিবীর কেন্দ্রে যখন দূরত্ব r = 0, তখন পৃথিবীর ভরের কারণে কোনো নেট অভিকর্ষজ ত্বরণ কার্যকর হয় না, কারণ সব দিক থেকে সমান আকর্ষণ একে অপরকে বাতিল করে দেয়।
 
পৃথিবীর আকৃতির জন্য বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজন বিভিন্ন হওয়ার কারণ: 
- পৃথিবী সুষম গোলক না হওয়ায় পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের সকল স্থান সমদূরে নয়। 
- যেহেতু g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়। 
- বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে কম (৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড)। সুতরাং বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত যাওয়া যায়, কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব তত কমতে থাকে এবং g এর মান বাড়তে থাকে (৯.৮৩ মিটার/সেকেন্ড)। এর ফলে বস্তুর ওজনও বাড়তে থাকে।
- মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি, ফলে ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়। 
- আবার, পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৬৭০.
যে তরঙ্গে মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে তরঙ্গ অগ্রসর হয়, তাকে কী বলা হয়? 
  1. শব্দ তরঙ্গ
  2. অভিকর্ষ তরঙ্গ
  3. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গের প্রকারভেদ (Types of waves): 
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় তাকে তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। 
- আবার যে তরঙ্গের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না সেই তরঙ্গকে তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে। 
- মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে যে যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্ট হয় তা দুই ধরণের। 
যথা- (১) অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও (২) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave): 
- পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে পানির কণাগুলো সাম্য অবস্থান পানির তল থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানি পৃষ্ঠ বা পানির তলের উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 
অর্থাৎ, যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। 
- এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে বা আড়াআড়ি অগ্রসর হয় বলে একে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ বলে। 
যেমন- আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ হলো এমন এক ধরনের তরঙ্গ, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সমান্তরালে আন্দোলিত হয়, কিন্তু নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে না। 
- নমনীয় স্প্রিংয়ে মৃদু আঘাত করলে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করে। 
- এ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ বা তরঙ্গ পাদ থাকে না, বরং সংকোচন ও প্রসারণের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭১.
বিটা কণিকা কোন ধরনের চার্জ বহন করে? 
  1. ধনাত্মক 
  2. ঋণাত্মক 
  3. নিরপেক্ষ 
  4. পরিবর্তনশীল 
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
ব্যাখ্যা

বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। বিটা কণিকা খুব হালকা, এরা ইলেকট্রন প্রবাহের ভর 9.1×10-31 কেজি। 
২। এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে, এই চার্জের মান 1.6×10-19 কুলম্ব। 
৩। তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়, এর বেগ প্রায় 0.9×108 ms-1 পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
৪। এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়, এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশি। 
৮। জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭২.
তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় -
  1. রক্তস্বল্পতার চিকিৎসায়
  2. থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
  3. দেহের হাড়ের চিকিৎসায়
  4. ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করতে
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইরয়েড গ্রন্থির চিকিৎসায়
ব্যাখ্যা
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
-  আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনিশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৬৭৩.
খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগার ব্যবহারের মূল কারণ কী?
  1. এটি খাবারের মধ্যে ফেনা সৃষ্টি করে 
  2. এটি খাবারের স্বাদ মিষ্টি করে 
  3. এটি খাদ্যের রঙ বৃদ্ধি করে 
  4. এটি pH কমিয়ে অণুজীবের বৃদ্ধি বন্ধ করে
সঠিক উত্তর:
এটি pH কমিয়ে অণুজীবের বৃদ্ধি বন্ধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি pH কমিয়ে অণুজীবের বৃদ্ধি বন্ধ করে
ব্যাখ্যা

ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
অর্থাৎ, ভিনেগারের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড। 
- ভিনেগার বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। ভিনেগার বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে ভিনেগারকে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমে যায়; তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যবহার: 
- মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এভিনেগারের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
- যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
- ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
- ভিনেগার পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
- ভিনেগার দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭৪.
শীতকালে কাপড় তাড়াতাড়ি শুকায় কেন?
  1. ক) বাতাসের আদ্রতা বেশি বলে
  2. খ) বাতাসের আদ্রতা কম বলে
  3. গ) বায়ুমন্ডলের চাপ বেশী বলে
  4. ঘ) বায়ুমন্ডলের চাপ কম বলে
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের আদ্রতা কম বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাতাসের আদ্রতা কম বলে
ব্যাখ্যা
শীতকালে বাতাসের আদ্রতা কম থাকে তাই ভেজা কাপড় থেকে তাড়াতাড়ি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি শুষে নেয়।
৪,৬৭৫.
কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে বলা হয় -
  1. ক) ব্যাপন
  2. খ) পাতন
  3. গ) নিঃসরণ
  4. ঘ) বাষ্পীভবন
সঠিক উত্তর:
খ) পাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাতন
ব্যাখ্যা
পাতন
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। 
অর্থাৎ, 
পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। 

ব্যাপন
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

বাষ্পীভবন
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৭৬.
নিচের কোনটি অধাতু নয়?
  1. সালফার
  2. ক্লোরিন
  3. হাইড্রোজেন
  4. কপার
সঠিক উত্তর:
কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কপার
ব্যাখ্যা

কপার (Cu) বা তামা একটি ধাতু।
- এটি পর্যায় সারণীর একটি ডি-ব্লক মৌল এবং এর পারমাণবিক সংখ্যা ২৯।
- এটি নরম, নমনীয় এবং অত্যন্ত তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
- এটি সাধারণত বৈদ্যুতিক তার, মুদ্রা ও বিভিন্ন শিল্প সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

খনিজ পদার্থ:
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি। যেমন-সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি।
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত যথাঃ ধাতু ও অধাতু।

ধাতু: ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিনিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক।

অধাতু: কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।

উল্লেখ্য,
-প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৭৭.
বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়-
  1. ক) অ্যানোডে
  2. খ) ক্যাথডে
  3. গ) অ্যানোডে ও ক্যাথডে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথডে
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে। 
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়
-  বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথােডে।
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানােডে।

এভাবে মনে রাখা যায়- 
- জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
- জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
- বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বাের্ড বই
৪,৬৭৮.
গামা রশ্মি কোন প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে? 
  1. প্লাস্টিক প্লেট
  2. ফটোগ্রাফিক প্লেট
  3. লিথোগ্রাফিক প্লেট
  4. ধাতব প্লেট
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। 
৩। এর কোন চার্জ ও ভর নাই। 
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৮। গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৯.
আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে না?
  1. আয়তন
  2. তাপমাত্রা
  3. গ্যাসের পরিমাণ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আয়তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন
ব্যাখ্যা
আদর্শ গ্যাস (Ideal Gas): 
- যে গ্যাসসমূহ সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, অ্যাভোগাড্রোর সূত্র তথা আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT কে মেনে চলে তাদেরকে আদর্শ গ্যাস বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো গ্যাসই সম্পূর্ণরূপে গ্যাস সূত্রসমূহ তথা PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না। 
- আদর্শ গ্যাস হলো একটি কাল্পনিক গ্যাস। 
- স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি আয়তনের উপর নির্ভর করে না। 

আদর্শ গ্যাসের বৈশিষ্ট্য: 
- আদর্শ গ্যাসে নিচের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্তমান থাকে- 
১. স্থির তাপমাত্রায় গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল একটি ধ্রুবক, অর্থাৎ PV = K. তাই এক্ষেত্রে যদি স্থির তাপমাত্রায় চাপ বনাম PV এর লেখ অঙ্কন করা যায় তবে তা একটি সরলরেখা হবে। 
২. আদর্শ গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে। 
৩. স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এর আয়তনের উপর নির্ভরশীল নয়। অর্থাৎ স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের আয়তনের পরিবর্তন হলেও এদের অভ্যন্তরীণ শক্তির কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
৪. চাপ অপরিবর্তিত রেখে গ্যাসের তাপমাত্রা 0°C হতে -273.15°C কমালে গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮০.
ফারেনহাইট স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?
  1. ক) 100°
  2. খ) 112°
  3. গ) 212°
  4. ঘ) 220°
সঠিক উত্তর:
গ) 212°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 212°
ব্যাখ্যা
স্বভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাংক তাপমাত্রা 100°C, যেটা ফারেনহাইট স্কেলে 212°F.

সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো -
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]

এখন, সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে,
x/5 = (x - 32)/ 9
Or, 9x = 5x - 160
Or, 4x = -160
Or, x = -40

অর্থাৎ, - 40 ডিগ্রিতে সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ফারেনহাইট তাপমাত্রা সমান।

আমরা জানি,
পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C
∴ 100/5 = (x - 32)/9
(x - 32)/9 = 20
x = 180 + 32 = 212° F
৪,৬৮১.
পলিথিন প্রস্তুতির জন্য নিচের কোন ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়?
  1. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. সংযোজন বিক্রিয়া 
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
সংযোজন বিক্রিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযোজন বিক্রিয়া 
ব্যাখ্যা

• পলিথিন হলো একটি পলিমার, যা ইথিলিন বা ইথিন (CH2=CH2) নামক মনোমার থেকে তৈরি হয়।
- যে প্রক্রিয়ায় অসংখ্য ইথিলিন অণু উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহৎ চেইন পলিমার (পলিথিন) তৈরি করে, তাকে পলিমারাইজেশন বিক্রিয়া বলে।
- এই পলিমারাইজেশন বিক্রিয়াটি একটি সংযোজন বিক্রিয়ার (Addition Reaction) উদাহরণ।

 • সংযোজন বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক যৌগ বা মৌল যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে সে বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়া বলা হয়। 

• সংযোজন পলিমার:
- যে পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় কোন ক্ষুদ্র অণুর অপসারণ ব্যাতিত মনোমার অণুসমূহ পরস্পর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল পলিমার গঠন করে এবং গঠিত পলিমারের আণবিক ভর মনোমারের আণবিক ভরের পূর্ণ গুণিতক হয় তাকে সংযোজন পলিমার বলে।
- সাধারণত দ্বিবন্ধন যুক্ত যৌগসমূহ যেমন অ্যালকিন, প্রতিস্থাপিত অ্যালকিন ও ভিনাইল যৌগসমূহে সংযোগ পলিমারকরণ (addition polymerization) ঘটে।

• পলিথিন:
- ১০০০ - ১২০০ বায়ু চাপে ইথিন গ্যাসকে তরলীকৃত করে সমান্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ২০০০০ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ইথিনের অসংখ্য অণু পরপর যুক্ত হয়ে যুত পলিমার পলিথিন গঠন করে।
- পলিথিন তৈরির এই প্রক্রিয়া টি সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। 
- পলিথিন একটি সাদা অসচ্ছ ও শক্ত প্লাস্টিক পদার্থ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮২.
বস্তুর ওজনের চেয়ে বস্তুটি দ্বারা অপসারিত তরলের ওজন বেশি হলে বস্তুটি ঐ তরলে কী অবস্থায় থাকবে?
  1. ডুবে যাবে
  2. ভেসে থাকবে
  3. অর্ধেক ভেসে থাকবে
  4. সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে ভাসবে
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র (Archimedes' Law): 
- সিসিলির বিখ্যাত বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস আবিষ্কার করেন পানিতে নিমজ্জিত বস্তু তার আয়তনের সমান পরিমাণ পানি অপসারণ করে এবং কিছু ওজন হারায়। 
- তার এই আবিষ্কার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে একটি সূত্রের আকারে প্রকাশ করা হয় যা আর্কিমিডিসের সূত্র নামে পরিচিত। 
- সূত্রটি হল "কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান"। 

ব্যাখ্যা: 
- কোনো বস্তুকে যখন তরলে ডুবানো হয় তখন একই সাথে ঐ বস্তুর উপর দুটি বল কাজ করে। 
- একটি বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল, যা বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টানে। একে বলে বস্তর ওজন। দ্বিতীয়টি বস্তুর উপর তরল পদার্থের ঊর্ধ্বমুখী চাপ বা বল, একে বলা হয় প্লবতা। 
- দুটি বিপরীতমুখী বলের লব্ধি বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল হয়। ফলে বস্তুটির ওজন কমে যায়। 
- বস্তুটি তরলে নিমজ্জিত হলে কিছু জায়গা দখল করে। তখন এই জায়গার তরল সরে যায় বা অপসারিত হয়। তরলের ঊর্ধ্বমুখী বল এই অপসারিত তরলের ওজনের সমান হয়। 
- বস্তু যত বেশি জায়গা দখল করবে অপসারিত তরলের আয়তনও তত বেশি হবে। আবার বস্তুটি যত বেশি তরল অপসারণ করবে তার ওজন তত বেশি কমবে যা আর্কিমিডিসের সূত্রের মূল কথা। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
- ধরা যাক, একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন। ঐ বস্তুটিকে পানিতে ডোবানো হলে বস্তুটির উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্বচাপ জনিত বল) W1 নিউটন।
এখন- 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ডুববে না, ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮৩.
কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি যার মূল উপাদান হচ্ছে- 
  1. কার্বন
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা এবং এর মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। 
- এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। 
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ, পরবর্তীতে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৮৪.
চৌম্বক ফ্লাক্স এর একক কী? 
  1. ক) ক্যান্ডেলা 
  2. খ) লাক্স
  3. গ) ওয়েবার
  4. ঘ) লুমেন
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়েবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়েবার
ব্যাখ্যা
চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক আবেশ:
কোনো চৌম্বকক্ষেত্রের একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে লম্বভাবে অতিক্রান্ত্ বলরেখার সংখ্যাকে চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্ব বা চৌম্বকক্ষেত্র ভেক্টর বলে।

চৌম্বক ফ্লাক্সের (SI) একক ওয়েবার (Weber) বা সংক্ষেপে (Wb).

জার্মান পদার্থবিদ উইলিয়াম এডুয়ার্ড ওয়েবারের নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। 
৪,৬৮৫.
গাড়ির রিয়ার ভিউ মিররে কোন দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) সমতল দর্পণ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তল দর্পণ
ব্যাখ্যা
মোটর গাড়ী, মোটর সাইকেল ইত্যাদি দ্রুতগামী গাড়ির চালকের সামনে একটি উত্তল দর্পণ থাকে।
একে বলা হয় রিয়ার ভিউ মিরর। চালক গাড়ি চালানোর সময় পেছনের দৃশ্য দেখার জন্য এটি
প্রয়োজন হয়। এতে পেছন থেকে আসা গাড়ি এবং পেছনের দিকের বিস্তীর্ণ এলাকার চিত্র এক
সাথে চালকের চোখে পড়ে। রিয়ার ভিউ মিরর চালককে অনেক রকম দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা
করতে পারে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৬৮৬.
ইস্পাত লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে -
  1. লোহাকে টেম্পার করা হয়েছে
  2. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
  3. সকল বিজাতীয় পদার্থ বের করে দেয়া হয়েছে
  4. বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
ব্যাখ্যা
- সাধারণ লোহার সাথে সুনিয়ন্ত্রিত উপায়ে কার্বন মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা হয়, তাই এটি সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। 
- ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যার মধ্যে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। 
- এছাড়াও ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৬৮৭.
পরিবাহিতার একক কী? 
  1. ​কুলম্ব
  2. সিমেন্স
  3. ওম 
  4. ভোল্ট 
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স
ব্যাখ্যা

পরিবাহিতা (Conductance): 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I 
​- পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে,
I ∝ V
বা, I= GV; এখানে G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক।
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে।
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি।
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা।
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮৮.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটতে শুরু করে কোন শতাব্দীতে?
  1. ঊনবিংশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
  2. অষ্টাদশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
  3. একবিংশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
  4. বিংশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
সঠিক উত্তর:
ঊনবিংশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনবিংশ শতাব্দীতে শেষের দিকে
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে তিনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮৯.
মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়-
  1. শব্দশক্তি
  2. তড়িৎশক্তি
  3. আলোকশক্তি
  4. চৌম্বকশক্তি
সঠিক উত্তর:
তড়িৎশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎশক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
৪,৬৯০.
নিচের কোনটি লোহার প্রধান আকরিক?
  1. ক) হেমাটাইট
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) বোরাক্স
  4. ঘ) জিপসাম
সঠিক উত্তর:
ক) হেমাটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হেমাটাইট
ব্যাখ্যা
আয়রন বা লোহার আকরিক
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।

সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স ইত্যাদি।

ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট ইত্যাদি।

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট,
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৬৯১.
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ________ বলে। 
  1. কম্পাঙ্ক
  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  3. তরঙ্গ বেগ
  4. বিস্তার
সঠিক উত্তর:
কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা

• তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলা হয়। এটি তরঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা তরঙ্গের ঘনত্ব ও তার গতির সাথে সম্পর্কিত। কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পেলে স্পন্দনের সংখ্যা বাড়ে এবং কম্পাঙ্ক কমলে স্পন্দনের সংখ্যা কমে। এটি সাধারণত হার্জ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
 
 তরঙ্গ:
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
- একে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণস্পন্দন বলে।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৯২.
ডুবোজাহাজ হতে পানির উপর কোনো বস্তু দেখার জন্য কোন আলোক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্পেকট্রোস্কোপ
  2. পেরিস্কোপ
  3. ক্যালিডোস্কোপ
  4. বাইনোকুলার
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা

• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।

অন্যদিকে,
- স্পেকট্রোস্কোপ: আলোকরশ্মিকে তার উপাদান বর্ণালীতে বিশ্লেষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ক্যালিডোস্কোপ (Kaleidoscope): এটি এমন একটি অপটিক্যাল যন্ত্র, যা একাধিক দর্পণ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্যাটার্ন (Pattern) তৈরি করে।
- বাইনোকুলার (Binocular): দূরবর্তী বস্তুগুলোকে দেখার জন্য চোখের জন্য ব্যবহৃত দ্বিনেত্র দূরবীক্ষণ যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৬৯৩.
লবণ কী ধরনের পদার্থ?
  1. যৌগিক
  2. মৌলিক
  3. মিশ্র
  4. গ্যাসীয়
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক
ব্যাখ্যা
• যৌগিক পদার্থ:
- দুই বা তার বেশি সংখ্যক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট ওজনের অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্মী পদার্থ গঠন করে। অথবা, যে পদার্থের রাসায়নিক বিশ্লেষণ করলে দুই বা তার বেশি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়, তাকে যৌগিক পদার্থ বলে।
- যৌগিক পদার্থের উদাহরণ : পানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, খাদ্য লবন, এসিড, ক্ষার প্রভৃতি হল যৌগিক পদার্থ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৪,৬৯৪.
কোন ধাতুর Ductility সর্বোচ্চ?
  1. Mild Steel
  2. Copper
  3. Platinum
  4. Aluminum
সঠিক উত্তর:
Platinum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platinum
ব্যাখ্যা
- Ductility এর অর্থ নমনীয়তা।
- যে ধর্মের জন্য ধাতুকে তারে পরিণত করা যায় সে ধর্মকে বলে নমনীয়তা।
                               ধাতুর নমনীয়তার পরিমাণ:

∴ প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে নমনীয়তার মান সবচেয়ে বেশি প্লাটিনামের।

উৎস: www.failurecriteria.com.
৪,৬৯৫.
ওজন এর এস আই  একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. কেজি
  3. পাউন্ড
  4. আউন্স
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
• নিউটন (Newton) হলো বলের এসআই একক, এবং যেহেতু ওজন হলো ভরের ওপর মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রয়োগ, তাই ওজনের এককও নিউটন।
• সূত্র: ওজন = ভর × মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ (W = m × g)
• যেখানে ভরের একক কেজি (kg) এবং g’র একক m/s², তাই ওজনের একক হয়  Kg·m/s² = নিউটন।

• ভৌত রাশি ও তাদের SI একক:
- দৈর্ঘ্য - মিটার (m), 
- ভর - কিলোগ্রাম (kg), 
- সময় - সেকেন্ড (s), 
- তাপমাত্রা - কেলভিন (K), 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ - অ্যাম্পিয়ার (A), 
- পদার্থের পরিমাণ - মোল (mol), 
- আলোক তীব্রতা - ক্যান্ডেলা (cd), 
- বল - নিউটন (N)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬৯৬.
জ্বালানীর দহনের ফলে নিচের কোন শক্তির রূপান্তর ঘটে? 
  1. তাপ শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে
  2. রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
- জ্বালানীর দহনের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- তাপ এক প্রকার শক্তি, আবার কাজ করার সামর্থকে শক্তি বলে। 
- জ্বালানীর দহনের ফলে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। 
- বাড়িতে কাঠ পুড়িয়ে রান্না করা, প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজি গ্যাস পুড়িয়ে রান্না করা, এমনকি শুকনো পাতা বা শুকনো গোবর পুড়িয়ে রান্না করলেও রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- রাসায়নিক শক্তির প্রধান উৎস কয়লা, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি সবই হলো জীবাশ্ম জ্বালানী। 
- সিরামিক শিল্প, কাঁচ শিল্প, লোহা ও ইস্পাতের ঢালাই শিল্প, অ্যালুমিনিয়ামের ঢালাই শিল্প সব ক্ষেত্রেই প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয় রাসায়নিক শক্তি থেকে। 
- তাপ শক্তিকে ব্যবহার করে ইটের ভাটায় ইট পোড়ানো হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৭.
কোন শ্রেণির কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. এ্যানথ্রাসাইড কয়লা
  2. বিটুমিনাস কয়লা
  3. বাদামি কয়লা
  4. পীট কয়লা
সঠিক উত্তর:
পীট কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীট কয়লা
ব্যাখ্যা

কয়লার শ্রেণী বিভাগ:
- কয়লা কার্বনের সমাবেশ মাত্র। কয়লার গুনাগুন তাপ প্রদান ক্ষমতার উপর নির্ভরশীল।
- কয়লার গুনাগুনের তারতম্য অনুযায়ী কয়লাকে প্রধানত চার শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়।
যেমন: 
১। এ্যানথ্রাসাইড কয়লা
২। বিটুমিনাস কয়লা
৩। লিগনাইট বা বাদামি কয়লা
৪। পীট কয়লা

নিম্নে বিভিন্ন শ্রেণীর কয়লার বর্ণণা দেয়া হলো: 
১। এ্যানথ্রাসাইড: এ শ্রেণীর কয়লা সবচেয়ে শক্ত ও উৎকৃষ্ট শ্রেণীর। এটার রং ঘন কৃষ্ণবর্ণ, উজ্জল ও ভারী হয়ে থাকে। এটা সহজে প্রজ্জলিত হতে চায় না। তবে একবার প্রজ্জলন হলে নীল আভাযুক্ত প্রচন্ড তাপ উৎপন্ন হয় এবং দীর্ঘ সময় জ্বলতে থাকে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে।

২। বিটুমিনাস কয়লা: এটি মধ্যম শ্রেণীর কয়লা যা থেকে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। তবে সামান্য ধোয়াও বের হয়ে থাকে। এতে ৮২ ভাগ কার্বন ও ৫ ভাগ হাইড্রোজেন থাকে। পৃথিবীর সঞ্চিত কয়লার ৭৫ ভাগ কয়লাই এ শ্রেণীভূক্ত।

৩। লিগনাইট বা বাদামী কয়লা: এটি একটি নিকৃষ্ট ধরনের কয়লা। এটি সাধারনত নরম ও ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর রং বাদামী বলে একে বাদামী কয়লাও বলা হয়। এতে ৬৫ ভাগ কার্বন থাকে। এ ধরনের কয়লায় গ্যাস ও জলীয় বাষ্প বেশী থাকার ফলে তাপ তুলনামূলক ভাবে কম হয়।

৪। পীট কয়লা: এটি কয়লার মধ্যে সবচেয়ে নিম্ন মানের। এটাকে পুরপুরি কয়লা বলা যায় না। এতে মাত্র ৪৯% কার্বন থাকে এবং জ্বালালে খুব ধোঁয়া হয়। অত্যন্ত কম কার্বন থাকে বলে তাপ উৎপাদন ক্ষমতা খুব কম এবং খুব তাড়াতাড়ি পুড়ে যায়। 

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৬৯৮.
একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকিত ও বিচুম্বকিত করলে চৌম্বক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তিতে
  2. আলোক শক্তিতে
  3. যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. বিদ্যুৎ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকন ও বিচুম্বকন করলে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এক্ষেত্রে চৌম্বক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৯.
তরলের বাষ্পায়ন নিচের কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে?
  1. বায়ুর শুষ্কতা
  2. বাতাসের চাপ
  3. বাতাসের প্রবাহ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- সাধারণভাবেই একটা তরলের বাষ্পায়ন বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১। বাতাসের প্রবাহ: 
- বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: 
- তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 
- এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 

৩। তরলের প্রকৃতি: 
- তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। 
- উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 

৪। বাতাসের চাপ: 
- বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। 
- শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 

৫। উষ্ণতা: 
- তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 

৬। বায়ুর শুষ্কতা: 
- বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৭০০.
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. সমতল
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল
ব্যাখ্যা

উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।