বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৯ / ৬৪ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ৬,৪০৯

৩,৮০১.
টেলিস্কোপে মূলত কোন ধরনের আয়না ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল আয়না
  2. সমতল আয়না
  3. অবতল আয়না
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অবতল আয়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবতল আয়না
ব্যাখ্যা
উত্তল আয়না: 
- উত্তল আয়নায় যেহেতু সোজা এবং ছোট প্রতিবিম্ব তৈরি করা যায়, তাই বড় কোনো দৃশ্যকে ছোট জায়গায় দেখতে হলে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- গাড়ির দক্ষ ড্রাইভাররা গাড়ি চালানোর সময় সব সময় পেছনে কী হচ্ছে তা দেখার জন্য গাড়ির ড্রাইভারের সামনে রিয়ার ভিউ মিরর থাকে। এই মিররগুলোতে উত্তল আয়না ব্যবহার করা হয় যেন ছোট একটা আয়না দিয়েই গাড়ির ড্রাইভাররা পেছনের বড় একটা জায়গা দেখতে পারেন। 

অবতল আয়না: 
- অবতল আয়নার সবচেয়ে বড় ব্যবহার হচ্ছে টেলিস্কোপে। 
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সুক্ষ্ম টেলিস্কোপে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
- টেলিস্কোপের দায়িত্ব অনেক, কম আলোতেও স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করা। 
- সেজন্য অবতল আয়নার আকার যত বড় হবে, সেটি তত বেশি আলো সংগ্রহ করে তত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি করতে পারবে। 
- অবতল আয়নার আরেকটি ব্যবহার হচ্ছে আলোকের সমান্তরাল বিম বা রশ্মি গুচ্ছ তৈরি করা। 
- জাহাজ বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়। 
- আলোর উৎসটুকু থাকে ফোকাস বিন্দুতে, তাই সেটি অবতল আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে সমান্তরাল বিম হিসেবে বের হয়ে যায়। 
- দৈনন্দিন কাজে যে টর্চলাইট ব্যবহার করা হয় সেখানেও বাল্বটি রাখা হয় একটি অবতল আয়নার ফোকাস বিন্দুতে। 
- অবতল আয়নায় ফোকাস দূরত্বের ভেতরে কিছু থাকলে যেহেতু সোজা এবং বড় প্রতিবিম্ব তৈরি হয় তাই কোনো কিছু বড় করে দেখতে হলেও অবতল আয়না ব্যবহার করা হয়।
- ডাক্তার কিংবা ডেন্টিস্টরা তাই অনেক সময়ই কিছু দেখার জন্য অবতল আয়না ব্যবহার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮০২.
যে পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে কী বলা হয়?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

আইসোবার:
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

আইসোটোন:
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়

আইসোমার:
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮০৩.
১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ৩৬.৮৭
  2. ৩৭.৮৭
  3. ৩৬.৭৮
  4. ৩৭.৭৮
সঠিক উত্তর:
৩৭.৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৭৮
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক:
C/5 = (F - 32)/9 [ এখানে, C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]
এখন,
C/5 = (F - 32)/9
⇒ C/5 = (100 - 32)/9
⇒ C/5 = 68/9
⇒ 9C = 340
⇒ C = 340/9
∴ C = 37.78
∴ ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রা = ৩৭.৭৮° ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩,৮০৪.
ধানের ক্ষেতে যে ঢেউ সৃষ্টি হয় সেটা কী ধরণের তরঙ্গ?
  1. ক) লম্বিক তরঙ্গ
  2. খ) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. গ) আড় তরঙ্গ
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
গ) আড় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
ধানক্ষেতে বাতাস প্রবাহের ফলে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে ধানের শীষগুলো সাম্য অবস্থানে থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু, তরঙ্গ উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয়, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।
স্প্রিং এর তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ ইত্যাদি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এস.এস.সি. প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৫.
অভিস্রবনে কোনটির স্থানান্তর ঘটে?
  1. দ্রবণ
  2. দ্রাবক
  3. দ্রব
  4. প্রথমে দ্রব ও এরপর দ্রাবক
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবনে দ্রবণের দ্রাবক অণুর স্থানান্তর ঘটে। 

• অভিস্রবণ:

- অভিস্রবণ (Osmosis) হল একটি ভৌত প্রক্রিয়া, যেখানে একটি অর্ধভেদ্য পর্দা (semi-permeable membrane) দিয়ে ঘেরা দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ এর মধ্যে দ্রাবক (যেমন: পানি) কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের দিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে (spontaneously) চলাচল করে। 

• অভিস্রবণের বৈশিষ্ট্য:
→ অর্ধভেদ্য পর্দা:
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার জন্য একটি অর্ধভেদ্য পর্দা অপরিহার্য। এই পর্দা শুধুমাত্র দ্রাবক অণুগুলোকে (যেমন: পানি) চলাচল করতে দেয়, কিন্তু দ্রবীভূত পদার্থ (যেমন: লবণ) চলাচল করতে দেয় না।
→ ঘনত্বের পার্থক্য:
- দ্রবণ দুটির মধ্যে দ্রাবকের ঘনত্বের পার্থক্য থাকতে হবে। অভিস্রবণ প্রক্রিয়া এই পার্থক্যের কারণে ঘটে।
- যতক্ষণ পর্যন্ত উভয় দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এই চলাচল  চলতে থাকে।
→ স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া:
- অভিস্রবণ একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রক্রিয়া, অর্থাৎ এখানে কোনো বাহ্যিক শক্তির প্রয়োজন হয় না।
→ ব্যাপনের একটি প্রকার:
- অভিস্রবণ মূলত ব্যাপন প্রক্রিয়ার একটি বিশেষ রূপ, যেখানে দ্রাবক অণুগুলি চলাচল করে।  
→ অভিস্রবণের গুরুত্ব:  
- উদ্ভিদের শিকড় দিয়ে পানি শোষণ, কোষের অভ্যন্তরে পানি চলাচল, এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় অভিস্রবণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

তথ্যসূত্র:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, NCTB।
৩,৮০৬.
পিরিডক্সিনের অন্য নাম কোনটি?
  1. ভিটামিন বি১২
  2. ভিটামিন বি২
  3. ভিটামিন বি৫
  4. ভিটামিন বি৬
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন বি৬
ব্যাখ্যা
ভিটামিন B কমপ্লেক্স:
- পানিতে দ্রবণীয় ১২টি ভিটামিন B রয়েছে।
- ভিটামিনের এই গুচ্ছকে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলা হয়। 
- দেহের বৃদ্ধি, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কাজ, দেহকোষে বিপাকীয় কাজ, প্রজনন ইত্যাদি সম্পন্ন করার জন্য খাদ্যে ভিটামিন B কমপ্লেক্সের উপস্থিতি অতি আবশ্যক।

থায়ামিন(ভিটামিন বি১): 
♦ উৎস:
আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ ইত্যাদি। 
♦ অভাবজনিত রোগ:
বেরিবেরি, অরুচি, ওজনহীনতা।

রাইবোফ্ল্যাভিন(ভিটামিন বি২):
♦ উৎস: যকৃৎ, দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি। 
♦ অভাবজনিত রোগ: 
- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
- চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
- এর অভাবে তীব্র আলোতে চোখ খুলতে অসুবিধা হয়।

নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড(ভিটামিন বি৩):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, আটা, ডাল, বাদাম, তেলবীজ, ছোলা, শাক- সবজি।
♦ অভাবজনিত রোগ: 
- এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়। পেলেগ্রা রোগে ত্বকে রঞ্জক পদার্থ জমতে শুরু হয় এবং সূর্যের আলোয় দ্রুত বৃদ্ধি পায়। | ফলে ত্বকে লালচে দাগ পড়ে এবং ত্বক খস খসে হয়ে যায়।
- এছাড়া জিভে রঞ্জক পদার্থ জমে জিভের এট্রোফি হয়।

পিরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬)
♦ উৎস: চাল, আটা, মাছ, মাংস, শাক- সবজি, ছোলা, ছত্রাক, বৃক্ক, ডিমের কুসুম।
♦ অভাবজনিত রোগ :
অরুচি, বমিভাব, অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়। 

কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (ভিটামিন বি১২):
♦ উৎস: মাংস, যকৃৎ, দুধ ইত্যাদি 
♦ অভাবজনিত রোগ :
- রক্তশূন্যতা,
- স্নায়বিক অবক্ষয়।
৩,৮০৭.
মৌলের প্রতীক কোনটি নির্দেশ করে?
  1. মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
  2. মৌলের একটি পরমাণু
  3. মৌলের একটি অণু
  4. মৌলের পারমাণবিক ভর
সঠিক উত্তর:
মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
ব্যাখ্যা
মৌলের প্রতীক (Symbol of Elements):
রসায়নে প্রতিটি মৌলের পরমাণুকে একটি প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। ভিন্ন ভিন্ন পরমাণুর প্রতীক ভিন্ন ভিন্ন হয়।
যে কোনাে মৌলের পরমাণুর পূর্ণ নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলে।

উৎসঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৮.
কোন রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা কম? 
  1. বেগুনি 
  2. সাদা 
  3. কালো 
  4. হলুদ 
সঠিক উত্তর:
সাদা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা 
ব্যাখ্যা

তাপ শোষণ ক্ষমতা: 
​- সাদা রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম, কারণ সাদা রঙের বস্তু তার উপর আপতিত প্রায় সমস্ত আলো বা তাপ বিকিরণ করে। 
- ফলে গরমের সময় সাদা কাপড় পরলে আরাম পাওয়া যায়।
- অপরদিকে কালো রঙের বস্তু বা কাপড়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- কালো রঙের বস্তু বা কাপড় তাপ বিকিরণ করতে পারে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮০৯.
মানুষ কোন কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে? 
  1. ৩০ Hz থেকে ৩০,০০০ Hz 
  2. ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
  3. ৪০ Hz থেকে ৫০,০০০ Hz 
  4. ৬০ Hz থেকে ৫০,০০০ Hz 
সঠিক উত্তর:
২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz 
ব্যাখ্যা

রেডিও: 
- রেডিও সম্প্রচার স্টেশনের স্টুডিওতে যখন কেউ মাইক্রোফোনে কথা বলে, তখন সেই শব্দ বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তরিত হয়।
- আমরা ২০ Hz থেকে ২০,০০০ Hz কম্পাঙ্ক পর্যন্ত শুনতে পারি।
- তাই  বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তরিত সিগন্যালটিও এই কম্পাঙ্কের হয়। 
- এটিকে পাঠানোর জন্য উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এই উচ্চ কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বাহক তরঙ্গ বলে।
- বাহক তরঙ্গের সাথে যুক্ত করার এই প্রক্রিয়াটিকে মডুলেশন বলা হয়।
- গ্রাহক যন্ত্রের ভেতর যে এন্টেনা থাকে সেটি এই রেডিও তরঙ্গকে বিদ্যুৎ তরঙ্গে রূপান্তর করে নেয়।
- এরপর প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করে বাহক তরঙ্গ থেকে আলাদা করে নেওয়া হয়- এই প্রক্রিয়াটিকে ডিমডুলেশন বলা হয়।
- ডিমডুলেটেড বৈদ্যুতিক সিগন্যালটিকে এমপ্লিফায়ার দিয়ে বিবর্ধন করে শোনার জন্য স্পিকারে পাঠানো হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮১০.
ডিটারজেন্ট নিচের কোনটি থেকে তৈরি হয়?
  1. ক) সাবান
  2. খ) চর্বি
  3. গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
ব্যাখ্যা
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়। 
- যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- রসায়ন শিল্পের কল্যাণে বিভিন্ন ধরনের সিনথেটিক পরিষ্কারক উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
-  এর প্রত্যেকের আবার রয়েছে আলাদা উপাদান এবং রাসায়নিক যৌগ। 
- এ ছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রং এবং কখনও জীবাণুনাশক পদার্থ।
 
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, সাধারণ বিজ্ঞান; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮১১.
সোডিয়ামের ভর সংখ্যা কত?
  1. ২৩ 
  2. ১২ 
  3. ২২ 
  4. ১১ 
সঠিক উত্তর:
২৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ 
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে। 
- মৌলের ধর্ম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে, পারমাণবিক সংখ্যাই মৌলের মৌলিক ধর্ম (Fundamental property)। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে। 
- ইহাকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ১ টি প্রোটন আছে, কাজেই উহার পারমাণবিক সংখ্যা ১ । আবার, কার্বনের পরমাণুতে ৬ টি প্রোটন আছে, বিধায় কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬ । কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ৬ টি এবং নিউট্রন সংখ্যা ৬ টি। 

ভর সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়। 
- ইলেকট্রনের ভর প্রায় শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ধাতুর পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ১১ টি এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২ টি, তাই সোডিয়ামের ভর সংখ্যা ২৩ । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮১২.
পানিতে ডুব দিয়ে কেউ হাততালি দিলে, সেই তালির শব্দ জোরে শুনতে পাবে-
  1. ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
  2. পানির তীরে দাঁড়ানো ব্যক্তি
  3. ডুবন্ত অবস্থায় কেউ শব্দ শুনতেই পাবে না
  4. সকলেই জোরে শব্দ শুনতে পারবে
সঠিক উত্তর:
ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
শব্দের গতি:
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
- মাধ্যমগুলোতে শব্দের বেগের ক্রম হলো: বায়বীয় > তরল > কঠিন।

তাই, পানিতে ডুব দিয়ে কেউ হাততালি দিলে, সেই তালির শব্দ পানির তীরে দাঁড়ানো থাকা ব্যক্তির তুলনায় ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি জোরে শুনতে পাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮১৩.
পৃথিবীর তলে কোন বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম হলে বস্তুর ওজন হবে- 
  1. ০.৯৮ নিউটন
  2. ৯.৮ নিউটন
  3. ৯৮ নিউটন
  4. ৯৮০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
৯৮ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ নিউটন
ব্যাখ্যা
দেওয়া আছে, 
পৃথিবীর তলে কোন বস্তুর ভর ১০ কিলোগ্রাম। 
অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g' এর আদর্শ মান ৯.৮১ ms−2

আমরা জানি, 
বস্তুর ওজন, w = mg 
⇒ w = ১০ × ৯.৮১ 
= ৯৮.১ নিউটন 
≈ ৯৮ নিউটন। 

অভিকর্ষ বল: 
→ অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়। এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। 
→ যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
→ অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
→ যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ, ms−2
→ পৃথিবীর কেন্দ্রে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি শূন্য থাকে। সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮১৪.
সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক কোনটি? 
  1. লোহা
  2. সোনা
  3. রূপা
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
রূপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপা
ব্যাখ্যা
পরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। 
- সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। 
যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। 
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায় 10-8 Ωm ক্রমের। 
- রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। 
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। 
- ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৫.
সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. মাইকা
  2. কোয়ার্টজ
  3. চুনাপাথর
  4. ম্যাগনেটাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো- 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে- 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮১৬.
শব্দের ক্ষেত্রে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) এর সৃষ্টি হয় বস্তুর কম্পনের ফলে
  2. খ) সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যম দরকার
  3. গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  4. ঘ) এই তরঙ্গের প্রবাহ ও কম্পনের দিক এক
সঠিক উত্তর:
গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটি একটি অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারন বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারন এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক ও কম্পনের দিক একই।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৮১৭.
পৃথিবীর সাথে কোনো বস্তুর আকর্ষণ বলকে কী বলা হয়? 
  1. অভিকর্ষ 
  2. চৌম্বক বল 
  3. তড়িৎচুম্বক বল 
  4. সবল নিউক্লিয় বল 
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ 
ব্যাখ্যা

অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকেই আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যের আকর্ষণ মহাকর্ষ, কিন্তু পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষ এক ধরণের মহাকর্ষ। 

অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- প্রত্যেকটি বস্তুকে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরের যেকোনো উচ্চতা থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষ বলের প্রভাবে তা নিচের দিকে পড়তে থাকে বা গতিশীল হয়। 
- যতই নিচে নামে বলের প্রভাবে বস্তুর গতি তত বৃদ্ধি পেতে থাকে বা ত্বরণ হয়। 
- নিউটনের সূত্র থেকে পাওয়া যায়, বস্তুর উপর বল প্রয়োগে বস্তুর ত্বরণ হয়, তাই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তুর ত্বরণ হয়। 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্টে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ এর একক ms-2 এবং এর মাত্রা LT -2 । 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮১৮.
লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় কত গুণ দ্রুত চলে?
  1. ২০ গুণ
  2. ১৮ গুণ
  3. ১৫ গুণ
  4. ১২ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ গুণ
ব্যাখ্যা

• লোহা মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায় প্রায় ১৫ গুণ দ্রুত চলে। শব্দের বেগ নির্ভর করে মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর। লোহা একটি কঠিন পদার্থ, যার কণাগুলি খুব ঘনভাবে সজ্জিত থাকে এবং তাদের মধ্যে কম ফাঁকা জায়গা থাকে। ফলে শব্দের কম্পন এক কণার থেকে অন্য কণায় খুব দ্রুত সঞ্চারিত হয়। অন্যদিকে, বাতাস একটি গ্যাসীয় মাধ্যম, যেখানে কণাগুলি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই শব্দ সেখানে তুলনামূলকভাবে ধীরে চলে। গড়পড়তা হিসাবে, লোহায় শব্দের বেগ প্রায় ৫০০০ মিটার/সেকেন্ড এবং বাতাসে প্রায় ৩৪০ মিটার/সেকেন্ড। তাই সঠিক উত্তর হলো: (গ) ১৫ গুণ।

শব্দের সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টিকরে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
যেমন- একটি লম্বা স্প্রিং নিয়ে এর এক প্রান্তে আঘাত করলে দেখবে স্প্রিংটির সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আন্দোলন সঞ্চালিত হচ্ছে, শব্দের ঢেউ এভাবেই সঞ্চালিত হয়। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়; আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৩,৮১৯.
কৃত্রিমভাবে প্রথম জৈব যৌগ কত সালে তৈরি করা হয়? 
  1. ১৮২৮ সালে 
  2. ১৮২৫ সালে 
  3. ১৮৩০ সালে 
  4. ১৮৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে 
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- ১৮১৫ সালে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস প্রস্তাব করেন যে, জৈব যৌগসমূহ কেবল সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহে এক রহস্যময় প্রাণশক্তির প্রভাবে উৎপন্ন হয়ে থাকে। 
- তাই একে পরীক্ষাগারে উৎপন্ন করা সম্ভব নয়। একে প্রাণশক্তি মতবাদ বলা হয়। তখন সব বিজ্ঞানী এ মতবাদ গ্রহণ করেন। 
- ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলার পরীক্ষাগারে অজৈব অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড লেড সায়ানেট দ্রবণের বিক্রিয়া ঘটিয়ে আকস্মিকভাবে পরীক্ষাগারে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন। 
- ১৮২৮ সালে প্রস্তুতকৃত ইউরিয়া হলো প্রথম জৈব যৌগ যা পরীক্ষাগারে উৎপাদন করা সম্ভব হয়। 
- এজন্য বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৮২০.
বিস্ফোরক দ্রব্য খুঁজে বের করতে সাধারণত কোন রশ্মি ব্যবহার হয়?
  1. বেকেরেল রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. X-রশ্মি
সঠিক উত্তর:
X-রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X-রশ্মি
ব্যাখ্যা

বিস্ফোরক দ্রব্য খুঁজে বের করতে সাধারণত এক্স-রে ব্যবহার হয়।

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি।
- এক্স-রে উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স- রে সরলপথে গমন করে।
- এটি তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

এক্স রে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ, আকরিকের অপদ্রব্য নির্ণয়, খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ।
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়।
- গোয়েন্দা বিভাগে: কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২১.
মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণির ভিত্তি কী ছিল?
  1. পারমাণবিক ব্যাসার্ধ
  2. ইলেকট্রন বিন্যাস
  3. নিউট্রনের সংখ্যা
  4. পারমাণবিক ভর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক ভর
ব্যাখ্যা

• মেন্ডেলিফ তাঁর পর্যায় সারণি পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজিয়েছিলেন।
- 1869 সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফ সকল মৌলের ধর্ম পর্যালোচনা করে একটি পর্যায় সূত্র প্রদান করেন।

• সূত্রটি হলো: "মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক ভর বৃদ্ধির সাথে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।"

• এ সূত্র অনুসারে তিনি তখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত 63টি মৌলকে তার তৈরি পর্যায় সারণিতে 12টি আনুভূমিক সারি আর ৪টি খাড়া কলামের একটি ছকে পারমাণবিক ভর বৃদ্ধি অনুসারে সাজান। 
- এই পর্যায় সারণির ভিত্তি ছিলো মৌলের পারমাণবিক ভর। 
- তার পর্যায় সারণি অনুসারে "একই কলাম বরাবর সকল মৌলের ধর্ম একই রকমের এবং একটি সারির প্রথম মৌল থেকে শেষ মৌল পর্যন্ত মৌলগুলোর ধর্মের ক্রমান্বয়ে পরিবর্তন ঘটে।" 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

৩,৮২২.
পানি মাধ্যমে শব্দের বেগ -
  1. 1020 ms- 1
  2. 1450 ms- 1
  3. 5220 ms- 1
  4. 5560 ms- 1
সঠিক উত্তর:
1450 ms- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1450 ms- 1
ব্যাখ্যা
• পানি মাধ্যমে শব্দের বেগ 1450 ms- 1.

• শব্দের বেগের পরিবর্তন:

- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms- 1 নির্দিষ্ট।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms- 1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms- 1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। যেমন-
১. বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms- 1,
২. পানি মাধ্যমে 1450 ms- 1 এবং
৩. লোহার মধ্যে 5220ms- 1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২৩.
পরমাণুতে শক্তিস্তর সম্পর্কে ধারণা দেন নীচের কোন বিজ্ঞানী?
  1. চ্যাডউইক
  2. নীলস বোর
  3. ম্যাক্সওয়েল
  4. রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
নীলস বোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলস বোর
ব্যাখ্যা

বোর পরমাণু মডেল (Bohr Atom model):
- পরমাণুর গঠন সম্পর্কে ১৯১৩ সালে ডেনমার্কের পদার্থবিজ্ঞানী নীলস বোর রাদার ফোর্ডের পরমাণু মডেলের সীমাবদ্ধতা দূরীকরণসহ ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব যুক্ত করে একটি মডেল প্রদান করেন।
- এটি বোর পরমাণু মডেল নামে পরিচিত।

বোর মডেলের প্রস্তাবনা সমূহ হলো- 
• শক্তিস্তর সম্পর্কিত প্রস্তাব: নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত বৃত্তাকার কক্ষপথে ইলেকট্রন আবর্তন করে। এসব কক্ষপথে আবর্তনকালে ইলেকট্রন কোন শক্তি শোষণ বা বিকিরণ করে না। এসব কক্ষপথকে শক্তিস্তর (energy level) বলা হয়।

• কৌনিক ভরবেগ সম্পর্কিত প্রস্তাব: অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিক্রমণরত ইলেকট্রনের কৌনিক ভরবেগ নির্দিষ্ট এবং তা h/2π এর গুণিতক। এখানে h হল প্লাঙ্কের ধ্রুবক। 

• শক্তির বিকিরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব: ইলেকট্রন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি শোষণ করে লাফ দিয়ে উচ্চ শক্তিস্তরে অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি বিকিরণ করে নিম্ন শক্তি স্তরে গমন করতে পারে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৮২৪.
একটি গাড়ি ব্রেক কষার পর থেমে যায়। এর জন্য দায়ী কোন বল?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. ঘর্ষণ বল 
  3. চৌম্বক বল
  4. স্থিতিস্থাপক বল 
সঠিক উত্তর:
ঘর্ষণ বল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘর্ষণ বল 
ব্যাখ্যা

◉ যখন একটি গাড়ি ব্রেক কষে, তখন ব্রেক প্যাড চাকায় ঘর্ষণ সৃষ্টি করে। এই ঘর্ষণ বল চাকাকে ঘুরতে বাধা দেয় এবং ক্রমান্বয়ে গাড়ির গতি কমিয়ে এনে একসময় থামিয়ে দেয়।

ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল:
- যখন দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থাকে এবং একটি বস্তু অপরটির উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে, তখন বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এই বাধাকে ঘর্ষণ বলা হয়।
- যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলা হয়।

• ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। যথা:
১. প্রবাহী ঘর্ষণ:
- যখন কোনাে বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ।
- প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে।
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আর এ বাঁধার ফলে প্রবাহী ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়।
- আবার, মানুষ পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়, আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ।

২. স্থিতি ঘর্ষণ:
- যখন দুটি বস্তু একে অপরের সাপেক্ষে স্থির থাকে, তখন যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, সেটি স্থিতি ঘর্ষণ।
- স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আমরা হাঁটতে পারি, কারণ আমাদের পা বা জুতার তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের ফলে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে না।

৩. গতি ঘর্ষণ:
- একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ।
- সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়।
- গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে।

৪. আবর্ত ঘর্ষণ:
- একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু গড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘর্ষণ।
- সবগুলাে ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছােট তাই আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানাে সুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতাে।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২৫.
রোধের এস.আই একক কোনটি? 
  1. ভোল্ট
  2. ও'ম
  3. সিমেন্স
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ও'ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ও'ম
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ। 
- রোধের এস.আই একক হলো ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম। 

অন্যদিকে,
- তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে- অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক হচ্ছে- সিমেন্স।
- বিভব পার্থ্যকের একক হচ্ছে- ভোল্ট । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৮২৬.
গ্যাসীয় পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কেমন থাকে? 
  1. সবচেয়ে বেশি 
  2. বেশি 
  3. সবচেয়ে কম 
  4. মধ্যম 
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে কম 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের বেলায় আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সর্বাধিক থাকে। ফলে অণুসমূহ স্থির অবস্থানে এবং পরস্পরের যথাসম্ভব নিকটে থাকে। 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন অবস্থায় অণুর স্থানান্তর ও আবর্তন গতি প্রায় থাকে না; তবে অণুসমূহের কম্পন গতি থাকে। যেহেতু তাপমাত্রা বাড়লে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কিছুটা বাড়ে ও অণুর কম্পন বাড়ে; সেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কঠিন পদার্থের আয়তন কিছুটা বাড়ে, তবে এ বৃদ্ধি খুবই কম। 

 তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ ও অণুর স্থানান্তর গতি প্রায় সমান থাকে, তাই অণু বা কণাসমূহ স্থির অবস্থানে থাকে না। 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। কিন্তু যেহেতু তরল অবস্থাতেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে থাকে; সেহেতু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- যেহেতু তাপমাত্রা বাড়ালে অণুসমূহের স্থানান্তর, আবর্তন ও কম্পন গতি বৃদ্ধি পায়, তাই তরল পদার্থের আয়তনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ে। কিন্তু এক্ষেত্রেও আয়তন বৃদ্ধি খুব বেশি নয়; কেননা, তিন প্রকার গতি বৃদ্ধি পেলেও কণাসমূহ পরস্পরের যথাসম্ভব সন্নিকটে অবস্থান করে। তবে তরল পদার্থের অণুসমূহ কঠিন পদার্থের তুলনায় কম সুশৃঙ্খল থাকে। 

 গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম থাকে, তাই গ্যাসীয় অবস্থায় অণুসমূহ সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। 
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে। 
- তখন অণুসমূহ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই। 
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

৩,৮২৭.
মরিচাবিহীন ইস্পাতে শতকরা লোহার পরিমাণ-
  1. ক) ৮%
  2. খ) ১৮%
  3. গ) ৭৪%
  4. ঘ) ৯৯%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪%
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু:
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে।
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়।
আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।


উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮২৮.
পানি এ দুটোর সংমিশ্রণে একটি কম্পাউন্ড-
  1. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন ও হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানির সংকেত হলো H2O. 
- পানিতে উপস্থিত থাকে হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম) এবং অক্সিজেন।  
- ভারী পানির সংকেত হলো D2O. 
- ভারী পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। 
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। 
- সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮২৯.
কেরোসিনের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. ক) C12H15
  2. খ) CHCl3
  3. গ) C3H4Cl4
  4. ঘ) C10H15O12
সঠিক উত্তর:
ক) C12H15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) C12H15
ব্যাখ্যা
• কেরোসিনের রাসায়নিক সংকেত: C12H15

------------------------------
আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক সংকেত:

• ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত: CHCl3
- ক্লোরোফরম  চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত: Ca(OCl)Cl
- বলপেন এর কালি বা অন্য কোনাে রং যেগুলাে সাবান এবং ডিটারজেন্ট দিয়ে তােলা যায় না সেগুলােকে কাপড় থেকে উঠানাের জন্য তথা বর্ণহীন করার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মেঝে, কমােড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজেও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।

• ইথানয়িক এসিড একটি জৈব এসিড, যার রাসায়নিক সংকেত: CH3COOH
• কাঁদুনে গ্যাস এর রাসায়নিক সংকেত: CCl3NO2
৩,৮৩০.
The unit of pressure is -
  1. ক) Watt
  2. খ) Joule
  3. গ) Pascal
  4. ঘ) Newton
সঠিক উত্তর:
গ) Pascal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pascal
ব্যাখ্যা
- একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই চাপ বলে।
- চাপের একক হল প্যাসকেল
- চাপের মাত্রা হল- ML-1T-2

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান।
৩,৮৩১.
কর্মদক্ষতা কী নির্দেশ করে? 
  1. যন্ত্রের শক্তি সব সময় বৃদ্ধি পায় 
  2. যন্ত্রের শক্তি কোনো কাজে ব্যবহার না হওয়া  
  3. যন্ত্রে প্রদত্ত শক্তির সবই অপচয় হয় 
  4. যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যন্ত্রে কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত 
ব্যাখ্যা

কর্মদক্ষতা: 
- শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে একটি যন্ত্রের কার্যকর শক্তি (output energy) যন্ত্রে প্রদত্ত মোট শক্তির (input energy) সমান হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায় যে কার্যকর শক্তি সকল সময় মোট শক্তির চেয়ে কম হয়। 
- নানা কারণে যন্ত্রে শক্তির অপচয় ঘটে এবং এ কারণে যন্ত্রের ইনপুট ও আউটপুটে শক্তির এই তারতম্যের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- জেনারেটরের ক্ষেত্রে ঘর্ষণ শক্তির বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে শক্তির অপচয় হয় যা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। তবে এ ক্ষেত্রে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্রানুসারে শক্তির মোট স্থানান্তর স্থির থাকে। 
- যন্ত্রেও কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 70% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 70 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 30 একক শক্তি অপচয় হয়। 
কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/ মোট প্রদত্ত শক্তি 
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
= (E1 - E2)/E1 × 100%  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩২.
​রকেটে জ্বালানি ও সোনা আহরণে কোন এসিড ব্যবহার করা হয়? 
  1. কার্বোলিক এসিড 
  2. নাইট্রিক এসিড 
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. সালফিউরিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক এসিড 
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
​- সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
– আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
- সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
- এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
- ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৮৩৩.
কাপড় কাঁচার সোডা কোনটি?
  1. K2CO3
  2. CaCO3
  3. Na2CO3
  4. Li2CO3
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
- জামা-কাপড় কাঁচার জন্য আমরা যে সাবান ব্যবহার করি তা আসলে সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) নামক লবণ ।
- সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) যা কাপড় কাচার সোডা হিসেবে পরিচিত তাও একটি লবণ।
- তুঁতে বা ফিটকিরি যা জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেটিও লবণ।
- সেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাসিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) নামক লবণ ।
- কৃষি জমিতে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে তুঁতে বা কপার সালফেটকে (CuSO4,5H2O) ব্যাপক ব্যবহার করা হয়।
- তবে শৈবালের উৎপাদন বন্ধে এটি খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- মাটির অ্যাসিডিটি নিষ্ক্রিয় করতে যে চুনাপাথর বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করতে যে সকল সার যেমন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH4)3PO4], পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।

উৎস : বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৪.
দুটি আলোক রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল ও অন্ধকার অবস্থা সৃষ্টির ঘটনাকে কী বলে?
  1. বর্ণালী
  2. প্রতিসরণ
  3. ব্যতিচার
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিচার
ব্যাখ্যা

• দুটি আলোক রশ্মির উপরের বা মিলিত অবস্থানে উজ্জ্বল এবং অন্ধকার অংশ তৈরি হওয়ার ঘটনা ব্যতিচার (ইন্টারফেরেন্স) নামে পরিচিত। যখন দুটি সমমিত বা সমান তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোর রশ্মি একসাথে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছায়, তখন তাদের তীব্রতার সংযোজন বা কমিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া ঘটে। একই ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তীব্রতা বাড়ে এবং উজ্জ্বল স্থান তৈরি হয়, যা উজ্জ্বল লব (Bright Fringe) নামে পরিচিত। অন্যদিকে বিপরীত ফেজের রশ্মি মিলিত হলে তারা পরস্পরের প্রভাব কমিয়ে দেয়, ফলে অন্ধকার বা ডার্ক লব (Dark Fringe) তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গের প্রকৃতি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্ণয় করা যায়, যা পদার্থবিদ্যায় আলো সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা।
- সঠিক উত্তর: গ) ব্যতিচার।
 
• ব্যতিচার (Interference):
- দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে।
- সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।

• ব্যতিচারের শর্তঃ-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩৫.
প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণু কোনটিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন
  3. নিউট্রন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাজমা অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি পদার্থের অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। 
- তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
- তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
- তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৬.
পৃথিবীর বিভব -
  1. শূন্য
  2. ঋণাত্মক
  3. অসীম
  4. ধনাত্মক
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর তড়িৎ বিভব:
কোনো আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে বস্তুটি নিস্তাড়িত বা আধান নিরপেক্ষ হয়, ধনাত্মক আধানে আহিত বস্তুকে ভু-সংযুক্ত করলে পৃথিবী থেকে ইলেকট্রন এসে বস্তুটিকে নিস্তাড়িত করে। আবার ঋণাত্মকভাবে আহিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে সংযুক্ত করলে বস্তু থেকে ইলেকট্রন ভূমিতে চলে যায়। ফলে বস্তুটি নিস্তাড়িত হয়। পৃথিবী এত বড় যে, এতে ইলেকট্রন যুক্ত হলে বা এ থেকে ইলেকট্রন চলে গেলে এর বিভবের আদৌ কোনো পরিবর্তন হয় না। পৃথিবী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বস্তু থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করছে এবং বিভিন্ন বস্তুতে ইলেকট্রন প্রদানও করছে। ফলে পৃথিবীকে বিভবশূন্য মনে করা হয় এবং ভু-সংযুক্ত পরিবাহীর বিভবও শূন্য ধরা হয়। উল্লেখ্য যে, বিভব নির্ণয়ের সময় পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রা্‌ম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৮৩৭.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. সিলভার সালফেটের
  4. সিলভার নাইট্রেটের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা

ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে|
- সিলভার ব্রোমাইডের। ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।
- এটি −১ (Br−) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু।
- যেমন সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br−) এর প্রতি ।
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়।
- সালফার ডাই ব্রোমাইড এর মত সমযোজী যৌগ ব্রোমাইড শব্দটি একটি ভ্রমণ পরমাণু কেউ বোঝাতে পারে যার জারণ সংখ্যা-১।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

৩,৮৩৮.
বৈদ্যুতিক বাল্বের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহের সময় তাপ উৎপন্ন হওয়ার কারণ কী?
  1. ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
  2. খ) ফিলামেন্টের রোধ কম
  3. গ) ফিলামেন্টের রোধ থাকে না
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিলামেন্টের রোধ বেশি
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- সাধারণত একটি কাঁচের বাল্বে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা বায়ুশূন্য থাকে।
- দুইটি মোটা তার বাল্বটির বায়ু নিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয়।
- এই দুই তারের দুই প্রান্তের সঙ্গে সরু টাংস্টেনের তার কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে। এটিকে ফিলামেন্ট বলে।
- ফিলামেন্টের রোধ অনেক বেশি থাকায় তড়িৎ চালনার সময় তাপের উদ্ভব হয় এবং আলো পাওয়া যায়।
- ফিলামেন্টের রোধের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার ক্ষমতার বাল্ব তৈরি হয়ে থাকে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৯.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী-
  1. ইথার
  2. এস্টার
  3. ইথিলিন
  4. এলকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
• এস্টার (Ester):
- এস্টার হলো এমন যৌগ, যা কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের (-COOH) হাইড্রোক্সিল (-OH) অংশ প্রতিস্থাপন করে অ্যালকক্সি (-OR) বা অ্যারাইলক্সি (-OAr) দ্বারা গঠিত হয়।
- এস্টারের সাধারণ কার্যকরী মূলক হলো -CO-O-R।
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সাধারণত সুগন্ধিযুক্ত।
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- রাসায়নিকভাবে সংশ্লেষিত এস্টার ব্যবহার করে কৃত্রিম ফলের সুগন্ধি প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪০.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ক্রেসকোগ্রাফ
  3. ক্রনোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• ক্রেসকোগ্রাফ (Crescograph) হলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্র।

এছাড়া,
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণায়ক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্র - অ্যানিমোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ।
- বায়ুতে আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিবিসি।

৩,৮৪১.
নিচের কোন মিশ্রণে ঊর্ধ্বপাতন ব্যবহার করে পদার্থ আলাদা করা যায় না? 
  1. কর্পূর + বালি 
  2. বালি + গ্লুকোজ 
  3. নিশাদল + লবণ 
  4. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড + লবণ 
সঠিক উত্তর:
বালি + গ্লুকোজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালি + গ্লুকোজ 
ব্যাখ্যা

ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়। 

ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ার প্রয়োগ: 
- কোনো কঠিন পদার্থের মিশ্রণের মধ্যে একটি উদ্বায়ী পদার্থ মিশ্রিত থাকলে ঐ উদ্বায়ী পদার্থকে মিশ্রণ থেকে সহজে পৃথক করা যায়।
যেমন- নিশাদল বা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) এর সাথে খাদ্য লবণ (NaCl) মিশ্রিত থাকলে ঊর্ধ্বপাতন পদ্ধতির মাধ্যমে নিশাদলকে পৃথক করা যাবে। 
- বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণের মধ্যে কোনো উদ্বায়ী পদার্থ নেই, কাজেই তাপ প্রয়োগ করে বালি এবং গ্লুকোজের মিশ্রণ থেকে বালি বা গ্লুকোজকে আলাদা করা যায় না। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৪২.
গ্যালভানাইজিং পদ্ধতিতে লোহার উপর কিসের প্রলেপ দেয়া হয়?
  1. ক) জিঙ্ক
  2. খ) কপার
  3. গ) সিলভার
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক
ব্যাখ্যা
• যে কোন ধাতুর উপর জিংকের (দস্তা) প্রলেপ দেয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
এ ক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।

লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়। গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। 
এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরের খাবার নষ্ট হয় না।

• তড়িৎ বিশ্লেণের মাধমে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে।
যেমন- লোহার উপর তামার প্রলেপ দেয়া। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩,৮৪৩.
সর্বপ্রথম তড়িৎ চুম্বকের ধারণা দেন কে?
  1. ওয়েবার
  2. ওয়েরস্টেড
  3. গিলবার্ট
  4. কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
ওয়েরস্টেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েরস্টেড
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়া:
- আধুনিক বিজ্ঞান জগতে তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাব সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে।
- ফ্যান, মোটর, ইত্যাদি ঘূর্ণায়মান সকল যন্ত্রই তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার প্রভাবে কাজ করে।
- তড়িৎ প্রবাহ চারিদিকে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করে।
- এই অতি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ঘটনার আবিষ্কারক কোপেনহেগেনের অধ্যাপক বিজ্ঞানী হেন্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড (1820)।
- ওয়েরস্টডের এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাঁর নাম অনুসারে চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রাবল্যের একক ওয়েরস্টেড (Oersted) করা হয়েছিল।
- তড়িৎ প্রবাহ যেহেতু গতিশীল তড়িৎ আধান, অতএব তড়িৎ আধান গতিশীল হলেই চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়।
- আধান স্থির থাকলে একে ঘিরে যে তড়িৎ ক্ষেত্র বর্তমান থাকে, আধান গতিশীল হলে তা দূরীভূত হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উদ্ভব হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪৪.
উইন্ড টারবাইনে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তি মূলত কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. আলোক শক্তিতে 
  2. শব্দ শক্তিতে 
  3. তাপ শক্তিতে 
  4. তড়িৎ শক্তিতে 
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে 
ব্যাখ্যা

বায়ু শক্তি: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- উইন্ড টারবাইনে বায়ু প্রবাহজনিত গতি শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে। 
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো। 
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। 
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪৫.
SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক কোনটি? 
  1. লুমেন (Lumen)
  2. ক্যান্ডেলা (Candela)
  3. লুক্স (Lux)
  4. ওয়াট (Watt)
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্ডেলা (Candela)
ব্যাখ্যা

ক্যান্ডেলা (Candela)

SI পদ্ধতিতে দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা
Lumen হলো লুমিনিয়াস ফ্লাক্স এর SI একক।
লুক্স হলো আলোর প্রাপ্তি ঘনত্ব এর SI একক।
ওয়াট হলো শক্তির SI একক।


SI পদ্ধতিতে মৌলিক একক ৭ টি

-দৈর্ঘ্য (Meter)   
-ভর (Kilogram)
-সময় (Second)
-তাপমাত্রা (Kelvin)
-পদার্থের পরিমাণ (Mole)
-আলোক তীব্রতা (Candela)
-বিদ্যুৎ প্রবাহ(Ampere)

তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান। 

৩,৮৪৬.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা কোনটি?
  1. ক) বিটুমিনাস
  2. খ) অ্যানথ্রাসাইট
  3. গ) ক্যালাসাইট
  4. ঘ) লিগনাইট
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট, 
২। বিটুমিনাস এবং 
৩। লিগনাইট। 

- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৮৪৭.
ফলকে টিন জাত করে সংরক্ষণ কে কী বলে?
  1. ক্যানিং
  2. মোম আবৃতকরণ
  3. নির্জলীকরণ
  4. স্টোরেলাইজেশন
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ক্যানিং বা টিনজাত করে সংরক্ষণ (Canning) :
- আম, আনারস, লিচু, কমলা ইত্যাদি ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করা যায়।
- সাধারণত মানসম্পন্ন টাটকা, পাকা ফল পরিস্কার করে খোসা ছাড়ানো হয় এবং ছোট ছোট টুকরা করা হয়।
- টিনজাত করার আগে ফলকে ষ্টেরিলাইজেশন করে নেয়া হয় এবং প্রিজারভেটিভ যোগ করে স্টেরিলাইজড পাত্রে রাখা হয় । পাত্রটিকে বায়ুশুন্য করা হয় এবং বায়ুরোধী অবস্থায় ঠান্ডা করে লেবেল লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।

মোম আবৃতকরণ পদ্ধতি :
সম্পূর্ণ ফলকে মোম দিয়ে আবৃত করা হয়। এ কারণে ফলে শ্বসন ও প্রস্বেদন কম হয়। রোগ জীবাণু ও পোকামাকড় দ্বারাও ফল আক্রান্ত হয় না । এই অবস্থায় ফলকে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

 স্টোরেলাইজেশন:
স্টোরেলাইজেশন বলতে একটি পৃষ্ঠ, উপাদান বা পরিবেশ থেকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং স্পোর সহ সমস্ত ধরণের অণুজীবকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল বা মেরে ফেলার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এটি সাধারণত চিকিৎসা, পরীক্ষাগার এবং শিল্প সেটিংসে ব্যবহৃত হয় যাতে নিশ্চিত করা হয় যে সরঞ্জাম, যন্ত্র এবং পৃষ্ঠগুলি যে কোনও কার্যকর অণুজীব থেকে মুক্ত যা সম্ভাব্য সংক্রমণ বা দূষণের কারণ হতে পারে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৮.
৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট সেলসিয়াস স্কেলে কত?
  1. ৩৬.৯
  2. ৩৮.৪
  3. ৩৪.২
  4. ৩২.৪
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬.৯
ব্যাখ্যা

ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলের সম্পর্ক হলোঃ C/5 = (F - 32)/9
F=98.4 হলে,
C/5 = (98.4 - 32)/9
বা, C/5 = 66.4/9
বা, C = (66.4 × 5)/9
বা C = 36.9

৩,৮৪৯.
একটি 2000/200V, 20KVA Ideal transformer এর সেকেন্ডারিতে 66 turns আছে। তাহলে প্রাইমারিতে turn সংখ্যা কত হবে?
  1. 440
  2. 660
  3. 550
  4. 330
সঠিক উত্তর:
660
উত্তর
সঠিক উত্তর:
660
ব্যাখ্যা
transformer এর ক্ষেত্রে,
E2/E1 = N2/N1
⇒ N1 = ( E1/E2) × N2
= (2000/200)  × 66
= 660


তাহলে প্রাইমারিতে turn সংখ্যা 660 টি। 
৩,৮৫০.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেজিস্টর
  4. ক্যাপাসিটর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) তৈরি করতে সাধারণত ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক সংকেত নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে, ট্রান্সফরমার সাধারণত IC তে ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি একটি বড় এবং যান্ত্রিক উপাদান যা ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সফরমার মূলত পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজন হয়। IC তে ছোট, দ্রুত এবং ক্ষুদ্র উপাদান প্রয়োজন, যা সহজেই সিলিকন চিপের ভিতরে তৈরি করা যায়, কিন্তু ট্রান্সফরমার এমন ধরনের নয়। তাই, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরিতে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয় না।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৩,৮৫১.
কোনটি প্রাইমারি দূষক?
  1. SO3
  2. N2O5
  3. NO
  4. HNO3
সঠিক উত্তর:
NO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NO
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন:
- নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
- কার্বন মনোক্সাইড (CO)
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
- সালফার ডাইঅক্সাইড (SO₂)
- অ্যামোনিয়া (NH3)
- ছাই, ধুলিকণা
- Volatile organic compounds (VOCs)

• সেকেন্ডারি দূষক:
- যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে।
- যেমন:
- সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3)
- নাইট্রিক এসিড (HNO3)
- সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)
- হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂)
- ওজোন (O3)

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৫২.
মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল কতগুণ বেশি শক্তিশালী?
  1. ১০০ গুণ
  2. ১০১২ গুণ
  3. ১০২০ গুণ
  4. ১০৩৬ গুণ
সঠিক উত্তর:
১০৩৬ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৩৬ গুণ
ব্যাখ্যা

 মৌলিক বল মাত্র চারটি। সেগুলো হচ্ছে: মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল ও সবল নিউক্লীয় বল।

মহাকর্ষ বল (Gravitational Force):
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। - - - - পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ। এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetic Force):
- তড়িৎ বা বিদ্যুৎ এবং চুম্বকের বলকে আলাদা ধরনের বল মনে হয়, আসলে দুটি একই বল শুধু দুভাবে দেখা যায়।
- তড়িৎ চৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল হলো প্রকৃতির চারটি মৌলিক বলের একটি, যা বৈদ্যুতিক আধানযুক্ত কণাগুলির মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলকে বোঝায়, যেমন দুটি আহিত বস্তুর মধ্যে বল বা চুম্বকীয় মেরুর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল, যা বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মিথস্ক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয়।
- এই বল পরমাণু ও অণুগুলোকে একত্রে ধরে রাখে এবং আলো, বিদ্যুৎ ও চুম্বকত্বের মতো দৈনন্দিন ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী। 
- মাধ্যাকর্ষণ বলের তুলনায় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল অনেক বেশি শক্তিশালী (১০৩৬ গুণ বা ট্রিলিওন ট্রিলিওন ট্রিলিওন গুণ শক্তিশালী!)। 

দুর্বল নিউক্লীয় বল (Weak Nuclear Force):
- এটাকে দুর্বল নিউক্লিয় বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মহাকর্ষ বলের মতো এত দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বকীয় বল যেকোনো দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই বলটা খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করতে পারে।
- তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে যে বিটা (β) রশ্মি বা ইলেকট্রন বের হয় সেটার কারণ এই দুর্বল নিউক্লীয় বল।

সবল নিউক্লীয় বল (Strong Nuclear Force):
- এটি হচ্ছে সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশগুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫m) কাজ করে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মধ্যকার এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বলের মাধ্যমে তারা নিজেদের আটকে রাখে। প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী।
- সূর্য থেকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বলের কারণে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি

৩,৮৫৩.
নিচের কোন এসিড সিরকা হিসেবে বেশ পরিচিত?
  1. সাইট্রিক এসিড
  2. ল্যাকটিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. অ্যাসিটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিটিক এসিড
ব্যাখ্যা
ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
- তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
১. মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
২. যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
৩. ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
৪. পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
৫. দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫৪.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
  1. ক) বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. গ) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. ঘ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
৩,৮৫৫.
নিচের কোনটি ব্যাটারির অংশ নয়?
  1. ক) অ্যানোড
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) ডায়োড
  4. ঘ) ইলেকট্রোলাইট
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ব্যাটারিতে তিনটি অংশ থাকে।
যথা- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং ইলেকট্রোলাইট।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৫৬.
কয়লা পোড়ালে শক্তির রূপান্তর হয়-
  1. রাসায়নিক শক্তি শব্দ শক্তিতে
  2. রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে
  4. তাপ শক্তি শব্দ শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
• কয়লা পোড়ালে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• শক্তির রূপান্তর: 
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
- শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ:
• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
- বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
- কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
- বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
- কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
- কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫৭.
কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যেই Energy উৎপন্ন হয় তাকে কী বলে?
  1. Kinetic Energy
  2. Potential Energy
  3. Electrical Energy
  4. Chemical Energy
সঠিক উত্তর:
Potential Energy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Potential Energy
ব্যাখ্যা
• স্থিতিশক্তি (Potential Energy):
- কোনো বস্তুর অবস্থানের কারণে যে শক্তি উৎপন্ন হয়, তাকে বলে স্থিতিশক্তি (Potential Energy)।
- স্থিতিশক্তি হলো সেই শক্তি, যা কোনো বস্তু তার অবস্থান বা গঠনের কারণে ধারণ করে।
- অর্থাৎ, কোনো বস্তুকে যখন এমন জায়গায় রাখা হয় যেখান থেকে এটি নিচে পড়তে পারে বা কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারে, তখন সেই অবস্থানের কারণে তার মধ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে এটাই স্থিতিশক্তি।

উদাহরণ:
যদি একটা পাথর পাঁচতলার ছাদে রাখা হয়, তাহলে তার একটি স্থিতিশক্তি থাকে, কারণ সেটা নিচে পড়লে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৮৫৮.
pH স্কেলের উদ্ভাবন করেন কে?
  1. মেন্ডেলিফ
  2. সোরেনসেন
  3. ডাল্টন
  4. ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোরেনসেন
ব্যাখ্যা
•  pH :
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের [H+] মোলার ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে pH বলে।
- 1909 সালে ড্যানিশ প্রাণ-রসায়নবিদ সোরেনসেন কোনো দ্রবণের H+ ও OH- আয়নের ঘনমাত্রা প্রকাশের জন্য pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH হলো Puissance d' Hydrogen অর্থাৎ হাইড্রোজেন আয়নের প্রাবল্য। 

• pH pOH এর মধ্যে সম্পর্ক-
pH + pOH = 14

• বিশুদ্ধ পানির pH এবং pOH একই অর্থাৎ pH = pOH = 7 I অর্থাৎ বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ।
- বিশুদ্ধ পানিতে এসিড যোগ করা হলে pH এর মান কমতে থাকে এবং ক্ষার যোগ করলে pH এর মান বাড়তে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫৯.
বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. ক) আইনস্টাইন
  2. খ) জি. ল্যামেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং তত্ত্ব:
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। 
- জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

অন্যদিকে,
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’.

সুতরাং, বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮৬০.
তড়িচ্চালক শক্তির একক-
  1. Joule
  2. Volt
  3. Coulomb
  4. NC-1
সঠিক উত্তর:
Volt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volt
ব্যাখ্যা
তড়িচ্চালক শক্তিঃ কোষ বা উৎসকে এক কুলম্ব পরিমান আধানকে তার নিম্ন বিভব প্রান্ত থেকে উচ্চ বিভব প্রান্তে আনতে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করতে হয় তাকে কোষ বা উৎসের তড়িচ্চালক শক্তি বলে।
একে E দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এর একক ভোল্ট (V)। খোলা বর্তনীতে কোষের দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্যই কোষের তড়িচ্চালক শক্তি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৮৬১.
হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) মূলক থাকা সত্ত্বেও নিচের কোনটি অ্যালকোহল নয়?
  1. ইথানল
  2. মিথানল
  3. ফেনল
  4. প্রোপানল
সঠিক উত্তর:
ফেনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল (Alcohol): 
- যে জৈব যৌগে হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) বিদ্যমান থাকে তাকে অ্যালকোহল বলে। 
- তবে কিছু কিছু যৌগে হাইড্রক্সিল মূলক (-OH) বিদ্যমান থাকলেও তাদেরকে অ্যালকোহল বলা হয় না (যেমন- ফেনল C6H5-OH) । 
- অ্যালকোহলের সাধারণ সংকেত CnH2n+1OH । 
- এ শ্রেণির প্রথম সদস্য হচ্ছে মিথানল (CH3-OH), দ্বিতীয় সদস্য ইথানল (CH3-CH2-OH)। 
- অ্যালকোহলকে R-OH দিয়ে প্রকাশ করা যায়, যেখানে R হলো অ্যালকাইল মূলক। 
- এ শ্রেণির প্রথম দিকের সদস্যগুলো বর্ণহীন তরল পদার্থ এবং পানিতে যে কোনো অনুপাতে মিশ্রিত হয়। 

নামকরণ: 
- অ্যালকেনের নামের শেষের 'e' বাদ দিয়ে অল (ol) যোগ করে অ্যালকোহলের নামকরণ করা হয়।
যেমন: ইথানল (CH3CH2OH) । 

অ্যালকোহলের প্রস্তুতি: 
ইথাইল ব্রোমাইড থেকে: 
- ব্রোমো ইথেন এর মধ্যে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর জলীয় দ্রবণ যোগ করে উত্তপ্ত করলে ইথানল এবং সোডিয়াম ব্রোমাইড উৎপন্ন হয়। 

অ্যালকোহলের ব্যবহার: 
- স্টার্চ (চাল, গম, আলু ও ভুট্টা) থেকে গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 
- এছাড়া চিনি শিল্পের উপজাত উৎপাদ (by-product) চিটাগুড় থেকে একই প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল (ইথানল) পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশের দর্শনায় কেরু এন্ড কেরু কোম্পানিতে ইথানল প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা পূরণ করা হয়। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে একদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমে, অপরদিকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬২.
ইলেট্রোলাইটিক সেল বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সেল
  2. এদের অ্যানোড ঋণাত্মক ও ক্যাথোড ধনাত্মক
  3. ডেনিয়েল সেল এর উদাহরণ
  4. তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
ব্যাখ্যা
ইলেট্রোলাইটিক সেল:
- এখানে বাহিরের উৎস হতে সেলে বিদ্যুৎ প্রবেশ করে। ফলে তড়িৎবিশ্লেষ্যের বিয়োজন ঘটে
- এটি বিদ্যুৎ শোষণকারী সেল।
- ইলেকট্রোডদ্বয় বাহিরের কোন তড়িৎচালক বলের উৎসের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- এদের অ্যানোড ধনাত্মক ও ক্যাথোড ঋণাত্মক। 
- নেলসন ডায়ফ্রাম সেল এর উদাহরণ।

গ্যালভানিক সেল:
- এখানে ইলেকট্রোডের উপর রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে ফলে রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সেল।
- এদের ইলেকট্রোডদ্বয় পরিবাহী তারের সাথে যুক্ত থাকে ফলে উৎপাদিত বিদুৎ পরিচালিত হতে পারে।
- এদের অ্যানোড ঋণাত্মক ও ক্যাথোড ধনাত্মক।
- ডেনিয়েল সেল এর উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬৩.
n- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্যালিয়াম
  2. খ) ইন্ডিয়াম
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৮৬৪.
কোনো গ্যাসের আণবিক ভর বেশি হলে তার ব্যাপনের হার কী হবে? 
  1.  শূন্য হবে 
  2.  কম হবে 
  3.  বেশি হবে 
  4. অপরিবর্তিত থাকবে 
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 কম হবে 
ব্যাখ্যা

ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম, আবার যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৬৫.
প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় না -
  1. ক) কার্বন
  2. খ) জার্মেনিয়াম
  3. গ) টিন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টিন
ব্যাখ্যা
কার্বন: প্রাচূর্যের দিক দিয়ে বিশ্বে কার্বনের অবস্থান চতুর্দশ। জীবন প্রক্রিয়ায় কার্বন একটি অত্যাবশ্যকীয় মৌল বলে এর অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
কার্বন প্রকৃতিতে মূক্ত ও যৌগ উভয় অবস্থায় বিদ্যমান। মুক্ত অবস্থায় ডায়মন্ড ও গ্রাফাইট এ দু'টি স্ফটিকাকার এবং কার্বন অনিয়তাকার বা অদানাদার। কার্বন মূলত: কয়লা হিসেবে থাকে। যৌগাবস্থায় কার্বন চুনাপাথর বা ক্যালসাইট, CaCO3; ম্যাগনেসাইট, MgCO3; ডলোমাইট, CaCO3.MgCO3 ইত্যাদিতে থাকে। এ ছাড়া খনিজ তৈল ও প্রাকৃতিক গ্যাসসহ জৈব যৌগে কার্বন থাকে। অজৈব যৌগ যেমন CO, কার্বনেট ও বাইকার্বনেট যৌগেও উলে-খযোগ্য পরিমাণে কার্বন থাকে ।

সিলিকন: অক্সিজেনের পরই প্রকৃতিতে প্রাচুর্যতার দিক দিয়ে সিলিকনের অবস্থান। অক্সিজেনের প্রতি সিলিকনের প্রবল আসক্তি থাকায় প্রকৃতিতে সিলিকন অক্সাইড যৌগ। বালি, পাথর ও কোয়ার্ডে সিলিকা রূপে (SiO2) সিলিকন বিদ্যমান থাকে। এছাড়া সিলিকন ফেল্ডস্পার, মাইকা, এ্যাসবেসটস ইত্যাদিতে সিলিকেট রূপে থাকে ।

টিন: টিন প্রকৃতিতে মুক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়না। এর প্রধান আকরিক হচ্ছে ক্যাসিটেরাইট বা টিন-স্টোন, SnO2 । Fe, Cu ও Zn এর বিভিন্ন পাইরাইট্স আকরিকের সাথেও স্বল্প পরিমাণে টিন মিশ্রিত থাকে ।

সূত্র: ৪২৪ পৃষ্ঠা, রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬৬.
পড়ন্ত বস্তুর কোন সূত্রটি বস্তুর সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রমকে বোঝায়? 
  1. তৃতীয় সূত্র 
  2. দ্বিতীয় সূত্র 
  3. প্রথম সূত্র 
  4. চতুর্থ সূত্র 
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র 
ব্যাখ্যা

পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- এই ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। 
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। 
- পড়ন্ত বস্তুর সূত্রগুলো হচ্ছে- 
১। প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t

৩। তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৬৭.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. ক্যাপাসিটর
  2. রেজিস্টর
  3. ডায়োড
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬৮.
তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে কোনটির আয়তন কমে যায়?
  1. ক) পিতল
  2. খ) বরফ
  3. গ) ঢালাই লোহা
  4. ঘ) প্যারাফিন মোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যারাফিন মোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্যারাফিন মোম
ব্যাখ্যা
তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরকে কঠিনীভবন (Solidification) বলে।
১. সাধারণত তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে আয়তন কমে যায়। তামা, প্যারাফিন মোম।
২. তরল থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হলে আয়তন বেড়ে যায় - বরফ, ঢালাই লোহা, পিতল, বিসমাথ, অ্যান্টিমনি, ছাপার হরফ।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬৯.
শুষ্ক কোষের তড়িচ্চালক বল-
  1. ক) 1.2 Volt
  2. খ) 1.6 Volt
  3. গ) 1.5 Volt
  4. ঘ) 1.7 Volt
সঠিক উত্তর:
গ) 1.5 Volt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1.5 Volt
ব্যাখ্যা

শুষ্ক কোষ (Dry Cell):
এ কোষ মূলত লেকল্যান্স কোষের ভিন্ন সংষ্করণ। লেকল্যান্স কোষের উপাদান দিয়ে এ কোষ গঠিত হয়। একোষে তরল NH4Cl এর পরিবর্তে NH4Cl এর পেষ্ট এবং পোলারক হিসাবে কঠিন MnO2 ব্যবহার করা হয়।
উভয়ই শুষ্ক বলে একে শুষ্ক কোষ বলা হয়। এ কোষের তড়িচ্চালক বল ১.৫ ভোল্ট।

সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭০.
জেনারেটরে শক্তির কোন রূপান্তরটি ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাখ্যা
জেনারেটর: 
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।

জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- 
১। ডি. সি. জেনারেটর ও
২। এ. সি. জেনারেটর।

- এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়।
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়, আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭১.
কোনটি আদর্শ খাবার?
  1. ক) ডিম
  2. খ) মাছ
  3. গ) দুধ
  4. ঘ) ডাল
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
ব্যাখ্যা

- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- কারণ এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

৩,৮৭২.
ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. চার্জহীন
  2. ভরহীন 
  3. ধনাত্মক চার্জধারী
  4. ঋণাত্মক চার্জধারী 
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জধারী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক চার্জধারী 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: 
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। 
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। 
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় ১৮৪০ গুণ হালকা। 
- ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। 

প্রোটন: 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৩.
কোন ধরনের আইসিতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে? 
  1. LSI
  2. MSI
  3. VLSI
  4. SSI
সঠিক উত্তর:
LSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSI
ব্যাখ্যা

সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে। 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে। 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৪.
p-টাইপ অর্ধপরিবাহীর ডোপায়‌নের ক্ষেত্রে কিরূপ মৌল ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পঞ্চযোজী
  2. খ) ত্রিযোজী
  3. গ) দ্বিযোজী
  4. ঘ) একযোজী
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিযোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিযোজী
ব্যাখ্যা
বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টরের সাথে প্রয়ােজনমত ত্রিযােজী ভেজাল উপাদান মিশিয়ে যে সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয় তাকে p-type সেমিকন্ডাক্টর বলে।
বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়াম পরমাণুর সাথে একটি ত্রি-যােজী পরমাণু ভেজাল হিসেবে যুক্ত করলে ত্রি-যােজী পরমাণুর তিনটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রন নিকটবর্তী তিনটি সিলিকনের ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের সাথে শেয়ারিং এর মাধ্যমে সমযােজী বা কো-ভ্যালেন্ট বন্ড সৃষ্টি করে।
কিন্তু ত্রিযােজী পরমাণুর যােজ্যতা স্তরে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকায় সিলিকনের চতুর্থ ইলেকট্রনের সাথে বন্ধন তৈরি করতে পারে না। ফলে একটি ফাঁকা স্থান বা হােল সৃষ্টি হয়। এরকমভাবে প্রত্যেকবার ত্রি-যােজী পরমাণু মেশানাের ফলে একটি করে হােল সৃষ্টি হয়। আর এই হােল পজেটিভ চার্জ বহন করে বলে এই নতুন সেমিকন্ডাক্টরকে বলা হয় P- টাইপ সেমিকন্ডাক্টর। এখানে P দ্বারা পজেটিভ বোঝানো হয়।
৩,৮৭৫.
কোনটি অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বহুগুণে বিবর্ধিত করে-
  1. ক) ট্রান্সফর্মার
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) অ্যামপ্লিফায়ার
  4. ঘ) রেক্টিফায়ার
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
অ্যামপ্লিফায়ার এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেতকে বহির্গামীতে বহুগুণে বিবর্ধিত করে। যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (AC) একমুখী প্রবাহে (DC) পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩,৮৭৬.
প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা কতভাগ 238U আইসোটোপ থাকে?
  1. 50%
  2. 99.3%
  3. 0%
  4. 69.3%
সঠিক উত্তর:
99.3%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
99.3%
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা 99.3 ভাগ 238U আইসোটোপ থাকে।

আইসোটোপ:
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- বর্তমানে সর্বমোট আইসোটোপের সংখ্যা প্রায় ১৩০০।

ইউরেনিয়াম:
- ইউরেনিয়াম একটি তেজস্ক্রিয় মৌল।
- ইউরেনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ৯২ এবং পারমাণবিক ভর ২৩৮।
- ইউরেনিয়ামের তিনটি প্রধান আইসোটোপ হলো-

238U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 146,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 99.3% এবং
• অর্ধায়ু: 4.47 বিলিয়ন বছর।

235U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 143,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.7% এবং
• অর্ধায়ু: 703.8 মিলিয়ন বছর।

234U আইসোটোপ:
• প্রোটনের সংখ্যা: 92,
• নিউট্রনের সংখ্যা: 142,
• শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.0057% এবং
• অর্ধায়ু: 245,500 বছর।

- 238U প্রাকৃতিকভাবে অবস্থিতিশীল এবং অতি দীর্ঘজীবী।
- অন্যদিকে, 235U আইসোটোপটি বিভক্ত হতে পারে এবং পারমাণবিক বিস্ফোরণের জন্য দায়ী, এটিই পারমাণবিক চুল্লী ও বোমায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস: United States Nuclear Regolatory Commission এবং ব্রিটানিকা।
৩,৮৭৭.
সরল দোলকের সূত্রাবলী কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) কেপলার
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

অল্প বিস্তারে আন্দোিলত কোনো সরল দোলকের দোলনকাল চারটি সূত্র মেনে চলে। বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এই সূত্রগুলো আবিস্কার করেন।
সুত্রঃ এইচএসসি পদার্থ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৭৮.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন মৌল?
  1. রেডন
  2. টেনেসিন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ট্যান্টালাম
সঠিক উত্তর:
টেনেসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেনেসিন
ব্যাখ্যা
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
- যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 

হ্যালোজেন মৌল: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- যেমন: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।

- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়।
- যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে। 
- যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৭৯.
প্রকৃতিতে মৌলিক বল কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• বল:
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে।
- প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে।
- যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন
গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৮০.
কোনো চুম্বকের আকষর্ণী ও দিক নির্দেশক ধর্মকে এর ______ বলে।
  1. চৌম্বক মেরু
  2. চৌম্বক অক্ষ
  3. চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  4. চুম্বকত্ব
সঠিক উত্তর:
চুম্বকত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকত্ব
ব্যাখ্যা

চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে।
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়।

চুম্বক সংক্রান্ত কয়েকটি প্রয়োজনীয় সংজ্ঞা: 
১. চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব।
- কোনো চুম্বকের আকষর্ণী ও দিক নির্দেশক ধর্মকে এর চুম্বকত্ব বলে।  
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে।

২. চৌম্বক মেরু (Magnetic pole): 
- চুম্বকের দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। 
- এই দুই প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে। 

৩. চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis):  
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে।

৪. চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length):
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৮৮১.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. যৌগিক কণা
  2. জটিল কণা
  3. মৌলিক কণা
  4. দুর্বল কণা
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা
ব্যাখ্যা

• 'বোসন কণা' হলো মৌলিক কণা।

• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৮২.
নিচের কোন ধাতুটি অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সবচেয়ে সহজে জারিত হয়?
  1. সোনা
  2. রূপা
  3. পটাসিয়াম
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
পটাসিয়াম (K) হলো একটি খুবই সক্রিয়  ধাতু, যা অক্সিজেনের সাথে খুব সহজেই জারণ বিক্রিয়া করে। এটি একটি ক্ষার ধাতু (alkali metal)। 
- ক্ষার ধাতুগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত সহজে অক্সিজেন এবং পানি সহ অন্যান্য উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে।
- পটাসিয়াম অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে জারিত হয়ে পটাসিয়াম অক্সাইড (K₂O) বা পটাসিয়াম পারঅক্সাইড (K₂O₂) তৈরি করে।
- এটিকে কেরোসিন তেলে ডুবিয়ে রাখা হয় কেননা বাতাস / পানির সংস্পর্শে এটির বিস্ফোরণ ঘটে।  

ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ (Reactivity Series):
পটাসিয়াম (K) > সোডিয়াম (Na) > ক্যালসিয়াম (Ca) > ম্যাগনেসিয়াম (Mg) > অ্যালুমিনিয়াম (Al) > জিংক (Zn) > আয়রন (Fe) > টিন (Sn) > লেড (Pb) > কপার (Cu) > মার্কারি (Hg) > সিলভার (Ag) > গোল্ড (Au)
অর্থাৎ সক্রিয়তা সিরিজে পটাশিয়াম উপরে অবস্থান করায় এটি বেশ সক্রিয়। 

অন্যদিকে, 
সোনা (Gold): সোনা অত্যন্ত স্থিতিশীল এবং সহজে অক্সিজেনের সাথে প্রতিক্রিয়া করে না।

রূপা (Silver): রূপা অক্সিজেনের সাথে কিছুটা প্রতিক্রিয়া করতে পারে, কিন্তু পটাসিয়ামের মতো দ্রুত নয়।

তামা (Copper): তামা কিছুটা প্রতিক্রিয়া করতে পারে, তবে এটি পটাসিয়ামের তুলনায় অনেক কম প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা প্রদর্শন করে।


তথ্যসূত্র:

- রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী। 
- "Chemistry: The Central Science" by Brown, LeMay, Bursten — Reactivity of Alkali Metals chapter.
৩,৮৮৩.
মোমবাতি জ্বালালে মোমের কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) ভৌত পরিবর্তন
  2. খ) রাসায়নিক পরিবর্তন
  3. গ) উভয়টিই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়টিই
ব্যাখ্যা
মােম হলাে বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলাে হাইড্রোকার্বন।

মােমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলাে তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। ঐ তরল মােম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়; পরে ঐ বাষ্পীয় মােম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলাে এবং তাপ উৎপন্ন করে যা একটি রাসায়নিক পরিবর্তন

অন্যদিকে তরল মােমের কিছু অংশ ঠাণ্ডা হলে কঠিন মােমে পরিণত হয় যা ভৌত পরিবর্তন
৩,৮৮৪.
একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে '50W-230V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত?
  1. 900 Ω
  2. 1025 Ω
  3. 1036 Ω
  4. 1058 Ω
সঠিক উত্তর:
1058 Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1058 Ω
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে '50W-230V' লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত?

সমাধান:
এখানে,
ক্ষমতা, P = 50W
ভোল্টেজ, V = 230V
রোধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
⇒ R = V2/P
= (230)2/50
= 1058

∴ বাল্বটির রোধ = 1058 Ω।
৩,৮৮৫.
তড়িৎচুম্বকীয় কোন রশ্মি জৈব যৌগের বিশ্লেষণের বর্ণালিমিতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়? 
  1. গামা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ: 
- যেসব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয় তাদের একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। 
- দৃশ্যমান আলো হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। 
- এ সব তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণকে একত্রে তড়িৎ চুম্বকীয় স্পেকট্রাম ( spectrum) বা বর্ণালি বলা হয়। 

তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালির অঞ্চলসমূহ: 
- তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ রশ্মিসমূহকে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম বৃদ্ধি অনুসারে প্রধান সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- 
১. গামা (γ) রশ্মি অঞ্চল: 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.0005-0.15 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় এ তরঙ্গ অধিক শক্তিসম্পন্ন। 
গামা রশ্মি জৈব যৌগের বিশ্লেষণে বর্ণালিমিতিক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। 

২. রঞ্জন রশ্মি (X-ray) অঞ্চল: 
- রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 0.01-10 nm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রঞ্জন রশ্মির ব্যবহার ব্যাপক। 
যেমন- এক্সরে ক্রিস্টালোগ্রাফি, এক্সরে নিঃসরণ পদ্ধতিতে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

৩. অতিবেগুনি রশ্মি (UV) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10–380 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চলের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV রশ্মি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন, 300-320 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের UV-রশ্মি চিকিৎসাক্ষেত্রে লাইট থেরাপি, 270–360 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি প্রোটিন বিশ্লেষণের কাজে, 200-400 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রশ্মি ড্রাগ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। 

৪. দৃশ্যমান (Visible) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলটি 380-780 nm পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- এ অঞ্চল VIBGYOR অঞ্চলরূপে চিহ্নিত। 
- পরমাণুর সর্ববহিঃস্তরের ইলেকট্রন এ অঞ্চলের রশ্মি শোষণ বা বিকিরণ করে বর্ণালি সৃষ্টি করে। 

৫. অবলোহিত অঞ্চল: 
- অবলোহিত অঞ্চলটি Near - IR; Middle-IR এবং Far-IR এ তিনটি অংশে বিভক্ত। 
- জৈব যৌগের গঠন নির্ণয়ে এ রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর নিম্নরূপ: 
• Near IR অঞ্চল: 0.8-2.5 µm, 
• Middle-IR অঞ্চল: 2.5-25 µm, 
• Far-IR অঞ্চল : 25-1000 µm (1 µm = 1 × 10-6 m). 

৬. মাইক্রোওয়েভ্স (Microwaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 µm হতে 1.0 cm পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 

৭. রেডিও ওয়েভ্স (Radiowaves) অঞ্চল: 
- এ অঞ্চলের রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 100 cm হতে 5 m পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- রেডিও এন্টেনাতে উচ্চ কম্পাঙ্কের পর্যায়ক্রমিক বিদ্যুৎ (AC) প্রবাহ দ্বারা এসব তরঙ্গের সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৮৬.
এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস কোনটি? 
  1. N2O
  2. SO2
  3. CO
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
SO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SO2
ব্যাখ্যা

এসিড বৃষ্টি: 
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন: NO, NO2) । 

এসিড বৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব: 
- বর্তমানে রিপোর্টে প্রকাশিত ভারতের 'মথুরা অয়েল রিফাইনারি' থেকে নির্গত SO2 বৃষ্টির পানিতে দ্রবীভূত হয়ে এসিড বৃষ্টি ঘটাচ্ছে। 
- এ এসিড বৃষ্টি থেকে 'তাজমহল'-এর মার্বেল পাথর আক্রান্ত হচ্ছে। এসিড বৃষ্টিতে বিভিন্ন ধাতুর তৈরি ব্রিজ ও অট্টালিকার ক্ষতি হয়। 
- এসিড বৃষ্টির ফলে জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ আক্রান্ত হয়। কম pH এর পানিতে মাছের ডিম হ্যাচিং (hatching) বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। অধিক অম্লত্বের কারণে জলাশয়ে সমগ্র বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে জলাশয় বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে।
- এসিড বৃষ্টির প্রভাবে বৃষ্টি অরণ্য (rain forest)- এর বিশেষ ক্ষতি হতে পারে। বীজের অঙ্কুরোদ্গম এসিড বৃষ্টিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- মাটির উপাদান ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, জিংক ধাতুর ফসফরাস যৌগ এসিড বৃষ্টি ধুয়ে নিয়ে মাটিকে অনুর্বর করে দেয়। 

এসিড বৃষ্টির প্রতিকার: 
- এসিড বৃষ্টি হওয়ার পরে পুকুর ও হ্রদের পানিতে এবং কৃষি জমিতে চুন বা লাইম অথবা চুনাপাথর গুঁড়া ছিটানো দরকার। তখন অতিরিক্ত এসিড ক্যালসিয়াম লবণে পরিণত হয়। এরূপ লাইমিং কাজে অর্থ ব্যয় খুব বেশি। 
- দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো ট্রপোস্ফিয়ারকে SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx) মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা। 
- এজন্য শিল্পক্ষেত্রে FGD প্ল্যান্ট ও মোটর-কারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ব্যবহার করে NOx গ্যাসকে বিজারিত করে N2 গ্যাসে পরিণত করা। 

অন্যদিকে, 
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
যেমন- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) দূর্বল কার্বনিক এসিড (H2CO3) তৈরি করে যা এসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে না। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

৩,৮৮৭.
নিচের কোন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়?
  1. ন্যাপথলিন 
  2. আয়োডিন
  3. নিশাদল 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ঊর্ধ্বপাতন: 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। 
যেমন- 
নিশাদল (NH4Cl)
• কর্পূর (C10H16O), 
ন্যাপথলিন (C10H8)
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), 
আয়োডিন (I2)
• অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3)। 
- এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৮৮.
অণুসমূহ পরস্পরকে যে শক্তিতে আকর্ষণ করে তাকে কি বলে?
  1. ক) রাসায়নিক বন্ধন
  2. খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি
  4. ঘ) নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক শক্তির কারণে অণুসমূহ পরস্পরের সন্নিকটে থাকতে চায় কিন্তু অণুসমূহ সর্বদা কম্পমান। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে কম্পন বৃদ্ধি পায় এবং অণুসমূহ পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। আন্তঃআণবিক শক্তি নির্ভর করে পদার্থের প্রকৃতির উপর।
৩,৮৮৯.
পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ কোন তাপমাত্রায় হয়?
  1. ০° সেলসিয়াস
  2. ৪° সেলসিয়াস
  3. ২৫° সেলসিয়াস
  4. ১০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯০.
হাইড্রোজেন পরমাণুর বর্ণালীর ধারণা কোন পরমাণু তত্ত্ব থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
  2. খ) বোর পরমাণু মডেল
  3. গ) হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্র
  4. ঘ) প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তথ্য
সঠিক উত্তর:
খ) বোর পরমাণু মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বোর পরমাণু মডেল
ব্যাখ্যা
পরমাণুর ইলেক্ট্রন যখন নিম্ন শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে বা উচ্চ শক্তি স্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে গমন করে তখন শক্তির শোষণ বা বিকিরণ ঘটে যার কারণে বর্ণালীর উৎপন্ন হয়। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল অনুসারে কোনাে মৌলের পারমাণবিক বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায় না।
কিন্তু বােরের পরমাণু মডেল অনুসারে এক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণু হাইড্রোজেন (H) এর বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায়।
৩,৮৯১.
পানিকে জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে সহজ উপায় কোনটি?
  1. ক) ইমবাইবেশন
  2. খ) প্রস্বেদন
  3. গ) ক্লোরিনেশন
  4. ঘ) অসমোসিস
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরিনেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরিনেশন
ব্যাখ্যা
ক্লোরিনেশন
- জীবাণুনাশক পানি বিশুদ্ধ করার কাজে ক্লোরিন গ্যাস (Cl) ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া ব্লিচিং পাউডার [(Ca(OCl)Cl], যার মাঝে ক্লোরিন আছে এবং জীবাণু ধ্বংস করতে পারে, সেগুলো ব্যবহার করা হয়।
- দেশে বন্যার সময় পানি বিশুদ্ধ করার জন্য  সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড (NaOCl) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯২.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণ অভিকর্ষ
  2. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল
  3. মহাকর্ষ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না
  4. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষ:
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।
- অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে।
- অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
- অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না।

• মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ।
- এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, অর্থাৎ নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমকপ্রদ বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
- সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
- গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯৩.
নিচের কোনটি গ্রীন শক্তি? 
  1. কয়লা
  2. খনিজ তেল
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. সৌর শক্তি
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৯৪.
রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো কিসের কাজ করে?
  1. লেন্সের
  2. আতশী কাচের
  3. প্রিজমের
  4. দর্পণের
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিজমের
ব্যাখ্যা
- রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করে। 
- প্রিজমে সাদা আলো পতিত হলে তা সাতটি বর্ণে বিশ্লিষ্ট হয়। যথা: বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। একে আলোর বিচ্ছুরণ বলে। 
- বৃষ্টির ফোটায় সূর্যের আলো পড়লে তা প্রিজমের নেয় কাজ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৯৫.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. রেজিস্টর 
  2. ডায়োড
  3. ক্যাপাসিটর 
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর। 
-  n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম এমিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় যা অ্যামপ্লিফায়ার নামেও পরিচিত। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৯৬.
কোন দর্পণে প্রতিবিম্বের আকার সবসময় লক্ষ্যবস্তুর সমান হয়? 
  1. সমতল দর্পণে 
  2. অবতল দর্পণে 
  3. উত্তল দর্পণে 
  4. অবতল লেন্স 
সঠিক উত্তর:
সমতল দর্পণে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতল দর্পণে 
ব্যাখ্যা

রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়, কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
• m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৯৭.
কুলম্বের সূত্র প্রয়োগ করা হয়-
  1. চল তড়িৎ পরিমাপে
  2. চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
  3. চৌম্বক বল নির্ণয়ে
  4. তাপ পরিমাপে
সঠিক উত্তর:
চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জের মধ্যকার বল নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- কুলম্বের সূত্র (Coulomb’s Law) হলো একটি মৌলিক সূত্র যা দুইটি স্থির তড়িৎ চার্জের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

সূত্রটি:
• F = k⋅q1⋅q2/r2

• F = বল (Newton-এ)
• q₁, q₂ = দুইটি চার্জ (Coulomb)
•  r = দুই চার্জের মধ্যকার দূরত্ব (meter)
• k = ধ্রুবক

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৮৯৮.
ক্ষমতা নির্ণয়ের সূত্র কোনটি সঠিক?
  1. P = বল/বেগ
  2. P = (সম্পন্ন কাজ)/সময়
  3. P = বল × সরণ × সময় 
  4. P = বল × বেগ × সময়2
সঠিক উত্তর:
P = (সম্পন্ন কাজ)/সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P = (সম্পন্ন কাজ)/সময়
ব্যাখ্যা

- কাজ করার হারকেই ক্ষমতা (Power) বলা হয়। অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে সেই সময় দিয়ে ভাগ করলে ক্ষমতা পাওয়া যায়। গাণিতিকভাবে: ক্ষমতা (P) = কাজ (W) / সময় (t) । 

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
সুতরাং, ক্ষমতা = বল × বেগ (P = Fv) 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W. 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৯৯.
গ্যাসীয় পদার্থের কোনটি থাকেনা?
  1. নির্দিষ্ট ভর
  2. নির্দিষ্ট আকার
  3. নির্দিষ্ট আয়তন
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• বায়বীয় পদার্থ:
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই।
- যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে।
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৯০০.
কোনটি ভৌত জীববিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত বিষয় নয়?
  1. ক) অঙ্গসংস্থান
  2. খ) হিস্টোলজি
  3. গ) জীবভূগোল
  4. ঘ) অণুজীববিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
ঘ) অণুজীববিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অণুজীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
অণুজীববিজ্ঞান ফলিত জীববিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।