বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৮ / ৬৪ · ২,৭০১২,৮০০ / ৬,৪০৯

২,৭০১.
আধান/তড়িৎ প্রাবল্যের ব্যবহারিক একক হচ্ছে -
  1. ওহম
  2. ওয়াট/ডাইন
  3. নিউটন/কুলম্ব
  4. জুল
সঠিক উত্তর:
নিউটন/কুলম্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন/কুলম্ব
ব্যাখ্যা

• আধান বা তড়িৎ প্রাবল্যের (Electric Field) ব্যবহারিক একক হলো নিউটন প্রতি কুলম্ব (N/C)। এটি একটি ভেক্টর পরিমাণ, যা কোনো চার্জের উপর একক চার্জ দ্বারা প্রয়োগকৃত বলের মাত্রা প্রকাশ করে। অর্থাৎ, যদি এক কুলম্ব চার্জ কোনো ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করা হয় এবং সেই চার্জে কোনো বল প্রয়োগ হয়, তা দ্বারা ক্ষেত্রের শক্তি বা প্রাবল্য নির্ধারিত হয়।

- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো নিউটন/কুলম্ব।

তড়িৎ ক্ষেত্র: 
- একটি আহিত বস্তুর চারপাশে যে অঞ্চলব্যাপী তার প্রভাব বজায় থাকে অর্থাৎ অন্য কোনো আহিত বস্তু আনা হলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল লাভ করে সেই অঞ্চলকে ঐ আহিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।

তড়িৎ প্রাবল্য: 
- তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ প্রাবল্য বলে।

তড়িৎ বিভব: 
- অসীম থেকে প্রতি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে।

তড়িৎ দ্বিমেরু: 
- এক জোড়া সমান ও বিপরীত বিন্দু আধান অল্প দূরত্বে অবস্থিত থাকলে তাকে তড়িৎ দ্বিমেরু বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

২,৭০২.
HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l)
কোন ধরণের বিক্রিয়া?
  1. প্রশমন বিক্রিয়া
  2. দহন বিক্রিয়া
  3. বিয়োজন বিক্রিয়া
  4. পানিযোজন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়া:
- এসিড দ্রবণ ও ক্ষার দ্রবণ যোগ করলে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে।
- বিক্রিয়ার সময় এসিড তার এসিড ধর্ম এবং ক্ষার তার ক্ষার ধর্মকে হারিয়ে ফেলে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- এসিড জলীয় দ্রবনে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে থাকে। এসিডের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ও ক্ষারের  হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) যুক্ত হয়ে পানি উৎপন্ন করে।
- উদাহরণ: HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l)

• পানিযোজন বিক্রিয়া:
- আয়নিক যৌগ দ্রবণ থেকে কেলাস গঠনের সময় এক বা একাধিক সংখ্যা পানির অণুকে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াকে পানি যোজন বিক্রিয়া বলে।
- আয়নিক যৌগের কেলাসের সাথে সংযুক্ত পানিকে কেলাস পানি বলে।

• বিয়োজন বিক্রিয়া:
- বিয়োজন বিক্রিয়া সংযোজন বিক্রিয়ার ঠিক বিপরীত ক্রিয়া।
- এ প্রক্রিয়ায় যৌগের অণু ভেঙ্গে একাধিক মৌল বা যৌগে পরিণত হয়।
- প্রকৃতপক্ষে যৌগের অণু উহার উপাদানসমূহে বিভক্ত হয়।
- উদাহরণ: মারকারী (II) অক্সাইড উচ্চ তাপে বিয়োজিত হয়ে উহার সরলতম উপাদান মারকারী ও অক্সিজেনে পরিণত হয়।

• দহন বিক্রিয়া:
- এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়।
- উদাহরণ: কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭০৩.
বেকিং সোডা তাপ দিলে কোন গ্যাস উৎপন্ন হয় যা খাবার ফোলাতে সাহায্য করে?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রোজেন
  3. সালফার ডাই-অক্সাইড
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন এসিডের ব্যবহার: 
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: 
- সাধারণত মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) -এর প্রয়োজন হয়। 
- কোমল পানীয়গুলো অল্পমাত্রায় এসিডিক, তাই গুরুপাক খাবার পর কোমল পানীয় আমাদের পরিপাকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) তৈরিতে সাহায্য করে। 

• বেকিং সোডা: 
- কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি বেকিং সোডা (NaHCO3) ব্যবহার করে ফোলানো হয়। 
- তাপ দিলে এই বেকিং সোডা ভেঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা কেক, বিস্কুট, পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে। 

• এসকরবিক এসিড: 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি ফলের মধ্যে ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (C6H8O6) আছে। 
- এটি দেহের ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক এবং এর অভাবে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ হয়। 

• এসিটিক এসিড: 
- আম, জলপাই ইত্যাদির নানা রকম আচার সংরক্ষণ করতে ভিনেগার বা এসিটিক এসিড (CH3COOH) ব্যবহার করা হয়। 

• ল্যাকটিক এসিড: 
- কোমল পানীয়ের মতো বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড [(CH3-CH(OH)-COOH] আমাদের হজম শক্তিতে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭০৪.
এটম শব্দের প্রবক্তা কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) ডালটন
  3. গ) অ্যারিস্টোটল
  4. ঘ) প্লেটো
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেমোক্রিটাস
ব্যাখ্যা
গ্রীক দার্শনিক ডেমােক্রিটাস খ্রিস্টপূর্ব ৪০০ অব্দে সর্বপ্রথম পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা নিয়ে মতবাদ পােষণ করেন। তার মতে সকল পদার্থই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য (যা আর ভাঙ্গা যায় না) কণা দ্বারা গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্রতম কণার নাম দেন পরমাণু বা এটম। এটম কথাটি তিনি নিয়েছিলেন গ্রীক শব্দ এটোমােস (AtomoS) থেকে যার অর্থ হলাে অবিভাজ্য। তার সমসাময়িক সময়ের আরও দুজন দার্শনিক প্লেটো (Plato) এবং অ্যারিস্টটল (Aristotle) তার মতবাদের সাথে দ্বিমত পােষণ করেন। অ্যারিস্টটলের মতে পদার্থসমূহনিরবচ্ছিন্ন (Continuous), একে যতই ভাঙ্গা হােক না কেন, পদার্থের কণাগুলাে ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর হতে থাকবে।
উৎস: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান
২,৭০৫.
পানিতে Ca(OH)2 এর সম্পৃক্ত দ্রবণকে কী বলা হয়?
  1. ব্ল্যাক লাইম
  2. লাইম ওয়াটার
  3. নিশাদল
  4. তড়িৎ বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
লাইম ওয়াটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইম ওয়াটার
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি → ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড 

- Ca(OH)2 স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত।
- এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে।
- স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2 পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়। 
আর, পানিতে Ca(OH)2 এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
২,৭০৬.
কসমিক-রে এর আবিষ্কারক কে?
  1. ক) উইলিয়াম রাদারফোর্ড
  2. খ) রন্টজেন
  3. গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
  4. ঘ) জন হুইলার
সঠিক উত্তর:
গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস
ব্যাখ্যা
মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি হলো Cosmic rays।
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
২,৭০৭.
কোনটির গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শব্দ
  2. আলো
  3. বুলেট
  4. জেট বিমান
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো
ব্যাখ্যা
আলো: 
- আলো একপ্রকার শক্তি। 
- আলো একধরনের তড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ যা আমাদের চোখে দর্শনের অনুভূতি যোগায়। 
- আলোর কণাকে ফোটন বলে। 
- আলোর বেগ 3×108 ms-1 অর্থাৎ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড প্রায়। 
- দৃশ্যমান আলো সাতটি বর্ণের সমষ্টি।
যথা- বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল। 
- আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে কোনো বস্তুই আলোর গতির সমান বা অধিক গতিবেগ নিয়ে চলতে পারে না।  
- আলোর গতি শূন্য মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি এবং তা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭০৮.
নিচের কোনটি প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু কোনটি?
  1. টাংস্টেন
  2. লৌহ
  3. প্লাটিনাম
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাংস্টেন
ব্যাখ্যা
• প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন।

• ধাতু:

- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়।
- ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক। (হীরক ধাতু নয়, এটি কার্বনের একটি রূপভেদ)।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম (Uranium)। আনবিক ভর - ২৩৮.০৩।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম (Platinum)। এর আনবিক ভর - ১৯৫.০৭৮
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম (Lithium)। এর আনবিক ভর - ৬.৯৪

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
২,৭০৯.
কোন যন্ত্রে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়?
  1. টেলিভিশন
  2. টেপরেকর্ডার
  3. রেডিও
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার মূলত বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। ঘরোয়া বা ছোট ইলেকট্রনিক যন্ত্র যেমন টেলিভিশন, টেপ রেকর্ডার ও রেডিওতে সাধারণত পাওয়ার সাপ্লাইয়ে মেইন ভোল্টেজকে কমানো প্রয়োজন হয়, যাতে যন্ত্রের ভেতরের সার্কিট নিরাপদভাবে কাজ করতে পারে। তাই এই যন্ত্রগুলিতে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করা হয়। এটি মেইন ভোল্টেজকে যন্ত্রের উপযুক্ত ভোল্টেজে নামিয়ে আনে এবং সার্কিটের ক্ষতি বা সংক্ষিপ্ত সংযোগের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো – উপরের সবগুলো।

ট্রান্সফর্মার:

• ট্রান্সফরমার একটি স্থির বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা বিদ্যুৎ শক্তিকে একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি (সার্কিট) থেকে অপর একটি বৈদ্যুতিক বর্তনিতে ফ্রিকুয়েন্সিকে কোন প্রকার পরিবর্তন না করে স্থানান্তর করে।
• ট্রান্সফর্মার প্রধানত ২ প্রকার। যথা: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার (Step up Transformer):
- যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: দূরদূরান্তে তড়িৎ প্রেরণের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

• অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার (Step down Transformer):
- যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
- উদাহরণ: অবরোহী বা স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষণ, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১০.
পর্যায় সারণির কোন গ্রুপের মৌলগুলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত?
  1. গ্রুপ 2
  2. গ্রুপ 16
  3. গ্রুপ 17
  4. গ্রুপ 18
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ 18
ব্যাখ্যা
• পর্যায় সারণির গ্রুপ 18 এর মৌলসমূহ নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে পরিচিত।

• পর্যায় সারণি:

- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে।
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে।
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ 18 এর মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
যথা: হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোন যৌগ গঠন করতে চায় না।
- নিষ্ক্রিয় অন্য মৌলগুলো থেকে হিলিয়াম (He) মৌলটি ব্যতিক্রম। কারণ হিলিয়াম (He) এর বাইরের শক্তিস্তর ২টি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে যা নিষ্ক্রিয় গ্যাসের অন্য মৌলগুলোর ক্ষেত্রে ৮টি ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ থাকে।
- রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে।

• মৃৎক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-২ এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে।
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। যথা: বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra)।
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে।
- এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়।

• হ্যালোজেন:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে।
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• চ্যালকোজেনস:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর মৌলসমূহকে (যেমন O, S, Se, Te ইত্যাদিকে) আকরিক উৎপন্নকারী মৌল বা চ্যালকোজেনস (chalcogens) বলা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১১.
কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ওজন
  2. সময়
  3. সরণ
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর
ব্যাখ্যা
• কাজের মাত্রা ML2T-2 এ - 'M' দ্বারা "ভর' বুঝায়।

• কাজ, বল ও সরণের মধ্যে সম্পর্ক: 
- কাজ পরিমাণ করতে হলে আমাদের দুটি রাশি জানা প্রয়োজন। 
- একটি হচ্ছে বল এবং অপরটি হচ্ছে সরণ। কারণ কাজ সৃষ্টির জন্য বল ও সরণের প্রয়োজন হয়। 
- কাজ হচ্ছে বল ও সরণের গুণফল। 
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই। 
- কাজের মাত্রা, [W] = [ML2T -2]। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১২.
একটি Distance relay কোনটি পরিমাপ করে?
  1. Current difference
  2. Voltage difference
  3. Impedance difference
  4. Distance between two CTs
সঠিক উত্তর:
Impedance difference
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Impedance difference
ব্যাখ্যা
- দূরত্বের রিলে হল একটি প্রতিরক্ষামূলক রিলে যা পাওয়ার সিস্টেমে ট্রান্সমিশন লাইন এবং অন্যান্য উচ্চ-ভোল্টেজ সরঞ্জামকে ত্রুটি বা অস্বাভাবিক অবস্থা থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ত্রুটির অবস্থানে Impedance বা দূরত্ব পরিমাপ করার নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং ত্রুটিযুক্ত অংশটি বিচ্ছিন্ন করতে সার্কিট ব্রেকারকে ট্রিপ করে।

এর কাজ করার ধাপগুলো হল 
- Impedance Measurement,
- Setting Characteristics,
- Tripping Circuit Breakers.
২,৭১৩.
অজৈব যৌগ বলা হয় কোনটিকে?
  1. মিথেন
  2. ইউরিয়া
  3. কস্টিক সোডা
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
কস্টিক সোডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কস্টিক সোডা
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন: মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 

অজৈব যৌগ: 
- খনিজ অর্থাৎ নির্জীব পদার্থ থেকে প্রাপ্ত যৌগসমূহকে অজৈব যৌগ বলা হয়। 
- যে কোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
- অধিকাংশ অজৈব যৌগ আয়নিক অথবা সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত। 
যেমন: পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
২,৭১৪.
বাতাসের প্রবাহ বাষ্পায়নের উপর কী প্রভাব ফেলে? 
  1. বাতাসের প্রবাহ কম হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
  2. বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
  3. বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন কম হয় 
  4. বাতাসের প্রবাহের কোনো প্রভাব নেই 
সঠিক উত্তর:
বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয় 
ব্যাখ্যা

বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- বর্ষাকালের বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে ভেজা কাপড় কিছুতেই শুকাতে চায় না। আবার শীতকালে ঘরের ভেতর ছায়াতেও কাপড় ধুয়ে শুকাতে দিলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। 
- ভেজা কাপড় শুকানোর বিষয়টি পানির বাষ্পায়ন ছাড়া আর কিছুই না, কাজেই পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- একটা তরলের বাষ্পায়ন কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা নিম্নে দেওয়া হলো- 
১। বাতাসের প্রবাহ: বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 
৩। তরলের প্রকৃতি: তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 
৪। বাতাসের চাপ: বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 
৫। উষ্ণতা: তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
৬। বায়ুর শুষ্কতা: বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭১৫.
অর্ধপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে কীভাবে পরিবর্তিত হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায় 
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে 
  4. প্রথম বৃদ্ধি, পরে হ্রাস পায় 
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায় 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, ক্যাডমিয়াম সালফাইড, গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ইত্যাদি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

২,৭১৬.
গোল্ড কোন রাসায়নিক প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1.  Hg
  2. Fe
  3. Au
  4. Ag
সঠিক উত্তর:
Au
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Au
ব্যাখ্যা

- গোল্ড এর রাসায়নিক প্রতীক Au, পারমাণবিক সংখ্যা 79.
- অণু গঠনের সময় কোন মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের কোন পরমাণু   যুক্ত হওয়ার সামর্থ্যকেই যোজনী বা যোজ্যতা বলে। 

অন্যদিকে, 
Hg হচ্ছে পারদের  রাসায়নিক প্রতীক। 
Fe হচ্ছে আয়রনের রাসায়নিক প্রতীক।
Ag হচ্ছে সিলভারের রাসায়নিক সংকেত।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১৭.
ধনাত্মক আধানযুক্ত রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য (Features of Radioactivity):
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ)নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস।
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয় ।
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ। যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রস্থ। আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ।
- ধনাত্মক আধান যুক্ত রশ্মিকে আলফা (c) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান যুক্ত রশ্মিকে বিটা (B) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (Y) রশ্মি বলে।
- আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চেখে দেখা যায় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১৮.
অভিস্রবণ কোনটি?
  1. তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
  2. বায়বীয় পদার্থের তরলে রূপান্তর
  3. কঠিন পদার্থ গলানো
  4. দ্রাব্যতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল পদার্থের বাষ্প শোষণ
ব্যাখ্যা

• অভিস্রবণ (Absorption) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি পদার্থ (সাধারণত গ্যাস বা বাষ্প) অন্য একটি পদার্থের (সাধারণত তরল বা কঠিন) অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এবং তার মধ্যে মিশে যায়।

- উদাহরণ: অ্যামোনিয়া গ্যাসের পানি দ্বারা শোষণ।

অভিস্রবণ:
- যে প্রক্রিয়ায় একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লিয মধ্য দিয়ে হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি (দ্রাবক) অধিক ঘন দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে অভিস্রবণ বলে।
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যেই কিসমিস ফুলে ওঠে।
- অভিস্রবণ দু'ধরনের।
যথা-

(১) অন্তঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- অন্তঃঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরোমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শোষণ করতে পারে।
উদাহরণ - কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে।

(২) বহিঃঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঃঅভিস্রবণ ঘটে।
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিংবা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঃঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে।

উৎস:
- বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং উদ্ভিদ বিজ্ঞান।
- এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭১৯.
নিচের কোনটি আলফ্রেড নোবেল আবিস্কার করেন?
  1. ক) ডায়নামো
  2. খ) ডিনামাইট
  3. গ) পারমানবিক বোমা
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
খ) ডিনামাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিনামাইট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
সুইডেনের বৈজ্ঞানিক আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিস্কার করেন। মানবকল্যানের জন্য তিনি ডিনামাইট আবিষ্কার করলেও যখন এটি ধ্বংসাত্মক কাজে ব্যবহৃত হতে থাকে তখন তিনি ডিনামাইট আবিস্কার বাবদ প্রাপ্ত অর্থ মানবকল্যানে দান করেন। সে অর্থে তিনি ১৮৯৬ সালে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন যা ১৯০১ সাল থেকে ৬ টি বিষয়ে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সারা বিশ্বে প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে,
যুক্তরাজ্যের বৈজ্ঞানিক মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো,
ওপেনহাইমার পারমানবিক বোমা এবং
হেনরি বেকরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।

২,৭২০.
'Dry Ice' is produced from :
  1. ক) Oxygen
  2. খ) Sulphur di oxide
  3. গ) Carbon di oxide
  4. ঘ) Nitrogen
সঠিক উত্তর:
গ) Carbon di oxide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Carbon di oxide
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ বা ‘ড্রাই আইস’ হলো জমাট বা হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -78.5℃ উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২১.
নিউট্রনের চার্জ কত?
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. নিরপেক্ষ
  4. নির্দিষ্ট নয়
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা ৩ টি। যথা: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

• ইলেকট্রন:
- পরমাণুর ঋণাত্মক চার্জধারী অতিপারমাণবিক কণা।
- এদের e− প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়,
- প্রকৃত ভর: 9.11×10⁻28 g বা 9.109×10⁻31 kg,
- চার্জ: −1.602×10−19 কুলম্ব, 
-  আবিষ্কারক: জে জে থমসন (১৮৯৭)। 

• প্রোটন: 
- পরমাণুর ধনাত্মক চার্জধারী কণা।
- প্রতীক: p বা H+,
- প্রোটনের ভর ইলেকট্রনের ভরের প্রায় ১৮৩৬ গুণ,
- চার্জ: +1.602×10−19 কুলম্ব,
- আবিষ্কারক: রাদারফোর্ড,
- ভর: 1.672×10-24 g,

•  নিউট্রন:
- ‘নিউট্রাল’ বা ‘চার্জ নিরপেক্ষ’ শব্দ থেকে নিউট্রন শব্দের উৎপত্তি,
- আবিস্কারক: চ্যাডউইক (1932),
- এরা চার্জ নিরপেক্ষ (0),
- প্রতীক: n,
- নিউট্রনের ভর প্রোটনের চেয়ে সামান্য বেশি,
- ভর: 1.675×10⁻24 g,

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন ১ম পত্র।
২,৭২২.
আলোর প্রতিফলনের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা

আলো কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোন মাধ্যমে বাধা পেলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে কিছু পরিমাণ আলোক রশ্মি আগের মাধ্যমে ফিরে আসে, এ ঘটনাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

আলোর প্রতিফলন দুইটি সূত্র মেনে চলে। যথা:
প্রথম সূত্র: আপাতন রশ্মি এবং লম্ব দিয়ে আমরা যে সমতলটি কল্পনা করে নিয়েছিলাম প্রতিফলিত রশ্মিটি সেই সমতলেই থাকবে।
দ্বিতীয় সুত্র: প্রতিফলন কোনটি হবে আপাতন কোনের সমান।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

২,৭২৩.
সময়ের পরিমাপে কোনটি সবচেয়ে ছোট?
  1. ক) ন্যনো সেকেন্ড
  2. খ) পিকো সেকেন্ড
  3. গ) এটো সেকেন্ড
  4. ঘ) মাইক্রো সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) এটো সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এটো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
এক মাইক্রো সেকেন্ড সমান 10-6s;
এক ন্যানো সেকেন্ড সমান 10-9s;
এক পিকো সেকেন্ড সমান 10-12s এবং
এক এটো সেকেন্ড সমান 10-18s।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
২,৭২৪.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে কোনটি? 
  1. অ্যামিটার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত: দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলী পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলী আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

• ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা - 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশী থাকে। 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭২৫.
বিগ ব্যাং (Big Bang) থিউরির প্রবক্তা___।
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জি. ল্যামেটার
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) এ. হাবল
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জি. ল্যামেটার
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।
অন্যদিকে,
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।

সুতরাং বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

উৎস: ব্রিটানিকা

২,৭২৬.
দুইটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুন করা হলে তাদের মহাকর্ষ বল পূর্বের কতগুণ হবে? 
  1. ৪ গুণ
  2. ১/৪ গুণ
  3. ৮ গুণ
  4. ১/৮ গুণ
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক। 
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। 
অতএব, দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৭.
লোহার টুকরো সলিনয়েডের ভেতরে রাখলে এবং সলিনয়েডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে কী ঘটে?
  1. চৌম্বক ক্ষেত্র উৎপন্ন হয় না
  2. লোহা চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে
  3. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এলোমেলো থাকে
  4. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়
ব্যাখ্যা

• তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। 
- কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭২৮.
নিচের কোন শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়? 
  1. কয়লা 
  2. খনিজ তেল 
  3. বায়োগ্যাস 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা
- 'বায়োগ্যাস' শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়, কারণ এটি নবায়নযোগ্য শক্তি যা পরিবেশ বান্ধব। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়োগ্যাস,  বায়ুপ্রবাহ, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২৯.
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে কী বলে? 
  1. অপবর্তন
  2. পোলারন
  3. প্রতিসরণ
  4. বিক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 
- প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়। 

অন্যদিকে, 
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩০.
প্রোপেনের অণুতে কার্বন পরমাণু সংখ্যা কত?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• প্রোপেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। প্রোপেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C3H8
অর্থাৎ এটি হলো ৩ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। যাতে ৩ টি কার্বনের সাথে ৮ টি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩১.
সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে নিচের কোন বিজ্ঞানী জানতেন?
  1. থেলিস
  2. গ্যালিলিও
  3. আরিস্তারাকস
  4. কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
থেলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থেলিস
ব্যাখ্যা
- প্রথম সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন আরিস্তারাকস (310 BC)। 
- থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। 
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস তার একটি বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক একটি সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন। 
- কোপার্নিকাসের তত্ত্বটি দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে ছিলো, গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২) সেটিকে সবার সামনে নিয়ে আসেন। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৩২.
কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস ও মোমের মূল উপাদান কোনটি? 
  1. কার্বন মনোক্সাইড 
  2. ক্লোরিন যৌগ 
  3. নাইট্রোজেন যৌগ 
  4. হাইড্রোকার্বন 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন 
ব্যাখ্যা

দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বিষয় রসায়নের বিশ্লেষণ: 
- কাঁচা আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড যেমন: সাক্সিনিক এসিড, ম্যালেয়িক এসিড প্রভৃতি থাকে, যার ফলে কাঁচা আম টক হয়। 
- কিন্তু আম যখন পাকে তখন এই এসিডগুলোর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের সৃষ্টি হয়, তাই পাকা আম মিষ্টি হয়। 

- কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, মোম এগুলোর মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। 
- হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন আর হাইড্রোজেনের যৌগ। 
- তাই যখন এইগুলোর দহন ঘটে তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে এইগুলোর বিক্রিয়া হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো আর তাপশক্তির সৃষ্টি হয়। 

- পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসরিত হলে পেটে এসিডিটির সমস্যা হয়। 
- এন্টাসিডে থাকে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, এই দুটি যৌগ এসিডকে প্রশমিত করে। 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন জিনিস রসায়নের সাথে সম্পর্কিত। কাজেই বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখার একটি হলো রসায়ন। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৩৩.
কোনটি তাপ কুপরিবাহী নয়?
  1. কাঁচ
  2. কাঠ
  3. পানি
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
- যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন - লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

- যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন - তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ ইত্যাদি।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৭৩৪.
TNT কী?
  1. ক) রাসায়নিক সার
  2. খ) কীটনাশক
  3. গ) বিস্ফোরক
  4. ঘ) ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ফোরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ফোরক
ব্যাখ্যা
- TNT এর পূর্ণ নাম হচ্ছে Trinitrotoluene,
- আরো বিস্তারিত বললে ২, ৪, ৬ ট্রাইনাইট্রো টলুইন।

ব্যবহার:
- শক্তিশালী বিস্ফোরক রুপে; 
- হাত বোমায়;
- সেনাবাহিনীর Bomb Shell এবং জাহাজ ধ্বংসকারক  Torpedo প্রস্তুতকরণে;
- বিল্ডিং ও পাহাড় Amatol নামক বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণে।

সূত্র- রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, হাজারী ও নাগ, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭৩৫.
কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. গামা তরঙ্গ
  2. এক্সরে
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে বলা হয় আলট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। 
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে বলা হয় ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বেশি বড় হলে রেডিও ওয়েভ। 
 -জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট। 
২,৭৩৬.
পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশে কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. নীলস বোর
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ব্যাখ্যা

• ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা করেন।

• পদার্থবিজ্ঞান :
- বিশ্ব প্রকৃতিতে যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে পদার্থ বলে।
- পদার্থ ও শক্তির প্রকৃতি এবং এদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে পদার্থবিজ্ঞান বলে।
- পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বস্তু ও শক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং ফলাফল পরিমাপগতভাবে প্রকাশ করাই পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য।

• পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর :
- বিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হলো পদার্থবিজ্ঞান।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশলশাস্ত্র, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান প্রভৃতি শাখায় পদার্থবিজ্ঞানের নীতি ব্যবহৃত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানকে বলবিজ্ঞান, তাপবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান, চুম্বকত্ববিজ্ঞান, তড়িৎবিজ্ঞান, কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, - নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ :
- প্রাচীন যুগে থেলিস সূর্যগ্রহণ ও জ্যামিতি বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন।
- পিথাগোরাস জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সূত্র প্রবর্তন করেন।
- ডেমোক্রিটাস পদার্থের অবিভাজ্য একক পরমাণু ধারণা প্রদান করেন।
- আর্কিমিডিস ভাসমানতার নীতি ও জ্যামিতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- মধ্যযুগে জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়নে অবদান রাখেন।
- আল-খোয়ারিজমি গণিতে গবেষণা করেন এবং Algebra শব্দটির উৎপত্তি তাঁর গ্রন্থ থেকে।
- ইবনে আল-হাইয়াম আলোকবিজ্ঞানে অবদান রাখেন।
- আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- রজার বেকন পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধারণা প্রদান করেন।
- কপর্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করেন।
- কেপলার গ্রহের গতিসূত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র, ক্যালকুলাসের নীতি ও আলোর কণাতত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেন।
- ওয়েরস্টেড, ফ্যারাডে, লেঞ্জ তড়িৎচুম্বকত্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব প্রদান করেন।
- মার্কনি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- বেকেরেল ও মেরি কুরি তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ে অবদান রাখেন।
- জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং ভর-শক্তি সমীকরণ E=mc2 প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ড নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন।
- নীলস বোর পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন।
- অটো হান নিউক্লিয় বিভাজন প্রমাণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব প্রদান করেন।

• অন্যান্য অপশন :
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব ও ভর-শক্তি সমীকরণ প্রদান করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র ও ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- নীলস বোর হাইড্রোজেন পরমাণুর ইলেকট্রন স্তর তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৩৭.
অ্যালকোহলের কার্যকরী মূলক-
  1. -COOH
  2. -CHO
  3. -OH
  4. -CONH
সঠিক উত্তর:
-OH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-OH
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭৩৮.
2Na + Cl2 =NaCl , এই বিক্রিয়ায় জারক কোনটি?
  1. Na
  2. Cl
  3. Cl-
  4. Na+
সঠিক উত্তর:
Cl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cl
ব্যাখ্যা
• জারণ-বিজারণ:
- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেক্ট্রনের বর্জন ঘটে তাকে জারণ বিক্রিয়া এবং যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। 
- আবার, যে পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে বিজারক এবং যে পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদেরকে জারক পদার্থ বলে। 
- অতএব কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ ধনাত্নক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ- ঋনাত্নক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়। 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে সংঘটিত হয়। 

- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে ইলেকট্রন গৃহীত হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়,
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। 

- সোডিয়াম ও ক্লোরিন বিক্রিয়া করে সোডিয়াম ক্লোরাইড তৈরি হওয়া (2Na + Cl2 =2NaCl) এধরনের জারণ প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
-  উপরের উদাহরণে একইসাথে সোডিয়ামের জারন ও ক্লোরিনের বিজারণ ঘটেছে।
- উক্ত বিক্রিয়ায় সোডিয়াম একটি ইলেকট্রন দান করে এবং যুগপৎভাবে ক্লোরিন সেটি গ্রহণ করে।
- ফলে বিক্রিয়ায় সোডিয়াম বিজারক ও ক্লোরিন জারক।

Na - e → Na+ (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
Cl + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৯.
শক্তির ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) শক্তি সৃষ্টি করা যায় না।
  2. খ) শক্তি ধ্বংস করা যায় না।
  3. গ) শক্তির রূপান্তর হয়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
শক্তির নিত্যতার সূত্র:
আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে চারপাশে যে শক্তি দেখি সেটি সৃষ্টিও হয় না, ধ্বংস ও হয় না। শুধু তার রূপ পরিবর্তন করে। এটাই হচ্ছে শক্তির নিত্যতার সূত্র৷

যেমনঃ
বাশিঁ বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক মটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।
২,৭৪০.
অর্ধ-পরিবাহী পদার্থের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) সিলভার
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) জার্মেনিয়াম
  4. ঘ) গ্যালিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিলভার
ব্যাখ্যা

১. পরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে।
সাধারণত ধাতব পদার্থ তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। যেমন- তামা, রূপা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি পরিবাহী। পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়ঃ ১০-৮ Ωm ক্রমের। রূপা হলো সবচেয়ে উত্তম ধাতব পরিবাহক। পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। ফলে পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।

২. অপরিবাহী : যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অন্তরক বা অপরিবাহী বলে।
যেমন- কাচ, কাঠ, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ। অপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা খুব কম এবং আপেক্ষিক রোধের মান অত্যন্ত বেশি।

৩. অর্ধপরিবাহী : যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমনঃ জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্তরকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ ১০-৪ Ωm থেকে ১০-২ Ωm ক্রমের।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৪১.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়? 
  1. তামা 
  2. নাইক্রোম 
  3. স্টেনিয়াম
  4. টাংস্টেন
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম 
ব্যাখ্যা

• বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে নাইক্রোম (নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু) ব্যবহার করা হয় কারণ এর আপেক্ষিক রোধ অনেক বেশি।
- ফলে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে জারিত হয় না এবং এর গলনাঙ্কও অনেক বেশি।

 • নাইক্রোম তার: 
- বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

অন্যান্য অপশন:
- তামা: তামার রোধ খুব কম এবং এটি সুপরিবাহী, তাই এটি বিদ্যুৎ পরিবহনের তারে ব্যবহৃত হয়, তাপ উৎপাদনের জন্য নয়।
- স্টেনিয়াম: এটি টিনের ল্যাটিন নাম; এর গলনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি হিটিং এলিমেন্ট হিসেবে অনুপযোগী।
- টাংস্টেন: এটি সাধারণত বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি আলো উৎপন্ন করতে পারে, কিন্তু এটি হিটারের মতো খোলা অবস্থায় থাকলে দ্রুত বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হয়ে যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৭৪২.
নিচের কোনটি একমুখী যোগাযোগ মাধ্যমের উদাহরণ?
  1. ই-মেইল
  2. টেলিফোন
  3. মোবাইল ফোন
  4. রেডিও 
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
ব্যাখ্যা

- রেডিও একমুখী যোগাযোগের একটি নিখুঁত উদাহরণ (যাকে ব্রডকাস্ট বা সিমপ্লেক্স মোডও বলা হয়), কারণ এখানে তথ্য শুধুমাত্র একজন প্রেরক (রেডিও স্টেশন) থেকে একাধিক প্রাপকের (শ্রোতা) কাছে প্রবাহিত হয় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সুযোগ থাকে না।  

রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 

অন্যদিকে, 
- ই-মেইল হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার একটি উদাহরণ, যেখানে প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে।
- টেলিফোন হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার উদাহরণ, কারণ এটি দুইজন ব্যক্তিকে একই সময়ে কথা বলতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে।
- মোবাইল ফোনও টেলিফোনের মতোই দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থা ব্যবহার করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

২,৭৪৩.
অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি তৈরিতে কোন ধাতু সংকর ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) ডুরালমিন
  4. ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্টেইনলেস স্টিল
ব্যাখ্যা
লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। রসায়ন শিল্পের বিক্রিয়ার পাত্র, ছুরি, কাঁচি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি তৈরিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়।
উড়োজাহাজের কাঠামো (বডি), বাই সাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি তৈরিতে ডুরালমিন ব্যবহার করা হয়।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]
২,৭৪৪.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলে-
  1. বিজারিত
  2. জারণ
  3. বিজারক
  4. জারক
সঠিক উত্তর:
জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারক
ব্যাখ্যা

• যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে জারণ বা বিজারক বলে।
• যেমন- সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।
• আবার যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বা জারক বলে।
• যেমন- অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৪৫.
alkaline earth metal নিচের কোনটি?
  1. Na
  2. Ca
  3. Cu
  4. Au
সঠিক উত্তর:
Ca
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (alkali metal): 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাশিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb) এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal): 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr) প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিনত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে। 
- এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

মুদ্রা ধাতু: 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-11 এর মাত্র তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু বলে। 
যেমন- কপার বা তামা (Cu), রূপা (Ag) ও সোনা (Au)। 
- এ মৌল তিনটির ধাতব উজ্জ্বলতা অসাধারণ। 
- বর্তমান বাজারে সংকর ধাতুর তৈরী ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৬.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি আপেক্ষিক?
  1. ক) স্থান
  2. খ) বস্তুর ভর
  3. গ) সময়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক।
- বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
- ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর, এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)।
২,৭৪৭.
পানির রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. CO₂
  2. H₂O
  3. NaCl
  4. O₂
সঠিক উত্তর:
H₂O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
H₂O
ব্যাখ্যা
• পানির রাসায়নিক গঠন:
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত।
- এর আনবিক সংকেত H₂O.
- এবং আণবিক ভর ১৮।

• পানির ধর্ম:
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- গলনাংক: আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে।
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়।
- অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- স্ফুটনাংক: প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়।
- তড়িৎ পরিবাহিতা: বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- তবে পানিতে আয়নিক লবণ দ্রবীভূত থাকলে তা তড়িৎ পরিবহন করে।
- তাই নদী পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী।

এছাড়াও,
- দ্রবক: পানি একটি ভাল দ্রাবক।
- এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে।
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়।
- ঘনত্ব: ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে।
- অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ।
- বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না।
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে।
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭,
- তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৮.
মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কার করেন-
  1. গ্যালিলিও
  2. নিউটন
  3. আইনস্টাইন
  4. মার্কনী
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ। 
১. অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 
২. অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে। 
৩. অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল। 
৪. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন। 
৫. অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না। 

- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে। 
১. সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ। 
২. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৪৯.
কোন পদ্ধতির সাহায্যে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়?
  1. অপবর্তন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিচ্ছুরণ
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,৭৫০.
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্কের কতটা পরিবর্তন ঘটবে?
  1. ক) অর্ধেক হবে
  2. খ) দ্বিগুণ হবে
  3. গ) তিনগুণ হবে
  4. ঘ) চারগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
ক) অর্ধেক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অর্ধেক হবে
ব্যাখ্যা
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে।
সূত্রঃ এইসএসসি পদার্থবিজ্ঞান
২,৭৫১.
নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয় কারণ-
  1. অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
  2. বিক্রিয়ার তাপমাত্রা শোষিত হয়
  3. বেশি সংখ্যক পরমাণু ভাঙ্গে
  4. অতি দ্রুত শক্তি উৎপাদন করা হয়
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকাংশ নিউট্রন শোষিত হয়
ব্যাখ্যা
• ক্যাডমিয়াম দণ্ডের ভূমিকা:
- নিউক্লিয়ার রিয়্যাক্টরে নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,
- কারণ এই নিউট্রনই পরমাণু বিভাজন (nuclear fission) প্রক্রিয়াকে চালিত করে।
- ক্যাডমিয়াম একটি শক্তিশালী নিউট্রন শোষক (neutron absorber),
- যা অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে এবং নিয়ন্ত্রিত চেইন বিক্রিয়া বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: Stanford University Website.
২,৭৫২.
Which acid is mainly present in tomatoes?
  1. Carbonic acid
  2. Tartaric acid 
  3. Folic acid
  4. Lactic acid
  5. Oxalic acid
সঠিক উত্তর:
Oxalic acid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxalic acid
ব্যাখ্যা

- টমেটোতে প্রধানত অক্সালিক এসিড (Oxalic acid) উপস্থিত থাকে, যদিও টমেটোতে ম্যালিক এবং সাইট্রিক অ্যাসিড সহ আরও অনেক অ্যাসিড থাকে, তবে অক্সালিক অ্যাসিডকে সাধারণত প্রধান অ্যাসিড হিসেবে গণ্য করা হয়। 

জৈব এসিড: 
- এসিড সাধারণত টক স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে। 
- লেবু, আমলকি, কাঁচা আমড়া, জলপাই ও করমচায় প্রয়োজনীয় সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টমেটোতে অক্সালিক এসিড থাকে। 
- আপেল ও আনারসে ম্যালিক এসিড থাকে। 
- আমাদের পাকস্থলিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয় যা খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 
- বাজারের সকল সফট ড্রিংকসে যা থাকে তা প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবণ। 

অন্যদিকে, 
- কার্বনিক এসিড হলো CO2 + H2O দ্রবণে তৈরি হওয়া অ্যাসিড যা মূলত সোডা বা carbonated drinks-এ থাকে। 
- ফলিক অ্যাসিড হলো একটি ভিটামিন B9, যা সবজি ও ফল-এ থাকে। 
- ল্যাকটিক অ্যাসিড সাধারণত দুগ্ধজাত পণ্য বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়, টমেটোতে প্রাকৃতিকভাবে এটি প্রধান অ্যাসিড নয়। 
- টারটারিক অ্যাসিড মূলত আঙ্গুরে পাওয়া যায়, এটি টমেটোতে প্রধান অ্যাসিড নয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৭৫৩.
'আধুনিক পারমাণবিক মতবাদ' র প্রবর্তক কে?
  1. জন ডাল্টন
  2. ডেমোক্রিটাস
  3. অ্যাভোগাড্রো
  4. হেনরি মোসলে
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ডাল্টন
ব্যাখ্যা
• পারমানবিক মতবাদ:
- প্রাচীন গ্রিসে আজ থেকে ২৫০০ বছর পূর্বে লুসিপাস (Leucippus) ও তাঁর ছাত্র ডেমোক্রিটাস (Democritus) এ অভিমত প্রকাশ করেন যে, সব পদার্থ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবিভাজ্য অংশ দ্বারা গঠিত।
- ডেমোক্রিটাস এ অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশের নাম দেন atoma।
- এ শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ যেমন a (not) এবং temnein (to cut) হতে উদ্ভূত।
- অর্থাৎ atoma বলতে বোঝায় যা আর ভাগ করা যায় না।
- কিন্তু বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল (Aristotle) এর বিরোধিতার প্রভাবে এ মতবাদ চাপা পড়ে যায়।
- অ্যারিস্টটলের মতে পদার্থ নিরবচ্ছিন্ন, তাকে যত ইচ্ছা ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায়। ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে atom মতবাদ আবার বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিকগণের সমর্থন লাভ করে।
- অবশেষে ব্রিটিশ স্কুল শিক্ষক জন ডাল্টন (John Dalton) এ মতবাদকে বৈজ্ঞানিক মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭৫৪.
হ্যালোজেন মৌলগুলো পর্যায় সারণির কোন গ্রুপে অবস্থান করে? 
  1. গ্রুপ-1
  2. গ্রুপ-2
  3. গ্রুপ-17
  4. গ্রুপ-18
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-17
ব্যাখ্যা

হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে- 
• ফ্লোরিন (F), 
• ক্লোরিন (Cl), 
• ব্রোমিন (Br), 
• আয়োডিন (I), 
• অ্যাস্টাটিন (At) এবং 
• টেনেসিন (Ts) । 

- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে। 
যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৫৫.
জলীয় বাষ্পকে যখন ঘনীভবন করা হয়, তখন ক্ণাসমূহের ক্ষেত্রে কী ঘটবে?
  1. ক) আকার সংকুচিত হবে
  2. খ) চলাচল করতে থাকবে
  3. গ) একই অবস্থানে থেকে কাঁপতে থাকবে
  4. ঘ) শক্তি নির্গত করবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি নির্গত করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি নির্গত করবে
ব্যাখ্যা


উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই
২,৭৫৬.
তৃতীয় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে? 
  1. 18
  2. 8
  3. 2
  4. 32
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

পরমাণুর শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস: 
- বোরের মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
অতএব এই সূত্রানুসারে- 
• K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 অতএব, K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 12) টি = 2 টি। 
• L শক্তিস্তরের জন্য n = 2 অতএব, L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 22) টি = 8 টি। 
M শক্তিস্তরের জন্য n = 3 অতএব, M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 32) টি = 18 টি। 
• N শক্তিস্তরের জন্য n = 4 অতএব, N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 42) টি = 32 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৫৭.
Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. −6
  2. +5
  3. −2
  4. +2
সঠিক উত্তর:
+5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+5
ব্যাখ্যা
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

- মনে করি, Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা = x
আমরা জানি, O এর প্রমাণ জারণ সংখ্যা −2,
যেহেতু, Cl2O5 অণুটি আধান নিরপেক্ষ অণু।
সুতরাং Cl2O5 অণুতে পরমাণুসমূহের মোট জারণ সংখ্যার মান শূন্য। 
তাহলে, 2x + (−2) × 5 = 0
বা, 2x − 10 = 0
বা, 2x = 10
∴ x = +5
অতএব, Cl2O5 যৌগে Cl এর জারণ সংখ্যা = +5

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৫৮.
বাদুড় অন্ধকারে চলার সময় কীভাবে দিক নির্ণয় করে?
  1. ক) সবগুলোই ঠিক
  2. খ) চোখে দেখে
  3. গ) ঘ্রাণ শক্তির মাধ্যমে
  4. ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
বাদুড় অন্ধকারে চলার সময় আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে  দিক নির্ণয় করে। 

- আলট্রাসাউন্ড মূলত আমাদের শোনার বাহিরের শব্দ। 
- বাদুড় প্রায় 100 kHz কম্পনের শব্দ তৈরি করতে পারে।
- আল্টাসনিক শব্দ ২০,০০০ থেকে বেশি কম্পাংকের হয়ে থাকে।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৫৯.
1 মোল অণু হাইড্রোজেন গ্যাসের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় কত লিটার? 
  1. 11.2 লিটার 
  2. 2.24 লিটার
  3. 22.4 লিটার
  4. 44.8 লিটার
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
ব্যাখ্যা

মোলার আয়তন: 
- যে কোনো উপাদানের এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা ভেদে মোলার আয়তন ভিন্ন ভিন্ন। 
- কঠিন ও তরল উপাদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মোলার আয়তন বিভিন্ন হয়। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে একই তাপমাত্রা ও চাপে সকল গ্যাসের এক মোলার আয়তন একই হয়। 
- প্রমাণ অবস্থায় এক মোল যে কোনো গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার। 
- 0°C তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা এবং 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপকে প্রমাণ চাপ বলে। 
- তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটালে গ্যাসের আয়তনের বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রার হ্রাস ঘটালে গ্যাসের আয়তনের হ্রাস ঘটে। 
- আবার গ্যাসের উপর আরোপিত চাপের বৃদ্ধি ঘটালে আয়তনের হ্রাস ঘটে। আরোপিত চাপের হ্রাস ঘটালে আয়তনের বৃদ্ধি ঘটে। 
- এক মোল অণু = গ্রাম আণবিক ভর = 6.023×1023 টি অণু। আর প্রতিটির সম্পর্ক হলো যে কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় 22.4 লিটার। 
অর্থাৎ, 
এক মোল অণু হাইড্রোজেন = 2 গ্রাম হাইড্রোজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অণু অক্সিজেন = 32 গ্রাম অক্সিজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অ্যামোনিয়া = 17 গ্রাম অ্যামোনিয়া = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল কার্বন ডাই-অক্সাইড = 44 গ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬০.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. তড়িৎ চৌম্বক বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৬১.
পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার বর্তনীতে ব্যবহৃত ডায়োডের সংখ্যা কয়টি? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

• ব্রিজ রেকটিফায়ারের ক্ষেত্রে চারটি ডায়োডকে একটি ব্রিজের মতো বিন্যাসে যুক্ত করা হয়। এতে ট্রান্সফরমারের ইনপুট এসি সিগন্যালের উভয় অর্ধ-চক্রেই (Positive and Negative half cycles) আউটপুট পাওয়া যায়।

• রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার।  
যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার: 
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে। 
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়।
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স। 

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন। 
২. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬২.
নিচের কোনটি সংকর ধাতু নয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) ইস্পাত
  4. ঘ) আর্সেনিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু


- আর্সেনিক একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা 33. এর পারমাণবিক ভর 74.92160 (সাধারণ কাজে 75 ব্যবহার করা হয়)।

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭৬৩.
রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. অবলোহিত রশ্মি
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. দৃশ্যমান আলো
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

• অবলোহিত রশ্মি:
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি (infrared ray)।
- বর্ণালির 10- 6 m থেকে 10- 3 m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের।
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ।
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত বিকিরণ।
- রিমোট কন্ট্রোল ও নাইট ভিশন ক্যামেরায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬৪.
এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয় -
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোমার
  3. গ) আইসোটোন
  4. ঘ) আইসোবার
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- অন্যভাবে বলা যায়, এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- সেইজন্য আইসোটোপ তৈরি হয় নিউট্রনের তারতম্যের কারণে।
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৬৫.
বর্তমানে পরিবেশ-বান্ধব কোন গ্যাসটি রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসরে ব্যবহার করা হয়?
  1. টাইক্লোরোটাইফ্লুরো ইথেন
  2. টেট্রাফ্লুরো ইথেন
  3. ডাইক্লোরো ডাইফ্লুরো ইথেন
  4. আর্গন
সঠিক উত্তর:
টেট্রাফ্লুরো ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেট্রাফ্লুরো ইথেন
ব্যাখ্যা
পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ:
- ঐতিহ্যবাহী এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেন্টগুলিতে ফ্লোরিনযুক্ত গ্যাস থাকে যা ওজোন স্তরকে ছিদ্র করতে পারে, হ্রাস করতে পারে এবং পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে।
- টেকসই শীতলীকরণ এই গ্যাসগুলিকে জলবায়ু-বান্ধব বিকল্পগুলির সাথে প্রতিস্থাপন করে।
- সেগুলো যখন উন্নত শক্তি-দক্ষতা ব্যবস্থার সাথে মিলিত হয় তখন রেফ্রিজারেন্ট লিকেজ থেকে শক্তি নির্গমন হ্রাস করে।

- একটি রেফ্রিজারেন্টের পরিবেশ-বান্ধবতা তার ওজোন হ্রাস সম্ভাবনা এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং সম্ভাব্য দ্বারা পরিমাপ করা যেতে পারে।
- সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট হল হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (HFC) এবং হাইড্রোফ্লোরো-ওলেফিনস (HFO)।
- বর্তমানে রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসারে হিমায়ক হিসেবে ফ্রেয়নের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব গ্যাস R-134A (টেট্রাফ্লোরো ইথেন), R-290 (আইসোপ্রোপেন), R-600A (আইসোবিউটেন) এর ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: Environmentally Friendly Refrigerants, American Biotech Supply.
২,৭৬৬.
আলোক রশ্মি বহনের কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. ফাইবার গ্লাস
  2. ফ্লোট গ্লাস
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ম্যাগনিফাইং গ্লাস
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু। 
- এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচ অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৭৬৭.
ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটার গতি কোন ধরনের গতি?
  1. ক) চলন গতি
  2. খ) ঘূর্ণন গতি
  3. গ) দোলন গতি
  4. ঘ) উপ-পর্যায়বৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণন গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘূর্ণন গতি
ব্যাখ্যা
ঘড়ির কাঁটায় সাধারণত ঘূর্ণন ও পর্যায়বৃত্ত উভয় ধরণের গতি থাকে।
২,৭৬৮.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) টেলুরিয়াম
  3. গ) পোলোনিয়াম
  4. ঘ) সেলেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) পোলোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পোলোনিয়াম
ব্যাখ্যা

ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
২,৭৬৯.
শব্দের প্রতিধ্বনি তৈরী হতে সর্বনিম্ন ____ লাগে।
  1. ক) ০.১ সেকেন্ড
  2. খ) ১ সেকেন্ড
  3. গ) ১০ সেকেন্ড
  4. ঘ) ১ মিনিট
সঠিক উত্তর:
ক) ০.১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের প্রতিধ্বনি তৈরী হতে সর্বনিম্ন ০.১ সেকেন্ড লাগে। এই সময়ে শব্দ অতিক্রম করে ৩৩ মিটার৷ শব্দের যাওয়া আসা মিলিয়ে ৩৩ মিটার অতিক্রম করতে হলে বড় দেয়ালের কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দুরত্বে দাড়াতে হবে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭৭০.
তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে দূরত্বে সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়া কে আবিষ্কার করেন? 
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. জি. মার্কনী
  3. হেনরিখ হার্জ
  4. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৭১.
নবায়ণযোগ্য শক্তির সর্বাধিক ব্যবহৃত উৎস হচ্ছে -
  1. ক) জলবিদ্যুৎ
  2. খ) বায়োমাস
  3. গ) বায়ুশক্তি
  4. ঘ) সৌরশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর পুরো শক্তির পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি।
- সেই এক ভাগের বেশির ভাগ হচ্ছে জলবিদ্যুৎ, নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা।
- জলবিদ্যুতের পর সবচেয়ে বড় নবায়নযোগ্য শক্তি আসে বায়োমাস (Biomass) থেকে, বায়োমাস বলতে বোঝানো হয় লাকড়ি, খড়কুটো এসবকে। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির এই দুটি রূপ, জলবিদ্যুৎ আর বায়োমাসের পর গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎসগুলো হচ্ছে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, বায়ো ফুয়েল আর জিওথার্মাল।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি
২,৭৭২.
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
  2. শুধু কঠিন পদার্থে পাওয়া যায়
  3. অণুগুলো স্থির থাকে
  4. তাপ পরিবাহিতা নেই
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত ইলেকট্রন ও আয়ন থাকে
ব্যাখ্যা
• প্লাজমা:
-  প্লাজমা হলো পদার্থের একটি অবস্থা যা গ্যাসের মতো কিন্তু এর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়ন থাকে।
-  এটি সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা বা শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগের মাধ্যমে তৈরি হয়।

• প্লাজমার বৈশিষ্ট্য-
 - এটি পদার্থের চতুর্থ অবস্থা নামে পরিচিত।
 - এটি তড়িৎ পরিবাহী এবং চৌম্বক ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া করে।
 - সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র, বজ্রপাত ইত্যাদিতে প্লাজমা দেখা যায়।
-  পারমানবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৩.
বায়োমাস শক্তির প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও ______________। 
  1. সিলিকন
  2. নাইট্রোজেন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে। 
- এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস। 
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- আবদ্ধ পাত্রের মধ্যে গোবর ও পানির মিশ্রণ ১ : ২ অনুপাতে রেখে পচানো হলে বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৪.
‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন কোন উৎস থেকে সংগৃহীত হয়?
  1. মারিজুয়ামা নির্যাস থেকে
  2. আফিম গাছ থেকে
  3. নিম গাছ থেকে
  4. ধুতরা ফুল থেকে
সঠিক উত্তর:
ধুতরা ফুল থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতরা ফুল থেকে
ব্যাখ্যা
• ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে কুখ্যাত স্কোপোলামিন একটি শক্তিশালী মাদকদ্রব্য যা প্রধানত ধুতরা ফুল (ঘ option) থেকে সংগৃহীত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে, বিশেষত মস্তিষ্কের মেমোরি ও সচেতনতা নিয়ন্ত্রণে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্কোপোলামিন গ্রহণের পর ভুক্তভোগী ব্যক্তি সহজেই মানসিকভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে পড়ে এবং নিজের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারায়। অপরাধীরা এটিকে প্রায়শই অপহরণ, ডাকাতি বা মানব পাচারে ব্যবহার করে থাকে। ধুতরা উদ্ভিদ ছাড়াও এটি ব্রুগমানসিয়া ও কিছু নাইটশেড গোত্রীয় গাছেও পাওয়া যায়, তবে সবচেয়ে প্রচলিত উৎস ধুতরা ফুল। এজন্যই এটি ভয়ানক ও কুখ্যাত বলে বিবেচিত।

• শয়তানের নিঃশ্বাস: 
- স্কোপোলামিন মূলত একটি সিনথেটিক ড্রাগ। 
- এই স্কোপোলামিন 'ডেভিলস ব্রেথ' বা 'শয়তানের নিঃশ্বাস' নামেও বেশ পরিচিত। 
- তবে এটা প্রাকৃতিক কোনো উপাদান নয়। বরং প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে আরো কিছু যোগ করে   স্কোপোলামিন তৈরি করা হয়। এটা তরল এবং পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায়। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ বা মূল উপাদান আসে ধুতরা ফুল থেকে। 
- স্কোপোলামিন প্রথম দিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গোয়েন্দা জ্ঞিাসাবাদের ক্ষেত্রে ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তখন এর ব্যবহার হতো লিকুইড হিসেবে, ইনজেকশনের মাধ্যমে। 
- আবার চিকিৎসা বিজ্ঞানেও ওষুধ তৈরিতে এর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- বমি বমি ভাব, মোশন সিকনেস এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপারেশন পরবর্তী রোগীর জন্য ওষুধে এর ব্যবহার আছে। 
- যখন এটি কথা বলানোর জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা 'ট্রুথ সেরাম'। আবার যখন এটি পাউডার ফর্মে নিঃশ্বাসের জন্য ব্যবহার করা হয় তখন এটা ‘ডেভিলস ব্রেথ’। আর যখন এটা বমি অথবা মোশন সিকনেসের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় তখন এটা আসলে মেডিসিন হিসেবে ব্যবহার হয়। 
- বর্তমানে স্কোপোলামিন মূলত পাউডার হিসেবে প্রতারণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। অপরাধের ক্ষেত্রে এই ড্রাগ কাগজ, কাপড়, হাত এমনকি মোবাইলের স্ক্রিনে লাগিয়েও এর ঘ্রাণ দিয়ে কিছু সময়ের জন্য কারো মানসিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া সম্ভব। 
- এটা নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঢুকলেই মাত্র ১০ মিনিট বা তারও আগে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মেমোরি আর ব্রেন তখন সচেতনভাবে কাজ করতে পারে না। কারো ক্ষেত্রে স্বাভাবিক হতে এক ঘণ্টা লাগে। আবার কেউ তিন/চার ঘণ্টার মধ্যেও স্বাভাবিক হতে পারে না।

উৎস: thedailystar [লিংক]
২,৭৭৫.
নিচের কোনটি জৈব যৌগের উদাহরণ? 
  1. চুন 
  2. খাবার লবণ 
  3. বেনজিন 
  4. কস্টিক সোডা 
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
ব্যাখ্যা

জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন-
• মিথেন, 
• ইথেন, 
বেনজিন
• ইউরিয়া, 
• প্রোপিন, 
• পেন্টাইন ইত্যাদি। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
 
অজৈব যৌগ: 
- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়। 
যেমন- 
• পানি, 
• খাবার লবণ, 
• খাবার সোডা, 
• কাপড় কাচার সোডা, 
• কস্টিক সোডা, 
• চুন, 
• মরিচা ইত্যাদি। 
 
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৭৬.
দস্তার ইলেক্ট্রন সংখ্যা কত?
  1. ২৮
  2. ২৯
  3. ৩০
  4. ৩১
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
• Zn (দস্তা):
- দস্তার এর রাসায়নিক প্রতীক  Zn.
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৩০।
- এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা ৩০।
- এটি ৪র্থ পর্যায়ের গ্রুপ ১৪ তে অবস্থিত। 


figure: periodic table. (image source:ptable.com)

অপশন আলোচনা:
- নিকেলের (Ni) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৮।
- নিকেলের (Ni) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৮।
- কপারের (Cu) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ২৯।
- গ্যালিয়ামের (Ga) ইলেক্ট্রন সংখ্যা ৩১।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
২,৭৭৭.
মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- উক্তিটি কার?
  1. ক) অ্যারিস্টটল
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) ডাল্টন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাল্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাল্টন
ব্যাখ্যা
ডাল্টনের পারমাণবিক তত্ত্ব:

- মৌলিক পদার্থসমূহ পরমাণু নামক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত- স্বীকার্যটি জন ডাল্টনের (১৮০৩ সালে)।
- প্রত্যেক মৌলিক পদার্থ অসংখ্য অবিভাজ্য ও অতিক্ষুদ্র নিরেট কলা দিয়ে গঠিত। এই ক্ষুদ্রতম কণাকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুগুলোকে রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভাঙা যায় না, সৃষ্টি করা যায় না বা ধ্বংস করা যায় না। কোন প্রক্রিয়া দ্বারা পরমাণুগুলির আকার, ওজন বা ধর্মের পরিবর্তন করা যায় না। পরমাণু অবিভাজ্য এবং অবিনশ্বর।
- একই মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর ও ধর্ম অভিন্ন হয়।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণুর ভর এবং ধর্ম আলাদা।
- বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু গুলি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে পরস্পর যুক্ত হয়ে যৌগিক পদার্থ উৎপন্ন করে। পরমাণু অবিভাজ্য বলে কখনও ভগ্নাংশে যুক্ত হয় না।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,৭৭৮.
প্রাচীনকালে কপার ও টিন মিশিয়ে যে সংকর ধাতু তৈরি করা হতো, তা কী নামে পরিচিত? 
  1. স্টিল 
  2. ব্রোঞ্জ 
  3. পিতল 
  4. ডুরালমিন 
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ 
ব্যাখ্যা

সংকর ধাতু: 
- কোনো গরম গলিত ধাতুর মধ্যে অন্য কোনো গরম গলিত ধাতু বা অধাতু মিশিয়ে সেই মিশ্রণকে ঠান্ডা করলে যে কঠিন পদার্থ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সংকর ধাতু। 
যেমন- 
- প্রাচীনকালে মানুষ গলিত কপারের সাথে গলিত টিন মিশিয়ে মিশ্রণকে ঠান্ডা করে ব্রোঞ্জ তৈরি করেছিল, তাই ব্রোঞ্জ মূলত একটি সংকর ধাতু। 
- লোহা এবং কার্বন মিশিয়ে স্টিল নামক সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। ছুরি, কাঁচি, রেলের চাকা, রেললাইন, জাহাজ, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি স্টিল দ্বারা তৈরি করা হয়। 
- গরম গলিত লোহার মধ্যে গলিত কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে যে সংকর ধাতু তৈরি হয় তাকে স্টেইনলেস স্টিল বলে। হাসপাতালে ডাক্তাররা যে ছুরি বা কাঁচি ব্যবহার করে তা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি। 
- গলিত কপার এবং গলিত জিংক একত্রে মিশিয়ে পিতল নামক সংকর ধাতু তৈরি হয়। বৈদ্যুতিক সুইচ, পাতিল ইত্যাদি তৈরিতে পিতল ব্যবহৃত হয়। 
- কপার ও টিন মিশিয়ে সংকর কাঁসা বা ব্রোঞ্জ তৈরি হয়। থালাবাসন, গ্লাস ইত্যাদি তৈরিতে ব্রোঞ্জ ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যালুমিনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও লোহার মিশ্রণে ডুরালমিন নামক সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। এটি উড়োজাহাজের বডি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৭৯.
গামা রশ্মি (γ) কোন ধরণের রশ্মি?
  1. ধনাত্মক কণিকা
  2. ঋণাত্মক কণিকা
  3. তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎবাহী
  4. তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
সঠিক উত্তর:
তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ 
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি (γ) তড়িতচৌম্বকীয় তড়িৎনিরপেক্ষ একটি রশ্মি। 

তেজস্ক্রিয়তা: 

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়। 
যথা-
১. আলফা কণিকা (α): ধনাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়। 
২. বিটা কণিকা (β): ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ, যা ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে যায়। 
৩. গামা রশ্মি (γ): তড়িৎ নিরপেক্ষ, যা কোনো দিকেই বিচ্যুত হয় না। 
- এই রশ্মিগুলোর উৎপত্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে হয়ে থাকে। 

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
২। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। 
৩। এর কোন চার্জ ও ভর নাই। 
৪। এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 
৫। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৮। গামা রশ্মির প্রতিলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮০.
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে বলা হয়-
  1. ক) চৌম্বকত্ব
  2. খ) পরিবাহকত্ব
  3. গ) স্থির রোধ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবাহকত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিবাহকত্ব
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে। 
স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যের এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের রোধকে আপেক্ষিক রোধ বলে। 
স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যের এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে পরিবাহকত্ব বলে।
পরিবাহকত্বকে σ (সিগমা) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭৮১.
যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত ______ ।
  1. কম
  2. বেশি
  3. সমান
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- এ আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। 
- ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৭৮২.
সূর্য থেকে আলোর তাপ কোন বল দিয়ে তৈরি হয়? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force): 
- এটি হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৮৩.
স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে পরিমাপ করা যায়- 
  1. সরু তারের ব্যাস 
  2. সরু চোঙের ব্যাসার্ধ
  3. ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়।
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়।
- স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৪.
তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক কী?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. কুলম্ব
  3. ভোল্ট
  4. ওহম
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) অ্যাম্পিয়ার

তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার।

- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- যার প্রতীক হলো A।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করার জন্য অ্যামিটার নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৮৫.
তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা কোনটি? 
  1. গ্রাভিটন
  2. ফোটন
  3. গ্লুঅন
  4. Z বোসন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 

তাড়িতচৌম্বক বল বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তাড়িতচৌম্বক বল বলে। 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 

অন্যদিকে, 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন।
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন।
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন) এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৮৬.
আলোর প্রতিফলন কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. ক) মাধ্যমের প্রকৃতির উপর
  2. খ) আপতন কোণের মানের উপর
  3. গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
  4. ঘ) সবগুলোর উপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিফলন কোণের মানের উপর
ব্যাখ্যা
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে।

যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি।
সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে । তা হলো,-
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ। 

** প্রতিফলিত রশ্মি অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে প্রতিফলন কোণ বলে।
অর্থাৎ, আলো প্রতিফলিত হওয়ার পর অভিলম্বের সাথে যে কোণ উৎপন্ন হয় সেটাই হচ্ছে প্রতিফলন কোণ। যেহেতু এটি প্রতিফলনের পরে সৃষ্টি হয় তাই এর উপর প্রতিফলন নির্ভর করে না। 
আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে,
∠ i = ∠ r


সূত্র - SSC, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বোর্ড বই
২,৭৮৭.
সিটি স্ক্যান (CT Scan) এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Computed Thermal Scan
  2. Comprehensive Tissue Scan
  3. Computerized Testing Scan
  4. Computed Tomography Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা

সিটি স্ক্যান: 
- সিটি স্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan)
- সিটি স্ক্যান এর সাহায্যে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটি স্ক্যান একটি বৃহৎ যন্ত্র, এ যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 

- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটি স্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটি স্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পাশ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটি স্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটি স্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 
- সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় 'ডাই' ব্যবহৃত হরে এলার্জি জনিত বিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৮.
নিম্নলিখিত কোন মৌলের যোজ্যতা শূন্য? 
  1. হিলিয়াম 
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন ও রাসায়নিক বন্ধন গঠনের কারণ: 
- কোনো একটি পরমাণুর বন্ধন গঠনের ক্ষমতাকে তার যোজ্যতা বলে। 
- নিষ্ক্রিয় মৌল হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar) এসব মৌলের বন্ধন গঠনের ক্ষমতা নেই, ফলে এদের যোজ্যতা শূন্য। 
- আবার H এর যোজ্যতা এক, O এর যোজ্যতা দুই, N এর যোজ্যতা তিন ও C এর যোজ্যতা সাধারণত চার হয়। 
- কোনো পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরে বর্তমান ইলেকট্রনগুলোকে যোজ্যতা ইলেকট্রন বলে, এই ইলেকট্রনগুলোই বিভিন্ন প্রকারের রাসায়নিক বন্ধনে অংশগ্রহণ করে। 
- পরমাণুর সর্ববহি:স্থ শক্তিস্তরকে যোজ্যতাস্তর বলে। 
- রাসায়নিক বন্ধনের আধুনিক মতবাদ অনুসারে রাসায়নিক বন্ধন গঠনকালে পরমাণুগুলো সর্বাধিক স্থায়ী ইলেকট্রন গঠন কাঠামো অর্জনের চেষ্টা করে। - নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ইলেকট্রন গঠনের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় He ভিন্ন প্রত্যেকেরই যোজ্যতা স্তরে আটটি করে ইলেকট্রন বর্তমান। 
- He পরমাণুর যোজ্যতা স্তর প্রথম শক্তি স্তর, এখানে মাত্র দুটি ইলেকট্রন বর্তমান থেকেই যোজ্যতাস্তরকে ইলেকট্রন দ্বারা পরিপূর্ণ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৯.
একই গ্রুপের মৌলগুলোর কোনগুলো প্রায় একই রকম হয়?
  1. পরমাণু ভর ও অণুর ভর
  2. আকার ও ঘনত্ব
  3. পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা
  4. ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
সঠিক উত্তর:
ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য: 
- পর্যায় সারণি মৌল গুলোকে সাজানোর এমন একটি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা। 
- পর্যায় সারণির মাধ্যমে আবিষ্কৃত মৌলগুলোকে এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে একজন নবীন বিজ্ঞানী বা শিক্ষানবিশ রসায়নবিদ আবিষ্কৃত মৌল সম্পর্কে সঠিক ও পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন। 
- IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) কর্তৃক স্বীকৃত আধুনিক পর্যায় সারণির কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১. মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূলভিত্তি। 
২. সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। 
৩. প্রতিটি পর্যায়ের বামদিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 
৪. পর্যায় সারণি প্রথম পর্যায়ে মাত্র দুটি মৌল থাকে। যেমন- একটি H অপরটি He । H-এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ এবং He এর অবস্থান গ্রুপ-১৮ এ। 
৫. দ্বিতীয় পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে আটটি করে মৌল বর্তমান। এ আটটি মৌল গ্রুপ-১ থেকে গ্রুপ-২ এবং গ্রুপ-১৩ থেকে গ্রুপ-১৮ এর মধ্যে অবস্থিত। 
৬. ৪র্থ পর্যায় ও ৫ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপের প্রত্যেকটিতে একটি করে ১৮টি মৌল অবস্থান করে থাকে। 
৭. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে ও ৭ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম দেখা যায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপে মৌলের সংখ্যা ৩২টি। ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্রুপ-৩ এ ১৫টি করে মৌল অবস্থান করে। বাকী ১৭টি গ্রুপে ১৭টি মৌল অবস্থান করে পর্যায়ে মোট মৌলের সংখ্যা (১৫ + ১৭) = ৩২টি হয়। 
৮. মূল পর্যায় সারণির নিচে ২টি অনুভূমিক সারি এবং ১৪টি খাড়া স্তম্ভ বিশিষ্ট আরো একটি ছক উল্লেখ করা হয়েছে। এটিও মূল পর্যায় সারণির ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায়ের অংশবিশেষ মাত্র। 
৯. সাধারণভাবে মৌলের ধর্ম তার গ্রুপের উপর নির্ভরশীল। একই গ্রুপের সকল মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকম হয়। 
১০. পর্যায় তালিকায় কোনো মৌলের পর্যায় নির্ধারণ করা হয় ঐ মৌলের পরমাণু তার ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বমোট কতটি কক্ষপথ ব্যবহার করেছে তার সংখ্যার ওপর। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯০.
এসিডের কার্যকরী ধর্ম প্রদর্শনের জন্য কোনটির উপস্থিতি আবশ্যক? 
  1. পানি
  2. তাপ
  3. আলো
  4. বাতাস
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
এসিডের রাসায়নিক ধর্মে পানির ভূমিকা: 
- এসিডের ধর্ম কার্যকর হয় পানির উপস্থিতিতে, পানির অনুপস্থিতিতে এসিড তার এসিডিয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে না। 
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস ভর্তি গ্যাসজারের মধ্যে শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ ধরলে দেখা যাবে লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত আছে। 
- এ গ্যাসজারের মধ্যে কঠিন ক্যালসিয়াম কার্বনেটের টুকরা ফেললে দেখা যায় কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
- আবার গ্যাসজারের মধ্যে আয়রন ধাতুর টুকরা বা জিংক ধাতুর টুকরা রাখলেও কোনো রূপ বিক্রিয়া সংগঠিত হয় না। 
• HCl(g) + শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ → নীল লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। 
• HCl(g) + CaCO3(s) → কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
• HCl(g) + Fe → কোন বিক্রিয়া ঘটে না এবং H2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯১.
পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার বর্তনীতে কয়টি ডায়োড ব্যবহৃত হয়? 
  1. ২টি
  2. ১টি
  3. ৪টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

• রেকটিফায়ার:
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং 
(খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

• পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার:
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় ৪ (চার) টি ডায়োড ব্যবহার করে। 
- চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়।
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে সংযোগ দেওয়া হয় লোড রেজিস্টান্স। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৯২.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. তরল পদার্থ
  2. শূন্য মাধ্যম
  3. বায়বীয় পদার্থ
  4. কঠিন পদার্থ
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থ
ব্যাখ্যা
• কঠিন পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।
- যেমন- ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি।

• শব্দের গতি:

- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- তরলে পদার্থে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন- পানি।
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।

উত্তস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৩.
পাহাড়ী রাস্তার বিপজ্জনক বাঁকে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সমতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) উত্তল লেন্স
  4. ঘ) অবতল লেন্স
সঠিক উত্তর:
ক) সমতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমতল দর্পণ
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি রাস্তায় গাড়িচালনার জন্য অনেক সময় ৯০ ডিগ্রি কোণে বাঁক নিতে হয়। অদৃশ্য বাঁকে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালক পরস্পরকে দেখতে পান না, এছাড়া বাঁকের অপর পাশে কী আছে তা আদৌ তারা জানেন না। এ সমস্যা সমাধানের জন্য বিপজ্জনক বাঁকে ৪৫ ডিগ্রি কোণে বৃহৎ আকৃতির সমতল দর্পণ বসানো হয়। এর ফলে গাড়িচালকগণ বাঁকের আশেপাশে সবকিছু দেখতে পান এবং নিরাপদে গাড়ি চালাতে সক্ষম হন।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
২,৭৯৪.
কোনটির সাহায্যে বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়?
  1. ক) সিসমোগ্রাফ
  2. খ) সোনোগ্রাফি
  3. গ) থার্মোমিটার
  4. ঘ) অ্যানেমোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) থার্মোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) থার্মোমিটার
ব্যাখ্যা
বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায় থার্মোমিটার এর মাধ্যমে। 

- থার্মোমিটার হল তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র, যার সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায় এবং বিভিন্ন বস্তুর তাপমাত্রার পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।
- থার্মোমিটার শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক শব্দ থেকে, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ :যবৎসড় মানে 'তাপ' এবং সবঃবৎ মানে পরিমাপ করা।
- থার্মোমিটার হলো তাপমাত্রা নির্ণয়ের এক বিশেষ যন্ত্র। জানা যায়, ষোড়শ শতকে সর্বপ্রথম ইতালিতে থার্মোমিটার আবিষ্কার হয়।
- ১৬১২ সালে ডেনিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. সেন্টোরিয়াস থার্মোমিটার ব্যবহার করে মানবদেহের তাপমাত্রা পরিমাপের কথা উলেস্নখ করেন।
- সিসমোগ্রাফ: ভূমিকম্প লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র। 
- সোনোগ্রাফি: শব্দ বিশ্লেষণ এবং লিপিবদ্ধ করার যন্ত্র। 
- অ্যানেমোমিটার: বায়ুর গতিবেগ পরিমাপের যন্ত্র।

সূত্র: ৩৭০ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯৫.
তরল পদার্থের ক্ষেত্রে সঠিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. পারস্পরিক আকর্ষণ বল নেই 
  2. নির্দিষ্ট আকার এবং আয়তন আছে 
  3. নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
  4. নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন কিছুই নেই 
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
ব্যাখ্যা

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৯৬.
Bauxite কিসের আকরিক?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. লেড
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- Bauxite হলো অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক।
- এটি অ্যালুমিনিয়ামের একটি মূলে পরিণত হওয়ার জন্য প্রাথমিক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বক্সাইটে সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al₂O₃) থাকে, যা পরে ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়।

অন্যদিকে,
- লোহার প্রধান আকরিক হেমাটাইট (Hematite) এবং ম্যাগনেটাইট (Magnetite)।
- তামার প্রধান আকরিক কুপ্রাইট (Cuprite) এবং চালকোজাইট (Chalcocite)।
- লেডের প্রধান আকরিক গ্যালেনা (Galena), যা PbS (লেড সালফাইড) আকারে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৭৯৭.
পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম কী?
  1. গ্যাস
  2. কঠিন
  3. তরল
  4. প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাজমা
ব্যাখ্যা
পদার্থের চতুর্থ অবস্থা: 
- কঠিন, তরল এবং গ্যাস এই তিনটি ভিন্ন অবস্থার বাইরেও পদার্থের চতুর্থ আরেকটি অবস্থা হচ্ছে প্লাজমা। 
- অণু কিংবা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যে কয়টি পজিটিভ চার্জের প্রোটন থাকে তার বাইরের ঠিক সেই কয়টি নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন থাকে, সে কারণে একটা অণু কিংবা পরমাণুর সম্মিলিত চার্জ শূন্য। 
- বিশেষ অবস্থায় অণু কিংবা পরমাণুকে আয়নিত করে ফেলা যায়, কিছু পরমাণুর এক বা একাধিক ইলেকট্রনকে মুক্ত করে ফেলা যায়, তখন আলাদা আলাদাভাবে পরমাণুগুলো আর চার্জ নিরপেক্ষ থাকে না। ইলেকট্রন এবং আয়নের এক ধরনের মিশ্রণ তৈরি হয়। এটি যদিও গ্যাসের মতো থাকে কিন্তু গ্যাসের সব ধর্ম এর জন্য সত্যি নয়। 
যেমন- গ্যাসের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্লাজমার নির্দিষ্ট আকার তৈরি করে ফেলা যায়। 

- প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়, শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়োগ করেও প্লাজমা করা যায়।
- ঘরে টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়, নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায়, সেগুলোর ভেতরেও প্লাজমা থাকে।
- বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলো দেখা যায়, সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।
- বর্তমানে ফিশান পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াসকে ভেঙে নিউক্লিয়ার শক্তি ব্যবহার করা হয়। হালকা নিউক্লিয়াসকে একত্র করে ফিউশন পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি করার জন্য প্লাজমা ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয় এবং এটি এখন পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র! 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৮.
'মানুষের হাঁটা' নিউটনের কোন সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ক) গতির প্রথম সূত্র
  2. খ) গতির দ্বিতীয় সূত্র
  3. গ) গতির তৃতীয় সূত্র
  4. ঘ) মহাকর্ষ সূত্র
সঠিক উত্তর:
গ) গতির তৃতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গতির তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমানও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে। একজন মানুষ হাঁটার সময় পা দিয়ে যখন মাটিকে ধাক্কা দেয়, মাটিও মানুষটিকে পাল্টা ধাক্কা দেয়।
উদাহরণ:
- বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
- মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস:
১.পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৯.
পৃথিবীর কেন্দ্রে ‘g’ এর মান কত?
  1. ০ মি./সে.
  2. ৯.৮ মি./সে.
  3. ৮.৪ মি./সে.
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
['g' এর মানের একক ms-2 কিন্তু এখানে অপশনে মি./সে. বা, ms-1 দেওয়া আছে। তাই কোনটি নয় উত্তর হবে]

• ওজন:

- কোনো বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে তার ওজন বলে।
- আমরা জানি, W = mg
- এখানে, g= অভিকর্ষজ ত্বরণ যার মান 9.8 ms-2
- m = বস্তুর ভর।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে।
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম।
- মেরু অন্ঞলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে g এর মান শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৮০০.
Na মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 23
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা
23
    Na মৌলের নিউট্রন সংখ্যা = 23 - 11 = 12
11