বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৪০১৫০০ / ২,৯৬৪

৪০১.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হওয়া সংক্রান্ত বিধানটি সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৪৫ (২)
  2. ১৪৩(১)(গ)
  3. ১৪৭(৩)
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
১৪৩(১)(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৩(১)(গ)
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
৪০২.
হিন্দু আইনানুযায়ী 'দান' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. বৈধ দান প্রত্যাহারযোগ্য নয়
  2. দানের বিষয়বস্তুর দখল হস্তান্তরিত হতে হবে
  3. দাতা সম্পত্তির আয় জীবনস্বত্বে রাখতে পারেন
  4. মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
ব্যাখ্যা
দান: 
দান হলো এমন এক ধরনের হস্তান্তর পদ্ধতি যার মাধ্যমে স্বীয় মালিকানা স্বত্বের অবসান ঘটায় এবং অন্য ব্যক্তির বরাবরে মালিকানা স্বত্ব সৃষ্টি করে। দানসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য কোনরকম পণের প্রয়োজন হয় না এবং যার বরাবরে দান সৃষ্টি করা হয় সে দানের বিষয়বস্ত গ্রহণ করার সাথে সাথেই দান কাজ সম্পন্ন হয়। দান হস্তান্তর  করে যে ব্যক্তি তাকে দাতা এবং দান গ্রহণ করে যে ব্যক্তি তাকে দান গ্রহীতা বলা হয়। স্থাবর বা অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা যেতে পারে।

হিন্দু আইনে দানের বৈধতা নিম্নরূপ:
ক) বৈধ দান প্রত্যাহারযোগ্য নয়: এটি সঠিক। একবার দান করা হলে তা প্রত্যাহার করা যাবে না।
খ) দানের বিষয়বস্তুর দখল হস্তান্তরিত হতে হবে: এটিও সঠিক। দানগ্রহীতাকে বিষয়বস্তুর দখল দিতে হবে।
গ) দাতা সম্পত্তির আয় জীবনস্বত্বে রাখতে পারেন: এটাও সঠিক। দানকারী জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তির আয় রাখতে পারেন।
ঘ) মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ: 
এটি সঠিক নয়। হিন্দু আইনে মৃত্যুর আশঙ্কায় করা দানকেও বৈধ মেনে নেওয়া হয়। 

অতএব, হিন্দু আইনানুযায়ী দানের ক্ষেত্রে ‘ঘ) মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ’ - এটি সঠিক নয়।
৪০৩.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. চেকের অর্ধেক টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।

সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
৪০৪.
বাংলাদেশি মুসলিম নারী নাফিসা তার স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ আদায়ের মামলা করতে চান। এ মামলা করার জন্য তিনি কোন আদালতে যাবেন?
  1. দেওয়ানি আদালতে
  2. ফৌজদারি আদালতে
  3. পারিবারিক আদালতে
  4. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালতে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) পারিবারিক আদালত।

কারণ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩–এর ৫ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—ভরণপোষণসহ বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, শিশু অভিভাবকত্ব ইত্যাদি বিষয়ে মামলা পারিবারিক আদালতই গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-
(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

৪০৫.
সাধারন দেওয়ানি মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা সম্পন্ন হওয়ার জন্য আদালত অতিরিক্ত সময় কত দিন বাড়াতে পারবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

৪০৬.
Lease agreement এ অন্য কিছু না থাকলে 'Lease of a premises given for the purpose of preparing ornaments'- এর ক্ষেত্রে ভাড়াটে উচ্ছেদ করতে গেলে কত দিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ১ মাস
  2. ১৫ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• কৃষি/কারখানাজাত ইজারার ক্ষেত্রে:
কৃষি কাজ অথবা কারখানাজাত উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে এবং তার মেয়াদ হবে বার্ষিক ইজারা। ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে চাইলে ইজারা বছর শেষ হওয়ার ৬ মাস পূর্বে নোটিশ দিতে হবে।

অন্যান্য ইজারার ক্ষেত্রে:
কৃষিকাজ/কারখানাজাত উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা বাদে অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাসিক ইজারা বলে গণ্য হবে এবং তার মেয়াদ হবে মাসিক ইজারা। ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে চাইলে ইজারা মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে নোটিশ দিতে হবে।

আলোচ্য প্রশ্নে Lease-টি কৃষি বা কারখানাজাত উৎপাদন ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে অর্থাৎ গহনা তৈরির উদ্দেশ্যে (Preparing Ornaments ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর ১৫ দিন হবে।
৪০৭.
নিচের কোন আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়?
  1. The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  2. The General Clauses Act, 1897
  3. The Evidence Act, 1872
  4. The Penal Code, 1860
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 কে "Law of all laws" বলা হয়:

- আইনসভা থেকে পাশকৃত সকল আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য। তবে কোনো আইনে এ বিষয়ে পরিষ্কার বিধান থাকলে সেক্ষেত্রে আইনটি প্রযোজ্য হবে না।
- The General Clauses Act, 1897 এমন একটি আইন যা অন্যান্য যেকোনো আইন ব্যাখ্যার জন্য প্রযোজ্য তো বটেই বরং প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
- এ বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫২ এর (২) নং দফা উল্লেযোগ্য। 

- এজন্য, The General Clauses Act, 1897 আইনটিকে "Law of all laws” বলা হয়ে থাকে।
৪০৮.
Free consent এর বিধান বর্ণিত আছে চুক্তি আইনের-
  1. ১৩ ধারায়
  2. ১৪ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ১৪ ধারা মতে স্বেচ্ছাসায় (Free consent) : বল প্রয়োেগ, অনুচিত প্রভাব, মিথ্যা বর্ণনা, প্রতারণা বা ভুলের বশবর্তী না হয়ে সায় প্রদত্ত হলে তাকে স্বেচ্ছাসায় বলে।
কোন সম্মতিতে স্বেচ্ছাসায় না থাকলে তা বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে গণ্য হয় এবং যার সায় অন্যায় প্রভাবের দ্বারা আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছা অনুসারে চুক্তি বাতিল হয়ে থাকে। অবশ্য ভুলের কারণে চুক্তি সরাসরি বাতিল হতে পারে। এবার আসুন আমরা ১৪ ধারার উপাদানগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করি:-
১. বলপ্রয়োগ (Coercion)
২. অনুচিত প্রভাব (Undue unfluence)
৩. প্রতারণা (Fraud)
৪. মিথ্যা বর্ণনা (Misrepresentation)
৫. ভুল (Mistake)
-----------------
Section 14. "Free consent" defined: Consent is said to be free when it is not caused by- 
(1) coercion, as defined in section 15, or 
(2) undue influence, as defined in section 16,or 
(3) fraud, as defined in section 17, or 
(4) misrepresentation, as defined in section 18, or 
(5) mistake, subject to the provisions of sections 20, 21 and 22.
Consent is said to be so caused when it would not have been given but for the existence of such coercion, undue influence, fraud, misrepresentation or mistake.
৪০৯.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা _________ এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হলে, শিশু-আদালত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করবে না।
  1. ১৫
  2. ১৫ক
  3. ১৬
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ক
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ১৬: শিশু-আদালত:
(১) আইনের সহিত সংঘাত জড়িত শিশু কর্তৃক সংঘটিত যে কোনো অপরাধের বিচার করিবার জন্য, প্রত্যেক জেলা সদরে শিশু-আদালত নামে এক বা একাধিক আদালত থাকিবে। 

(২) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) এর অধীন গঠিত প্রত্যেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু আদালত হিসাবে গণ্য হইবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় উক্তরূপ কোনো ট্রাইব্যুনাল না থাকিলে উক্ত জেলার জেলা ও দায়রা জজ স্বীয় অধিক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত শিশু-আদালত হিসাবে গণ্য হইবে। 

(৩) ধারা ১৫ক এর অধীন কোনো মামলা প্রেরিত না হইলে, শিশু-আদালত শিশু কর্তৃক সংঘটিত কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না
৪১০.
নিচের কোনটি চুক্তি আইনে অনুযায়ী প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়?
  1. একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা।
  2. ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই।
  3. ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা।
  4. কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
সঠিক উত্তর:
কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার।
ব্যাখ্যা
⇒ প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয় (Offer and invitation to an offer is not be same):
- প্রস্তাব ও প্রস্তাবের আমন্ত্রণ এক নয়। মূল্য তালিকা বিলি করা প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়। যেমন- কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার, এটা প্রস্তাব।
- কিন্তু একটি কলমের মূল্য ১০ টাকা, সকাল ৯ টায় ট্রেন ছাড়বে, ঢাকা হতে কুষ্টিয়া বাস ভাড়া ২৫০ টাকা এবং ৪০০০ টাকা বেতনে হিসাব রক্ষক চাই- এগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ, প্রস্তাব নয়।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে যদি কেহ ১০ টাকা দিতে রাজী হয়, ৯ টার ট্রেনে উঠে, যদি কেহ বাসে উঠে, হিসাবরক্ষক পদে আবেদন করে তবে তা প্রস্তাব হিসেবে গণ্য হবে। বিক্রেতা ঐ প্রস্তাব গ্রহণ নাও করতে পারে।
অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে চুক্তি আইনে অনুযায়ী "কুকুর হারিয়ে গিয়েছে, পেলে ৫০০ টাকা পুরস্কার" এটি একটি প্রস্তাবের আমন্ত্রণ নয়, এটি প্রস্তাব। 
অনন্য সবগুলো প্রস্তাবের আমন্ত্রণ।
৪১১.
নারী সপিণ্ড নয় কে?
  1. কন্যা
  2. মাতা
  3. বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা
• 'বোন'- সপিণ্ড নয়।

⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা।
৪১২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮(১) অনুসারে কমিশনার নিযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৮(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: “আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা সংক্রান্ত পেশায় বা শৃঙ্খলা বাহিনী বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যথাযথ পর্যায়ে কর্মের বা দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।”

- অর্থাৎ কমিশনার নিয়োগের জন্য ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

৪১৩.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারায় কোন নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Doctrine of Perpetuity
  2. Doctrine of Election
  3. Doctrine of Holding over
  4. Doctrine of Part Performance
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Holding over
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Holding over
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার বিধান: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া:
- যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
 
উদাহরণ:
-পাঁচ বছরের জন্য A, B-কে একটি বাড়ি ভাড়া দিলেন। B আবার মাসিক একশত টাকা ভাড়ায় বাড়িটি C-কে ভাড়া দিলেন। পাঁচ বছর কেটে গেল কিন্তু C বাড়িটি তার দখলে রেখে দিলেন এবং A-কে ভাড়া দিতে লাগলেন। C-এর ইজারা মাস হতে মাসে নবায়িত হলো।
-  A, C-এর জীবন কালের জন্য B-কে একটি খামার ইজারা দিলেন। C মারা গেলেন, কিন্তু B, A-এর সম্মতিতে দখল বজায় রাখলেন। B-এর ইজারা বছর হতে বছরে নবায়িত হলো। 
 
- এই ধারানুযায়ী কোন ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি কোন ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার সম্মতিতে ইজারা সম্পত্তির দখল বজায় রাখে তা (Holding over) বা মেয়াদ উত্তীর্ণ দখল বলে পরিগণিত হবে। একেই Doctrine of Holding over বলে।
- এই রকম দখলের অনুমতি দেওয়া হলে তা বছর হতে বছর বা মাস হতে মাস ভিত্তিতে নবায়িত হবে। এরূপ ইজারাগ্রহীতাকে Tenant at will, Tenant holding over বলে।
-----------------------------------
-TP Act, Section 116: Effect of holding over:
If a lessee or under-lessee of property remains in possession thereof after the determination of the lease granted to the lessee, and the lessor or his legal representative accepts rent from the lessee or under-lessee, or otherwise assents to his continuing in possession, the lease is, in the absence of an agreement to the contrary, renewed from year to year, or from month to month, according to the purpose for which the property is leased, as specified in section 106. 
 
Illustrations:
(a) A lets a house to B for five years. B underlets the house to C at a monthly rent of Tk. 100. The five years expire, but C continues in possession of the house and pays the rent to A. C's lease is renewed from month to month. 
(b) A lets a farm to B for the life of C. C dies, but B continues in possession with A's assent. B's lease is renewed from year to year.
৪১৪.
মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে, পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান সংবিধানে উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -
(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৪১৫.
মুসলিম আইনে দানের অপরিহার্য উপাদানগুলো কোনগুলো?
  1. Offer, Witness, Registration
  2. Acceptance, Deed, Witness
  3. Delivery, Witness, Deed
  4. Offer, Acceptance, Delivery of possession
সঠিক উত্তর:
Offer, Acceptance, Delivery of possession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Offer, Acceptance, Delivery of possession
ব্যাখ্যা

⇒ দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় হিবা নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

⇒ একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

⇒ তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

⇒ সমস্ত সম্পত্তি দান করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়, আর উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়।

৪১৬.
'প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৪ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৫ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৬ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৩৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৫: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।

(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।

(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।

(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না।
৪১৭.
The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন কে?
  1. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. উপদেষ্টা পর্ষদ (Advisory Board)
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা: কতিপয় ব্যক্তিকে আটক বা বহিস্কারাদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত করিবার জন্য আদেশ প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে - 
(ক)উক্ত ব্যক্তিকে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে এবং সময়ের পূর্বে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে, বহিস্কারাদেশ প্রদান করা যাইবে না।

(২) যদি কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহাকে ধারা ২ এর দফা (চ) এর উপ-দফা (ই), (ঈ), (উ), (উ), (ঋ) বা (এ) এর অর্থানুসারে কোনো ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত রাখিবার উদ্দেশ্যে আটক রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি তাহাকে আটকের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুসারে কোনো আদেশ প্রদান করা হইলে, আদেশ প্রদানকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুরূপ আদেশ প্রদানের কারণ এবং তাহার মতে উক্ত বিষয়ের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিবরণসহ আটকের বিষয়টি অনতিবিলম্বে সরকারকে অবহিত করিবেন, এবং সরকার কর্তৃক ইতোমধ্যে ইহা অনুমোদিত না হইলে, উক্ত আটকাদেশ প্রদানের পর হইতে পরবর্তী ত্রিশ দিনের অধিক কার্যকর থাকিবে না।

(8) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে, উপ-ধারা (৫) এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি তাহাকে অপসারণ করিতে পারিবেন।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৪১৮.
"কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট - বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১০৬
  2. ১০৭
  3. ১০৮
  4. ১০৯
সঠিক উত্তর:
১০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদের বিধান: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হইবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
৪১৯.
রাষ্ট্রের ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য কোন কার্যক্রম বিলোপ করতে হবে?
  1. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার
  2. সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা
  3. রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের বিধান: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা:
ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা, 
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন, বিলোপ করা হইবে।

৪২০.
ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের উমরিয়াতান (Umariyatan) নীতিকে আরবিতে কী বলা হয়?
  1. আল-হারামাইন
  2. আল-ঘররাওয়ানি
  3. আল-মুবারাকাতিন
  4. আল-মুশকিলাতিন
সঠিক উত্তর:
আল-ঘররাওয়ানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-ঘররাওয়ানি
ব্যাখ্যা

⇒ উমরিয়াতান নীতিকে আরবি ভাষায় "আল-ঘররাওয়ানি" (الغرّاوين) বলা হয়, যার অর্থ "দুই প্রতারক" বা "দুই ধোঁকাবাজ পরিস্থিতি"। এই নামকরণ করা হয়েছে কারণ এই নীতি দুটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য, যেখানে সাধারণ উত্তরাধিকার বণ্টনের নিয়ম প্রয়োগ করলে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেয়ে যান, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

Doctrine of Umariyatan (উমরিয়াতান নীতি):
উমরিয়াতান বা উমরিয়াতিন হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান। এটি মূলত দুইটি বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেগুলোকে আল-ঘররাওয়ানি বা "দুই প্রতারক" বলা হয়।

উমরিয়াতান নীতির উদ্দেশ্য:
১. মায়ের অংশকে ১/৩ থেকে কমিয়ে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্য করা।
২. পিতা যেন মায়ের অংশের দ্বিগুণ পান, তা নিশ্চিত করা।
৩. মায়ের অংশের অসঙ্গতি দূর করা, যাতে তিনি পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমরিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।
- এই নিয়ম প্রয়োগ না করলে মাতা পিতার চেয়ে বেশি অংশ পেতে পারেন, যা ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের মূল নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

৪২১.
কে সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধি প্রণয়ন করেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৫ অনুচ্ছেদের বিধান: মন্ত্রিসভা
(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।
৪২২.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী কখনো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না-
  1. কন্যা
  2. ভাই
  3. বোন
  4. চাচা
সঠিক উত্তর:
কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে (বিশেষত সুন্নি হানাফি মতবাদ অনুসারে), উত্তরাধিকার বণ্টন মৃত্যুর পর সম্পত্তির উপর উত্তরাধিকারীদের অধিকার সৃষ্টি করে। উত্তরাধিকারীদের দুটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়: প্রধান শ্রেণি (Principal Heirs) এবং অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Heirs)। প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নলিখিত ছয়টি ব্যক্তি কখনোই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না:
১) স্বামী
২) স্ত্রী
৩) পিতা
৪) মাতা
৫) পুত্র
৬) কন্যা
কন্যা এই প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী এবং কোরআনের নির্দেশ অনুসারে (সূরা নিসা, আয়াত ১১) সর্বদা তার নির্ধারিত অংশ পায়। উদাহরণস্বরূপ, একমাত্র কন্যা থাকলে তিনি সম্পত্তির ১/২ অংশ পান, এবং একাধিক কন্যা থাকলে তারা মিলে ২/৩ অংশ ভাগ করে নেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
খ) ভাই: ভাই অপ্রধান শ্রেণির (Secondary Heirs) উত্তরাধিকারী। তিনি তখনই সম্পত্তি পান যখন প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী (যেমন পিতা, পুত্র, কন্যা) না থাকেন বা সম্পত্তির অংশ বাকি থাকে। সুতরাং, ভাই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
গ) বোন: বোনও অপ্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী। তিনি ভাইয়ের মতোই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সম্পত্তি পান, কিন্তু প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের উপস্থিতিতে বঞ্চিত হতে পারেন।
ঘ) চাচা: চাচা দূরবর্তী উত্তরাধিকারী (Distant Kindred) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তিনি কেবল তখনই সম্পত্তি পান যখন প্রধান এবং অপ্রধান শ্রেণির কোনো উত্তরাধিকারী না থাকেন, যা খুবই বিরল। সুতরাং, চাচা সহজেই বঞ্চিত হতে পারেন।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, কন্যা প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী হিসেবে কখনোই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) কন্যা।

৪২৩.
নিচের কোন শ্রেণিটি দায়ভাগ পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার?
  1. সহদেব
  2. সাকুল্য
  3. সপিণ্ড
  4. সমানোদক
সঠিক উত্তর:
সপিণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপিণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকার তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত:
১) সপিণ্ড (প্রথম ও নিকটতম শ্রেণি),
২) সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি),
৩) সমানোদক (তৃতীয় ও দূরবর্তী শ্রেণি)।
→  দায়ভাগ পদ্ধতি (Dayabhaga School) অনুসারে, হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য পিণ্ডদান করতে পারে, তাকে সপিণ্ড বলা হয়। সপিণ্ডগণই হলেন এই পদ্ধতির প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  দায়ভাগ পদ্ধতিতে উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করা হয় মূলত ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে। মৃত ব্যক্তিকে যে আত্মীয় পিণ্ড দিতে পারেন, তিনিই প্রথম উত্তরাধিকারী। এই জন্যই সপিণ্ডগণ প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকারী।
→  সপিণ্ড হলো প্রথম শ্রেণির উত্তরাধিকার, যারা মৃত ব্যক্তির সরাসরি রক্তের সম্পর্কে আবদ্ধ (যেমন: পুত্র, কন্যা, স্ত্রী, পিতা, মাতা ইত্যাদি)। এরা মৃতের শ্রাদ্ধে পিণ্ডদানের অধিকারী এবং সম্পত্তির প্রধান দাবিদার।
→  সাকুল্য (দ্বিতীয় শ্রেণি) ও সমানোদক (তৃতীয় শ্রেণি) তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী আত্মীয়দের অন্তর্ভুক্ত।
→  সহদেব একটি ব্যক্তিগত নাম বা বিভ্রান্তিকর অপশন (এই প্রসঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) সপিণ্ড।
৪২৪.
Nudum Pactum বলতে কী বোঝায়?
  1. বিনিময়যুক্ত চুক্তি
  2. প্রতিদানবিহীন চুক্তি
  3. আদালতে নথিভুক্ত চুক্তি
  4. রেজিস্ট্রেশনবিহীন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্রতিদানবিহীন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদানবিহীন চুক্তি
ব্যাখ্যা

'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক।

 চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

৪২৫.
কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার আদেশের অধীন টাউটকে গ্রেফতার করা হলে, তাৎক্ষনিক তাকে কার নিকট উপস্থিত করা হবে?
  1. নিকটস্থ থানায়
  2. দেওয়ানি আদালতে
  3. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 ----------------
The Registration Act, 1908, Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
৪২৬.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি কী?
  1. ধর্মীয় ঐক্য
  2. রাজনৈতিক সংহতি
  3. অর্থনৈতিক সমতা
  4. ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
সঠিক উত্তর:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলো ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তা।
- এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯-এ বর্ণিত, যেখানে বলা হয়েছে যে, ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

- এটি বোঝায় যে, বাঙালী জাতীয়তা শুধুমাত্র ধর্ম বা রাজনৈতিক সংহতির উপর ভিত্তি করে নয়, বরং ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতেও প্রতিষ্ঠিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ ছিল এই একক সত্তা প্রতিষ্ঠার পক্ষে, যেখানে বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে।
৪২৭.
চেক ডিজঅনারের মামলার রায়ে ক্ষুদ্ধ ব্যক্তির প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
আপিল
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। তবে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপিলের বিধান প্রযোজ্য হবে।  
চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এক্ষেত্রে CrPC এর ৪০৮ ধারার আপিলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

রিভিউ
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ (Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।

Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another[24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিসঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।

রিভিশন 
চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। 
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন। ১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
৪২৮.
যদি এজেন্টের নিজস্ব স্বার্থ থাকে চুক্তির বিষয়বস্তুর উপর, তবে-
  1. মালিকের মৃত্যুতে এজেন্সি বাতিল হবে
  2. এজেন্সি স্বাভাবিক নিয়মে শেষ হয়ে যাবে
  3. মালিক যে কোনো সময় এজেন্সি বাতিল করতে পারবে
  4. মালিক তা বাতিল করতে পারবে না, যদি স্পষ্ট চুক্তি না থাকে
সঠিক উত্তর:
মালিক তা বাতিল করতে পারবে না, যদি স্পষ্ট চুক্তি না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালিক তা বাতিল করতে পারবে না, যদি স্পষ্ট চুক্তি না থাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: যেক্ষেত্রে এজেন্টের বিষয়বস্তুর উপর স্বার্থ থাকে, সেই ক্ষেত্রে এজেন্সির সমাপ্তি-
যদি কোনো এজেন্টের নিজস্ব স্বার্থ থাকে সেই সম্পত্তিতে, যেটি এজেন্সির বিষয়বস্তু (subject-matter), তাহলে স্পষ্ট চুক্তি না থাকলে সেই এজেন্সি তাঁর স্বার্থের ক্ষতিতে বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ, এজেন্টের স্বার্থ থাকলে মালিক বা প্রিন্সিপাল চাইলে সেই এজেন্সি বাতিল করতে পারেন না, এমনকি মালিক মারা গেলেও বা পাগল হলেও এজেন্সি বাতিল হবে না।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A, B-কে তার জমি বিক্রি করতে বলে এবং বলে বিক্রির অর্থ থেকে B যেন নিজের পাওনা টাকা রেখে দেয়। এক্ষেত্রে A এই ক্ষমতা বাতিল করতে পারবে না — A পাগল হলেও বা মারা গেলেও B-এর ক্ষমতা থাকবে।

(b) A, ১,০০০ বেল তুলা B-কে পাঠায়। B এর উপর অগ্রিম টাকা দিয়েছে এবং A-কে বলে তুলা বিক্রি করে নিজের অগ্রিম টাকা ফেরত নিতে। এই অবস্থায় A এই ক্ষমতা বাতিল করতে পারবে না, এমনকি মারা গেলেও বা পাগল হলেও নয়।
৪২৯.
সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন _____।
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা:
এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।
৪৩০.
'res ipsa loquitur' means-
  1. The thing speaks for itself
  2. The man speaks for itself
  3. The property speaks for itself
  4. The circumstance speaks for itself
সঠিক উত্তর:
The thing speaks for itself
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The thing speaks for itself
ব্যাখ্যা
Res ipsa loquitur অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা, - The thing speaks for itself.

এই নীতির মূল কথা হলো-
যে সকল দূর্ঘটনা সাধারণত বিবাদীর অবহেলা ছাড়া ঘটে না, এরকম কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আদালত Circumstantial Evidence-এর ভিত্তিতে অনুমান করে নেবে যে, বিবাদীর অবহেলার [negligence] কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

এই নীতিটি Tort Law -তে প্রয়োগ হয়ে থাকে।
৪৩১.
হিন্দু আইনে কোন বিবাহ পদ্ধতিকে সর্বোত্তম বিবাহ বলা হয়?
  1. দৈব
  2. ব্রাহ্ম
  3. আর্য
  4. গন্ধর্ব
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্ম
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৪৩২.
"Jurisprudence was the first of the social science to be born" - উক্তিটি কার?
  1. Wurzel
  2. Holland
  3. Dias
  4. Gray
সঠিক উত্তর:
Wurzel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wurzel
ব্যাখ্যা
এটি Wurzel এর বিখ্যাত উক্তি।

তার পুরো নাম Benjamin Disraeli. He was a British politician, writer, and Prime Minister.

তার কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
- When men are pure, laws are useless; when men are corrupt, laws are broken.
- The fool wonders, the wise man asks.
- never explain and never complain.
- Man is not the creature of circumstances, circumstances are the creatures of men.
৪৩৩.
হিন্দু ধর্মের প্রাচীনতম উৎস বেদ কত ভাগে বিভক্ত?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. ছয়
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা
বেদ বা শ্রুতি:
- বেদ হল হিন্দু ধর্মের প্রাচীনতম এবং মৌলিক ধর্মগ্রন্থ।
- এটি ঐশ্বরিক জ্ঞানের উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
- প্রাচীনকালে দেবতাদের প্রদত্ত জ্ঞান, যা ঋষিগণ শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন সংকলন করেন, তাই বেদ নামে পরিচিত।
- বেদ চার ভাগে বিভক্ত—
১) ঋগ্বেদ
২) যজুর্বেদ
৩) সামবেদ
৪) অথর্ববেদ
- এই চারটি বেদ একত্রে "শ্রুতি শাস্ত্র" নামে পরিচিত এবং এগুলো হিন্দু আইনের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
৪৩৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৪ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/৮ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, পিতা-এর উত্তরাধিকার অংশ নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির (মুরিথের) অবশিষ্ট উত্তরাধিকারীদের উপর।
- যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান (পুত্র বা কন্যা) থাকে, তবে পিতা ১/৬ (ছয় ভাগের এক ভাগ) অংশ পাবেন।
- এক্ষেত্রে পিতা একজন "কুরআনিক শরিক" (Quranic heir) হিসেবে ১/৬ অংশ পান, কারণ সন্তান থাকার কারণে তিনি অবশিষ্টাংশের অধিকারী (আসাবা) হন না।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পিতা (বাবা) একজন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। 
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, যার অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে এবং তাকে কখনই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করা যায় না।
পিতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পত্তির অংশ পেতে পারেন।

⇒ পিতার তিনটি অবস্থা:
(ক) ১/৬ অংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৬ + অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাবেন এবং বাকি অবশিষ্ট সম্পত্তি তিনি আসাবা (Asaba) হিসেবে পাবেন।
কারণ: পিতা আংশিক অংশীদার হলেও, বাকি সম্পত্তি আসাবা হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হন। অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির বাকী অংশ ভোগ করবেন।

(গ) অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান ও অন্য কোনো আসাবা না থাকে, তবে পিতা সম্পূর্ণ সম্পত্তি পাবেন।
কারণ: কোনো অংশীদার বা আসাবা না থাকলে, পিতা আসাবা হিসেবে পুরো সম্পত্তি পেয়ে যাবেন।

৪৩৫.
সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে কোন নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. সম্পত্তির অধিকার
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের দৃষ্টিতে সমতা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা-
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

• ২৭ অনুচ্ছেদে, আইনের দৃষ্টিতে সমান এই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে- প্রচলিত আইন কোন ব্যক্তি বিশেষের অনুকূলে কোন বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে না। দেশের প্রচলিত আইনের শর্ত সাপেক্ষে সকলে সমভাবে সমান এবং কোন ব্যক্তি তার মর্যাদা বা অবস্থা যা হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে না এই মর্মে ২৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করেছে। এই অনুচ্ছেদ আইনের শাসন [Rule of Law] নীতি প্রতিফলন করে।

আইনের সমান আশ্রয় লাভ বলতে বোঝায়, একই অবস্থায় বিদ্যমান সকল ব্যক্তির জন্য একই আইন অভিন্নভাবে এবং কোন প্রকার বৈষম্য ব্যতীত প্রয়োগ করা। অর্থাৎ সমান প্রেক্ষাপটে সমান আচরণ বা সমভাবে বিবেচনা করা। সমানদের মধ্যে আইনও সমান হবে এবং সমভাবে প্রয়োগ হবে।
৪৩৬.
রায়তের হোল্ডিং-এর বিক্রয় সম্পর্কে জানার কত দিনের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
৪৩৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) অনুসারে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ২০ দিনের মধ্যে
  2. ৩০ দিনের মধ্যে
  3. ৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৯০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করতে হবে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪- ধারা ৩০- আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দন্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।
(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।

⇒ The Special Powers Act, 1974 - Section 30: Appeals and confirmation of death sentences:
(1) An appeal from any order, judgment or sentence of a Special Tribunal may be preferred to the High Court Division within thirty days from the date of delivery or passing thereof.
(2) Where a Special Tribunal passes a sentence of death, the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division.

৪৩৮.
Who has the authority to revoke or modify a detention order under The Special Powers Act, 1974?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The District Magistrate
  4. The Police Officer-in-Charge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 - ধারা ১৩: আটকাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিধান-
সরকার যে কোন সময় আটকাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।
[A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.]
৪৩৯.
'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34' মামলাটি কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. দত্তক গ্রহণ
  2. দেনমোহর
  3. তালাক-পরবর্তী ভরণ-পোষণ
  4. দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
তালাক-পরবর্তী ভরণ-পোষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-পরবর্তী ভরণ-পোষণ
ব্যাখ্যা
'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”
৪৪০.
"Transfer by ostensible owner" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪১
  4. ৪২
সঠিক উত্তর:
৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১
ব্যাখ্যা
⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.
৪৪১.
A voidable contract is enforceable by law:
  1. compulsorily
  2. at the option of all parties
  3. only if it is in writing
  4. at the option of one or more parties, but not others
সঠিক উত্তর:
at the option of one or more parties, but not others
উত্তর
সঠিক উত্তর:
at the option of one or more parties, but not others
ব্যাখ্যা

The Contract Act, 1872: ধারা ২(ঝ)-
“যে চুক্তি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছানুসারে আইনত বলবৎ করা যায়, কিন্তু অপর পক্ষ বা পক্ষসমূহের ইচ্ছানুসারে নয়, তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable Contract) বলা হয়।”

[An agreement which is enforceable by law at the option of one or more of the parties thereto, but not at the option of the other or others, is a voidable contract]

৪৪২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, সরকার কত দিনের মধ্যে আটক আদেশের তারিখ হতে আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।

Section 10: Reference to Advisory Board-
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.
৪৪৩.
Which article of the Bangladesh Constitution ensures the independence of judicial officers?
  1. Article 116
  2. Article 116A
  3. Article 117
  4. Article 118
সঠিক উত্তর:
Article 116A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 116A
ব্যাখ্যা
Article 116A- Judicial officers to be independent in the exercise of their functions:
Subject to provisions of the Constitution, all persons employed in the judicial service and all magistrates shall be independent in the exercise of their judicial functions.

অনুচ্ছেদ ১১৬ক- বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।
৪৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Mandamus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যান্য অপশনগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৪৪৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর কোন ধারায় তালাকের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭-এ তালাকের বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই ধারায় তালাক উচ্চারণের পর লিখিত নোটিশ প্রদান, সালিশী কাউন্সিল গঠন, ৯০ দিনের অপেক্ষা মেয়াদ, গর্ভবতী স্ত্রীর ক্ষেত্রে গর্ভকালের বিবেচনা এবং পুনর্বিবাহের বিধান উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

⇒ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961, Section-7. Talaq:
(1) Any man who wishes to divorce his wife shall, as soon as may be after the pronouncement of talaq in any form whatsoever, give the Chairman notice in writing of his having done so, and shall supply a copy thereof to the wife.
(2) Whoever contravenes the provisions of sub-section (1) shall be punishable with simple imprisonment for term which may extend to one year or with fine which may extend to ten thousand taka or with both.
(3) Save as provided in sub-section (5), a talaq unless revoked earlier, expressly or otherwise, shall not be effective until the expiration of ninety days from the day on which notice under sub-section (1) is delivered to the Chairman. 
(4) Within thirty days of the receipt of notice under sub-section (1), the Chairman shall constitute an Arbitration Council for the purpose of bringing about a reconciliation between the parties, and the Arbitration Council shall take all steps necessary to bring about such reconciliation.
(5) If the wife be pregnant at the time talaq is pronounced, talaq shall not be effective until the period mentioned in sub-section (3) or the pregnancy, whichever be later, ends.
(6) Nothing shall debar a wife whose marriage has been terminated by talaq effective under this section from re-marrying the same husband, without an intervening marriage with a third-person, unless such termination is for the third time so effective.

৪৪৬.
An agreement that restrains the marriage of a major person is:
  1. Valid
  2. Void
  3. Voidable
  4. Enforceable with conditions
সঠিক উত্তর:
Void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void
ব্যাখ্যা
Section 26 of the Contract Act: Agreement in Restraint of Marriage is Void:
"Every agreement in restraint of the marriage of any person, other than a minor, is void."

- নাবালক ব্যতীত, কোনো ব্যক্তির বিবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রতিটি সম্মতি বাতিল।
৪৪৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীন তদন্ত বা বিচার কার্যে মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ২ বছর।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৮গ- মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]

৪৪৮.
'Nemo debet bis puniri pro uno delicto'- উক্ত নীতিটি The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৮ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ২৫ ধারায়
  4. ২৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'Doctrine of double jeopardy' বা 'দোবারা সাজা মতবাদ' যে নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত তা হলো:
Nemo debet bis puniri pro uno delicto.
যার অর্থ- 'No one shall be punished twice for one fault. অর্থাৎ 'একই অপরাধের জন্য দু'বার শাস্তি দেয়া যায় না।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারায় বলা আছে-
Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same. 

- 'যখন কোন কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দু'টি আইনে অপরাধ হিসেবে পরিগণিত হয় তখন একই অপরাধের কারণে অপরাধীকে দু'বার শাস্তি দেয়া যাবে না যদিও উভয় আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়ে থাকে।'

জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ২৬ ধারার উপর বিশদ আলোচনাকালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল করিম আরও উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত অপরাধের কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাধারণ আইনে (general law) এবং বিশেষ আইনে (special law) দু'টি মামলা চলমান থাকলে আইন ব্যাখ্যার সূত্র এবং বিশেষ আইনে 'non-obstante clause' থাকার কারণে সাধারণ আইনের অধীনে দায়েরকৃত মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং বিশেষ আইনের অধীনে রুজুকৃত মামলাটির বিচার কার্যক্রম চালু থাকবে।
৪৪৯.
সংসদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রকাশের কত দিনের মধ্যে, নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিধান সংবিধানে রয়েছে?
  1. ৫ দিনের মধ্যে
  2. ৩ দিনের মধ্যে
  3. ৭ দিনের মধ্যে
  4. ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৮: পদের শপথ

(১) তৃতীয় তফসিলে উল্লিখিত যে কোন পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তি কার্যভারগ্রহণের পূর্বে উক্ত তফসিল-অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে "শপথ" বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবেন।

(২) এই সংবিধানের অধীন নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির নিকট শপথগ্রহণ আবশ্যক হইলে অনুরূপ ব্যক্তি যেরূপ ব্যক্তি ও স্থান নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ ব্যক্তির নিকট সেইরূপ স্থানে শপথগ্রহণ করা যাইবে।

(২)(ক) ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

(৩) এই সংবিধানের অধীন যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথগ্রহণ আবশ্যক, সেই ক্ষেত্রে শপথগ্রহণের অব্যবহিত পর তিনি কার্যভার গ্রহণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

Article 148: Oaths of office

(1) A person elected or appointed to any office mentioned in the Third Schedule shall before entering upon the office make and subscribe an oath or affirmation (in this article referred to as “an oath”) in accordance with that Schedule. 
 
(2) Where under this Constitution an oath is required to be administered by a specified person, it may be administered by such other person and at such place as may be designated by that person. 
 
(2A) If, within three days next after publication through official Gazette of the result of a general election of members of Parliament under clause (3) of article 123, the person specified under the Constitution for the purpose or such other person designated by that person for the purpose, is unable to, or does not, administer oath to the newly elected members of Parliament, on any account, the Chief Election Commissioner shall administer such oath within three days next thereafter, as if, he is the person specified under the Constitution for the purpose.

(3) Where under this Constitution a person is required to make an oath before he enters upon an office he shall be deemed to have entered upon the office immediately after he makes the oath.
৪৫০.
ভাড়ার মাধ্যমে ভোগদখলীয় বাড়ি স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড়া উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি _____ গণ্য হবে।
  1. বাতিল
  2. অসম্পূর্ণ
  3. অকার্যকর
  4. বৈধ
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
- যে ক্ষেত্রে কোন স্থাবর সম্পত্তি দান করার সময় দাতা ও গ্রহীতা উভয়ে সেই সম্পত্তিতে বসবাস করে, সে ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে দখল গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই। 
- সে ক্ষেত্রে দাতার দানকৃত সম্পত্তির যাবতীয় স্বত্বাধিকার ত্যাগ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করলেই দান সম্পূর্ণ হবে। 
- স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে স্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে উপরিউক্ত বিধানটি প্রযোজ্য হবে। 
- সম্পত্তিটি তাদের যৌথ বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হোক বা ভাড়া দেওয়া হোক, দানের পরে স্বামী উক্ত সম্পত্তিতে বসবাস করুক বা ভাড়ার টাকা আদায় করুন, দানটি বৈধ।
- কারণ ধরে নেওয়া হবে যে, স্বামী স্ত্রীর পক্ষেই ভাড়া আদায় করছে।

- ভাড়ার মাধ্যমে ভোগদখলীয় বাড়ি স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে দান করার পরও স্বামী ভাড়া উত্তোলন করতে থাকলে মুসলিম আইনে দানটি  বৈধ গণ্য হবে।
৪৫১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ২৫ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ৩০ ধারা
  4. ৩২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারা
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ৩০ ধারা: ইলেকট্রনিক তথ্য প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা:
অডিও ভিস্যুয়াল যন্ত্র বা কোন ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ধারণকৃত সাক্ষ্য প্রমাণ ট্রাইব্যুনালের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য (admissible) হইবে।
৪৫২.
'Factum valet' নীতি পরিশুদ্ধ করে-
  1. নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
  2. মৌলিক নীতি অমান্যকরণ
  3. লেনদেনের উপাদান অমান্যকরণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশসূচক বিধান অমান্যকরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Quod fieri non debet factum valet (বিধিমত যা অকর্তব্য, তা করা হলে বিধিসম্মত বলে ধরা হয়) এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করে factum valet মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে। ফ্যাকটাম ভ্যালেট হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি নীতি। হিন্দু আইনে এই মতবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে পরিচিত। যে কাজ করা উচিৎ নয় বা করা হয়েছে, তাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করার নীতি ‘factum valet’ নামে পরিচিত।

আইনের বিধানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
- নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provision of law), 
- অবশ্য পালনীয় বিধান (mandatory provision of law) বলা হয়।

অবশ্য পালনীয় বিধান অমান্য করলে সেই কাজটি বেআইনী বলে গণ্য হবে এবং অন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করে তা বৈধ করা যায় না। তবে আইনের সুপারিশমূলক/নির্দেশাত্মক বিধান উপেক্ষা করেও কোন একটি কাজ করা হলে, এরূপ কৃত কার্যকে আইনতঃ সিদ্ধ বলে গ্রহণ করাকে ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি বলা হয়। অর্থাৎ ‘directory’ নির্দেশের পরিপন্থী কাজ অনুচিত হলেও উক্ত কাজকে সরাসরি বেআইনী বলা যায় না। হিন্দু আইনে অনুরূপ কাজ factum valet নীতি অনুযায়ী বৈধ করা যায়।

যেমন- হিন্দু ধর্ম মতে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু অনুরূপ বিধান লংঘন করে কোন বিয়ে হয়ে গেলে তা ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি অনুযায়ী বৈধ গণ্য হয়ে থাকে। একইভাবে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু ঐ বিধি উপক্ষো করে যদি কেউ তার একমাত্র পুত্রকে দত্তক দিয়েই ফেলেন তাহলে তা অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয় না। তবে উভয়ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়। এছাড়াও ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির কারণে এক বা একাধিক স্ত্রী থাকা সত্তেও একজন হিন্দু পুনরায় বিবাহ করতে পারে।
৪৫৩.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবে-
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২১ ধারার বিধান: মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ পদমর্যাদার বিচারকের সমন্বয়ে যেকোন জেলায় মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত, সরকার প্রত্যেক জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালকে উক্ত জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল হিসাবে নিয়োগ (assign) বা ক্ষমতায়িত করিতে পারিবে।
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার কেবল এই আইনের অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হইবে।
(৪) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে কোন অপরাধ বা উহার অংশবিশেষ সংঘটিত হইয়াছে অথবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে যে অঞ্চল হইতে উদ্ধার করা হইয়াছে বা তিনি যে অঞ্চলের অধিবাসী সেই আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
(৫) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার বাহিরে বাংলাদেশী কোন নাগরিক বা কোম্পানী অথবা স্বভাবতঃ বাংলাদেশে আবাসী (habitually resident in Bangladesh) এমন কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, তিনি যেই ট্রাইব্যুনালে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রের অধিবাসী ছিলেন অথবা কোম্পানীর ক্ষেত্রে উক্ত কোম্পানীর নিবন্ধিত অফিস (registered office) যে আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে ছিল, সেই ট্রাইব্যুনাল উক্ত অপরাধের বিচার করিতে পারিবে।
৪৫৪.
বিধবার সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না, তবে কোন ক্ষেত্রে হস্তান্তর করা যায়?
  1. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  2. যেকোনো প্রয়োজনে
  3. ব্যক্তিগত প্রয়োজনে
  4. পরিবারের অনুমতিতে
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
→ বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার কোনো একচ্ছত্র মালিকানা নেই, এবং তিনি ইচ্ছামতো তা বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না।
- অর্থাৎ বিধবার সম্পত্তি সাধারণত হস্তান্তর করা যায় না, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, যেমন ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, বিধবার সম্পত্তি হস্তান্তর করা যেতে পারে।
- এছাড়া, আইনগত প্রয়োজনে এবং সম্পত্তির হিতার্থে বা মঙ্গলে তা হস্তান্তর করা সম্ভব।
-তবে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা পরিবারের অনুমতিতে বিধবার সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না।
৪৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৩
  2. ২৩ক
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি:
রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ : আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
৪৫৬.
আইনের অধীন জারীকৃত প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্পনা, বিধি, ফরম বা উপ-আইনের ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কীভাবে নির্ধারিত হবে?
  1. উপ-আইন কর্তৃক
  2. প্রজ্ঞাপন ও আদেশের দ্বারা
  3. সংসদের গেজেটের মাধ্যমে
  4. আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে
ব্যাখ্যা
The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারা: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।

ধারা ২০ এর মূল উদ্দেশ্য হল যে,
সংসদের আইন বা প্রবিধি অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন বা আদেশে ব্যবহৃত শব্দ ও অভিব্যক্তির অর্থ সংশ্লিষ্ট আইন বা প্রবিধির অভিব্যক্তির সমার্থক হবে। অর্থাৎ, যখন কোনো আইন বা প্রবিধি জারি করা হয়, তখন সেখানে ব্যবহৃত শব্দের ব্যাখ্যা সেই আইন বা প্রবিধি এবং এর দ্বারা অর্পিত ক্ষমতার আলোকে বোঝা হবে।

Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
৪৫৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে "প্রত্যায়িত” দলিলের ক্ষেত্রে কয়জন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যায়ন করা বোঝায়?
  1. সর্বনিম্ন একজন
  2. সর্বোচ্চ দুইজন
  3. সর্বনিম্ন দুইজন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন দুইজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন দুইজন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩:

"প্রত্যায়িত” দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যায়িত বলতে বুঝায় এবং সব সময় বুঝানো হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে যে, দুই বা ততোধিক সাক্ষী প্রত্যায়ন করেছে এবং তাদের প্রত্যেকে সম্পাদনকারীকে দলিলে স্বাক্ষর করতে বা স্বাক্ষর চিহ্ন দিতে দেখেছে, অথবা সম্পাদনকারীর উপস্থিতিতে ও নির্দেশে অপর কোন ব্যক্তিকে দলিলে স্বাক্ষর করতে দেখেছে অথবা সম্পাদনকারীর নিকট হতে তার স্বাক্ষর বা স্বাক্ষর চিহ্ন অথবা এরূপ অপর কোন ব্যক্তির দস্তখত সম্পর্কে ব্যক্তিগত স্বীকৃতি লাভ করেছে এবং যারা সকলে সম্পাদনকারীর উপস্থিতিতে দলিলে দস্তখত করেছে; কিন্তু এরূপ সাক্ষীদের একজনের অধিক একই সময়ে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই; এবং কোন বিশেষ ধরণের প্রত্যায়নেরও প্রয়োজন নেই।

Section 3:
“attested”, in relation to an instrument, means and shall be deemed always to have meant attested by two or more witnesses each of whom has seen the executant sign or affix his mark to the instrument, or has seen some other person sign the instrument in the presence and by the direction of the executant, or has received from the executant a personal acknowledgement of his signature or mark, or of the signature of such other person, and each of whom has signed the instrument in the presence of the executant; but it shall not be necessary that more than one of such witnesses shall have been present at the same time, and no particular form of attestation shall be necessary:
৪৫৮.
হেবার তৃতীয় শর্ত কী?
  1. গ্রহণ
  2. ইজাব
  3. দলিল নিবন্ধন
  4. দখল প্রদান
সঠিক উত্তর:
দখল প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল প্রদান
ব্যাখ্যা

• দান বা হেবা:
মুসলিম আইনে হেবা একটি বিশেষ চুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায়, কোনো প্রকার বিনিময় বা প্রতিদান ছাড়া, নিজের সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে। এটি মূলত একটি দান বা উপহার, যা স্থাবর (যেমন জমি, বাড়ি) এবং অস্থাবর (যেমন টাকা, গহনা) – উভয় প্রকার সম্পত্তির ক্ষেত্রেই করা যায়।

ইসলামী শরীয়তের আলোকে হেবা একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি। এখানে তিনটি শর্ত অপরিহার্যভাবে পূরণ করতে হয়:
- দানকারীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা (Ijab);
- গ্রহীতার পক্ষ থেকে গ্রহণ (Qabul);
- হস্তান্তরকৃত সম্পত্তির দখল (Delivery of possession)।

হেবার বৈশিষ্ট্য:
- এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রকার জবরদস্তি বা প্রতারণা ছাড়া হতে হবে।কোনো প্রকার প্রতিদান বা বিনিময় ছাড়া সম্পত্তি দান করা হয়।
- দাতা (যিনি হেবা দেন) অবশ্যই হেবা দেওয়ার বৈধ মালিক হতে হবে।দাতা অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং হেবা দেওয়ার মতো বৈধ মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতা (যিনি হেবা পান) অবশ্যই হেবা গ্রহণ করবেন—গ্রহণ না করলে হেবা কার্যকর হবে না।গ্রহীতা জীবিত ব্যক্তি হতে হবে। নবজাতক বা অক্ষম ব্যক্তির পক্ষেও বৈধ অভিভাবক হেবা গ্রহণ করতে পারেন।
- হেবা কোনো শর্তসাপেক্ষ হলে, সেই শর্ত ইসলামে বৈধ হতে হবে।
- হেবা কার্যকর হওয়ার পর সাধারণত তা ফেরত নেওয়া যায় না। একবার বৈধভাবে হেবা সম্পন্ন হলে সাধারণত তা দাতা ফেরত নিতে পারেন না।

কে হেবা দিতে পারে (দাতা /Donor):
প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে – নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক) ব্যক্তি বৈধভাবে হেবা দিতে পারে না।
সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হতে হবে – মানসিকভাবে অক্ষম বা পাগল ব্যক্তি হেবা দিতে পারবে না।
সম্পত্তির বৈধ মালিক হতে হবে – দাতা তার নিজস্ব মালিকানাধীন সম্পত্তিই কেবল হেবা দিতে পারবেন।
স্বেচ্ছায় হতে হবে – জবরদস্তি, চাপ, প্রতারণা বা হুমকি দিয়ে দেওয়া হেবা বৈধ নয়।

৪৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য
  3. রাজনৈতিক স্বাধীনতা
  4. অর্থনৈতিক স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং এর রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।"

অতএব, "সংবিধানের প্রাধান্য"-ই বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ হিসেবে সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ধর্মীয় স্বাধীনতা: যদিও সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার স্বীকৃতি রয়েছে, তবে এটিকে জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির মূল উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
গ) রাজনৈতিক স্বাধীনতা: সংবিধানে রাজনৈতিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি প্রস্তাবনায় জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তির রূপে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত নয়।
ঘ) অর্থনৈতিক স্বাধীনতা: সংবিধানে অর্থনৈতিক সাম্য ও সুবিচারের কথা বলা হলেও, এটিকে সরাসরি জনগণের অভিপ্রায়ের প্রতিফলন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়নি।
৪৬০.
মুসলিম আইনে নিম্নলিখিত কোন বিবাহটি অনিয়মিত বিবাহ?
  1. ইদ্দত পালনকারী মহিলাকে বিবাহ
  2. সাক্ষী ছাড়া বিবাহ
  3. একই সাথে দুই বোনেকে বিবাহ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):

যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।
৪৬১.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এ “পারিবারিক আদালত” কোন ধারার অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৪
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১)(ঘ) অনুসারে, “পারিবারিক আদালত” ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১)(ঘ) এবং ধারা ৪ অনুসারে, “পারিবারিক আদালত” ধারা ৪ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারা ৪(১) এ উল্লেখ আছে যে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৪ পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।
(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।

৪৬২.
মুসলিম আইন অনুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে-
  1. কেউ পাবেন না
  2. মূল মালিকের সিদ্ধান্ত প্রাধান্য পাবে
  3. প্রয়োজন বিবেচনায় বণ্টন করা হবে
  4. প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
- একই শ্রেণীভুক্তি অগ্রক্রয়াধিকারীদের মধ্যে অগ্রক্রয়:

- মুসলিম আইনানুসারে একই শ্রেণিভুক্ত দুই বা ততোধিক অগ্রক্রয়াধিকারী থাকলে, প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করতে পারবে।
- কারণ অগ্রক্রয়াধিকারীদের একই শ্রেণীর মধ্যে নৈকট্যের ক্রমকে মুসলিম আইন স্বীকৃতি প্রদান করেনা।
- যখন দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন পথাধিকারের fright to way! অংশ গ্রহণের যুক্তিতে অগ্রক্রয়ের দাবি করে তখন তাদের সকলেই সমান অধিকার লাভ করবে,
- যদিও তাদের মধ্যে কোন একজন পার্শ্ববর্তী বা সংলগ্ন প্রতিবেশী।
৪৬৩.
'Doctrine of Survivorship' কোন মতবাদে প্রযোজ্য?
  1. দায়ভাগ মতবাদে
  2. মিতাক্ষরা মতবাদে
  3. ক ও খ উভয় মতবাদে
  4. কোনো মতবাদেই নয়
সঠিক উত্তর:
মিতাক্ষরা মতবাদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিতাক্ষরা মতবাদে
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ উত্তরাধিকাররূপে সম্পত্তি প্রাপ্তির শুধু একটাই নিয়ম স্বীকার করে আর তা হলো উত্তরাধিকার সূত্র। যেমন, 'ক' এবং 'খ' দুই ভাই এবং তাহারা এজমালী পরিবারভুক্ত। অতএব তাদের পারিবারিক সম্পত্তিতে 'ক' এর আট আনা অংশ এবং 'খ' এর বাকী আট আনা অংশ। তদবস্থায় বাংলাদেশে 'ক' একটি পুত্র সন্তান রেখে মারা গেলে তার আট আনা অংশ তার পুত্র উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে। ভাই 'খ' 'ক' এর ত্যাজ্যবিত্তের কোন অংশ পাইবে না। পিতার মৃত্যুতে এইভাবে পুত্রের সম্পত্তি পাওয়াকে বলা যায় উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া। একে বলে 'Doctrine of successionship'

অপরপক্ষে মিতাক্ষরা সম্পত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দুইটি নিয়ম মেনে চলে। যেমন মিতাক্ষরা শাসিত অঞ্চলে 'ক' এবং 'খ' দুই ভাই এবং তাহারা যৌথ পরিবারভুক্ত। তাদের পূর্বপুরুষের নিকট হতে প্রাপ্ত সম্পত্তি আছে ২০ বিঘা। পরে 'ক' ওকালতি করে নিজ নামে আরও ৩০ বিঘা জমি অর্জন করে এক পুত্র রেখে মারা গেলেন। এই অবস্থায় 'ক' এর স্বোপার্জিত ৩০ বিঘা জমি তার পুত্র উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে আর পূর্ব পুরুষাগত ২০ বিঘা জমিতে 'ক' এর অংশ যৌথ পরিবারের উত্তরজীবী (Surviving members) 'ক' এর পুত্র এবং ভাই 'খ' এর উপর সমান অংশে বর্তাইবে। এই নিয়মকেই বলা হয় উত্তরজীবী সূত্রে সম্পত্তি পাওয়া বা Doctrine of Survivorship
৪৬৪.
'ম' একজন ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করে, কিন্তু সে তা সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়। এই অপরাধের জন্য 'ম' এর সর্বনিম্ন কোন দণ্ড হতে পারে?
  1. কেবল অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৯(৪)- যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি 16[মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে] দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৪৬৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'জরুরী অবস্থা' জারি করা হলে তা সর্বোচ্চ কত দিন মেয়াদের হতে পারে?
  1. ১০০
  2. ১২০
  3. ৩৬৫
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

Article 141A: Proclamation of emergency
(1) If the President is satisfied that a grave emergency exists in which the security or economic life of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or internal disturbance, he may issue a Proclamation of Emergency for one hundred twenty days: Provided that such Proclamation shall require for its validity the prior counter signature of the Prime Minister.
 
(2) A Proclamation of Emergency – 
(a) may be revoked by a subsequent Proclamation; 
(b) shall be laid before Parliament; 
(c) shall cease to operate at the expiration of one hundred and twenty days, unless before the expiration of that period it has been approved by a resolution of Parliament: 

Provided that if any such Proclamation is issued at a time when Parliament stands dissolved or the dissolution of Parliament takes place during the period of one hundred and twenty days referred to in sub clause (c), the Proclamation shall cease to operate at the expiration of thirty days from the date on which Parliament first meets after its re constitution, unless before that expiration of the said period of thirty days a resolution approving the Proclamation has been passed by Parliament or at the expiration of one hundred and twenty days, whichever occurs first.
 
(3) A Proclamation of Emergency declaring that the security of Bangladesh, or any part thereof, is threatened by war or external aggression or by internal disturbance may be made before the actual occurrence of war or any such aggression or disturbance if the President is satisfied that there is imminent danger thereof.
৪৬৬.
যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সম্মতি প্রয়োজন ______ এর।
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রী পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৩ অনুচ্ছেদের বিধান: যুদ্ধ-
(১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
-------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh Article 63. War -
 (1) War shall not be declared and the Republic shall not participate in any war except with the assent of Parliament.
৪৬৭.
নিম্নের কোনটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের বিষয়বস্তু নয়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
  2. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
  3. সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ বৃদ্ধিকরণ
  4. জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিনকরণ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্তি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ সালে পাশ হয়।
 
পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
⇒ দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
⇒ ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
⇒ জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
⇒ সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

 • সংবিধান ষোড়শ সংশোধন আইন ২০১৪ দ্বারা সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বিলুপ্ত করা হয় এবং বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। এর বৈধতা নিয়ে করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। একই বছরে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বর্তমানে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা বহালের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি কার্যক্রম চলছে।
৪৬৮.
মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে অবগত করতে হবে-
  1. প্রতি সপ্তাহে একবার
  2. ৬ মাসে একবার
  3. প্রতি মাসে একবার
  4. ১৫ দিনে একবার
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি মাসে একবার
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৩৪- ভিকটিম বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিবর্গ এবং জনসাধারণকে সাধারণভাবে তথ্য সরবরাহ

(১) মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি সরকার বা পুলিশ বা ক্ষেত্রমত, বেসরকারি সংস্থাসমূহের নিকট হইতে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট ফৌজদারী মামলার সর্বশেষ অবস্থা সম্বন্ধে মাসে অন্তত একবার অবগত হইবার অধিকারী হইবে। 
 
(২) তদন্তকারী কর্মকর্তা বা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিকে চিহ্নিত ও উদ্ধারকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের অধিকার, আইনি সহায়তার সুযোগ এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত করিবে। 
 
(৩) মানব পাচার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের গোপনীয়তার অধিকারের প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ, উদ্ধার, স্থানান্তর, প্রত্যাবর্তন, প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত দায়িত্বসমূহ কার্যকরভাবে সম্পাদনে সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, সাংবাদিক বা জনসাধারণকে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যসমেত একটি ব্যাপক ভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার পরিচালনা করিবে।
৪৬৯.
"A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes." এটি SAT Act এর কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮১
  2. ৮৩
  3. ৮৪
  4. ৮৭
সঠিক উত্তর:
৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
৪৭০.
শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করানো বা পরিবহন করানোর অপরাধের জন্য শিশু আইন, ২০১৩ তে শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৯- শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন এবং সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের দণ্ড

(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন শিশুর দ্বারা আগ্নেয়াস্ত্র বা অবৈধ ও নিষিদ্ধ বস্তু বহন করান বা পরিবহন করান, তাহা হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি শিশুর প্রকৃত দায়িত্বসম্পন্ন বা তত্ত্বাবধানকারী ইউক, বা না হউক, কোন শিশুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ১৬ নং আইন) এর ধারা ৬ এ উল্লিখিত কোন সন্ত্রাসী কার্যে নিয়োজিত করিলে বা ব্যবহার করিলে তিনি স্বয়ং উক্ত সন্ত্রাসী কার্য সংঘটনের অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য তিনি উক্ত ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৪৭১.
'প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮
  2. অনুচ্ছেদ ১১
  3. অনুচ্ছেদ ১৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷
৪৭২.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি তার মনোনীত আইনজীবীর সাথে পরামর্শের অধিকার পায়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৩(১)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ:
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]
৪৭৩.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনারের মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. আপিল আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  2. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিতে হবে।
  3. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  4. আপিল দায়েরের পর যেকোনো এক সময় চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
সঠিক উত্তর:
শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপিল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লিখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
----------
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881, Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৪৭৪.
Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum (1995) মামলার মূল বিষয় কী ছিল?
  1. বিবাহ রেজিস্ট্রেশন
  2. তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
  3. সন্তানদের হেফাজতের অধিকার
  4. বিবাহিতা স্ত্রীর দেনমোহরের অধিকার
সঠিক উত্তর:
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের অধিকার
ব্যাখ্যা

'Hefzur Rahman v. Shamsun Nahar Begum 47 DLR (1995) 34':
মুহাম্মদ হেফজুর রহমান বনাম শামসুন নাহার বেগম মামলাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় যা ১৫ বিডিএল(৩৪) রেজিস্ট্রেশন নম্বরের অধীনে রয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় ছিল তালাকপ্রাপ্ত মহিলার Post-divorce Maintenance এর অধিকার সম্পর্কিত।

মামলার পটভূমি:
শামসুন নাহার বেগম তার স্বামী মুহাম্মদ হেফজুর রহমানের বিরুদ্ধে Maintenance-এর দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তালাক দেওয়ার পরও তাকে Maintenance প্রদান করা হচ্ছে না।

আইনি প্রশ্ন:
মামলার মূল আইনি প্রশ্ন ছিল, তালাকের পর একজন মহিলার Maintenance দেওয়ার অধিকার কতদিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। বিশেষভাবে, ইদ্দতকাল (তালাকের পর নির্দিষ্ট সময়কাল) ছাড়াও কি Maintenance প্রদান করা হবে?

আদালতের সিদ্ধান্ত:
হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে যে, তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর Maintenance ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পরও চলমান থাকবে, যতক্ষণ না তিনি পুনরায় বিয়ে করেন এবং তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।
আদালত বলেছে, “একজন পুরুষ তার স্ত্রীর তালাক দেওয়ার পর তাকে ইদ্দতকাল পেরিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত পরিমাণে Maintenance প্রদান করতে বাধ্য। এই Maintenance প্রদান অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না স্ত্রী পুনরায় বিয়ে করে তালাকপ্রাপ্ত অবস্থার অবসান ঘটে।”

৪৭৫.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধান অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির বাৎসরিক ইজারা হলে ইজারা দাতা বা ইজারা গ্রহীতা কত দিনের নোটিশে, ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটাতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারার বিধান লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:
- কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
- অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
- এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।
৪৭৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দাখিল করতে পারেন। এছাড়া, উপ-ধারা (৬) অনুযায়ী, যদি তিন মাসের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তবে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বিলম্বের কারণ সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালকে সন্তুষ্ট করতে পারেন।

সুতরাং, প্রাথমিক সময়সীমা হলো তিন মাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
⇒ Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.

৪৭৭.
রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন-
  1. সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  2. প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  3. প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
  4. স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 
(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 
(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 
(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।
-------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh - Article 50. Term of office of President: 
(1) Subject to the provisions of this Constitution, the President shall hold office for a term of five years form the date on which he enters upon his office: 
Provided that notwithstanding the expiration of his term the President shall continue to hold office until his successor enters upon office. 
(2) No person shall hold office as President for more than two terms, whether or not the terms are consecutive. 
(3) The President may resign his office by writing under his hand addressed to the Speaker. 
(4) The President during his term of office shall not be qualified for election as a member of Parliament, and if a member of Parliament is elected as President he shall vacate his seat in Parliament on the day on which he enters upon his office as President.
৪৭৮.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হতে পারে?
  1. ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫
  2. ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫
  3. ৩০, ৩২, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭
  4. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-১৪১খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ:
এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত বিধানাবলীর কারণে রাষ্ট্র যে আইন প্রণয়ন করিতে ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে সক্ষম নহেন, জরুরী-অবস্থা ঘোষণার কার্যকরতা-কালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদসমূহের কোন কিছুই সেইরূপ আইন-প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কিত রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করিবে না; তবে অনুরূপভাবে প্রণীত কোন আইনের কর্তৃত্বে যাহা করা হইয়াছে বা করা হয় নাই, তাহা ব্যতীত অনুরূপ আইন যে পরিমাণে কর্তৃত্বহীন, জরুরী-অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হইবার অব্যবহিত পরে তাহা সেই পরিমাণে অকার্যকর হইবে।
৪৭৯.
'চ' ও 'ছ' মুসলিম নরনারী পরস্পরের সম্মতিতে কোন সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে-
  1. অবৈধ
  2. বাতিলযোগ্য
  3. নিয়মিত
  4. অনিয়মিত
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
সাক্ষী ব্যতীত বিবাহ একটি অনিয়মিত বিবাহ।

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih);
২) বাতিল (Void or Batil);
৩) অনিয়মিত (Irregular or fasid).

বৈধ (Valid or Sahih):
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil):
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid):
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
৪৮০.
অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে The Contract Act, 1872 অনুসারে কী বলা হয়?
  1. ঘটনা নির্ভর চুক্তি
  2. জামিনের চুক্তি
  3. খেসারতের চুক্তি
  4. জিম্মা
সঠিক উত্তর:
জামিনের চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনের চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬-এ "জামিনের চুক্তি" (Contract of guarantee), "জামিনদার" (surety), "প্রধান দেনাদার" (principal debtor) এবং "পাওনাদার" (creditor)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, জামিনের চুক্তি হলো তৃতীয় ব্যক্তির অনাদায়ের ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি, এবং এটি মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।

- অর্থাৎ, The Contract Act, 1872 অনুসারে অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে খ) জামিনের চুক্তি (The Contract of Guarantee) বলা হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default.
The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

৪৮১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "Nemo est supra leges" নীতিটির প্রতিফলন হয়েছে?
  1. ২২ অনুচ্ছেদে
  2. ২৭ অনুচ্ছেদে
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo est supra leges: - 'No man is above the law' (কেহই আইনের ঊর্ধ্বে নয়)
 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতিটি এটাই প্রমাণ করে যে, কোন ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে নয়। 'No man is above the law.'
 
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
- Article 27. Equality before law:
 All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.
৪৮২.
একজন দায়ভাগ মতবাদের অনুসারী হিন্দু ব্যক্তি পিতা, ভাই, ভাইয়ের পুত্র এবং কন্যার পুত্র কে রেখে মারা যায়। এক্ষেত্রে সমুদয় সম্পত্তি কে পাবে?
  1. পিতা
  2. ভাই
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই এবং ভাইয়ের পুত্র অর্ধেক করে পাবে
সঠিক উত্তর:
কন্যার পুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্যার পুত্র
ব্যাখ্যা
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

তালিকা অনুযায়ী, কন্যার পুত্রের অবস্থান ৬ষ্ঠ এবং পিতা, ভাই ও ভাইয়ের পুত্র যথাক্রমে ৭ম, ৯ম এবং ১০ অবস্থানে আছে। এক্ষেত্রে কন্যার পুত্র অগ্রগণ্য হবে এবং সমুদয় সম্পত্তি পাবে এবং বাকিরা বঞ্চিত হবে।
৪৮৩.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, উক্ত পদে কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি-জেনারেল
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৫৪: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

Article 54: Speaker to act as President during absence, etc.

If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be.
৪৮৪.
বর্তমান সংসদের নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।
 
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৪৮৫.
সোলে বা আপস ডিক্রি (Compromise Decree) বা সম্মতিসূচক ডিক্রি (Consent Decree) এর বিরুদ্ধে প্রতিকার হলো-
  1. আপীল
  2. রিভিশন
  3. ডিক্রি বাতিলের আবেদন
  4. উপরের কোনটি না
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৬ (৩) ধারা অনুযায়ী পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি প্রদান করে থাকলে তার হতে কোন আপীল চলবে না।
⇒   অর্থাৎ পক্ষগণের সম্মতিতে (Compromise Decree) আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে আপিল চলে না। যেহেতু আপীল চলবে না তাই রিভিশেন করা যাবে।
⇒  আদেশ ২৩ (৩) বিধির অধীন সোলে বা আপস ডিক্রি [compromise] বা সম্মতিসূচক [consent decree] ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না তবে রিভিশন করা যায়। কিন্তু ৮৯ক ধারার অধীন মধ্যস্থতার [Mediation] মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে মীমাংসা অনুযায়ী আদালত যে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে, উক্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন কোনটি করা যায় না। যা ৮৯ক(১২) ধারায় উল্লেখ করা আছে।

⇒  দেওয়ানি মোকদ্দমার আপিল আদালত দুটি। ১) জেলা জজ আদালত ২) হাইকোর্ট বিভাগ।
৪৮৬.
What is the basis of elections to the Bangladesh Parliament?
  1. Indirect voting
  2. Adult franchise
  3. Presidential appointment
  4. Proportional representation
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adult franchise
ব্যাখ্যা
Article 122: Qualifications for registration as voter:
(1) The elections to Parliament shall be on the basis of adult franchise. 
 
(2) A person shall be entitled to be enrolled on the electoral roll for a constituency delimited for the purpose of election to the Parliament, if he - 
(a) is a citizen of Bangladesh; 
(b) is not less than eighteen years of age; 
(c) does not stand declared by a competent court to be of unsound mind ; 
(d) is or is deemed by law to be a resident of that constituency ; and 
(e) has not been convicted of any offence under the Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972.

অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।
৪৮৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৯ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ প্রকার
ব্যাখ্যা
• নগদ অর্থ ঋণ হিসেবে গ্রহণের নিশ্চয়তার উদ্দেশ্যে ভবিষ্যত দেনা সৃষ্টি করতে পারে, এমন সম্পত্তির স্বত্ব অপরের নিকট হস্তান্তর করাকে রেহেন বা বন্ধক বলে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ৬ প্রকার রেহেনের উল্লেখ রয়েছে।

ক) সাধারণ রেহেন :
সম্পত্তির দখল হস্তান্তর না করে রেহেনের টাকা ব্যক্তিগতভাবে পরিশােধের দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাকে সাধারণ রেহেন বলে। এখানে শর্ত থাকে চুক্তি মােতাবেক ঋণ গ্রহীতা টাকা পরিশােধ করতে না পারলে ঋণদাতা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করে তার প্রাপ্য টাকা গ্রহণ করতে পারবে।

(খ) শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে রেহেন :
যদি কোন সম্পত্তি এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে, নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ না করলে বিক্রয় চূড়ান্ত হবে অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পরিশােধ করলে বিক্রয় বাতিল হবে তাহলে তাকে শর্তাধীন বিক্রয়ের মাধ্যমে নেহেন বলে।

(গ) খাই খালাসী রেহেন :
দাতা সম্পত্তির দখল গ্রহীতাকে প্রদান করবে, টাকা পরিশােধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখবে তাকে খাই খালাসী রেহেন বলে ।

(ঘ) ইংলিশ রেহেন :
দাতা নির্দিষ্ট তারিখে রেহেনের টাকা পরিশােধের অঙ্গীকার করে সম্পত্তি গ্রহীতার নিকট হস্তান্তর করবে। শর্ত থাকবে নির্দিষ্ট তারিখে টাকা পরিশােধ করলে গ্রহীতা দাতাকে সম্পত্তি ফিরিয়ে দিবে। এটি হলাে ইংলিশ রেহেন।

(ঙ) দলিল জমা দেওয়ার রেহেন :
ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্টগ্রাম শহরে বা সরকারী গেজেট দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোন শহরে কোন ব্যক্তি যখন মহাজন বা তার প্রতিনিধির উপর জামানত সৃষ্টির জন্য দলিল জমা দেয়া হয় তাকে দলিল জমা দেওয়ার রেহেন বলে।

(চ) সংজ্ঞাহীন রেহেন :
যে রেহেন উপরােক্ত কোন রেহেনের অন্তর্ভুক্ত হয় না তাকে সংজ্ঞাহীন রেহেন বলে ।
৪৮৮.
The Contract Act, 1872 এর কোন ধারা অনুযায়ী নাবালক চুক্তি সম্পাদনের অযোগ্য?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
• কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]।
অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।

• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৪৮৯.
'Every registering officer appointed under this Act shall be deemed to be a public servant'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৮১ ধারায়
  2. ৮২ ধারায়
  3. ৮৪ ধারায়
  4. ৮৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪: রেজিস্টারিং অফিসারগণকে সরকারি কর্মচারী গণ্য করা হবে:
(১) এই আইনের অধীন নিযুক্ত প্রত্যেক রেজিস্টারিং অফিসারকে দণ্ডবিধির (Penal Code) অর্থে একজন সরকারি কর্মচারী (Public Servant) হিসেবে গণ্য করা হবে।
(২) প্রত্যেক ব্যক্তি আইনগতভাবে বাধ্য, যে, রেজিস্টারিং অফিসার যদি কোনো তথ্য প্রদান করতে বলেন, তবে তাকে সেই তথ্য প্রদান করতে হবে।
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ২২৮-এ উল্লিখিত “বিচারিক কার্যধারা” (judicial proceeding) শব্দগুচ্ছের মধ্যে এই আইনের অধীন যেকোনো কার্যধারাও অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে।
৪৯০.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে কয় ধরণের আটকের বিধান আছে?
  1. ৩ ধরণের
  2. ২ ধরণের
  3. ১ ধরণের
  4. ৪ ধরণের
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরণের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদঃ ৩৩ গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ- 

সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদে ২ ধরণের আটকের বিধান আছে-

১. কোন অপরাধ প্রকৃতপক্ষে সংঘটনের পর অথবা কোন অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টার পর যদি উক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়, তাহলে সেটা হবে শাস্তিমূলক আটক [Punitive Detention];

২. অন্যদিকে, কোন ব্যাক্তি অপরাধ করতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকলে, তাকে উক্ত অপরাধ সংঘটন হতে বিরত রাখার জন্য জন্য আটক করা হয় তাহলে সেটা হবে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention]।

⇒ শাস্তিমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

সংবিধানের ৩৩ এর ১ ও ২ অনুচ্ছেদে শাস্তিমূলক আটক ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে ৪ টি অধিকার দেওয়া হয়েছে। যথা:
১) যথাসম্ভব শীয় গ্রেপ্তারের কারণ জানার;
২) আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে আত্মপক্ষ সমর্থন করার;
৩) ২৪ ঘন্টায় মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা;
৪) ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক না রাখা।

উপরে উল্লেখিত অধিকার নিম্নলিখিত ২ শ্রেণীর ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। যথাঃ
ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু;
খ) যাকে নিবর্তনমূলক আটক [Preventive Detention] আটকের বিধানসংবলিত কোন আইেনর অধীন গ্রেপ্তার করা হয়েছে বা আটক করা হয়েছে। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীন ক্ষতিকর কোন কাছের জন্য কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে সে উপরে উল্লেখিত অধিকারগুলো পাবে না।

⇒ নিবর্তনমূলক আটক এর ক্ষেত্রে আটককৃত ব্যক্তির অধিকার:

৩৩ (৪) অনুচ্ছেদে নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করার বিধান আছে। নিবর্তনমূলক আটকের ক্ষেত্রে ৬ মাসের অধিককাল আটক রাখা যাবে না। কিন্তু উপদেষ্টা পর্যদের মতামত অনুযায়ী এই মেয়াদ বাড়তে পারে। সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রয়েছে বা ছিলো কিংবা সুপ্রীম কোট্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা আছে, এইরুপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সম্বনেয় উপদেষ্টা পর্ষদ গঠিত হবে।
৪৯১.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-এ বর্ণিত অগ্রক্রয় কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. হোল্ডিং এর হস্তান্তর (Transfer of holding)
  2. ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
  3. বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর
  4. বণ্টনের মাধ্যমে হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনটি ভূমি ( Non Agricultural Land) এবং অকৃষি প্রজার (Non - Agricultural Tenant) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। The Non - Agricultural Tenancy, 1949 এর ২৪ ধারার অধীনে অগ্রক্রয়ের ভিত্তিতে ভূমি হস্তান্তর (Transfer of Land) করা হয়।

অকৃষি প্রজাস্বত্বের অগ্রক্রয়াধিকার সম্পর্কে ২৪ ধারায় বর্ণিত বিধানাবলী কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না তা ২৪ ধারার ১১ উপধারায় বর্ণনা করা আছে, নিম্নে ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করা হলো-

ক. প্রজাস্বত্বে কোন সহ উওরাধিকারী যখন অন্য কোন প্রকারে অকৃষি জমিতে স্বার্থ লাভ করে;
খ. বিনিময় বা ভাগ বাটোয়ারার মাধ্যম যখন অকৃষি জমি হস্তান্তরিত হয়;
গ. যখন স্বামী বা স্ত্রীর অনুকূলে উইল বা দানের মাধ্যমে জমি হস্তান্তর করা বা দাতা বা অসিয়তকারীর রক্ত সম্পর্কের অধস্তন তিন প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত এমন কোন ব্যক্তি দ্বারা হস্তান্তর সম্পন্ন হয়;
ঘ. মুসলিম আইনের বিধানানুসারে ওয়াকফ;
ঙ. ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য দেবওোর বা অনুরূপ কোন উদ্দেশ্যে সম্পওি হস্তান্তর এবং যে হস্তান্তরে ব্যক্তির অনুকূলে কোন সুবিধা দেওয়া হয় না।

তবে কোন সহ-অংশীদারী যখন প্রজাস্বত্বে বা হোল্ডিংয়ে তার অংশটুকু জমা প্রদানপূর্বক নামজারি করেন এবং সম্পওি ভাগ করেন তখন তিনি অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। এছাড়া যখন কোন ব্যক্তি সরকারের কর্তৃত্বাধীনে কোন সম্পওি অধিকারী হয় তখন ঐরূপ সম্পওির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়াধিকার প্রযোজ্য নয়।
৪৯২.
'ক' একটি খামারের মালিক এবং এর মূল্য ২০,০০০ টাকা। 'খ' একটি দানপত্রের মাধ্যমে উক্ত খামার 'গ' কে হস্তান্তর করতে চায় এবং একই দলিলে 'ক' কে ২০,০০ টাকা দিতে চায়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. খামার এবং টাকা দুটোই দাবি করতে পারবে
  2. খামার রাখতে চাইলে, টাকা দাবি করতে পারবে না
  3. টাকা রাখতে চাইলে, খামার দাবি করতে পারবে না
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
Doctrine of Election:
নির্বাচন বলতে একই দলিলে দুই বা ততোধিক বিষয়বস্তুর মধ্যে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিষয়বস্তুর নির্বাচন করা বুঝায়। ইকুইটি নীতির উপর Doctrine of Election প্রতিষ্ঠিত। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৫ ধারায় এর বিধান রয়েছে।

এই নীতির পূর্বশর্ত হলো-
⇒ হস্তান্তরকারী অবশ্যই অন্যের মালিকানাধীন সম্পত্তি হস্তান্তরের ঘোষণা করবেন।
⇒ ঐ সম্পত্তি ৩য় ব্যক্তি বরাবর হস্তান্তর করবেন।
⇒ একই সময়ে হস্তান্তরকারীকে নিজের কিছু সম্পত্তি মূল সম্পত্তির মালিককে হস্তান্তর করবে।
⇒ ২টি হস্তান্তর একই দলিলে হবে।
⇒ একটি সুবিধা গ্রহণ এবং অপর একটি সুবিধা বর্জন, অর্থাৎ কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে কোন বিষয়ে অনুমোদন এবং প্রত্যাখ্যান করতে পারে না।
⇒ নির্বাচনের পূর্বে হস্তান্তরকারীর মৃত্যু বা পুনরায় হস্তান্তর করতে অক্ষম হয়ে পড়লে, তাহলে হস্তান্তরকারীর নিকট থেকে হস্তান্তরগ্রহীতা ক্ষতিপূরণ পাবে। 

এক্ষেত্রে 'ক' Doctrine of Election নীতি অনুযায়ী,
⇒ খামার রাখতে চাইলে, টাকা দাবি করতে পারবে না; অথবা
⇒ টাকা রাখতে চাইলে, খামার দাবি করতে পারবে না।


Doctrine of Election এর ব্যতিক্রম:
⇒ একই লেনদেনে প্রদত্ত অন্য কোন সুবিধা সম্পত্তির বিনিময় নয় তা পরিত্যাগ করতে সম্পত্তির মালিক বাধ্য নয়।
⇒ অসম্মতি জ্ঞাপন না করে মালিক ২ বছর ধরে তাকে প্রদত্ত সুবিধা ভোগ করলে, সে সকল বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিল এবং তদন্তের অধিকার বর্জন করেছিল মর্মে ধরে নিতে হবে।
⇒ হস্তান্তরিত সম্পত্তির মালিক যদি এমন কোন কাজ করে যার ফলে হস্তান্তরিত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণকে ঐ কাজ করার পূর্বে যে মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত ছিল সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
⇒ হস্তান্তরগ্রহীতা নির্বাচন করার ব্যপারে অক্ষম হলে যতদিন উক্ত অক্ষমতার অবসান না ঘটে বা কোন যোগ্যতা সম্পন্ন কর্তৃপক্ষ নির্বাচন না করেন, ততদিন নির্বাচন স্থগিত থাকবে।
৪৯৩.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
  1. স্নাতক পাস
  2. এসএসসি (SSC) পাস
  3. এইচএসসি (HSC) পাস
  4. কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এইচএসসি (HSC) পাস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি- ৫(১) অনুযায়ী, প্রার্থীর এইচএসসি (HSC) পাস হতে হবে, বয়স ২৫–৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হতে হবে, এবং হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী হতে হবে। সবগুলো শর্ত পূরণ না করলে তিনি যোগ্য হবেন না।

-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ৪(১) ধারার বিধান অনুসারে,
এই আইনের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের উদ্দেশ্যে, সরকার, সিটি কর্পোরেশন এলাকার ক্ষেত্রে তৎকর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত এলাকা, এবং সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত এলাকার ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা এলাকায় একজন ব্যক্তিকে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করিবে।
-হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(৩) ধারার বিধান অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির যোগ্যতা, অধিক্ষেত্র, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক কর্তৃক আদায়যোগ্য ফিস এবং তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি-৫ প্রার্থীদের যোগ্যতা, ইত্যাদি- (১) কোনো ব্যক্তি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসাবে নিয়োগ পাইবার
যোগ্য হইবেন না, যদি-
- তিনি সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বোর্ড হইতে এইচ, এস, সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হন;
- তাহার বয়স কমপক্ষে পঁচিশ এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ বৎসর না হয়;
- তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা না হন;
- তিনি হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী না হন।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগের ক্ষেত্রে কাব্যতীর্থ বা ব্যাকরণতীর্থদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হইবে।

৪৯৪.
নিচের কোন হস্তান্তর বিনিময় বলে গণ্য হবে না?
  1. ঘড়ির বদলে ঘড়ি
  2. বাড়ির বদলে গাড়ি
  3. টাকার বদলে টাকা
  4. বাড়ির বদলে টাকা
সঠিক উত্তর:
বাড়ির বদলে টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ির বদলে টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ১১৮: "বিনিময়"-এর সংজ্ঞা

দুই ব্যক্তি যখন পারস্পরিক সম্মতিতে এক জনের একটি জিনিসের মালিকানার বদলে অন্য জনের একটি জিনিসের। মালিকানার হস্তান্তর করে তখন এর কোন একটি জিনিস অর্থ না হলে বা উভয় জিনিসই কেবল অর্থ হয়ে থাকলে এরপ আদান-প্রদানকে বিনিময় বলা হয়।

⇒ বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর বিক্রয়ের মতই হবে।
দুই জন ব্যক্তির পারস্পরিক সম্মতিতে একজনের জিনিসের সাথে অন্য জনের জিনিসের মালিকানা বদল করা। তবে উভয়ই প্রকার সম্পত্তির প্রকৃতি একই হতে হবে; অথবা দুটো জিনিসই অর্থ হলে বিনিময় করা যাবে, তবে একটি জিনিস অর্থ অন্য জিনিস অন্য কোন বস্তু হলে তা বিনিময় হবে না।
⇒ বিনিময় দ্বারা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিক্রয় সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে।

Section 118: “Exchange” defined
When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called an “exchange”. 
A transfer of property in completion of an exchange can be made only in manner provided of the transfer of such property by sale.
৪৯৫.
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। একক হস্তান্তরের মাধ্যমে A, B-কে তার সব শেয়ার হস্তান্তর করছে। এক্ষেত্রে, B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে-
  1. B শুধুমাত্র X-এর শেয়ার নিতে পারবে
  2. B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
  3. B, Y-এর শেয়ার নিতে বাধ্য নয় কিন্তু X-এর শেয়ার নেবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B, X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

উত্তর: b) B X-এর শেয়ারও নিতে পারবে না।

Onerous Gifts (দায় বা শর্তযুক্ত উপহার):

Onerous gifts হলো এমন উপহার যেখানে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায় বা শর্তযুক্ত (burdened) থাকে, অন্যগুলো শর্তমুক্ত। আইন অনুযায়ী, যদি একই সময়ে এক ব্যক্তিকে একক হস্তান্তরের মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি দেওয়া হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয়, প্রাপক শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারে না। তাকে হয় সব গ্রহণ করতে হবে, না হলে পুরো উপহার প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

তবে, যদি সম্পত্তিগুলি স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়, প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এমনকি গ্রহণকৃতটি লাভজনক হলেও এবং অন্যটি শর্তযুক্ত হলেও।

মূল শর্তসমূহ:
- উপহার একই ব্যক্তিকে দেওয়া হবে।
- যদি একক হস্তান্তর হয় এবং কিছু সম্পত্তি শর্তযুক্ত হয় → প্রাপককে সর্বশেষে সম্পূর্ণ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।
- যদি স্বতন্ত্র হস্তান্তর হয় → প্রাপক শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে স্বাধীন।

আইনি নীতি:
এই ধারণা লাতিন maxim “Qui sentit commodum, sentire debet et onus” থেকে এসেছে:“যে সুবিধা গ্রহণ করে, তাকে দায়ও বহন করতে হবে।” অর্থাৎ, উপহার গ্রহণের সময় প্রাপককে সকল শর্ত মেনে নিতে হবে বা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

Section 127, Transfer of Property Act, 1882

Paragraph 1 – Single Transfer:
যদি উপহার একক হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং তার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দায়যুক্ত হয়: প্রাপক সম্পূর্ণ উপহার গ্রহণ করতে হবে তিনি শুধুমাত্র শর্তমুক্ত অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না।

Illustration (a):
A-এর শেয়ার আছে X (সফল কোম্পানি) এবং Y (সমস্যাযুক্ত কোম্পানি)-তে। A B-কে সব শেয়ার দিচ্ছে। B যদি Y-এর শেয়ার নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি X-এর শেয়ারও নিতে পারবেন না।

Paragraph 2 – Separate Transfers:
যদি উপহার স্বতন্ত্র ও স্বাধীন হস্তান্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়: প্রাপক একটি গ্রহণ করতে পারে এবং অন্যটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এই ক্ষেত্রে, দাতা যেভাবে ইচ্ছা করেছেন তার পুরো নীতি প্রয়োগ হয় না।

Illustration (b):
A একটি বাড়ির লিজ দেয় এবং আলাদাভাবে কিছু টাকা দেয়। B যদি লিজ নিতে অস্বীকার করে, তাহলে তিনি টাকা হারাবেন না।

৪৯৬.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব _______বৎসর।
  1. ১৬
  2. ১৭
  3. ১৮
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-

বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৪৯৭.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন কখন প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৪৯ নং আইন) ২৭ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে জাতীয় সংসদে প্রণয়ন করা হয়। এটি সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।
⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩:
- সন্তান কর্তৃক পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানকে তার পিতা-মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
- ৪ ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতার অবর্তমানে দাদা-দাদীকে; এবং মাতার অবর্তমানে নানা-নানীকে ধারা ৩ এ বর্ণিত ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধ্য থাকবে এবং এই ভরণ পোষণ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ হিসাবে গণ্য হবে।

- পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, এর ৫ ধারা অনুযায়ী পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করার দণ্ড:
- কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং
- উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে; বা
- উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

৪৯৮.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় রাজস্ব কর্মকর্তাকে অকৃষি প্রজার ভাড়া নির্ধারণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
SAT Act, 1950 ধারা ২৫: অকৃষি প্রজাদের ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ-
এই অধ্যায়ের অধীনে রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধন করার সময়, রাজস্ব কর্মকর্তা অকৃষি ভূমি অধিকারী সকল অকৃষি প্রজার (টেনিওর-হোল্ডার বাদে) জমির ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ করবেন, যা ধারা ২৩-এর বিধান অনুসারে নির্ধারিত হবে, যতদূর তা অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

শর্ত:
যদি কোনো অকৃষি প্রজা ওই জমি সরাসরি এমন কোনো ব্যক্তির অধীনে ভোগ করে যিনি প্রোপাইটর বা টেনিওর-হোল্ডার না হন, তখন রাজস্ব কর্মকর্তা ধরে নেবেন যে, সেই প্রজার বর্তমান প্রদেয় ভাড়া ন্যায্য ও সঙ্গত। তবে যদি সেই ভাড়া, ওই ব্যক্তির অধীনে থাকা একই জমির জন্য প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার চেয়ে পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) বা তার বেশি বেশি হয়, তাহলে রাজস্ব কর্মকর্তা সেই ভাড়াকে সেই ব্যক্তির প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার তুলনায় পঞ্চাশ শতাংশের বেশি বাড়ানোর অধিকার দেবেন না।
৪৯৯.
Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) মামলার মামলার প্রধান রায় লেখক (Author Judge) কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  2. বিচারপতি এটিএম আফজাল
  3. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী মামলা:
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.

রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে।  ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মামলার বিচারক:
এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।

Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।

৫০০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।