বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৪ / ৬৪ · ১,৩০১১,৪০০ / ৬,৪০৯

১,৩০১.
নিচের কোন মৌলটি খাদ্য শৃঙ্খলের জন্য অনিরাপদ নয়?
  1. Ar
  2. Cr
  3. Pb
  4. Fe
সঠিক উত্তর:
Fe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fe
ব্যাখ্যা
লোহা (Fe): 
- লোহা (Fe) খাদ্য শৃঙ্খলের জন্য অনিরাপদ নয়। 
- লোহা(Fe) একটি প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান যা শরীরের বিভিন্ন প্রাথমিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

অন্যদিকে, 
আর্গন (Ar): 
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস।
- এটি মানব শরীরে প্রবেশ করলে নানা সমস্যা যেমন- বমি বমি ভাব, মাথা ঘুরানো ইত্যাদি হতে পারে। 

ক্রোমিয়াম (Cr): 
- অতিরিক্ত ক্রোমিয়াম শরীরে প্রবেশ করলে এটি বিষাক্ত হয়ে পড়ে এবং নানা স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
- ক্রোমিয়াম আয়ন মানুষের শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী 'কারসিনোজেন' হিসেবে গণ্য।
- ক্রোমিয়াম দূষণ দ্বারা মানুষের পরিপাকতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, প্রজননতন্ত্র, রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম প্রভৃতি আক্রান্ত হয়। 

লেড (Pb): 
- দেহে লেডের পরিমাণ 50 ppb এর বেশি হলে লেডের বিষ ক্রিয়া দেখা দেয়। 
- লেডের বিষক্রিয়ায় দাঁতের মাড়ি নীলাভ হয়। 
- লেড হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে বাঁধা দেয়, ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- এটি নানা স্নায়ুতন্ত্রীয় সমস্যা ও মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১,৩০২.
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্রের নাম-
  1. ক) সেক্সট্যান্ট
  2. খ) হাইড্রোমিটার
  3. গ) ম্যানোমিটার
  4. ঘ) সিসমোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ক) সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্রের নাম সেক্সট্যান্ট। হাইড্রোমিটার এর সাহায্যে তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণয় করা হয়। ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ এবং গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ম্যানোমিটার।
১,৩০৩.
ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা কত ভাগ? 
  1. ৪৬ ভাগ
  2. ৬৪ ভাগ
  3. ৪০ ভাগ
  4. ৫৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪৬ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ ভাগ
ব্যাখ্যা
- নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। 
- নাইট্রোজেন গ্যাসকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত করা হয়। 
- অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন হয়। 
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা ৪৬ ভাগ। 
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 

উৎস: কৃষি বাতায়ন ওইয়েবসাইট।
১,৩০৪.
মোবাইল ফোন থেকে ডায়াল করলে সৃষ্ট বেতার তরঙ্গ কোথায় যায়?
  1. ক) টেলিফোন অফিস
  2. খ) প্রেরক টাওয়ার
  3. গ) গ্রাহক টাওয়ার
  4. ঘ) প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ার
ব্যাখ্যা
যখন কোনো ব্যক্তি কোন মোবাইল থেকে ফোন করে, কলটি বেতার তরঙ্গ হিসেবে কোন প্রেরক-গ্রাহক টাওয়ারে যায়। এরপর কলটি তার বা মাইক্রোওয়েভ এর মাধ্যমে মোবাইল সুইচ স্টেশনে যায়। এ স্টেশন কলটিকে স্থানীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জে পাঠায়। সেখানে এটি প্রচলিত ফোন কল হয়ে গ্রাহকের নিকট যায়।
১,৩০৫.
'Alkaline Earth Metals' নিচের কোনটি? 
  1. বেরিয়াম
  2. লিথিয়াম
  3. সিজিয়াম
  4. রুবিডিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু (Alkali Metals): 
- পর্যায় সারণির 1 নং গ্রুপে 7টি মৌল আছে। 
- এদের মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি 6 টি মৌল লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs) এবং ফ্রান্সিয়াম (Fr) -কে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই ছয়টি মৌলের প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals): 
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra) এই 6টি মৌল আছে, যাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩০৬.
কাপড়ে কালি পড়লে দাগ সহজে উঠে -
  1. ক) সঙ্গে সঙ্গে দুধ দিয়ে ভিজিয়ে পরে ধুলে
  2. খ) সঙ্গে সঙ্গে সাবান দিয়ে কেচে ফেললে
  3. গ) সঙ্গে সঙ্গে লেবুর রসে ভিজিয়ে দিলে
  4. ঘ) সঙ্গে সঙ্গে সিরকা দিয়ে ভিজিয়ে ফেললে
সঠিক উত্তর:
গ) সঙ্গে সঙ্গে লেবুর রসে ভিজিয়ে দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সঙ্গে সঙ্গে লেবুর রসে ভিজিয়ে দিলে
ব্যাখ্যা
- জামাকাপড় থেকে কালির দাগ অপসারণের সবচেয়ে সাধারণ এবং সহজ উপায় হলো দাগের জায়গাটি ভিজিয়ে তার উপর অল্প পরিমাণে লবণ দিয়ে দেওয়া।
- বেশি পরিমাণে লেবুর রস দিয়েও দাগ দূর করা যায়। এক্ষেত্রে দাগের স্থানে লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। শুকিয়ে গেলে ঘসে দাগ তুলে ফেলুন। এরকম কয়েকবার করতে পারেন।
- নেলপলিশ তোলার ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত যে রিমুভার ব্যবহার করা হয় সেই রিমুভার ব্যবহার করে আপনি কালির দাগ তুলতে পারবেন। 
- ভুট্টার পেস্টও কালির দাগ অপসারণ করতে ব্যবহার করতে পারেন। 

 উৎস : আরটিভি
১,৩০৭.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. স্ফেনোডন
  3. প্লাটিপাস
  4. স্লো লোরিস
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা

জীবন্ত জীবাশ্ম:
- যে সকল জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনাে রকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনও পৃথিবীতে টিকে আছে অথচ এদের সমসাময়িক ও সমগোত্রীয় সকলেরই বহু পূর্বে বিলুপ্তি ঘটেছে তাদেরকে জীবন্ত জীবাশ্ম  বা লিভিং ফসিল বলে।

জীবন্ত জীবাশ্মের উদ্ভিদ:
- ইকুইজিটাম, নিটাম ও গিঙ্কো বাইলোবা।
জীবন্ত জীবাশ্মের প্রাণী:
- সন্ধিপদ প্রাণী: লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া,
- সরীসৃপ প্রাণী: স্ফেনোডন নামক,
- স্তন্যপায়ী প্রাণী: প্লাটিপাস নামক.

উল্লেখ্য,
রাজ কাঁকড়া:
- অশ্বক্ষুরের ন্যায় দেখতে উপবৃত্তাকার এই কাঁকড়াটি হলো Horseshoe Crab লিমুলাস।
- প্রকৃত পক্ষে এরা কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড। 
- প্রজাতিগত দিক থেকে মাকড়সার সঙ্গে বেশি মিল রয়েছে এটির।
- এরা লিমুলিডি গোত্রের অন্তর্গত সামুদ্রিক সন্ধিপদী।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে ’জীবন্ত জীবাশ্ম' বলা হয়।
- কারণ প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে এরা উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পূর্ণ জোয়ারের সময় এরা প্রজনন করে।
- তখন এরা কক্সবাজার, সোনাদিয়া, মহেশখালি এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিকটে খাড়ি বা জলাভূমির বালুময় সৈকতে ফিরে আসে।
- সুন্দরবনের চর এলাকা হচ্ছে  রাজ কাঁকড়া এর প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৩০৮.
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক কোনটি?
  1. গ্যালেনা
  2. লিমোনাইট
  3. চালকোসাইট
  4. বক্সাইট
সঠিক উত্তর:
বক্সাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক্সাইট
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৩০৯.
দূরের বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  3. এডাপ্টার
  4. ট্রান্সমিটার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ পরিবহন:
- বৈদ্যুতিক তারের রোধ থাকে।
- যার ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে বিদ্যুৎ সবটুকু না গিয়ে কিছু অংশ অপচয় হয়।
- ফলে দুরত্ব যত বেশি হয় রোধ তত বেশি হয়।
- এজন্য দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আনার জন্য ভোল্টেজ বাড়াতে হয়।
- ভোল্টেজ বাড়ানোর জন্য তাই স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বিদ্যুৎ কেন্দ্রেই বসানো হয়, যা:
- ভোল্টেজ বাড়ায়,
- কারেন্ট কমায়,
- ফলে লাইন লস কম হয়,
- বিদ্যুৎ দূরে দূরে পৌঁছে দেওয়া যায় সহজে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।
১,৩১০.
অণুর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অণু খালি চোখে দেখা যায় না।
  2. অণুর স্বাধীন অস্তিত্ব আছে।
  3. অণুর চার্জ আছে।
  4. অণু বস্তুর বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে।
সঠিক উত্তর:
অণুর চার্জ আছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অণুর চার্জ আছে।
ব্যাখ্যা
অণু: 
- মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলী অক্ষুন্ন রেখে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে তাকে অণু বলে। 
- দুই বা ততোধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে। 
যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠন করে। 
আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠন করে। 

অণুর বৈশিষ্ট্য: 
- স্বাধীন অস্তিত্ব আছে। 
- বস্তুর বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে। 
- সব চেয়ে ছোট অণু হাইড্রোজেন অণু। 
- খালি চোখে দেখা যায় না। 
- কোনো চার্জ নাই। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
১,৩১১.
কোন শক্তিস্তরের d অরবিটালে সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০টি
ব্যাখ্যা
যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে।
পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম, Sc( 21 ) থেকে জিঙ্ক, Zn(30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম, Y(39) থেকে ক্যাডমিয়াম, Cd(48) হলো d-ব্লক মৌল।
এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়ে d-ব্লক মৌল আছে।
পর্যায় সারণির ‘3' থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে।
এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে d10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩১২.
কোনটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ধর্ম নয়?
  1. পানিতে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
  2. গলনাংক এবং স্ফুটনাংক অত্যন্ত বেশি।
  3. বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন এবং এক পরমাণুক।
  4. একই পর্যায়ে অবস্থিত অন্য মৌলগুলির তুলনায় এদের আয়নীকরণ শক্তি অনেক বেশি হয়। 
সঠিক উত্তর:
গলনাংক এবং স্ফুটনাংক অত্যন্ত বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলনাংক এবং স্ফুটনাংক অত্যন্ত বেশি।
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- পর্যায় সারণির শূন্য (০) গ্রুপের অন্তর্গত হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপটন, জেনন এবং র‍্যাডন-এ ছয়টি মৌলকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা অভিজাত গ্যাস (noble gases) বলা হয়।

নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের ভৌত ধর্ম: 
- সকল নিষ্ক্রিয় মৌল বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন এবং এক পরমাণুক গ্যাস হিসেবে অবস্থান করে।
- এরা পানিতে সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
- নিষ্ক্রিয় মৌলগুলির পরমাণুসমূহের মধ্যে দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস্ বল ছাড়া অন্য কোন আকর্ষণ বল কাজ করে না।
- ফলে এদের গলনাংক এবং স্ফুটনাংক অত্যন্ত কম।
- নিষ্ক্রিয় মৌলগুলির গলনাংক এবং স্ফুটনাংকের মান গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে (হিলিয়াম থেকে র‍্যাডন পর্যন্ত) নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পায়। 
- নিম্নচাপে নিয়ন গ্যাসে বিদ্যুৎক্ষরণ ঘটালে লাল আলো পাওয়া যায়।
- একইভাবে ক্রিপটন গ্যাসে সবুজ আলো পাওয়া যায়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত সুস্থিত। ফলে এদের পরমাণু হতে ইলেকট্রন অপসারণ করতে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়।
- এ কারণে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের আয়নীকরণ শক্তি একই পর্যায়ে অবস্থিত অন্য মৌলগুলির আয়নীকরণ শক্তি হতে অনেক বেশি হয়। 

তথ্যসূত্র: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৩১৩.
শূন্য স্থানে আলোর দ্রুতি কত?
  1. ক) ৪০০,০০০ কিমি/সে
  2. খ) ৩০০,০০০ কিমি/সে
  3. গ) ২৫০,০০০ কিমি/সে
  4. ঘ) ২০০,০০০ কিমি/সে
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০০,০০০ কিমি/সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০০,০০০ কিমি/সে
ব্যাখ্যা
আলো:

- শূন্য স্থানে আলোর দ্রুতি ৩০০,০০০ কিমি/সে
- আলো এক প্রকার দৃশ্যমান শক্তি।
- বিশ্ব গঠনের পাঁচটি মৌলিক উপাদানের একটি আলো।
- আইজাক নিউটন ১৬৭৫ সালে আলোর কণা তত্ত্ব প্রদান করেন।
- ১৬৬০ সালে রবার্ট হুক আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- আধুনিক তত্ত্ব অনুসারে আলোর তরঙ্গ এবং কণিকা উভয় ধর্মই বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান,এস.এস.সি. প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৪.
আইসি'র আবিষ্কারক -
  1. প্রেসপার একার্ট
  2. জেক কেলবি
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
সঠিক উত্তর:
জেক কেলবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেক কেলবি
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC):

• আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
• ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
• আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
• আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩১৫.
নিম্নের কোন অংশটিকে ট্রানজিস্টরের ‘বেস’ বলা হয়? 
  1. যেটি বেশি ডোপড
  2. যেখানে ধাতব সংযোগ নেই
  3. সবচেয়ে সরু অংশ
  4. সবচেয়ে চওড়া অংশ
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে সরু অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে সরু অংশ
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া n-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে। 
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- আর একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে তিনযোজী পরমাণু প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- তাই একটি ট্রানজিস্টরকে দুটি ডায়োডকে পিঠাপিঠি (Back to back) যুক্ত বলে ধরা হয়। 
- ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে ট্রানজিস্টরের বেস (Base) বা ভূমি বলে। 
- প্রান্তের যে অংশের চওড়া অপর প্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক কম এবং অপদ্রব্যের অনুপাত একটু বেশি তাকে এমিটার (Emiter) বা নিঃসারক বলে। 
- যে প্রান্তের চওড়া একটু বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কালেক্টর (Collector) বা সংগ্রাহক বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৬.
সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতরে সাধারণত কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নিয়ন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে সাধারণত নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
(পূর্বে সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বে নাইট্রোজেন এবং টিউবলাইটে আর্গন গ্যাস ব্যবহৃত হতো)। 
- বর্তমানে উভয়ক্ষেত্রেই নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন ব্যবহৃত হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের তাপীয় ক্রিয়া প্রয়োগে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- গঠন প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বৈদ্যুতিক বাতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. কার্বন ফিলামেন্ট, 
২. ধাতব ফিলামেন্ট ও 
৩. গ্যাসপূর্ণ বাতি। 

উল্লেখ্য,
- প্রশ্নের অপশনে আর্গন না থাকায় নাইট্রোজেন উত্তর হবে। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৭.
১৮ কেজি ভরের বস্তুর ওজন চাদে কত নিউটন হবে?
  1. ক) ১৯.৪
  2. খ) ২৯.৪
  3. গ) ৩৯.৪
  4. ঘ) ৪৯.৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯.৪
ব্যাখ্যা

চাঁদে অভিকর্ষ ত্বরনের মান পৃথিবীর পৃষ্ট হতে ৬ গুন কম।
আমরা জানি,
W = mg
= 18(g/6)
= 3g
= 3 X 9.8
= 29.4 নিউটন।

১,৩১৮.
যদি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা সমান হয়, তাহলে কী হয়? 
  1. ভোল্টেজ কমে যায়
  2. ভোল্টেজ দশ গুণ বাড়ে
  3. ভোল্টেজ দশ গুণ কমে
  4. প্রাইমারি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি ভোল্টেজের সমান হয়
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি ভোল্টেজের সমান হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি ভোল্টেজের সমান হয়
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩১৯.
অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটার কারণ-
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. অক্ষাংশ ক্রিয়া
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারই অভিকর্ষজ ত্বরণ।
- একে (g) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- এর একক ms-2 ,

• বিভিন্ন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান:
- ভূ-পৃষ্ঠ: 9.8 ms-2,
- পৃথিবীর কেন্দ্রে: 0 ms-2,
- মেরু অঞ্চল: 9.832 ms-2,
- বিষুবীয় অঞ্চল: 9.780 ms-2
 
• মূলত ৩ টি কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন ঘটে।

১. উচ্চতার ক্রিয়া,
২. অক্ষাংশ ক্রিয়া বা আকৃতি ক্রিয়া,  
৩. পৃথিবীর ঘূর্ণন ক্রিয়া বা পৃথিবীর আহ্নিক গতি ক্রিয়া।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান বই, নবম - দশম শ্রেণি। 
১,৩২০.
কোন আলোর বিচ্যুতি ও প্রতিসরণ সবচেয়ে কম?
  1. নীল 
  2. লাল 
  3. বেগুনি 
  4. সবুজ 
সঠিক উত্তর:
লাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল 
ব্যাখ্যা

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২১.
রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ত্রুটিগুলো সংশোধন করেন কে?
  1. ক) আইজ্যাক নিউটন
  2. খ) নীলস্‌ বোর
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) মেন্ডেলিফ
সঠিক উত্তর:
খ) নীলস্‌ বোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীলস্‌ বোর
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ১৯১১ সালে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন যার মধ্যে কিছু ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা ছিল। 
- পরে রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের ত্রুটিসমূহ সংশোধন করে ১৯১৩ সালে নীলস বোর পরমাণুর একটি মডেল প্রদান করেন যা বোর পরমাণু মডেল নামে পরিচিত। 
- বোর পরমাণু মডেলটি বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাঙ্কের বিকিরিত শক্তির কোয়ান্টাম তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৩২২.
কোন বস্তুর ভেসে থাকার যে প্রবণতা তাকে কি বলে? 
  1. ক) গতি শক্তি
  2. খ) প্লবতা
  3. গ) জড়তা 
  4. ঘ) ভরবেগ 
সঠিক উত্তর:
খ) প্লবতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লবতা
ব্যাখ্যা
প্লবতা: কোনো বস্তু সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো স্থির তরল বা বায়বীয় পদার্থে নিমজ্জিত করলে তরল বা বায়বীয় পদার্থের চাপের জন্য বস্তুটি উপরের দিকে যে লব্ধি বল অনুভব করে তাকে প্লবতা বলে। প্লবতার একক নিউটন।
১,৩২৩.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭২ সেন্টিমিটার
  2. ৭৪ সেন্টিমিটার
  3. ৭৬ সেন্টিমিটার
  4. ৭৭ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৭৬ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান। 
- আদর্শ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের চাপ ১০১৩.২৫ মিলিবার (১০১,৩২৫ প্যাসকেল) বা ৭৬০ পারদ মি.মি., ২৯.৯২ পারদ ইঞ্চি, বা ১৪.৬৯৬ পাউন্ড/ইঞ্চি
- এটিএম (atm) এককটি পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমতুল্য অর্থাৎ পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রায় ১ এটিএম। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৩২৪.
'শুষ্ক বরফ' বলা হয় - 
  1. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
  2. হিমায়িত অক্সিজেনকে
  3. হিমায়িত কার্বন মনোক্সাইডকে
  4. ক্যালসিয়াম অক্সাইডকে
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইডকে
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাই, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১,৩২৫.
ট্রানজিস্টর কী ধরনের যন্ত্র?
  1. শব্দ নিয়ন্ত্রক
  2. বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক
  3. আলোক নিয়ন্ত্রক
  4. চৌম্বক নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র, যা বৈদ্যুতিক সংকেত (Electric Signal) প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং পরিবর্ধক (Amplifier) ও সুইচ (Switch) হিসেবে কাজ করে।

ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২৬.
যে শব্দের তরঙ্গের কম্পাঙ্ক 20 kHz থেকে বেশি, তাকে কী বলে?
  1. ক) শব্দতর তরঙ্গ
  2. খ) হার্টজ
  3. গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
  4. ঘ) ইনফ্রাসাউন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

20 Hz এর কম কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ তরঙ্গকে বলে - শব্দতর তরঙ্গ বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে।
আবার 20000 Hz বা 20 kHz এর বেশি কম্পাঙ্ক বিশিষ্ঠ শব্দকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বা আলট্রাসাউন্ড বলে।
এই দুই ধরনের শব্দই মানুষ শুনতে পায় না।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ পদার্থ বিজ্ঞান বই।

১,৩২৭.
আয়রণের পারমানবিক সংখ্যা কত?
  1. ২২
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
আয়রণের পারমানবিক সংখ্যা ২৬।
• পারমাণবিক সংখ্যা:
- কোন মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যতটি প্রোটন থাকে; প্রোটনের সে সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বা প্রোটন সংখ্যা বলা হয়।
- প্রোটন সংখ্যাকে সাধারণত Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারমানবিক সংখ্যা:
- সিলিকনের পারমাণবিক সংখ্যা - ১৪,
- সোডিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা - ১১,
- ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা - ১২,
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা - ৬,
- আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা - ৩৩,
- সিলভারের পারমাণবিক সংখ্যা ৪৭, 
- টাইটেনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা - ২২, 
- ক্রোমিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা - ২৪, 
- ম্যাঙ্গানিজের পারমাণবিক সংখ্যা - ২৫। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
১,৩২৮.
কোন তত্ত্ব থেকে E=mc2 সূত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. খ) আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  3. গ) সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. ঘ) ওয়েব পার্টিকেল ডুয়ালিটি তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে। 
- অইিনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আলাের বেগ যে স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান তা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
- স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
১,৩২৯.
বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯২৮ সালে
  2. খ) ১৯৩২ সালে
  3. গ) ১৯৩১ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা:
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।

নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g।
- আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৩০.
একটি পাথর উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ভূমি স্পর্শ করা পর্যন্ত শক্তির কী কী ধরণের পরিবর্তন ঘটে?
  1. ক) গতি শক্তি > বিভব শক্তি > শব্দ শক্তি
  2. খ) স্থিতি শক্তি > গতি শক্তি > শব্দ শক্তি
  3. গ) বিভব শক্তি > গতি শক্তি > শব্দ শক্তি ও তাপ শক্তি
  4. ঘ) গতি শক্তি > স্থিতি শক্তি > তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) বিভব শক্তি > গতি শক্তি > শব্দ শক্তি ও তাপ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিভব শক্তি > গতি শক্তি > শব্দ শক্তি ও তাপ শক্তি
ব্যাখ্যা
একটি পাথর যখন উপরে স্থির অবস্থায় থাকে তখন এর মধ্যে বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি জমা থাকে।
যখন পাথরটিকে ছেড়ে দেয়া হবে তখন অভিকর্ষজ বলের প্রভাবে বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রুপান্তরিত হবে।
পাথরটি যখন ভূমিতে আঘাত করবে তখন আঘাতের ফলে যে স্থানে আঘাত করবে সেখানে তাপ শক্তি উৎপন্ন হবে এবং একই সাথে শব্দ শক্তি উৎপন্ন হবে।

সুতরাং, শক্তির পরিবর্তন হবে - বিভব শক্তি > গতি শক্তি > শব্দ শক্তি ও তাপ শক্তি 

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নমব-দশম শ্রেণি
১,৩৩১.
মরিচাবিহীন ইস্পাত সংকর ধাতুতে কোন উপাদান বেশি পরিমাণে থাকে?
  1. নিকেল
  2. লোহা
  3. ক্রোমিয়াম
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
- মরিচাবিহীন ইস্পাত সংকর ধাতুতে লোহার পরিমাণ বেশি থাকে যা শতকরা ৭৪ ভাগ। 

সংকর ধাতু: 

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়। 
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। 
যেমন- বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। 
- আবার, লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। 
- মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে। 
- নিচে কতগুলো সংকর ধাতুর সংযুক্তি ও ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩২.
ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তিকে কোন শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়?
  1. আলোক শক্তি
  2. তাপশক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. বিদ্যুৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ শক্তি
ব্যাখ্যা

• শক্তির রূপান্তর (Energy Transformation/Conversion): 
- শক্তির রূপান্তর হলো এক ধরনের শক্তিকে অন্য রূপে পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া, যেখানে শক্তির মোট পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে (শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি অনুসারে) এবং এটি সৃষ্টি বা ধ্বংস হয় না; যেমন—রাসায়নিক শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি, বা বিদ্যুৎ শক্তি থেকে আলোক শক্তির উদাহরণ ইত্যাদি। 
- শক্তি রূপান্তরের উদাহরণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি রাসায়নিক শক্তি। 
- বাসায় রান্না করার জন্য যে গ্যাস ব্যবহার করা হয়, সেটা রাসায়নিক শক্তির তাপশক্তিতে রূপান্তরের উদাহরণ। সে কারণে বাসা-বাড়িতে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ করার সাথে সাথে গ্যাসও সরবরাহ করা হয়।
- রাসায়নিক শক্তিকে তাপে রূপান্তর করার কারণে  আলোক শক্তিও পাওয়া যায়। মোমবাতির আলো তার একটা উদাহরণ।
- গ্যাস, পেট্রল, ডিজেল বা এ ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করে নানারকম ইঞ্জিনে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। যদিও ভালো করে দেখলে দেখা যাবে রাসায়নিক শক্তি প্রথমে তাপশক্তি এবং সেই তাপশক্তি আবার যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।
- আধুনিক প্রযুক্তির যুগে রাসায়নিক শক্তির রূপান্তরের সবচেয়ে বড় উদাহরণটি হচ্ছে ব্যাটারি, যেখানে এই শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। মোবাইল টেলিফোন থেকে শুরু করে গাড়ি কিংবা ঘড়ি থেকে মহাকাশযান এমন কোনো জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে ব্যাটারি ব্যবহার করে রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়নি।
- রাসায়নিক শক্তির সবচেয়ে চমকপ্রদ উদাহরণ জীবন্ত প্রাণির শরীর, যেখানে খাদ্য থেকে রাসায়নিক শক্তি যান্ত্রিক কিংবা বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৩৩৩.
কোন লবণ পানিতে দ্রবণীয় নয়? 
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. সোডিয়াম গ্লুটামেট
  3. ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
  4. পটাসিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- অনেক লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে। 
যেমন- 
• সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), 
• সোডিয়াম গ্লুটামেট (C5H8NO4Na) লবণ। 

- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। 
যেমন- 
ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO3)
• সিলভার সালফেট (Ag2SO4), 
• সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি। 

- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্যও লবণ ব্যবহার করা হয়। 
যেমন - 
• ক্যালসিয়াম কার্বোনেট বা চুনাপাথর (CaCO3) । 

- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ।
যেমন - 
• অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), 
• অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), 
• পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 

- কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধেও কিছু লবণ ব্যবহার করা হয় যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে। 
যেমন- 
• তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) । 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৩৪.
1 প্যাসকেল বলতে কী বোঝায়?
  1. 1 N বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
  2. 1 kg বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
  3. 10 N বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
  4. 1 N বল 1 cm2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
1 N বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 N বল 1 m2 ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

• প্যাসকেল:
- যদি কোনো পৃষ্ঠের একক ক্ষেত্রফলের ওপর লম্বভাবে ১ নিউটন বল প্রয়োগ করা হয়, তবে ঐ পৃষ্ঠে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে ১ প্যাসকেল বলে।
- একক ক্ষেত্রফল মানে = 1 বর্গমিটার (1 m2).
সুতরাং,
1 প্যাসকেল (Pa) = 1 নিউটন (N) ÷ 1 বর্গমিটার (m2)
অর্থাৎ, 1 Pa = 1 N m-2.
- 1 নিউটন বল যদি 1 বর্গমিটার ক্ষেত্রফলের উপর প্রয়োগ করা হয়, তবে চাপ হবে ১ প্যাসকেল।

মাত্রা (Dimensional Formula):
[P] = [F]/[A] = [MLT-2]/[L2] = ML-1T-2.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৩৫.
মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ করতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, কারণ সেখানে-
  1. তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. তড়িৎ শক্তি চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা

• মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ করার সময় মূলত তড়িৎ শক্তি (Electrical Energy) ব্যবহার করা হয়। ব্যাটারির ভিতরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি রাসায়নিক শক্তিতে (Chemical Energy) রূপান্তরিত হয়। ব্যাটারিতে থাকা রাসায়নিক পদার্থগুলো এই শক্তি জমা রাখে এবং পরে যখন মোবাইল ব্যবহার করা হয়, তখন ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয় যা ফোনের কাজ চালায়। তাই, মোবাইল চার্জ করার সময় তড়িৎ শক্তি সরাসরি যান্ত্রিক, আলোক বা চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় না, বরং এটি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে সংরক্ষিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি (Electrical Energy): 
- শক্তির রূপান্তরের সবার আগে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তির কথা বলা হয় কারণ এই শক্তিকে সবচেয়ে সহজে অন্যান্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- শুধু তা-ই নয় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহ করা সবচেয়ে সহজ।
- দৈনন্দিন জীবনে বৈদ্যুতিক পাখা বা অন্যান্য মোটরে তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
(যদিও চৌম্বক শক্তি আসলে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তার পরেও মোটর বা বৈদ্যুতিক পাখার ভেতরে বিদ্যুৎশক্তিকে প্রথমে চৌম্বক শক্তিতে রূপান্তর করে সেখান থেকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হতে হয়।) - বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি বা হিটারে বিদ্যুৎ বা তড়িৎশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বাল্ব, টিউবলাইট বা এলইডিতে তড়িৎশক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- শব্দশক্তি তৈরি করার জন্য সাধারণত কোনো কিছুকে কাঁপাতে হয় যা এক ধরনের যান্ত্রিক শক্তি। যেমন- স্পিকারে বিদ্যুৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- মোবাইলে টেলিফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ করা হয়, যেখানে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৩৬.
নিচের কোনটির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি?
  1. পেট্রোল
  2. ডিজেল
  3. কেরোসিন
  4. ন্যাপথা
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজেল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- পেট্রোল (গ্যাসোলিন) এর স্ফুটনাঙ্ক ২১° - ৭০° C পর্যন্ত
- ন্যাপথা এর স্ফুটনাঙ্ক ৭১° - ১২০° C পর্যন্ত
- কেরোসিনের স্ফুটনাঙ্ক ১২১° - ১৭০° C পর্যন্ত
- ডিজেলের স্ফুটনাঙ্ক ১৭১° - ২৭০° C পর্যন্ত
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বই, নবম-দশম শ্রেণি

১,৩৩৭.
Tachometer is used to measure -
  1. the evaporating capacity of the air
  2. determining longitude at sea
  3. wind speed and wind pressure
  4. the rotational speed of a rotating object
সঠিক উত্তর:
the rotational speed of a rotating object
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the rotational speed of a rotating object
ব্যাখ্যা
ট্যাকোমিটার:
- কোনাে ঘূর্ণন যন্ত্রের গতি পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ট্যাকোমিটার (Techometer)।
- এটি সাধারণত রেভোলিউশনস পার মিনিট (RPM) হিসেবে গতি পরিমাপ করে।
- ট্যাকোমিটারের সাহায্যে উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
- অ্যানিমোমিটার: সাধারণত বায়ুর গতিবেগ মাপা হয় নট (knot) নামক একক দিয়ে। ১ নট = ১.৮২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। সাধারণত অ্যানিমোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয়।
- সময় নির্ণায়ক যন্ত্রটির নাম হচ্ছে ক্রনোমিটার। বিশেষ করে সমুদ্রে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।

উৎস: Britannica.
১,৩৩৮.
টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় কোন ধরনের চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়? 
  1. অস্থায়ী চুম্বক
  2. কোমল চুম্বক
  3. সিরামিক চুম্বক
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিরামিক চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরামিক চুম্বক
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 

২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৩৯.
"সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব" - উক্তিটি প্রদান করেন কে?
  1. ক) ডেমোক্রিটাস
  2. খ) ল্যাভয়সিয়ে
  3. গ) জন ডাল্টন
  4. ঘ) অ্যারিষ্টটল
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যারিষ্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যারিষ্টটল
ব্যাখ্যা
- খ্যাতনামা গ্রীক দার্শনিক অ্যারিষ্টটলের ধারণা ছিলো সব পদার্থই অবিচ্ছিন্ন এবং অন্তহীনভাবে তাদের বিভক্তি সম্ভব।

- খ্রীষ্টপূর্ব ৫০০ সনে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস সর্ব প্রথম অভিমত প্রকাশ করেন যে প্রতিটি বস্তুই অতি ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন পদার্থ কণিকার সাহায্যে গঠিত। তিনি এই ক্ষুদ্র কণিকার নাম দিয়েছিলেন ‘অ্যাটম' ।
- গ্রীক শব্দ ‘অ্যাটমের’ অর্থ হচ্ছে অবিভাজ্য। ডেমোক্রিটাসের ধারণা অনুযায়ী বিশ্বের যাবতীয় বস্তু অ্যাটম নামক খুবই ক্ষুদ্র কণিকার সমন্বয়ে গঠিত এবং এই অ্যাটমকে আর কোনক্রমেই ভাগ করা সম্ভব নয়।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ বেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়া স্বত্ত্বেও অ্যারিস্টটলের মতবাদ বিরোধী হওয়ায় সে সময় খুব সাড়া জাগাতে পারেনি।
- ডেমোক্রিটাসের মতবাদ দু'হাজার বছরের অধিককাল উপেক্ষিত ছিলো। ঊনবিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে ডাল্টনের পরমাণুবাদের মাধ্যমে ধারণাটি আবার পুনর্জীবন লাভ করে।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৪০.
6N এবং 8N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?
  1. 8 N
  2. 10 N
  3. 12 N
  4. 4 N
সঠিক উত্তর:
10 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6N এবং 8N মানের দুটি বল লম্বভাবে ক্রিয়া করলে লব্ধির মান কত?

সমাধান:
দুটি বল P ও Q লম্বভাবে ক্রিয়া (θ = 90°) করলে,
এদের লব্ধি, R2 = P2 + Q2 + 2PQcosθ
⇒ R2 = 62 + 82 + 2 × 6 × 8 × cos90°
⇒ R2 = 36 + 64 + 0
⇒ R2 = 100

∴ লব্ধির মান, R = √100
= 10 N
১,৩৪১.
কৃষ্ণবিবরের গঠন বা মহাকর্ষিক প্রভাবের কারণে মূলত কোন কণা মুক্ত হতে পারে না? 
  1. প্রোটন 
  2. ফোটন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. নিউট্রন 
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৪২.
নিচের কোনটির উপর কাজের পরিমাণ নির্ভর করে?
  1. খাদ্য গ্রহণ
  2. বল এবং দূরত্ব
  3. শারীরিক সামর্থ্য
  4. বল ও সরণ
সঠিক উত্তর:
বল ও সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল ও সরণ
ব্যাখ্যা
• কাজের পরিমাণ নির্ভর করে বল ও সরণের উপর।

- বল প্রয়োগে বস্তু সরণ ঘটলে কাজ সম্পন্ন হয়।
- বল এবং সরণের গুণফল দ্বারা কাজের পরিমাপ করা হয়।
- অভিকর্ষের দিকে বস্তুর সরণ হলে বল দ্বারা কাজ সম্পন্ন হয়।
- অভিকর্ষের বিপরীতে সরণ হলে বলের বিরুদ্ধে কাজ সম্পন্ন হয়।
- কাজ করার সমার্থ্য হচ্ছে শক্তি।
- কাজ ও শক্তি পরস্পরের পরিপূরক।
- এদের উভয়ের একক এক ও অভিন্ন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৩.
নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব হয় কিভাবে?
  1. যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
  2. নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
  3. গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
  4. পাল ব্যবহার করে
সঠিক উত্তর:
যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
ব্যাখ্যা
• নদীর একপাশ থেকে গুণ টেনে নৌকাকে মাঝ নদীতে রেখেই সামনের দিকে নেয়া সম্ভব যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে।

- বলের অনুভূমিক উপাংশ নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং উল্লম্ব উপাংশ নৌকাটিকে পাড়ের দিকে টানে।
- কিন্তু নৌকার হাল দ্বারা উল্লম্ব উপাংশ প্রতিহত করা হয়।
- গুণ যত লম্বা হয়, নৌকা তত তাড়াতাড়ি নৌকা সামনে এগিয়ে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৩৪৪.
"ভর ও শক্তি সমতুল্য”—কোন বিজ্ঞানীর উক্তি?
  1. নিউটন
  2. আইনস্টাইন
  3. গ্যালিলিও
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
ভরশক্তি সম্পর্ক:
- ভরশক্তি সম্পর্ককে E=mcসমীকরণ আকারে লেখা যায়।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে একটি বিখ্যাত সম্পর্ক বের করেন।
- এটি হলো ভর ও শক্তির সম্পর্ক।

ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের সম্পর্ক নিম্নোক্তভাবে লেখা যায়,
E = mc2
যেখানে,
E = মোট শক্তি,
m= বস্তুর ভর এবং
C = আলোর দ্রুতি।

- এই সমীকরণটি আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অন্যতম ফসল যা হলো ভর শক্তির একটি রূপ । 
- "ভর ও শক্তি সমতুল্য”—উক্তিটি হচ্ছে আইনস্টাইনের।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী।
১,৩৪৫.
ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৫ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ:
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-

• সম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

• অসম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়।

• অতিপৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৬.
pH-এর মান যত কম, তত বেশি- 
  1. ক্ষারীয় 
  2. এসিডিক 
  3. লবণাক্ত 
  4. নিরপেক্ষ 
সঠিক উত্তর:
এসিডিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিডিক 
ব্যাখ্যা
pH: 
- pH হলো এমন একটি রাশি, যেটি দ্বারা বোঝা যায় পানি বা অন্য কোনো জলীয় দ্রবণ এসিডিক, ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ। 
- নিরপেক্ষ হলে pH হয় ৭, এসিডিক হলে ৭-এর কম, আর ক্ষারীয় হলে ৭-এর বেশি। 
- এসিডের পরিমাণ যত বাড়বে, pH-এর মান তত কমে। অন্যদিকে ক্ষারের পরিমাণ যত বাড়ে, pH-এর মানও তত বাড়ে। 
- নদ-নদী, খালবিল ইত্যাদির জন্য pH-এর মান খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত নদ-নদীর পানি ক্ষারীয় হয়। 
- গবেষণা করে দেখা গেছে, নদ-নদীর পানির pH যদি ৬-৮ এর মধ্যে থাকে, তাহলে সেটা জলজ উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না। 
- তবে pH-এর মান যদি এর চাইতে কমে যায় বা বেড়ে যায়, তাহলে ঐ পানিতে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী আর উদ্ভিদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। 
- মাছের ডিম, পোনা মাছ পানির pH খুব কম বা বেশি হলে বাঁচতে পারে না। 
- পানিতে এসিডের পরিমাণ খুব বেড়ে গেলে, অর্থাৎ pH-এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীদের দেহ থেকে ক্যালসিয়ামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থ বাইরে চলে আসে, যার ফলে মাছ সহজেই রোগাক্রান্ত হতে শুরু করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৪৭.
পারমাণবিক চুল্লিতে কোন মৌল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. অক্সিজেন
  3. ইউরেনিয়াম-২৩৫
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম-২৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম-২৩৫
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়। 
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties. 
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials. 
- অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৪৮.
স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল কত?
  1. 60 dB
  2. 40 dB
  3. 90 dB
  4. 120 dB
সঠিক উত্তর:
60 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60 dB
ব্যাখ্যা
- স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল হলো- 60 dB

শব্দের তীব্রতার লেভেল: 
- একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ ই হচ্ছে শব্দের তীব্রতা । 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- শব্দের তীব্রতার মূল একক W/m2 । 
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্বনিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000 Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৯.
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র নিচের কোনটি?
  1. পাইরোমিটার
  2. থার্মোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৩৫০.
বৈদ্যুতিক চুলা থেকে যে বিকীর্ণ তাপ উৎপন্ন হয় তা কোন ধরনের রশ্মি?
  1. অবলোহিত রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা
অবলোহিত রশ্মি: 
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি। 
- বর্ণালির 10-6 m থেকে 10-3 m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের। 
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ। 
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫১.
বেরিলিয়াম কোন ধরনের মৌল?
  1. মুদ্রা ধাতু
  2. হ্যালোজেন 
  3. মৃৎক্ষার ধাতু
  4. নিষ্ক্রিয় গ্যাস
সঠিক উত্তর:
মৃৎক্ষার ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃৎক্ষার ধাতু
ব্যাখ্যা

বেরিলিয়াম একটি মৃৎক্ষার ধাতু।

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals)
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, স্ট্রনসিয়াম, বেরিয়াম এবং রেডিয়াম মৌলগুলো রয়েছে।
- এই মৌলগুলো মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং ক্ষার তৈরি করে।

অন্যদিকে,
মুদ্রা ধাতু (Coin Metals)
- গ্রুপ-11 এর 4টি মৌল হলো কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম।
- প্রথম দুটি মৌল কালের জন্য মুদ্রা তৈরি ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হতো।

হ্যালোজেন গ্রুপ (Halogen)
- গ্রুপ-17 এর 6টি মৌল হলো ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (As) এবং টেনেসিন (Ts)।
- এই মৌলগুলোকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠন করে, যেমন F + Na → NaF এবং Cl + Na → NaCl।
- হ্যালোজেন মৌল নিজেই ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে, যেমন Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases)
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌল হলো হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে, তাই এরা যৌগ গঠন করতে চায় না।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় থাকে।
- সাধারণ তাপমাত্রায় এরা গ্যাস আকারে থাকে।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি।  

১,৩৫২.
কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ পরিবাহী?
  1. রুপা
  2. পাথর
  3. সোনা
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
রুপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুপা
ব্যাখ্যা
পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৩.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমে শূন্য?
  1. শূন্য 
  2. পানি 
  3. বায়ু 
  4. ইস্পাত 
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
ব্যাখ্যা

- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ যা চলার জন্য একটি মাধ্যম (কঠিন, তরল বা বায়বীয়) প্রয়োজন। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা অণু থাকে না, যার ফলে শব্দ তরঙ্গ কম্পন প্রেরণের জন্য কোনো মাধ্যম পায় না। এই কারণে শূন্য মাধ্যমে শব্দের গতিবেগ শূন্য। 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৫৪.
40 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ কত হবে?
  1. ক) 332ms-1
  2. খ) 350ms-1
  3. গ) 356ms-1
  4. ঘ) 360ms-1
সঠিক উত্তর:
গ) 356ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 356ms-1
ব্যাখ্যা

0°C বা 273K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
বাতাসের তাপমাত্রা অথবা আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। প্রতি ১°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শব্দের দ্রুতির বৃদ্ধি ০.৬ ms-1.
∴ 40°C তাপমাত্রায় বায়ুতে শব্দের বেগ = 332+(40×0.6) ms-1
= 356 ms-1

১,৩৫৫.
নিচের কোনটি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?
  1. ক) বায়োমাস
  2. খ) বায়ুশক্তি
  3. গ) নিউক্লিয়ার
  4. ঘ) জিওথার্মাল
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়ার
ব্যাখ্যা
যে শক্তিকে নবায়ন করা যায়, যা ফুরিয়ে যাওয়ার আশংকা নেই তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলে। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসঃ বায়োমাস, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, জিওথার্মাল, সৌরশক্তি। তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম এগুলো অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,৩৫৬.
কোনো সিস্টেমের বিশৃংখলার সূচক পরিমাপক -
  1. ক) সিস্টেম লস
  2. খ) কর্মদক্ষতা
  3. গ) এনথালপি
  4. ঘ) এনট্রপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনট্রপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনট্রপি
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়।
অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা
স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৩৫৭.
বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে নিচের কোনটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. জিংক কার্বোনেট
  2. অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
  3. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড
  4. ক্যালামিন
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড
ব্যাখ্যা
- বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম হাইড্রক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 
- ক্যালামিন হলো(Calamine) লোশন, যা মূলত জিংক কার্বোনেট (ZnCO3)। 
- ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)2) ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড (Al(OH)3) নামের ক্ষার এসিডিটি দূর করে।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
 
১,৩৫৮.
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপযোগী করতে কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. জেনারেটর 
  2. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার 
  3. সার্কিট ব্রেকার
  4. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
ব্যাখ্যা
তড়িতের সিস্টেম লস: 
- দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলোতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে, এই বিদ্যুৎকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতে হয়। 
- বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়। 
- সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ-ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয়, কম হলেও তাদের কিছু পরিমাণ রোধ থাকে। 
- একটা রোধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সবসময়েই (I2R) তাপ উৎপন্ন হয় এবং এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয় হয়। 
- একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। 
- সে জন্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। 
- গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযোগ্য ভোল্টেজে নামিয়ে আনা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৫৯.
কিলোওয়াট-ঘণ্টা নিচের কোন রাশিটির একক নয়?
  1. কাজ
  2. শক্তি
  3. ক্ষমতা
  4. বিদ্যুৎশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
- কিলোওয়াট-ঘণ্টা 'ক্ষমতা' রাশিটির একক নয়। 

শক্তি: 

- কোনো বস্তুর কাজ করা সামর্থ্যকে শক্তি বলে। বস্তু সর্বমোট যতটুকু কাজ করতে পারে তা দিয়েই বস্তুর শক্তির পরিমাপ করা হয়। 
- কাজের মাত্রা ও শক্তির মাত্রা একই অর্থাৎ  ML2T -2
- কাজের একক ও শক্তির একক একই অর্থাৎ জুল (J)। 

কিলোওয়াট-ঘণ্টা: 
- সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব-নিকাশের সময় কিলোওয়াট-ঘণ্টা (KWh) এককটি ব্যবহৃত হয়। 
- এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হউ তাকে এক কিলোওয়াট-ঘণ্টা বলে। 
1 KWh = 1000 Wh 
= 1000 J s -1 × 3600 s 
∴ 1 KWh = 3.6 × 106 J. 

অন্যদিকে, 
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। 
- ক্ষমতা কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১,৩৬০.
বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. বিষুব অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন:
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,৩৬১.
জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয় এমন এসিডকে কী বলা হয়? 
  1. তীব্র এসিড
  2. জৈব এসিড
  3. দুর্বল এসিড
  4. লবণীয় এসিড
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড
ব্যাখ্যা

এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এটি নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- এটি ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- এটি ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীললিটমাস লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ ভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬২.
বলবিদ্যা ও মহাকর্ষ বলের সাথে সম্পর্কিত নিচের কোন ব্যক্তিত্ব?
  1. ক) লিবনিজ
  2. খ) নিউটন
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
ব্যাখ্যা
1687 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করে গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলােকবিজ্ঞান এবং অন্য আরাে কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১,৩৬৩.
মশা ও আরশোলা নিধনে ব্যবহৃত অ্যারোসলের গন্ধ কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. ব্যাপন
  2. পাতন
  3. অভিস্রবণ
  4. নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৪.
পরমাণুর গ্রিক প্রতিশব্দ 'অ্যাটোমোস' (Atomos) এর বাংলা অর্থ কী?
  1. ক) ক্ষুদ্র
  2. খ) অবিভাজ্য
  3. গ) অতিক্ষুদ্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অবিভাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবিভাজ্য
ব্যাখ্যা

- পরমাণু এর ইংরেজি হলো অ্যাটম (atom)।
- অ্যাটম কথাটি এসেছে গ্রিক শব্দ অ্যাটোমোস (Atomos) থেকে।
- Atomos এর অর্থ অবিভাজ্য (uncuttable)।
- বিজ্ঞানী ডালটন পরমাণুর অবিভাজ্যতা বিষয়ক ধারণার প্রবক্তা। উনবিংশ শতাব্দিতে এই ধারণার বিকাশ হয়েছিলো।
- কিন্তু ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন আবিষ্কার হওয়ার পর এই ধারণা পরিত্যক্ত হয়েছে।

১,৩৬৫.
নিচের কোনটি তড়িৎ পরিবাহী নয়?
  1. তামা
  2. রূপা
  3. পারদ
  4. গন্ধক
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ পরিবাহী:
- যে সমস্ত পদার্থের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে পরিবাহিত হয় তাকে পরিবাহী বলে। যেমন রূপা, লোহা, তামা, পারদ ইত্যাদি ধাতু বা গলিত ধাতু, লবণ, ক্ষার, এসিড বা এদের দ্রবণ। 

• তড়িৎ অপরিবাহী:
- যে সকল বস্তুর ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না তাদেরকে অপরিবাহী বলে। যেমন কাঠ, চিনি, গন্ধক, পেট্রল ইত্যাদি। 
- পরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ অনেক কম হয় প্রায়- 10-8 Ωm ক্রমের। 


উৎস:
১. রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৬.
'নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য' এটি প্রমাণ করেন -
  1. ক) ওয়াটসন ও ক্রিক
  2. খ) নিউটন ও গ্যালিলিও
  3. গ) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
  4. ঘ) আইনস্টাইন ও স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
গ) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। 
অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। 
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। 
- নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল।
- এজন্য বর্তমান আধুনিক বিশ্ব নিউক্লিয় শক্তিকে শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,৩৬৭.
রেফ্রিজারেটরে মূলত কোন রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. কর্পূর
  3. ফ্রেয়ন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়ন
ব্যাখ্যা

• রেফ্রিজারেটরে সাধারণত খাদ্য ও পানীয়কে ঠাণ্ডা রাখতে ফ্রেয়ন নামক রেফ্রিজারেন্ট ব্যবহৃত হয়। ফ্রেয়ন একটি যৌগ যা সহজে বাষ্পীভূত হয় এবং পুনরায় তরল হয়ে তাপ শোষণ ও নিঃসরণের মাধ্যমে শীতলতা সৃষ্টি করে। এটি হালকা, জ্বালানী-মুক্ত এবং নিরাপদ হওয়ার কারণে ঘরে ব্যবহৃত রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারে প্রচলিত। হাইড্রোজেন বা কর্পূর রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলি অত্যন্ত জ্বলনশীল বা কার্যকর নয়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ফ্রেয়ন।

• রেফ্রিজারেটর:
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে।
- এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরোডাইফ্লোরো মিথেন।
- এই নলের সাথে একটি সংকোচন পাম্প সংযুক্ত থাকে।
- পাম্প চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়।
- এজন্য যে সুপ্ততাপ প্রয়োজন তার খানিকটা ফ্রেয়ন নিজে সরবরাহ করে আর বাকীটা আসে শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে, ফলে শীতলীকরণ ঘটে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

১,৩৬৮.
অ্যানথ্রাসাইট কয়লায় শতকরা কত ভাগ কার্বন থাকে? 
  1. প্রায় ৫০ ভাগ
  2. প্রায় ৬০ ভাগ
  3. প্রায় ৭৫ ভাগ
  4. প্রায় ৯৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা-
১। অ্যানথ্রাসাইট: 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি হয়। 
- এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 

২। বিটুমিনাস: 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কয়লা। 
- এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 

৩। লিগনাইট: 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো কয়লা। 
- এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৬৯.
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  3. চার্জবিহীন
  4. উচ্চ ভেদন ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
ব্যাখ্যা
• "ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা" আলফা রশ্মির একটি বৈশিষ্ট্য। 

• আলফা রশ্মি:
- আলফা রশ্মি বা আলফা কণা হলো একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।

• একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে থাকে দুইটি প্রোটন এবং দুইটি নিউট্রন, কাজেই এটি একটি চার্জযুক্ত কণা।
- এর ফলে বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা এর গতিপথকে প্রভাবিত করা যায়।

• আলফা কণার বৈশিষ্ট্য:
- এটি ধীরগতির ও ভারী কণা।
- আলফা কণার চার্জ ধনাত্মক। যা He2+
- এর ভেদন ক্ষমতা কম, কিন্তু আয়নন ক্ষমতা বেশি।
- ভেদন ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে এটি খুব বেশি দূর যেতে পারে না। একটি কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১,৩৭০.
বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক কত?
  1. 1.00
  2. 1.00029
  3. 1.33
  4. 1.52
সঠিক উত্তর:
1.00029
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.00029
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণাঙ্ক:
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা হচ্ছে আলোকবিজ্ঞান।
- আলোকবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে, কোন উপাদানের মধ্য দিয়ে আলো কতটা দ্রুত অতিক্রম করতে পারে তা হচ্ছে ঐ উপাদানের প্রতিসরণাঙ্ক।
-  শূন্য মাধ্যমে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.00
- বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক  1.00029
- পানিতে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.33
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের কাচের তন্তুর প্রতিসরণাঙ্ক 1.5
- সাধারণ কাচে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.52
- হীরাতে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 2.42

উল্লেখ্য যে, বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক 1.00029, মানটি 1 এর কাছাকাছি হওয়ায় এটাকে 1 ধরেও হিসাব করা যায়।
- তবে অপশনে, দুটি মানই থাকলে বাতাসে আলোর প্রতিসরণাঙ্ক বললে 1.00029 উত্তর হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
১,৩৭১.
চাঁদে নিয়ে গেলে কোনো বস্তুর ওজন-
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. শূন্য হবে
  4. একই থাকবে
সঠিক উত্তর:
কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমবে
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৩৭২.
যে তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু এর মধ্যে অবস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাকে বলে-
  1. ক) স্ফুটনাঙ্ক
  2. খ) হিমাঙ্ক
  3. গ) গলনাঙ্ক
  4. ঘ) শিশিরাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিশিরাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিশিরাঙ্ক
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের জলীয় বাষ্পের উপস্থিতির একটি পরিমাপ শিশরাঙ্ক। যে তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ু ঠান্ডা হয়ে এর মধ্যে অবস্থিত জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত হয়, সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক বলে।
[সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
১,৩৭৩.
4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি কত ক্যালরি তাপের সমতুল্য? 
  1. 1 ক্যালরি
  2. 2 ক্যালরি
  3. 3 ক্যালরি
  4. 4 ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উষ্ণতা বা তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রার S.I একক কেলভিন। 
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট একক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৪.
নিচের কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয়?
  1. ক) কেরোসিন
  2. খ) এলকোহল
  3. গ) গ্লিসারিন
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

গ্লিসারিন ও এলকোহল পানিতে দ্রবীভূত হয়।
কিন্তু কেরোসিন পানিতে দ্রবীভূত হয় না।

১,৩৭৫.
আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। তাই গ্যালিলিওকে অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
অন্যদিকে,
নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন এবং
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৭৬.
রকেট চালনা করা কোন সূত্রের বাস্তব উদাহরণ?
  1. ক) আর্কিমিডিসের সূত্র
  2. খ) নিউটনের প্রথম সূত্র
  3. গ) পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
  4. ঘ) নিউটনের তৃতীয় সূত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউটনের তৃতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউটনের তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা

রকেট চালনা করা নিউটনের তৃতীয় সূত্রের বাস্তব উদাহরণ।
নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হল - প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে
রকেট চালনার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণ জ্বালানিকে গ্যাসে পরিণত করা হয় এবং এই গ্যাস কে বাইরের দিকে সজোরে নিক্ষেপ করা হলে রকেট বিপরীত দিকে অর্থাৎ উপরের দিকে উৎক্ষেপিত হয়।

১,৩৭৭.
বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. প্রথমে কমে পরে বাড়ে
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
• বাতাসের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের গতি বাড়ে।

শব্দের বেগ হ্রাসবৃদ্ধির নিয়ামক:
• তাপমাত্রা:

- 0°C বা 273k তাপমাত্রায় শব্দের বেগ 332ms-1
- তাপমাত্রা 1°C বা 1k বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় 0.6ms-1 বৃদ্ধি পায়।

• আর্দ্রতা:
- বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলেও শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। 

• মাধ্যম:
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম,
- তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।

• বায়ু চাপ:
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১,৩৭৮.
কোন তাপমাত্রাকে পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. 212 K
  2. 373.15 K
  3. 0 K
  4. 273.16 K
সঠিক উত্তর:
273.16 K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
273.16 K
ব্যাখ্যা
• পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা হলো ২৭৩.১৬ K। ত্রৈধ বিন্দু বলতে বুঝায় সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যেখানে পানি ত্রৈধ অবস্থায় থাকে, অর্থাৎ বরফ, তরল পানি এবং বাষ্প একসঙ্গে সমতা অবস্থায় থাকে। এটি এক ধরনের স্থির বিন্দু, যেখানে তিনটি অবস্থা একই সাথে বিদ্যমান থাকে এবং চাপ ১ বাতাস। এই তাপমাত্রাটি ০.০১°C বা ২৭৩.১৬ K হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্য  অপশনগুলো যেমন ২১২ K বা ৩৭৩.১৫ K পানির অন্য কোন ফেজ বা অবস্থার তাপমাত্রা নির্দেশ করে না, তাই সঠিক উত্তর হলো ২৭৩.১৬ K।

পানির ত্রৈধ বিন্দু:

- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে পরম শূন্য তাপমাত্রা 0 K, বরফ বিন্দু 273.15 K এবং স্টিম বিন্দু 373.15 K ধরা হয়।
- তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে 273.15 K এবং স্টিম বিন্দুকে 373.15 K ধরে মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়।
- এক একটি ভাগকে এক কেলভিন (1 K) বলা হয়।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে-
K = C + 273.15

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৯.
বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে- 
  1. অর্ধেক ভেসে থাকবে
  2. ডুবে যাবে
  3. ভেসে থাকবে
  4. সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে ভাসবে
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র: 
- কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। 
- বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
ধরা যাক, 
- একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন, বস্তুটির পানিতে ডোবালে এর উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্ব চাপ জনিত বল) W1 নিউটন।  এক্ষেত্রে - 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮০.
রেডিয়াম আবিষ্কার করেন-
  1. ক) পিয়ারে কুরি
  2. খ) মেরি কুরি
  3. গ) রাদারফোর্ড
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
১৮৯৯ সালে পিয়ারে কুরি এবং মেরি কুরি সর্বপ্রথম রেডিয়াম আবিষ্কার করেন৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
১,৩৮১.
মহাবিশ্বে কার্যকর মৌলিক বলগুলোর মধ্যে দুর্বলতম কোনটি?
  1. সবল নিউক্লীয় বল
  2. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  3. তড়িৎচুম্বকীয় বল
  4. মহাকর্ষ বল
  5. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বে চারটি মৌলিক বল বিদ্যমান: সবল নিউক্লীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল, তড়িৎচুম্বকীয় বল এবং মহাকর্ষ বল। এদের মধ্যে দুর্বলতম বল হলো মহাকর্ষ বল। এটি অন্যান্য বলের তুলনায় অত্যন্ত দুর্বল, কারণ এটি বড় কণার মধ্যে মাত্রই প্রভাব ফেলে এবং পারমাণবিক বা সাবপারমাণবিক স্তরে প্রায় অদৃশ্য। মহাকর্ষ বল তার ক্রিয়াশীলতা দ্বারা বৃহৎ আকারের বস্তু যেমন গ্রহ, তারা বা গ্যালাক্সিকে আকৃষ্ট করে, কিন্তু কণার স্তরে প্রভাব অত্যন্ত কম। অন্যদিকে তড়িৎচুম্বকীয় এবং নিউক্লীয় বলগুলো পারমাণবিক ও উপপারমাণবিক স্তরে শক্তিশালীভাবে কাজ করে। তাই, শক্তির দিক দিয়ে মহাবিশ্বে সবচেয়ে দুর্বল মৌলিক বল হলো মহাকর্ষ বল।

- সঠিক উত্তর: ঘ) মহাকর্ষ বল।

• প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৮২.
তেজস্ক্রিয় রশ্মি নয় কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেটাকে স্থিতিশীল রাখার জন্য নিউট্রনের সংখ্যাও বেড়ে যেতে থাকে, কিন্তু তারপরও নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা ৮২ অতিক্রম করার পর থেকে নিউক্লিয়াসগুলো অস্থিতিশীল হতে শুরু করে। (যদিও প্রোটনসংখ্যা 43-Technetium এবং 61-Promethium মৌলের কোনো স্থায়ীরূপ পাওয়া যায় না)। 
- অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে সেটাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 

- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford), পিয়ারে কুরি (Pierre Curie), মেরি কুরি (Marie Curie) এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লীয় ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- শুধু তাই নয়, তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে সেটাও লক্ষ্য করা হয়েছে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয় যেমন- আলফা রশ্মি, বিটা রশ্মি এবং গামা রশ্মি। 

অন্যদিকে, 
- রঞ্জন রশ্মি (X-ray) যদিও তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ কিন্তু এটি তেজস্ক্রিয় বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন নয়, বরং ইলেকট্রনের অভ্যন্তরীণ স্তর থেকে নির্গত হয়, তাই এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৮৩.
কাচ শিল্পে প্রধানত কোন খনিজ উপাদান ব্যবহৃত হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. সিলিকা বালু 
  3. তেজস্ক্রিয় বালু 
  4. নুড়ি পাথর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বালু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা বালু 
ব্যাখ্যা

- কাচ শিল্পের প্রধান এবং মৌলিক খনিজ উপাদান হলো সিলিকা বালু (Silica Sand)। সাধারণত কাচের অধিকাংশ অংশই এই সিলিকা দিয়ে গঠিত। 

অধাতব খনিজ (Non-Metallic Minerals):

১। চুনাপাথর: 
- সিমেন্ট, গ্লাস, ইস্পাত, সাবান, কাগজ, ব্লিচিং পাউডার প্রভৃতি প্রস্তুত করার জন্য চুনাপাথরের প্রয়োজন হয়। এছাড়া গৃহনির্মাণে, ক্যালসিয়াম কার্বাইড ও রং তৈরি করতে চুনাপাথর ব্যবহৃত হয়। 

২। সিলিকা বালু: 
- এটি এক ধরনের বালু যা কাচ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, রং, অগ্নিচুল্লির ইষ্টক নির্মাণে এর দরকার হয়। 

৩। চীনামাটি: 
- বাসনপত্র, কাগজ, রাবার বস্তু, বৈদ্যুতিক ইনস্যুলেটর, স্যানিটারি জিনিসপত্র প্রভৃতি নির্মাণের জন্য চীনামাটি ব্যবহৃত হয়। 

৪। কঠিন শিলা: 
- মধ্যপাড়া কঠিন শিলা (গ্রানাইট) খনি প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-গর্দস্থ খনি। এই গ্রানাইট পাথর আধুনিক সুউচ্চ ভবন, সড়ক-মহাসড়ক, সেতু, কালভার্ট, নদী-শাসন, রেললাইন, ফ্লাইওভার ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 

৫। খনিজ বালু/ভারী মানিক: 
- এই খনিজ বালুর মধ্যে জিরকন, মোনাজাইট, রুটাইল, ইলমেটাইট এবং ম্যাগনেটাইট প্রধান। 

৬। পাথর বা কঠিন শিলা: 
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, গৃহনির্মাণ, নদীর বাঁধ তৈরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে কঠিন শিলার প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় কঠিন শিলা পাওয়া যায়। 

৭। নুড়ি পাথর: 
- নুড়ি পাথর প্রধানত রাস্তাঘাট, গৃহ, পুল, কালভার্ট, রেলপথ ইত্যাদি নির্মাণে প্রয়োজন হয়। সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ, পিয়ানগঞ্জ, পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়া; লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম প্রভৃতি স্থানে নুড়িপাথর পাওয়া যায়। 

৮। ইউরেনিয়াম আকরিক: 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে এ তেজস্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম নামক তেজস্ক্রিয় পদার্থ পাওয়া যায়। এছাড়া কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে তেজস্ক্রিয় বালু রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এক ভূ-বিজ্ঞানী কক্সবাজার উপকূলে এ তেজস্ক্রিয় বালুর অবস্থান আবিষ্কার করেন। 

৯। গন্ধক: 
- রাসায়নিক শিল্পে গন্ধকের ব্যবহার অধিক। সালফিউরিক এসিড, বারুদ, কীটনাশক প্রভৃতি তৈরি করতে এটি ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশে গন্ধকের উৎপাদন নেই বললেই চলে, কেবল কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া যায়। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

১,৩৮৪.
কোনটি ধাতব খনিজ পদার্থের উদাহরণ?
  1. জিপসাম (Gypsum)
  2. মাইকা (Mica)
  3. লোহা (Fe)
  4. কোয়ার্টজ (Quartz)
সঠিক উত্তর:
লোহা (Fe)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা (Fe)
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যেমন-
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
লোহা (Fe)
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
• জিপসাম (Gypsum), 
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৩৮৫.
এক্স-রে রশ্মি জীবন্ত কোষের উপর কী প্রভাব ফেলে? 
  1. উত্তেজিত করে
  2. বিকশিত করে
  3. রক্ষা করে
  4. ধ্বংস করে
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
এক্স-রে রশ্মির ধর্ম: 
- এক্স-রে রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্স-রে রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স-রে রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্স-রে রশ্মি জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স-রে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্স-রে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্স-রে রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এক্স-রে রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্স-রে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্স-রে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৬.
কয়লা থেকে উৎপন্ন সালফার কী ধরনের পরিবেশগত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. তাপমাত্রার পরিবর্তন
  2. ভূমি ধ্বংস
  3. এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি
  4. গ্রীনহাউস গ্যাসের সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- শক্তির উৎসগুলোর মধ্যে কয়লা সকলের নিকট পরিচিত। 
- কয়লা একটি জৈব পদার্থ। 
- প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও স্বাভাবিকভাবে গাছের পাতা বা কান্ড মাটির নিচে চাপা পড়ে এবং জমতে থাকে। মাটির নিচে পাতা ও কান্ড রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে কয়লায় রূপান্তরিত হয়। 
- কয়লা পোড়ালে তাপ পাওয়া যায়। 
- জ্বালানি ছাড়াও কয়লা থেকে অনেক প্রয়োজনীয় পদার্থ উৎপাদিত হয়। 
- এদের মধ্যে রয়েছে কোল গ্যাস, আলকাতরা, বেঞ্জিন, অ্যামোনিয়া, টলুয়িন প্রভৃতি। 
- রান্না করতে ও বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালাতে কয়লার ব্যবহার আছে। 
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার আছে। 
- কয়লা চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে নির্গত ধোঁয়ায় সালফারের থাকে। এই সালফার পানির সাথে বিক্রিয়া করে এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি করে। এই এসিড বৃষ্টি পুকুর, নদী ও খালে বিলে মাছ মেরে ফেলে, বন ধ্বংস করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৭.
ভরের আর্ন্তজাতিক একক কী?
  1. ক) পাউন্ড
  2. খ) আউন্স
  3. গ) লিটার
  4. ঘ) কিলোগ্র্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোগ্র্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোগ্র্রাম
ব্যাখ্যা
ভরের আন্তর্জাতিক (SI) একক কিলোগ্রাম। সময়ের আন্তর্জাতিক (SI) একক সেকেন্ড। দৈর্ঘ্যের আন্তর্জাতিক (SI) একক মিটার। Source: Britannica
১,৩৮৮.
মার্কারির প্রধান আকরিক কোনটি?
  1. গ্যালেনা
  2. কপার পাইরাইট
  3. বক্সাইট 
  4. সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
সিন্নাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্নাবার
ব্যাখ্যা

- মার্কারির প্রধান আকরিক হলো সিন্নাবার (Cinnabar), যার রাসায়নিক সংকেত হলো HgS । এই আকরিকটিকে বাতাসে গরম করে (রোস্টিং প্রক্রিয়ায়) মার্কারি বা পারদ নিষ্কাশন করা হয়।

আকরিক: 

- সকল খনিজ পদার্থ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতু আহরণ বা নিস্কাশন করা যায় না। 
- খনিতে প্রাপ্ত যে সকল যৌগিক পদার্থ থেকে ধাতু বা অধাতু লাভজনকভাবে নিস্কাশন করা যায় তাকে আকরিক বলে। 
- খনিতে আকরিকের সাথে বালি, পাথর, কাদামাটি ও অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় পদার্থ মিশ্রিত অবস্থায় অপদ্রব্য বা ভেজাল হিসেবে থাকে, এসকল অপদ্রব্যকে খনিজমল বলে। 
ধাতু ⇒ আকরিক: 
• মার্কারি ⇒ সিন্নাবার (HgS), 
• লেড ⇒ গ্যালেনা (PbS), 
• ক্যালসিয়াম ⇒ চুনাপাথর (CaCO3), 
• অ্যালুমিনিয়াম ⇒ বক্সাইট (Al2O3.2H2O), 
• জিংক ⇒ জিংক ব্লেন্ড (ZnS) ও ক্যালামাইন (ZnCO3), 
• কপার ⇒ কপার পাইরাইট (CuFeS2) ও চালকোসাইট (Cu2S) এবং 
• আয়রন ⇒ ম্যাগনেটাইট (Fe3O4), হেমাটাইট (Fe2O3) ও লিমোনাইট (Fe2O3.3H2O) । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৮৯.
অধাতব খনিজ পদার্থ কোনটি?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. সোনা
  3. বক্সাইট
  4. গন্ধক
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গন্ধক
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ (Mineral Resources): 
- মানুষ ভূগর্ভ ও ভূপৃষ্ঠ হতে যেসব বস্তু সংগ্রহ করে নিজের চাহিদা পূরণ করে তাকে খনিজ সম্পদ বলে। 
- ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, 'প্রকৃতিপ্রদ ও অজৈব কঠিন পদার্থ, যাদের মধ্যে কতিপয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি থাকে তাদেরকেই খনিজ পদার্থ বলে।' 
- কোনো কোনো খনিজ কেবল একটি মৌলিক উপাদানে গঠিত। 
যেমন- সোন, রূপা, হীরা ইত্যাদি। 
- কিন্তু বেশিরভাগ খনিজ দুই বা তার বেশি মৌলিক উপাদানের রাসায়নিক যৌগের ফলে বা সংমিশ্রণে গঠিত হয়।
- সাধারণত দু'ভাবে খনিজের শ্রেণিবিভাগ করা যায়।
যেমন- 
১। উৎপত্তি অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- কোন বস্তু থেকে খনিজের উদ্ভব ঘটেছে তার উপর ভিত্তি করে পৃথিবীর যাবতীয় খনিজ দ্রব্যকে দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) জৈব খনিজ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি। 
(খ) অজৈব খনিজ: লোহা, নিকেল, সীসা, ম্যাঙ্গানিজ, অভ্র, জিপসাম প্রভৃতি। 

২। প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে শ্রেণিবিভাগ: 
- প্রকৃতি বা উপাদান অনুসারে খনিজ দ্রব্যগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) ধাতব খনিজ (Metallic Mineral): 
- লৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- লৌহ আকরিক। 
- অলৌহ বর্গীয় ধাতব খনিজ, যথা- তামা, টিন, বক্সাইট, সোনা, রূপা, দস্তা ইত্যাদি। 
- লৌহ সঙ্কর ধাতব খনিজ, যথা- ম্যাঙ্গানিজ, নিকেল। 

(খ) অধাতব খনিজ (Nonmetallic Mineral): 
- রাসায়নিক খনিজ, যথা- গন্ধক, লবণ, পটাস, ডলোমাইট। 
- সড়ক ও গৃহনির্মাণের খনিজ, যথা- চুন, চুনাপাথর, মার্বেল। 
- অন্যান্য অধাতব খনিজ, যথা- অভ্র, চীনামাটি, গ্রাফাইট। 

(গ) জ্বালানি খনিজ (Fuel Mineral): 
- কঠিন, যথা- কয়লা। 
- তরল, যথা- খনিজ তেল। 
- গ্যাসীয়, যথা- প্রাকৃতিক গ্যাস। 
- পারমাণবিক, যথা- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
১,৩৯০.
হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত? 
  1. এক
  2. দুই
  3. শূন্য
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা শূন্য। 

আইসোেটাপ (Isotope): 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৯১.
তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা কেমন হবে? 
  1. বেশি হবে
  2. কম হবে
  3. অপরিবর্তনশীল থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেশি হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি হবে
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৯২.
নিচের কোন পদার্থটি উর্ধ্বপাতিত হয় না?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) ন্যাপথলিন
  4. ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
যে প্রক্রিয়ায় কোনাে কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্প এ পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। নিশাদল (NH4Cl), কপূর (C10H16O), ন্যাপথলিন(C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়ােডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) এই পদার্থগুলােকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলােকে উধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়। যেমন-কঠিন ন্যাপথলিনকে তাপ দিলে সেটি তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়।
সূত্র: নবম শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান।
১,৩৯৩.
ক্যালরি এককে গ্যাস ধ্রুবকের মান কত?
  1. 1.987 cal mol-1K-1
  2. 0.082 cal mol-1K-1
  3. 8.314 Jmol-1K-1
  4. 8.32×107 erg mol-1K-1
সঠিক উত্তর:
1.987 cal mol-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.987 cal mol-1K-1
ব্যাখ্যা
মোলার গ্যাস ধ্রুবক: 
- আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT এর ধ্রবক R কে সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক বা মোলার গ্যাস ধ্রবক বলে। 
কারণ, একই তাপমাত্রা ও চাপে এক মোল যেকোনো গ্যাসের মোলার আয়তন সমান হওয়ায় সব গ্যাসের বেলায় ঐ গ্যাস ধ্রুবকের মান একই হয়। 

গ্যাস ধ্রুবক R এর মান নির্ণয়: 

- ক্যালরি (calorie) এককে গ্যাস ধ্রুবক R এর মান: 1.987 cal mol-1K-1

অন্যদিকে, 
- লিটার অ্যাটমসফিয়ার চাপ এককে গ্যাস ধ্রুবক R এর মান: 0.082 L.atm.mol-1K-1
- এস. আই. (S. I) এককে গ্যাস ধ্রুবক R এর মান: 8.314 Jmol-1K-1
- সি. জি. এস (CGS) এককে গ্যাস ধ্রুবক R এর মান: 8.32×107 erg mol-1K-1

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১,৩৯৪.
পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের দ্রবণকে বলা হয়-
  1. ক) সোডা ওয়াটার
  2. খ) মিল্ক অব লাইম
  3. গ) ওয়াটার গ্যাস
  4. ঘ) মার্ক পারহাইড্রল
সঠিক উত্তর:
ক) সোডা ওয়াটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোডা ওয়াটার
ব্যাখ্যা

কোন পানিতে উচ্চচাপে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে দ্রবীভূত করলে যে দ্রবণ পাওয়া যায়, তাকে সোডা ওয়াটার বলে।
যেমন- সেভেন আপ, স্প্রাইট, কোকাকোলা ইত্যাদি পানীয়।

১,৩৯৫.
বস্তু নিজে আলো উৎপন্ন না করলে আমরা কীভাবে সেটি দেখি?
  1. আলো শোষণের মাধ্যমে
  2. আলো প্রতিফলনের মাধ্যমে
  3. আলো বিচ্ছুরণের মাধ্যমে
  4. আলো প্রতিসরণের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
আলো প্রতিফলনের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো প্রতিফলনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• বস্তু নিজে আলো উৎপন্ন না করলে, সেই বস্তুতে পতিত আলো প্রতিফলিত হয়ে চোখে প্রবেশ করে, ফলে আমরা বস্তুটি দেখতে পাই।

• আলোর চলাচল:
- আলো এক প্রকার শক্তি, যা সরলরেখায় চলে।
- আলো উৎস থেকে নির্গত হয়ে সোজা পথে অগ্রসর হয়।
- স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সাধারণত বাঁকা পথে চলে না।
- আলো চলার পথে কোনো অস্বচ্ছ বস্তু থাকলে ছায়া সৃষ্টি হয়, যা প্রমাণ করে যে আলো সরলরেখায় চলে।
- আলো চলার এই ধর্মকে আলোর সরলরৈখিক গতি বলা হয়।
 
• আমরা যেভাবে দেখি:
- কোনো বস্তুকে দেখতে হলে সেই বস্তু থেকে আলো আমাদের চোখে প্রবেশ করতে হয়।
- বস্তু নিজে আলো উৎপন্ন করতে পারে অথবা অন্য উৎস থেকে আলো প্রতিফলিত করে চোখে পাঠায়।
- আলো চোখে প্রবেশ করার পর আমরা বস্তুটি দেখতে পাই।
- আলো যদি চোখে প্রবেশ না করে, তবে বস্তু দেখা সম্ভব নয়।
- তাই দেখার জন্য আলো, বস্তু ও চোখ—তিনটির উপস্থিতি প্রয়োজন।

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

১,৩৯৬.
পৃথিবীর কেন্দ্রে মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের মান কত?
  1. 9.8 m/s2
  2. 0 m/s2
  3. 1.6 m/s2
  4. - 9.8 m/s2
সঠিক উত্তর:
0 m/s2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 m/s2
ব্যাখ্যা

- কোনো বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষিত হয় তাকে তার ওজন বলে।
- আমরা জানি, W = mg
- এখানে, g= অভিকর্ষজ ত্বরণ যার মান 9.8 ms- 2, m = বস্তুর ভর।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ। ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে।
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম।
- মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,৩৯৭.
দিনের গড় তাপমাত্রা 86°F হলে সেন্টিগ্রেড স্কেলে তা কত ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড হবে?
  1. 30°
  2. 25°
  3. 35°
  4. 36°
সঠিক উত্তর:
30°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দিনের গড় তাপমাত্রা 86°F হলে সেন্টিগ্রেড স্কেলে তা কত ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড হবে?

সমাধান:
ফারেনহাইট স্কেল থেকে সেন্টিগ্রেড স্কেলে তাপমাত্রা রূপান্তরের সূত্র: 
C = (F - 32) × 5/9
এখানে, F = 86
C = (86 - 32) × 5/9
C = 54 × 5/9
C = 270/9
C = 30

সুতরাং, 86°F তাপমাত্রা সেন্টিগ্রেড স্কেলে 30°C হবে।

১,৩৯৮.
উচ্চ মাত্রা বেগ সম্পন্ন তেজ কণিকার প্রবাহ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) আলো
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) আগুন
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলো
ব্যাখ্যা
প্রাচীন ভারতীয় তত্ত্ব:
- খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ থেকে পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যে প্রাচীন ভারতীয় সাংখ্য দর্শনে পাওয়া যায়- বিশ্ব গঠনের পাঁচটি মৌলিক উপাদানের একটি আলো।
- বৈশাশি দর্শনে পাওয়া যায় ভৌত জগতের পারমাণবিক অবস্থার মূল উপাদান ৪টি হলো ক্ষিতি (পৃথিবী), অপ (পানি), তেজ (আগুন) এবং মরুৎ (বায়ু)।
- আলো হলো উচ্চ মাত্রা বেগ সম্পন্ন তেজ কণিকার প্রবাহ
- বেগের বিভিন্নতার জন্য আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য বা বর্ণ প্রতীয়মান হয়।
- খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীর বিষ্ণু পুরাণে সূর্যের আলোর সাত প্রকার বর্ণের রশ্মির উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ঋগ্ বেদে উল্লেখ আছে আলোর মৌলিক বর্ণ ৩টি এদের মিশ্রণে সকল বস্তু দৃশ্যমান হয়। 
- ভারতীয় বৌদ্ধ গ্রন্থ দ্বিগঙ্গায় খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতকে এবং খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকে ধর্মকীর্তিতে আলোকে শক্তির সমতুল্য আণবিক সত্তা হিসাবে উল্লেখ করা হয় যা আধুনিক ফোটনের ধারণার অনুরূপ।
- তাদের মতে সকল বস্তুই আলো ও শক্তির কণা দিয়ে গঠিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৯৯.
রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম-
  1. গামা রশ্মি
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. অবলোহিত বিকিরণ
  4. আলোক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোওয়েভ রাডারে ব্যবহৃত হয়। 
- রাডার যন্ত্রে, নৌ ও বিমান চালনায়, রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থায়, শিল্প কারখানায় মাইক্রোওয়েভ ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া খাবার গরম করা ও রান্নার কাজে মাইক্রোওভেন ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে ৩০০MHz থেকে ৩০০GHz.
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।
- মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দু' ধরনের হতে পারে। যথা : টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ (Terrestrial Microwave) ও স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ (Satellite Microwave) 

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০০.
নিচের কোনটি বহুরূপী মৌল নয়?
  1. সোডিয়াম
  2. কার্বন
  3. গন্ধক
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
যদি কোন মৌল ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকৃতিতে থাকতে পারে তার এ ধর্মকে বহুরূপতা বলে।

কার্বনের রূপভেদ:
কার্বন একটি বহুরূপী মৌল। এর অনেক রূপভেদ আছে। কার্বনের রূপভেদকে দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যথা- স্ফটিকাকার বা দানাদার এবং অদানাদার।

- স্ফটিকার কার্বনের রূপভেদ হচ্ছে ডায়মন্ড ও গ্রাফাইট। 
- অদানাদার কার্বন প্রকৃতিতে নানা রূপে থাকে। যেমন: কাঠ কয়লা, প্রাণিজ কয়লা, ভুসা কয়লা, কোক কার্বন, কয়লা, গ্যাস কার্বন। 

সালফারের বহুরূপতা: প্রকৃতিতে সালফারের অনেকগুলো রূপভেদ আছে।
যেমন: দানাদার, অদানাদার এবং তরল সালফার।
- দানাদার সালফারের দুটি রূপভেদ আছে- রম্বিক বা আলফা সালফার এবং মনোক্লিনিক বা বিটা সালফার।
- অদানাদার সালফারের দুটি বহুরূপতা হচ্ছে- প্লাস্টিক বা নমনীয় বা গামা সালফার এবং দুগ্ধ বা ডেল্টা সালফার।
- তরল সালফারের রূপভেদ হচ্ছে - ল্যামডা সালফার এবং মিউ সালফার।
- এছাড়াও সালফারের আরেকটি বহুরূপতা হচ্ছে কোলয়ডাল সালফার।

অক্সিজেনের বহুরূপতা: প্রকৃতিতে অক্সিজেনের দুইটি বহুরূপতা বিদ্যমান আছে।
- যার একটি হচ্ছে ডাই অক্সিজেন বা অক্সিজেন নামে পরিচিত। এর সংকেত O₂। অপরটি হচ্ছে ট্রাই অক্সিজেন যা ওজন নামে পরিচিত। এর সংকেত O₃।

ফসফরাসের বহুরূপতা: প্রকৃতিতে ফসফরাসের দুটি বহুরূপতা আছে।
- একটি হল শ্বেত ফসফরাস এবং অপরটি হচ্ছে লোহিত ফসফরাস।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একদশ-দ্বাদশ শ্রেণি