বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা / ৩০ · ৬০১৭০০ / ২,৯৬৪

৬০১.
নিম্নের কোনটি কায়েমি স্বার্থের (Vested Interest) প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. হস্তান্তরকারীর অনুমতির উপর নির্ভর করে
  2. হস্তান্তরগ্রহীতার সম্মতিতে কার্যকর হয়
  3. তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
  4. ভবিষ্যতের অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাৎক্ষণিক বা নিশ্চিত ঘটনার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯ – কায়েমি স্বার্থ (Vested Interest):
যখন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, এবং সেই স্বার্থ কখন কার্যকর হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি, অথবা বলা হয়েছে যে তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে,
অথবা এমন ঘটনার উপর নির্ভর করে যা অবশ্যই ঘটবে, তখন সেই স্বার্থকে বলা হয় কায়েমি স্বার্থ (vested interest) — যদি না হস্তান্তরের শর্তাবলীতে ভিন্ন কোনো অভিপ্রায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।

Explanation (ব্যাখ্যা):
"কায়েমি স্বার্থ নেই" — এই মর্মে অনুমান করা যাবে না শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে:
- ভোগদানের সময় পেছানো হয়েছে,
- পূর্ববর্তী কারো অনুকূলে অগ্রাধিকার ভিত্তিক স্বার্থ রাখা হয়েছে,
- আয় সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে ভোগদানের সময় না আসা পর্যন্ত,
- বলা হয়েছে, যদি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা ঘটে, তবে স্বার্থ অন্য কারো কাছে যাবে।
৬০২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ কোন মামলা বা কোন বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যে কোন প্রয়োজনীয় আদেশ বা নির্দেশ জারী করতে পারবে?
  1. ১০৩
  2. ১০২
  3. ১০৪
  4. ১০৫
সঠিক উত্তর:
১০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন-

কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।
৬০৩.
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা চুক্তির ফলাফল কী হবে?
  1. চুক্তিটি বৈধ
  2. চুক্তিটি অবৈধ
  3. চুক্তিটি বাতিলযোগ্য
  4. চুক্তিটি বাতিল
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিটি বৈধ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, যদি কোনো চুক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণার ভিত্তিতে করা হয়, তবে তা বাতিলযোগ্য হবে না (ধারা ২১)।
- অর্থাৎ, আইন সম্পর্কিত ভুলের কারণে চুক্তি বৈধ থাকবে, তবে এটি বাতিলযোগ্য হবে না বা অবৈধ হবে না।

⇒ চুক্তি আইনের ধারা ২১ অনুসারে:
১. বাংলাদেশের প্রচলিত আইন সম্পর্কে ভুল:
- যদি চুক্তির পক্ষগণ বাংলাদেশের প্রচলিত কোনো আইন সম্পর্কে ভুল বুঝে চুক্তি করে,  সেক্ষেত্রে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে না অর্থাৎ চুক্তিটি বৈধ থাকবে।
২. অন্যান্য দেশের আইন সম্পর্কে ভুল:
- বাংলাদেশে প্রচলিত নয় এমন কোনো বিদেশী আইন সম্পর্কে ভুল , সেক্ষেত্রে তা 'ব্যাপার সংক্রান্ত ভুল' (mistake of fact) হিসাবে গণ্য হবে এবং ধারা ২০ অনুযায়ী চুক্তি বাতিল হতে পারে। 

⇒ The Contract Act, 1872 Section- 21. Effect of mistakes as to law:
 - A contract is not voidable because it was caused by a mistake as to any law in force in Bangladesh, but a mistake as to a law not in force in Bangladesh has the same effect as a mistake of fact.

Illustration 
A and B make a contract grounded on the erroneous belief that a particular debt is barred by the Bangladesh Law of Limitation: the contract is not voidable.
৬০৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩১
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫ এ "বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ" বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে তার অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত করার আগে যে আইনটি প্রযোজ্য ছিল, সেই আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে এবং অপরাধীকে যন্ত্রণা বা নিষ্ঠুর দণ্ড দেওয়া যাবে না।
- এটি একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার রক্ষা করে, যেমন তাকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না, এবং তাকে সুষ্ঠু ও স্বাধীন বিচার পাওয়ার অধিকার দেওয়া হবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ৩৫: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
৬০৫.
'নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধিত না হলে, তা কোন অধিকার বা স্বত্ব সৃষ্টি করতে পারে না'- কত ধারায় বলা আছে?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৪৭ ধারায়
  3. ৪৮ ধারায়
  4. ৪৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯- নিবন্ধনযোগ্য দলিল নিবন্ধন না হওয়ার ফল:
এই আইনের অধীন বা দলিল নিবন্ধনের বিধান-সংবলিত বা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী কোন আইনের অধীন কোন দলিলের নিবন্ধন প্রয়োজন হইলে, যদি উহা নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে-
(ক) উক্ত দলিল স্থাবর সম্পত্তিতে কায়েমি বা সম্ভাব্য কোন অধিকার, স্বত্ব বা স্বার্থ বর্তমানে বা ভবিষ্যতে সৃজন, ঘোষণা, অর্পণ বা সীমিত করিতে বা অবসান ঘটাইতে কার্যকর হইবে না; বা
(খ) উক্ত দলিল দত্তকগ্রহণের কোন ক্ষমতা অর্পণ করিবে না।
৬০৬.
A চুক্তি করেছে যে সে B-কে টাকা দেবে যদি B, C-কে বিয়ে করে। কিন্তু C মারা যায়, এবং B-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি।, তখন চুক্তিটি-
  1. বলবৎ করা যায়
  2. পরিবর্তিত হয়
  3. বাতিল হয়ে যায়
  4. শর্ত সাপেক্ষে থাকে
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২: অনিশ্চিত ঘটনার উপর নির্ভরশীল চুক্তির বলবৎকরণ:
"যে চুক্তি কোনো অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ঘটনার উপর নির্ভর করে (Contingent Contract), তা সেই ঘটনা না ঘটা পর্যন্ত আইন অনুযায়ী বলবৎ করা যায় না। যদি সেই ঘটনা অসম্ভব হয়ে যায়, তবে চুক্তিটি বাতিল (void) হয়ে যায়।"

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B-এর ঘোড়া কিনবে যদি সে C-এর আগে বেঁচে থাকে — এই চুক্তি বলবৎ হবে না যতক্ষণ না C মারা যায় এবং A তখনো জীবিত থাকে।
(খ) A, B-কে ঘোড়া বিক্রি করবে যদি C, যাকে ঘোড়াটি প্রথমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা কিনতে অস্বীকৃতি জানায়। এই চুক্তি বলবৎ হবে না যতক্ষণ না C ঘোড়াটি কিনতে অস্বীকার করে।
(গ) A চুক্তি করেছে যে সে B-কে টাকা দেবে যদি B, C-কে বিয়ে করে। কিন্তু C মারা যায়, এবং B-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি। চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।
৬০৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  3. জাতীয় সংসদের স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
আইনমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৬ ধারার বিধান জাতীয় পরিচালনা বোর্ড:
 (১) জাতীয় পরিচালনা বোর্ড নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথাঃ- 

(ক) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) জাতীয় সংসদের স্পীকার কর্তৃক মনোনীত দুইজন সংসদ-সদস্য, যাহাদের মধ্যে একজন সরকার দলীয় এবং অন্যজন বিরোধী দলীয় হইবেন;
(গ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(ঘ) সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; 
(ঙ) সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; 
(চ) সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; 
(ছ) মহা-পুলিশ পরিদর্শক; 
(ছছ) রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট;
(জ) মহা-কারা পরিদর্শক; 
(ঝ) ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল; 
(ঞ) সভাপতি, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতি; 
(ট) চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা; 
(ঠ) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত বেসরকারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ড) প্রত্যেকটি জেলায় কার্যক্রম রহিয়াছে এইরূপ প্রতিষ্ঠিত নারী সংস্থা হইতে সরকার কর্তৃক মনোনীত তিনজন প্রতিনিধি; 
(ঢ) পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন।
(২) উপ-ধারা ১(ঠ) এবং (ড) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বছরের মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই কোন কারণ না দর্শাইয়া উক্তরূপ কোন সদস্যকে তাহার পদ হইতে অপসারণ করিতে পারিবে: 
আরো শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কোন সদস্য সরকারের উদ্দেশ্যে স্বাতগরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন৷

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান আইনমন্ত্রী।
৬০৮.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ক অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ গণনা করা হয় কোন তারিখ থেকে?
  1. চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের তারিখ থেকে
  4. আদালতে দাখিলের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক অনুযায়ী, যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি চুক্তি সম্পাদনের (execution) তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮, ধারা ১৭ক- বিক্রয় চুক্তি, ইত্যাদির নিবন্ধন:
(১) এই আইন বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যে কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র লিখিত হইতে হইবে, তৎসঙ্গে উহা সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক সম্পাদিত ও নিবন্ধিত হইতে হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত বিক্রয়-চুক্তি, সম্পাদনের তারিখ হইতে ৬০ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করিতে হইবে এবং এইক্ষেত্রে দলিল নিবন্ধনের বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

⇒The Registration Act, 1908- Section 17A. Registration of contract for sale, etc.
(1) Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immovable property shall be in writing, executed by the parties thereto and registered. 
(2) A contract for sale referred to in sub-section (1) shall be presented for registration within sixty days from the date of execution of the contract and the provisions regarding registration of instruments shall apply.

৬০৯.
নিম্নলিখিত উদাহরণের মধ্যে কোনটি ওয়াকফ ফি লিল্লাহ?
  1. বংশধরদের উপকারার্থে জমি দান
  2. ব্যক্তিগত ব্যবসায় জমি দান
  3. দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
  4. সন্তানদের ভরণপোষণে সম্পত্তি দান
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান
ব্যাখ্যা

উত্তর হলো: গ) দাতব্য হাসপাতালের জন্য জমি দান। ওয়াকফ ফি লিল্লাহ বলতে বোঝায় এমন ওয়াকফ যা ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি উৎসর্গ করা হয়েছে।

ওয়াকফ:
ওয়াকফ আরবি শব্দ, এর অর্থ ব্যক্তিগত মালিকানা থেকে মুক্ত কোনো সম্পত্তির হেফাজত করা। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে ‘ভারতের মুসলমান ওয়াকফ বৈধকরণ আইন’-এ প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, ওয়াকফ অর্থ কোনো মুসলমান কর্তৃক তাঁর সম্পত্তির কোনো অংশ এমন কাজের জন্য স্থায়ীভাবে দান করা; যা মুসলিম আইনে ‘ধর্মীয়, পবিত্র বা সেবামূলক’ হিসেবে স্বীকৃত।

ওয়াকফের বৈশিষ্ট্য হলো:
১. এটি একটি স্থায়ী ব্যবস্থা, অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য করা যায় না;
২. এটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং কোনো অবস্থায়ই এটিকে স্থগিত বা মুলতবি করা যায় না;
৩. এটি একটি অপ্রত্যাহারযোগ্য আইনি চুক্তি এবং
৪. ওয়াকফ সম্পত্তি কখনো বাজেয়াপ্ত করা যায় না।

প্রকারভেদ:
ওয়াকফ তিন প্রকার: ওয়াকফ ফি লিল্লাহ, ওয়াকফ আলাল আওলাদ (অর্থাৎ ব্যক্তিগত ওয়াকফ) ও মিশ্র ওয়াকফ। কেবল ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে সৃষ্ট ওয়াকফকে বলা হয় ওয়াকফ ফি লিল্লাহ। উৎসর্গকারীর নিজের কিংবা পরিবার বা বংশধরদের ভরণপোষণ বা উপকারার্থে ওয়াকফ করা হলে তাকে বলা হয় ওয়াকফ আলাল আওলাদ। আর মিশ্র ওয়াকফে ধর্মীয় ও দাতব্য প্রকৃতির সর্বজনীন উদ্দেশ্য এবং উৎসর্গকারীর পরিবার বা বংশধরদের উপকার দুটি বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

৬১০.
When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called _______.
  1. Charge
  2. Exchange
  3. Lease
  4. Gift
সঠিক উত্তর:
Exchange
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Exchange
ব্যাখ্যা
• Section 118 “Exchange” defined

When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called an “exchange”. 
A transfer of property in completion of an exchange can be made only in manner provided of the transfer of such property by sale.
৬১১.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Trial in absentia' এর বিধান আছে?
  1. ধারা ২১(৬)
  2. ধারা ২৪(৬)
  3. ধারা ২৬(৬)
  4. ধারা ২৭(৬)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৭(৬)
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার।

বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২৭(৬)- বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, কোনো আসামী পলায়ন করিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন যাহাতে তাহাকে গ্রেফতার করা না যায়, বা উহার সম্মুখে বিচারের জন্য হাজির করা না যায় এবং তাহাকে গ্রেফতার করিবার আশু সম্ভাবনা নাই, সেইক্ষেত্রে উহা বহুল প্রচারিত কমপক্ষে ২ (দুই) টি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা, আদেশে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে উহার সম্মুখে হাজির হইবার জন্য তাহাকে নির্দেশ প্রদান করিবে এবং উক্ত ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ প্রতিপালনে ব্যর্থ হইলে, তাহার অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার করা যাইবে।
৬১২.
নিচের কোনটি অনুমোদিত হিন্দু বিবাহের অন্তর্ভুক্ত?
  1. আর্য
  2. গন্ধর্ব
  3. অসুর
  4. পৈশাচ
সঠিক উত্তর:
আর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্য
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে,
হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৬১৩.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, _____________________।
  1. তাহার উপরে চারটি তারকা
  2. তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
  3. তাহার উভয় পার্শ্বে চারটি করিয়া তারকা
  4. ধান্যশীর্ষের উপরে দুইটি করিয়া তারকা
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ অনুচ্ছেদের বিধান জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক: 
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরিউক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলি আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
৬১৪.
স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার কোন একটি পদ শূন্য হলে তা নির্বাচন করতে হবে-
  1. পদ শূন্য হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে
  2. সংসদ বৈঠকরত না থাকলে পরবর্তী বৈঠকে
  3. পদ শূন্য হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে
  4. খ কিংবা গ
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ কিংবা গ
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।

(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
৬১৫.
নিম্নের কোন ওয়াকফ মুসলিম আইনে বৈধ?
  1. ব্যক্তিগত ব্যবসার প্রসারে জমি দান
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
  3. তিন বছরের জন্য মসজিদের জন্য জমি উৎসর্গ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী জমি দান।

⇒ ওয়াকফ মুসলিম আইনে স্থায়ী এবং বৈধ উদ্দেশ্যের জন্য করা হয়। ব্যক্তিগত ব্যবসার জন্য ওয়াকফ বৈধ নয়। তিন বছরের জন্য অস্থায়ী ওয়াকফ ই অবৈধ। তাই কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্থায়ী ওয়াকফ বৈধ।


• Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিরোধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। 

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।

৬১৬.
'Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi'- নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১০
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

Alienatio Rei Praefertur Juri Accrescendi (latin maxim)
শব্দার্থ: “সংগ্রহের চেয়ে সম্পত্তি স্থানান্তরকে আইন প্রাধান্য দেয়।”এই নীতি Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা 10 এর সাথে সম্পর্কিত, যা সম্পত্তি স্থানান্তরের শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করে।

Section 10 অনুযায়ী,
যে কোনো শর্ত যা সম্পত্তির পূর্ণ স্থানান্তরকে সীমাবদ্ধ করে, তা আইনত বাতিল/অবৈধ (void)। উদাহরণ: মূল স্থানান্তরকারী যদি পরে স্থানান্তর করার অধিকার রোধ করে এমন শর্ত আরোপ করে। স্থানান্তর প্রাপ্ত ব্যক্তি (transferee) এখন সম্পত্তির মালিক এবং তাকে সম্পত্তি পুনরায় স্থানান্তর করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

সীমাবদ্ধতা: সম্পত্তি স্থানান্তরের ওপর যে কোনো রোধ মালিকানার মৌলিক অধিকার (essential ownership rights) বিরোধী, এবং তা বর্জনীয়।

শর্ত: এই maxim শুধুমাত্র সম্পূর্ণ রোধ (absolute restraint) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আংশিক বা সীমিত রোধ (partial restraint) ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

৬১৭.
বিক্রয় দলিল নিবন্ধন করার জন্য বিগত কয় বছরের সম্পত্তির মালিকানার হিসাব জমা দিতে হয়?
  1. ১৫ বছরের
  2. ২০ বছরের
  3. ২৫ বছরের
  4. ৩০ বছরের
সঠিক উত্তর:
২৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বছরের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫২ক- বিক্রয় দলিলে কতিপয় তথ্য সন্নিবেশিত না হলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:

নিম্নলিখিত তথ্যসমূহ দলিলে অন্তর্ভুক্ত এবং দলিলের সাথে সংযুক্ত না করে দাখিল করলে নিবন্ধন কর্মকর্তা তা নিবন্ধন করবেন না:-
 
- উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর অধীন প্রস্তুতকৃত তার নিজ নামে অথবা পূর্বসূরির নামে সর্বশেষ খতিয়ান;
- সম্পত্তির প্রকৃতি;
- সম্পত্তির মূল্য;
- পরিসীমা ও দিক উল্লেখপূর্বক সম্পত্তির হাত নকশা;
- সম্পত্তিতে মালিকানা সম্পর্কিত বিগত ২৫ বছরের ধারাবাহিক সংক্ষিপ্ত বর্ণনা; এবং
- তফসিলে বর্ণিত সম্পত্তি ইতঃপূর্বে হস্তান্তর করা হয় নি এবং তাতে তার বৈধ স্বত্ব বহাল আছে মর্মে দাতা কর্তৃক হলফনামা।
৬১৮.
হানাফী আইন অনুযায়ী কত শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পরেন?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
 
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
 
- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
 
- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।
 
- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৬১৯.
যদি ঋণদাতা একজন সহ-জামিনদারকে মুক্তি দেয়, তাহলে-
  1. ঋণদাতা দায়মুক্ত হয়
  2. সকল জামিনদার দায়মুক্তি পায়
  3. শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মুক্তিপ্রাপ্ত জামিনদার দায়মুক্তি পায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮: এক সহ-জামিনদার মুক্তি অন্যদের মুক্তি দেয় না-
যদি একাধিক জামিনদার (co-sureties) থাকে, তাহলে ঋণদাতা (creditor) একজন জামিনদারকে মুক্তি দিলে, বাকি অন্যান্য জামিনদারদের দায়মুক্তি হবে না। আর যিনি মুক্তি পেয়েছেন, তিনি অন্য জামিনদারদের প্রতি দায়মুক্ত থাকবেন না।

[Where there are co-sureties, a release by the creditor of one of them does not discharge the others; neither does it free the surety so released from his responsibility to the other sureties.]
৬২০.
অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা কার উপর ন্যস্ত থাকবে?
  1. সরকারের
  2. সুপ্রীম কোর্টের
  3. প্রধান বিচারপতির
  4. রাষ্ট্রপতির
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির
ব্যাখ্যা
 ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 116. Control and discipline of subordinate courts:
- The control (including the power of posting, promotion and grant of leave) and discipline of persons employed in the judicial service and magistrates exercising judicial functions shall vest in the President and shall be exercised by him in consultation with the Supreme Court.
৬২১.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার অধীন অপরাধের বিচারের জন্য কে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিচারক
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬ ধারার (২) উপ-ধারা অনুসারে, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তাদের নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে "যুগ্ম দায়রা জজ" সঠিক উত্তর, কারণ এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখিত। জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিচারক এই ধারায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে উল্লেখিত নন, এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) যুগ্ম দায়রা জজ।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 (3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

৬২২.
একটি কবলা দলিল_______দিন থেকে কার্যকর হয়।
  1. নিবন্ধনের
  2. প্রাপ্তির
  3. লেনদেনের
  4. সম্পাদনের
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পাদনের
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইনের ৪৭ ধারার বিধান যে সময় হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় (Time from which registered document operates):
নিবন্ধিত দলিল সেই সময় হতে কার্যকর হবে, যদি উক্ত দলিলের নিবন্ধন আবশ্যক না হলে যে সময় হতে কার্যকর হতো এবং এর নিবন্ধনের সময় হতে নয়।

 অর্থাৎ দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হবে, দলিলটি যেদিন থেকে নিবন্ধন করা হয়েছে সেদিন থেকে নয়।
৬২৩.
একজন হিন্দু ০১ পুত্র, ০১ কন্যা, ০১ মৃত পুত্রের পুত্র এবং ০১ মৃত কন্যার পুত্র রেখে মারা যান। পুত্রের অংশ-
  1. ১/৩
  2. ১/২
  3. ১/৪
সঠিক উত্তর:
১/২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২
ব্যাখ্যা
এখানে, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুযায়ী পুত্র ও মৃত পুত্রের পুত্র সমপরিমাণ সম্পত্তি পাবে। অর্থাৎ, ১/২ অংশ করে পাবে। কারণ, তারা সপিণ্ডের তালিকায় যথাক্রমে ১ ও ২ নং অবস্থানে রয়েছে।

হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৬২৪.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় প্রতিদান ও উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২০
  2. ধারা ১৯ক
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩-এ প্রতিদান বা উদ্দেশ্যের আইনানুগতা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, আইনের বিধান ব্যর্থকারী, প্রতারণাপূর্ণ, অন্যের ক্ষতিকর বা আদালত অযৌক্তিক/জননীতির পরিপন্থী মনে করে। এরূপ বেআইনি ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
-----------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৬২৫.
রিট কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়। 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আর্টিকেল ১০২
; যে এখতিয়ারবলে হাইকোর্ট বিভাগ কারও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে তা বলবৎ করতে পারে এবং বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনাকে [Judicial Review] কার্যকর করতে পারে, তাকে হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার বলে। এই এখতিয়ারের ভিত্তি হলো সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ। রিট এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের আদি সাংবিধানিক এখতিয়ার [Special Original Jurisdiction].
⇒ রিট হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে রিটগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংবিধান ১০২(২) অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ করলে নিম্নোক্ত পাঁচ শ্রেণীর পাওয়া যায়।

১) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Prohibition এর বিধান।
 
২) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (অ) তে Writ of Mandamus এর বিধান।
 
৩) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২) (ক) (আ) তে Writ of Certiorari এর বিধান।

৪) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ) (অ) তে Writ of Habeas Corpus এর বিধান।

৫) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ: ১০২(২)(খ)(আ) তে Writ of Quo Warranto এর বিধান।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান:- কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা: 
(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

(খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা
(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া
উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপরি-উক্ত দফাসমূহে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও এই সংবিধানের ৪৭ অনুচেছদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন আইনের ক্ষেত্রে বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন অন্তর্বর্তীকালীন বা অন্য কোন আদেশ দানের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের থাকিবে না।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (১) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের (২) দফার (ক) উপ-দফার অধীন কোন আবেদনক্রমে যে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী আদেশ প্রার্থনা করা হইয়াছে এবং অনুরূপ অর্ন্তবর্তী আদেশ
(ক) যেখানে উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য কোন ব্যবস্থা কিংবা কোন উন্নয়নমূলক কার্যের প্রতিকূলতা বা বাধা সৃষ্টি করিতে পারে; অথবা
(খ) যেখানে অন্য কোনভাবে জনস্বার্থের পক্ষে ক্ষতিকর হইতে পারে সেইখানে অ্যাটর্নি-জেনারেলকে উক্ত আবেদন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত নোটিশদান এবং অ্যাটর্নি-জেনারেলের (কিংবা এই বিষয়ে তাহার দ্বারা ভারপ্রাপ্ত অন্য কোন এ্যাডভোকেটের) বক্তব্য শ্রবণ না করা পর্যন্ত এবং এই দফার (ক) বা (খ) উপ-দফায় উল্লিখিত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করিবে না বলিয়া হাইকোর্ট বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান না হওয়া পর্যন্ত উক্ত বিভাগ কোন অন্তর্বর্তী আদেশদান করিবেন না।

(৫) প্রসংগের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই অনুচ্ছেদে ‘‘ব্যক্তি’’ বলিতে সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ অথবা কোন শৃংখলা-বাহিনী সংক্রান্ত আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত কিংবা এই সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হয়, এইরূপ কোন ট্রাইব্যুনাল ব্যতীত যে কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল অন্তর্ভুক্ত হইবে।
৬২৬.
দ্রুত বিচার আদালত কোন আদালত হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. দায়রা আদালত
  2. যুগ্ম দায়রা আদালত
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. বিশেষ ট্রাইবুনাল
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি

(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত।

(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে।
৬২৭.
অযাচিত প্রভাবজনিত চুক্তির পরিণতি কী?
  1. বাতিল
  2. বৈধ
  3. বাতিলযোগ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
- চুক্তি আইনের ১৯ক ধারার বিধান: অনুচিৎ প্রভাব দ্বারা প্রভাবিত চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা: যে পক্ষের সম্মতি অনুচিত প্রভাব দ্বারা আদায় করা হয়েছে সে পক্ষের ইচ্ছানুসারে চুক্তিটি বাতিলযোগ্য।

- বাতিলযোগ্য চুক্তি (Voidable agreement) : ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে যে চুক্তি বাতিল করা যায় তাকে বাতিলযোগ্য চুক্তি বলে। তবে যতোক্ষণ ঐ পক্ষ চুক্তি বাতিল ঘোষণা না করে ততক্ষণ পর্যন্ত ইহা আইনত বলবৎযোগ্য।

- চুক্তি আইনের ২ (ঝ) ধারা মতে- যে সকল সম্মতি এক বা একাধিক পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয়, কিন্তু অপর পক্ষের ইচ্ছে অনুসারে বলবৎযোগ্য হয় না, তাকে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে।
- সাধারণত অনুচিত প্রভাব, বলপ্রয়োগ, প্রতারণা বা মিথ্যা বর্ণনার দ্বারা আদায়কৃত সম্মতিগুলোই পরবর্তীতে বাতিলযোগ্য সম্মতি বলে গণ্য হয়। উল্লেখ্য যে, যার উপর এসব প্রয়োগ করে সম্মতি আদায় করা হয়েছে। তার ইচ্ছানুসারে এই সম্মতি বাতিলযোগ্য হয়।

------------
Section 19A. Power to set aside contract induced by undue influence:
-When consent to an agreement is caused by undue influence, the agreement is a contract voidable at the option of the party whose consent was so caused.
- Any such contract may be set aside either absolutely or, if the party who was entitled to avoid it has received any benefit thereunder, upon such terms and conditions as to the Court may seem just. 

Illustrations 
(a) A's son has forged B's name to a promissory note. B, under threat of prosecuting A's son, obtains a bond from A for the amount of the forged note. If B sues on this bond, the Court may set the bond aside.
(b) A, a money-lender, advances Taka 100 to B, an agriculturist, and, by undue influence, induces B to execute a bond for Taka 200 with interest at 6 per cent per month. The Court may set the bond aside, ordering B to repay the Taka 100 with such interest as may seem just.
৬২৮.
'Extinguishment of interest of raiyats in certain cases'- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ধারা ৯১
  2. ধারা ৯২
  3. ধারা ৯৩
  4. ধারা ৯৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯২
ব্যাখ্যা
• Section 92: Extinguishment of interest of raiyats in certain cases:

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) উত্তরাধিকারী না রেখে বা সম্পত্তির জন্য কোনো প্রকার উইল সম্পাদন না করে কোনো জোতের বা হোল্ডিং এর মালিক বা রায়ত মারা গেলে।

(খ) রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট জোত সমর্পণ করলে।

(গ) বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করে স্বেচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে বা যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত নিজে বা তার পরিবারের সদস্যগণ দ্বারা বা কর্মচারীগণ দ্বারা অথবা শ্রমিক দ্বারা অথবা বর্গাদারের সাহায্যে একনাগাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত তার জোত চাষাবাদ হতে বিরত থাকে।

(ঘ) যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো ভূমির স্বত্ব পেয়ে থাকে, যে নিজে খাঁটি চাষী নয় ও যে নিজে অথবা তার পরিবারের লোকজন, কর্মচারী বা বর্গাদারগণের সহায়তায় এক নাগাড়ে ৫ বছর চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হয়।
৬২৯.
“মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ” নিশ্চিত করা হবে- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  4. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে-
- মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা রক্ষা করা হবে,
এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
৬৩০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় 'Rule against perpetuity' এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম-
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

Section 14: Rule against perpetuity-
No transfer of property can operate to create an interest which is to take effect after the life-time of one or more persons living at the date of such transfer, and the minority of some person who shall be in existence at the expiration of that period, and to whom, if he attains full age, the interest created is to belong.
৬৩১.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর কত ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. ২ ধারা
  2. ৩ ধারা
  3. ৪ ধারা
  4. ৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারা
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:
⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)

৬৩২.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান কী?
  1. রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
  2. বিচার-পূর্ব কার্যক্রম
  3. সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ
  4. আপোষ ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৬৩৩.
বিবাহিতা মহিলার উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. স্ত্রীধন
  2. সীমিত স্ত্রীধন
  3. স্বামীর সম্পত্তি
  4. দানকৃত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রীধন
ব্যাখ্যা

স্ত্রীধন:
যে সমস্ত সম্পত্তিতে মহিলাদের চূড়ান্ত মালিকানা রহিয়াছে অর্থাৎ যে সকল সম্পত্তিতে মহিলাগণ সম্পূর্ণ স্বত্বের অধিকারিণী তাহাকে বলা যায় স্ত্রীধন। ঐ সকল সম্পত্তি মহিলারা তাহাদের ইচ্ছানুযায়ী ভোগ-দখল, দান, বিক্রয়, উইল ইত্যাদি করিতে পারেন, তাহাতে কাহারও আইনত বাধা দেওয়ার কিছুই থাকে না।

- সকল মতেই একজন মহিলা কুমারী অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন বলিয়া গণ্য হইবে।

- অনুরূপভাবে সকল মতেই বিধবা উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

- একজন মহিলা বিবাহিতা অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহাও তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে। যেমন বিবাহ উপলক্ষ্যে স্ত্রী যে সমস্ত যৌতুকাদি পাইয়া থাকেন অথবা বিবাহিতা অবস্থায় আত্মীয়দের নিকট হইতে কোন সম্পত্তি দানসূত্রে পাইলে তাহাও স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে ব্যতিক্রম এই যে বাংলাদেশে বিবাহিতা অবস্থায় অনাত্মীয় ব্যক্তির নিকট হইতে দানসূত্রে কোন কিছু পাইলে, স্বামীর নিকট হইতে দানসূত্রে স্থাবর সম্পত্তি পাইলে অথবা বিবাহিতা অবস্থায় কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হইলে ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় উক্ত তিন প্রকারের সম্পত্তিতে বিবাহিতা মহিলার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে না এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নিজের ইচ্ছামত দান বিক্রয় ইত্যাদি করা যায় না। স্বামী মারা গেলে অবশ্য ঐ সকল সম্পত্তি সম্পূর্ণ স্ত্রীধনরূপে গণ্য হইবে। অর্থাৎ উক্ত তিন রকমে প্রাপ্ত সম্পত্তিকে স্বামীর জীবদ্দশায় পুরাপুরি স্ত্রীধনরূপে গণ্য না করিয়া বরং সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

- যদি কোন মহিলার ভরণপোষণের জন্য মাসহারা বাবদ কোন অর্থ অথবা সম্পত্তি দেওয়া হয়, তবে তাহা সমস্ত মতপন্থী অনুযায়ীই স্ত্রীধনরূপে গণ্য।

- স্ত্রীধন দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও স্ত্রীধন হইবে। স্ত্রীধনের বিনিময়ে আপোষ মীমাংসায় অন্য কোন সম্পত্তি পাওয়া গেলে তাহাও স্ত্রীধন হইবে।

৬৩৪.
মানব পাচার সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগ কোথায় দায়ের করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র পুলিশ
  2. শুধুমাত্র ট্রাইব্যুনালে
  3. পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
  4. জাতীয় মানব পাচার দমন সংস্থায়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৭: অভিযোগ দায়ের:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে। 
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৬৩৫.
আলোচিত 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1980)' মামলায় সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৯ম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
⇒ Anwar Hossain Chowdhury মামলার রায় ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ তথা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো [Basic Structure]-কে ধ্বংস করেছে এবং এই কারণে সংশোধিত ১০০ অনুচ্ছেদ সংবিধান-বহির্ভূত (Ultra Vires of the Constitution) বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ Anwar Hossain Chowdury v. Bangladesh (1989) মামলায় মোট বিচারক ছিল ৪ জন। ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে আপীল বিভাগ ৮ম সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষণা করেছিল।
এই ৪ জন বিচারক-এর মধ্যে একমাত্র ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক [Dissenting author judgel ছিল বিচারপতি এ টি এম আফজাল যিনি তথাকথিত সংবিধানের মৌল কাঠামোর ধারণা প্রত্যাখ্যান করে মত প্রকাশ করেন যে, ৮ম সংশোধনী হাইকোর্ট বিভাগকে ধ্বংস করেনি এবং এই কারণে এটা ক্ষমতাবহির্ভুত না।
৬৩৬.
মুসলিম আইন অনুযায়ী 'হেবা' কীভাবে গণ্য হয়?
  1. অস্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিনিময় হিসেবে গণ্য হয়
  3. স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
  4. কোনো দান হিসেবে গণ্য হয় না
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তির দান হিসেবে গণ্য হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৩: দান কীভাবে কার্যকর হয় - 
১. স্থাবর সম্পত্তি (অস্থায়ী নয় এমন সম্পত্তি) দান করার জন্য, হস্তান্তরটি অবশ্যই রেজিস্টার্ড দলিল দ্বারা সম্পন্ন হতে হবে, যা দাতার (donor) স্বাক্ষরযুক্ত বা তার পক্ষে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী দ্বারা প্রত্যয়নিত হতে হবে।

২. বর্তমান প্রচলিত অন্য কোনো আইনের বিধান সত্ত্বেও, মুসলিম আইন অনুযায়ী 'হেবা' (heba) স্থাবর সম্পত্তির দান বলে গণ্য হবে এবং উপরের শর্ত অনুযায়ী কার্যকর হবে।

৩. অস্থাবর সম্পত্তি দান দেওয়ার ক্ষেত্রে হস্তান্তর দুইভাবে করা যেতে পারে-
- রেজিস্টার্ড দলিলের মাধ্যমে, অথবা
- হস্তান্তরের মাধ্যমে।

৪. এই ডেলিভারি সেইভাবেই সম্পন্ন হবে যেভাবে পণ্য বিক্রির সময় হস্তান্তর করা হয়।
৬৩৭.
যদি শিশুকে জামিনে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে কত ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৫২: জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না। 
 
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। 
 
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে। 
৬৩৮.
কোন ধরণের দলিলের ক্ষেত্রে ধারা ২৪ প্রযোজ্য?
  1. উইল সংক্রান্ত দলিল
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দলিল
  3. ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
  4. একই দিনে সম্পাদিত দলিল
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক ভিন্ন ভিন্ন সময়ে সম্পাদিত দলিল:
যেক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কোন দলিল সম্পাদন করেন, সেইক্ষেত্রে প্রত্যেক সম্পাদনের তারিখ হইতে চার মাসের মধ্যে এইরূপ দলিল নিবন্ধন ও পুনঃনিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে।

[Where there are several persons executing a document at different times, such document may be presented for registration and re-registration within four months from the date of each execution.]
৬৩৯.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে 'যাওয়িল ফুরূদ' বলতে কাদের বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র পুত্রসন্তান
  2. মৃতের দূরবর্তী আত্মীয়
  3. যারা অবশিষ্ট সম্পত্তি পান
  4. যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
সঠিক উত্তর:
যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যাদের অংশ কোরআনে নির্দিষ্ট।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে যাওয়িল ফুরূদ (যেমন: মা, স্ত্রী, কন্যা) এর অংশ ইসলামি আইনে স্পষ্টভাবে নির্ধারিত (যেমন: মা ১/৬, স্ত্রী ১/৮ ইত্যাদি)।

- মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে ‘যাওয়িল ফুরূদ’ (Zawil Furud) বলতে বোঝায় সেই সব উত্তরাধিকারী যাদের মৃতের সম্পত্তিতে অংশ কোরআনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
উদাহরণস্বরূপ: মা, বাবা, স্ত্রী, কন্যা ইত্যাদি।
তাদের অংশ সরাসরি কোরআন অনুযায়ী নির্ধারিত থাকে এবং তারা সবসময় নির্দিষ্ট ভাগ পায়।

বাকি উত্তরাধিকারীরা যেমন:
- আসাবা (Asaba) – অবশিষ্টাংশ ভোগী, যারা যাদের অংশ নির্দিষ্ট নয়, তারা শুধুমাত্র অংশীদারদের পরে অবশিষ্ট সম্পত্তি পান।
- দূরবর্তী আত্মীয় (Zawil Arham) – যারা নির্দিষ্ট অংশ বা আসাবা নয়, তবে মৃতের আত্মীয়।
তাহলে ‘যাওয়িল ফুরূদ’ বলতে সেই উত্তরাধিকারীদের বোঝায় যাদের অংশ কোরআনে নির্ধারিত।

৬৪০.
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১২
  2. ১৬
  3. ১৫
  4. ১৭
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
'Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.' এটি The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান।
--------
⇒ The Civil Courts Act, 1887 Section 16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government. 
৬৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন কোন পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে?
  1. মীমাংসা ও আপিল
  2. মধ্যস্থতা ও সালিশী
  3. আপোষ ও মীমাংসা
  4. আপিল ও মধ্যস্থতা
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১/ মধ্যস্থতা (Mediation);
২/ সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
৬৪২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. পরিচালক
  3. কমিশনার
  4. মহাপরিচালক
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৭: মহাপরিচালক:
(১) অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক থাকিবে এবং তিনি অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী হইবেন। 
(২) মহাপরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবে এবং তাহার চাকরির শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে।
৬৪৩.
The Contract Act, 1872 এর বিধান অনুযায়ী প্রস্তাবে গ্রহণের সময় উল্লেখ না থাকলে, কত সময়ের মধ্যে গ্রহণ করতে হবে?
  1. ৭ দিনের মধ্যে
  2. ১৫ দিনের মধ্যে
  3. ৩০ দিনের মধ্যে
  4. যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ৬(২) অনুযায়ী যদি প্রস্তাবে গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকে, তবে যুক্তিসঙ্গত সময় অতিবাহিত হলে প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহৃত (revoked) বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ, আইন নির্দিষ্ট কোনো দিনের সীমা দেয়নি (যেমন ৭, ১৫ বা ৩০ দিন)।
বরং পরিস্থিতি, প্রস্তাবের প্রকৃতি, দূরত্ব, যোগাযোগের মাধ্যম ইত্যাদি বিবেচনা করে “যুক্তিসঙ্গত সময় (reasonable time)” ধরে গ্রহণ করতে হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে।
----------- 
⇒ The Contract Act, 1872 Section 6: Revocation how made6. A proposal is revoked –
(1) by the communication of notice of revocation by the proposer to the other party;
(2) by the laps of the time prescribed in such proposal for its acceptance, or, if no time is so prescribed, by the lapse of a reasonable time, without communication of the acceptance;
(3) by the failure of the acceptor to fulfil a condition precedent to acceptance; or
(4) by the death or insanity of the proposer, if the fact of his death or insanity comes to the knowledge of the acceptor before acceptance.

৬৪৪.
Contract of Guarantee-এ যে ব্যক্তি প্রধান দায়ীর দায় নিবারণের জন্য দায়ী হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. Creditor
  2. Surety
  3. Indemnifier
  4. Principal debtor
সঠিক উত্তর:
Surety
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Surety
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইনের ধারা ১২৬ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি প্রধান দায়ীর দায় নিবারণের জন্য প্রতিশ্রুতি দেয় তাকে “Surety” বলা হয়।

• চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।

এই ধরনের চুক্তিতে ৩টি পক্ষ থাকে। যথা:-
i) জামিনদার
ii) প্রধান দেনাদার
iii) পাওনাদার
- এই ধরনের চুক্তিতে চুক্তির পক্ষদ্বয় ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি (৩য় ব্যক্তি কর্তৃক) অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের কথা ব্যক্ত আছে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default. The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

৬৪৫.
দেওয়ানী মামলায় যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা
  3. সর্বোচ্চ ৪ লক্ষ টাকা
  4. সীমাহীন
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমাহীন
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হবে সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে যেকোনো মূল্যমানের মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আছে।
৬৪৬.
চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় কোন ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি-
  1. বাতিল
  2. অবৈধ
  3. অনিয়মিত
  4. বৈধ
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
ব্যাখ্যা

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
-যে বিবাহ মূলত বেআইনি নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।

- অন্যভাবে বলা যায় যে, অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোনো কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।

⇒ একজন মুসলিম একই সময়ে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখতে পারে। চারজন স্ত্রী থাকা অবস্থায় ঐ ব্যক্তি যদি পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ করে বিবাহটি বাতিল বা অবৈধ নয়। তা অনিয়মিত বিবাহ মাত্র।
-ইদ্দতের সময়কাল পূর্ণ হবার পূর্বে বিবাহ হলে তা অবৈধ হবে না বরং অনিয়মিত হবে।
- এছাড়াও সাক্ষী ছাড়া বিবাহ এবং স্ত্রীর বোন বিবাহ করা অনিয়মিত হবে।

৬৪৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীন পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বিষয় কোনটি?
  1. দেনমোহর
  2. ভরণপোষণ
  3. বিবাহ নিবন্ধন
  4. শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব
সঠিক উত্তর:
বিবাহ নিবন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ নিবন্ধন
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ৫ ধারার বিধান: পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার:
মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে, পারিবারিক আদালতে নিম্নরূপ সকল বা যেকোনো বিষয় সম্পর্কিত বা উহা হইতে উদ্ভূত যেকোনো মোকদ্দমা গ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির এখতিয়ার থাকিবে, যথা:-

(ক) বিবাহ বিচ্ছেদ;
(খ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার;
(গ) দেনমোহর;
(ঘ) ভরণপোষণ; এবং
(ঙ) শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান।

• বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
⇒ বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড।
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য।
৬৪৮.
“Doctrine of Pleasure” নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৪
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪–এ বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী (during the pleasure of the President) পদে থাকবেন—এটিই Doctrine of Pleasure–এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

৬৪৯.
বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার কী ধরনের স্বার্থ থাকে?
  1. কোন স্বার্থ থাকে না
  2. একচ্ছত্র মালিকানা
  3. জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ
  4. সম্পূর্ণ হস্তান্তরের অধিকার
সঠিক উত্তর:
জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ

⇒ বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ থাকে।
- অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির একচ্ছত্র মালিকানা লাভ করেন না, বরং তার উপর একটি সীমিত অধিকার থাকে।
- এটি হলো জীবনকালীন অধিকার, যার মাধ্যমে তিনি সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারেন, তবে সম্পত্তি বিক্রি বা সম্পূর্ণভাবে হস্তান্তর করতে পারেন না।
- এই অধিকারটি শুধুমাত্র তার জীবনের জন্য এবং সম্পত্তি শেষ হওয়ার পর তা অন্য উত্তরাধিকারীদের কাছে চলে যায়।

অন্যদিকে, একচ্ছত্র মালিকানা বা সম্পূর্ণ হস্তান্তরের অধিকার বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার থাকে না, কারণ তিনি শুধু জীবনকালীন ব্যবহার করতে পারেন, সম্পূর্ণ মালিকানা বা হস্তান্তরের অধিকার তার নেই।
৬৫০.
সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬৭ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
  4. ৬৫ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।
৬৫১.
আইনগত দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া উচ্ছেদ করা হলে, উচ্ছেদকারী ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
৬৫২.
'ক', 'খ'-র কোনো অনুমতি ছাড়া, 'খ'-র টাকা 'গ'-কে ধার দেন। পরে 'খ' ঐ ধার দেয়া টাকার ওপর 'গ' থেকে সুদ গ্রহণ করেন। এক্ষেত্রে কোনটি বোঝায়?
  1. ঋণ বাতিল হবে
  2. 'ক' সুদ প্রাপ্য
  3. 'খ' ঋণ অনুমোদন করে নাই
  4. 'খ' ঋণ অনুমোদন করেছে
সঠিক উত্তর:
'খ' ঋণ অনুমোদন করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' ঋণ অনুমোদন করেছে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯৬: অনুমতি ছাড়া করা কাজ — অনুমোদনের প্রভাব-
যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কারো পক্ষে, কিন্তু তার জ্ঞান বা অনুমতি ছাড়া, কোনো কাজ করেন, তখন যার পক্ষে কাজটি করা হয়েছে, তিনি ঐ কাজ অনুমোদন (ratify) বা অস্বীকার (disown) করতে পারেন।
যদি তিনি তা অনুমোদন করেন, তবে এটি তেমনই প্রভাব ফেলবে যেমনটি যদি কাজটি তার কর্তৃত্বে করা হতো।

ধারা ১৯৭: অনুমোদন ব্যক্ত বা ইঙ্গিতপূর্ণ হতে পারে-
অনুমোদন (Ratification) স্পষ্টভাবে (expressed) হতে পারে, অথবা যার পক্ষে কাজ করা হয়েছে তার আচরণের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে (implied) প্রকাশ পেতে পারে।

উদাহরণসমূহ
(ক) A, কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়া, B-র জন্য কিছু পণ্য কেনে। পরে B সেই পণ্যগুলো নিজ নামে C-কে বিক্রি করে দেন। B-র এই আচরণ নির্দেশ করে যে, A-র করা কেনাকাটাটি তিনি অনুমোদন করেছেন।

(খ) A, B-র কোনো অনুমতি ছাড়া, B-র টাকা C-কে ধার দেন। পরে B ঐ ধার দেয়া টাকার ওপর C থেকে সুদ গ্রহণ করেন। B-র এই আচরণ দেখায় যে, তিনি ঐ ঋণ অনুমোদন করেছেন।
৬৫৩.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ কী?
  1. People's Republic of Bangladesh
  2. Bangladesh People's Republic
  3. The Republic of Bangladesh
  4. The People's Republic of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The People's Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সাংবিধানিক নামের ইংরেজি পাঠ- 'The People's Republic of Bangladesh.'

বাংলাদেশ সংবিধানের ১ অনুচ্ছেদে আছে,
বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

Article 1: The Republic-
Bangladesh is a unitary, independent, sovereign Republic to be known as 'the People's Republic of Bangladesh.'
৬৫৪.
সময়ের দিক থেকে যিনি প্রথম হবেন, আইনের দিক থেকে তিনিই সুবিধা পাবেন- The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় বিধানটি উল্লেখ আছে?
  1. 53A
  2. 56
  3. 48
  4. 34
সঠিক উত্তর:
48
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮: হস্তান্তর দ্বারা সৃষ্ট অধিকারের অগ্রাধিকার (Priority of rights created by transfer):
যদি কোন ব্যক্তি একই স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময় হস্তান্তর করে একাধিক অধিকার সৃষ্টি করেন এবং সেই অধিকারগুলি একই সঙ্গে বা পরিপূর্ণভাবে বলবৎ না হয়, সেক্ষেত্রে বিশেষ চুক্তির অবর্তমানে পূর্বে সৃষ্ট অধিকার পরে সৃষ্ট অধিকারের উপর অগ্রাধিকার পাবে।

নোটঃ
• রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অরেজিস্ট্রিকৃত দলিলের উপর প্রাধান্য পাবে।
• একই তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত দুটি দলিলের মধ্যে যার নম্বর আগে সেটি অগ্রাধিকার পাবে।

Section 48: Priority of rights created by transfer:
Where a person purports to create by transfer at different times rights in or over the same immoveable property, and such rights cannot all exist or be exercised to their full extent together, each later created right shall, in the absence of a special contract or reservation binding the earlier transferees, be subject to the rights previously created. 
৬৫৫.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কোন পন্থায় ৩য় পক্ষ উপস্থিত থাকে না?
  1. Mediation
  2. Arbitration
  3. Negotiation
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Negotiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Negotiation
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
মধ্যস্থতা (Mediation);
সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
৬৫৬.
'No consideration is necessary to create an agency.'- এই বিধানটি The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৮৩ ধারায়
  2. ১৮৫ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ১৮৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 185- Consideration not necessary
No consideration is necessary to create an agency.

ধারা ১৮৫- প্রতিদানের প্রয়োজন নেই:
এজেন্সি সৃষ্টির জন্য কোন প্রতিদানের প্রয়োজন নেই।
৬৫৭.
সংবিধানের কততম সংশোধনী দ্বারা নতুন ৩টি তফসিল সন্নিবেশিত করা হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধন আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের শেষে তিনটি নতুন তফসিল সন্নিবেশিত করা হয় যা হল-

৫ম তফসিল- শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ,
৬ষ্ঠ তফসিল- ২৫ মার্চ ১৯৭১ মধ্যরাতে শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা, এবং
৭ম তফসিল- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।

এছাড়া নিম্নে উল্লিখিত বিধানসমূহ সংযুক্ত করা হয়-

⇒ ১৯৭২ সালের সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার চারটি মূল মৌলিক রাষ্ট্রীয় নীতি পুর্নবহাল করা হয়।
⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা বর্তমান ৪৫ থেকে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
⇒ অনুচ্ছেদ ৭-এর মধ্যে সংবিধান বহির্ভূত উপায়ে ক্ষমতা দখল শেষ করার জন্য ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদ সন্নিবেশিত কর।
ধারা ৭(খ) অনুযায়ী, সংবিধানের মৌলিক বিধানগুলিকে "অসংশোধনযোগ্য" ঘোষণা করা। অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারীদের রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করার এবং শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়।
⇒ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও উন্নতির জন্য অতিরিক্ত বিধান।
⇒ উপজাতি, নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায় এবং ছোট জাতিদের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য বিধান যুক্ত করা হয়।
⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে যা ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল করা হয়েছিল।
⇒ শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।
⇒ সংবিধান থেকে গণভোট ব্যবস্থা বাতিল।
⇒ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
⇒ জরুরি অবস্থা ১২০ দিনের বেশি চলতে পারে না।
৬৫৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে কোনটি পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে?
  1. আইন বিভাগ
  2. সামরিক বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রশাসনিক বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
→বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গ (যেমন: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ) থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করার মাধ্যমে তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা করা যাতে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।
- এই পৃথকীকরণের ফলে বিচারকরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন এবং কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের শিকার হবেন না, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি এবং জনগণের জন্য ন্যায়ের অধিকার নিশ্চিত করে।
-------
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২ নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ: 
 রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
৬৫৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারে?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. সালিশি পরিষদ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ১১ অনুযায়ী, সরকার এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য বিধি (নিয়ম) প্রণয়ন করতে পারে। এই বিধি প্রণয়ন করার পর, তা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইন হিসেবে কার্যকর হবে। আদালত, সালিশি পরিষদ, বা স্থানীয় প্রশাসন এই বিধি প্রণয়ন করার ক্ষমতা রাখে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ১১ এর বিধান নিয়ম তৈরি করার ক্ষমতা:
(১) সরকার এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য নিয়ম তৈরি করতে পারে।
(২) এই সেকশনের অধীনে নিয়ম তৈরি করার সময়, সরকার তা নির্ধারণ করতে পারে যে, কোনো নিয়মের লঙ্ঘন করলে সাধারণ কারাদণ্ড, যা এক মাস পর্যন্ত হতে পারে, অথবা জরিমানা, যা পাঁচশো টাকা পর্যন্ত হতে পারে, অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
(৩) এই সেকশনের অধীনে তৈরি করা নিয়মগুলো সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং সেগুলো তখন থেকে এই অধ্যাদেশে আইন হিসেবে কার্যকর হবে।
-------------
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 Section- 11. Power to make rules
(1) The Government may make rules to carry into effect the purposes of this Ordinance.
(2) In making rules under this section, the Government may provide that a breach of any of the rules shall be punishable with simple imprisonment which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both. 
(3) Rules made under this section shall be published in the official Gazette, and shall thereupon have effect as if enacted in this Ordinance.
৬৬০.
হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যাদের মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে-
  1. বিধবা কন্যা
  2. পুত্রবর্তী কন্যা
  3. সন্তানহীন কন্যা
  4. অবিবাহিত কন্যা
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
৬৬১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কত ধারায় কমিশনের নিরপেক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩: কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি-
(১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
৬৬২.
একজন হিন্দু ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী হিসেবে একজন পুত্র, একজন কন্যা এবং একজন মৃত পুত্রের পুত্র রয়েছে। কন্যা কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ২/৩ অংশ
  4. কোন অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোন অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা
এখানে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) অনুসারে,
মৃত পুত্রের পুত্র (পৌত্র) তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, মৃত পুত্রের পুত্র তার পিতার উত্তরাধিকারী হয়ে, পিতার অংশটি গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের (পৌত্র) অংশ সমানভাবে ভাগ হবে। তাই, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের মধ্যে ১/২ অংশ করে ভাগ হবে। কন্যা কোন অংশ পাবে না।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৬৬৩.
The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. 63A
  2. 63
  3. 62
  4. 61
সঠিক উত্তর:
63A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63A
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৬৩ক ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে।
৬৩ক ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে, কোনো দলিলে উল্লিখিত মূল্য বা প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম, তিনি দলিলটির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারবেন এবং দলিলের প্রকৃত মূল্যের উপর রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন।"
এই ধারা অনুসারে, যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে কোনো দলিলে মূল্য অত্যন্ত কম দেখানো হয়েছে, তাহলে তিনি দলিলের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করে সেই মূল্যের উপর যথাযথ রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মূল্য কম দেখানোর সুযোগ রোধ করা হয়েছে এবং সরকারকে প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।
----------------
 Section 63A- Procedure where documents not properly valued:
(1) Notwithstanding anything contained in this Act or in any other law for the time being in force, where it appears to the registering officer that the value of any document presented for registration is less than the market value determined in the policy made under section 69, the registering officer shall, for the purpose of realising proper duties and other fees, require the presentant to submit the duties and fees so required and after realising such duties and fees, he shall register the said document.
 (2) Where it is found upon inspection or otherwise that by non-compliance of the provision of sub-section (1), a document has been registered by a registering officer with improper duties and fees, such non-compliance of the said registering officer shall be deemed to be misconduct and the unpaid amount of duties and fees shall be realised from the concerned registering officer.
৬৬৪.
‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু’ বলতে কী বোঝায়?
  1. যে শিশু আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে
  2. যে শিশু অন্য শিশুদের সহিত সংঘাতে লিপ্ত
  3. যে শিশু বিচারাধীন মামলায় সাক্ষী দেয়
  4. যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
সঠিক উত্তর:
যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে শিশু অপরাধে অভিযুক্ত অথবা দোষী সাব্যস্ত
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ ধারা ২(৩) ‘আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু (Children in Conflict with the Law)’ অর্থ-
এমন কোন শিশু যে, দণ্ডবিধির ধারা ৮২ ও ৮৩ এ বিধান সাপেক্ষে, বিদ্যমান কোন আইনের অধীন কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত অথবা বিচারে দোষী সাব্যস্ত;

৬৬৫.
অনুচ্ছেদ ৩৯ এর অধীনে কিসের ভিত্তিতে বাকস্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. বিচারকদের বিবেচনার উপর ভিত্তি করে
  2. নাগরিকদের ব্যক্তি স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  3. সম্পূর্ণ অবাধ স্বাধীনতার ভিত্তিতে
  4. যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিসঙ্গত আইনগত বাধানিষেধের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

Article 39: Freedom of thought and conscience, and of speech:
(1) Freedom of thought and conscience is guaranteed. 

(2) Subject to any reasonable restrictions imposed by law in the interests of the security of the State, friendly relations with foreign states, public order, decency or morality, or in relation to contempt of court, defamation or incitement to an offence– 
(a) the right of every citizen to freedom of speech and expression; and
(b) freedom of the press, are guaranteed.
৬৬৬.
Who is considered a “citizen” under Article 152 of the Constitution?
  1. Any resident of Bangladesh
  2. Anyone born in Bangladesh
  3. A voter in national elections
  4. A person recognized as a citizen by citizenship law
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person recognized as a citizen by citizenship law
ব্যাখ্যা
Article 152:
“citizen” means a person who is a citizen of Bangladesh according to the law relating to citizenship;

"নাগরিক" অর্থ নাগরিকত্ব-সম্পর্কিত আইনানুযায়ী যে ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক।
৬৬৭.
Arbitration Council এর গঠন প্রণালি কোন আইনে আছে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি আইন, ১৯০৮
  2. The Family Court Ordinance, 1985
  3. The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
  4. সালিশ আইন, ২০০১
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961
ব্যাখ্যা
সালিশি পরিষদের গঠন প্রণালী The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ২ ধারায় বর্ণিত আছে।

Arbitration Council (সালিশি পরিষদ) গঠন: 
সালিশি পরিষদ গঠিত হবে= ৩ জন নিয়ে।
চেয়ারম্যান= ১ জন।
প্রত্যেক পক্ষের ১ জন করে প্রতিনিধি = ২ জন।

⇒ কোনো পক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে ব্যর্থ হলে সে পক্ষের প্রতিনিধি ছাড়া সালিশি পরিষদ গঠিত হবে।

⇒ চেয়ারম্যান বলতে বোঝাবে:
১. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারম্যান,
২. পৌরসভার মেয়র,
৩. সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

⇒ চেয়ারম্যান একজন অমুসলিম হলে বা অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে, উক্ত পরিষদের একজন মুসলমান সদস্যকে চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

Arbitration Council  ৩ ক্ষেত্রে এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে:
১. বহু বিবাহ (Polygamy);
২. তালাক (Talaq);
৩. ভরণপোষণ (Maintenance)।
৬৬৮.
বর্তমান সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা কত?
  1. ৩০টি
  2. ৪৫ টি
  3. ৫০ টি
  4. ৬৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী, ২০১১ এর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ এর পরিবর্তে ৫০ টি করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদ-প্রতিষ্ঠা: (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৬৬৯.
Obiter Dictum means-
  1. the reason for a decision
  2. action speaks louder than words
  3. the fact which cannot be altered
  4. a thing said by the way
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
The meaning of ratio decidendi is Latin for “the reason,” or “the foundation for” a decision. For example, ratio decidendi in the field of law refers to the moment or principle in a case that ultimately determines its outcome. Ratio decidendi is a legal rule regarding the legal reasoning behind the judgment of the judge or jury.

অর্থাৎ সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
৬৭০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রায় বা আদেশে ক্ষুব্ধ পক্ষ আপীল করতে পারেন-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিশেষ আপীল ট্রাইব্যুনালে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৮: আপীল:
ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রায় বা আরোপিত দণ্ড দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ, উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ডাদেশ প্রদানের তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে, হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেন।
৬৭১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের আবেদন করা কালে সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
  1. ৫%
  2. ৪%
  3. ৮%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
১) আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।

২) পক্ষভুক্তি:
- এরূপ আবেদনের ক্ষেত্রে জোতের উত্তরাধিকারীসূত্রে অন্যান্য সহ-শরীকগণ এবং ক্রেতাকে পক্ষভুক্ত করতে হবে।

৩) ক্ষতিপূরন ও সুদ:
আবেদনকারী আবেদন দাখিলের সময় নিম্ন বর্ণিত অর্থ জমা না দিলে আবেদন খারিজ করা হবে- 
- ধারা ৮৯ এর নোটিশ বা বিক্রয় দলিলে উল্লিখিত হোল্ডিং বা জোতের মোট মূল্য;
- উল্লিখিত মোট মূল্যের ২৫% ক্ষতিপূরণ;
- বিক্রয় চুক্তি বা দলিল সম্পাদনের তারিখে থেকে অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময়কালের জন্য মোট মূল্যের উপর বার্ষিক ৮% সুদ প্রদান করতে হবে।
---------------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৬৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Nemo est supra leges’ নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ ‘Nemo est supra leges’ এই ল্যাটিন নীতিটির অর্থ হলো “কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়”। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” (Equality before law) উল্লেখ আছে, যা এই নীতির সাংবিধানিক প্রতিফলন।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
এর অর্থ হলো রাষ্ট্রের সব নাগরিক—অবস্থান বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে—আইনের কাছে সমান এবং আইন কারো জন্য বিশেষ সুবিধা বা অব্যাহতি দেয় না।
সুতরাং, ‘Nemo est supra leges’ নীতিটি সরাসরি অনুচ্ছেদ ২৭-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ Article 27. Equality before law:  All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

৬৭৩.
What is the meaning of the Latin maxim "Qui priorest tempore priorest jure"?
  1. আইনের চোখে সবাই সমান
  2. সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
  3. যে ব্যক্তি পরে মামলা করে, সে অধিক অধিকারী
  4. এক অপরাধে দুইবার শাস্তি দেওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী, তিনি সুবিধাভোগী
ব্যাখ্যা
• Qui priorest tempore priorest jure
- সময়ের দিক হতে যিনি অগ্রবর্তী হবেন আইনের দিক হতে তিনিই সুবিধা পাবেন।

- He who is prior in time is better in law.

১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর ৪৮ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। যখন কোন ব্যক্তি সম্পত্তির এমন স্বত্ত্ব বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে যা একত্র অবস্থানযোগ্য নয় তখন পরবর্তী হস্তান্তর পূর্ববর্তী হস্তান্তরের অধীন হবে। এই নীতি কেবলমাত্র তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন হস্তান্তর সিদ্ধ ও সম্পূর্ণ হয়। দু'টি হস্তান্তরের মধ্যে যদি দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় এবং একটির আইনানুগ কার্যকারিতা নষ্ট না করে যদি অপরটি কার্যকর করা না যায় তখনই অগ্রাধিকারের এই নীতি প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে 'Doctrine of priority'-র উৎপত্তি হয়েছে।
৬৭৪.
নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি____
  1. Viodable
  2. Valid
  3. Void ab initio
  4. Void
সঠিক উত্তর:
Void ab initio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void ab initio
ব্যাখ্যা
- নাবালকের চুক্তি বাতিল বলে গন্য করা হয়: নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি প্রথম থেকেই বাতিল এবং অকার্যকর। সাধারণত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যে মানসিক ক্ষমতা থাকার প্রয়োজন তা নাবালকের থাকে না। তবে এ সাধারণ নিয়মের কতিপয় ব্যতিক্রম আছে।
- নাবালক থাকাকালীন সময়ের চুক্তি সাবালক হওয়ার পর তা অনুসমর্থন বা অনুমোদন করতে পারেন না। নাবালক দ্বারা সম্পাদিত চুক্তি হচ্ছে বাতিল চুক্তি। একটি বাতিল চুক্তি পরবর্তী পদক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর করা যায় না।

- নাবালক প্রতিশ্রুতিদাতা হতে পারে না কিন্তু প্রতিশ্রুতিগ্রহিতা হতে পারে। নাবালককে দায়ের জন্য বাধ্য করা যাবে না তবে তার অধিকার আদায়ের জন্য অন্য পক্ষকে বাধ্য করা যাবে। একজন নাবালক সাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে না পারলেও একজন সাবালক নাবালকের অনুকূলে চুক্তি করতে পারে।

Mohori Bibee vs Dharmodas Ghose (1903)  মামলায় Privy Council সিদ্ধান্ত প্রদান করে যে, 'Any sought of Contract with a minor or infant is void. Such contracts are Void ab- initio (void from begining)'। এককথায়, নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি-শুরুতেই বাতিল। অর্থাৎ, যেহেতু নাবালকের সাথে সম্পাদিত যেকোনো চুক্তি শুরুতেই বাতিল, সাবালকত্ব অর্জনের পরে অনুসমর্থন দ্বারা সে চুক্তিকে বৈধ করা যায় না।

অর্থাৎ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা- ১১, মুহুরি বিবি বনাম ধর্মদাস ঘোষ (১৯০৩) এই মামলার সিদ্ধান্ত অনুসারে নাবালক কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি Void ab initio.
৬৭৫.
'সাইপ্রেস' (Cy-pres) শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. vested interest 
  2. easement right
  3. as close as possible
  4. as soon as possible 
সঠিক উত্তর:
as close as possible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
as close as possible
ব্যাখ্যা

⇒ Cy-pres শব্দটি এসেছে পুরোনো ফরাসি বাক্য “cy pres comme possible” থেকে।
এর অর্থ হলো “যতদূর সম্ভব কাছাকাছি”।
আইনগতভাবে এটি এমন একটি নীতি, যেখানে ওয়াক্ফ/দাতব্য উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে, সেই সম্পত্তি নিকটতম সমজাতীয় দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যাতে দাতার সদিচ্ছা যতদূর সম্ভব বাস্তবায়িত হয়।
অর্থাৎ Cy-pres = As close as possible = যতদূর সম্ভব নিকটতম উদ্দেশ্যে ব্যবহার।

⇒ The term ‘cy pres’ comes from the old French phrase ‘cy pres comme possible’, which means “as near as possible.”
- Cy pres is French for "as close" and is short for cy pres comme possible, or "as close as possible."
The term cy pres doctrine refers to a legal concept that gives courts the power to interpret the terms of a will, gift, estate, or charitable trust. 
- In the legal sphere, the phrase refers to ensuring that a donor’s or testator’s desires are followed out as nearly as possible, whether in a will or as part of a charitable trust or estate. 

⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।

 ⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।

৬৭৬.
হানাফী আইন অনুযায়ী কত শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পরেন?
  1. ২ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৪ শ্রেণির
  4. ৫ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:

হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।

১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৬৭৭.
কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করলে অন্যূন কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ৭ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারার বিধান: ভিকটিম বা মামলার সাক্ষীকে হুমকি প্রদানের দণ্ড:
-কোন ব্যক্তি মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি বা মামলার সাক্ষীকে বা তাহার পরিবারের কোনো সদস্যকে হুমকি প্রদান, ভীতি প্রদর্শন বা বলপ্রয়োগ করিয়া এই আইনের অধীন রুজুকৃত কোন মামলার তদন্ত বা বিচারকার্যে কোনরূপ গুরুতর বিঘ্ন সৃষ্টি করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৬৭৮.
নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয়-
  1. দলিল গ্রহণের তারিখ থেকে
  2. দলিল নিবন্ধনের তারিখ থেকে
  3. দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে
  4. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল সম্পাদনের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭: নিবন্ধন ও অনিবন্ধনের ফলাফল-
নিবন্ধিত দলিল যে সময় হইতে কার্যকর হয়। কোন নিবন্ধিত দলিল, যদি উহার নিবন্ধন আবশ্যক না হইত বা নিবন্ধন করা না হইত, তাহা হইলে উহা, যে সময় হইতে কার্যকর হইত সেই সময় হইতেই কার্যকর হইবে, নিবন্ধনের সময় হইতে নহে।

⇒ সাধারণত একটি দলিল উহার সম্পাদনের তারিখ হইতে কার্যকর হয়।
৬৭৯.
হিন্দু আইন অনুসারে, অন্যের পুত্রকে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করাকে কী বলে?
  1. পিণ্ড বণ্টন
  2. বংশ স্থাপন
  3. সন্তান দান
  4. দত্তক গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দত্তক গ্রহণ
ব্যাখ্যা

⇒ অন্যের পুত্রকে হিন্দু আইনের বিধান অনুযায়ী নিজ পুত্ররূণে গ্রহণ করাকে দত্তক গ্রহণ বলা যাইতে পারে। সুপ্রাচীন রোমান আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে হিন্দু আইন ব্যতীত অন্য কোন আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান চালু নাই।
অর্থাৎ হিন্দু আইনে দত্তক গ্রহণ বলতে বোঝায় কোনো ব্যক্তির দ্বারা অন্যের পুত্রকে আইনগতভাবে নিজ পুত্ররূপে গ্রহণ করা।

দত্তক গ্রহণের উদ্দেশ্য:
- প্রধান দুইটি কারণে হিন্দু আইনে দত্তক নেওয়ার বিধান প্রচলিত। একটি ধর্মীয় কারণ আর অপরটি বলা যেতে পারে পার্থিব কারণ। মুনিবর বশিষ্ট সাবধান বাণী উচ্চারণ করিয়া গিয়াছেন "পুত্রহীনদের স্বর্গে কোন স্থান নাই।" একজন মৃত ব্যক্তি তার নিম্নতন তিন পুরুষ অর্থাৎ পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র হইতে সরাসরি পিণ্ড পাওয়ার অধিকারী। যার পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র নাই মৃত্যুর পর তার আত্মা এইভাবে পিণ্ড পাওয়ার আশা করতে পারে না। এসব বিবেচনাকে ধর্মীয় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে।
- পক্ষান্তরে প্রত্যেক মানুষই নিজ বংশের ধারাবাহিকতা চালু রাখতে চায়। প্রায় সকল মানুষই চায় যে মৃত্যুর পরও তার পুত্র পৌত্রাদির মাধ্যমে তার নাম এই পৃথিবীতে আরও কিছুদিন থাকুক। এইসব বিবেচনাকে পার্থিব কারণ হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে।

৬৮০.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩' এর কততম ধারায় হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ধারা-১৩
  2. ধারা-১৯
  3. ধারা-৩২
  4. ধারা-৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৩২
ব্যাখ্যা
• ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’: 
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। 
ধারাগুলো হলো:
- ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
- ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
- ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
- ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

 
- সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৩২ ধারার বিধান হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

- ব্যাখ্যা:-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-
(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা
(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমেঅবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৬৮১.
'ক' তার একটি গাভীর যত্ন নেওয়ার জন্য 'খ' এর হেফাজতে রাখেন। 'খ' এর হেফাজতে থাকাকালীন গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। উক্ত বিষয়ে ভিন্ন কোনো চুক্তি না থাকলে, সেই বাছুরটির দাবীদার কে হবে?
  1. 'খ'
  2. 'ক'
  3. 'ক' ও 'খ' উভয়ে
  4. 'খ' এর ইচ্ছানুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:

জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

যেহেতু উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' হচ্ছে জিম্মাদাতা এবং উক্ত বিষয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন কোনো চুক্তি নেই, সেহেতু বাছুরটির দাবীদার একমাত্র 'ক' হবে।

Section 163: Bailor entitled to increase or profit from goods bailed
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
৬৮২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে কয়টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারার বিধান: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:
- এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :-
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ;
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা;
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত;
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা;
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা;
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি;
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতা তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি;
(জ) শিশুর অভিমত;
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।

-শিশু আইন, ২০১৩ এর ৩০ ধারায় শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে এই ১০টি বিবেচ্য বিষয়ের কথা উল্লেখ আছে।
৬৮৩.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করার সময় কার অধীনে থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীন
  2. সুপ্রীম কোর্টের অধীন
  3. সংবিধান ও আইনের অধীন
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের অধীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।"
- অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সংবিধান ও আইনের প্রতি জবাবদিহি করবে। এটি কারও প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
- সঠিক উত্তর: গ) সংবিধান ও আইনের অধীন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।
(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

৬৮৪.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী, রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচার করার জন্য আদালত কোন পরিস্থিতিতে বাধ্য?
  1. কেবল অভিযোগকারীর অনুরোধে
  2. উভয়পক্ষের অনুরোধে
  3. কেবল ভুক্তভোগীর অনুরোধে
  4. জেলা জজ আদালতের নির্দেশে
সঠিক উত্তর:
উভয়পক্ষের অনুরোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়পক্ষের অনুরোধে
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

৬৮৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ রয়েছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ১৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১৪: সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ:
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে 36[বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
৬৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ২০
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অনুচ্ছেদ ২২।

৬৮৭.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো-
  1. স্পেশাল জজ আদালত
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. 'ক' ও 'খ' তে উল্লিখিত উভয় আদালত
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো- স্পেশাল জজ আদালত।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: অপরাধের তদন্ত ও বিচার:

(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ ধারা ২(ঠ) তে উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক একাধিক তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠত যৌথ তদন্তকারী দল, তদন্ত করিবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ Criminal Law (Amendment) Act, 1958 (Act XL of 1958) এর ধারা ৩ এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তি অনুসন্ধান ও সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনে এতদ্‌উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতাও প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) তদন্তকারী সংস্থা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে অবহিত করিবে।

উল্লেখ্য,
Criminal Law (Amendment) Act, 1958  এর ধারা ৩ – স্পেশাল জজ নিয়োগ:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যথেষ্ট সংখ্যক স্পেশাল জজ (Special Judges) নিয়োগ করবে, যারা তফসিলে উল্লেখিত অপরাধগুলি বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

(২) কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না যদি না সে:
- বর্তমানে সেশন জাজ (Sessions Judge) হয় বা
- অতিরিক্ত সেশন জাজ (Additional Sessions Judge) অথবা
- সহকারী সেশন জাজ (Assistant Sessions Judge) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে।

৬৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডারে কোন তারিখ?
  1. ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯
  2. ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
  3. ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯
  4. ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কার্তিক, ১৩৭৯
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। এই তারিখটি বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৩৭৯ বঙ্গাব্দের ১৮ কার্তিক তারিখে পড়ে।

সংবিধানের ভাষ্যে স্পষ্ট উল্লেখ:
"এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।"

অতএব, বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করে গ্রহণের তারিখ বাংলা ক্যালেন্ডারে ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯।

অন্যদিকে, বাকি অপশন গুলো:
ক) ১৩ কার্তিক, ১৩৭৯: এই তারিখটি সংবিধান গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ের, তাই এটি সঠিক নয়।
গ) ২৬ ফাল্গুন, ১৩৭৯: ফাল্গুন মাস সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চের মধ্যে পড়ে, যা সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময়ের সঙ্গে মিলছে না।
ঘ) ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৯: অগ্রহায়ণ মাস সাধারণত নভেম্বর-ডিসেম্বরে পড়ে, তবে ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এর বাংলা তারিখ ১৮ কার্তিক, ১৩৭৯ ছিল।
৬৮৯.
ধারা ৬৮ অনুসারে, চুক্তি করার ক্ষেত্রে অক্ষম ব্যক্তি যদি কারো দ্বারা প্রয়োজনীয় উপকরণ পান, তাহলে সরবরাহকারী অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে-
  1. খরচ ফেরত পেতে পারেন না
  2. খরচ ফেরত পাওয়ার অধিকারী
  3. অভিভাবকের অনুমতি সাপেক্ষে খরচ ফেরত পেতে পারে
  4. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে খরচ ফেরত পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
খরচ ফেরত পাওয়ার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরচ ফেরত পাওয়ার অধিকারী
ব্যাখ্যা
Claim for Necessaries Supplied to Person Incapable of Contracting (ধারা ৬৮)-
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি আইনগতভাবে চুক্তি করতে অক্ষম, বা এমন কেউ যার ভরণপোষণের জন্য তিনি আইনের দ্বারা বাধ্য, তাদের জীবনযাত্রার মান অনুসারে উপযুক্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র (necessaries) অন্য কেউ সরবরাহ করেন, তাহলে সরবরাহকারী ব্যক্তি সেই অক্ষম ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে খরচ ফেরত (reimbursement) পাওয়ার অধিকারী হন।

উদাহরণ (Illustrations):
(ক) A, B নামক একজন উন্মাদের (lunatic) জন্য তার জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করেন। A, B-র সম্পত্তি থেকে খরচ ফেরত পেতে পারেন।
(খ) A, B (একজন উন্মাদ)-এর স্ত্রী ও সন্তানদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করেন। A, B-র সম্পত্তি থেকে সেই খরচ ফেরত পেতে পারেন।
৬৯০.
'Right to foreclosure' কার অধিকার?
  1. আদালতের
  2. বন্ধকদাতার
  3. বন্ধকগ্রহীতার
  4. খ এবং গ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকগ্রহীতার
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৭: ফোরক্লোজার [Foreclosure]:
যদি বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকে, তাহলে বন্ধকদাতা যখন বন্ধক টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন, এবং বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার জন্য এখনো কোনো ডিক্রি (আদালতের রায়) প্রদান করা হয়নি কিংবা বন্ধক টাকা পরিশোধ বা আমানত রাখা হয়নি, সেই পরিস্থিতিতে বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee) আদালতের মাধ্যমে একটি ডিক্রির আবেদন করতে পারেন, যাতে বলা হয় যে বন্ধকদাতার আর কোনো অধিকার থাকবে না উক্ত সম্পত্তি মুক্ত করার, অথবা একটি ডিক্রি চাইতে পারেন যাতে সম্পত্তিটি বিক্রি করার নির্দেশ দেয়া হয়।

একটি মামলা যার মাধ্যমে বলা হয় যে বন্ধকদাতার অধিকার চিরতরে হরণ করা হবে বন্ধক সম্পত্তি মুক্ত করার, সেটিকে বলা হয় "ফোরক্লোজারের মামলা"।

এই ধারায় নিম্নলিখিত কিছু ব্যতিক্রম প্রযোজ্য:
(ক) এই ধারা এমন কোনো বন্ধকগ্রহীতাকে ফোরক্লোজারের মামলা করার অধিকার দেয় না, যে একজন শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধকগ্রহীতা নন অথবা যিনি এমন একটি অসাধারণ বন্ধক চুক্তির আওতায় পড়েন না, যার শর্তে ফোরক্লোজারের অধিকার দেওয়া আছে। একইভাবে, উপভোগাধিকারী বন্ধকগ্রহীতা (usufructuary mortgagee) বা শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধকের অধীনে থাকা ব্যক্তিও বিক্রয়ের মামলা করতে পারবেন না।

(খ) যদি বন্ধকীদাতা, বন্ধকগ্রহীতার ট্রাস্টি বা আইনি প্রতিনিধি হিসেবে তার অধিকার ধারণ করেন এবং বিক্রয়ের জন্য মামলা করতে পারেন, তাহলে তিনি ফোরক্লোজারের মামলা করতে পারবেন না।

(গ) রেলপথ, খাল বা অন্য যে কোনো জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বন্ধকগ্রহীতা ফোরক্লোজার বা বিক্রয়ের মামলা করতে পারবেন না।

(ঘ) যদি কেউ বন্ধক অর্থের কেবল একটি অংশে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি শুধুমাত্র সেই অংশ সম্পর্কিত সম্পত্তির উপর মামলা করতে পারবেন না, যতক্ষণ না সমস্ত বন্ধকগ্রহীতারা বন্ধকীদাতার সম্মতিতে তাদের স্বার্থ ভাগাভাগি করে নেন।
৬৯১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Doctrine of Pleasure’ নীতির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬
  2. ১০৪
  3. ১৩৪
  4. ১৪১
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।
৬৯২.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, নিচের কোনটি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন সংক্রান্ত ফিসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বিবাহ নিবন্ধন ফিস
  2. নিবন্ধন বহি পরিদর্শন ফিস
  3. প্রতিলিপি সরবরাহ ফিস
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ৭ ধারা অনুযায়ী, সরকার সময়ে সময়ে বিধি দ্বারা তিন ধরনের ফিস নির্ধারণ করতে পারে—
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন ফিস – বিবাহ নিবন্ধনের সময় প্রদেয় ফিস।
নিবন্ধন বহি পরিদর্শন ফিস – নিবন্ধন রেকর্ড দেখতে হলে প্রদেয় ফিস।
প্রতিলিপি সরবরাহ ফিস – নিবন্ধনের কপি সংগ্রহ করতে হলে প্রদেয় ফিস।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৭ এ নিবন্ধন ফিস, পরিদর্শন ফিস ও প্রতিলিপি ফিস - তিনটিরই উল্লেখ আছে।
যেহেতু আইন অনুযায়ী এই তিনটি ফিসই নিবন্ধন সংক্রান্ত, তাই সঠিক উত্তর "ঘ) উপরের সবগুলো"।

৬৯৩.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "উইল" (Will) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ৩(৫৫)
  2. ৩(৫৭)
  3. ৩(৫৯)
  4. ৩(৫৬)
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩(৫৭)
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section- 3(57) "Will" shall include a codicil and every writing making a voluntary posthumous disposition of property.
-----------------------
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ৩(৫৭) উইল  ধারার বিধান:- “উইল" বলিতে শেষ ইচ্ছাপত্র এবং স্বেচ্ছায় সম্পপ্তির মরনোত্তর বন্টন সংক্রান্ত সব ধরনের লেখা অন্তর্ভূক্ত হইবে।
৬৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যুদ্ধ ঘোষণা করতে কার সম্মতি আবশ্যক?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাবাহিনী
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৩(১) অনুযায়ী, সংসদের সম্মতি ছাড়া যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না, এবং প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশ নিতে পারবে না।
- অর্থাৎ, যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য সংসদের অনুমোদন আবশ্যক।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৬৩ যুদ্ধ:
 (১) সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাইবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করিবেন না।
৬৯৫.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রীর কোন কারণে আদালতে তালাক চাওয়ার অধিকার রয়েছে?
  1. চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে
  2. দুই বছর স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
  3. স্বামী যদি সাত বছর বা তার বেশি সময় কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৬৯৬.
হিন্দু আইনে শ্রুতি কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. রাষ্ট্রীয় আইনের উৎস
  2. আধুনিক আইনের উৎস
  3. প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
  4. সামাজিক রীতিনীতির উৎস
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীনতম ও পবিত্র উৎস
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে শ্রুতি (বেদ) হলো সবচেয়ে প্রাচীন এবং পবিত্র উৎস হিসেবে বিবেচিত।
- শ্রুতি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ "শ্রু" থেকে, যার অর্থ "যা শোনা গেছে"।
- হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বেদগুলো (ঋক্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ ও অথর্ববেদ) দেবতাদের দ্বারা ঋষিদের কাছে প্রকাশিত হয়েছিল, অর্থাৎ এগুলো অপৌরুষেয় (মানুষের দ্বারা রচিত নয়)।
- এ কারণে শ্রুতিকে হিন্দু ধর্ম ও আইনের মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা ধর্ম, নৈতিকতা, এবং আইনগত নির্দেশনার অলঙ্ঘনীয় উৎস।

৬৯৭.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ৪৩ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারায়
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২

ধারা ৪২- মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিল

(১) এই আইন বলবৎ হইবার পর সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ‘‘মানব-পাচার প্রতিরোধ তহবিল’’ নামে একটি তহবিল গঠন করিবে এবং উক্ত তহবিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত ও ব্যবহৃত হইবে।

(২) মানব পাচার প্রতিরোধ তহবিলে নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ জমা হইবে, যথাঃ— 
(ক) সরকারের মঞ্জুরী বা অনুদান; 
(খ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; বা 
(গ) কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান; এবং 
(ঘ) মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমনের উদ্দেশ্যে প্রাপ্ত অন্য যে কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত 
অর্থ।
৬৯৮.
কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে, মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে কয় জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর ৫ ধারা মতে,

কোন বিচারপ্রার্থীকে আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি তালিকাভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্যে থেকে ৩ জন আইনজীবীকে মনোনীত করবে এবং বিচার প্রার্থীর সম্মতি সাপেক্ষে তাদের মধ্য থেকে একজনকে মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হবে।
৬৯৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৫) ধারার
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(৯) ধারার
  3. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
  4. দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১৩) ধারার
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবেনা।

⇒ ধারা-৮৯ক(৫): মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
⇒ আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।
------------------
⇒ Section 89A(12) No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৭০০.
'চ', তার প্রতিবেশি 'ছ' এর ৮ বছরের বাচ্চাকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে নিজের বাসায় আটকে রাখে। পরবর্তীতে 'ছ' এর কাছে পরিচয় গোপন করে ফোনে 'চ' ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়। এক্ষেত্রে 'চ' সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ ধারা ৮: মুক্তিপণ আদায়ের শাস্তি-

যদি কোন ব্যক্তি মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কোন নারী বা শিশুকে আটক করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।