বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩০ · ২,৫০১২,৬০০ / ২,৯৬৪

২,৫০১.
The Registration Act, 1908 এর কোন Section মোতাবেক স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তির নিবদ্ধন ২০০৪ সন থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. 16
  2. 17
  3. 17A
  4. 18
সঠিক উত্তর:
17A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17A
ব্যাখ্যা

Registration (Amendment) Act, 2004 -এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে-
বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই লিখিত, পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে এবং বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

২,৫০২.
মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে নিম্নের কোন আইনের অপরাধ জড়িত?
  1. মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
  2. এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২
  3. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

⇒ মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অপরাধ সরাসরি জড়িত। অতএব, সঠিক উত্তর ক)।

মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এবং মাদক অপরাধের সম্পর্ক:
- মানি লন্ডারিং হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ আয় হিসেবে প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
- মাদক অপরাধ (যেমন মাদক পাচার, বিক্রি, উৎপাদন) থেকে প্রাপ্ত অর্থ সাধারণত অবৈধ এবং এই অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মাদক দ্রব্য পাচার একটি "পূর্বশর্ত অপরাধ" (Predicate Offence) হিসেবে স্বীকৃত। অর্থাৎ, মাদক পাচারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে বা সম্পত্তি ক্রয় করে তা বৈধ করলে, তা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (UNODC) এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) মাদক অপরাধকে মানি লন্ডারিংয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
অন্যান্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
খ) এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড নিক্ষেপ, এসিড বহন বা এসিড সংক্রান্ত অন্যান্য অপরাধ (যেমন হত্যা, শারীরিক আঘাত) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এসিড অপরাধ সাধারণত ব্যক্তিগত শত্রুতা, সন্ত্রাস বা সামাজিক দ্বন্দ্বের সাথে জড়িত।
গ) ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫: এই আইনটি খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল বা অন্যান্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। ফরমালিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা খাদ্য সংরক্ষণে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি মাদক অপরাধের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না। ফরমালিন মাদক তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং এই আইন শুধুমাত্র খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত।
ঘ) উপরের কোনটিই নয়: এই অপশনটি ভুল, কারণ মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত।

সুতরাং, মাদক অপরাধ থেকে প্রাপ্ত অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অধীনে দণ্ডনীয়।
এসিড অপরাধ দমন আইন এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন মাদক অপরাধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২।

২,৫০৩.
SAT Act, 1950 এর ধারা ৩০(২) অনুযায়ী, কোন বিষয়ে সিভিল কোর্টে মামলা করা যাবে না?
  1. ঋণ চুক্তি
  2. জমি ক্রয়ের চুক্তি
  3. জমির মালিকানা পরিবর্তন
  4. রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত সংক্রান্ত আদেশ
ব্যাখ্যা
SAT Act, 1950 ধারা ৩০: সিভিল কোর্টের বিচারাধীন ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা-
(১) ধারা ১৭ অনুযায়ী যদি কোনো এলাকায় রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ দেয়া হয়, তাহলে সেই এলাকার কোনো ভাড়ার পরিবর্তন, প্রজার মর্যাদা, বা সম্পত্তির অধিকার-অধিকার সম্পর্কিত বিষয়ে সিভিল কোর্ট কোনো মামলা বা আবেদন গ্রহণ করবে না।
যদি আদেশের দিন যেকোনো সিভিল কোর্টে এমন মামলা চলমান থাকে, তবে তা আর চলবে না এবং অবসান ঘটবে।

ব্যাখ্যা: এখানে ‘মামলা’ শব্দের মধ্যে আপিলও অন্তর্ভুক্ত।

(২) এই অধ্যায়ের অধীনে রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধনের আদেশ, অথবা এর ফ্রেমিং, প্রকাশনা, স্বাক্ষর বা স্বীকৃতি বিষয়ক কোনো আদেশের বিরুদ্ধে সিভিল কোর্টে মামলা করা যাবে না।

(৩) কোনো সিভিল কোর্ট বা হাইকোর্টে জমি সম্পর্কিত মামলা, আপিল বা বিচার কোনোভাবেই রেকর্ড-অফ-রাইটস বা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের কাজকে বাধা দিতে পারবে না।
২,৫০৪.
According to The General Clauses Act, 1897 "Person" shall include-
  1. body of individuals
  2. association
  3. company
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Section 3(39) of The General Clauses Act,1897-

"Person" shall include any company or association or body of individuals, whether incorporated or not: 
"ব্যক্তি" বলিতে, নিগমিত হউক বা না হউক, কোন কোম্পানি বা সমিতি অথবা ব্যক্তি বিশেষের সমষ্টিকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।

• ব্যক্তি (Person) বলতে নিগমবদ্ধ (Incorporated) করা হউক বা না হউক, কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সমষ্টিকে বুঝায়। দণ্ডবিধির ১১ ধারার বিধান মতে 'ব্যক্তি' বলতে সমিতিভূক্ত হউক বা না হউক, যে কোন কোম্পানী বা সমিতি বা ব্যক্তি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হওয়া বুঝায়। মানুষ ছাড়াও কোম্পানী, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সমিতি, মাতৃগর্ভস্থ শিশু ইত্যাদিও ব্যক্তি হিসেবে আইনে স্বীকৃতি পায়।

Conforce Limited v. Titas Gas Transmission মামলায় বর্ণিত হয়েছে- "Person occuring in section 3(39) of General clauses Act, 1897 shall include any company or association or body of individuals whether incorporated or not."

একইভাবে Farzana Moazzem v. Security and Exchange Commission and others মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ 'ব্যক্তি' শব্দটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যে মন্তব্য করেন উহা উল্লেখযোগ্য। ঐ আদালতের ভাষায়-
"In view of Article 152(2) of the Constitution read with section 3(39) of the General Clauses Act, the word 'Person' in Article 102(2) (i) and (ii) of the Constitution would include a juristic person like a company."
২,৫০৫.
The Registration Act, 1908 অনুযায়ী উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিল রেজিস্ট্রি অফিসে কত বৎসরের অধিককাল পড়ে থাকলে তা ধ্বংস করা যেতে পারে?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিষ্ট্রেশন আইনের  ৮৫ ধারার বিধান দাবিকৃত নয় এরূপ দলিল নষ্ট করা: উইল ব্যতীত অন্যান্য দলিলপত্র কোন রেজিস্ট্রি অফিসে দুই বছরের অধিককাল অদাবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট করে ফেলা হবে।

⇒ অর্থাৎ উইল ছাড়া অন্য কোন দলিল দাবিবিহীন ২ বছরের বেশি সময় রেজিস্ট্রি অফিসে পড়ে থাকলে তা ধ্বংস বা নষ্ট হবে।
২,৫০৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারার অধীন চুক্তির আংশিক পালনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে
  2. মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারায় চুক্তির আংশিক পালন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চুক্তির আংশিক পালন মতবাদ প্রযোজ্য করতে হলে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে-
 
১. আংশিক সম্পাদন নীতি প্রয়োগের জন্য প্রথমত একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি থাকতে হবে।
২. এই চুক্তি অবশ্য স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে। অস্থাবর বা অন্য প্রকারের সম্পত্তি হলে চলবে না।
৩. এই চুক্তিটি মূল্যের বিনিময়ে বা উপযুক্ত প্রতিদানের বিনিময়ে হতে হবে। দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৪. এই চুক্তিটি লিখিত হতে হবে। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৫. হস্তান্তরকারী কর্তৃক বা তার উপযুক্ত প্রতিনিধি কর্তৃক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৬. হস্তান্তর গ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে।
৭. দখল গ্রহণ অবশ্য চুক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে। অর্থাৎ তার দখল চুক্তির সাথে আংশিক সম্পাদন হিসেবে গণ্য হতে হবে।
৮. চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তর গ্রহীতা তার নিজ দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করবে বা পালন করতে ইচ্ছুক থাকতে হবে।

৫৩ক ধারা- আংশিক সম্পাদন:

যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ
করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে,
সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।

তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না।
২,৫০৭.
সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আপীল বিভাগ কোনটি পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা রাখে?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. হাইকোর্ট বিভাগের ঘোষিত রায় বা আদেশ
  3. স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ব-বিভাগ ঘোষিত রায় বা আদেশ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ- আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা:
সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি-সাপেক্ষে আপীল বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকিবে।

Article 105- Review of judgments or orders by Appellate Division:
The Appellate Division shall have power, subject to the provisions of any Act of Parliament and of any rules made by that division to review any judgment pronounced or order made by it.

২,৫০৮.
মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুসারে, বাবার অনুপস্থিতিতে কাকে অভিভাবকত্ব দেওয়া হবে?
  1. মা
  2. আদালত
  3. দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
  4. সমাজের প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রচলিত আইন এবং মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুযায়ী অভিভাবকত্ব মূলত তিন ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
ক) নাবালকের জীবনের,
খ) সম্পত্তির এবং
গ) জীবন ও সম্পত্তি উভয়ের।

অভিভাবকত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ এ অভিভাবকত্ব ও জিম্মাকে আলাদাভাবে দেখানো হয়নি। যদিও মুসলিম শরিয়াহ আইনে বিষয় দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভিভাবত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ এর ধারা ৪(২) এ বলা হয়েছে, অভিভাবক বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যার উপর কোন নাবালকের শরীর, সম্পত্তি বা শরীর ও সম্পত্তি উভয়ের তত্বাবধানের ভার রয়েছে। এ আইনের ধারা ২৪ অনুযায়ী প্রতিপাল্যের শরীরের অভিভাবকের উপর অভিরক্ষা ন্যস্ত থাকবে। অর্থাৎ, অভিভাবক একইসাথে অভিভাবকত্ব এবং তত্বাবধান বা নাবালকের ও নাবালকের সম্পত্তির দেখাশুনা করবেন।

মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুযায়ী মা সন্তানের জিম্মা পাবেন তবে তিনি অভিভাবক হবেন না। অপরদিকে বাবা সন্তানের অভিভাবকত্ব একইসাথে জিম্মা লাভ করতে পারেন। তবে, বাবা যদি ওসিয়ত করে বা আদালত যদি ঘোষণা করে সেক্ষেত্রে মা অভিভাবক হতে পারে। অভিভাবকত্ব ও প্রতিপাল্য আইন, ১৯৮০ অনুযায়ী একমাত্র আদালতই পারে নাবালকের অভিভাবকত্ব ঘোষণা এবং নিয়োগ করতে। মুসলিম শরিয়াহ আইন অনুসারে বাবার অনুপস্থিতিতে দাদা বা পরিবারের অন্য পুরুষ অভিভাবকত্ব লাভ করবেন। তবে সন্তান জিম্মায় রাখার ক্ষেত্রে মা সব সময় প্রাধান্য পাবে।
২,৫০৯.
বিলম্বিত দেনমোহর প্রদানের প্রশ্ন কখন আসে?
  1. স্ত্রী যখন দাবী করে
  2. স্বামীর মৃত্যুর পর
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের পর
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]-
বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়। পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে। যেমন- যদি স্বামী মারা যান বা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, তখন স্ত্রী বিলম্বিত মোহর দাবি করতে পারেন।
২,৫১০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, কোন সম্পদের উপর কোনো মালিককে অধিকার প্রদান করা হয় না? 
  1. জমির উপরিভাগের ফসল
  2. জমিতে নির্মিত স্থাপনা
  3. জমির ভাড়া আদায়ের অধিকার
  4. খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১-এর প্রথম শর্তাংশে (প্রথম প্রভাইজো) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না।"
অর্থাৎ, এই আইন মালিককে খনিজ সম্পদ (যেমন: কয়লা, গ্যাস, তেল, অন্যান্য খনিজ) এবং ভূ-অভ্যন্তরীণ অন্যান্য সম্পদের অধিকার প্রদান করে না। এই অধিকার রাষ্ট্র সংরক্ষণ করে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

২,৫১১.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ দাখিলকৃত জারীর বিরুদ্ধে ৩য় পক্ষের আপত্তি দাখিলের ক্ষেত্রে ডিক্রিকৃত অর্থের কত ভাগের সমপরিমাণ জামানত দাখিল করতে হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২৫%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
ধারা ৩২- জারীর বিরুদ্ধে আপত্তি:

(১) অর্থ ঋণ আদালতের ডিক্রী বা আদেশ হইতে উদ্ভুত জারী মামলায় কোন তৃতীয় পক্ষ দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের বিধানমতে দাবী পেশ করিলে, আদালত প্রাথমিক বিবেচনায় উক্ত দাবী সরাসরি খারিজ না করিলে, ডিক্রীদার অনূর্ধ্ব ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহার বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি দায়ের করিয়া শুনানী দাবী করিতে পারিবেন। 
 
(২) উপরোক্ত মতে দাবী পেশ করিবার ক্ষেত্রে, দরখাস্তকারী, ডিক্রীকৃত অর্থের, অথবা ডিক্রীকৃত অর্থের আংশিক ইতিমধ্যে আদায় হইয়া থাকিলে অনাদায়ী অংশের, ১০% এর সমপরিমাণ জামানত বা বন্ড দাখিল করিবে, এবং অনুরূপ জামানত বা বন্ড দাখিল না করিলে উক্ত দাবী অগ্রাহ্য হইবে।
 
(৩) অর্থ ঋণ আদালত, উপ-ধারা (১) এর অধীনে কোন দাবী বিবেচনার্থ গ্রহণ করিলে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে লিখিত আপত্তি দাখিল হওয়ার ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিবে এবং কোন কারণে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে উহা নিষ্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে, কারণ লিপিবদ্ধ করতঃ, উক্ত সময়সীমা অনূর্ধ্ব আরো ৩০ (ত্রিশ) দিবস বর্ধিত করিতে পারিবে। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন দাখিলকৃত লিখিত আপত্তি নিষ্পন্ন করিয়া আদালত যদি অবধারণ করিতে পারে যে, উপ-ধারা (১) এর অধীন দাবী সম্বলিত দরখাস্তটি ডিক্রীদারের পাওনা বিলম্বিত বা প্রতিহত করিবার অসাধু উদ্দেশ্যে দায়ের করা হইয়াছিল, তাহা হইলে আদালত উক্ত দরখাস্ত খারিজ করিবার সময় একই আদেশ দ্বারা উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত জামানত বা বন্ড বাজেয়াপ্ত করিবে এবং ডিক্রীকৃত টাকা যে পদ্ধতিতে আদায় করা হয়, বাজেয়াপ্ত জামানত বা বন্ডের অধীন টাকা একই পদ্ধতিতে আদালত আদায় করিবে এবং আদায়কৃত অর্থ ডিক্রীদারকে প্রদান করিবে।
২,৫১২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ এপ্রিল ২০০২
  2. ১০ এপ্রিল ২০০২
  3. ১৫ এপ্রিল ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি ২০০৩
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল ২০০২
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইন ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি আইনটি প্রণয়নের তারিখ বা সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির তারিখ হিসাবে বিবেচ্য।
- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা ১০ এপ্রিল ২০০২ তারিখে কার্যকর হয়।
- আইনটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (যেমন: চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে বাধা, সম্পত্তি ধ্বংস, ছিনতাই, সন্ত্রাসী তৎপরতা ইত্যাদি) দ্রুত বিচার করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা।
আইনের ধারা ১(১) এ আইনের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং ধারা ১(২) এ কার্যকর হওয়ার তারিখ দেওয়া আছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ১০ এপ্রিল ২০০২।

২,৫১৩.
মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত কয় শ্রেণির?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
উইল বা অছিয়ত: 
মুসলিম আইনে উইলকে অছিয়ত বলা হয়েছে । উইলের আরবী প্রতিশব্দ ওয়াসিয়াত । এর অর্থ ভার অর্পণ, নিদেশ, উপদেশ মিলানো বা কোন জিনিস অন্যদের পর্যন্ত পৌছানো। মৃত্যুকালে কিংবা মুত্যুর আগে পরের জন্য নিজ মালিকানার কিছু অংশ নিস্বাথভাবে কাউকে দান করার নাম ওসিয়ত বা উইল।

মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত মূলত তিন শ্রেণির:

১. সাদাকাতুল ফিতর বা জাকাত: এটি বার্ষিক আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যা প্রতিটি মুসলিম পরিবারের জন্য বাধ্যতামূলক। এটি গরীবদের সাহায্য করার জন্য দেওয়া হয়।
২. সাদাকাতুন্নাফল বা ধর্মীয় দান: এটি স্বেচ্ছামূলক দান যা মুসলিমদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ওয়াকফ: এটি স্থায়ী অনুদান যা সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। জমি, অর্থ বা অন্য সম্পদ ওয়াকফ করা যায়।
২,৫১৪.
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ বা নকল করলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৮১- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে ত্রুটিপূর্ণভাবে দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কনকরণ, নকলকরণ, অনুবাদকরণ বা নিবন্ধীকরণের শাস্তি:
এই আইনের অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রত্যেক নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা এবং, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, তাহার কার্যালয়ে এই আইনের বিধানাবলির অধীন দাখিলকৃত বা জমাকৃত কোন দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কনকরণ, নকলকরণ, অনুবাদকরণ বা নিবন্ধীকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি যদি দণ্ডবিধিতে সংজ্ঞায়িত অর্থে কোন ব্যক্তির ক্ষতি করিবার অভিপ্রায়ে বা ক্ষতি হইতে পারে জানিয়া উক্তরূপ কোন পদ্ধতিতে কোন দলিলের পৃষ্ঠাঙ্কন, নকল, অনুবাদ বা নিবন্ধন করেন যাহা তিনি ত্রুটিপূর্ণ বলিয়া জ্ঞাত আছেন বা বিশ্বাস করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৭ (সাত) বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

⇒ "ক্ষতি (injury)" শব্দটি, বেআইনিভাবেই হউক বা না হউক, কোন ব্যক্তির দেহ, মন, সুনাম বা সম্পত্তিতে সংঘটিত ক্ষতিকে নির্দেশ করে (দণ্ডবিধির ধারা ৪৪ দ্রষ্টব্য)।
২,৫১৫.
দেবোত্তর সম্পত্তির আইনি মালিক কে?
  1. দানকারী
  2. সেবায়েত
  3. বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
  4. মন্দির কমিটি
সঠিক উত্তর:
বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ্রহ বা দেবমূর্তি
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: গ) বিগ্রহ বা দেবমূর্তি।

- দেবোত্তর সম্পত্তির আইনি মালিক হলো বিগ্রহ বা দেবমূর্তি। এটি আইনের দৃষ্টিতে একটি বৈধ আইনি সত্তা বা জুডিশিয়াল পারসন হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অর্থাৎ, দেবতার উদ্দেশ্যে দান করা সম্পত্তির আইনি মালিক সেই দেবতা বা বিগ্রহ।
- যদিও দেবতার পক্ষে সম্পত্তি পরিচালনা করার ক্ষমতা নেই, তাই দেবতার সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব সেবায়েত এর উপর থাকে।
- সেবায়েত দেবতার প্রতিনিধির মতো কাজ করেন, তবে তিনি দেবতার আইনি মালিকানা ধারণ করেন না, সেটি বরং বিগ্রহ বা দেবমূর্তি এরই থাকে।
২,৫১৬.
'ইসতিহসান' কী নির্দেশ করে?
  1. সর্বাধিক কঠিন সমাধান গ্রহণ করা
  2. পূর্ববর্তী সমাধান প্রত্যাখ্যান করা
  3. সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
  4. ব্যক্তিগত মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য সমাধান গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
ইসতিহসান:
'ইসতিহসান' অর্থ সমর্থন বা অনুমোদন। এ শব্দটি 'কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। ইসলামী আইনের অপ্রধান উৎসগুলোর মধ্যে ইমাম আবু হানিফা একেও একটি উৎসরূপে গণ্য করেন। কোন নির্দিষ্ট সমস্যার একাধিক সমাধান থাকলে তখন ইসলামী আইনজ্ঞগণ সর্বাধিক গ্রহণীয় যে সমাধান গ্রহণ করেন তা হলো ইসতিহসান।

যখন কতিপয় আইন কোনো ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হয় এবং প্রযোজ্য বলে প্রতীয়মান হয়, তখন দুর্বলভিত্তিক আইনের ওপর দৃঢ়ভিত্তিক আইন প্রাধান্য লাভ করবে এবং সমর্থনীয় বা অনুমোদনযোগ্য হবে, এটাই 'ইসতিহসান। এখানে দুর্বলভিত্তিক আইন বলতে কোরআন ও হাদিসের তুলনায় দুর্বলভিত্তিক 'ইজমা' বা কিয়াসের আইনকে বুঝানো হয়েছে। কোরআন এবং হাদিস হলো দৃঢ়ভিত্তিক আইন। ইসতিহসান দ্বারা কিয়াস প্রত্যাখ্যান এবং যুক্তিযুক্ততার আইনকে সমর্থন করা বুঝায়।

যে নীতির বলে আইনবিদগণ তাদের ব্যক্তিগত বিচার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করতে পারেন, সে নীতিকেই হানাফীগণ ইসতিহসান বলে। তাদের মতে কিয়াসভিত্তিক আইন অভ্রান্ত নয়। এমনকি ইজমাকেও অভ্রান্ত বলা যায় না। প্রয়োজনবোধে ঐগুলোর পরিবর্তে স্বাধীন বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করাই ইসতিহসানের মূল মর্ম। হানাফীগণ বলেন যে, ইসতিহসানও এক প্রকার কিয়াস, তবে কিয়াস অপেক্ষা ইসতিহসানের এখতিয়ার ব্যাপক।
২,৫১৭.
No appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than ______ per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
  1. 5
  2. 10
  3. 30
  4. 50
সঠিক উত্তর:
50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881

Section 138A- Restriction in respect of appeal:

Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

অর্থাৎ ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
২,৫১৮.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কোন ধারানুযায়ী Additional Special Tribunal গঠন করা হয়?
  1. ২৫গ
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।

-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।

- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
----------------------------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:

(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.
২,৫১৯.
স্বাভাবিক অভিভাবক কোন ক্ষেত্রে নাবালকের সম্পত্তির হস্তান্তর করতে পারে?
  1. আইনসঙ্গত প্রয়োজনীয় কারণে
  2. নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে
  3. ক ও খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
স্বাভাবিক অভিভাবক আইনসঙ্গত প্রয়োজনীয় কারণে অথবা নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে নাবালকের সম্পত্তি হস্তান্তর অথবা দায়বদ্ধ করতে পারে। আইনসঙ্গত কারণ এবং নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থে বলিতে কি বুঝায় তাহার বিশদ আলোচনা আছে প্রিভি কাউন্সিলে উত্থাপিত হনুমান প্রসাদ বনাম মুসাম্মত বাবুই নামক অনুসরণীয় মামলায়। যদি কোন স্বাভাবিক অথবা কার্যতঃ অভিভাবক আইনসঙ্গত প্রয়োজন অথবা নাবালকের সম্পত্তির মঙ্গলার্থ ব্যতীত নাবালকের স্বার্থের পরিপন্থী অন্য কোন কারণে নাবালকের পক্ষে তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তবে নাবালক সাবালকয়য়ে তিন বৎসরের মধ্যে এই প্রকার হস্তান্তর রদের জন্য মামলা করতে পারে।

আদালতের নিযুক্তীয় অভিভাবক নাবালকের পক্ষে হস্তান্তর করতে হলে, আদালতের আগাম অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি দেয়ার সময় হস্তান্তরের আইনত প্রয়োজন আছে কিনা এবং প্রস্তাবিত হস্তান্তর নাবালকের সম্পত্তির হিতার্থে হবে কিনা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করে আদালত অনুমতি দেন আর সেই কারণেই এইসব হস্তান্তর সাধারণত নাবালক সাবালক হয়ে রদ করতে পারে না। তবে আদালত হইতে যদি প্রতারণামূলকভাবে অনুমতি নেয়া হয়ে থাকে, তবে সেই ক্ষেত্রে হস্তান্তর রদের মামলা চলতে পারে।
২,৫২০.
Presumption as to correctness of record of rights সংক্রান্ত বিধানটি The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. 144
  2. 144A
  3. 144B
  4. 145B
সঠিক উত্তর:
144A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
144A
ব্যাখ্যা
Section 144A: Presumption as to Correctness of Record of Rights

খতিয়ানের বিশুদ্ধতার অনুমান বা Presumption as to correctness of record of rights' শিরোনামে ১৪৪ক ধারার অধীন প্রণীত এবং পরিমার্জিত খতিয়ানে প্রত্যেকটি বিষয়ের লিখন অনুরূপ লিখনে বর্ণিত বিষয়ের সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সাক্ষ্য প্রমাণ দ্বারা অশুদ্ধ প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত পরিশুদ্ধ বলে Presumption বা অনুমান করা হবে।
২,৫২১.
সংবিধান সংশোধন বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পর কতদিনের মধ্যে তিনি সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪২- সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
(ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে,
(অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না;
(আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না;

(খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৫২২.
Persona-non-grata কোন শ্রেণির ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. রাজনীতিবিদ
  2. ক্রীড়াবিদ
  3. ব্যবসায়ী
  4. কূটনীতিক
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কূটনীতিক
ব্যাখ্যা
- Persona-non-grata একটি Latin Term আক্ষরিক অর্থ Unwelcomed Person বা অবাঞ্চিত/অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।
- Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।
- দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয়, তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং এটি কূটনীতিক শ্রেনির ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অগ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক প্রতিনিধি বা Persona-non-grata হলো এমন একজন কূটনীতিক প্রতিনিধি যিনি আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের নিকট অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধি এবং এই ক্ষেত্রে প্রেরক রাষ্ট্র উক্ত অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে ফেরত নেওয়া উচিত।
- যদি না করে, তাহলে আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্র উক্ত কূটনীতিক প্রতিনিধিকে অগ্রাহ্য করতে বা বহিষ্কার করতে পারে।
২,৫২৩.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক : আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ১৪৩ : প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল।
অনুচ্ছেদ ১৪৬ : বাংলাদেশের নামে মামলা।
২,৫২৪.
The functions relating to Local Government include-
  1. maintenance of public order
  2. preparation and implementation of plans relating to public services
  3. preparation and implementation of plans relating to economic development
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
all of above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
all of above
ব্যাখ্যা
Article 59: Local government

(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law. 

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to – 
(a) administration and the work of public officers; 
(b) the maintenance of public order; 
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.

অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন
 
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
২,৫২৫.
বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মালিকানা হস্তান্তরের পর সম্পত্তির উপর সরকারি কর ও সুদের দায় কে বহন করবে?
  1. ক্রেতা
  2. বিক্রেতা
  3. উভয়েই সমানভাবে
  4. বিক্রেতা বা তার মনোনীত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতা
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882, ধারা ৫৫(৫)- ক্রেতা নিম্নলিখিত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য:
(ক) যদি কোনো তথ্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে তার অধিকার বা স্বার্থের প্রকৃতি বা পরিসরের সাথে সম্পর্কিত হয়, এবং যদি ক্রেতা সেই তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকে কিন্তু বিশ্বাস করে যে বিক্রেতা তা জানেন না, এবং সেই তথ্য বিক্রেতার স্বার্থের মূল্য অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় — তাহলে ক্রেতার দায়িত্ব সেই তথ্য বিক্রেতাকে জানানো।

(খ) নির্ধারিত সময় ও স্থানে বিক্রয় সম্পন্ন করার সময়, ক্রেতা ক্রয়মূল্য বিক্রেতা বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে প্রদান বা দান করতে বাধ্য; তবে যদি সম্পত্তিটি দায়মুক্ত অবস্থায় বিক্রি হয়, তাহলে ক্রেতা বিদ্যমান দায় (incumbrance) বাবদ কিছু অর্থ কেটে রাখতে পারে এবং তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পরিশোধ করবে।

(গ) যদি মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয়ে যায়, তবে সম্পত্তির ধ্বংস, ক্ষতি, বা মূল্যে পতনের জন্য- যা বিক্রেতা দ্বারা ঘটিত নয়- সেই ক্ষতির দায় ক্রেতার।

(ঘ) যদি মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয়, তাহলে ক্রেতা সরকারি কর, খাজনা, এবং যেকোন দায়-দেনা বা সুদ পরিশোধ করতে বাধ্য, যা বিক্রির তারিখে বিদ্যমান ছিল এবং পরবর্তীতে প্রযোজ্য হয়।
২,৫২৬.
কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা কোন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. সালিশ আইন, ২০০১
  3. আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশ আইন, ২০০১
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে

⇒ তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।

Section 89B- Arbitration:
(1) If the parties to a suit, at any stage of the proceeding, apply to the Court for withdrawal of the suit on ground that they will refer the dispute or disputes in the suit to arbitration for settlement, the Court shall allow the application and permit the suit to be withdrawn; and the dispute or disputes, thereafter, shall be settled in accordance with Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001) so far as may be applicable:
 
Provided that, if, for any reason, the arbitration proceeding referred to above does not take place or an arbitral award is not given, the parties shall be entitled to re-institute the suit permitted to be withdrawn under this sub-section. 
 
(2) An application under sub-section (1) shall be deemed to be an arbitration agreement under section 9 of the Salish Ain, 2001 (Act No. 1 of 2001).
২,৫২৭.
কোনো কোম্পানি Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার অধীনে অপরাধ করলে, কারা দায়ী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র ব্যবস্থাপক
  3. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
  4. কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই।

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।
২,৫২৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে জরুরি অবস্থা জারির বিধান সংযোজন করা হয়েছিল?
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।
২,৫২৯.
নিচের কোন আইনে সরাসরি Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
  2. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান উল্লিখিত প্রশ্নের নিম্নলিখিত আইনগুলোতে রয়েছে:
- অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ – এই আইনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে ADR-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ – এই আইনের ধারা ১১ ও ১৪-তে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ADR পদ্ধতির বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ – ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী আদালতের সহায়তায় মধ্যস্থতা, সালিশ, সমঝোতার মাধ্যমে ADR বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সাধারণভাবে Alternative Dispute Resolution (ADR) সংক্রান্ত কোনো স্পষ্ট বা সরাসরি বিধান নেই।
- কারণ এটি মূলত অপরাধ সংক্রান্ত বিচারপ্রক্রিয়া পরিচালনা করে। কিছু ক্ষেত্রে আপস (compounding of offences) করার সুযোগ থাকলেও তা ADR নয়, বরং আইনসিদ্ধ নির্দিষ্ট আপসযোগ্য অপরাধের একটি সীমিত ক্ষেত্র।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এ যেসব অপরাধ আপসযোগ্য, এটি ADR নয়, বরং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার অংশ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮।
২,৫৩০.
হোল্ডিং ওভার (Holding over) কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধক
  2. ইজারা
  3. ট্রাস্ট
  4. দান
সঠিক উত্তর:
ইজারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইজারা
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১৬ ধারায় হোল্ডিং ওভার (Holding Over) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে; যা ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৬ ধারার বিধান: মেয়াদ পরবর্তী দখলের প্রতিক্রিয়া:
যদি কোন সম্পত্তির ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতা ইজারার মেয়াদ পরিসমাপ্তির পরও ইজারা সম্পত্তিতে দখল বজায় রাখে এবং ইজারাদাতা বা তার আইনগত প্রতিনিধি ইজারাগ্রহীতা বা নিম্ন ইজারাগ্রহীতার নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে বা দখল বহাল রাখবার জন্য অন্য কোন ভাবে সম্মতি প্রদান করে, তাহলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে যে উদ্দেশ্যে ঐ সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হয়েছে সেই উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে ১০৬ ধারা অনুযায়ী এই ইজারা বছর হতে বছরে বা মাস হতে মাসে নবায়িত হবে।
২,৫৩১.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি কোন আইনে উল্লেখ রয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. শিশু আইন,২০১৩
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-

‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
২,৫৩২.
'Doctrine of Severability' অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলির সাথে কোন আইনের-
  1. যতটুকু অংশ অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু বাতিল হবে
  2. যতটুকু অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু কার্যকর থাকবে
  3. অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে, সম্পূর্ণ আইন কার্যকর থাকবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
Meaning of Doctrine of Severability-
The doctrine of severability deals with situations when some parts of a law or statute are found to be unconstitutional due to a conflict with fundamental rights. In such cases, only the conflicting or repugnant part of the law will be considered void by the courts, not the entire statute. It is also called the doctrine of severability.
Article 26 of the Bangladesh Constitution directly impediment this Doctrine for the Part III (Fundamental Rights) of the Constitution.

অর্থাৎ 'Doctrine of Severability' অনুযায়ী-
মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিধানাবলীর সাথে কোন আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ ততখানি বাতিল হবে, যদি অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ  অংশ হতে পৃথক করা যায়। কিন্তু অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ সামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ হতে পৃথক করা সম্ভব না হলে সম্পূর্ণ আইনটি বাতিল হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসামঞ্জস্য আইন বাতিল
(১) এই ভাগের বিধানাবলীর সহিত অসমঞ্জস সকল প্রচলিত আইন যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, এই সংবিধান-প্রবর্তন হইতে সেই সকল আইনের ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(২) রাষ্ট্র এই ভাগের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস কোন আইন প্রণয়ন করিবেন না এবং অনুরূপ কোন আইন প্রণীত হইলে তাহা এই ভাগের কোন বিধানের সহিত যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইয়া যাইবে। 
(৩) সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত সংশোধনের ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই প্রযোজ্য হইবে না।

Article 26: Laws inconsistent with fundamental rights to be void
(1) All existing law inconsistent with the provisions of this Part shall, to the extent of such inconsistency, become void on the commencement of this Constitution. 
(2) The State shall not make any law inconsistent with any provisions of this Part, and any law so made shall, to the extent of such inconsistency, be void. 
(3) Nothing in this article shall apply to any amendment of this Constitution made under article 142.
২,৫৩৩.
ইজমা কী?
  1. কোন বিষয় নিয়ে ইসলামি আইনবিদদের মতবিরোধ
  2. কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
  3. নতুন কোনো বিষয় নিয়ে কুরআন বা হাদিসের ব্যাখ্যা
  4. কোন বিষয়ের উপর আলাদা আইন প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) কোন বিষয়ের উপর ইসলামি আইনবিদদের ঐক্যমত।

⇒ ইজমা ইসলামের আইনসম্মত ঐক্যমতের ধারণাকে বোঝায়, যা মুসলিম আইনবিদদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে পৌঁছানোর সম্মতি। এটি ইসলামি আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- যখন কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কুরআন বা হাদিসে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকে, তখন ইসলামী আইনবিদেরা তাদের মধ্যে আলোচনা করে ঐক্যমত পৌঁছান, এবং এই ঐক্যমতই ইজমা হিসেবে গণ্য হয়।
- ইজমা সাধারণত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পর যেকোনো সময়ে হতে পারে, এবং এটি কুরআন ও হাদিসের পরবর্তী উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
২,৫৩৪.
ধারা ৩০ অনুসারে, একই দলিলে পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী হস্তান্তর থাকলে এবং পরবর্তী হস্তান্তর বাতিল হলে-
  1. পূর্ববর্তী হস্তান্তরও বাতিল হয়ে যাবে
  2. পূর্ববর্তী হস্তান্তর স্থগিত থাকবে
  3. উভয় হস্তান্তরই স্থগিত থাকবে
  4. পূর্ববর্তী হস্তান্তর প্রভাবিত হয় না
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী হস্তান্তর প্রভাবিত হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববর্তী হস্তান্তর প্রভাবিত হয় না
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০- পরবর্তী হস্তান্তর অকার্যকর হলেও পূর্ববর্তী হস্তান্তর অকার্যকর হয় না (Prior disposition not affected by invalidity of ulterior disposition):
যদি পরবর্তী হস্তান্তর বৈধ না হয়, তবে পূর্ববর্তী হস্তান্তর এতে প্রভাবিত হবে না।

উদাহরণ (Illustration) -
A একটি খামার B-কে তার জীবনকাল পর্যন্ত দিলেন এবং শর্ত রাখলেন -"যদি সে (B) তার স্বামীকে পরিত্যাগ না করে, তাহলে খামারটি পরে C-কে দেওয়া হবে।"
এখানে, যদি এই শর্তটি (স্বামীকে পরিত্যাগ না করা) বা C-কে হস্তান্তরের অংশটি আইনত অকার্যকর হয়, তবুও B তার জীবনকাল পর্যন্ত খামার ভোগ করার অধিকার পাবে, যেন এই শর্তটি ছিলই না।

অর্থাৎ, শর্তযুক্ত বা পরবর্তী যে অংশটি ভবিষ্যতে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, তা যদি কোনো কারণে বাতিল বা অকার্যকর হয়ে যায়, তাহলে যেটি আগেই কার্যকর হয়েছে বা হওয়ার কথা — সেটি তবুও বৈধ ও বহাল থাকে। এই নিয়মটি সম্পত্তি হস্তান্তরের ধারাবাহিকতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ন্যায্যতার নীতি (principle of equity) বজায় রাখে।
২,৫৩৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০- এ ডিএনএ পরীক্ষার ক্ষেত্রে কার অনুমতি আবশ্যক?
  1. ট্রাইব্যুনালের
  2. চিকিৎসকের
  3. পরীক্ষিত ব্যক্তির
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ক অনুযায়ী,
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষা করা যেতে পারে। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো- তদন্তে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যতা যাচাই এবং অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি থাক বা না থাক, তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি মামলার ঘটনা ও প্রেক্ষাপট বিচার করে মনে করেন যে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা এর বিধান অনুযায়ী তা করতে পারেন।

তবে, এই পরীক্ষার আগে ট্রাইব্যুনাল বা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমোদন নিয়েও ডিএনএ পরীক্ষা না করেন, তবে তাকে কেন পরীক্ষা করা হয়নি, সেই কারণ এবং অনুমোদনের বিস্তারিত তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

ধারা ৩২ক-এর উপধারা (২) অনুসারে, যদি এই আইনের অধীনে সংঘটিত ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়, তাহলে সেই পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল যত দ্রুত সম্ভব তদন্তকারী কর্মকর্তা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
২,৫৩৬.
“Inter vivos” হস্তান্তর বলতে কী বোঝায়?
  1. ব্যক্তি মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর
  3. জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর
  4. শুধুমাত্র মুসলিম আইনের অধীনে সম্পত্তি হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

⇒ "Inter vivos" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ "জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে" (between living persons)।
- সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুযায়ী, Inter vivos হস্তান্তর হলো একজন জীবিত ব্যক্তি বর্তমান বা ভবিষ্যতে তার সম্পত্তি অন্য একজন বা একাধিক জীবিত ব্যক্তির কাছে বা নিজেকে এবং এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা।
- এই ধারণাটি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫-এ সংজ্ঞায়িত হয়েছে।
- এটি উইল বা মৃত্যুর পর হস্তান্তরের (testamentary transfer) বিপরীত।
- উদাহরণ: বিক্রয়, দান, বন্ধক, লিজ/ইজারা।
সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর।

২,৫৩৭.
A, B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু তামাদি আইনে পরিশোধের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়। এই চুক্তি-
  1. বৈধ
  2. অবৈধ
  3. বাতিল
  4. বাতিলযোগ্য
সঠিক উত্তর:
বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ
ব্যাখ্যা

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫(৩) অনুসারে, 
যদি কেউ লিখিতভাবে এবং স্বাক্ষর করে প্রতিশ্রুতি দেয় যে, সে ঋণের পুরো বা আংশিক অর্থ পরিশোধ করবে, যা সাধারণভাবে ঋণদাতা আদালতের মাধ্যমে আদায় করতে পারত যদি Limitation Act-এ বাধা না থাকত, সেই চুক্তিটি বৈধ চুক্তি (valid contract) হিসাবে গণ্য হবে।

Illustration (e) অনুযায়ী:
A B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু Limitation Act-এর কারণে আদায় করা সম্ভব নয়। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়। → এটি চুক্তি (contract) হিসেবে বৈধ।

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৫- প্রতিদান ছাড়া চুক্তি (Agreement without consideration):
যে কোনো চুক্তি প্রতিদান ছাড়া করা হয়, তা সাধারণভাবে অবৈধ (void)। কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, এমন চুক্তি বৈধ হতে পারে।

যে ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়া চুক্তি বৈধ:
১/ লিখিত ও নিবন্ধিত চুক্তি এবং প্রাকৃতিক ভালোবাসা/সম্পর্কের কারণে: 
যদি চুক্তি লিখিতভাবে প্রকাশিত হয় এবং নিবন্ধিত হয়, এবং তা প্রকৃত প্রাকৃতিক ভালোবাসা বা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে করা হয় (যেমন বাবা–ছেলের মধ্যে), তবে চুক্তিটি বৈধ।

২/ ইতিমধ্যেই করা কাজের জন্য প্রতিদান:
যদি কেউ ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কোনো কাজ করেছে এবং অন্য পক্ষ তার প্রতিদান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, অথবা যদি সেই কাজ আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক ছিল, তবে চুক্তিটি বৈধ।

৩/ প্রতিদান ছাড়া ঋণ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি:
যদি কেউ লিখিতভাবে এবং স্বাক্ষরিতভাবে বলে যে, সে বাকি থাকা ঋণ (যা আদালতের মাধ্যমে পরিশোধের সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে) পরিশোধ করবে, তবে চুক্তিটি বৈধ।

ব্যাখ্যা:
উপহার (Gift) সম্পর্কিত ব্যাখ্যা: এই ধারা কোনো উপহারের বৈধতা প্রভাবিত করে না। অর্থাৎ দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বাস্তব উপহার বৈধ থাকে।

প্রতিদানের পর্যাপ্ততা না থাকা:
যদি প্রতিদান কম হয়, তবুও চুক্তি বৈধ হতে পারে যদি প্রত্যেক পক্ষের সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়। আদালত পর্যবেক্ষণ করতে পারে যে, কম প্রতিদান থাকার কারণে সম্মতি সত্যিই স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়েছে কি না।

উদাহরণ (Illustrations):
(a) A B-কে ১,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কোনো প্রতিদান ছাড়াই- অবৈধ চুক্তি।
(b) A তার ছেলে B-এর জন্য ভালোবাসা ও স্নেহের কারণে লিখিত ও নিবন্ধিতভাবে ১,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(c) A B-এর হারানো পয়সার ব্যাগ খুঁজে B-কে দেয়। B A-কে ৫০ টাকা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়- বৈধ চুক্তি।
(d) A B-এর শৈশবকালীন সন্তানকে দেখাশোনা করে। B A-কে খরচ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(e) A B-এর কাছে ১,০০০ টাকা ঋণী, কিন্তু সময়সীমা শেষ। A লিখিতভাবে ৫০০ টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয়- বৈধ চুক্তি।
(f) A ১,০০০ টাকার ঘোড়া ১০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়। A-এর সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া। 
- বৈধ চুক্তি, প্রতিদানের কমতা থাকা সত্ত্বেও।
(g) A ১,০০০ টাকার ঘোড়া ১০ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়। কিন্তু A দাবি করে সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়নি। আদালত বিবেচনা করবে, কম প্রতিদান থাকার কারণে সম্মতি স্বতঃসিদ্ধভাবে দেওয়া হয়েছে কি না।

২,৫৩৮.
যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১/৮ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৩ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পিতা (বাবা) একজন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। 
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, যার অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে এবং তাকে কখনই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করা যায় না।
পিতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পত্তির অংশ পেতে পারেন।

⇒ পিতার তিনটি অবস্থা:
(ক) ১/৬ অংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাবেন এবং বাকি অবশিষ্ট সম্পত্তি তিনি আসাবা (Asaba) হিসেবে পাবেন।
কারণ: পিতা আংশিক অংশীদার হলেও, বাকি সম্পত্তি আসাবা হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হন। অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির বাকী অংশ ভোগ করবেন।

(গ) অবশিষ্টাংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান ও অন্য কোনো আসাবা না থাকে, তবে পিতা সম্পূর্ণ সম্পত্তি পাবেন।
কারণ: কোনো অংশীদার বা আসাবা না থাকলে, পিতা আসাবা হিসেবে পুরো সম্পত্তি পেয়ে যাবেন।
২,৫৩৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে আসামির নিকট হতে ২৫টি ক্যানাবিস গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান-
  1. অন্যূন ৩ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১৫ বছর
  2. অন্যূন ২ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১০ বছর
  3. অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
  4. কোনটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে- ২৫টি ক্যানাবিস (গাঁজা) গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান ছিল অন্যূন ৬ মাস এবং অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড।

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ প্রণীত হয়। বর্তমানে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে বিধান এই আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে,
গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।
২,৫৪০.
Extinguishment of interest of Raiyats in certain cases- বিধানটি The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. 89
  2. 90
  3. 92
  4. 95A
সঠিক উত্তর:
92
উত্তর
সঠিক উত্তর:
92
ব্যাখ্যা
Section 92: Extinguishment of interest of raiyats in certain cases:

The State Acquistion and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-

(ক) উত্তরাধিকারী না রেখে বা সম্পত্তির জন্য কোনো প্রকার উইল সম্পাদন না করে কোনো জোতের বা হোল্ডিং এর মালিক বা রায়ত মারা গেলে।

(খ) রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট জোত সমর্পণ করলে।

(গ) বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করে স্বেচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে বা যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত নিজে বা তার পরিবারের সদস্যগণ দ্বারা বা কর্মচারীগণ দ্বারা অথবা শ্রমিক দ্বারা অথবা বর্গাদারের সাহায্যে একনাগাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত তার জোত চাষাবাদ হতে বিরত থাকে।

(ঘ) যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো ভূমির স্বত্ব পেয়ে থাকে, যে নিজে খাঁটি চাষী নয় ও যে নিজে অথবা তার পরিবারের লোকজন, কর্মচারী বা বর্গাদারগণের সহায়তায় এক নাগাড়ে ৫ বছর চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হয়।
২,৫৪১.
চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে, কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে?
  1. কৃষিকাজ
  2. শিল্প উৎপাদন
  3. বসবাস
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ

কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
⇒ কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।

Section 106: Duration of certain leases in absence of written contract or local usage
In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
২,৫৪২.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হলে-
  1. অতিরিক্ত কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  2. শুধুমাত্র ২৫(পঁচিশ) বিঘা কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  3. সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
  4. পাঁচশত টাকা উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমি উন্নয়ন কর আইন, ২০২৩ এর ৩ ধারার বিধান: কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
২,৫৪৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ধর্ষণের ফলে জন্মলাভকারী শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. ধর্ষণকারী পিতা
  2. আদালত
  3. রাষ্ট্র
  4. মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
 
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
২,৫৪৪.
'Juficis Est jus Dicere Non Dare' বলতে কী বোঝায়?
  1. It is for the judge to administer, not to make laws
  2. To a judge exceeding his office, there is no obedience.
  3. It is the duty of the judge to finish the work of each day within that day
  4. A right cannot arise out of wrong doing.
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It is for the judge to administer, not to make laws
ব্যাখ্যা
"Judicis Est Jus Dicere Non Dare"

"Judicis Est Jus Dicere Non Dare" ম্যাক্সিমের অর্থ হলো-
It is the function of a judge is "Jus decere" and not "Jus dare". That means to interpret the law and not to make.

অর্থাৎ, বিচারকদের দায়িত্ব হলো আইনের ব্যাখ্যা দান করা, আইন প্রণয়ন করা নয়। 

উল্লেখ্য, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদে এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
২,৫৪৫.
হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. শ্ৰুতি
  2. স্মৃতি
  3. প্রথা
  4. নিবন্ধ
সঠিক উত্তর:
শ্ৰুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্ৰুতি
ব্যাখ্যা

• হিন্দু আইনের মূল উৎস ৪টি। যথা-

বেদ বা শ্ৰুতি:
অতি প্রাচীনকালে দেবতাগণ প্রত্যক্ষভাবে যা বলেছিলেন ও তৎকালে মুনিগণ যা শুনেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা মুনিবর কৃষ্ণদ্বৈপায়ন কর্তৃক সংকলিত হয় তাই বেদ। ঋক বেদ, যজু বেদ, সাম বেদ ও অথর্ব বেদ এই চারটি বেদকে একত্রে শ্রুতি শাস্ত্র বলা হয়। বেদ বা শ্ৰুতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মূল ভিত্তি।

স্মৃতি:
প্রাচীনকালে মানুষের পালনীয় ঐশ্বরিক নির্দেশাবলি যা আর্য ঋষিগণ গুরু শিষ্য পরম্পরায় আবৃত্তি আকারে স্মরণে রেখেছিলেন, যা পরবর্তীকালে মুনিগণ গ্রন্থ আকারে সংকলিত করেন ইহাই স্মৃতি শাস্ত্ৰ বা সংহিতা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা বা নিবন্ধ:
ধর্মীয় অনুশাসনে বিভিন্ন স্মৃতির মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে ব্যাখ্যার উদ্ভব হয়। আঞ্চলিক রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে পণ্ডিতগণ নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে প্রাচীন আইনের সংশোধন করে থাকেন। ব্যাখ্যাসমূহের মধ্যে দুটি মতবাদই অনুসরণ করা হয়ে থাকে-
(১) মিতক্ষরা মতবাদ,
(২) দায়ভাগ মতবাদ।

প্রথা:
ইহা এমন রীতি যা দেশ, অঞ্চল বা মহল্লায় প্রচলিত থাকাকালে আইনের যোগ্যতা অর্জন করেছে। আদালত কর্তৃক হিন্দু প্রথাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) স্থানীয় প্রথা,
(২) শ্রেণী প্রথা,
(৩) পারিবারিক প্রথা।

২,৫৪৬.
পারিবারিক আদালতের প্রদত্ত একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন দায়েরের মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর ৫ ধারা পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় প্রযোজ্য হবে?
  1. ৬(৯)
  2. ১১
  3. ১০(৬)
সঠিক উত্তর:
১০(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০(৬)
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০(৬)-এর অধীন একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন দায়েরের মেয়াদ গণনায় Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ (যা মেয়াদ বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট কারণ দেখানোর বিধান করে) প্রযোজ্য হয়, যেমনটি ধারা ১০(৭)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখিত: "Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 এর বিধানাবলি উপধারা (৬) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।" এটি আবেদনের ৩০ দিনের মেয়াদের বাইরে যাওয়া ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দেয়, যদি যথেষ্ট কারণ প্রমাণিত হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০ পক্ষগণের অনুপস্থিতির ফলাফল:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাকা হইলে উক্ত সময়ে কোনো পক্ষই উপস্থিত না থাকিলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিয়া দিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বাদী উপস্থিত হন, তবে বিবাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে-
(ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে, তাহা হইলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে;
(খ) যদি সমন বা নোটিশ বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে মর্মে প্রমাণিত না হয়, তাহা হইলে আদালত বিবাদীর উপর নূতনভাবে সমন ও নোটিশ জারি কারিবার আদেশ প্রদান করিবে;
(গ) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ জারি করা হইয়াছে, তবে তাহার উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে তাহাকে উপস্থিত হইয়া জবাব প্রদানের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয় নাই, তাহা হইলে আদালত পরবর্তী অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে নির্ধারিত কোনো তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত রাখিবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ সম্পর্কে নোটিশ প্রদান করিবে।
(৩) যেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি করিয়া একতরফা শুনানির জন্য ধার্য করে এবং বিবাদী শুনানিকালে বা তৎপূর্বে আদালতে হাজির হইয়া পূর্বে হাজির না হইবার উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে, সেইক্ষেত্রে আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, শর্তসাপেক্ষে বিবাদীকে জবাব দাখিলের সুযোগ প্রদান করিয়া এইরূপে শুনানি করিবে যেন তিনি তাহার হাজির হইবার জন্য ধার্যকৃত দিনেই উপস্থিত হইয়াছেন।
(৪) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বিবাদী উপস্থিত হন, তবে বাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিবে, তবে বিবাদী যদি দাবির সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ স্বীকার করে, তাহা হইলে বিবাদীর উক্তরূপ স্বীকৃতির উপর আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং যেক্ষেত্রে দাবির অংশবিশেষ স্বীকার করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি ততটুকু খারিজ করিবে যতটুকু দাবির অবশিষ্টাংশের সহিত সম্পর্কিত।
(৫) যেক্ষেত্রে কোনো মোকদ্দমা উপধারা (১) এর অধীন খারিজ করা হয় অথবা উপধারা (৪) এর অধীন সম্পূর্ণ বা আংশিক খারিজ করা হয়, সেইক্ষেত্রে বাদী, খারিজ আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, আদেশ প্রদানকারী আদালতে উক্ত আদেশ রহিত করিবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং যদি তিনি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমাটি শুনানির সময় তাহার অনুপস্থিতির জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খারিজ আদেশ রহিত করিয়া একটি আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি চালাইয়া যাইবার জন্য একটি তারিখ ধার্য করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ শর্তে উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করিতে পারিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করা পর্যন্ত উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করা যাইবে না।
(৬) বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি প্রদান করা হইলে, তিনি ডিক্রি প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে উহা বাতিলের আদেশ দানের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং তিনি যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমার শুনানির সময় তাহার আদালতে অনুপস্থিত থাকিবার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে, সেইরূপ শর্তে তাহার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করিবার আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ ধার্য করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি এমন হয় যে, তাহা কেবল উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধেই বাতিল করা যায় না, তাহা হইলে সকল বা অন্য যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করা যাইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করিয়া এই উপধারার অধীন কোনো আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
(৭) Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 এর বিধানাবলি উপধারা (৬) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

২,৫৪৭.
জেলা কমিটি বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করতে পারবে-
  1. স্বীয় উদ্যোগে
  2. অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার:
(১) কমিটি স্বীয় উদ্যোগে অথবা কোন অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) আইনগত সহায়তার আবেদন মঞ্জুর হইবার পর বিচারপ্রার্থীর পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য রহিয়াছে বলিয়া সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয়;
(খ) বিচারপ্রার্থী মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে যদি আইনগত সহায়তা গ্রহণ করেন;
(গ) সংশ্লিষ্ট কমিটি কিংবা নিযুক্ত আইনজীবীকে বিচারপ্রার্থী যদি অসহযোগিতা করেন; অথবা
(ঘ) বিচারপ্রার্থী যদি আইনগত প্রক্রিয়া কিংবা আইনগত সহায়তার অপপ্রয়োগ করেন।

(২) উপ-প্রবিধান (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিচারপ্রার্থীকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান না করিয়া তাহাকে প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করা যাইবে না।

⇒ এখানে, "কমিটি" অর্থ সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা ক্ষেত্রমত, বিশেষ কমিটিকে বোঝানো হয়েছে।
২,৫৪৮.
পারিবারিক আদালতে কোন ধরণের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বলা আছে?
  1. Only mediation
  2. Compromise and reconciliation
  3. Only reconciliation
  4. Mediation and reconciliation
সঠিক উত্তর:
Compromise and reconciliation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compromise and reconciliation
ব্যাখ্যা
• The Family Courts Ordinance, 1985 এর ১০ ও ১৩ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরণের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)

এই আইনে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পর্যায় উল্লেখ করা হয়েছে-
১. বিচার-পূর্ব কার্যধারায়
২. বিচার-পরবর্তী কার্যধারায়

১০ ধারায় বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে এবং ১৩ ধারায় বিচার-পরবর্তী পর্যায়ে আপোষ-মীমাংসার বিধান উল্লেখ আছে। ১০(৩) ধারা অনুযায়ী, বিচার-পূর্ব শুনানীর পর্যায়ে আদালত পক্ষগণের মধ্যেকার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবে এবং যদি সম্ভব হয়, পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার চেষ্টা করবে। ১৩(১) ধারায় দেয়া আছে, সকল পক্ষের সাক্ষ্য সমাপ্তির পর পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা করার আরও একটি চেষ্টা করবে।
২,৫৪৯.
রঞ্জিত দাস তার দুই পুত্র রাম, শ্যামল এবং এক কন্যা পূজাকে রেখে মারা যায়। রঞ্জিত দাসের সম্পত্তি কিভাবে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন হবে?
  1. রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক এবং পূজা বাকি অর্ধেক পাবে
  2. রাম, শ্যামল, পূজা মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ করে পাবে
  3. রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

নিম্নে প্রথম ৫ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র,
২) পুত্রের পুত্র,
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র,
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা),
৫) কন্যা।

হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে না।

• সমাধান:
এখানে, রঞ্জিত দাস সম্পত্তির অংশ সমান ২ ভাগে বিভক্ত হবে। উক্ত সম্পত্তির মধ্যে ১ অংশ পাবে রাম এবং ১ অংশ পাবে শ্যামল। কন্যা কোন সম্পত্তি পাবে না। কারণ ঊর্ধ্বতন শেয়ারার(ভাইদের) দ্বারা বঞ্চিত হবে।

সুতরাং সম্পত্তির মোট বন্টন:

⇒ রাম পাবে ১/২ অংশ;
⇒ শ্যামল পাবে ১/২ অংশ।
২,৫৫০.
রেজিস্ট্রার দলিল নিবন্ধনে অস্বীকৃতি জানালে, তিনি কী করতে বাধ্য?
  1. দলিলটি জব্দ করবেন
  2. দলিল বাতিল করবেন
  3. মৌখিকভাবে জানিয়ে দেবেন
  4. কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ লিপিবদ্ধ করবেন
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908, ধারা ৭৬: রেজিস্ট্রারের অস্বীকৃতির আদেশ:
(১) রেজিস্ট্রার যদি নিচের কারণে কোনো দলিল নিবন্ধন করতে অস্বীকার করেন:
(ক) শুধুমাত্র এই কারণে যে দলিল সম্পর্কিত সম্পত্তি তাঁর জেলায় অবস্থিত নয়, অথবা
(খ) দলিলটি কোনো সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে নিবন্ধিত হওয়া উচিত, অথবা
(গ) ধারা ৭২ বা ধারা ৭৫ অনুযায়ী নিবন্ধনের নির্দেশ প্রদান করতে অস্বীকার করেন,

তাহলে তিনি অবশ্যই:
- অস্বীকৃতির আদেশ দেবেন,
- তার কারণসমূহ রেজিস্ট্রেশনের বই নম্বর ২-এ লিপিবদ্ধ করবেন, এবং
- দলিল সম্পাদনকারী বা দলিলের অধীনে দাবি করা কোনো ব্যক্তি অনুরোধ করলে, বিনা দেরিতে ঐ কারণসমূহের একটি অনুলিপি তাকে প্রদান করবেন।

(২) এই ধারার অধীন বা ধারা ৭২-এর অধীন রেজিস্ট্রারের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
২,৫৫১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুযায়ী বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর কার্যকর হয় কীভাবে?
  1. দান চুক্তির অনুরূপ
  2. ইজারা চুক্তির অনুরূপ
  3. বিক্রয় চুক্তির অনুরূপ
  4. রেহেন চুক্তির অনুরূপ
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তির অনুরূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় চুক্তির অনুরূপ
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ১১৮ অনুযায়ী, বিনিময় (Exchange) বলতে দুই ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে একটি জিনিসের মালিকানার বদলে অন্য জিনিসের মালিকানা হস্তান্তর বোঝায়, যেখানে কোনোটিই অর্থ নয়। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর বিক্রয়ের মতোই হবে। অর্থাৎ, বিনিময় চুক্তির ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এবং আইনি বিধানগুলো বিক্রয় চুক্তির (Sale) অনুরূপ। এর মানে হলো, বিনিময়ের ক্ষেত্রে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য যে আনুষ্ঠানিকতা (যেমন, লিখিত দলিল, নিবন্ধন ইত্যাদি, যদি প্রযোজ্য হয়) প্রয়োজন, তা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধানের মতোই।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ধারা ১১৮: "বিনিময়"-এর সংজ্ঞা:
- দুই ব্যক্তি যখন পারস্পরিক সম্মতিতে এক জনের একটি জিনিসের মালিকানার বদলে অন্য জনের একটি জিনিসের। মালিকানার হস্তান্তর করে তখন এর কোন একটি জিনিস অর্থ না হলে বা উভয় জিনিসই কেবল অর্থ হয়ে থাকলে এরপ আদান-প্রদানকে বিনিময় বলা হয়।
- বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর বিক্রয়ের মতই হবে।
- দুই জন ব্যক্তির পারস্পরিক সম্মতিতে একজনের জিনিসের সাথে অন্য জনের জিনিসের মালিকানা বদল করা। তবে উভয়ই প্রকার সম্পত্তির প্রকৃতি একই হতে হবে; অথবা দুটো জিনিসই অর্থ হলে বিনিময় করা যাবে, তবে একটি জিনিস অর্থ অন্য জিনিস অন্য কোন বস্তু হলে তা বিনিময় হবে না।
- বিনিময় দ্বারা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিক্রয় সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে।
------------ 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 118: “Exchange” defined
When two persons mutually transfer the ownership of one thing for the ownership of another, neither thing or both things being money only, the transaction is called an “exchange”. 
A transfer of property in completion of an exchange can be made only in manner provided of the transfer of such property by sale.

২,৫৫২.
The Family Courts Ordinance, 1985 এর ৫ ধারা মতে পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বিষয়বস্তু নয়-
  1. বিবাহ-বিচ্ছেদ
  2. দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার
  3. বিবাহ
  4. ভরণপোষণ
সঠিক উত্তর:
বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ
ব্যাখ্যা
⇒ Section 5. Jurisdiction of Family Courts:
Subject to the provisions of the Muslim Family Laws Ordinance, 1961 (VIII of 1961), a Family Court shall have exclusive jurisdiction to entertain, try and dispose of any suit relating to, or arising out of, all or any of the following matters, namely:- 
 (a) dissolution of marriage; 
 (b) restitution of conjugal rights; 
 (c) dower; 
 (d) maintenance; 
 (e) guardianship and custody of children.

উল্লিখিত প্রশ্ন অনুযায়ী The Family Courts Ordinance, 1985 এর ৫ ধারা মতে বিবাহ পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারের বিষয়বস্তু নয়।
২,৫৫৩.
স্বামী যদি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হন, স্ত্রী-
  1. ভরণপোষণের অধিকার হারান
  2.  স্বামীর সঙ্গে থাকতে বাধ্য
  3. বিবাহ অবৈধ ঘোষণা করতে পারেন
  4. পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
সঠিক উত্তর:
পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথক থেকেও ভরণপোষণের অধিকারী হন
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৬ সালের বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন (The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946) অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে:

- স্বামী যদি দুরারোগা কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
- if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
- if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

- স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;

- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
- if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

- স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
- if he marries again; এবং

- অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
- for any other justifiable cause

২,৫৫৪.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোন অন্তর্বর্তী আদেশের আইনগত ত্রুটির কারণে বিক্ষুদ্ধ পক্ষ কি উপায়ে প্রতিকার পেতে পারে?
  1. আপীল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপীল
ব্যাখ্যা
• ধারা ২১- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:

যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

প্রতিকার: এই ধারার অধীন অন্তর্বর্তী আদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
২,৫৫৫.
নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim) হস্তান্তরের নোটিশ কেমন হতে হবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. নোটারি পাবলিক দ্বারা অনুমোদিত
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
লিখিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩১: নালিশযোগ্য দাবি হস্তান্তরের বিজ্ঞপ্তি লিখিত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে-
“কোন নালিশযোগ্য দাবি (actionable claim) হস্তান্তরের প্রত্যেকটি বিজ্ঞপ্তি লিখিতভাবে হতে হবে এবং তা হস্তান্তরকারী বা তাহার এই বিষয়ে যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত এজেন্ট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইবে। যদি হস্তান্তরকারী স্বাক্ষর করিতে অস্বীকার করে, তাহা হইলে হস্তান্তরগ্রহীতা বা তাহার এজেন্ট বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করিতে পারিবে। এই বিজ্ঞপ্তিতে হস্তান্তরগ্রহীতার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে।”

[Every notice of transfer of an actionable claim shall be in writing, signed by the transferor or his agent duly authorised in this behalf, or, in case the transferor refuses to sign, by the transferee or his agent, and shall state the name and address of the transferee.]
২,৫৫৬.
একজন হানাফী মুসলিম তার মোট সম্পত্তির সর্বোচ্চ কত অংশ হেবা করতে পারে?
  1. (১/৩) অংশ
  2. (১/২) অংশ
  3. (২/৩) অংশ
  4. সম্পূর্ণ অংশ
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ অংশ
ব্যাখ্যা
• দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

সমস্ত সম্পত্তি দান (হেবা) করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়।
২,৫৫৭.
'A' ও 'B' মুসলিম নর-নারী পরস্পরের সম্মতিতে কোন সাক্ষী ব্যতীত বিয়ে করলে তাদের বিয়ের আইনগত ফলাফল হবে-
  1. বাতিলযোগ্য
  2. অনিয়মিত
  3. অবৈধ
  4. নিয়মিত
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষী ব্যতীত বিবাহ একটি অনিয়মিত বিবাহ।

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহ তিন প্রকার:
১) বৈধ (Valid or Sahih)
২) বাতিল (Void or Batil )
৩)  অনিয়মিত (Irregular or fasid)

বৈধ (Valid or Sahih)
মুসলিম আইনের সকল নিয়ম মেনে যে বিবাহ সেটা বৈধ বিবাহ। একজন মুসলিম পুরুষ শুধুমাত্র একজন মুসলিম নারী ছাড়াও একজন কিতাবীয়া যেমন জিউস বা খ্রিষ্টান নারীর সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারে। কোন মুসলিম নারী শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষ ছাড়া অন্যকোন পুরুষের সাথে বৈধ বিবাহ করতে পারেনা। একটি বৈধ বিবাহ কোন মুসলিম নারীকে দেনমোহরের অধিকার, ভরণপোষণের অধিকার প্রদান করে এবং একই সাথে স্বামীর প্রতি বিশ্বাসী থাকার, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং ইদ্দত পালনের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে। এটা উত্তরাধিকারের পারস্পরিক অধিকার সৃষ্টি করে।

বাতিল (Void or Batil)
যে বিবাহটি বৈধ না সেটা বাতিল বা অনিয়মিত হতে পারে। বাতিল হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং রক্তের সম্পর্কে, বৈবাহিক সম্পর্কে বা প্রতিপালনের সম্পর্কের কারণে স্থায়ী এবং চূড়ান্তভাবে অবৈধ। এমন বিবাহ আইনের চোখে কোন বিবাহ না এবং এমন বিবাহের কোন আইনগত ফলাফল নেই। এই বিবাহ পক্ষগণের মধ্যে কোন পারস্পরিক আইনগত অধিকার বা দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে না এবং এমন বিবাহের ফলে জন্মগ্রহণ করেছে এমন সন্তান অবৈধ। যেমন Blood relationship, Consanguinity or affinity এর কারণে নিষিদ্ধ বিবাহ হলো বাতিল বিবাহ। বাতিল বিবাহের ক্ষেত্রে কারণগুলো স্থায়ী প্রকৃতির এবং এমন কারণ অপসারিত করে বিবাহ বৈধ করার কোন সুযোগ নেই।

অনিয়মিত বিবাহ (Irregular or fasid)
অনিয়মিত বিবাহ অর্থ হলো যে বিবাহের কিছু আইনগত ত্রুটি থাকে এবং যেখানে সংশোধনের মাধ্যমে বিবাহের বৈধতা দেওয়া যায়। অনিয়মিত বিবাহ হলো এমন বিবাহ যেটা স্বয়ং অবৈধ না কিন্তু অন্যকোন কারণে অবৈধ এবং যেখানে নিষিদ্ধ কারণগুলো অস্থায়ী বা যেক্ষেত্রে অবৈধতা কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট যেমন সাক্ষীর অনুপস্থিতি। যে কারণে বিবাহটি অবৈধ বা অনিয়মিত উক্ত কারণ অপসারণ করার মাধ্যমে বিবাহটি বৈধ করা যায়।
২,৫৫৮.
বিবাহিতা অবস্থায় হিন্দু নারীর কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হলে, ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত কী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে?
  1. পূর্ণ স্ত্রীধন
  2. স্বামীর সম্পত্তি
  3. সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমিত অর্থে স্ত্রীধন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) সীমিত অর্থে স্ত্রীধন।

- বিবাহিতা অবস্থায় হিন্দু নারী যদি কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জন করেন, তবে সেই সম্পত্তি স্বামীর জীবদ্দশায় সীমিত অধিকার সহ স্ত্রীধন হিসেবে গণ্য হয়। অর্থাৎ স্বামী জীবিত থাকাকালে স্ত্রী সম্পূর্ণভাবে বিক্রি, দান বা হস্তান্তর করতে পারেন না। স্বামী মারা গেলে সেই সম্পত্তি পূর্ণ স্ত্রীধন হিসেবে পরিণত হয়।

স্ত্রীধন:
যে সমস্ত সম্পত্তিতে মহিলাদের চূড়ান্ত মালিকানা রহিয়াছে অর্থাৎ যে সকল সম্পত্তিতে মহিলাগণ সম্পূর্ণ স্বত্বের অধিকারিণী তাহাকে বলা যায় স্ত্রীধন। ঐ সকল সম্পত্তি মহিলারা তাহাদের ইচ্ছানুযায়ী ভোগ-দখল, দান, বিক্রয়, উইল ইত্যাদি করিতে পারেন, তাহাতে কাহারও আইনত বাধা দেওয়ার কিছুই থাকে না।

- সকল মতেই একজন মহিলা কুমারী অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন বলিয়া গণ্য হইবে।

- অনুরূপভাবে সকল মতেই বিধবা উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবেই কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহা তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

- একজন মহিলা বিবাহিতা অবস্থায় উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্য যে কোন ভাবে কোন সম্পত্তি অর্জন করুন না কেন তাহাও তাহার স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে। যেমন- বিবাহ উপলক্ষ্যে স্ত্রী যে সমস্ত যৌতুকাদি পাইয়া থাকেন অথবা বিবাহিতা অবস্থায় আত্মীয়দের নিকট হইতে কোন সম্পত্তি দানসূত্রে পাইলে তাহাও স্ত্রীধন হিসাবে গণ্য হইবে।

তবে ব্যতিক্রম এই যে, বাংলাদেশে বিবাহিতা অবস্থায় অনাত্মীয় ব্যক্তির নিকট হইতে দানসূত্রে কোন কিছু পাইলে, স্বামীর নিকট হইতে দানসূত্রে স্থাবর সম্পত্তি পাইলে অথবা বিবাহিতা অবস্থায় কৌশলগত শিল্পকলার মাধ্যমে কোন সম্পত্তি অর্জিত হইলে ঐ সকল সম্পত্তি স্বামীর জীবিতকাল পর্যন্ত সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় উক্ত তিন প্রকারের সম্পত্তিতে বিবাহিতা মহিলার পূর্ণ কর্তৃত্ব থাকে না এবং স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নিজের ইচ্ছামত দান বিক্রয় ইত্যাদি করা যায় না। স্বামী মারা গেলে অবশ্য ঐ সকল সম্পত্তি সম্পূর্ণ স্ত্রীধনরূপে গণ্য হইবে। অর্থাৎ উক্ত তিন রকমে প্রাপ্ত সম্পত্তিকে স্বামীর জীবদ্দশায় পুরাপুরি স্ত্রীধনরূপে গণ্য না করিয়া বরং সীমিত অর্থে স্ত্রীধনরূপে গণ্য করা যাইতে পারে।

উল্লেখ্য,
- যদি কোন মহিলার ভরণপোষণের জন্য মাসহারা বাবদ কোন অর্থ অথবা সম্পত্তি দেওয়া হয়, তবে তাহা সমস্ত মতপন্থী অনুযায়ীই স্ত্রীধনরূপে গণ্য।

- স্ত্রীধন দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিও স্ত্রীধন হইবে। স্ত্রীধনের বিনিময়ে আপোষ মীমাংসায় অন্য কোন সম্পত্তি পাওয়া গেলে তাহাও স্ত্রীধন হইবে।

২,৫৫৯.
কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি-
  1. পুরো আইনের সংক্ষিপ্তসার
  2. বিচারকদের কার্যাবলির রূপরেখা প্রদর্শন করে
  3. আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
  4. আইনের প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে দিক নির্দেশনা দেয়
সঠিক উত্তর:
আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে
ব্যাখ্যা
⇒ আইনের প্রস্তাবনা (Preamble):
আইনের যে অংশে উক্ত আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়, সেই অংশকে প্রস্তাবনা (Preamble) বলে। প্রস্তাবনা হলো কোনো আইনের দার্শনিক ভিত্তি। প্রস্তাবনার কাজ হলো আইনের প্রকৃত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য প্রকাশ করা। অর্থাৎ, প্রস্তাবনায় উক্ত আইন রচনার প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, পরিধি এবং উক্ত আইনটি কেন প্রণয়ন করা হয়েছে তার কারণ নির্দেশ করে।

কোনো আইনের প্রস্তাবনা (Preamble) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আইনের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলোকপাত করে।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা:
- আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;

- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল -জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;

- আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

- আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।
২,৫৬০.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতির সর্বোচ্চ-
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারার বিধান: ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করিয়া জালিয়াতি করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা।-এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি” অর্থ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বিনা অধিকারে বা প্রদত্ত অধিকারের অতিরিক্ত হিসাবে বা অনধিকার চর্চার মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের ইনপুট বা আউটপুট প্রস্তুত, পরিবর্তন, মুছিয়া ফেলা ও লুকাইবার মাধ্যমে অশুদ্ধ ডাটা বা প্রোগ্রাম, তথ্য বা ভ্রান্ত কার্য, তথ্য সিস্টেম, কম্পিউটার বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা।
২,৫৬১.
চুক্তি আইন অনুসারে প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ যা একটি অপরটির প্রতিদান তাকে কি বলে? 
  1. অঙ্গীকার
  2. সম্মতি
  3. চুক্তি
  4. প্রতিশ্রুতি
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২(ঙ) ধারার বিধান মতে সম্মতি (Agreement): প্রত্যেক অঙ্গীকার/প্রতিশ্রুতি এবং প্রত্যেক সেট অঙ্গীকারমালা/প্রতিশ্রুতিমালা একটি অপরটির প্রতিদানে গঠিত হলে তা হয় সম্মতি।
অর্থাৎ চুক্তি আইন অনুসারে প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ যা একটি অপরটির প্রতিদান তাকে সম্মতি বলে।
------
- Section 5(e) Every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.
২,৫৬২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় কায়েমী স্বার্থ' (Vested Interest) সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৫ ধারায় 
  2. ১৭ ধারায় 
  3. ১৯ ধারায় 
  4. ২১ ধারায় 
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারায় 
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৯ এ কায়েমী স্বার্থ (Vested Interest) সম্পর্কিত বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারা অনুসারে, কায়েমী স্বার্থ সৃষ্টি হয় যখন সম্পত্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয় এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হয় বা এমন কোনো ঘটনার উপর নির্ভর করে যা অবশ্যই ঘটবে। এই স্বার্থ হস্তান্তরযোগ্য এবং আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য, এবং হস্তান্তরগ্রহীতার মৃত্যু হলেও তা ব্যর্থ হয় না।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১৯: কায়েমি স্বার্থ:
যেক্ষেত্রে কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারণ না করে সম্পত্তি হস্তান্তর দ্বারা কোন ব্যক্তির অনুকূলে স্বার্থ সৃষ্টি করা হয়, অথবা হস্তান্তরে এরূপ শর্ত থাকে যে, তা অবিলম্বে বলবৎ হবে, অথবা এরূপ একটি ঘটনার পর বলবৎ হবে, যা অবশ্যই ঘটবে, সেক্ষেত্রে হস্তান্তরের শর্তাবলি হতে বিপরীত উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে এরূপ স্বার্থ কায়েমি বলে গণ্য হবে।
দখল পাওয়ার পূর্বে হস্তান্তর গ্রহীতার মৃত্যু হলে ন্যস্ত স্বার্থ বা কায়েমি স্বার্থ ব্যর্থ হবে না।

The Transfer of Property Act, 1882 Section 19: Vested interest:
Where, on a transfer of property, an interest therein is created in favour of a person without specifying the time when it is to take effect, or in terms specifying that it is to take effect forthwith or on the happening of an event which must happen, such interest is vested, unless a contrary intention appears from the terms of the transfer. 
A vested interest is not defeated by the death of the transferee before he obtains possession.

২,৫৬৩.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় 'Trial in Absentia' নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৩ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে 'Trial in absentia' বলে।

ধারা ১১: আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার-

যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই-

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
২,৫৬৪.
Contract Act, 1872-এর ১২৮ ধারার ভিত্তিতে জামিনদারের দায়কে কী বলা হয়?
  1. সীমিত দায়
  2. ঐচ্ছিক দায়
  3. অপরিমিত দায়
  4. সমপরিমাণ দায়
সঠিক উত্তর:
সমপরিমাণ দায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমপরিমাণ দায়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো - সমপরিমাণ দায়।

Contract Act, 1872-এর ধারা ১২৮ – জামিনদারের দায় (জামিনদারের দায়িত্ব):
জামিনদারের দায় মূল ঋণগ্রহীতার দায়ের সমান, যদি চুক্তিতে অন্যভাবে উল্লেখ না করা থাকে।

অর্থাৎ,
জামিনদারের দায় = মূল ঋণগ্রহীতার দায়।
→ এটিকে co-extensive liability (সমপরিমাণ দায়) বলা হয়।

উদাহরণ:
A, B-এর কাছে C-এর বিল অব এক্সচেঞ্জের (bill of exchange) পরিশোধের জন্য জামিনদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে। C বিলটি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়।

ফলাফল:
A মূল বিলের পাশাপাশি মুল্য, সুদ এবং যেকোনো প্রযোজ্য চার্জের জন্যও দায়ী হয়।

২,৫৬৫.
'This Constitution is the Supreme Law of the Republic'- বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭(১)
  3. অনুচ্ছেদ ৭খ
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the Supreme law of the Republic.

সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে। ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই। যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়। 

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য

(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

Article 7: Supremacy of the Constitution

(1) All powers in the Republic belong to the people, and their exercise on behalf of the people shall be effected only under, and by the authority of, this Constitution.
(2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution that other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

২,৫৬৬.
রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত থাকার মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. নির্বাচিত হওয়ার দিন থেকে
  2. শপথ নেওয়ার দিন থেকে
  3. কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
  4. গেজেট প্রকাশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যভার গ্রহণের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদের বিধান: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ:
(১) এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 

(২) একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 

(৩) স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন। 

(৪) রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

২,৫৬৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে নির্ধারিত কারাদণ্ড থেকে মুক্তি অথবা অর্থ দণ্ডের টাকা আদায়ের পর কত সময় অতিবাহিত না হলে কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স অথবা পারমিট প্রাপ্তির যোগ্য হবেন না?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৪ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি প্রদানের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ: এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স অথবা পারমিট প্রাপ্তির যোগ্য হইবেন না, যদি-
(ক) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অন্যূন ৩ (তিন) মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাহার মুক্তি লাভের পর ৫ (পাঁচ) বৎসর কাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে, অথবা ৫০০ (পাঁচশত) টাকার অধিক অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডের টাকা আদায় করিবার পর ৫ (পাঁচ) বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে;
(খ) তিনি কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন; এবং
(গ) তিনি লাইসেন্স অথবা পারমিটের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেন এবং সেইজন্য তাহার উক্ত লাইসেন্স অথবা পারমিট বাতিল হইয়া যায়।
২,৫৬৮.
'Delegatus non potest delegare' চুক্তি আইনে এই নীতির ব্যতিক্রম কে?
  1. Bailor
  2. Pledgee
  3. Sub-agent
  4. Principal
সঠিক উত্তর:
Sub-agent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sub-agent
ব্যাখ্যা
• “Delegatus non potest delegare“ is a Latin legal maxim that translates to “a delegate cannot delegate.” It is a principle that generally applies to the delegation of powers or authority by one person or entity to another.

যার অর্থ হল "এক প্রতিনিধি অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার রাখে না"।
 
যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্য কাউকে কোনো বিশেষ কাজের জন্য প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেয়, তখন সেই প্রতিনিধি ব্যক্তি তার নিজের ইচ্ছামত কাউকে তার পরিবর্তে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার রাখে না। অর্থাৎ একজন প্রতিনিধি ব্যক্তিকে দেওয়া ক্ষমতা বা কর্তৃত্বের কোনো অংশ সে নিজে থেকে অন্য কাউকে হস্তান্তর করতে পারবে না। এই নীতি নিশ্চিত করে যে, প্রতিনিধি ব্যক্তি কেবলমাত্র তাকে অর্পিত দায়িত্বগুলোই পালন করবে এবং সেই দায়িত্বগুলো অন্য কাউকে হস্তান্তর করতে পারবে না। এটি প্রতিনিধিত্বের প্রক্রিয়াটিকে স্বচ্ছ এবং নিয়ন্ত্রিত রাখতে সাহায্য করে।

'Delegatus non potest delegare' চুক্তি আইনে এই নীতির ব্যতিক্রম হচ্ছে সাব-এজেন্ট। এই আইনে 'এজেন্ট' শব্দটি একজন প্রতিনিধিকে বোঝায় যাকে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্ষমতা প্রদান করা হয় তাদের হয়ে কাজ করার জন্য। একজন এজেন্ট কখনও কখনও নিজ দায়িত্ব অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষকে হস্তান্তর করতে পারেন। এই তৃতীয় পক্ষটিকেই বলা হয় 'সাব-এজেন্ট' বা উপ-প্রতিনিধি। এক্ষেত্রে, এজেন্ট প্রাপ্ত ক্ষমতা বা কর্তৃত্বের অংশ হিসেবে সাব-এজেন্টকে কিছু ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারে।

Section 191: "Sub-agent" defined-
A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency. 

Section 192: Representation of principal by subagent properly appointed-
 
Where a sub-agent is properly appointed, the principal is, so far as regards third persons, represented by the subagent, and is bound by and responsible for his acts, as if he were an agent originally appointed by the principal.
 
Agent's responsibility for sub-agent-
The agent is responsible to the principal for the acts of the sub-agent.
 
Sub-agent's responsibility-
The sub-agent is responsible for his acts to the agent, but not to the principal, except in case of fraud or wilful wrong.
২,৫৬৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৯
  2. ৩০ক
  3. ৩১
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
------------
Section 31. Bar on trial de-novo:

- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
২,৫৭০.
হিন্দু বিধবার বিয়ে নিম্নের কোন আইন দ্বারা Regulated হয়?
  1. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act, 1856
  2. The Hindu Women Marriage Act, 1856
  3. The Hindu Women Re-marriage Act, 1856
  4. The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
সঠিক উত্তর:
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856
ব্যাখ্যা
The Hindu Widow's Re-marriage Act, 1856 হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধতা প্রদান করে। এই আইনের বিধান দ্বারাই হিন্দু বিধবা বিবাহ পরিচালিত হয়।

- আইনটি ২৬ জুলাই ১৮৫৬ এ আইন প্রণয়ন করেছিল।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে ভারতবর্ষের সকল বিচারব্যবস্থায় হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ বৈধ করেছিল।
- বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহ কে আইনি স্বীকৃতি দেন।
২,৫৭১.
'ক' একজন দুর্নীতি দমন কমিশনার। 'ক' দুর্নীতি সম্পর্কিত এক অভিযোগের তদন্তের ক্ষেত্রে 'খ' কে সাক্ষী হিসেবে তলব করলে, 'খ' সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে 'খ' কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  2. অনূর্ধ্ব ৭ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  3. অনূর্ধ্ব ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
  4. অনূর্ধ্ব ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় প্রকার দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৯- অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা

(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়৷ 
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন৷ 
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
২,৫৭২.
উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি গ্রহণকারীর আইনগত নাম কী?
  1. Heir
  2. Testator
  3. Executor
  4. Beneficiary
সঠিক উত্তর:
Beneficiary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beneficiary
ব্যাখ্যা
উইল (Will) হলো একজন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কিভাবে বণ্টিত হবে, সে বিষয়ে তার লিখিত ইচ্ছা বা ঘোষণা। এটি ইসলামী ও প্রচলিত উভয় আইনেই স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা।

Testator-
যে ব্যক্তি উইল তৈরি করে, অর্থাৎ যিনি মৃত্যুর পর নিজের সম্পত্তি কাকে কী দেবেন, তা নির্ধারণ করেন।

Beneficiary-
যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান উইলের মাধ্যমে সম্পত্তি বা উপকার লাভ করে। উইলের মাধ্যমে যার নামে সম্পত্তি বা অন্য কোনো সুবিধা (উপহার, টাকা, জমি ইত্যাদি) নির্দিষ্ট করা হয়, তিনি উইলের সুবিধাভোগী বা Beneficiary। Beneficiary উইলদাতার (Testator) মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হলে সম্পত্তি গ্রহণের অধিকার লাভ করেন। একজন উইলে একাধিক Beneficiary থাকতে পারেন।

Heir-
উইল না থাকলে যে ব্যক্তি শরিয়ত বা উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তি লাভ করে।

Executor-
যিনি উইল অনুযায়ী Testator-এর মৃত্যুর পর উইলের শর্ত অনুযায়ী সম্পত্তি বিতরণ করেন।
২,৫৭৩.
সাইবার স্পেসে জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০ লক্ষ টাকা
  2. ৭৫ লক্ষ টাকা
  3. ১ কোটি টাকা
  4. ১.৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৫৭৪.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর অধীন গঠিত সালিসী পরিষদকে কোন ক্ষেত্রে এখতিয়ার দেয়া হয়েছে?
  1. তালাক
  2. খোরপোশ
  3. বহুবিবাহ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ মুসলিম পারিবারিক আইন সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান নির্ধারণ করেছে, বিশেষ করে মুসলিম ব্যক্তিদের জন্য যেগুলো সালিসী পরিষদ (Arbitration Council) এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়। এই আইনটি মুসলিম পরিবারে বিশেষ করে তিনটি বিষয়ের উপর সালিসী পরিষদকে এখতিয়ার দেয়:

১. বহুবিবাহ (Polygamy):
মুসলিম পুরুষরা একাধিক স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করতে পারেন, তবে এর জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-এর অধীনে, যদি একজন মুসলিম পুরুষ তার একাধিক স্ত্রীর অধিকার সুরক্ষিত রাখতে চান, তবে তাকে সালিসী পরিষদের অনুমোদন নিতে হবে। পরিষদ তার সিদ্ধান্ত দেবে, যা তার বহুবিবাহের বৈধতা এবং স্ত্রীর অধিকার সম্পর্কিত হবে।

২. তালাক (Divorce):
মুসলিম পুরুষরা একপক্ষীয়ভাবে তালাক দিতে পারেন, তবে এটি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা উচিত। মুসলিম ফ্যামিলি ল অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১-এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো মুসলিম পুরুষ তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চান, তবে সালিসী পরিষদকে তার ইচ্ছার ব্যাপারে অবহিত করতে হবে এবং সালিসী পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবে যে, তা আইনসঙ্গত কিনা এবং স্ত্রীর অধিকার পূর্ণভাবে সুরক্ষিত হচ্ছে কিনা।

৩. খোরপোশ (Maintenance):
সালিসী পরিষদকে মুসলিম স্ত্রীর খোরপোশ বা ভরণপোষণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিতে এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এই পরিষদ, স্ত্রীর খোরপোশের পরিমাণ নির্ধারণ করবে এবং যদি স্ত্রীর কোনো অধিকার খর্ব হয়, তবে তা সংশোধন করতে পদক্ষেপ নেবে।
২,৫৭৫.
আইনগত সহায়তার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. আইনগত পরামর্শ প্রদান
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান
  3. সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
  4. মধ্যস্থতাকারীকে সম্মানী প্রদান
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালিশকারী নিয়োগ প্রদান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০, ধারা ২(ক): "আইনগত সহায়তা" অর্থ-
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;

(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;

(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;

⇒ আইনগত সহায়তার আওতায় পড়ে না: গ) সালিশকারী নিয়োগ প্রদান।
২,৫৭৬.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার আইনজীবী তালিকায় কত জন মহিলা আইনজীবী রাখার বিধান রয়েছে?
  1. অন্যূন অর্ধেক সংখ্যক
  2. অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
  3. অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ
  4. অন্যূন এক-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০

ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
২,৫৭৭.
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কয় ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. তিন ধরণের
  2. দুই ধরণের
  3. চার ধরণের
  4. পাঁচ ধরণের
সঠিক উত্তর:
তিন ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ধরণের
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৩ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে:

১) ডিজিটাল জালিয়াতি;
২) ডিজিটাল প্রতারণা;
৩) পরিচয় প্রতারণা।
 
• ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা-
 
কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
২,৫৭৮.
"নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ২২-এ।

২,৫৭৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনানুসারে, অনূর্ধ্ব কত দিনের শিশুকে 'নবজাতক' বলা হবে?
  1. ৭ দিনের
  2. ১৪ দিনের
  3. ৩০ দিনের
  4. ৪০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৪০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ দিনের
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(চ) অনুযায়ী,

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশুকে বোঝাবে।
২,৫৮০.
A contracts to pay B tk.10,000/-, if B’s house is burnt. This is-
  1. Voidable Contract
  2. Void contract
  3. Contingent contract
  4. None of the Above
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Contingent contract
ব্যাখ্যা
• Section 31 of The Contract Act, 1872: Contingent Contact-
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. 

Illustration: 
A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.

ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি:

কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ: ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।
২,৫৮১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী ‘Agricultural Year’ কখন শুরু হয়?
  1. জানুয়ারির প্রথম দিন থেকে
  2. বৈশাখের প্রথম দিন থেকে
  3. আষাঢ়ের প্রথম দিন থেকে
  4. অক্টোবরের প্রথম দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বৈশাখের প্রথম দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশাখের প্রথম দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২ (Definitions) অনুযায়ী, ‘Agricultural Year’ বা কৃষি বছর বলতে বাংলা বছরকে বোঝানো হয়, যা বৈশাখের প্রথম দিন থেকে শুরু হয়। এই সংজ্ঞা কৃষি হিসাব এবং জমির ভাড়া বা অন্যান্য কৃষি-সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য প্রযোজ্য। বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে, বৈশাখ মাস সাধারণত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়, এবং এটি বাংলাদেশের কৃষি কার্যক্রমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩০) অনুযায়ী- বর্ষ বা কৃষিবর্ষ বলতে ১ লা বৈশাখ থেকে শুরু হওয়া বাংলা সনকে বুঝায়। 
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 2(30) 'year' or 'agricultural year' means the Bengali year commencing on the 1st day of Baishakh.

২,৫৮২.
নিম্নের কোন ধারায় প্রজাতন্ত্র অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে-
  1. The General Clauses Act, 1897 এর 3(50a)
  2. The General Clauses Act, 1897 এর 3(45)
  3. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46)
  4. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর বিধান মতে ঘ) The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a) ধারায় 'প্রজাতন্ত্র' অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে।
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section-3(46a) "the Republic" means the People's Republic of Bangladesh.

২,৫৮৩.
কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হলে, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তা কোথায় পেশ করবে?
  1. প্রধানমন্ত্রীর নিকট
  2. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে
  4. জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।

২,৫৮৪.
রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে-
  1. জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন
  2. জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন
  3. শিক্ষার মান উন্নয়ন
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্র মদ ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য এবং গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। ডাক্তারের অনুমতি ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় ব্যবহার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গণিকাবৃত্তির জন্য মানব পাচার করা মানব পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ দ্বারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 18: Public health and morality

(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 
(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
২,৫৮৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার কত উপ-ধারায় বলা হয়েছে, "Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land"
  1. 96(13)
  2. 96(15)
  3. 96(16)
  4. 96(17)
সঠিক উত্তর:
96(16)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96(16)
ব্যাখ্যা
• SAT Act, 1950 এর ৯৬ ধারায় অগ্রক্রয় [Pre-emption] -এর আলোচনা আছে। 

অগ্রক্রয়ের অধিকার:
০১. যদি প্রজার জোতের খণ্ড বা অংশ এমন ব্যক্তির নিকট বিক্রি করা হলো; যিনি ঐ জোতের সহ-শরিক নয়, তাহলে ঐ জোতের সহ-শরিক বা শরিকরা আদালতে অগ্রক্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
০২. অগ্রক্রয় হচ্ছে বিক্রিত জমি বিক্রয়মূল্য ফেরত দিয়ে পুনঃকেনার অধিকার।

৯৬ ধারায় যে বা যারা অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারে: (ধারা ৯৬ (১) (ক), (খ))

SAT Act, 1950-এর ৯৬ ধারার ২০০৬ সালের সংশোধনীতে বলা হয়েছে যে, শুধু উত্তরাধিকারসূত্রে 'হোল্ডিং' এর সহ-শরিক প্রজা এই আইনের অধীন অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। মুসলিম আইনে অগ্রক্রয় শুফা নামে পরিচিত।

মুসলিম আইন অনুসারে ৩ শ্রেণির ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এরা ক্রমিক অনুযায়ী অগ্রগণ্য হবেন। তারা হলেন-
০১. শাফি-ই-শরিক অর্থাৎ সহ-অংশীদারঃ যাদের স্বার্থ সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার বা ক্রয়সূত্রে অর্জিত হয়।
০২. শাফি.ই. খালিত অর্থাৎ দায়মুক্তি ও আনুষঙ্গিক বস্তুতে অংশগ্রহণকারী [Participator] ব্যক্তি; যেমন: রাস্তা ব্যবহার/পানি নিষ্কাশনের অধিকার রয়েছে এমন ব্যক্তি।
০৩. শাফি-ই-জার অর্থাৎ সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

অগ্রক্রয়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা/তামাদি মেয়াদ: [ধারা ৯৬(১)]

০১. ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ জারি/বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রয় নোটিশের ২ মাসের মধ্যে।
০২. যদি বিক্রয়ের নোটিশ না দেওয়া হয়, সেই ক্ষেত্রে বিক্রয় হয়েছে অবগত হওয়ার পর ২ মাসের মধ্যে।
০৩. বিক্রয় দলিল নিবন্ধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে।
০৪. ধারা ৯৬(১) অনুযায়ী- ৩ বছরের পর আর আবেদন করা যাবে না।

অগ্রক্রয়ের আবেদনের সাথে যা জমা দিতে হবে: (ধারা ৯৬(৩))

i. বিক্রিত জমির বিক্রয় মূল্য [Consideration Money],
ii. বিক্রয় অর্থের উপর ২৫% হারে ক্ষতিপূরণ,
iii. বিক্রয় অর্থের উপর ৮% হারে বার্ষিক সুদ (বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হতে অগ্রক্রয়ের আবেদনের তারিখ পর্যন্ত)।

বিচার্য আদালত ধারা ৯৬(১৪)]: এই ধারার অধীন অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করতে হবে সংশ্লিষ্ট ভূমির দখল সংক্রান্ত মামলা যে আদালতে করা যেত সেই আদালতে।
আপিল [ধারা ৯৬ (১৫)]: এই ধারায় প্রদত্ত আদালত কর্তৃক যেকোনো আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাবে।

Homestead land এর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ [ধারা ৯৬(১৬)]: এই ধারার কোনো কিছুই অর্থাৎ, অগ্রক্রয় বসতবাড়ির ভূমির (Homestead Land)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৫৮৬.
Which entity has the authority to define the specific duties of local government bodies?
  1. The President
  2. The Parliament
  3. The Supreme Court
  4. The Prime Minister’s Office
সঠিক উত্তর:
The Parliament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Parliament
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৫৯: স্থানীয় শাসন:
(১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।

(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:
(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

Article 59: Local government:
(1) Local government in every administrative unit of the Republic shall be entrusted to bodies, composed of persons elected in accordance with law.

(2) Everybody such as is referred to in clause (1) shall, subject to this Constitution and any other law, perform within the appropriate administrative unit such functions as shall be prescribed by Act of Parliament, which may include functions relating to –
(a) administration and the work of public officers;
(b) the maintenance of public order;
(c) the preparation and implementation of plans relating to public services and economic development.
২,৫৮৭.
K & L কোম্পানীর এম.ডি. ও জি.এম. যথাক্রমে M ও N একটি চেক ইস্যু করলে তা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিসঅনার হয়। এক্ষেত্রে কার বিরদ্ধে মামলা করা যাবে?
  1. 'K & L'
  2. 'M' ও 'N'
  3. 'K & L', 'M' ও 'N'
  4. 'K & L ' ও 'M'
সঠিক উত্তর:
'K & L', 'M' ও 'N'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'K & L', 'M' ও 'N'
ব্যাখ্যা
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৪০ ধারার বিধান কোম্পানীর অপরাধসমূহ (Offences of Companies) ধারা ১৩৮ এর আওতায় অপরাধকারী কোম্পানী হলে বর্ণিত কোম্পানীসহ উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় কোম্পানীর ব্যবসায় পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং আইনত দায়ী প্রত্যেক ব্যক্তি ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- যদি দায়ী ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে উক্ত অপরাধ তার জ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়নি অথবা উক্ত অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধের জন্য তিনি সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাহলে তিনি দোষী সাব্যস্ত হবেন না।

- এই আইনের আওতায় কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ সংঘটিত হলে এবং উক্ত কোম্পানির কোন পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তার সম্মতিতে বা পরোক্ষ সমর্থনে বা কোন অবহেলার কারণে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে মর্মে প্রমাণিত হলে, কোম্পানির উক্ত পরিচালক, ব্যবস্থাপক, সচিব বা অন্য কর্মকর্তা ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলে গণ্য হবেন এবং এটির জন্য তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে এবং সেই অনুযায়ী দণ্ডিত হবেন।

- কোনো কোম্পানি Cheque Dishonour মামলায় দোষী হলে, কোম্পানিসহ পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ দায়ী (liable) হবেন। 
--------------
The Negotiable Instruments Act, 1881 Section 140. Offences of Companies:
(1) If the person committing an offence under section 138 is a company, every person who, at the time the offence was committed, was in charge of, and was responsible to, the company for the conduct of the business of the company, as well as the company, shall be deemed to be guilty of the offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly:

Provided that nothing contained in this sub-section shall render any person liable to punishment if he proves that the offence was committed without his knowledge, or that he had exercised all due diligence to prevent the commission of such offence.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), where any offence under this Act has been committed by a company and it is proved that the offence has been committed with the consent or connivance of, or is attributable to, any neglect on the part of any director, manager, secretary or other officer of the company, such director, manager, secretary or other officer shall also be deemed to be guilty of that offence and shall be liable to be proceeded against and punished accordingly.

Explanation. - For the purposes of this section-
(a) “company” means any body corporate and includes a firm or other association of individuals; and
(b) “director” in relation to a firm, means a partner in the firm.
২,৫৮৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন ক্ষতিপূরণের অর্থ __________ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।
  1. রাজস্ব
  2. সরকারী দাবী
  3. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের দাবী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারী দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী দাবী
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে
২,৫৮৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সঙ্গে যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তা-
  1. মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না
  2. বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
  3. ফেরত দেওয়া হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া বাজেয়াপ্ত করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

২,৫৯০.
জেলা জজ আদালত সর্বোচ্চ কত টাকার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন?
  1. ৫০ লাখ টাকা
  2. ১ কোটি টাকা
  3. ৫ কোটি টাকা
  4. ১০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 এর ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

• এই আইন সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়। ২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
২,৫৯১.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন পাঠাবে?
  1. ৫ কার্যদিবস
  2. ৭ কার্যদিবস
  3. ১০ কার্যদিবস
  4. ১৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।
২,৫৯২.
বিভাগীয় কমিশনারের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করার মেয়াদ-
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. ছয় মাস
  4. দুই মাস
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৯ ধারার বিধান রিভিশন:
- (১) এই ভাগের আওতায় রিভিশনের বিশেষ বিধান সাপেক্ষে, কালেক্টর স্বীয় উদ্যোগে তাহার অধস্তন কোনো রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক এই ভাগের অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে বা এইরূপ আদেশের তারিখ হইতে এক মাসের মধ্যে দাখিলকৃত কোনো আবেদনের ভিত্তিতে এইরূপ আদেশ রিভিশন করিতে পারিবে।
- (১ক) কোনো বিভাগীয় কমিশনার স্ব-উদ্যোগে তাহার বিভাগের মধ্যকার কোনো জেলার কালেক্টর কর্তৃক এই অংশের অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে অথবা উক্তরূপ আদেশের তারিখ হইতে তিন মাসের মধ্যে দাখিলকৃত কোনো আবেদনের ভিত্তিতে এইরূপ আদেশ রিভিশন করিতে পারিবে।
- (৩) ভূমি প্রশাসন বোর্ড স্বীয় উদ্যোগে এই অংশের অধীন কোনো বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে অথবা এইরূপ আদেশের তারিখ হইতে ছয় মাসের মধ্যে দাখিলকৃত কোনো আবেদনের ভিত্তিতে এইরূপ আদেশ রিভিশন করিতে পারিবে।
- (৪) ভূমি প্রশাসন বোর্ড সরল বিশ্বাসে কৃত ভুল রহিয়াছে মর্মে সন্তুষ্ট হইলে যেকোনো সময় এই ভাগের অধীন সংরক্ষিত খতিয়ানের যেকোনো ভুক্তি অথবা এই ভাগের অধীন প্রস্তুতকৃত এবং চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত সেটেলমেন্ট খাজনা-বিবরণীতে পুনঃআদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

তবে শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হইয়া থাকিলে এই ধারার অধীন আদেশের রিভিশন করা যাইবে না।

আরও শর্ত থাকে যে, আপিলের সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে বিষয়টির উপর শুনানির জন্য যুক্তিসংগত নোটিশ প্রদান না করিয়া উপ-ধারা (৪) এর অধীন কোনো রিভিশনের আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
-------------
Section 149. Revision:
- (1) Subject to any special provision for revision made in this Part, the Collector may of his own motion within one month of the date of any order passed under this Part by a Revenue-officer subordinate to him or on application made in that behalf within one month of the date of such order, revise such order. 
- (1a) The Commissioner of a division may, of his own motion, within three months of the date of any order passed under this Part by the Collector of a district within the division or on an application made in that behalf within three months of the date of such order, revise such order.
- (3) The Board of Land Administration may, of its own motion, within six months of the date of any order passed under this Part by the Commissioner of a division or on an application made in that behalf within six months of the date of such order, revise such order.

- (4) The 96[Board of Land Administration] may at any time order the correction of any entry in a record-of-rights maintained under this Part or in a settlement rent-roll prepared and finally published under this Part which, it is satisfied, has been made owing to a bona fide mistake: 

Provided that an order shall not be revised under this section if an appeal has been preferred against such order: 

Provided further that no order for correction shall be made under sub-section (4) until reasonable notice has been given to the parties concerned to appeal and be heard in the matter.
২,৫৯৩.
মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩১: আপিল:
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে রায় প্রদান অথবা আদেশ বা দণ্ড ঘোষণার ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে।
২,৫৯৪.
একজন হিন্দু তার একজন অবিবাহিত কন্যা 'A', একজন বিবাহিত কন্যা 'B' এবং একজন বিবাহিত পুত্র সম্ভাব্য কন্যা 'C' কে রেখে মারা যায়। উক্ত মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন-
  1. 'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
  2. 'A' এবং 'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি সমান ভাবে পেয়ে যাবে।
  3. 'A' 'B' এবং 'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি সমান ভাবে পাবে।
  4. 'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
সঠিক উত্তর:
'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
ব্যাখ্যা
- অবিবাহিত কন্যা 'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
বিবাহিত কন্যা 'B' এবং বিবাহিত পুত্র সম্ভাব্য কন্যা 'C' কে অবিবাহিত কন্যা 'A' বঞ্চিত করে কারণ অবিবাহিত কন্যার অবস্থান উত্তরাধিকারীর তালিকায় তাদের (B & C) সবার আগে।
২,৫৯৫.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
  2. একই দাবীতে দেওয়ানী মামলা করা যাবে
  3. একই দাবীতে ফৌজদারী মামলা করা যাবে
  4. সর্বোচ্চ কারাদণ্ড এক বৎসর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
⇒ অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।  
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
- চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।
-এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ বিধানটি সঠিক নয়।
২,৫৯৬.
The Special Powers Act, 1974 এর বিধান অনুযায়ী স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিলে তা কার্যকর করার শর্ত কী?
  1. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন
  2. প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন
  3. আইনমন্ত্রীর অনুমোদন
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974-এর অধীনে, যদি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত ওই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না। ধারা ৩০(২) অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের কার্যক্রম অনতিবিলম্বে হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করতে হবে এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

- The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৩০(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।"

- উদ্ধৃতি (ধারা ৩০(২)):
"the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division."
২,৫৯৭.
বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও, স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকারী-
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়
  2. স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের বিবাহিতা হিন্দু নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন (The Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act, 1946) অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণের অধিকার পেতে পারে:

- স্বামী যদি দুরারোগা কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
- if he (husband) is suffering from any loathsome disease not contracted from her;

- স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
- if he is gulity of such cruelty towards her as renders it unsafe or undesirable for her to live with him;

- স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে;
- if he keeps a concubine in the house or habitually resides with a concubine;

- স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
if he ceases to be a Hindu by conversion to another religion;


- স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
- if he is guilty of desertion, that is to say, of abandoning her without her consent or against her wish;

- স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
- if he marries again
; এবং

- অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
- for any other justifiable cause
২,৫৯৮.
'Doctrine of Accumulation' কী নির্দেশ করে?
  1. সম্পত্তির ব্যবহার
  2. ঋণ পরিশোধের পদ্ধতি
  3. সম্পত্তি বিক্রির সময়সীমা
  4. আয় সঞ্চয়ের সময়সীমা নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
আয় সঞ্চয়ের সময়সীমা নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয় সঞ্চয়ের সময়সীমা নির্ধারণ
ব্যাখ্যা

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ১৭ ধারায় Doctrine of Accumulation নীতির প্রয়োগ ঘটেছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য- হস্তান্তরিত সম্পত্তির আয় সঞ্চিত করার নির্ধারিত সময়কে দীর্ঘ হতে না দেওয়া। গচ্ছিত রাখার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যথা-
১. হস্তান্তরকারীর জীবনকাল;
২. হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১৮ বছর। এই ২টির মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেই সময়ের জন্য আয় গচ্ছিত রাখা যাবে।

ধারা ১৭: সঞ্চিত করার নির্দেশ:
(১) যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ নির্দেশ থাকে যে, সম্পত্তির আয় সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে,
(ক) দাতার জীবনকাল, বা 
(খ) হস্তান্তরের তারিখ হতে আঠার বছরের অধিককালের জন্য সঞ্চিত করতে হবে, সেক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত ব্যতিক্রমের ক্ষেত্র ছাড়া এরূপ নির্দেশ উপরোক্ত মেয়াদ অপেক্ষা অধিককালের জন্য বাতিল বলে গণ্য হবে। এরূপ মেয়াদদ্বয়ের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ও এর আয় এরূপ ভাবে ব্যবহার করা যাবে, যেন যে সময়ের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা অতিবাহিত হয়ে গেছে।

(২) এই ধারা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যের জন্য সঞ্চয়ের নির্দেশকে প্রভাবিত করবে না-
(অ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ববান কোন ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ, অথবা
(আ) দাতা বা হস্তান্তর দ্বারা স্বত্ত্ববান কোন ব্যক্তির সন্ধান বা দূরবর্তী বংশধরগণের সম্পত্তির আয়ের অংশ লাভের ব্যবস্থা করার জন্য, অথবা
(ই) হস্তান্তরিত সম্পত্তি সংরক্ষণ বা দেখাশুনার জন্য এবং এই সকল উদ্দেশ্যে সে অনুযায়ী সঞ্চয়ের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে।

২,৫৯৯.
How many schools of thought exist in the Sunni sect of Islamic law?
  1. two
  2. three
  3. four
  4. five
সঠিক উত্তর:
four
উত্তর
সঠিক উত্তর:
four
ব্যাখ্যা
⇒ Schools of Islamic law:
⇒ There are two different sects among the Muslims. They are Sunni and Shia. Most of the Muslims around the world are Sunni.
⇒ Islamic law and what it means to be a practising Muslim has changed and developed over centuries of thinking. Following the death of the prophet Muhammad pbuh, there have always been differences of opinion in how best to understand the message of God.

⇒ Different interpretations on what Islamic law should be, is reflected in the diverse range of schools of thought or ways of studying and practising Islam.
Among Sunni, there are four most famous Imams, which eventually have created four different schools of thought. They are: Hanafi, Shafi, Maliki and Hanabali.

The Hanbali School is named after Ahmad Ibn Hanbal (d. 855)
The Shafi'i is named after al-Shafi'I (d. 819)
The Maliki is named after Anas bin Malik (d. 795)
The Hanafi School is named after Abu Hanifa (d. 767)

⇒ The main difference between Sunni and Shia Muslims is based on whether or not they believe that Prophet Muhammad explicitly designated a successor.
⇒ Sunni Muslims believe that the Prophet did not explicitly declare a successor. Shia Muslims believe that the Prophet publicly designated his cousin and son-in-law, Hazrat Ali (peace be upon him), as the first in a line of hereditary Imams from the Prophet’s family to lead the community after him.
২,৬০০.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ কোন ধরনের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Compromise
  2. Mediation and Arbitration
  3. Mediation and Reconciliation
  4. Arbitration and Reconciliation
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mediation and Arbitration
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।