বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

মোট প্রশ্ন২,৯৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিজেএস-এর জন্য অতিরিক্ত আইনসমূহ

PrepBank · পাতা ২৪ / ৩০ · ২,৩০১২,৪০০ / ২,৯৬৪

২,৩০১.
'De facto' অর্থ কী?
  1. In Law
  2. In deed
  3. In action
  4. In fact
সঠিক উত্তর:
In fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In fact
ব্যাখ্যা
De facto: শাব্দিক অর্থ- In fact বা According to fact. 'প্রকৃতপক্ষে' বা 'বাস্তবতায়'।
এই শব্দটি আইনি ও রাজনৈতিক প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয় এবং কোনও পরিস্থিতি, অবস্থা বা অবস্থান যা আইনগতভাবে স্বীকৃত নয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিদ্যমান সেটিকে 'de facto' অবস্থা বলা হয়।

কূটনৈতিক (Diplomacy) ক্ষেত্রে: রাষ্ট্র হিসেবে জনসমষ্টি, সরকার, ভূ-খণ্ড, সম্পদের উপর কর্তৃত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের সকল আনুষ্ঠানিকতা সবই আছে, কিন্তু সার্বভৌমত্ব নেই। এককথায় সার্বভৌমত্বহীন হচ্ছে De facto. উদাহরণ- তাইওয়ান, হংকং ও গ্রিনল্যান্ড।

উদাহরণস্বরূপ:
- কোনও দেশে সামরিক বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলে, নতুন সরকার 'de facto' ক্ষমতায় থাকতে পারে, যদিও আইনগতভাবে তারা স্বীকৃত না হন।
- কোনও ব্যক্তি একটি পদে কাজ করতে থাকলে, তিনি 'de facto' সেই পদে কর্মরত বলে গণ্য হতে পারেন, যদিও আইনগতভাবে তিনি সেই পদে নিযুক্ত না হন।

অর্থাৎ, 'de facto' শব্দটি আইনগত স্বীকৃতি না থাকলেও বাস্তবতায় বিদ্যমান অবস্থা কিংবা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
২,৩০২.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে সাব-এজেন্ট সরাসরি প্রিন্সিপালের কাছে দায়বদ্ধ হন?
  1. প্রতারণা করলে
  2. ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করলে
  3. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
সাব-এজেন্ট সম্পর্কিত বিধান (ধারা ১৯২)
১. প্রতিনিধিত্ব - উপযুক্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সাব-এজেন্ট-
যদি কোনো সাব-এজেন্ট যথাযথভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন, তাহলে তৃতীয় পক্ষের (third persons) ক্ষেত্রে তিনি এমনভাবে প্রিন্সিপালকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, যেন তিনিই কর্তার দ্বারা সরাসরি নিযুক্ত একজন এজেন্ট। ফলে, সাব-এজেন্টের কার্যকলাপের জন্য কর্তাও তৃতীয় পক্ষের কাছে বাধ্য ও দায়বদ্ধ হবেন।

২. এজেন্টের দায়িত্ব-
যদিও সাব-এজেন্ট তৃতীয় পক্ষের কাছে প্রিন্সিপালকে প্রতিনিধিত্ব করেন, তথাপি তার কাজের জন্য মূল দায়িত্ব থাকে এজেন্টের ওপর।

৩. সাব-এজেন্টের দায়িত্ব-
সাব-এজেন্ট তার কার্যকলাপের জন্য এজেন্টের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। তিনি প্রিন্সিপালের কাছে সরাসরি দায়বদ্ধ নন - শুধুমাত্র দুটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়:
- প্রতারণা (fraud);
- ইচ্ছাকৃত ক্ষতিসাধন বা জ্ঞাতভাবে অন্যায় (wilful wrong)।
২,৩০৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নিম্নলিখিত কার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক?
  1. প্রধানমন্ত্রীর
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের
ব্যাখ্যা
• পূর্বে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও স্পীকারের কার্যালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ছিল। পরবর্তীতে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংবিধানের ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বাধ্যতামূলক প্রদর্শন বাতিল হয়।

অনুচ্ছেদ ৪ক: জাতির পিতার প্রতিকৃতি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি; রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও প্রধান বিচারপতির কার্যালয় এবং সকল সরকারী ও আধা-সরকারী অফিস, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের প্রধান ও শাখা কার্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস ও মিশনসমূহে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করিতে হইবে।

Article 4A: Portrait of the Father of the Nation
The Portrait of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be preserved and displayed at the offices of the President, the Prime Minister, the Speaker and the Chief Justice and in head and branch offices of all government and semi-government offices, autonomous bodies, statutory public authorities, government and non-government educational institutions, embassies and missions of Bangladesh abroad.
২,৩০৪.
কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সম্মতি বা অসম্মতি দিতে অক্ষম হলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কী অনুমান করতে পারে?
  1. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল
  2. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
  3. উক্ত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে না
  4. কোনো অনুমান করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৪ক (সম্মতি সংক্রান্তে অনুমান):
যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরিয়া লইতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না
২,৩০৫.
নিম্নলিখিত কোন পরিস্থিতিতে উমরিয়াতান নীতি প্রযোজ্য নয়?
  1. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে
  2. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে
  3. পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা ও সন্তান শুধু উত্তরাধিকারী হলে
ব্যাখ্যা

Doctrine of Umariyatan (উমারিয়াতান নীতি):
উমারিয়াতান হলো ইসলামী উত্তরাধিকার আইনের একটি বিশেষ নীতি, যা ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.)-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো মায়ের অংশকে পিতার অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, যাতে মা পিতার চেয়ে বেশি অংশ না পান।

মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার শর্ত:
মাতা ১/৩ অংশ পাওয়ার অধিকারী হবেন যদি নিম্নলিখিত দুটি শর্ত পূরণ হয়:
১. মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (যেমন: নাতি-নাতনি) না থাকে।
২. মৃত ব্যক্তির একাধিক ভাই বা বোন না থাকে (এক ভাই বা এক বোন থাকলে মাতা ১/৩ পাবেন)।

উমারিয়াতান নীতির প্রয়োগ:
উমরিয়াতান নীতি বিশেষভাবে প্রয়োগ হয় যখন নিম্নলিখিত দুটি পরিস্থিতি তৈরি হয়:
১. বাবা, মা, স্বামী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।
২. বাবা, মা, স্ত্রী একসাথে উত্তরাধিকারী হলে।

- এই পরিস্থিতিতে মাতা সরাসরি ১/৩ অংশ না পেয়ে, পিতার অংশ বণ্টনের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে ১/৩ অংশ পাবেন।

২,৩০৬.
Mediation-এর আদেশ হওয়ার পর সর্বোচ্চ কতদিনের মধ্যে উত্তরূপ Mediation-এর কাজ শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
i) মধ্যস্থতা (Mediation);
ii) সালিশী (Arbitration)।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। 
২,৩০৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ আছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১১ ধারা- অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
২,৩০৮.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত একতরফা ডিক্রি বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১০(৬) অনুযায়ী,
- যদি কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাহলে তিনি ডিক্রি প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে আবেদন করে ডিক্রি বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
- আবেদনকারীকে অবশ্যই আদালতকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে, তার অনুপস্থিতির যথার্থ কারণ ছিল (যেমন: অসুস্থতা, সমন না পাওয়া ইত্যাদি)।
আদালত প্রয়োজন মনে করলে শর্তসাপেক্ষে (যেমন: খরচ জমা দেওয়া) ডিক্রি বাতিল করতে পারবে।

উল্লেখ্য:
- Limitation Act, 1908 এর Section 5 অনুযায়ী, বিশেষ কারণে এই ৩০ দিনের মেয়াদ আদালত বাড়াতে পারে।
- তবে সাধারণত ৩০ দিনই স্ট্যান্ডার্ড সময়সীমা।
- একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন ডিক্রি প্রদানকারী আদালতেই করতে হয়।
- বাদীকে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক (ধারা ১০(৬) এর শর্ত)।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৩০ দিন।
২,৩০৯.
বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগদান করেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
  3. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

Article 115- Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.
২,৩১০.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫চ ধারার বিধান-
  1. Bar to jurisdiction of Civil Courts
  2. Finality of Tribunals decisions and orders
  3. Power to abolish Tribunals, etc.
  4. Overriding effect
সঠিক উত্তর:
Bar to jurisdiction of Civil Courts
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bar to jurisdiction of Civil Courts
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫চ ধারার বিধান: দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে প্রতিবন্ধকতা:
- ধারা ১৪৪ এর অধীন সর্বশেষ সংশোধিত খতিয়ান চূড়ান্ত প্রকাশের ফলে সৃষ্ট কোন মোকদ্দমা ১৪৫ক ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের আঞ্চলিক এখতিয়ারের অধীন কোন দেওয়ানি আদালতে দায়ের করা যাবে না।
--------
Section 145F. Bar to jurisdiction of Civil Courts:

- No suit arising out of the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 shall lie in any civil court within the territorial limits of the jurisdiction for which a Land Survey Tribunal is established under section 145A.
২,৩১১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা হতে পারে?
  1. ৩,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুসারে, যদি কোনো পুরুষ বিদ্যমান বিবাহ থাকা অবস্থায় আরবিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি ছাড়া নতুন বিবাহ করেন, তবে তিনি অনধিক ১ (এক) বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
- এছাড়া, এ ক্ষেত্রে তাকে তার বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্পূর্ণ দেনমোহর (Prompt ও Deferred) অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২,৩১২.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, যদি নোটিশ দেওয়া না হয়ে থাকে, তবে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের সময়সীমা কবে থেকে গণনা হবে?
  1. বিক্রয়ের তারিখ থেকে
  2. নিবন্ধনের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
  4. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

২,৩১৩.
"Continuing guarantee" is a guarantee that -
  1. Is given only once
  2. Extends to a single transaction
  3. Extends to a series of transactions
  4. Is given without any consideration
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872- Section 129. "Continuing guarantee"-
A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".

চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন":
যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে।
২,৩১৪.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. চীফ হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব। স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও। তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন। স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের বিধান: স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার:
 (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।
(২) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের পদ শূন্য হইবে, যদি-

(ক) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন;
(খ) তিনি মন্ত্রী-পদ গ্রহণ করেন;
(গ) পদ হইতে তাঁহার অপসারণ দাবী করিয়া মোট সংসদ-সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সমর্থিত কোন প্রস্তাব (প্রস্তাবটি উত্থাপনের অভিপ্রায় জ্ঞাপন করিয়া অন্যূন চৌদ্দ দিনের নোটিশ প্রদানের পর) সংসদে গৃহীত হয়;
(ঘ) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে তাঁহার পদ ত্যাগ করেন;
(ঙ) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর অন্য কোন সদস্য তাঁহার কার্যভার গ্রহণ করেন; অথবা
(চ) ডেপুটি স্পীকারের ক্ষেত্রে, তিনি স্পীকারের পদে যোগদান করেন।

(৩) স্পীকারের পদ শূন্য হইলে বা তিনি [রাষ্ট্রপতিরূপে কার্য করিলে] কিংবা অন্য কোন কারণে তিনি স্বীয় দায়িত্বপালনে অসমর্থ বলিয়া সংসদ নির্ধারণ করিলে স্পীকারের সকল দায়িত্ব ডেপুটি স্পীকার পালন করিবেন, কিংবা ডেপুটি স্পীকারের পদও শূন্য হইলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য তাহা পালন করিবেন; এবং সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পীকার কিংবা ডেপুটি স্পীকারও অনুপস্থিত থাকিলে সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধি-অনুযায়ী কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের দায়িত্ব পালন করিবেন।

(৪) সংসদের কোন বৈঠকে স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে স্পীকার (কিংবা ডেপুটি স্পীকারকে তাঁহার পদ হইতে অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব বিবেচনাকালে ডেপুটি স্পীকার) উপস্থিত থাকিলেও সভাপতিত্ব করিবেন না এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অনুপস্থিতিকালীন বৈঠক সম্পর্কে প্রযোজ্য বিধানাবলী অনুরূপ প্রত্যেক বৈঠকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

(৫) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের অপসারণের জন্য কোন প্রস্তাব সংসদে বিবেচিত হইবার কালে ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকারের কথা বলিবার ও সংসদের কার্যধারায় অন্যভাবে অংশগ্রহণের অধিকার থাকিবে এবং তিনি কেবল সদস্যরূপে ভোটদানের অধিকারী হইবেন।

(৬) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও ক্ষেত্রমত স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার তাঁহার উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৩১৫.
যে উদ্দেশ্য পালনের জন্য কোন চুক্তি করা হয়, সেই উদ্দেশ্য পূরণ অসম্ভব হওয়ার ফলে চুক্তি বাতিল হওয়াকে বলে-
  1. Doctrine of priority
  2. Doctrine of frustration
  3. Doctrine of election
  4. Doctrine of supervening possibility
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of frustration
ব্যাখ্যা
• যখন একটি চুক্তি পালন অসম্ভব হয়ে পড়ে অথবা প্রতিশ্রুতিদাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোনো ঘটনার ফলে চুক্তিটির বাস্তবায়ন অবৈধ হয়ে দাঁড়ায়, তখন চুক্তিটি বাতিল ও বিলুপ্ত হয়ে যায় এটা Doctrine of frustration পরিচিত।

• চুক্তি আইনের ধারা ৫৬ অসম্ভব কাজ করার চুক্তি: 
-যে কাজ শুরু হতে অসম্ভব সে কাজ করার চুক্তি বাতিল।
- কোনো কাজ করার চুক্তি যা, চুক্তিটি করার পর অসম্ভব হয় বা যে ঘটনা অঙ্গীকারকারী বারণ করতে পারেনি সে ঘটনার কারণে বেআইনি হয়, সে চুক্তি যখন অসম্ভব বা বেআইনি হয় তখন বাতিল হয়।
- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এমন কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করেছে, যা সে জানতো বা যুক্তিসঙ্গত চেষ্টা করে জানতে পারতাে এবং যা অঙ্গীকারগ্রহীতা অসম্ভব বা বেআইনি বলে জানতে পারত না, সেক্ষেত্রে উক্ত অঙ্গীকারকারীর অঙ্গীকার অসম্পাদনের মাধ্যমে উক্ত অঙ্গীকারগ্রহীতার যে ক্ষতি হয় সেজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিবে।

• ব্যর্থতা তত্ত্ব (The Doctrine of Frustration): যখন একটি চুক্তির উদ্দেশ্য আর কোনভাবেই সম্পাদন বা বাস্তবায়ন করা যায় না, তখন আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে ঘোষণা দিতে পারে, এরূপ ঘোষণাকে ব্যর্থতার তত্ত্ব বলা হয়।

এ্যানসন (Anson) সকল আইন ব্যবস্থাতেই চুক্তি পালনের নিয়মের পাশা-পাশি চুক্তি অবসানের বিধানও থাকে, যদি অবস্থা বিশেষের পরিবর্তনের ফলে চুক্তির পালন আইনত কিংবা বাস্তবে অসম্ভব হয়।

ব্যর্থতার তত্ত্ব সম্পর্কে বৃটেনের আইন: ১৮৬৩ সালের পূর্বে বৃটিশ Common Law অনুযায়ী চুক্তিতে বিপরীত মর্মে কোন শর্ত না থাকলে চুক্তির সংশিষ্ট পক্ষসমূহ চুক্তি পালনের অসম্ভাব্যতাকে চুক্তির পরিসমাপ্তির কারণ বলে আত্মপক্ষ সমর্থনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারতো না। অর্থাৎ সকল চুক্তি আক্ষরিক অর্থে প্রযোজ্য হতো এবং সকল পক্ষই চুক্তি সম্পাদন করতে সর্বোতভাবে বাধ্য থাকতো।

১৮৬৩ সালের পর ব্যর্থতা তত্ত্বের প্রচলন শুরু হয় এবং এই তত্ত্বানুযায়ী অনেক ক্ষেত্রে আদালত ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বৃটেনের আদালত চুক্তি নষ্ট হয়েছে বলে রায় দিতে পারে:-

ক) চুক্তির অপরিহার্য বস্তুর বিনাশ হলে;
খ) কোন উদ্দেশ্য অর্জন অসম্ভব হলে;
গ) আইনের পরিবর্তন হলে;
ঘ) পূর্বশর্ত পালনে ব্যর্থ হলে:
ঙ) মৃত্যু বা ব্যক্তিগত ক্ষমতা বিনষ্ট হলে; এবং
চ) যুদ্ধ ঘোষিত হলে।

• ব্যর্থতা তত্ত্বের ভিত্তি (Basis of the Doctrine of Furstration): বৃটেনের আইন অনুসারে আদালত নিম্নলিখিত অবস্থায় ব্যর্থতা তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে চুক্তির পরিসমাপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন :-
১. ধারণামূলক শর্ত: কোন কোন ক্ষেত্রে এই ধারণা করা হয় যে, প্রত্যেক চুক্তি পালিত না হওয়া পর্যন্ত একটি বিশেষ বস্তু বা অবস্থার উপস্থিতি বিদ্যমান থাকা আবশ্যিক বলে মনে করা হয়, ঐ অবস্থার অস্তিত্ব থাকলেই চুক্তি সম্পাদনযোগ্য অন্যথায় নয়। সুতরাং চুক্তি পালনের জন্য উক্ত বস্তু বা অবস্থা বিদ্যমান থাকা অপরিহার্য।
২. চুক্তির ভিত্তি ধ্বংস: যদি চুক্তিভুক্ত পক্ষসমূহের বিনা দোষে যে বস্তু বা অবস্থার উপর ভিত্তি করে চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল, সই ভিত্তি বস্তু বা অবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তা ব্যর্থতা তত্ত্বের আওতায় আসবে।
৩. ন্যায়সঙ্গত সমাধান: চুক্তির গঠন এবং ব্যাখ্যার প্রকৃতি দ্বারা অর্থাৎ চুক্তিতে যদি এমন শর্ত বা অবস্থার উলে-খ থাকে যা ঘটলে চুক্তি বাতিল হবে, সেক্ষেত্রে অন্তর্নিহিত অর্থ দ্বারাই ন্যায়সঙ্গত সমাধান হবে অর্থাৎ চুক্তি বাতিল হবে।
৪. শর্তের পরিবর্তন: যে ক্ষেত্রে আদালত দেখতে পায় যেসব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে একটি চুক্তি পালনীয় হবে যেসব অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটেছে এবং এই পরিবর্তনের জন্য কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। সেক্ষেত্রে চুক্তি ব্যর্থ হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
২,৩১৬.
সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর কতদিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে কার্যকারিতা লোপ পায়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, অনুচ্ছেদ ৯৩(১)-এর অধীনে প্রণীত কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর, ইতঃপূর্বে বাতিল না হলে, উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে অথবা ত্রিশ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অননুমোদনের প্রস্তাব গৃহীত হলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লোপ পাবে।

অর্থাৎ সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩০ দিন।

২,৩১৭.
"Ex injuria jus non oritur" শব্দগুচ্ছ দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক্ষমতাই আইন
  2. ন্যায় বিচারই শেষ কথা
  3. অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
  4. আইনের চোখে সবাই সমান
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম নেয় না
ব্যাখ্যা
• Ex injuria jus non oritur
- একটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন আইনগত প্রবচন (legal maxim),
- যার অর্থ হলো: “অন্যায় থেকে অধিকার জন্ম হয় না।”

এটি আন্তর্জাতিক আইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিচারব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোনো অবৈধ বা অন্যায় কাজ করে কেউ তার পক্ষে আইনি অধিকার দাবি করতে পারে না।
২,৩১৮.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনূর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২,৩১৯.
'ক' একজন মুসলিম হানাফী ব্যক্তি বাবা, স্ত্রী, দুই ভাই ও এক মেয়েকে রেখে মারা যান। এক্ষেত্রে তার সম্পত্তিতে ভাইরা কত অংশ পাবে?
  1. ৩/২৪ অংশ
  2. ৪/২৪ অংশ
  3. ৯/২৪ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
উল্লিখিত প্রশ্নে,
⇒ স্ত্রী পাবে সম্পত্তির ১/৮ বা ৩/২৪ অংশ [যেহেতু সন্তান আছে];
⇒ মেয়ে পাবে সম্পত্তির ১/২ বা ১২/২৪ অংশ [যেহেতু একমাত্র কন্যা] এবং
⇒ বাবা অংশীদার হিসেবে ১/৬ বা ৪/২৪ অংশ [ যেহেতু মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান আছে];

মোট= ১/৮ + ১/২ + ১/৬ অংশ।
= ১৯/২৪ অংশ।

অবশিষ্ট= ১ - ১৯/২৪ অংশ
= ৫/২৪ অংশ।

[যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।]

অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাবা বাকি ৫/২৪ অংশ পাবে।

উল্লেখ্য, বাবা জীবিত থাকায় এক্ষেত্রে ভাইয়েরা কোন সম্পত্তি পাবে না।

২,৩২০.
'Betting' on a cricket match is a-
  1. wagering contract
  2. contingent contract
  3. voidable contract
  4. lawful contract
সঠিক উত্তর:
wagering contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wagering contract
ব্যাখ্যা
• The Contract Act, 1872 এর ৩০ ধারা অনুযায়ী-
বাজি সম্পর্কিত চুক্তি [Wagering contract] বাতিল বলে গণ্য হয়ে থাকে। 

'Betting' অর্থ- বাজি ধরা। অন্যদিকে, Wagering contract অর্থ- বাজি ধরা।

সুতরাং, 'Betting' on a cricket match is a- Wagering contract.'
২,৩২১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংসদের স্থায়ী কমিটির বিধান আছে?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদে
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ:

(১) সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সদস্য লইয়া সংসদ নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটিসমূহ নিয়োগ করিবেন:
(ক) সরকারী হিসাব কমিটি;
(খ) বিশেষ-অধিকার কমিটি; এবং
(গ) সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি।

(২) সংসদ এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত কমিটিসমূহের অতিরিক্ত অন্যান্য স্থায়ী কমিটি নিয়োগ করিবেন এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত কোন কমিটি এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে
(ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করিতে পারিবেন;
(খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করিতে পারিবেন;
(গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলিয়া সংসদ কোন বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করিলে সেই বিষয়ে কোন মন্ত্রণালয়ের কার্য বা প্রশাসন সম্বন্ধে অনুসন্ধান বা তদন্ত করিতে পারিবেন এবং কোন মন্ত্রণালয়ের নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহের এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তরলাভের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন;
(ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন।

(৩) সংসদ আইনের দ্বারা এই অনুচ্ছেদের অধীন নিযুক্ত কমিটিসমূহকে
(ক) সাক্ষীদের হাজিরা বলবৎ করিবার এবং শপথ, ঘোষণা বা অন্য কোন উপায়ের অধীন করিয়া তাঁহাদের সাক্ষ্যগ্রহণের,
(খ) দলিলপত্র দাখিল করিতে বাধ্য করিবার ক্ষমতা প্রদান করিতে পারিবেন।
২,৩২২.
কোন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিম স্ত্রী আদালতে তালাক চাইতে পারবেন?
  1. স্বামী পাঁচ বছর কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
  2. তিন বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে
  3. দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর স্বামী ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে
ব্যাখ্যা

১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

২,৩২৩.
সপ্রতিবন্ধ দায়ে উত্তরাধিকার লাভ হয়-
  1. জন্মসূত্রে
  2. মৃত্যুর পর
  3. উইল থাকলে
  4. আদালতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর পর
ব্যাখ্যা

সপ্রতিবন্ধ দায় (Obstructed heritage):
যখন একজনের মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অপরের উত্তরাধিকার অথবা উত্তরজীবীসূত্রে অধিকার জন্মায় তখন ইহাকে সপ্রতিবন্ধ দায় বলা যাইতে পারে। এইক্ষেত্রে অপ্রতিবন্ধ দায়ের ন্যায় জন্মসূত্রে সম্পত্তিতে অধিকার জন্মায় না। অর্থাৎ যেখানে একজনের সম্পত্তি পাওয়া অপরের মৃত্যুর উপর নির্ভরশীল তাহাকেই বলা যায় সপ্রতিবন্ধ দায়। 
এইক্ষেত্রে একজনের অস্তিত্ব অপরের সম্পত্তি পাওয়ার বাধা সৃষ্টি করে। বাধা অপসারিত হইলে পরে অন্যের উপর মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বর্তায়। এইভাবে প্রতিবন্ধকতা অপসারিত হওয়ার পর সম্পত্তি পাওয়াকে বলা হয় সপ্রতিবন্ধ দায়।

অপ্রতিবন্ধ দায় (Unobstructed heritage):
সংস্কৃত এবং বাংলায় দায় কথার অর্থ উত্তরাধিকার (inheritance)। যখন একজন কোন প্রতিবন্ধকতা অর্থাৎ বাধা ব্যতিরেকেই কোন সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে তখন তাহাকে অপ্রতিবন্ধ দায় বলা হয়। যেমন- মিতাক্ষরা মতে জন্মসূত্রে পুত্র পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে পিতার সহ-উত্তরাধিকারী হয়, এখানে পিতার অস্তিত্ব পুত্রের পূর্বপুরুষাগত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইতে কোন বাধা সৃষ্টি করে না। এইভাবে সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হওয়াকে বলে "অপ্রতিবন্ধ দায়।"

২,৩২৪.
The Maxim 'Ignorantia facti excusat' means-
  1. Ignorance of fact is an excuse
  2. Ignorance of law is an excuse
  3. Ignorance of fact is no excuse
  4. Ignorance of law is no excuse
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
ব্যাখ্যা
• Ignorantia facti excusat : Ignorance of fact is an excuse.

Definition: This means that if someone does something wrong because they didn't know all the facts, they might not be punished for it.

ঘটনাগত ভুল (Mistake of Fact)

ঘটনাগত ভুল বা Mistake of Fact হলো অঘটনজনিত কোন ভুল এটা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন ভুল না। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায় বলা হয়েছে-
'কোন কিছু অপরাধ না যা সম্পাদিত হয় এমন ব্যক্তি দ্বারা যে আইনগত ভুলের কারণে নয় বরং ঘটনাগত ভুলের কারণে সরল বিশ্বাসে নিজেকে কাজটি করতে আইনবলে বাধ্যবলে বিশ্বাস করে।'

যেমন- পুলিশ 'A'- কে 'B' মনে করে সরল বিশ্বাসে 'B' কে গ্রেফতার করে। এটা Mistake of Fact বা ঘটনাগত ভুল এবং এটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ঘটনার অজ্ঞতা বা ঘটনা জানি না ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির অজুহাত হতে পারে (ignorance of fact is excusable)।

উল্লেখ্য,
আইনগত ভুল বা Mistake of Law অর্থ হলো কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে বিদ্যমান আইন বা অন্যভাবে কোন আইন সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং একই সাথে আইন কি সেই সম্পর্কে ভুল ধারণা। আইন জানিনা এই কারণে কোন ব্যক্তি ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পেতে পারে না কারণ আইন জানিনা এটা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না (Ignorance of law is no excuse)।
২,৩২৫.
De jure শব্দের অর্থ কী?
  1. In fact
  2. In law
  3. indeed
  4. in action
সঠিক উত্তর:
In law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In law
ব্যাখ্যা
De Jure: শাব্দিক অর্থ হচ্ছে In law বা According to law.

- 'de jure' একটি ল্যাটিন phrase. 
- যার বাংলা অর্থ আইনগত ভাবে বিদ্যমান।
- এটার বিপরীত De facto বা in action.
২,৩২৬.
মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরুপ গঠন বিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তুকে কী বলে?
  1. অ্যাগনিস্ট (Agonist)
  2. অ্যালকালয়েড (Alkaloid)
  3. অ্যালকোহল (Alcohol)
  4. অ্যানালগ (Analogue)
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২(২)-এ 'অ্যাগনিস্ট (Agonist)'-কে সুনির্দিষ্টভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: এইরূপ কোনো বস্তু যাহা তপশিলে উল্লিখিত কোনো মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কার্যকর। এটি মাদকের ফার্মাকোলজিক্যাল (pharmacological) প্রভাবের অনুরূপ কিন্তু স্ট্রাকচারাল (structural) সাদৃশ্য ছাড়া।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
খ) অ্যালকালয়েড (Alkaloid): (৪)‘অ্যালকালয়েড (Alkaloid)’ অর্থ তপশিলের উল্লিখিত কোনো বস্তু বা মাদকদ্রব্য হইতে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো বস্তু যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া মূল মাদকদ্রব্য বা মাদকজাতীয় বস্তুটির অনুরূপ;
গ) অ্যালকোহল (Alcohol): (৫) ‘অ্যালকোহল (Alcohol)’ অর্থ 1[হাইড্রোকার্বনজাত হাইড্রোক্সিল (OH-] মূলকসম্বলিত কোনো জৈব যৌগ অথবা তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ৩ এবং ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোনো তরল পদার্থ;।
ঘ) অ্যানালগ (Analogue): (৩) ‘অ্যানালগ (Analogue)’ অর্থ তপশিলের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই এইরূপ বস্তু, যাহার রাসায়নিক সংগঠন তপশিলের অন্তর্গত কোনো মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম। 

অর্থাৎ মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তু বলতে অ্যাগনিস্ট (Agonist) বোঝায়। সুতরাং সঠিক উত্তর ক)।

২,৩২৭.
'A' ৫০০০ টাকা 'B' বরাবর এই শর্তে হস্তান্তর করলো যে, সে 'C', 'D' এবং 'E'-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করবে। 'E' মারা গেল। 'B', 'C' এবং 'D'-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করলো। কোন নীতি অনুসারে 'B' শর্তটি পূরণ করেছে বলে ধরে নেওয়া হবে?
  1. Doctrine of Election
  2. Doctrine of Cy-pres
  3. Doctrine of Part Performance
  4. Doctrine of Priority
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Cy-pres
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Doctrine of Cy-pres
ব্যাখ্যা
• A ৫০০০ টাকা B বরাবর এই শর্তে হস্তান্তর করলো যে, সে C, D এবং E-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করবে। E মারা গেল। B, C এবং D-এর সম্মতি নিয়ে বিবাহ করলো। B শর্তটি পূরণ করেছে বলে ধরে নেওয়া হবে। ধারা ২৬ অনুসারে পূর্বশর্ত যতদূর সম্ভব পূরণ করতে হবে। Doctrine of Cy-pres নীতিটি প্রয়োগ হয়েছে।

এই নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি যার অর্থ যতদূর বা যথাসম্ভব কাছাকাছি। যদি কোন সম্পত্তির হস্তান্তরকারীর প্রকৃত শর্তানুযায়ী কোন হস্তান্তর হুবহু বা অবিকলভাবে কার্যকর করা অসম্ভব বা অযৌক্তিক হয় তাহলে হস্তান্তরকারীর মূল উদ্দেশ্য বা রাজার যথাসম্ভব কাছাকাছি উক্ত হস্তান্তর কার্যকর করা যাবে। Doctrine of cy-pres নীতিটি ২৬ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

ধারা ২৬: পূর্বশর্ত পূরণ
যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ কোনো শর্ত আরোপ করে যে, ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ লাভ করার পূর্বে ঐ শর্ত পালন করতে হবে, সেক্ষেত্রে ঐ শর্তটি যদি মোটামুটি ভাবে প্রতিপালিত হয়, তাহলে তা সম্পৃরূপে প্রতিপালিত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 26: Fulfilment of condition precedent
Where the terms of a transfer of property impose a condition to be fulfilled before a person can take an interest in the property, the condition shall be deemed to have been fulfilled if it has been substantially complied with.
২,৩২৮.
রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুসারে রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ দেওয়া হয়?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৫
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর ধারা ৬ অনুসারে, সরকার উপযুক্ত মনে করে সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে।
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬: রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার:
সরকার, উপযুক্ত মনে করিলে, সরকারি কর্মকর্তা বা অন্য কোন ব্যক্তিকে, পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতিতে গঠিত, কতিপয় জেলায় এবং কতিপয় উপ জেলায়, যথাক্রমে রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রার, হিসাবে নিয়োগ প্রদান করিতে পারিবে। 
------------
⇒ Section 6. Registrars and Sub-Registrars:
The Government may appoint such persons, whether public officers or not, as it thinks proper, to be Registrars of the several districts, and to be Sub-Registrars of the several sub-districts, formed as aforesaid, respectively.

২,৩২৯.
'Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.'- The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২৩ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা

• The Contract Act, 1872: Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.

In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।

এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।

২,৩৩০.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী তালাকের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দেওয়ার পর কত দিন পর তালাক কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭(৩) এ বলা হয়েছে: “তালাক, যদি এর আগে প্রত্যাহার না করা হয় (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে), তবে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে নব্বই (৯০) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না।
অর্থাৎ স্বামী তালাক উচ্চারণ করার পর যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও একটি কপি পাঠাতে হবে।
- চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানো।
- তালাকের নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিন পার হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টিকে এক ধরনের “Cooling-off Period” বা সমঝোতার সুযোগ বলা যায়।
- যদি স্ত্রী নোটিশ দেওয়ার সময় গর্ভবতী থাকেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরেও গর্ভকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারণ করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনোভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

২,৩৩১.
A transfer of immovable property made with the intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be:
  1. Void
  2. Voidable at the discretion of the court
  3. Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
ব্যাখ্যা
• শঠতামূলক হস্তান্তর (Fraudulent transfer):

৫৩ ধারা অনুসারে,
হস্তান্তরকারী তার পাওনাদারদের (creditors) ঠকানো বা পাওনা আদায়ে বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে যেকোন পাওনাদারের দাবী অনুযায়ী উক্ত হস্তান্তর বাতিলযোগ্য বিবেচিত হবে।

⇒ পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের উদ্দেশ্যে পূর্বে সম্পাদিত প্রত্যেকটি বিনামূল্যের হস্তান্তর পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতার দাবিক্রমে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
⇒ পরবর্তী কোনো একটি হস্তান্তর মূল্যের বিনিময়ে করা হয়েছে, কেবল এ কারণেই ধরে নেয়া হবে না যে, পূর্বের বিনামূল্যের হস্তান্তরটি পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের জন্য করা হয়েছিল।

Section 53: Fraudulent transfer

(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.
২,৩৩২.
অকৃষি জমির উন্নয়ন কাজ সংক্রান্ত প্রশ্ন দেখা দিলে, কে সিদ্ধান্ত দিবেন?
  1. ভূমি রাজস্ব কর্মকর্তা
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. ভূমি জরিপ কর্মকর্তা
  4. দেওয়ানি আদালত
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
২,৩৩৩.
দুর্নীতি দমন কমিশনারদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪" এর ধারা ৬: কমিশনারগণের নিয়োগ ও মেয়াদ-
(১) কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৭ অনুসারে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন৷ 
(২) কমিশনারগণ পূর্ণকালীন সময়ের জন্য স্ব-স্ব পদে কর্মরত থাকিবেন৷ 
(৩) কমিশনারগণ, ধারা ১০ এর বিধান সাপেক্ষে, তাঁহাদের [যোগদানের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর] মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷ 
(৪) উক্ত মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর কমিশনারগণ পুনঃ নিয়োগের যোগ্য হইবেন না৷
২,৩৩৪.
সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কী গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব
  2. বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান
  3. বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩০ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবেন না।
- এই বিধান নাগরিকদের জন্য বিদেশী রাষ্ট্র থেকে সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে।
- এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা।

⇒ প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো হলো:
ক) বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব: যেমন নাইটহুড, স্যার, ডেম ইত্যাদি।
খ) বিদেশী রাষ্ট্রের সম্মান: কোনো বিশেষ সম্মাননা বা পদক।
গ) বিদেশী রাষ্ট্রের পুরস্কার: কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা স্বীকৃতি।
ঘ) উপরের সবগুলো: অর্থাৎ খেতাব, সম্মান ও পুরস্কার সবই।
⇒ যেহেতু সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদে খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ সবই উল্লেখ আছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) উপরের সবগুলো।

সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদের মূল উদ্দেশ্য:
এই বিধানটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বিদেশী রাষ্ট্রের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি নিশ্চিত করে যে, কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো ধরনের সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করলে তা যেন রাষ্ট্রের মর্যাদা বা নিরাপত্তাকে প্রভাবিত না করে।

সুতরাং, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো নাগরিক বিদেশী রাষ্ট্রের খেতাব, সম্মান বা পুরস্কার গ্রহণ করতে পারবেন না।
২,৩৩৫.
No person shall be deprived of life or personal liberty ____ in accordance with law.
  1. except
  2. save
  3. save & except
  4. provided
সঠিক উত্তর:
save
উত্তর
সঠিক উত্তর:
save
ব্যাখ্যা
Article 32: Protection of right to life and personal liberty

No person shall be deprived of life or personal liberty save in accordance with law.

অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ

আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
২,৩৩৬.
দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসারে, বিধবা স্ত্রী কী ভিত্তিতে সম্পত্তি ভোগ করতে পারেন?
  1. দান হিসেবে
  2. জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
  3. অস্থায়ী ভাড়া ভিত্তিতে
  4. স্থায়ী মালিকানা ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনস্বত্ব ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

⇒ দায়ভাগ পদ্ধতি অনুযায়ী, বিধবা স্ত্রীর সম্পত্তির অধিকার "জীবনস্বত্ব" (Life Estate) ভিত্তিক।  এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
সীমিত স্বত্ব:
- বিধবা স্ত্রী সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহার করতে পারেন (যেমন: ফসল তোলা, বাস করা)।
- জরুরি প্রয়োজনে বিক্রিও করতে পারেন (যদি আদালত অনুমোদন দেয়)।
স্থায়ী মালিকানা নয়:
- তিনি সম্পত্তির চূড়ান্ত মালিক নন।
- তাঁর মৃত্যুর পর সম্পত্তি স্বামীর উত্তরাধিকারীদের (পুত্র, পৌত্র ইত্যাদি) কাছে ফিরে যায়।
১৯৩৭ সালের আইনের প্রভাব:
- হিন্দু উইমেন্স রাইটস টু প্রপার্টি অ্যাক্ট, ১৯৩৭ অনুযায়ী বিধবা পুত্রের সমান অংশ পান, কিন্তু তা শুধু জীবনস্বত্ব হিসেবে।

উদাহরণ:
যদি স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে এক পুত্র ও এক বিধবা স্ত্রী থাকেন, তবে:
- পুত্র পাবে ৫০% (স্থায়ী মালিকানা)।
- বিধবা পাবেন ৫০% (জীবনস্বত্বে), যা তাঁর মৃত্যুর পর পুত্র বা স্বামীর অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের কাছে ফিরে যাবে।

২,৩৩৭.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত সার্টিফিকেট ইস্যুর কত দিনের মধ্যে পক্ষগণ কোর্ট ফি ফেরত পাবার অধিকারী হবে?
  1. ১৫
  2. ৩০
  3. ৪৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
- মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হলে আদালত পক্ষগণকে কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার (Refund of court fees) জন্য একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবে এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর তারিখ থেকে ষাট (৬০) দিনের মধ্যে পক্ষগণ তা ফেরত পাবার অধিকারী হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক (১১) কোর্ট ফি আইন, ১৮৭০ (১৮৭০ সালের ৭নং আইন) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, কোন মোকদ্দমার বিরোধ বা বিরোধসমূহ এই ধারার অধীনে মীমাংসায় নিষ্পত্তি হলে পক্ষসমূহের মাধ্যমে আরজি কিংবা জবাবে প্রদত্ত কোর্ট ফি ফেরত দেয়ার নির্দেশ প্রদান করে কোর্ট একটি সার্টিফিকেট জারি করবে এবং সার্টিফিকেট জারির তারিখ থেকে ষাট দিনের ভিতর পক্ষসমূহ তা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে।
----------------
- CPC Section 89A (11) Notwithstanding anything contained in the Court-fees Act, 1870 (Act No. VII of 1870), where a dispute or disputes in a suit are settled on compromise under this section, the Court shall issue a certificate directing refund of the court fees paid by the parties in respect of the plaint or written statement; and the parties shall be entitled to such refund within 60 (sixty) days of the issuance of the certificate.
২,৩৩৮.
"যা জনকল্যাণমূলক তাই গ্রাহ্য" এটি কীসের মূল বক্তব্য?
  1. ইসতিহসান [Istihsan]
  2. ইসতিসলাহ [Istislah]
  3. ইসতিদলাল
  4. ইজতিহাদ
সঠিক উত্তর:
ইসতিসলাহ [Istislah]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসতিসলাহ [Istislah]
ব্যাখ্যা
⇒ ইসতিসলাহ : ইমাম মালেকের মতে, যা জনকল্যাণমূলক তাই গ্রাহ্য; এটি ইসতিসলাহের মূল বক্তব্য। ইমাম মালেক এ নীতির প্রবর্তক এবং এ নীতিকেই ইসতিসলাহ বলা হয়।
 
তাঁর মতে এটি আইনের একটি উৎস। মালেকী মাযহাবের আইনবিজ্ঞানীদের অনেকের মতেই এ নীতি মোটেই জনপ্রিয় হয়নি। মালিকী মাযহাবের আইনবিজ্ঞানীদের অনেকের মতেই এ নীতি এতই অস্পষ্ট এবং অনির্দিষ্ট যে, এর ওপর ভিত্তি করে কোনো আইনগত সিদ্ধান্ত সম্ভব নয়। মালেকী মাযহাবের আইন-বিজ্ঞানীগণ কখনও এ উৎসের পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেননি।

⇒ মুসলিম আইনের উৎস প্রধানত ৪টি।
১. পবিত্র কোরআন
২. হাদিস
৩. ইজমা
৪. কিয়াস

⇒  অন্যান্য উৎসগুলো হলো
ক. ইসতিহসান [Istihsan]
খ. ইসতিসলাহ [Istislah]
গ. ইসতিদলাল
ঘ. ইজতিহাদ
ঙ. তকলিদ 

⇒  ইসলামিক শরীয়া আইনের মূল উৎস হল ইসলাম ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরীফ, যা মুসলমানদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২,৩৩৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১১৪
  2. ১১৫
  3. ১১৬
  4. ১১৬ক
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
অধস্তন আদালত:
অনুচ্ছেদ ১১৪ এর বিধান অধস্তন আদালত-সমূহ প্রতিষ্ঠা:
- আইনের দ্বারা যেরূপ প্রতিষ্ঠিত হইবে, সুপ্রীম কোর্ট ব্যতীত সেইরূপ অন্যান্য অধস্তন আদালত থাকিবে।

অনুচ্ছেদ ১১৫ এর বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

- বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৬ এর বিধানঅধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
- বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

অনুচ্ছেদ ১১৬ক এর বিধান বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
 - এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন।

অনুচ্ছেদ ১১৫ : অধস্তন আদালতে নিয়োগ  'বিচার বিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।' 
সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলেই 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন' গঠনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
BJSC'র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি: বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন বিধিমালা, ২০০৭।
২,৩৪০.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নিম্নের কে নারী সপিণ্ড নয়?
  1. কন্যা
  2. মাতা
  3. বোন
  4. পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা;
৫. পিতার পিতার মাতা।
২,৩৪১.
নিম্নের কোনটি অর্থবিলের বিষয় নয়?
  1. কোনো কর আরোপ
  2. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
  3. সরকারের হিসাব নিরীক্ষা
  4. সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কর আরোপ
ব্যাখ্যা
⇒ কোন কোন বিল 'অর্থ বিল' বলে গণ্য হয় সেটা সংবিধানের ৮১ (১) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, যে সকল বিল 'অর্থ বিল' না সেগুলো সংবিধানের ৮১ (২) ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। সংবিধানের ৮১ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ সংক্রান্ত বিল, অর্থ বিল না।


⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদের বিধান: অর্থবিল:
 (১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 

(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
(খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
(গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
(ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
(ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
(চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
 
(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 
(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
-----------
⇒ Article 81 Money Bills:
 (1) In this Part “Money Bill” means a Bill containing only provisions dealing with all or any of the following matters – 

(a) the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax; 
(b) the borrowing of money or the giving of any guarantee by the Government, or the amendment of any law relating to the financial obligations of the Government; 
(c) the custody of the Consolidated Fund, the payment of money into, or the issue or appropriation of moneys from, that Fund; 
(d) the imposition of a charge upon the Consolidated Fund or the alteration or abolition of any such charge; 
(e) the receipt of moneys on account of the Consolidated Fund or the Public Account of the Republic, or the custody or issue of such moneys, or the audit of the accounts of the Government; 
(f) any subordinate matter incidental to any of the matters specified in the foregoing sub clauses. 

(2) A Bill shall not be deemed to be a Money Bill by reason only that it provides for the imposition or alteration of any fine or other pecuniary penalty, or for the levy or payment of a licence fee or a fee or charge for any service rendered, or by reason only that it provides for the imposition, regulation, alteration, remission or repeal of any tax by a local authority or body for local purposes. 

(3) Every Money Bill shall, when it is presented to the President for his assent, bear a certificate under the hand of the Speaker that it is a Money Bill, and such certificate shall be conclusive for all purposes and shall not be questioned in any court.
২,৩৪২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কোন ধরনের অপরাধ?
  1. Bailable
  2. Cognizable
  3. Non-cognizable
  4. Compoundable
সঠিক উত্তর:
Cognizable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognizable
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৬: অপরাধের আমলযোগ্যতা, আপোষযোগ্যতা ও জামিনযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) , অ-জামিনযোগ্য(non-bailable) এবং অ-আপোসযোগ্য (non-compoundable) হইবে।
২,৩৪৩.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭ অনুযায়ী রেজিস্ট্রারের অগ্রাহ্যের আদেশের পর কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৭৭(১) অনুসারে, রেজিস্ট্রার কর্তৃক দলিল নিবন্ধন অগ্রাহ্য করার আদেশ প্রদানের পর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। এই মামলার মাধ্যমে আদালতের কাছে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য ডিক্রি চাওয়া যায়।

⇒ The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।
----------
⇒ Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 

(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.

২,৩৪৪.
এস, এ খতিয়ান কোন আইনের অধীনে তৈরি?
  1. Bengal Tenancy Act, 1885
  2. The Survey Act, 1875
  3. State Acquisition and Tenancy Act, 1950
  4. Cadastral Survey Act, 1888
সঠিক উত্তর:
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
উত্তর
সঠিক উত্তর:
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
ব্যাখ্যা

এস.এ (SA) খতিয়ান:
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

২,৩৪৫.
নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর পুনঃনিবন্ধনের জন্য দলিল দাখিল করতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা

⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.

২,৩৪৬.
No election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by _______ presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
  1. a writ petition
  2. an election petition
  3. public petition
  4. none of above
সঠিক উত্তর:
an election petition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an election petition
ব্যাখ্যা
Article 125: Validity of election law and elections

Notwithstanding anything in this Constitution – 
(a) the validity of any law relating to the delimitation of constituencies, or the allotment of seats to such constituencies, made or purporting to be made under article 124, shall not be called in question in any court; 
 
(b) no election to the office of President or to Parliament shall be called in question except by an election petition presented to such authority and in such manner as may be provided for by or under any law made by Parliament. 
 
(c) A court shall not pass any order or direction, ad interim or otherwise, in relation to an election for which schedule has been announced, unless the Election Commission has been given reasonable notice and an opportunity of being heard.

অনুচ্ছেদ ১২৫: নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা

এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-

(ক) এই সংবিধানের ১২৪ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বা প্রণীত বলিয়া বিবেচিত নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, কিংবা অনুরূপ নির্বাচনী এলাকার জন্য আসন-বণ্টন সম্পর্কিত যে কোন আইনের বৈধতা সম্পর্কে আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না;

(খ) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইনের দ্বারা বা অধীন বিধান-অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের নিকট এবং অনুরূপভাবে নির্ধারিত প্রণালীতে নির্বাচনী দরখাস্ত ব্যতীত রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন বা সংসদের কোন নির্বাচন সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

(গ) কোন আদালত, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হইয়াছে এইরূপ কোন নির্বাচনের বিষয়ে, নির্বাচন কমিশনকে যুক্তিসংগত নোটিশ ও শুনানির সুযোগ প্রদান না করিয়া, অন্তর্বর্তী বা অন্য কোনরূপে কোন আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করিবেন না।
২,৩৪৭.
চুক্তি গঠনের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. সম্মতি
  2. প্রস্তাব
  3. প্রতিশ্রুতি
  4. নিবন্ধন
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
চুক্তি (Contract) গঠনের জন্য সাধারণত নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা হয়:ণ

১. প্রস্তাব (Proposal / Offer):
- এটাই চুক্তি গঠনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- যখন একজন ব্যক্তি অন্যকে কিছু করার বা না করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং সেই কাজের জন্য অপর পক্ষের সম্মতি চায়, তখন তাকে প্রস্তাব বলা হয়।

উদাহরণ:
রাহুল একজন গাড়ি বিক্রেতা। সে জয়নালকে বলে, “আপনাকে আমি আমার গাড়িটি ৫ লক্ষ টাকায় দিতে চাই।”- এটি একটি প্রস্তাব।

২. সম্মতি (Acceptance):
যদি প্রস্তাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রস্তাবে সম্মতি দেয়, তাহলে সেটি প্রস্তাব গ্রহণ হিসেবে গণ্য হয় এবং তখন প্রস্তাবটি প্রতিশ্রুতি (Promise)-তে রূপ নেয়।

৩. প্রতিশ্রুতি (Promise) ও চুক্তি:
যখন সম্মতির সাথে কোনো বিনিময়মূল্য বা consideration জড়িত থাকে, তখন সেটা আইনত চুক্তি (Contract) হিসেবে গণ্য হয়।
২,৩৪৮.
কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী কিরূপ ক্ষতিপূরণ পাবে?
  1. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের ২/৩ ভাগ
  3. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণসহ ৬.৫% সুদ
  4. চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ৭৪ ধারার বিধান জরিমানার শর্তযুক্ত চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ:
- যখন কোন চুক্তিভঙ্গ হয় তখন চুক্তিতে যদি এরূপ ভঙ্গের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ উল্লেখ থাকে অথবা
- জরিমানাস্বরূপ অন্য কোন শর্ত যদি চুক্তিতে সংযুক্ত থাকে তাহলে-
চুক্তিভঙ্গের অভিযোগকারী পক্ষ উক্ত ভঙ্গের কারনে তার প্রকৃত কোন ক্ষতি বা লোকসান প্রমাণিত হোক বা না হোক চুক্তিভঙ্গকারী পক্ষের নিকট হতে এভাবে উল্লিখিত পরিমাণের অনধিক যুক্তিসঙ্গত ক্ষতিপূরণ অথবা জরিমানা গ্রহণ করার অধিকারী।

ব্যাখ্যা- পরিশোধে অক্ষমতার তারিখ হতে বর্ধিত সুদের কোন শর্ত জরিমানার শর্ত হতে পারে।

- কোনো বেসরকারি ব্যবসা সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ The Contract Act, 1908 এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী চুক্তিতে উল্লিখিত ক্ষতিপূরণের সীমার মধ্যে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ পাবে।
---------------
Section 74. Compensation for breach of contract where penalty stipulated for: 
When a contract has been broken, if a sum is named in the contract as the amount to be paid in case of such breach, or if the contract contains any other stipulation by way of penalty, the party complaining of the breach is entitled, whether or not actual damage or loss is proved to have been caused thereby, to receive from the party who has broken the contract reasonable compensation not exceeding the amount so named or, as the case may be, the penalty stipulated for. 
Explanation – A stipulation for increased interest from the date of default may be stipulation by way of penalty.

Exception.–When any person enters into any bail-bond, recognizance or other instrument of the same nature, or, under the provisions of any law, or under the orders of the 2[Government], gives any bond for the performance of any public duty or act in which the public are interested, he shall be liable, upon breach of the condition of any such instrument, to pay the whole sum mentioned therein. 

Explanation -A person who enters into a contract with Government does not necessarily thereby undertake any public duty, or promise to do an act in which the public are interested.
২,৩৪৯.
দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কোন ধারার অপরাধের মিল রয়েছে?
  1. ২২
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার অপরাধের সাথে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার অপরাধের মিল রয়েছে। এই দুই জায়গাতে পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশে প্রতারণার অপরাধের বিধান রয়েছে।
- এগুলো অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণার
অপরাধ বলে বিবেচিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপধারণ পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে। যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে।

সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২৪ ধারার বিধান: পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণ:
 (১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, কম্পিউটার সিস্টেম, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কোনো ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করিয়াে
(ক) প্রতারণা করিবার বা ঠকাবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করেন বা অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো তথ্য নিজের বলিয়া প্রদর্শন করেন; বা
(খ) উদ্দেশ্যমূলকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তা নিম্নবর্ণিত উদ্দেশ্যে নিজের বলিয়া ধারণ করেন,-
(অ) নিজের বা অপর কোনো ব্যক্তির সুবিধা লাভ করা বা করাইয়া দেওয়া;
(আ) কোনো সম্পত্তি বা সম্পত্তির স্বার্থ প্রাপ্তি;
(ই) কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসত্তার ক্ষতিসাধন,
তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণপূর্বক প্রতারণা: কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণসমূহ:
(ক) ক একই নামে একজন বিত্তশালী ব্যাংকার বলে নিজেকে পরিচয় দান করে। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।
(খ) ক নিজেকে খ বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, খ জনৈক মৃত ব্যক্তি। ক অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
২,৩৫০.
কোনটি নির্ধারণের জন্য চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয়?
  1. Fraud
  2. Mistake
  3. Coercion
  4. Undue Influence
সঠিক উত্তর:
Undue Influence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Undue Influence
ব্যাখ্যা
• চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয় Undue Influence (অযৌক্তিক প্রভাব) নির্ধারণের জন্য। Undue Influence তখন ঘটে, যখন চুক্তির এক পক্ষ অন্য পক্ষের উপর তার প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি করতে বাধ্য করে। আদালত এই সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচার করে যে চুক্তিটি অযৌক্তিক প্রভাব দ্বারা হয়েছে কিনা।

• চুক্তি আইনের ১৬ ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৬ ধারায় বলা হয়েছে-
 যখন চুক্তির পক্ষবৃন্দের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কে এ রকম হয় যে, এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার ওপর কর্তৃত্ব বা অমন চুক্তি করতে সক্ষম থাকে এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করতে সে উক্ত কর্তৃত্বময় অবস্থা ব্যবহার করে, তখন এমন চুক্তি "অসঙ্গত প্রভাব' দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
শুধুমাত্র কর্তৃত্বময় অবস্থান থাকলেই হবে না বরং এটাও প্রমাণ করতে হবে যে, অন্যায্য সুবিধা আদায় করার জন্য এমন কর্তৃত্বময় অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
২,৩৫১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কার আদেশক্রমে ধ্বংস করা হবে?
  1. জব্দকারী অফিসারের
  2. থানার অফিসার ইন চার্জের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:

(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

২,৩৫২.
নিচের কোনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিলির অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন
  2. বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া
  3. বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করতে দেওয়া
  4. উপরোক্ত সব
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া; 
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া; 
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা; 
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং 
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া। 
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
২,৩৫৩.
The second important source of Islamic law is-
  1. Quran
  2. Qiyas
  3. Hadith.
  4. Ijma
সঠিক উত্তর:
Hadith.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hadith.
ব্যাখ্যা
⇒ Sunnah/Hadith as a source of law: Hadith is the second source of Islamic law. In some cases, it interprets the Qur'an, complements the Qur'an and lays down new principles and laws as well. There are mainly three types of Hadith, which include the words spoken by Prophet (sm), the works done by Prophet (sm) and the works to which the Prophet (sm) consented as valid.

⇒ Hadith has come to us through the chains of narration (sanad). Depending on the number and personal qualities of the narrators at different stages, hadith also have been graded in different categories like, mashhur, mutawatir, wahid, etc. Hadith, the narration of which could not be proved as completely reliable is known as 'weak' or 'dhaif Hadith.
২,৩৫৪.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭ এর অধীনে কোন কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. যেকোন ব্যক্তি
  2. শুধুমাত্র জমির মালিক
  3. শুধুমাত্র অ-কৃষি ভূমির প্রজা
  4. জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
সঠিক উত্তর:
জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিদার ও অ-কৃষি ভূমির প্রজা উভয়েই
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, ধারা ৮৭: এই আইনের অধীন কার্যধারায় বিচারব্যবস্থার এখতিয়ার:
যখন এই আইনের অধীনে কোনো আদালতকে কোনো আদেশ প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়, যেটি কোনো জমিদার বা অ-কৃষি ভূমির প্রজা (non-agricultural tenant) আবেদনক্রমে দেওয়া হবে, তখন উক্ত আবেদন সেই দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) দাখিল করতে হবে, যে আদালত উক্ত ভাড়াকৃত অ-কৃষি ভূমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণের এখতিয়ার রাখে, যার প্রেক্ষিতে উক্ত আবেদনটি করা হয়েছে।

সারাংশ:
যে দেওয়ানি আদালত অ-কৃষি জমির দখল সংক্রান্ত মামলা গ্রহণ করতে পারে, সেই আদালতেই এই আইনের অধীনে landlord বা tenant আবেদন করতে পারবেন।
২,৩৫৫.
খসড়া রেকর্ড অব রাইটস প্রকাশের উদ্দেশ্য কী?
  1. ভূমি কর নির্ধারণ
  2. কৃষকদের তালিকা তৈরি
  3. জমি বিক্রির অনুমোদন
  4. আপত্তি গ্রহণ ও বিবেচনা করা
সঠিক উত্তর:
আপত্তি গ্রহণ ও বিবেচনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তি গ্রহণ ও বিবেচনা করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: Draft and final publication of the record-of-rights (রেকর্ড অব রাইটস-এর খসড়া ও চূড়ান্ত প্রকাশনা)-
(১) যখন কোনো রেকর্ড অব রাইটস (খতিয়ান) প্রস্তুত বা সংশোধিত হয়ে ধারা ১৮-এ উল্লেখিত তথ্যসমূহ অন্তর্ভুক্ত করে তখন রাজস্ব কর্মকর্তা নির্ধারিত পদ্ধতি ও নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী উক্ত রেকর্ড অব রাইটস-এর একটি খসড়া প্রকাশ করবেন এবং প্রকাশনার সময়সীমার মধ্যে উক্ত রেকর্ডের কোনো তথ্যের বিরুদ্ধে বা কোনো তথ্য বাদ পড়ার বিষয়ে আপত্তি জানালে তা গ্রহণ ও বিবেচনা করবেন।

(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী করা আপত্তির ওপর রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা প্রদত্ত আদেশে কেউ যদি অসন্তুষ্ট হন, তাহলে তিনি নির্ধারিত নিয়ম ও নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার-সমমর্যাদার বা তদূর্ধ্ব কোনো নির্ধারিত রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন।

(৩) উপর্যুক্ত সকল আপত্তি ও আপিল সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসারে বিবেচনা ও নিষ্পত্তি করার পর, রাজস্ব কর্মকর্তা রেকর্ডটি চূড়ান্তভাবে প্রণয়ন করবেন এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে তা চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করবেন। এই চূড়ান্ত প্রকাশনা একটি চূড়ান্ত প্রমাণ হিসাবে গণ্য হবে যে রেকর্ডটি এই অধ্যায় অনুযায়ী সঠিকভাবে প্রস্তুত বা সংশোধিত হয়েছে।

(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী যখন রেকর্ড অব রাইটস চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হবে, তখন রাজস্ব কর্মকর্তা রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই চূড়ান্ত প্রকাশনা ও তার তারিখ উল্লেখ করে একটি সনদ প্রস্তুত করবেন এবং উক্ত সনদে তার নাম ও পদবিসহ তারিখ লিখে স্বাক্ষর করবেন।
২,৩৫৬.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, দেনমোহরের ক্ষেত্রে আপিল দায়েরের জন্য ন্যূনতম কত টাকার ডিক্রি থাকা প্রয়োজন?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৭৫ হাজার
  4. ১ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারার বিধান: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি: 
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-
(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং
(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।
(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।
(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।
(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

২,৩৫৭.
The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ অনুযায়ী, আদালতের আসনস্থল (place of sitting) পরিবর্তন করতে পারে-
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা জজ
  4. স্থানীয় প্রশাসন
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।

(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

২,৩৫৮.
'A marriage between Hindus, which is otherwise valid, shall not be invalid by reason only of belonging to the same gotra.' - কোন আইনে এই বিধান রয়েছে?
  1. The Hindu Women Marriage Act,1856
  2. The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
  3. The Hindu Widow's Re- Marriage Act,1856
  4. The Hindu Women Marriage Ceremonies Act,1856
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946
ব্যাখ্যা

The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946 - Section 2: একই গোত্র, প্রবর বা জাতির উপ-বিভাগের মধ্যে বিবাহ:
হিন্দু আইন, হিন্দু প্রথা বা ব্যবহার অনুযায়ী কোনো বিধান থাকলেও, যদি বিবাহটি অন্যভাবে বৈধ হয়, তা কেবল নিম্নলিখিত কারণে অগ্রহণযোগ্য হবে না:
(ক) উভয় পক্ষ একই গোত্র বা প্রবর এর অন্তর্ভুক্ত।
(খ) উভয় পক্ষ একই জাতির বিভিন্ন উপ-বিভাগের অন্তর্গত।

অর্থাৎ:
যদি হিন্দু বিবাহের অন্যান্য বৈধ শর্ত পূরণ হয়, তবে শুধুমাত্র একই গোত্র/প্রবর বা একই জাতির উপ-বিভাগের পার্থক্য বিবাহকে অবৈধ করতে পারবে না।

২,৩৫৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীনে অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) এর শাস্তির বিধান কী?
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. সংশ্লিষ্ট অপরাধের অর্ধেক দণ্ড
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ দণ্ড
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট অপরাধের সমপরিমাণ দণ্ড
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২,৩৬০.
কোন বিবাহিতা মুসলমান নারী ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে অথবা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মে দীক্ষা গ্রহন করলে-
  1. তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে
  2. ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের অধীন মামলা করতে পারবে না
  3. ক ও খ উভয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন ধারা ৪ এ বিবাহিতা মুসলমান নারী ধর্মান্তরের ফল দেয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে-
কোন বিবাহিতা মুসলমান নারী ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলে অথবা ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মে দীক্ষা গ্রহন করলে উক্ত কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না। তবে, অবশ্য এই জাতীয় ধর্ম ত্যাগ বা অন্য ধর্ম গ্রহণের পর সেই নারী ২ ধারায় বর্ণিত অন্য কোন কারনে তার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি গ্রহণের অধিকারিণী হইবেন।
তাছাড়া, অত্র ধারার ব্যবস্থাবলী ঐ নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যে কোন ধর্ম হইতে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিল এবং বর্তমানে স্বীয় পুরাতন ধর্মে পুনরায় দীক্ষা গ্রহণ করেছে।

Section 4: Effect of conversion to another faith
The renunciation of Islam by a married Muslim woman or her conversion to a faith other than Islam shall not by itself operate to dissolve her marriage: Provided that after such renunciation, or conversion, the woman shall be entitled to obtain a decree for the dissolution of her marriage on any of the grounds mentioned in section 2: 
Provided further that the provisions of this section shall not apply to a woman converted to Islam from some other faith who re-embraces her former faith.
২,৩৬১.
কোন বিচারপতি 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989)' মামলার মূল রায় লিখেছেন?
  1. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  2. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  3. এ.টি.এম আফজাল
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:
 
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
 
Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
২,৩৬২.
"Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by Muhammadan Law." Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর কত ধারার বিধান?
  1. 24(8)
  2. 24(10)
  3. 24(9)
  4. 24(7)
সঠিক উত্তর:
24(10)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24(10)
ব্যাখ্যা
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 Section 24 Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:

- Section 24(10) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by Muhammadan Law.


-এটি Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর 24(10) ধারার বিধান।
২,৩৬৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডোপ টেস্ট (Dope Test) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০ (৪)
  2. ধারা ২২ (৪)
  3. ধারা ২৪ (৪)
  4. ধারা ২৬ (৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ধারা ২৪ (৪)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৪: দেহ তল্লাশির জন্য বিশেষ পরীক্ষা:

(১) এই আইনের অধীন কোনো তদন্ত অথবা তল্লাশি পরিচালনাকালে কোনো অফিসারের যদি ইহা বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো ব্যক্তি তাহার শরীরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মাদকদ্রব্য লুকাইয়া রাখিয়াছেন, তাহা হইলে, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, তিনি তাহাকে তাহার শরীরের এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, কোলনস্কপি কিংবা রক্ত ও মলমূত্রসহ অন্য যে-কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিবার নিমিত্তে নিজেকে সমর্পণ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ অমান্য করিলে নির্দেশ প্রদানকারী অফিসার তাহাকে নির্দেশ পালনে বাধ্য করিবার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। 

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর কোনো ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গে যদি কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি সনাক্ত হয়, তাহা হইলে তাহাকে প্রযোজ্যক্ষেত্রে ধারা ৩৬ এর সারণির ক্রমিক নম্বর ৬ হইতে ১১ কিংবা ১৩ হইতে ২০ এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা যাইবে। 

(৩) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর যদি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো মাদকদ্রব্য গ্রহণের, সেবনের, ব্যবহারের অথবা প্রয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় এবং উহা যদি ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) কিংবা উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) কিংবা ধারা ১০ এর (চ) এর বিধান লঙ্ঘনকারী হয় তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে ধারা ৩৬ এর সারণি ক্রমিক নম্বর ১৬, ২১, ২৫, ২৯ অথবা ৩১ অনুসারে শাস্তিযোগ্য মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা যাইবে। 

(৪) মাদকাসক্ত ব্যক্তি শনাক্ত করিবার প্রয়োজনে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ডোপ টেস্ট (Dope Test) করা যাইবে। ডোপ টেস্ট (Dope Test) পজেটিভ হইলে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
২,৩৬৪.
হিন্দু আইনের কোন স্কুলটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায়?
  1. মিতাক্ষরা
  2. দায়ভাগ
  3. বেনারস
  4. মিথিলা
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের দুটি প্রধান স্কুল হলো মিতাক্ষরা এবং দায়ভাগ। দায়ভাগ স্কুল জিমুতবাহনের রচিত দায়ভাগ গ্রন্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায়। এই স্কুলটি উত্তরাধিকার নীতিতে আধ্যাত্মিক উপকার বা ধর্মীয় কার্যকারিতা (Doctrine of Oblations) এর উপর জোর দেয়। এতে পুত্রদের জন্মগত সম্পত্তির অধিকার নেই, এবং পরিবারের নারীরাও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সহ-উত্তরাধিকারী (coparcener) নিঃসন্তান মারা গেলে, তার বিধবা স্ত্রী তার অংশের উত্তরাধিকারী হতে পারেন এবং নিজের অধিকারে সম্পত্তি বিভাজনের দাবি করতে পারেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) মিতাক্ষরা: মিতাক্ষরা স্কুল বিজ্ঞানেশ্বরের মিতাক্ষরা নামক যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতির ভাষ্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলে (আসাম ও বাংলা ব্যতীত) প্রাধান্য পায়। এটি উত্তরাধিকারে রক্তের সম্পর্কের নৈকট্য (Principle of Propinquity) এর উপর নির্ভর করে।
গ) বেনারস: বেনারস (বানারস) মিতাক্ষরা স্কুলের একটি উপ-স্কুল, যা উত্তর ভারতের বেশিরভাগ অঞ্চলে (গ্রামীণ পাঞ্জাব ব্যতীত) প্রচলিত। এটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায় না।
ঘ) মিথিলা: মিথিলা মিতাক্ষরা স্কুলের আরেকটি উপ-স্কুল, যা তিরহুত এবং উত্তর বিহারের কিছু জেলায় প্রচলিত। এটি আসাম ও বাংলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ দায়ভাগ স্কুল আসাম এবং বাংলায় প্রাধান্য পায়, কারণ এটি এই অঞ্চলের স্থানীয় আইনি ও সামাজিক প্রথার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দায়ভাগ।

২,৩৬৫.
"ইজতিহাদ" শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. আনুগত্য করা
  2. আইন প্রণয়ন করা
  3. কুরআনের ব্যাখ্যা করা 
  4. পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা

⇒ "ইজতিহাদ" শব্দটি আরবি মূল "জেহেদা (جهد)" থেকে উদ্ভূত, যার আভিধানিক অর্থ হলো "পূর্ণ প্রচেষ্টা বা কঠোর পরিশ্রম করা।" আল্লামা আব্দুল আলীম সিদ্দিকীর লেখা অনুসারে, এটি ইসলামী আইনের পরিভাষায় বোঝায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ভিন্ন ভিন্ন আইনি ব্যাখ্যার মধ্যে সঠিকটি নির্বাচন করার চেষ্টা এবং নতুন পরিস্থিতির জন্য নতুন রায় প্রণয়নের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় একজন মুজতাহিদ কুরআন, হাদিস, এবং অন্যান্য ইসলামী বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) আনুগত্য করা: এটি তাকলিদের ধারণার সাথে সম্পর্কিত, যা ইজতিহাদের বিপরীত। তাকলিদ মানে কোনো ইমাম বা আইনি কর্তৃপক্ষের অনুসরণ করা, যেখানে ইজতিহাদ স্বাধীনভাবে চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া।
খ) আইন প্রণয়ন করা: ইজতিহাদ আইন প্রণয়ন নয়, বরং বিদ্যমান কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আইনের ব্যাখ্যা বা প্রয়োগ। নতুন আইন তৈরি করা ইসলামী শরিয়াহর পরিপন্থী।
গ) কুরআনের ব্যাখ্যা করা: ইজতিহাদ শুধু কুরআনের ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি কুরআন, হাদিস এবং অন্যান্য ইসলামী বিজ্ঞানের সমন্বয়ে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া।

অর্থাৎ "ইজতিহাদ" এর আভিধানিক অর্থ হলো "পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা," যা ইসলামী আইনের প্রেক্ষাপটে গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শরিয়াহভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে নির্দেশ করে।

[The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means "striving with full exertion." In Islamic legal terminology, it denotes an attempt to choose, in the light of the Qur'an and the Sunnah, between two or more differing legal interpretations and to deduce, from the Qur'an and the Sunnah, any new rulings in order to address new legal situations. One who performs "Ijtihad" is called "Mujtahid"]

তথ্যসূত্র: IJTIHAD AND MUJTAHID by Allama Abdul Aleem Siddiqui. [লিঙ্ক]

২,৩৬৬.
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্যস্থতা পদ্ধতিতে তৃতীয় পক্ষ কী ভূমিকা পালন করে?
  1. রায় প্রদান করে
  2. মামলা পরিচালনা করে
  3. পক্ষগণের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়
  4. আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
- আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
- মধ্যস্থতা (Mediation);
- সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।

২,৩৬৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন কে দাখিল করবেন?
  1. শিশুকল্যাণ বোর্ড
  2. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  3. প্রবেশন কর্মকর্তা
  4. সমাজসেবা কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন-
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৩৬৮.
“Due Process of Law” ধারণাটি সর্বপ্রথম কোন সনদে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত হয়?
  1. Bill of Rights 1689
  2. Magna Carta 1215
  3. US Constitution 1787
  4. French Declaration 1789
সঠিক উত্তর:
Magna Carta 1215
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magna Carta 1215
ব্যাখ্যা

⇒ "Due Process of Law" বা "যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া" ধারণাটির মূল উৎস হলো ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta), ১২১৫। এটি ইংল্যান্ডের রাজা জনের সাথে বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক সনদ। ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক স্বাক্ষরিত এই সনদ ম্যাগনা কার্টার ধারা ৩৯ (Clause 39) এ বলা হয়েছে:
"No free man shall be seized or imprisoned, or stripped of his rights or possessions, or outlawed or exiled, or deprived of his standing in any other way, nor will we proceed with force against him, or send others to do so, except by the lawful judgment of his equals or by the law of the land."
- এখানে "by the law of the land" (ভূমির আইন অনুযায়ী) বাক্যাংশটিই হলো "Due Process of Law" ধারণার প্রাথমিক রূপ। এর অর্থ হলো, রাজা বা সরকার কোনো ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাচারীভাবে গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড বা তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে না; এর জন্য দেশের প্রতিষ্ঠিত আইন অনুসরণ করা আবশ্যক।
- ১৭শ শতকে বিখ্যাত ইংরেজ আইনবিদ স্যার এডওয়ার্ড কোক (Sir Edward Coke) "law of the land" শব্দটিকে "Due Process of Law" হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তার এই ব্যাখ্যা ইংরেজ আইনে এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে এই ধারণাটি সরাসরি "Due Process of Law" শব্দে স্থান পায়।

অন্যান্য  অপশনগুলোর:
ক) Bill of Rights 1689: এটি ইংল্যান্ডের রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমিত করে এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রতি গুরুত্বারোপ করলেও "Due Process" ধারণার উৎস নয়। এটি ম্যাগনা কার্টার দেওয়া অধিকারগুলোকে আরও শক্তিশালী করে।
গ) US Constitution 1787: মার্কিন সংবিধানে "Due Process of Law" ধারণাটি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, কিন্তু এটি সর্বপ্রথম উল্লেখিত হয়নি। এটি ম্যাগনা কার্টা থেকে ধারণাটি গ্রহণ করেছে।
ঘ) French Declaration 1789: এটি মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, তবে এটি অ্যাংলো-আমেরিকান আইনি ঐতিহ্যের "Due Process of Law" ধারণার বাইরে।
সুতরাং, "Due Process of Law" ধারণার সর্বপ্রথম এবং মৌলিক উল্লেখ পাওয়া যায় ম্যাগনা কার্টা, ১২১৫-এ (Magna Carta 1215)।

২,৩৬৯.
Doctrine of Cy-près প্রয়োগের শর্ত কী?
  1. রাষ্ট্র ওয়াকফের আয় ব্যবহার করতে চাইলে
  2. ওয়াকফের প্রতিষ্ঠাতা মৃত্যুর আগে নির্দেশ না দিলে
  3. ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন সম্পত্তি প্রয়োজন হলে
  4. ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি অর্জন সম্ভব না হলে
সঠিক উত্তর:
ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি অর্জন সম্ভব না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পুরোপুরি অর্জন সম্ভব না হলে
ব্যাখ্যা

Doctrine of Cy-pres শব্দটি ফরাসি থেকে এসেছে, যার অর্থ "as near as possible"। এটি ইসলামী আইন এবং বিশেষত ওয়াকফের (Waqf) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মুসলিম আইনে এই নীতি ব্যবহৃত হয় যখন ওয়াকফ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক উদ্দেশ্য কোনো কারণে অর্জন করা সম্ভব হয় না। তখন সেই উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং শরিয়াহ সম্মত একটি বিকল্প উদ্দেশ্য পূরণ করা হয়।

Doctrine of Cy-pres-এর মূল বৈশিষ্ট্য
মূল উদ্দেশ্যের পরিবর্তে নিকটবর্তী উদ্দেশ্য:
ওয়াকফের উদ্দেশ্য যদি কার্যকর করা সম্ভব না হয়, তবে এই নীতির মাধ্যমে ওয়াকফের আয়ের ব্যবহার এমন কোনো উদ্দেশ্যে করা হয় যা মূল উদ্দেশ্যের খুব কাছাকাছি।

শরিয়াহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ:
বিকল্প উদ্দেশ্য অবশ্যই ইসলামী শরিয়াহর বিধান অনুযায়ী হতে হবে। কোনো অশরিয়াহ কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে না।

নিরপেক্ষ এবং সুবিবেচনা:
এই নীতির প্রয়োগ তখনই হয় যখন ওয়াকফের প্রতিষ্ঠাতার ইচ্ছা পূরণ করা পুরোপুরি সম্ভব নয় এবং সেই ইচ্ছার পরিবর্তে অন্য একটি যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প খুঁজে বের করতে হয়।

২,৩৭০.
কোন আইনে মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীকে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. স্ত্রী অধিকার আইন, ১৯৪৭
  2. সম্পত্তি অধিকার আইন, ১৯৫৭
  3. উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫
  4. সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭
ব্যাখ্যা
সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ এর ধারা ৩- সম্পত্তির উত্তরাধিকার হস্তান্তর:
(১) হিন্দু আইনের দায়ভাগ মতবাদের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি উইল সম্পাদন ব্যতীত কোন প্রকার সম্পত্তি রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিলে এবং হিন্দু আইনের অন্যান্য মতবাদের বা প্রথা আইনের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি স্বতন্ত্র সম্পত্তি রাখিয়া উইল সম্পাদন ব্যতীত মৃত্যুবরণ করিলে, তাহার বিধবা স্ত্রী, বা একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকিলে সকল বিধবা স্ত্রী একত্রে, তিনি উইল সম্পাদন ব্যতীত যে সম্পত্তি রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিয়াছেন সেই সম্পত্তিতে, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, একজন পুত্রের অনুরূপ অংশের অধিকারী হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, কোন মৃত পুত্রের কোন পুত্র জীবিত না থাকিলে, উক্ত মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীও একজন পুত্রের অনুরূপ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হইবেন, এবং উক্ত মৃত পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্র জীবিত থাকিলে উক্ত পুত্রের পুত্রের অনুরূপ সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হইবেন:

আরও শর্ত থাকে যে, কোন মৃত পুত্রের মৃত পুত্রের বিধবা স্ত্রীর ক্ষেত্রেও, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সহকারে, একই বিধান প্রযোজ্য হইবে।

(২) দায়ভাগ মতবাদ ব্যতীত হিন্দু আইনের অন্য কোন মতবাদের অনুসারী বা কোন প্রথা আইনের অনুসারী কোন হিন্দু ব্যক্তি যৌথ পরিবারে কোন স্বত্ব রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিলে, সম্পত্তিতে তাহার নিজের যে স্বত্ব ছিল তাহার বিধবা স্ত্রীরও, উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, সেই একই স্বত্ব থাকিবে।

(৩) এই ধারার বিধান অনুসারে কোন সম্পত্তিতে হিন্দু বিধবার স্বত্ব সৃষ্টি হইলে, তাহা হিন্দু মহিলার সম্পত্তি নামে একটি সীমিত স্বত্ব হইবে, তবে শর্ত থাকে যে, তাহারও একজন পুরুষ মালিকের অনুরূপ সম্পত্তি বন্টনের দাবী করিবার অধিকার থাকিবে।

(৪) প্রথা বা উত্তরাধিকারের অন্যান্য বিধান বা উক্ত সম্পত্তিতে প্রযোজ্য দানের শর্তাবলী অনুসারে যে সম্পত্তিতে কেবল একজনই উত্তরাধিকারী হইবে বা উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫ (১৯২৫ সনের ৩৯ নং আইন) প্রযোজ্য হইবে, সেই সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
২,৩৭১.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ অনুযায়ী, নাগরিকদের দায়িত্বের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শৃঙ্খলা রক্ষা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা
  3. জনগণের সেবা করা
  4. সংবিধান ও আইন মান্য করা
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করা
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) জনগণের সেবা করা।

​অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

Article 21: Duties of citizens and of public servants
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property.
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

২,৩৭২.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

২,৩৭৩.
চুক্তি আইন অনুসারে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নাবালক
  2. মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি
  3. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  4. কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১ অনুসারে, চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। একজন ব্যক্তি চুক্তি করার যোগ্য যদি তিনি:
১) নিজ আইনে সাবালক হন,
২) সুস্থ মনের অধিকারী হন, এবং
৩) কোনো আইন দ্বারা চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ঘোষিত না হন।
অতএব, চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:
- নাবালক (যারা নিজ আইনে সাবালক নন, সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী),
- মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি (যারা সুস্থ মনের অধিকারী নন, অর্থাৎ যারা চুক্তির প্রকৃতি ও ফলাফল বুঝতে অক্ষম),
- নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি (যেমন, দেউলিয়া ব্যক্তি বা কোনো আইন দ্বারা চুক্তি করতে নিষিদ্ধ ব্যক্তি)।
⇒ কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্যতার জন্য ধারা ১১-এর অধীনে বিবেচিত হয় না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ থাকা তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি করার অযোগ্য করে না, যদি না তিনি উপরোক্ত শর্তগুলোর কোনোটি লঙ্ঘন করেন (যেমন, নাবালক, মানসিক অসুস্থ, বা আইন দ্বারা অযোগ্য)।

⇒ চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
------ 
⇒ The Contract Act, 1872 Section 11. Who are competent to contract
Every person is competent to contract who is of the age of majority according to the law to which he is subject, and who is of sound mind, and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.

২,৩৭৪.
‘ক’ চুক্তি করে যে, ‘খ’-এর কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে গেলে সে ‘খ’-কে ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে। এটি কী ধরনের চুক্তি? 
  1. A contingent contract
  2. A contract of bailment
  3. A contract of guarantee
  4. A contract of partnership
সঠিক উত্তর:
A contingent contract
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A contingent contract
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872: ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contact):
কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ:
ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।

- প্রদত্ত প্রশ্নে, 'ক' চুক্তি করেছে যে 'খ'-এর কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে গেলে সে 'খ'-কে ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে।
- এখানে "কারখানা বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া" একটি ভবিষ্যতের আনুষঙ্গিক ঘটনা, যার উপর চুক্তিটি শর্তযুক্ত।
- এটি ধারা ৩১-এ দেওয়া উদাহরণের (A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt) সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সুতরাং, এটি একটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি (Contingent Contract)।

⇒ The Contract Act, 1872, Section-31. "Contingent contract" defined: 
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen.

Illustration:
A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.

২,৩৭৫.
A testator-
  1. Cannot revoke a bequest.
  2. Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
  3. Can revoke a bequest expressly only.
  4. Can revoke a bequest impliedly.
সঠিক উত্তর:
Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Can revoke a bequest either expressly or impliedly.
ব্যাখ্যা
⇒ All Will can be revoked, either impliedly or expressly, either by conduct or by a specific document. By conduct, the Will can be presented to be revoked by the testator. A testator Can revoke a bequest either expressly or impliedly.

⇒ For example , a testator may make bequest of property in his Will to a person, but he may dispose of the said property even during his life time.

⇒ This is called implied revocation. Suppose, the testator makes a bequest of a vacant land in his Will, but subsequently the testator himself constructs a dwelling house therein, in such circumstance, the Will can be deemed to have been expressly revoked by the testator.

⇒ It has been experienced that when there is a Will, painful litigation in the family of the testator is prevented. Only in a very few cases, litigation crops up questioning the genuineness of the Will.
২,৩৭৬.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে তালাকের পর কত দিন পর তা কার্যকর হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুসারে, তালাকের পর ৯০ দিন পর তা কার্যকর হবে।
- এটি ধারা ৭ (তালাক) এর অধীনে বলা হয়েছে যে, একজন পুরুষ যদি তার স্ত্রীর প্রতি তালাক প্রদান করেন, তবে তালাকের ঘোষণার পর ৯০ দিন পর্যন্ত তা কার্যকর হবে না, যদি না স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে। যদি স্ত্রীর গর্ভাবস্থা থাকে, তবে তালাক কার্যকর হবে গর্ভাবস্থার মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৭(৩) অনুযায়ী:
- কোনো স্বামী তালাক দিলে তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে।
- এই সময়ের মধ্যে আরবিট্রেশন কাউন্সিল (চেয়ারম্যান ও উভয় পক্ষের প্রতিনিধি) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলনের চেষ্টা করবে।
- ৯০ দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় (যদি মধ্যবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার না করা হয়)।
- নোটিশ বাধ্যতামূলক: স্বামীকে তালাকের নোটিশ চেয়ারম্যান এবং স্ত্রীকে দিতে হবে (ধারা ৭(১))।
- জরিমানা: নোটিশ না দিলে ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০,০০০ টাকা জরিমানা (ধারা ৭(২))।
- গর্ভবতী স্ত্রীর ক্ষেত্রে: গর্ভাবস্থা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না (ধারা ৭(৫))।
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ৯০ দিন।
২,৩৭৭.
খতিয়ান প্রস্তুতকরণ সম্পর্কিত কোনো মোকদ্দমায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ-
  1. কার্যকর হবে
  2. আইনগত বৈধতা থাকবে
  3. অবৈধ হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৪খ- দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ (Bar to jurisdiction of civil court)

১৯ অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।

⇒ উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।
২,৩৭৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, "শিশু" বলতে কত বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২(ট)-এ স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত আছে যে, “শিশু” অর্থ ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি।
এই সংজ্ঞা আইনের অধীনে শিশু-সংক্রান্ত অপরাধসমূহে (যেমন: শিশু ধর্ষণ, শিশু অপহরণ, যৌন পীড়ন ইত্যাদি) প্রযোজ্য।
- উল্লেখ্য যে, শিশু আইন, ২০১৩-এ শিশুর বয়সসীমা ১৮ বছরের কম, কিন্তু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ক্ষেত্রে এটি ১৬ বছরের কম।

২,৩৭৯.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র' সংবিধানের কোথায় এর উল্লেখ আছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৩৮০.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১ অনুযায়ী, কয়টি আদেশ রহিত করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫১: রহিতকরণ- রাষ্ট্রপতির নিম্নলিখিত আদেশসমূহ এতদ্বারা রহিত করা হইল:
(ক) আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ (১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে প্রণীত);

(খ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ;

(গ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ হাইকোর্ট আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫);

(ঘ) ১৯৭২ সালের বাংলদেশ মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ১৫);

(ঙ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২২);

(চ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ২৫);

(ছ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনসমূহ আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৩৪);

(জ) ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ (সরকারী কর্ম সম্পাদন) আদেশ (১৯৭২ সালের পি.ও. নং ৫৮) ।
২,৩৮১.
অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর বিধান অনুসারে একতরফা ডিক্রি রদের প্রার্থনা দাখিলের পরবর্তী কত দিবসের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের কত পারসেন্টের সমপরিমাণ টাকা জামানত স্বরূপ জমাদান করার কথা বলা হয়েছে? যথাক্রমে--
  1. ৩০ দিন ও ২৫%
  2. ১৫ দিন ও ২৫%
  3. ১৫ দিন ও ১০%
  4. ৩০ দিন ও ১০%
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন ও ১০%
ব্যাখ্যা
• অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ১৯ ধারায় একতরফা ডিক্রি সম্পর্কিত বিষয়াবলী বর্ণিত আছে।

> ১৯(২) ধারা মতে, বিবাদী একতরফা ডিক্রির তারিখ বা উক্ত একতরফা ডিক্রি সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা রদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

> ১৯(৩) ধারা মতে, একতরফা ডিক্রি রদের দরখাস্ত দাখিলের তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে ডিক্রিকৃত অর্থের ১০% এর সমপরিমাণ অর্থ আদালতে জামানত রূপে জমা দিতে হবে।
২,৩৮২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ১৪৩ ধারার বিধান অনুযায়ী হালনাগাদ খতিয়ান রক্ষণাবেক্ষণ করবে-
  1. সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা
  2. কালেক্টর
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালেক্টর
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-

ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.
২,৩৮৩.
কোনো ব্যক্তি দুর্নীতির অপরাধের অভিযোগ দায়ের করতে থানায় গেলে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী থানার দায়িত্ব হবে-
  1. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  2. অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়ে অভিযোগটি অভিযোগকারীকে ফেরত দেয়া
  4. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে একজন এসআই কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৪(২) অনুসারে: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর তা রেজিস্টারভুক্ত (সাধারণ ডায়েরিভুক্ত) করতে হবে। তারপর অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে:
- কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে
- কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে
এখানে থানার দায়িত্ব হলো অভিযোগটি রেকর্ড করে কমিশনে প্রেরণ করা, নিজে তদন্ত শুরু করা নয় বা এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা নয়।

সঠিক উত্তর: খ) অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি- ৪: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের:
- এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকিবে না, তবে সংশ্লিষ্ট থানা উক্ত অভিযোগটি প্রাপ্তির পর উহা রেজিস্টারভুক্ত করিয়া অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে আইন অনুযায়ী তদন্তকার্য পরিচালনার জন্য উহা কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে এবং কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কমিশন বরাবরে প্রেরণ করিবে।

২,৩৮৪.
If an enactment is re-enacted with modifications, what should be done regarding references to the original enactment?
  1. They should be disregarded entirely
  2. They should be explicitly removed
  3. They should be applied to the original enactment
  4. They should be interpreted as references to the modified re-enactment
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They should be interpreted as references to the modified re-enactment
ব্যাখ্যা
Section 8: Construction of references to repealed enactments:
(1) Where this Act, or any Act of Parliament or Regulation made after the commencement of this Act, repeals and re-enacts, with or without modification, any provision of a former enactment. then. references in any other enactment or in any instrument to the provision so repealed shall, unless a different intention appears, be construed as references to the provision so re-enacted.

ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:

১) যে ক্ষেত্রে এই আইন, বা এই আইন প্রবর্তনের পরবর্তীতে প্রণীত সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি, পূর্ববর্তী কোন আইনের বিধান পরিবর্তনসহ বা ব্যতীত, রহিত বা পুনঃ প্রবর্তন করে, সেইক্ষেত্রে ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হইলে, অন্য কোন আইন বা দলিলে উক্তরূপে রহিত বিধানের বরাত, পুনঃ প্রবর্তিত বিধানের বরাত হিসাবে ব্যাখ্যাত হইবে।
২,৩৮৫.
আপীল বিভাগের আদেশ, রীট ইত্যাদি জারির ক্ষমতা কোন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়?
  1. জরুরি অবস্থায়
  2. শুধুমাত্র আপীল শুনানির সময়
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৪- আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
২,৩৮৬.
Musha Doctrine কোন ধরনের Hiba-তে প্রযোজ্য?
  1. Hiba-bil-Iwaz
  2. Hiba-bil-will
  3. Hiba-ba-Shartul-Iwaz
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
ব্যাখ্যা

⇒ Musha Doctrine (মুশা নীতি) মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে প্রযোজ্য, যা অবিভক্ত সম্পত্তির (undivided share) হিবা বা দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, অবিভক্ত সম্পত্তির একটি অংশ দান করা সাধারণত অবৈধ, যদি না সম্পত্তিটি ভাগ করা যায় এবং দখল হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। Hiba-ba-Shartul-Iwaz একটি হিবা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে দখল হস্তান্তর প্রয়োজন এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
অন্যদিকে, Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয়, তাই এতে Musha Doctrine প্রযোজ্য নয়। Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba এর শ্রেণি নেই।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) Hiba-bil-Iwaz: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয় এবং Musha Doctrine এর প্রযোজ্যতা নেই।
খ) Hiba-bil-will: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba ধরন মুসলিম আইনে নেই।
গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz: এটি সঠিক, কারণ এটি হিবা হিসেবে গণ্য এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
ঘ) কোনোটিই নয়: এটি ভুল, কারণ Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে Musha Doctrine প্রযোজ্য।

অর্থাৎ Musha Doctrine Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz।

২,৩৮৭.
আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গোল্ডেন রুলের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শব্দের আক্ষরিক অর্থই সর্বদা অনুসরণ করা
  2. অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
  3. আইন প্রণেতার উদ্দেশ্য উপেক্ষা করা
  4. বিচারককে আইন পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযৌক্তিক ফলাফল এড়াতে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের অনুমতি দেওয়া
ব্যাখ্যা
The Golden Rule of Interpretation of Statutes-
সংবিধান ও আইন ব্যাখ্যার গোল্ডেন রুল গোল্ডেন রুল হলো লিটারাল রুলের একটি সম্প্রসারণ বা বিস্তৃতি, যা বিচারকদেরকে শব্দের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়, যাতে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল এড়ানো যায়।

গোল্ডেন রুল অনুযায়ী,
আদালত সাধারণত ব্যবহৃত শব্দের প্রাকৃতিক এবং সাধারণ অর্থ অনুসরণ করবে।

গোল্ডেন রুল প্রয়োগের দুটি ধরণ-
সঙ্কীর্ণ (Narrow) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রযোজ্য হয় যখন আইনের কোনো শব্দ অস্পষ্ট বা একাধিক অর্থযুক্ত। আদালতের কাজ হলো সেই শব্দের মধ্যে প্রসঙ্গের সঙ্গে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ নির্বাচন করা।

বিস্তৃত (Wider) প্রয়োগ:
এই পদ্ধতিতে রুল প্রয়োগ হয় যখন শব্দের একটি মাত্র আক্ষরিক অর্থ আছে, কিন্তু তা অনুসরণ করলে অযৌক্তিক বা হাস্যকর ফলাফল হবে। আদালত তখন সেই শব্দের ব্যাখ্যা পরিবর্তন করতে বা সামঞ্জস্য করতে পারে, যাতে আইন অনুযায়ী যৌক্তিক ফলাফল নিশ্চিত হয়।

গোল্ডেন রুলের গুরুত্ব:
- আদালতকে আইনের উদ্দেশ্য বা লেখকের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব দেয়, বিশেষ করে যখন আক্ষরিক অর্থ অনুসরণ করলে আইন অকার্যকর বা অযৌক্তিক হয়।
- আদালত শব্দের সাধারণ এবং গ্রামাটিক্যাল অর্থ পরিবর্তন বা সামঞ্জস্য করতে পারে, তবে শুধুমাত্র সেই সীমায় যা প্রয়োজনীয়।
- যখন শব্দের অর্থ স্পষ্ট এবং পরিষ্কার, আদালত অত্যধিক বিচ্যুতি করবে না, বরং শব্দের প্রাকৃতিক অর্থেই ব্যাখ্যা করবে।
২,৩৮৮.
বিধবার সম্পত্তি বলতে কী বোঝায়?
  1. স্ব-উপার্জিত সম্পত্তি
  2. পিতার কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  3. স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া স্ত্রীধন
  4. স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
বিধবার সম্পত্তি:
যে হিন্দু স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তি লাভ করেন, সেটি বিধবার সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত।
- স্ত্রীধন ও বিধবার সম্পত্তি এক নয়। বিধবার সম্পত্তি হলো সেই সম্পত্তি, যা কোনো নারী তার স্বামীর থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পায়; কিন্তু এটি স্ত্রীধনের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- স্ত্রীধনতে মহিলার একচ্ছত্র মালিকানা থাকে এবং তিনি ইচ্ছেমতো তা হস্তান্তর করতে পারেন। কিন্তু বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার মালিকানা সীমিত, অর্থাৎ তিনি কেবল জীবন-স্বত্ব বা সীমিত স্বার্থ অর্জন করেন।
এর মানে হলো, বিধবার সম্পত্তিতে মহিলার কোনো একচ্ছত্র মালিকানা নেই, এবং তিনি ইচ্ছামতো তা বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন না। তবে, কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে বিধবার সম্পত্তি চূড়ান্তভাবে হস্তান্তর করা সম্ভব,যেমন:
১) ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে
২) আইনগত প্রয়োজনে
৩) সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবহারের জন্য বা মঙ্গলে
২,৩৮৯.
অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৩ ধারায় অ-কৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণী
  2. দুই শ্রেণী
  3. তিন শ্রেণী
  4. চার শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই শ্রেণী
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৩: অ-কৃষি প্রজার শ্রেণী-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে, অ-কৃষি প্রজা নিম্নবর্ণিত শ্রেণীসমূহে বিভক্ত, যথা:
(ক) প্রজা, এবং
(খ) অধস্তন প্রজা।

(২) “প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে মালিক বা ভোগ দখলের স্বত্বাধিকারীর নিকট হইতে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীর স্বার্থের উত্তরাধিকারীগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধস্তন প্রজা” অর্থ যে ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত যে কোনো উদ্দেশ্যে কোনো প্রজার সরাসরি বা দূরবর্তী অধীনে অ-কৃষি জমি অধিকারে রাখার অধিকার অর্জন করিয়াছেন, এবং এইরূপ অধিকার অর্জনকারীদের স্বার্থের উত্তরাধিকারিগণও ইহার অন্তর্ভুক্ত।

২,৩৯০.
What is the provision of Section 18 of the Registration Act?
  1. Registration of contract for sale
  2. Documents of which registration is optional
  3. Description of property and maps or plans
  4. Documents of which registration is compulsory
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Documents of which registration is optional
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৮ ধারার বিধান: যে সকল দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক (Documents of which registration is optional): ১৭ ধারার অধীনে যে সকল দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয় সে সকল দলিলেরও নিবন্ধন করা যাবে।

- ধারা ১৭(২) অনুযায়ী নিম্নলিখিত দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক না (optional):
১. যে কোন প্রকার সোলেনামা;
২. জয়েন্ট স্টক কোম্পানির শেয়ার সংক্রান্ত দলিল;
৩. উক্ত কোম্পানি ইস্যুকৃত ডিবেঞ্চার যা অধিকার সৃষ্টি করে না;
৪. রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল;
৫. নিলামে বিক্রিত কোন সম্পত্তির ক্রেতার বরাবর মঞ্জুরকৃত নিলামের বিক্রয়নামা;
৬. সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির কোন মঞ্জুরি;
৭. ১০০ টাকা বা তার অধিক মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির দলিল যা কোন অধিকার সৃষ্টি করে না।
-------------------
⇒ The Registration Act, 1908-Section-18: Documents of which registration is optional:
-Any document not required to be registered under section 17 may also be registered under this Act.
২,৩৯১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগে সমতার সুযোগের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৮ অনুচ্ছেদে
  2. ১৯ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৯ (সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা):
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
২,৩৯২.
দ্রুত বিচার আইনে বিচার পদ্ধতির জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায় অনুসরণ করতে বলা হয়েছে?
  1. Chapter IX
  2. Chapter XX
  3. Chapter XXI
  4. Chapter XXII
সঠিক উত্তর:
Chapter XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chapter XXII
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
২,৩৯৩.
সাবিনাকে যৌতুকের জন্য তার স্বামী মারধর করে গুরুতর জখম করে।এ ক্ষেত্রে তার স্বামীর জন্য কোন শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২,৩৯৪.
বণ্টনযোগ্য সম্পত্তির মূল্য ১৫ লক্ষ টাকা হলে, নিবন্ধন ফি কত হবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ১২০০ টাকা
  4. ১৮০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 এর ধারা ৭৮খ- বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:
ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা;
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা;
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা;
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।

উল্লেখ্য,
২০০৪ সনে নিবন্ধন (সংশোধনী) আইন (২০০৪ সনের ২৫ নং আইন) প্রবর্তনের পূর্বে বিক্রয়-চুক্তি (বায়নাপত্র) দলিলের নিবন্ধন ঐচ্ছিক ছিল। উক্ত আইন দ্বারা ১ জুলাই ২০০৫ খ্রিঃ তারিখ হইতে বিক্রয়-চুক্তি দলিলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয় এবং উহার নিবন্ধন ফি যুক্তিযুক্ত হারে নির্ধারণ করা হয়।
২,৩৯৫.
প্রবেশন কর্মকর্তা কত দিনের মধ্যে সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন:
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে] শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
২,৩৯৬.
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬১
  3. ১৮৭০
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২
ব্যাখ্যা
High Court Judicature at Calcutta স্থাপিত হয় ১৮৬২ সালে।

- উপমহাদেশে সর্বপ্রথম ১৭২৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতা শহরে 'মেয়র কোর্ট স্থাপন করে।
- পরে মেয়র কোর্টের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে, ব্রিটিশ রাজ পরিবার ১৭৭৪ সালে The Regulating Act of 1773' এর মাধ্যমে কলকতার ফোর্ট উইলিয়ামে 'সুপ্রীমকোর্ট' প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৮৫৮ সালে কোম্পানি বিলুপ্ত করা হলে কলকাতা সুপ্রিম কোর্ট তার প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলে এবং ১৮৬১ সালের ভারতীয় হাইকোর্ট অ্যাক্টের মাধ্যমে এর বিলুপ্তি ঘটে।
- পরে ১ জুলাই ১৮৬২ সালে ফোর্ট উইলিয়ামে একটি হাইকোর্ট স্থাপিত হয়।
- সেই সময় এ হাইকোর্টের নাম ছিল- হাইকোর্ট অব জুডিকেচার।
- ১৮৭২ সালে স্যার বার্নেস পিকক প্রথম প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।
২,৩৯৭.
"Nemo judex in causa sua" নীতিটি মূলত কোন বিচারিক মূলনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ
  2. ন্যায়বিচারে বিলম্ব
  3. অপরাধের অভিপ্রায়
  4. ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
Legal Maxim: Nemo judex in causa sua
- Meaning (English): No one should be a judge in his own cause.
- বাংলা অর্থ:"কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না।"

ব্যাখ্যা:
"Nemo judex in causa sua" একটি ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি। এই নীতির মূল লক্ষ্য ন্যায়বিচারে পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকা। যদি কোনো ব্যক্তি নিজে কোনো মামলা বা বিরোধের পক্ষভুক্ত হন, তাহলে সে সেই মামলার বিচার করলে নিরপেক্ষতা থাকবে না। এতে ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হয়।

যদি কোনো বিচারক এমন একটি মামলার বিচার করেন যেখানে তার নিজের স্বার্থ জড়িত থাকে (যেমন: তার আত্মীয়পক্ষ মামলায় জড়িত), তাহলে সেটি "Nemo judex in causa sua" নীতির লঙ্ঘন হবে।
২,৩৯৮.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের জন্য অনুমোদন প্রয়োজন হবে____
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের
  3. মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের
  4. বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের
সঠিক উত্তর:
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ দ্বারা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২৯: বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:
- সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা ২০১৯ এর 
- বিধি ৫২ এর বিধান আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ।
(১) আইনে উল্লিখিত অপরাধের তদন্ত সমাপ্ত হইবার পর আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের অনুমতি প্রদানের নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ বলিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষেত্রে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ২ এর দফা (ঙ) এ সংজ্ঞায়িত কমিশন এবং এই বিধিমালার তফসিলের 'তালিকা-১' এ উল্লিখিত অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থার ক্ষেত্রে, সংস্থার প্রধানকে বুঝাইবে।

(২) মানিলন্ডারিং অপরাধের অভিযোগ তদন্তের পর কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে, বিচার সুপারিশ করিয়া উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিবার ক্ষেত্রে, আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী উপ-বিধি (১) এ উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ আবশ্যক হইবে এবং এইরূপ অনুমোদনপত্রের একটি কপি আদালতে দাখিল করা না হইলে আদালত অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না।

(৩) মানিলন্ডারিং অপরাধ বিষয়ে কোনো অভিযোগ কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সরাসরি আদালতে দায়ের করা যাইবে না:

তবে, শর্ত থাকে যে, যদি কোনো উপযুক্ত আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, অভিযোগকারী উক্ত অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত অভিযোগ কোনো তদন্তকারী সংস্থার কার্যালয়ে করিবার জন্য অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করিয়া উহা তদন্তের জন্য তদন্তকারী সংস্থাকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোনো কারণে তদন্ত প্রতিবেদনের সহিত অনুমোদন পত্রের কপি সংযুক্ত করা না হইলে, সংশ্লিষ্ট আদালত তদন্ত প্রতিবেদন পাইবার পর পরই সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানকে সম্বোধন করিয়া পত্রের মাধ্যমে অনুমোদন চাহিতে পারিবেন।
২,৩৯৯.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীন অপরাধসমূহ-
  1. অ-আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
  2. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  3. আমলযোগ্য, আপোষযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  4. আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য, অ-আপোষযোগ্য ও অ-জামিনযোগ্য
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১১ ধারার বিধান: অপরাধের আমলযোগ্যতা, অ-আপোষযোগ্যতা ও অ-জামিনযোগ্যতা:
- এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (Cognizable) , অ-আপোষযোগ্য (Non- compoundable) এবং অ-জামিনযোগ্য (Non-bailable) হইবে।
২,৪০০.
Under Muslim law, what is the status of a gift made to an unborn person?
  1. Valid
  2. Void
  3. Voidable
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Void
ব্যাখ্যা
• দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

দান বৈধ হওয়ার শর্তাবলি:
- দাতাকে সম্পূর্ণ অধিকার ও সক্ষমতার মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত এবং বিদ্যমান (in existence) হতে হবে।
- সম্পত্তি অবশ্যই বিদ্যমান, চিহ্নিত এবং হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে।
- দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে একটি স্পষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে এবং গ্রহীতা তা গ্রহণ করতে হবে।
- সম্পত্তির দখল প্রকৃতভাবে গ্রহীতার কাছে স্থানান্তর করতে হবে।

ইসলামী আইনের শর্ত অনুযায়ী,
গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত থাকতে হবে। অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তাকে কিছু প্রদান করা সম্ভব নয়। যেহেতু অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তার পক্ষে দখল গ্রহণ বা তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অনাগত ব্যক্তিকে আইনগতভাবে কোনো অধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। একারণে ইসলামী আইনে অনাগত ব্যক্তিকে দেওয়া উপহার বাতিল (void) হিসেবে গণ্য হয়। এটি সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং এর কোনো আইনি বৈধতা নেই।