বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৪০ / ৬৪ · ৩,৯০১৪,০০০ / ৬,৪০৯

৩,৯০১.
নিচের কোনটি যৌগিক পদার্থ?
  1. লোহা
  2. পানি
  3. সোনা 
  4. রূপা 
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে। 
যেমন- সোনা, রূপা বা লোহা ইত্যাদি বিশুদ্ধ পদার্থকে যতই ভাঙ হউক না কেন সেখানে তাদের ক্ষুদ্রতর কণা ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাবে না। 
- এরকম আরও কিছু মৌলের উদাহরণ হলো- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি। 
- এ পর্যন্ত 118 টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে যার মধ্যে 98টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে যেগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলে। 
- মানব শরীরে মোট 26 ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌল আছে। 

যৌগিক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে ভাঙলে দুই বা দুইয়ের অধিক মৌল পাওয়া যায় তাদেরকে যৌগ বা যৌগিক পদার্থ বলে। 
যেমন- পানিকে যদি ভাঙা হয় (অর্থাৎ রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা যায়) তবে কিন্তু দুটি ভিন্ন মৌল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পাওয়া যাবে। আবার, লেখার চককে যদি ভাঙা যায় তাহলে সেখানে ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন এ তিনটি মৌল পাওয়া যাবে। 
- যৌগের মধ্যে মৌলসমূহের সংখ্যার অনুপাত সব সময় একই থাকে। 
যেমন- যেখান থেকেই পানির নমুনা সংগ্রহ করা হউক না কেন রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলে সব সময় দুই ভাগ হাইড্রোজেন এবং এক ভাগ অক্সিজেন পাওয়া যাবে অর্থাৎ পানিতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যার অনুপাত 2 : 1 । 
- যৌগের ধর্ম কিন্তু মৌলসমূহের ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। 
যেমন- সাধারণ তাপমাত্রায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসীয় কিন্তু এদের থেকে উৎপন্ন যৌগ পানি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯০২.
সিমেন্ট তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল কী?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. সালফার
  4. বালি 
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

চুনাপাথর (Limestone) সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল। এতে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) থাকে, যা পোড়ালে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO) তৈরি হয় এবং অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়া করে সিমেন্ট তৈরি করে।

​সিমেন্ট উৎপাদন: 
​- সিমেন্ট উৎপাদনের জন্য দু'ধরনের কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। যথা-
১। ক্যালকেরিয়াস (Calcareous): চুনাপাথর, সিমেন্ট রক, মার্বেল, চক ইত্যাদি।
২। আরজিলেসিয়াস (Argillaceous): সিলিকা (SiO2), অ্যালুমিনা (Al2O3), আয়রন অক্সাইড (Fe2O3) ইত্যাদি।

সাধারণভাবে পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের শতকরা সংযুক্তি নিম্নরূপ:
• চুন (CaO) → 60-70%, 
• ​সিলিকা (SiO2) → 20-25%, 
​• অ্যালুমিনা (Al2O3) → 5-10%,  
​• ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) → 2-3%, 
​• ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) → 1-5%,  
​• ক্ষার → 1%.

​উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৯০৩.
দৃশ্যমান বর্ণালির বৃহত্তম তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
  1. বেগুনী
  2. কমলা
  3. সবুজ
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

লাল বর্ণের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়।

দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: 
- বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- সংক্ষেপে বেনীআসহকলা।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৯০৪.
বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে আমরা কোন ধরনের শক্তি পাই? 
  1. ক) যান্ত্রিক শক্তি
  2. খ) রাসায়নিক শক্তি
  3. গ) চুম্বক শক্তি
  4. ঘ) আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক শক্তি
ব্যাখ্যা

আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালালে আমরা আলোক শক্তি ও তাপ শক্তি পাওয়া যায়।

- তাপ শক্তির সাথে সূর্য থেকে সরাসরি আর যে শক্তিটি আসে তা হচ্ছে আলোক শক্তি।
- আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না।
- সূর্য আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
- অপরদিকে, তাপ শক্তি সরাসরি সূর্য থেকে সরাসরি আসে। এই তাপ শক্তি পৃথিবীকে উষ্ণ রাখে।
- তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী বা, উদ্ভিদ বেঁচে থাকতে পারে না।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি। 

৩,৯০৫.
আলোক সজ্জার জন্য ইলেকট্রিক বাল্ববে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হিলিয়াম গ্যাস
  2. খ) রেডন গ্যাস
  3. গ) জেনন গ্যাস
  4. ঘ) নিয়ন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিয়ন গ্যাস
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের ব্যবহার: 
হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হাল্‌কা। 
- H2 গ্যাসের তুলনায় He গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

নিয়নের ব্যবহার: 
- প্রধানত আলোক সজ্জার জন্য নিয়ন গ্যাস ইলেকট্রিক বাল্ববে ব্যবহৃত হয়। 
- নিয়ন আলো কুয়াশার মধ্যেও দৃশ্যমান, এজন্য বিমানের পাইলটগণ আলোক সংকেতরূপে নিয়ন বাল্ব আলো ব্যবহার করেন। 
- নিয়নপূর্ণ বাল্ব টিউব উজ্জ্বল লাল আলো দেয়। 
- অন্যান্য নিষ্ক্রিয় গ্যাস অথবা মার্কারি মিশ্রিত করে সবুজ বা নীল বর্ণের বিকিরণকারী মোক্ষণ নল তৈরি করা হয়। 
- ভোল্টামিটার ও রেকটিফায়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রে রক্ষাকবচ হিসেবে হিলিয়াম-নিয়ন মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়।

আর্গনের ব্যবহার: 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে বায়ুতে আর্গনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- তাই সবচেয়ে সস্তা বৈদ্যুতিক বালবে উচ্চ তাপে টাংস্টেন তারটি যেন জারিত হয়ে কেটে না যায় তার জন্য নিষ্ক্রিয় আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- নাইট্রোজেন থেকে আর্গন অনেক বেশি নিষ্ক্রিয় এবং এর বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতাও কম। এ কারণে বৈদ্যুতিক বাল্ববে নাইট্রোজেনের পরিবর্তে আর্গন ব্যবহার করা হয়। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরির জন্য আর্গন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশে আর্গন সহজলভ্য না হওয়ায় গবেষণাগারসমূহে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরিতে সাধারণত নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়; কিন্তু উন্নত দেশসমূহে এক্ষেত্রে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্র, বিশেষত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 

ক্রিপটন ও জেনন - এর ব্যবহার: 
- প্রকৃতপক্ষে বৈদ্যুতিক গ্যাস বাল্ববে ক্রিপ্‌টন ও জেননের ব্যবহার আর্গন অপেক্ষাও ভাল। 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক যন্ত্রেও তাদের ব্যবহার অধিকতর হয়ে থাকে। 
- ফটো তৈরির জন্য ফটোগ্রাফিক ফ্লাশ বাল্ব তৈরিতে ক্রিপ্‌টন-জেননের মিশ্রণ ব্যবহৃত হয়। 

রেডনের ব্যবহার: 
- রেডন গ্যাস অত্যন্ত তেজস্ক্রিয়। এ কারণে সাধারণ ক্ষেত্রে এর ব্যবহার নেই। 
- তবে তেজস্ক্রিয় গবেষণায় এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে রেডন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।
৩,৯০৬.
চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামকের একক কোনটি?
  1. ওয়েবার
  2. টেসলা
  3. অ্যাম্পিয়ার-মিটার2
  4. নিউটন-মিটার
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার-মিটার2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার-মিটার2
ব্যাখ্যা

• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামকের একক অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2), কারণ M = m(2l) এবং মেরুশক্তি ও চৌম্বক দৈর্ঘ্যের গুণফলই ভ্রামক।

• চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক:
- কোনো চুম্বকের একটি মেরুশক্তি (m) ও চৌম্বক দৈর্ঘ্য (2l)-এর গুণফলকে চৌম্বক দ্বিমেরু ভ্রামক বলে।
- গাণিতিক রূপ: M = m(2l)।
- এটি একটি ভেক্টর রাশি।
- একক = অ্যাম্পিয়ার-মিটার2 (Am2)।

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য:
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর দুই মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্ব।
- জ্যামিতিক দৈর্ঘ্যের তুলনায় কিছুটা কম।

• চৌম্বক মেরু:
- চুম্বকের দুই প্রান্তে আকর্ষণ বল সর্বাধিক।
- উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু থাকে।

• অন্যান্য অপশন:
- ওয়েবার → চৌম্বক ফ্লাক্সের একক।
- টেসলা → চৌম্বক আবেশ বা ফ্লাক্স ঘনত্বের একক।
- নিউটন-মিটার → কাজ বা টর্কের একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯০৭.
ট্রান্সডিউসারের কাজ হলো কোনটি?
  1. ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করা
  2. খ) শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা
  3. গ) তড়িৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর করা
  4. ঘ) ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক এবং খ
ব্যাখ্যা
টেলিফোনে দুইটি তড়িৎ যন্ত্র থাকে। একটি হলো মাইক্রোফোন এবং অপরটি হলো ইয়ারফোন বা স্পিকার।
মাইক্রোফোনের কাজ হলো শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ তরঙ্গে রূপান্তর করা এবং ইয়ারফোন বা স্পিকার তড়িৎ তরঙ্গকে শব্দ
তরঙ্গে রূপান্তর করে।
যে যন্ত্র কোন অতড়িৎ সংকেতকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে অথবা তড়িৎ সংকেতকে অতড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে তাকে ট্রান্সডিউসার বলে। সুতরাং মাইক্রোফোন ও ইয়ারফোন বা স্পিকার উভয়ই এক ধরণের ট্রান্সডিউসার।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯০৮.
কাচ তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সিলিকা
  2. কার্বন
  3. আয়রন
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
ব্যাখ্যা
• কাচ তৈরিতে প্রধানত সিলিকা (SiO₂) বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড ব্যবহৃত হয়।
- সিলিকন ডাইঅক্সাইড মূলত বালি (sand) থেকে প্রাপ্ত হয় এবং এটি কাচের মূল উপাদান।

• কাচ তৈরির প্রক্রিয়া:
- সিলিকা (SiO₂), সোডা (Na₂CO₃), এবং চুন (CaCO₃) মিশিয়ে ১২০০তাপমাত্রায় গলানো হয়।
-  যা ঠান্ডা হলে কাচের আকার ধারণ করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৯০৯.
ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠে দেখার জন্য কোন যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. রাডার
  2. টেলিস্কোপ
  3. পেরিস্কোপ
  4. মাইক্রোস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 

- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

অন্যদিকে, 
- রাডার: রাডার বস্তু শনাক্ত করতে তরঙ্গ ব্যবহার করে, কিন্তু সরাসরি দেখা যায় না।
- টেলিস্কোপ: দূরবর্তী জ্যোতির্বস্তু দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোস্কোপ: ক্ষুদ্র বস্তু বা অণুজীব দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৩,৯১০.
পারস্পরিক আবেশকে ব্যবহার করা হয় কোনটিতে?
  1. ট্রান্সফর্মার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রানজিস্টার
  4. ডায়োড
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা
 - যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত ও নিম্ন বিভক্তির ছবি ভাবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। 
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার। যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ।
- ট্রান্সফরমারে মুখ্য কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার হয়।
- ট্রান্সফরমারের গৌণ কুন্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী হলে সেটি স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার হয়।

উৎস:  সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১১.
মহাবিশ্বের বস্তুসমূহ কোন বলের প্রভাবে সাম্যাবস্থায় থাকে? 
  1. ঘর্ষণ বল 
  2. তড়িৎচুম্বক বল 
  3. নিউক্লিয়ার বল 
  4. মহাকর্ষ বল 
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল 
ব্যাখ্যা

মহাকর্ষ: 
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন। 
- কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মন্ডলীর গ্রহ উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না। 
১৭৬৪ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন যার নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল। 
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল। 
অর্থাৎ, যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল। 
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন যা নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত। 
সূত্র- 'মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে'। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯১২.
ওহমের সূত্রের গাণিতিক রূপ কোনটি?
  1. F = ma
  2. P = VI
  3. V = IR
  4. Q = It
সঠিক উত্তর:
V = IR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = IR
ব্যাখ্যা
• ওহমের সূত্র বৈদ্যুতিক বর্তনীতে ভোল্টেজ (V), প্রবাহিত কারেন্ট (I), এবং রোধ (R)–এর মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।

• সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V=IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt)
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere)
R = রোধ  (Ohm)
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
• F = ma – এটি নিউটনের দ্বিতীয় গতি সূত্র (বলের সূত্র)। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৩.
পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে কী বলে?
  1. ক) COD
  2. খ) WOD
  3. গ) BOD
  4. ঘ) TOD
সঠিক উত্তর:
ক) COD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) COD
ব্যাখ্যা

প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological/Biochemical Oxygen Demand - BOD):
পানিতে উপস্থিত অনুজীব কর্তৃক জৈব ও অজৈব পদার্থকে বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা বায়োলজিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড BOD বলে।
পানির উৎকর্ষতা নির্ধারণে BOD নির্দেশক রূপে কাজ করে।

রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Chemical Oxygen Demand - COD):
পানির মধ্যে কিছু অপচনশীল বা জৈব বিয়োজনের অযোগ্য (nonbiodegradable) বস্তু থাকে যাদের বিয়োজন ব্যাকটেরিয়া বা জীবণু দ্বারা সম্পন্ন হয় না।
এগুলিকে বিয়োজনের জন্য শক্তিশালী জারক পদার্থ যেমন K2Cr2O7 (যা অক্সিজেন সরবরাহ করে) প্রয়োজন হয়। এরা দূষক পদার্থকে জারিত করে। পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য ও বিয়োজন অযোগ্য দূষক পদার্থসমূহকে জারণের জন্যে প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের চাহিদাকে রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (COD) বলে।

উল্লেখ্য যে,
কোন নমুনার COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা COD নির্ণয়ের ক্ষেত্রে জৈব ভাঙ্গনযোগ্য বা বিয়োজন যোগ্য এবং বিয়োজন অযোগ্য এই উভয় প্রকার জৈব বস্তুই জারিত হয়। পানিতে COD এর মান বৃদ্ধির অর্থ হলো দূষণের হার বৃদ্ধি।

উৎসঃ পরিবেশ রসায়ন, রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯১৪.
কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর সময় কোন শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. বৈদ্যুতিক শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা

• জ্বালানিতে সঞ্চিত শক্তি রাসায়নিক শক্তি।

• জ্বালানি ও শক্তির ব্যবহার:

- রান্নার কাজে আমরা জ্বালানি হিসেবে কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করি।
- কাঠ বা প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালে এর ভেতরে সঞ্চিত রাসায়নিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপশক্তির ব্যবহার:

- কাঠ পোড়ালে যে তাপ উৎপন্ন হয়, সেই তাপ ব্যবহার করে—
- রান্না করা হয়,
- ইটের ভাটা ও
- ইস্পাত বা সিরামিক শিল্পে বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হয়।
 
• শিল্পক্ষেত্রে জ্বালানির ব্যবহার:

- লোহা, ইস্পাত ও সিরামিক শিল্পে প্রচুর তাপশক্তির প্রয়োজন হয়।
এক্ষেত্রে—
- কয়লা,
- পেট্রোলিয়াম এবং
- প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি খনিজ জ্বালানি তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়।
 
• যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর:

- তাপ ইঞ্জিনে জ্বালানি দহন চেম্বারে পোড়ানোর ফলে যে তাপশক্তি উৎপন্ন হয়, তা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
এই যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে—
- মোটরগাড়ি,
- জাহাজ,
- বিমান এবং
- রেলগাড়ি চালানো হয়।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,৯১৫.
মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে কী বলে?
  1. ভিনেগার 
  2. ফরমালিন
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট 
  4. অ্যাসিটোন
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালিন
ব্যাখ্যা

মিথান্যালের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 

ফরমালিন (Formalin):

- ফরমালডিহাইড অর্থাৎ মিথান্যাল (Methanal)-এর ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- অর্থাৎ এতে থাকে ৪০ ভাগ মিথান্যাল এবং ৬০ ভাগ পানি।
- এটি একটি সংরক্ষণকারী পদার্থ, যা বিভিন্ন মৃত প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

রেকটিফাইড স্পিরিট (Rectified Spirit):
- এটি ৯৫.৬% ইথানল এবং ৪.৪% পানির মিশ্রণ।
- এটি সাধারণত জীবাণুনাশক, ঔষধ প্রস্তুতি এবং পরীক্ষাগারে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভিনেগার (Vinegar):
- (৬ - ১০)% ইথানোয়িক অ্যাসিডের (Ethanoic acid) জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়।
- এটি খাদ্য সংরক্ষণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৯১৬.
রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত তরলের নাম কোনটি?
  1. ক) ইথেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) রেয়ন
  4. ঘ) ফ্রেয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেয়ন
ব্যাখ্যা
১৯২৭ সালে প্রথম আধুনিক ব্যক্তিগত রেফ্রিজারেটর বাজারে আনে মার্কিন প্রতিষ্ঠান জেনারেল ইলেকট্রিক। আধুনিক রেফ্রিজারেটরগুলোতে ফ্রেয়ন এর বদলে টেট্রাফ্লুরোইথেন নামে একটি গ্যাস ব্যবহার করা হয় যেটা পরিবেশ বান্ধব। ফ্রেয়ন ওজোন স্তর ধংসের জন্য দায়ী।
৩,৯১৭.
নিউটনের গতিসূত্রের প্রথমটি কোন রাশি সম্পর্কে ধারণা দেয়?
  1. সরণ
  2. জড়তা
  3. ত্বরণ
  4. ভরবেগ
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
নিউটনের গতিসূত্র: 
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর ধারণার উপর ভিত্তি করে স্যার আইজ্যাক নিউটন গতির সূত্রগুলো প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ভর, গতি এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে স্যার আইজাক নিউটন তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন যা তাঁর অমর গ্রন্থ ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া ম্যাথমেটিকাতে ১৬৮৭ খ্রিঃ প্রকাশিত হয়। 
- এই সূত্র তিনটি নিউটনের গতিসূত্র নামে পরিচিত। 
প্রথম সূত্র: 
- "বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম বেগে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে (১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং (২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 
- নিউটনের গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তা-ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চাওয়ার এই প্রবণতাকে জড়তা বলা হয়। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতির পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 
- যখন বস্তুর উপর বাহ্যিক লব্ধি বল প্রযুক্ত হয়। 
- নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র হতে ভরবেগের পরিবর্তন, বলের অভিমুখ, বলের পরিমাপ, বল ও ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক এবং বলের একক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

তৃতীয় সূত্র: 
- প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৮.
রংধনুতে সবুজ রঙের পাশের দুটি রঙ কি কি?
  1. ক) সবুজ ও লাল
  2. খ) আসমানী ও হলুদ
  3. গ) নীল ও কমলা
  4. ঘ) বেগুনী ও লাল
সঠিক উত্তর:
খ) আসমানী ও হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আসমানী ও হলুদ
ব্যাখ্যা

রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ সবুজ রঙের দুই পাশের দুইটি রং হলো- আসমানী এবং হলুদ।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৯১৯.
ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস কী? 
  1. আইসোমার
  2. আইসোটোন
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ। 
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়। 
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়। 
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়। 
60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯২০.
COD দ্বারা কোন পদার্থের জারনকে নির্দেশ করে?
  1. জৈব
  2. অজৈব
  3. জৈব ও অজৈব উভয়ই
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জৈব ও অজৈব উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব ও অজৈব উভয়ই
ব্যাখ্যা
দূষিত পানিতে উপস্থিত জৈব পদার্থকে অণুজীব যেমন: ব্যাকটেরিয়া দ্বারা বিয়োজনের জন্য যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে সংক্ষেপে বলা হয় B.O.D ।
BOD দ্বারা শুধু জৈব পদার্থ জারিত হয়। 
এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে - Biochemical Oxygen Demand( প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা)

COD দ্বারা জৈব ও অজৈব উভয় পদার্থ জারিত হয়।
এ কারণে কোন পানির নমুনার BOD অপেক্ষা COD এর মান বেশি। 
এর পূর্ণ রূপ - Chemical Oxygen Demand

উৎস - HSC Program, রসায়ন ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯২১.
গরম তরকারির বাটি থেকে চামচের মাধ্যমে তাপ কোন পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) পরিচলন
  3. গ) বিকিরণ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবহন
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যাওয়ার এই পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে। 
- তাপ সঞ্চালন তিনভাবে হয়। 
যথা-
১। পরিবহন,
২। পরিচলন ও
৩। বিকিরণ। 

তাপ পরিবহন:
- গরম তরকারির বাটি থেকে চামচের মাধ্যমে তাপ পরিবহন পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়। 
- এ পদ্ধতিতে কঠিন পদার্থে তাপ সঞ্চালিত হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন করতে পারে না। 
- তারা কেবল নিজেদের স্থানে থেকে দোল খেতে পারে। 
- কঠিন পদার্থে গরম কণাগুলো দোল খেয়ে পাশের ঠান্ডা কণাকে তাপ দিয়ে দেয়। 
- পাশের ঠান্ডা কণাটি গরম হয়ে তার পাশের ঠাণ্ডা কণাকে তাপ দেয়। 
- এভাবে কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন না করে তাপকে গরম প্রান্ত থেকে ঠাণ্ডা প্রান্তে নিয়ে যায়। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে ধাতব পদার্থগুলো যেমন লোহা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা এগুলো দ্রুত তাপ পরিবহন করে। 
- তাই রান্নার জন্য ধাতুর তৈরি হাঁড়ি ব্যবহার করা হয়। 
- অধাতু যেমন কাঠ, সুতি কাপড়, মাটি এসব তাপ পরিবহন করে খুবই কম। 
- তাই গরম হাড়ি ধরার জন্য আমরা কাপড়ের টুকরা ব্যবহার করি। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৯২২.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই?
  1. ইট
  2. অ্যামোনিয়া
  3. পারদ
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯২৩.
তাপমাত্রা প্রতি 1°C বাড়লে শব্দের বেগ কতটুকু বেড়ে যায়?
  1. 0.06 ms-1
  2. 0.6 ms-1
  3. 0.01 ms-1
  4. 0.1 ms-1
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) 0.6 ms-1

শব্দের বেগের পরিবর্তন:
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms-1 নির্দিষ্ট।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন-
১. বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1,
২. পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং
৩. লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২৪.
নিচের কোনটি লাইম ওয়াটার?
  1. ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
  2. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
  3. ক্যালসিয়াম অক্সাইড এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
  4. ক্যালসিয়াম বাইকার্বোনেটের এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সম্পৃক্ত জলীয় দ্রবণ
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি --> ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
Ca(OH)2, স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত। এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে। স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2, পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
আর, পানিতে Ca(OH)2, এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৯২৫.
একটি বই টেবিলের উপর স্থির আছে। বইটির উপর অভিকর্ষজ বল ও টেবিলের প্রতিক্রিয়া বল সমান ও বিপরীতমুখী হলে বইটির অবস্থা কী হবে?
  1. বেগ বৃদ্ধি পাবে
  2. সমবেগে চলবে
  3. ত্বরণ শূন্য থাকবে
  4. ঘূর্ণন শুরু করবে
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ শূন্য থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বরণ শূন্য থাকবে
ব্যাখ্যা

• ত্বরণ শূন্য থাকবে — অভিকর্ষজ বল ও টেবিলের প্রতিক্রিয়া বল সমান ও বিপরীতমুখী হলে লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য হয়, ফলে বস্তু সমতাবস্থায় থাকে।

• বল:
- কোনো স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায়, অথবা গতিশীল বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়—তাকে বল বলা হয়।
- বল বস্তুর আকার পরিবর্তনও করতে পারে।
- বল একটি ভেক্টর রাশি।

• সমবল ও অসমবল:
- একাধিক বল ক্রিয়া করে যদি লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য হয়, বস্তু সমতাবস্থায় থাকে।
- সমতাবস্থায় ত্বরণ শূন্য।
- লব্ধবল (Resultant Force) শূন্য না হলে ত্বরণ সৃষ্টি হয়।

• অভিকর্ষজ বল ও প্রতিক্রিয়া বল:
- অভিকর্ষজ বল → পৃথিবীর আকর্ষণে বস্তুর ওজন।
- প্রতিক্রিয়া বল → টেবিলের দ্বারা উপরের দিকে প্রয়োগকৃত বল।
- দুই বল সমান ও বিপরীতমুখী হলে বস্তু স্থির থাকে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৩,৯২৬.
তেজস্ক্রিয় কোন রশ্মিকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. আলফা রশ্মি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
-  আসলে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- কাজেই গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)। 
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান। 
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়। 
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না। 
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়। 
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

অন্যদিকে, 
- আলফা রশ্মি কিংবা বিটা রশ্মিকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯২৭.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ পরিমাপ করা যায়? 
  1. স্ক্রু গজ
  2. স্ফেরোমিটার
  3. স্লাইড ক্যালিপার্স
  4. ভার্নিয়ার স্কেল
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
ব্যাখ্যা
স্ফেরোমিটার (Spherometer): 
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়। 
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার। 
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- এটি তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। 
- বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে, 
R = {(d2/6h) + (h/2)}
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা। 

অন্যদিকে, 
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৩,৯২৮.
অর্ধপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী এবং অন্তরক পদার্থের মাঝামাঝি।
  2. শক্তি ব্যান্ড কাঠামো অন্তরক পদার্থের অনুরূপ।
  3. নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের মান অন্তরক পদার্থের তুলনায় অনেক বেশি।
  4. কক্ষ তাপমাত্রায় যোজন ব্যান্ড প্রায় পূর্ণ এবং পরিবহন ব্যান্ড প্রায় খালি থাকে।
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের মান অন্তরক পদার্থের তুলনায় অনেক বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের মান অন্তরক পদার্থের তুলনায় অনেক বেশি।
ব্যাখ্যা

ব্যান্ড তত্ত্বের আলোকে পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী ও অন্তরক - 

পরিবাহী:
- যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে।
- যেমন: তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী।
- পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। 

অন্তরক বা অপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক বলে।
- শক্তি ব্যান্ডের আলোকে, অন্তরক পদার্থের যোজন ব্যান্ড ইলেকট্রন দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পূর্ণ থাকে এবং পরিবহন ব্যান্ড সম্পূর্ণ ফাঁকা থাকে।
- এ ছাড়া যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি ব্যবধান অনেক বেশি হয়। 

অর্ধপরিবাহী:
- অর্ধপরিবাহী হলো সেই সব পদার্থ, যাদের তড়িৎ পরিবাহিতা পরিবাহী এবং অন্তরক পদার্থের মাঝামাঝি।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের শক্তি ব্যান্ড কাঠামো অন্তরক পদার্থের অনুরূপ।
- কিন্তু অর্ধপরিবাহী পদার্থের নিষিদ্ধ শক্তি ব্যবধানের মান অন্তরক পদার্থের তুলনায় অনেক কম।
- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড প্রায় পূর্ণ এবং পরিবহন ব্যান্ড প্রায় খালি থাকে।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২৯.
বডিস্প্রের কনটেইনার থেকে গ্যাসীয় পদার্থ কোন প্রক্রিয়ায় বাইরে বেরিয়ে আসে?
  1. ক) ব্যাপন
  2. খ) অভিশ্রবণ
  3. গ) নিঃসরণ
  4. ঘ) প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
গ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
বডিস্প্রের কনটেইনার থেকে গ্যাসীয় পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া হলো নিঃসরণ। আর পরবর্তীতে বডিস্প্রের সুগন্ধ বাতাসের মাধ্যমে কক্ষের সর্বত্র ছড়িইয়ে পড়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায়।

ব্যাপন:

- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপনের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ:
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৩,৯৩০.
কোন পদার্থটি বোতলে রেখে দিলে সম্পূর্ণ বোতল জুড়ে থাকবে?
  1. পানি
  2. বাতাস
  3. দুধ
  4. পাউডার
সঠিক উত্তর:
বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস
ব্যাখ্যা
- যদি সমপরিমাণ বাতাস দুইটি বোতলে রাখা হয় তাহলে তা ছোট বোতলের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ বোতল জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ বাতাস বড় বোতলে রাখলেও তা সম্পূর্ণ বোতল জুড়ে থাকবে। 

কঠিন পদার্থ: 

- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি আছে, কোনো বস্তু যতটুকু জায়গা দখল করে সেটিই ঐ বস্তুর আয়তন। 
- সকল কঠিন বস্তুই জায়গা দখল করে, তাই সকল কঠিন বস্তুরই আয়তন আছে। 
- কঠিন পদার্থের আয়তন ও আকার সহজে পরিবর্তন করা যায় না। 
- এরা যথেষ্ট দৃঢ় অর্থাৎ এদের দৃঢ়তা আছে। তবে কিছু কিছু কঠিন পদার্থের দৃঢ়তা কম। 
যেমন: সরিষার দানা, ভাত, কলা ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আকৃতি নেই, এটি যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আকৃতি ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে, কারণ কঠিন পদার্থের মতো এরাও জায়গা দখল করে। 
- এদের আয়তন পরিমাপ করা যায়। পাত্রভেদে আকৃতি পরিবর্তন হলেও আয়তন কিন্তু একই থাকে। 
- যেহেতু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আকৃতি নেই, আকৃতি পরিবর্তনশীল, সেহেতু বলা যায় যে এরা কঠিন পদার্থের মতো দৃঢ় নয়, অর্থাৎ তরল পদার্থের দৃঢ়তা নেই। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থ যেমন- বাতাসের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- একই পরিমাণ গ্যাস ছোট পাত্রে রাখলে এর আয়তন কম হয় আবার বড় পাত্রে রাখলে এর আয়তন বেশি হয়। 
যেমন- যদি সমপরিমাণ গ্যাস দুইটি সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে তা ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ গ্যাস বড় সিলিন্ডরে রাখলেও তা সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে। অর্থ্যাৎ, গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন। 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই, দৃঢ়তা তো একবারেই নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৩,৯৩১.
হাইড্রোজেনের মোট আইসোটোপ সংখ্যা কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- হাইড্রোজেনের মোট ৭টি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে, যার মধ্যে শুধু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে ৩টি (হাইড্রোজেন বা প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম) আইসোটোপ এবং অন্যগুলো ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। 
- প্রকৃতিতে পাওয়া তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান, তাই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- এখন পর্যন্ত ৩০০০ সংখ্যক থেকে বেশি আইসোটোপ সম্পর্কে জানা গেছে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৩২.
এসিডের একটি ধর্ম হলো -
  1. ক) এরা লাল লিটমাসকে নীল করে
  2. খ) এরা নীল লিটমাসকে লাল করে
  3. গ) এরা নীল লিটমাসকে সাদা করে
  4. ঘ) এরা লাল লিটমাসকে হলুদ করে
সঠিক উত্তর:
খ) এরা নীল লিটমাসকে লাল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এরা নীল লিটমাসকে লাল করে
ব্যাখ্যা

সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত,
এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত,
এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে,
এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে,
লঘু এসিড ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৯৩৩.
জুলের তৃতীয় সূত্র কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) তড়িৎ প্রবাহ
  2. খ) রোধ
  3. গ) সময়
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সময়
ব্যাখ্যা
জুলের তাপীয় ক্রিয়া:
কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে ব্যয়িত তড়িৎ শক্তির কিছু অংশ পরিবাহীর রোধ অতিক্রম করার কাজে ব্যাহত হয়। এই ব্যয়িত শক্তি পরিবাহীতে তাপশক্তিরূপে প্রকাশ পায় এবং পরিবাহী উত্তপ্ত হয় । এই প্রক্রিয়াকে তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া বা জুলের তাপীয় ক্রিয়া বলে ।

জুলের তিনটি সূত্র হলো :

প্রথম সূত্র–প্রবাহের সূত্র:
পরিবাহীর রোধ (R) এবং প্রবাহকাল (t) অপরিবর্তিত থাকলে তড়িৎপ্রবাহের ফলে উদ্ভূত তাপ (H) প্রবাহের (1) বর্গের সমানুপাতিক। অর্থাৎ H ∝ I2 , যখন R ও t ধ্রুব।

দ্বিতীয় সূত্র—রোধের সূত্র:
প্রবাহ (I) এবং প্রবাহকাল । অপরিবর্তিত থাকলে তড়িৎপ্রবাহের ফলে উদ্ভূত তাপ (H) পরিবাহীর রোধের (R) সমানুপাতিক হয়। অর্থাৎ H ∝ R, যখন I ও t ধ্রুব।

তৃতীয় সূত্র
সময়ের সূত্র:
প্রবাহ (I) এবং পরিবাহীর রোধ (R) অপরিবর্তিত থাকলে তড়িৎপ্রবাহের ফলে উদ্ভূত তাপ (H) প্রবাহকালের (t) সমানুপাতিক হয়। অর্থাৎ, H ∝ t, যখন I ও R ধ্রুব।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, ড.শাহজাহান তপন ।
৩,৯৩৪.
এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান-
  1. ১৪.৭ কেজি/সে. মি.
  2. ১.০৩৩ কেজি/মি.
  3. ১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
  4. ১ কেজি/মি.
সঠিক উত্তর:
১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ atm = ১০১৩২৫ Pa (প্যাসকেল) 

১ Pa = ১ Nm- 2
∴ ১০১৩২৫ Pa = ১০১৩২৫ Nm- 2
 
কোন কিছুর ভর ১ kg হলে তার ওজন ৯.৮ N হয়।

তাই নিচের অংশটুকু আমরা কেবল মাত্র একক পরিবর্তনের জন্য বিবেচনা করব, যা বাস্তবিক অর্থে সমান নয়। 
৯.৮ N ওজন = ১ kg ভর  
∴ ১০১৩২৫ N ওজন = (১০১৩২৫ × ১)/৯.৮ kg ভর 
= ১০৩৩৯.২৮৬ kg ভর

∴ ১০১৩২৫ Nm- 2 = ১০৩৩৯.২৮৬ kg/m2 = ১০৩৩৯.২৮৬ kg/(১০০ × ১০০) cm2 [১ m = ১০০ cm ]
= ১.০৩৩৯২৮৬ kg/cm2

∴ এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমান ১.০৩৩ কেজি/সে. মি.
৩,৯৩৫.
কোনটি থার্মোপ্লাস্টিক পলিমার?
  1. পলিথিন
  2. ব্যাকেলাইট
  3. ফাইবার গ্লাস
  4. মেলামাইন
সঠিক উত্তর:
পলিথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিথিন
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম পলিমার:
• পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার।
যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি।
- গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যেমন-
• থার্মোপ্লাস্টিক পলিমার:
- এটি সহজেই গলানো ও পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত প্লাস্টিক ব্যাগ, বোতল, পাইপ, তারের আবরণে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নরম ও নমনীয় (flexible) হওয়ায় সহজে আকৃতি পরিবর্তন করা যায়।
- উদাহরণ: পলিপ্রোপিলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড, পলিস্টাইরিন, পলিথিন

• থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক:

- থার্মোসেটিং প্লাষ্টিকের ক্ষেত্রে এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়।
- তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়।
যেমন- ব্যাকেলাইট,মেলামাইন, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৬.
মেন্ডেলিফ ও লোথার মেয়ারের পর্যায় সূত্র অনুযায়ী- মৌল সমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলী উহাদের ____________সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
  1. পারমাণবিক সংখ্যার
  2. ইলেক্ট্রন সংখ্যার
  3. পারমাণবিক ভরের
  4. আণবিক ভরের
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভরের
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণি সম্পর্কিত সূত্রসমূহ:
- আধুনিক পর্যায় সারণি: বিজ্ঞানী বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলে। এ পর্যায় সারণিতে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ বর্তমান।
- ত্রয়ী সূত্র: ত্রয়ী সূত্রগুলোর মাধ্যমে মৌলের পারমাণবিক ভর দলের অপর দুটি মৌলের গড় পারমাণবিক ভরের সমান এবং ত্রয়ী মৌল তিনটির পারমাণবিক ভরের পার্থক্য একটি ধ্রুবক।

- মেন্ডেলিফ ও লোথার মেয়ারের পর্যায় সূত্র: মৌল সমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলী উহাদের পারমাণবিক ভরের সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
- আধুনিক পর্যায় সূত্র: মৌল সমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলী তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৭.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে কারণ-
  1. ক) সরকারি নির্দেশ
  2. খ) দূর থেকে চোখে পড়বে বলে
  3. গ) তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
  4. ঘ) দেখতে সুন্দর লাগে
সঠিক উত্তর:
গ) তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
ব্যাখ্যা
কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি।
চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমান তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হবে।
সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক; কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম।
অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩,৯৩৮.
প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায় বেগ ও ত্বরণের মধ্যবর্তী কোণ কত হবে?
  1. 120° কোণ
  2. 180° কোণ
  3. 90° কোণ
  4. 45° কোণ
সঠিক উত্তর:
90° কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
90° কোণ
ব্যাখ্যা

• প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায়, উল্লম্ব বেগের উপাদান শূন্য হয়ে যায়, কিন্তু অনুভূমিক বেগের উপাদান স্থির থাকে। ফলে, এই বিন্দুতে প্রজেক্টাইলের বেগ শুধুমাত্র অনুভূমিক দিকে ক্রিয়া করে। অন্যদিকে, অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) সর্বদা উল্লম্বভাবে নীচের দিকে ক্রিয়া করে। যেহেতু বেগ ভেক্টরটি অনুভূমিক এবং ত্বরণ ভেক্টরটি উল্লম্বভাবে নিচের দিকে, তাই তাদের মধ্যবর্তী কোণ 90° হয়।
 সুতরাং, প্রদত্ত অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 90° কোণ।

 
• প্রাস:
- কোনো একটি বস্তুকে অনুভূমিকের সাথে তির্যকভাবে উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হলে তাকে প্রাস বলে। আর এই ধরনের গতিকে প্রাসের গতি বলে।
- প্রাসের গতিপথ একটি অধিবৃত্ত।
- প্রাসের গতি দ্বিমাত্রিক গতি।
- প্রাস সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌছালে এর বেগ সর্বনিম্ন হয়।

• সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা (Maximum Horizontal Range):
- নিক্ষিপ্ত বস্তু সর্বাধিক যে অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে আদি উচ্চতায় ফিরে আসে তাকে সর্বাধিক অনুভূমিক পাল্লা বলে।
- নির্দিষ্ট বেগে নিক্ষিপ্ত একটি বস্তু বা প্রাস সর্বাধিক অনুভূমিক দূরত্ব অতিক্রম করে যখন বস্তুটি অনুভূমিকের সাথে 45° কোণে নিক্ষিপ্ত হয়।

• প্রজেক্টাইলের সর্বাধিক উচ্চতায় বেগ ও ত্বরণের মধ্যবর্তী কোণ:
- প্রজেক্টাইলের ভরের উপর ক্রিয়াশীল একমাত্র ত্বরণ হলো গুরুত্বাকর্ষণ ত্বরণ, যা সর্বদা নিচের দিকে নির্দেশিত থাকে।
- সর্বাধিক উচ্চতায় প্রজেক্টাইলের উল্লম্ব বেগ শূন্য হয়, কারণ এটি ভূপৃষ্ঠের সমান্তরাল হয়ে যায়।
- যেহেতু ত্বরণ নিচের দিকে থাকে এবং উল্লম্ব বেগ শূন্য, তাই বেগ ও ত্বরণের মধ্যে কোণ 90° হবে।
- অর্থাৎ, সর্বাধিক উচ্চতায় প্রজেক্টাইলের ভেক্টর এবং ত্বরণের দিক পরস্পরের লম্ব হয়।
- এটি প্রজেক্টাইল গতির মৌলিক বৈশিষ্ট্য এবং সব ধরনের ভগ্নাংশীয় বা তির্যক প্রক্ষেপণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), ড. শাহজাহান তপন।

৩,৯৩৯.
চৌম্বকে পরিণত করা সম্ভব কোনটিকে?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) রুপা
  4. ঘ) স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
খ) লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লোহা
ব্যাখ্যা
লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। ফেরো চৌম্বক পদার্থের পরমাণু তথা অণুসমূহের প্রত্যেকের নীট্ চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। কিন্তু দ্বিপোলগুলো স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করে না। এই দ্বিপোলগুলো বিভিন্ন ডোমেইন- এ বিভক্ত থাকে।

সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এইচএসসি প্রোগ্রাম
৩,৯৪০.
একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহীর সমন্বয়ে গঠিত p-n জাংশনকে বলা হয়- 
  1. ট্রান্সফর্মার
  2. ডায়োড
  3. ট্রানজিস্টার
  4. ক্যাপাসিটর
সঠিক উত্তর:
ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়োড
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৪১.
এন্টাসিড জাতীয় ঔষধের রাসায়নিক সংকেত নিচের কোনটি?
  1. ক) H2CO3
  2. খ) NaHCO3
  3. গ) CH3-COOH
  4. ঘ) Na2CO3
সঠিক উত্তর:
খ) NaHCO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) NaHCO3
ব্যাখ্যা
সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট:

- এন্টাসিড জাতীয় ঔষধের রাসায়নিক সংকেত NaHCO3 বা সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট। 

- আমাদের পাকস্থলির দেয়াল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) উৎপন্ন করে। এ হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবারের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকারক অণুজীবকে মেরে ফেলে এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে।
- পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে বুক জ্বালা ও গলায় জ্বালাপোড়া অনুভব হয়।
- অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করতে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) অথবা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবন করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- লেবুতে, জলপাই, করমচা, আমলকি ও কাঁচা আমড়ায় থাকে সাইট্রিক এসিড। 
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- বিভিন্ন রকমের সফট ড্রিংকস পাওয়া যায় কার্বনিক এসিড (H2CO3)-এর দ্রবন।
- টকদই এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক এসিড

তথ্যসূত্র - রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৪২.
নিচের কোন শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়?
  1. কয়লা 
  2. সৌর শক্তি
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা

- 'সৌর শক্তি' উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়, কারণ এটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস যার দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:  
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। 
- এটি সাধারণত পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়। 
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না। 
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। 
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৩.
তড়িৎ ক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
  1. ক) P = V / I
  2. খ) P = V2R
  3. গ) P = VI
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) P = VI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) P = VI
ব্যাখ্যা
আমরা যখন বিভব বা পটেনশিয়াল আলোচনা করছিলাম তখন দেখেছি পটেনশিয়াল প্রয়োগ করে চার্জকে সরানো হলে কাজ করা হয় বা শক্তি ক্ষয় হয়। তাই যদি একটা সার্কিটে v বিভব প্রয়োগ করে Q চার্জকে সরানো হয় তাহলে কাজের পরিমাণ বা শক্তি প্রয়োগের পরিমাণ,
W = VQ জুল 
ক্ষমতা P হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে কাজ করার ক্ষমতা, কাজেই যদি t সময়ে Q চার্জ সরানো হয়ে থাকে তাহলে,
P
= W/t
= VQ/t
= VI watt 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
৩,৯৪৪.
মানুষের ত্বকের জন্য আদর্শ pH মান কত? 
  1. 3.5
  2. 4.0
  3. 5.5
  4. 7.0
সঠিক উত্তর:
5.5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5.5
ব্যাখ্যা

প্রসাধনী: 
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH মান 5.5 । 
- ত্বকের pH মান 5.5 থেকে 6.5 এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে। 
- ত্বকের pH মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। 
- মানুষের মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল, এর pH মান হলো 5.0 । 
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH মান 5.5 এর কাছাকাছি থাকাই উচিত। 
- চুলের pH মান 6 এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৫.
মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা কত?
  1. ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz
  2. ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz
  3. ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz
  4. ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
সঠিক উত্তর:
২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার পাল্লা বা সীমা: উৎসের কম্পাঙ্ক 20Hz থেকে 20,000Hz এর মধ্য থাকলে মানুষ সে শব্দ শুনতে পায়। একে শ্রাব্যতার পাল্লা বলা হয়।

• 20Hz এর কম কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দেতর তরঙ্গ ও,
• 20,000Hz এর বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলা হয়।
• মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা-  ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz;
• কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা- ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz;
• বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা- ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz;
• ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা- ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz;
• বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা- ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৯৪৬.
সবচেয়ে ভালো তাপ পরিবাহক হচ্ছে?
  1. ক) লোহা
  2. খ) তামা
  3. গ) সীসা
  4. ঘ) ব্রোঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তামা
ব্যাখ্যা
- পরিবহন এবং পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, এবং এই দুই পদ্ধতিতে মাধ্যমকে উত্তপ্ত করে তাপ সঞ্চালন করতে হয়।
- তামার মধ্যে পরিবহন এবং পরিচলন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বেশি থাকে।লোহা, সীসা ও ব্রোঞ্জের তুলনায়।
- তাই তামা সবচেয়ে ভালো তাপ পরিবাহক।
-  তামা সহজলভ্য বলে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে তামার ব্যবহার বেশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
৩,৯৪৭.
কোন ধরনের তরঙ্গ সুস্পন্দ বিন্দু ও নিস্পন্দ বিন্দু সৃষ্টি করে?
  1. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  2. অগ্রগামী তরঙ্গ
  3. স্থির তরঙ্গ
  4. দীঘল তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
স্থির তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থির তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
 স্থির তরঙ্গ: 
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয়, তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। 
- দুই প্রান্তে বাঁধা একটি টান টান করা তারের যেকোনো স্থানে টোকা দিলে বা সামান্য টেনে ছেড়ে দিলে অগ্রগামী তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। তরঙ্গটি তার বেয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হয়। এবং অপর প্রান্ত হতে প্রতিফলিত হয়ে মূল তরঙ্গের উপর আপতিত হয়। মূল তরঙ্গ এবং প্রতি ফলিত তরঙ্গ দুটির বিস্তার এবং কম্পাঙ্ক অভিন্ন। এদের মধ্যে দশার পার্থক্য 180°, এরা সম বেগে বিপরীত দিক থেকে এসে একে অপরের উপর আপতিত হয়ে স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি করেছে। 


সুস্পদ বিন্দু: 
- যে সকল বিন্দুতে আন্দোলন সর্বাধিক সেই সব বিন্দুতে লব্ধি বিস্তার সর্বোচ্চ অর্থাৎ, A = ±2a, সেই সব বিন্দুতে সুস্পন্দ তৈরি হবে। 

নিস্পন্দ বিন্দু:
- যে সকল বিন্দুতে cos kx বা  cos (2πx/λ = 0 সে সকল বিন্দুতে A = 0 হবে, অর্থাৎ সে সকল বিন্দুতে তরঙ্গেও বিস্তার A = 0 বা তরঙ্গের কোন স্পন্দন নাই। ঐ বিন্দুগুলিতে নিস্পন্দ তৈরি হবে। 

স্থির তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের স্থির বিন্দুগুলি ছাড়া অন্য সকল কণাই পর্যাবৃত্ত গতি লাভ করে। স্থির বিন্দুগুলি নিস্পন্দ বিন্দু। 
২. স্থির বিন্দু ছাড়া অন্যান্য বিন্দুর কণাগুলির দোলন কাল বা স্পন্দন সমান হলেও বিস্তার সমান নয়। 
৩. যে বিন্দুতে বিস্তার সর্বাধিক তাদের সুস্পব্দ বিন্দু বলে। স্থির বিন্দুগুলিকে নিস্পন্দ বিন্দু বলে। 
৪. পাশাপাশি দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী সকল কণা একই দশায় থাকে। 
৫. প্রত্যেক পূর্ণ কম্পনে কণাগুলো দু'বার সাম্য অবস্থানে আসে। 
৬. পরপর তিনটি নিস্পন্দ বিন্দু বা তিনটি সুম্পন্দ বিন্দুর মধ্যের দূরত্বই স্থির তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৪৮.
কোনটি জারক হিসেবে কাজ করে? 
  1. Cl2
  2. H2
  3. Na
  4. H2S
সঠিক উত্তর:
Cl2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl2
ব্যাখ্যা

জারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- O2, Cl2, F2, H2SO4, HNO3, H2O2, SO2 ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

বিজারক পদার্থ: 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। 
- এছাড়াও Mg, Ca, H2S, H2O2, SO2 প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য, 
- H2O2 সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- SO2 একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।

৩,৯৪৯.
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে কী বলে?
  1. ক) সোলার প্যানেল
  2. খ) সান সান সিস্টেম মডেল
  3. গ) লুনার প্যানেল
  4. ঘ) সোলার সিস্টেম মডেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোলার সিস্টেম মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোলার সিস্টেম মডেল
ব্যাখ্যা
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে একে সোলার সিস্টেম মডেল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৯৫০.
তড়িৎ কোষে লবণ সেতু ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
  2. খুব দ্রুত চার্জের ভারসাম্য বজায় রাখতে
  3. সাম্যাবস্থা অর্জন করতে
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে
ব্যাখ্যা
লবণ সেতু
- ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন এর আয়নীয় গতিবেগ সমান এমন একটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের জলীয় দ্রবণে আগর আগর জেলি মিশিয়ে উত্তপ্ত করে পরে ঠান্ডা করে লবণ সেতু বা সল্ট ব্রিজ তৈরি করা হয়। 
- লবণ সেতু ছাড়া যদি কোনও পূর্ণাঙ্গ তড়িৎ রাসায়নিক কোষ তৈরি করা হয়, তবে একটি দ্রবণ দ্রুত ধনাত্বক চার্জ সংগ্রহ করবে এবং অন্যটি নেগেটিভ চার্জ জমা করবে এবং শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতের উৎপাদন থামিয়ে দেবে।
- লবণ সেতুর উদ্দেশ্য হ'ল বৈদ্যুতিক রাসায়নিক বিক্রিয়াকে খুব দ্রুত ভারসাম্য বজায় রাখা থেকে বিরত রাখা।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে তড়িৎ কোষে লবণ সেতু ব্যবহার করা হয়। 
- লবণ সেতুর লবণের আয়নগুলো তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষের উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলাচল করে।
- আয়নগুলো দ্রবণের সাথে কোন প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া করেনা।
- জারণ অর্ধকোষে উৎপন্ন ধনাত্মক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ঋনাত্মক আয়ন ব্যপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- একইভাবে বিজারণ অর্ধকোষে ঋনাত্বক আয়ন বৃদ্ধি পেলে লবণ সেতু হতে ধনাত্মক আয়ন ব্যপন প্রক্রিয়ায় দ্রবণে প্রবেশ করে চার্জের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ফলে উভয় অর্ধকোষের দ্রবণে তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় থাকে। 

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন (হাজারী-নাগ)।
৩,৯৫১.
কোন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. নীল
  2. লাল
  3. আসমানী
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) লাল

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4 x 10-7 m থেকে 7 × 10-7 m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৫২.
স্ফুটনের জন্য তাপ-
  1. ক) সরিয়ে নিতে হয়
  2. খ) কমিয়ে দিতে হয়
  3. গ) বাড়িয়ে দিতে হয়
  4. ঘ) কোনোটাই না
সঠিক উত্তর:
গ) বাড়িয়ে দিতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাড়িয়ে দিতে হয়
ব্যাখ্যা
স্ফুটনের জন্য তাপ দিতে হয় এবং ঘনীভবনের জন্য সরিয়ে নিতে হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৯৫৩.
ইউরিয়ার কার্যকারিতায় কোন এনজাইম ভূমিকা রাখে? 
  1. ল্যাকটেজ 
  2. অ্যামিলেজ
  3. ইউরিয়েজ 
  4. প্রোটিনেজ 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়েজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়েজ 
ব্যাখ্যা

ইউরিয়া [(NH2)2C=O]: 
- উদ্ভিদের মৌলিক পুষ্টি উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব দূর করার জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। 
- ইউরিয়ার রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [(NH2)2C=O] । 
- মাটিতে ইউরিয়েজ নামক এক প্রকার এনজাইম ইউরিয়াকে ধীরে ধীরে বিয়োজিত করে এ্যামোনিয়া ও কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত করে
- উৎপন্ন এ্যামোনিয়া মাটিতে উপস্থিত পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড উৎপন্ন করে।
- এ্যামোনিয়াম হাইড্রোঅক্সাইড পানিতে আংশিক বিয়োজিত হয় ও আয়ন উৎপন্ন করে।
- উদ্ভিদ আয়ন পুষ্টি উপাদান হিসেবে শোষণ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৫৪.
"বিশ্বের যাবতীয় বস্তু এটম নামক খুবই ক্ষুদ্র কণিকার সমন্বয়ে গঠিত" – এই ধারণা প্রদান করেন -
  1. ক) রাদারফোর্ড
  2. খ) ডাল্টন
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) ডেমেক্রিটাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেমেক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডেমেক্রিটাস
ব্যাখ্যা
খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমেক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘এটম'।
৩,৯৫৫.
চারটি মৌলিক বল তার বর্তমান রূপ লাভ করে কখন?
  1. ক) কোয়ার্ক কালে
  2. খ) মেসন কাল
  3. গ) ল্যাপটন কাল
  4. ঘ) স্ট্রিং কালে
সঠিক উত্তর:
ক) কোয়ার্ক কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোয়ার্ক কালে
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং এর পরে

10-12s থেকে 10-6s

সময়কালকে কোয়ার্ক কাল বলে, এই সময়েই চারটি মৌলিক বল তাদের বর্তমান রুপ লাভ করে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,৯৫৬.
কোনটির মধ্যে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না?
  1. ক) প্লুটোনিয়াম
  2. খ) কার্বন - ১৪
  3. গ) টাইটেনিয়াম
  4. ঘ) ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) টাইটেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টাইটেনিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা 
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
- যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

- কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে- কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪।
- এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
- কার্বন-১৪ (14) ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।
- টাইটেনিয়ামে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয় না।

সূত্র:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৭.
Fe(OH)2 একটি -
  1. ক্ষার
  2. ক্ষারক
  3. সবল এসিড
  4. দুর্বল এসিড
সঠিক উত্তর:
ক্ষারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষারক
ব্যাখ্যা

Fe(OH)2 এ OH- মূলক থাকলে ও পানিতে দ্রবণীয় নয় তাই এটি ক্ষারক কোন যৌগ ক্ষার হবার ২টি শর্ত রয়েছে।
যথা - ১. যৌগটিতে হাইড্রোক্সাইড OH- যৌগমূলক থাকতে হবে।
২. ঐ যৌগটি পানিতে দ্রবীভূত হতে হবে Fe(OH)2 ক্ষার নয়, ক্ষারক।
[উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই।]

৩,৯৫৮.
ফেনা ভাসমান পদ্ধতি কোন ধরনের আকরিকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্লোরাইড আকরিক
  2. হাইড্রোক্সাইড আকরিক
  3. অক্সাইড আকরিক
  4. সালফাইড আকরিক
সঠিক উত্তর:
সালফাইড আকরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফাইড আকরিক
ব্যাখ্যা
আকরিক ঘনীকরণ: 
- বিচূর্ণকৃত আকরিক থেকে খনিজমল সাধারণত ভৌত পদ্ধতিতে দূর করে আকরিক ঘনীকরণ করা হয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাসায়নিক পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়। 
- আকরিকের প্রকৃতি অনুসারে আকরিক ঘনিকরণে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
যেমন- 
অভিকর্ষ বলের সাহায্যে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিকের আপেক্ষিক গুরুত্ব খনিজমল থেকে আপেক্ষিক গুরুত্ব থেকে বেশি হয় তবে এ পদ্ধতিতে ঘনীকরণ করা হয়। 
- বিচূর্ণকৃত আকরিককে প্রবাহমান পানি দ্বারা আলোড়িত বা ধৌত করা হয়। ফলে হালকা খনিজমল প্রবাহমান পানির সাথে চলে যায় এবং ভারি আকরিক সঞ্চিত থাকে। এতে আকরিক ঘনীভূত হয়। 

ফেনা ভাসমান পদ্ধতিতে ঘনীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক সালফাইড হিসেবে থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- একটি বড় পাত্রে বিচূর্ণকৃত সালফাইড আকরিক নিয়ে তাতে পানি ও অল্প পরিমাণ উপযুক্ত তেল যোগ করা হয়। অতপর পানির মধ্যে বায়ু প্রবাহিত করা হয়, ফলে সালফাইড আকরিকসমূহ তেলে সিক্ত হয়ে পানির উপর ফেনা আকারে ভেসে উঠে। এবার ফেনাসহ আকরিক পৃথক করে নেওয়া হয় এবং পাত্রে খনিজমল পড়ে থাকে। 

চৌম্বক পৃথকীকরণ: 
- যদি ধাতুর আকরিক অথবা খনিজমল কোন একটির চৌম্বক ধর্ম থাকে তবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
- এই পদ্ধতিতে দুইটি চাকতিতে স্থাপিত একটি চলমান বেল্টে উপর থেকে বিচূর্ণকৃত আকরিক ফেলা হয়। বেল্টটি চলমান হওয়ায় বিচূর্ণকৃত আকরিক বাহিরের দিকের চাকতিটি পার হয়ে ছিটকে পড়তে থাকে। 
- বাহিরের চাকতিটি চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট রাখা হয়। ফলে চৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতির কাছে এবং অচৌম্বক ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ চাকতি থেকে দূরে ছিটকে পড়ে। 

রাসায়নিক পদ্ধতি: 
- কিছু কিছু আকরিকের বৈশিষ্ট্য যদি এমন হয় যে, এর সাথে মিশ্রিত খনিজমল কোন দ্রাবকের সাহায্যে দ্রবীভূত করে দূরিভূত করা যায় তবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।
- এই পদ্ধতিতে কোন একটি উপযুক্ত দ্রবক দ্বারা দ্রবীভূত করে আকরিকের মধ্য থেকে কাঙ্ক্ষিত একটি উপাদানকে পৃথক করা হয়।
- পরবর্তিতে দ্রবণ থেকে রাসায়নিক পদ্ধতিতে আকরিক পৃথক করা হয়।
যেমন- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক থেকে খনিজমল দূর করার জন্য কস্টিক সোডা (NaOH) যোগ করে ১২০০-২০০০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে বক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে যায় এবং খনিজমল অদ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। অতপর দ্রবণ ছেঁকে খনিজমল দূর করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৯.
বায়োমাস শক্তির প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কার্বন ও হাইড্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  3. কার্বন ও নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
কার্বন ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে। এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস।
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৬০.
টমেটোতে প্রধানত কোন এসিড পাওয়া যায়?
  1. টারটারিক এসিড
  2. অ্যাসিটিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. স্যালিসাইক্লিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা
• টমেটোতে থাকে ম্যালিক এসিড।

• বিভিন্ন জৈব এসিড:
- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড।
- স্যালিসাইক্লিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৩,৯৬১.
একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ বাতাস বা অক্সিজেন ছাড়া কতক্ষণ বাঁচতে পারে?
  1. ক) ৩০-৪০ সেকেন্ড
  2. খ) ৪০-৫০ সেকেন্ড
  3. গ) ১ মিনিট
  4. ঘ) ১.৫ মিনিট
  5. ঙ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০-৫০ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০-৫০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ বাতাস বা অক্সিজেন ছাড়া ৪০-৫০ সেকেন্ড বাঁচতে পারে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৯৬২.
শব্দের বেগ ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড হলে, প্রতিফলনের ন্যূনতম কোন দূরত্বে প্রতিধ্বনি শোনা যাবে?
  1. ৩৩ মিটার
  2. ১১ মিটার
  3. ১৭.৫ মিটার
  4. ১৬.৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৫ মিটার
ব্যাখ্যা
আমরা যখন কোন শব্দ শুনি তার অনুভূতি মস্তিষ্কে ০.১ সেকেন্ড সময় পর্যন্ত থেকে যায়। তাই দুটি শব্দ আলাদাভাবে শুনতে হলে দুটি শব্দের মাঝে কমপক্ষে ০.১ সেকেন্ডের একটি ব্যবধান থাকা দরকার।
শব্দের বেগ ৩৩০ m/s হলে ০.১ সেকেন্ডের ব্যবধান তৈরি করতে শব্দকে কমপক্ষে ৩৩ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে হবে। তাই উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব এর অর্ধেক (১৬.৫ মিটার) হলে, শব্দটি গিয়ে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড সময় লাগবে এবং আমরা প্রতিধ্বনি শুনতে পাব।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৬৩.
NaHCO3 -কীসের সংকেত?
  1. ক) বেকিং পাউডার
  2. খ) সোডিয়াম কার্বনেট
  3. গ) সালফিউরিক এসিড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) বেকিং পাউডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেকিং পাউডার
ব্যাখ্যা
- বেকিং পাউডারের রাসায়নিক সংকেত হলো NaHCO3  ।
- সোডিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত হলো Na2CO3 যা ওয়াশিং সোডা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- সালফিউরিক এসিড রাসায়নিক সংকেত হলো H2SO।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৬৪.
কোন ধরনের পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে? 
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. গ্যাসীয়
  4. বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন উভয়ই থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি এ সকল তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৫.
পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না-
  1. মহাকর্ষ বলের জন্য
  2. মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
  3. আমরা স্থির থাকার জন্য
  4. পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
ব্যাখ্যা
- মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না। 
- কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা নিজের দিকে টানে তাকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- যে বস্তুর ভর যত বেশি, তার মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততই বেশি। 
- চাঁদ পৃথিবীর চেয়ে ছোট ও তার ভর কম হওয়ায় পৃথিবীর চেয়ে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কম। 
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা নিচের দিকে যত যেতে থাকব, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিও ততটাই কমতে থাকবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৬৬.
পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ-
  1. পেট্রোল পানির সাথে মিশে যায়
  2. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
  3. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
  4. খ ও গ উভয়ই ঠিক
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই ঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই ঠিক
ব্যাখ্যা
- পেট্রোল একধরনের প্রাকৃতিক হাইড্রোকার্বন যা পানির চেয়ে অনেক হালকা। 
- এজন্য পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে পানি নিচে চলে যায় এবং তা পেট্রোলের সাথে মিশে না। 
- পেট্রোল উপরে উঠে আগুন জ্বলতেই থাকে। 
- পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রােলের আগুন নেভানো যায় না। 
৩,৯৬৭.
একটি ট্রানজিস্টরে কতটি p-n জাংশন থাকে?
  1. ১টি 
  2. ২টি 
  3. ৩টি 
  4. ৪টি 
সঠিক উত্তর:
২টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি 
ব্যাখ্যা
◉ একটি বাইপোলার জাংশন ট্রানজিস্টর (BJT) দুই ধরনের হয় — NPN ও PNP. একটি ট্রানজিস্টর মূলত দুটি p-n জাংশন দ্বারা গঠিত হয়।

ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। 
যথা: ইমিটার, বেস এবং কালেক্টর। 
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)। 
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়। 
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে। 
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক। 
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৮.
নিচের কোনটি প্রবাহী?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) বায়বীয়
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা


উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩,৯৬৯.
আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার একটি উদাহরণ কোনটি? 
  1. সালোকসংশ্লেষণ
  2. বৈদ্যুতিক পাখা ঘোরা
  3. চিমনির কাচ গরম হওয়া
  4. ট্রান্সফরমারে বিদ্যুৎ রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
চিমনির কাচ গরম হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিমনির কাচ গরম হওয়া
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তির রূপান্তর: 
আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি: 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে চিত্র তৈরি হয়। 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মে সিলভার ব্রোমাইড (AgBr) বা সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) থাকে, যা আলোর সংস্পর্শে এলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে। 
- ফলে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → তাপ শক্তি: 
- হারিকেনের চিমনির কাচ স্পর্শ করলে গরম লাগে, কারণ আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

আলোক শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি: 
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য উৎপন্ন হলে পরে তা গ্রহণকারী প্রাণীর দেহে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৯৭০.
নিচের কোনটি এমপ্লিফায়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) ডায়োড
  4. ঘ) মাল্টিপ্লাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র,যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার, সেলুলার ফোন এবং অন্য সকল আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়।
দ্রুত সাড়া প্রদানের ক্ষমতা এবং সঠিক সম্পূর্ণ সঠিকভাবে কার্য সাধনের ক্ষমতার কারণে এটি আধুনিক ডিজিটাল বা অ্যানালগ যন্ত্রপাতি তৈরীতে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩,৯৭১.
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর সাধারণত কি গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
আর্গন: 
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। 
- তাছাড়া বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর সাধারণত নাইট্রোজেন এবং মাঝে মাঝে আর্গন (Ar) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল অ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৯৭২.
নিচের কোনটি নীল লিটমাসকে লাল করে?
  1. এসিড
  2. ক্ষার
  3. ক্ষারক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড
ব্যাখ্যা
এসিড:
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়।
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. এসিড স্বাদে টক।
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী।

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৭৩.
এক হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
  1. ৭৮৬
  2. ৭৪৬
  3. ৭৪৮
  4. ৭৬৪
সঠিক উত্তর:
৭৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪৬
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 

অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৪.
৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ৩০ দিন জ্বললে কত তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে?
  1. ক) ৬ ইউনিট
  2. খ) ৭ ইউনিট
  3. গ) ৮ ইউনিট
  4. ঘ) ৯ ইউনিট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯ ইউনিট
ব্যাখ্যা

৬০ ওয়াটের একটি বাল্ব (P = ৬০W) প্রতিদিন ৫ ঘণ্টা করে ৩০ দিন (t=30 x 5 hour) জ্বললে তড়িৎ শক্তি ব্যয় হবে-
আমরা জানি, ব্যয়িত শক্তি
= (P x t) / ১০০০ ইউনিট
= ৬০x(৩০ x ৫) / ১০০০ ইউনিট
= ৯ ইউনিট.

উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

৩,৯৭৫.
নিচের কোনটির ভর সবচেয়ে কম?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
- পরমাণু মূলত ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন কণিকা দিয়ে গঠিত।
- প্রোটন ও নিউট্রন দিয়ে গঠিত নিউক্লিয়াস পরমাণুর কেন্দ্রে খুব স্বল্প স্থান নিয়ে অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন ও প্রোটন চার্জিত কণা। 
- ইলেকট্রনের ভর সবচেয়ে কম। 
- প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের ভরের 1836 গুণ।
- নিউট্রনের ভর ইলেকট্রনের ভরের 1839 গুণ ।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কোনো নিউট্রন নেই, শুধু একটি প্রোটন আছে।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৯৭৬.
রংধনু কিভাবে তৈরি হয়?
  1. আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণের মাধ্যমে
  2. আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
  3. কেবল আলোর প্রতিফলনের মাধ্যমে
  4. কেবল আলোর বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• রংধনু তৈরি হয় আলোর প্রতিসরন, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরনের মাধ্যমে।

• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে (θc) আপতিত হয় তখন প্রতিসরণের পরিবর্তে আলোক রশ্মি সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমের অভ্যন্তরে প্রতিফলনের সূত্রানুযায়ী প্রতিফলিত হয়। এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন বলে।

•  আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য:
- পাকা রাস্তায় বা মরুভূমিতে মরীচিকার সৃষ্টি হয়।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে এন্ডোস্কোপির ব্যবহার।
- পদ্মপাতার উপর জলবিন্দুকে মুক্তোর মতো দেখায়।
- হীরক উজ্জ্বল দেখায়।
- রংধনু তৈরি হয় আলোর প্রতিসরন, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৭৭.
নিচের কোনটি এক্সরে রশ্মির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এটি তাড়িত চৌম্বক তরঙ্গ
  2. এটি সরল পথে গমন করে
  3. এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
  4. এটি আলোক তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শন করে
সঠিক উত্তর:
এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
ব্যাখ্যা
এক্সরের ধর্মঃ
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৮.
যদি একটি ডিসি মোটর-এর Speed বেড়ে যায়, তবে তার আর্মেচার কারেন্ট-
  1. বেড়ে যায়
  2. কমে যায়
  3. একই থাকে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে যায়
ব্যাখ্যা
যখন একটি DC মোটরের গতি বাড়ানো হয়, তখন আর্মেচার কারেন্ট কমতে থাকে। এটি আর্মেচার উইন্ডিংয়ে উত্পন্ন back electromotive force(EMF) এর কারণে হয়ে থাকে। 

তাছাড়া, 
ডিসি মোটর এর ক্ষেত্রে, 
E ∝ N 

সুতরাং, Speed বেড়ে গেলে E এর মান বাড়ে। 

আবার, 
E = V - IaRa

E এর মান বেড়ে গেলে Ia এর মান কমবে। 
৩,৯৭৯.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. f = c/λ
  2. E = hf
  3. E = hc/λ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ঘ) উপরের সবগুলো 

• ফোটন কণা:
 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে। 

• প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ
বা, E = hf 
বা, E = h × c/λ 
E = hc/λ 

এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৮০.
নিচের কোন শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা যায়?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. কয়লা
  3. খনিজ তেল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- 'জলবিদ্যুৎ' শক্তিকে সবুজ শক্তি বলা যায় কারণ এটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশবান্ধব ও বারবার ব্যবহার করা হয়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা - 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তি (সবুজ শক্তি)ও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮১.
নিচের কোন কয়লায় কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি? 
  1. অ্যানথ্রাসাইট
  2. বিটুমিনাস
  3. লিগনাইট
  4. কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ রকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। 
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ। পরবর্তীতে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। যথা: 
১। অ্যানথ্রাসাইট: অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
২। বিটুমিনাস: বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
৩। লিগনাইট: লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৮২.
ইথিলিন থেকে কী পাওয়া যায়?
  1. ক) পলিথিন
  2. খ) PVC
  3. গ) নাইলন ৬ঃ৬
  4. ঘ) পলিপ্রপিন
সঠিক উত্তর:
ক) পলিথিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পলিথিন
ব্যাখ্যা
ইথিলিন থেকে পলিথিন  পাওয়া যায়। 
ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 
 
অথবা

তবে উচ্চ চাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতি টি জনপ্রিয় নয়। এখন টাইটেনিয়াম ট্রাই ক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পলিথিন তৈরি হয়। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৩,৯৮৩.
কোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় -
  1. ক) চৌম্বক মেরু
  2. খ) চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  3. গ) চৌম্বক অক্ষ
  4. ঘ) চৌম্বক মধ্যতল
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক অক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক অক্ষ
ব্যাখ্যা

চুম্বক:
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে।
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায় ।

চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব।
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। 

• চৌম্বক মেরু (Magnetic pole):
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে।
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মের° N ও S দেখানো হয়েছে।


N = North Pole (উত্তরমেরু)
S = South Pole (দক্ষিণমেরু)। 

• চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis):
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।
- চিত্রে AB দন্ডচুম্বকের অক্ষ। 

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length):
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে।
- চিত্রে NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

• চৌম্বক মধ্যতল (Magnetic meridian):
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে।

• ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographical meridian):
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে।
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৩,৯৮৪.
কোনটি একটি দ্বিপরমাণুক অণু হিসেবে পরিচিত?
  1. CO2
  2. CH4
  3. O3
  4. O2
সঠিক উত্তর:
O2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O2
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৮৫.
রেললাইনের ফিস প্লেট কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ট্রেনের গতিবেগ নিয়ন্ত্রণ করে
  2. খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
  3. গ) উষ্ণতার কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া নিবারণ করে
  4. ঘ) রেলকে সমদূরত্বে রাখে
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি রেলকে সংযুক্ত করে
ব্যাখ্যা
- রেললাইনের ফিস প্লেট দুইটি রেলকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। 
- ফিস প্লেট (Fish plate) এর অপর নাম Joint Bar. কারণ ইহা রেলের এক প্রান্তকে অপর প্রান্তের সাথে সংযোগ করে। 
 
 
৩,৯৮৬.
কোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলে-  
  1. টিনপ্লেটিং
  2. ভলকানাইজিং
  3. গ্যালভানাইজিং
  4. ইলেকট্রোপ্লেটিং 
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানাইজিং
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে। 
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। 
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯৮৭.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব কত মিটার? 
  1. ১৬.৬ মিটার
  2. ১৪.৮ মিটার
  3. ১৮.৬ মিটার
  4. ১৯.৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮৮.
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ-
  1. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
  3. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
  4. বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
ব্যাখ্যা
• কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান।

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- ঘনত্বের একক kgm3.
- ঘনত্বের মাত্রা ML-3.
- যখন কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান হয়, তখন বস্তুটি পানিতে নিরপেক্ষ ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- অর্থাৎ, বস্তুটি পানিতে পুরোপুরি ডুবে থাকে কিন্তু কোনো দিকে ভেসে ওঠে না বা নিচে ডুবে যায় না। এই অবস্থায় বস্তুর ওজন এবং পানির বুয়েন্ট ফোর্স একে অপরের সমান হয়।
- যদি কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বস্তুটি পানির নিচে ডুবে যাবে।
- যদি কো্নো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হয়, তাহলে বস্তুটি পানির উপর ভেসে উঠবে
- আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে, কোনো বস্তুকে পানিতে ডুবালে বস্তুটি তার ওজনের সমান পরিমাণ পানিকে স্থানচ্যুত করে। যদি বস্তুর ঘনত্ব পানির সমান হয়, তাহলে বস্তুটি সম্পূর্ণভাবে পানিতে ডুবলেও সেটা পানির মধ্যে একই স্থানে অবস্থান করবে।

উৎস:
১. Principles of Physics by David Halliday, Robert Resnick, and Jearl Walker.
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮৯.
NaCl যৌগে নিচের বিক্রিয়াটি - 
  1. জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
  2. বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া
  3. জারণ বিজারন বিক্রিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ অর্ধ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও
যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

NaCl যৌগেঃ


উৎস - নবম দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৩,৯৯০.
সাবানকে শক্ত করতে কোন যৌগ ব্যবহার করা হয়?
  1. গ্লিসারিন
  2. সোডিয়াম সিলিকেট
  3. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম সিলিকেট
ব্যাখ্যা

সাবান:
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- 'সোডিয়াম সিলিকেট' সাবানকে শক্ত করতে ব্যবহার করা হয়

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৯৯১.
৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে কী বলে?
  1. রেক্টিফাইড স্পিরিট
  2. ফরমালিন
  3. ভিনেগার
  4. ক্লোরোপিক্রিন
সঠিক উত্তর:
রেক্টিফাইড স্পিরিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেক্টিফাইড স্পিরিট
ব্যাখ্যা
প্রাত্যহিক জীবনে রসায়ন:

• ক্লোরোফরমের রাসায়নিক সংকেত: CHCl3 (চেতনানাশক রূপে ব্যবহৃত হয়)।
• ক্লোরোফরমের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় কাঁদুনে গ্যাস বা ক্লোরোপিক্রিন তৈরি হয়।
• ফল পাকানোর জন্য দায়ী ইথিলিন (CH2=CH2)
• ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেক্টিফাইড স্পিরিট বলে।
• ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
• পিঁপড়ার কামড়ের সময় পিঁপড়ার লালার সাথে ফরমিক এসিড বা মিথানোয়িক এসিড নিঃসৃত হয়।
• অ্যাসিটিক এসিডের ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে।
• পাকা কলায় এমাইল এসিটেট এস্টার থাকে।
• কঁচুতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকার কারণে কঁচু খেলে গলা চুলকায়।

 উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই।
৩,৯৯২.
Among these materials, which is classified as a paramagnetic material?
  1. Iron
  2. Cobalt
  3. Oxygen
  4. Nickel
  5. All are paramagnetic materials
সঠিক উত্তর:
Oxygen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxygen
ব্যাখ্যা
• ডায়া চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• প্যারা চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরো চৌম্বক পদার্থ:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৩.
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৩
  2. খ) ৪৭
  3. গ) ৭৯
  4. ঘ) ১২
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৭
ব্যাখ্যা
আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩।
সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা ৪৭। 
গোল্ডের পারমাণবিক সংখ্যা ৭৯। 
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
৩,৯৯৪.
শূন্য মাধ্যমে তাপ সঞ্চালিত হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) পরিচালন
  3. গ) বিকিরণ
  4. ঘ) সঞ্চালন
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
ব্যাখ্যা
তাপ তিনটি পদ্ধতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে। যথা:
পরিবহন: পরিবহন পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলো কোনো স্থান পরিবর্তন না করে তাপ উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চারিত হয়। যেমন—একটি লোহার দণ্ডের এক প্রান্ত আগুনে ধরে অন্য প্রান্ত হাত দিয়ে ধরলে দেখা যাবে, হাতে ধরা প্রান্ত ধীরে ধীরে গরম হয়ে উঠছে। কিছুক্ষণ পর এত গরম হবে সে আর ধরে রাখা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চারিত হয়।
পরিচলন: পরিচলন পদ্ধতিতে পদার্থের উত্তপ্ত কণাগুলো নিজেরাই স্থান পরিবর্তন করে উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে তাপ বয়ে নিয়ে যায়। যেমন—একটি কাচের পাত্রে পানি নিয়ে এর সঙ্গে কিছু রং মিশিয়ে পাত্রের তলায় তাপ প্রয়োগ করলে দেখা যাবে যে পাত্রের তলা থেকে রঙিন পানির স্রোত উপরের দিকে উঠে যায়, অন্য একটি স্রোত নিচে নেমে আসে। এর ফলে সব পানি উত্তপ্ত হয়।
বিকিরণ: বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ কোনো জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই অথবা মাধ্যম থাকলে তাকে উত্তপ্ত না করে উষ্ণতর বস্তু থেকে শীতলতর বস্তুতে সঞ্চারিত হয়। শূন্য মাধ্যমে তাপ বিকিরণ পদ্ধতির সাহায্যে সঞ্চালিত হয়। যেমন: সূর্য থেকে তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে পৌঁছায়।বিকিরণের সময় তাপ তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান ৭ম শ্রেণী।
৩,৯৯৫.
পৃথিবীতে বিদ্যমান শক্তির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ভূ-তাপীয় শক্তি
  2. সূর্য কিরণ
  3. জলবিদ্যুৎ 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
সূর্য কিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য কিরণ
ব্যাখ্যা

সৌরশক্তি: 
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলে সৌরশক্তি।
- সূর্য হচ্ছে সকল শক্তির উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার প্রায় সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস) প্রকৃত পক্ষে বহু দিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি। 
- প্রাচীনকাল থেকে মানুষ সূর্য কিরণকে সরাসরি ব্যবহার করছে কোনো কিছু শুকানোর কাজে। 
- বর্তমানে সূর্যের শক্তিকে সবসময় ব্যবহারের জন্য মানুষ নানান রকম উপায় অবলম্বন করছে। 
- লেন্স বা দর্পণের সাহায্যে সূর্য রশ্মিকে অভিসারী করে আগুন জ্বালানো যায়। 
- সৌরচুল্লির সাহায্যে সূর্য কিরণকে প্রতিফলিত করে গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহার করা যায়। 
- শীত প্রধান দেশে ঘরবাড়ি গরম করার কাজে সৌরশক্তিকে ব্যবহার করা হয়। 
- সৌর শক্তি ব্যবহার করে হিটার ও কুকার ব্যবহার করা যায়। 
- আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে সৌরকোষ। 
- সৌরকোষের বৈশিষ্ট্য হলো এর উপর সূর্যের আলো পড়লে এ থেকে সরাসরি তড়িৎ পাওয়া যায়। সৌরকোষের নানা রকম ব্যবহার রয়েছে। 
- সৌরশক্তি পরিবেশ বান্ধব, এটির ব্যবহারে পরিবেশ দূষিত হয়না। 
- সৌরশক্তির শেষ হবার কোন সম্ভাবনা নেই, এ শক্তির তাই প্রচলিত শক্তির উৎস জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা খুব বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৯৬.
কোনটি বলের একক নয়?
  1. ক) ডাইন
  2. খ) নিউটন
  3. গ) পাউন্ডাল
  4. ঘ) জুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুল
ব্যাখ্যা
• বলের  এককসমূহ:
- ডাইন,
- নিউটন,
- পাউন্ডাল।

• ১ ডাইন = ০.০০০০১ নিউটন। 

==========
- জুল হলো কাজ/শক্তি/তাপের একক।
৩,৯৯৭.
আইসোবারের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
  2. প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন
  3. নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
  4. ইলেকট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন
সঠিক উত্তর:
ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
ব্যাখ্যা

• যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা (প্রোটন + নিউট্রন) সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদের একে অপরের আইসোবার বলা হয়।

• আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার।
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

• আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়।

• আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৯৮.
মায়োপিয়া (Myopia) কী?
  1. এক প্রকার হাতের রোগ
  2. এক প্রকার হৃদরোগ
  3. এক প্রকার হাড়ের রোগ
  4. এক প্রকার চোখের রোগ
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার চোখের রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক প্রকার চোখের রোগ
ব্যাখ্যা
- মায়োপিয়া (Myopia) হচ্ছে এক প্রকার চোখের রোগ যার ফলে চোখ কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না। 

হ্রস্বদৃষ্টি বা ক্ষীণদৃষ্টি (Myopia): 
- মানুষ যখন তার চোখ দ্বারা কাছের জিনিস দেখতে পায় কিন্তু দূরের জিনিস স্পষ্ট দেখতে পায় না, তখন চোখের এই ত্রুটিকে 
হ্রস্বদৃষ্টি বা মায়োপিয়া বলা হয়। 
- এক্ষেত্রে চোখের দুর বিন্দুটি অসীম দূরত্ব অপেক্ষা কিছুটা নিকটে অবস্থান করে এবং বস্তুটিকে স্পষ্ট দৃষ্টির নূন্যতম দূরত্ব হতে আরও কাছে আনলে স্পষ্ট দেখা যায়। - সাধারণত অক্ষিগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়। 
- চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতা বেড়ে গেলে এই ধরনের ত্রুটি দেখা দেয়।
- দূরের বস্তু হতে নির্গত আলোক রশ্মিগুচ্ছ চোখের লেন্সে প্রতিসরিত হয়ে রেটিনার সামনে কোনো বিন্দুতে প্রতিবিম্ব গঠন করে, এজন্য লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৯.
এক্সরে উৎপাদনে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. ক্যাথোড রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাথোড রশ্মি
ব্যাখ্যা

Cathode rays focused on a hard target (anticathode) produce X-rays or focused on a small object in a vacuum generate very high temperatures (cathode-ray furnace). When cathode rays strike certain molecules used to coat a cathode screen, they cause the molecules (and hence the screen) to emit light.

Source: britannica.com

৪,০০০.
কোনটি উভধর্মী অক্সাইড? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. জিংক অক্সাইড
  3. কার্বন মনো-অক্সাইড
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
জিংক অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিংক অক্সাইড
ব্যাখ্যা
অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3)। 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন- অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো-অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।