বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Evidence Act, 1872

মোট প্রশ্ন১,৬৬৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Evidence Act, 1872

PrepBank · পাতা / ১৭ · ৬০১৭০০ / ১,৬৬৪

৬০১.
সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ অনুযায়ী নিম্ন লিখিত কোন বিষয়টি আদালত বিচারক দৃষ্টিগোচরে নিতে পারে না?
  1. বাংলাদেশের ভূখণ্ড
  2. বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত কোন পদবীর অস্তিত্ব
  3. সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
  4. সমুদ্র এবং স্থল পথের নিয়ম কানুন
সঠিক উত্তর:
সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোন সংবাদ
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী ১১ টি বিষয়ের উপর বিচারক দৃষ্টিগোচর রাখা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। যথা:-
(i) বাংলাদেশের সকল আইনসমূহ।
(ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য যাবতীয় অস্ত্র ও রসদ।
(iii) আইনসভার কার্যসমূহ।
(iv) নিম্নলিখিত সীল:-
           a) বাংলাদেশ সকল আদালত সমূহের সীল।
           b) এডমিডালটি ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত সমূহের সীল।
           c) নোটারি পাবলিকের সীল।
           d) সকল সীল যেটা বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইনের দ্বারা কোন ব্যক্তি ব্যবহারের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
(v) বাংলাদেশে কোন সরকারি পদে কাহারো যোগদানের বিষয়ে সরকারি গ্যাজেট।
(vi) সরকার কর্তৃক স্বীকৃত প্রত্যেক রাষ্ট্র বা সার্বভৌম বা রাজা বা রাণীর অস্তিত্ব, উপাধি ও জাতীয় পতাকা।
(vii) সময়ের বিভাগসমূহ, পৃথিবীর ভৌগোলিক বিভাগসমূহ এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত সর্বসাধারণের উৎসব, উপবাস এবং ছুটিসমূহ।
(viii) বাংলাদেশের ভূখণ্ডসমূহ।
(ix) বাংলাদেশের সাথে অপর রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ আরম্ভ হওয়া, চলতে থাকা ও অবসান হওয়া।
(x)  আদালতের সদস্য ও কর্মকর্তাগণ এবং তাদের অধীনস্থ অফিসার এবং সহকারীগণ এবং আদালতের কার্য সম্পাদনকারী অন্যান্য কর্মকর্তাগণের এবং আইন অনুসারে আদালতে উপস্থিত হয়ে মোকাদ্দমা পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত সকল এডভোকেট এবং অনন্য ব্যক্তিদের নাম।
(xi) স্থল বা সমুদ্র পথের নিয়মাবলী।
৬০২.
সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা কোন প্রকার বিবৃতিকে প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য করে?
  1. সব ধরনের নকল দলিল
  2. সাক্ষ্যদানে অনিচ্ছুক ব্যক্তির বিবৃতি
  3. কেবলমাত্র জীবিত ব্যক্তির মৌখিক বক্তব্য
  4. মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ সঠিক উত্তর: ঘ) মৃত, নিখোঁজ, বা সাক্ষ্যদানে অযোগ্য ব্যক্তির বিবৃতি।
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২–এর ৩২ ধারা অনুযায়ী, এমন ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হয়— যিনি: মারা গেছেন (dead), নিখোঁজ (cannot be found), সাক্ষ্যদানে অযোগ্য (incapable of giving evidence) বা যাঁর উপস্থিতি আদালতের জন্য অত্যন্ত সময় ও ব্যয়সাপেক্ষ (attendance cannot be procured without unreasonable delay or expense)
এই ধরনের পরিস্থিতিতে, তাদের পূর্বে দেওয়া মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি (যেমন: মৃত্যুকালীন ঘোষণা, ব্যবসায়িক দলিল, স্বার্থবিরোধী বক্তব্য ইত্যাদি) ৮টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ও সাক্ষ্যযোগ্য হিসেবে ধারা ৩২-এ স্বীকৃত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
-----------
-The Evidence Act, 1872, Section-32: Cases in which statement of relevant fact by person who is dead or cannot be found, etc., is relevant.
- When it relates to cause of death;
or is made in course of business;
or against interest of maker;
or gives opinion as to public right or custom, or matters of general interest;
or relates to existence of relationship;
or is made in will or deed relating to family affairs;
or in document relating to transaction mentioned in section 13, clause (a);
or is made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question

Illustrations:
(a) The question is, whether A was murdered by B; or
A dies of injuries received in a transaction in the course of which she was ravished. The question is whether she was ravished by B; or
The question is whether A was killed by B under such circumstances that a suit would lie against B by A's widow.
Statements made by A as to the cause of his or her death, referring respectively to the murder, the rape and the actionable wrong under consideration are relevant facts.
৬০৩.
একই মামলায় প্রদত্ত বিবৃতি পরবর্তী মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে যদি উক্ত ব্যক্তি _
  1. মৃত হয়।
  2. নিরুদ্দেশ হয়
  3. সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হলে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা ৩৩ অনুযায়ী- সাক্ষী মামলার বিচারক্রমে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা সম্পন্ন কোন ব্যাক্তির নিকট যে সাক্ষ্য দেয়, উক্ত সাক্ষীর মৃত্যু হলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হয়ে পড়লে, বিরুদ্ধ পক্ষ তাকে সরিয়ে রাখলে অথবা তাকে উপস্থিত করার জন্য সে সময় ও অর্থের প্রয়োজন, মামলার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তা অযৌক্তিক বলে মনে করলে, উক্ত সাক্ষীর পুর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোন ঘটনার সত্যতা পরবর্তী কোন মামলায় বা একই মামলায় পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে (শর্তসাপেক্ষে)।
৬০৪.
'ক' এবং 'খ' কে যৌথভাবে 'গ' এর হত্যার জন্য বিচার করা হচ্ছে। 'ক' এর স্বীকারোক্তি যে "আমি এবং 'খ' 'গ' কে হত্যা করেছি" - আদালত এই স্বীকারোক্তি কার বিরুদ্ধে বিবেচনা করতে পারবে?
  1. শুধুমাত্র 'ক' এর বিরুদ্ধে
  2. শুধুমাত্র 'খ' এর বিরুদ্ধে
  3. 'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
  4. কারও বিরুদ্ধেই না
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভয়ের বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩০ অনুসারে, যখন একাধিক ব্যক্তি একই অপরাধের (যেমন হত্যা) জন্য যৌথভাবে বিচার করা হয় এবং একজনের স্বীকারোক্তি (কনফেশন) যা নিজেকে এবং অন্যদের প্রভাবিত করে (অর্থাৎ, অন্যদের অপরাধের সাথে জড়িত দেখায়), তখন আদালত সেই স্বীকারোক্তি অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও বিবেচনা করতে পারে। এখানে 'ক'-এর স্বীকারোক্তি ("আমি এবং 'খ' 'গ'-কে হত্যা করেছি") নিজেকে এবং 'খ'-কে প্রভাবিত করে, এবং যেহেতু তারা যৌথভাবে বিচারাধীন, তাই এটি উভয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে বিবেচ্য।

ধারার ইলাস্ট্রেশন (a)-এও একইভাবে উল্লেখ আছে: A এবং B যৌথভাবে C-এর হত্যার জন্য বিচার। A-এর স্বীকারোক্তি ("B এবং আমি C-কে হত্যা করেছি") B-এর বিরুদ্ধেও বিবেচ্য। যদি যৌথ বিচার না হয় (ইলাস্ট্রেশন b), তাহলে অন্যের বিরুদ্ধে বিবেচনা করা যায় না।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 30. Consideration of proved confession affecting person making it and others jointly under trial for same offence:
When more persons than one are being tried jointly for the same offence, and a confession made by one of such persons affecting himself and some other of such persons is proved, the Court may take into consideration such confession as against such other persons as well as against the person who makes such confession.
Explanation.-"Offence", as used in this section, includes the abatement of, or attempt to commit, the offence.

Illustrations:
(a) A and B are jointly tried for the murder of C. It is proved that A said-"B and I murdered C." The Court may consider the effect of this confession as against B.
(b) A is on his trial for the murder of C. There is evidence to show that C was murdered by A and B, and that B said- "A and I murdered C".
This statement may not be taken into consideration by the Court against A, as B is not being jointly tried.

৬০৫.
According to Section 60 of The Evidence Act, 1872, Oral evidence must be ______.
  1. proved
  2. direct
  3. accurate
  4. disproved
সঠিক উত্তর:
direct
উত্তর
সঠিক উত্তর:
direct
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct)।

অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৬০৬.
'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. Who must have to prove that 'B' has committed the crime?
  1. 'A'
  2. 'B'
  3. Police
  4. Victim
সঠিক উত্তর:
'A'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A'
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী,
প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায় যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। এই ধারা অনুযায়ী এই প্রমাণের ভার কখনও পরিবর্তন হয় না।

Section 101 of The Evidence Act 1872- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. 
When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person. 

Illustrations -
(a) 'A' desires a Court to give judgment that 'B' shall be punished for a crime which 'A' says 'B' has committed. 'A' must prove that 'B' has committed the crime. 

(b) A desires a Court to give judgment that he is entitled to certain land in the possession of B, by reason of facts which he asserts, and which B denies, to be true. A must prove the existence of those facts.
৬০৭.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮ অনুসারে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. অভিজ্ঞদের মতামত সর্বদা প্রাসঙ্গিক
  2. আইনজীবীর মতামত গ্রহণযোগ্য নয়
  3. আদালত মতামত সর্বদা প্রাসঙ্গিক নয়
  4. জানার সম্ভাব্যতা থাকা ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
জানার সম্ভাব্যতা থাকা ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানার সম্ভাব্যতা থাকা ব্যক্তির মতামত প্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:

When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.
৬০৮.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় যদি দু’পক্ষের মধ্যে চুক্তি থাকে যে কোনো স্বীকৃতি সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া হবে না, তাহলে সেই স্বীকৃতি-
  1. যেকোনো পক্ষের ইচ্ছায় গ্রহণযোগ্য
  2. আদালতের ইচ্ছায় গ্রহণযোগ্য
  3. অপ্রাসঙ্গিক
  4. সর্বদাই প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৩ ধারার বিধান: দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি যখন প্রাসঙ্গিক:
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোন স্বীকৃতি যদি এরূপ প্রকাশ্য শর্তাধীন করা হয় যে, ঐ সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না অথবা যদি এরূপ পরিস্থিতিতে করা হয় যে, তা সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া হবে না বলে পক্ষগণের মধ্যে চুক্তি হয়েছে বলে আদালত অনুমান করতে পারেন, তবে তা প্রাসঙ্গিক হবে না।

ব্যাখ্যা: কোন অ্যাডভোকেট ১২৬ ধারা অনুসারে কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য থাকলে এই ধারার কোন বিধান অনুসারে তিনি সাক্ষ্য দেওয়া হতে অব্যাহতি পাবে না।

⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয় যদি-
- স্বীকৃতিটি এই শর্তে করা হয় যে উক্ত স্বীকৃতি সম্পর্কে কোন সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না।
- সাক্ষ্য না দেয়ার জন্য পক্ষগণের মধ্যে কোন চুক্তি থাকলে।

৬০৯.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় 'Res Judicata' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ৩৯
  2. ৪০
  3. ৪৫
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:

i) Res-judicata (দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ১১);

ii) Double Jeopardy (ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা: ৪০৩)।

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৬১০.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, কোনটি দলিল হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. লিখিত কোন বিষয়
  2. কোন মানচিত্র বা নকশা
  3. মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয়
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী, লিখিত কোন বিষয়, কোন মানচিত্র বা নকশা, এবং মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত বিষয় সবগুলোই দলিল হিসেবে গণ্য হবে। এ কারণে, "কোনটি নয়" সঠিক উত্তর কারণ উপরের সমস্ত উদাহরণই দলিল হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী-
- যে কোন লিখনই দলিল বলে গণ্য হয়;
- মুদ্রিত, লিথোগ্রাফ বা ফটোগ্রাফকৃত যে কোন কথাও দলিল বলে গণ্য হবে (Words printed, lithographed or photographed are documents);
- কোন মানচিত্র বা নকশা, কোন ধাতু খন্ড বা প্রস্তর খন্ডের উপর খোদাইকৃত কোন বিষয় অথবা কোন ব্যঙ্গচিত্র (caricature) দলিল বলে গণ্য হবে।
অর্থাৎ অপশনে উল্লিখিত সবগুলো দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ The Evidence Act,1872 এর ধারা ৩ মতে-
'দলিল বা Document' বলতে কোন পদার্থের উপর অক্ষর, সংখ্যা বা চিহ্নের (letters, figures or marks) সাহায্যে প্রকাশিত বা বর্ণিত কোন বিষয়কে বোঝায়।
"Document" means any matter expressed or described upon any substance by means of letters, figures or marks, or by more than one of those means, intended to be used, or which may be used, for the purpose of recording that matter.
৬১১.
'The Court may presume that judicial and official acts have been regularly performed' -বিধানটি The Evidence Act, 1872 এর কোন Section এ বর্ণিত আছে?
  1. 79
  2. 80
  3. 114 (e)
  4. 114 (g)
সঠিক উত্তর:
114 (e)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
114 (e)
ব্যাখ্যা
Section 114: Court may presume existence of certain facts

The court may presume the existence of any fact which it thinks likely to have happened, regard being had to the common course of natural events, human conduct and public and private business, in their relation to the facts of the particular case. 
Illustrations 
The Court may presume – 
(a) that a man who is in possession of stolen goods soon after the theft, is either the thief or has received the goods knowing them to be stolen, unless he can account for his possession; 

(b) that an accomplice is unworthy of credit, unless he is corroborated in material particulars; 

(c) that a bill of exchange, accepted or endorsed, was accepted or endorsed for good consideration; 

(d) that a thing or state of things which has been shown to be in existence within a period shorter than that within which such things or states of things usually cease to exist, is still in existence; 

(e) that judicial and official acts have been regularly performed; 

(f) that the common course of business has been followed in particular cases; 

(g) that evidence which could be and is not produced would, if produced, be unfavourable to the person who withholds it; 

(h) that, if a man refuses to answer a question which he is not compelled to answer by law, the answer, if given, would be unfavourable to him; 

(i) that when a document creating an obligation is in the hands of the obligor, the obligation has been discharged. 
But the Court shall also have regard to such facts as the following, in considering whether such maxims do or do not apply to the particular case before it.
৬১২.
সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী কোন সাক্ষী কোন মামলার বিচারিক কার্যক্রমে যে সাক্ষ্য দেয় তা একই মামলার পরবর্তী  কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে যদি-
  1. সাক্ষী মারা যায়
  2. সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়
  3. বিপক্ষ সাক্ষীকে সরিয়ে রাখে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ধারা ৩৩ অনুযায়ী যদি কোনো সাক্ষী পূর্বে কোনো বিচারিক কার্যধারায় বা আইনের দ্বারা স্বীকৃত কোনো ব্যক্তির সামনে সাক্ষ্য প্রদান করে থাকেন, তবে সেই সাক্ষ্য পরবর্তী বিচারিক কার্যধারায় বা একই বিচারিক কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক হবে, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলোর যেকোনো একটি প্রযোজ্য হয়-
- যখন সাক্ষী মৃত্যুবরণ করে,
- যখন সাক্ষীকে খুঁজে পাওয়া না যায়,
- যখন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদানে অসমর্থ হয়ে পড়ে,
- যখন প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে সাক্ষীকে সাক্ষ্য দেওয়া থেকে বিরত রেখেছে,
- সাক্ষীকে হাজির করতে এত বিলম্ব বা খরচ হবে, যা আদালতের দৃষ্টিতে অযৌক্তিক।

ধারা ৩৩: কোনো সাক্ষ্যে প্রদত্ত বিবৃতির সত্যতা পরবর্তী মোকদ্দমায় প্রমাণের জন্য উক্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা: কোনো সাক্ষী কোনো মোকদ্দমার বিচারে বা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো লোকের নিকট যে সাক্ষ্য দেওয়া তাহা, ঐ সাক্ষীর মৃত্যু হইলে, সন্ধান পাওয়া না গেলে, সে সাক্ষ্য দিতে অসমর্থ হইয়া পড়িলে, বিরুদ্ধে পক্ষ তাহাকে মোকদ্দমার অবস্থা বিবেচনায় আদালত তাহা অযৌক্তিক বলিয়া মনে করিলে, ঐ সাক্ষীর পূর্বোক্ত সাক্ষ্যে বর্ণিত কোনো ঘটনার সত্যতা পরবর্তীতে কোনো মোকদ্দমায় বা একই মোকদ্দমার পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক হইবে:
যদি-
পরবর্তী মোকদ্দমা একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কিংবা তাহাদের স্বার্থসংশিষ্ট প্রতিনিধিদের মধ্যে হয়;
প্রথমোক্ত মোকদ্দমায় সাক্ষীদের যদি বিরুদ্ধ পক্ষ জেরা করিবার অধিকার ও সুযোগ লাভ করিয়া থাকে,
শেষোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্ন যদি মোটামুটিভাবে প্রথমোক্ত মোকদ্দমার বিচার্য প্রশ্নের অনুরূপ হয়।
ব্যাখ্যা: কোনো ফৌজদারি মোকদ্দমার বিচার বা তদন্ত এই ধারার অর্থ অনুযায়ী আসামি ও বাদীর মধ্যে মোকদ্দমা বলিয়া বিবেচিত হইবে।
---------------------------
The Evidence Act 1872,Section 33,,Relevancy of certain evidence for proving, in subsequent proceeding, the truth of facts therein stated: Evidence given by a witness in a judicial proceeding, or before any person authorized by law to take it, is relevant for the purpose of proving, in a subsequent judicial proceeding, or in a later stage of the same judicial proceeding, the truth of the facts which it states, when the witness is dead or cannot be found, or is incapable of giving evidence, or is kept out of the way by the adverse party, or if his presence cannot be obtained without an amount of delay or expense which, under the circumstances of the case, the Court considers unreasonable:
Provided-
that the proceeding was between the same parties or their representatives in interest;
that the adverse party in the first proceeding had the right and opportunity to cross-examine;
that the questions in issue were substantially the same in the first as in the second proceeding.
Explanation.-A criminal trial or inquiry shall be deemed to be a proceeding between the prosecutor and the accused within the meaning of this section.

৬১৩.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি কখন প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. পুরনো রেকর্ড হলে
  2. যথাযথ হেফাজত থেকে পাওয়া না গেলে
  3. রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে
ব্যাখ্যা
• The Evidence (Amendment) Act, 2022 দ্বারা ২২ক ধারাটি নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ডের বিবরণ বিষয়ে মৌখিক বিবৃতি প্রাসঙ্গিক হওয়ার শর্ত ২২ক ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ক ধারায় বলা হয়েছে,
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়, যদি না উত্থাপিত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
[Oral admissions as to contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question].

অর্থাৎ রেকর্ডের বিশুদ্ধতা প্রশ্নবিদ্ধ হলেই মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক হবে।
৬১৪.
কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য?
  1. দেখার বিষয় হইলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হইলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হইলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
৬১৫.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. পুলিশকে সহায়তা করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. যেকোনো পক্ষের হয়ে সাক্ষ্য দেওয়া
  4. শুধুমাত্র বাদীপক্ষের স্বপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতকে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক (৪৫A) ধারা অনুযায়ী, একজন ফরেনসিক বা শারীরিক প্রমাণ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতকে সহায়তা করা। তার প্রতিবেদন আদালতের উদ্দেশ্যে প্রণীত হবে, কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের জন্য নয়।
একজন বিশেষজ্ঞের উদ্দেশ্য নিরপেক্ষভাবে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা, যাতে আদালত সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে। তিনি কোনো পক্ষের হয়ে স্বার্থান্বেষী সাক্ষ্য দিতে পারবেন না। এজন্য, তার প্রতিবেদন মামলার সকল পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
৬১৬.
কোন পরিস্থিতিতে সাক্ষী বৈরী হিসেবে ঘোষণা হতে পারে?
  1. যখন সাক্ষী মামলা থেকে পলায়ন করে
  2. যখন সাক্ষী কোনো তথ্য প্রদান করতে অস্বীকার করে
  3. যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
  4. যখন সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় ভুল তথ্য দেয়
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাক্ষী নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
ব্যাখ্যা
বৈরী সাক্ষী (Hostile Witness) হলো সেই সাক্ষী, যাকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আনে, কিন্তু সাক্ষী আদালতে এসে তার সাক্ষ্য বিপরীত দিক নির্দেশ করে বা নিজের পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়। এমন অবস্থায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে সেই সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দেওয়া হয় এবং তখন তাকে বৈরী সাক্ষী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়;
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়;
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে। এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৬১৭.
যদি মূল দলিল আদালতের বাইরে থাকে এবং আইনত উপস্থাপন করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয় কিন্তু দেওয়া হয়নি, তখন-
  1. দলিল অকার্যকর হবে
  2. সাক্ষ্য হিসেবে কেবল মূল দলিল গ্রহণযোগ্য হবে
  3. মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
  4. আদালতের অনুমতি ছাড়া তা গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায় না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।

৬১৮.
ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) উত্তর সাধারণত কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. হ্যাঁ বা না
  2. বিস্তারিত ব্যাখ্যা
  3. আদালতের নির্দেশনা
  4. সাক্ষীর ব্যক্তিগত মতামত
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ বা না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাঁ বা না
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) হ্যাঁ বা না।
- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন (Leading question) এমন প্রশ্ন যা প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত প্রদান করে থাকে। সাধারণত, এই ধরনের প্রশ্নে সাক্ষী হ্যাঁ বা না উত্তর দেয়। উদাহরণস্বরূপ, "আপনার নাম কি সালমান?"—এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে (সালমান), তাই সাক্ষী সাধারণত "হ্যাঁ" বা "না" বলে উত্তর দেয়।
এই ধরনের প্রশ্ন আদালত, বিশেষত সাক্ষীকে জেরা করার সময়, বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি সাক্ষীর উত্তরকে নিয়ন্ত্রণ বা দিশা প্রদান করতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন: প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
⇒ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যাঁ অথবা না ব্যাজেই এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
---------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section 141. Leading questions:
- Any question suggesting the answer which the person putting it wishes or expects to receive is called a leading question.
৬১৯.
‘E’ একটি মামলায় ‘F’-এর বিরুদ্ধে দাবি করে যে একটি গাড়ি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল। ‘E’ বলে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” ‘G’ বলেন, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ‘G’-এর বক্তব্য স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ২০
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০ অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ যদি কোনো ব্যক্তির কাছে স্পষ্টভাবে তথ্যের জন্য উল্লেখ করে, তবে সেই ব্যক্তির বক্তব্য স্বীকারোক্তি (Admission) হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এখানে ‘E’ স্পষ্টভাবে বলেছে, “এই বিষয়ে ‘G’-এর কাছে জিজ্ঞাসা করো, তিনি সব জানেন।” তাই ‘G’-এর বক্তব্য, “গাড়িটি বিক্রির সময় ত্রুটিপূর্ণ ছিল,” ধারা ২০-এর অধীনে স্বীকারোক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
--------- 
⇒ The Evidence Act, 1872- Section- 20. Admissions by persons expressly referred to by party to suit:
- Statements made by persons to whom a party to the suit has expressly referred for information in reference to a matter in dispute are admissions.
Illustrations:
- The question is whether a horse sold by A to B is sound.
- A says to B–"Go and ask C; C knows all about it." C's statement is an admission.

৬২০.
কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের আইনসমূহ
  2. আইন সভার কার্যসমূহ
  3. আদালত সমূহের সীল মোহর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৬২১.
মাধ্যমিক সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার কোন ধরনের পরিস্থিতি ধারা ৬৫-তে উল্লেখ নেই?
  1. মূল দলিল নষ্ট হয়ে গেলে
  2. দলিলটি স্থানান্তরযোগ্য না হলে
  3. দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
  4. দলিলটি আদালতের সমনের আওতার বাইরে হলে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন ধারা ৬৪- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ:
এ আইনে অত:পর যে সমস্ত ব্যতিক্রম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি ব্যতীত অপর সমস্ত ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

তবে কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়, তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপ:
ক. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না;
খ. দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে, সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে;
গ. মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে;
ঘ. দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে;
ঙ. মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে;
চ. দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে;
ছ. মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

'দলিলটি মৌখিক স্বীকৃত হলে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে'- এই বিধান ৬৫ ধারায় উল্লেখ নেই।
৬২২.
কোন ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না?
  1. জেরা কালে
  2. জবানবন্দী গ্রহণকালে
  3. পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
১৪২ ধারার বিধান-
বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান-
জেরার ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৬২৩.
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে-
  1. ঘোষণা প্রদানকারী সত্য বলেছে
  2. ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে দেয়া হয়েছে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণা প্রদানকারী মৃত
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য। 
- 'Dying Declaration' বা মৃত্যুকালীন বিবৃতি যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে করা যায়।
 
⇒  সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
 
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা;
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি;
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে;
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত;
ⅴ) পারিবারিক দলিল বা উইল;
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি;
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি;

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।
 
মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৬২৪.
কোন ক্ষেত্রে ৫৯ ধারার অধীনে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য?
  1. শুধু দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক রেকর্ড প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  3. দলিলের বিষয়বস্তু এবং ইলেকট্রনিক রেকর্ড উভয় প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
  4. দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয়বস্তু ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড ছাড়া অন্য কিছু প্রমাণ করার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৫৯ এবং ৬০ ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

৫৯ ধারায় বলা হয়েছে:
"All facts, except the contents of documents or electronic records, may be proved by oral evidence."
অর্থাৎ, দলিল বা ইলেকট্রনিক রেকর্ডের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য সব তথ্য মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে।

৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

সুতরাং, উপরোক্ত এই দুই ধারায় মৌখিক সাক্ষ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং তার প্রকৃতি ও পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিছু বিষয় যেমন দলিলের বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য যেকোনো ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে প্রমাণযোগ্য। এছাড়াও মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই সরাসরি হতে হবে। এসব নিয়মাবলী ৫৯ এবং ৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে।
৬২৫.
A দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারা অনুযায়ী স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের করার দায়ে অপরাধী। মামলাটি যে ৩৩৫ ধারায় উল্লেখিত পরিস্থিতির অধীনে পড়ে , তা প্রমাণ করার দায়িত্ব _____।
  1. A এর উপর বর্তায়
  2. আদালতের উপর বর্তায়
  3. সরকারের উপর বর্তায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর বর্তায়
ব্যাখ্যা
♦উত্তেজনা দিয়ে স্বেচ্ছামূলকভাবে মারাত্মক জখম করা ৩৩৫ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ৩৩৫ ধারার বিধান ৩২৫ এর অধীন স্বেচ্ছামূলক গুরুতর জখমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। এটা প্রযোজ্য হবে না তা প্রমাণের ভার A এর উপর বর্তায়।
৬২৬.
নিম্নের কোনটি সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৫)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক?
  1. অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য
  2. ব্যবসায়িক নথিপত্রে লেখা তথ্য
  3. পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
  4. আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যক্তির মৌখিক স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(৫) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত হন বা সাক্ষ্য প্রদান করতে সক্ষম না হন, তখন তার করা কোনো বিবৃতি পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত হলে তা প্রাসঙ্গিক এবং আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এই ধরনের বিবৃতি সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সম্পর্ক বা তাদের পারিবারিক পরিস্থিতি সম্পর্কে হয়।

ধারা ৩২(৫) বিশেষত পারিবারিক সম্পর্কের অস্তিত্ব সম্পর্কিত বিবৃতি (যেমন: মাতৃত্ব, পিতৃত্ব, ভাইবোনের সম্পর্ক) কে প্রাসঙ্গিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। যেমন: কোনো ব্যক্তি তার পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে কোনো বিষয়ের ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক বিবৃতি দিয়ে থাকলে, এবং যদি সে ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদান করতে সক্ষম না হয় (যেমন: মৃত্যুর কারণে), তবে তার পূর্বের বিবৃতিটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

অন্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
ক) অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য: অপরাধের প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য সরাসরি ঘটনাটি দেখার মাধ্যমে প্রাপ্ত সাক্ষ্য হয়, যা ধারা ৩২-এর আওতায় নয়।
খ) ব্যবসায়িক নথিপত্রে লেখা তথ্য: এটি ধারা ৩২(২) অনুযায়ী ব্যবসায়িক বিবৃতি হিসেবে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, তবে এটি ৩২(৫)-এর আওতায় আসে না।
ঘ) আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যক্তির মৌখিক স্বীকারোক্তি: মৌখিক স্বীকারোক্তি সাধারণত ধারা ৩২(৩) বা ধারা ৩২(৪) অনুসারে প্রাসঙ্গিক হতে পারে, তবে এটি ৩২(৫)-এর আওতায় নয়।
-----------
The Evidence Act, 1872: Section-32(5) or relates to existence of relationship;
 When the statement relates to the existence of any relationship by blood, marriage or adoption between person as to whose relationship by blood, marriage or adoption the person making the statement had special means of knowledge, and when the statement was made before the question in dispute was raised.
৬২৭.
A একটি জমির জন্য B এর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা দায়ের করে। জমিটি B এর দখলে করে আছে। A দাবি করে যে B এর পিতা C উইল করে ঐ জমি A কে দিয়ে গেছে। এখানে প্রমাণের দায়িত্ব-
  1. C এর উপর
  2. A এর উপর
  3. B এর উপর
  4. A ও B এর উভয় উপর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর উপর
ব্যাখ্যা
♦যেহেতু জমিটি B এর দখলে আছে, সেহেতু এই মামলায় কোন পক্ষ সাক্ষ্য না দিলে B জমির দখল বজায় রাখার অধিকারী হবে এবং A মামলায় পরাজিত হবে। ১০২ ধারা অনুযায়ী কোন মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ  দাখিল না করলে যে পক্ষ পরাজিত হবে, প্রমাণের ভার সেই পক্ষের উপর বর্তাবে। তাই এই ক্ষেত্রে প্রমাণের দায়িত্ব A এর উপর ন্যাস্ত।
৬২৮.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪৫ক ধারার অধীনে বিশেষজ্ঞের রিপোর্টের অনুলিপি কার কাছে প্রদান করতে হবে?
  1. মামলার সকল পক্ষকে
  2. শুধুমাত্র বাদী পক্ষকে
  3. শুধুমাত্র অভিযুক্ত পক্ষকে
  4. শুধু যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে সেই পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সকল পক্ষকে
ব্যাখ্যা

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: -
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৬২৯.
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে সাক্ষ্য আইনের _____ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
  1. ১৩
  2. ১২
  3. ১৬
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনার উদাহরণ:
১. ক্ষতির প্রকৃতি ও আকার সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক ক্ষতি, আর্থিক ক্ষতি ইত্যাদি);
২. ক্ষতিগ্রস্থের আর্থিক অবস্থা বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা (আয়, খরচ ইত্যাদি);
৩. দায়ী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কিত ঘটনা;

৪. দায়িত্বের প্রকৃতি ও কারণ বুঝতে সাহায্যকারী ঘটনা;
৫. ক্ষতির ফলাফল সম্পর্কিত ঘটনা (শারীরিক/মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি);
৬. ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কিত ঘটনা।

সুতরাং ১২ ধারার লক্ষ্য হলো ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে যে কোনো প্রাসঙ্গিক ঘটনাকে গ্রহণ করা যাতে আদালতকে সহায়তা করা যায়। প্রাসঙ্গিকতার মূল লক্ষ্য হল যথাযথ ক্ষতিপূরণ নির্ণয়।
৬৩০.
দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তিকে কখন জেরা করা যেতে পারে?
  1. কখনোই নয়
  2. দলিল জমা দেওয়ার পরপর
  3. যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
  4. যখন সে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক হয়
সঠিক উত্তর:
যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়
ব্যাখ্যা

The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৩৯ – দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কোন ব্যক্তি যদি কেবলমাত্র কোনো দলিল উপস্থাপন করার জন্য সমনপ্রাপ্ত হয়ে হাজির হন, তাহলে তিনি শুধুমাত্র সেই দলিলটি উপস্থাপন করার কারণে সাক্ষী হিসেবে গণ্য হন না, এবং তাকে জেরা (cross-examination) করা যাবে না — যতক্ষণ পর্যন্ত না তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

৬৩১.
বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালে কখন তাদের ভেতরের পত্রালাপ সাক্ষ্যের জন্য প্রকাশযোগ্য হয়?
  1. যদি তাদের কেউ মৃত হয়
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী আবেদন করলে
  3. পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
  4. বর্ণিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পরের ভেতরে কোনো দেওয়ানি মামলায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

Section 122⇒ Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.
৬৩২.
সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা প্রযোজ্য হতে হলে অভিযুক্তদের কী শর্ত থাকতে হবে?
  1. যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
  2. পৃথক বিচারের মুখোমুখি হতে হবে
  3. আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হতে হবে
  4. একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হতে হবে
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌথভাবে বিচারাধীন হতে হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:
সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে-
যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে;
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে;
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৬৩৩.
সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারায় কত প্রকার ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী- 'বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা'- এই দুই ধরনের ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে।

⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
ব্যাখ্যাঃ দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।

Section 5⇒ Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others.
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৬৩৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারা অনুযায়ী বিচারক উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে কখন প্রশ্ন করতে পারেন?
  1. রায় প্রদানের সময়
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের সময়
  3. মামলার যে কোন সময়
  4. বিচার্য বিষয় গঠনের সময়
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে কোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:-
বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন।

- এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন। তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।

অর্থাৎ বিচারকের এই ক্ষমতা আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রমাণিত এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য আবিষ্কার বা সঠিকভাবে প্রমাণ করার জন্য যে কোনো সাক্ষী বা পক্ষের কাছে যে কোনো সময়, যে কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি দেয়। বিচারক প্রশ্নগুলি যেকোনো আকারে এবং প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক যে কোনো বিষয় সম্পর্কে করতে পারেন। এছাড়াও, বিচারক যেকোনো দলিল বা জিনিসের উত্পাদন করতে আদেশ দিতে পারেন।

এই প্রসঙ্গে, পক্ষগুলোর বা তাদের এজেন্টদের জন্য এই প্রশ্ন বা আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি করার অধিকার নেই। তাছাড়া, আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনো সাক্ষীকে তার উত্তরের ভিত্তিতে জেরা করারও অধিকার নেই।
-----------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-165: Judge’s power to put questions or order production:
The Judge may, in order to discover or to obtain proper proof of relevant facts, ask any question he pleases, in any form, at any time, of any witness, or of the parties about any fact relevant or irrelevant; and may order the production of any document or thing: and neither the parties nor their agents shall be entitled to make any objection to any such question or order, nor, without the leave of the Court, to cross-examine any witness upon any answer given in reply to any such question: 
 
Provided that the judgment must be based upon facts declared by this Act to be relevant, and duly proved: 
Provided also that this section shall not authorize any Judge to compel any witness to answer any question or to produce any document which such witness would be entitled to refuse to 
answer or produce under sections 121 to 131, both inclusive, if the question were asked or the document were called for by the adverse party; nor shall the Judge ask any question which it would be improper for any other person to ask under section 148 or 149; nor shall he dispense with primary evidence of any document, except in the cases herein- before excepted.
৬৩৫.
সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা অনুযায়ী, বোবা সাক্ষী যদি লিখিতভাবে সাক্ষ্য দেন, তবে তা কী সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে?
  1. দালিলিক সাক্ষ্য
  2. মৌখিক সাক্ষ্য
  3. গোপন সাক্ষ্য
  4. প্রকৃত ঘটনা
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক সাক্ষ্য
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৯ অনুযায়ী, বোবা সাক্ষী যদি লিখিতভাবে বা ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য দেন, তাহলে তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে, যদিও এটি লিখিত বা ইশারার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা- বোবা সাক্ষী: যে সাক্ষী কথা বলিতে অক্ষম, তিনি তাহার বক্তব্য অন্য কোনোভাবে অর্থাৎ লিখিয়া বা ইশারা করিয়া বুঝাইতে পারেন এবং সেইভাবে সাক্ষ্যদিতে পারেন, তবে সেই লেখা বা ইশারা প্রকাশ্য আদালতে লিখিতে বা করিতে হইবে। এইরূপভাবে যে সাক্ষ্য দেওয়া হইবে তাহা মৌখিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
----------------------------------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 119- Dumb witnesses: A witness who is unable to speak may give his evidence in any other manner in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing in which he can make it intelligible, as by writing or by signs; but such writing must be written and the signs made in open Court. Evidence so given shall be deemed to be oral evidence.

৬৩৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, কয়টি ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির বিবৃতি প্রাসঙ্গিক?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে, আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-
ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারণ সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা (dying declaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরণের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারণের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vi) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).

৬৩৭.
Inquisitorial system এ বিচারক কোন ধরনের ভূমিকা পালন করেন?
  1. সাক্ষীর
  2. আইনজীবীর
  3. অভিযোগকারির
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারায় Inquisitorial system এর বিধান রয়েছে। 

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬৫ ধারার বিধান: বিচারক কর্তৃক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার বা কিছু দাখিল করার আদেশ প্রদানের ক্ষমতা- বিচারক প্রাসঙ্গিক ঘটনা উদঘাটন করার জন্য অথবা উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য যে কোন সাক্ষীকে যে কোন সময় যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন, অথবা প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে পক্ষগণকে যে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারবেন এবং যে কোন দলিল বা বস্তু উপস্থাপন করার আদেশ দিতে পারবেন। এখানে বিচারক একজন আইনজীবী ও তদন্তকারীর ভূমিকা পালন করেন।

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন অনুসারে যে সকল ঘটনা প্রাসঙ্গিক ও যথারীতি প্রমাণিত বলে ঘোষিত হবে, তার ভিত্তিতেই মামলার রায় দান করতে হবে।

⇒ পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিগণ বিচারকের কোন প্রশ্ন বা আদেশ সম্পর্কে কোন আপত্তি করতে পারবে না। অনুরূপ কোন প্রশ্নের উত্তরে সাক্ষী যা বলবে ঐ সম্পর্কে আদালতের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষীকে কোন জেরা করতেও পারবে না।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতা আদালতের সহজাত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

⇒ ১৬৫ ধারার ক্ষমতাবলে উপযুক্ত প্রমাণ সংগ্রহের জন্য আদালত মামলার পক্ষ বা সাক্ষী অথবা কোন ব্যক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে পারে।
৬৩৮.
ধারা ১১৬ অনুযায়ী, ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel কীভাবে প্রযোজ্য?
  1. ভাড়াটিয়া চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে
  2. মালিক চুক্তি বাতিল করতে পারবে না
  3. ভাড়াটিয়া পূর্বে স্বীকারকৃত চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে না
  4. ভাড়াটিয়া নতুন কোনো চুক্তি করতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া পূর্বে স্বীকারকৃত চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাড়াটিয়া পূর্বে স্বীকারকৃত চুক্তি অস্বীকার করতে পারবে না
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১১৬ ধারায়, দুইটি ক্ষেত্রে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ক্ষেত্র ২ টি নিম্নরূপ:

১। ভাড়াটিয়া এবং মালিকের মধ্যে Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধা:
একজন বাড়িওয়ালা (landlord) ভাড়ার বিনিময়ে একজন ভাড়াটিয়া (tenant)’কে তার দোকানে ভাড়া প্রদান করলে, ভাড়াটিয়া পরবর্তীতে উক্ত সম্পর্ক অস্বীকার করতে পারবে না।

২। অনুমতি প্রাপক (licensee) এবং অনুমতি দাতা (licensor)’র মধ্যে Estoppel (এস্টপেল) বা স্বকার্যজনিত বাধা:
অনুমতি নিয়ে কেউ দখল ফেলে পরবর্তীতে সেই অনুমতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না। যদি কেউ অনুমতি নিয়ে কোন রাস্তাও ব্যবহার করে, পরবর্তীতে সেটিকে সরকারী বা অধিকার বলে দাবী করতে পারবে না, কেননা অনুমতি নিয়ে পরে সেটি অস্বীকার করলে সাক্ষ্য আইনে ১১৬ ধারার Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতিতে বাধা প্রাপ্ত হবে।

এই ধারার অধীন Estoppel বা স্বকার্যজনিত বাধার নীতি শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- বাড়ি, জমি ইত্যাদির ভাড়াটিয়াকে মালিকের মালিকানা স্বত্ব অস্বীকার করা হতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। কেননা, বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি থাকে এবং অনুমতি প্রদানকারীর সাথেও অনুমতি দাতার একটি চুক্তি থাকে।

৬৩৯.
সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য কোন ধরনের প্রমাণ ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. সাক্ষীর পরিচয় প্রমাণ করা
  2. সাক্ষীর শারীরিক অবস্থা প্রমাণ করা
  3. সাক্ষীর আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য প্রদান
  4. সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা প্রলোভন দেয়া হয়েছে তা প্রমাণ করা।

- সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
১) সাক্ষী যে বিশ্বাসযোগ্য নয়, তা প্রমাণ করার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সাক্ষ্য ব্যবহার করা।
২) সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সে কোনো দুর্নীতিমূলক প্রলোভন গ্রহণ করেছে, তা প্রমাণ করা।
৩) সাক্ষীর পূর্বের বক্তব্য এবং বর্তমান সাক্ষ্যের মধ্যে অমিল প্রমাণ করা।
- এই ধারায় (ঘ) সঠিক উত্তর কারণ এটি সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ। যদি কোন সাক্ষীকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে বা সে প্রলোভন গ্রহণ করেছে, তা প্রমাণ করা গেলে, তার সাক্ষ্য সন্দেহজনক হয়ে যাবে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ ধারার সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্টের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারায় নিম্নবর্ণিত ৩ টি উপায়ে সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায়।
১. সাক্ষী বিশ্বাসের অযোগ্য মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করে
২. সাক্ষীকে ঘুষ প্রদান করা হয়েছে বা এরূপ দুর্নীতিমূলক প্রলোভনে সম্মত হয়েছেন মর্মে প্রমাণ করে।
৩. সাক্ষীর পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে বর্তমান বক্তব্য অমিল তা প্রমাণ করে বিরুদ্ধ পক্ষ সরাসরি এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে সাক্ষী হাজিরকারী পক্ষ এরূপ প্রশ্ন করতে পারেন।
---------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 155. Impeaching credit of witness
 The credit of a witness may be impeached in the following ways by the adverse party, or, with the consent of the Court, by the party who calls him:-
(1) by the evidence of persons who testify that they, from their knowledge of the witness, believe him to be unworthy of credit;
(2) by proof that the witness has been bribed, or has accepted the offer of a bribe, or has received any other corrupt inducement to give his evidence;
(3) by proof of former statements inconsistent with any part of his evidence which is liable to be contradicted;

⇒ Explanation.–A witness declaring another witness to be unworthy of credit may not, upon his examination-in-chief, give reasons for his belief, but he may be asked his reasons in cross-examination, and the answers which he gives cannot be contradicted, though, if they are false, he may afterwards be charged with giving false evidence.
৬৪০.
সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারা কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের প্রমাণ
  2. ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রমাণ
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণার প্রাসঙ্গিকতা
  4. প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ন আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২ অনুযায়ী, যে দলিল আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয়, সেটি যদি প্রত্যয়িতও হয়, তাহলে সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যয়িত দলিল।
অর্থাৎ, আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক নয় এমন দলিলের ক্ষেত্রে, প্রত্যয়নের অস্তিত্ব বা সাক্ষী উপস্থিতি ছাড়াও তা প্রমাণযোগ্য।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 72. Proof of document not required by law to be attested:
An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
---------- 
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ:
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
৬৪১.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা কোন প্রকার মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. পারিবারিক মামলা
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর মামলা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
৬৪২.
নিম্নলিখিত কোন আইনের ক্ষেত্রে The Evidence Act, 1872 প্রযোজ্য নয়?
  1. The Penal Code, 1860
  2. The Army Act, 1952
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. The Code of Civil Procedure, 1908
সঠিক উত্তর:
The Army Act, 1952
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Army Act, 1952
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army Act, 1952 অথবা The Naval Discipline Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act, 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে।

Section 1 ⇒ Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval Discipline Ordinance, 1961 or the Air Force Act, 1953 but not to affidavits presented to any Court or officer, nor to proceedings before an arbitrator.
৬৪৩.
"No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact" সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বলা আছে?
  1. ২৪
  2. ৩৪
  3. ১৩৪
  4. ১৩৩
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
⇒Section 134: Number of witnesses:- No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই।
⇒ শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।
⇒ সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল-'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
⇒ একজনের বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য অবিশ্বাস্য দশজনের সাক্ষ্যকেও হার মানাতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করে পরিবেশ পরিস্থিতির উপর।
⇒ যেমন- ধর্ষণের মামলায় ধর্ষিতার একক সাক্ষী অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। একইভাবে খুনের মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর বিশ্বাস করে আসামীকে দণ্ড দেয়া বিধিসম্মত হবে না।
৬৪৪.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের কোন তথ্য সঠিক বলে অনুমান করে?
  1. সমস্ত তথ্য সঠিক বলে ধরে নেয়।
  2. যাচাই করা হয়নি এমন সমস্ত তথ্য।
  3. যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
  4. তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর:
যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের "যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য" সঠিক বলে অনুমান করে।
- গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 ---------------
⇒ The Evidence Act, Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the subscriber accepted the certificate.
৬৪৫.
সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. অশালীন বা কুৎসাজনক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
  2. অপমান বা উত্যক্ত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
  3. যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশ্ন করা হলে আদালতের কর্মপদ্ধতি
  4. সত্যবাদিতা পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন করা হলে উত্তরের বিরোধিতায় সাক্ষ্য বর্জন
সঠিক উত্তর:
অপমান বা উত্যক্ত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপমান বা উত্যক্ত করার জন্য উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন প্রসঙ্গে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
যদি কোনো প্রশ্ন সাক্ষীকে অপমানিত বা উত্যক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে আদালত সেই প্রশ্নকে অগ্রাহ্য করতে পারে। অর্থাৎ এরকম প্রশ্নের প্রয়োজন নেই এবং আদালত এই ধরনের প্রশ্ন প্রসঙ্গে বর্জন করতে পারে।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৬৪৬.
'Evidence may be given of facts in issue and relevant facts' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫ ধারার বিধান বিচার্য ঘটনা ও প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে:
⇒ কোন মামলায় বা কার্যক্রমে বিচার্য প্রত্যেক বিষয়ের এবং এই আইনের অতঃপর যে সকল বিষয় প্রাসঙ্গিক বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে তাহাদের অস্তিত্ব বা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইতে পারে। ইহা ভিন্ন অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দেওয়া যাইবে না।
⇒ ব্যাখ্যা: দেওয়ানী কার্যবিধি সম্পর্কে বর্তমান প্রচলিত কোন আইন অনুসারে কোন ব্যাক্তি যে বিষয় প্রমাণ করার অধিকার নহে, এই ধারা অনুসারে সেই ব্যাক্তি সেই বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য দিতে পারে না।
--------------
⇒The Evidence Act,1872: Section 5. Evidence may be given of facts in issue and relevant facts:
Evidence may be given in any suit or proceeding of the existence or non-existence of every fact in issue and of such other fact as are hereinafter declared to be relevant, and of no others. 
Explanation.-This section shall not enable any person to give evidence of a fact which he is disentitled to prove by any provision of the law for the time being in force relating to Civil Procedure.
৬৪৭.
'Presumption as to digital records five years old' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৬৪৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী 'সাক্ষ্য'(Evidence) বলতে কী বোঝায়?
  1. Oral Evidence
  2. Documentary Evidence
  3. Forensic Evidence
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩ অনুযায়ী "Evidence" বলতে বোঝানো হয়েছে তিনটি বিষয়কে (1) Oral Evidence (2) Documentary Evidence (3) Forensic/Physical Evidence. 
অতএব, সবকিছু মিলিয়ে সঠিক উত্তর: All of the above.

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী, “Evidence” বলতে বোঝায়, 
১. মৌখিক সাক্ষ্য (Oral Evidence):
আদালতে সাক্ষীরা যে বক্তব্য প্রদান করেন, যা বিচারক গ্রহণ করেন—তা মৌখিক সাক্ষ্য।
২. লিখিত সাক্ষ্য বা নথিপত্র (Documentary Evidence):
যেকোনো কাগজপত্র, দলিল বা রেকর্ড যা আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।
৩) ফরেনসিক উপাদান (Physical/Forensic Evidence): সংশোধনের মাধ্যমে যুক্ত হওয়া এই অংশে বলা হয়েছে: DNA, রক্ত, চুল, বীর্য, আঙুলের ছাপ, চোখের মণির ছাপ, পায়ের ছাপ ইত্যাদি যা অপরাধ ও অভিযুক্তের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বা অপরাধ প্রমাণে সহায়ক।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৩ অনুযায়ী: "Evidence includes—
(1) all oral statements which the Court permits as testimony (oral evidence),
(2) all documents produced for inspection (documentary evidence), and
(3) forensic materials like DNA, fingerprints, etc."
৬৪৯.
'Opinion as to digital signature where relevant'- এটি কোন ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।

-----------
⇒ Opinion as to digital signature where relevant
Section 47A.  When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৬৫০.
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় কোনটি প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. বিচার্য বিষয়ের পরিণাম (effect)
  2. বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion)
  3. বিচার্য বিষয়ের কারণ (cause)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।
-----------------
⇒ Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Section 7. Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৬৫১.
কোন পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃ পরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে?
  1. পূর্বের বক্তব্যে ভূল শোধরানো
  2. পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
  3. কোন কিছু মিথ্যা প্রমান
  4. বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ
ব্যাখ্যা
♦ পুনঃজবানবন্দীর সংজ্ঞা (Re-Examination)- জেরার পরে জবানবন্দী গ্রহণকারী পক্ষ পুনরায় যখন জবানবন্দী নেন তখন তাকে পুনঃজবানবন্দী বলে। অর্থাৎ জেরার পর আহবানকারী পক্ষ আবার নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় পুনঃজবানবন্দি বা Re-Examination.
♦পুনঃজবানবন্দীর মূল উদ্দেশ্য হবে জেরার উল্লেখিত সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা। অর্থাৎ জেরা প্রসঙ্গে সাক্ষী যে সকল বিষয়ের উল্লেখ করে, পুনঃজবানবন্দীতে সেগুলির ব্যাখ্যা চাইতে হবে।
♦আদালত অনুমতি দিলে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয়ে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা যায়।
♦পুনঃ জবানবন্দীর সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে নতুন কোন বিষয়ের অবতারণা করে সাক্ষীকে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা বা Further cross-examination করতে পারে।
♦সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করলে তাকে বলা হয় জবানবন্দী, বিরুদ্ধ পক্ষ সাক্ষ্য গ্রহন করলে বলা হয় জেরা; অন্যদিকে নিজের সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করাকে পুনঃজবানবন্দী বলে।
♦জবানবন্দী ও জেরা অবশ্যই প্রাসঙ্গিক বিষয় সংশ্লিষ্ট হবে, তবে জেরা শুধু জবানবন্দীতে সাক্ষীর প্রদত্ত সাক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। অর্থাৎ সাক্ষী তার জবানবন্দিতে যে সকল ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছে, সেই সকল বিষয় ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে জেরা করা যাবে।
♦অর্থাৎ আহবানকারী পক্ষ নিজ স্বাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ করতে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে।
৬৫২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারামতে মামলার কোন পক্ষ তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. ধারা ১১০
  2. ধারা ১৩৫
  3. ধারা ১৩৭
  4. ধারা ১৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।
♦The Evidence Act, 1872 এর ১৫৪ ধারা অনুযায়ী বৈরী বা প্রতিকূল সাক্ষী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সাক্ষী আহবানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে এ রকম সাক্ষীকে সে সকল প্রশ্ন করতে পারবে যে সকল প্রশ্ন বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় করতে পারে।

♦অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারামতে মামলার কোন পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে তার নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে।
৬৫৩.
নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল হিসেবে ধারা ৭৪-এর অধীনে গণ্য হবে না?
  1. আদালতের রায়
  2. সরকারের আদেশ
  3. বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
  4. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৭৪ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হয় সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের কার্যাবলি বা রেকর্ড, সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলি, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কর্মকর্তাদের রেকর্ড, সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড।
- অন্যদিকে, বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র হলো দুই ব্যক্তির মধ্যে স্বেচ্ছায় সম্পাদিত একটি ব্যক্তিগত দলিল, এবং তা সরকারিভাবে সংরক্ষিত না থাকলে এটি সরকারি দলিল নয়।
তাই সঠিক উত্তর: গ) বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তিপত্র। 

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.

৬৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে–
  1. মৌখিক সাক্ষ্যে সংশোধন করা যাবে
  2. আদালত নিজে অর্থ নির্ধারণ করবে
  3. কেবল নোটারি স্বাক্ষর থাকলেই প্রমাণযোগ্য
  4. কোনো প্রমাণ দ্বারা অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রমাণ দ্বারা অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো প্রমাণ দ্বারা অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন কোনো দলিলের ভাষা অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন তার অর্থ বা ঘাটতি পূরণ করার জন্য বাহ্যিক কোনো প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ, যে দলিলের ভাষা নিজেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ, সেই দলিলের অর্থ ব্যাখ্যা করার জন্য বাহ্যিক তথ্য বা প্রমাণ ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়। দলিলের ভাষায় কোনো ঘাটতি বা অস্পষ্টতা থাকলে, তা সংশোধন করার জন্য আদালত কোনো বাহ্যিক প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না।
এটি দলিলের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করে, যাতে দলিলের অন্তর্নিহিত ভাষার সাথে কোনো বাইরের তথ্যকে মিলিয়ে অর্থ নির্ধারণ না করা হয়।
 
→ অর্থাৎ ধারা ৯৩ অনুযায়ী, যখন দলিলের ভাষা নিজের মধ্যেই অস্পষ্ট বা ত্রুটিপূর্ণ হয়, তখন বাহ্যিক কোনো তথ্য দিয়ে অর্থ ব্যাখ্যা বা ঘাটতি পূরণ করা যাবে না।

⇒The Evidence Act, 1872, Section- 93. Exclusion of evidence to explain or amend ambiguous document:
- When the language used in a document is, on its face, ambiguous or defective, evidence may not be given of facts which would show its meaning or supply its defects.
Illustrations:
(a) A agrees, in writing, to sell a horse to B for Taka 1,000 or Taka 1,500. Evidence cannot be given to show which price was to be given.
(b) A deed contains blanks. Evidence cannot be given of facts which would show how they were meant to be filled.
৬৫৫.
যে দলিল দাখিল করার জন্য কোন পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এমন দলিল প্রথমে দাখিল করতে অস্বীকার করলে পরবর্তীতে উক্ত দলিল -
  1. সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করতে পারে
  2. আদালতের সম্মতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে
  3. অন্য পক্ষের সম্মতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে
  4. অন্য পক্ষের সম্মতি/আদালতের আদেশ ব্যতিত ব্যবহার করতে পারবে না।
সঠিক উত্তর:
অন্য পক্ষের সম্মতি/আদালতের আদেশ ব্যতিত ব্যবহার করতে পারবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য পক্ষের সম্মতি/আদালতের আদেশ ব্যতিত ব্যবহার করতে পারবে না।
ব্যাখ্যা
- The Evidence Act 1872 এর ১৬৪ ধারার বিধান মতে কোন পক্ষকে দলিল দাখিল করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও যদি দলিল দাখিল করতে অস্বীকার করে পরবর্তীতে অপর পক্ষ বা আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত দলিল আদালতে দাখিল করতে পারবেন না।
৬৫৬.
‘ক’, ‘খ’-কে বিষ প্রয়োগ করেছে কি না এর বিচারে, বিষক্রিয়ার লক্ষণ প্রকাশের পূর্বে 'খ'-এর স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং 'খ' এর অভ্যাস 'ক'-এর জানা ছিল। এই জ্ঞান এই বিচারের সাক্ষ্য হিসেবে কোন ধারায় প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৬
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে এই ধরনের জ্ঞান যে বিষক্রিয়া ঘটনার মূল বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত এবং কারণ বা পরিণতির ধারাবাহিকতা তৈরি করতে সহায়ক, সেটি ধারা ৭ এর আওতায় প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুসারে যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি, তাৎক্ষণিক হোক বা না হোক, অথবা যা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে কিংবা ঘটনার সংঘটনের সুযোগ সৃষ্টি করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক (relevant) বলে বিবেচিত হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৭ এর বিধান: যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি:
যে সকল ঘটনা মূল বিষয়ের উপলক্ষ, কারণ বা পরিণতি, তাৎক্ষণিক বা অন্যথায়, প্রাসঙ্গিক ঘটনা বা মূল বিষয় ঘটনার জন্য, অথবা যেগুলো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত তৈরি করে, বা ঘটনার সংঘটনের সুযোগ সৃষ্টি করে, সেগুলো প্রাসঙ্গিক হবে।

উদাহরণ:
(ক) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে ডাকাতি করেছে?
যদি দেখা যায় যে, ডাকাতির ঠিক আগে B একটি মেলায় গিয়েছিল এবং তার কাছে টাকা ছিল, এমনকি সে তা অন্যদের দেখিয়েছিল বা বলেছিল—তাহলে এই বিষয়গুলো প্রাসঙ্গিক।
(খ) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে হত্যা করেছে?
যদি খুনের স্থান বা তার আশেপাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে এটি একটি প্রাসঙ্গিক তথ্য।
(গ) প্রশ্ন উঠেছে, A কি B-কে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেছে?
যদি B-এর স্বাস্থ্যের অবস্থা বিষক্রিয়ার লক্ষণ প্রকাশের আগেও খারাপ ছিল, অথবা A জানত যে B-এর কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস তাকে বিষ প্রয়োগের জন্য সহজ লক্ষ্য বানাতে পারে, তবে এই বিষয়গুলোও প্রাসঙ্গিক বলে বিবেচিত হবে।

⇒ The Evidence Act, Sections-7. Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.

Illustrations:
(a) The question is, whether A robbed B.
The facts that, shortly before the robbery, B went to a fair with money in his possession, and that he showed it or mentioned the fact that he had it, to third persons, are relevant.
(b) The question is, whether A murdered B.
Marks on the ground, produced by a struggle at or near the place where the murder was committed, are relevant facts.
(c) The question is, whether A poisoned B.
The state of B's health before the symptoms ascribed to poison, and habits of B, known to A, which afforded an opportunity for the administration of poison, are relevant facts.

৬৫৭.
মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. যা সাক্ষী নিজে শুনেছে
  2. যা সাক্ষী নিজে দেখেছে
  3. যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
  4. যা সাক্ষী নিজে অনুভব করেছে
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যা সাক্ষী অন্যের কাছ থেকে শুনেছে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে:
"Oral evidence must, in all cases whatsoever, be direct."
অর্থাৎ, যেকোনো ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে।

ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ, অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৬৫৮.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি আদালতে প্রমাণ করার প্রয়োজন হয়?
  1. অনুমিত বিষয়
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. প্রাসঙ্গিক বিষয়
  4. স্বীকৃতি বিষয়
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাসঙ্গিক বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৬৫৯.
কোর্ট মার্শালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হবে না যদি তা অনুষ্ঠিত হয়:
  1. আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২ এর অধীনে
  2. নৌ-শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে
  3. বিমান বাহিনী আইন, ১৯৫৩ এর অধীনে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১ অনুসারে, এই আইন বাংলাদেশের সকল বিচারিক কার্যক্রমে প্রযোজ্য, যার মধ্যে কোর্ট মার্শালও অন্তর্ভুক্ত। তবে, এটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২, নৌ-শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ, ১৯৬১, এবং বিমান বাহিনী আইন, ১৯৫৩-এর অধীনে অনুষ্ঠিত কোর্ট মার্শালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য হবে না। 
- অতএব, উপরের সবগুলো ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়-
ⅰ) The Army (সেনাবাহিনী) Act, 1962 অথবা The Naval Discipline (নৌ-শৃঙ্খলা) Ordinance, 1961 অথবা The Air Force Act (বিমান বাহিনী আইন), 1953 এর ক্ষেত্রে;
ii) আদালত বা বিচারকের নিকট দাখিলকৃত কোন হলফনামার (Affidavits) ক্ষেত্রে;
iii) কোন সালিশকারক বা Arbitrator এর সম্মুখে সংঘটিত কার্যাবলীর ক্ষেত্রে অর্থাৎ সালিশের ক্ষেত্রে;
iv) তদন্ত বা অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে; এবং
ⅳ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন প্রযোজ্য নয়।
---------------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section-1: Extent:
It extends to the whole of Bangladesh and applies to all judicial proceedings in or before any Court, including Courts-martial, other than Courts-martial convened under the Army Act, 1952, the Naval

৬৬০.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে cross-examination এ কোন ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায়?
  1. সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন
  2. সাক্ষীর পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন
  3. সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৪৬ অনুসারে, জেরায় (Cross-examination) সাক্ষীকে এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় যা নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে সহায়ক হয়: 
সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন (ক): জেরায় একটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাক্ষীর সাক্ষ্যের সত্যতা যাচাই করা। এটি সাক্ষীর দেওয়া তথ্যের সঠিকতা বা নির্ভরযোগ্যতা পরীক্ষা করার জন্য প্রশ্ন জিজ্ঞাসার মাধ্যমে করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষীর দেওয়া বিবৃতির সাথে তার পূর্বের বিবৃতি বা অন্য প্রমাণের অসঙ্গতি খুঁজে বের করা।
সাক্ষীর পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন (খ): জেরায় সাক্ষীর পরিচয়, পেশা, সামাজিক অবস্থান বা জীবনযাত্রা সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় যাতে তার প্রেক্ষাপট বোঝা যায়। এটি সাক্ষীর সাক্ষ্যের পটভূমি বা বিশ্বাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করতে সহায়ক হয়।
সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন (গ): জেরায় এমন প্রশ্ন করা যায় যা সাক্ষীর চরিত্র বা বিশ্বাসযোগ্যতার উপর প্রশ্ন তুলতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষীর পূর্বের অপরাধের রেকর্ড বা পক্ষপাতমূলক আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন করা যেতে পারে। তবে, ধারা ১৪৬-এর প্রোভাইসো অনুসারে, ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার মামলায় সাক্ষীর সাধারণ নৈতিক চরিত্র বা পূর্বের যৌন আচরণ সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যায় না, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে এবং তা ন্যায়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ জেরায় সাক্ষীর সত্যতা পরীক্ষা, তার পরিচয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার জন্য প্রশ্ন করা যায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো উপরের সবগুলো।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪৬ ধারার বিধান জেরায় আইনসঙ্গত প্রশ্ন: যখন সাক্ষীকে জেরা করা হয় তখন ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রশ্নসমূহ ছাড়াও এমন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যা দ্বারা:
১) তার সত্যবাদিতা পরীক্ষা করা যায়।
২) তার পরিচয় ও মর্যাদা জানা যায়, অথবা
৩) তার চরিত্রের প্রতি আঘাত করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা যায়, যদিও এরূপ প্রশ্নের উত্তরের দ্বারা তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সাথে জড়িত হতে পারে অথবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তার দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, ধর্ষণের অপরাধ বা ধর্ষণের চেষ্টার জন্য একটি মামলায়, দফা (৩) এর অধীনে ভিক্টিমের সাধারণ অনৈতিক চরিত্র বা পূর্ববর্তী যৌন আচরণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদে কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধরনের প্রশ্ন শুধুমাত্র আদালতের অনুমতি নিয়েই জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে, যদি এটি ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section-146. Questions lawful in cross-examination:
 When a witness is cross-examined, he may, in addition to the questions hereinbefore referred to, be asked any questions which tend –
(1) to test his veracity,
(2) to discover who he is and what is his position in life, or
(3) to shake his credit, by injuring his character, although the answer to such questions might tend directly or indirectly to criminate him or might expose or tend directly or indirectly to expose him to a penalty or forfeiture:
Provided that in a prosecution for an offence of rape or attempt to rape, no question under clause (3) can be asked in the cross-examination as to general immoral character or previous sexual behaviour of the victim:
Provided further that such question can only be asked with the permission of the Court, if it appears to the Court necessary for the ends of justice.

৬৬১.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ অনুসারে, পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান কার্যকর হতে হলে দলিলটি কোথা থেকে দাখিল করা উচিত?
  1. পুলিশের নিকট থেকে
  2. আদালতের রেজিস্ট্রি থেকে
  3. যেকোনো ব্যক্তির কাছ থেকে
  4. সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঠিক বা উপযুক্ত হেফাজত থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ (Section 90: Presumption as to documents thirty years old) অনুযায়ী, আদালত তখনই একটি ৩০ বছর বা ততোধিক পুরাতন দলিলের স্বাক্ষর ও সত্যতা সম্পর্কে অনুমান করতে পারে, যদি দলিলটি "উপযুক্ত হেফাজত" (proper custody) থেকে আদালতে উপস্থাপিত হয়।
 মূল বক্তব্য: “...is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper…”
- অর্থাৎ দলিলটি যেখানে থাকার কথা, সেখানেই যদি থাকে এবং সেখান থেকে আদালতে পেশ করা হয়, তাহলে সেই হেফাজতকে "উপযুক্ত হেফাজত" বলা হয়।
- যদি দলিলটি এমন কারো কাছ থেকে আসে যার কাছে থাকাটা অস্বাভাবিক, তাহলে আদালত প্রথমে খতিয়ে দেখবে, সেখানে থাকার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কি না।
- কিন্তু, যদি একটি দলিল কোনো অপ্রাসঙ্গিক বা সন্দেহজনক সূত্র থেকে পাওয়া যায়, তখন আদালত সেটিকে উপযুক্ত হেফাজত হিসাবে গণ্য নাও করতে পারে।

→ অতএব, আদালতের অনুমান কার্যকর হতে হলে দলিলটি অবশ্যই উপযুক্ত বা সঠিক হেফাজত থেকে দাখিল করা উচিত—যেমনটা ধারা ৯০ স্পষ্টভাবে বলে।
৬৬২.
নিম্নের কোনটি 'Principle of Estoppel' সম্পর্কে সঠিক নয়?
  1. এটি সংবিধিবদ্ধ আইনের বিরুদ্ধে কাজ করে না
  2. এটি আইনগত বিষয়ে প্রযোজ্য নয়
  3. এটির জন্য প্রতারণামূলক অভিপ্রায় আবশ্যক নয়
  4. এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
সঠিক উত্তর:
এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১১৫: স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel) - সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি। অর্থাৎ Principle of Estoppel দ্ব্যর্থবোধক হতে পারে না।

♦ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না”।

♦আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারে কিনা- প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর নিয়মটি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য হয়, আইন বিষয়ে নয়। অর্থাৎ আইন বলে কেউ যদি কোন অধিকার লাভ করে সেক্ষেত্রে Estoppel নীতি প্রয়োজ্য হবেনা।

♦ কোন আইনের বিধান বা আইন বলে পাওয়া অধিকারকে Estoppel নীতি প্রভাবিত করে না।

যেমন- কেউ যদি তার পিতার নিকট থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে কোন সম্পত্তির অধিকারী হয়, তাহলে সে ঐ সম্পত্তি নেবেনা বললেই পরবর্তীতে ঐ সম্পত্তি নিতে বাধাগ্রস্থ হবেনা। কারণ এটি তার আইন দ্বারা সৃষ্ট অধিকার। সুতরাং, আইনের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধক হতে পারেনা।
৬৬৩.
কোন সাক্ষীকে অধিকতর জেরা [further cross-examination] করা যেতে পারে যদি-
  1. জেরায় যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো ব্যখ্যা করতে
  2. পুনঃজবানবন্দিতে উল্লেখিত বিষয় অধিকতর ব্যাখ্যা করতে
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি নিয়ে পুনঃজবানবন্দিতে নতুন বিষয় উল্লেখ করলে
ব্যাখ্যা
♦পুনঃজবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে যদি কোন নতুন বিষয়ের সূচনা করা হয়, তবে সেই সকল বিষয়ে বিরুদ্ধ পক্ষ অধিকতর জেরা করতে পারে।
৬৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য কী উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. স্বাক্ষরিত আবেদন
  2. মূল দলিলের অনুলিপি
  3. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
  4. কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি
ব্যাখ্যা
→ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য তার প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি (Certified Copy) আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"

প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি কী?
→ এটি হলো সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সত্যায়িত অনুলিপি, যা মূল দলিলের সত্যতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।

উদাহরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি জমির খতিয়ানের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে চায়, তবে তিনি সেটির প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি জমা দিতে পারবেন, যা রাজস্ব দপ্তর থেকে সত্যায়িত হবে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা সহজ ভাষায়:
"সরকারি দলিলের কোনো অনুলিপি যদি সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত হয়, তাহলে সেটি আদালতে মূল দলিলের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.
৬৬৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুসারে, আদালত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে যদি রেকর্ডটি -
  1. সরকারি হেফাজতে থাকে
  2. ১ বছর পুরোনো হয়
  3. ৫ বছর পুরোনো হয়
  4. স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার দ্বারা তৈরি করা হয়
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে,
 তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.
৬৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা অনুসারে কোন ধরনের বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই?
  1. সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত বিষয়
  2. কোনো পক্ষের দাবি করা নতুন তথ্য
  3. প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণিত ঘটনা
  4. আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারিক দৃষ্টিগোচরে থাকা বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারা- বিচারিক দৃষ্টিগোচরে যে সকল বিষয় নেয়ার যোগ্য সেগুলো প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই:
যে বিষয়ে আদালত বিচারিক দৃষ্টিগোচর হিসেবে অবগত হবেন তা প্রমাণ করার অবশ্যকতা নেই। 

Section 56⇒ Fact judicially noticeable need not be proved:
No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৬৬৭.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে ৩০ বছর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে জীবিত বলে অনুমান করা হয়?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৮
  4. ধারা ১০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০৭
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১০৭ অনুসারে— যদি প্রমাণিত হয় যে কোনো ব্যক্তি বিগত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত ছিলেন, তাহলে আদালত তাকে জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য। এ ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি দাবি করে যে তিনি মৃত, তার ওপরই মৃত্যুর প্রমাণের ভার বর্তায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবৎ জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
-----------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 107: Burden of proving death of person known to have been alive within thirty years:  When the question is whether a man is alive or dead, and it is shown that he was alive within thirty years, the burden of proving that he is dead is on the person who affirms it.

৬৬৮.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯২ এর কোন Proviso অনুযায়ী প্রতারণা প্রমাণ করা যায়?
  1. Proviso-1
  2. Proviso-2
  3. Proviso-3
  4. Proviso-4
সঠিক উত্তর:
Proviso-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proviso-1
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯২ বলছে, যখন কোনো চুক্তি, অনুদান বা সম্পত্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত বিষয় লিখিত দলিল আকারে প্রমাণ করা হয়, তখন সাধারণভাবে কোনো মৌখিক চুক্তি বা বক্তব্য দ্বারা সেই দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করা যাবে না।
তবে, এর কিছু ব্যতিক্রম আছে যেগুলো প্রভিসো (Provisos) আকারে ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯২ এর Proviso-1 অনুযায়ী, যেকোনো তথ্য প্রমাণ করা যেতে পারে যা কোনো দলিলকে অবৈধ করে বা যা কোনো ব্যক্তিকে সেই সম্পর্কে কোনো ডিক্রি বা আদেশ পাওয়ার অধিকার দেয়। এর মধ্যে প্রতারণা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, অবৈধতা, যথাযথ সম্পাদনের অভাব, চুক্তিকারী পক্ষের সক্ষমতার অভাব, বিবেচনার অভাব বা ব্যর্থতা, অথবা তথ্য বা আইনের ভুল অন্তর্ভুক্ত।

- সুতরাং, একটি দলিলের ক্ষেত্রে প্রতারণা প্রমাণ করতে হলে Proviso-1 ব্যবহার করতে হবে।

- Proviso-1
"Any fact may be proved which would invalidate any document, or which would entitle any person to any decree or order relating thereto; such as fraud, intimidation, illegality, want of due execution, want of capacity in any contracting party, want or failure of consideration, or mistake in fact or law."
- অর্থাৎ, প্রতারণা (fraud), ভয়ভীতি, বেআইনি বিষয়, বৈধতা না থাকা ইত্যাদি কোনো কারণে যদি দলিলটি অবৈধ হয়, তা প্রমাণ করা মৌখিক সাক্ষ্যে সম্ভব — এবং এই ব্যতিক্রম অনুমোদন করে Proviso-1।
৬৬৯.
স্বীকৃতি বিষয়ে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১৯ থেকে ২১ ধারায়
  2. ১৭ থেকে ২০ ধারায়
  3. ২৪ থেকে ২৫ ধারায়
  4. ২২ থেকে ৩০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ২০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ থেকে ২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ স্বীকৃতির সংজ্ঞা (Defintion of Admission)- সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে, তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে।

সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।

-----------
⇒ Admission defined:
Section 17. An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৬৭০.
Execution of a 30 years old document may be presumed to be correct , if it is-
  1. Produced from a Lawyer
  2. Produced from a witness
  3. Produced from any custody
  4. Produced from a proper custody
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

⇒ ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 90. Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 

⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 
⇒ This explanation applies also to section 81.
৬৭১.
পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
  2. নিরপেক্ষ স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে
  3. স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
  4. স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বীকারোক্তি মতে আলামত উদ্ধার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারার বিধান:  আসামীর নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটুকু প্রমাণ হতে পারে: পুলিশ অফিসারের হেফাজতে থাকা কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে সাক্ষ্য হতে প্রাপ্ত কোন তথ্যে যদি এমন বিষয় উদঘাটিত হয় যা ঘটনার সাথে স্পষ্টরূপে সম্পর্কযুক্ত হয় তবে তা দোষ স্বীকার হোক বা না হোক প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে পুলিশকে দেওয়া বিবৃতির ভিত্তিতে পুলিশ যদি কোন আলামত উদ্ধার করে, যতটুকু আলামত উদ্ধার হবে তা আদালতে প্রাসঙ্গিক এবং প্রমাণযোগ্য হবে।

⇒ ২৫ ও ২৬ ধারার ব্যতিক্রম বলা আছে ২৭ ধারায়।
৬৭২.
সাক্ষ্য আইনের চূড়ান্ত খসড়া কে প্রস্তুত করেন এবং প্রণয়ন করেন?
  1. স্যার বেথুন
  2. লর্ড কার্জন
  3. স্যার হেনরি ডাফিন
  4. স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
সঠিক উত্তর:
স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (The Evidence Act, 1872) ভারতীয় উপমহাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law), যা আদালতে তথ্য প্রমাণ গ্রহণ ও তার প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণের নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে।
→ সর্বপ্রথম খসড়া: ১৮৫০ সালে স্যার হেনরি সামার মেইন একটি প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছিলেন, কিন্তু সেটি ছিল ভারতে ব্যবহারের জন্য অনুপযুক্ত।
→ চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুতকারী: পরবর্তীতে ১৮৭১ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন (Sir James Fitzjames Stephen)-কে এই আইনের চূড়ান্ত খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়। তিনি সফলভাবে একটি সুসংহত এবং আদালত-উপযোগী আইন প্রণয়ন করেন। 
→ আইন প্রণয়ন ও কার্যকর:
প্রণয়ন: ১৮৭২ সালের ১৫ই মার্চ
কার্যকর: ১৮৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর
এই আইনটি এতটাই কার্যকর ছিল যে, তা উপমহাদেশের তৎকালীন ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এখনো কিছু সংশোধনসহ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

→ তাই সঠিক উত্তর: ঘ) স্যার জেমস ফিটজজেমস স্টিফেন, কারণ তিনিই চূড়ান্তভাবে সাক্ষ্য আইনের খসড়া প্রস্তুত করে তা কার্যকর করেন।
৬৭৩.
যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি এইরুপ দাবী উত্থাপন করে যে অপরাধ সংঘটনের সময় সে ঘটনাস্থল হইতে এত দূরে অবস্থান করিয়াছিল যে তাহার পক্ষে এই অপরাধে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়, এইরুপ আর্জিকে কি বলা হয়?
  1. Plea of immunity
  2. Plea of Credibility
  3. Plea of Alibi
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Plea of Alibi
ব্যাখ্যা
⇒ যেসব ঘটনা অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়, সেগুলোও ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে যদি সেগুলো বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয় অথবা কোনোভাবে বিচার্য বিষয়ের অস্তিত্ব বা অনস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে অর্থাৎ বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অস্তিত্বহীনতাকে অধিকভাবে সম্ভব বা অসম্ভব করে তুলে। নিম্নোক্ত পাঁচ প্রকারের ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। যথা-
i) অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থলে আসামীর অনুপস্থিতি (Plea of Alibi) অর্থাৎ যদি দেখা যায় আসামী অপরাধ সংঘটনকালে ঘটনাস্থল হতে বহু দূরে ছিল তাহলে তা প্রাসঙ্গিক হবে;
ii) সন্তান জারজ কি-না এই প্রশ্নে স্ত্রীর নিকট হতে স্বামীর দূরে থাকার ঘটনা;
iii) কথিত মৃত ব্যক্তি জীবিত আছে এমন ঘটনা;
iv) অভিযুক্ত ব্যক্তি খুন করেছে এই প্রশ্নে, অন্য ব্যক্তি খুন করেছে-এরূপ ঘটনা; অথবা
v) অভিযুক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে এ প্রশ্নে, আহত ব্যক্তি নিজে আঘাত (Self-harming) করেছে-এরূপ ঘটনা ১১ ধারায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে।

⇒ Plea of Alibi- সাক্ষ্য আইনের ১১ ধারায় Plea of Alibi-কে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। Alibi অর্থ হলো অন্যত্র (Elsewhere), আর Plea of Alibi এর আক্ষরিক অর্থ হল অন্যত্র অবস্থানের অজুহাত। এই শব্দটি ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

⇒ ফৌজদারি মামলায় আসামী এই মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে যে, অপরাধ সংঘটনকালে সে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল না বা যে ঘটনার জন্য কোন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, ঘটনার সময় সে অন্যত্র ছিল। ফলে সে ঐ অপরাধের জন্য দায়ী নয় ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারামতে অপরাধ সংঘটনকালে আসামী অন্যত্র অবস্থানের দাবি করলে উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণ তাকেই উপস্থাপন করতে হয়। অর্থাৎ অন্যত্র থাকার অজুহাত বা Plea of Alibi প্রমাণের ভার অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর বর্তায়।
৬৭৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে "Conclusive proof" এর ক্ষেত্রে আদালত কী করবে?
  1. আরো প্রমাণ চাইবে
  2. সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবে
  3. বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে
  4. বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
সঠিক উত্তর:
বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে না
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৪ অনুসারে, "Conclusive proof" (চূড়ান্ত প্রমাণ) বলতে এমন প্রমাণ বোঝায় যেখানে একটি তথ্য প্রমাণিত হলে আদালত অন্য তথ্যটিকে প্রমাণিত হিসেবে গ্রহণ করবে এবং এর বিপরীতে কোনো সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দেবে না।
অর্থাৎ, চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত বিপরীত সাক্ষ্য বিবেচনা করবে না।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) আরো প্রমাণ চাইবে: ভুল, কারণ চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আরো প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।
খ) সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবে: ভুল, কারণ চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, স্থগিত করে না।
গ) বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করবে: ভুল, কারণ ধারা ৪ স্পষ্টভাবে বলে যে চূড়ান্ত প্রমাণের ক্ষেত্রে বিপরীত সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে না।
---------
⇒ The Evidence Act,1872, Section-4-“Conclusive proof”:
- When one fact is declared by this Act to be conclusive proof of another, the Court shall, on proof of the one fact, regard the other as proved, and shall not allow evidence to be given for the purpose of disproving it.

৬৭৫.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর কোন ধারায় সাক্ষ্য আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ বা বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ ধারায়
  2. ৩ ধারায়
  3. ৪ ধারায়
  4. ৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৩ ধারায় এই আইনে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ বা বিষয়ের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এটি "Interpretation clause" নামে পরিচিত, যেখানে "সাক্ষ্য", "প্রমাণ", "প্রাসঙ্গিক তথ্য" ইত্যাদির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

১. আদালত (Court):
এটি বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত, যারা আইনত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা রাখেন। তবে সালিস (Arbitrator) আদালতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

২. তথ্য (Fact):
তথ্য বলতে বোঝানো হয়েছে – ইন্দ্রিয় দ্বারা অনুভূত হতে পারে এমন বস্তু, ঘটনা বা অবস্থা। কোন ব্যক্তির মানসিক অবস্থা, যেমন—ইচ্ছা, বিশ্বাস, প্রতারণা বা সৎ উদ্দেশ্য।

৩. প্রাসঙ্গিক তথ্য (Relevant Fact):
যে তথ্য অন্য তথ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং মামলার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

৪. বিচারাধীন তথ্য (Facts in Issue):
যে তথ্যের সত্যতা বা মিথ্যতা আদালতের সামনে প্রমাণ করতে হয়, যা মামলার ফলাফলে প্রভাব ফেলে।

৫. দলিল (Document):
লেখা, চিত্র, মানচিত্র, খোদাই করা শিলালিপি, কার্টুন ইত্যাদি, যা কোনো বিষয় রেকর্ড করতে ব্যবহৃত হয়।

৬. সাক্ষ্য (Evidence):
মৌখিক সাক্ষ্য: আদালতে সাক্ষীর দেওয়া বক্তব্য।
দলিলগত সাক্ষ্য: আদালতে উপস্থাপিত কাগজপত্র বা নথি।
ফরেনসিক সাক্ষ্য: রক্ত, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ ইত্যাদি।

৭. প্রমাণ (Proof):
প্রমাণিত (Proved): যখন আদালত কোনো তথ্যকে সত্য বলে ধরে নেয়।
অপ্রমাণিত (Disproved): যখন আদালত কোনো তথ্যকে মিথ্যা বলে ধরে নেয়।
প্রমাণিত নয় (Not Proved): যখন তথ্য প্রমাণ বা অপ্রমাণ – কোনো অবস্থাতেই পৌঁছায় না।
৬৭৬.
According to Section 105, who has the burden to prove that the case falls under any general or special exception?
  1. The Police
  2. The Court
  3. The Prosecution
  4. The Accused
সঠিক উত্তর:
The Accused
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Accused
ব্যাখ্যা
 Section 105- Burden of proving that case of accused comes within exceptions:
When a person is accused of any offence, the burden of proving the existence of circumstances bringing the case within any of the General Exceptions in the Penal Code, or within any special exception or proviso contained in any other part of the same Code, or in any law defining the offence, is upon him, and the Court shall presume the absence of such circumstances.

• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আসামী দাবি করে যে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে সেই দাবি প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে আসামী পক্ষের। বলা আছে-
"দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রম যে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সেই সমস্ত ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য এই দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং এই ব্যতিক্রমের উপস্থিতি প্রমাণ করতে হবে।"

অর্থাৎ, যদি আসামীপক্ষ দাবি করে যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দণ্ডবিধির সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতাভুক্ত, তাহলে শুধু দাবি করা যথেষ্ট নয়, বরং তাদেরকে সেই দাবি প্রমাণ করতে হবে। প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে আসামীপক্ষের।
৬৭৭.
The Evidence Act,1872 এর ১৪ ধারাটি নিচের কোন মানসিক অবস্থার সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. সদবিশ্বাস (Good faith)
  2. অভিপ্রায় (Intention)
  3. উদ্দেশ্য (Motive)
  4. জ্ঞান (Knowledge)
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য (Motive)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উদ্দেশ্য (Motive)
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ধারা ১৪ এর আওতায় যেসব মানসিক অবস্থার (state of mind) প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো: অভিপ্রায় (intention), জ্ঞান (knowledge), সদবিশ্বাস (good faith), অবহেলা (negligence), দ্রুততা (rashness), শত্রুতা (ill-will), এবং সৌজন্য (good-will)। এই ধারাটি কোনো মানসিক অবস্থা বা শারীরিক অবস্থা/অনুভূতির অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের বিষয়ে আলোচনা করে, যখন সেটি মামলায় প্রশ্নবিদ্ধ বা প্রাসঙ্গিক হয়।

প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলো বিশ্লেষণ করলে:
→ সদবিশ্বাস (Good faith): ধারা ১৪ এর মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ f, g, h)।
→ অভিপ্রায় (Intention): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ e, i, j)।
→ জ্ঞান (Knowledge): ধারা ১৪ এর মধ্যে উল্লেখ আছে (যেমন, উদাহরণ a, b, d)।
→ উদ্দেশ্য (Motive): ধারা ১৪ এর মধ্যে সরাসরি উল্লেখ নেই। উদ্দেশ্য (motive) সাধারণত ধারা ৮ এর আওতায় প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে কোনো কাজের প্রস্তুতি, আচরণ, বা উদ্দেশ্য প্রমাণের জন্য তথ্য প্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হয়। ধারা ১৪ এর উদাহরণ বা ব্যাখ্যায় উদ্দেশ্য (motive) সরাসরি কোনো মানসিক অবস্থা হিসেবে উল্লেখিত নয়।
সুতরাং, ধারা ১৪ এর সাথে উদ্দেশ্য (motive) সম্পৃক্ত নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারা মতে:যেসব ঘটনা হতে ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা, উগ্রতা অথবা কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি সদিচ্ছা/অসদিচ্ছা (intention, knowledge, good faith, negligence, rashness, ill-will, or good-will towards any particular person) প্রভৃতি মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়; অথবা কোন শারীরিক অবস্থা বা শারীরিক অনুভূতির (any state of body or bodily feeling) অস্তিত্ব প্রতীয়মান হয়, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসিক বা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক হয়।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ- ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।
⇒ ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।
⇒ ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৬৭৮.
আদালত কোন ক্ষেত্রে কোনো বই সম্পর্কে অনুমান করতে পারে?
  1. যদি বইটি কোনো ব্যক্তিগত ডায়েরি হয়
  2. যদি এটি শুধুমাত্র সরকারি প্রকাশনা হয়
  3. যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি এটি জনস্বার্থ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৭: বই, মানচিত্র ও চার্ট সংক্রান্ত অনুমান:
আদালত অনুমান করতে পারে যে, কোনো বই যা জনস্বার্থ বা সাধারণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কোনো প্রকাশিত মানচিত্র বা চার্ট, যা মামলার প্রাসঙ্গিক তথ্য ধারণ করে এবং আদালতের পর্যালোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়—তা উক্ত লেখক বা প্রকাশকের দ্বারা নির্ধারিত সময় ও স্থানে লিখিত বা প্রকাশিত হয়েছে।

[The Court may presume that any book to which it may refer for information on matters of public or general interest, and that any published map or chart, the statements of which are relevant facts and which is produced for its inspection, was written and published by the person and at the time and place, by whom or at which it purports to have been written or published.]
৬৭৯.
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে ______________ বলে।
  1. স্বীকৃতি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. Best Evidence
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
ব্যাখ্যা
জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়। ]
৬৮০.
নিম্মলিখিত কোনটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য না?
  1. আদি যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রস্তুতকৃত কোন কপি
  2. মূল কপির সাথে তুলনা করে প্রস্তুতকৃত কপি
  3. কোন দলিল দেখেছে এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল বিষয়ে মৌখিক ব্যই বিবৃতি
  4. আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিলটি
ব্যাখ্যা
♦আদালতের নিরীক্ষার জন্য দাখিলকৃত স্বয়ং দলিল হলো প্রাথমিক সাক্ষ্য।
৬৮১.
নিম্নের কোন বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়?
  1. যেকোনো বিষয়ে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  2. শুধুমাত্র বিচার্য বিষয়ের উপরে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  3. শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
  4. বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় উভয় সম্পর্কে স্বীকৃতি প্রদান করা যায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারামতে মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি যা মামলার বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তের সূচনা করে,তাকে স্বীকৃতি বা admission বলে। সাক্ষ্য আইনের ১৭ থেকে ৩১ ধারা এবং দেওয়ানি কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান রয়েছে।


 স্বীকৃতির প্রকারভেদ- স্বীকৃতি সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
i) মৌখিক স্বীকৃতি (oral admission); এবং
ii) লিখিত স্বীকৃতি (written admission)।

৬৮২.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্বের বিষয়ে অভিমত প্রাসঙ্গিক হতে পারে?
  1. ৪৭ ধারায়
  2. ৪৮ ধারায়
  3. ৪৯ ধারায়
  4. ৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারায় অধিকার বা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত প্রাসঙ্গিক ধরা হয়েছে।
 
সাক্ষ্য আইনের ৪৮ ধারার বিধান- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।ঃ
ব্যাখ্যা: "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ট সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ:
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।
----------------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:
When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant. 
Explanation- The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration:
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
৬৮৩.
একটি দেওয়ানি মামলায় কোন ঘটনা প্রমানের জন্য সর্বনিম্ন যে কয়জন সাক্ষীর প্রয়োজন হয় তা-
  1. ১ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সংখ্যক নহে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের  ১৩৪ ধারার বিধান সাক্ষীর সংখ্যাঃ মামলায় কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন হইবে না।

♦Evidence Act Section 134. Number of witness: No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৬৮৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সাক্ষীর সংখ্যা সম্পর্কে বিধান দেওয়া আছে?
  1. ১২৯ ধারা
  2. ১৩৪ ধারা
  3. ১৪৩ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ঘটনার প্রমাণে সাক্ষীর নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রয়োজন নয়।
- অর্থাৎ, আদালতে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে কতজন সাক্ষী উপস্থিত থাকতে হবে তা নির্ধারণ করা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই; সাক্ষীর সংখ্যা বিচারক বা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে, তবে সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Evidence Act,1872, section-134. Number of witnesses:
No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.
৬৮৫.
কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন ?
  1. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
  2. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  3. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৬৮৬.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. আইনগত প্রশ্নে
  2. ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে
  3. দেওয়ানি মামলায়
  4. ব্যক্তি ও তার প্রতিনিধির মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রশ্নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রশ্নে
ব্যাখ্যা
⇒  Estoppel কেবল ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য; আইনগত অধিকার বা বিধান বিষয়ে এটি প্রযোজ্য নয়।

- Estoppel (স্বকার্যজনিত প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি নীতি, যা কাউকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির পরিপন্থী কথা বলার বা দাবি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যদি সেই পূর্ববর্তী আচরণ বা কথার ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

⇒ তবে এই নীতির প্রযোজ্যতা কিছু নির্দিষ্ট সীমারেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ:
- ঘটনাভিত্তিক প্রশ্নে (Questions of fact): যেমন, কে কী বলেছিল, কে কী কাজ করেছিল, কোনো জমি কার দখলে ছিল ইত্যাদি।
- দেওয়ানি মামলায় (Civil cases): বিশেষত অধিকার ও মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে।

আইনগত প্রশ্নে (Questions of law):
- যদি কোনো ব্যক্তি কোনো আইনগত অধিকার সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দেয় বা স্বীকার করে, তবুও Estoppel এর মাধ্যমে সে তার প্রকৃত আইনি অধিকার হারাবে না।
- অর্থাৎ আইন বিষয়ে ভুল বক্তব্য বা বিশ্বাস কাউকে তার আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না।

উদাহরণ:
যদি কেউ ভুল করে বলে যে তার কোনো জমির উপর মালিকানা নেই, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে আইন অনুযায়ী মালিক হয়, তাহলে পরে সে তার মালিকানা দাবি করলেও Estoppel তার বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না — কারণ এটি আইনের প্রশ্ন।

সঠিক উত্তর: ক) আইনগত প্রশ্নে।
৬৮৭.
'Fraud vitiates everything'- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৪২
  2. ৪৩
  3. ৪৪
  4. ৪১
সঠিক উত্তর:
৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ 'Fraud vitiates everything' নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৪৪ তে প্রতিফলিত হয়েছে।
- ধারা ৪৪ অনুযায়ী, যেকোনো পক্ষ যে কোনো মামলা বা প্রক্রিয়ায় এটি প্রমাণ করতে পারে যে, যেকোনো "judgment, order, or decree" যা ধারা ৪০, ৪১ বা ৪২ এর আওতাধীন এবং যে পক্ষ দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে, তা প্রতারণা বা একত্রিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অথবা অযোগ্য আদালত দ্বারা দেওয়া হয়েছিল।
- এখানে প্রতারণা বা collusion প্রমাণ করলে, সেই আদালতের সিদ্ধান্ত বৈধতা হারাবে এবং সেই সিদ্ধান্তটির প্রভাব সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। এটি সেই নীতির প্রতিফলন, যেখানে বলা হয়, প্রতারণা বা ষড়যন্ত্র দ্বারা কোনও কিছু অর্জন করলে, তা আইনত অসিদ্ধ হয়ে পড়ে, অর্থাৎ 'Fraud vitiates everything'।
- অতএব, এই নীতি অনুযায়ী, কোনো আদালতের দ্বারা প্রদত্ত সিদ্ধান্ত যদি প্রতারণা বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নেওয়া হয়, তবে সেটি প্রমাণিত হলে তা বিচারযোগ্য হবে না এবং সেটি বাতিল করা হবে।

⇒ The Evidence Act, 1872 , Section-44. Fraud or collusion in obtaining judgment, or in-competency of Court, may be proved:
Any party to a suit or other proceeding may show that any judgment, order or decree which is relevant under section 40, 41 or 42, and which has been proved by the adverse party, was delivered by a Court not competent to deliver it, or was obtained by fraud or collusion.
৬৮৮.
সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি কোন বিষয়ে প্রযোজ্য হয়?
  1. ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
  2. আইন বিষয়ক প্রশ্নে
  3. চুক্তি বিষয়ক প্রশ্নে
  4. সাক্ষ্য প্রদানের প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের Estoppel নীতি (প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা) হলো এমন একটি আইনি নীতি, যা কোনো ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির বিপরীতে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বাধা দেয়, যদি সেই ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে অন্য কোনো ব্যক্তি তার অবস্থান পরিবর্তন করে থাকে। এই নীতি সাক্ষ্য আইনের ধারা ১১৫ এর অধীনে বর্ণিত হয়েছে।
- Estoppel নীতি প্রযোজ্য হয় ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে (factual matters), অর্থাৎ যেসব ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি তার ইচ্ছাকৃত ঘোষণা, কাজ বা কার্যবিরতির মাধ্যমে অন্য কাউকে কোনো বিষয় সত্য বলে বিশ্বাস করিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে প্ররোচিত করে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে কোনো ব্যক্তি তার পূর্বের বক্তব্য বা আচরণের বিপরীতে গিয়ে অন্যের ক্ষতি করতে পারবে না।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে বলে যে একটি সম্পত্তি তার মালিকানাধীন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে অন্য ব্যক্তি সেই সম্পত্তি ক্রয় করে, তবে প্রথম ব্যক্তি পরবর্তীতে তার মালিকানা অস্বীকার করতে পারবে না।

অর্থাৎ Estoppel নীতি ঘটনা বিষয়ক প্রশ্নে প্রযোজ্য, কারণ এটি ব্যক্তির ঘোষণা বা কাজের উপর ভিত্তি করে কার্যকর হয়, আইনি অধিকার বা প্রক্রিয়াগত বিষয়ের উপর নয়।

৬৮৯.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক এর আওতায় পড়ে না?
  1. ডিজিটাল অফিসিয়াল গেজেট
  2. ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি
  3. সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন
  4. আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক অনুযায়ী, ডিজিটাল অফিসিয়াল গেজেট, সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন, এবং আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড আদালত স্বয়ংক্রিয়ভাবে যথার্থ বলে ধরে নিতে পারে, যদি এগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয় ও সঠিক হেফাজত থেকে আসে।

তবে, ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি কোনো সরকারি নথি বা আইন দ্বারা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতার আওতায় পড়ে না, তাই এটি ধারা ৮১ক-এর অনুমানের সুবিধা পাবে না। এটি আদালতে গ্রহণযোগ্য করতে হলে স্বতন্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

সাক্ষ্য আইনের ধারা ৮১ক (81A) মূলত দুই ধরনের ডিজিটাল রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সত্য বলে ধরে নেয়:
- অফিসিয়াল গেজেটের ডিজিটাল কপি
- আইন দ্বারা সংরক্ষণযোগ্য ডিজিটাল রেকর্ড
তবে সরকারি ডিজিটাল নোটিফিকেশন, ভূমি রেকর্ড, আদালতের আদেশ ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে ব্যক্তিগত ডায়েরির স্ক্যান কপি, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, ব্যক্তিগত চিঠি বা ছবি—এসব স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, অতিরিক্ত প্রমাণ লাগবে।
-------
⇒ The Evidence Act, 1872- Section-81A. Presumption as to Gazettes in digital forms:
 The Court shall presume the genuineness of every digital record purporting to be the Official Gazette, or purporting to be digital record directed by any law to be kept by any person, if such digital record is kept substantially in the form required by law and is produced from proper custody.

Explanation.-Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.]
৬৯০.
মৃত্যুকালীন ঘোষণার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কারো নিকট মৃত্যুকালীন ঘোষণা দেওয়া যায় না
  2. পুলিশের কাছে মৃত্যুকালীন ঘোষণা দিলে তা গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা কেবল ডাক্তার এর সামনে দেওয়া যাবে
  4. মৃত্যুকালীন ঘোষণা যে কোনো ব্যক্তির সামনে দেওয়া যাবে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা যে কোনো ব্যক্তির সামনে দেওয়া যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা যে কোনো ব্যক্তির সামনে দেওয়া যাবে
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act  এর ধারা-৩২(১) এর বিধান মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)-
সাক্ষ্য আইনে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিকে বোঝায়। ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি মৃত্যুর সম্মুখীন হয়ে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে বিবৃতি প্রদান করেন, তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বা dying declaration বলা হয়। মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারার আওতায় সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায়: ১. লিখিত ভাবে ২. ইশারায় ৩. মৌখিকভাবে।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রযোজ্য: দেওয়ানি মোকদ্দমা ও ফৌজদারি মামলা উভয় ক্ষেত্রেই।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা করা যায় যার নিকট: যেকোনো ব্যক্তির নিকট বা সামনে; যেমন: ডাক্তার, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট।
মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করার আগে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে- ঘোষণা প্রদানকারী মৃত [১০৪ ধারার বিধান]।

মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য হবে না: মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদানকারী মৃত্যুবরণ না করলে [বেঁচে থাকলে]; উক্ত ঘোষণা- সাক্ষ্যগত মূল্য হারাবে। তবে ধারা ১৪৫, ১৫৭ অনুযায়ী সমর্থনমূলক সাক্ষ্য [Dying Recognition] হিসাবে ব্যবহার করা যাবে।
৬৯১.
'ক' আদালতের কাছে বলছে যে, 'খ' এই অপরাধটি করেছে এবং তার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া হোক। এক্ষেত্রে-
  1. আদালত শাস্তি দিবে
  2. 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে সে নির্দোষ
  3. 'ক' কে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
  4. আদালতকে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
সঠিক উত্তর:
'ক' কে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' কে প্রমাণ করতে হবে 'খ' অপরাধী
ব্যাখ্যা
•The Evidence Act, 1872 এর ১০১ ধারা অনুযায়ী প্রমাণের দায়ভার বলতে বুঝায়- যদি কোন ব্যক্তি তার দাবি অনুযায়ী অন্যের বিরুদ্ধে রায় কামনা করে তাহলে উক্ত দাবীকৃত বিষয়ের অস্তিত্ব তাকেই প্রমাণ করতে হয়। অর্থাৎ, যে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো আইনগত অধিকার বা দায়িত্বের বিষয়ে আদালতের রায় চান, যা তার দাবীকৃত কিছু ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তাহলে তাকেই সেই ঘটনাগুলির অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে।

Section 101- Burden of proof:
Whoever desires any Court to give judgment as to any legal right or liability dependent on the existence of facts which he asserts, must prove that those facts exist. When a person is bound to prove the existence of any fact, it is said that the burden of proof lies on that person.

Illustrations
(a) A desires a Court to give judgment that B shall be punished for a crime which A says B has committed. A must prove that B has committed the crime.

এই ধারা অনুযায়ী,
যে ব্যক্তি অভিযোগ করেছে, তারই দায়িত্ব সেই অভিযোগের প্রমাণ পেশ করা। অর্থাৎ 'ক' যদি বলে যে 'খ' অপরাধী, তাহলে তা 'ক' এর দায়িত্ব প্রমাণ করার যে 'খ' সত্যিই ওই অপরাধটি করেছে। তাহলেই আদালত 'খ'-কে সেই অপরাধের জন্য শাস্তি দিতে পারবে।
৬৯২.
The Evidence Act,1872 is categorized under which type of law?
  1. Objective Law
  2. Procedural Law
  3. Substantive Law
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন একটি পদ্ধতিগত আইন বা ইংরেজিতে Procedural Law বা Adjective law. এই আইনের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, আদালত মামলার বিচার্য বিষয় প্রমাণের জন্য মামলার কোন পক্ষ কোন কোন বিষয়ের উপর সাক্ষ্য দিতে পারবে, কোনটিতে দিতে পারবে না, কোন সাক্ষ্যগুলো প্রাসঙ্গিক, কোনগুলো অপ্রাসঙ্গিক, গ্রহণযোগ্যতা, সাক্ষ্য সম্পর্কে আদালতের অনুমান, কে প্রমাণ করবে অর্থাৎ প্রমাণের ভার ইত্যাদি। 

⇒ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
⇒ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৬৯৩.
পূর্ববর্তী দণ্ড সম্পর্কে চার্জে উল্লেখ করা প্রয়োজন হলে তা যদি উল্লেখ করা না হয়, তাহলে উক্ত পূর্ববর্তী দণ্ড সম্পর্কে কোন বক্তব্য চার্জে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে-
  1. আদালতের নিজের ইচ্ছায়
  2. ফরিয়াদীর আবেদন অনুসারে
  3. রাষ্ট্র পক্ষের প্রসিকিউটরের আবেদনে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিজের ইচ্ছায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিজের ইচ্ছায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২২১(৭) মতে আসামী পূর্বে কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পরে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ডে বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দন্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়োজন হলে পরবর্তী অভিযোগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। এরূপ উল্লেখ করা না হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময় তা যোগ করতে পারবেন।
৬৯৪.
যদি কোনো স্বীকারোক্তি অন্যথায় প্রাসঙ্গিক হয়, তাহলে সাক্ষ্য আইনের ২৯ ধারার মতে কোন পরিস্থিতিতে উক্ত স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য হবে?
  1. অভিযুক্তকে প্রতারণার মাধ্যমে স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা হলে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষ স্বীকার করার সময় নেশাগ্রস্ত থাকলে
  3. স্বীকারোক্তি এমন প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া হলে, যার উত্তর দেওয়ার জন্য সে বাধ্য ছিল না
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৯: দোষ স্বীকারোক্তি গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি ইত্যাদির কারণে অপ্রাসঙ্গিক হবে না-

যদি কোনো স্বীকারোক্তি অন্যথায় প্রাসঙ্গিক হয়, তবে এটি নিম্নলিখিত কারণগুলোর জন্য অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে না—
- এটি গোপন রাখার প্রতিশ্রুতির অধীনে করা হয়েছে।
- এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির সাথে প্রতারণা করে গ্রহণ করা হয়েছে।
- এটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দিয়েছে।
- এটি এমন প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া হয়েছে, যার উত্তর দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি বাধ্য ছিল না।
- প্রশ্নগুলোর কাঠামো যাই হোক না কেন, স্বীকারোক্তিটি প্রাসঙ্গিক থাকবে।
- অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সতর্ক করা হয়নি যে, সে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নয় এবং এটি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে।

অর্থাৎ, উপরোক্ত কোনো কারণের জন্য দোষ স্বীকারোক্তি অগ্রহণযোগ্য বা অপ্রাসঙ্গিক হবে না, যদি তা আইনের দৃষ্টিতে প্রাসঙ্গিক হয়।
৬৯৫.
বিবাদীপক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?
  1. বাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
  2. বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেয়া
  4. মামলার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা
ব্যাখ্যা
বিবাদীপক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল বিবাদীর দাবীকে প্রমাণ করা।

বিবাদীর আহ্বানে যারা সাক্ষী দিতে আসে, তাদেরকে "প্রতিপক্ষ সাক্ষী" (Adverse Witness) বা "বিরোধী পক্ষের সাক্ষী" (Witness of the Opposite Party) বলা হয়। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৪৫ ধারায় এই ধরনের সাক্ষীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"A witness shall be subject to cross-examination by the adverse party as to any relevant matter..."
অর্থাৎ, প্রতিপক্ষের কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ে একজন সাক্ষীকে বিরোধী পক্ষ দ্বারা জেরা করা যেতে পারে।

বিবাদীর আহ্বানে আসা প্রতিপক্ষ সাক্ষীদের কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:
১. তারা সাক্ষ্য দেয় বিবাদীর পক্ষে।
২. তাদের বিরোধী পক্ষ জেরা করতে পারে।
৩. তাদের সাক্ষ্যকে মূল প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হয় না।
৪. তারা বিবাদীর সাক্ষ্যকে সমর্থন বা বাতিল করতে পারেন।
৫. তাদের সাক্ষ্য মূলত বিবাদীর দাবী প্রমাণের জন্য গ্রহণযোগ্য।

সুতরাং, বিবাদীর আহ্বানে যে সাক্ষীরা আসেন, তারা প্রতিপক্ষ সাক্ষী বা বিরোধী পক্ষের সাক্ষী নামে অভিহিত হন। তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিবাদীর দাবী প্রমাণিত করা হয়।
৬৯৬.
ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে-
  1. অনুমান করবে
  2. অনুমান করতে পারে
  3. অনুমান নাও করতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
অনুমান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমান করবে
ব্যাখ্যা
ধারা- ৮১ক: ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসাবে অনুমান:
আদালত সরকারী গেজেট বলে অভিহিত প্রতিটি ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা অনুমান করবে, বা কোনও ব্যক্তির দ্বারা রাখা হবে এমন কোনও আইন দ্বারা নির্দেশিত ডিজিটাল‌ রেকর্ডও হতে পারে, সত্যতা অনুমান করবে যদি এই জাতীয় ডিজিটাল রেকর্ড যথেষ্ট পরিমানে রাখা হয় আইন দ্বারা প্রয়োজনীয় কোন ফর্মে এবং যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল হয়।

ব্যাখ্যা: ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে বলা হবে যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে যেখানে এবং যার সাথে সেগুলি স্বাভাবিকভাবেই থাকে, তবে কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি প্রমাণিত হয় যে এটির বৈধ উৎস ছিল বা বিশেষ ক্ষেত্রের পরিস্থিতি এমন যে এমন একটি উৎপত্তি সম্ভাব্যতা প্রদান করা।

অর্থাৎ ডিজিটাল গেজেট যথাযথ হেফাজত থেকে দাখিল করা হলে আদালত তা অবশ্যই সঠিক হিসেবে অনুমান করবে। ডিজিটাল আকারে গেজেট হিসেবে আদালত 'shall presume' ধরে নিবেন।
৬৯৭.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী 'Facts in Issue' কত প্রকারের হয়ে থাকে?
  1. ৩ প্রকারের
  2. ২ প্রকারের
  3. ৪ প্রকারের
  4. ৬ প্রকারের
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকারের
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী, বিচার্য বিষয় বা Facts in Issue দুই প্রকারের হয়ে থাকে:

১. তথ্যগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই ঘটনাগত বা বাস্তবিক তথ্যসমূহ যা মামলার বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত এবং যেগুলির প্রমাণ প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি হত্যা মামলায় হত্যাকাণ্ডের সময়, স্থান ও নিহতের বয়স প্রভৃতি তথ্যগত বিচার্য বিষয়।

২. আইনগত বিচার্য বিষয়:
এগুলি হলো সেই আইনগত বিষয়সমূহ যেগুলির বিচার করা মামলার আওতাধীন এবং যেগুলি প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি চুরি মামলায় বিচার্য হবে যে আসামীর কাজটি আইনের ভাষায় চুরি কিনা।

এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২ এর ৩ ধারায় বিচার্য বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে:
"facts in issue" means and includes any fact from which, either by itself or in connection with other facts, the existence, non-existence, nature or extent of any right, liability or disability asserted or denied in any suit or proceeding necessarily follows."

"বিচার্য বিষয় বলতে বুঝায় এবং তা অন্তর্ভুক্ত করে এমন যে কোনো তথ্য যা নিজে কিংবা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেকোনো মামলা বা কার্যক্রমে অভিযুক্ত বা অস্বীকৃত যেকোনো অধিকার, দায়বদ্ধতা বা অক্ষমতার অস্তিত্ব, অনাস্তিত্ব, প্রকৃতি বা পরিমাণ অবশ্যম্ভাবীভাবে অনুসরণ করে।"

এই সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায় যে, বিচার্য বিষয় মামলার সাথে সম্পৃক্ত এমন যেকোনো তথ্য যা কোনো অধিকার, দায়িত্ব বা অসমর্থতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন। সুতরাং বিচার্য বিষয় উপরোক্ত দুই ধরণেরই হতে পারে।
৬৯৮.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে Estoppel কোন নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ হতে হবে
  2. আহ্বানকারী পক্ষ বৈরী সাক্ষীর জেরা করা যাবে না
  3. কথায় বা কাজে কারো ক্ষতি করা যাবে না
  4. কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো ব্যক্তির পরস্পর বিরোধি বক্তব্য গ্রহণীয় নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত।

⇒মূলত: কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই (Estoppel) এস্টপলের মূলনীতি।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫, ১১৬ ও ১১৭ ধারায় এস্টপেল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৮ ধারায় এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৩ ধারায় Estoppel সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি তার ঘোষনা, কাজ বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তিকে কোন বিষয়কে সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বলেছেন, তখন উক্ত ব্যক্তি বা তার মধ্যে অথবা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি তার পূর্বে প্রদত্ত ঘোষণা, কার্য বা কার্য বিরতির বিষয়টি অস্বীকার করতে পারবে না"।

⇒ প্রতিবন্ধ:- যেক্ষেত্রে এক ঘোষণা, কার্য বা কার্যবিররিত দ্বারা স্বেচ্ছায় অপর ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলে বিশ্বাস করিয়েছেন অতবা বিশ্বাস করতে দিয়েছেন এবং সে বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করতে দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে এদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মোকদ্দমায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি উক্ত প্রসঙ্গের সত্যতা অস্বীকার করতে পারবেন না।

⇒ The Evidence Act,1872: Section-115. Estoppel: When one person has, by his declaration, act or omission, intentionally caused or permitted another person to believe a thing to be true and to act upon such belief, neither he nor his representative shall be allowed, in any suit or proceeding between himself and such person or his representative, to deny the truth of that thing.
৬৯৯.
বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৬ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারার বিধান: বিচার্য ঘটনার উপলক্ষ্য, কারণ বা পরিণাম (Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue)-
⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয়ের উপলক্ষ্য (occasion), কারণ (cause) বা পরিণাম (effect); সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। এছাড়া যে অবস্থার প্রেক্ষাপটে কোন বিষয় ঘটেছে সেই অবস্থা গঠন করে এমন বিষয় বা কোন কার্য ঘটতে যে বিষয় সুযোগ করে দিয়েছে, সেই সকল বিষয়ও সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারায় প্রাসঙ্গিক।

যেমন- রহিম করিমকে খুন করার জন্য অভিযুক্ত। ঘটনাস্থলে ধস্তাধস্তির চিহ্ন প্রাসঙ্গিক ঘটনা। কারণ তা বিবেচ্য ঘটনার ফল বুঝাচ্ছে।

-----------------
⇒ Facts which are the occasion cause or effect of facts in issue:
Section 7. Facts which are the occasions, cause or effect, immediate or otherwise, of relevant facts, or facts in issue, or which constitute the state of things under which they happened, or which afforded an opportunity for their occurrence or transaction, are relevant.
৭০০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় প্রতিবন্ধক বা Estoppel এর বিধান আছে?
  1. ৩২
  2. ১০৫
  3. ১৫০
  4. ১১৫
সঠিক উত্তর:
১১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের  ১১৫ ধারার বিধান প্রতিবন্ধকঃ যখন এক ব্যক্তি তাহার ঘোষণা, কার্য বা কাৰ্য বিরতির দ্বারা স্বেচ্ছায় অন্য ব্যক্তিকে কিছু সত্য বলিয়া বিশ্বাস করাইয়াছেন বা বিশ্বাস করিতে দিয়াছেন এবং সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাজ করিতে দিয়াছেন, তখন উহাদের মধ্যে অথবা উহাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন মামলায় প্রথমোক্ত ব্যক্তি বা তাহার প্রতিনিধি উক্ত বিষয়ের সত্যতা অস্বীকার করিতে পারিবে না ।
♦স্বকার্যজনিত বাধা বা প্রতিবন্ধক (Estoppel)- সাক্ষ্য আইনে estoppel শব্দটি বহুল পরিচিত। সাধারণতঃ স্বকার্যজনিত বাধা বা Estoppel হচ্ছে যা একবার স্বীকার করে নেয়া হয় তা পরবর্তীতে অস্বীকার করার বাধা। অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের যে নীতি কোন ব্যক্তিকে তার পূর্বে প্রদত্ত কোন বক্তব্যকে পরবর্তীতে অস্বীকার করতে বিরত রাখে তা Estoppel বা প্রতিবন্ধক বা স্বকার্যজনিত বাধা নামে পরিচিত। মূলতঃ কোন ব্যক্তির পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য গ্রহণীয় নয়, এটাই এস্টপলের মূলনীতি।