বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৫ / ৩০ · ২,৪০১২,৫০০ / ২,৯৬৪

২,৪০১.
বিলম্বজনিত নিবন্ধনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার কত গুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত ফি ধার্য করতে পারেন?
  1. ২ গুণ
  2. ৩ গুণ
  3. ৫ গুণ
  4. ১০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ গুণ
ব্যাখ্যা
উপস্থাপনে বিলম্ব অনিবার্য হলে গৃহীত ব্যবস্থা (ধারা ২৫, The Registration Act, 1908):
(১) যদি বাংলাদেশে সম্পাদিত কোনো দলিল, অথবা কোনো ডিক্রি বা আদেশের অনুলিপি, নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপিত না হয়, এবং এর পেছনে যদি জরুরি প্রয়োজন বা অনিবার্য দুর্ঘটনার কারণে বিলম্ব ঘটে, তবে এমন ক্ষেত্রে, যদি বিলম্বের সময় চার মাসের বেশি না হয়, তবে রেজিস্ট্রার নির্দেশ দিতে পারেন যে, যথাযথ নিবন্ধন ফি-এর দশগুণ পর্যন্ত অতিরিক্ত জরিমানা প্রদান সাপেক্ষে, উক্ত দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করা যাবে।

(২) এ ধরণের নির্দেশনার জন্য কোনো আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করা যেতে পারে, যিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা তাঁর ঊর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট প্রেরণ করবেন।
২,৪০২.
কোনো মুসলিম লোকের যদি একাধিক স্ত্রী থাকে এবং কোনো সন্তান না থাকে, তবে তার মৃত্যুর পর স্ত্রীরা সম্পত্তির কত অংশ পাবেন?
  1. প্রত্যেকে এক-চতুর্থাংশ
  2. সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
  3. প্রত্যেকে এক-অষ্টমাংশ
  4. সবাই মিলে এক-অষ্টমাংশ
সঠিক উত্তর:
সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাই মিলে এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা

মুসলিম স্ত্রীর অংশ:
বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী, পুত্র ও কন্যা। এ ছয়জনকে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না বলে এদেরকে বলা হয় প্রাথমিক বা মৌলিক উত্তরাধিকারী। আর এ ছয় জনের মধ্যে স্ত্রী একজন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

কোন মুসলিম নারীর স্বামীর মৃত্যু হলে, আর তাদের কোনো সন্তান না থাকলে, তিনি তার স্বামীর সমুদয় সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ পাবেন। যদি এক্ষেত্রে একাধিক স্ত্রী থাকেন তাহলে সবাই মিলেই এক চতুর্থাংশ বা ১/৪ অংশ পাবেন। আর যদি তাদের সন্তান থাকে তাহলে স্ত্রী পাবেন এক-অষ্টমাংশ (১/৮ অংশ বা আট ভাগের এক ভাগ)। এক্ষেত্রেও যদি একাধিক স্ত্রী থাকেন, তাহলে প্রত্যেকে মিলেই এক অষ্টমাংশ পাবেন, এর বেশি নয়।

২,৪০৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির (ADR) জন্য কোন পদ্ধতি উল্লেখ রয়েছে? 
  1. আপোষ ও মীমাংসা
  2. মীমাংসা ও সমঝোতা
  3. মধ্যস্থতা ও সালিশী
  4. সমঝোতা ও সালিশী
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা ও সালিশী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীনে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির (Alternative Dispute Resolution - ADR) জন্য দুটি প্রধান পদ্ধতি উল্লেখ রয়েছে:
১) মধ্যস্থতা (Mediation);
২) সালিশী (Arbitration)।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল- মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

২,৪০৪.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কোথায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত 
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. শিশু আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির সাধারণ বিধানকে অগ্রাহ্য করে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

২,৪০৫.
হিন্দু আইনের কোন উৎসটি "স্মৃতি" হিসেবে পরিচিত?
  1. বেদ
  2. আইন প্রণয়ন
  3. ধর্মীয় শাস্ত্রসমূহ
  4. আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় শাস্ত্রসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় শাস্ত্রসমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ স্মৃতি হলো হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় ও সামাজিক বিধানসংবলিত গ্রন্থ, যা প্রাচীন ঋষিরা সংকলন করেছেন।
- এটি মৌখিকভাবে প্রচলিত নিয়ম ও আচার-অনুশাসন লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
সুতরাং, উল্লিখিত প্রশ্নে স্মৃতি হলো ধর্মীয় শাস্ত্রসমূহ।
- মূল স্মৃতিগুলো হলো:
১) মনুস্মৃতি – প্রাচীনতম ও সর্বাধিক প্রভাবশালী স্মৃতি।
২) যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি – মিতাক্ষরা মতবাদের ভিত্তি।
৩) নারদ স্মৃতি – আইনি ও বিচারসংক্রান্ত বিধান।
৪) পরাশর স্মৃতি – যুগের পরিবর্তন অনুযায়ী বিধানের পরিবর্তন নির্দেশ করে।

অন্য অপশন গুলোর মধ্যে:
- বেদ (Shruti) – এটি হিন্দু ধর্মের মৌলিক ও আদি গ্রন্থ, যা স্মৃতি নয়।
- আইন প্রণয়ন (Statutory Law) – এটি আধুনিক বিধিবদ্ধ আইন, যা স্মৃতি শাস্ত্রের অন্তর্গত নয়।
- আদালতের সিদ্ধান্ত (Judicial Decisions) – এটি হিন্দু আইনের আধুনিক উৎস, কিন্তু স্মৃতি নয়।
২,৪০৬.
The Contract Act, 1872 কবে থেকে কার্যকর হয়েছে?
  1. ২৫ এপ্রিল, ১৮৭২
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
  3. ১ জানুয়ারি, ১৮৭২
  4. ১৫ আগস্ট, ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 ইংরেজ শাসনামলে প্রণীত হয়।
- আইনটি ২৫শে এপ্রিল, ১৮৭২ তারিখে পাস (enacted) হয়েছিল।
- তবে আইনটি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়নি।
- ১লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২ তারিখ থেকে আইনটি কার্যকর হয়।
- বর্তমানে এই আইনটি সমগ্র বাংলাদেশে প্রযোজ্য।
- তাই “২৫ এপ্রিল, ১৮৭২” হলো আইন পাশের তারিখ, আর “১ সেপ্টেম্বর, ১৮৭২” হলো কার্যকর হওয়ার তারিখ।

২,৪০৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫২ ধারায় নিচের নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. Doctrine of Election
  2. Doctrine of Lis Pendens
  3. Doctrine of Promissory Estoppel
  4. Doctrine of Marshalling and Contribution
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Lis Pendens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Lis Pendens
ব্যাখ্যা
⇒ "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।
 
 সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারা  অনুযায়ী, কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
 
Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto:
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.
২,৪০৮.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, সন্তান যদি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ দিতে ব্যর্থ হন, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বাধিক কারাদণ্ড কী হতে পারে?
  1. ২ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৪ মাসের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা ৫(১) অনুসারে, যদি কোনো সন্তান এই আইনের অধীন পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ দিতে ব্যর্থ হয়, তবে সে অনূর্ধ্ব ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ড হতে পারে।

অর্থাৎ: প্রথম শাস্তি: অর্থদণ্ড (সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা)।
অর্থদণ্ড না দিলে বিকল্প শাস্তি: কারাদণ্ড (সর্বোচ্চ ৩ মাস)।
সুতরাং, এই আইনে সর্বাধিক কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাস।

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা-৫: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করিবার দণ্ড:
(১) কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে। 
(২) কোন সন্তানের স্ত্রী, বা ক্ষেত্রমত, স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোন নিকট আত্নীয় ব্যক্তি— 
 (ক) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধা প্রদান করিলে; বা 
(খ) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে অসহযোগিতা করিলে— 
 তিনি উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিয়াছে গণ্যে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

২,৪০৯.
'ক', একজন হানাফি মুসলিম, তাঁর পিতা, এক ছেলে ও এক আপন বোন রেখে মারা যান। মৃত্যুর আগে বোন বরাবর সমুদয় সম্পত্তির ১/৩ অংশ উইল করে যান। কিন্তু ছেলে এই উইলে সম্মতি দেয়নি। এক্ষেত্রে-
  1. উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
  2. উইলটি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হবে
  3. ছেলের অংশ বাদ দিয়ে বাকি অংশের ১/৩ অংশ কার্যকর হবে
  4. উইলের সম্পত্তি পিতার অংশ থেকে দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।

এক্ষেত্রে, সম্মতি লাগবে না এবং উইলটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হবে।
২,৪১০.
যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৪ অংশ
  2. ১/২ অংশ
  3. ১/৮ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
- স্বামী দুটি অবস্থায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

ক) ১/২ অংশ 

খ) ১/৪ অংশ

ক. যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।

খ. যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে তাহলে স্বামী মৃত ব্যক্তি রেখে যাওয়া সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।
২,৪১১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ইজারা দেওয়া প্রজাস্বত্ব সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি ধারা ৬ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  2. এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  3. এটি ধারা ৮ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
  4. এটি ধারা ৯ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ধারা ৭ এর অধীন প্রজাস্বত্ব হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০- সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যের প্রজাস্বত্ব সমূহের প্রতি প্রযোজ্য বিশেষ বিধানাবলি- 
এই আইনের অন্য কোথাও অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমি লিখিত ইজারা চুক্তির অধীন কোনো সময়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, যাহার উল্লেখ উক্ত ইজারা চুক্তিতে রহিয়াছে, অধিকৃত থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রজাস্বত্ব ধারা ৭ এ বর্ণিত শ্রেণীর প্রজাস্বত্ব বলিয়া গণ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজা কর্তৃক উক্ত জমি উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার, অথবা তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উক্ত জমি ব্যবহার না করার, কারণ ব্যতীত উক্ত প্রজাকে তাহার ভূমি মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ করা যাইবে না।

সুতরাং যেকোনো লিখিত ইজারায় যদি সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্য (যেমন—মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, কবরস্থান, ইদগাহ ইত্যাদি) উল্লেখ থাকে, তবে সেই প্রজাস্বত্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধারা ৭-এর শ্রেণীভুক্ত হয়ে যায়—অন্য কোনো আইন বা চুক্তি যাই থাকুক না কেন।

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: Section-10. Special provisions applicable to tenancies for specific religious purposes:
Notwithstanding anything elsewhere contained in this Act or in any other law for the time being in force or in any contract, if the non-agricultural land comprised in any tenancy is held specifically for any religious purpose for any period under a lease in writing in which such purpose is specified, then such tenancy shall be deemed to be a tenancy of the class specified in section 7:
Provided that the tenant holding such land shall not be ejected by his landlord from such land except on the ground that he has used such land for any purpose other than the said religious purpose or has not used the land for the said religious purpose for more than three years.

২,৪১২.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তন কীভাবে করা হয়?
  1. মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত দ্বারা
  2. আদালতের আদেশ দ্বারা
  3. জেলা প্রশাসকের আদেশ দ্বারা
  4. সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

২,৪১৩.
'Fiat justitia rout coelum'- এই প্রবচনটির অর্থ কী?
  1. Injustice anywhere is a threat to justice everywhere.
  2. If it were not for injustice, man would not know justice.
  3. Let justice be done, though haven fall.
  4. If you want peace, you must work for justice.
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let justice be done, though haven fall.
ব্যাখ্যা
⇒ Fiat justitia rout coelum- এই প্রবচনটির অর্থ হলো, 'Let justice be done, though haven fall.' আইনানুযায়ী সঠিক বিচার করাই বিচারকের মূল দায়িত্ব। পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই। যে কোন মূল্যে সত্য উদঘাটন করাই বিচারকের অন্যতম কাজ।

গ) "Let justice be done, though haven fall."এই প্রবচনটির অর্থ হল "ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, যদিও স্বর্গ ধ্বংস হয়ে যায়"। অর্থাৎ এটি একটি লাতিন প্রবাদবাক্য যা ন্যায়বিচারের গুরুত্ব তুলে ধরে। এর অর্থ হল যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যাই না হোক তা করা উচিত, এমনকি যদি তাতে স্বর্গও ধ্বংস হয়ে যায়। এটি ন্যায়বিচারের অগ্রাধিকারকে সর্বোচ্চ স্থান দেয়।
---------------------- 
ক) "Injustice anywhere is a threat to justice everywhere." অর্থ হল "যেখানেই অন্যায় হোক না কেন, সেটি সর্বত্র ন্যায়বিচারের জন্য একটি হুমকি"। এটি বলতে চায় যে অন্যায় কোথাও হলে তা সর্বত্র ন্যায়বিচারকে বিপন্ন করে। এটি একটি আন্দোলনমূলক বাক্য যা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার আহবান জানায়।

খ) "If it were not for injustice, man would not know justice." অর্থ হল "যদি অন্যায় না থাকত, তবে মানুষ ন্যায়বিচারকে চিনতে পারত না"। এটি একটি দার্শনিক বিবৃতি যা বলতে চায় যে অন্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ন্যায়বিচারের গুরুত্ব বুঝতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, ন্যায় ও অন্যায়ের তুলনামূলক অবস্থান থেকেই এদের সঠিক বোঝা আসে।
 
ঘ) "If you want peace, you must work for justice." অর্থ হল "যদি তুমি শান্তি চাও, তবে তোমাকে ন্যায়বিচারের জন্য কাজ করতে হবে"। এটি বলতে চায় যে শান্তি ও ন্যায়বিচারের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ন্যায়বিচার না থাকলে শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।
২,৪১৪.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য হলে কত দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬: আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংতগুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
২,৪১৫.
বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কী সৃষ্টি হয়?
  1. স্বত্ব
  2. দায়
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪- বিক্রয়ের চুক্তি:
স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তি বলতে এই মর্মে চুক্তি বুঝায় যে, ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নির্ধারিত শর্তে সম্পত্তিটি বিক্রয় হবে। বিক্রয়ের চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব বা দায় সৃষ্টি হয় না।
 
Contract for sale
A contract for the sale of immoveable property is a contract that a sale of such property shall take place on terms settled between the parities. It does not, of itself, create any interest in or charge on such property.
২,৪১৬.
The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, কোনো নতুন আইন প্রণয়নের সময় “successors” শব্দটি উল্লেখ না করলে-
  1. আইন কার্যকর হবে না
  2. আইন কেবল বর্তমান কর্মকর্তার জন্য সীমিত থাকবে
  3. উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
  4. আইন শুধু প্রণেতার জন্য প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকারীদের উপরও আইন প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ১৮ : উত্তরাধিকারীগণ (Successors):
(১) এই আইনের কার্যকর হওয়ার পর সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আইন বা বিধিমালায়, যদি কোনো পদাধিকারী (functionary) বা স্থায়ী ধারাবাহিক অস্তিত্বসম্পন্ন কোনো কর্পোরেশনের (corporation having perpetual succession) উত্তরাধিকারীদের (successors) প্রতি আইনের সম্পর্ক নির্দেশ করতে হয়,তাহলে শুধু উক্ত পদাধিকারী বা কর্পোরেশনের প্রতি সম্পর্ক উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে।

সহজভাবে বললে:
কোনো আইন প্রণয়নের সময় “উত্তরাধিকারী” শব্দটি আলাদা করে উল্লেখ করার দরকার নেই - যদি কোনো পদ বা সংস্থার কথা বলা হয়, তবে সেই আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরাধিকারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

(২) এই ধারা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে-
১৮৬৮ সালের ৩ জানুয়ারির পর প্রণীত সব সংসদীয় আইন (Acts of Parliament), এবং
১৮৮৭ সালের ১৪ জানুয়ারি বা তার পরে প্রণীত সব বিধিমালা (Regulations)-এর ক্ষেত্রে।

২,৪১৭.
'স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন দলিলে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করার মত পর্যাপ্ত বিবরণ না থাকলে, তা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হবে না।'- The Registration Act, 1908 এর কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা
ধারা ২১- সম্পত্তির বর্ণনা এবং ম্যাপ ও প্ল্যান:
(১) উইল ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন দলিলে উক্ত সম্পত্তি সনাক্ত করিবার মত পর্যাপ্ত বিবরণ না থাকিলে উহা নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না।

(২) শহরের বাড়ি-ঘরের অবস্থান বর্ণনা করিবার ক্ষেত্রে উহা সড়ক বা রাস্তার উত্তর বা অন্য যে দিক সম্মুখভাগে অবস্থিত সেই দিক (যাহা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লিখিত হইবে), এবং উহার বর্তমান ও পূর্ববর্তী দখলকারগণসহ যদি উক্ত সড়ক বা রাস্তার পার্শ্বে অবস্থিত বাড়ি-ঘর নম্বরযুক্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে উহাদের নম্বর উল্লেখ করিতে হইবে।

(৩) অন্যান্য বাড়ি-ঘর এবং জমির ক্ষেত্রে উহার নাম, যদি থাকে, এবং যে আঞ্চলিক বিভাগে অবস্থিত সেই বিভাগ, উহাদের বাহ্যিক পরিমাণ, সন্নিকটবর্তীকোন রাস্তা বা সম্পত্তি, বর্তমান দখলকার, এবং সম্ভব হইলে, সরকারি ম্যাপ বা জরিপের বরাত দ্বারা উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) উইল ব্যতীত কোন সম্পত্তির ম্যাপ বা প্ল্যান সম্বলিত দলিল নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হইবে না, যদি উহার সহিত ম্যাপ বা প্ল্যানের অবিকল নকল সংযুক্ত না হয়, অথবা ভিন্ন ভিন্ন জেলায় অবস্থিত সম্পত্তির ক্ষেত্রে, যদি উক্ত জেলাসমূহের সমসংখ্যক অবিকল নকল সংযুক্ত করা না হয়।
২,৪১৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ সংশোধন করতে পারে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।”

অর্থাৎ ৪র্থ ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ জাতীয় সংসদ যথাযথ কার্যবিধি অনুযায়ী সংশোধন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২,৪১৯.
জনাব "A" ৪০ বছর বয়সে মারা গেলেন। রেখে গেলেন তাঁর পিতা, স্ত্রী, দুই ভাই এবং একমাত্র কন্যা। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, তাঁর সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১২/২৪ অংশ
  2. ৯/২৪ অংশ
  3. ৪/২৪ অংশ
  4. ৩/২৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

কন্যা: যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

পিতার অংশ: বাবা তাঁর মৃত সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ৩ ভাবে হয়ে থাকে। যদি মৃত সন্তানের পুত্র, পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যতই নিচের হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত সন্তানের পিতা পাবেন সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ।

যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে, মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী:
→ স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ = ৩/২৪ (যেহেতু মৃতের সন্তান আছে)।
→ একমাত্র কন্যা পাবেন ১/২ অংশ = ১২/২৪।
→ পিতা পাবেন ১/৬ অংশ = ৪/২৪ (যেহেতু মৃতের কন্যা সন্তান আছে)।
→ মোট বণ্টিত অংশ = (৩/২৪ + ১২/২৪ + ৪/২৪) = ১৯/২৪।
→ অবশিষ্ট অংশ = ১ – ১৯/২৪ = ৫/২৪।

যেহেতু পিতা জীবিত এবং তিনিই একমাত্র অবশিষ্টাংশভোগী (আসাবা), তাই অবশিষ্ট ৫/২৪ অংশও তিনি পাবেন।
সুতরাং, পিতার মোট অংশ = (৪/২৪ + ৫/২৪) = ৯/২৪ অংশ।
- পিতা জীবিত থাকায় ভাইদের কোন অংশ নেই।

২,৪২০.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ স্পেশাল মেডিয়েটরগণের তালিকা প্রস্তুত করবে কে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. বিশেষ কমিটি
  4. জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।
২,৪২১.
আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার_____________আইনগত প্রশ্নে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
  1. উভয় পক্ষের মৌখিক সম্মতি ব্যতীত
  2. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
  3. উভয় পক্ষ আপোষে সম্মত না হলে
  4. যেকোনো এক পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা:
কোন বিরোধ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সহিত জড়িত আইনী প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকিবেন।
২,৪২২.
SAT, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রিভিউ আবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময় কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
SAT, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
২,৪২৩.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর অধীন বিবাহ নিবন্ধিত না হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. অবৈধ হবে
  2. বৈধ হবে
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন-

(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে।
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ন হইবে না।
২,৪২৪.
স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক বিবাহ বাতিলের ক্ষমতা _____ নামে পরিচিত।
  1. জিহার
  2. ফাসেক
  3. খুলা
  4. ইলা
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
ব্যাখ্যা

ফাসেক (Faskh):
স্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক বা কাজী কর্তৃক বিবাহ বাতিল ঘোষণা করাকে ফাসেক বলা হয়। স্ত্রী তার বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হলে তাকে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারায় বর্ণিত যে কোন একটি বা একাধিক কারণ প্রমাণ সাপেক্ষে পারিবারিক আদালতের ডিক্রী দ্বারা বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে। উপরোক্ত আইনে স্ত্রী কর্তৃক আদালতের মাধ্যমে তালাক লাভের জন্য নিম্নলিখিত কারণগুলো স্বীকৃত হয়েছে-
১. চার বছর যাবৎ স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর যাবৎ স্ত্রীর খোরপোষ দিতে স্বামী ব্যর্থ হলে;
৩. স্বামী ১৯৬৬ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
৪. স্বামীর সাত বছর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ড হলে;
৫. কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. স্বামী বিবাহের সময় পুরুষত্বহীন (Impotence or inability to consummate) থাকলে এবং তা মোকদ্দমা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর যাবৎ পাগল (Mental illness) থাকলে বা কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্ত বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ হয়ে থাকলে সাবালকত্ব লাভের পর (১৮ বছর পূর্ণ) স্ত্রী বিবাহ অস্বীকার করলে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হলে এরূপ মোকদ্দমা করা যাবে না।
৯. নিম্নলিখিত যে কোন অর্থে স্ত্রীর ওপর স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করে থাকলে, যেমন-
ক. অভ্যাসগতভাবে তাকে মারধর করে অথবা আচরণের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে সংসার-জীবনকে দুর্বিষহ করে তুললে, অথবা
খ. কুখ্যাত স্ত্রীলোকদের সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে কিংবা বদনামের সঙ্গে জীবনযাপন করলে, অথবা
গ. নৈতিকতাবিহীন জীবন-যাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করলে, অথবা
ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে নিবারণ করলে, অথবা,
ঙ. স্ত্রীকে তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা দিলে, অথবা
চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।

অপরদিকে, 
খুলা:
স্ত্রী আরেকটি উপায়ে স্বামীকে তালাক/বিচ্ছেদ দিতে পারে। এটি হচ্ছে খুলা, যা চুক্তিভিত্তিক বিচ্ছেদ হিসেবেও পরিচিত। অর্থাৎ যখন কোন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না বা স্ত্রী স্বামীর উপর বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন তখন স্ত্রী চাইলে প্রতিদানের (অর্থ বা সম্পত্তি) বিনিময়ে স্বামীকে বিচ্ছেদ ঘটাতে রাজী করাতে পারে। এই ধরনের বিচ্ছেদকে খুলা বলে। 

ইলা:
স্বামী যদি আল্লাহর নামে শপথ করে বলেন যে, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করবেন না, তবে একে “ইলা” বলে। স্বামী যদি এভাবে শপথ করে এবং চার মাসের মধ্যে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস না করে, তবে চার মাস শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই তালাক কার্যকর হয়।

জিহার:
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের এমন কোনো মহরাম নারীর (যাকে বিয়ে করা হারাম) সঙ্গে তুলনা করেন— যেমন বলে,
“তুমি তো আমার মায়ের মতো” — তখন একে জিহার বলে। এমন কথা বলা হারাম ও গুরুতর পাপ। এতে স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়।

২,৪২৫.
"১২ বছর মেয়াদি ইজারা চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকার" অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮ ধারা মতে কোন অকৃষি জমি লিখিত ইজারার অধীন কমপক্ষে ১২ বছর দখলে থাকে এবং লিখিত ইজারার উক্ত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১৪ অধ্যায়ের অধীন ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত খাজনা নির্ধারণ করে ইজারাটি চিরস্থায়ীভাবে নবায়ন করার অধিকারী হবে।
-------------
⇒ Section 8. Renewals of lease of tenancies held for not less than twelve years and succession to, and transfer of, such tenancies:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force or in any contract, where any non-agricultural land is held under a lease in writing for a term of not less than twelve years specified in such lease, the tenant holding such land shall, on the expiration of the period so specified, be entitled to the renewal of such lease for perpetuity on such fair and reasonable rent as may be determined under Chapter XIV of the 7 State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
 Provided that no premium or salami shall be payable in respect of such renewal.
২,৪২৬.
নিম্নের কোন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত?
  1. মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
  2. বিবাহবিচ্ছেদ
  3. এতিম সন্তানদের অভিভাবকত্ব নির্ধারণ
  4. হিন্দু বিবাহিত রমনীর খোরপোষের প্রাপ্যতা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন
ব্যাখ্যা
• ২০২৩ সালে 'পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩' নামক আইনটি পাশ হয় এবং কার্যকর হয়। ২০২৩ খ্রিষ্টব্দের পূর্বে এই আইনটি The Family Courts Ordinance, 1985 নামে কার্যকর ছিলো। উক্ত আইনের ৫ ধারা অনুসারে, নিম্নের ৫টি বিষয়ে অথবা উক্ত বিষয় সম্পর্কিত মামলাগ্রহণ, বিচার এবং নিষ্পত্তির একক এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে। ৫টি বিষয় হলো-

ক) দেনমোহর [Dower];
খ) খোরপোষ/ভরণপোষণ [Maintenance];
গ) বিবাহ বিচ্ছেদ [Dissolution of Marriage];
ঘ) দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার [Restitution of Conjugal Rights];
ঙ) শিশুর অভিভাবকত্ব ও হেফাজত [Guardianship & Custody of Children]

অর্থাৎ পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন বিষয়টি পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত।
২,৪২৭.
ধারা ৩৮ এর প্রেক্ষিতে, হস্তান্তর বৈধ বলে গণ্য হবে যদি-
  1. হস্তান্তরগ্রহীতা মূল্য না দেয়
  2. হস্তান্তরকারীর কোন অনুমোদন না থাকে
  3. হস্তান্তরটি চুক্তিপত্র ছাড়াই হয়
  4. হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হস্তান্তরগ্রহীতা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮ – নির্দিষ্ট শর্তে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকা ব্যক্তির দ্বারা হস্তান্তর (Transfer by person authorised only under certain circumstances to transfer):
যখন কোনো ব্যক্তি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে (circumstances in their nature variable) স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য অনুমোদিত হন, এবং তিনি সেই পরিস্থিতির অস্তিত্ব দাবি করে মূল্য বা বিনিময় সাপেক্ষে (for consideration) হস্তান্তর করেন, তখন, যদি হস্তান্তরগ্রহীতা (transferee) যথাযথ সতর্কতা (reasonable care) অবলম্বন করে পরিস্থিতির সত্যতা যাচাই করেন এবং সৎ উদ্দেশ্যে (good faith) কাজ করেন, তাহলে সেই পরিস্থিতিকে বিদ্যমান বলে ধরা হবে, এবং হস্তান্তর বৈধ বলে গণ্য হবে, হস্তান্তরকারী ও অন্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের বিপক্ষে হলেও।
২,৪২৮.
"Actus non facit reum, nisi mens sit rea" প্রবচনটি কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
  1. অপরাধীর বিচার প্রক্রিয়া
  2. অপরাধীর শাস্তি নির্ধারণ
  3. অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
  4. অপরাধ সংঘটনের সময় তার আইনগত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক কাজে অপরাধীর মনের অবস্থা
ব্যাখ্যা
• Actus non facit reum, nisi mens sit rea (অপরাধমূলক অভিপ্রায় না থাকলে কোন কার্য ব্যক্তিকে অপরাধী করে না)

এই প্রবচনটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে, 'An act does not make one guilty unless there be guilty intention. কোন অন্যায় বা নিষিদ্ধ কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ সংঘটন করে বা অবহেলা করে সম্পাদন করে তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য তাকে দায়ী হতে হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে, অনুরূপ কাজে আসামীর অপরাধমূলক অভিপ্রায় ছিল। আসামীকে শাস্তি দিতে হলে অপরাধ সংঘটনের সময়ে তার মনের যে অবস্থা ছিল তা প্রসিকিউসন পক্ষকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হয়। অপরাধের প্রকৃতিভেদে অপরাধী মনেরও প্রকৃতিভেদ ঘটে।

এ প্রবচনটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে Fowler v. Padget মামলায় প্রধান বিচারপতি Lord Kenyon বলেন, "The intent and the act must both concur to constitute the crime."
২,৪২৯.
নিম্নের কোন ব্যক্তি বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মনোনীত হতে পারেন?
  1. আপীল বিভাগের বিচারক
  2. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
  3. সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারক
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৩(২)(ক) মোতাবেক-
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হতে পারেন।

বর্তমানে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম দায়িত্ব পালন করছেন।
২,৪৩০.
“Judicis Est Jus Dicere Non Dare” নীতি অনুযায়ী বিচারকের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারকার্য দ্রুত করা
  2. আইন সংশোধন করা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা
  4. বিচার কার্যের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যা করা
ব্যাখ্যা

ম্যাক্সিম: "Judicis Est Jus Dicere Non Dare"
ইংরেজি অনুবাদ: “It is the duty of a judge to declare the law, not to make it.”
অর্থাৎ — বিচারকের কাজ হলো আইনের ব্যাখ্যা করা, নতুন আইন তৈরি করা নয়।

অর্থাৎ, বিচারকের কাজ হলো যে আইন ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রের আইনসভা (সংসদ) দ্বারা প্রণীত হয়েছে, সেটির যথাযথ ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করা — নতুন আইন তৈরি করা বা পরিবর্তন করা তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।

এই ম্যাক্সিমটি বিচার বিভাগের সীমা ও দায়িত্ব নির্দেশ করে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তিনটি মূল অঙ্গ রয়েছে -
আইনসভা (Legislature) — আইন প্রণয়ন করে।
নির্বাহী বিভাগ (Executive) — আইন কার্যকর করে।
বিচার বিভাগ (Judiciary) — আইন ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করে।

এই নীতির আলোকে বলা হয় -
- বিচারকগণ আইন তৈরি করতে পারেন না, তারা কেবল আইনকে বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন।
- যদি কোনো বিষয়ে আইন অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থক হয়, তখন বিচারক ব্যাখ্যা দেবেন; কিন্তু তিনি নতুন আইন সংযোজন বা পরিবর্তন করতে পারবেন না।

২,৪৩১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর অধীন গঠিত সালিশী কাউন্সিল সেলিমের দ্বিতীয় বিবাহের দরখাস্ত প্রত্যাখ্যান করে। সেলিম এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান। তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?
  1. সালিশী কাউন্সিলে পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
  2. জেলা জজ আদালতে আপিল করবেন
  3. সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
  4. জেলা জজ আদালতে পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: গ) সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন।

• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
 
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
 
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
 
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
 
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
২,৪৩২.
প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য নিম্নলিখিত কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. প্রস্তাবদাতার মৃত্যু
  2. প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ
  3. প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
  4. প্রস্তাব গ্রহণের জন্য সময়ের লংঘন
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবগ্রহণকারীর দেওয়ালিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
ধারা ৬: প্রত্যাহার কীভাবে করা হয় (Revocation how made):
একটি প্রস্তাব প্রত্যাহার (revoked) করা হয়-
১) প্রস্তাবদাতা যখন প্রত্যাহারের বিজ্ঞপ্তি (notice of revocation) প্রস্তাবপ্রাপ্তকে জানায়;
২) প্রস্তাবগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেলে, অথবা যদি নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্ধারিত না থাকে, তাহলে যুক্তিসঙ্গত সময় পেরিয়ে গেলেও গ্রহণযোগ্যতার কোনো যোগাযোগ না হলে;
৩) গ্রহণকারী যদি প্রস্তাব গ্রহণের পূর্বশর্ত (condition precedent) পূরণ করতে ব্যর্থ হয়;
৪) প্রস্তাবদাতার মৃত্যু বা পাগলামি ঘটলে, এবং যদি এই তথ্য প্রস্তাবগ্রহণকারীর কাছে পৌঁছে যায় প্রস্তাব গ্রহণের আগে।
২,৪৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারায় কী উল্লেখ আছে?
  1. Arbitration
  2. Mediation
  3. Special provisions for mediation
  4. Mediation in Appeal
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation in Appeal
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒  Section 89C Mediation in Appeal: (1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.
২,৪৩৪.
Which of the following is not a valid requirement for a gift under The Transfer of Property Act, 1882?
  1. It must be made voluntarily
  2. It must be of existing property
  3. It must involve monetary consideration
  4. It must be accepted by the donee
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
ব্যাখ্যা
Answer: C. It must involve monetary consideration.

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)-
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।

⇒ উপহার (Gift) হল এমন একটি সম্পত্তি হস্তান্তর যা স্বেচ্ছায় ও বিনা প্রতিদানে (without consideration) প্রদান করা হয়। এটি একটি নিঃস্বার্থ এবং স্বতঃস্ফূর্ত কার্যকলাপ। তাই যদি কোন আর্থিক বিনিময়ের শর্ত থাকে, তাহলে সেটি আর "উপহার" হিসেবে গণ্য হয় না, বরং সেটা চুক্তিভিত্তিক লেনদেন হয়ে যায়। সেকারণে ‘consideration’ থাকা একটি বৈধ উপহারের শর্ত নয়।
২,৪৩৫.
একজন হানাফি মুসলিম নারী তার স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মাতাকে রেখে মারা গেল। পিতার অংশ কত হবে?
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৪ + অবশিষ্টাংশ
  3. ২/৩ + অবশিষ্টাংশ
  4. ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ + অবশিষ্টাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ + অবশিষ্টাংশ
ব্যাখ্যা
এখানে একজন হানাফি মুসলিম নারী মারা গেছেন এবং তার জীবিত উত্তরাধিকারী হলেন: স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মা।

শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী:

১. স্বামী:
হানাফি আইন অনুযায়ী, স্ত্রী মারা গেলে সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ ভাগ পাবেন।

২. কন্যারা:
দুটি কন্যা থাকলে তারা মিলিয়ে ২/৩ ভাগ পাবে।

৩. মা:
মায়ের অংশ ১/৬ ভাগ।

৪. পিতা:
শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, পিতা জীবিত থাকলে তার অংশ নির্ধারণের জন্য অনেক বিষয় থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে, দুটি কন্যা এবং স্বামী থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবে এবং আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশও পাবেন।

সুতরাং, পিতা পাবে ১/৬ + অবশিষ্টাংশ।
২,৪৩৬.
Bailment of Pledge কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ১৮২
  3. ধারা ১৭২
  4. ধারা ১৯২ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭২
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের  ১৭২ ধারার বিধান: বন্ধক, বন্ধকদাতা এবং বন্ধকগ্রহীতা- এদের সংজ্ঞা (Pledge, Pawnor and Pawnee defined)
- বন্ধক: কোন ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার পালনের জামানত হিসাবে কোন পণ্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক বলে।
- বন্ধকদাতা: এক্ষেত্রে জিম্মাদাতাকে বন্ধকদাতা বলে।
- বন্ধকগ্রহীতা: জিম্মাদারকে বন্ধকগ্রহীতা বলা হয়।

অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের বা অঙ্গীকার রক্ষার জামিন হিসেবে কোন দ্রব্য জিম্মায় রাখাকে বন্ধক (pledge) বলে।

- শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই pledge এর বিধান প্রযোজ্য হবে।
- স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বন্ধকের (mortgage) বিধান প্রযোজ্য হবে। 
-------------
Section 172. "Pledge", "Pawnor" and "Pawnee" defined:
- The bailment of goods as security for payment of a debt or performance of a promise is called "pledge".
- The bailor is in this case called the "pawnor".
- The bailee is called the "pawnee".
২,৪৩৭.
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি কোথায় রয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায়
  2. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৩ ধারায়
  3. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
  4. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর ২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী-
 
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

[A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera.]
 
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
২,৪৩৮.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি কত বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন?
  1. ১৮ বছর বয়সের আগে
  2. ১৯ বছর বয়সের আগে
  3. ২০ বছর বয়সের আগে
  4. ২১ বছর বয়সের আগে
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর বয়সের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ বছর বয়সের আগে
ব্যাখ্যা
→ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ধারা ২(৭) অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। এই বিধানটি নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে মহিলাদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করে।
- এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো মহিলাকে তার ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয় এবং তিনি সেই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে চান, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে তা করতে পারেন।
- তবে, এই বিয়ে প্রত্যাখ্যান করার জন্য একটি শর্ত হলো যে বিবাহ সম্পন্ন হয়নি হতে হবে। অর্থাৎ, যদি বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায়, তাহলে এই ভিত্তিতে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।
- এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো, নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে মহিলাদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করা। এটি তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের বিবাহের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ দেয়।

সঠিক উত্তর: খ) ১৯ বছর বয়সের আগে।
- কারণ, এই আইন অনুযায়ী, যদি একজন মহিলাকে ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি ১৯ বছর বয়সের আগে বিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
২,৪৩৯.
চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় আপিল করতে হলে কী পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
Section 138A of the Negotiable Instruments Act, 1881: Restriction in respect of appeal :
"Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence."

বাংলা অনুবাদ:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ যা-ই বলা থাকুক না কেন, ধারা ১৩৮(১)-এর অধীনে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি চেকের অমান্যকৃত অর্থের অন্তত ৫০% পরিমাণ অর্থ সেই আদালতে জমা দেন, যে আদালত দণ্ড প্রদান করেছে।
২,৪৪০.
প্রস্তাব যখন গ্রহীতা কর্তৃক গৃহীত হয়, তখন তা হয়ে যায়:
  1. চুক্তি (Contract)
  2. প্রতিশ্রুতি (Promise)
  3. অঙ্গীকার (Agreement)
  4. বিবেচনা (Consideration)
সঠিক উত্তর:
প্রতিশ্রুতি (Promise)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিশ্রুতি (Promise)
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা 2(b) অনুযায়ী: “যখন প্রস্তাব যার কাছে করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে, তখন প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise) হয়ে যায়।”
- অর্থাৎ— প্রস্তাব (Proposal) + গ্রহণ (Acceptance) = প্রতিশ্রুতি (Promise)
- প্রতিশ্রুতিদাতা (Promisor) = যিনি প্রস্তাব করেছেন।
- প্রতিশ্রুতিগ্রাহী (Promisee) = যিনি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।
- পরবর্তীতে, প্রতিশ্রুতি + বিবেচনা (Consideration) = সমঝোতা (Agreement)।
- আর আইন দ্বারা বলবৎযোগ্য Agreement = চুক্তি (Contract)।

২,৪৪১.
'দুর্নীতি দমন কমিশনারগণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৪- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা:
এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশনারগণ এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন৷
২,৪৪২.
সংবিধান অনুসারে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিষয়ে কে বিধান প্রণয়ন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. সংসদ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংসদের যথাযথ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়সহ সংসদের নির্বাচন-সংক্রান্ত বা নির্বাচনের সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

Article 124: Parliament may make provision as to elections

Subject to the provisions of this Constitution, Parliament may by law make provision with respect to all matters relating to or in connection with elections to Parliament, including the delimitation of constituencies, the preparation of electoral rolls, the holding of elections, and all other matters necessary for securing the due Constitution of Parliament.
২,৪৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, কোন শর্তের অধীনে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  3. আদালত-অবমাননা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সরাসরি কোনো শর্তের অধীনে সীমাবদ্ধ করার কথা উল্লেখ করা হয়নি। অনুচ্ছেদ ৩৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, এবং এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, অনুচ্ছেদ ৩৯(২)-এ বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

২,৪৪৪.
A promises to superintend, on behalf of B, a legal manufacture of indigo, and an illegal traffic in other articles. B promises to pay A a salary of 10,000 Taka per year. What is the legal status of this agreement?
  1. Valid agreement
  2. Void agreement
  3. Voidable agreement
  4. Enforceable with modifications
সঠিক উত্তর:
Void agreement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void agreement
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৪ অনুযায়ী— "If any part of a single consideration for one or more objects, or any one or any part of any one of several considerations for a single object is unlawful, the agreement is void."

⇒ The Contract Act, 1872 Section 24: Agreements void, if considerations and objects unlawful in part:
-If any part of a single consideration for one or more objects, or any one or any part of any one of several considerations for a single object is unlawful, the agreement is void. 

Illustration
A promises to superintend, on behalf of B, a legal manufacture of indigo, and an illegal traffic in other articles. B promises to pay to A a salary of 10,000 Taka a year. The agreement is void, the object of A's promise and the considerations B's promise being in part unlawful.

২,৪৪৫.
ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৫ বছর
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৯ ধারার বিধান ক্রেতা বরাবর বিক্রিত ভূমির দখল হস্তান্তর না করিবার দণ্ড:
 - বিক্রয়ের জন্য নির্ধারিত মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থ বিক্রেতা বরাবর পরিশোধ করা সত্ত্বেও যদি তিনি, যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত, ক্রেতা বরাবর উক্ত ভূমির দখল হস্তান্তর না করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
২,৪৪৬.
শিশু আদালতে বিশেষ কোন ধরনের সুবিধার বিধান নেই?
  1. বিচার প্রক্রিয়ায় অভিভাবকের নিকট শিশুকে বসার সুযোগ
  2. প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ ধরনের আসন
  3. আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
  4. আদালতের কোন কর্মচারী ইউনিফরম পরিধান করবেন না
সঠিক উত্তর:
আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- শিশু আদালতের পরিবেশ ও সুবিধাসমূহ:

(১) আদালতকক্ষের ধরন, সাজসজ্জা ও আসন বিন্যাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(২) শিশু-আদালতের আসন বিন্যাস এমনভাবে করিতে হইবে যেন সকল শিশু বিচার প্রক্রিয়ায় তাহার মাতা-পিতা বা তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ বা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য এবং প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর, যতদূর সম্ভব, সন্নিকটে বসিতে পারে। 
 
(৩) উপ-বিধি (১) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া আদালতকক্ষে শিশুর জন্য উপযুক্ত আসনসহ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য, প্রয়োজনে, বিশেষ ধরনের আসন প্রদানের বিষয়টি শিশু-আদালত নিশ্চিত করিবে। 
 
(৪) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালীন, আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোন কর্মচারী আদালতকক্ষে তাহাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করিতে পারিবেন না।
২,৪৪৭.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "Continuing guarantee" এর বিধান আছে?
  1. ১২৭
  2. ১২৮
  3. ১২৯
  4. ১৩০
সঠিক উত্তর:
১২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৯
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন" (Continuing guarantee):
-যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে।
---------------------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 129. "Continuing guarantee"
 A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".

Illustrations:
 (a) A, in consideration that B will employ C in collecting the rent of B's zamindari, promises B to be responsible, to the amount of 5,000 Taka, for the due collection and payment by C of those rents. This is a continuing guarantee.
২,৪৪৮.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৭ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
২,৪৪৯.
স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে-
  1. দুইশত টাকা
  2. পাঁচশত টাকা
  3. এক হাজার টাকা
  4. দুই হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
পাঁচশত টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচশত টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:

(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তির বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন সর্বনিম্ন ফিস হতে পারে পাঁচশত টাকা। 
২,৪৫০.
"Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people." এটি বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের বিধান?
  1. ১৮
  2. ২১
  3. ২৩
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
 (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ Article 21. Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 

(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.
২,৪৫১.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, বিবাহ নিবন্ধনের জন্য ন্যূনতম বয়স কত?
  1. পুরুষ ও নারীর উভয়ের জন্য ১৮ বছর
  2. পুরুষ ও নারীর উভয়ের জন্য ২১ বছর
  3. পুরুষের জন্য ১৮ বছর, নারীর জন্য ১৬ বছর
  4. পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) পুরুষের জন্য ২১ বছর, নারীর জন্য ১৮ বছর।

হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৫: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ-
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।

২,৪৫২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে কোন আদালত কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার বিধান রয়েছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. অধস্তন আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.
২,৪৫৩.
নিচের কোনটি অননুমোদিত হিন্দু বিবাহের প্রকার?
  1. আর্য
  2. দৈব
  3. অসুর
  4. প্রজাপত্য
সঠিক উত্তর:
অসুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসুর
ব্যাখ্যা

• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।

২,৪৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ মার্চ, ২০০০
  2. ৮ এপ্রিল, ২০০০
  3. ১ জানুয়ারি, ২০০০
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে কার্যকর হয়েছে। এটি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নির্যাতন (যেমন ধর্ষণ, অপহরণ, যৌতুক, দহন ইত্যাদি) দমনের জন্য প্রণীত, এবং কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনটির সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৫ সালে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫) হলেও কার্যকর তারিখ পরিবর্তিত হয়নি।

২,৪৫৫.
শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি কিভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. প্রথম পন্থা
  2. অপরিহার্য পন্থা
  3. সর্বশেষ পন্থা
  4. সর্বোত্তম পন্থা
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ পন্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ পন্থা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা:
(১) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করিতে হইবে, যাহার মেয়াদ হইবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য। 
 
(২) সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 
 
(৩) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হইলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হইতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হইতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
২,৪৫৬.
নারী সপিণ্ডের মধ্যে কে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কন্যা
  2. পিতার মাতা
  3. বোন
  4. পিতার পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) বোন।

হিন্দু উত্তরাধিকার আইন:

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে।
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ—তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:
১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা ও
৫. পিতার পিতার মাতা। 

২,৪৫৭.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, স্বামী অন্তত কত সময় ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(২) অনুযায়ী, স্ত্রী নিম্নলিখিত শর্ত সাপেক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারেন।
- স্বামী যদি অন্তত ২ বছর ধরে স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় বা উদ্যোগ না নেয়, তাহলে স্ত্রী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন।
- এই ২ বছর সময়সীমা অবিচ্ছিন্ন হতে হবে। অর্থাৎ, এই সময়ের মধ্যে স্বামী যদি কোনো ভরণপোষণ না দেয় বা দায়িত্ব এড়িয়ে যায়, তাহলেই কেবল এই কারণ দেখিয়ে বিচ্ছেদ চাওয়া যাবে।
– মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ (ধারা ২(২) স্বামী যদি স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ২ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অবহেলা করে বা ব্যর্থ হয়, তাহলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদন করতে পারবেন।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

২,৪৫৮.
এক বছরের বেশি মেয়াদের ইজারা কীভাবে সম্পাদন করা যায়?
  1. মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে
  2. সরকারি গেজেটে ঘোষণা দিয়ে
  3. দখল হস্তান্তরের মাধ্যমে
  4. রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৭: ইজারা কিভাবে প্রদান করতে হয়-
যে ইজারা বছর ধরে, বা এক বছরের অধিক সময়ের জন্য, বা বার্ষিক ভাড়া নির্ধারণ করে প্রদান করা হয়, তা শুধুমাত্র একটি রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমেই প্রদান করা যাবে।
অন্য সকল ইজারা (যেমন এক বছরের কম সময়ের, মাসিক বা স্বল্পমেয়াদি ইজারা) রেজিস্ট্রিকৃত দলিল অথবা মৌখিক চুক্তি ও দখল হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রদান করা যেতে পারে।

যখন কোনো অস্থাবর সম্পত্তির ইজারা একটি রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, তখন উক্ত দলিল বা যদি একাধিক দলিল থাকে, প্রতিটি দলিল উভয় পক্ষ — অর্থাৎ ইজারাদাতা ও ইজারাগ্রহীতা দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সময় সময় সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা দিতে পারে যে, বছর ধরে, এক বছরের বেশি সময়ের জন্য, বা বার্ষিক ভাড়া নির্ধারণ করে প্রদান করা ইজারার ব্যতীত অন্য যেকোনো ধরণের বা নির্দিষ্ট শ্রেণির ইজারা রেজিস্ট্রিকৃত দলিল ছাড়াই, অথবা দখল হস্তান্তর ব্যতিরেকেও মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা যাবে।
২,৪৫৯.
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে- প্রদত্ত সংজ্ঞা কোথায় দেয়া আছে?
  1. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫২ ধারায়
  2. জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ আইনে
ব্যাখ্যা
Section 3(1a) of The General Clauses Act,1897, "Act of Parliament" shall mean-
an Act passed by Parliament and shall include any Act passed or made by any legislature or any person having authority to legislate under any Constitutional instrument and in force in Bangladesh or any portion thereof:

সংসদের আইন
"সংসদের আইন" অর্থে সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনকে বুঝাইবে এবং কোন আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কর্তৃক অথবা বাংলাদেশে বা ইহার কোন অংশে বলবৎ কোন সাংবিধানিক দলিলের অধীন আইন প্রণয়নের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি কর্তৃক গৃহীত বা প্রণীত যে কোন আইনও ইহার অন্তর্ভূক্ত হইবে।
২,৪৬০.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের উপর কোন প্রতিষ্ঠান তত্ত্বাবধান করবে?
  1. পারিবারিক আদালত
  2. জেলা প্রশাসন
  3. জেলা রেজিস্ট্রার
  4. সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
জেলা রেজিস্ট্রার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা রেজিস্ট্রার
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের উপর জেলা রেজিস্ট্রার তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণ করবে। জেলা রেজিস্ট্রার তার দপ্তরের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

⇒  হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ১৩ তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন। 
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে। 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন। 

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।
২,৪৬১.
'ক', 'খ'-এর নিকট ২০ শতক জমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ২০ শতকের মধ্যে ১০ শতক লালমাই, ৫ শতক লাকসাম এবং ৫ শতক বড়ুরা উপজেলায় অবস্থিত। উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য কোথায় উপস্থাপন করতে হবে?
  1. বড়ুরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  2. লালমাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  3. লাকসাম সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  4. উল্লিখিত যেকোনোটিতে
সঠিক উত্তর:
লালমাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইন: ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে,

যে জমি হস্তান্তর করার জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে, সেই জমির সম্পূর্ণ বা বেশি অংশ যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অধীন অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

উক্ত সম্পত্তির বৃহত্তর অংশ একই উপজেলায় অবস্থিত না হলে, যে সাব-রেজিস্ট্রারের এলাকায় এইরুপ সম্পত্তির কোন অংশ বিশেষ অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে।

'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে বেশি অংশ (৭ শতক) সাভারে অবস্থিত হওয়ায়, দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
২,৪৬২.
“Res Ipsa Loquitur” শব্দগুচ্ছের অর্থ কী?
  1. গুপ্ত ঘটনা
  2.  স্বব্যক্ত ঘটনা
  3. অপ্রয়োজনীয় সাক্ষ্য
  4. পক্ষপাতিত্বমূলক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 স্বব্যক্ত ঘটনা
ব্যাখ্যা

Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।

২,৪৬৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের মূলনীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়" এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৬
  3. অনুচ্ছেদ-৪৫
  4. অনুচ্ছেদ-১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৮
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
২,৪৬৪.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. উপ-রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. সরকারের মনোনীত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার:
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।
-----------
⇒ Article 54. Speaker to act as President during absence, etc.
If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be. 
২,৪৬৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রীদের কত শতাংশ সংসদ সদস্য হতে হবে?
  1. কমপক্ষে ৭০%
  2. কমপক্ষে ৮০%
  3. কমপক্ষে ৯০%
  4. কমপক্ষে ৯৫%
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে ৯০%
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২)-এ এ সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান রয়েছে:
"তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ (৯/১০) সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ (১/১০) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"

- সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে, এবং অনধিক ১০% মন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া ব্যক্তি হতে পারেন। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে, মন্ত্রিসভা সংসদের সমর্থিত সদস্যদের দ্বারা গঠিত হবে, যা সরকারের প্রতি সংসদের আস্থা এবং দায়িত্বশীলতার প্রতীক।
২,৪৬৬.
মুতা বিবাহ বলতে কী বোঝায়?
  1. স্থায়ী বিবাহ
  2. অস্থায়ী বিবাহ
  3. দেনমোহরবিহীন বিবাহ
  4. নাবালকের বিবাহ
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী বিবাহ
ব্যাখ্যা

মুতা বিয়ে (Mut'a Marriage):
মুতা বিয়ে হলো একটি অস্থায়ী বিবাহের চুক্তি, যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সম্পন্ন হয় এবং চুক্তি শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। এটি শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈধ বিবাহের একটি ধরন, তবে সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ে এটি বৈধ নয়।

মুতা বিয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
মুতা বিয়ে একটি নির্ধারিত সময়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। সময় শেষ হলে এই বিবাহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যায়। মুতা বিয়েতে দেনমোহর বা মেহের নির্ধারণ করা এবং তা প্রদান করা আবশ্যক। মুতা বিয়েতে স্ত্রী বা সন্তানরা সাধারণত স্বামীর উত্তরাধিকার দাবি করতে পারে না। এই বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সাক্ষীর প্রয়োজন হয় না। এই বিবাহে তালাকের বিধান নেই, সময়সীমা শেষ হলেই বিবাহের সমাপ্তি ঘটে।

২,৪৬৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৭ অনুযায়ী, রাষ্ট্র আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে ____________ শিক্ষাদানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
  1. অবৈতনিক ও স্বেচ্ছামূলক
  2. অবৈতনিক ও প্রাথমিক
  3. প্রাথমিক ও স্বেচ্ছামূলক
  4. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.

২,৪৬৮.
জরুরি-অবস্থা ঘোষণার পূর্বে উক্ত ঘোষণার বৈধতার জন্য কার প্রতি-স্বাক্ষরের প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের নবম-ক ভাগে জরুরী বিধানাবলী আলোচনা করা হয়েছে। উক্ত ভাগের ১৪১ক, ১৪১খ এবং ১৪১গ ধারায় বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৪১ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা

(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা- 
(ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
(খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
(গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে, অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে, প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।
২,৪৬৯.
সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত প্রস্তাব কী আকারে উত্থাপিত হয়?
  1. বিল
  2. প্রস্তাবনা
  3. প্রজ্ঞাপন
  4. অধ্যাদেশ
সঠিক উত্তর:
বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়। বিল হলো একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তাব, যা সংসদে আলোচনা ও পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলে আইনে পরিণত হয়।
অন্যদিকে, 
অন্য অপশনগুলো যেমন প্রস্তাবনা, প্রজ্ঞাপন বা অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার অংশ নয়।
প্রস্তাবনা: সাধারণত কোনো বিষয়ে মতামত বা সিদ্ধান্ত প্রকাশের জন্য ব্যবহার হয়।
প্রজ্ঞাপন: সরকারি ঘোষণা বা বিজ্ঞপ্তি।
অধ্যাদেশ: জরুরি অবস্থায় রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আদেশ, যা সংসদের অনুমোদন ছাড়াই প্রণয়ন করা যায়।
সুতরাং, সংসদে আইন প্রণয়নের জন্য প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি:
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে 52[***] সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
২,৪৭০.
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। এক্ষেত্রে সঠিক আইনগত ফলাফল কি হবে?
  1. 'ছ' দলিলটি 'চ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
  2. 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
  3. দুটি দলিলই সমানভাবে প্রাধান্য লাভ করবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের উপর প্রাধান্য লাভ করবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭- যখন হতে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয়:

একটি নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হয় উক্ত দলিল সম্পাদনের (execution) তারিখ হতে, নিবন্ধনের registration তারিখ হতে নয়। যেক্ষেত্রে একই বিক্রেতা একই ভূমি বিভিন্ন ক্রেতার নিকট ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে, উক্ত ক্ষেত্রে কোন দলিলটি অগ্রাধিকার (priority) পাবে সেটা নির্ধারণের ৪৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। ৪৭ ধারা শুধু প্রযোজ্য হবে নিবন্ধিত দলিল কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করতে। এই ক্ষেত্রে মৌলিক নীতি হলো, নিবন্ধনের তারিখ নয় বরং দলিল সম্পাদনের তারিখ বিবেচনা করতে হবে। দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে দলিল কার্যকর হয়। একই বিক্রেতা কর্তৃক ২টি নিবন্ধিত দলিল করা হলে, পূর্বে সম্পাদিত দলিলটি কার্যকর হবে।

'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পূর্বে সম্পাদিত হয় কিন্তু 'ছ' দলিলের পরে রেজিস্ট্রি হয়। 'চ' দলিলটি 'ছ' দলিলের পরে নিবন্ধিত হলেও, এখানে 'চ' দলিলটি অগ্রাধিকার পাবে কারণ 'চ' দলিলটি, 'ছ' দলিল সম্পাদিত হওয়ার আগে সম্পাদিত হয়েছিল। দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে কার্যকর হয়, নিবন্ধনের তারিখ হতে নয়।

অর্থাৎ পূর্বে সম্পাদিত কিন্তু পরে নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল, পরে সম্পাদিত কিন্তু পূর্বে নিবন্ধিত দলিল অপেক্ষা অগ্রাধিকার পাবে। যেক্ষেত্রে একাধিক নিবন্ধিত দলিল থাকে, সেক্ষেত্রে কোন দলিলটি কার্যকর হবে সেটা নির্ধারণে দলিল নিবন্ধনের তারিখ নয় বরং দলিলটি সম্পাদনের তারিখ বিবেচনা করতে হবে।
২,৪৭১.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল প্রস্তুত করবেন?
  1. সরকারের আইন মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

২,৪৭২.
বণ্টননামা দলিলের সম্পত্তির মূল্য যদি ৮ লক্ষ টাকা হয়, নিবন্ধন ফিস কত হবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ১২০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা;
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা;
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা;
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

উল্লেখ্য,
২০০৪ সনে নিবন্ধন (সংশোধনী) আইন (২০০৪ সনের ২৫ নং আইন) প্রবর্তনের পূর্বে বিক্রয়-চুক্তি (বায়নাপত্র) দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক ছিল। উক্ত আইন দ্বারা ১ জুলাই ২০০৫ খ্রিঃ তারিখ হইতে বিক্রয়-চুক্তি দলিলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয় এবং উহার নিবন্ধন ফি যুক্তিযুক্ত হারে নির্ধারণ করা হয়।
২,৪৭৩.
নিচের কোন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি আইন অনুসারে চুক্তির করার অযোগ্য?
  1. নাবালক
  2. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  3. মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন।
- অতএব বলা যায় চুক্তি সম্পাদনে সে ব্যক্তি যোগ্য যিনি সাবালক ও সুস্থ মনের অধিকারী এবং যাকে কোনো আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।
- এখানে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। প্রাকৃতিক ব্যক্তি বলতে মানুষকে বলা হয়েছে আর কৃত্রিম ব্যক্তি বলতে কোম্পানি, কর্পোরেশন, সংঘ যারা আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত।
- চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
----------------------
⇒ The Contract Act, 1872: Section-11: Who are competent to contract:
-Every person is competent to contract who is of the age of majority according to the law to which he is subject, and who is of sound mind, and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.
২,৪৭৪.
According to Article 121, how many electoral rolls should there be for each constituency?
  1. One
  2. Two
  3. Multiple based on religion and caste
  4. Determined by the Election Commission
সঠিক উত্তর:
One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One
ব্যাখ্যা
Article 121: Single electoral roll for each constituency-
There shall be one electoral roll for each constituency for the purposes of elections to Parliament, and no special electoral roll shall be prepared so as to classify electors according to religion, race, caste or sex.

১২১- প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা:
সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।
২,৪৭৫.
হেবা গ্রহণের পূর্বে দানগ্রহীতা মৃত্যুবরণ করলে, উক্ত হেবা-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
  4. দাতার অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা

• দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন। যদি হেবা গ্রহণের পূর্বে গ্রহীতা (Donee) মৃত্যুবরণ করেন, তবে হেবা গ্রহণের শর্ত পূরণ করা সম্ভব হয় না। এর ফলে গিফট কার্যকর হয় না এবং সেটি বাতিল (Void) হিসেবে বিবেচিত হয়।

২,৪৭৬.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনায় কোনটি নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. সামরিক শাসন
  2. বাণিজ্যিক স্বার্থ সংরক্ষণ
  3. মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
  4. রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো:
“গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা - যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে।”
- এখানে সরাসরি মৌলিক মানবাধিকার (fundamental human rights) এবং সুবিচার (justice) নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) মৌলিক মানবাধিকার ও সুবিচার।

২,৪৭৭.
"Doctrine of Double Possibilities" বা দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ "Doctrine of Double Possibilities" বা দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৩ এর সাথে সম্পর্কিত। এই নীতি অনুসারে, একের অধিক প্রজন্ম পর্যন্ত সম্পত্তি হস্তান্তর অযোগ্য করে কোনো অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। ধারা ১৩ এ বলা হয়েছে, অজাত ব্যক্তির জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করতে হলে একই দলিলে জীবনস্বত্ব সৃষ্টি করতে হবে এবং শুধুমাত্র এক সম্ভাবনা পর্যন্ত হস্তান্তর মঞ্জুর করা যায়।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৩: অজাত ব্যক্তির সুবিধার জন্য হস্তান্তর (Transfer for Benefit of Unborn Person)
- নীতি: একই হস্তান্তর দ্বারা পূর্ববর্তী কোনো স্বত্ব সৃষ্টি সাপেক্ষে, হস্তান্তরের তারিখ পর্যন্ত জন্মগ্রহণ করেনি এমন কোনো ব্যক্তির সুবিধার জন্য স্বত্ব সৃষ্টি করা হলে, সম্পত্তিতে দাতার অবশিষ্ট সমগ্র স্বত্ব অন্তর্ভুক্ত না হলে অজাত ব্যক্তি বরাবর স্বত্ব কার্যকর হবে না।
- গুরুত্বপূর্ণ: কোনো অজাত ব্যক্তি বরাবর সরাসরি সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না। জীবনস্বত্ব সৃষ্টি করা গেলে তা বাতিল গণ্য হবে।

- শর্ত সাপেক্ষে হস্তান্তর করা যায় (অজাত ব্যক্তির বরাবর):
একই দলিলে এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর জীবনস্বত্ব/ট্রাস্ট সৃষ্টি করতে হবে।
 জীবন স্বত্বের পরে অজাত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ/চূড়ান্ত স্বত্ব দান করতে হবে।
শেষ জীবনস্বত্বের পরিসমাপ্তির পূর্বেই অজাত ব্যক্তিকে জন্মগ্রহণ করতে হবে।
হস্তান্তর স্থগিত রাখার সময়কাল: এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল + মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময়।

দ্বৈত সম্ভাবনার বিরোধী বিধি (Doctrine of Double Possibilities): একের অধিক প্রজন্ম পর্যন্ত সম্পত্তি হস্তান্তর অযোগ্য করে কোনো অজাত ব্যক্তি বরাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে। আইন শুধুমাত্র এক সম্ভাবনা পর্যন্ত হস্তান্তর মঞ্জুর করে।

উদাহরণ: A তার নিজের এবং তার হবু স্ত্রীর জীবনে লাভের জন্য সম্পত্তি B-এর নিকট অছিমূলে হস্তান্তর করলো, এই শর্তে যে তাদের মৃত্যুর পর বিবাহজাত প্রথম পুত্র জীবন স্বত্ব পাবে এবং তার মৃত্যুর পর A-এর দ্বিতীয় পুত্র সম্পত্তি লাভ করবে। এক্ষেত্রে অজাত প্রথম পুত্রের স্বত্ব কার্যকর হবে না কারণ A-এর সমগ্র স্বার্থ তাতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

২,৪৭৮.
হিন্দু আইনে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে কন্যাদের মধ্যে অগ্রাধিকার পাবে-
  1. অবিবাহিত কন্যা
  2. পুত্রবর্তী কন্যা
  3. বিধবা কন্যা
  4. সন্তানহীন কন্যা
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত কন্যা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-

(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।
২,৪৭৯.
কয়জন বিচারকের সমন্বয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুনাল থাকিবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করিতে পারিবে; এইরূপ ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযু্‌ক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা জজ ও দায়রা জজ বলিতে [অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও] অন্তর্ভুক্ত।
২,৪৮০.
১ বছরের বেশি কিন্তু ১২ বছরের কম সময় অকৃষি ভূমির দখলে থাকলে, কোনটি করা যাবে না?
  1. বৃক্ষ রোপণ
  2. বৃক্ষের ফুল, ফল ভোগ
  3. পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
  4. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকা অবকাঠামো নির্মাণ
ব্যাখ্যা
• 'পাকা অবকাঠামো নির্মাণ' করা যাবে না।

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে,
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে;
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
২,৪৮১.
Usufructuary Mortgage-এ বন্ধকদাতার ব্যক্তিগত দায় কেমন থাকে?
  1. সম্পূর্ণ দায়ী
  2. আংশিক দায়ী
  3. ব্যক্তিগত দায় নেই
  4. শুধুমাত্র সুদ পরিশোধের দায় থাকে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত দায় নেই
ব্যাখ্যা

উত্তর: c) ব্যক্তিগত দায় নেই।

Usufructuary Mortgage (খাই খালাসি বন্ধক) সংজ্ঞা (Section 58(d), Transfer of Property Act):

“যেখানে বন্ধকদাতা (mortgagor) বন্ধকী সম্পত্তির দখল প্রদান করে অথবা স্পষ্টভাবে বা নিকটসিদ্ধভাবে দখল প্রদান করতে বাধ্য হয় এবং বন্ধকী গ্রহণকারী (mortgagee) কে দখল রাখতে অনুমতি দেয় যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ প্রদান হয়, এবং সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া বা লাভ (rents & profits) গ্রহণ করে সেই অর্থ বন্ধকী অর্থ বা সুদের স্থলে গ্রহণ করতে পারে, সেই লেনদেনকে Usufructuary Mortgage বলা হয় এবং গ্রহণকারীকে Usufructuary Mortgagee বলা হয়।”

Usufructuary Mortgage-এর প্রধান উপাদানসমূহ:

Delivery of Possession (দখল প্রদান): 
বন্ধকদাতা অবশ্যই সম্পত্তির দখল বন্ধকী গ্রহণকারীকে প্রদান করবে বা স্পষ্টভাবে/নৈরাশ্রিতভাবে তা করতে বাধ্য হবে।

Retention of Possession (দখল রাখা):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তির দখল রাখে যতক্ষণ পর্যন্ত বন্ধকী অর্থ পরিশোধ হয় বা সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দ্বারা সেটি পরিশোধ করা হয়।

No Personal Liability (ব্যক্তিগত দায় নেই):
বন্ধকদাতার উপর ব্যক্তিগত দায় আরোপিত হয় না।

No Foreclosure or Sale (উদ্ধার বা বিক্রির অধিকার নেই):
বন্ধকী গ্রহণকারী সম্পত্তি জব্দ বা বিক্রির জন্য মামলা করতে পারে না।

Right of Redemption (মুক্তির অধিকার):
বন্ধকদাতা Section 62 অনুযায়ী দেনা পরিশোধের মাধ্যমে সম্পত্তি উদ্ধার করতে পারে, অথবা বন্ধকী গ্রহণকারী থেকে প্রাপ্ত ভাড়া/লাভ দিয়ে দেনা পরিশোধ করতে পারে।

No Fixed Time Limit (নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই):
বন্ধকী অর্থ পরিশোধের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই।

Registration Requirement (নিবন্ধনের শর্ত):
বন্ধকী অর্থ ১০০ টাকা বা তার বেশি হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এর কম হলে, নিবন্ধিত দলিল বা সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে করা যেতে পারে।

২,৪৮২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল রুদ্ধ-কক্ষে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. বিচারকার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য
  2. ন্যায়বিচারের স্বার্থে
  3. নারী বা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার জন্য
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫- রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera):
ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

Section 25 - Trial in Camera:
In the interest of justice and for the protection of female or child victims, the tribunal may, by stating the reasons, order that the trial of any offense under this law be conducted in-camera, in the presence of only the parties to the case and their appointed lawyers, or other representatives, subject to the permission of the tribunal.
২,৪৮৩.
একজন মুসলিম ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। কন্যার অংশ-
  1. (১/৩)
  2. (১/২)
  3. (২/৩)
  4. (১/৪)
সঠিক উত্তর:
(১/৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(১/৩)
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নমতে, একজন মুসলিম ব্যক্তি ১৯৬৯ সনে এক কন্যা ও এক মৃত ছেলের কন্যাকে রেখে মারা যান। অর্থাৎ ঘটনাটি 'Muslim Family Laws ordinance, 1961' আইন প্রণয়নের পরের।
- Muslim Family Laws ordinance, 1961 -এর ৪ ধারার "Doctrine of Representation" নীতি অনুযায়ী মৃত ছেলের কন্যা, তার পিতার প্রতিনিধিত্ব (Representation) করবে অর্থাৎ, উক্ত ছেলে বেঁচে থাকলে যে পরিমাণ সম্পত্তি পেত, মৃত ছেলের কন্যা সেই পরিমাণ সম্পত্তি পাবে। 
উল্লিখিত প্রশ্নে, যেহেতু পুত্রের কন্যা, পুত্রের সমান অংশ পাবে Doctrine of Representation অনুসারে এজন্য কন্যা ও পুত্র ধরে হিসাব করলে ২:১ অনুপাতে সম্পত্তিতে কন্যা ও পুত্রের কন্যার অংশ যা হবে।যথা:
ক) কন্যা পাবে সম্পত্তির ১/৩ অংশ।
খ) পুত্র পাবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ।
(Doctrine of Representation অনুসারে পুত্র মৃত তাই পুত্রের কন্যা পাবে পুত্রের সম্পত্তি)
২,৪৮৪.
The High Court Division shall have______ over all courts and triburiats subordinate to it.
  1. superintendence
  2. supreintendence and control
  3. control
  4. control and governance
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
supreintendence and control
ব্যাখ্যা
⇒ Article 109. Superintendence and control over courts:
The High Court Division shall have superintendence and control over all courts and tribunals subordinate to it.
----------
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের বিধান: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ:
- হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন সকল 69[আদালত ও ট্রাইব্যুনালের] উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা থাকিবে।
২,৪৮৫.
সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারার বিধান মতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল তথ্য-উপাত্ত সর্ব্বোচ্চ কত দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
১৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ৪৩ ধারার বিধান তথ্য সংরক্ষণ:
(১) মহাপরিচালক, স্বীয় বিবেচনায়, বা তদন্তকারী অফিসারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, যদি এইরূপে বিশ্বাস করেন যে, কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমে সংরক্ষিত কোনো তথ্য-উপাত্ত এই আইনের অধীন তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এইরূপ তথ্য-উপাত্ত নষ্ট, ধ্বংস, পরিবর্তন অথবা দুষ্প্রাপ্য করিয়া দেওয়ার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে উক্ত কম্পিউটার বা কম্পিউটার সিস্টেমের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উক্তরূপ তথ্য-উপাত্ত ৯০ (নব্বই) দিন পর্যন্ত সংরক্ষণের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
 
(২) ট্রাইব্যুনাল, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, উক্ত তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের মেয়াদ বর্ধিত করিতে পারিবে, তবে তাহা সর্বমোট ১৮০ (একশত আশি) দিনের অধিক হইবে না।
২,৪৮৬.
হিন্দু আইনের প্রধান কতটি উৎস রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ হিন্দু আইনের মূল উৎস চারটি। এগুলো হলো—
১) শ্রুতি (Shruti) – এটি হিন্দু ধর্মের মৌলিক ভিত্তি। বেদসমূহ (ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ, অথর্ববেদ) শ্রুতি শাস্ত্রের অন্তর্ভুক্ত।
২) স্মৃতি (Smriti) – প্রাচীন ঋষিদের লিপিবদ্ধ করা সামাজিক ও ধর্মীয় বিধি-নিষেধ, যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি, নারদ স্মৃতি, পরাশর স্মৃতি ইত্যাদি।
৩) ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ (Commentaries and Digests) – বিভিন্ন স্মৃতি ও শাস্ত্রের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। এর দুটি প্রধান মতবাদ হলো মিতাক্ষরা মতবাদ ও দায়ভাগ মতবাদ।
৪) প্রথা (Custom) – দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রীতিনীতি, যা আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি তিন ধরনের— স্থানীয় প্রথা, শ্রেণি প্রথা ও পারিবারিক প্রথা।

এছাড়া, আধুনিক সময়ে আদালতের রায়, বিধিবদ্ধ আইন ও সুবিচার হিন্দু আইনের নতুন উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে মূল ঐতিহ্যগত উৎস চারটিই।
২,৪৮৭.
Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ৯ ধারা অনুসারে কোন ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়?
  1. বহুবিবাহে নিষেধাজ্ঞা
  2. দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ
  3. ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৯- ভরণপোষণ (Maintenance):
(১) যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে যথাযথভাবে ভরণপোষণ না করেন, অথবা একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের প্রতি সমভাবে ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন না করেন, তবে স্ত্রী বা স্ত্রীগণ, আইনানুগ অন্য যে কোনো প্রতিকার চাওয়ার পাশাপাশি, চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করতে পারেন।
তখন চেয়ারম্যান একটি আরবিট্রেশন কাউন্সিল (মধ্যস্থতা পরিষদ) গঠন করবেন, এবং ঐ কাউন্সিল বিষয়টি নির্ধারণ করবে। আরবিট্রেশন কাউন্সিল একটি সনদ (certificate) প্রদান করতে পারবে, যেখানে স্বামীর প্রদেয় ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণ করা থাকবে।

(২) নির্ধারিত পদ্ধতি, সময়সীমা এবং ফি প্রদানপূর্বক স্বামী বা স্ত্রী উভয়েই এই সনদের বিরুদ্ধে সহকারী জজের নিকট আপিল করতে পারবেন। সহকারী জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে এবং কোনো আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

(৩) উপ-ধারা (১) বা (২)-এর অধীনে প্রদেয় যে কোনো অর্থ সময়মতো পরিশোধ না হলে, তা ভূমি রাজস্ব বকেয়ার ন্যায় আদায়যোগ্য হবে।
২,৪৮৮.
If a member of a parliamentary party votes against their party it is called "_________."
  1. 'Floor Planning'
  2. 'Floor Crossing'
  3. 'Double membership'
  4. 'Free Vote'
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'Floor Crossing'
ব্যাখ্যা
⇒ If a member of a parliamentary party votes against their party it is called ‘crossing the floor’.
⇒ floor planning: a method of financing a retail sales business in which the retailer gives a security interest in all of the inventory to the lender or seller.
⇒  A conscience vote or free vote is a type of vote in a legislative body where legislators are allowed to vote according to their own personal conscience rather than according to an official line set down by their political party.

⇒ Floor-Crossing বা 'political defection' অর্থ হলো অন্যদলে যোগদান করার জন্য বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার জন্য নিজের দল হতে পদত্যাগ করা বা সংসদে নিজের দলের বিপক্ষে ভোটদান করা। Floor- Crossing এর কারণে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে। কার্যকরী সরকার এবং সরকারের কার্যাবলী সহজতর করার জন্য ৭০ অনুচ্ছেদে Floor-Crossing বিধানযুক্ত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া:
কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
(খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
------------------
⇒ Article 70 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Vacation of seat on resignation or voting against political party
 A person elected as a member of Parliament at an election at which he was nominated as a candidate by a political party shall vacate his seat if he – 
(a) resigns from that party ; or 
(b) votes in Parliament against that party ; 
 but shall not thereby be disqualified for subsequent election as a member of Parliament.
২,৪৮৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী নাশকতার সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):

১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
 
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
 
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.

(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 

(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
২,৪৯০.
Every _______ has the right to profess, practise or propagate any religion.
  1. person
  2. citizen
  3. people
  4. community
সঠিক উত্তর:
citizen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
citizen
ব্যাখ্যা
Article 41: Freedom of religion:

(1) Subject to law, public order and morality – 
(a) every citizen has the right to profess, practise or propagate any religion; 
(b) every religious community or denomination has the right to establish,maintain and manage its religious institutions. 

(2) No person attending any educational institution shall be required to receive religious instruction, or to take part in or to attend any religious ceremony or worship, if that instruction, ceremony or worship relates to a religion other than his own.

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা:

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে -
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; 
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে। 
 
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।
২,৪৯১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি

(১) আইনসঙ্গতভাবে প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত যে কোন ভূমি বা সস্পত্তি ব্যতীত নিম্নলিখিত প্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হইবে: 

(ক) বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; 
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী; এবং 
(গ) বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকবিহীন যে কোন সম্পত্তি। 
 
(২) সংসদ সময়ে সময়ে আইনের দ্বারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমা ও মহীসোপানের সীমা-নির্ধারণের বিধান করিতে পারিবেন।

Article 143: Property of the Republic

(1) There shall vest in the Republic, in addition to any other land or property lawfully vested – 

(a) all minerals and other things of value underlying any land of Bangladesh; 
(b) all lands, minerals and other things of value underlying the ocean within the territorial waters, or the ocean over the continental shelf, of Bangladesh; and 
(c) any property located in Bangladesh that has no rightful owner. 
 
(2) Parliament may from time to time by law provide for the determination of the boundaries of the territory of Bangladesh and of the territorial waters and the continental shelf of Bangladesh.
২,৪৯২.
কোন বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না?
  1. Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
  2. Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939, ধারা ২
  3. The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974, ধারা ৩
  4. Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Muslim Family Laws Ordinance, 1961, ধারা ৬
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
২,৪৯৩.
কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হলে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক তা তিনি তার সর্বশেষ নির্বাচনের কত দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জ্ঞাপন করবে?
  1. ১৫ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৪৫ দিনের
  4. ৬০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ অনুচ্ছেদের বিধান: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
(১) কোন ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হইবেন না।

(২) কোন ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোন কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হন তাহা হইলে-

(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন্ নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করিতে ইচ্ছুক, তাহা জ্ঞাপন করিয়া নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান করিবেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হইবে;

(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করিতে অসমর্থ হইলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হইয়াছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হইবে; এবং

(গ) এই দফার উপরি-উক্ত বিধানসমূহ যতখানি প্রযোজ্য, ততখানি পালন না করা পর্যন্ত নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যের শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে পারিবেন না।
---------------
⇒ Article  71 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Bar against double membership:

(1) No person shall at the same time be a member of Parliament in respect of two or more constituencies. 

(2) Nothing in clause (1) shall prevent a person from being at the same time a candidate for two or more constituencies, but in the event of his being elected for more than one – 

(a) within thirty days after his last election the person elected shall deliver to the Chief Election Commissioner a signed declaration specifying the constituency which he wishes to represent, and the seats of the other constituencies for which he was elected shall thereupon fall vacant; 
 
(b) if the person elected fails to comply with sub clause (a) all the seats for which he was elected shall fall vacant; and 

(c) the person elected shall not make or subscribe the oath or affirmation of a member of Parliament until the foregoing provisions of this clause, so far as applicable, have been complied with.
২,৪৯৪.
Factum Valet নীতি অনুযায়ী, একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হলে তা কী হবে?
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. শর্তসাপেক্ষে বৈধ
  4. আদালতের অনুমতি প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা
→ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া নিষিদ্ধ, তবে যদি এই বিধান উপেক্ষা করে একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হয়, তবে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে না। তবে এ ধরনের কাজ করতে হলে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়।
অর্থাৎ Factum Valet নীতি অনুযায়ী, একমাত্র পুত্রকে দত্তক দেওয়া হলে তা বৈধ হবে। 

- Factum Valet মতবাদ, হিন্দু আইন অনুসারে, এমন একটি নীতি যা নির্দেশ করে যে, কোনো কার্য বা কাজ আইনত নিষিদ্ধ হলেও তা যদি বাস্তবে সংঘটিত হয়, তবে তা বৈধ বলে গণ্য হতে পারে।
- অর্থাৎ, যে কাজটি আইনত বা শাস্ত্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ বা অশুদ্ধ বলে ধরা হয়, সেটি যদি বাস্তব জীবনে ঘটতে থাকে, তবে তা ওই সময়ের পরিস্থিতি অনুযায়ী বৈধতা লাভ করে।
২,৪৯৫.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন মিথ্যা মামলাকারীর সর্বনিম্ন কারাদণ্ড কত বছর হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৫: মিথ্যা মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধন করিবার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীন মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিলে বা আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করিলে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে তাহা করিতে বাধ্য করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর এবং অন্যূন ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার শুরু করিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, মূল মামলার বিচার স্থগিত করিতে পারিবে।
২,৪৯৬.
A, B-কে এক খণ্ড জমি প্রতি মাসে ৮০০০ টাকা ভাড়ায় ভাড়া দেন। পরে A, জমিটি C-কে হস্তান্তর করেন। কিন্তু B এই হস্তান্তরের কোনো খবর না জেনে সরল বিশ্বাসে A-কে ভাড়া প্রদান করে। এক্ষেত্রে-
  1. 'B', C-কে ক্ষতিপূরণ দিবে
  2. 'A', C-কে ক্ষতিপূরণ দিবে
  3. 'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে
  4. 'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
সঠিক উত্তর:
'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'B' পুনরায় C-কে ভাড়া প্রদানের জন্য দায়ী হবে না
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ৫০: সরল বিশ্বাসে ভাড়া প্রদান করা-
কোন ব্যক্তি কোনো অস্থাবর সম্পত্তির জন্য সরল বিশ্বাসে (bona fide) যে ব্যক্তির অধীনে তিনি সেই সম্পত্তি ধারণ করেছেন, তাঁকে যদি সরল বিশ্বাসে ভাড়া বা লাভ প্রদান করেন, তবে এমনকি পরবর্তীতে যদি এটি প্রকাশ পায় যে সেই ব্যক্তি আসলে ভাড়া গ্রহণের অধিকারী ছিলেন না, তবুও উক্ত ব্যক্তি ভাড়া বা লাভের জন্য দায়ী হবেন না।

উদাহরণ:
A, B-কে এক খণ্ড জমি প্রতি মাসে ৫০ টাকা ভাড়ায় ভাড়া দেন। পরে A, জমিটি C-কে হস্তান্তর করেন। কিন্তু B এই হস্তান্তরের কোনো খবর না জেনে প্রকৃত বিশ্বাসে A-কে ভাড়া প্রদান করে। এক্ষেত্রে, B যেহেতু প্রকৃত বিশ্বাসে কাজ করেছে, তাই সে পুনরায় ভাড়ার জন্য দায়ী নয়।
২,৪৯৭.
নিচের কোনটি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের অধীনে স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নয়?
  1. দান
  2. বিনিময়
  3. কর প্রদান
  4. লিজ বা ইজারা
সঠিক উত্তর:
কর প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নির্দিষ্টভাবে বলা হয়েছে। এগুলো হলো:
১) বিক্রয়
২) বন্ধক (রেহেন)
৩) ইজারা (লিজ)
৪) দান
৫) বিনিময়
আইনের আওতায় এই পাঁচটি পদ্ধতির মাধ্যমে একজন ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি অন্য জীবিত ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করতে পারে।

- কর প্রদান হল সরকার বা কর্তৃপক্ষকে দেওয়া অর্থ এবং এটি কোনো ব্যক্তির মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের উপায় নয়। তাই এটি আইনের আওতাভুক্ত নয়।

২,৪৯৮.
হিন্দু আইনে কোন বিবাহে বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করা হতো?
  1. দৈব বিবাহ
  2. আর্য বিবাহ
  3. অসুর বিবাহ
  4. প্রজাপত্য বিবাহ
সঠিক উত্তর:
আর্য বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্য বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে আর্য বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন। এটি আট প্রকার বিবাহের মধ্যে অনুমোদিত চারটির একটি।

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।

অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।

২,৪৯৯.
সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "___________" নামে অভিহিত হইবে। 
  1. প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
  2. সংযুক্ত তহবিল
  3. প্রধান মন্ত্রীর তহবিল
  4. রাষ্ট্রীয় তহবিল
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৪ অনুচ্ছেদের বিধান: সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব: 
(১) সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল রাজস্ব, সরকার কর্তৃক সংগৃহীত সকল ঋণ এবং কোন ঋণ পরিশোধ হইতে সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত সকল অর্থ একটি মাত্র তহবিলের অংশে পরিণত হইবে এবং তাহা "সংযুক্ত তহবিল" নামে অভিহিত হইবে। 

(২) সরকার কর্তৃক বা সরকারের পক্ষে প্রাপ্ত অন্য সকল সরকারী অর্থ প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে জমা হইবে।
--------------
⇒ Article 84. Consolidated Fund and the Public Account of the Republic: 
(1) All revenues received by the Government, all loans raised by the Government, and all moneys received by it in repayment of any loan, shall form part of one fund to be known as the Consolidated Fund. 

(2) All other public moneys received by or on behalf of the Government shall be credited to the Public Account of the Republic.
২,৫০০.
কোন আইন অনুসারে সিলেটে সি এস (CS) খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়?
  1. The State Acquisition and Tenancy Act, 1950
  2. The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949
  3. The Sylhet Tenancy Act, 1936
  4. The Bengal Tenancy Act, 1885
সঠিক উত্তর:
The Sylhet Tenancy Act, 1936
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Sylhet Tenancy Act, 1936
ব্যাখ্যা
CS Khatian: 
CS অর্থ Cadastral Survey. এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই CS খতিয়ান নামে পরিচিত।
- এটি The Bengal Tenancy Act, 1885'র ১০১ ধারা অনুসারে প্রণয়ন করা হয়।
- CS খতিয়ান প্রণয়নের কাজ ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজারের রামু থানায় শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় এসে শেষ হয়।
- তবে, সিলেট জেলায় CS খতিয়ান প্রণয়ন করা হয় The Sylhet Tenancy Act, 1936'র ১১৭ ধারার অধীনে।
- SAT Act'র ১৫৭(২) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে যে, The Sylhet Tenancy Act, 1936 অনুসারেই সিলেট অঞ্চলের খতিয়ান প্রস্তুত করতে হবে।