বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৫০১৬০০ / ২,৯৬৪

৫০১.
হিন্দু আইনে 'সপ্রতিবন্ধ দায়' কাকে বলে?
  1. যেখানে জন্মসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
  2. যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
  3. যেখানে সহ-উত্তরাধিকারীর জীবিত অবস্থায় অধিকার তৈরি হয়
  4. যেখানে দত্তকসূত্রে সম্পত্তির অধিকার জন্মায়
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সম্পত্তি লাভ নির্ভর করে অন্যের মৃত্যুর উপর
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

যেমন- মিতাক্ষরা মতে পিতা পৃথক সম্পত্তি রাখিয়া মারা গেলে পুত্র পিতার পৃথক সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পায় অথবা কোন সহ-উত্তরাধিকারী মারা গেলে অন্যান্য সহ-উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির অংশ উত্তরজীবী সূত্রে পায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় এবং সপ্রতিবন্ধ দায়, এই দুইটি শব্দেরই প্রয়োগ মিতাক্ষরা আইনে দৃষ্ট হয়। দায়ভাগ মতে এই পার্থক্যের সুযোগ নাই, কারণ দায়ভাগ মতে উত্তরাধিকার লাভের সূত্র একটাই এবং তাহা সর্বদাই সপ্রতিবন্ধ দায়।

৫০২.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" এর অর্থ কী?
  1. কেবল কার্য করলেই অপরাধ প্রমাণিত হয়
  2. অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
  3. মনের ভাব অপরাধ প্রমাণের জন্য অপ্রয়োজনীয়
  4. কার্যই যথেষ্ট অপরাধী সাব্যস্তের জন্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কার্য অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা

Latin Maxim: Actus non facit reum, nisi mens sit rea
English Meaning: An act does not make one guilty unless there be guilty intention.
বাংলায় অর্থ: অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছাড়া কোন কার্য একজনকে অপরাধী করে না।

​অপরাধের মূল উপাদান:
কোনও অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য সাধারণত দুটি অপরিহার্য উপাদান থাকতে হয় –ঃ
Actus Reus → অপরাধমূলক কাজ (Guilty act)
Mens Rea → অপরাধমূলক অভিপ্রায় বা মনোভাব (Guilty mind)
কেবল একটি অপরাধমূলক কাজ (actus reus) করলে তাকে অপরাধ বলা যাবে না, যদি না তার সঙ্গে অপরাধ করার ইচ্ছা বা অভিপ্রায় (mens rea) প্রমাণিত হয়।

উদাহরণ-
যদি কেউ অসাবধানতাবশত অন্যের সম্পত্তি ক্ষতি করে, কিন্তু কোন খারাপ উদ্দেশ্য না থাকে → সাধারণত এটি অপরাধ নয়।
কিন্তু যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে চুরি করে, হত্যা করে বা প্রতারণা করে → তখন তার কাজের সাথে অপরাধমূলক অভিপ্রায় যুক্ত হয়, যা তাকে অপরাধী করে তোলে।

৫০৩.
যখন একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে কোনো কিছু করতে বা না করতে তার ইচ্ছা জানান, তার উদ্দেশ্য হলো সেই ব্যক্তির সম্মতি আদায় করা - একে বলা হয়:
  1. চুক্তি (Contract)
  2. প্রস্তাব (Proposal)
  3. প্রতিশ্রুতি (Promise)
  4. বিবেচনা (Consideration)
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব (Proposal)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব (Proposal)
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা 2(a) অনুযায়ী “যখন একজন ব্যক্তি অন্যজনকে জানায় যে তিনি কিছু করবেন বা করবেন না, এবং এর উদ্দেশ্য থাকে অন্যজনের সম্মতি অর্জন করা—তখন একে প্রস্তাব (Proposal) বলা হয়।”
- যদি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়, তবে প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise) তে পরিণত হয়।
- আর প্রতিশ্রুতি ও বিবেচনা মিলে গেলে সেটি হয় চুক্তি (Contract)।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 section 2(a) When one person signifies to another his willingness to do or to abstain from doing anything, with a view to obtaining the assent of that other to such act or abstinence, he is said to make a proposal:

৫০৪.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে৷
৫০৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান কে হতে পারেন?
  1. পৌরসভার চেয়ারম্যান
  2. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  3. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ২ অনুযায়ী, সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারেন-
- ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান,
- পৌরসভার চেয়ারম্যান, অথবা
- সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।
অর্থাৎ, উপরের তিনটির মধ্যে যেকোন একজন সালিসি পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পারেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো “উপরের সবাই”।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ২-এ "Arbitration Council" বা সালিশি পরিষদের সংজ্ঞা ও গঠন পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে সালিশি পরিষদ তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে:-
- একজন চেয়ারম্যান (যিনি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র হবেন)।
- প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি, অর্থাৎ দুই পক্ষের সম্মতিতে ২ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

তাছাড়া, ধারা ২-এ আরও বলা হয়েছে:
- যদি কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনীত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।
- যদি চেয়ারম্যান অমুসলিম হন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে সালিশি পরিষদের একজন মুসলিম সদস্যকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হবে।

৫০৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান কী?
  1. Ground for eviction of raiyats
  2. Rights of raiyat in respect of use of land
  3. Limitation of transfer of holding
  4. Devolution of holding on the death of a raiyat
সঠিক উত্তর:
Rights of raiyat in respect of use of land
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rights of raiyat in respect of use of land
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
৫০৭.
নিচের কোনটি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. আইনগত প্রতিদান
  2. চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা
  3. বলপূর্বক সম্মতি
  4. উদ্দেশ্যের বৈধতা
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক সম্মতি
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নে বলপূর্বক সম্মতি চুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়।

একটি বৈধ চুক্তির কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:
- স্বাধীন সম্মতি (Free Consent) : চুক্তির জন্য প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অবশ্যই স্বাধীন হবে। চুক্তি আইনে ১৪ ধারা মতে - কোন সম্মতি বল প্রয়োগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা বা ভুলের বশবর্তী না হয়ে প্রদত্ত হলে তাকে স্বাধীন সম্মতি বলে। স্বাধীন সম্মতি না থাকলে চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে।

- আইনগত সম্পর্ক (Legal Relationship) : চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টির ইচ্ছে থাকতে হবে। নিমন্ত্রণ, ভ্রমণ, সিনেমা দেখার সম্মতিতে আইনগত সম্পর্ক সৃষ্টি হয় না এবং এরূপ সম্মতি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হয় না। কিন্তু পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের সম্মতি বা বিবাহের সম্মতি হলো বৈধ চুক্তি এবং এর দ্বারা আইনগত সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। যেমন- ক্রেতা-বিক্রেতা, স্বামী-স্ত্রী। এক্ষেত্রে কোন পক্ষ সম্মতি ভঙ্গ করলে ক্ষতিপূরণ দিতে হয়।

- আইনগত প্রতিদান (Lawful Consideration): চুক্তি দ্বারা উভয় পক্ষকে পরস্পরের নিকট থেকে কিছু পেতে এবং কিছু দিতে হবে। কিছু পেতে গিয়ে কিছু দেয়াকে বা কিছু দিয়ে কিছু পাওয়াকে প্রতিদান বলে। প্রতিদান ছাড়া চুক্তি হয় না। প্রতিদান আইনসঙ্গত হওয়া চাই। ইহা বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যত হতে পারে।

- চুক্তি সম্পাদন যোগ্যতা (Capacity to Contract) : চুক্তিবদ্ধ পক্ষসমূহের তা সম্পাদনের যোগ্যতা থাকতে হবে। চুক্তি আইনের ১১ ধারা মতে সাবালক ও সুস্থ এবং আইন কর্তৃক অযোগ্য বিবেচিত নয় এমন সকলেই চুক্তি সম্পাদনের যোগ্য। নাবালক, পাগল এবং দেউলিয়া ব্যক্তি চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য।

- উদ্দেশ্যের বৈধতা (Legality of the object) : চুক্তির উদ্দেশ্য অবশ্যই বৈধ হবে। অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী উদ্দেশ্যে প্রদত্ত সম্মতি দ্বারা চুক্তি হবে না। উদ্দেশ্য অবৈধ চুক্তি বাতিল বলে গণ্য। যেমন- অবৈধ, নীতি ও জনস্বার্থ বিরোধী কাজের জন্য প্রদত্ত সম্মতি বৈধ নয়। তাই অবৈধ বলে প্রদত্ত সম্মতি চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে না।
৫০৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে এবং তার জন্য স্বতন্ত্র কোনো দণ্ড না থাকলে, লঙ্ঘনকারী কোন দণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. কারাদণ্ডে
  2. অর্থ দণ্ডে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫০৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতারণা বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত প্রতারণা
  2. চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
  3. তামাদি আইনের ১৮ ধারায় উল্লিখিত প্রতারণা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১১) অনুসারে,

‘‘প্রতারণা’’ (fraud) অর্থ ঘটনা বা আইন লইয়া ইচ্ছাকৃত বা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বা আচরণ বা লিখিত কোন চুক্তি বা দলিল দ্বারা-
⇒  অন্যকে প্রতারিত (to defraud) করা, বা
⇒ প্রলুদ্ধ (to induce) বা
⇒ ভুল পথে পরিচালিত করা এবং প্রতারণাকারী ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তির অভিপ্রায়কে কেন্দ্র করিয়া সংঘটিত প্রবঞ্চনা (deception) এবং
চুক্তি আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ১৭ এ যেই অর্থে ”Fraud” অভিধাটি ব্যবহৃত হইয়াছে তাহাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৫১০.
'In the preamble contain the basic structure of the constitution and that cannot be amended' ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট কোন মামলায় এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন?
  1. Keasavananda Bharati vs State of Kerala
  2. Goloknath vs State of Panjab
  3. Indira Neheru Gandhi vs Raj Narayan
  4. Minerva Mills Case
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Keasavananda Bharati vs State of Kerala
ব্যাখ্যা
Kesavananda Bharati vs State of Kerala Case

পূর্ণনাম: Kesavananda Bharati vs State of Kerala AIR 1973 SC 1461
Author Judge: Sarav Mittra Sikri CJ.
বিচারক ছিলেন: ১৩ জন: ৭: ৬ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রায় দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণা: ২৪ এপ্রিল ১৯৭৩.

রায়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পয়েন্ট হলো:
> Preamble is operative part of the constitution.
> Preamble হচ্ছে Basic Structure of The Constitution.
> পার্লামেন্ট মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংবিধানের Basic Structure সংশোধন করতে পারবে না।
৫১১.
মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সর্বোচ্চ কত কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১২০ কার্যদিবস
  4. ১৩৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৩৫ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৫১: বিচার সমাপ্তির মেয়াদ:
(১) বিচারের জন্য মামলা প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক মাদকদ্রব্য অপরাধের বিচার সমাপ্ত করিতে হইবে।]

(২) কোনো অনিবার্য কারণে উক্ত মেয়াদের মধ্যে কোনো বিচার সমাপ্ত করা সম্ভব না হইলে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে বিচার সমাপ্ত করিতে পারিবে এবং তৎসম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে ৷

(৩) উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণে কোনো বিচার কার্য সমাপ্ত করা সম্ভব না হয়, তাহা হইলে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত] উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিচার কার্য সমাপ্তির জন্য সর্বশেষ আরও ১৫ (পনেরো) কার্যদিবস সময় বর্ধিত করিতে পারিবে এবং এইরূপ সময় বর্ধিতকরণ সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে, যাহার একটি অনুলিপি সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে হইবে।
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবশ্যিকভাবে বিচার কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।

সারাংশ:
মূল বিচারকাল – ৯০ কার্যদিবস।
শর্তসাপেক্ষে প্রথম সময় বর্ধন – +৩০ কার্যদিবস (কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা সহ সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের অবহিত করা প্রয়োজন)।
দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত সময় বর্ধন – +১৫ কার্যদিবস (এবং একইভাবে অবহিতকরণ বাধ্য)।
এভাবে সর্বোচ্চ ১৩৫ কার্যদিবস–এ মধ্যে বিচার অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
৫১২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  2. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  3. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
  4. ১০ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮: বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কর্তৃক দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা

কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাবস্ত্য কোন ব্যক্তিকে এইরূপ যে কোন দণ্ডদান করতে পারবে যা উক্ত ব্যক্তির অপরাধের ক্ষেত্রে আইনে অনুমোদন করেছে। অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবে।
কিন্তু কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ে গঠিত কোন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ৭ বৎসরে বেশি কারাদণ্ডে এবং ১০ হাজার টাকার বেশি জরিমানা করতে পারবে না।

Section 28: Powers of Special Tribunals


Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force,- 
(a) a Special Tribunal consisting of a Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted; 

(b) a Special Tribunal consisting of a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class may pass upon any person convicted by it any sentence authorised by law for the punishment of the offence of which such person is convicted except death, 26[imprisonment for life] or imprisonment for a term exceeding seven years and fine exceeding ten thousand taka.
৫১৩.
একজন হানাফি মুসলিম ব্যক্তি আব্দুল করিম মারা গেছেন। তার কোনো সন্তান নেই কিন্তু তার স্ত্রী এবং বাবা আছেন। এক্ষেত্রে সম্পত্তির বণ্টন কীভাবে হবে?
  1. স্ত্রী ১/২ অংশ এবং বাবা ১/২ অংশ
  2. স্ত্রী ১/৩ অংশ এবং বাবা ২/৩ অংশ
  3. স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
  4. স্ত্রী ৩/৪ অংশ এবং বাবা ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী ১/৪ অংশ এবং বাবা ৩/৪ অংশ
ব্যাখ্যা
ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি রয়েছে। যার মধ্যে প্রথম শ্রেণি হচ্ছে- শেয়ারার বা অংশীদার। এ শ্রেণিতে রয়েছে ১২ জন ওয়ারিশ, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে যাদের অংশ নির্ধারিত। এ শ্রেণির ওয়ারিশরা হচ্ছেন- স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, দাদী, বোন, কন্যা, ছেলের কন্যা, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই ও বৈপিত্রেয় বোন। 
অপরদিকে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে আছেন রেসিডুয়ারি, আসাবা বা অবশিষ্টভোগী। অবশিষ্টভোগী হয়ে থাকে, প্রথমত, মৃত ব্যক্তির নিজের সন্তান তথা ছেলে ও কন্যা। দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী বংশধর যথা বাবা, দাদা। তৃতীয়ত, বাবার বংশধর। মুসলিম আইন অনুযায়ী,

স্ত্রী:
বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

বাবা:
মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

এক্ষেত্রে,
আব্দুল করিমের স্ত্রী পাবেন ১/৪ অংশ, কারণ কোনো সন্তান নেই। তার বাবা বাকি ৩/৪ অংশ পাবেন, যেহেতু অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে কোনো সন্তান বা সন্তানদের বংশধর নেই।
৫১৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, তার নিয়োগ অনধিক কত বছরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করা যায়?
  1. তিন বছরের
  2. দুই বছরের
  3. চার বছরের
  4. পাঁচ বছরের
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছরের
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২

ধারা ১৪- নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলকরণ


সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
৫১৫.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের সর্বনিম্ন পদমর্যাদা কী?
  1. কনস্টেবল
  2. এএসআই
  3. এসআই
  4. ইন্সপেক্টর
সঠিক উত্তর:
এসআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসআই
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার পদমর্যাদা থাকা কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।
- অর্থাৎ পুলিশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পদমর্যাদা হলো উপ-পরিদর্শক (SI)। কনস্টেবল, এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক)-এর এই ক্ষমতা নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) এসআই।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।

৫১৬.
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিসের (Conciliator) কাছে অনুরোধ প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে তিনি সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) অনুসারে, সালিস (Conciliator) এর কাছে সালিসীর জন্য অনুরোধ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে তাকে সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করতে হবে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের একটি সভা আহ্বান করতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২১০(৬) উক্তরূপ অনুরোধ প্রাপ্ত হইবার দশ দিনের মধ্যে সালিস (Conciliator) তাহার সালিসী কার্যক্রম (Conciliation) শুরু করিবেন, এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য উভয় পক্ষের সভা আহ্বান করিবেন৷

৫১৭.
গ্রাম আদালত আইন,২০০৬ এর অধীন আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হলে উক্ত আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয় ২০০৬ সালে। গ্রাম আদালত আইনটি মধ্যস্থতার মাধ্যমে গ্রাম আদালতের দ্বারা কতিপয় দেওয়ানি এবং ফৌজদারি মামলা নিষ্পত্তির বিধান আলোচনা করা হয়েছে। কোন নির্দিষ্ট মামলার জন্য গ্রাম আদালত গঠন করা যেতে পারে এবং উক্ত মামলা নিষ্পত্তি হলে বা না হওয়ার কারণে মেয়াদ শেষে গ্রাম আদালতটি বিলুপ্ত হয়।

ধারা ৩ (গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলা)-
উল্লিখিত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলাসমূহের বিচার গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে এবং এই ক্ষেত্রে দেওয়ানী এবং ফৌজদারী কোন আদালতের বিচারের এখতিয়ার থাকবে না। যে সকল মামলার বিচার গ্রাম আদালত করতে পারবে তা তফসিলে ২টি অংশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪ (গ্রাম আদালত গঠনের আবেদন)-
গ্রাম আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য কোন মামলার যেকোন পক্ষ উক্ত মামলা বিচার করার নিমিত্তে গ্রাম আদালত গঠনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করবে। চেয়ারম্যান এমন আদেশ নাকচ না করলে, একটি গ্রাম আদালত গঠন করার উদ্যোগ নিবে। চেয়ারম্যান এমন আবেদন নাকচ করলে, সংক্ষুদ্ধ পক্ষ উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট রিভিশন করতে পারবে।

ধারা ৫ (গ্রাম আদালত গঠন)-
একজন চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত ২ জন করে মোট ৪ জন সদস্য নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হবে। চেয়ারম্যানসহ মোট ৫ সদস্য বিশিষ্ট হবে।

• গ্রাম আদালত গঠিত হবার পরে  উভয় পক্ষকে শুনানী শেষে আদালত উভয় পক্ষের মধ্যকার বিচার্য বিষয় নির্ধারন করবে এবং উভয় পক্ষের  বিরোধ আপোষে মীমাংসার চেষ্টা করবে। আপোষে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সম্ভবপর হলে তা চুক্তিতে লিপিবদ্ধ করে উভয় পক্ষ এবং তাদের মনোনীত সদস্য কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে। অতঃপর গ্রাম আদালত তদানুযায়ী ডিক্রি অথবা আদেশ প্রদান করবে। 

ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে; এবং দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার কারণ উদ্ভব হবার ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে।

৬খ ধারায় প্রাক বিচার (Pre-trial) এর বিধান আছে। প্রাক বিচার হলো বিচার্য বিষয় নির্ধারণ এবং আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করা। এই আপোসনামা গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রি বলে গণ্য হবে। গ্রাম আদালত আপোসনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করলে উক্ত আপোষনামার (আদেশ বা ডিক্রির ) বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।
৫১৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ৮১খ এর বিধান কোন ধরনের জমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. জমিদারি জমি
  2. চাষযোগ্য জমি
  3. সরকারি খাসজমি
  4. ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি
সঠিক উত্তর:
সরকারি খাসজমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি খাসজমি
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১খ (Section 81B) এর বিধান অনুযায়ী, এই ধারা স্পষ্টভাবে সরকারি খাসজমি (Government Khas Land) সম্পর্কিত ইজারা দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধারা বলে যে, সরকারি খাসজমির ইজারা প্রদানের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত ইজারা দলিল নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) অনুসারে নিবন্ধিত না হলে, কৃষি বা অকৃষি কোনো প্রজাস্বত্ব সৃষ্টি হবে না। অর্থাৎ, এই বিধান শুধুমাত্র সরকারি খাসজমির ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950, Section 81B. Registration of lease deed:
 - Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.

৫১৯.
যুগ্ম জেলা জজ নিম্নের কত মূল্যের মোকদ্দমা বিচার করতে পারেন?
  1. সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা
  2. ১৫–২৫ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) কোনটিই নয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার- সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা;
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক- এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা;
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ, যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে। তাই “সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ” বা “১৫–২৫ লক্ষ” বা “সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ” সঠিক নয়।

৫২০.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে সহকারী জজ আদালত ______ নির্দেশিত সিলমোহর ব্যবহার করেন।
  1. সরকার
  2. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান: আদালতসমূহের সীলমোহর: সকল দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার ও প্রকৃতির সীলমোহর ব্যবহার করবেন।

⇒ Section-16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.
৫২১.
কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য তার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর বা তার ________ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া, এর মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
  1. ৫৯
  2. ৬০
  3. ৬৫
  4. ৬৭
সঠিক উত্তর:
৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৯- পদের মেয়াদ:
(১) এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য তাঁহার দায়িত্বগ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর বা তাঁহার পয়ষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে যাহা অগ্রে ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্টের কোন বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য অপসারিত হইবেন না।

(৩) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি বা অন্য কোন সদস্য রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

(৪) কর্মাবসানের পর কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য প্রজাতন্ত্রের কর্মে পুনরায় নিযুক্ত হইবার যোগ্য থাকিবেন না, তবে এই অনুচ্ছেদের (১) দফা-সাপেক্ষে
(ক) কর্মাবসানের পর কোন সভাপতি এক মেয়াদের জন্য পুনর্নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন; এবং
(খ) কর্মাবসানের পর কোন সদস্য (সভাপতি ব্যতীত) এক মেয়াদের জন্য কিংবা কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতিরূপে নিয়োগ-লাভের যোগ্য থাকিবেন।
৫২২.
"Complete Justice" বিষয়টি কোন কর্তৃপক্ষের সাথে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল বিভাগ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১০৪: আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।

Article 104: Issue and execution of processes of Appellate Division-
The Appellate Division shall have power to issue such directions, orders, decrees or writs as may be necessary for doing complete justice in any cause or matter pending before it, including orders for the purpose of securing the attendance of any person or the discovery or production of any document.
৫২৩.
কত সালে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে প্রথম বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) বিধান সংযোজন করা হয় এবং ধারা ৮৯ ক, ৮৯খ,৮৯গ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পূর্বে তা ঐচ্ছিক ছিল কিন্তু ২০১২ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে মধ্যস্থতা (Mediation) বাধ্যতামূলক করা হয়। ধারা ৮৯ক তে 'may' এর পরিবর্তে 'shall' শব্দটি প্রতিস্থাপন করা হয়।
 
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে-
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।
 
মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে। মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
 
মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বইচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপীল বা রিভিশন চলবে না। দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
 
Section: 89A(1)-
Except in a suit under the Artha Rin Adalat Ain, 2003 (Act No. 8 of 2003), after filing of written statement, if all the contesting parties are in attendance in the Court in person or by their respective pleaders, the Court shall, by adjourning the hearing, mediate in order to settle the dispute or disputes in the suit, or refer the dispute or disputes in the suit to the concerned Legal Aid Officer appointed under the Legal Aid Act, 2000 (Act No. 6 of 2000), or to the engaged pleaders of the parties, or to the party or parties, where no pleader or pleaders have been engaged, or to a mediator from the panel as may be prepared by the District Judge under sub-section (10), for undertaking efforts for settlement through mediation.
৫২৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি তথ্য প্রদান করলে, তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. ক এবং খ উভয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৩৯: "তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের গোপনীয়তা":
(১) তদন্তের স্বার্থে কোনো ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারী কোনো তথ্য প্রদান বা প্রকাশ করিলে উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আইনে অভিযোগ দায়ের করা যাইবে না।

(২) এই অধ্যাদেশের অধীন তদন্তের সহিত সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীর তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা করিবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) ও (২) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে অনুরূপ লঙ্ঘন হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৪) উপ-ধারা (১) এর আওতায় তদন্তের স্বার্থে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তের তালিকা উক্ত ব্যক্তি, সত্তা বা সেবা প্রদানকারীকে ষাণ্মাষিক ভিত্তিতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলে জমা প্রদান করিতে হইবে।
৫২৫.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশের নাগরিক হবে
  2. বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে
সঠিক উত্তর:
বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা হলো;

ক) বাংলাদেশের নাগরিক হবে
খ) সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট হিসাবে ১০ বৎসরকাল থাকলে
গ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন (সর্বনিম্ন) দশ বৎসরকাল কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান করে থাকলে; অথবা
ঘ) সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগ লাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকলে' তিনি বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্য হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।
-----------------
⇒ Article 95. Appointment of Judges:
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
৫২৬.
মুসলিম আইনে নিম্নলিখিত কোন শব্দটি দেনমোহর বা Dower কে নির্দেশ করে?
  1. Hiba
  2. Mohr
  3. Farz
  4. Riza
সঠিক উত্তর:
Mohr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mohr
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইনে দেনমোহর হলো অর্থ বা অন্য কোন সম্পত্তি যেটা বিবাহের প্রতিদান হিসাবে স্বামী স্ত্রীকে পরিশোধ করবে বা অর্পণ করবে বলে প্রতিজ্ঞা করে। বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ থাকুক বা না থাকুক দেনমোহর অবশ্যই দিতে হবে।

- মোহরকে দেনমোহর বা মোহরানাও বলা যায়। বিভিন্ন আইনবিদ দেনমোহরের বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- প্রখ্যাত আইনবিদ D.F. Mulla বলেন, "Mohr or dower is a sum of money or other property which the wife is entitled to receive from the husband in consideration of the marriage. "অর্থাৎ মোহর বা মোহরানা হলো কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিবাহের প্রতিদানস্বরূপ স্ত্রী স্বামীর নিকট হতে পাওয়ার অধিকারী।
- Tyabji বলেন, "Mohr or dower is a sum that becomes payable by the husband to the wife on marriage being contracted."

অর্থাৎ মুসলিম আইনে 'Mohr' শব্দটি দেনমোহর বা Dower কে নির্দেশ করে।
৫২৭.
সালিসী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত স্ত্রী থাকাকালীন পুনঃবিবাহ করলে তার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড -
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ধারা ৬ এর বিধান বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবত থাকিতে সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে পারিবে না বা ঐরূপ অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠিত কোন বিবাহ ১৯৭৪ সনের মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রেকরণ) আইন এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হইবে না।
২) ১নং উপধারা অনুযায়ী অনুমতির ও দরখাস্ত নির্ধারিত ফিস-সহ চেয়ারম্যানের নিকট নিদিষ্ট দফতরে দাখিল করিতে হইবে ও উহাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের সম্মতি লওয়া হইয়াছে কিনা উহার উল্লেখ থাকিবে।
৩) ২নং উপধারা অনুযায়ী দরখাস্ত গ্রহণ করিবার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগণের প্রত্যককে একজন করিয়া প্রতিনিধি মনোনীত করিতে বলিবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিসী কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলিয়া মনে করিলে যুক্তিযুক্ত বলিয়া মনে হইতে পারে এমন সকল শর্ত থাকিলে তৎসাপেক্ষে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করিতে পারেন।
৪) দরখাস্তের বিষয় নিস্পত্তি করিবার নিমিত্ত সালিশী কাউন্সিল নিস্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করিবেন। নিদ্দিষ্ট সময় মধ্যে যে কোন পক্ষ নিদ্দিষ্ট ফিস প্রদানক্রমে নিদ্দিষ্ট দফতরে সংশ্লিষ্ট সহকারী জজের নিকট পূর্ণবিবেচনার নিমিত্ত দরখাস্ত দাখিল করিতে পারে; তাঁহার সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হইবে ও কোন আদালতে এই সম্নন্ধে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৫) কোন ব্যক্তি যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত অন্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী অথবা স্ত্রীগনের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষনাৎ পরিশোধ করিতে হইবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হইলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হইবে; এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় প্রকার দন্ডীয় হইবে।
৫২৮.
যদি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতি পালনের সময় উল্লেখ না থাকে, তবে প্রতিশ্রুতি কখন পালন করতে হবে?
  1. আদালতের নির্দেশে
  2. যখন প্রতিশ্রুতিপ্রাপক চায়
  3. যৌক্তিক সময়ের মধ্যে
  4. প্রতিশ্রুতিদাতার ইচ্ছানুযায়ী
সঠিক উত্তর:
যৌক্তিক সময়ের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌক্তিক সময়ের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৬: প্রতিশ্রুতি পালনের সময় - কোনো আবেদন প্রয়োজন নেই এবং সময় নির্ধারিত না থাকলে-
"যেখানে চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিশ্রুতিকারীকে (promisor) প্রতিশ্রুতি পালন করতে হবে প্রতিশ্রুতিপ্রাপক (promisee) কোনো আবেদন না করেও, এবং যদি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতি পালনের নির্দিষ্ট কোনো সময় উল্লেখ না থাকে, তবে প্রতিশ্রুতি একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে (within a reasonable time) সম্পন্ন করতে হবে।"

ব্যাখ্যা: যে সময়টিকে "যৌক্তিক সময়" বলা হবে, তা প্রতিটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হবে।
৫২৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২- এ কত বছরের নিম্নের ব্যক্তিকে 'শিশু' হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১৪)-

“শিশু” অর্থ:
আঠারো (১৮) বছর বয়স পূর্ণ করেনি এমন কোন ব্যক্তি।
৫৩০.
মুসলিম আইনে যদি স্ত্রী স্বামীকে খুলা তালাক দেয়, তাহলে স্ত্রী-
  1. সমস্ত নির্ধারিত দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে।
  2. নির্ধারিত দেনমোহরের অর্ধেক পাওয়ার অধিকারী হবে।
  3. অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হয় না।
  4. যদি দেনমোহর অনির্ধারিত থাকে তাহলে উপযুক্ত দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে।
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হয় না।
ব্যাখ্যা
- খুলা তালাকের ফলাফল (Effect of Khula) :
- অন্য কোনোরূপ চুক্তি না থাকলে খুলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রী মোহরানা পাওয়ার অধিকারী হয় না।
- তবে ইদ্দত পালনকালে স্ত্রী তার গর্ভস্থ সন্তান স্বামীর নিকট হতে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবে।

- খুলা শব্দের ব্যাখ্যা (Explanation of the khula): খুলা শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো পোশাক খুলে ফেলা বা ত্যাগ করা অর্থাৎ স্ত্রীর ওপর হতে কর্তৃত্ব প্রত্যাহার করা। খুলা হলো এক প্রকার তালাক। এ শ্রেণীর তালাক পক্ষদের সম্মতিক্রমে কার্যকরী হয়। খুলা তালাক প্রদানের বিনিময়ে স্বামী-স্ত্রীর ওপর যাবতীয় অধিকার ও কর্তৃত্ব ত্যাগ করে।
- অর্থাৎ যখন কোনো স্ত্রী তাকে নিযুক্ত করে দেওয়ার জন্য তার স্বামীকে কোনো প্রতিদান দেয় বা দিতে সম্মত হয় এবং স্বামী সেই প্রস্তাব গ্রহণ করে তখন এ পদ্ধতির মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে তাকে খুলা বলা হয়।

- খুলা প্রক্রিয়ায় বিবাহ বিচ্ছেদ করতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ্য রাখা দরকার-
(ক) স্ত্রীর পক্ষ হতে প্রস্তাব উত্থাপিত হতে হবে।
(খ) স্বামী কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণের স্বীকৃতি জানাতে হবে অর্থাৎ স্বামী ঐ প্রস্তাব গ্রহণ করবে।

- এ প্রসঙ্গে খুরশীদ বিবি বনাম মোঃ আমিন ১৯৬৭ সালের মামলার রায়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এ মামলায় মহামান্য আদালত বলেন যে, স্ত্রী যদি আদালতকে এ মর্মে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে, তাকে (স্ত্রীকে) তার স্বামীকে তালাক প্রদান করতে না দিলে তাকে জবরদস্তির সাথে বা জোরপূর্বক ঘৃণিত মিলনে বাধ্য করা হবে, তা হলে স্ত্রী তার বৈধ অধিকার প্রয়োগপূর্বক খুলা (Khula) তালাকের অধিকারিণী হবে অর্থাৎ খুলা তালাক দিতে পারবেন।
৫৩১.
Muslim sunni A has two children, B (son) and C (daughter). B dies before A, leaving two sons D and E. C survives A. At the time of succession, how will A’s property be divided?
  1. D gets everything; C gets nothing
  2. B’s portion is forfeited; C gets everything
  3. D and E share B’s portion equally; C gets her share
  4. All property is divided equally among D, E, and C
সঠিক উত্তর:
D and E share B’s portion equally; C gets her share
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D and E share B’s portion equally; C gets her share
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:
A-এর দুই সন্তান আছে, B (ছেলে) এবং C (মেয়ে)। B A-এর আগে মারা যায় এবং B-এর দুই পুত্র সন্তান D ও E বেঁচে থাকে। C A-এর মৃত্যুর সময় বেঁচে থাকে। 

- এক্ষেত্রে, B-এর অংশ D ও E-এর মধ্যে সমান ভাগ হবে এবং C তার নিজস্ব অংশ পাবে।

মুসলিম পরিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৪ অনুযায়ী,
উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার পূর্বে মৃত ব্যক্তির কোন পুত্র বা কন্যার মৃত্যু হলে, উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টিত হওয়ার সময় ঐ পুত্র বা কন্যার সন্তানাদি যদি জীবিত থাকে, তাহলে ঐ মৃত পুত্র বা কন্যা বণ্টনের সময় জীবিত থাকলে সে যে অংশ পেতো, তার সন্তানাদি সমষ্টিগতভাবে অনুরূপ অংশ পাবে। যা 'Doctrine of Representation' নীতি নামে পরিচিত।

Section 4: Succession:
In the event of the death of any son or daughter of the propositus before the opening of succession, the children of such son or daughter, if any, living at the time the succession opens, shall per stirpes receive a share equivalent to the share which such son or daughter, as the case may be, would have received if alive.

৫৩২.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়ম অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান এবং একাধিক ভাই/বোন না থাকলে, মাতা সম্পত্তির ___________ পাবে।
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
• শরীয়া আইন অনুযায়ী মাতা একজন কোরানিক অংশীদার। মৃত ব্যক্তির মাতা ৩ (তিন) ভাবে সম্পদ পাবেন, যথা-

১। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নেরই হউক, থাকলে অথবা যদি পূর্ণ, বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন থাকে তবে মাতা ছয় ভাগের এক ভাগ ( ১/৬) পাবেন।

২। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে এবং যদি একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকে তবে মাতা তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) পাবেন।

৩। যদি মৃত ব্যক্তির কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তানাদি, যত নিম্নের হউক না থাকে অথবা কমপক্ষে দুইজন ভাইবোন না থাকে এবং যদি মৃত ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অংশ দেয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার তিন ভাগের এক ভাগ ( ১/৩) মাতা পাবেন।
৫৩৩.
মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রথম অধিকারী কারা হবেন?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিক
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-

১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ

এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৫৩৪.
"Veritas, a Quocunque Dictur, Deo Est" -এর দ্বারা কী বোঝায়?
  1. By to much altercarion truth is lost.
  2. Truth, by whom so ever pronounced, is from God
  3. The trodden path is the safest
  4. Violence is inimical to the laws
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Truth, by whom so ever pronounced, is from God
ব্যাখ্যা
"Veritas a Quocunque Dictur Deo Est"- এটি একটি Latin term.

Latin word "Veritas" অর্থ হলো Truth এবং "Deo Est" দ্বারা God-কে বোঝায়।
'Veritas a Quocurue Dictur Deo Est' অর্থ Truth, by whom so ever pronounced, is from God.

অর্থাৎ, সত্য কথা যেই বলুক, সেটা ঈশ্বর থেকেই আসে বা ঈশ্বরের প্রতিরূপ সত্য- তা বোঝায়।
৫৩৫.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে অধঃস্তন আদালতের বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংসদের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. আপিল বিভাগের বিচারপতিদের
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
৫৩৬.
The Registration Act, 1908 এর বিধানে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রির শাস্তি-
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক ও খ উভয়েই
  4. ক অথবা খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েই
ব্যাখ্যা

⇒ The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করেন বা এতে সহায়তা করেন, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে: গ) ক ও খ উভয়েই।

⇒ "নিবন্ধন আইন, ১৯০৮" এর ধারা ৮২ - মিথ্যা বিবৃতি দেওয়া, মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ সরবরাহ করা, মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করা এবং তাতে সহায়তা করার জন্য শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক) এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে, এই আইন কার্যকর করার দায়িত্বে নিয়োজিত কোনো অফিসারের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মিথ্যা বিবৃতি দেন, তা শপথের অধীনে হোক বা না হোক, এবং তা লিপিবদ্ধ করা হোক বা না হোক; অথবা
(খ) ১৯ ধারা বা ২১ ধারার অধীনে কোনো কার্যধারায় কোনো নিবন্ধনকারী অফিসারের নিকট ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো দলিলের মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ, অথবা কোনো মানচিত্র বা নকশার মিথ্যা অনুলিপি সরবরাহ করেন; অথবা
(গ) মিথ্যাভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ছদ্মবেশ ধারণ করেন, এবং সেই ধারণকৃত চরিত্রে কোনো দলিল উপস্থাপন করেন, বা কোনো স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি দেন, বা কোনো সমন বা কমিশন জারির কারণ হন, বা এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে অন্য কোনো কাজ করেন; অথবা
(ঘ) এই আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোনো কাজে সহায়তা করেন;
তাহলে তিনি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
---------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 82 - Penalty for making false statements, delivering false copies or translations, false personation, and abetment:

Whoever- 
(a) intentionally makes any false statement, whether on oath or not, and whether it has been recorded or not, before any officer acting in execution of this Act, in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(b) intentionally delivers to a registering officer, in any proceeding under section 19 or section 21, a false copy or translation of a document or a false copy of a map or plan; or 
(c) falsely personates another, and in such assumed character presents any document, or makes any admission or statement, or causes any summons or commission to be issued, or does any other act in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(d) abets anything made punishable by this Act; 
shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both.

৫৩৭.
A, B-এর কাছ থেকে একটি গাড়ি ভাড়া নেন। গাড়িটি অনিরাপদ ছিল এবং B তা জানতেন না। A আহত হন। এই পরিস্থিতিতে কে দায়ী?
  1. 'A' নিজে
  2. 'B'
  3. উভয়ই
  4. কেউ না
সঠিক উত্তর:
'B'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B'
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫০: মালামাল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে জিম্মাদাতার দায়িত্ব-

ত্রুটির বিষয় অবহিতকরণ:
যদি জিম্মাদাতা (Bailor) জানেন যে হস্তান্তরিত পণ্যে এমন কোনো ত্রুটি আছে যা ব্যবহারকে ব্যাহত করে বা জিম্মাদারকে (Bailee) ঝুঁকির মুখে ফেলে, তবে তা তাকে জানানো বাধ্যতামূলক। তিনি যদি তা না জানান, এবং সেই কারণে বেইলির কোনো ক্ষতি হয়, তবে সেই ক্ষতির জন্য বেইলর দায়ী থাকবেন।

ভাড়ায় দেওয়া ক্ষেত্রে (For Hire):
যদি মালামাল ভাড়ায় দেওয়া হয়, তাহলে জিম্মাদাতা সেই ত্রুটির জন্য দায়ী হবেন - এমনকি তিনি যদি ত্রুটির বিষয়ে অবগত না থাকেন তবুও।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A একটি ঘোড়া B-কে ধার দেন, এবং জানেন ঘোড়াটি হিংস্র, কিন্তু বলেন না। ঘোড়াটি ছুটে যায় এবং B পড়ে গিয়ে আহত হন। A দায়ী হবেন।
(খ) A, B-এর কাছ থেকে একটি গাড়ি ভাড়া নেন। গাড়িটি অনিরাপদ, যদিও B তা জানতেন না। A আহত হন। B দায়ী হবেন।
৫৩৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশু ধর্ষণের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, তবে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৫৩৯.
Factum Valet নীতি প্রয়োগের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. সরকারি অনুমোদন
  2. ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন
  3. আদালতের অনুমতি
  4. সামাজিক অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন
ব্যাখ্যা
→ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, আইন বা শাস্ত্রীয় বিধান ভঙ্গ করা হলেও, তা বৈধ হিসেবে গৃহীত হতে পারে যদি সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় বা প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি যথাযথভাবে পালন করা হয়।
- Factum Valet নীতি অনুযায়ী, কিছু আইন বা বিধি যা অনুসরণ করা আবশ্যক বা নির্দেশনারূপে দেওয়া থাকে, সেগুলি যদি অমান্য করা হয়, তবে সেই কাজটি অদ্বিতীয়ভাবে অবৈধ বা বেআইনি বলে গণ্য করা হয় না। এর পরিবর্তে, কাজটি বৈধ হিসেবে গৃহীত হতে পারে, যদি এটি যথাযথ ধর্মীয় বা প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়।

Factum Valet নীতির মূল দৃষ্টিকোণ:
Directory Provision vs. Mandatory Provision: আইনের বিধান দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়—একটি হল নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provisions) এবং অন্যটি হল অবশ্য পালনীয় বিধান (Mandatory provisions)।

নির্দেশাত্মক বিধান: এগুলি আইনের সুপারিশমূলক বিধান, যার অমান্য করলেও কাজটি বৈধ হতে পারে। Factum Valet নীতি এই বিধানেই প্রয়োগ হয়।
অবশ্য পালনীয় বিধান: এগুলি আইনের কঠোর বিধান, যার অমান্য করা হলে কাজটি বেআইনি হিসেবে গণ্য হয় এবং তা আর বৈধ করা যায় না।

ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন: Factum Valet নীতির প্রয়োগের জন্য, কাজটি বিধি অনুযায়ী অদ্বিতীয় হলেও, যদি সেই কাজটি সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানগুলি যথাযথভাবে পালন করা হয়, তাহলে কাজটি বৈধ বলে গণ্য করা হয়।

Factum Valet নীতির শর্ত
এই নীতি প্রয়োগের জন্য কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়:
- প্রয়োজনীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও রীতি পালন করতে হবে।
- কৃতকার্য অবৈধ বা নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয়।
- নির্দেশাত্মক বিধান লঙ্ঘন করে কাজটি করা হলে তা বৈধ হবে, কিন্তু অবশ্য পালনীয় বিধান লঙ্ঘন করলে তা বৈধ হবে না।

Factum Valet নীতির উদাহরণ:
হিন্দু আইনে এই নীতির বেশ কিছু প্রয়োগ দেখা যায়:
বিবাহ সংক্রান্ত:
- হিন্দু ধর্মমতে, অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহ হওয়া উচিত নয়। কিন্তু যদি কোনো বিবাহ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই হয়ে যায়, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হয়।
দত্তক গ্রহণ সংক্রান্ত:
- হিন্দু শাস্ত্রমতে, কোনো ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু যদি কেউ এই বিধান লঙ্ঘন করে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেন, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই দত্তক বৈধ বলে গণ্য হয়।
বহু বিবাহ সংক্রান্ত:
- হিন্দু আইনে একাধিক স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো ব্যক্তি পুনরায় বিবাহ করে, তবে Factum Valet নীতি অনুযায়ী সেই বিবাহ বৈধ বলে গণ্য হয়।
৫৪০.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব কত বছর?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-
 
বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৫৪১.
 A, B-কে তার জমি নিলামে বিক্রির জন্য প্রতিনিধি নিযুক্ত করে এবং একজন নিলামকারী নিয়োগ করতে বলে। B, C-কে নিলামকারী হিসেবে নিয়োগ করে। C-এর অবস্থা কী?
  1. C তৃতীয় পক্ষ
  2. C, A-এর প্রতিনিধি
  3. C উপ-প্রতিনিধি
  4. C স্বাধীন ঠিকাদার
সঠিক উত্তর:
C, A-এর প্রতিনিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C, A-এর প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯৪ খুব স্পষ্টভাবে বলে যে— যখন কোনো এজেন্ট (B) মূল কর্তৃপক্ষ (A) থেকে স্পষ্ট বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (express বা implied authority) পায় যে সে অন্য কাউকে (C) দিয়ে নির্দিষ্ট কাজ করাতে পারবে, তখন সেই ব্যক্তি (C) উপ-প্রতিনিধি (Sub-agent) নয়, বরং সরাসরি মূল কর্তৃপক্ষের (A) প্রতিনিধি (Agent) হয়।

Illustration (a) —
যদি A, B-কে বলে যে— “তুমি আমার জমি নিলামে বিক্রি করবে এবং এজন্য তুমি একজন নিলামকারী নিয়োগ করবে।”
 তখন B, C-কে নিলামকারী নিয়োগ করলে C হয় A-এর প্রতিনিধি।
C কখনোই B-এর অধীনস্থ উপ-প্রতিনিধি নয়।
- তাই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হচ্ছে: খ) C A-এর প্রতিনিধি (উপ-প্রতিনিধি নয়)
--------
⇒ The Contract Act, 1872 section-194. Relation between principal and person duly appointed by agent to act in business of agency:
 Where an agent, holding an express or implied authority to name another person to act for the principal in the business of the agency, has named another person accordingly, such person is not a sub-agent, but an agent of the principal for such part of the business of the agency as is entrusted to him. 

Illustrations
(a) A directs B, his solicitor, to sell his estate by auction, and to employ an auctioneer for the purpose. B names C, an auctioneer, to conduct the sale. C is not a sub-agent, but is A's agent for the conduct of the sale. 
 
(b) A authorizes B, a merchant in Chittagong, to recover the moneys due to A from C & Co. B instructs D, a solicitor, to take legal proceedings against C & Co. for the recovery of the money. D is not a sub-agent, but is solicitor for A.

৫৪২.
রেজিস্ট্রেশন আইনের কোন ধারায় "দালাল (tout)" শব্দটি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২(৮)
  2. ধারা ২(৯)
  3. ধারা ২(১০)
  4. ধারা ২(১১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনে ২(১১) ধারা মতে, দালাল (tout) বলতে নিম্নের ব্যক্তিদেরকে বুঝাবে-
ক) লাইসেন্স (অনুমোদন) ব্যতীত যে ব্যক্তি ধারা ৮০ছ এর অধীনে রেজিস্ট্রেশন অফিসের প্রাঙ্গণে নিয়মিত ভাবে আসা যাওয়া করে এবং তার নিজের কর্মসংস্থান লাভের জন্য যে অন্য কোন ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রেশন কার্যে সাহায্য করে।

খ) যাকে ধারা ৮০ছ এর অধীনে প্রণীত নিয়মাবলি অনুসারে টাউট বা দালাল ঘোষণা করা যায়।

Section 2(11)- “tout' means a person:
(a) who habitually frequents the precincts of a registration office, without a licence granted to him under the rules made under section 80G, for the purpose of obtaining employment for himself or for any other person in connection with any registration business; or

(b) who is declared to be deemed to be a tout for the purposes of this Act by rules made under section 80G;
৫৪৩.
'Right of usufructuary mortgagor to recover possession'- বিধানটি The Transfer of Property Act, 1882 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৬০
  2. ৬০বি
  3. ৬১
  4. ৬২
সঠিক উত্তর:
৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২
ব্যাখ্যা
Section 62- Right of usufructuary mortgagor to recover possession

In the case of a usufructuary mortgage, the mortgagor has a right to recover possession of the property together with the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgage,- 
 
(a) where the mortgagee is authorised to pay himself the mortgage-money from the rents and profits of the property, - when such money is paid; 
 
(b) where the mortgagee is authorised to pay himself from such rents and profits or any part thereof a part only of the mortgage-money – when the term, if any, prescribed for the payment of the mortgage-money has expired and the mortgagor pays or tenders to the mortgagee the mortgage-money or the balance thereof or deposits it in Court as hereinafter provided.
৫৪৪.
মুসলিম আইনে বিবাহের পর কে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারে?
  1. স্ত্রী
  2. স্বামী
  3. স্ত্রীর আইনগত অভিভাবক
  4. স্বামীর আইনগত অভিভাবক
সঠিক উত্তর:
স্বামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বোচ্চ কোনো সীমা নেই। সাধারণ দুপক্ষের ইচ্ছার উপর তা নির্ভর করে। সর্বোচ্চ সীমা না থাকলেও হানাফী ও মালিকী আইনে দেনমোহরের পরিমাণের সর্বনিম্ন সীমা দেয়া আছে।

-হানাফী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ১০ দিরহাম।
-মালিকী আইন মতে সর্বনিম্ন দেনমোহরের পরিমাণ ৩ দিরহাম।

-মুসলিম আইনে স্বামী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
-মুসলিম আইনে স্ত্রী ইচ্ছা করলে দেনমোহরের পরিমাণ কমাতে পারেন।

৫৪৫.
ভূমি জরিপের সময় কোন আইনের বিধি ৩০ এর আলোকে আপত্তি দেওয়া যায়?
  1. The State Acquisition Rules, 1951
  2. The State Acqusition (Bond) Rules, 1957
  3. The State Acqusition and Tenancy Act, 1950
  4. The Tenancy Rules, 1955
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Tenancy Rules, 1955
ব্যাখ্যা
The Tenancy Rules, 1955 - এর ৩০ বিধি অনুসারে ভূমি জরিপের সময় আপত্তি দেয়া যায়। এই বিধির মাধ্যমে ভূমির মালিক ৩০(১) (g) অনুসারে আবেদন করতে পারে এবং যে কোনো সময় তার আপত্তিগুলো তুলে ধরতে পারে। Security of tenure under section 5 মতে দেশের আদালত তার সিদ্ধান্ত প্রদান করবে।

প্রজাস্বত্ত বিধি অনুযায়ী জরিপ শেষ হওয়ার পর ভূমি রেকর্ডের খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর জমির মালিকদের বা তাদের প্রতিনিধিদের পর্যবেক্ষণের জন্য ৩০ কার্য দিবস খোলা রাখা হয় ৷ এই খসড়া রেকর্ডে যদি কোন ভুল ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে ৩০ ধারা মোতাবেক আপত্তি দাখিল করতে হবে, যাকে লোক মুখে Dispute বলে ৷ ৩০ ধারায় আপত্তি দাখিলের পর উক্ত আপত্তি বা Dispute মামলার রায় যার বিপক্ষে যাবে সে ব্যক্তি প্রয়োজন মনে করলে উক্ত রায়ের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী আপিল দায়ের করতে পারবেন ৷এক্ষেত্রে আপিল দায়েরকারীকে তার দাবীর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষী আদালতে হাজির করতে হবে ৷
৫৪৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুসারে অপরাধের তদন্ত করতে পারেন সর্বনিম্ন কোন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা?
  1. সহকারী উপ-পরিদর্শক
  2. উপ-পরিদর্শক
  3. পরিদর্শক (তদন্ত)
  4. সহকারী পুলিশ সুপার
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-পরিদর্শক
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৯ ধারার বিধান- তদন্ত:
(১) পুলিশের নিকট এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনের সংবাদ আসিলে বা ট্রাইব্যুনাল কোন অপরাধের তদন্তের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট থানার উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই আইনের অধীন তদন্তকার্য সম্পাদন করিবেন। 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইতে পারে এমন ক্ষেত্রে পুলিশ অপরাধ সংঘটনের এজাহার (first information report) দাখিলের পূর্বে প্রতিরোধমূলক অনুসন্ধান (proactive inquiry) পরিচালনা করিতে পারিবেন। 
(৩) ধারা ২০ এর বিধান সাপেক্ষে, উপ-ধারা (১) এর অধীন মামলা দায়েরের বা ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির অনধিক ৯০ (নববই) কার্যদিবসের মধ্যে এই ধারার অধীন তদন্ত সম্পন্ন করিতে হইবে। 
(৪) উপ-ধারা (৩) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন না হইলে, তদন্ত কর্মকর্তা উক্ত সময়সীমা শেষ হইবার অন্তত তিন কার্যদিবস পূর্বে তাহার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ট্রাইব্যুনাল হইতে তদন্তের নির্দেশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে, ট্রাইব্যুনালের নিকট সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য লিখিতভাবে আবেদন করিবেন অথবা উক্ত নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা অথবা, ক্ষেত্রমত, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত সম্পাদনে ব্যর্থতার জন্য প্রদর্শিত কারণে সন্তুষ্ট হইলে তদন্তের সময়সীমা অতিরিক্ত ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবস বৃদ্ধি করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, আন্তঃরাষ্ট্রীয় তদন্তের ক্ষেত্রে কেবল ট্রাইব্যুনাল এই ধরনের তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিতে পারিবে এবং উক্ত ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল তাহার স্বীয় বিবেচনায় যৌক্তিক মেয়াদে তদন্তের সময়সীমা বৃদ্ধি করিবে। 
(৫) এই আইনের অধীন কোন আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে বিদেশী সাক্ষ্য-প্রমাণ নিরীক্ষণ করিবার জন্য বিদেশ গমনের আবশ্যকতা দেখা দিলে, ট্রাইব্যুনালের অনুমতিক্রমে, তদকর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তদন্তকার্য সম্পন্ন করিবার উদ্দেশ্যে পুলিশ কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করিবে এবং উক্ত তদন্ত দলকে যথাসম্ভব প্রশাসনিক এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করিবে। 
(৬) এই আইনের অধীন পুলিশের তদন্ত, নিরাপত্তা বিধান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম ও দায়িত্বসমূহের সমন্বয় এবং তদারক করিবার উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করিবে।
৫৪৭.
'ক' তার ৮ বছরের ছেলেকে একটি রিভলবার দিয়ে বলে তার বন্ধু 'খ' কে দিয়ে আসতে। উক্ত কাজের জন্য 'ক' কোন ধরনের শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  2. অনধিক ১ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা
  3. অনধিক ৫ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
  4. অনধিক ৭ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৪৮.
একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে কোনটি প্রয়োজন?
  1. সুপ্রাচীন
  2. যুক্তিসঙ্গত
  3. নৈতিকতা বিরোধী নয়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

• প্রথা (Customs):
ইহা এমন একটি নিয়ম বা রীতি যাহা একটি বিশেষ পরিবারে অথবা শ্রেণীতে অথবা অঞ্চলবিশেষে বহুকাল প্রচলিত হইবার দরুন আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। স্মৃতি এবং প্রথার মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হলে আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা স্মৃতির চেয়েও শক্তিশালী; হিন্দু আইনের এই নীতিগত প্রশ্নটির মীমাংসা হয় কালেক্টার, মাদুরা বনাম মুট্টুরামলিঙ্গ মামলায় প্রিভি কাউন্সিলে (12 Μ.Ι. Α. 379) তাহাতে বলা হয়- "Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law" অর্থাৎ আইনত প্রতিষ্ঠিত প্রথা হিন্দু ধর্মশাস্ত্র অনুযায়ী লিখিত বিধান হইতেও অধিক শক্তিশালী।

• একটি প্রথাকে আইনের মর্যাদা পেতে হলে, তার মধ্যে নিম্নলিখিত উপাদানগুলি অবশ্যই থাকতে হবে-

(ক) প্রথাটি অবশ্যই সুপ্রাচীন, সুনিশ্চিত, যুক্তিযুক্ত এবং সুপ্রমাণিত হতে হবে।

(খ) ইহা নৈতিকতা বিরোধী অথবা সাধারণ নিয়মের (opposed to public policy) পরিপন্থী হলে চলবে না।

(গ) ইহা আইনসভা কর্তৃক কোন আইন দ্বারা নিষিদ্ধ ঘোষিত হইলে চলবে না। যেমন একসময়ে হিন্দুদের মধ্যে সতীদাহ প্রথা চালু ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে লর্ড বেন্টিংকের সময় রাজা রামমোহন রায় প্রমুখ মহানুভব ব্যক্তিদের উদ্যোগে আইনসভা কর্তৃক উহা নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।

(ঘ) প্রথাটিকে অবশ্য স্মরণাতীত কাল হইতে আরম্ভ হইয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু থাকতে হবে।

৫৪৯.
কোনো জেলায় পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত কোন আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ৪- পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
৫৫০.
ধারাবাহিক জামানত প্রত্যাহার করার ক্ষেত্রে কী করতে হবে?
  1. ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
  2. আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. ঋণগ্রহীতাকে জানাতে হবে
  4. ঋণদাতাকে মৌখিকভাবে জানালেই যথেষ্ট
সঠিক উত্তর:
ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণদাতাকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩০: ধারাবাহিক জামানতের প্রত্যাহার (Revocation of Continuing Guarantee)-
একটি ধারাবাহিক জামানত (continuing guarantee) যেকোনো সময় জামিনদাতা কর্তৃক ভবিষ্যতের লেনদেনগুলোর জন্য বাতিল (revoke) করা যেতে পারে, তবে এর জন্য ঋণদাতাকে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B-এর অনুরোধে C-এর জন্য বিল ডিসকাউন্ট করার জামানত দেয় ১২ মাসের জন্য, সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। B, C-এর জন্য ২,০০০ টাকা পর্যন্ত বিল ডিসকাউন্ট করে।
৩ মাস পর A জামানত বাতিল করে। A, এরপর আর কোনো ডিসকাউন্টের দায়ে বাধ্য নয়, তবে C যদি ২,০০০ টাকা ফেরত না দেয়, তবে সেই জন্য A দায়ী থাকবে।

(খ) A জামানত দেয় যে C, B-এর সব বিলের অর্থ পরিশোধ করবে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। B একটি বিল ড্র করে, C তা গ্রহণ করে। এরপর A জামানত প্রত্যাহার করে। C বিলটি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। A এই বিলটির জন্য দায়ী থাকবেন, কারণ এটি তার প্রত্যাহারের আগে গৃহীত হয়েছিল।
৫৫১.
দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকার ডিক্রির জন্য পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাবে না?
  1. ১০ হাজার টাকা
  2. ২৫ হাজার টাকা
  3. ৫০ হাজার টাকা
  4. ১ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৯: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি:
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-

(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং

(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।

(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।

(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।

(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।

(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

৫৫২.
অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ধারা ২২(৬) অনুযায়ী, আদালতের মধ্যস্থতার আদেশের কত দিনের মধ্যে পক্ষগণকে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ধারা ২২(৬) অনুসারে, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার আদেশের ১০ (দশ) দিবসের মধ্যে পক্ষগণকে লিখিতভাবে মধ্যস্থতাকারীর নাম আদালতকে অবহিত করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে পক্ষগণ মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত নিজে একজন মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করবে।

৫৫৩.
নিচের কোনটি একটি বৈধ চুক্তির উপাদান নয়?
  1. বৈধ উদ্দেশ্য
  2. পক্ষসমূহের সম্মতি
  3. তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
  4. পক্ষসমূহের আইনগত সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় পক্ষের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) তৃতীয় পক্ষের অনুমতি।

Contract Act, 1872, ধারা ১০- যে সকল সম্মতি চুক্তি:
সকল সম্মতি চুক্তি হইবে যদি উহারা চুক্তি করিবার যোগ্য পক্ষগণের স্বাধীন সম্মতিতে, আইনানুগ প্রতিদানের বিনিময়ে ও আইনানুগ উদ্দেশ্যে সৃষ্টি হয়, এবং এতদ্দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বাতিল বলিয়া ঘোষিত না হয়।

এই বিধানের কোনো কিছুই বাংলাদেশে বলবৎ, এবং এতদ্দ্বারা সুস্পষ্টভাবে বাতিল করা না হইলে, এইরূপ কোনো আইনকে, যাহা দ্বারা কোনো চুক্তি লিখিতভাবে বা সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে করিতে হয়, অথবা দলিল নিবন্ধন সম্পর্কিত কোনো আইনকে, প্রভাবিত করিবে না।

মূল উপাদানসমূহ (Elements of Valid Contract):
সম্মতি তখনই চুক্তিপত্র (contract) হিসেবে কার্যকর হয় যদি:
- পক্ষসমূহের মুক্ত সম্মতি থাকে (Free consent);
- পক্ষরা আইনের দৃষ্টিতে সক্ষম হয় (Competent to contract);
- বৈধ প্রতিদান থাকে (Lawful consideration);
- বৈধ উদ্দেশ্য থাকে (Lawful object);
- আইনে বাতিল না থাকে (Not declared void)।

→ তৃতীয় পক্ষের অনুমতি চুক্তিপত্র বৈধ হওয়ার জন্য আবশ্যক নয়, যদি না সেই তৃতীয় পক্ষ চুক্তির অংশীদার হয়।
৫৫৪.
'Reversioner' বলতে কী বোঝায়?
  1. মাথাপিছু উত্তরাধিকারী
  2. ভাবী উত্তরাধিকারী
  3. পূর্ববর্তী উত্তরাধিকারী
  4. অংশপিছু উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
 
উত্তরাধিকারীদের অধিকারের স্বাভাবিকভাবে পুত্রই পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র একাধিক হলে তারা সকলে মিলে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার পায়। যে পুত্র মৃত তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র উত্তরাধিকার পায়। পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র যেহেতু সমভাবে পিন্ড দেবার অধিকারী তাই তারা উত্তরাধিকারী হয়। কিন্তু পুত্র জীবিত থাকলে তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র পিন্ড দিতে পারেনা। এবং সে কারণে পুত্রের জীবমানে পৌত্র উত্তরাধিকার পায়না। প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে ও একই কথা।
 
• বিধবাদের কথা বলা যায় যে, আগে পুত্র, পৌত্র প্রভৃতি থাকলে বিধবা আর কোন উত্তরাধিকার পেত না। বর্তমানে অর্থাত্‍‍ ১৯৩৭ সনের সম্পত্তির উপর হিন্দু নারীর অধিকার আইন পাস হবার পর বিধবাবৃন্দ জীবন স্বত্ব উত্তরাধিকার পায়। 

উত্তরাধিকার সূত্রে পুরুষ যে সম্পত্তি পায় তাতে সে সম্পূর্ণ মালিকানা অর্জন করে। কিন্তু মহিলা শুধু জীবন স্বত্ব পায়। এদের মৃত্যূর পর যার সম্পত্তি তারা পেয়েছিল তার নিকটবর্তী সপিন্ডদের নিকট চলে যায়। এ সকল নিকটবর্তী সপিন্ডদের ভাবী উত্তরাধিকারী (Reversioner) বলা হয়।
৫৫৫.
যুদ্ধের কারণে কোন চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়া- কোন Doctrine কে নির্দেশ করে? 
  1. Doctrine of election
  2. Doctrine of Lispendens
  3. Doctrine of frustration
  4. Doctrine of priority
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrime of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration) : বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৫৫৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ২১ অনুসারে, কীসের ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে?
  1. বাজারদর অনুযায়ী
  2. জমির মালিকের দাবির ভিত্তিতে
  3. রাজস্ব কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত হারে
সঠিক উত্তর:
আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত হারে
ব্যাখ্যা
ধারা ২১: দখলে রাখা জমির ভাড়া পরিশোধ:
যেসব জমি ধারা ২০ অনুসারে কোনো ভাড়াগ্রহীতা, চাষি রায়ত, চাষি অধিরায়ত বা অকৃষি প্রজা তাদের দখলে রাখেন, সেইসব জমি তাদের কাছে থাকবে এই শর্তে যে, তারা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া প্রদান করবেন।

[All lands, of which a rent-receiver, a cultivating raiyat, a cultivating under-raiyat or a non-agricultural tenant retains possession under section 20, shall be held on payment of such fair and equitable rent as may be determined under the provisions of this Act.]
৫৫৭.
নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  4. উল্লিখিত সকল বিধান
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ

(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

Article 33: Safeguards as to arrest and detention

(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  

(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
৫৫৮.
The Arms Act,1878 এর 19A ধারার অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি-
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা- ১৯ক: বিশেষ কতকগুলি অস্ত্রের ব্যাপারে ৬,১৩, ১৪ ও ১৫ ধারা ভঙ্গের জন্য

১৯ ধারায় কোনো কিছু থাকা সত্ত্বেও যে কেউ ১৯ ধারায় ক, গ, ঙ অথবা চ দফায় কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে, অপরাধ যদি পিস্তল, রিভলবার, রাইফেল, শর্টগান বা অন্য আগ্নেয়াস্ত্র সম্পর্কিত হয়, সে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্য কোনো কঠোর কারাদণ্ডে, যাহার মেয়াদ দশ বছরের কম হইবে না, দণ্ডিত হইবে ।
৫৫৯.
"Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law"- This statement was made in this case -
  1. Krishnayya v. Narayana, (1909)
  2. Lata Singh v. State of Uttar Pradesh, (2006)
  3. Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
  4. Danial Latifi and another v. Union of India (2001)
সঠিক উত্তর:
Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
ব্যাখ্যা

• Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga Sathupathi, 12 MIA 397 (1868):

ঘটনা (Facts):
রামনাদ জমিদারের (Zamindar) কোনও বৈধ উত্তরাধিকারী না থাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সম্পত্তি তার স্ত্রী রানি পার্বতীবার্ধিনী-এর নামে চলে আসে। রানি পার্বতীবার্ধিনী তার স্বামীর সপিন্ডদের সম্মতি নিয়ে একটি ছেলে দত্তক গ্রহণ করেন। তবে স্বামীর অনুমতি ছিল না। মাদুরা কালেক্টর জমিদারের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, জমিদারকে কোনও বৈধ উত্তরাধিকারী নেই। ব্রিটিশ আইনের অধীনে, যদি কোনও জমিদার উত্তরাধিকারী ছাড়া মারা যায়, তার স্ত্রী মৃত্যুর পর জমিদারী সরকার দখল করবে। এটি “Doctrine of Lapse” নামে পরিচিত। রানি পার্বতীবার্ধিনীর মৃত্যুর পর, দত্তক ছেলে নিজের অধিকার দাবি করে এবং দত্তকের বৈধতা ঘোষণা করার জন্য মামলা করেন।

মূল সমস্যা (Issues):
একজন বিধবা কি স্বামীর অনুমতি ছাড়াই, শুধুমাত্র সপিন্ডদের সম্মতিতে দত্তক গ্রহণ করতে পারে কি না?

প্রিভি কাউন্সিল (Privy Council)-এর রায়:
- আদালত বিভিন্ন হিন্দু আইন, ঐতিহাসিক সূত্র এবং প্রথার আলোকে বিষয়টি বিবেচনা করেন।
- হিন্দু আইনে প্রথা (Custom) একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- আদালত উল্লেখ করেন “হিন্দু আইনের অধীনে, স্পষ্ট প্রমাণিত প্রথা হিন্দু আইনের লিখিত ধারা বা স্মৃতি থেকে অধিক প্রাধান্য পায়।”

৫৬০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ সম্পর্কিত বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এ এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (extraterritorial application) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫-এই আইনের অতিরাষ্ট্রিক (extraterritorial) প্রয়োগ:
(১) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে অথবা বাংলাদেশের কোন জাহাজ বা বিমানে কোন ব্যক্তি বাংলাদেশী কোন নাগরিকের বিরুদ্ধে এই আইনের আওতাধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করিলে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে। 
(২) যদি কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের বাহির হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তর হইতে বাংলাদেশের বাহিরে এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটন করে তাহা হইলে উক্ত অপরাধ ও তাহা সংঘটনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বাংলাদেশে সংঘটিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত ব্যক্তি ও অপরাধের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধানাবলী কার্যকর হইবে।

৫৬১.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী কে সকল দেওয়ানি আদালতের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন?
  1. আইন সচিব
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ ৯ ধারা অনুযায়ী, স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
  
⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.
৫৬২.
যদি কোনো আইন প্রণীত হওয়ার তারিখে কার্যকর হওয়ার দিন উল্লেখ না থাকে, তবে আইনটি কখন কার্যকর হবে?
  1. আইন পাশ হওয়ার দিন
  2. গেজেটে প্রকাশের দিন
  3. পরবর্তী অর্থবছরের শুরুতে
  4. রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের দিন
সঠিক উত্তর:
গেজেটে প্রকাশের দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেজেটে প্রকাশের দিন
ব্যাখ্যা

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৫(১) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: যদি কোনো আইন (Act of Parliament)-এ কার্যকর হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকে, তাহলে আইনটি কার্যকর হবে, রাষ্ট্রপতির সম্মতি (assent) পাওয়ার পর যে দিনে অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশিত হয়, সেই দিন থেকে।

⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ধারা ৫(১) অনুসারে, যদি কোনো আইন প্রণীত হওয়ার তারিখে কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট দিন উল্লেখ না থাকে, তবে: বাংলাদেশে প্রণীত আইন সাধারণত গেজেটে প্রকাশের দিন থেকে কার্যকর হয়।
ধারা ৫(৩) অনুযায়ী, আইনটি কার্যকর হওয়ার দিনের আগের দিনের শেষ মুহূর্ত (মধ্যরাত) থেকে কার্যকর বলে গণ্য হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) গেজেটে প্রকাশের দিন।

⇒ The General Clauses Act, 1897, Section-5. Coming into operation of enactments:
(1) Where any Act of Parliament is not expressed to come into operation on any particular day, then it shall come into operation,
(a) in the case of an Act of Parliament to which this Act was applicable before the 26th day of March, 1971, on the date on which it receives the assent; and 
(b) in the case of any other Act of Parliament, the day on which the assent is first published in the official Gazette;
(3) Unless the contrary is expressed, an Act of Parliament or Regulation shall be construed as coming into operation immediately on the expiration of the day preceding its commencement.

৫৬৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯(২) অনুযায়ী, কোন কারণে বৈষম্য করা যাবে না?
  1. ধর্ম
  2. বর্ণ
  3. জন্মস্থান
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৯- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা:
​(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

​​(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

​​(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
​(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
​(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

৫৬৪.
চুক্তি আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল?
  1. ২৯ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩০ক ধারায়
  4. ৩০খ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ৩০ ধারার বিধান বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল:
- বাজি সম্পর্কিত সম্মতি বাতিল এবং
- বাজিতে জেতা হয়েছে এমন কিছু উদ্ধার করার জন্য অথবা কোন খেলা বা অনিশ্চিত ঘটনা যার উপর বাজি ধরা হয়েছে তার ফলাফল আনার উদ্দেশ্যে কারো কাছে গচ্ছিত কোন জিনিস আদায় করার জন্য কোন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।

- ঘোড় দৌড়ের নির্দিষ্ট পুরস্কারের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম- এ ধারা অনুসারে কোন ঘোড় দৌড়ে জয়লাভকারী বা জয়লাভকারীগণকে পুরস্কার হিসাবে ৫০০ টাকা বা তার বেশি কোন মূল্যের কোন প্লেট, পুরস্কার বা কোন অর্থ, চাঁদা বা কোন কিছু দান করার সম্মতি দেয়া হলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না।

- দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারা প্রভাবিত হবে না: এ ধারার কোন কিছু ঘোড় দৌড় সম্পর্কিত যে লেনদেনের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ২৯৪ক ধারার বিধানাবলি প্রয়োগযোগ্য সে সকল লেনদেনকে বৈধতা প্রদান করেছে বলে গণ্য হবে না।
-----
Sction 30. Agreements by way of wager void Exceptions in favour of certain prizes for horse-racing. Section 294A of the Penal Code not affected:
 Agreements by way of wager are void; and no suit shall be brought for recovering anything alleged to be own on any wager, or entrusted to any person to abide the result of any game or other uncertain event on which wager is made. 

This section shall not be deemed to render unlawful a subscription, or contribution, or agreement to subscribe or contribute, made or entered into for or toward any plate, prize or sum of money, of the value or amount of five hundred Taka or upwards, to be awarded to the winner or winners of any horse race. 

Nothing in this section shall be deemed to legalize any transaction connected with horse-racing, to which the provisions of section 294A of the Penal Code apply.
৫৬৫.
নাবালকের ব্যক্তিগত অভিভাবককে কী বলা হয়?
  1. কাসিম
  2. ওয়ালি
  3. মুফতী
  4. মুতাওয়াল্লি
সঠিক উত্তর:
ওয়ালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ালি
ব্যাখ্যা
নাবালকের ব্যক্তিগত অভিভাবক (Guardian of a Minor)
ইসলামী শরিয়তে, নাবালক (অর্থাৎ, যে শিশু বা কিশোর আইনগতভাবে পূর্ণবয়সে পৌঁছায়নি) তার নিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম নয় এবং তার ব্যক্তিগত এবং সম্পত্তি সম্পর্কিত বিষয়গুলোর দেখভাল করতে অভিভাবক প্রয়োজন। এই অভিভাবককে "ওয়ালি" বলা হয়।

ওয়ালি (Guardian) - এর ভূমিকা:
ওয়ালি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি নাবালকের বা অনাবালকের শারীরিক, মানসিক ও আইনি স্বার্থ রক্ষার জন্য দায়িত্বশীল। ওয়ালি সেই ব্যক্তি, যিনি নাবালক বা মেয়ে বা ছেলের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং তার পক্ষ থেকে আইনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। সাধারণত, ওয়ালি হিসেবে প্রথমে বাবা বা পরিবারের পুরুষ সদস্যরা নিয়োগ পায়, যদি না তারা জীবিত না থাকেন। এরপর তার পরবর্তী অভিভাবক হিসেবে একজন পুরুষ বা মহিলাকে নিয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে নাবালক বা নাবালিকার স্বার্থ সুরক্ষিত হয়।

ওয়ালি হওয়ার শর্ত:
বয়স ও পরিপক্কতা: ওয়ালি হতে হলে অভিভাবকের অবশ্যই শারীরিক ও মানসিকভাবে পরিপক্ব হতে হবে।
বিশ্বাসযোগ্যতা ও নৈতিকতা: অভিভাবককে সৎ, যোগ্য এবং আইনের প্রতি আনুগত্যশীল হতে হবে।
পরিবারের অভিভাবক: প্রাথমিকভাবে, নাবালকের বাবা বা তার পরিবারের পুরুষ সদস্য ওয়ালি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে, যদি বাবা না থাকেন, তাহলে মায়ের পক্ষ থেকেও অভিভাবক মনোনীত হতে পারেন।

অন্যদিকে,
- কাসিম শব্দের অর্থ হল "ভাগকারী" বা "বিভাগকারী"। ইসলামী আইন বা শরিয়তে এটি সাধারণত "বিতরণকারী" বা "বংশের ভাগ" বুঝানোর জন্য ব্যবহার হয়
- মুতাওয়াল্লি হলো একজন ব্যক্তি, যিনি ইসলামী দান বা ওয়াকফ (Waqf) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন।
- মুফতী হলো একজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি, যিনি ইসলামী আইন বা শরিয়তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন এবং মুসলিমদের জিজ্ঞাসা বা প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন। 
৫৬৬.
শিশু আদালত মোট কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে?
  1. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  2. ১২০ দিনের মধ্যে
  3. ৪২০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৪২০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

অর্থাৎ শিশু আদালত মোট ৪২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
৫৬৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান-
  1. Money Bills
  2. Recommendation for financial measures
  3. No taxation except by or under Act of Parliament
  4. Regulation of Public moneys
সঠিক উত্তর:
No taxation except by or under Act of Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No taxation except by or under Act of Parliament
ব্যাখ্যা
⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:
 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.
-----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৩ বিধান সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা: 
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।
৫৬৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে ঘটিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে-
  1. প্রতি এক মাসে কমপক্ষে একটি
  2. প্রতি দুই মাসে কমপক্ষে একটি
  3. প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
  4. প্রতি ছয় মাসে কমপক্ষে একটি
সঠিক উত্তর:
প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি তিন মাসে কমপক্ষে একটি
ব্যাখ্যা
৮ ধারার বিধান: বোর্ডের সভা
 (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেতেগ, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷ 
(২) বোর্ডের সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে তত্কর্তৃক নির্দেশিত কোন সদস্য বা এইরূপ কোন নির্দেশ না থাকিলে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের দ্বারা নির্বাচিত অন্য কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷ 
(৪) বোর্ডের সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার তেগত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷ 
(৫) বোর্ডের প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে এবং ভোটের সমতার তেগত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের তগমতা থাকিবে৷ 
(৬) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রম্্নটি থাকার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্নও উত্থাপন করা যাইবে না৷
৫৬৯.
যে রেহেনে দাতা সম্পত্তির দখল রেহেনগ্রহীতাকে প্রদান করে এবং ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেই দখল বজায় রাখে, তাকে কী বলা হয়?
  1. ইংলিশ রেহেন
  2. খাই খালাসী রেহেন
  3. দলিল জমা দেওয়ার রেহেন
  4. শর্তাধীন বিক্রয়ের রেহেন
সঠিক উত্তর:
খাই খালাসী রেহেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাই খালাসী রেহেন
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন :
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন :
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন :
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন :
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন :
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে।
৫৭০.
বন্ধকের মেয়াদে ভূমি হতে চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদিত শস্য হতে বন্ধকী ঋণ পরিশোধ বলে গণ্য হবে এমন বন্ধক কি নামে পরিচিত?
  1. সাধারণ বন্ধক।
  2. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক।
  3. নাম বিহীন বন্ধক।
  4. দলিল জমা রাখা বন্ধক।
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক।
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ২(৬) ধারার বিধান "সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;
--------------
Section 2(6) “complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৫৭১.
মাসদার হোসেন মামলার Author Judge কে ছিলেন?
  1. Mustafa Kamal J
  2. Latifur Rahman J
  3. Mahmudul Amin Choudhury J
  4. Bimalendu Bikash Roy Choudhury J
সঠিক উত্তর:
Mustafa Kamal J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mustafa Kamal J
ব্যাখ্যা
• বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
৫৭২.
বাংলাদেশে বলবৎ কোনো আইনের বিষয়ে ভুলের কারণে যে কোনো চুক্তি-
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. বাতিল
  4. বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
Contract Act, 1872- ধারা ২১: আইনের বিষয়ে ভ্রান্তির প্রভাব:
বাংলাদেশে বলবৎ কোনো আইনের বিষয়ে ভুলের কারণে কোনো চুক্তি বাতিলযোগ্য নয়; তবে বাংলাদেশের বাইরে বলবৎ আইনের বিষয়ে ভুল থাকলে, তা বাস্তব বিষয়ের ভুলের মতোই গণ্য হবে।”

উদাহরণ (Illustration):
A এবং B একটি চুক্তি করে এই ভুল বিশ্বাসে যে, একটি নির্দিষ্ট ঋণ ‘বাংলাদেশের দায় সীমাবদ্ধতা আইন (Law of Limitation)’ অনুসারে সময়োত্তীর্ণ হয়েছে। এই ভুলের ভিত্তিতে করা চুক্তিটি বাতিলযোগ্য নয়।
৫৭৩.
সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধে অন্যূন কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৫০ হাজার টাকা
  2. ১ লক্ষ টাকা
  3. ২ লক্ষ টাকা
  4. ৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্ত্তগত বা অবস্ত্তগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৭৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী কোন ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না?
  1. ব্যবহারী স্বত্ব
  2. মামলা করার অধিকার
  3. সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী নিম্নের সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না :

(ক) উত্তরাধিকার বা অসিয়ত অনুসারে সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা হস্তান্তর করা যায় না,
(খ) শর্ত লংঘন হলে উক্ত সম্পত্তি প্রকৃত মালিক ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করা যায় না,
(গ) ব্যবহারী স্বত্ব হস্তান্তর করা যায় না,
(ঘ) ভােগ-দখলের অধিকার হস্তান্তর করা যায় না,
(ঙ) ভবিষ্যত ভরণ-পােষণ হস্তান্তর করা যায় না,
(চ) মামলা করার অধিকার হস্তান্তর করা যায় না,
(ছ) সরকারী পদ-পদবী বা বেতন হস্তান্তর করা যায় না,
(জ) বৃত্তি ও পেনশন হস্তান্তর করা যায় না,
(ঝ) প্রকৃতিবিরােধী স্বত্ব বা বেআইনী উদ্দেশ্যে প্রদত্ত স্বত্ব বা আইনত গ্রাহক হতে অক্ষম ব্যক্তিকে কোন কিছু হস্তান্তর করা যায় না,
(ঞ) ভূসম্পত্তির ইজারাদার তাদের স্বার্থ হস্তান্তর করতে পারে না।

Section 6: What may be transferred
Property of any kind may be transferred, except as otherwise provided by this Act or by any other law for the time being in force. 
 
(a) The chance of an heir-apparent succeeding to an estate, the chance of a relation obtaining a legacy on the death of a kinsman, or any other mere possibility of a like nature, cannot be transferred. 
(b) A mere right of re-entry for breach of a condition subsequent cannot be transferred to any one except the owner of the property affected thereby. 
(c) An easement cannot be transferred apart from the dominant heritage. 
(d) An interest in property restricted in its enjoyment to the owner personally cannot be transferred by him. 
(dd) A right to future maintenance, in whatsoever manner arising, secured or determined, cannot be transferred. 
(e) A mere right to sue cannot be transferred. 
(f) A public office cannot be transferred, nor can the salary of a public officer, whether before or after it has become payable. 
(g) Stipends allowed to military, naval, air-force and civil pensioners of the Government and political pensions cannot be transferred. 
 
(h) No transfer can be made (1) in so far as it is opposed to the nature of the interest affected thereby, or (2) for an unlawful object or consideration within the meaning of section 23 of the Contract Act, 1872, or (3) to a person legally disqualified to be transferee. 
 
(i) Nothing in this section shall be deemed to authorise a tenant having an untrasnferable right of occupancy, the farmer of an estate in respect of which default has been made in paying revenue or the lessee of an estate under the management of a Court of Wards, to assign his interest as such tenant, farmer or lessee.
৫৭৫.
'Contract for sale' এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে-
  1. দায় সৃষ্টি হয়
  2. স্বত্ব সৃষ্টি হয়
  3. ক ও খ উভয় সৃষ্টি হয়
  4. ক ও খ কোনোটিই সৃষ্টি হয় না
সঠিক উত্তর:
ক ও খ কোনোটিই সৃষ্টি হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ কোনোটিই সৃষ্টি হয় না
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- বিক্রয়ের চুক্তি:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।
 
Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
৫৭৬.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তি উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে?
  1. বৈধ সন্তান
  2. জারজ সন্তান
  3. নাবালক সন্তান
  4. তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান
সঠিক উত্তর:
জারজ সন্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারজ সন্তান
ব্যাখ্যা

⇒ যারা উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবে:
(১) কোনো মুসলিম কোনো অমুসলিমের ওয়ারিশ হবে না এবং কোনো অমুসলিম কোনো মুসলিমের ওয়ারিশ হবে না।
(২) হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির ওয়ারিশ হবে না। (এ বিধির উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়, কেউ তাড়াতাড়ি উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য যেন কাউকে হত্যা করতে উদ্যত না হয় সেজন্যই এ বিধি প্রণীত হয়েছে।) 
(৩) জারজ সন্তান ওয়ারিশ হবে না।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, জারজ সন্তান (অর্থাৎ, যিনি অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছেন) উত্তরাধিকার লাভের অধিকারী হবেন না। মুসলিম আইন অনুসারে, জারজ সন্তান তার বাবা-মায়ের সম্পত্তি থেকে উত্তরাধিকার লাভ করতে পারে না, কারণ তাকে অবৈধ সন্তান হিসেবে গণ্য করা হয়।
এদিকে, বৈধ সন্তান (যে সন্তান বৈধ বিবাহের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেছে) অবশ্যই উত্তরাধিকারী হবে। নাবালক সন্তান (অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান) ও উত্তরাধিকার লাভের অধিকারী হয়, তবে তার জন্য সম্পত্তির তত্ত্বাবধান তার অভিভাবক করবে। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তানও উত্তরাধিকার পাবে, কারণ সে বৈধ সম্পর্কের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছে এবং তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর সন্তান হিসাবে তার অধিকার থাকে।
সুতরাং, জারজ সন্তান উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

৫৭৭.
চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান কী?
  1. Termination of agency
  2. Termination of sub-agent's authority
  3. Notice of revocation or renunciation
  4. When agent cannot delegate
সঠিক উত্তর:
Termination of agency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Termination of agency
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৫৭৮.
রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কার পরামর্শে কাজ করবেন?
  1. মন্ত্রিসভার পরামর্শ
  2. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
  3. দেশের জনগণের পরামর্শ
  4. রাষ্ট্রপতি নিজের সিদ্ধান্তে
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করবেন।
→ সংবিধানের ৪৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন, তবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে কী পরামর্শ দিয়েছেন, সে বিষয়ে আদালত কোনো প্রশ্নের তদন্ত করতে পারবে না।
- অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি তার কার্যভার পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শকে মান্য করবেন, তবে মন্ত্রিসভার পরামর্শের আওতায় তার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না।
৫৭৯.
According to Article 116 of the Constitution of Bangladesh, How is the President supposed to exercise the power of control and discipline over the subordinate judiciary?
  1. Through Parliament
  2. Independently without consultation
  3. In consultation with the Supreme Court
  4. By the Prime Minister’s recommendation
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In consultation with the Supreme Court
ব্যাখ্যা

⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.

 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

৫৮০.
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু একত্রে অপরাধ করলে, শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫(২) অনুযায়ী-
  1. একসাথে অপরাধ আমলে গ্রহণ করা যাবে
  2.  কেবল শিশুর অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  3. কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের অপরাধ আমলে নেওয়া যাবে
  4. প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুর অপরাধ পৃথকভাবে আমলে নিতে হবে
ব্যাখ্যা

• শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ:

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে।

৫৮১.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২২৬ অনুসারে, প্রতিনিধির মাধ্যমে সম্পাদিত চুক্তি কাকে বাধ্য করে?
  1. শুধু প্রতিনিধি
  2. প্রতিনিধির নিয়োগকারী
  3. শুধুমাত্র তৃতীয় পক্ষ
  4. ক ও খ উভয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধির নিয়োগকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিনিধির নিয়োগকারী
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২২৬: প্রতিনিধির চুক্তি বলবৎকরণ এবং ফলাফল-
প্রতিনিধির মাধ্যমে সম্পাদিত চুক্তি, এবং প্রতিনিধির মাধ্যমে সম্পাদিত কার্য হইতে উদ্ভুত বাধ্যবাধকতা এমনভাবে বলবৎ হইবে এবং এইরূপ আইনগত ফলাফলের সৃষ্টি হইবে যেন তাহার নিয়োগকারী (principal) স্বয়ং উক্ত চুক্তি ও কার্য সম্পাদন করিয়াছেন।

উদাহরণ-
ক) নিয়োগকারীকে না চিনিয়া, খ-কে ঐ পণ্য বিক্রয়ের প্রতিনিধি মনে করিয়া, ক তাহার নিকট হইতে পণ্য ক্রয় করেন। ক এর নিকট খ এর নিয়োগকারী পণ্যের মূল্য দাবি করিতে পারিবেন এবং নিয়োগকারী কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় ক উক্ত দাবির বিরুদ্ধে খ এর নিকট তাহার নিজের প্রাপ্য অর্থের জন্য পাল্টা দাবি উত্থাপন করিতে পারিবেন না।

(খ) খ এর পক্ষে অর্থ গ্রহণের ক্ষমতা প্রাপ্ত হইয়া খ এর প্রতিনিধি ক, গ এর নিকট হইতে খ এর প্রাপ্য অর্থ গ্রহণ করেন। গ উক্ত অর্থ খ কে প্রদানের পর তাহার দায় হইতে অব্যাহতি লাভ করিবেন।
৫৮২.
জরুরী-অবস্থা ঘোষণার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা তা প্রত্যাহার করা যাবে
  2. সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
  3. অনধিক ১২০ দিনের জন্য জারি করা যায়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে উপস্থাপন করতে হবে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
৫৮৩.
হিন্দু আইনে কোনো সম্পত্তি দেবোত্তর হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে কী করতে হবে?
  1. মন্দির নির্মাণ করতে হবে 
  2. শেবাইত নিয়োগ করতে হবে
  3. দেবতার পূজা বা ধর্মীয় কাজে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে
  4. আদালতের অনুমতি নিতে হবে 
সঠিক উত্তর:
দেবতার পূজা বা ধর্মীয় কাজে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবতার পূজা বা ধর্মীয় কাজে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) দেবতার পূজা বা ধর্মীয় কাজে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে। 

⇒ হিন্দু আইনে কোনো সম্পত্তি 'দেবোত্তর' বা 'দেবত্ত্ব' হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে সেই সম্পত্তি স্পষ্টভাবে কোনো দেবতা (যাকে আইনি ব্যক্তি ধরা হয়) বা ধর্মীয় কাজের জন্য স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করতে হবে। এটি একটি 'endowment' (স্থায়ী দান) যা সম্পত্তির মালিকানা দেবতার নামে ন্যস্ত করে এবং তা শুধুমাত্র ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে বলে স্থির করে।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
স্থায়ী উৎসর্গ: সম্পত্তি দেবতার নামে চিরস্থায়ীভাবে দান করতে হবে। এটি আর ব্যক্তিগত সম্পত্তি থাকে না।
ধর্মীয় উদ্দেশ্য: উৎসর্গের একমাত্র উদ্দেশ্য দেবতার পূজা, সেবা বা অন্যান্য ধর্মীয় কাজ হওয়া আবশ্যক।
দলিল বা প্রমাণ: উৎসর্গ সাধারণত একটি 'অর্পণনামা' (Deed of Dedication) বা অন্যান্য লিখিত দলিলের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। তবে মৌখিক উৎসর্গও প্রমাণ সাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
শেবাইত নিয়োগ: শেবাইত নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনাগত পদক্ষেপ, কিন্তু এটি দেবোত্তর হওয়ার প্রাথমিক শর্ত নয়। উৎসর্গ ছাড়া শুধু শেবাইত নিয়োগ করলে সম্পত্তি দেবোত্তর হয় না।

- অর্থাৎ হিন্দু আইনে (বিশেষ করে দেবত্তর বা debutter property-এর ক্ষেত্রে) একটি সম্পত্তি দেবত্ত্ব/দেবোত্তর হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য প্রধান ও অপরিহার্য শর্ত হলো সম্পত্তিটি দেবতার পূজা, সেবা বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ (dedication) করা হয়েছে।
- এটি ছাড়া শুধুমাত্র মন্দির নির্মাণ করা বা শেবাইত নিয়োগ করা দিয়ে দেবত্তর সম্পত্তি সৃষ্টি হয় না।

৫৮৪.
মুসলিম ব্যক্তি রফিক প্রথমে নিজের সম্পত্তি তার চাচাতো ভাইর নামে উইল করেছেন। তবে জীবিত অবস্থায় তিনি সেই সম্পত্তি পরে বিক্রি করে দেন। এখন কী হবে?
  1. বিক্রি বাতিল হয়ে যাবে
  2. উইলটি প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে
  3. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে উইল কার্যকর হবে
  4. বিক্রিত অংশের মালিকানা চাচাতো ভাই পাবেন
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।

কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে খবমধঃবব বা উত্তরদানগ্রহী বলা হয়

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

৫৮৫.
ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোনটি বিলোপ করা হবে?
  1. ধর্মীয় শিক্ষা
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. সাম্প্রদায়িকতা
  4. ধর্মীয় স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রদায়িকতা
ব্যাখ্যা
⇒ ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করা হবে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২-এ বর্ণিত।
- ধর্মনিরপেক্ষতা নীতির উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রমে কোনো ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব না থাকা এবং প্রতিটি ধর্মের প্রতি সমান শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা।

- এখানে সাম্প্রদায়িকতা বিলোপ করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ধর্মীয় বৈষম্য, শত্রুতা বা সহিংসতা বন্ধ করার চেষ্টা করবে, যাতে সব ধর্মের অনুসারীরা সমান মর্যাদা পায় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে।

- অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা বাস্তবায়নে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে এসব বিষয় রাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপের বাইরে থাকবে।
--------------- 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২ ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
 ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য 
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, 
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার, 
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, 
বিলোপ করা হইবে।
৫৮৬.
"গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন" এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ২৩
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৫৮৭.
একজন হিন্দু ব্যক্তি 'ক' তার স্ত্রী এবং দুই পুত্র রেখে মারা গেল। তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি -
  1. সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং এক অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
  2. সমান দুই অংশে ভাগ হবে এবং দুই পুত্র এক অংশ করে পাবে
  3. সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং দুই অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী এক অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
  4. সমুদয় সম্পত্তি বিধবা স্ত্রী পাবে
সঠিক উত্তর:
সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং এক অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমান তিন অংশে ভাগ হবে এবং এক অংশ বিধবা স্ত্রী পাবে ও বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকারীদের অধিকারের স্বাভাবিকভাবে পুত্রই পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র একাধিক হলে তারা সকলে মিলে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার পায়। যে পুত্র মৃত তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র উত্তরাধিকার পায়। পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র যেহেতু সমভাবে পিন্ড দেবার অধিকারী তাই তারা উত্তরাধিকারী হয়। কিন্তু পুত্র জীবিত থাকলে তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র পিন্ড দিতে পারে না। এবং সে কারণে পুত্রের জীবমানে পৌত্র উত্তরাধিকার পায়না। প্রপৌত্রের ক্ষেত্রেও একই কথা।

বিধবাদের কথা বলা যায় যে, আগে পুত্র, পৌত্র প্রভৃতি থাকলে বিধবা আর কোন উত্তরাধিকার পেত না। বর্তমানে অর্থাত্‍‍ ১৯৩৭ সনের সম্পত্তির উপর হিন্দু নারীর অধিকার আইন পাস হবার পর বিধবাবৃন্দ জীবন স্বত্ব উত্তরাধিকার পায়। এ আইন পাস হবার পর, বিধবা এক পুত্রের সমান অংশ জীবন স্বত্ব পায়। পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র কেউ না থাকলে মৃত স্বামীর সমস্ত সম্পত্তি তার বিধবা জীবন স্বত্বে পায়। বৈধ প্রয়োজনে বিধবার সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। মৃতের বিধবা যেভাবে সম্পত্তি পায় মৃতের পুত্রের বিধবা বা তার পৌত্রের বিধবা বা প্রপৌত্রের বিধবা একইভাবে সম্পত্তি পায়।

অর্থাৎ 'ক' এর সম্পত্তি সমান তিন অংশে ভাগ হবে ৷ বিধবা স্ত্রী পাবে এক অংশ এবং বাকী অংশ দুই পুত্র তুল্যাংশে পাবে।
৫৮৮.
"A Judge should be sans per et sanse reproche" উক্তিটি কার?
  1. Lord Denning
  2. Charles Dickens
  3. Lord Diplock
  4. Lord Edmund Davies
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Denning
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।

বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
৫৮৯.
কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য মাদকদ্রব্য আইনে নির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ব্যবস্থা না থাকলে, তাহলে সেই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫৯০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কোন ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করা যায়?
  1. ধারা ১৪৫গ
  2. ধারা ১৪৫ঙ
  3. ধারা ১৪৫ছ 
  4. ধারা ১৪৫ঝ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫ছ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫ছ 
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ছ (Section 145G) অনুযায়ী সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ধারা ১৪৫ক এবং ১৪৫খ-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫ছ ধারার বিধান: ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্তির ক্ষমতা, ইত্যাদি: সরকার, যেকোনো সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ধারা ১৪৫ক এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪৫খ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করিতে পারিবে, এবং উক্তরূপ বিলুপ্তির সময়, সরকার একই বিজ্ঞপ্তিতে কোনো আদালতকে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে যেখানে বিলুপ্তির সময় উক্ত ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা, আপিল এবং অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তর ও নিষ্পত্তি হইতে পারিবে।
-------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section 145G. Power to abolish Tribunals, etc.
- The Government may, by notification in the official Gazette, at any time, abolish any Land Survey Tribunal established under section 145A and any Land Survey Appellate Tribunal established under section 145B, and while so abolishing, the Government shall, in the same notification, specify the courts where the suits, appeals and other proceedings pending in such Tribunals at the time of such abolition shall be transferred to and be disposed of.

৫৯১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে খতিয়ানে নাম থাকা আবশ্যক?
  1. ধারা ৫৩
  2. ধারা ৫৩গ
  3. ধারা ৫৩ক
  4. ধারা ৫৩খ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩গ অনুযায়ী,
⇒ কোন ব্যক্তি কোন স্থাবর সম্পত্তি খতিয়ান না থাকলে বিক্রয় করতে পারবে না, বিক্রয় করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে খতিয়ানে থাকা নাম থাকা আবশ্যক।
⇒ তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে তার নাম অথবা তার পূর্বসূরির নাম থাকলে বিক্রি করা যাবে।
⇒ SAT Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে নাম না থাকলে পারবে না।

Section 53C: Immoveable Property without Khatian not to be sold
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.
৫৯২.
Bengal Tenancy Act, 1885-এর অধীনে কোন খতিয়ান প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. এস. এ খতিয়ান
  2. বি. এস খতিয়ান
  3. সি. এস খতিয়ান
  4. আর. এস খতিয়ান
সঠিক উত্তর:
সি. এস খতিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সি. এস খতিয়ান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার খতিয়ান:
১. সি.এস (CS) খতিয়ান:
- সি.এস খতিয়ান Bengal Tenancy Act, 1885 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি Cadastral Survey (ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ) নামে পরিচিত।
- এই জরিপ শুরু হয়েছিল ১৮৮৮ সালে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা থেকে এবং শেষ হয়েছিল ১৯৪০ সালে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাথমিক খতিয়ান হিসেবে বিবেচিত।

২. আর.এস (RS) খতিয়ান:
- সি.এস জরিপের প্রায় ৫০ বছর পর একটি নতুন জরিপ চালু হয়, যেটিকে বলা হয় Revisional Survey (পুনঃজরিপ)।
- এই জরিপের মাধ্যমে যেসব খতিয়ান তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় আর.এস খতিয়ান।
- এই জরিপের উদ্দেশ্য ছিল: জমির পরিমাণ হালনাগাদ করা, মালিকের নাম সংশোধন, দখলদারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
- এটি সি.এস খতিয়ানের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য করা হয়।

৩. এস.এ (SA) খতিয়ান:
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

৪. বি.এস (BS) খতিয়ান:
- বি.এস খতিয়ান হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক খতিয়ান।
- এটি ১৯৭০ সালে শুরু হওয়া একটি জরিপ (Bangladesh Survey) এর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয় এবং এখনো পর্যন্ত চলছে।
- এই জরিপের মাধ্যমে তৈরি খতিয়ানকে বলা হয়: বি.এস বা Bangladesh Survey খতিয়ান
- এটি জমির মালিকানা নির্ধারণে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত এবং নির্ভরযোগ্য দলিল।
৫৯৩.
সুপ্রীম কোর্ট কার অনুমোদন সাপেক্ষে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭- সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
৫৯৪.
স্ত্রী কখন তালাক-ই-তাওফিজ প্রয়োগ করতে পারে?
  1. যখন স্বামী অত্যাচারী হবে
  2. যখন স্বামী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া পুনরায় বিয়ে করে
  3. যখন স্বামী কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার দেয়
  4. ক+খ
সঠিক উত্তর:
যখন স্বামী কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন স্বামী কাবিননামায় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার দেয়
ব্যাখ্যা
• 'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':
সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে। আমাদের দেশে নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিপত্রের ১৮ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধান আছে। অর্থাৎ নিকহানামার ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী- স্ত্রী, স্বামীর নিকট হতে তালাক প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারে যা Talak e Tafwid নামে পরিচিত।

উদাহরণ:
বিবাহের কাবিননামায় শর্ত দেওয়া হলো যে- কাবিননামায় উল্লেখিত তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower] স্বামী দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী বিবাহ বাতিল করতে পারবে। কিন্তু স্ত্রী উক্ত দেনমোহর চাইলেও স্বামী তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এইক্ষেত্রে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।
৫৯৫.
শুফার অধিকার সম্পর্কিত প্রথম দাবীকে কী বলা হয়?
  1. তলব-ই-ইশাদ
  2. তলব-ই-তমলিক
  3. তলব-ই-মৌসিবত
  4. তলব-ই-তকরির
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-মৌসিবত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তলব-ই-মৌসিবত
ব্যাখ্যা

শুফা:
কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি শরীক বা প্রতিবেশী হওয়ার কারনে উক্ত সম্পত্তি সর্বাগ্রে ক্রয়ের অধিকারী হয় কিন্তু তাকে বাদ দিয়ে দূরবর্তী কারো নিকট বিক্রয় করলে উক্ত শরীক বা প্রতিবেশী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করে উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেন। মুসলিম আইনে উক্তরূপ ক্রয় অধিকারকে শুফার অধিকার বলে।

নিম্নরূপ ৩ শ্রেনীর ব্যক্তি শুফার অধিকার দাবি করিতে পারে-
১। শাফী ই শরিক বা বিক্রিত ভূমির একজন সহ-শরীক।
২। শাফী ই খালিত বা বিক্রিত ভূমির মাধ্যমে পথ ব্যবহার বা পানি নিষ্কাশনের অধিকারী ব্যক্তি।
৩। শাফী ই জার বা বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক।

উপরোক্ত ৩ শ্রেনীর মধ্যে প্রথম শ্রেনী সর্ব প্রথম শুফার অধিকার দাবি করিতে পারিবেন এবং প্রথম শ্রেনী দাবী না করিলে দ্বিতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করতে পারিবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর মধ্যে কেউ দাবি না করলে তৃতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করিতে পারবেন। তবে একি শ্রেনী ভুক্ত একাধিক ব্যক্তি দাবি করিলে প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করিতে পারবেন।

• অগ্রক্রয়ের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা। যদি এই সকল আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে এবং উপযুক্ত সময়ে পালন করা না হয়, তবে কোন ব্যক্তিই অগ্রক্রয়ের অধিকারী নয়। এই সকল আনুষ্ঠানিকতাগুলো হচ্ছে-

(ক) প্রথম দাবী (তলব-ই-মৌসিবত):
শব্দগত অর্থে তলব-ই-মৌসিবত হলো লাফ দিয়ে দাবী করা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তা নয়। অগ্রক্রয়কারী ব্যক্তিকে বিক্রয় সম্পূর্ণ হওয়ার সংবাদ পাবার সাথে সাথে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে নিজের অভিপ্রায় ঘোষণা করতে হবে। এটা মৌখিকভাবে ও করা যেতে পারে আবার লিখিতভাবে ও করা যেতে পারে। প্রথম দাবীর জন্য কোন সাক্ষীর উপস্হিতি অপরিহার্য নয়। সাক্ষীর অনুপস্হিতির কারণে তলব-ই-মৌসিবত অবৈধ হবে না। তবে তলব-ই-মৌসিবত যে যথাযথভাবে এবং যথাসময়ে করা হয়েছিল এই বিষয়ে কিছু প্রমাণ থাকতে হবে।

(খ) দ্বিতীয় দাবী (তলব-ই-ইশাদ):
তলব-ই-ইশাদ অর্থ হলো সাক্ষীর সম্মুখে দাবী করা। তলব-ই-মৌসিবত উত্থাপনের পর এটা দ্বিতীয় পদক্ষেপ এবং এটা প্রথম দাবীরই পুনরাবৃত্তি। তবে দ্বিতীয় দাবী কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর সামনে হতে হবে। এজন্য একে ‘তলব-ই-তকরির’ ও বলা হয়। এটি বিক্রেতা বা ক্রেতাকে সম্বোধন করে প্রকাশ করতে হবে। তবে তাদের কাউকে পাওয়া না গেলে দ্বিতীয় দাবীটি বিক্রিত সম্পত্তিটিকে সম্বোধন করে করতে হবে।

(গ) তৃতীয় দাবী (তলব-ই-তমলিক):
তলব-ই-তমলিক প্রথম দুটি দাবীর পরে তৃতীয় দাবী। প্রথম দুটি দাবীর পর যদি ক্রেতা মেনে নেয় এবং তার নিকট সম্পত্তিটি বিক্রয় করে দেয় তাহলে অগ্রক্রয়ের দাবী বাস্তবায়িত হয়। সেক্ষেত্রে আর কোনো অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই এবং ক্রেতার স্হলে অগ্রক্রয়কারী প্রতিস্হাপিত হয়। কিন্তু যদি প্রথম দুটি দাবীর পর অগ্রক্রয়কারী বিক্রীত সম্পত্তিটি পুনরায় ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার শরনাপন্ন হতে হবে অর্থাৎ আদালতে কোন মামলা দায়ের করতে হবে।

৫৯৬.
হিন্দু আইনে দত্তক নেয়ার বিধান সাধারণত কোন কারণে প্রচলিত?
  1. ধর্মীয় কারণ
  2. পার্থিব কারণ
  3. আইনগত কারণ
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।

পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।
৫৯৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১(১) (ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্তের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩১ ধারার বিধান মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্তের সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারি কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ তদন্ত-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময়ে হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে অথবা এই আইনের অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের নিকট সোপর্দ হইলে, তাহার ধৃত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে;
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় হাতেনাতে ধৃত না হইলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রাপ্তি বা, ক্ষেত্রমত, মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার বা এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তদন্তের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী ৬০ (ষাট) কার্য দিবসের মধ্যে সম্পন্ন করিতে হইবে; এবং
(গ) একই মামলায় গ্রেফতার ও পলাতক ব্যক্তি থাকিলে উক্ত মামলার তদন্ত উপ-ধারা (১) (খ) অনুযায়ী সম্পন্ন হইবে।
৫৯৮.
"Free consent" is defined under Section _______ of the Contract Act, 1872.
  1. 13
  2. 14
  3. 15
  4. 16
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 14. "Free consent" defined:
Consent is said to be free when it is not caused by-  
(1) coercion, as defined in section 15, or 
(2) undue influence, as defined in section 16,or 
(3) fraud, as defined in section 17, or 
(4) misrepresentation, as defined in section 18, or 
(5) mistake, subject to the provisions of sections 20, 21 and 22. 
Consent is said to be so caused when it would not have been given but for the existence of such coercion, undue influence, fraud, misrepresentation or mistake.
৫৯৯.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 35 members
  2. 33 members
  3. 34 members
  4. 38 members
সঠিক উত্তর:
34 members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
৬০০.
The Special Powers Act, 1974 এর অধীন উপদেষ্টা বোর্ড কয় জন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ৯: উপদেষ্টা বোর্ড গঠন:
১। সরকার, যখন প্রয়োজন মনে করিবে, তখন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য একটি উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করিবে।

২। উপদেষ্টা বোর্ড তিনজন ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যাহাদের মধ্যে দুইজন হইবেন এমন ব্যক্তি, যাঁহারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যাঁহারা উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য; এবং অপর একজন হইবেন প্রজাতন্ত্রের সেবায় কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এই ব্যক্তিগণকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হইবে।

৩। সরকার বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে যিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, করেছেন অথবা যিনি উক্ত পদে নিয়োগের যোগ্য, তাঁহার মধ্যে একজনকে বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করিবে।