বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৫ / ৬৪ · ১,৪০১১,৫০০ / ৬,৪০৯

১,৪০১.
এক্স-রশ্মির আবিষ্কারক-
  1. আইনস্টাইন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. উইলহেম রন্টজেন
  4. ম্যাক্স প্লাংক
সঠিক উত্তর:
উইলহেম রন্টজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলহেম রন্টজেন
ব্যাখ্যা
এক্সরে বা এক্স-রশ্মি:
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

⇒ এক্সরের ধর্ম:
• এক্সরে সরল পথে গমন করে।
• এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
• এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
• এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
• এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
• আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
• এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
• এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
• এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই ।
• এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
• এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
• এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
• এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০২.
বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) ০ m/s
  2. খ) ২৮০ m/s
  3. গ) ৩৩২ m/s
  4. ঘ) ১১২০ m/s
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩২ m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৩২ m/s
ব্যাখ্যা
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি যা ৫২২১ মি./সে,
- বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম যা ৩৩২ মি./সে।
- তরল মাধ্যমে শব্দের বেগ ১৪৫০ মি./সে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (১ম পত্র) বোর্ড বই।
১,৪০৩.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর। মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ক) ১৫০
  2. খ) ৩০০
  3. গ) ৪০০
  4. ঘ) ৪৫০
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর। মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?

সমাধান: 
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ; λ = ক্ষয়ধ্রুবক 

200 = 0.693/λ
⇒ λ = 0.693/200 
= 0.003465

মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 75)%
= 25%

তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র: 
N = N0e-tλ
⇒ N/N0 = e-tλ
⇒ e-tλ = 25% = 1/4
⇒ ln(e-tλ) = ln(1/4)
⇒ -tλ = -1.39
⇒ t = 1.39 / 0.003465
∴ t = 401.15 দিন 

গ অপশনটি কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হলো। 
১,৪০৪.
ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করতে কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. নিয়ন
  2. রেডন
  3. আর্গন
  4. জেনন
সঠিক উত্তর:
রেডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহের ব্যবহার: 

হিলিয়াম: 
১। অত্যন্ত হালকা এবং অদাহ্য গ্যাস হওয়ায় পর্যবেক্ষণ বেলুন এবং উড়োজাহাজে হিলিয়াম গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
২। রক্তে নাইট্রোজেনের তুলনায় হিলিয়াম কম দ্রবীভূত হয়। এজন্য গভীর সমুদ্রে ডুবুরিরা বাতাসের পরিবর্তে অক্সিজেন এবং হিলিয়াম গ্যাসের মিশ্রণ শ্বাসকার্যের জন্য ব্যবহার করেন। যদি বাতাস ব্যবহার করা হয় তাহলে সমুদ্রের গভীরে উচ্চ চাপে রক্তের মধ্যে নাইট্রোজেন দ্রবীভূত হয় এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে উঠে আসার সাথে সাথে রক্ত থেকে নাইট্রোজেন গ্যাস বুদবুদ আকারে বের হয়ে আসে যা প্রচন্ড ব্যথার সৃষ্টি করে। 
৩। যেসব ধাতু সহজে জারিত হয় সেগুলি গলানো এবং ঝালাই করার জন্য হিলিয়াম গ্যাসের নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া সৃষ্টি করা হয়। 
৪। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতিতে যেখানে অতি নিম্ন তাপমাত্রার প্রয়োজন হয় সেখানে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 

নিয়ন: 
১। রঙ্গীন বাতি এবং বিজ্ঞাপনের আলোর জন্য নিয়ন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। নিম্ন চাপে নিয়ন গ্যাসের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালালে গ্যাসটি জ্বলে ওঠে এবং উজ্জ্বল লাল আলো দেয়। এ আলো ঘন কুয়াশার মধ্যেও দেখা যায়। এ জন্য উড়োজাহাজকে উঁচু পর্বত থেকে সতর্ক করার জন্য গিরিচূড়ায় নিয়ন আলোর সংকেত দেখানো হয়। আবার আকাশে উড়ন্ত একটি উজোজাহাজকে দূর থেকে অন্য আর একটি উড়োজাহাজ যাতে দেখতে পায়, সেজন্য উড়োজাহাজেও নিয়ন আলোর সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
২। নিয়ন গ্যাসের সাথে আর্গন এবং পারদ বাষ্প মিশিয়ে নিয়ন আলোর রং পরিবর্তন করা যায়। এজন্য বিভিন্ন রং এর বাতি এবং ফ্লোরোসেন্ট টিউবে নিয়ন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। আজকাল বিজ্ঞাপনের কাজে এরূপ আলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
৩। টেলিভিশন সেট এবং রেডিও ফটোগ্রাফীতে নিয়ন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

আর্গন: 
১। বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। 
২। রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
৩। ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল অ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

ক্রিপটন: 
১। বৈদ্যুতিক আলোর টিউবে নিয়নের সাথে ক্রিপটন গ্যাস মিশ্রিত করে নীল আলো সৃষ্টি করা হয়। 
২। সিনেমাটোগ্রাফীতে অতি উজ্জ্বল আলো সৃষ্টি করার জন্য ক্রিপটন ফ্লাস ব্যবহার করা হয়। 
৩। মহাজাগতিক রশ্মি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত আয়নীকরণ চেম্বার যন্ত্রে ক্রিপটন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

জেনন: 
১। ইলেকট্রোনিক টিউব লাইটে সবুজ আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন ব্যবহার করা হয়। 
২। ফটোগ্রাফিক ফ্লাসটিউবে অতি উজ্জ্বল আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

রেডন: 
- রেডন একটি তেজস্ক্রিয় মৌল যা আলফা কণা বিচ্ছুরণ করে। 
- ক্যান্সার চিকিৎসায় রেডিওথেরাপি দেওয়ার জন্য রেডন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৫.
একই পদার্থের বিভিন্ন অণুর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে কী বলে?
  1. ক) সংসক্তি বল
  2. খ) আসঞ্জন বল 
  3. গ) আন্ত:আণবিক শক্তি 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ক) সংসক্তি বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংসক্তি বল
ব্যাখ্যা

একই পদার্থের বিভিন্ন অণুর মধ্যে পারস্পরিক এ আকর্ষণ বলকে সংসক্তি বল বলে। 
যেমন - ইস্পাতের বিভিন্ন অণুর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল।

একটি পদার্থকে অন্য একটি পদার্থের সংস্পর্শে রাখলে পদার্থ দুটির অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল অনুভূত হয়। বিভিন্ন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে আসঞ্জন বল (Adhesive Force) বলে।

আন্তঃআণবিক বল হচ্ছে দুটি অণুগুলোর মধ্যকার আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল, যা পরমাণুর মত অন্য কণার (আয়ন) মধ্যেও বিরাজ করে। আন্তঃআণবিক বল, অন্তঃআণবিক বল (যে বল মৌলের পরমাণুগুলোকে একত্রে ধরে রাখে) অপেক্ষা দুর্বল প্রকৃতির। যেমনঃ সমযোজী বন্ধন, যেখানে দুটি পরমাণু ইলেকট্রন যুগল শেয়ার করে তা আন্তঃআণবিক বল অপেক্ষা বেশি শক্তিশালী।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, শাজাহান তপন।

১,৪০৬.
দৃশ্যমান বর্ণালিতে সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য কোন রঙের?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. বেগুনি
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
ব্যাখ্যা

• বেগুনি (Violet) 380-424 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি (বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি।

• দৃশ্যমান আলো:
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 380-780mm।
- মৌলিক রং ৩টি-লাল, সবুজ, আসমানী।
- লাল আলোতে সবুজ বস্তুকে কালো দেখায়।
- নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল নীল দেখায়।

• বেগুনি (Violet) 380-424 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি (বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি,
• নীল (Indigo) 424-450 nm - নীল আলোর বিক্ষেপণের কারনে আকাশ নীল দেখায়,
• আসমানী (Blue) 450-500 nm,
• সবুজ (Green) 500-575 nm,
• হলুদ (Yellow) 575-590 nm - মধ্য রশ্মি বলা হয়,
• কমলা (Orange) 590-647 nm এবং 
• লাল (Red) 647-780 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি, বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪০৭.
আয়োডিন দ্রবণ ব্যবহার করে খাদ্যের কোন উপাদানটি নির্ণয় করা যায়?
  1. ক) শর্করা
  2. খ) আমিষ
  3. গ) স্নেহ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
ব্যাখ্যা
- আয়োডিন দ্রবণ ব্যবহার করে কোনো খাদ্যে শর্করা আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।
- শর্করা আয়োডিন দ্রবণের রঙ পরিবর্তন করে।
- স্বাদ ও গুণাগুণ বিচার করে খাদ্যকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। প্রোটিন বা আমিষ ,শর্করা ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য।
- এ তিন প্রকার খাদ্য আমাদের দেহ গঠন, ক্ষয়পূরুণ, বৃদ্ধিসাধন ও শক্তি যোগায়।
- ভিটামিন হলো খাদ্যের আরেকটি উপাদান যা কিনা দেহের রোগমুক্ত ও সবল রাখার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।

সূত্র:  ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।
১,৪০৮.
কোন রঙের কাপে চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়?
  1. লাল
  2. বেগুনি
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
• পদার্থের তাপশোষণ ক্ষমতা:
- কালো রঙের কাপে চা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়।

- কারণ কালো রং তাপ শোষণ করতে পারে।
- তাপ সব সময় উচ্চ তাপীয় অবস্থা থেকে নিম্ন তাপীয় অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়।
- এক্ষেত্রে চা এর কালো কাপটি হচ্ছে নিম্ন তাপীয় অবস্থা তাই তা দ্রুত তাপ শোষণ করে নেবে এবং চা তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যাবে।
- সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৯.
ট্রায়োড আবিষ্কার করেন কে?
  1. জে এস কেলবি
  2. আবাকাস
  3. লি ডি ফরেস্ট
  4. জোসেফ বাটলার
সঠিক উত্তর:
লি ডি ফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লি ডি ফরেস্ট
ব্যাখ্যা

- ট্রায়োড এক ধরনের ইলেকট্রনিক বিবর্ধক যার তিনটি ইলেকট্রোড (cathode filament, anode plate এবং control grid) থাকে।
- সাধারণত ট্রায়োড বলতে ভ্যাকুয়াম টিউব ইলেকট্রোডকেই বোঝায়।
- ডায়োড নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ১৯০৬ সালের ২০ অক্টোবর লি ডি ফরেস্ট ট্রায়োড আবিষ্কার করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৪১০.
'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক -
  1. Jamal Nazrul Islam
  2. George Lemaitre
  3. Kepler
  4. Stephen Hawking
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
• 'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী Stephen Hawking. এই বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মহাবিশ্বের গঠন, সময়ের প্রকৃতি, কৃষ্ণগহ্বর (black holes), বিগ ব্যাং (Big Bang), আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মতো জটিল ধারণাগুলো সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে। স্টিফেন হকিং বইটিতে মূলত মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি বিজ্ঞানের জনপ্রিয়ীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। এই গ্রন্থই তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে বিজ্ঞানী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।

তাঁর রচিত বইসমূহ-
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design, ইত্যাদি।

- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- পৃথিবীর মানুষের কাছে “The Scientist on a Wheelchair” হিসেবে পরিচিত।
- স্টিফেন হকিং এর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- ‘Theory of Everything.’

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৪১১.
সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
  2. এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
  3. এটি সরল রৈখিক গতি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি অপর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন: 
- যদি পর্যাবৃত্ত গতিসম্পন্ন বস্তু বা কণার গতি সরল রৈখিক হয় এবং এর ত্বরণ সাম্য অবস্থান থেকে এর সরণের সমানুপাতিক হয় এবং এর দিক সব সময় সাম্য অবস্থান অভিমুখী হয়, তা হলে বস্তু কণার ঐ গতিকে সরল ছন্দিত গতি বা সরল ছন্দিত স্পন্দন বলে। 
- কোন স্প্রিং এর এক প্রান্ত দৃঢ় কোন অবস্থানে বেঁধে অন্য প্রান্তে একটি ভারী বস্তু ঝুলিয়ে টেনে ছেড়ে দিলে তার উপর-নিচের গতি, তারের বাদ্যযন্ত্র- যেমন গিটারের তার টেনে ছেড়ে দিলে তার গতি, পেন্ডুলামের গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের গতি ইত্যাদি সরল ছন্দিত গতির উদাহরণ। 

সরল ছন্দিত গতির বৈশিষ্ট্য: 
১. এটি পর্যাবৃত্ত গতি
২. এটি একটি সরল স্পন্দন গতি
৩. এটি সরল রৈখিক গতি
৪. যে কোন সময় ত্বরণের মান সাম্যাবস্থান থেকে সরণের মানের সমানুপাতিক, 
৫. ত্বরণ সর্বদা একটি নির্দিষ্ট বিন্দু অভিমুখী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১২.
ফোটন কণার নিশ্চল ভর কত?
  1. 0
  2. 3 × 108 kg
  3. 3 × 10-9 kg
  4. 3 × 10-19 kg
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা
• ফোটন:
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
- প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ।
- শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে চলাচল করে।
-  প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। 
- নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৩.
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মৌলিক রাশির কতটি একক আছে? 
  1. ৮ 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

রাশি এবং তাদের পরিমাপ: 
- প্রকৃত বিজ্ঞানে সবকিছুরই পরিমাপ করতে হয়; বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পরিমাপ করে সব কিছুকে নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করা। 
- এই জগতে যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলে, এই ভৌতজগতে অসংখ্য বিষয় রয়েছে যা পরিমাপ করা সম্ভব। 
যেমন- কোনো কিছুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, আয়তন, ওজন, তাপমাত্রা, রং, কাঠিন্য, তার অবস্থান, বেগ, তার ভেতরকার উপাদান, বিদ্যুৎ পরিবাহিতা, অপরিবাহিতা, স্থিতিস্থাপকতা, তাপ পরিবাহিতা, অপরিবাহিতা, ঘনত্ব, আপেক্ষিক তাপ, চাপ গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক ইত্যাদি।
অর্থাৎ, ভৌতজগতে রাশিমালার কোনো শেষ নেই। 
- এই অসংখ্য রাশিমালা পরিমাপ করার জন্য অসংখ্য রাশির সংজ্ঞা আর অসংখ্য একক তৈরি করে রাখতে হবে বিষয়টি এমন নয়; শুধুমাত্র সাতটি রাশির সাতটি একক ব্যবহার করে অন্য সব একক বের করে করা যায়। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সাতটি রাশির সাতটি একক ব্যবহার করে অন্য সব একক বের করে করা যায় সে সব রাশিকে বলে মৌলিক রাশি। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ এবং দীপন তীব্রতা। 
- এই সাতটি মৌলিক রাশি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, এই সাতটি একককে বলে এস.আই (S.I) একক। 

লব্ধ রাশি: 
- এই সাতটি মৌলিক রাশি ব্যবহার করে যখন অন্য কোনো রাশি প্রকাশ করা হয়, তখন তালে বলে লব্ধ রাশি। 
যেমন- কাজ, ক্ষমতা, বল, বেগ, ত্বরণ, ঘনত্ব ইত্যাদি হচ্ছে লব্ধ রাশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪১৪.
কোন পদার্থটিকে তাপ দিলে কঠিন পদার্থ থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়?
  1. ক) ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. গ) নিশাদল
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
গ) নিশাদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিশাদল
ব্যাখ্যা

যে প্রক্রিয়ায় কোনাে কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
নিশাদল (NH4Cl), কপূর (C10H16O), ন্যাপথলিন(C6H6), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়ােডিন (I), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) - এই পদার্থগুলােকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলাে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলােকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ বলা হয়।
কঠিন ন্যাপথলিনকে তাপ দিলে সেটি তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয়।

১,৪১৫.
ধাতব পদার্থে মরিচা পড়া রোধ করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. তামা
  2. সীসা
  3. লোহা
  4. টিন
সঠিক উত্তর:
টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

গ্যালভানাইজিং: 

- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,৪১৬.
ভাঙ্গা হাড় শনাক্ত করার জন্য কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গামা
  2. খ) রঞ্জন
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) আলফা
সঠিক উত্তর:
খ) রঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রঞ্জন
ব্যাখ্যা
রঞ্জন রশ্মি:

- তীব্র গতিবেগ সম্পন্ন ইলেকট্রন উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট কোনো কঠিন বস্তুকে আঘাত করলে উচ্চ ভেদন শক্তির এবং ক্ষুদ্রতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের যে অদৃশ্য তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ কঠিন বস্তু থেকে নির্গত হয়, তাকে এক্স রশ্মি বলে।
- এক্স-রে অথবা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়।
- এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য।
- এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪১৭.
সিলিকনের সাথে কোন পদার্থ যোগ করলে p-টাইপ অর্ধপরবাহী তৈরি হয়?
  1. ফসফরাস
  2. বোরন
  3. হাইড্রোজেন
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা
• p- টাইপ অর্ধপরিবাহক:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
- যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।

• n- টাইপ অর্ধপরিবাহক:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
- যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪১৮.
পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর - 
  1. বিচ্ছুরণ
  2. প্রতিফলন
  3. প্রতিসরণ
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ: 
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে বাঁকাভাবে আপতিত হয় তবে মাধ্যম দুটির বিভেদতলে এর গতিপথের দিক পাল্টে যায়। একে প্রতিসরণ বলে। 
আলোর প্রতিসরণের ফলে - 
১) পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়। 
২) একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়। 
৩) পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়। 
৪) খাঁড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়। 
৫) পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪১৯.
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ কোনটি? 
  1. 45 Hz
  2. 40 Hz
  3. 04 Hz
  4. 45000 Hz
সঠিক উত্তর:
04 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
04 Hz
ব্যাখ্যা
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ - 04 Hz. 

শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। 
- অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। 
- মানুষ ভেদে এর তারতম্য আছে। 
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২০.
কোনটি অদিক রাশির উদাহরণ? 
  1. সরণ
  2. ত্বরণ
  3. তাপমাত্রা
  4. ওজন
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
ভেক্টর: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি, 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২১.
কোণটির আণবিক ভর ৩২?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২, হিলিয়ামের আণবিক ভর ৪, নাইট্রোজেনের আণবিক ভর ২৮, অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১,৪২২.
'নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য' এই কথা কে প্রমাণ করেন?
  1. ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
  2. ওটো হান ও আইনস্টাইন
  3. আইনস্টাইন ও স্ট্রেসম্যান
  4. স্ট্রেসম্যান ও সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সঠিক উত্তর:
ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
ব্যাখ্যা
ভৌত বিজ্ঞানের অবদান: 
- বিংশ শতাব্দিীতে পদার্থবিজ্ঞানে আরো নতুন নতুন আবিষ্কার যুক্ত হয়। 
- ম্যাক্স প্ল্যাংক বিকিরণ সম্পর্কীত কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদান করেন। এছাড়া তিনি বিখ্যাত ভর-শক্তির সূত্র (E=mc2) আবিষ্কার করেন। 
- ১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড পরমাণু বিষয়ক নিউক্লিয় তত্ত্ব এবং নীলস্ বোর হাইড্রোজেন পরমাণু ইলেকট্রন স্তরের ধারণা প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে আরো উন্নতি সাধিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। 
অর্থাৎ, ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল। এজন্য বর্তমান আধুনিক বিশ্ব নিউক্লিয় শক্তিকে শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে। 
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার তত্ত্ব বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব নামে পরিচিত। তার নামানুসারে বিশেষ এক শ্রেণির মৌলিক কণার নামকরণ করা হয়েছে 'বোসন' নামে। 
- ভারতীয় নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেংকটারমন রমন প্রভাব আবিষ্কার করেন। 
- এছাড়া পাকিস্তানী বিজ্ঞানী আব্দুস সালাম তাড়িতচুম্বক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বলের অভিন্নতা প্রদান করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৩.
নিম্নের কোনটি ধাতুর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. উজ্জ্বলতা
  2. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করা 
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা
  4. ঘনত্ব কম হওয়া 
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম হওয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম হওয়া 
ব্যাখ্যা

ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪২৪.
পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে - 
  1. নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে।
  2. নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
  3. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
  4. প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান।
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। 
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪২৫.
STP তে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0° C 
  2. 25° C 
  3. 373° K 
  4. 100° C 
সঠিক উত্তর:
0° C 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C 
ব্যাখ্যা

SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- SATP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- STP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪২৬.
একটি নীল কাচকে উত্তপ্ত করলে এর থেকে কোন রঙ বের হবে?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা
• একটি নীল কাচকে উত্তপ্ত করলে এর থেকে বের হবে হলুদ রং।
- যখন কোনো নীল কাঁচকে উত্তপ্ত করা হয় তখন সেই কাচ আগুনের অবলোহিত রশ্মির সাথে বিক্রিয়া করে হলুদ রং তৈরি করে।
- যার ফলে উৎপন্ন হলুদ রং নির্গত হয়।
১,৪২৭.
কোনটি অফুরন্ত নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. ক) মাটি
  2. খ) পানি
  3. গ) খাদ্য
  4. ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
ব্যাখ্যা


উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,৪২৮.
বিপরীতধর্মী আহিত দুটি বস্তুর মধ্যে কী ধরণের তড়িৎ বল কাজ করে?
  1. মাধ্যাকর্ষণ
  2. বিকর্ষণ
  3. আকর্ষণ
  4. চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বল: 
- একটি আহিত স্থির বস্তুর নিকট অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে বস্তু দু'টির মধ্যে একটি বল কাজ করবে, আহিত বস্তু দু'টি যদি সমধর্মী আধান অর্থাৎ দু'টি বস্তুই ধনাত্মক বা দু'টি বস্তুই ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে বিকর্ষণ বল কাজ করবে, আবার আহিত বস্তু দু'টি বিপরীতধর্মী অর্থাৎ একটি বস্তু ধনাত্মক আধানে এবং অপর বস্তু ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করবে, এ বিকর্ষণ বা আকর্ষণ বলকে তড়িৎ বল বলে। 
- দু'টি আধানের মধ্যবর্তী এ আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে- 
১. আধান দু'টির পরিমাণের উপর, 
২. আধান দু'টির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর, 
৩. আধান দু'টি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৯.
মোবাইল ফোনে যোগাযোগের জন্য কোন ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়?
  1. দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. মাইক্রোওয়েভ
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

◉ মোবাইল ফোন যোগাযোগ সাধারণত মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে (প্রায় 800 MHz থেকে 2.6 GHz) পরিচালিত হয়। এই তরঙ্গগুলো দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণে উপযোগী এবং অ্যান্টেনা দ্বারা সহজে প্রেরণযোগ্য।

মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় 1 গিগা বা তার চেয়ে বেশিবার কম্পন বিশিষ্ট।
- মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডাটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডাটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি অনেক দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব।
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে 300MHz থেকে 30GHz.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

১,৪৩০.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক্যালকুলেটর
  2. টেলিভিশন
  3. রেডিও
  4. টেপ রেকর্ডার
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
ব্যাখ্যা
• ক্যালকুলেটর ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি:
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলা হয়।
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. এনালগ পদ্ধতি:
- এনালগ সংকেত হলো অবিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এনালগ সংকেত অনেকটা শব্দ তরঙ্গের মত সময়ের সাথে সাথে অবিচ্ছিন্ন ভাবে মান বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ মানে পৌঁছিয়ে আবার অবিচ্ছিন্ন ভাবে কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছায়। এই সংকেতকে সাইন তরঙ্গের (sine wave) সাথে তুলনা করা যায়।
- এনালগ পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল (analogue) সংকেতের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- তাপমাত্রা, চাপ, প্রবাহ হলো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কয়েকটি এনালগ সংকেতের উদাহরণ। এসব সংকেতকে ভোল্টেজে রূপান্তরিত করলে যে ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাই হলো এনালগ সংকেতের।
- এ ধরণের প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিবর্ধক, ফিল্টার প্রভৃতি এনালগ বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, টিভি ইত্যাদি এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

২. ডিজিটাল পদ্ধতি:
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়।
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়।
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ।

৩. মিশ্র পদ্ধতি:
- এনালগ ও ডিজিটাল বর্তনীর সংমিশ্রণে তৈরি পদ্ধতিকে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলে।
- শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- চাপ, তাপমাত্রা, রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, তরল পদার্থের স্তর ইত্যাদি ক্রম-পরিবর্তনশীল বিষয় সংগৃহীত উপাত্ত এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি গ্রহণ করে।
- এই উপাত্তগুলিকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে যথা যোগ্য সংখ্যা ও সংকেতে রূপান্তর করে পাঠ নেয়া হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩১.
পৃথিবীর বাইরে কোথায় প্লাজমার আধিক্য দেখা যায়? 
  1. পাহাড়ের চূড়ায়
  2. ভূগর্ভস্থ স্থানে
  3. সমুদ্রের গভীরে
  4. মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
ব্যাখ্যা
প্লাজমা: 
- পদার্থের কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি অবস্থা হচ্ছে 'প্লাজমা'। 
- এটিও পদার্থের চতুর্থ একটি অবস্থা। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- এ অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 
- শিল্প কারখানায় প্লাজমা টর্চ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩২.
নিচের কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. ফেনল
  2. অ্যামোনিয়া
  3. বেনজিন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত হাইড্রোকার্বন এবং হাইড্রোকার্বন থেকে উদ্ভূত যৌগসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
অ্যামিনো এসিড, ফেনল, বেনজিন ইত্যাদি হলো জৈব যৌগ।

- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
অ্যামোনিয়া, কার্বনিক এসিড, ভারী পানি ইত্যাদি সবই অজৈব যৌগ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪৩৩.
কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. সবুজ
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

• লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম।

• দৃশ্যমান আলো:
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 380-780nm।
- মৌলিক রং ৩টি-লাল, সবুজ, আসমানী।
- লাল আলোতে সবুজ বস্তুকে কালো দেখায়।
- নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল নীল দেখায়।

• বেগুনি (Violet) 380-424 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি (বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি,
• নীল (Indigo) 424-450 nm - নীল আলোর বিক্ষেপণের কারনে আকাশ নীল দেখায়,
• আসমানী (Blue) 450-500 nm,
• সবুজ (Green) 500-575 nm,
• হলুদ (Yellow) 575-590 nm - মধ্য রশ্মি বলা হয়,
• কমলা (Orange) 590-647 nm এবং 
লাল (Red) 647-780 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি, বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৪৩৪.
ট্রান্সফরমার কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন করা
  2. ব্যাটারির চার্জ সংরক্ষণ করা
  3. এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
  4. ডিসি (DC) ভোল্টেজ পরিবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 
- প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু বৈদ্যুতিক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটা পরিমাপ করা হয় VI (ভোল্টেজ × কারেন্ট) দিয়ে, একটা ট্রান্সফরমারে প্রাইমারিতে যে পরিমাণ VI প্রয়োগ করা হয়, সেকেন্ডারি কয়েল থেকে ঠিক সেই পরিমাণ VI ফেরত পাওয়া যায়। কাজেই সেকেন্ডারিতে যদি ভোল্টেজ দশ গুণ বাড়িয়ে নেয়া যায় তাহলে সেখানে বিদ্যুৎও দশ গুণ কমে যাবে। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৩৫.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
  2. খ) চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বেড়ে যায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে
  3. গ) বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরকে ঘনীভবন বলে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
ব্যাখ্যা
১. তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। যেমনঃ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটবে, চিনির পানি সে তাপমাত্রায় ফুটবে না। তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফুটবে।
২. চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বেড়ে যায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে। স্বাভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
৩. বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরকে ঘনীভবন বা তরলীকরণ (Liquification) বলে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৩৬.
'আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' ব্যবহার করা হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ক) এন্ডোস্কপি
  2. খ) আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  3. গ) ইকোকার্ডিওগ্রাফি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক রেসোন্যান্স ইমেজিং
সঠিক উত্তর:
ক) এন্ডোস্কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এন্ডোস্কপি
ব্যাখ্যা
এন্ডোসকোপি এন্ডোসকোপি বলতে সাধারণভাবে কোনো কিছুর ভিতরে দেখাকে বুঝায়। 
কিন্তু এন্ডোসকপি বলতে আমরা বুঝি চিকিৎসাজনিত কারণে বা প্রয়োজনে দেহের অভ্যন্তরস্থ কোনো অঙ্গ বা গহ্বরকে বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ। 
এন্ডোসকোপ যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি । 
 
এন্ডোসকোপ যন্ত্রে দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়। 
আলোক তন্তুর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে।
এই আলো রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে।
দ্বিতীয় আলোক তন্ত্র নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে। প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে। ফলে চিকিৎসক পরীক্ষনীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে তা দেখতে পারেন ।
 
উৎস : পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৩৭.
জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে গঠিত চুড়ান্ত বিম্ব কেমন হয়?
  1. উলটো ও খর্বিত
  2. সোজা ও বিবর্ধিত
  3. উলটো ও বিবর্ধিত
  4. সোজা ও খর্বিত
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
ব্যাখ্যা
• জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্র (Microscope) সাধারণত দুইটি প্রধান লেন্স দিয়ে তৈরি হয়:

- অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens)
- অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece / Ocular lens)
- দুটি লেন্স ব্যবহারের ফলে চূড়ান্তভাবে যে বিম্ব দেখা যায় তা হয়:উলটো (inverted) ও বিবর্ধিত (magnified)
এই দুইটি লেন্স মিলে একটি ক্ষুদ্র বস্তুকে অনেক বড় এবং বিশদভাবে দেখায়। 


• অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens):
- বস্তুটির খুব কাছাকাছি রাখা হয়।
- এটি একটি বাস্তব, উলটো ও বিবর্ধিত বিম্ব তৈরি করে।
- এই বিম্বটি চোখের লেন্সের সামনের দিকে (যেখান থেকে আমরা দেখি) অবস্থান করে।

• অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece):
- এটি অভিলক্ষ লেন্সের গঠিত বিম্বটিকে আবার বিবর্ধিত ভার্চুয়াল বিম্ব হিসেবে দেখায়।
- এই দ্বিতীয় বিম্বটিও হয় উলটো ও বিবর্ধিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৪৩৮.
কোন এসিডের সোডিয়াম লবণকে ডিটারজেন্ট বলা হয়?
  1. ক) ফ্যাটি এসিড
  2. খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
  3. গ) বেনজোয়িক এসিড
  4. ঘ) সাইট্রিক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
ব্যাখ্যা

সাবানঃ দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ৷
ডিটারজেন্টঃ দীর্ঘ কার্বন শিকল বিশিষ্ট বেনজিন সালফোনিক এসিডের সোডিয়াম লবণ৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

১,৪৩৯.
তাড়িতচুম্বক তৈরি করার জন্য সলিনয়েডের মধ্যে সাধারণত কোন ধাতুটি ঢোকানো হয়? 
  1. রূপা
  2. লোহা
  3. তামা
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। 
- কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৪০.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? 
  1. ২৪° সেলসিয়াস
  2. ১০০° সেলসিয়াস
  3. ৪° সেলসিয়াস
  4. ০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বরফের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম, তাই বরফ পানিতে ভাসে।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান (পদার্থবিজ্ঞান অংশ)।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৪১.
একটি পরমাণুর তৃতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেক্ট্রন থাকতে পারে?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
পরমাণুর কক্ষপথে 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে।
এখানে, n = কক্ষপথের সংখ্যা।

তাহলে, তৃতীয় কক্ষপথে থাকবে = ২ × 32 = 18টি ইলেকট্রন।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৪৪২.
ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য কোন তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ 
  2. ভূ-কম্পীয় তরঙ্গ
  3. শব্দোত্তর তরঙ্গ
  4. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৩.
ফিউজ তার কিসের সংকর?
  1. টিন ও লোহা
  2. টিন ও সীসা
  3. সোনা ও রূপা
  4. সীসা ও ব্রোঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক ফিউজ তার: 
- তড়িৎ যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। 
- অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে আগুন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। 
- এ ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বর্তনীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় যা হলো ফিউজ তার ব্যবহার করা। 
ফিউজ সাধারণত টিন ও সীসার একটি সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার। 
- এটি একটি চিনামাটির কাঠামোর উপর দিয়ে আটকানো থাকে। 
- এই তারটি সরু এবং গলনাঙ্ক কম। 
- এই তারের মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। 
- ফলে তড়িৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
- এভাবে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে ফিউজ যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৪৪৪.
সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি?
  1. ক) তৈল
  2. খ) সাবান
  3. গ) ডিটারজেন্ট
  4. ঘ) চর্বি
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড (C15H31CO2H), স্টেয়ারিক এসিড (C17H35CO2H) এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড (C17H33CO2H), লিনোলিক এসিড (C17H31CO2H) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়।
(৩) তৈল উদ্ভিদ দেহে কিন্তু চর্বি প্রাণি দেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন - সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)। 
১,৪৪৫.
অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ কোনটি? 
  1. প্রোপেন 
  2. ইথিন 
  3. বিউটেন 
  4. বেনজিন 
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
ব্যাখ্যা

হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbons): 
- হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। 
যেমন- মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। 
- এই যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই। 
- হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন: 
- অ্যালিফেটিক কথাটির অর্থ হলো চর্বিজাত। 
- এই শ্রেণির হাইড্রোকার্বন মূলত প্রাণীর চর্বি থেকে পাওয়া গিয়েছিল, তাই এ ধরনের হাইড্রোকার্বনের নাম অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দেওয়া হয়েছে। 
- অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দুই ধরনের। যথা- (i) মুক্ত শিকল হাইড্রোকার্বন এবং (ii) বদ্ধ শিকল হাইড্রোকার্বন। 
যেমন- বিউটেন (CH3-CH2-CH2-CH3), ইথিন (CH2=CH2), ইথাইন (CH=CH) ও প্রোপেন (CH3-CH2-CH3) ইত্যাদি। 

২। অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন: 
- গ্রিক শব্দ অ্যারোমা (Aroma) থেকে অ্যারোমেটিক শব্দটি এসেছে। 
- অ্যারোমেটিক শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধ। 
- প্রথমে যে অ্যারোমেটিক যৌগগুলো পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো ছিল সুগন্ধযুক্ত, তাই এ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে। 
যেমন- বেনজিন (C6H6) বা ন্যাপথলিন (C10H8) হচ্ছে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ। 
- অ্যারোমেটিক যৌগগুলো সাধারণত 5, 6 কিংবা 7 সদস্যের সমতলীয় যৌগ (planar compounds)। এগুলোতে একান্তর (alternate) দ্বিবন্ধন থাকে, অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং তারপর একটি দ্বিবন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৪৬.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে কোনটি? 
  1. ট্রান্সফরমার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার 
  3. ডায়োড 
  4. ট্রান্সজিস্টর 
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

তাড়িতচৌম্বক আবেশ: 
- একটি তারের কুণ্ডলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুণ্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। 

ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তী প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৪৭.
ট্রানজিস্টরের বেসের কাজ কী?
  1. সিগন্যাল গ্রহণ করা
  2. বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ রাখা
  3. কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
  4. বিদ্যুতের উৎস হিসেবে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে, আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৪৮.
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য
  1. ক) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।
  2. খ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন এবং নিউট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  3. গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই।
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
ব্যাখ্যা
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:

- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে জারণ-বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন ত্যাগ হয় তাকে জারণ বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ হয় তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে। তবে এই জারণ ও বিজারণ একই সাথে সংঘটিত হয়।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যখন ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তখন একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর আরেকটি বিক্রিয়ক সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৪৯.
​ট্রান্সফরমারে কুণ্ডলী দুটির জন্য সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. প্লাস্টিকের কাচ 
  2. কাঠ 
  3. কাগজের টুকরা 
  4. কাঁচা লোহার মজ্জা 
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহার মজ্জা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহার মজ্জা 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে, কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫০.
স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের চাপ ও আয়তন-এর গুণফল কী? 
  1. ধ্রুবক 
  2. শূন্য 
  3. পরিবর্তনশীল
  4. অসীম 
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক 
ব্যাখ্যা

আদর্শ গ্যাস (Ideal Gas): 
- যে গ্যাসসমূহ সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, অ্যাভোগাড্রোর সূত্র তথা আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT কে মেনে চলে তাদেরকে আদর্শ গ্যাস বলে।
- প্রকৃতপক্ষে কোনো গ্যাসই সম্পূর্ণরূপে গ্যাস সূত্রসমূহ তথা PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না।
- আদর্শ গ্যাস হলো একটি কাল্পনিক গ্যাস।
- স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি আয়তনের উপর নির্ভর করে না। 

আদর্শ গ্যাসের বৈশিষ্ট্য: 
- আদর্শ গ্যাসে নিচের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্তমান থাকে- 
১. স্থির তাপমাত্রায় গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল একটি ধ্রুবক
অর্থাৎ, PV = K. তাই এক্ষেত্রে যদি স্থির তাপমাত্রায় চাপ বনাম PV এর লেখ অঙ্কন করা যায় তবে তা একটি সরলরেখা হবে। 
২. আদর্শ গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে। 
৩. স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এর আয়তনের উপর নির্ভরশীল নয়। অর্থাৎ স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের আয়তনের পরিবর্তন হলেও এদের অভ্যন্তরীণ শক্তির কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
৪. চাপ অপরিবর্তিত রেখে গ্যাসের তাপমাত্রা 0°C হতে -273.15°C কমালে গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫১.
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবহনকারী ধাতু হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. লিথিয়াম
  3. জিংক
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক চুল্লিতে (Nuclear Reactor) নিউক্লীয় বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বিশাল পরিমাণ তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য শীতলকারক বা তাপ পরিবাহক (Coolant) হিসেবে তরল সোডিয়াম (Sodium) ধাতু ব্যবহৃত হয়।
- সোডিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা এবং এটি অনেক উচ্চ তাপমাত্রায়ও তরল থাকার ক্ষমতা (উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক) থাকার কারণে এটি তাপ স্থানান্তরের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

পারমাণবিক চুল্লি: 
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়‍্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।

১,৪৫২.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস কী?
  1. ক) পানির গতি শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি
  3. গ) পানির বিভব শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা
নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে বিভবশক্তি জমা হয়।
পানি নিচে প্রবাহিত হওয়ার সময় এই বিভবশক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয়। পানি প্রবাহের সাহায্যে টারবাইনের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
এভাবে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৫৩.
ক্ষারধর্মী অক্সাইড কোনটি? 
  1. NO2
  2. SO2
  3. CaO
  4. N2O
সঠিক উত্তর:
CaO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CaO
ব্যাখ্যা

অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে, তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) । 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে, তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না, তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫৪.
কোনটি এক্সরের ধর্ম প্রকাশ করে?
  1. প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে না
  2. তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
  3. বক্র পথে গমন করে
  4. ভেদন ক্ষমতা কম
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• এক্সরের ধর্ম বোঝায় তার বৈশিষ্ট্য ও আচরণ। প্রদত্ত অপশনের মধ্যে “তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ” সঠিক, কারণ এক্সর তড়িৎ ও চুম্বকীয় প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি আড়ভাবে ছড়িয়ে বা বিকশিত হতে পারে। অন্য অপশন গুলো- যেমন প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে না পারা, বক্র পথে গমন করা বা ভেদন ক্ষমতা কম- এক্সরের মূল বৈশিষ্ট্যের সাথে প্রাসঙ্গিক নয়। তাই এক্সরের প্রধান ধর্ম হলো এটি তাড়িতচুম্বকীয় এবং আড়ভাবে প্রবাহিত হতে পারে।

এক্সরের বৈশিষ্ট্য:

- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।

এক্সরের প্রকারভেদ:
- এক্সরে দুই প্রকার।
- কোমল এক্সরে ও কঠিন এক্সরে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫৫.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) সমুদ্রের পানি
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রের পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রের পানি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে আসলে জ্বালানি হবে না, শক্তির উৎস হবে। তবে, প্রশ্নের ধরণ দেখে বুঝতে সমস্যা হবার কথা নয়।

যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় অর্থাৎ যা ফুরিয়ে যাবার আশংকা নেই তাই নবায়নযোগ্য শক্তি৷
যেমনঃ সূর্যের আলো, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, নদীর বহমান পানি, বায়ুশক্তি, জিওথার্মাল ইত্যাদি।
অনবায়নযোগ্য শক্তি হলো, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ।
যেমনঃ তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১,৪৫৬.
মহাশূন্য থেকে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন যে রশ্মি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে তাকে কী বলে? 
  1. গামা রশ্মি 
  2. আল্ট্রাভায়েলেট রশ্মি 
  3. মহাজাগতিক রশ্মি 
  4. ইনফ্রারেড রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি 
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি হলো Cosmic rays. 
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বা Cosmic rays বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হলো মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
১,৪৫৭.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 40°C হলে ফারেনহাইট স্কেলে তা কত হবে?
  1. ক) 40°F
  2. খ) 104°F
  3. গ) 102°F
  4. ঘ) 72°F
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
C/5 = (F-32)/9
বা, 40/5 = (F-32)/9
বা, (F-32)/9 = 8
বা, (F-32) = 72
বা, F = 72+32
∴ F = 104
১,৪৫৮.
কত ডিগ্রী সেলসিয়ায় তাপমাত্রাকে কক্ষ তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়? 
  1. 0°C
  2. 25°C
  3. 100°C
  4. 272°C
সঠিক উত্তর:
25°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25°C
ব্যাখ্যা
কক্ষ তাপমাত্রা: 
- সাধারণ অবস্থা বলতে 25°C (298K) তাপমাত্রা ও এক বায়ুমণ্ডল (1 atm) চাপকে বোঝায়। 
- 25°C তাপমাত্রাকে কক্ষ তাপমাত্রা হিসেবে ধরা হয়। 
- আমরা জানি যে, কক্ষ তাপমাত্রায় পানি তরল, অথচ লবণ কঠিন, নাইট্রোজেন গ্যাসীয়। 
- যে সব পদার্থের গলনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার উপরে তা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ হিসেবে থাকে। 
- যে সব পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার নিচে তা কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে। 
- যে সব পদার্থের গলনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার নিচে ও স্ফুটনাঙ্ক কক্ষ তাপমাত্রার উপরে সে সব পদার্থ কক্ষ তাপমাত্রায় তরল হিসেবে থাকে। 
- NaCl লবণের গলনাঙ্ক (815°C) কক্ষ তাপমাত্রার উপরে। সুতরাং তা কক্ষ তাপমাত্রায় কঠিন। 
- নাইট্রোজেনের স্ফুটনাঙ্ক (– 196°C) কক্ষ তাপমাত্রার নিচে। সুতরাং তা কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাস। 
- অন্যদিকে পানির স্ফুটনাঙ্ক (100°C) কক্ষ তাপমাত্রার চেয়ে বেশি এবং গলনাঙ্ক (0°C) কক্ষ তাপমাত্রা অপেক্ষা কম হওয়ায় পানি কক্ষ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১,৪৫৯.
মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপের ক্ষেত্রে কোন ধরনের স্কেল ব্যবহার করা হয়?
  1. মিটার স্কেল
  2. ফুট স্কেল
  3. সেন্টিমিটার স্কেল
  4. ভার্নিয়ার স্কেল
সঠিক উত্তর:
ভার্নিয়ার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্নিয়ার স্কেল
ব্যাখ্যা
• ভার্নিয়ার স্কেল:
- মিলিমিটারের চেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ করতে ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। 
- মিলিমিটারের ভগ্নাংশ যেমন, 0.2 মিমি, 0.5 মিমি বা 0.9 মিমি ইত্যাদি মাপার জন্য আমাদের ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করতে হয়।
- ফরাসী গণিত শাস্ত্রবিদ পিয়েরে ভার্নিয়ার এই স্কেল উদ্ভাবন করেন।
- এজন্য তাঁর নামানুসারে এ স্কেলের নামকরণ করা হয় ভার্নিয়ার স্কেল ।
- মিটার স্কেলের সাথে ভার্নিয়ার স্কেল সংযুক্ত করে মিলিমিটারের ভগ্নাংশ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- ভার্নিয়ার স্কেল আকারে মূল স্কেল অপেক্ষা ছোট হয়।
- এই স্কেলটি মূল স্কেল বা প্রধান স্কেলের পাশে সংযুক্ত থাকে, ভার্নিয়ার স্কেলকে প্রধান স্কেলের পাশ দিয়ে সামনে বা পেছনে সরানো যায়।
- প্রধান স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্য এবং ভার্নিয়ার স্কেলের এক ভাগের দৈর্ঘ্যের পার্থক্যকে ভার্নিয়ার ধ্রুবক (Vernier constant) V.C বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬০.
তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে নির্গত আলফা কণা একটি-
  1. ঋণাত্মক কণা
  2. হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  3. হাউড্রোজেন নিউক্লিয়াস
  4. তড়িৎ নিরপেক্ষ কণা
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- আলফা রশ্মি দুইটি প্রোটন ও দুইটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। যা মূলত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 
- এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
- এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আয়নিত করার ক্ষমতা অনেক বেশি। 
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬১.
কোন এনজাইমের প্রভাবে গ্লুকোজ ইথানলে পরিণত হয়?
  1. মন্টেজ
  2. জাইমেজ
  3. ইনভাটেজ
  4. ডায়াসটেজ
সঠিক উত্তর:
জাইমেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাইমেজ
ব্যাখ্যা

• গ্লুকোজ থেকে ইথানল রূপান্তর:
- গ্লুকোজ থেকে ইথানল তৈরির প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন (Fermentation) বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত ইস্ট (Yeast) এর উপস্থিতিতে ঘটে।
- ফারমেন্টেশনের সময় গ্লুকোজ ভেঙে ইথানল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়।
- এই জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট এনজাইমের প্রয়োজন হয়।

• জাইমেজ (Zymase):
- জাইমেজ হলো এক ধরনের এনজাইম কমপ্লেক্স যা ইস্ট কোষে পাওয়া যায়।
- এটি গ্লুকোজকে ধাপে ধাপে ভেঙে ইথানলে রূপান্তর করে।
- অ্যালকোহলিক ফারমেন্টেশনের জন্য জাইমেজ অপরিহার্য।
- জাইমেজের উপস্থিতিতেই গ্লুকোজ থেকে ইথানল উৎপাদন সম্ভব হয়।

• ইনভাটেজ (Invertase):
- ইনভাটেজ এনজাইম সুক্রোজকে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে ভেঙে দেয়।
- এটি সরাসরি গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে না।
- তাই ইথানল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এটি প্রধান এনজাইম নয়।

• ডায়াসটেজ (Diastase):
- ডায়াসটেজ স্টার্চকে মালটোজ বা গ্লুকোজে রূপান্তর করে।
- এটি হজম ও অঙ্কুরোদ্গম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ।
- তবে এটি গ্লুকোজকে ইথানলে পরিণত করে না।

• মন্টেজ (Montase):
- মন্টেজ নামে কোনো পরিচিত এনজাইম নেই যা গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তর করে।
- এটি এই প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়।

সুতরাং, গ্লুকোজকে ইথানলে রূপান্তরের জন্য দায়ী এনজাইম হলো জাইমেজ।
সঠিক উত্তর: খ) জাইমেজ।

সূত্র - sciencedirect journal.

১,৪৬২.
কোন প্রাণী পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষায় শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে?
  1. ক) হাঙ্গর
  2. খ) ইঁদুর
  3. গ) তিমি
  4. ঘ) কুকুর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিমি
ব্যাখ্যা

মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। যেমন বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য, তিমি পরম্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,৪৬৩.
চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
  1. ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
  2. খ) আলোর বিচ্ছুরণে
  3. গ) অপাবর্তনে
  4. ঘ) মরীচিকা
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
ব্যাখ্যা
- চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে।
- দিগন্তের কাছে তা অধিক পরিমাণে বেঁকে যায় বলেই চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায়।
১,৪৬৪.
ইস্পাতে কী কী উপাদান থাকে?
  1. লোহা ও কার্বন
  2. লোহা ও জিংক
  3. লোহা ও ক্রোমিয়াম
  4. লোহা ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
লোহা ও কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা ও কার্বন
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর: ক) লোহা ও কার্বন।

- ইস্পাত (Steel) হলো একটি মিশ্রধাতু, যার প্রধান উপাদান:
- লোহা (Iron),
- কার্বন (Carbon)।

- কার্বন যোগ করার ফলে লোহার মজবুতি, দৃঢ়তা ও নমনীয়তা বেড়ে যায়।

⚪ অপশন আলোচনা:
লোহা ও জিংক → এটি গ্যালভানাইজড লোহা তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ইস্পাত নয়।

লোহা ও ক্রোমিয়াম → এতে তৈরি হয় স্টেইনলেস স্টিল, কিন্তু সাধারণ ইস্পাত নয়।

লোহা ও নিকেল → ব্যবহৃত হয় বিশেষ ধরণের সংকর ধাতুতে, কিন্তু এগুলোও সাধারণ ইস্পাত নয়।

তাই, ইস্পাত তৈরি হয় লোহা ও কার্বনের সংমিশ্রণে।

⚪ সংকর ধাতু:

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে। লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচারোধী বা মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়। মরিচাবিহীন স্টিল লোহার চেয়ে বেশি শক্ত ও টেকসই হয়ে থাকে।



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬৫.
রেকটিফাইড স্পিরিট হলো-
  1. ৯৫% মিথানল + ৪% পানি
  2. ৯০% গ্লিসারলের দ্রবণ
  3. ইথানলের ৫০% জলীয় দ্রবণ
  4. ৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
সঠিক উত্তর:
৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি
ব্যাখ্যা

• রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথানল + ৪.৪% পানি।

• অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়।
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে।
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৬৬.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বাধিক? 
  1. 0° C
  2. 4° K
  3. 4° C
  4. 100° C
সঠিক উত্তর:
4° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° C
ব্যাখ্যা

ঘনত্ব: 
- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব 4° C তাপমাত্রায় সবচেয়ে বেশি হয়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবলমাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৬৭.
নিচের কোনটি দুর্লভ গ্যাস?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্গন
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়।
মৌলগুলাে হলাে:
হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn)এবং ওগানেসন (og)।
এই মৌলগুলাের সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়ােজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোনাে যৌগ গঠন করতে চায় না।
রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।

--------------------------
- এরা অন্য মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে না বলে এদেরকে অভিজাত বা মহান বা Noble গ্যাসও বলে।
- আবার বায়ুতে এদের পরিমাণ খুবই কম (<1%); এ কারণে এদেরকে বিরল বা দুর্লভ গ্যাসও বলা হয়।
- এই গ্যাসগুলো খুব একটা ক্ষতিকরও নয়; তাই এদেরকে ‍উত্তম গ্যাসও বলা হয়।
- একমাত্র হিলিয়াম ছাড়া অন্য সকল নিষ্ক্রিয় মৌলের যোজ্যতা স্তরে ৮ টি ইলেকট্রন আছে।
- হিলিয়ামের যোজ্যতা স্তরে ২টি ইলেকট্রন আছে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৬৮.
বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH কত? 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্তশীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 

• গলনাংক: 
- শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
অর্থাৎ, পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

• স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
অর্থাৎ, পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

• অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব: 
- বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। 
অর্থাৎ, বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না। 
- তবে এসিডের উপস্থিতিতে এটি ক্ষার হিসেবে আবার ক্ষারের উপস্থিতিতে এটি অ্যাসিড হিসেবে কাজ করে। 
- বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭, তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে। 

• দ্রাবক: 
- পানি একটি ভাল দ্রাবক। 
- এটি বেশিরভাগ অজৈব লবণ এবং কিছু কিছু জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে পারে। 
- এজন্য পানিকে সর্বজনীন দ্রাবক বলা হয়। 

• ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার। 
অর্থাৎ, ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৬৯.
কম্পিউটার মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হওয়ার কারণ কোনটি?
  1. ক) চৌম্বক আবেশ
  2. খ) চল তড়িৎ
  3. গ) আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি
  4. ঘ) স্থির তড়িৎ
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির তড়িৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির তড়িৎ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হওয়ার কারণ স্থির তড়িৎ। 

টেলিভিশন ও কম্পিউটার মনিটরের ভিতরে ইলেকট্রন গান ব্যবহার করা হয়।
ইলেকট্রন গান থেকে নির্গত ইলেকট্রন মনিটরের পর্দার ভিতর দিকে লাগানো ফসফর পদার্থের উপর এসে আঘাত করলে ফসফর দৃশ্যমান আলো তৈরি করে ।
এই ইলেকট্রনের কারণে পর্দা কিছুটা ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় এবং এর প্রভাবে পর্দার সামনে কাচের বিপরীত পৃষ্ঠ (যে পৃষ্ঠে আমরা ছবি দেখি) সে পৃষ্ঠও ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।
এই আধানের আকর্ষণে বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা আকৃষ্ট হয় এবং কাচের গায়ে লেগে যায়। সেজন্য টেলিভিশন ও মনিটরের পর্দা খুব তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়।

উৎস : পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৪৭০.
দুর্বলতম মৌলিক বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) সবল নিউক্লিয় বল
  4. ঘ) দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
মৌলিক বল হলো চারটি- মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বল, সবল নিউক্লিয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল।
ভরের কারণে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে। মহাকর্ষ একটি সার্বজনীন বল৷ চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ হলো দুর্বলতম বল।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;

১,৪৭১.
ফোটন কণা -
  1. ক) ভর সম্পন্ন
  2. খ) গতিশীল
  3. গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
  4. ঘ) প্রতিটি ফোটন কণা শব্দের বেগে চলে
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

আলাে যে ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট রুপে নির্গত হয় তাকে ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন, তড়িৎ নিরপেক্ষ স্থিতিশীল/সুস্থিত। ফোটন এর দুইটি সম্ভাব্য সমবর্তন দশা রয়েছে।
ফোটন এর কোনো চার্জ না থাকার কারনে তড়িৎ বা চুম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।

১,৪৭২.
শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপা হয় কী দিয়ে?
  1. ডেসিবল
  2. অ্যাম্পিয়ার
  3. ক্যালরি
  4. জুল
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেসিবল
ব্যাখ্যা

• প্রকৃতপক্ষে শব্দের তীক্ষ্ণতা (pitch) হার্জ (Hz)–এ মাপা হয়। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র শব্দ-সম্পর্কিত একক হলো ডেসিবল (dB), যা শব্দের তীব্রতা বা জোর (loudness) মাপতে ব্যবহৃত হয়।

• অপশন আলোচনা -
ক) ডেসিবল - শব্দের তীব্রতা বা জোর পরিমাপের একক।
খ) অ্যাম্পিয়ার - বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাত্রা পরিমাপের একক।
গ) ক্যালরি - খাদ্যের শক্তিমান বা শক্তি পরিমাপের একক।
ঘ) জুল - যান্ত্রিক শক্তি বা কাজ পরিমাপের একক।

শব্দের তীক্ষ্ণতা: 
- যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে কোন সুর চড়া বা সরু এবং কোন সুর মোটা বা খাদের তা বুঝা যায় তাকে শব্দের তীক্ষ্ণতা বলে। 
- শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্কের ওপর নির্ভর করে। 
- কপাঙ্ক যত বেশি হবে শব্দের তীক্ষ্ণতা তত বৃদ্ধি পাবে। 
- ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা বেশি ও বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট শব্দের তীক্ষ্ণতা কম। 
- পুরুষ অপেক্ষা মহিলা ও শিশুদের কন্ঠস্বরের কম্পাঙ্ক বেশি বলে তাদের স্বরও চড়া হয়। 
- মনে রাখতে হবে তীক্ষ্ণতা কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক হলেও দুটি এক জিনিস নয়। 
- কম্পাঙ্ক হলো যান্ত্রিক আন্দোলন যা নিখুঁতভাবে মাপা যায় আর তীক্ষ্ণতা শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের অনুভূতি। 
- কম্পাঙ্ক কারণ, আর তীক্ষ্ণতা তার ফল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৭৩.
যেসব নিউক্লিয়াসের ভরসংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান তাদের কী বলে?
  1. আইসোমার
  2. আইসোবার
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোটোন
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে।

অন্যদিকে,
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৭৪.
একটি পরমাণুর দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ৩২
  2. ১৮
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

⚪ ইলেকট্রন বিন্যাস:
- পরমাণুর কক্ষপথগুলোতে 2n² (যেখানে n = 1, 2, 3. ..কক্ষপথের ক্রমিক নম্বর) সূত্রানুযায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যক ইলেকট্রন বিন্যাস্ত থাকতে পারে।
- সে সূত্রানুযায়ী, ১টি লিথিয়াম পরমাণুতে ৩টি ইলেকট্রন আছে। এদের মধ্যে ২টি ইলেকট্রন প্রথম কক্ষপথে থাকে আর তৃতীয়টি দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে।
- একইভাবে কার্বন পরমাণুতে ৬টি ইলেকট্রন থাকায় এদের ২টি ইলেকট্রন প্রথম কক্ষপথে এবং বাকি ৪টি ইলেকট্রন দ্বিতীয় কক্ষপথে থাকে।
- এভাবে প্রথম কক্ষপথে সর্বোচ্চ ২টি, দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ৮টি এবং তৃতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ১৮টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

⚪ সঠিক উত্তর: ক) ৮

একটি পরমাণুর নির্দিষ্ট কক্ষপথে (শেল বা shell) সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন থাকতে পারে, তা নির্ধারণ করা হয় এই সূত্র দিয়ে:

সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা = 2n2

যেখানে,

n = কক্ষপথের ক্রমসংখ্যা (shell number)

দ্বিতীয় কক্ষপথে (L-shell):

n = 2

2n2 = 2 × 22 = 2 × 4 = 8

তাই, দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ ৮টি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

অন্যান্য শেল উদাহরণ:

প্রথম কক্ষপথ (K-shell): 2 × 12 = 2

তৃতীয় কক্ষপথ (M-shell): 2 × 32 = 18

চতুর্থ কক্ষপথ (N-shell): 2 × 42 = 32

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৪৭৫.
ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমানো হলে বিদ্যুৎ খরচ -
  1. ক) কম হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) একই হয়
  4. ঘ) হয় না বললেই চলে
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলত ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তন করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
১,৪৭৬.
মল্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইম কোনটি?
  1. মলটেস
  2. ডায়াস্টেস
  3. জাইমেস
  4. ইনভারটেস
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন (Manufacture of alcohol): 

মিথানল: 
- মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। 
- প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। 
- এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit)। 

ইথানল: 
- সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। 
- প্রাপ্ত কাঁচামালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। 
- ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়। 

ফারমেন্টেশন: 
- জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। 
যেমন - শ্বেতসার হতে ইথানল উৎপাদন। 

ঈস্ট (Yeast): 
- ঈস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। 
- পঁচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ঈস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। 
- ঈস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। 

মল্ট(Mould): 
- বার্লির দানাকে পানিতে 15°C তাপমাত্রায় অন্ধকারে খোলা অবস্থায় রেখে দিলে বার্লির দানা অংকুরিত হয় এবং অংকুরিত শুষ্ক বার্লির দানাকে গুঁড়া করে নিলে মল্ট গুড়া পাওয়া যায়। 
- মল্ট থেকে ডায়াস্টেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। 

এনজাইম: 
- এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। 
- ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। 
যেমন - ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। 
- এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৭.
হাইড্রোজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর কত?
  1. ক) ৯৯.৯৮
  2. খ) ৯৯.৯৯
  3. গ) ১
  4. ঘ) ১.০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১.০০৮
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের তিন ধরনের আইসোটোপের শতকরা পর্যাপ্ততার পরিমাণকে গড় করলে এর ভর পাওয়া যায় ১.০০৮।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১,৪৭৮.
বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা-
  1. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  2. তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭৯.
নিচের কোনটি সেকেন্ডারী দূষক? 
  1. CO
  2. O3
  3. CO2
  4. SO2
সঠিক উত্তর:
O3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
O3
ব্যাখ্যা
দূষক (Pollutant): 
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে। 
- কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে (40 ppm) বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- দূষক দুই প্রকার। 
যথা - 
১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক ও 
২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক। 

প্রাইমারী দূষক: 
- যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। 
যেমন- SO2, CO, CO2, NOx হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি। 

সেকেন্ডারী দূষক: 
- এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। 
- পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। 
যেমন- পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], SO3, NO2, O3, H2SO4 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮০.
'টু এভরি অ্যাকশন দেয়ার ইজ অ্যান ইকুয়্যাল অ্যান্ড অপজিট রিয়েকশন'-এ সূত্রটি কার?
  1. আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. ফ্যারাডে
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
নিউটনের গতি সংক্রান্ত সূত্র: 
- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটান ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে গতি সম্পর্কে তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
- এই সূত্রগুলোর মধ্যে গতির মূল তথ্যগুলো নিহিত আছে। 
- এ তিনটি সূত্রকে নিউটনের গতিসূত্র বলা হয়। 
- নিউটনের গতি বিষয়ক সূত্র তিনটি: 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 

৩। তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে (To every action there is an equal and opposite reaction)। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৮১.
"Radiative activation" কোন ধরনের প্রক্রিয়া দ্বারা চিহ্নিত হয়?
  1. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
  2. প্রত্যাবর্তনযোগ্য এবং তাপ-মুক্তকারী
  3. পরিবর্তনীয় এবং রূদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. রূদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া এবং তাপ-মুক্তকারী
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি-শোষণকারী
ব্যাখ্যা
• "Radioactive decay" - এর ক্ষেত্রে সাধারণত শক্তি মুক্তি ঘটে বা নির্গত হয়, শক্তি শোষণ নয়।
• আর "Radiative activation" - অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া এবং শক্তি শোষণকারী।
- উদাহরণস্বরূপ, কিছু ক্ষেত্রে, একটি পদার্থ উচ্চ-শক্তির রেডিয়েশন (যেমন গামা রশ্মি বা নিউট্রন) শোষণ করতে পারে এবং একটিভেটেড বা উত্তেজিত অবস্থায় চলে যেতে পারে।
- এটি "Radioactive decay" - এর চেয়ে আলাদা প্রক্রিয়া, এবং এতে শক্তি শোষণ হওয়া সম্ভব।

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়- 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮২.
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?
  1. ক) কার্বন মনোক্সাইড
  2. খ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
ব্যাখ্যা
সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রুপ। এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে (CFC+O302+…..)। এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে। উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির রসায়ন
১,৪৮৩.
Resistive এবং Inductive লোডে পাওয়ার সরবরাহকারী একটি অল্টারনেটরের ভোল্টেজ রেগুলেশন হলো-
  1. Always negative
  2. Always positive
  3. Either positive or negative
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Either positive or negative
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Either positive or negative
ব্যাখ্যা
- Resistiveএবং Inductive লোডে শক্তি সরবরাহকারী অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ ধনাত্মক বা নেতিবাচক উভয়ই হতে পারে। 
- বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে যেমন লোডের ধরন এবং মাত্রা, অল্টারনেটরের বৈশিষ্ট্য এবং সিস্টেমের কনফিগারেশন।

- সাধারণভাবে, প্রতিরোধক লোডগুলি একটি অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকে স্থিতিশীল করে, যা সম্ভাব্যভাবে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ ভোল্টেজ আউটপুটের দিকে পরিচালিত করে।
- অন্যদিকে, ইন্ডাকটিভ লোড, তাদের প্রতিক্রিয়াশীল প্রকৃতির কারণে, ভোল্টেজ ড্রপ এবং ওঠানামা হতে পারে, সম্ভাব্যভাবে অল্টারনেটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
১,৪৮৪.
শক্তির এককে এক কিলোওয়াট ঘন্টা সমান কত জুল?
  1. ক) ৩.৬ জুল
  2. খ) ৩.৬ মেগা জুল
  3. গ) ৩৬০০ মেগা জুল
  4. ঘ) ৩৬০০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬ মেগা জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬ মেগা জুল
ব্যাখ্যা

এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।
এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।
আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।
রেফারেন্সঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,৪৮৫.
ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা কোন সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. E = mc2
  2. F = ma
  3. V = IR
  4. P = VI
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের এই সূত্র অনুযায়ী ভর ও শক্তি পরস্পর রূপান্তরযোগ্য; অর্থাৎ ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা E = mc2 সূত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়।

• প্রাকৃতিক নিয়ম ব্যবহার করে প্রযুক্তির বিকাশ:
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্ব থেকে E = mc2 সূত্র প্রদান করেন, যার মাধ্যমে ভরকে শক্তিতে রূপান্তরের ধারণা ব্যাখ্যা করা হয়।
- ১৯৩৮ সালে অটোহান ও স্ট্রেসম্যান পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াস বিভাজিত হলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়।
- নিউক্লিয়ার বিভাজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি বিকশিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ার বাস্তব প্রয়োগ হিসেবে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Nuclear Power Plant) স্থাপন করা হয়।
- আধুনিক সভ্যতায় শক্তি উৎপাদনে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি শাখা হলো কঠিন অবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid State Physics), যেখানে অর্ধপরিবাহী পদার্থ নিয়ে গবেষণা করা হয়।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের বিশেষ ধর্ম কাজে লাগিয়ে ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করা হয়।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার আধুনিক ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- প্রাকৃতিক নিয়ম ও সূত্রের ব্যবহার প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

• Other Options:
F = ma → এটি নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্রের সাথে সম্পর্কিত।
V = IR → এটি ওহমের সূত্র; তড়িৎ বর্তনী সংক্রান্ত।
P = VI → এটি তড়িৎ ক্ষমতার সূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৪৮৬.
কেপলারের কোন সূত্র গ্রহের কক্ষপথের আকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেয়?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) ৪র্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
• কেপলারের প্রথম সূত্র -
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে


কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র -
প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

কেপলারের তৃতীয় সূত্র -
সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক,এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10 -11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 । আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৭.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারণ- 
  1. তাপের প্রভাব
  2. অণুর বিন্যাস
  3. পরমাণুর বিন্যাস
  4. রায়ায়নিক পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন: বই, খাতা, কলম, চেয়ার টেবিল, বাতাস, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সবই পদার্থ। 
- এদের ভর ও আয়তন আছে। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন অর্থাৎ তাপের প্রভাব পদার্থের এই তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৮৮.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ওডোমিটার
  2. ক্রনমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রেসকোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
ক্রেসকোগ্রাফ: 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম 'ক্রেসকোগ্রাফ'। 
- এটি আবিষ্কারক হলেন জগদীশচন্দ্র বসু। 
- তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে। 

অন্যদিকে, 
- উড়োজাহাজের গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,৪৮৯.
এক্সরের সাহায্যে কোন রোগ সনাক্ত করা হয়? 
  1. চর্মরোগ
  2. ক্যান্সার
  3. মুত্রথলির পাথর
  4. সকল উল্লিখিত
সঠিক উত্তর:
সকল উল্লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল উল্লিখিত
ব্যাখ্যা
এক্সরের ব্যবহার (Uses of X-ray): 
- বর্তমান সভ্যতায় এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- নীচে কিছু প্রচলিত ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১. শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
- আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়, ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

২. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: 
- রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়। 
- কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। 
- কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় যুগান্তকারী উন্নতি সাধনের জন্য এক্সরের অবদান অকল্পনীয়। 
- এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে। 
- বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

৩. বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে: 
- কেলাসের গঠণ সংক্রান্ত পরীক্ষায়, অণু-পরমাণুর গঠন বিষয়ক গবেষণায় এক্সরের ব্যবহার করা হয়। 

৪. গোয়েন্দা বিভাগে: 
- চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৯০.
'প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে'- সূত্রটি কে প্রদান করেন?
  1. আর্কিমিডিস
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা

নিউটনের গতি সূত্র:
- ১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত। 
- নিউটনের সূত্র তিনটি। যথা:

• প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

• দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

• তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৯১.
মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত কত?
  1. ১ : ২
  2. ১ : ৩
  3. ১ : ৪
  4. ১ : ৫
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ : ৪
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন। 

• অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• মিথেন (Methane) হলো একটি সরল হাইড্রোকার্বন যার রাসায়নিক সংকেত: CH₄
এখানে- 
কার্বন (C) = ১টি
হাইড্রোজেন (H) = ৪টি

সুতরাং, মিথেনের অণুতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত = ১ : ৪

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৯২.
নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শক্তিস্তর কোনটি?
  1. K-শেল 
  2. L-শেল
  3. N-শেল
  4. M-শেল
সঠিক উত্তর:
K-শেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K-শেল 
ব্যাখ্যা

বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম: 
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 
n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
- নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
- নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 

- প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন ( যেখানে, n = 1, 2, 3 ......) থাকতে পারে। 
• ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (1)2} = 2 টি, 
• ২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (2)2} = 8 টি, 
• ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (3)2} = 18 টি এবং 
• ৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = {2 × (4)2} = 32 টি । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৯৩.
প্রোপেনের রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী কার্বনের সংখ্যা কত?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা

• প্রোপেন একটি হাইড্রোকার্বন যা অ্যালকেন পরিবারে অন্তর্ভুক্ত। এর রাসায়নিক সূত্র হলো C3H6, যা নির্দেশ করে এতে ৩টি কার্বন পরমাণু এবং ৬টি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। প্রোপেনের কাঠামোতে তিনটি কার্বন পরমাণুর মধ্যে দুটি কার্বন একত্রে সাধারণ একক বন্ধনে এবং একটি কার্বন দ্বিগুণ বন্ধনে যুক্ত থাকে। এই দ্বিগুণ বন্ধনটি প্রোপেনকে আলাদা করে সাধারণ অ্যালকেন থেকে এবং এটি রাসায়নিকভাবে সক্রিয় করে তোলে। সুতরাং, প্রোপেনের রাসায়নিক গঠন অনুযায়ী কার্বনের সংখ্যা হলো ৩, যা অপশন গ-তে দেওয়া হয়েছে।

- সঠিক উত্তর: গ) ৩ টি। 

• হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত সরলতম জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbon) বলে।

• সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন:
- যে সকল হাইড্রোকার্বন অণুর কার্বন শিকলে কেবলমাত্র একক বন্ধন বিদ্যমান এবং এদের অবশিষ্ট যোজনীগুলো হাইড্রোজেন দ্বারা পূর্ণ থাকে তাদেরকে অ্যালিফেটিক বা সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন (alkane) বলা হয়।
- এদের সাধারণ সংকেত হলো Cn H2n+2 , n=1,2,3............. ইত্যাদি। 

• প্রোপেন একটি সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বা অ্যালকেন। প্রোপেনের রাসায়নিক সংকেত হলো: C3H8
অর্থাৎ এটি হলো ৩ কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন। যাতে ৩ টি কার্বনের সাথে ৮ টি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৯৪.
নিচের কোনটি এসিডের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এসিড টক স্বাদযুক্ত।
  2. এসিড ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
  3. এসিড নীল বর্ণের লিটমাস লাল করে।
  4. এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে।
ব্যাখ্যা
এসিড:
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
- যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
-এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
১. এসিড টক-স্বাদযুক্ত। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

অন্যদিকে, 
- ক্ষারক লাল বর্ণের লিটমাস নীল করে। 

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৯৫.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব হলো- 
  1. ১২.৪ মিটার 
  2. ১৬.৬ মিটার 
  3. ১৫.৫ মিটার
  4. ১৮.৫ মিটার 
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার 
ব্যাখ্যা
• শব্দের প্রতিধ্বনি:
- কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যখন দূরবর্তী কোনো মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- এককথায়, প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় প্রতিধ্বনি।
- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব ন্যূনতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
- শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৯৬.
পানির ঘনত্ব থেকে পারদের ঘনত্ব কতগুণ বেশি?
  1. ক) ১১.৬
  2. খ) ১২.৬
  3. গ) ১৩.৬
  4. ঘ) ১৪.৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩.৬
ব্যাখ্যা

কোন বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। ঘনত্ব পদার্থের একটি সাধারণ ধর্ম । ঘনত্ব বস্তুর উপাদানের ও তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।

পানির ঘনত্ব থেকে পারদের ঘনত্ব  ১৩.৬ গুণ বেশি।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 

১,৪৯৭.
কোনটি উভমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়?
  1. রেডিও
  2. ইমেইল
  3. মোবাইল
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
রেডিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও
ব্যাখ্যা
রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 

অন্যদিকে, 
- অপরপক্ষে যদিও মোবাইল বা টেলিফোনে রেডিও যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা হয়, তারপরও মোবাইল বা টেলিফোন উভয়মুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা। 
- ইমেইল এর মাধ্যমে প্রেরক ও গ্রহণকারী উভয়ে বার্তা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,৪৯৮.
বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার- 
  1. সমানুপাতিক
  2. বর্গমূলের সমানুপাতিক
  3. ব্যস্তানুপাতিক
  4. বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা

• শব্দের বেগের পার্থক্য: 
- বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∞ √T 
এখানে তাপমাত্রা কিন্তু সেলসিয়াস তাপমাত্রা নয়। কেলভিন স্কেলে তাপমাত্রা। 
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। 
- তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। 
- তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়। 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- এটি মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। 
- তরলে শব্দের বেগ বাতাস থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তরল থেকেও বেশি। 
- প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় ০.৬ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৯৯.
কোন বস্তু যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তার পরিমাণকে কী বলে?
  1. ক) ভর
  2. খ) ওজন
  3. গ) ঘনত্ব
  4. ঘ) মোলারিটি
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভর
ব্যাখ্যা

ভর: প্রত্যেক বস্তু পদার্থ দ্বারা গঠিত। ভর হলো কোনো বস্তুতে পদার্থের পরিমাণ। বস্তুর ধর্ম এর অবস্থান, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তিত হয় না। যে পরমাণু ও অণু দিয়ে বস্তুটি গঠিত তার সংখ্যা ও সংযুক্তির উপর বস্তুটির ভর নির্ভর করে।

ওজন: কোনো বস্তুকে বা কোনো বস্তুর ভরকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, তাকে বস্তুটির ওজন বলে।

ঘনত্ব: কোনো বস্তুর একক আয়তনের ভরকে ঘনত্ব বলে।

মোলারিটি: কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনে দ্রবীভূত দ্রবের মোল সংখ্যা বা গ্রাম আণবিক ভর সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলে। এক কথায় বলা যায় যে, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রব্যের মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণের মোলারিটি বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০০.
পদার্থের পরিমাণ পরিমাপের একক কোনটি? 
  1. ক্যান্ডেলা
  2. মোল
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. কিলোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোল
ব্যাখ্যা
মোল: 
- পদার্থের পরিমাণ পরিমাপের একক মোল। 
- যে পরিমান পদার্থে 0.012 কিলোগ্রাম কার্বন-12 এ অবস্থিত পরমাণুর সমান সংখ্যক প্রাথমিক ইউনিট (যেমন পরমাণু, অণু, আয়ন, ইলেকট্রন ইত্যাদি বা এগুলোর নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ) থাকে, তাকে 1 মোল বলে। 

কিলোগ্রাম: 
- ভরের একক কিলোগ্রাম। 
- কিলোগ্রাম ফ্রান্সের স্যাভ্রেতে ইন্টারন্যাশনাল ব্যুরো অব ওয়েটস এন্ড মেজারস এ সংরক্ষিত প্লাটিনাম ইরিডিয়াম সংকর ধাতুর তৈরি একটি সিলিন্ডারের ভরকে 1 কিলোগ্রাম (kg) বলে। 
- এই সিলিন্ডারটির উচ্চতা ও ব্যাস উভয়ই 3.9 cm. 

অ্যাম্পিয়ার: 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- শূন্য মাধ্যমে 1m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষনীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে 2×10-7 N নিউটন বল উৎপন্ন হয়, তাকে 1 ampere (অ্যাম্পিয়ার) বলে। 

ক্যান্ডেলা: 
- দীপন তীব্রতার একক ক্যান্ডেলা। 
- ক্যান্ডেলা হচ্ছে সেই পরিমাণ দীপন তীব্রতা যা কোনো আলোক উৎস একটি নির্দিষ্ট দিকে 540×1012 হার্জ কম্পাঙ্কের এক বর্ণী বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং ঐ নির্দিষ্ট দিকে তার বিকিরণ তীব্রতা হচ্ছে প্রতি স্টেরোডিয়ান ঘনকোণে 1/863 ওয়াট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।